• ১ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba Bardhaman

রাজ্য

বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে তরিদাহত হয়ে মৃত্যু হল এক কৃষকের

বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু হল এক কৃষকের। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটে বর্ধমানের জামালপুরে। জামালপুর থানার কানঘোষা গ্রামে শুক্রবার এক সরোজ মালিক (৩৩) নামে এক ব্যক্তি চাষের জমিতে যাওয়ার পথে বিদ্যুতের ছেঁড়া তাঁরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা যান বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। মৃতদেহ বাড়ির সামনে রেখে ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জামালপুর থানার পুলিশ। তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয়দের অভিযোগ একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানো স্বত্বেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এলাকাবাসী জানায়, এর আগে তড়িদাহত হয়ে গবাদি পশু মারা গেছে বেশ কিছু দিন আগে। তারপরেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলে।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজ্য

ডাম্পার ও বাইকের দুর্ঘটনায় বর্ধমানের জামালপুরে মৃত্য হল এক যুবকের

মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাইক আরোহীর। ঘটনা কে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের থানা মোড় সংলগ্ন এলাকায়। বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কা মোটরসাইকেলে। আরোহী ছিটকে পড়েন রাস্তায়। তারপরেই ডাম্পারের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে মর্মান্তিক পরিনতি বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা গেছে। ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ। চালক ও খালাসি পলাতক। মৃত বাইক আরোহীর নাম উজ্জ্বল কোটাল। বয়স ২৩ বছর। বাড়ি হুগলীর খানাকুলের রঘুনাথপুর এলাকায়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ বর্ধমান মর্গে।জানা গেছে, সুজিপুর থেকে জামালপুর হয়ে খানাকুল ফিরছিলেন উজ্জ্বল কোটাল বাইকে। সে সময় জামালপুর নেতাজী মাঠ এলাকায় থানা মোড় সংলগ্ন রাস্তায় বেপরোয়া ডাম্পার পিছন থেকে বাইকে ধাক্কা মারলে বিপত্তি ঘটে। কিছুক্ষণের জন্য মেমারী তারকেশ্বর রাস্তায় ব্যহত হয় যান চলাচল। জামালপুর থানার পুলিশ দ্রুত হাজির হয় ঘটনাস্থলে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। ঘাতক ডাম্পারের চালক খালাসি র খোঁজ চলছে ।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজ্য

অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে ভাইফোঁটা সারলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র

বাঙালির এই বিশেষ দিনে যখন সবাই পরিবারের নিজেদের নিয়ে আনন্দে মাতোয়ারা, ঠিক সেই সময় বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দিনটা কাটালেন অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের এক অনাথ আশ্রমের শিশুদের পাশে নিয়ে ভাইফোঁটায় অংশ নিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের নীলপুরের ব্লাইণ্ড একাডেমিতে প্রতিবছরের মত এবারও ভাইফোঁটার আয়োজন করা হয়। সেখানে নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে উপস্থিত হন দেবু টুডু। তিনি বলেন, আনন্দের দিনে অনাথ শিশুদের সঙ্গে নিয়ে সব কিছু ভাগ করে নিতেই তো প্রতিবছর হাজির হই ব্লাইণ্ড একাডেমিতে। তিনি আরও জানান, এবার নিজের সন্তানকেও তিনি এই আন্নন্দে সামিল করতে নিয়ে এসেছেন।ব্লাইণ্ড একাডেমির দায়িত্বে থাকা রায় চাঁদ সুরানা বলেন,আমাদের কোন নেশা নেই। এই বাচ্চাগুলোই আমার কাছে নেশা ও ভালোবাসা। ভাইফোঁটার আয়োজনে কোন খামতি ছিল না। নানার মিষ্টি, লুচি সবই ছিল থালায় সাজানো। বাচ্চারাও খুব খুশি আজকের বিশেষ দিনে।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

'অভিনব ভাই ফোঁটা' ভাই জ্ঞ্যানে গাছকে ফোঁটা আরভি ও আরশি-র

আয়োজন সবই ছিল। ফোঁটার চন্দন থেকে সব আনুষঙ্গিক আচার শুধু মানুষের বদলে গাছকে ফোঁটা দিলেন দুই বোন। তাদের কোনো ভাই নেই। তাই বৃক্ষপ্রেমী বাবা মায়ের উদ্যোগে এই অভিনব ফোঁটার অনুষ্ঠান হল পূর্ব বর্ধমানের মালিরবাগান এলাকায়। হাজির ছিলেন প্রতিবেশীরা।এই এলাকার আবু আজাদ বৃক্ষপ্রেমী বলে পরিচিত। প্রতিবছর অনেক গাছ বিতরণ করেন বর্ধমানের নানা এলাকায়। নিজেও লাগিয়েছেন অনেক গাছ। তার দুই ছোট মেয়েই গাছকে ফোঁটা দিল আজ। আবু আজাদ জানাচ্ছেন তার দুই মেয়ে আরভি মোল্লা ও আরশি মোল্লা। বড় মেয়ে বর্ধমানের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে। ছোট মেয়ে এখনও স্কুলে ভর্তি হয়নি, সে বাড়িতেই পড়ে মায়ের কাছে। আরভির স্কুলের বন্ধুদের থেকে শুনেছে ভাইকে ফোঁটা দিতে হয়। সে বাড়ি এসে বাবাকে জিজ্ঞেস করে বাবা আমাদের তো ভাই নেই আমরা কাকে ফোঁটা দেব? আজাদ জানান তিনি মেয়ের প্রশ্নের কোন উত্তর খুজে পান নি। সত্যি তো ওদের ভাই নেই, তাহলে কাকে ফোঁটা দেবে!তিনি জানাচ্ছেন, আমার স্ত্রীকে কথাটা বললাম। আমার স্ত্রী বললেন আমাদের তো কোনও ফোঁটা নেই। কিন্তু শিশু মন সেটা কি বোঝে? তাদের সেটা বলা যাবে না। আমি চিন্তায় পরে গেলাম কি করা যায়। শেষে আমার স্ত্রীর মাথা থেকে একটা সুন্দর ভাবনার কথা আমাকে বললেন, গাছের থেকে পরম আপন ভাই আর কে হবে। তাই আমরা স্বামী স্ত্রী মিলে উদ্যোগ নিলাম আমার মেয়েরা তাদের গাছ ভাইকে ফোঁটা দেবে।অন্যদিকে ছোট্ট আরভি জানিয়েছে, এবার থেকে গাছকে ভাই হিসেবেই দেখবে। তার যত্ন করবে। প্রতিবারই ফোঁটা দেবে গাছেদের। তাদের মা রেশমা খাতুনা জানান, তাদের মুসলিম পরিবারে ফোঁটার চলন নেই। কিন্তু মেয়ের আগ্রহের কাছে হার মেনেছেন তারা। গাছের চেয়ে আপন আর দীর্ঘদিনের সাথী আর কে হতে পারে? তাই গাছকেই ফোঁটা দেওয়া হল। তাঁদের এই অভিনব চিন্তা ভাবনে মন ছুঁয়ে গেছে স্থানীয় মানুষজনের।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
উৎসব

ভাইফোঁটা! একদিন আগে থেকেই মিষ্টির দোকানে লাইন

ভাইফোঁটা মানেই ভাইয়ের পাতে কিছু খাবারদাবার তুলে দিতে বোনের সাধ। আর তার সাথে নানা ধরণের মিষ্টি দিয়ে মিষ্টিমুখের পালা। দক্ষিণবঙ্গের বর্ধমানে মিষ্টির নানা ধরণের আধিপত্য কোন কাল থেকেই। তবে সবার উপরে রয়েছে জিআই ট্যাগ পাওয়া সীতাভোগ আর মিহিদানা। অন্য মিষ্টির সাথে এ দুটোও পড়বে ভাইয়ের পাতে।রাত পোহালেই ভাইফোঁটা। আর সকাল থেকেই মিষ্টির দোকানগুলোতে ভিড় জমেছে ক্রেতাদের। বাজারদরের সাথে পাল্লা দিয়ে এবারে মিষ্টির দামও বেড়েছে। কিন্তু দুবছর কোভিডের জেরে ভাইফোঁটা সেভাবে হয়নি। এবারে তাই তাগিদ বেশি। ক্রেতারা জানাচ্ছেন, ভাইফোঁটা উপলক্ষে অনেক স্পেশাল মিষ্টি তৈরি হয়। সেগুলো তারা কিনছেন। তার সাথে সীতাভোগ আর মিহিদানা সেটাও চাই।শহর বর্ধমানের এক মিষ্টি বিক্রেতা সৌমেন দাস জানান, এবারেও ভাইফোঁটা সন্দেশ সহ অন্য মিষ্টি হয়েছে। লোকে একটু হাল্কা মিষ্টি চাইছেন। তাই আমুলের বরফি সন্দেশ রয়েছে। রয়েছে চিলি রসগোল্লা। যা কাঁচালংকার ঝাল দিয়ে বানানো। আর সীতাভোগ মিহিদানা তো আছেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

হিন্দু ভাইয়ের কপালে ফোঁটা মুসলিম বোনেদের, উৎসবে মাতল বর্ধমান

উৎসবে ভেঙে গেল সংস্কারের অচলায়তন। সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনে মিলে গেল হিন্দু, মুসলিম। ভাতৃদ্বিতীয়ার শুভ লগ্নে ধর্মান্ধতার উর্দ্ধে উঠেবর্ধমান শহরের পঞ্চাশজন হিন্দু ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিলেন মুসলিম বোনেরা। ফোটা দিয়ে একে অপরের দীর্ঘায়ু কামনায় ব্রতী হলেন তাঁরা৷ সঙ্গে ছিল দেদার খাওয়াদাওয়া। শহরের কয়েকজন ছেলেমেয়ে মিলে আয়োজন করে এই ভাইফোঁটার। বেচারহাট শ্মশানতলা, মল্লিক পুকুর, গোলাহাট ও নতুন কলোনির দুঃস্থ পরিবারের পঞ্চাশ জন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এই ভাতৃদ্বিতীয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা তাদের বাড়ি থেকে অনুষ্ঠানস্থল পর্যন্ত নিয়ে আসা ও দিয়ে যাবার ব্যবস্থাও করেছিলেন।বর্ধমান শহরের আরামবাগ রোডে ম্যালেরিয়া মোড়ে অনুষ্ঠিত হয় অভিনব অনুষ্ঠানটি। সকালে সকলে এক জায়গায় একত্রিত হয়। তাদের জন্য ছিল সকালের জলখাবার। দুপুরে আহারে ছিল ভাত, ডাল, আলু পোস্ত, মুরগির মাংস, চাটনি,পাপড়, রসোগোল্লা, ল্যাংচা ও ছানার জিলাপি। বুধবার ৩টে ২৭ মিনিটের পর প্রতিপদ শেষ হয়ে দ্বিতীয়া শুরু হয়েছে। সেই সময় ধরেই বুধবার এই পঞ্চাশজন একত্রিত হয়েছিলেন একে অপরকে সৌহার্দ্য বিনিময়ে। ভাইয়েদের মঙ্গল কামনায় মুসলিম বোনেরা হিন্দু ভাইদের ফোঁটা দিলেন। সাথে ভাইয়েদের হাতে তুলে দিলেন পাঞ্জাবী ও জামা। অপরদিকে ভাইয়েরা বোনেদের হাতে তুলে দিলেন নতুন শাড়ি। অভিনব এই ভাতৃত্ব বন্ধন দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন উৎসাহী মানুষজন।

অক্টোবর ২৬, ২০২২
উৎসব

বিদ্যা ও সুন্দরের এক অমর প্রেম কাহিনী এই মন্দিরে কান পাতলেই শোনা যায়

বর্ধমানের বিদ্যাসুন্দর কালীপুজোর পেছনে জড়িয়ে রয়েছে এক প্রেমের গল্প ৷ তেজচাঁদ রাজার কন্যা বিদ্যা ও মন্দিরের পুজারি সুন্দরের ভালবাসার জোরে বন্ধ হয়েছিল মন্দিরের নরবলি প্রথা ৷ বর্ধমানের মহারাজা তেজচাঁদের আমল। বর্ধমানের বেশিরভাগ এলাকা ছিল ঘন জঙ্গলে ভর্তি। বিশেষ করে দামোদর তীরবর্তী তেজগঞ্জ এলাকায় ছিল আরও গভীর জঙ্গল। সেখানেই কালী মন্দিরে পুজো করতেন রাজা। ওই কালী মন্দিরে কেউ সচরাচর যেতেন না।কথিত আছে, যারা অন্যায় অত্যাচার করত, তাদের এই মন্দিরে দেবীর সামনে হাঁড়িকাঠে নরবলি দেওয়া হত। তাই সেই সময় এই কালী দক্ষিণ মশান কালী নামে পরিচিত ছিল। ফলে দিনের বেলাতেও ওই এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার কেউ খুব একটা সাহস করত না।রাজার এক কন্যা ছিল, নাম বিদ্যা৷ আর রাজবাড়ির পুজারি ছিলেন সুন্দর নামে এক যুবক। সুন্দরের আর্থিক অবস্থা মোটেই ভাল ছিল না। রাজবাড়িতে ফুল দিতে আসত মালিনী মাসি। সে প্রতি ঠাকুর বাড়িতে ফুলের মালা দিত। যথারীতি একদিন মালিনী মাসি মন্দিরে ফুলের মালা নিয়ে এসেছেন। সেই মালা দেখে পুজারি সুন্দর খুব আকৃষ্ট হন। তিনি মালিনী মাসিকে জিজ্ঞাসা করেন, এত সুন্দর ফুলের মালা কে গেঁথেছে? যে মালা গেঁথেছে তাকে দেখার জন্য ছটফট করতে থাকে সুন্দর। মালিনী মাসি তাকে বলে, রাজকুমারী বিদ্যা মালা গেঁথেছে। কিন্তু তাকে দেখা সম্ভব নয়।পরবর্তীকালে বিদ্যার সঙ্গে সুন্দরের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকী তারা নাকি মন্দিরের পাশ থেকে রাজবাড়ি পর্যন্ত একটা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ফেলে। সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে বিদ্যা ও সুন্দর একে-অপরের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতে যেতেন । একদিন চরের মাধ্যমে তেজচাঁদ বিদ্যা ও সুন্দরের প্রণয়ের ব্যাপারে জেনে ফেলেন। খবরটা কানে যেতেই রাজা প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি বিদ্যা এবং সুন্দরকে কালীর সামনে বলি দেওয়ার আদেশ দেন ৷ রাজার হুকুম মতো তাদেরকে বলি দিতে নিয়ে যাওয়া হয় কালী মন্দিরে। হাঁড়িকাঠে বিদ্যা ও সুন্দর দুজন ঢোকানোর পর খাঁড়া হাতে বলি দেওয়ার সময় কাপালিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বিদ্যা আর সুন্দর প্রেমিক প্রেমিকা মন্দির থেকে উধাও হয়ে যায়। রাজ্যপাট না থাকলেও এখনো প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই কালী মন্দিরে পুজো হয় বলে জানান সেবাইত আভা বটব্যাল। তবে জাঁকজমক এখন আর আগের মত নেই। মা এখানে পাষাণ মূর্তি। নিত্যদিন পুজো হয়।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

বর্ধমানের মা কঙ্কালেশ্বরী কালী চামুণ্ডা মতে পূজিত হন

বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নির্ণয করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা। গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী।আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড, শঙ্খ, চক্র, ধনুক, খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত স্বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷ বাংলার ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে দামোদরের বন্যার সময় বর্ধমান পশ্চিম নদীগর্ভ থেকে এই কালী মূর্তি পাওয়া যায়। মূর্তির বয়স আজ পর্যন্ত নি র্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মূর্তিটি কষ্টি পাথরে খোদিত এবং মানব কঙ্কালের মতো দেখতে। বিগ্রহটি অষ্টভূজা।গলায় নরমুণ্ডমালা,পাদতলে শিব স্থায়িত এবং শিবের নাভিকুণ্ড থেকে পদ্ম উঠেছে তার মধ্যে অষ্টভূজা কালী দাঁড়িয়ে। আর শিবের ছুইপাশে আছে দুই শখী। আটটি হাতে রয়েছে নরমৃণ্ড,শঙ্খ,চক্র,ধনুক,খড়গ,পাশি ইত্যাদি। কঙ্কালেশ্বরী কালীর দেহের শিরা উপশিরা গুলির নিখুঁত ভাস্কার্য আজও বর্তমান।এই মূর্তিটি বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিষ্তু মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন সাধক কমলাকান্ত। প্রথমে দিকে কক্কালেশ্বরী কালীর মূর্তিটি দামোদর নদে উল্টে পরেছিল।তার উপর ধোপারা জামা-কাপর কাঁচাকাচি করতো। একদিন মা কঙ্কালেশ্বরী কালী সাধক কমলাকান্তকে স্বপ্নাদেশ দেন যে দামোদর নদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করার। সাধক কমলাকান্ত বপ্নাদেশের কথা বর্ধমানের মহারাজা কে জানান। তখন মহারাজ সাধক কমলাকান্ত কে সঙ্গে নিয়ে দামোদর নদ থকে মা কক্কালেশ্বরী কালী কে তুলে নিয়ে এসে বর্ধমানের কাঞ্চননগরে রাজার তৈরি বিষ্কু মন্দিরে প্রতিষ্টা করেন।মা কঙ্কালেশ্বরী কালী এখানে চামুণ্ডা মতে পূজিত হয়। প্রতিদিন এখানে সন্ধ্যা আরুতি ও নিত্যসেবা হয়। কালী পুজোর দিন সকলা থেকে পুজো শুরু হয়। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত বহু ভক্তের সমাগম হয় কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দিরে। প্রায় ৬০ হাজার ভক্তের পাত পরে কালী পুজোর দিনে ।পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণও করা হয়।এখানে চামুণ্ডা মতে পুজো হওয়ার জন্য বলি হয় না৷

অক্টোবর ২৪, ২০২২
রাজ্য

প্রতিপদেই কালীপুজো! উল্টোপুড়ান বর্ধমানের এই গ্রামে, জানুন সেই কাহিনী

এই গ্রামে কালীপুজো হয় প্রতিপদে, আর্থাৎ পুজোর আগের দিন রাতে। গ্রামের নাম তরুল। পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষের এলাকায় এই তরুল গ্রাম। আড়াইশো বছরের বেশি সময় ধরে এভাবেই পুজো হয়ে আসছে।একটা বড় মাঠের মাঝখানে এই মন্দির। এখানেই নানা সহচর সহচরী নিয়ে দেবীর মূর্তি। জনশ্রুতি এই গ্রামের এক সাধিকাকে গ্রামের মানুষ দেবীর অংশ মনে করতেন। তাকে পুজো করা হয় এখানে। ভুত চতুর্দশীর রাতে ঘট তোলার পর পুজো শুরু হয়। সকালে হয় প্রসাদ বিতরণ। এই ভোগের পুরোটাই রান্না হয় তালপাতার জ্বাল দিয়ে। পরের দিন হাজার হাজার মানুষ ভোগের প্রসাদ খেতে আসেন। আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম থেকে মানুষের ঢল নামে।গ্রামবাসীরা জানালেন, এই পুজোর আসল মাহাত্ম খাওয়াদাওয়ায়। খাওয়াই এই পুজোর মূল ব্যাপার। একে একদিন আগে পুজো আর তারপর পাত পেতে হাজার হাজার মানুষের খাওয়া। দুটোই অভিনব।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

টুইন টাওয়ার ছেড়ে মানুষ ভিড় জমিয়েছে হরিনারায়নপুরের রুদ্রানীর 'পোড়ো বাড়িতে'

রাজ্যের শস্যভান্ডার বর্ধমানের প্রধান পুজো দুর্গাপুজো হলেও, দুর্গাপুজোর রেশকে অনেকটাই জিইয়ে রেখে শহর বর্ধমান মেতেছে কালীপুজোয়। দুর্গাপুজোর মতই কালীপুজোতেও শহরে আনাচে কানাচে থিমের রমরমা। এবারে কালী পুজোর বিশেষ আকর্ষণ সাম্প্রতিক সময়ে বহু চর্চিত টুইন টাওয়ার বর্ধমান শহরের পাড়াপুকুরের রাসবিহারি এ্যথলেটিক ইউনাইটেড ক্লাব। কালীপুজোতে বেশ কয়েক বছর ধরে নিত্যনতুন থিমের চমক দিচ্ছে তারা।গত বছর বুর্জ খালিফা করে শহরের নজর টেনেছিল এই ক্লাব। এবারে তাদের মণ্ডপের থিম- টুইন টাওয়ার। ৯/১১/২০০১ র যে টুইন টাওয়ার ভাঙা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তোলপাড় হয়। সেটাই এবার কালীপুজোর থিম ভাবনায় উঠে এসেছে। টিন,ফোম,দড়ি, থার্মোকল,বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। লাইট এণ্ড সাউণ্ডের মাধ্যমে আলোর খেলা দেখানো হবে মণ্ডপ জুড়ে। স্লট করে আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হবে। সঙ্গে ডাকের সাজের চিরায়ত প্রতিমা,কাঁচের চুমকির কাজে সজ্জিত মূর্তি।বনানী রায় ও ডঃ শিবকালী গুপ্তআলোর রোশনাই ছেড়ে এবারে দর্শকের মন কেড়েছে হটুদেওয়ান এলাকার বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের কালি পুজো। এবছর তাদের ১৪ তম বর্ষ। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁরা কালি পুজোতে নানা থিমের উদ্যোগ নিয়েছেন। এবছর তাঁদের কালি পুজোর ভাবনা রূদ্রানীর আদিবাস। রুদ্র মুর্তীর অধিষ্টাত্রী দেবী শ্যমা মায়ের পুজোয় ব্রতী হয়েছেন তাঁরা। প্রাচীন কালের ভগ্নপ্রায় মায়ের বাসস্থানকে থিম হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে।উদ্যোক্তা বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের সদস্য সৌম্য দাস জনতার কথা জানালেন, দুর্গা-প্রতিমা বিসর্জনের পরের দিন থেকেই তাঁরা এই পুজো আয়োজনে নেমে পড়েছেন। গতবছর তাঁরা ২৭ ফুটের সুউচ্চ প্যন্ডেল করেছিলেন। ভারতের সাধকেদের তাঁদের থিমের মধ্য দিয়ে সন্মান জ্ঞ্যাপন করেছেন। তিনি আরও জানান, এই এলাকায় সেই ভাবে কালী পুজো হতো না। আমদের পুজো উত্তরোত্তর জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় অনেক দূরদুরান্ত থেকে আমাদের পুজো দেখতে আসেন। সেই কারণে আমাদেরও দ্বায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে সেই ধারাকে বজায় রাখার। তিনি জানান এবারে তাঁরা ঠাকুর এনেছেন সুদুর হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়া থেকে, থিমের কারিগর এসেছেন গলসী থেকে। বাইরের কারিগরের সাথে তারাও সমান তালে হাত লাগিয়েছেন বলেই এত কম সময়ে এই পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।ক্লাবের আরও এক সদস্য শৈলেন বিশ্বাস জানান, তাঁরা এই থিম বানাতে যে সমস্ত দ্রব্য ব্যবহার করেছেন তার শতকরা নব্বই ভাগই পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশ সচেতনাতার বার্তা দেওয়ার জন্য তাঁরা প্লাস্টিকের ব্যবহার সেই ভাবে করেননি। তাঁদের এই থিমের মধ্যে দিয়ে এই বার্তা দিতে চাইছেন,যে ভাবে প্রাচীন বাড়িগুলি ভেঙে আবাসন গড়ে উঠছে শহর জুড়ে তাতে আর কিছুদিনের মধ্যেই আমরা প্রাচীন ইতিহ্য বলে যে একটা শব্দ আছে সেটাও ভুলতে বসবো।আমি সেই মেয়ে-তুনা রুদ্রপুজোর উদ্বোধন করেন বর্ধমান জেলা মহিলা থানার আই সি বনানী রায় ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলয়ের অধীনস্ত ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অধ্যাপক ডঃ শিবকালী গুপ্ত। বানানি রায় বলেন, দীপাবলি আলোর উৎসব, এই উৎসবে আমরা যেমন আমরা বাইরের জগৎটাকে আলো দিয়ে সাজায়, মা কালি যেন ঠিক সেই আলো দিয়েই মনের সব অন্ধকার কে দূর করে দেন। অপর অথিতি ডঃ শিবকালী গুপ্ত জানান, এই দীপাবলি যেন আমাদের মনের সব অন্ধকার দূর করে দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সমবেত চেষ্টায় করোনার মত অতিমারী কে দূর করতে পারছি, আমাদের সার্বিক চেষ্টায় সকল অন্ধকারও দূর হবে এই আশায় তিনি করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন তাঁরা। কচি কাঁচাদের নাচে গানে ভরে ওঠে পূজা প্রাঙ্গণ। বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী তুনা রুদ্রর নৃত্য পরিবেসন করেন। তাঁর আমি সেই মেয়ে দর্শকদের মন জয় করে নেয়। তাঁর এই অনুষ্ঠানে অভিনয়, অভিব্যক্তি দর্শকদের নির্বাক করে দেয়। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিল্পী জয়মাল্য ও চঞ্চল চৌধুরির শিবের সাক্ষাতকার এক অন্য মাত্রা যোগ করে। এছাড়াও নাচে, গানে, কবিতায় অংশগ্রহণ করেন নৈরিক ভকত, সম্পূর্না চক্রবর্তী, দিয়া সামন্ত,নিধি মণ্ডল, সংকলন চৌধুরী সহ আরও অনেকে।বাহির সর্ব্বমঙ্গলা দুর্গামাতা সংঘের আরও এক সদস্য চঞ্চল চৌধুরী জনতার কথা কে জানান, আগামী কাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টাই পুজো শুরু, মঙ্গলবার রাতে মায়ের ভোগ বিতরণ, বুধবার সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠানের শেষে মায়ের বিসর্জন। তিনি বর্ধমান বাসীকে জনতার কথার মাধ্যমে তাঁদের এই পুজোয় আমন্ত্রণ জানান।

অক্টোবর ২৪, ২০২২
উৎসব

সাধক কমলাকান্ত তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন

১৮০৫ খীষ্টাব্দে বর্ধমানের মহারাজ তেজচাঁদ বাহাদুর কোটালহাটে কমলাকান্তের কালি সাধন ও ভজনের জন্য মন্দির টি তৈরি করে দেন।সাধক কমলাকান্ত ভষ্টাচার্য ১৭৭২শরষ্টাব্দে বর্ধমানের তাঁর মাতুলালয়ের চান্না গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।তাঁর পিতার নাম মহেশ্বর ভট্টাচার্য এবং মাতার নাম মহামায়াদেবী। কিশোর বয়সে পিতার মৃত্যু হলে মা মহামায়াদেবী দুই শিশু পুত্র কমলাকান্ত ও শ্যামাকান্তকে নিয়ে পিত্রালয়ে চলে আসেন। মহামায়াদেবী কমলাকান্তকে পড়াশোনার জন্য টোলে ভর্তি করে দেন। টোলে পড়াশোনার পাশাপাশি কমলাকান্ত গোপনে সাধন ভজনের অনুশীলন শুরু করেন বর্ধমানের মহারাজা তেজচাঁদ বাহাদুরের গুরু এবং সভাকবি ছিলেন তিনি। তেজচাঁদের উচ্ছৃঙ্খল পুত্র প্রতাপচাঁদকে শিক্ষা দীক্ষায় উপযুক্ত করে তোলার জন্য কমলাকান্ত বর্ধমানে নিয়ে আসেন। এবং বর্ধমানের লাকুড্ডিতে কমলাকান্তকে থাকার জন্য ঘরও তৈরি করে দেন। প্রথমে লাকুড্ডিতে কমলাকান্ত মা কালীর সাধন ভজন শুরু করেন। কথিত আছে তিনি রাজা তেজচাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। কমলাকান্তের সাধনায় ও যোগবলে মুগ্ধ হয়ে রাজা তেজচাঁদ বাহাদুর ১৮০৫ খীষ্টাব্দে কোটালহাটে তাঁর সাধন ভজনের জন্য মন্দিরটি তৈরি করে দেন। এই মন্দিরেই কমলাকান্ত কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পঞ্চমুন্তীর আসনে বসে সাধনা করতেন।সাধনা করতে করতে এক দিন রাজা প্রতাপচাঁদকে মা কালীর পায়ে বেলকাঁটা ফুটিয়ে রক্ত বেড়করে দেখিয়ে ছিলেন মা জীবন্ত। শুধু তাই নয় কমলাকান্ত প্রায় শতাধিক ভক্তিগীতি রচনা করেছেন।১৮২০ শরীষ্টাব্দে সাধক কমলাকান্ত মা কালীর সামনেই মৃত্যুবরণ করেন মৃত্যুবরণের সময় বর্ধমানের মহারাজ তাঁকে গঙ্গায় নিয়ে যেতে গেলে তখন তিনি মাহারাজকে বলেন মাকে ছেড়ে তিনি যাবেনা।তখন মন্দিরের মাটি ফেটে গঙ্গার জল এসে সাধকের মুখে পড়ে। সাধক কমলাকান্তের দেহ সমাধিস্থ করা হয় মন্দিরের ভিতরে।তাঁর সমাধির উপরেই মা কালী প্রতিষ্ঠা করা আছে।কমলাকান্তের পুজোর আচার আচরন মেনেই এখনও পর্যন্ত কালীর পুজো হয়ে চলেছে এই মন্দিরে।প্রতি অমাবস্যায় মা কমলাকান্তকে মাগুর মাছ রান্না করে ভোগ দেওয়া হয়।এছারও প্রতিদিন দুবেলায় নিত্যসেবা ও সন্ধ্যা আরতি হয় এই কালি মন্দিরে।প্রথামেনে কালী পুজো দিন রাত্রি ১২ টা সময় ঘটে জল ভরে পুজো শুরু হয়।পুজোর সময় মন্দির প্রাঙ্গনে দূরদূরান্ত থেকে অসংখ ভক্তের সমাগম ঘটে।কালী পুজোর পরের দিন অন্নকুট মহোৎসব হয়।এবং ভাইফোঁটার দিন কালি মন্দিরে কমলাকান্ত দিবস পালন করা হয়।

অক্টোবর ২৩, ২০২২
রাজ্য

দলের ব্লক সভাপতিকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ দলেরেই পঞ্চায়েত প্রধানের

দলের কাজিয়া বিজয়া সম্মেলনের সভাতেও অব্যাহত। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের চকদীঘি কালিতলায় বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন করা হয় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উদ্যোগে।সেই সভায় জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহমুদ খানকে মুর্খ ও ক্লাস ফোর পাশ বলে কটাক্ষ করেন চকদীঘি পঞ্চায়েত প্রধান গৌড় সুন্দর মণ্ডল। তিনি বলেন, দলের সভাপতি শুক্রবার হাজার খানেক লোক নিয়ে বিজয়া সম্মেলনী করেন।কয়েকটা হার্মাদ নিয়ে তিনি দল করছেন। শনিবারের বিজয়া সম্মেলনে যাতে কর্মী সমর্থকরা না আসতে পারে, তারজন্য বাস ইউনিয়নকে চাপ দেওয়া হয়েছে। বাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবুও দলের কর্মী সমর্থকরা হাজির হয়েছেন।তিনি বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও জেলা সভাপতি বলেছেন সবাইকে নিয়ে চলতে।অথচ ব্লক সভাপতি পুরনো কর্মী সমর্থকদের বাদ দিয়ে হার্মাদ নিয়ে দল করছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২২
রাজ্য

চাকরি প্রার্থীদের পুলিশী হেনস্থার প্রতিবাদে ভাতারে বিক্ষোভ

আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের পুলিশী হেনস্থার জন্য উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজ্য জুড়ে চলছে বিরোধীদের প্রতিবাদ সভা। অন্যান্য জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার বিধানসভার বিজেপির পক্ষ থেকে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়।শনিবার ভাতার বিডি অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে চলে অবস্থান বিক্ষোভ। এদিনের বিক্ষোভ সভা থেকে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা, সহ-সভাপতি সঞ্জীব সেন সাধারণ সম্পাদক আশিস পাল।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ১৭ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের কালেখাতলা-১ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হৃষি এলাকায় শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের খাবার খেয়ে একই পরিবারের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পরে। শুক্রবার বিকালের পর থেকেই তাঁরা অসুস্থতা বেশি বোধ করায় পূর্বস্থলী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করানোর জন্য আসে ১৭ জন।পূর্বস্থলী হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসা জয়কৃষ্ণ দাস নামের এক ব্যক্তি বলেন, তার বাবা মারা যাওয়ার পর শ্রাদ্ধশান্তি অনুষ্ঠানের কাজ শেষে খাওয়াদাওয়ার করার পর বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে বমি পায়খানা শুরু হয়। আজ দুপুরের পর থেকে অবস্থা খারাপ হওয়ায় পূর্বস্থলী হাসপাতালে ১৭ জনকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে ১২ জন পূর্বস্থলী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এই ঘটনা বলে অনুমান হাসপাতালের স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ রায়ের।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে ফেলার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে

রাতের অন্ধকারে বিজেপির দলীয় পতাকা খুলে রাস্তায় ফেলা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের কার্জনগেট চত্বর থেকে বীরহাটা পর্যন্ত এলাকায়। কয়েকদিন ধরে শহরে জেলা বিজেপি ও বিজেপির যুবমোর্চার কয়েকটি কর্মসূচি ছিল, তাতে শহরের বেশ কিছু অংশে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। শুক্রবার রাতে বেশ কিছু দলীয় পতাকা রাস্তায় এবং রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হয় এবং সেই সব জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা উরতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দূষ্কৃতিরা তাদের দলীয় পতাকা খুলে ফেলে দিয়েছে বলে বিজেপির দাবী। এই বিষয়ে শুক্রবার রাতে বর্ধমান জেলা বিজেপির যুবমোর্চার পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বর্ধমান থানায়। অবিলম্বে পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনে নামবে জেলা যুবমোর্চার সদস্যরা বলে দাবী করেন জেলা বিজেপির যুবমোর্চার সভাপতি পূরব সাম। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২২, ২০২২
রাজনীতি

জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েত সমিতির মূল ফটকের পাশে ফেষ্টুন ঘিরে চাঞ্চল্য। নাম না করে বিজেপিকে তোপ পূর্ব-বর্ধমান জেলার তৃণমূলে মুখপাত্র দেবু টুডুর। পাশাপাশি বিজেপি র দাবি এই ফেষ্টুন জনরোষে মানুষ লাগিয়েছে।পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের পঞ্চায়েতে সমিতির অফিসের মূল ফটকের পাশেই আজ সকালে একটি ফেষ্টুন নজরে আসে এলাকার মানুষের। ফেষ্টুনে লেখা রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাটমানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা অবিলম্বে দিতে হবে। রাতারাতি বড়লোক হওয়া তৃণমূল নেতাদের অবিলম্বে টাকার হিসেব দিতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে কাজের নামে যে কাটমানি নেয়া হয়েছে তা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে।স্বাভাবিকভাবেই এই ফেষ্টুন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের ঝড় উঠেছে বর্ধমান জেলার জামালপুরে। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু জানান, যারা কেন্দ্রের টাকা দিচ্ছে না মানুষকে বঞ্চিত করছে তারাই রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে এবং আগামী দিনে যদি কেন্দ্র টাকা না দেয় আবাস যোজনা ও একশ দিনের কাজের। গ্রামে গ্রামে বৃহত্তর প্রতিবাদ গড়ে উঠবে। মানুষের কাছে এর জবাব দিতে হবে।পাশাপাশি বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, এলাকার মানুষ জনরোষে এই ফেষ্টুন লাগিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘিরে জামালপুরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

জাল ইঞ্জিন ওয়েল বিক্রীর অভিযোগে বাড়িতে হানা, বাবার অপমানে আত্মঘাতী মেয়ে

বাবার হেনস্থা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী মেয়ে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎই হেমায়েতপুর এলাকায় একটি মোটরসাইকেল স্পেয়ার পার্টসের দোকানে একটি নামী কোম্পানির লুব্রিকেন্ট কোম্পানির লোক ও নাদনঘাট থানা পুলিশ হানা দেয়। এর পর পরই বাবাকে হেনস্থা করছে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় মেধাবী ছাত্রী। তার পরই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হেমায়েতপুর মোড়ের কাছে মৃতদেহ নিয়ে পথ অবরোধে শামিল মৃত ছাত্রীর পরিবারের লোকেরা।মৃতের বাবার দাবি আজ দুপুরে হঠাৎই একটি অয়েল কোম্পানির লোকেরা এসে বলে, সে নাকি ডুপ্লিকেট ইঞ্জিন অয়েল বিক্রি করছে, এই অভিযোগ তুলে নাদনঘাট থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এসে তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং বেশ কিছু ইঞ্জিন অয়েল নিয়ে যায়। বাবাকে হেনস্তা করতে দেখে অপমানে আত্মঘাতী হয় ক্লাস টুয়েলভের ওই মেধাবী ছাত্রী।এর পরই হেমায়েতপুর মোড় এলাকায় পথ অবরোধে সামিল হন মৃতের আত্মীয় পরিজনেরা। মিনিট ত্রিশ অবরোধ চলার পর অবরোধ উঠে যায়। মৃত ওই ছাত্রীর নাম সৌমি সিংহ সে নবদ্বীপের তারাসুন্দরী স্কুলের ক্লাস টুয়েলভের ছাত্রী। মেয়ের মৃত্যুর পরই মৃত ওই ছাত্রীর বাবা ওই ইঞ্জিন অয়েল কোম্পানির আধিকারিক ও স্থানীয় এক দোকানদারের বিরুদ্ধে তাঁর মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজ্য

এজলাসের লড়াইয়ে মধূসূদনকে হারিয়ে মামলায় জিতলেন 'মা কালি'

মা কালী একেবারে আদালতের দরজায়। আজ বর্ধমানের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে একটি খুবই অন্যরকম মামলা হয়। মামলাটি হয় মধূসূদন বিশ্বাস বনাম দেবীপুর গ্রামবাসীর মধ্যে। মামলা হয় একটি জমিতে পুরনো পুজো চালানো নিয়ে। মামলায় জিতে পুজো চালিয়ে যাবার অধিকার পেলেন।এই পুজোটি প্রায় ৭৫ বছরের পুরনো। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার দেবীপুরে এই পুজোটি হয়ে আসছে ৭৫ বছর ধরে।গ্রামবাসীদের দাবি ওই পুজো অনেকদিনের। এখানে পুজো হয়। বড় মেলা বসে। মানুষের ভাবাবেগ জড়িয়ে আছে ওই পুজোর সাথে। তাদের বক্তব্য, মধুসূদন বিশ্বাস একজন পরিচিত জমির দালাল। সে ওই দেবোত্তর জায়গাটি কোনোভাবে হাতিয়ে নিয়ে বিক্রি করতে চায়। সেজন্য আদালতে সে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল যাতে পুজো না হয়। অন্যদিকে গ্রামবাসীদের দাবি; তারা ওখানে পুজো করতে চান। তাদের আর কোনো দাবি নেই। আদালতে বিচারক গ্রামবাসীদের বক্তব্য মেনে নেন। তিনি থানা ও ভূমি দপ্তরের কাছে এই নির্দেশ দেন যাতে এলাকাবাসী নির্বিঘ্নে পুজো করতে পারেন। একইসাথে থানাকে নির্দেশ দেন যাতে এলাকায় আইন শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২২
রাজ্য

রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে সড়কপথ অবরোধ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়

দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার অবস্থা বেহাল। আর রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে বুধবার পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামে পথ অবরোধ করলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। শেষে পুলিশের আশ্বাসে প্রায় আধঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।আউশগ্রাম কালীদহ রোডের সংস্কারের দাবিতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে গুসকরা ইলামবাজার সড়কপথ অবরোধ করেন। কালীদহ থেকে আউশগ্রাম আসার এই রাস্তাটি জেলাপরিষদের অধীনে । প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তায় রয়েছে একাধিক সেতুও। স্থানীয়রা জানান আউশগ্রামের কালীদহ, সিলুট, বসন্তপুর, বেরেণ্ডা, কুড়ুম্বা, সোমাইপুর প্রভৃতি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই রাস্তাটি বহুকাল ধরেই সংস্কার হয়নি। রাস্তার ওপর বড়বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সেতুগুলির অবস্থাও বেহাল। ফলে যাতায়াত করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, কালীদহ আউশগ্রাম রাস্তায় কুনুর নদীর কাঁদরের ওপর সেতুরও বেহাল অবস্থা। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেতুর ওপর থেকে যানবাহন নদীতে পড়ে গিয়েছে কিছুদিন আগে। এমন বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে স্থানীয় গ্রামবাসীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।অথচ বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন নিবেদন করেও কোনও সুরাহা মেলেনি। তারই প্রতিবাদে এদিন শুরু হয় অবরোধ। দাড়িয়ে পড়ে বেশকিছু যানবাহন। আউশগ্রাম ১ নম্বর বিডিও অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে জানান জেলাপরিষদের অধীনে রয়েছে ওই রাস্তা। সংস্কারের আবেদন জানিয়ে আগেই জেলাপরিষদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

রাজধানী অটকে পড়লো! দীর্ঘক্ষন লোকাল ট্রেনগুলিকে খানা তে আটকে রাখার প্রতিবাদে

যাত্রী বিক্ষোভের জেরে আটকে যায় রাজধানী এক্সপ্রেস। ডাউন রামপুরহাট বর্ধমান লোকালকে খানা জংশন স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখায় ক্ষুদ্ধ যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। ফলে ডাউন নয়াদিল্লি হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস থেমে যায়।প্রতিদিন লোকাল ট্রেন খানা জংশন স্টেশনে আটকে রেখে মেল এক্সপ্রেস ট্রেন পার করা হচ্ছে। তারই প্রতিবাদে রেল অবরোধ। ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পর অবরোধ ওঠে।তারপর রাজধানী সহ সব ট্রেনের চলাচল শুরু হয়। অবরোধের জেরে ডাউন কাজিরাঙ্গা এক্সপ্রেস আটক পড়ে বনপাস স্টেশনে। খানা জংশন স্টেশনে আটকে ছিল একটি সেলুনকার।বর্ধমান স্টেশন থেকে ছাড়তে দেরী হয় আপ বর্ধমান রামপুরহাট লোকাল।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে ছাপিয়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ভারতের প্রশংসা মার্কিন অ্যাডমিরালের! চাপে পাকিস্তান

অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আমেরিকার মুখে ভারতের প্রশংসা শোনা গেল। মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের প্রধান স্যামুয়েল জে পাপারো ভারতীয় সেনার সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যে পাকিস্তানের অস্বস্তি বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি নাম না করেও ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।রবিবার এক সাক্ষাৎকারে পাপারো বলেন, এই ধরনের সামরিক অভিযান যে কোনও শান্তিপ্রিয় দেশের কাছেই উদ্বেগের বিষয়। তবে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারত যেভাবে সংযম দেখিয়েছে, তা প্রশংসার যোগ্য। তিনি বলেন, ভারতীয় সেনার কৌশল ও পরিকল্পনা যথেষ্ট পরিণত এবং দায়িত্বশীল ছিল।সাক্ষাৎকারে তাঁকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ও চিনা সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। যদিও তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি, তবে বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগে থেকে প্রস্তুতি থাকা জরুরি। সব সময় সতর্ক থাকতে হয় এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায় স্পষ্ট, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোই একমাত্র পথ।এর পাশাপাশি চিনকে রুখতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিতও দেন মার্কিন সেনা আধিকারিক। তিনি জানান, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত স্বার্থ অনেকটাই এক। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। ভারত মহাসাগরে ভারতের ভূমিকার জন্য আমেরিকা কৃতজ্ঞ বলেও জানান তিনি। সার্বভৌমত্ব, নৌচলাচলের স্বাধীনতা এবং সমুদ্রের নিরাপত্তা এই নীতিগুলিতে দুই দেশই অটল বলে মন্তব্য করেন পাপারো।ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ এই অঞ্চলে বসবাস করেন। বিশ্বের মোট জিডিপির ৬০ শতাংশেরও বেশি আসে এখান থেকে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সামরিক শক্তির মধ্যে সাতটি এই অঞ্চলে অবস্থিত। তাই এখানে বাড়তে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী অংশীদারিত্ব অপরিহার্য।সব মিলিয়ে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ভারতের সংযম ও কৌশলের প্রশংসা করে আমেরিকার এই বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। বিশেষ করে পাকিস্তান ও চিনকে ঘিরে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমীকরণে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মুখে সিপিএমে বড় ভাঙন! রাজ্য কমিটি ছাড়লেন প্রতীক-উর-রহমান

ভোটের মুখে সিপিএমে বড়সড় ধাক্কা। দলের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক-উর-রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নিজের পদত্যাগপত্র দলকে পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন এসএফআই রাজ্য সভাপতি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পদত্যাগপত্রে প্রতীক-উর জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্ত ও কাজের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। সেই কারণে তিনি মানসিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়াই ঠিক বলে মনে করেছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি রাজনৈতিক পর্ব। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, নিজের দল নিয়ে ভোটে লড়বেন এবং তৃণমূল ছাড়া অন্য সব বিরোধী দলকে জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে সিপিএমকেও প্রস্তাব পাঠানো হয়।এরপর নিউটাউনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন। এই বৈঠক ঘিরেই দলের অন্দরে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে জানা যায়। দলের একাংশ এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও তখন তরুণ নেতা শতরূপ এই বৈঠকের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সিপিএম এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। অন্য দল হুমায়ুনকে প্রার্থী করলে বা মন্ত্রী করলে আপত্তি না থাকলেও, সিপিএম কথা বললেই কেন সমস্যা হবে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।শতরূপের ওই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন প্রতীক-উর। সেখানে তিনি লেখেন, নীতি ও নৈতিকতা ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি হতে পারে না। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, কিন্তু দলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয় যে এই মন্তব্য আসলে শতরূপকেই উদ্দেশ্য করে।এরপর রবিবার দলকে পাঠানো চিঠিতে প্রতীক-উর স্পষ্ট ভাষায় জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।প্রতীক-উরের পদত্যাগের পর রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সিপিএমকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, সিপিএমের নেতৃত্বের একাংশ ও ফেসবুক নির্ভর রাজনীতির জেরে দলের প্রথম সারির যুবনেতাদের এই পরিণতি হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।ভোটের আগে সিপিএমের এই পদত্যাগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর চর্চা। প্রতীক-উরের এই পদক্ষেপ কি শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি বড় কোনও ভাঙনের ইঙ্গিত সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্ত ইস্যুতে রাহুলকে কড়া বার্তা! “পড়াশোনা করুন আগে”, বিস্ফোরক রিজিজু

দেশের জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাহুল গান্ধী, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। চিন সীমান্ত সফরের মধ্যেই তিনি বলেন, সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে রাহুলের যথেষ্ট জ্ঞান নেই। এই বিষয়ে তাঁর আরও পড়াশোনা করা উচিত।সোমবার অরুণাচল প্রদেশের বুমলা সীমান্তে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রিজিজু। সেখান থেকেই তিনি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-কে তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, যে বই এখনও প্রকাশই হয়নি, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন? জাতীয় সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খুব সতর্কভাবে কথা বলা উচিত। এই ইস্যুকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি লোকসভায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে-এর অপ্রকাশিত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাহুল। সেই বইয়ের নাম Four Stars of Destiny। একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত অংশে দাবি করা হয়, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা সেনা ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল। সেনাপ্রধান বিষয়টি জানানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই অংশ তুলে ধরেই গালওয়ান সংঘাত প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল।রিজিজুর অভিযোগ, সংসদে এই ধরনের মন্তব্য করে শুধু অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এতে কোনও বাস্তব সমাধান হয় না। তিনি বলেন, সীমান্ত নিয়ে রাহুল কিছুই জানেন না বলেই এমন মন্তব্য করছেন। তাঁর মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।লোকসভায় রাহুলের বক্তব্যের সময় স্পিকার তাঁকে বাধা দেন বলেও জানা যায়। গালওয়ান সংঘাত ও চিন সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে কেন্দ্র ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। জাতীয় সুরক্ষা ইস্যুতে এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে তলবের পরেই বড় পদক্ষেপ, বাংলায় একযোগে ৭ আধিকারিক সাসপেন্ডের নির্দেশ

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন পর্বের শেষ পর্যায়ে এসে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। বাংলার সাত জন আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সাত জনই এসআইআর পর্বের কাজে যুক্ত ছিলেন এবং এএইআরও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।কমিশনের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোটের আগে এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এর আগেও রাজ্যের চার জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে। দিল্লিতে গিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে। পাশাপাশি চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।এই আবহেই রবিবার আরও সাত জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাসপেন্ডের নির্দেশ আসে। কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় তাঁদের নাম ও কর্মস্থলের উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে তিন জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন সামশেরগঞ্জের এএইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এএইআরও নীতীশ দাস এবং সুতির এএইআরও শেখ মুর্শিদ আলম।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে ক্যানিং পূর্বের এএইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুর নাম রয়েছে তালিকায়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরার বিডিও তথা এএইআরও দেবাশিষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সাসপেন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এএইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকেও একই নির্দেশের আওতায় আনা হয়েছে।ভোটের আগে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে রাজ্য প্রশাসনের উপর চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কমিশনের এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও কোনও পদক্ষেপের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় রোদের তেজ বাড়ছে, সপ্তাহেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে হাওয়া অফিস?

বসন্তের শুরুতেই গরমের আভাস মিলতে শুরু করেছে। শীতের মেয়াদ কার্যত শেষের পথে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দিনের বেলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং রোদের তেজও বাড়তে পারে। তার ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের অনুভূতি বাড়বে। তবে ভোর ও রাতের দিকে এখনও কয়েক দিন হালকা ঠান্ডা থাকবে।রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। চলতি সপ্তাহেই ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ চড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং এই সপ্তাহে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যেতে পারে। সপ্তাহের শেষে সেখানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটোই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং-সহ সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস।তবে আগামী তিন থেকে চার দিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার প্রকোপ কিছুটা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে শীত বিদায়ের মুখে, আর ধীরে ধীরে গরমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
দেশ

এপস্টেইন ফাইলসে অনিল আম্বানির নাম! ‘সুইডিশ সুন্দরী’ প্রস্তাব থেকে ম্যানহাটনের নৈশভোজ

যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিশ্বের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগের অভিযোগ আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। সদ্য প্রকাশিত নথিতে সেই তালিকায় আবার উঠে এসেছে ভারতীয় শিল্পপতি অনিল আম্বানির নাম। এপস্টেইনের প্রাসাদে নৈশভোজে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত বার্তা আদানপ্রদানবিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে আমেরিকার বিচার দপ্তরের নথিতে।নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২০ এপ্রিল অনিল এপস্টেইনকে একটি ব্যক্তিগত বার্তায় কর্পোরেট স্তরের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। জবাবে এপস্টেইন লিখেছিলেন, তাঁর বাড়িতে বহু ব্যবসায়ী আসেন এবং অনিলেরও ভালো লাগবে। পরে জানা যায়, ম্যানহাটনে এপস্টেইনের বাড়িতে দুজনের মধ্যে সাক্ষাৎ ও নৈশভোজ হয়েছিল। সেই সাক্ষাতে মূলত ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়েই আলোচনা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। অনিলের তরফে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।২০১৭ সালের মার্চ মাসে আদানপ্রদান হওয়া আর একটি বার্তায় এপস্টেইন এক দীর্ঘাঙ্গী সুইডিশ শ্বেতাঙ্গ মহিলার কথা উল্লেখ করেন। জবাবে অনিল জানতে চান, কাকে প্রস্তাব করা হচ্ছে। এপস্টেইন বলেন, দেখা হলে আনন্দ হবে। কিছুক্ষণ পর অনিল লেখেন, ব্যবস্থা করুন। এই কথোপকথন নিয়েই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।নথিতে আরও জানা যায়, ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্যারিসে দুজনের সাক্ষাতের পরিকল্পনা ছিল, যদিও তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। ২০১৮ সালে ডাভোসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষণ নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। অনিল নিউ ইয়র্ক সফরের পরিকল্পনার কথা জানালে এপস্টেইন তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার আমন্ত্রণ জানান।একটি কথোপকথনে এপস্টেইন অনিলকে জিজ্ঞেস করেন, তাঁর কেমন ধরনের মহিলা পছন্দ। সেখানে অভিনেত্রী বা মডেলের প্রসঙ্গও ওঠে। অনিল একটি উত্তরে রসিকতার সুরে একটি হলিউড অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ করেন। এই বার্তাগুলিই এখন প্রকাশ্যে আসায় নতুন করে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।উল্লেখযোগ্য যে, এপস্টেইনের বিরুদ্ধে একাধিক নাবালিকা পাচার ও যৌন অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল। তাঁর যোগাযোগের পরিধি ছিল রাজনীতি, ব্যবসা ও বিনোদন জগতের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে। নতুন নথি প্রকাশ্যে আসায় সেই যোগাযোগের বিস্তার নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠছে। অনিল আম্বানির নাম জড়ানোয় ভারতে বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অবাধ্য থেকে অবিশ্বাস্য! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানে জ্বলে উঠলেন ঈশান

একসময় তাঁকে নিয়ে নানা সমালোচনা হয়েছিল। অবাধ্য, উচ্ছৃঙ্খলএমন অনেক বিশেষণই জুড়ে দেওয়া হয়েছিল ঈশান কিষানের নামের সঙ্গে। জাতীয় দল থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করে আবার নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুযোগ পেয়েই যেন আগুন ঝরালেন।ভারতের ইনিংসের শুরুটা ভালো ছিল না। দ্রুত অভিষেক শর্মার উইকেট পড়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকেই দায়িত্ব তুলে নেন ঈশান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকেন। পাকিস্তানের বোলারদের উপর এক মুহূর্তের জন্যও চাপ কমতে দেননি। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শাদাব খান হোক বা শাহিন আফ্রিদি, কাউকেই রেয়াত করেননি।মাঠের চারদিকে শট খেলেছেন ঈশান। দর্শকেরা অপেক্ষা করছিলেন, পরের বলটি কোন দিকে পাঠাবেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ফেরেন। সাইম আয়ুবের বলে আউট হওয়ার সময় ভারতের ইনিংস শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে গেছে। তাঁর এই ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।ম্যাচ শেষে ঈশান বলেন, এই ম্যাচ সব সময় আলাদা। এই জয় শুধু দলের জন্য নয়, দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, পাকিস্তানের দলে কয়েকজন ভালো স্পিনার রয়েছে, তাই এই জয় আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে। পাশাপাশি জশপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রশংসাও করেন তিনি। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও বলেন, এই জয় দেশের জন্য।ঈশানের কাছে এই ইনিংস ব্যক্তিগতভাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে ডবল সেঞ্চুরি করার পর অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁর জায়গা স্থায়ী হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দল থেকে বাদ পড়েন। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন লড়াই। এই প্রত্যাবর্তনের পেছনে রয়েছে ভগবদ্গীতার প্রেরণা। বাবার কাছ থেকে গীতার শ্লোকের অর্থ জেনে তিনি ধীরে ধীরে সেই দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ব্যাট ও গ্লাভসের পাশাপাশি গীতা হয়ে ওঠে তাঁর নিত্যসঙ্গী। কঠিন সময়েও সেই শিক্ষাই তাঁকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৭৭ রানের এই ইনিংস শুধু একটি ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স নয়, বরং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ব্যাটে। আর প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে বড় মঞ্চেই তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘নো হ্যান্ডশেক’ নিয়ম ভেঙে আক্রমের সঙ্গে করমর্দন! রোহিতকে ঘিরে তুমুল বিতর্ক

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন তলানিতে। ক্রিকেট মাঠেও তার প্রভাব স্পষ্ট। দুই দেশের ম্যাচে এখন আর অধিনায়কদের করমর্দন দেখা যায় না। বোর্ডের অঘোষিত নির্দেশ মেনে অনেক ক্রিকেটারই দূরত্ব বজায় রাখছেন। সেই আবহেই ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে রোহিত শর্মার করমর্দন ও হাসিমুখে গল্পের ছবি নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা। তাঁর হাত ধরেই শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এবারের আসরে ট্রফি মাঠে আনার দায়িত্বও ছিল তাঁর উপর। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রম। সেখানেই দেখা যায়, দুজন বেশ কিছুক্ষণ কথা বলছেন, করমর্দন করছেন, হাসিমুখে খোশগল্প করছেন। মুহূর্তেই সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে নেটমাধ্যমে।অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যখন ভারত-পাক ম্যাচে নো হ্যান্ডশেক প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে, তখন রোহিতের এই আচরণ কতটা সমীচীন? এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে। টি-২০ বিশ্বকাপেও কলম্বোয় টসের সময় দুই অধিনায়ককে গম্ভীর মুখে দেখা যায়। করমর্দন হয়নি। বয়কটের আবহে ম্যাচের গুরুত্বও ছিল অনেক বেশি।এই পরিস্থিতিতে রোহিত ও আক্রমের খোলামেলা আলাপ অনেকের চোখে বেমানান লেগেছে। তবে অন্য দিকও রয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে রোহিত ভারতীয় দলের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ব্যক্তি ও টুর্নামেন্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা হিসেবে আরেক কিংবদন্তির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করায় দোষের কিছু আছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।ওয়াসিম আক্রম শুধু পাকিস্তানের নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পেসার হিসেবে স্বীকৃত। ক্রিকেটের ময়দানে তাঁর অবদান সীমান্তের গণ্ডি ছাপিয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে দুই প্রজন্মের দুই তারকার সাক্ষাৎ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হতে পারে।তবু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই এখন অতিরিক্ত আবেগ, উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক ছায়া। তাই ছোট একটি মুহূর্তও বড় বিতর্কে রূপ নিচ্ছে। রোহিতের এই করমর্দন কি শুধুই সৌজন্য, না কি অঘোষিত নিয়ম ভাঙার বার্তাসেটাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal