• ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ১৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Price Hike,

রাজ্য

গৃহস্থের বাজেটে আগুন! তিন মাস পর আবার দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

সাধারণ মানুষের জন্য ফের বড় ধাক্কা। তিন মাস পর আবার বাড়ানো হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম। ৭ জুন থেকে সারা দেশে বাড়ির ব্যবহারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা বৃদ্ধি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর কলকাতায় একটি গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়াল ৯৬৮ টাকা।তবে এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। কলকাতায় উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের বর্তমান দাম ৩২৫৫ টাকা ৫০ পয়সা।বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামের উপর চাপ তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে গ্যাস, পেট্রোল এবং ডিজেলের বাজারেও। চলতি বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসও।গত বছরের জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত রান্নার গ্যাসের দাম মোট ৮৯ টাকা বেড়েছে। এর আগে মার্চ মাসে একবারে ৬০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ বৃদ্ধির পর দিল্লিতে গৃহস্থালি গ্যাসের দাম হয়েছে ৯৪২ টাকা, মুম্বইয়ে ৯৪১ টাকা ৫০ পয়সা, চেন্নাইয়ে ৯৫৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং কলকাতায় ৯৬৮ টাকা।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস কম দামে বিক্রি করার কারণে তেল সংস্থাগুলির আর্থিক চাপ বাড়ছে। সেই ক্ষতি কিছুটা সামাল দিতেই গৃহস্থালি গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও গত কয়েক মাসে একাধিকবার বেড়েছে। এপ্রিল মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ২১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। মে মাসে এক ধাক্কায় প্রায় এক হাজার টাকা বৃদ্ধি পায় দাম। এরপর জুন মাসের শুরুতে আরও ৫৩ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানো হয় বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্য।সব মিলিয়ে রান্নার গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ আরও বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন অনেকেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত গৃহস্থের উদ্বেগ আরও বাড়াবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের একাংশের।

জুন ০৭, ২০২৬
ব্যবসা

১০০ টাকার পথে ডলার? টাকার নতুন রেকর্ড পতনে চাপে দেশবাসী

সোমবার বাজার খুলতেই ফের বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় টাকা। এক মার্কিন ডলারের দাম পৌঁছে গেল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়। এর ফলে টাকার দাম আরও ৪৪ পয়সা কমে সর্বকালীন রেকর্ড পতন ঘটল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই টাকার উপরে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।গত ৪ মার্চ প্রথমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে ডলারের দাম ৯২ টাকার গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তখন এক ডলারের দাম হয়েছিল ৯২ টাকা ১৭ পয়সা। তারপর থেকেই টাকার দামে একের পর এক পতন দেখা যাচ্ছে। গত ১২ মে এক ডলারের দাম পৌঁছেছিল ৯৫ টাকা ৫৮ পয়সায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে সোমবার টাকার দাম নেমে দাঁড়াল ৯৬ টাকা ২৫ পয়সায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতের অর্থনীতিতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর আপাতত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ভারতও তার প্রভাব থেকে বাদ যাচ্ছে না।তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সক্রিয় হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অর্থনৈতিক চাপ সামলাতে একাধিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।এদিন শুধু টাকার দামই নয়, বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের শেয়ার বাজারও। বাজার খোলার পর প্রায় ৯৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একইসঙ্গে বড় পতন দেখা যায় নিফটিতেও। যদিও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাজার। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ বিএসই সেনসেক্স ৬৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৯২ দশমিক ৯৯-এ। নিফটি ২০৬ পয়েন্ট নেমে দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৪৩৭ দশমিক ২০-এ। ব্যাঙ্ক নিফটিতেও বড় ধস দেখা যায়। প্রায় ৬৮৫ পয়েন্ট কমে ব্যাঙ্ক নিফটির অবস্থান হয় ৫৩ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫।অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে টাকার উপরে আরও চাপ বাড়তে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের খরচ থেকে শুরু করে আমদানি, জ্বালানির দাম এবং বাজারের উপরেও তার বড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মে ১৮, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে তেলের দাম বিস্ফোরণ! এবার কি বাড়বে পেট্রোল-ডিজ়েল?

ইরান ও আমেরিকার সংঘাতের প্রভাব এবার স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। প্রায় দুমাস ধরে চলা এই উত্তেজনার ফলে তেলের জোগান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারই জেরে বাড়ছে বিভিন্ন পণ্যের দাম এবং অনেক দেশে জ্বালানির মজুত কমে আসছে। এই পরিস্থিতিতে আরও উদ্বেগ বাড়াল অপরিশোধিত তেলের দামের হঠাৎ বৃদ্ধি।আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম অনেকটাই বেড়েছে। জুন মাসের সরবরাহের জন্য প্রতি ব্যারেল তেলের দাম প্রায় একশো কুড়ি ডলারে পৌঁছেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। অন্যদিকে আমেরিকার তেলের দামও বেড়ে একশো সাত ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। শেষবার এত বড় বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল দুহাজার বাইশ সালের জুন মাসে। তার পর আবার নতুন করে রেকর্ড গড়ল তেলের দাম।এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, ভারতে পেট্রোল ও ডিজ়েলের দাম বাড়বে কি না। ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়িয়েছে, ভোট শেষ হলেই নাকি জ্বালানির দাম বাড়তে পারে। যদিও কেন্দ্রের তরফে আগে জানানো হয়েছিল, আপাতত দাম বাড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।এদিকে ইরানের উপর চাপ বাড়াচ্ছে আমেরিকা। আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, পারমাণবিক চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর উপর থেকে নৌ অবরোধ তোলা হবে না। ইরানও পাল্টা কড়া অবস্থান নিয়েছে এবং নিজেদের শর্তে অনড় রয়েছে। দুই দেশের এই টানাপোড়েন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এর মধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

বাজারে আকাশছোঁয়া সবজির মূল্য, শেষমেষ বৈঠক কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

আকাশছোঁয়া সবজির দাম নিয়ে এবার পুলিশকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, ১০ দিনের মধ্যে সবজির দাম কমাতে হবে। এবং দাম কতটা কমল তা নিয়ে প্রতি সপ্তাহে রিপোর্ট জমা দিতে হবে তাঁর কাছে। একদিকে উত্তরবঙ্গ ভাসছে অন্যদিকে জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহেও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সেই অর্থে বর্ষার এখনও দেখা মেলেনি। এদিকে বাজারে যেন আগুনের গোলা ছুটছে। লঙ্কা, বেগুন সবই ডবল সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। ঢ্যারশ, উচ্ছের মতো সবজিও বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৯০ থেকে ১১০। ফসলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের একাংশ অনাবৃষ্টিকে দায়ী করছেন। তবে এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কারভাষায় জানিয়ে দেন, কিছু মুনাফাখোরের জন্যই এই মূলবৃদ্ধি।কৃষি পণ্য-সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বৃদ্ধিতে এবারের সাত দফার লোকসভা ভোটকেও দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তুলোধনা করেছেন একাংশের ব্যবসায়ীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিন মাস ধরে ভোট চলেছে। তখন যে যত পেরেছে কামিয়েছে। ভোটের সময় সরকার কমিশনের আওতায় থাকে। কমিশনের তো এটা দেখা কাজ নয়। শুধু অফিসারদের বদলি করলেই কাজ হয়ে যায়? শাক-সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগের বছরের তুলনায় দাম কিছু জিনিসের বেড়ে গেছে। আলু, বেগুন, পেঁয়াজ, লঙ্কা, টমেটো, পটল সব কিছুর দাম বেড়েছে। বর্ষা এসে গেল, তাও কিছুতেই দাম কমছে না। সাধারণ মানুষ তো এখন বাজারে যেতেই ভয় পাচ্ছে।বড় ব্যবসায়ীদের একটা অংশ কোল্ড স্টোরেজে আলু আটকে রাখছেন। রাজ্যের হিমঘরগুলিতে আলু কেন পড়ে রয়েছে?পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী :মহারাষ্ট্রের নাসিকের পরিবর্তে স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনুন। সুফল বাংলায় ৮ টাকা কমে পেঁয়াজ মিলছে। পেঁয়াজ স্টোর করার চার হাজার পেঁয়াজ গোলা তৈরি করেছি। সেখান থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছি। চাষিদের কাছ থেকে কিনলে দাম কমে যাবে। সুফল বাংলায় আমরা কম দামে দিচ্ছি বাজারের তুলনায়। ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম দামে পাওয়া যাবে। নাসিকের পেঁয়াজের উপর ভরসা না করে নিজস্ব সুখসাগরের মতো পেঁয়াজ চাষিদের থেকে কিনুন। পেঁয়াজের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আগেরবার ছিল ৩৫ এবার তো ৫০। আগে এফসিআই থেকে চাল কিনতাম। এখন রেশনের চাল কৃষকদের থেকে কিনি।

জুলাই ১০, ২০২৪
রাজনীতি

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এস ইউ সি আই এর বিক্ষোভ

রান্নার গ্যাসের পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রতিকি বিজ্ঞপ্তি জালিয়ে এস এউ সি আই এর বিক্ষোভ প্রদর্শন। পুনরায় মূল্যবৃদ্ধির ফলে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়বে, এবং এর প্রভাবে অতিরিক্ত খরচের বোঝা এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। এস ইউ সি আই এর এই সভা থেকে দাবী তোলে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে কমা সত্ত্বেও এবং রাশিয়া থেকে কম দামে তেলের আমদানি ক্রমাগত বাড়তে থাকলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সাম্প্রতিক বাজেটে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি ৭৫% তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে,সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই মূল্যবৃদ্ধি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁদের আরও দাবি, উজালা যোজনার মাধ্যমে সবাইকে বিনামূল্যে গ্যাস পরিষেবা দিয়েছেন বলে প্রধানমন্ত্রী মাঝে মাঝেই বড়াই করলেও, তিনি সুকৌশলে এই সত্যটি আড়াল করেন যে, সেই উপভোক্তাদেরও বাজারদর অনুযায়ীই সিলিন্ডার কিনতে হয়। বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও বাড়িয়ে ৩৫২ টাকা বাড়িয়ে ২২২১.৫০ টাকা করা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে অতি অবশ্যই হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জিনিসের দাম বাড়াতে বাধ্য হবে, এবং অবশ্যম্ভাবী ভাবে এই অতিরিক্ত বোঝাও এসে পড়বে সাধারণ মানুষের উপর। সরকারের কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ নিয়ে একদিকে দেশের স্বল্প সংখ্যক ধনকুবেররা যখন সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে, আরেকদিকে তখন সরকার বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত গরিব, মধ্যবিত্ত সমস্ত মানুষদের শোষণ করে আবারও ঘুরপথে কর আদায়ের ব্যবস্থা করল।

মার্চ ০১, ২০২৩
রাজ্য

রাত পোহালেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো, আকাশছোঁয়া দর ফল-সবজির

রাত পোহালেই লক্ষ্মীপুজো। এটা কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। পূর্ব বাংলা থেকে আসা মানুষের মধ্যে আগে বেশি প্রচলন থাকলেও এখন এ পুজো বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে। এদিন সকাল থেকেই তাই বর্ধমানের কার্জনগেট, বি সি রোড, নীলপুর, বাজেপ্রতাপপুর বা কালনাগেট, রথতলা বাজারে মানুষের ভিড়। গতকাল কার্ণিভালের জন্য শহর ছিল অবরুদ্ধ। আজ তাই বাজারে অনেক বেশি মানুষ। নিয়ম মেনে ফল আর ঠাকুর কিনছেন তাঁরা। এছাড়াও যাদের বাড়ি খিচুড়ি হবে তারা কিনছেন চাল, ডাল, সবজি।এবারে ফলের বাজার বেশ কিছুটা চড়া। ক্রেতারা বলছেন, প্রতিটা ফলের দাম আকাশছোঁয়া। আপেল, লেবু, পানিফল, নাসপাতি থেকে আখ সবের দাম বেশি। শাক আলু বা আনারসের দাম সবচেয়ে বেশি। তাদের কথায়, বচ্ছরকার দিনে ঠাকুরকে দিতে হয়। নিজেদেরও খেতে ইচ্ছে হয়। সেই সাধ আর সাধ্যের ফারাক বেড়েই চলেছে। তাই বাধ্য হয়ে কম পরিমাণেই কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।অন্যদিকে ফল বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দাম বেশি থাকায় তাদেরও বিক্রি তুলনায় কম। কয়েকটি ফলের দাম তেমন বাড়েনি। যেমন, আপেল, মুসাম্বি লেবু। ঠাকুর বিক্রেতারা জানিয়েছেন, রঙ কিংবা মুকুটের দাম বেড়েছে। তাই তাঁরা বাধ্য হয়েছেন দাম বাড়াতে।

অক্টোবর ০৮, ২০২২
দেশ

রেল যাত্রীদের জন্য বড় ধাক্কা, ট্রেনের খাবারও অগ্নিমূল্য, বর্ধিত খাবারের নতুন দাম দেখে নিন এক ঝলকে

মুদ্রাস্ফীতিতে নাজেহাল দেশবাসী, ভোজ্য তেল,জ্বালানি তেল, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ সব কিছুরই দাম আকাশছোঁয়া। তার মধ্যেই এবার ভারতীয় রেল তাদের ট্রেনের পরিবেশিত খাদ্য দ্রব্যের মুল্য বৃদ্ধি করলো। যাঁরা রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দেভারত এবং দুরন্তের এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনে ভ্রমণ করেন তাঁদের যেনে রাখা দরকার কিসের কিসের দাম বাড়লো। সম্প্রতি ট্রেন যাত্রাকালীন চায়ের দামের চেয়ে বেশি সার্ভিস চার্জ নেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই চায়ের বিলের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং সেখানে অনেকেই ভারতীয় রেলের কড়া সমালোচনা করেন। এরকম অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে ভারতীয় রেলের খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থা আইআরসিটিসি খাদ্যদ্রব্যের মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। আইআরসিটিসি জানিয়েছে এখন থেকে ট্রেনে ভ্রমনকালীন সময়ে কোনও খাবারের অর্ডার করলে অন-বোর্ডিং চার্জ দিতে হবে।ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC) দ্বারা চালিত ট্রেনের ভিতরে খাবারের অর্ডারের সংশোধিত মুল্য তালিকা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। নতুন সংশোধিত মুল্য তালিকা অনুযায়ী, রেলওয়ে প্রিমিয়াম ট্রেনে প্রি-অর্ডার করা নয় এমন সমস্ত খাবার এবং পানীয়ের অন-বোর্ড পরিষেবা চার্জ সরিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে স্ন্যাকস, লাঞ্চ এবং ডিনারের দামের সাথে অতিরিক্ত ৫০ টাকা যোগ করা হয়েছে।খাবার-পানীয় আরও মহার্ঘ হয়ে গেল!চায়ের দাম এর মত ঘটনা যাতে আবার না ঘটে তার জন্য আইআরসিটিসি (IRCTC) রাজধানী, শতাব্দী, তেজস, বন্দে ভারত এবং দুরন্তর মতো ট্রেনগুলিতে অনবোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবাগুলির জন্য একটি নতুন মুল্য তালিকা প্রকাশ করেছে। রেলওয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, যে সমস্ত যাত্রীরা টিকিট বুকিংয়ের সময় ক্যাটারিং পরিষেবার বিষয়টি নির্বাচন করেন না এবং ট্রেনে ওঠার পর খাবার ও পানীয় অর্ডার করেন, তাদের অনবোর্ড চার্জ দিতে হবে। এ কারণে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে।রাজধানী সহ ওই পাঁচটি ট্রেনে, যে সমস্ত যাত্রী টিকিট কাটার সময় সকালের প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজন বা রাতের খাবারের জন্য টাকা পেমেন্ট করে রাখেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু তাঁরা যদি টিকিটের কাটবার সময় সেই অর্থ প্রদান না করেন সেক্ষেত্রে তাঁরা যদি বোর্ডে অর্থাৎ ট্রেনের মধ্যেই অর্ডার করেন তাঁদের এই অতিরিক্ত গাঁটের কড়ি খরচ করতে হবে।খাদ্য ও পানীয় তালিকা এবং চার্জ ইনরাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেণি এবং ইকনমি ক্লাসে প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড দুই ক্ষেত্রেই সকালের চায়ের দাম ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারে চায়ের দাম ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।একইভাবে, রাজধানী, দুরন্ত এবং শতাব্দী এক্সপ্রেসের প্রথম শ্রেনী এসি-তে প্রিপেইড-এ সকালের প্রাতরাশ (ব্রেকফাস্ট) খেতে ১৪০ টাকা দিতে হবে। অন-বোর্ড যাত্রীদের ক্ষেত্রে ব্রেকফাস্টের দাম ১৯০ টাকা। প্রিপেড ব্রেকফাস্ট দ্বিতীয় শ্রেনী এবং তৃতীয় শ্রেনী এসি-তে অন-বোর্ড ১৫৫ টাকায় পাওয়া যাবে।ওই ট্রেনগুলির প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে প্রিপেইড লাঞ্চ-ডিনারের মুল্য ২৪৫ টাকা। আপনি যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, আপনাকে এর জন্য ২৯৫ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেনী এসি, থার্ড এসি এবং চেয়ার কারে আপনাকে প্রিপেইডের জন্য ১৮৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২৩৫ টাকা দিতে হবে।প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে সন্ধ্যার চা এবং স্ন্যাকসের জন্য মুল্য ১৪০ টাকা। যারা অন বোর্ডে অর্ডার করবেন তাদের ১৯০ টাকা দিতে হবে। দ্বিতীয়শ্রেনী এসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য প্রিপেইড হিসাবে ৯০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৪০ টাকা গুনতে হবে।দুরন্ত এক্সপ্রেসের স্লিপার কোচে সকালের চায়ের প্রিপেইড এবং অন-বোর্ড মূল্য হল ১৫ টাকা। প্রাতঃরাশের জন্য প্রিপেইডে ৬৫ টাকা এবং অন-বোর্ড যাত্রীদের জন্য ১১৫ টাকা খরচ হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য, আপনাকে প্রিপেইডে ১২০ টাকা এবং অন বোর্ডে ১৭০ টাকা দিতে হবে।আপনি যদি তেজস ট্রেনের প্রথম শ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করেন, তাহলে আপনাকে সকালের প্রাতঃরাশের জন্য ১৫৫ টাকা (প্রিপেইড) দিতে হবে। একই সময়ে, অন বোর্ডে অর্ডার করলে, এর দাম পড়বে ২০৫ টাকা। সে রকম, দ্বিতীয় শ্রেনীএসি, তৃতীয় শ্রেনী এসি এবং চেয়ার কারের জন্য আপনাকে ১২২ টাকা (প্রিপেইডের জন্য) এবং অন-বোর্ড অর্ডারের জন্য ১৭২ টাকা দিতে হবে।বন্দেভারত ট্রেনের যাত্রীদের জন্য খাবার ও পানীয়ের মুল্য তালিকাঃবন্দেভারতএ সকালের চায়ের জন্য ১৫ টাকা দিতে হবে। প্রাতঃরাশের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ১৫৫ টাকা এবং অন বোর্ডে ২০৫ টাকা দিতে হবে। লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য আপনাকে প্রিপেইডে ২৪৪ টাকা এবং অন বোর্ড অর্ডার করলে ২৭২ টাকা দিতে হবে। সন্ধ্যার চা এবং জলখাবারের জন্য, প্রথমশ্রেনী এসি এবং ইকোনমি ক্লাসের যাত্রীদের প্রিপেইড হিসাবে ১০৫ টাকা দিতে হবে। আর যদি অন বোর্ডে অর্ডার করেন, তাহলে এই দাম বেড়ে ১৫৫ টাকা হবে।ট্রেন নির্ধারিত সময়ের না চললেঃরাজধানী, দুরন্ত, শতাব্দী, তেজস এবং বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলি যদি নির্ধারিত সময়ে না চলে দেরিতে চলে, সেই পরিস্থিতিতে চা ও কফির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ টাকা এবং সকালের নাস্তা ও সন্ধ্যার চা পাওয়া যাবে ৩০ টাকায়।

জুলাই ২০, ২০২২
রাজ্য

সাধারণের সংসার চালাতে নাভিশ্বাস, ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

পেট্রল-ডিজেলের দাম তো আগেই আকাশ ছুঁয়েছে। এদিকে মাঝে-মধ্যেই বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। এবার রাজ্যে গ্যাসের দাম ছাড়়িয়ে গেল ১হাজার টাকা। আমনাগরিকের পকেটে টান পড়েছে। তারওপর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য নিত্য দিন বেড়েই চলেছে। বাজারে যা কিনতে যাচ্ছেন তাতেই ছ্যাঁকা লাগছে সাধারণের। বিরোধীদের বক্তব্য, যদিও এসব নিয়ে মাথাব্যথা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের।এদিন রান্নার গ্যাসের ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১২৬ টাকা। দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম। পাশাপাশি আলুসহ সমস্ত সবজির দাম বেড়েছে। বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দামও। মোদ্দা কথা সাধারণের মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। বিরোধীদের দাবি, এখন যুদ্ধের দোহাই দিয়ে পার পেতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ২ হাজার ৪৪৫ টাকা ৫০ পয়সা।উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের সময় পেট্র পন্যসহ জ্বালানী তেলের দাম বাড়েনি। ওই রাজ্যগুলিতে ভোট মেটার পর ক্রমাগত বেড়েছে জ্বালানী তেলসহ রান্নার গ্যাসের দাম।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

মানুষের পকেট কেটে কেন্দ্রের আয় ১৭ লক্ষ কোটি', ৩০০ টাকা কমনো হোক রান্নার গ্যাসেরঃ মমতা

রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে। এখনই রান্নার গ্যাসের দাম কমানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মমতার দাবি, যখন বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কম ছিল তখন ক্রমাগত দাম বাড়িয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রান্নার গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা কমানো উচিত। পেট্রল, ডিজেলের দামও কমানো উচিত। যখন সারা বিশ্বে দাম কমিয়েছিল তখনও দাম কমায়নি কেন্দ্র। ওদের একটা ফান্ড থাকবে। নিজের ইচ্ছামত খরচ করবে পার্টির স্বার্থে। দেখাবে সরকার খরচ করছে। মানুষের পকেট কেটে সব দোষ চাপায় রাজ্যের। সাধু সেজেছে সব নন্দ ঘোষ। এটা তো হতে পারে না।এবার মোদি-মমতা পৃথক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা নেই। একথা বললেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাল রাতে পৌছাবে পরশু চলে আসব। এবার তাড়াতাড়ি চলে আসব। এবার আর আলাদা করে দেখা হবে না।গতকাল, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেট্রল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য রাজ্যগুলির ওপর দোষ চাপিয়েছেন। তার মধ্যে বাংলার নামও করেছেন তিনি। তবে গতকালের বৈঠক নিয়ে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ তা এদিন তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট।মমতা বলেন, গতকাল কোভিড এজেন্ডা ছিল না। আগামি দিন আরও বাড়াবে তাই দোষটা নিজেরে ঘাড় থেকে ঝাড়বার চেষ্টা করছে। নিজেরা ১৭ লক্ষ ৩ কোটি টাকা আদায় করেছে মানুষের পরকেট কেটে। এই টাকাটা না কাটলেই হত না? ১৪ বার দাম বাড়িয়েছে। রাজ্যকে পাওনা দেবে না। দোষ হলে রাজ্যের দোষ। কোভিড লড়াইতে ক্রেডিট তোমার। মানুষ বিপদে পড়লেও দোষ রাজ্যের।

এপ্রিল ২৮, ২০২২
দেশ

রেকর্ড দাম পেট্রল-ডিজেলের, ১৬ দিনে ১৪ বার মূল্য বৃদ্ধি

বেড়েই চলেছে পেট্রল-ডিডেলের দাম। রেকর্ড সংখ্যক ১৬ দিনে ১৪ বার বাড়ল জ্বালানী তেলের দাম। ইতিমধ্যে রাজ্যের ৬ জেলায় ডিজেলের দাম সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। পেট্রলের দাম পার করছে ১১৫ টাকা। উত্তরপ্রদেশসহ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন চলাকালীন দাম বাড়েনি পেট্রল-ডিজেলের। নির্বাচন মিটতেই লাগামছাড়া দাম বেড়ে চলেছে পেট্রপণ্যের। দোহাই দেওয়া চলছে আন্তর্জাতিক বাজারে যুদ্ধের জন্য তেলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। কলকাতায় পেট্রলের দাম বাড়ছে ৮৪ পয়সা। এবার কলকাতায় এক লিটার পেট্রল কিনতে গুনতে হবে ১১৫টাকা ১২ পয়সা। এদিকে কলকাতায় ডিজেলের দাম বাড়ছে ৮১পযসা। কলকাতায় এক লিটার ডিজেল কিনতে ৯৯টাকা ৮৩পয়সা লাগবে। এদিকে শুধু পেট্রপণ্যের দাম বাড়েনি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে নিয়মিত। ভোজ্য তেল থেকে বিভিন্ন খাদ্যশস্যের ক্রয় করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।পেট্রপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করছে বিরোধী দলগুলো। পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের কথায়, রাজ্য সরকার শুল্ক কমালে এরাজ্যে দাম কমবে পেট্রল-ডিজেলের। পাশাপাশি অন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে বলেই এই মূল্যবৃ্দ্ধি, বলছেন বিজেপি নেতৃত্ব। যুক্তি, পাল্টা যুক্তি যাই দেওয়া হোক না কেন পেট্রপণ্যসহ নানান নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। অধিকাংশ দেশবাসীর এখন নুন আনতে পান্তা ফুরানোর পরিস্থিতি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, ভোট এলেই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেয় রাজনৈতিক দলগুলো। ভোট পেরনোর পর সব ভোকাট্টা। জীবনযুদ্ধে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হতে হয় আমআদমিকে।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

পেট্রোপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বর্ধমানে রাস্তায় নামলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস

রান্নার গ্যাস সহ পেট্রোপণ্যের অস্বাভিক মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পথে নামলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস। আজ বর্ধমান শহরে বর্ধমান দক্ষিন-র বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বে পোষ্টার হাতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদের রাজপথে হাটলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যারা।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের টাউনহল থেকে শুরু হয়ে বিসি রোড হয়ে রাজবাড়ী পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করলো তারা। এই মিছিল থেকে রান্নার গ্যাস ও পেট্রোল ডিজেলের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারকে ধিক্কার জানানো হয়। অবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করার দাবি তোলা হয়। মিছিল শেষে এদিন একটি পথসভা করা হয়।পথসভাতে বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্ব বলেন, যে হারে জ্বালানি গ্যাসের দাম বেড়ে চেলেছে তাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষজন চরম অসুবিধার সন্মুখিন হচ্ছেন। তাঁরা বলেন কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া ভাঁওতা উজালা প্রকল্পের ওভেন ও গ্যাস সিলিন্ডার মানুষের খাটের তলায় স্থান পেয়েছে। অবিলম্বে এই পরিস্থিতি সামাল নে দেওয়া গেলে সাধারণ মানুষ চড়ম বিপাকে পরবে।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাজ্য

রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মাথায় উনান আর কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ

দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়ে কেন্দ্রের সরকার ঘটাকরে চালু করেছিল উজ্জ্বলা গ্যাস যোজনা। সেই এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন ১০০০ টাকা ছুঁয়েছে। আর তার কারণেই গ্রাম গঞ্জের দরিদ্র পরিবারের মহিলারা এখন এলপিজি গ্যাস ছেড়ে ফের অপরিস্কার জ্বালানি ব্যবহারেই ফিরে এসেছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের এই ব্যর্থতা জনসমক্ষে তুলে ধরতে হাতে উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মহিলারা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধীতায় মঙ্গলবার এমন অভিনব প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি নেতৃত্ব যদিও তৃণমূলের এমন মিছিলের আয়োজনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য, এমন মিছিল থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বাস্তবে গৃহিণীদের দুর্গতি ঘোচাতে পারে নি।দলীয় ঘোষণা অনুযায়ী এদিন পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস ও ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে পথে নামে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। প্রতিবাদ থেকে পিছিয়ে থাকেনি জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরাও। জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব যুব কংগ্রেসের সভাপতি ভূতনাথ মালিকের নেতৃত্বে এদিন জামালপুর পুলমাথা এলাকা থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। প্রায় দেড় কিমি পথ পরিক্রমা করে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয় হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর কাছে। মিছিলে জামালপুরের বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন সহ অন্য নেতারা অংশ নেন।প্রতিবাদ মিছিলের একেবারে প্রথম সারিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থক গৃহস্থ পরিবারের মহিলারা। তাঁদের অনেকে মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে মিছিলে হাঁটেন। রাজনৈতিক দলের মিছিলে উনান ও জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে হাঁটার কারণ প্রসঙ্গে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা বলেন, আমরা দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বধূ। উনানে কাঠ কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে আগে পরিবারে রান্নাবান্না হত।মোদী সরকারের কথায় বিশ্বাস করে এলপিজি গ্যাসের কানেকশান নিয়েছিলেন। তার পর করোনা অতিমারির প্রভাবের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন জারি থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আমাদের মত দরিদ্র পরিবার গুলির সদস্যদের আর্থিক রোজগার বাড়ে নি। বরং কমেছে। কিন্তু এসবের কোনকিছুরই খোঁজ খবর না রেখে এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন প্রায় ১০০০ টাকার মত করে দিয়েছে। এত দামে গ্যাস সিলিণ্ডার কিনে আর বাড়িতে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই খালি গ্যাস সিলিণ্ডার ও ওভেন বাড়ির চৌকির নিচে রেখে দিয়ে এখন ফের আগের মতই কাঠের উনানে রান্না করছেন। তাই মোদী সরকারের এমন কীর্তি জনসমক্ষে তুলে ধরতেই এদিন মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে হেঁঠেছেন বলে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা মন্তব্য করেন।বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন কি ভুল তাঁরা করেছেন। এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে সেই ভুলেরই প্রকাশ ধরা পড়েছে সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের মহিলাদের মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালনি কাঠ নিয়ে হাঁটায় মধ্য দিয়ে। ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক জানান, শুধু রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোই নয়। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কেন্দ্রের মোদী সরকার পেট্রোল, ডিজেল এমনকি জীবনদায়ী ওষুদের দামও বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর বিজেপি নেতারা সবার বিকাশের বুলি আওড়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে স্বরুপ এখন গ্রামের মহিলারা উনান ও জ্বালানি কাঠ নিয়ে পথে নামছে। আগামী দিনে এই মহিলারাই ভোটের বাক্সে বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
দেশ

পাঁচ দিনে চার বার! আবার বাড়ল জ্বালানির দাম

আবার বাড়ল জ্বালানির দাম। চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে চতুর্থ বার পেট্রল এবং ডিজেলের দাম বাড়ানো হল। এ বার লিটার প্রতি ৮০ পয়সা বাড়ানো হল দুই জ্বালানির দাম। ২২ মার্চ থেকে চার বারে মোট ৩ টাকা ৩৪ পয়সা দাম বাড়ল জ্বালানির। শনিবার সকাল ৬টা থেকে এই নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। দাম বৃদ্ধির ফলে রাজধানী দিল্লিতে লিটার প্রতি পেট্রল এবং ডিজেলের দাম হল যথাক্রমে ৯৮.৬১ এবং ৮৯.৮৭ টাকা। কলকাতায় পেট্রলের দাম ৮৩ পয়সা বেড়ে হল ১০৮.০১ টাকা হয়েছে।বর্তমানে তেলের দাম বাড়ার মূল কারণ হিসাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধই দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধের ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম বিপুল বৃদ্ধি পেয়েছে।মুম্বইয়ে লিটার প্রতি পেট্রল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ১১৩.৩৫ এবং ৯৭.৫৫ টাকা। মুম্বইয়ে লিটার প্রতি পেট্রল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৮৪ এবং ৮৫ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে মঙ্গল, বুধ এবং শুক্রবার জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়। প্রতি বার লিটার প্রতি গড়ে ৮০ পয়সা করে দাম বাড়ানো হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
দেশ

মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে এক লাফে ৫০ টাকা দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

পেট্রোল-ডিজেলের পর এইবার রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ল। সিলিন্ডার প্রতি ৫০ টাকা বাড়ল গ্যাসের দাম। কলকাতায় এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়ে হল ৯৭৬ টাকা। ১৪.২ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে ৯৭৬ টাকা করে দিতে হবে। তবে এদিকে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমল ৮ টাকা। ১৯ কেজি গ্যাসের জন্য উপভোক্তাদের এখন থেকে দিতে হবে ২০৮৭ টাকা। আজ কলকাতায় ভর্তুকিযুক্ত ১৪.২ কেজি রান্নার গ্যাসের দাম ছিল ৯২৬ টাকা। কিন্তু এখন থেকে রান্নার গ্যাসের জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা বরাদ্দ করতে হবে বাজারের খরচ থেকে।প্রসঙ্গত, পাঁচ রাজ্যে নির্বাচনের জন্যই রান্নার গ্যাস এবং জ্বালানি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আটকে রাখা হয়েছিল বলে অনেক বিশেষজ্ঞদের মতামত। পাঁচ রাজ্যের ভোট মিটতেই সরকার নতুন দাম লাগু করছে। রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি দাম বেড়েছে পেট্রোল এবং ডিজেলেরও। সম্প্রতি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই সুরে সুর মিলিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনের ফলাফলের ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এইবার গ্যাস এবং পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াবে কেন্দ্র। এবং তাঁর আশঙ্কা সত্যিও হল। বলাই বাহুল্য, এই মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়বে মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের ভাঁড়ারে। এমনিতেই করোনা মহামারির কাঁটায় অনেকের আয়ে প্রভাব পড়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে নাস্তানাবুদ জনগণ। এমতাবস্থায় রান্নার গ্যাসের দামবৃদ্ধি গোঁদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতোই। রান্নার গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কাও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।

মার্চ ২২, ২০২২
ব্যবসা

এক লাফে ১০৮ টাকা বেড়ে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাস ২০৯৫ টাকা!

গৃহস্থের হেঁশেলের রান্নার গ্যাসের দাম এই দফায় বাড়ল না। কিন্তু তাঁদের উদ্বেগ বহু গুণ বাড়িয়ে হোটেল-রেস্তরাঁয় ব্যবহৃত রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মার্চে ১০৮ টাকা বেড়ে ২০০০ পেরোল কলকাতায়। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, পেট্রল-ডিজ়েলের মতো রান্নার গ্যাসের দামও যে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভার ভোটের দিকে তাকিয়ে স্থির, সেটা মোটামুটি পরিষ্কার।গৃহস্থের বোঝা বাড়িয়ে এখনই তাঁদের কাছে অপ্রিয় হওয়ার পথে হাঁটতে চায় না মোদি সরকার। ফলে আপাতত অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত জ্বালানিতে খাঁড়া নামছে। এর আগে বিমান জ্বালানি এটিএফ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ বার ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ছুঁয়ে ফেলল ২০৯৫ টাকা। যদিও মনে করা হচ্ছে ভোট মিটলেই ফের মধ্যবিত্তের চিন্তা বাড়িয়ে দাম বাড়তে চলেছে রান্নার গ্যাসের।সাধারণ মানুষ রান্নার জন্য যে ভর্তুকিহীন ১৪.২ কেজির সিলিন্ডার কেনেন, তার দাম এখন ৯২৬ টাকা (কলকাতায়)। তবে আগামী দিনে তা কোথায় পৌঁছবে সেই প্রশ্নে দুশ্চিন্তা বাড়ছে এটিএফ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারকে দেখে। তেল সংস্থা সূত্রের খবর, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের পাশাপাশি রান্নার গ্যাসের মূল দুই উপাদান প্রোপেন ও বুটেনের দামও বেড়েছে। ফলে তা না-কমলে পরের মাসে সব রকম গ্যাসের দাম বৃদ্ধিরই আশঙ্কা। ঠিক যে আশঙ্কা পেট্রল-ডিজেল নিয়ে। কারণ তখন ভোট শেষ হবে। তার উপরে অক্টোবরের শুরুতে ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক রাখলেও কয়েক দিন পরেই বাড়ায় তেল সংস্থাগুলি। ফলে মার্চের শুরুতে না-বাড়লে যে মাঝেও বাড়বে না, এমন নিশ্চয়তা নেই বলেই ধারণা সকলের।

মার্চ ০১, ২০২২
দেশ

নির্মলার বাজেটে হতাশ মধ্যবিত্ত, কীসের দাম বাড়ল? দাম কমল কোন পণ্যের?

দেশে অর্থনীতির মন্দগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, আর্থিক বৈষম্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আগামী বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তিনি বলেন, বাজেটে থাকবে আগামী ২৫ বছরের ব্লু প্রিন্ট। এ বারের বাজেটে পরিকাঠামো নির্মাণে ২০ হাজার কোটি টাকা, পরিষেবা খাতে ৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেছেন নির্মলা।কেন্দ্রীয় বাজেট ঘিরে আমজনতার আগ্রহ তুঙ্গে। তবে দুটো বিষয় নিয়েই আগ্রহ তুঙ্গে। সাধারণ মানুষ জানতে চায় আয়করে ছাড় মিলল কি না আর সস্তা হল কোন সরঞ্জাম, কোন দ্রব্যেরই বা বাড়ল দাম। ফেব্রুয়ারির মাস পয়লায় পেশ করা কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়করে মিলল না ছাড়। যা নিয়ে কার্যত হতাশ মধ্যবিত্ত।সস্তা হচ্ছে পোশাক হিরে এবং মূল্যবান রত্ন ইমিটেশনের গয়না জুতো চামড়ার ব্যাগ পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক। স্টিলের উপজাত দ্রব্য মোবাইল ফোন চার্জার কৃষি সরঞ্জামদাম বাড়ছে বিদেশি ছাতা বিদেশ থেকে আমদানিকৃত যে কোনও পণ্য

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

BJP: জ্বালানির দাম ঘিরে তৃণমূলকে নিশানা রাজ্য বিজেপির, পথ আটকালো রাজ্য পুলিশ

পেট্রোল-ডিজেলে ভ্যাট কমানোর দাবিতে পথে সোমবার পথে নেমেছিল বিজেপি। মুরলীধর সেন লেনের রাজ্য দপ্তর থেকে সেই মিছিল বের হওয়ার কথা থাকলেও কলকাতা পুলিশের কড়া বেষ্টনী পার করে তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদারদের। অবশেষে বেলা ৩টে ১৫ নাগাদ তাঁরা জানিয়ে দেন, আপাতত এখানেই এদিনের কর্মসূচি শেষ হল। তবে আগামিদিনে এই আন্দোলন যে বৃহত্তর আকার নেবে সে কথাও বলা হয়।মঙ্গলবার রাজ্যের পেট্রোল পাম্প গুলিতে জনসচেতনতা মূলক প্রচার চালাবে দল। প্রয়োজনে নবান্ন অভিযানও করতে পারে বিজেপি। পেট্রোল ডিজেলের ভ্যাট কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের মাশুল কমানোর দাবিতেও এবার সরব হবে গেরুয়া শিবির। এদিন কর্মসূচির শুরুতেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। রীতেশ তিওয়ারি-সহ একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থককে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। রীতেশ তিওয়ারির বক্তব্য, বাংলার মানুষের স্বার্থে আমরা পথে নেমেছি। তাই গ্রেপ্তার হতে হচ্ছে। এরা ত্রিপুরায় গিয়ে বড় বড় কথা বলে। প্রতিদিন এক লাখ লোক বুর্জ খলিফা দেখত। তখন অতিমারি ছিল না। এখন করোনার কথা বলছে। এটা প্রমাণ হয়ে গেল বাংলার মানুষের স্বার্থে পথে নামলেই পুলিশ গ্রেফতার করবে।এদিন রাজ্য অফিসের সামনেই বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ রাহুল সিনহা, সুকান্ত মজুমদাররা। প্রত্যেকেই তাঁদের বক্তব্যে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যে মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে পেট্রোল ডিজেলের দাম কমানোর কথা বলেছিলেন, তিনি কেন এবার ভ্যাটের লভ্যাংশে ছাড় দিচ্ছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলের প্রত্যেকেই।পুলিশের বক্তব্য ছিল, এই মিছিলের জন্য বিজেপির কাছে কোনও অনুমতি নেই। দ্বিতীয়ত, কোভিডের কারণে এই জমায়েতে কোনওভাবেই অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। গেরুয়া শিবিরের দাবি, মানুষের স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ভ্যাট কমাতেই হবে। কারই প্রতিবাদে এদিনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
দেশ

LPG: একধাক্কায় গ্যাসের দাম বাড়ল ২৬৬ টাকা

আরও মহার্ঘ হল গ্যাস। কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম একধাক্কায় বাড়ল অনেকটাই। সিলিন্ডার প্রতি দাম বেড়েছে ২৬৬ টাকা।সোমবার সবার থেকে কার্যকর হচ্ছে সেই দাম। তবে বাড়িতে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ১৯ কেজির কমার্শিয়াল অর্থাৎ বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এত দিন পর্যন্ত ছিল ১৭৩৪ টাকা। আজ থেকে সেটাই সিলিন্ডার প্রতি ২৬৬ টাকা করে বেড়ে হল ২০০০.৫০ টাকা।দাম বাড়ার পর মুম্বইতে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হল ১৯৫০ টাকা, কলকাতায় নতুন দাম হল ২০৭৩ টাকা, চেন্নাইতে দাম হল ২১৩৩ টাকা। স্বভাবিকভাবেই এই গ্যাসের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়বে হোটেল ও রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে। প্রভাবিত হবেন ব্যবসায়ীরা।এর আগে গত ৬ অক্টোবর বেড়েছিল রান্নার গ্যাসের দাম। মহালয়ার দিনেই দাম বেড়েছিল। গত তিন মাসে এই নিয়ে চতুর্থবার দাম বেড়েছিল গ্যাসের। সিলিন্ডার প্রতি ১৫ টাকা করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভর্তুকিযুক্ত এবং ভর্তুকিবিহীন উভয় ক্ষেত্রেই দাম বাড়ানো হয়।

নভেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

LPG Price Hike: পুজোর আগেই ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের!

পুজোর আগে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। প্রতিমাসেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে গ্যাসের দাম। হেঁসেল জ্বালাতেই যখন হিমশিম খাচ্ছে সবাই, সেই সময়ই ফের একবার বাড়ল গ্যাসের দাম। সেপ্টেম্বর মাসের পর এ বার অক্টোবর মাসের প্রথম দিনেই ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। তবে গৃহস্থদের এবার রেহাই দিয়ে দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের। ১৯ কেজির যে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার রয়েছে, তার দাম বেড়ে হয়েছে ১৮০৫ টাকা ৫০ পয়সা। আজ থেকেই যা কলকাতায় কার্যকর। উৎসবের মরশুমে এই দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তরাঁ, খাবারনের দোকানগুলিতেও দাম বাড়তে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে সেই গৃহস্থের পকেটই ফাঁকা হতে চলেছে।।১৯ কেজির পাশাপাশি ৫ কেজি, ৪৭ কেজির সিলিন্ডারেরও দাম বেড়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নিতে গেলে এবার থেকে খরচ করতে হবে ১৪৪৬.৫০ টাকা। রিফিল সিলিন্ডারের জন্য ৫০২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ পড়বে। ফ্রি ট্রেড এলপিজির পিওএস সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে ১৪৬৪ টাকা লাগবে। রিফিল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সেই খরচই পড়বে ৫২০ টাকা। ৪৭.৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে এবার থেকে সিলিন্ডার পিছু ৪৫১০ টাকা খরচ পড়বে। একস্ট্রা তেজ গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য ৪৫৬৬ টাকা খরচ হবে। ১৯ কেজি ন্যানো কাট বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এ বার থেকে পড়বে ২০৬৪ টাকা। ১৯ কেজি এক্সট্রা তেজ সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেই সেই খরচটা কিছুটা কম পড়বে। সিলিন্ডার পিছু দাম বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১৮২৮ টাকা।

অক্টোবর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল পড়ুয়াদের মৃত্যুর পরই বড় পদক্ষেপ! গেটম্যান গ্রেফতার, সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ

মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল রেল ও পুলিশ। দুর্ঘটনার পর প্রথমে গেটম্যান এবং তাঁর সুপারভাইজারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে গেটম্যানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সকালে রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি স্কুলের পুলকারে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই তিন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর পূর্ব রেল জানিয়েছে, পুরো বিষয়টির উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। এডিআরএমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। রেলের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সিগন্যাল ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল না। ট্রেন নির্ধারিত সিগন্যাল মেনেই চলছিল। তাই এখন মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গেটম্যানের ভূমিকার উপর।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথমে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। তখনই পুলকারটি রেললাইন পার হতে শুরু করে। ঠিক সেই সময় উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। অভিযোগ, সেই সময় গেটম্যান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।রেল জানিয়েছে, এটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত ইন্টারলকিং রেলগেট। তাই গেটম্যান কোথায় ছিলেন, কেন সময়মতো গেট নিয়ন্ত্রণ করা গেল না এবং কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিকেল দলও পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, এতগুলো নিরীহ পড়ুয়ার মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। কীভাবে এমন গাফিলতি হল, তা বিস্তারিত তদন্ত হওয়া উচিত। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে অধীর চৌধুরী রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, রেলমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে অধীরের অভিযোগ, রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গেটম্যানের গ্রেফতারি এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত শেষ হলে ঠিক কার গাফিলতিতে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেই উত্তরই এখন জানতে চাইছে সকলেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মদন কি এখনও কালীঘাট তৃণমূলের লোক? কুণালের এক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এর মধ্যেই হঠাৎ কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি। আর তাঁকে পাশে পেয়েই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।সোনম ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিতে এদিন বিধানসভায় অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়করা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, কুণাল ঘোষ, আলিফা আহমেদ, বীণা মণ্ডল, রুকবানুর রহমান, বাবর আলি ও অসীমা পাত্র। সেই কর্মসূচির মাঝেই আচমকা সেখানে পৌঁছে যান মদন মিত্র। তাঁর উপস্থিতি ঘিরেই শুরু হয় রাজনৈতিক জল্পনা।মদনকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, মদন মিত্র এখন অন্য শিবিরে থাকলেও তাঁর মন এখনও অন্য জায়গায় রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইডির নোটিস দিয়ে মদনের পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়েছে। তাই মদন আপাতত যা ইচ্ছা বললেও, তাঁকে এখনও নিজেদের লোক বলেই মনে করেন তাঁরা। কুণালের এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি ঋতব্রত শিবিরের ভিতরে নিজেদের লোক রেখে নজরদারি চালাতে চাইছে কালীঘাট তৃণমূল?কুণালের বক্তব্যের জবাব দিতে অবশ্য দেরি করেননি মদন মিত্র। তিনি বলেন, তাঁর ইচ্ছা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আগামী দশ বছর বিরোধী আসনে বসুন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শোভনদেব মজার ছলে জবাব দেন, তিনি আবারও ফিরে আসবেন।ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর মদনের এই প্রথম কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গেল। সেই সঙ্গে কুণাল ঘোষের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বড় স্বস্তি অভিষেকের! সই জাল মামলায় হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে বদলে গেল সমীকরণ

বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। হাইকোর্ট আরও এক মাসের জন্য তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ এই নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তদন্ত চললেও আপাতত গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী তেইশ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যাড ব্যবহার করে তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগ বিধানসভার স্পিকারের সচিবালয়ে জমা পড়ে। প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলার দায়িত্ব যায় সিআইডির হাতে। তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজির হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, তদন্ত চললেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। এবার সেই অন্তর্বর্তী সুরক্ষার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল আদালত।এর আগে এই মামলায় একাধিকবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিআইডি। প্রথম দিকে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেও পরে ভবানীভবনে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তদন্তকারীরা অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করেন। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ চললেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি।হাইকোর্টের এই নতুন নির্দেশের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তদন্ত চলবে, অন্যদিকে আপাতত আইনি সুরক্ষা বহাল থাকায় সই জাল মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সোনমকে চিনতেনই না আমির! ‘থ্রি ইডিয়টস’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভেঙে গেল বহু বছরের বিশ্বাস

দিল্লির যন্তরমন্তরে দীর্ঘদিন ধরে অনশনে রয়েছেন সোনম ওয়াংচুক। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁকে নিয়ে বহু বছরের একটি প্রচলিত ধারণা ভেঙে দিলেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই বিশ্বাস করতেন, জনপ্রিয় ছবি থ্রি ইডিয়টস-এর ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি সোনম ওয়াংচুককে ভিত্তি করেই তৈরি। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছেন আমির।লন্ডনে একটি চলচ্চিত্র উৎসবে থ্রি ইডিয়টস ছবির বিশেষ প্রদর্শনের পর প্রশ্নোত্তর পর্বে আমির বলেন, ছবির গল্প বা তাঁর চরিত্র কোনওভাবেই সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে নেওয়া নয়। চিত্রনাট্য লেখা এবং ছবির কাজের সময় তাঁরা সোনম সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও তিনি সোনমকে চিনতেন না বলে জানান অভিনেতা।আমিরের এই বক্তব্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, এর আগেই একটি জনপ্রিয় কুইজ অনুষ্ঠানে সোনম ওয়াংচুক জানিয়েছিলেন, বহু বছর আগে দিল্লির একটি অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে আমিরের দেখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি সিয়াচিন নিয়ে একটি ছবি তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি যুদ্ধ নয়, শান্তির বার্তা তুলে ধরার অনুরোধ করেছিলেন অভিনেতাকে।/pসেই পুরনো ভিডিও আবারও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, আমির কি সেই সাক্ষাতের কথা ভুলে গিয়েছেন, নাকি বর্তমান বিতর্ক এড়াতেই এই মন্তব্য করেছেন?উল্লেখ্য, দুই হাজার নয় সালে মুক্তি পাওয়া থ্রি ইডিয়টস ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় ছবি। ছবিটি মূলত চেতন ভগতের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল। তবে ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রকে ঘিরে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে মিলের আলোচনা বহু বছর ধরেই চলছিল। এবার সেই জল্পিত সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি মুখ খুলে সব জল্পনায় ইতি টানার চেষ্টা করলেন আমির খান। তবে তাঁর এই মন্তব্যের পর বিতর্ক আরও বেড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
দেশ

রথের উন্মাদনায় হঠাৎ মৃত্যু! পুরীতে কী ঘটল, সামনে এল প্রশাসনের বিস্ফোরক দাবি

পুরীর রথযাত্রায় লক্ষ লক্ষ ভক্তের ঢলের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। বৃহস্পতিবার রথযাত্রা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই ভক্তের। একই সঙ্গে একশোরও বেশি মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রথমে পদপিষ্টের আশঙ্কার কথা সামনে এলেও পরে ওড়িশা সরকার জানিয়ে দিয়েছে, রথযাত্রায় কোনও পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেনি।প্রশাসনের দাবি, অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে একজনের বয়স প্রায় ষাট বছর। ভিড়ের মধ্যে তিনি আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজনের বয়স পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন বলে প্রশাসনের দাবি। চিকিৎসার চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।ওড়িশা সরকার জানিয়েছে, ভিড় এবং আবহাওয়ার কারণে একশোরও বেশি ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের পুরী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।রথযাত্রাকে ঘিরে এ বছরও ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন ছিলেন প্রায় বারো হাজার পুলিশকর্মী, ঊনিশ জন জ্যেষ্ঠ পুলিশ আধিকারিক এবং শতাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক। প্রশাসনের অনুমান, নয় দিনের এই উৎসবে প্রায় তিরিশ লক্ষ ভক্ত পুরীতে আসবেন। বৃহস্পতিবারই প্রায় আট থেকে নয় লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল।প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ভক্তরা রথযাত্রায় অংশ নেন। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার তিনটি রথ গুণ্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তবে সময় বেশি লাগায় বৃহস্পতিবার রথ টানা শেষ করা সম্ভব হয়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে আবার রথ টানা শুরু হবে।ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, গোটা অনুষ্ঠানে ভিড় নিয়ন্ত্রণে কোনও বড় ধরনের ব্যর্থতা হয়নি। প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, সেবায়েত এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক সমস্যার কারণে কয়েকজন ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভুল! চোখের সামনে ছাত্রবোঝাই গাড়িকে টেনে নিয়ে গেল ট্রেন

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি রেলগেটে ছাত্রবোঝাই পুলকারে ধাক্কা মারে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ঘটনায় একাধিক পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি আপ ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। গেট খুলতেই আটকে থাকা যানবাহন রেললাইন পার হতে শুরু করে। সেই সময় স্কুলের পুলকার এবং এক সাইকেল আরোহী রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই আবার রেলগেট নামানো হয়। ফলে পুলকারটি মাঝপথে আটকে যায় এবং বেরিয়ে আসার সুযোগ পায়নি।এর কিছুক্ষণের মধ্যেই উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে নিমতিতা প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। ট্রেনটি পুলকারে সজোরে ধাক্কা মেরে প্রায় পঞ্চাশ ফুট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাইকেল আরোহীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ুয়াদের উদ্ধার করতে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ। পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় রেলগেট পরিচালনায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরীও রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেল বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কীভাবে রেলগেট খুলে আবার বন্ধ করা হল এবং সেই সময় দায়িত্বে থাকা কর্মীর ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ বিপর্যয়! ছাত্রবোঝাই গাড়িতে ট্রেনের ধাক্কা, মুহূর্তেই মৃত্যু

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই ছাত্রের। স্কুলের ছাত্রবোঝাই একটি গাড়িতে চলন্ত ট্রেন ধাক্কা মারলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণসুবর্ণ এবং গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি লেভেল ক্রসিংয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। সেই সময় স্কুলের গাড়িটি রেললাইন পার হওয়ার জন্য এগিয়ে যায়। ঠিক তখনই উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনটি গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।জানা গিয়েছে, গাড়িতে মোট আট জন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের প্রথমে কর্ণসুবর্ণ ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যাঁদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর, তাঁদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ।দুর্ঘটনার পর রেলগেট খোলা ছিল কেন, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গেটম্যানের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। কেন রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময় গেটম্যান কোথায় ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব রেল। একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, রেলগেট পরিচালনায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal