• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Panchayet

কলকাতা

ভুয়ো জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রে কড়া নবান্ন, পঞ্চায়েত ও পুর প্রধানদের সইয়ের ক্ষমতা বাতিল

জন্ম-মৃত্যুর ভুয়ো শংসাপত্রের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তোলপাড়ের মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। এবার থেকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুর চেয়ারম্যানরা আর জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু করতে পারবেন না। এই ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকদের হাতে থাকবে বলে জানালেন মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল।মুখ্যসচিবের নির্দেশের পর জেলায় জেলায় জন্ম-মৃত্যুর নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।নবান্ন সূত্রে খবর, এখন থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের সইয়ের ক্ষমতা থাকবে। পঞ্চায়েত প্রধান বা পুর চেয়ারম্যানদের আর সেই ক্ষমতা থাকবে না।এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুখ্যসচিব বলেন, নথি যাচাইয়ের সময় বহু ভুয়ো জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিশেষ করে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর দিনাজপুরে এই ধরনের অভিযোগ বেশি পাওয়া গিয়েছে।জন্ম শংসাপত্রের ভিত্তিতেই আধার কার্ড, ভোটার কার্ড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র তৈরি হয়। তাই এই শংসাপত্রে কোনও ভুয়ো তথ্য থাকলে তা ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। সেই কারণেই শংসাপত্র ইস্যুর দায়িত্ব শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকদের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, সরকারি আধিকারিকদের হাতে দায়িত্ব থাকলে তাঁরা চাকরির দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে সঠিকভাবে শংসাপত্র ইস্যু করবেন। ভুয়ো নথির মাধ্যমে বেআইনিভাবে নাগরিকত্বের সুযোগ কেউ যাতে না পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জুলাই ২৩, ২০২৬
রাজ্য

কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা বাগদার পঞ্চায়েত সদস্যের, অভিযোগের তির প্রধানের দিকে

মানসিক চাপে কিটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন পঞ্চায়েত সদস্য। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকের বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের ঘটনা। তৃণমূলের প্রধানের কথায় আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েছে তারই দলের পঞ্চায়েত সদস্য। এদিকে সংবাদ মাধ্যমে মুখ খোলায় লাগাতার হুমকির অভিযোগ প্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধ। অভিযুক্ত প্রধানের নাম অসিত মণ্ডল। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অসিত।জানা গিয়েছে, বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদহ গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য দিলীপ দাসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার নাম করে ওই গ্রাম থেকে প্রায় ৫০ জন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১০ হাজার, ১৫ হাজার করে টাকা নিয়েছে। এসব কাজ করেছেন তিনি প্রধান অসিত মণ্ডলের কথা মতো। সেই টাকা তিনি প্রাধানকে দিয়েছেন। তবে গুরুতর অভিযোগ টাকা দিয়েও গ্রামের কেউ ঘর পায়নি। ফলে তাঁরা এখন টাকা ফেরত চাইছে। কিন্তু টাকা দিচ্ছেন না প্রধান। পরবর্তীতে বিষয়টি তিনি দলেও নেতৃত্বকে জানান এবং সংবাদমাধ্যের সামনে ওই ঘটনা তুলে ধরেন। অভিযোগ, তার পর থেকে দিলীপকে পঞ্চায়েত প্রধান অসিত মণ্ডলের লোকজন হুমকি দিতে থাকে। ভয়ে তারা বাড়ি থেকে বেড়তে পারছেন না। পঞ্চায়ের সদস্যর স্ত্রী মঞ্জু দাসের দাবি, নানা হুমকির ফলে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল আমাদের পরিবার। আর সেই মানসিক চাপে চলতি মাসের ছয় তারিখ শুক্রবার বিকেলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে দিলীপ। দুই দিন বনগাঁ হাসপাতালে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসে। সোমবার দিলীপ দাসের স্ত্রী মঞ্জু দাস, অভিযুক্তদের শান্তি ও নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে বনগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। টাকা তোলার কাজে দিলীপ দাস নিজেই যুক্ত বলে পাল্টা অভিযোগ করেন প্রধান অসিত মণ্ডল। প্রধানের দাবি, সাংসারিক কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল দিলীপ। আমার সঙ্গে দিলিপের কোনও যোগাযোগ নেই। গ্রামের একাধিক লোকের কাছ থেকে টাকা তুলেছে দিলীপ। নানা দুষ্কর্মের সঙ্গে যুক্ত আছে পঞ্চায়েত সদস্য। আবাস যোজনার টাকা তুলে প্রধানকে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আমি কোন টাকা নেইনি। পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৩
রাজ্য

স্ত্রী পঞ্চায়েত প্রধান, দপ্তর সামলাচ্ছেন স্বামী, সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

যত গণ্ডগোল খণ্ডঘোষে। ফের খবরের শিরোনামে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের শাঁখারি গ্রাম পঞ্চায়েত। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিকে নিয়ে শাসক বিরোধী তরজা তুঙ্গে। টেবিলের উল্টো দিকে থাকা বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন একজন ব্যক্তি। তার পাশে নির্লিপ্ত ভাবে বসে আছেন একজন মহিলা। শাঁকারি ১ নম্বর পঞ্চায়েতের ওই ছবি ঘিরেই রাজনৈতিক বির্তক তৈরি হয়েছে। ছবি ঘিরে হইচই শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে। জানাগেছে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ছবির মহিলা শিউলি খাঁ। শাঁখারী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। তার পাশে বসে যিনি দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সেই পুরুষটি হলেন প্রধানের স্বামী প্রসেনজিৎ খাঁ।বিরোধীদের অভিযোগ গ্রামে প্রতিদিন পঞ্চায়েত দপ্তরে বিকেল পর্যন্ত প্রধানের পাশে একটি চেয়ারে বসে থাকেন তাঁর স্বামী। পঞ্চায়েতের, কাজকর্মে আসা লোকজনের সঙ্গে তিনিই কথা বলেন। কলেজে ভর্তির জন্য শংসাপত্র কিংবা জমি সংক্রান্ত সমস্যা মেটাতে পঞ্চায়েত গিয়ে প্রধানের স্বামীর সঙ্গেই কথা বলতে হয় স্থানীয়দের। স্বামীর নির্দেশের পরেই প্রয়োজনীয় শংসাপত্র মেলে। তবে সব অভিযোগই অস্বীকার করেন প্রসেনজিৎ খাঁ। তিনি বলেন, বাড়ি থেকে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে তিনি স্ত্রীকে বাইকে করে সকালে নামিয়ে দিয়ে চলে যান। আবার বিকেলে বাড়ি নিয়ে যান। তিনি পঞ্চায়েতের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করেন না।বিজেপি জেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, তিনি শুধু পঞ্চায়েত অফিসে বসে থাকেন না। তার নির্দেশ ছাড়া কোন সার্টিফিকেট ইস্যু হয় না। এমনকি গাড়ির তেলের বিলও নিচ্ছেন প্রধানের স্বামী। সেই ছবিও দেখা যাচ্ছে। প্রধান শিউলি খাঁ বলেন, তার স্বামী কোনদিনই অফিসের কাছে হস্তক্ষেপ করেন না। এটা মিথ্যে অভিযোগ। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, স্বামী প্রধানের কাছে যেতেই পারেন। তার মানে এই নয় প্রধানের কাজে তার স্বামী তদারকি করছেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনার তালিকা থেকে নিজের নাম বাতিলের আবেদন পঞ্চায়েত সদস্যের

পূর্ব-বর্ধমানের রায়নার পর রায়ান। সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকায় এক পঞ্চায়েত সদস্যা তা বাতিল করতে আবেদন করলেন প্রধানের কাছে। রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতেরবিজয়রাম সংসদের সদস্যা ফাতেমা বিবি, তার নিজের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবাস যোজনায় তার ও তার পরিবারের ছসদস্যের নাম আসে। এরপরই তিনি সেই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন পত্র জমা দেন পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে ।তবে এতে বির্তক শেষ হয় নি।বরং শাসক বিরোধী রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ আবাস যোজনা নিয়ে আমরা যে অভিযোগ করেছিলাম স্বজনপোষণের সেটা আরো একবার পরিষ্কার হলো এবং আবাস যোজনার নিয়ে আমাদের যে আন্দোলন সে আন্দোলনের ফল স্বরূপই তৃণমূলের এক একজন নেতা নেত্রীরা যাদের নাম আবাস যোজনা এসেছিল তারা একপ্রকার বাধ্য হয়েই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে দাবী করেন বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তৃণমূলের পাল্টা জবাব কেউ যদি অন্যায় করে থাকে তার শাস্তি হবে আর এই আবাস যোজনার তালিকা ২০১৫ - ১৬ সালের সেই সময় হয়তো কারো কাঁচা বাড়ি থাকতেই পারে সেই কারণে তার নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে। এখন ২০২২ সাল। এই সময়ের মধ্যে কেউ পাকা বাড়ি করেছেন। তাই তারা নিজেদের নাম বাদ দিচ্ছেন তালিকা থেকে বলে জানান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। এখানে উল্লেখ্য সোমবার রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রত্না মহন্ত তার আবাস যোজনা তালিকায় নাম থাকায় নিজেই নাম কেটে দেন। আর মঙ্গলবার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা ফতেমা বিবি রত্না মহন্তের দেখানো রাস্তায় হাঁটলেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যদের

সারা রাজ্য জুড়ে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি সরগরম। ঠিক সে সময় পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে শাসক দলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের মারাত্মক অভিযোগে উঠল। ঘটনার জেরে এলাকায় শোরগোল পরেছে। বিষয়টি নিয়ে এদিন গলসি ১ নং ব্লক বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের ৮ জন পঞ্চায়েত সদস্য। এদিন ওই পঞ্চায়েতের ১৪ জন সদস্যের মধ্যে ৮ জন বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানান। জানা গেছে, ওই পঞ্চায়েতে ভিসিটি অর্থাৎ ভেক্টর ডিজিস কন্ট্রোল টিমের জন্য দুটি শুন্যপদ রয়েছে। অভিযোগ, সেই পদে নিয়োগের জন্য পঞ্চায়েত প্রধান নিজের ছেলের নামই রেজুলেশন করে পাঠান লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত প্রধান পম্পা রুইদাস।পঞ্চায়েত সদস্যরা জানিয়েছেন, পঞ্চায়েতে ভিসিটি নিয়োগের জন্য আবেদন জমা করেছে এলাকার বেশ কিছু বেকার যুবক যুবতী। তবে সেই পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চায়েতে জেনারেল মিটিং না করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁরা জানান, আচমকা টেলিফোনে গ্রাম সংসদ সভার মিটিং ডেকে সদস্য সদস্যাদের ফাঁকা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করিয়ে নেন প্রধান। তারপরই রেজুলেশন কপি বিডিও অফিসে পাঠিয়ে দেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। পঞ্চায়েত প্রধানের এমন কাজে মুখ খুলেছে বিরোধী দল বিজেপি।তবে গলসি ১ নং ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও নিয়োগ হয়নি। লোয়া রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে দুটি ভ্যাকেন্সি আছে। ওখান থেকে একটি রেজুলেশন পেয়েছিলাম। সেখানে দুইজনের নাম পাঠানো হয়েছিল। আজকে কয়েকজন এসে অভিযোগ করে গেছেন। তাঁরা বলছেন ওই মিটিং এ আমরা ছিলাম না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

হঠাৎ পঞ্চায়েত পরিদর্শনে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা

বুধবার মন্তেশ্বরের গ্রাম পঞ্চায়েত পরিদর্শনে এলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা। এদিন তিনি পঞ্চায়েতের বিভিন্ন খাতের হিসাব নিকাশ সহ বিভিন্ন কাজ খতিয়ে দেখে উক্ত পঞ্চায়েত ভালো কাজ করছে বলে জানান। অন্যদিকে এদিন জেলাশাসককে কাছে পেয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন জামনা সমবায় সমিতির অ্যাসিষ্ট্যান্ট ম্যানেজার সুমন ঘোষ। তিনি এদিন জেলাশাসককে জানান, জামনা সমবায় এক মিলারের কাছ থেকে সুদ সহ প্রায় দেড় কোটি টাকা প্রাপ্য থাকলেও তা এখনও না মেলায় সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সমবায়ের গ্রাহকদের। এরপরেই জেলাশাসক বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে তিনি জানান। এদিন জেলাশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগত, বিডিও গোবিন্দ দাস সহ অন্যান্যরা।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

TMC-Cut money: পঞ্চায়েতে টেন্ডার ডাকায় কাটমানি ইস্যুতে উত্তপ্ত গলসি

বিধানসভা ভোটের আগে কাটমানি ইস্যুতে জোর তরজা চলেছে রাজ্য রাজনীতিতে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর ধমকে কাটমানি ইস্যু কিছুদিন ধামাচাপা থাকলেও ভোট পরবর্তী সময়ে ফের একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিষয়টি। আর তা নিয়ে তোলপাড় বর্ধমানের গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েত। সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধান রিঙ্কু ঘোষ নিজেই কাটমানি নেওয়ার কথা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন। এমনকী, দল চালাতে যে টাকার প্রয়োজন হয়, তা এই কাটমানি থেকেই আসে বলে দাবি তাঁর। স্বয়ং পঞ্চায়েত প্রধানের এমন মন্তব্যে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে দল। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দল চালানোর জন্য কাটমানির প্রয়োজন হয়না। এরকম মন্তব্য একেবারেই ভুল। কিন্তু কেউ যদি দলের নাম করে কাটমানি নিজেদের পকেটে ঢোকাতে চায়, তার প্রমাণ পাওয়া গেলে, দল তার বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা করবে। আরও পড়ুনঃ যানযন্ত্রনা অব্যাহত শহরে, অমিল বেসরকারি বাসগত কয়েকদিন ধরে পূর্ব বর্ধমানের গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের টেন্ডার ডাকার প্রক্রিয়া নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ২৯ জুন অর্থ উপসমিতির সভায় এই বিষয়টি নিয়ে সদস্যদের মধ্যে ঝামেলাও বাধে।পঞ্চায়েত প্রধান নিজে দল চালানোর খরচের জন্য কাটমানির কথা স্বীকার করে নেওয়ায় প্রধান-উপপ্রধান তরজা এখন চরমে। উপপ্রধান বিমল ভক্তর অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধান রিঙ্কু ঘোষ সরকারি টেন্ডার অফ লাইনে করতে চাইছেন। গত ১৭ ই জুন বেলা বারোটায় এলাকার গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েতে ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ঢালাই রাস্তা, নর্দমা, পুকুরঘাট তৈরির টেন্ডার ডাকার বিষয়ে বৈঠক করা হয়। সেখানে ঠিক করা হয় ই-টেন্ডার ডাকার প্রক্রিয়া চালু করা হবে। কিন্তু তার পরেও টেন্ডার নোটিস জারি করেননি পঞ্চায়েত প্রধান। উপপ্রধান বিমল ভক্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অফলাইন টেন্ডার হলে কিছু নেতা সুবিধা পাবে। কিছু ঠিকাদার বিনা প্রতিযোগিতায় বরাত পেয়ে যাবে। যেখান থেকে কিছু কাটমানি নেওয়া হবে। সেই টাকাতে দলের নেতাদের পকেট ভরাতে পারে।অনলাইনে করলে সেটা হবে না। সেকারণেই তিনি প্রধানকে এই পরামর্শ দিয়েছিলেন।দলের স্বচ্ছতার স্বার্থে বিষয়টি দেখা উচিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান রিঙ্কু ঘোষ সাফাই দিয়ে বলেন, দল চালাতে টাকা নেওয়া হয়।সেটা সবাই জানে।এক্ষেত্রে সেটা কাটমানি নয়। ঘরের জন্য কারুর কাছ দশ-বিশ হাজার নিলে সেটাই কাটমানি। তাছাড়া কাজের গতি আনতে টেন্ডার প্রক্রিয়াকরণের জন্য আবার মিটিং ডাকা হয়। বিডিও সাহেব বলছিলেন অনলাইন করলে কাজটা দেরি হতে পারে। দ্রুত গতিতে কাজের জন্য অফলাইনের কথা বলেছিলেন তিনি। যদি্ও এই বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিডিও সঞ্জিত সেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের কোনও কথাই তিনি বলেননি। আরও পড়ুনঃ ফলের রাজার রাজকীয় গুণাগুণএদিকে, পঞ্চায়েত প্রধানের এই বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি নিয়ে বর্ধমানে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এত ছোট স্তরের বিষয়গুলো তাদের কাছে আসে না। এগুলো সভাধিপতি বা জেলাশাসকের বিবেচনার ব্যাপার। তবে যদি তাদের কাছে কোনও অভিযোগ আসে, তা নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আর অভিযোগ প্রমাণিত হলে পঞ্চায়েত প্রধানের পদও চলে যেতে পারে।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে

অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে গাছের পর গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।গাছ কাটার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সোমবার পঞ্চায়েতের একাংশ সদস্য, ব্লকের বিডিও,পঞ্চায়েত প্রধান -সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন। এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসেছেন প্রশাসনের কর্তারা । জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের চারজন সদস্য এদিন জানান, তাদের পঞ্চায়েত এলাকায় দামোদরের উপরে রয়েছে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতু।জামালপুরের দিক থেকে সেই সেতু পেরিয়ে কালাড়াঘাট হয়ে রায়না যাওয়ার জন্যে রয়েছে পূর্ত দপ্তরের সড়কপথ।সেই সড়কপথে কালাড়াঘাটের একটি রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কের পর থেকে উচিতপুরের আগের সেতু এলাকা পর্যন্ত রাস্তার দুই ধারে অনেক পুরনো গাছ রয়েছে। এই গাছ কাটার জন্যে বন দপ্তর ও পূর্ত দপ্তরের কাছ থেকে লিখিত কোনও অনুমতিও নেওয়া হয়নি। গাছ কেটে বিক্রি সংক্রান্ত কোনও টেন্ডারও পঞ্চায়েত করেনি। অথচ বিগত ৪- ৫ দিনে পূর্ত দপ্তরের সড়ক পথের দুই ধারে থাকা প্রকাণ্ড ও মূল্যবান প্রায় ৪০ টি গাছ কেটে পাচার করে দেওয়া হয়েছে । পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও প্রশাসনের কাছে জানিয়েছেন জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের সদস্যরা। আরও পড়ুনঃ ভগবানের সুরের ভাঁজে হৃদয় ভিজছে সকলেরঅভিযোগকারী পঞ্চায়েত সদস্য হারাধন পাত্র ও সঞ্চয়িতা বাগ এদিন বলেন,বিগত ২০-২৫ দিনের মধ্যে বজ্রপাতে জামালপুর ব্লকের ৭ জন বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃক্ষ ঘাটতি ও দূষণ বৃদ্ধি মূলত কোনও এলাকায় বজ্রপাত বৃদ্ধির অন্যতম একটা কারণ। এইসব জানার পরেও খোদ পঞ্চায়েত কর্তাদের পরিচালনাধীনে বেআইনিভাবে বৃক্ষ নিধন হচ্ছে। এই অপরাধ যারা করছেন তাঁদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত । জামালপুরের শুড়েকালনা নিবাসী তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতা প্রদীপ পাল বলেন,পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগ যুক্তি সংগত।এই বিষয়ে প্রদীপ পাল বলেন, পূর্ত দপ্তরের সড়ক পথের ধারে থাকা গাছ কাটার ব্যাপারে জামালপুর ২ পঞ্চায়েত কোনও নিয়মকানুন মানার তোয়াক্কা করেনি।যারা এই কাজে যুক্ত রয়েছে তাদের সবার শাস্তি হওয়া দরকার। প্রদীপ পাল আরও বলেন, সরকার স্বচ্ছভাবে পঞ্চায়েত চালানোর কথা বলেলেও জামালপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত দুর্নীতির আখড়া হয়ে উঠেছে। নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য না হওয়া কয়েকজন ব্যক্তি এখন পঞ্চায়েতের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হয়েছেন। ওইসব স্বার্থান্বেষীদের অঙ্গুলি হেলনেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অন্ধকারে রেখে পঞ্চায়েতের পরিচালনাধীনে বেআইনি কাজকর্ম হচ্ছে। তার প্রতিবাদস্বরূপ মঙ্গলবার জামালপুর ২ পঞ্চায়েতে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে বলে প্রদীপ পাল জানিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে দেবাঞ্জনকে জঙ্গিদের থেকেও ভয়ঙ্কর বললেন মুখ্যমন্ত্রী সদস্যদের আনা অভিযোগ প্রসঙ্গে জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান উদয় দাস বলেন,পঞ্চায়েতের ওই এলাকায় ৩৪ টি গাছ কাটার ব্যাপারে চলতি জুন মাসের ১১ তারিখে একটি রেজোলিউশন হয়। কিন্তু গাছকাটা সংক্রান্ত সব নিয়ম মানতে না পারার কারণে এই ব্যাপারে আর এগনো হয়নি। তবে ওই গাছগুলোর পাহারাদার অর্থাৎ পাট্টাদার নিমাই মালিক নিজে দায়িত্ব নিয়ে গাছগুলি সম্প্রতি কেটেছেন। গাছ কেটে বিক্রি করে নিমাইবাবু ৩৫ হাজার টাকা এদিন পঞ্চায়েত অফিসে জমা দিয়ে গিয়েছেন বলে উদয় দাস জানান। কিন্তু পঞ্চায়েত-সহ অন্য সমস্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের লিখিত অনুমতি না নিয়ে একজন পাহারাদার কিভাবে পূর্ত দপ্তরের সড়কপথের ধারে থাকা গাছগুলি কেটে বিক্রি করলেন তার কোনও উত্তর উপ- প্রধান এদিন দিতে পারেননি। বেআইনিভাবে গাছ কেটে বিক্রি করার অর্থ পঞ্চায়েত কেন গ্রহণ করলো ? এর উত্তরে উপ -প্রধান বলেন, তিনি পঞ্চায়েতের নিয়ম কানুনের ব্যাপারে বিশেষ কিছু জানেন না। বিজেপির জামালপুর বিধানসভার আহ্বায়ক জীতেন ডকাল বলেন, যেসব গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে তার মূল্য বেশ কয়েক লক্ষ টাকা হবে। অথচ বলা হচ্ছে ওই সব গাছের মূল্য নাকি মাত্র ৩৫ হাজার টাকা । আসলে পুরোটাই একটা ঘোটালা। ঘোটালায় মদত না থাকলে বেআইনিভাবে গাছ কেটে বিক্রি করার অর্থ পঞ্চায়েত গ্রহণ করতো না। আর এখন উপ- প্রধান বলছেন তিনি নাকি কিছুই জানেন না। জীতেনবাবু এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে বলেন, উপ-প্রধানের কথা মতো এটা যেন চোরে-চোরে ভাগ বাটোয়ার মতোই ব্যাপার। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন,তিনি অভিযোগপত্র পেয়েছেন। অভিযোগের তদন্ত করার জন্যে পুলিশকে বলা হয়েছে। গাছ কাটার বিষয়ে কোনও অনিয়ম থাকলে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুন ২৯, ২০২১
রাজ্য

বাসন্তীতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য

ভোটের মরশুমে এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে গুলিবিদ্ধ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। হামলার নেপথ্যে বিজেপি, দাবি তৃণমূলের। অভিযোগ উড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। কী হয়েছিল রবিবার রাতে, তা জানতে তদন্তু শুরু করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ওই পঞ্চায়েত সদস্যের নাম অনুপ হালদার। অন্যান্য দিনের মতোই গতকাল সন্ধেয় দলের কাজে বেরিয়েছিলেন তিনি। প্রায় এগারোটা নাগাদ বাইকে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, তিনি আমঝাড়া এলাকায় পৌঁছতেই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। সেইসময়ই তাঁকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। অনুপবাবুর সঙ্গেই বাইকে ছিলেন তাঁর ভাই। দাদাকে বাঁচাতে গেলে তাঁকে এলোপাথারি কোপায় দুষ্কৃতীরা। তাঁদের আর্তনাদ পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে আসতেই পালায় অভিযুক্তরা। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় অনুপকে ক্যানিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ। তৃণমূলের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। এবিষয়ে তৃণমূল দলের প্রার্থী শ্যামল মণ্ডল বলেন, বিজেপির দুষ্কৃতিরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমাদের কর্মীরা যখন বুথে মিটিং করে ফিরছিলেন তখনই তাঁদের উপর আক্রমণ করা হয়।নিজেদের বিরুদ্ধ ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এ বিষয়ে বিজেপির বাসন্তীর প্রার্থী রমেশ মাঝি বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই এই ঘটনা। এর সঙ্গে বিজেপির কোন সম্পর্ক নেই। উল্লেখ্য, ভোটযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যে। আগামী বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ হবে বঙ্গে। এই পরিস্থিতিতেও কার্যত প্রতিদিনই বাংলার প্রতিটি জেলা থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। কোথাও আক্রান্ত হচ্ছে তৃণমূল। কোথাও আবার হামলা চলছে বিরোধীদের উপর। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি।

মার্চ ২৯, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

মোদির ভিডিও সরাতেই বড় বিপাকে মেটা! ফের তলব শীর্ষ কর্তা, এবার কী হতে চলেছে?

ফেসবুক থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাইরাল সেলফি ভিডিও সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার মেটার বৈশ্বিক জননীতি বিষয়ক প্রধানকে তলব করল কেন্দ্র। বুধবার সকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে মেটার শীর্ষ কর্তা জোয়েল কাপলানকে। সূত্রের খবর, একই বিষয়ে ইনস্টাগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে।জেন-জি প্রজন্মের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি সেলফি ভিডিও হঠাৎ ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে মেটা এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও তাতে সন্তুষ্ট নয় কেন্দ্র।তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির বৈঠকের পর কমিটির প্রধান নিশীকান্ত দুবে স্পষ্ট জানান, শুধু ক্ষমা চাইলেই দায় শেষ হয় না। এই ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে সংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।প্রসঙ্গত, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসকে অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা বলে উল্লেখ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও প্রকাশের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ইনস্টাগ্রামে মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটির দর্শকসংখ্যা তিনশো তিন মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। সেই সাফল্যের মধ্যেই ফেসবুক থেকে ভিডিওটি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এখন কেন্দ্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! আরও পাঁচ হাজার মহিলা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, কারা থাকছেন তালিকায়?

দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদরা। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, রাজ্যের উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে হবে।বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে। যাঁরা আবেদন করার পরেও এখনও এই প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রত্যেক এনসিপিআই সাংসদ তাঁদের নিজ নিজ লোকসভা এলাকায় অতিরিক্ত পাঁচ হাজার উপভোক্তার নাম সুপারিশ করতে পারবেন। সেই তালিকায় থাকবেন এমন মহিলারা, যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি।ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছে গিয়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে কুড়ি জন সাংসদের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ নতুন উপভোক্তা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকের পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শতাব্দী রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন রাস্তা, সমন্বিত শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা এখনও পাননি, তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজার জনের নাম প্রত্যেক সাংসদ সুপারিশ করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, বৈঠকে কয়েকজন সাংসদ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরেও অনেক এলাকায় নিচুতলার কর্মীদের সহযোগিতা তাঁরা পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবের কথাও তুলে ধরা হয়। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অমর কণ্ঠকে বড় সম্মান! বদলে যেতে পারে শ্যামবাজার মেট্রোর নাম, সামনে এল বড় প্রস্তাব

বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও মর্যাদা দিতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব সামনে এল। প্রবাদপ্রতিম কণ্ঠশিল্পী বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে তাঁর স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের দাবি তুললেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামে করা হোক। পাশাপাশি তাঁর ঐতিহাসিক বাড়িকে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জন্মদিনে শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের বাড়িতে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে তিনি কিংবদন্তি শিল্পীর মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণের পুত্রবধূ সুস্মিতা ভদ্রের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ছাড়া বাঙালির দুর্গাপুজোর আবহ যেন সম্পূর্ণ হয় না। তাই তাঁর অবদানকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শ্যামবাজারের রামধন মিত্র লেনের পুরনো বাড়িটিও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। বর্তমানে বাড়িটির অবস্থা অনেকটাই জীর্ণ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহাসিক এই বাড়ির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে সংরক্ষণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।কলকাতার একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের নামে রাখা হয়েছে। মহানায়ক উত্তম কুমার, কাজী নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের নামে মেট্রো স্টেশন রয়েছে। এবার সেই তালিকায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের নামও যুক্ত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অনেকে।রাজ্য সরকার বাংলার ঐতিহ্য ও মনীষীদের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নন, অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐতিহাসিক বাড়িও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাসভবন সংরক্ষণের বিষয়েও পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! বিজেপির সঙ্গে যাব না, স্পষ্ট জানালেন আবু তাহের, বাড়ল নতুন জল্পনা

রাজ্যের রাজনীতিতে আবারও নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এনসিপিআইয়ের সাংসদ আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এনসিপিআইতে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে কোনওভাবেই যেতে চান না। একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন খলিলুর রহমানও। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।তৃণমূল ছেড়ে একসঙ্গে বিশ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেন। পাশাপাশি এনডিএর শরিক হওয়ার জন্যও আবেদন করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে আবু তাহের ও খলিলুর রহমানের এই অবস্থান নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, যদি শুরু থেকেই এনডিএর অংশ হওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এখন কেন বিজেপির সঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি জানানো হচ্ছে? এই অবস্থান কি শুধুই রাজনৈতিক, নাকি ভবিষ্যতের বড় কোনও সমীকরণের ইঙ্গিত?আবু তাহের বলেন, তাঁদের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সাংসদরা এনডিএর বৈঠকে অংশ নেননি। তাঁদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁরা এনডিএর বৈঠকে যাননি এবং ভবিষ্যতেও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। তাঁরা এনসিপিআইতেই থাকবেন।এই বক্তব্যের পর আরও একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এনসিপিআইকে এনডিএর শরিক হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে একই দলে থেকেও কয়েকজন সাংসদ কীভাবে এনডিএ থেকে নিজেদের দূরে রাখবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে এনডিএর বৈঠকে এনসিপিআইয়ের কয়েকজন সাংসদ উপস্থিত থাকলেও আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং আরও এক সংখ্যালঘু সাংসদ সেখানে যাননি। সেই ঘটনাও যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এরই মধ্যে সংসদ চত্বরে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের কথোপকথন ঘিরেও নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী দিনে এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে এবং এই দল এনডিএর সঙ্গে কতটা এগোবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চিনার পার্ক থেকে নবান্ন! হামিমের নিশানায় কি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা? জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের জেরা করে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের দাবি, শুধু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভা বা যাতায়াতের পথ নয়, চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশেও নজরদারি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি হামিম বা তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়েছিল কি না, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখা ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। অভিযোগ, বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই এই নজরদারি চলছিল। নিরাপত্তার কোথাও দুর্বলতা রয়েছে কি না, সেটাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হামিম মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জনসভা এবং কর্মসূচির আশপাশে গিয়েছিল। পাশাপাশি চিনার পার্কের বাড়ির অবস্থানও খতিয়ে দেখেছিল বলে দাবি। এমনকি বাড়ির কাছাকাছি কোথাও থাকার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। যদিও সত্যিই সেখানে কোনও বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।তদন্তকারীদের ধারণা, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে থাকতে পারে। সেই কারণেই ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। হামিমের গতিবিধি এবং তার সঙ্গে কারা যোগাযোগ রেখেছিল, সেই তথ্যও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হাওড়ার উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক এবং রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও হামিমদের নজরদারির তালিকায় ছিলেন। অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। এই তথ্য হামিমকে জেরা করেই পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার বিদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে এই নেটওয়ার্কে আরও কারা জড়িত, অর্থ কোথা থেকে আসত এবং আর কী কী পরিকল্পনা ছিল, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ধৃতদের জেরা চলছে।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal