• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PURBA BARDHAMAN

রাজ্য

আবাস যোজনা’র স্বচ্ছতা বাড়াতে এবার অভিযোগ জমা নেওয়ার উদ্যোগ জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা'র

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে যেকোনো ধরনের অভাব, অভিযোগ এবার জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক দপ্তরেরই জানানো যাবে। সেই উদ্দেশ্যেই পূর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক সহ জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক দপ্তরের সামনেই বসানো হল অভিযোগ বক্স।জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা জানিয়েছেন,ইতিমধ্যেই জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সংক্রান্ত প্রায় ৭৩৭ টি অভিযোগ জমা পড়েছে। যার বেশীরভাগটাই যোজনায় অন্তর্ভুক্তকরণের। এছাড়া অন্যান্য অভিযোগ গুলোও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার নাম নথিভুক্ত আছে। যে তালিকা আবার নতুন করে প্রশাসনিকভাবে যাচাই করার কাজ চলছে। মূলত বিডিও ও এসডিও স্তরে দুবার যাচাইয়ের পর ফের তৃতীয়স্তর হিসাবে এডিএম স্তরে সেই তালিকা যাচাইয়ের পরই ফের নতুন তালিকা তৈরী করা হবে।রাজ্যজুড়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির ও স্বজনপোষণের অভিযোগের শেষ নেই। এবং তা নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজাও কম হচ্ছে না। এরই মাঝে জেলাপ্রশাসনের তরফে অভিযোগ বক্স বসানোকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ফের রাজনৈতিক চাপানউতর।জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এরপর এত অভিযোগ প্রতিদিন জমা পড়বে, প্রশাসনের আধিকারিকরা নাজেহাল হবেন। কারণ গরিব মানুষজনের নাম আবাস যোজনার তালিকায় নেই। যারা প্রকৃত দাবীদার তাদের নাম শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বাদ দিয়ে নিজেদের নাম তালিকায় নথিভুক্ত করেছেন। এই দাবী আমরা প্রথম থেকেই করে আসছি। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ নিয়ে আমরা অভিযোগ করেছি বারে বারে। তখন তৃণমূল কান দেই নি। এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে তাই বক্স করছে প্রশাসনিক দপ্তরে। কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলে এতদিন মিথ্যে অভিযোগ করছিল রাজ্য সরকার ও তৃণমূল। এখন তা প্রমাণিত হল। আইসিডিএস কর্মী সার্ভে করতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। গেলে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। তৃণমূল নেতারা তাদের আক্রমণ করছে। হুমকি দিচ্ছে।অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। তিনি বলেন,যখন সার্ভে হয়েছিল তখন তার পাকা বাড়ি ছিল না। এখন ২০২২ সালে আবাস যোজনার তালিকায় তার নাম আছে। এতে বেনিয়মের কি আছে। প্রশাসন তদন্ত করে দেখে তবেই তো নাম থাকবে। অনেকেই প্রশাসনের কাছে গিয়ে নাম কাটাচ্ছেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বেপড়োয়া চারচাকা গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত সিভিক ভলেন্টিয়ার

ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির ধাক্কায় জখম হলেন একজন সিভিক ভলেন্টিয়ার। তাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে অনানয় সুপার স্পেশালিষ্টি হাসপাতালে। জখম সিভিক ভলেন্টিয়ারের নাম সেখ নাজির হোসেন। বাড়ি মেমারির বাগিলায়।প্রত্যক্ষদর্শী আকাশ চৌধুরী বলেন, চারচাকা গাড়িটি পুলিশ লাইনের দিক থেকে উল্লাস মোড়ের দিকে যাচ্ছিল।প্রথমে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি রিক্সাকে ধাক্কা মারে। তারপর বাইকের পিছনে ধাক্কা মারে গাড়িটি।পর পর ধাক্কা দেওয়ার পর বেগতিক বুঝে গাড়ির চালক আলিশা বাসস্ট্যাণ্ডের সামনে গাড়ি রেখে চম্পট দেয়।গাড়ির সামনে লেখা আছে অন ডিউটি গর্ভমেন্ট অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল। বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জখম সিভিক ভলেন্টিয়ার বর্ধমান শহরের জিটি রোডের বাদামতলা মোড়ে সোমবার ডিউটি করছিলেন। দুপুরে ডিউটি সেরে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় পড়েন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাস্তার ওপর বসেই চলছে দেদার বিকিকিনি! বর্ধমান আছে বর্ধমানেই

মাত্র কয়েকদিন আগেই বর্ধমান শহরের রাস্তাকে যানজট মুক্ত করতে বিশেষত বিসি রোড, বড়বাজার এলাকায় রাস্তায় হেঁটেছিলেন জেলাশাসক, জেলা পুলিশ সুপার থেকে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক। রীতিমতো ব্যবসাদার থেকে হকারদের হুঁশিয়ারী দিয়েছিলেন তাঁরা। মুল রাস্তায় হকার বসতে পারবে না বলেও তাঁরা জানিয়েছিলেন। কিন্তু সময় যেতেই সেই একই চিত্র বিসি রোড থেকে বড়বাজার। পিচ রাস্তার ওপর বসেই চলছে দেদার বিকিকিনি। ফুটপাথ সেই আগের মতই দখলে চলে গেছে দোকানদারদের পসরা থেকে হকারদের মালপত্র। চুপ প্রশাসন। চুপ বিধায়ক। অথচ বর্ধমান শহর তথা বিসি রোডকে সৌন্দর্য্যায়ন ঘটাতে রাতারাতি বিসিরোডের ফুটপাথের পুরনো গ্রিলকে সরিয়ে সেখানে নীল সাদা রংয়ের ফেন্সিং বসানোও হয়েছে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে।কিন্তু বর্ধমান আছে বর্ধমানেই। পুলিশ সুপার থেকে বিধায়কের আস্ফালন, হুঁশিয়ারী যে কার্যতই অন্তসারশুন্য তা এখন হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছেন পথচারী থেকে সাধারণ মানুষ। শুধু তাইই নয় অভিযোগ উঠেছে খোদ হকার ইউনিয়নের নেতা তথা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্রই নাকি বাধা দান করছেন পুলিশকে। এব্যাপারে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র তথা হকার ইউনিয়নের ৩০ বছরের নেতা প্রসেনজিৎ দাস জানিয়েছেন, রাস্তা দখল করে ব্যবসা করলে তা দেখার দায়িত্ব প্রশাসনের।একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, বাম আমলে বার বার হকারদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করা হয়েছে। গরীব হকারদের জন্য তৃণমূল সরকারের নীতি ঘোষণা হয়েছে হকারদের উচ্ছেদ করা যাবে না। প্রসেনজিত দাস জানিয়েছেন, ব্যবসার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই অবস্থায় প্রশাসনের উচিত হকারদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা।অন্যদিকে, প্রশাসনের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও ফের রাস্তায় হকারদের ব্যবসা নিয়ে রীতিমতো কটাক্ষ করেছেন জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি গৌরব সমাদ্দার থেকে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ। গৌরব সমাদ্দার জানিয়েছেন, রাস্তা থেকে হকারদের সরানো নিয়ে ছক কষা হয়েছে। খোদ বিধায়ক নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই বিসি রোডের কয়েকটি জায়গাকে হকারমুক্ত করেছেন। একই অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দও।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

হোটেল থেকে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার বর্ধমানে

প্রেমিক প্রেমিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল বর্ধমানের তিনকোনিয়া এলাকার একটি হোটেল থেকে। রবিবার বিকেলে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আত্মঘাতী যুগলের নাম মহাদেব মাঝি(২০) ও প্রিয়াঙ্কা মিত্র। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়া জেলায়। তবে বর্তমানে প্রিয়াঙ্কা মিত্র বর্ধমান শহরের ইছলাবাদ এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ভাড়া থাকতো বলে জানা গেছে।হোটেল কর্মী তাপস কান্তি মণ্ডল বলেন, শনিবার বিকেলে মহাদেব মাঝি হোটেলের চার তলায় একটি রুম ভাড়া নেন। রবিবার সকাল ১০ টার সময় একটি মেয়েকে সঙ্গে হোটেলের রুমে ঢোকেন। হোটেল কর্মীরা জিজ্ঞাসা করলে মহাদেব মাঝি জানায় এটি তার বোন হয়। এখুনি চেক আপ করবো।কিন্তু তারপর দীর্ঘক্ষণ হোটেলের রুম না খোলায় হোটেল কর্মীদের সন্দেহ হয়। তারা ডাকাডাকি করলেও ভিতর থেকে কোন সাড়া পায় নি। তখন বর্ধমান থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে যুগলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।হোটেল কর্মীরা জানান, দুজনকে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে। দুজনের গলায় মালা ছিল। রুম থেকে একটি সিঁদুরের কৌটা পাওয়া যায়। তাদের অনুমান রবিবারই হোটেলের রুমে তারা মালা বদল করে বিয়ে করে। রুম থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। ডিএসপি ট্রাফিক রাকেশ চৌধুরী বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত দুজনেরই বাড়ি বাঁকুড়ায়। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে হোটলের ভূমিকা নিয়েও। কেন এতক্ষণ পর থানায় খবর দেওয়া হয় হোটেল থেকে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

শীতের রাতে বর্ধমান শহরে ভয়াবহ আগুন। ভষ্মীভুত একটি দোকান সহ তিনটি গুমটি

শনিবার বর্ধমান শহরে জিটি রোড সংলগন মনিমার্টে ভয়াবহ আগুনের আতঙ্কে চাঞ্চল্য ছড়ালো । শনিবার রাত প্রায় সাড়ে নটা নাগাদ একটি গুমটি দাউদাউ করে জ্বলতে দেখা যায়। একটি ইলেকট্রিক পোস্টেও আগুন জ্বলতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা দমকলকে খবর দেয় স্থানীয় মানুষজন। দমকলের একটি ইঞ্জিন গিয়ে মিনিট পনেরো-কুড়ির মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।স্থানীয় কাউন্সিলর আনন্দগোপাল সাহা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে বলেন, গ্যাস ওভেন সারানোর একটি গুমটিতে আগুন লাগে। এই দোকানটি মনিমার্ট এলাকার এইচ পি গ্যাস সাপ্লাই অফিসের একেবার গায়ে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে ইলেকট্রিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে। আগুনে প্রবল উত্তাপে আশেপাশের দুটি গুমটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা গেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি নয়।দমকল আধিকারিক সুজিত দাস বলেন, বেআইনি ভাবে ইলেকট্রিক পোলের নীচে গুমটি এলপিজি গ্যাস সিলিণ্ডার মজুত ছিল। দুটি কর্মাশিয়াল গ্যাস সিলিণ্ডার মজুত ছিল গুমটিতে। আগুন ছড়ানোর আগেই তারা নিভিয়ে ফেলেন। তবে আগুন ছড়িয়ে পড়লে মারাত্মক বিপদ হতে পারত। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হত। প্রাণহানিও হতে পারতো। আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে গোটা বিষয়টি জানাবো।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

রাত পোহালেই টেট, প্রস্তুতি তুঙ্গে

রাত পোহালেই টেট পরীক্ষা। প্রস্তুতি প্রায় সাড়া। পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ৫৬টি সেন্টার আছে। একজন সেন্টার ইনচার্জ আছেন।একজন এক্সটেনশন লেভেল অফি সার আছেন।আর আছেন একজন অবজার্ভার। এই তিনজন মিলে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন।মোট ৩২ হাজার টেট পরীক্ষার্থী আছেন পূর্ব বর্ধমান জেলায়।যারা দায়িত্বে আছেন তাদের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। পুলিশ, আর টি ও, বিদ্যুৎ দপ্তর ও দমকল সবাইকে নিয়ে সমন্বয় বৈঠক হয়েছে। মোট ৫৬ জন অবজার্ভার রয়েছেন। যাতায়াতের জন্য আর টি ও দায়িত্বে আছেন। তিনি প্রতিটি সেন্টারে যাতে সকাল ১১ টা অবধি স্টেট বাস চলে তার ব্যবস্থা করবেন। ট্রাফিকে যাতে কোনো অসুবিধা না হয় তা পুলিশ দেখবে। অন্যদিকে রেলকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে ওইদিন অর্থাৎ রবিবার ট্রেন ঠিকমতো চলে।পরীক্ষা যাতে কোন অশান্তি না হয় তার জন্য জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা দফায় দফায় প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

মেমারি থেকে কাটোয়া রেল প্রকল্পের আশ্বাস দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট প্রচার শুরু বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়া'র

পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর বিধানসভার কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। পাশপাশি, এদিন মেমারি ২ ব্লকে সাতগেছিয়া এলাকায় একটি হিমঘরে এই পঞ্চায়েত সম্মেলন ও বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীরা কিভাবে কাজ করবেন, কোন কোন বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিনের বৈঠকে সাংসদ ছাড়াও ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা ও অন্যান্যরা।সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া বলেন, মেমারি কাটোয়া ভায়া মন্তেশ্বর একটি রেল লাইন করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এই রেল লাইন চালু হলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। এই এলাকায় মানুষের উৎপাদিত ফসল সহজেই অন্যত্র পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই রেলপথ দ্রুত চালু করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনার তালিকায় উপপ্রধানের নাম! তাঁর বিলাসবহুল অট্টালিকা নিয়ে কটাক্ষ বিরোধীদের

আবাস যোজনার তালিকা প্রকাশিত হতেই বিরোধীদের অভিযোগে শিলমোহর পড়লো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে। আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। বাম ডান সব আমলেই স্বজনপোষণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ হয়েছে। শাসকদলের নেতারা কমবেশি অনেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্ষমতার জাহির করেছেন।কিন্তু খণ্ডঘোষের শাঁকারি গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশবপুর গ্রামে চুরি নয় রীতিমত পুকুর চুরি বললেও কম বলা হবে। এককথায় ডাকাতি হয়েছে। তাই নিয়ে সরব হয়েছেন শাসকদলের একাংশ।শাঁকারি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখ। গ্রামেই রয়েছে তার বিলাসবহুল চোখ ধাঁধানো চারতলা ইমারত। তবুও সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখের স্ত্রী সীমা সেখের নাম রয়েছে। এখানেই শেষ নয় পাশাপাশি তার মৃত বাবা সেখ মহসিন, ভাই আমনগীর সেখ ও আর এক ভাই আজমগীর সেখের নামেও আবাস যোজনার বাড়ি নথিভুক্ত হয়েছে। গোল বেঁধেছে এখানেই। এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের অভিযোগ তারা গরিব হলেও তারা আবাস যোজনার বাড়ি পাচ্ছেন না। তাদের মাটির বাড়ি আছে,কারো মাটির বাড়ি ভেঙে গেছে। তবুও তাদের নামে আবাস যোজনার বাড়ি আসে নি।শাঁকারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিউলী খাঁ বলেন, আমাকে কোন কাজ করতে দেওয়া হয় নি।আমাকে পুরোপুরি নিক্রিয় করে রাখা হয়েছে। উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখ নিজের খুশী মত সব ঠিক করেছে।এখানে আমার কোন ভূমিকাই নেই। এই বিষয়ে আমি উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছিলাম।এই বিষয়ে অভিযুক্ত উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তার সাফাই তিনি দলের কাজে ব্যস্ত থাকেন।অফিসে খুব একটা যান না। কে বা কারা এই লিস্ট করেছে তা আমার জানা নেই। বিষয়টি তার নজরে আসা মাত্র নাম বাতিলের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান। খণ্ডঘোষের বিডিও সত্যজিৎ কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই সব নাম বাতিল করা হয়েছে।জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী পাকা বাড়ি থাকলে বা আর্থিক অবস্থা ভালো হল তিনি আবাস যোজনার বাড়ি পাবেন না। এই ক্ষেত্রে কি ভুল ভ্রান্তি হয়েছে প্রশাসন তা দেখছে। আর এটা আগেকার তালিকা।এই বিষয়ে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। চারতলা বাড়ির মালিক অথচ তার নামে আবাস যোজনার বাড়ি আসছে।প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো বলে তিনি হুঁশিয়ারী দেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

জমির নাড়া পোড়াতে গিয়ে পুড়ে ছাই পাশের জমির ধান, পথে বসলেন চাষী

আগুনে ভস্মীভূত হল ধানের জমি। চরম ক্ষতির সন্মুখিন জমির মালিক। জমির মালিক বিকাশ ঘোষ জানান, পাশের জমির নাড়া পোড়ানোর আগুন ছড়িয়ে গিয়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তাঁর ১৫ কাঠা জমির গোবিন্দভোগ ধান।পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের পারহাট গ্রামের বাসিন্দা বিকাশ ঘোষ তার ১৬ কাঠা জমিতে গোবিন্দভোগ ধানের চাষ করেছিলেন। চাষের ওপরেই নির্ভর গোটা পরিবার। ধান পেকে যাওয়ায় যথারীতি তিনি ধান কাটেন। পরের দিন কাটা ধান বাঁধতে গিয়ে তিনি দেখেন ১৬ কাটা জমির মধ্যে ১৫ কাঠা জমির ধান আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। এ যেন পাকা ধানে মই।বিকাশ বাবু বলেন আশেপাশের জমির ধান কাটার পর অবশিষ্ট অংশে কেউ বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই আগুন ছড়িয়ে তাঁর জমির ধান সব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ ও কৃষি বিভাগে জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুমন্ত বন্দোপাধ্যায় বলেন, নাড়া পোড়ানো নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার কৃষকদের সতর্ক করা হচ্ছে। একাধিকবার কৃষকদের নিয়ে বৈঠকও করা হয়েছে। তাতেও হুঁশ ফিরছে না। নাড়া পোড়ানোর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পারহাটের ওই কৃষক। ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। পাশাপাশি নাড়া পোড়ানোর বিষয়ে কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

‘জাতের নামে বজ্জাতি’র বিরুদ্ধে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি মাধ্যমে সুস্থ পৃথিবী গড়তে ফুটবলের মাঠে এসএফআই

আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে খেলা হবে স্লোগান সামনে রেখে রে রে করে মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার বস্তবের ফুটবল মাঠে সত্যি সত্যি বল পায়ে খেলতে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল প্রতিপক্ষ সিপিএম-এর ছাত্র যুব সংগঠন। বিশ্বকাপকে ঘিরে উন্মাদনায় মাতলো এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই।সম্প্রীতির ফুটবল খেলা হল বর্ধমানে। ভারত কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব না করলেও বিশ্বকাপ জ্বরে কাঁপছে বাংলা সহ সারা ভারত। কাতারে যখন ধর্মীয় ফতোয়া, ধর্ম,বর্ণ বিশেষে বিভাজন চলছে, ঠিক তখনই বর্ধমানে রাজপথে সম্প্রীতির বর্ণময় মিছিল করলো এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআই।বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল মাঠে হল সম্প্রীতির ফুটবল ম্যাচ। বর্ণময় মিছিলে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন সহ বিভিন্ন দেশের জার্সি ছিল বাম ছাত্র ও যুবদের গায়ে। এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ চৌধুরী জানান আমাদের দেশে ধর্ম নিয়ে বিভাজন চলছে, কাতারে চলছে ফতোয়া, চলছে লিঙ্গ বৈষম্য। আমরা সারা বিশ্বকে এই বার্তা দিতে চাইছি না ধর্ম, না বর্ণ, না লিঙ্গ বৈষম্য, না রাজনীতি। চাই ঐক্য ও সম্প্রীতির বিশ্ব।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে সরকারি ঘর দখলের অভিযোগে তালা ভেঙ্গে ঘরগুলিকে দখল মুক্ত করা হয়

সরকারি দোকান ঘর দখলমুক্ত করল ব্লক প্রশাসন। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ওড়গ্রামে ২০১৫ সালে ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে ওঠে কর্মতীর্থ। ২০১৭ সালে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য বিনামূল্যে ৪২ টি দোকানঘর হস্তান্তর করা হয়। প্রথমদিকে তারা দোকান ঘরগুলিতে ব্যবসা শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে তা বন্ধ করে দেয়। ৪২ টি দোকান ঘরের মধ্যে সাতজন ব্যবসায়ী তারা ব্যবসা করতে থাকেন। ৩৫টি দোকান ঘর বছর পর বছর যুবকরা দখলে রাখলেও ব্যবসার উদ্যোগে নেননি।ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে তাদেরকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় অবিলম্বে দোকান ঘরে ব্যবসা শুরু না করলে দোকান ঘরগুলি দখল ছাড়তে হবে। প্রশাসনের নির্দেশকে অমান্য করে তারা ব্যবসাও শুরু করেনি ও দখলমুক্ত করেননি। এরপরই ঘরগুলিকে দখল মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বুধবার ভাতার ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালা ভেঙ্গে ঘরগুলিকে দখল মুক্ত করা হয়। পাশাপাশি নতুন তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ছিলেন ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী, ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাস, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক তাপস কুমার মণ্ডল, ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাতার থানার ওসি অরুণ কুমার সোম সহ অন্যান্যরা।বিধায়ক মান গোবিন্দ অধিকারী বলেন, এলাকার মানুষদের কর্মসংস্থানের জন্য দোকান ঘরগুলি বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছিল।ব্যবসা শুরু না করায় সরকারিভাবে দোকান ঘরগুলি দখল মুক্ত করে ভাতার পঞ্চায়েত সমিতি হেফাজতে নেয়। পরবর্তী সময়ে যারা ব্যবসা করতে ইচ্ছুক তাদেরকে দোকান ঘরগুলি হস্তান্তর করা হবে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২২
রাজ্য

গুলিবিদ্ধ শিক্ষক, বীরভূম থেকে আপাতকালীন নিয়ে আসা হল বর্ধমান মেডিকেল কলেজে

বীরভূমের মহম্মদবাজারে গুলিবিদ্ধ শিক্ষককে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সোমবার রাতে মহম্মদবাজার থানা এলাকার হাবরাপাহাড়ী গ্রামে সুটআউট হয়। গুলিতে মৃত্যু হয় এক খাদান কর্মীর, গুলিতে জখম হন শিক্ষক ধনা হাঁসদা। তিনি বীরভূমের স্থানীয় ডোলকাটা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতা করেন। জখম শিক্ষক ধনা হাঁসদাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তার অবস্থার অবনতি হওয়ার তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। নিহত খাদান কর্মী ধানু সেখ ও শিক্ষক ধনা হাঁসদা একটি ক্লাবে বসে রাতে গল্প করছিলেন। সেই সময় এক অজ্ঞাত পরিচয়ে ব্যাক্তি সাইকেলে করে এসে গুলি চালায়। গুলি ধানু সেখের বুকে লাগলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। অন্য গুলিতে জখম হন শিক্ষক ধনা হাঁসদা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উল্টো পুরান বর্ধমানে! দলীয় কর্মিদেরই প্রকাশ্যে হুমকি বিধায়কের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। রাজ্যে নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যে জুড়ে গুটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপিকে কোনঠাসা করতে ছোট-বড় বিভিন্ন জনসভা থেকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে চিত্রটা ঠিক উল্টো। বিরোধীদের পরিবর্তে প্রকাশ্যে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান-উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।রবিবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল পক্ষ থেকে আয়োজিত শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক তার দলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম না করেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কুত্তার দশা হবে বলে হুঁশিয়ারী করেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, আমি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলছি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। জামালের (সেখ জামাল রায়ান ১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি) টিম রেডি আছে। তুমি তোমার দম নিয়ে রেডি হও। যেদিন বলবে, যে জায়গায় বলবে সেখানে দেখা হবে। কার কত প্লেয়ার আছে।বিধায়ক নিশীথ মালিকের এই মন্তব্যর পরেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। তৃণমূলের অন্দরমহলেও শুরু হয় চাপান উতর। উল্টোদিকে এই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে ব্লকের জেলাপরিষদ সদস্য নরুল হাসান জানান, বিধায়ক অনেক পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আমরা দলের পুরাতন কর্মী, দলের জন্মলগ্ন থেকে আছি। বিধায়ক ১১ সালের পর তৃণমূলে এসেছেন। উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ সত্ত্বেও বিধায়ক পুরানো দিনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন না, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও দেন না। বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজেই একজন অশিক্ষিত, তাই তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ছেড়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে দাবী নরুল হাসানের।বিজেপি অবশ্য গোটা বিষয়টি তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে। বিজেপি নেতা সুধীররঞ্জন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবে। গোটা ব্লক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতে গেলে পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

চাইল্ড লাইনের তৎপড়তায় আটকালো নাবালিকার বিবাহ

চাইল্ড লাইনের সহযোগিতায় এক নাবালিকার বিয়ে রুখলো প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির মণ্ডলগ্রামে। এক নাবালিকা পাশের গ্রাম একটা যুবকের সঙ্গে বিয়ে করে তার বাড়িতে চলে যায়। এরপরে চাইল্ড লাইনের কাছে সেই খবর আসে। শনিবার চাইল্ড লাইনের আধিকারিক মেমারি ২ নম্বর ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক এবং মেমারি থানার সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ি আধিকারিকদের সহযোগিতায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে ফিরিয়ে দেন।নাবালিকা মেয়েটিকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়ে, অপ্রাপ্ত বয়সে বয়সে বিবাহের কুফল বিষদে বোঝান চাইল্ড লাইন টিমের সদস্যরা। পাশাপাশি ১৮ বছরের আগে তার বিয়ে দেওয়া না হয় সে বিষয়ে তার পরিবারকে বোঝান উপস্থিত আধিকারিক।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু মেমারিতে

মেমারি দুনম্বর ব্লকের বিজুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিজুর গ্রামের বাসিন্দা, বর্তমানে কন্দপপুর গ্রামে ভাড়া থাকতেন সেখানে নিজ কাজে ইলেকট্রিক তার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং মাটিতে পড়ে যান।তড়িঘড়ি বাড়ির লোকেরা এবং স্থানীয় ব্যক্তিরা পাড়ারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত ব্যক্তির নাম নীলরতন মুখার্জী, বয়স আনুমানিক 40 বছর।আজ আনুমানিক সকাল(৯) নটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে পরিবার সূত্রে। মৃত ব্যক্তি নীলরতন মুখার্জি পারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। মেমারি থানার সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ বডি উদ্ধার করে নিয়ে পোস্টমর্টেমের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠান।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

রাস্তার ওপর জঞ্জাল, চলাচলের অযোগ্য রাস্তা, বাড়ছে ডেঙ্গু-র চোখরাঙ্গানী

রাস্তার পাশেই আবর্জনা ফেলার ভ্যাট ফলে রাস্তা প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রশাসনকে জানিও মেলেনি সুরাহা বলে অভিযোগ। রাজ্য বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক তাই নোংরা আবর্জনা দ্রুত পরিস্কারে দাবি স্থানীয়দের।বর্ধমান পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কুন্ডু পাড়া এলাকায় খাজা আনোয়ার বের থেকে তেলিপুকুর যোগাযোগের মূল রাস্তার পাশে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে আবর্জনা ফেলার ভ্যাট। নোংরা আবর্জনা রাস্তার ওপর পড়ে থাকার ফলে রাস্তাটি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। স্থানীয় কাউন্সিলর ও প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও মেলেনি সুরাহা এমনটাই অভিযোগ।সামনেই রয়েছে মন্দির, প্রাইমারি স্কুল,হাই স্কুল। ওই রাস্তার ওপর দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। তার মাঝে বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক। তাই এলাকাবাসীদের দাবি দ্রুত রাস্তা থেকে আবর্জনা ফেলার ভ্যাটটি সরিয়ে দেওয়া হোক।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে কাজ দেওয়ার নামে মহিলাদের সাথে প্রতারনা

প্রতারণার শিকার কয়েকশো মহিলা। একটি সংস্থায় কাজ দেওয়ার নামে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতারিত মহিলারা শুক্রবার বিডিওর দারস্থ হয়। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বড়বেলুন, নাসিকগ্রাম, খেরুর সহ একাধিক গ্রামের মহিলাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয় বলে অভিযোগ। মহিলাদের দাবি মুরারীপুর এলাকার এক মহিলা একটি সংস্থায় তাদেরকে কাজে নিয়োগ করেছিল। তাদের সঙ্গে চুক্তি হয় মাসে দুহাজার টাকা করে সংস্থায় জমা করতে হবে। তাদের বেতন মাসে ১২০০ টাকা। অন্যান্য মহিলাদের সংস্থায় যুক্ত করালে তার বিনিময়ে আরো টাকা পাবেন তারা।দুতিন মাস কাজ করার পর তারা কোনও টাকা না পেয়ে বুঝতে পারেন তারা প্রতারিত হয়েছেন। এরপর বিভিন্ন গ্রামের মহিলারা একত্রিত হয়ে ভাতার ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে দ্বারস্থ হন লিখিত অভিযোগ জানান। টাকা ফেরতের দাবি জানান মহিলারা। ভাতারের বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাস বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়ার জন্য কাউকে টাকা দিতে নিষেধ করলেন তৃণমূলের মন্ত্রী

পঞ্চায়েতে প্রার্থী হবার জন্য কাউকে কোন টাকা দেবেন না, খোলা মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের বার্তা মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর। মন্ত্রীর কথাতেই স্পষ্ট তৃণমূলে টাকা ছাড়া কিছু নেই, কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের সাতগাছিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি ও একশো দিনের কাজ বন্ধের বিরুদ্ধে পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ বলেন, দলের টিকিট আমি দেব না। অনেকে ভাবছে আমি টিকিট দেব। কিন্তু না, টিকিট দেবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। যারা ভাল কাজ করেছেন তারা টিকিট পাবেন। যারা ভাল কাজ করতে পারেননি তারা লাইনে থাকবেন এ, বি, সি, ডি হিসাবে। দল চাইবে ভাল ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে প্রার্থী করতে। আমরা বলবো টাকা দাও প্রার্থী করবো ওই সব গ্যাজাখুরি গল্প হবে না। আপনারাও দলের প্রার্থী পদের জন্য একটাও ফুটো পয়সা দেবেন না। তিনি বলেন, অনেক গ্রামের খবর রয়েছে সেখানে রাস্তা নেই, বিদ্যুৎ নেই। আমাদের মনটা ফেটে যায়। এতদিন নেতারা কি করছিলেন? কেন গ্রামের রাস্তা হয়নি? এর কৈফিয়ৎ নেতাদের দিতে হবে বলে সমালোচনা করেন তিনি। সভাশেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী জানান, সমাজে অনেক ধরনের মানুষ থাকে। যাতে কেউ কারো খপ্পরে পরে টাকা লেনদেনের কথা ভাববেন না সেকারণেই আমি সাবধান হওয়ার বার্তা দিয়েছি। মন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী দল বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, মন্ত্রী পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন তৃণমূলের টিকিট টাকা নিয়ে দেওয়া হয়। উনি সত্যিটা বলছেন তাই মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। তৃণমূলের আমলে টাকা ছাড়া কিছু হয়না মন্ত্রীর বক্তব্যে তা স্পষ্ট বলে জানান জেলা বিজেপি সভাপতি।

নভেম্বর ৩০, ২০২২
রাজনীতি

ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াইয়ে বোমা পড়বে! ভবিষ্যত বানী বিজেপি নেতার

বোম তৈরি করা আর সবাইকে বোম ছোড়া, এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের কালচার। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না এটা তার আভাস। কালীঘাটেও বোমা পড়বে, যেদিন ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াই হবে বোমা পড়বে আমরা দেখবো। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ এর। তিনি আরও বলেন, এই ফিরহাদ হাকিম একদিন কালীঘাটে পাথর ছুঁড়েছিল। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের উন্নয়ন মানে পারিবারিক উন্নয়ন। একই সাথে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে একহাত নেন তিনি। বর্ধমানে যত অপসংস্কৃতি খোকন দাস এনেছেন, উনি বর্ধমানের কেষ্ট হয়ে গেছেন। খুব তাড়াতাড়ি উনি যাবেন বলে মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ।মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

ক্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল ' রাইস প্রো-টেক এক্সপোর' মেলায় স্টল নিয়ে আসা গুসকরার এক ব্যক্তির

জেলা রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের ২৪ তম ন্যাশনাল রাইস প্রো-টেক এক্সপোর মেলার মাঠেই ক্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। বর্ধমানের কল্পতরু মাঠের ঘটনা। মৃতের নাম ফাল্গুনী চ্যাটার্জী (৩২)। বাড়ি গুসকরায়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,বর্ধমানের কল্পতরু মাঠে ন্যাশনাল রাইস প্রো- টেক এক্সপো ২০২২ মেলা শেষ হয়েছে গতকালই, আজ সকাল থেকেই মেলায় আসা বিভিন্ন টেক কোম্পানি তাঁদের স্টল খালি করছিলেন। তাঁদের বিভিন্ন ভারি মালপত্র ক্রেনের সাহায্যে গাড়িতে লোড এর কাজ চলছিল সেই সময় মাঠে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন মেলাতে কৃষিজ যন্ত্রাংশ তৈরী সংস্থার কর্মচারী ফাল্গুনি চ্যাটার্জী। সেই সময় ক্রেনটি তাকে ধাক্কা মারে ঘটনাস্থলেই ক্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। পুলিশ দেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে বর্ধমান হাসপাতালে।ফাল্গুনী চ্যাটার্জী-র দূর্ঘটনার প্রতক্ষদর্শী তার বন্ধু বিকাশ পট্টনায়েক অভিযোগ করেন, হাইড্রার ড্রাইভারের অন্যমনস্কতার জন্যই এই দূর্ঘটনা। তিনি জানান ফাল্গুনী কর ব্রাদার্স নামে এক ইলেকট্রিক কোম্পানিতে কাজ করতেন।

নভেম্বর ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal