• ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PMAY

রাজ্য

বাংলায় আবাস যোজনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আবাস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শাসকদলের পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও অনেকে তাঁদের নাম কাটিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বিডিওর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে এই কেলেঙ্কারি বিশদে খতিয়ে দেখতে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় দল মূলত দুটি ভাগে পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদা জেলা পরিদর্শন করবেন। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবকে পত্র মারফত বিষয়টি জানানো হয়েছে।বাংলার গ্রামে গ্রামে আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নালিশও জানিয়েছেন। তাঁরা দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলও আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর মতো পদক্ষেপ আদতে মমতা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং-য়ের লেখা চিঠিতে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রের দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর এবং অপরটি মালদহের আবাস যোজনার প্রাপক তালিকা খতিয়ে দেখবেন। দুটি দলেই তিনজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুরে যাবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার, আন্ডার সেক্রেটরি অনিল কুমার সিং এবং সিনিয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী। মালদহে পর্যালোচনা করবেন, মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দল আসবেন। আবাস যোজনার আপডেট করা নথি ও লজিস্টিক সাপোর্ট কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য রাজ্যের তরফে ওই দুই জেলায় আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। স্বভাবতই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

আবাস যোজনায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে, মালদায় পঞ্চায়েতে তালা দিয়ে বিক্ষোভ

সরকারি আবাস যোজনার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ঘটনায় ক্রমশ উত্তাল হচ্ছে বাংলা। শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখালেন শতাধিক বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস সংলগ্ন এলাকায়। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভ, প্রতিবাদ , আন্দোলন চলতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, প্রকৃত দুঃস্থ মানুষেরা সরকারি আবাস যোজনায় বাড়ি পাচ্ছে না বরং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যাদের এই প্রকল্পে ঘর পাওয়ার কথা, তাঁরাই নামের তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। অথচ যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে তাদেরকে সেই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের একাংশ কাটমানির বিনিময়ে এই কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা। যদিও সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত কর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আচমকায় শতাধিক বাসিন্দারা এসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে কর্মরত কর্মীরাও আটকে পড়েন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, আমাদের দিনমজুরি করে সংসার চলে। টালির চালার বাড়ি। কারোর আবার টিনের ও চাটায়ের বাড়ি রয়েছে। এই আবাস যোজনার মাধ্যমে পাকা ঘর হবে সে ব্যাপারে দীর্ঘদিন আগেই আবেদন করা হয়েছিল। এক প্রস্তর সার্ভেও করা হয় পঞ্চায়েত থেকে। কিন্তু তারপরেও আমাদের তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে । এজন্যই এদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখিয়েছি। পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এবং ব্লক প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, সঠিক উপভোক্তাদের এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার। আগামীতে যদি এই আশ্বাস পূরণ না হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রূকসানা বিবি অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা প্রকৃত গরিব মানুষদের এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। সেই মতো কাজ করা হচ্ছে। এখানে কিছু মানুষ ষড়যন্ত্র করে পঞ্চায়েতকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টা করছে। তবে অভিযোগ উঠেছে তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ, ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি মালদায়

মালদা, ২১ ডিসেম্বর। সরকারি প্রকল্পে বাংলা আবাস যোজনায় তালিকা তৈরি নিয়ে দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে রাস্তায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় নাম রয়েছে বেশ কিছু সরকারি কর্মচারীদের নাম। কিন্তু প্রকৃত উপভোক্তাদের তালিকায় নাম নেই। যাদের পাকা বাড়ি নেই। কাটমানি দিতে না পারায় নাম নেই অভিযোগ এলাকাবাসীর। প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারী শতাধিক গ্রামবাসীরা। বুধবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসিহাটা এবং মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে রাজ্য সড়কে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। এলাকাবাসীর সঙ্গে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল সমর্থকদের একাংশ। এদিন মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মহেন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, আবাস যোজনার তালিকায় নাম রয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ফেশান আলি সহ একাধিক নেতার, সরকারি কর্মচারীর এবং যাদের পাকা বাড়ির রয়েছে তাদেরও। কিন্তু যাদের পাকা বাড়ি নেই, দরিদ্র পরিবার তাদের কারোর নাম নেই। তারা কাটমানি দিতে পারে নি বলে নাম নেই এমনটাই দাবি বিক্ষোভকারীদের। প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে ভোট বয়কট করা হবে বলেও জানিয়েছে বিক্ষোভকারী দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। অপরদিকে তুলসিহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনেও একই অভিযোগে বিক্ষোভ। পঞ্চায়েতের কার্য্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীরা।হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের বস্ত্র দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তাজমুল হোসেন জানিয়েছেন, এরকম ঘটনার বিষয় যদি ঘটে থাকে তাহলে প্রশাসন অবশ্যই তা তদন্ত করে দেখবে। যারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না হবে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনায় নেতা নেত্রীদের নাম প্রত্যহারের পালা অব্যহত

রাজ্য জুড়ে আবাস যোজনার তালিকায় থাকা নেতা নেত্রী ও তাঁদের পরিবারের নাম প্রত্যহার পালা অব্যহত। পূর্ব বর্ধমানের রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পর এবার রায়না ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তার ছেলের নাম আবাস যোজনার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিলেন।সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধারা মালিকের ছেলে তন্ময় মালিকের নাম থাকায় তিনি তা বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন করেন বুধবার। তিনি পরিবারের অভিভাবক। তাই তিনি তালিকা থেকে তন্ময়ের নাম বাদ দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হন বলে তিনি জানান।ছোটো একটা ভাঙা মাটির বাড়িতে থাকতেন পার্বতী ধারা মালিকের ছেলে তন্ময়। সেখানকার ভিআরপিদের সাহায্যে তিনি আবাস যোজনার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু তাঁর বাড়ির অবস্থা খুব খারাপ থাকায় নিজের বাবার দেওয়া জমি বিক্রি করে কয়েক দিন আগেই বাড়ি তৈরি করেন পাট্টা পাওয়া জায়গার উপর। কিন্তু কয়েকদিন আগে বাংলার আবাস যোজনায় পার্বতী ধারা মালিকের ছেলের নাম আসে। যেহেতু ছেলের বাড়ি তৈরি হয়ে গেছে তাই তিনি এই প্রকল্প থেকে তার ছেলের নাম বাদ দিয়ে দেন। তিনি চান অসহায় দুঃস্থ মানুষরা আবাস যোজনার সুযোগ পাক। এখানে উল্লেখ্য গত সোমবার রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রত্না মহান্ত তার নিজের নাম আবাস যোজনার তালিকা থেকে বাদ দেন তিনি নিজেই।মঙ্গলবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সদস্যা ফতেমা বিবি সেখও একই পথে হাঁটেন।আবাস যোজনা তালিকায় নাম ছিল ফতেমা বিবি সেখের।তিনি নিজেই উদ্যোগী হয়ে তালিকা থেকে নাম বাদ দেন।আর বুধবার রায়না ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধারা মালিকও নাম তালিকা থেকে বাদ দেন তার ছেলের। তবে লাগাতার আবাস যোজনার তালিকা থেকে শাসকদলের নেতানেত্রীদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আবাস যোজনা তালিকা নিয়ে বিজেপির অভিযোগ যে সত্যি তা পরিস্কার হল। হৈচৈ হয়েছে বলেই এখন তৃণমূল নেতারা তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়ে সাধু সাজছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ সব চালাকি বুঝতে পারছেন।অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ২০১৬-১৭ সালে আবাস যোজনার বাড়ির জন্য সার্ভে করা হয়। তখন অনেকেরই মাটির বাড়ি ছিল। কিন্তু এখন অনেকেই পাকা বাড়ি করেছেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী নাম বাদ যাবে। অনেকেই আগেভাগেই নাম তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন। এতে দোষের কি হল। বরং স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই তারা এই পথ বেঁচে নিয়েছেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনার তালিকা থেকে নিজের নাম বাতিলের আবেদন পঞ্চায়েত সদস্যের

পূর্ব-বর্ধমানের রায়নার পর রায়ান। সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকায় এক পঞ্চায়েত সদস্যা তা বাতিল করতে আবেদন করলেন প্রধানের কাছে। রায়ান ১ নম্বর পঞ্চায়েতেরবিজয়রাম সংসদের সদস্যা ফাতেমা বিবি, তার নিজের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও আবাস যোজনায় তার ও তার পরিবারের ছসদস্যের নাম আসে। এরপরই তিনি সেই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন পত্র জমা দেন পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে ।তবে এতে বির্তক শেষ হয় নি।বরং শাসক বিরোধী রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ আবাস যোজনা নিয়ে আমরা যে অভিযোগ করেছিলাম স্বজনপোষণের সেটা আরো একবার পরিষ্কার হলো এবং আবাস যোজনার নিয়ে আমাদের যে আন্দোলন সে আন্দোলনের ফল স্বরূপই তৃণমূলের এক একজন নেতা নেত্রীরা যাদের নাম আবাস যোজনা এসেছিল তারা একপ্রকার বাধ্য হয়েই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে দাবী করেন বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র। তৃণমূলের পাল্টা জবাব কেউ যদি অন্যায় করে থাকে তার শাস্তি হবে আর এই আবাস যোজনার তালিকা ২০১৫ - ১৬ সালের সেই সময় হয়তো কারো কাঁচা বাড়ি থাকতেই পারে সেই কারণে তার নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে। এখন ২০২২ সাল। এই সময়ের মধ্যে কেউ পাকা বাড়ি করেছেন। তাই তারা নিজেদের নাম বাদ দিচ্ছেন তালিকা থেকে বলে জানান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। এখানে উল্লেখ্য সোমবার রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রত্না মহন্ত তার আবাস যোজনা তালিকায় নাম থাকায় নিজেই নাম কেটে দেন। আর মঙ্গলবার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা ফতেমা বিবি রত্না মহন্তের দেখানো রাস্তায় হাঁটলেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতি আবাস যোজনার তালিকা থেকে নিজেই কাটালেন তাঁর নাম, কটাক্ষ বিরোধীদের

এযেন উলোট পূরাণ। আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকায় সেই নাম নিজেই কেটে দিলেন পূর্ব বর্ধমানের রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রত্না মহন্ত।যেখানে আবাস যোজনা তালিকা নিয়ে সরজমিনে তদন্ত করতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পড়ছেন আইসিডিএস ও অঙ্গনওয়াড়ীর কর্মীরা। অভিযোগ উঠছে শাসকদলের নেতাদের বিরুদ্ধে। পাকা বাড়ি থাকা স্বত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীদের নাম আবাস যোজনায় তালিকায় আছে। সেই নিয়ে সার্ভে করতে গিয়েই অশান্তি হচ্ছে। রোষের মুখে পড়ছেন সার্ভের দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। কোথাও কোথাও আবার সরকারি আধিকারিকরাও আক্রান্ত হচ্ছেন।জেলার খণ্ডঘোষের ব্লকের শাঁখারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখের পেল্লায় চারতলা বিশাল বাড়ি। তবু্ও তার নাম আবাস যোজনা তালিকায় জ্বল জ্বল করছে। প্রথম দিকে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কোন উদ্যোগ নেননি উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখ, অভিযোগ বিরোধীদের। পরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ হওয়ায় ব্লকের বিডিও তালিকা থেকে জাহাঙ্গীর সেখের নাম বাদ দেন।এখানে অবশ্য রায়না ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রত্না মহন্ত ঠিক উল্টো পথেই হেঁটেছেন। তালিকায় তার নাম দেখে নিজেই নাম কেটে দেন। তিনি বলেন, আগে যখন সার্ভে করা হয়েছিল সেই সময় তার কোনও পাকা বাড়ি ছিল না। ছিল মাটির বাড়ি। সেই সময় সার্ভে করতে গিয়ে ছবি তোলা হয় এবং সেই অনুযায়ী এবার আবাস যোজনার তালিকায় নামও আসে তার। কিন্তু রায়না ১ নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সহ অন্যান্য দলীয় নেতৃত্বদের সাহায্যে বর্তমানে তার একটি পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। তার যেহেতু পাকা বাড়ি মাথার ছাদ সবটাই রয়েছে তাই তার জায়গায় যাতে অন্য আরেকজন দুঃস্থ অসহায় মানুষ আবাস যোজনার তালিকায় আসতে পারেন সেই জন্য তিনি নিজের নাম সোমবার কেটে দেন। তবে বিরোধীরা অবশ্য এই নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। ঠেলায় পড়েই নাম কাটতে উদ্যোগী হয়েছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলে দাবী করেন জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনা’র স্বচ্ছতা বাড়াতে এবার অভিযোগ জমা নেওয়ার উদ্যোগ জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা'র

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে যেকোনো ধরনের অভাব, অভিযোগ এবার জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক দপ্তরেরই জানানো যাবে। সেই উদ্দেশ্যেই পূর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক সহ জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক দপ্তরের সামনেই বসানো হল অভিযোগ বক্স।জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা জানিয়েছেন,ইতিমধ্যেই জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা সংক্রান্ত প্রায় ৭৩৭ টি অভিযোগ জমা পড়েছে। যার বেশীরভাগটাই যোজনায় অন্তর্ভুক্তকরণের। এছাড়া অন্যান্য অভিযোগ গুলোও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। জেলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় প্রায় ২ লক্ষ ৩০ হাজার নাম নথিভুক্ত আছে। যে তালিকা আবার নতুন করে প্রশাসনিকভাবে যাচাই করার কাজ চলছে। মূলত বিডিও ও এসডিও স্তরে দুবার যাচাইয়ের পর ফের তৃতীয়স্তর হিসাবে এডিএম স্তরে সেই তালিকা যাচাইয়ের পরই ফের নতুন তালিকা তৈরী করা হবে।রাজ্যজুড়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতির ও স্বজনপোষণের অভিযোগের শেষ নেই। এবং তা নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজাও কম হচ্ছে না। এরই মাঝে জেলাপ্রশাসনের তরফে অভিযোগ বক্স বসানোকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ফের রাজনৈতিক চাপানউতর।জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এরপর এত অভিযোগ প্রতিদিন জমা পড়বে, প্রশাসনের আধিকারিকরা নাজেহাল হবেন। কারণ গরিব মানুষজনের নাম আবাস যোজনার তালিকায় নেই। যারা প্রকৃত দাবীদার তাদের নাম শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বাদ দিয়ে নিজেদের নাম তালিকায় নথিভুক্ত করেছেন। এই দাবী আমরা প্রথম থেকেই করে আসছি। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ নিয়ে আমরা অভিযোগ করেছি বারে বারে। তখন তৃণমূল কান দেই নি। এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে তাই বক্স করছে প্রশাসনিক দপ্তরে। কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলে এতদিন মিথ্যে অভিযোগ করছিল রাজ্য সরকার ও তৃণমূল। এখন তা প্রমাণিত হল। আইসিডিএস কর্মী সার্ভে করতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। গেলে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। তৃণমূল নেতারা তাদের আক্রমণ করছে। হুমকি দিচ্ছে।অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। তিনি বলেন,যখন সার্ভে হয়েছিল তখন তার পাকা বাড়ি ছিল না। এখন ২০২২ সালে আবাস যোজনার তালিকায় তার নাম আছে। এতে বেনিয়মের কি আছে। প্রশাসন তদন্ত করে দেখে তবেই তো নাম থাকবে। অনেকেই প্রশাসনের কাছে গিয়ে নাম কাটাচ্ছেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

আবাস যোজনার তালিকায় উপপ্রধানের নাম! তাঁর বিলাসবহুল অট্টালিকা নিয়ে কটাক্ষ বিরোধীদের

আবাস যোজনার তালিকা প্রকাশিত হতেই বিরোধীদের অভিযোগে শিলমোহর পড়লো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে। আবাস যোজনার বাড়ি নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। বাম ডান সব আমলেই স্বজনপোষণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ হয়েছে। শাসকদলের নেতারা কমবেশি অনেকেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্ষমতার জাহির করেছেন।কিন্তু খণ্ডঘোষের শাঁকারি গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশবপুর গ্রামে চুরি নয় রীতিমত পুকুর চুরি বললেও কম বলা হবে। এককথায় ডাকাতি হয়েছে। তাই নিয়ে সরব হয়েছেন শাসকদলের একাংশ।শাঁকারি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখ। গ্রামেই রয়েছে তার বিলাসবহুল চোখ ধাঁধানো চারতলা ইমারত। তবুও সদ্য প্রকাশিত আবাস যোজনার তালিকায় উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখের স্ত্রী সীমা সেখের নাম রয়েছে। এখানেই শেষ নয় পাশাপাশি তার মৃত বাবা সেখ মহসিন, ভাই আমনগীর সেখ ও আর এক ভাই আজমগীর সেখের নামেও আবাস যোজনার বাড়ি নথিভুক্ত হয়েছে। গোল বেঁধেছে এখানেই। এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের অভিযোগ তারা গরিব হলেও তারা আবাস যোজনার বাড়ি পাচ্ছেন না। তাদের মাটির বাড়ি আছে,কারো মাটির বাড়ি ভেঙে গেছে। তবুও তাদের নামে আবাস যোজনার বাড়ি আসে নি।শাঁকারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শিউলী খাঁ বলেন, আমাকে কোন কাজ করতে দেওয়া হয় নি।আমাকে পুরোপুরি নিক্রিয় করে রাখা হয়েছে। উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখ নিজের খুশী মত সব ঠিক করেছে।এখানে আমার কোন ভূমিকাই নেই। এই বিষয়ে আমি উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছিলাম।এই বিষয়ে অভিযুক্ত উপপ্রধান জাহাঙ্গীর সেখের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তার সাফাই তিনি দলের কাজে ব্যস্ত থাকেন।অফিসে খুব একটা যান না। কে বা কারা এই লিস্ট করেছে তা আমার জানা নেই। বিষয়টি তার নজরে আসা মাত্র নাম বাতিলের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানান। খণ্ডঘোষের বিডিও সত্যজিৎ কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই সব নাম বাতিল করা হয়েছে।জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী পাকা বাড়ি থাকলে বা আর্থিক অবস্থা ভালো হল তিনি আবাস যোজনার বাড়ি পাবেন না। এই ক্ষেত্রে কি ভুল ভ্রান্তি হয়েছে প্রশাসন তা দেখছে। আর এটা আগেকার তালিকা।এই বিষয়ে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। চারতলা বাড়ির মালিক অথচ তার নামে আবাস যোজনার বাড়ি আসছে।প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো বলে তিনি হুঁশিয়ারী দেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

সরকারি আবাস যোজনা প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে

সরকারি আবাস যোজনা প্রকল্পে কাটমানি ও একশো দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ রমজান আলী শেখ, কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতে এক পঞ্চায়েত সদস্যা রেহেনা বিবি ও তাঁর স্বামী মেহের আলীর বিরুদ্ধে। এই মর্মে কালনা মহকুমাশাসক, বিডিও অফিস ও কালনা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্বাভাবিক কারণেই এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় কালনায়। যদিও ঘটনার কথা সত্য নয় বলে জানান তৃণমূল নেতা মেহের আলি শেখ ও তাঁর স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্যা রেহেনা বিবি। যদিও যার বিরুদ্ধে ভুরিভুরি অভিযোগ রমজান আলী শেখ তাঁর বাড়িতে যাওয়া হলে এদিন তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর পরিবারের লোকেরাও এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননি।সরকারি প্রকল্পে উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানির টাকা ও একশো দিনের কাজে অন্যজনের জব কার্ডের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠল কালনার বিজয়নগর এলাকার বাসিন্দা তৃণমূল নেতা রমজান আলি শেখ ও কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা রেহেনা বিবি ও তাঁর স্বামী মেহের আলি সেখের বিরুদ্ধে। কালনা মহকুমাশাসক, কালনা-১ বিডিও অফিস ও কালনা থানায় দায়ের করা অভিযোগে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন, আমরা বিজয়নগর গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামের সদস্যা রেহেনা বিবি, স্বামী মেহের আলি শেখ, মেহের আলি শেখের দাদা রমজান আলি শেখ দিনের পর দিন প্রধান মন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে গরীব মানুষের পাওয়া টাকা থেকে প্রতিটি বাড়ি পিছু কুড়ি থেকে ত্রিশ হাজার টাকা কাটমানি নিয়েছে।তাঁরা জানিয়েছেন, একশো দিনের কাজে তাদের পরিবারের কেউ সামিল না হয়েও বহু ব্যক্তির জব কার্ডের লক্ষাধিক টাকা দুর্নীতি করে আত্মসাৎ করেছে। আর এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে নানারকমভাবে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন। কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা রেহেনা বিবির স্বামী মেহের আলী তিনি এদিন শনিবার বলেন,আমার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে,সামনে পঞ্চায়েত ভোট আসার কারণে বিরোধীরা এই চক্রান্ত করছে। আর এক অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রমজান আলী শেখ তিনি এদিন বাড়িতে ছিলেন না।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে পঞ্চায়েতের কাজ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রের বিশেষ প্রতিনিধি দল

একশো দিনের প্রকল্প এবং আবাস যোজনার কাজ সরেজমিনে দেখতে দিল্লি থেকে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় দল। ছদিন ধরে গত দুবছরে ১০০ দিনের প্রকল্পে কী-কী হয়েছে, আবাস যোজনার কাজ নিয়ম মেনে হয়েছে কি না, সরেজমিন পরিদর্শন করবে রাজ্যে আসা আটটি দল। পূর্ব বর্ধমান, দুই চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দুই মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ি, হুগলি, পুরুলিয়া, আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, মালদহ ও বীরভূম জেলায় তিন-চারটে ব্লকের ১০-১২টি পঞ্চায়েতে তারা ঘুরবেন। ২০১৯-এর শেষ দিকে আগে এ রকমই কেন্দ্রীয় দল এসে পূর্ব বর্ধমান ও হুগলিতে ১০০ দিনের কাজে বেশ কিছু অনিয়ম খুঁজে পাওয়ার দাবি করে রাজ্যকে রিপোর্ট করে। তার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতকে টাকা ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজ্য প্রশাসন সেই সূত্র ধরে পঞ্চায়েতের কর্তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর-ও করেছিল।বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ কয়েকদিন আগে দাবি করেন, এ রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তথ্য দিয়ে এসেছিলেন। আর ১০০ দিনের কাজে সব থেকে বেশি টাকা পায় পশ্চিমবঙ্গ। সেখানেও দুর্নীতির অজস্র অভিযোগ। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই সম্ভবত কেন্দ্রের বিশেষ দল আসছে।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দুবছরের প্রকল্পের কাজের সব নথি ঠিক করে রাখতে বলা হয়েছে। প্রকল্পের কাজের সব রসিদ, ক্যাশবুক থেকে সাতটি রেজিস্টার যথাযথ ভাবে পূরণ করে রাখার জন্য পঞ্চায়েতগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে প্রকল্পে কাজ চলছে, সেখানে যাতে কাজের নাম, বরাদ্দ, কাজের বিবরণ-সহ বোর্ড টাঙানো থাকে, তা-ও সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলা আবাস যোজনায় ২১০ বর্গফুটের মধ্যে বাড়ি করার নিয়ম। তা মানা হয়েছে কি না, যোগ্য প্রাপক বাড়ি পেয়েছেন কি না, জিও ট্যাগিং যথাযথ হয়েছে কি না কিংবা বাড়ির বাইরে লোগো দেওয়া বোর্ড লাগানোর মতো খুঁটিনাটি বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, জেলার চারটি ব্লকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল যাবে।খণ্ডঘোষ, মঙ্গলকোট,আউশগ্রাম ২ ও গলসি ২ নম্বর ব্লকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যাবেন। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের দুই সদস্য জেলা প্রশাসনের সঙ্গে প্রথমে বৈঠক করেন। তারপর তারা খণ্ডঘোষ ব্লকের লোদনা পঞ্চায়েতে যান। সভাধিপতি বলেন, প্রতিবছরই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসে। এটা নতুন কিছু নয়। পাশাপাশি তিনি দাবী করেন, কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা লোদনা পঞ্চায়েতের কাজ দেখে খুশী হয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপির জেলা সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন,আবাস যোজনার ঘর ও একশো দিনের কাজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। তার পরিপেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়। আশা করছি কেন্দ্রীয় দল আসায় এবার সত্য উদঘাটন হবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

“ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ভোট কোথায়?”—ভোট দিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ভবানীপুর কেন্দ্রের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন।তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে। তাঁর অভিযোগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে, এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে। তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এমন কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এটিকে আদালত অবমাননা বলে উল্লেখ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি জানান, আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিমের মতো একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি সেই সব ঘটনার ছবি সংবাদমাধ্যমকে দেখিয়েছেন।নিজের এলাকায় কী হয়েছে তাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর পাড়াতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মারধর করেছে এবং অনেককে ভোট দিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। যদিও তিনি সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানান এবং বলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জয়ী হবে।মমতা বলেন, তিনি নিজে দেখেছেন কোথায় কীভাবে আচরণ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন ভয় দেখানো হল এবং স্বচ্ছতা কোথায় রইল। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনও দেখেননি।শেষে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক নির্বাচন দেখেছেন, কিন্তু এ ধরনের নির্বাচন আগে কখনও দেখেননি।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ফলতায় ভোট নিয়ে বড় ধাক্কা! গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত কমিশনের

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গোটা ফলতা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচন করা হতে পারে।তিনি বলেন, যেসব বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলি ওয়েব কাস্টিং এবং অবজারভারদের রিপোর্ট দেখে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে কমিশন একেবারে শূন্য সহনশীলতার নীতি নিয়েছে। যেখানে যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত হবে, সেখানেই পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।ফলতার ২৫২, ২৩৫, ২২৬, ১৮৬ এবং ২৪১ নম্বর বুথে ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনাগুলির রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সেই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন করা হবে। একই ধরনের অভিযোগ মগরাহাট থেকেও এসেছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনর্নির্বাচন হলে তা আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই হতে পারে।সকালে ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলতার বিভিন্ন বুথে অশান্তির খবর সামনে আসে। কয়েকটি বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। কিছু জায়গায় বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতে হয়েছে।এই বিষয়ে মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছে। তিনি আরও জানান, ইভিএমে ইতিমধ্যেই যে ভোট পড়েছে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তাই অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুনরায় ভোট করানোই একমাত্র উপায়।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মধ্যেই বড় অশান্তি! লাঠিচার্জ থেকে ইভিএম কাণ্ডে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে থেকেই কড়া নজরদারি শুরু হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এলাকায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শুরু হয়। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা টহল চালানো হয়। ভোটের দিন আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনী।বুধবার সকালে ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন অজয় পাল শর্মা। এরপর তিনি সিআরপিএফ ক্যাম্পে গিয়ে ডিজি জি পি সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা হয়।এরই মধ্যে ফলতার বেলসিংহা এলাকায় একটি বিদ্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে জমায়েত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও জমায়েত না সরায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।দুপুরের দিকে দক্ষিণ বাসুলনাথ গ্রামে ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এলাকায় টহল শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন।অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতার একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে। তিনি একটি বুথ পরিদর্শনে গেলে তাঁকে ইভিএম দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাবেন। একই সঙ্গে বুথ দখল করে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, ফলতার কয়েকটি বুথে ইভিএমে আতর লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal