• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

North East

দেশ

বারাণসী-অযোধ্যার পর নতুন সার্কিট! বাজেটে পর্যটনে জোর

ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যের কথা মাথায় রেখেও ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে একপ্রকার সংস্কারমুখী এবং সাদামাটা বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। করকাঠামো নিয়ে মধ্যবিত্তের জন্য বিশেষ কোনও সুখবর শোনাতে পারেননি তিনি। বড় কোনও চমকও ছিল না এবারের বাজেটে। তবে এই নিরাবরণ বাজেটের মধ্যেই পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।রবিবার সংসদে ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের বাজেট ভাষণে নির্মলা সীতারমণ জানালেন, দেশের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে একসূত্রে বাঁধার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। বারাণসী ও অযোধ্যায় আধ্যাত্মিক পর্যটনের সাফল্যের পর এবার উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্যে বৌদ্ধ সার্কিট গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করা হল। অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরা জুড়ে বৌদ্ধ ধর্মকে কেন্দ্র করে এই নতুন পর্যটন সার্কিট তৈরি করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।নির্মলা সীতারমণ বলেন, পর্যটন শিল্পে পরিকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবলের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হসপিটালিটি ও হোটেল ম্যানেজমেন্টগুলিকে আরও শক্তিশালী করার উপর জোর দেওয়া হবে। পর্যটন গাইডদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, অন্তত ১০ হাজার পর্যটন গাইডকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের নজরে রয়েছে দেশের পর্যটন শিল্প। বাজেটে পর্যটন খাতে কী নতুন ঘোষণা হয়, তার দিকে যেমন তাকিয়ে থাকেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা, তেমনই নজর রাখেন ভ্রমণপ্রেমীরাও। দুই থেকে তিন বছর আগে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানকে একসূত্রে গেঁথে পর্যটনের জোয়ার আনার পরিকল্পনা নেয় কেন্দ্র। অযোধ্যায় নবনির্মিত রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের একাধিক আধ্যাত্মিক স্থানের সংযুক্তিকরণ করা হয়। তার ফলও মিলেছে। বারাণসী ও অযোধ্যায় পর্যটকের ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। রাজকোষের আয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই সাফল্যকে সামনে রেখেই ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে পর্যটন খাতে নতুন করে জোর দিল কেন্দ্র।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পিছিয়ে পরেও অনবদ্য 'কামব্যাক'! ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ

ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। আবার এক মহারণের আসা জিইয়ে রেখে মোহনবাগানকে চ্যলেঞ্জ ছুঁড়ে দিলো তারা। মঙ্গলবারের খেলাকে যদি এককথায় বর্ণিত করতে হয় তাহলে বলা ভালো হার না মানা হার। যতটাই ছন্নছাড়া ফুটবল তাঁরা খেলেছে ঠিক তটটাই অদম্য জেদ দেখা গেলো তাঁদের খেলায়।এ এক অন্য ইস্টবেঙ্গল। বিনা রণে না দিব সূচাগ্র মেদিনী। দু দুবার পিছিয়ে গিয়েও সেমিফাইনালের মত নকআউটের খেলায় এভাবে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা যায়, তা যারা খেলা না দেখেছেন বিশ্বাস করানো যাবেনা। টানা খড়া চলছে ট্রফির, একটা সাফল্যের জন্য, জানপ্রান লড়িয়ে জয়ের জন্য ঝাঁপালেন সকলে। আজকের ম্যচে ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র পাওনা কার্লেস কুয়াদ্রাত। কুয়াদ্রাত-ই হয়ত বা এই নাছোড় মনোভাব করোনার মত ছড়িয়ে দিয়ে গেলেন দলের মধ্যে। টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে ইউনাইটেড কে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল।এভাবেও ফিরে আসা যায়? একদম যায়! 👊We are the first finalists of #DurandCup 2023! ❤️💛#DurandCup #JoyEastBengal #EmamiEastBengal #NEUFCEEBFC pic.twitter.com/d0aoJZoyCi East Bengal FC (@eastbengal_fc) August 29, 2023তাঁদের রক্ষণভাগ, মাঝমাঠ ও ফরোয়ার্ড-এর মধ্যে বোঝাপড়া এতটাই নড়বড়ে ছিল আজ যে, টানা তিন-চারটে পাস নিজেদের মধ্যে খেলতেই নাভিশ্বাস উঠেছে। ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের কোনও কিছুই ঠিক যেন আজ ঠিক হচ্ছিল না। যার পরিণাম স্বরূপ দু দুটি গোল হজম করতে হল। ইস্টবেঙ্গলের অগোছালো খেলার সুযোগ নিয়ে সেই সময় বেশ ভাল ফুটবল খেলল নর্থইস্ট। বেশ কয়েকটি গোলের সুযোওগ তারা তৈরি করে।খেলার ২২ মিনিটের মাথায় প্রথম ধাক্কা দেয় নর্থইস্ট। বাঁ প্রান্তে বক্সের বাইরে থেকে বল নিয়ে ফাল্গুনী ডিপ করে ভিতরে ঢুকে এসে সামনে থাকা খেলোয়ারের উপর দিয়ে বক্সের ভিতরে হালকা করে বল ভাসিয়ে দেন লাল-হলুদ ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে হেডে গোলে বল জালে জড়িয়ে দেন করেন জাবাকো। ১-০ এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। প্রথমার্ধের খেলা ১-০ পিছিয়ে মাঠ ছাড়েন লাল-হলুদ।দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু থেকেই তেরেফুঁড়ে খেলা শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। তাঁদের খেলায় দেখে অনেক সংগঠিত মনে হচ্ছিল। প্রথমার্ধের থেকে লাল-হলুদকে অনেল ভাল ফুটবল খেলতা দেখা যায়। যাখনিই মনে হচ্ছিলো ইস্টবেঙ্গল বুঝি সমতা ফেরাবে খেলায় ঠিক সেই সময়, খেলার ৫৬ মিনিটের মাঝমাঠ থেকে লম্বা থ্রু ধরে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাগ কে দাঁড় করিয়ে রেখে এক অনবদ্য গোল করে ব্যবধান ২-০ করে দেন নর্থইস্টের ফাল্গুনী।𝙏𝙝𝙞𝙨 𝙬𝙞𝙣, 𝙩𝙝𝙞𝙨 𝙩𝙚𝙖𝙢... ❤️💛Our senior mens team has made it to the final of a top-flight #IndianFootball competition after 5️⃣ years! 👊#DurandCup #JoyEastBengal #EmamiEastBengal #NEUFCEEBFC pic.twitter.com/lEVuPFgDKP East Bengal FC (@eastbengal_fc) August 29, 2023২-০ পিছিয়ে পড়েও ইস্টবেঙ্গলের খেলার অগোছালো ভাব কিছুতেই কাটছিলো না। ভুল পাসে ভরা ম্যচ দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পরছিল দর্শকরা। ঠিক সেই রকম সময়েই ম্যাচের ৭৭ মিনিটের মাথায় আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় লাল-হলুদ। ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড় ক্লেইটন সিলভার ক্রস ধরে নাওরেমের গোল লক্ষ করে শট নেন, সেই শট নর্থইস্ট ডিফেন্ডার দীনেশ সিংহের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সজা গোলে। ব্যবধান কমতেই অন্য ইস্টবেঙ্গল দেখা মিলল। ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে তাঁরা নর্থইস্ট অর্ধে। ক্লেইটন নামার পর আক্রমণের চাপ আরও বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। গোলের ব্যবধান কমে যাওয়ায় অনেকটা সেফ খেলার উদ্দশ্যে পাহাড়ি দল নিজেদেরকে গুটিয়ে নেয়।সবাই যখন ধরে নিয়েছে ডুরান্ড ফাইনালে যাচ্ছে পাহাড়ি দল নর্থইস্ট ইউনাইটেড ঠিক তখনই চমক! অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে হেডে গোল করে কোলকাতা ডার্বির নায়ক নন্দকুমার সমতায় ফেরান লাল-হলুদকে। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ২-২ ফলে। খেলা গড়ায় ট্রাইব্রেকারে। পেনাল্টিতে শুটআউটে ৫-৩ গোলে জয়লাভ করে ইস্টবেঙ্গল। টাইব্রেকারে ইস্টবেঙ্গলের নায়ক গোলরক্ষক প্রভসুখন। নর্থইস্টের তৃতীয় পেনাল্টি শট বাঁচিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে ফাইনালে তুললেন তিনি। ১৯ বছর আগে শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল লাল-হলুদ শিবির। ইতিহাসের কি পুনরাবৃত্তি হবে ২০২৩-এ? অপেক্ষায় লাল-হলুদ শিবির।

আগস্ট ২৯, ২০২৩
দেশ

উত্তরপূর্বের একাংশ থেকে প্রত্যাহার শুরু আফস্পা আইন, ঘোষণা করলেন শাহ

নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমের একাংশ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (আর্মড ফোর্সেস স্পেশ্যাল পাওয়ার অ্যাক্ট বা আফস্পা) প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বৃহস্পতিবার এ কথা ঘোষণা করেছেন।টুইটারে শাহ লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে ভারত সরকার কয়েক দশক পরে নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমে আফস্পার অধীনে অশান্ত এলাকা কমানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার যে তৎপরতার সঙ্গে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে কাজ করেছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলির কারণে সেখানে এখন শান্তির পরিবেশ রয়েছে, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পূর্ব বঞ্চিত ছিল, তবে সেখানে শান্তি, উন্নতি ও অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাস্তবায়ণ করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই।Thanks to PM @NarendraModi Jis unwavering commitment, our North-Eastern region, which was neglected for decades is now witnessing a new era of peace, prosperity and unprecedented development.I congratulate the people of North East on this momentous occassion. Amit Shah (@AmitShah) March 31, 2022কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং উন্নয়নের একটি নতুন যুগের সূচনা করবে বলে জানান তিনি। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে জঙ্গি তৎপরতা মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনীর হাতে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিতে ১৯৫৮ সালে আফস্পা আইন জারি করেছিল কেন্দ্র। উত্তর-পূর্বে এখন গোটা অসম, নাগাল্যান্ড, রাজধানী ইম্ফল বাদে মণিপুরের বাকি এলাকা ও অরুণাচলের তিন জেলায় আফস্পা বলবৎ রয়েছে। গত ডিসেম্বরে নাগাল্যান্ডে জঙ্গি সন্দেহে সেনার গুলিতে স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দার মৃত্যুর পর, নতুন করে উত্তর-পূর্বে ওই বিতর্কিত আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সে সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আফস্পা প্রয়োগের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্র একটি কমিটি গঠন করেছিল। শাহের মন্ত্রক জানিয়েছিল, যে সব এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বা নাশকতার সমস্যা নেই, সেই এলাকাগুলি থেকে পর্যায়ক্রমে আফস্পা তুলে নেওয়া হতে পারে। আপাতত ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়ার সূচনা হল।

মার্চ ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : জ্বলে উঠলেন বোমাস, জুয়ান ফেরান্দোর হাত ধরে জয়ের সরণিতে এটিকে মোহনবাগান

কোচ বদল করতেই বদলে গেল এটিকে মোহনবাগান! জুয়ান ফেরান্দোর হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াল সবুজমেরুণ শিবির। নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ৩২ গোলে হারিয়ে চার ম্যাচ পর জয়ে ফিরল এটিকে মোহনবাগান। জ্বলে উঠলেন হুগো বোমাস। দীর্ঘদিন পরে আবার চেনা ছন্দে রয় কৃষ্ণারা। মঙ্গলবার নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে এটিকে দলগত সংহতির উজ্জ্বল নিদর্শন। যা আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের সময়ে দেখা যায়নি। সবুজমেরুণ কোচ হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত জুয়ান ফেরান্দো।এদিন এটিকে মোহনবাগানের খেলায় দারুণ ছন্দ ছিল। নর্থইস্ট ইউনাইটেডও শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছিল। ফলে আক্রমণ প্রতি আক্রমণে ম্যাচটা দারুণ উপভোগ্য হয়ে উঠেছিল। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ১ মিনিটে ম্যাথিয়াস কুরিয়েরের কর্ণার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিপি সুহের। আগের ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে গোল করেছিলেন। এদিন এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। পিছিয়ে পড়েও হতোদ্যম হয়ে পড়েনি এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলাররা। বরং আরও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে।১৯ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। ৪০ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর প্রয়াস রুখে দেন নর্থইস্ট গোলকিপার মির্শাদ। তবে বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারেননি এটিকে মোহনবাগানকে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে গোলকিপার মির্শাদের মিস কিক বিপদমুক্ত করতে পারেননি নর্থইস্টের ডিফেন্ডাররা। বল চলে যায় রয় কৃষ্ণার। তাঁর সেন্টার দুরন্ত হেডে দ্বিতীয় পোস্ট দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী লাগছিল এটিকে মোহনবাগানকে। খেলায় দলগত সংহতির নিদর্শন ছিল। রয় কৃষ্ণা যেমন হুগো বোমাসের জন্য বল বাড়িয়েছেন, তেমনই বোমাসও কৃষ্ণার উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়েছেন। নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন হুগো বোমাস।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৫৩ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। লিস্টন কোলাসো নর্থইস্ট ইউনাইটেড গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি। ফিরতি বল যায় রয় কৃষ্ণার কাছে। তার শট প্রতিহত হয়ে যায় শুভাশিস বসুর কাছে। তাঁর মাইনাস ধরে বল ডান পা থেকে বাঁপায়ে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ছোট্ট পুশে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন হুগো বোমাস। ৭৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর থেকে দুদুবার বল বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন মির্শাদ। ৩ মিনিট পরেই জনি কাউকোর পাস থেকে ৩১ করেন হুগো বোমাস। ৮৮ মিনিটে মনবীর সিংয়ের হেড ধরে মাশুর শরিফ ব্যবধান কমান।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

জাহাঙ্গির বিতর্কে ফুঁসছে তৃণমূল! কুণাল-ঋতব্রতদের ডেকে জরুরি বৈঠক মমতার

ভোটে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গির খানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাকে ঘিরে দলের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের তিন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। তাঁদের প্রশ্ন, দলের কঠিন সময়ে এমন আচরণের পরও কেন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে দলের অন্দরের ক্ষোভ সামাল দিতে উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠানো হয় কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। তিনজনই সেখানে উপস্থিত হন এবং দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।তবে বৈঠকের পরেও জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে মঙ্গলবার ছিল প্রচারের শেষ দিন। সেদিনই জাহাঙ্গির খান ঘোষণা করেন, তিনি এই ভোটে লড়বেন না। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।কালীঘাটের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে সেই কথাই মনে করিয়ে দেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, বৈঠকে কুণাল ঘোষ নিজের ক্ষোভ স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করেন। একইভাবে প্রতিবাদের সুর চড়ান সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নাম না করেই তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। জাহাঙ্গির খানকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নেতা বলেও খোঁচা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।কুণাল ঘোষদের বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র ঘরোয়া বৈঠক করে নয়, দলের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা করার সুযোগ দিতে হবে। যদিও এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকলে তা লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। কিন্তু সেই বার্তায় বিশেষ কাজ হয়নি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মঙ্গলবারের বৈঠকে কুণাল, ঋতব্রত এবং সন্দীপনদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসার পরেই বুধবার তাঁদের আলাদা করে ডেকে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের অন্দরের বিদ্রোহ থামাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

রাজনৈতিক প্রভাবে চাপা পড়েছিল অভিযোগ? অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি

রাজ্যে সরকার বদলের পর কলকাতার একাধিক নির্মাণ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ শুরু করেছে পুরনিগম। শহরের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে পাঠানো হচ্ছে নোটিস। সেই তালিকায় উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নামও। তাঁর একাধিক সম্পত্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও। এছাড়াও শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত একটি বাড়ির ঠিকানাতেও নোটিস গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই কালীঘাট রোডে ফুটপাথ দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ি ও অফিস নিয়েও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে থাকা কিছু সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল আগেই।পুরনিগম সূত্রে খবর, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই অতীতে এই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের ফাইল চাপা পড়ে যায়। জানা গিয়েছে, অন্তত ১৫ বার বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। তবে সেই সময় কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, যে কোনও অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রেই পুরনিগম নোটিস পাঠাচ্ছে। সরকারকে না জানিয়ে বা অনুমতি ছাড়া কোনও নির্মাণ করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই নোটিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও যেতে পারে, আবার অন্য কারও কাছেও যেতে পারে।সম্প্রতি ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়িতে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে। শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত ওই বাড়ির মালিকানা রয়েছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে। এছাড়াও কালীঘাট রোডের একটি ঠিকানায়, যা অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে, সেখানেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।পুরনিগমের নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাড়িগুলির যে অংশ বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ, তা ভেঙে ফেলতে হবে। যদি তা না করা হয়, তাহলে কেন ভাঙা হবে না, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধীদের দাবি, এতদিন রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়গুলি চাপা ছিল। অন্যদিকে তৃণমূলের অন্দরে এই নোটিস নিয়ে অস্বস্তিও বাড়ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি বিতর্কে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মমতার রোষের মুখে ফিরহাদ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অবৈধ অংশ ভাঙাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরও। মঙ্গলবার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন আগে থেকে নোটিসের বিষয়টি জানানো হয়নি, তা নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও ভর্ৎসনা করেন তিনি বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে এই বিষয় নিয়ে বিস্তর চাপানউতোরও হয়।এই বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলেছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় বা নোটিস সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। ফিরহাদের বক্তব্য, কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না। কেএমসি-র বিল্ডিং বিভাগ কাকে নোটিস দেবে বা দেবে না, কোন ধারায় নোটিস পাঠানো হবে, সেটা মেয়রের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। আমাকে জানানোও বাধ্যতামূলক নয়।তিনি আরও বলেন, আমি কোনও ইজারা নিইনি। নিয়ম অনুযায়ী যা হওয়ার, সেটাই হয়েছে। পুরসভার আইন অনুযায়ী এই ধরনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুর কমিশনারের রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে সেই দায়িত্বে রয়েছেন স্মিতা পাণ্ডে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও কমিশনার স্তর থেকেই নেওয়া হয়েছে।এদিকে এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, দলের মুখপাত্র হিসেবে আমরা যা মনে করি, সেটাই বলি। কিন্তু কার বাড়িতে কতগুলি নোটিস গিয়েছে বা কী নোটিস দেওয়া হয়েছে, সেটা আমাদের জানার কথা নয়। সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর আইনজীবীরাই সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে এই বিতর্কে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা এই ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি ক্রমশ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় আজ থেকেই চালু ‘পুশব্যাক’ আইন! অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

রাজ্যে পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ রুখতে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। বুধবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করা হল পুশব্যাক আইন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৫ সালেই রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তৎকালীন তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি। এবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইন চালু করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী জানান, এবার থেকে রাজ্যে ধরা পড়া অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এর ফলে দ্রুত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে সরানো সম্ভব হবে।তবে এই ঘোষণার পরেই বাংলাদেশ থেকে আসা মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তাঁদেরও কি রাজ্য ছাড়তে হবে? সেই জল্পনার জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় থাকা কোনও হিন্দু বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না।শুভেন্দু বলেন, সিএএ-র আওতায় থাকা সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন। যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে বা বাংলায় এসেছেন, তাঁদের পুলিশ কোনওভাবেই হেনস্তা বা আটক করতে পারবে না।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, যাঁরা সিএএ-র আওতায় পড়েন না, তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই দেখা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন মেনে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এরপর বিএসএফের মাধ্যমে বিজিবি-র সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন আইন চালুর ফলে পরিস্থিতির বদল হবে বলেই মনে করছে রাজ্যের শাসক দল।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! “ঘুরতে নয়, কাজ করতে আসব” মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

শিলিগুড়িতে পৌঁছেই উত্তরবঙ্গের মানুষকে প্রণাম জানালেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। বুধবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামার পরই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে উত্তরকন্যায় বসবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী Nisith Pramanik।উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি বলেন, ঘুরতে নয়, এখানে কাজ করতে আসব। কথা কম বলব, কাজ বেশি করব। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-কেই পরোক্ষে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।এদিন উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলার বিধায়ক, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বর্ষার আগে বন্যা, হড়পা বান, ভূমিধস, নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা, চিকিৎসা পরিষেবা, চা বাগানের সমস্যা, বেআইনি নির্মাণ, জমি দখল এবং বালি-পাথর মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথাও জানানো হয়েছে।বেলা ১১টার কিছু পরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ। বিমানবন্দরের বাইরে বেরিয়ে হাতজোড় করে সকলকে নমস্কার জানান তিনি। উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে বিপুল ভোটে জেতানোর জন্য মানুষকে ধন্যবাদও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পাশে ছিলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ Raju Bista এবং নিশীথ প্রামাণিক।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উত্তরবঙ্গের পবিত্র ভূমিকে প্রণাম জানাই। ২০০৯ সাল থেকেই উত্তরবঙ্গ ও পাহাড় বিজেপিকে জায়গা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং বিজেপি যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের ঋণ শোধ করবে সরকার।তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা উত্তরবঙ্গে আসবেন। প্রতি সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উত্তরকন্যায় বসে সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং উন্নয়নের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গেও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরকন্যাকে পুরোপুরি সক্রিয় করার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।উত্তরকন্যায় যাওয়ার আগে শিলিগুড়ির বিজেপি জেলা কার্যালয়েও যান শুভেন্দু অধিকারী। পথে একাধিক জায়গায় থামে তাঁর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি। ছোট শিশুদের কোলে নিতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছলে দলীয় কর্মীরা তাঁকে সংবর্ধনা জানান। সেখানে সংগঠন আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দেন শুভেন্দু।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal