• ২৬ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ১১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Nirmala Sitharaman

দেশ

নির্মলাকে ‘ঈর্ষাকাতর’ বলেই ক্ষান্ত নন কল্যাণ! কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন

পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তার জবাব দিতে গিয়ে তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্মলা সীতারমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ।কল্যাণ বলেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি দেখছেন নির্মলা সীতারমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঈর্ষা করেন। তাঁর বক্তব্য, নির্মলা কোনওদিন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এমনকি কোনও প্রদেশের নেত্রী হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যসভা থেকে তাঁকে এনে মন্ত্রী করা হয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ। অর্থ বিষয়ক দায়িত্ব সামলানোর মতো অভিজ্ঞতা তাঁর নেই বলেও দাবি করেন তৃণমূল সাংসদ। নির্মলাকে ঝগড়ুটে গোছের বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কল্যাণের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। দলের নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের আগে জানতে হবে তাঁর হাতে বোতল ছিল কি না। তিনি বলেন, নেত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করতেই কল্যাণ এ ধরনের মন্তব্য করছেন। তৃণমূলের মধ্যে নিজের পুরনো পদ ফিরে পেতেই তিনি আরও আক্রমণাত্মক হচ্ছেন বলেও দাবি বিজেপি নেতার।প্রসঙ্গত, সংসদে নির্মলা সীতারমণ পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দুর্গাপুরের একটি মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং নদিয়ার কালীগঞ্জে বোমাবাজিতে তামান্না খাতুনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সেই সময় তিনি মন্তব্য করেন, বাংলায় বোমা চলে, আইন চলে না। সেই মন্তব্যের জবাব দিতেই তৃণমূলের তরফে তীব্র আক্রমণ শানালেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনাকে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

কর জট ছেঁটে সরল পথে সম্পত্তি লেনদেন, বাজেটে এনআরআইদের স্বস্তি

অনাবাসী ভারতীয়দের (এনআরআই) থেকে স্থাবর সম্পত্তি কেনাবেচার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ঘোষণা করেন, এবার থেকে প্যান-ভিত্তিক চালানের মাধ্যমে মাত্র ১ শতাংশ টিডিএস জমা করলেই চলবে। এর ফলে আর ট্যান (ট্যাক্স ডিডাকশন অ্যান্ড কালেকশন অ্যাকাউন্ট নম্বর) সংগ্রহের প্রয়োজন পড়বে না।এত দিন অনাবাসী ভারতীয়দের থেকে সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাকে বাধ্যতামূলক ভাবে ট্যান সংগ্রহ করতে হত এবং তার মাধ্যমে টিডিএস জমা ও রিটার্ন দাখিল করতে হত। এই প্রক্রিয়া ছিল সময়সাপেক্ষ ও জটিল। নতুন বাজেট ঘোষণায় সেই জট খুলতে চলেছে বলে মনে করছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞরা।বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী দিনে এনআরআই সম্পত্তি লেনদেনে একটি একক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (সিঙ্গেল রেগুলেটরি সিস্টেম) চালু করা হবে। পাশাপাশি, প্যান-ভিত্তিক চালানের মাধ্যমে টিডিএস জমার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ ক্রেতাদের কর সংক্রান্ত ঝামেলা কমে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনাবাসী ভারতীয়দের থেকে সম্পত্তি কেনার সময় বিক্রেতার প্যান নম্বর থাকলে মাত্র ১ শতাংশ টিডিএস কাটা হবে। তবে প্যান না থাকলে করের হার বেড়ে ২০ শতাংশ হবে। ফলে প্যান ব্যবহারকে কার্যত বাধ্যতামূলক করেই স্বচ্ছ লেনদেনের দিকে এগোতে চাইছে সরকার।এই ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, ট্যান ছাড়াই টিডিএস জমা দেওয়া যাবে এবং আলাদা করে টিডিএস রিটার্ন দাখিল করার প্রয়োজন হবে না। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়েই সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি লেনদেনের তথ্য জানালেই চলবে।শুধু তা-ই নয়, বাজেটে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। যেসব ভারতীয় নাগরিকের বিদেশে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মূল্যের সম্পত্তি রয়েছে এবং তাঁরা তা আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করেননি, তাঁদের বিরুদ্ধেও আর কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ২০২৪ সালের ১ অক্টোবরের পর দায়ের হওয়া এই ধরনের মামলাগুলিতে ছাড় দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন এনআরআই সম্পত্তি বাজারে গতি আসবে, তেমনই সাধারণ করদাতাদের উপর নির্ভরতা কমবে কর পরামর্শদাতাদের উপর। সামগ্রিক ভাবে এই পদক্ষেপকে কর সংস্কারের পথে আরও এক ধাপ এগোনো বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আয়করের ছাড় বৃদ্ধি, ব্যাংকে একাধিক সুবিধাঃ সাধারণের এসব শোনাই যেন বিলাসিতা

কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে একপক্ষ দিনভর উচ্ছ্বাস করছে। দেশের আরেক পক্ষের এই বাজেট নিয়ে কোনও উৎসাহ নেই বা সেই পরিস্থিতিও নেই। পকেট যেখানে গড়ের মাঠ, বাজেট সেখানে বিলাসিতাই। এবারের বাজেটের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে, করকাঠামোয় ছাড় ঘোষণা। আয়কর ছাড়ের উর্ধ্বসীমা বেড়ে ৭ লক্ষ টাকা। আগে ছিল ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করশূন্য। মহিলাদের জন্য নতুন সঞ্চয় প্রকল্প মহিলাদের জন্য নতুন সঞ্চয় প্রকল্প ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। এতে মহিলারা ২ লক্ষ টাকার সঞ্চয়ের উপর ৭.৫ % সুদ পাবেন। সহজ কর ব্যবস্থার প্রস্তাব। ৭২ লক্ষ রিটার্ন একদিনে গ্রহণ করছে আয়কর বিভাগ। জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা রাখা যাবে। আগে ৯ লক্ষ পর্যন্ত রাখা যেত। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে টাকা জমা রাখার ঊর্ধ্বসীমা বাড়ল। ৪.৫ লক্ষ থেকে বেড়ে হল ৯ লক্ষ টাকা। তথ্য অনুযায়ীদেশের ৮কোটি মানুষ আইটি রিটার্ণ জমা দেয়। তবে সবাই যে মোটা টাকা কর দেন তা কিন্তু নয়। অভিজ্ঞ মহলের প্রশ্ন, আয়করের ৭ লক্ষ টাকা উর্ধ্বসীমা করা হয়েছে। এতেই আনন্দে আত্মহারা কেউ কেউ। কিন্তু এই বাংলার কতজন মানুষ এই টাকার ধারে কাছে রোজগার করে? তাঁরা জানেই না আইটি ফাইল কি। কেন দিতে হয়। একেই জিএসটির নামে প্রায় সর্বক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষকে করের বোঝা টানতে হয়। আর আয়ই শূন্য় তার আবার আয়কর। দেশ তথা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে ঘাটতি থাকায় এই আয়করের উর্দ্ধসীমার কাছাকাছি রোজগার নেই অধিকাংশ সাধারণের। করোনা আবহে লকডাউনের ফলে আরও বিপদে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর অবস্থা। রাজনীতির শিল্প করে যাঁরা কোটিপতি হয়েছেন তাঁদের কথা পৃথক। কলকারখানা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সাধারণের আয়ের ব্যালান্স করা খুব জরুরি। তা নাহলে আয়কর বা ব্যাংকে জমানোর টাকা সুদ বাড়ল না কমল তাতে অধিকাংশ মানুষের কিচ্ছু যায় আসে না। পেট চালানোই যেখানে দায় সেখানে আবার টাকা ডিপোজিটের ভাবনা! আর পাগলের প্রলাপের মতো একদল বলে চলেছে আয়কর ছাড়ের ঘোষণা নিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৩
দেশ

কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশে নয়া কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। যেখানে বলা হয়েছে , ২০২০ সালের অক্টোবরের পর যে সমস্ত সংস্থা নতুন কর্মী নিয়োগ করবে সেই সব সংস্থা ইপিএফও র অধীন বিশেষ কিছু সুবিধা পাবে। এছাড়াও পুরনো যেসব কর্মী ইপিএফও র সদস্য ছিল না , তাদেরকেও ইপিএফও র অধীনে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের কম কর্মী থাকবে, সেই সংস্থায় নতুন কর্মীদের ইপিএফওর ২৪ শতাংশ খরচই কেন্দ্র বহন করবে। আর যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের বেশি কর্মী, সেই সব সংস্থার শুধুমাত্র কর্মীদের ভাগের ১২ শতাংশ অর্থ ভারত সরকার দেবে। অর্থাৎ ইপিএফও বাবদ সংস্থাকে শুধু সংস্থার অংশের টাকাই দিতে হবে, কর্মীর ভাগের টাকা দিতে হবে না। এই সুবিধা মিলবে আগামী ২ বছর পর্যন্ত। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ সংস্থাই প্রথম অংশে পড়বে। আরও পড়ুন ঃ কাজ করলে সমর্থন মিলবেঃ মোদি পাশাপাশি কৃষকদের জন্যও বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী অর্থবর্ষে ৬৫ হাজার কোটি টাকা সার এবং কৃষি উপকরণে ভরতুকি হিসেবে দেওয়া হবে। ১৪ কোটি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ রোজগার যোজনার আওতায় আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হল। যা ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে খরচ করা হবে। এর ফলে ১০০ দিনের কাজের বাজেট বেড়ে হল ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, বেশ কয়েকটি সূচক দেখাচ্ছে, অর্থনীতি সুস্পষ্টভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। একটানা সংস্কারের ভিত্তিতে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে চলেছে সরকার। তিনি আরও বলেন , জিএসটি আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে। বাজারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ছে। আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে দেশবাসী বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পেয়েছে।

নভেম্বর ১২, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন হঠাৎ বাতিল কেন

নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। কৃষ্ণনগর উত্তরের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার। প্রশাসনের এক সূত্রের দাবি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক চুক্তি থাকার জটিলতার কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।অভিনব ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে দলের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং এলাকায় একজন পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন। এবারের নির্বাচনে তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চমক তৈরি করেছিল। শিক্ষিত এবং স্পষ্টভাষী হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছেও জনপ্রিয় ছিলেন। অনেকেই মনে করেছিলেন, স্থানীয় এবং গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে তাঁকে প্রার্থী করে বিশেষ কৌশল নিয়েছিল তৃণমূল।কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রটি রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিরোধী শক্তিও যথেষ্ট প্রভাবশালী। এমন পরিস্থিতিতে অভিনব ভট্টাচার্যের পরিষ্কার ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৃণমূলের পক্ষে বড় শক্তি হতে পারত বলে মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।তবে শেষ পর্যন্ত আইনি জটিলতার কারণেই তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেল। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি সরকারের সঙ্গে সরাসরি ঠিকাদারি বা ব্যবসায়িক স্বার্থে যুক্ত থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। সেই নিয়ম মেনেই তাঁর মনোনয়ন খারিজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

পনেরো লক্ষ কোথায়? বারাসত থেকে বিস্ফোরক প্রশ্ন মমতার

বাংলায় নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশের পরেই শুরু হল তীব্র রাজনৈতিক তরজা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর ঘোষণার জবাবে বারাসতের সভা থেকে সরাসরি আক্রমণে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও তার কোনওটাই বাস্তবে পূরণ হয়নি। তাঁর কথায়, আগে বলা হয়েছিল সবার অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে, কিন্তু কেউই সেই টাকা পাননি। এবারও একইভাবে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, ভোটের সময়েই শুধু বিজেপি নেতারা আসেন, প্রতিশ্রুতি দেন এবং ভোট শেষ হলেই চলে যান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্যে শাসক দলের সরকার থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা করা হচ্ছে না, অথচ বাংলায় এসে উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে।ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টিও এদিন জোরালোভাবে তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রায় নব্বই লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে, যার মধ্যে প্রায় ষাট লক্ষ হিন্দু এবং ত্রিশ লক্ষ মুসলিম ভোটার রয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি অসমের উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে নাগরিকপঞ্জির মাধ্যমে বহু মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল, এবার বাংলাতেও সেই একই প্রচেষ্টা চলছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না এবং মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।এদিন ইভিএম নিয়ে কারচুপির আশঙ্কাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী এবং সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, হলদিয়ায় মাছ উৎপাদন নিয়ে করা মন্তব্যেরও পাল্টা জবাব দেন তিনি। ব্রিগেডে এক হকারকে মারধরের ঘটনাও তুলে ধরেন নিজের বক্তব্যে। তাঁর কথায়, অন্যায় হলে তার জবাব আইন মেনেই দেওয়া হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ছোটরা ভুল করলে যেমন বকাঝকা করা হয়, তেমনই যারা বড় হয়েও অন্যায় করে, তাদেরও মানুষ গণতান্ত্রিক উপায়ে জবাব দেবে। নাম না করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, জোর করে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তারও জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় ক্ষমতায় এলে মাসে তিন হাজার! বিজেপির ইস্তাহারে বড় চমক

নির্বাচনের আগে বড় চমক! বাংলার জন্য নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইস্তাহার প্রকাশ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। এই ইস্তাহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান, প্রায় দশ হাজার বিশিষ্ট মানুষের সঙ্গে আলোচনা করে এই সংকল্পপত্র তৈরি করা হয়েছে এবং এটি বাংলাকে নতুন দিশা দেখাবে। তাঁর কথায়, এই পরিকল্পনা মহিলাদের থেকে শুরু করে কৃষক, যুব সমাজসব স্তরের মানুষের উন্নয়নের পথ দেখাবে এবং একটি বিকশিত ভারতের রূপরেখা তুলে ধরবে। তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন থেকেই নতুন বাংলা গঠনের কাজ শুরু হবে।এই ইস্তাহারে মোট পনেরোটি বড় প্রতিশ্রুতি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মহিলা, যুবক, কৃষি ও শিল্প ক্ষেত্রে। বহুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতিই এবার স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের পাল্টা হিসেবে আনা হয়েছে অন্নপূর্ণা প্রকল্প। এই প্রকল্প অনুযায়ী, বিজেপি সরকার গঠন করলে বাংলার মহিলারা প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে পাবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সেই টাকা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে।শুধু মহিলারাই নন, বেকার যুবকদের জন্যও মাসে তিন হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার কথাও বলা হয়েছে। মহিলাদের নিরাপত্তা জোরদার করতে গঠন করা হবে বিশেষ মহিলা পুলিশ বাহিনী, যার নাম রাখা হয়েছে দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড। সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য তেত্রিশ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের এককালীন একুশ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া সরকারি বাসে মহিলাদের ভাড়া মকুব করার পরিকল্পনাও রয়েছে।সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং ডিএ নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি শূন্যপদ দ্রুত পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট রাজ ও কাটমানি সংস্কৃতি বন্ধ করার দাবি করা হয়েছে। গত পনেরো বছরে দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে একটি শ্বেতপত্র প্রকাশের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।কৃষকদের জন্য ধান, আলু ও আম চাষে বিশেষ সহায়তা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীদের প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্যকে একটি বড় শিল্পকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি মাছ রপ্তানিতে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। চা ও পাট শিল্পের উন্নয়নেও জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে দার্জিলিং চায়ের বিশ্বমানের ব্র্যান্ডিংয়ের কথা বলা হয়েছে।অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার লক্ষ্যে আইন আনার কথা বলা হয়েছে এবং গবাদিপশু পাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালুর পাশাপাশি মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে এইচপিভি টিকাকরণ ও স্তন ক্যানসার পরীক্ষা চালু করার কথা বলা হয়েছে। উত্তরবঙ্গে নতুন এইমস, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস তৈরির কথাও উল্লেখ রয়েছে।এছাড়া কুড়মালি ও রাজবংশী ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বন্দে মাতরম সংগ্রহশালা তৈরি এবং ধর্মাচরণে স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য নতুন আইন আনার কথাও বলা হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

মোদী-শাহ ঝড়ে কাঁপবে বাংলা! তিন দিনে আধ ডজন সভা, বাড়ছে ভোটের উত্তাপ

বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে রাতে রাজ্যে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী তিন দিনে দুজনের একাধিক জনসভা ও কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিনটি জেলায় তিনটি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম সভা পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। তার পর তিনি যাবেন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। সেখান থেকে বীরভূমের সিউড়িতে তৃতীয় সভা করবেন তিনি। তিনটি সভা শেষ করে সেদিনই তিনি রাজ্য ছেড়ে চলে যাবেন।প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পরই রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন অমিত শাহ। শুক্রবার ও শনিবার টানা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরে জনসভা করবেন তিনি। পাশাপাশি খড়্গপুরে একটি রোড শো-ও করবেন। শনিবার আবার বাঁকুড়ার ছাতনা ও পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে দুটি জনসভা করবেন তিনি। সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দলের সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হতে পারে, যদিও তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।ভোট ঘোষণার আগে ব্রিগেডে বড় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর কোচবিহারেও সভা করেছেন তিনি। অন্যদিকে অমিত শাহও সম্প্রতি রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শাহ। সেই সময় হাজরা এলাকা জুড়ে রোড শো ঘিরে উত্তেজনাও ছড়িয়েছিল।এবার আবার ভোটের মুখে মোদী ও শাহের এই টানা কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা। বিশেষ করে মালদহের ঘটনা, অনুপ্রবেশ, জনবিন্যাস ও এসআইআর প্রসঙ্গ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। বিজেপির তরফে প্রকাশিত জনতার চার্জশিট-এ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সব বিষয় নিয়েই সভা থেকে সরব হতে পারেন মোদী ও শাহ।ভোটের আগে এই জোড়া প্রচার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও বাড়ছে কৌতূহল। সব মিলিয়ে, ভোটের লড়াই আরও জমে উঠতে চলেছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
বিদেশ

সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণার ঘণ্টা পেরোতেই যুদ্ধ! ইরান-আমেরিকা চুক্তি প্রশ্নের মুখে

খাতায়কলমে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হলেও বাস্তবে যুদ্ধ থামল না মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে নতুন করে হামলার খবর সামনে এসেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের লাভান দ্বীপে একটি তেল শোধনাগারে আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার সকালে এই হামলার পর আগুনে জ্বলে ওঠে গোটা এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।অন্যদিকে, কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলার খবর মিলেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এই হামলার দায় এখনও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি ইরান।উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। দুপক্ষ জানিয়েছিল, আগামী দুসপ্তাহ আলোচনা চলবে এবং সেই সময়ের মধ্যে কোনও পক্ষই হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।কিন্তু এই ঘোষণার অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘর্ষবিরতি খুবই নড়বড়ে ছিল। কারণ, এই চুক্তির মধ্যে লেবাননের পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে সংঘাত আবারও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে, সংঘর্ষবিরতির পরও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বেড়েছে। এখন বড় প্রশ্ন, এই সংঘাত আদৌ থামবে কি না।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজিরবিহীন নিরাপত্তা

ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে আরও একশো পঞ্চাশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার পাঁচশো পঞ্চাশ কোম্পানিতে। এর আগে দুই হাজার চারশো কোম্পানি বাহিনী ছিল রাজ্যে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে।নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটের দফা কমিয়ে দুই করা হলেও নিরাপত্তায় কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন।এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী তেইশ এবং উনত্রিশ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে চার মে। দফা কমানোর সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বেশি। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল ও রুটমার্চ চলছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী আঠারো এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে শুরু করবে।এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বেশ কিছু কোম্পানি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও বিশেষ সশস্ত্র পুলিশ আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য রক্ষা অধীর! এসকর্ট গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

কান্দি থেকে বহরমপুর ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর কনভয়। একটি ট্রাক এসে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। অল্পের জন্য রক্ষা পান অধীর চৌধুরী। দুর্ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।বুধবার কান্দিতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর ফিরছিলেন অধীর চৌধুরী। সেই সময় হঠাৎ একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে যায়। যে গাড়িতে ধাক্কা লাগে, তার ঠিক পিছনেই ছিল অধীরের গাড়ি। তাই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।দুর্ঘটনার পর কংগ্রেস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সময়মতো পৌঁছায়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় কুড়ি মিনিট কেটে যাওয়ার পরও থানার কোনও আধিকারিক সেখানে আসেননি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal