• ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ০২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

NDA

রাজনীতি

মমতার মুখে কেষ্ট, পার্থ, বালু, মানিকের নাম, নেত্রীর হুঙ্কার গ্রেফতারের বদলা দ্বিগুন হবে

নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে কেষ্ট, বালু, পার্থ, মানিকের নাম। একদা ঘনিষ্ঠ এই চারজনের জেলবন্দি দশায় এখনও বেজায় ক্ষিপ্ত তৃণমূল সুপ্রিমো। একইসঙ্গে বেশ কিছুদিন পর এবার বদলার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় দলের মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদদের পাশাপাশি দলের সভাপতি, ব্লক সসভাপতি-সহ অন্য নেতা-কর্মীরাও হাজির ছিলেন।লোকসভা ভোটের কয়েক মাস আগে বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে ২০২৪-এর লক্ষ্য স্থির করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কোন কোন ইস্যু তুলে ধরে লোকসভার লড়াইয়ে ঝাঁপাতে হবে, দলনেত্রীর তরফে স্পষ্ট নির্দেশ এল মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদ ও অন্য নেতাদের কাছে। এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের দিকে ধেয়ে আসা তিরের পাল্টা হামলার রূপরেখাও ঠিক করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, অনুব্রত মণ্ডল ও সব শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি যে এখনও তাঁকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, এদিন তাঁর কথায় তা আবারও স্পষ্ট হয়েছে।আমাদের লোকেরা সবাই চোর? দুর্নীতি দেখাচ্ছে। টাকা দিয়ে বলা হচ্ছে চোর বলতে। তৃণমূলকে চোর না বললে ইডি-সিবিআই রেড করবে। খুব হাসছেন! পার্থ জেলে, কেষ্ট জেলে, মানিক জেলে, বালু জেলে। আরও অনেকেই জেলে আছেন। গদ্দার বলছে, অমুক দিন ওর বাড়িতে যাবে। লুঠ করে নিয়ে চলে এল। সিজার লিস্টও দিল না। দিল্লির সরকার সবাইকে আন্ডার গান রেখে দিয়েছে।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার অনুব্রত মন্ডল এখনও বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এখনও রাজ্যের বনমন্ত্রী। মানিক ভট্টাচার্য দলীয় বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে বহিষ্কৃত। তবুও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম মুখে এনেছেন মমতা। রাজনৈতিক মহলের মতে, এঁদের নাম নিয়ে মমতা বোজাতে চেয়েছেন কেউ বিপদে পড়লে দল ভুলে যায় না।

নভেম্বর ২৩, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর, সামাল দিল পুলিশ

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বাড়িতে চড়াও হল পঞ্চায়েত এলাকার একদল বাসিন্দা। এই ঘটনায় মঙ্গলবার বিকালে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার কামারহাটি গ্রামে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনার কথা জেনে বিস্মিত পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।তাঁর আশঙ্কা,এই ঘটনার পিছনে বিরোধীদের উস্কানি থাকলেও থাকতে পারে! জানা গিয়েছে, পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত।রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক বাড়ি রায়না ২ নম্বর ব্লকের গোতান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কামারহাটি গ্রামে। শুধু বসত বাড়ি নয়, ওই গ্রামে রয়েছে মন্ত্রীর পরিবারে একাধিক পুকুর ও জমিজমা। মাঝে মধ্যে পৈত্রিক বাড়িতে যাওয়া আসা করেন মন্ত্রী। লাঠি ডাণ্ডা নিয়ে সেই বাড়িতেই এদিন বিকালে চড়াও ক্ষুব্ধ একদল গ্রামবাসী। তারা ডাণ্ডা দিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সদর দরজা ঠোকে, বাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোড়া, কিছুই বাদ রাখেন না। তির-ধনুক নিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে লোহার গেট থেকে শুরু করে বাড়ির ভিতরে জানলা, দরজার কাঁচ, চেয়ার, টেবিল, আলো,ফুলের গাছ ভাঙচুর করে তাণ্ডব চালানো হয় । মাছ-চাষিদের তিনজনের বাড়িও ভাঙচুর হয়। কেন মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকার ও তার দলবল নির্মম ভাবে মরধোর করেছে, তার বিহিত চাইতেই মূলত ক্ষুব্ধ মানুষজন এদিন মন্ত্রীর বাড়ির বিক্ষোভে ফেটো পড়েন।এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, কাউকে কিছু না জানিয়ে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক পুকুর থকে মাছ ধরা নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় অশান্তি ছড়ায়। মাছ ধরা নিয়ে মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মারধোরে অভিযোগ ওঠো মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকারে বিরুদ্ধে। ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহেন্দ্রকে মন্ত্রীর বাড়ির মধ্যে তুলে নিয়ে নিয়ে গিয়ে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। তার খবর পেয়েই মাধবডিহি থানার পুলিশ গিয়ে তখনকার মত পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে মারধোরের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ স্তিমিত হয় নি। মঙ্গলবার বিকেলে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ ফের আছড়ে পড়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর পৈত্রিক বাড়িত । পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মির্জা আখতার আলি বলেন, এটা সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রশ্ন, সে জন্যে গ্রামবাসীরা নির্মমতার বিরুদ্ধে একত্র হয়েছেন। আমরা অন্যায়কে তো আর ন্যায় বলতে পারি না। বিজেপির জেলা সম্পাদক (কাটোয়া) মাণিক রায় বলেন, তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৩
নিবন্ধ

জেনে রেখো

এতে আশ্চর্যের কিছু নেই,এ পরম্পরা চলে এসেছে যুগ-যুগ ধরে।দেবতারা গড়ে স্বর্গ বহুবাররাক্ষসেরা বারবার তা ধ্বংস করে।তাই চারিদিকের অত্যাচারে কিছু নতুনত্ব নেইতুমি চুপ করে আছো, সেটা অস্বাভাবিক কবে?সহস্র মানুষ চুপ করে থাকুক সহস্র বছরতবু সুভাষ-ভগৎ-বিরসা বারবার উঠে আসবে।শুধু লেখা থাকবে বর্ণনা ইতিহাসের পাতায়যখন কিছু লোক তছনছ করছিল সমাজটাকে,ভীরু তুমি, স্বার্থপর হয়ে তাদেরই করছিলে জয়গান,ইতিহাস বলবে, লোভে পড়ে তুমিই ধরিয়েছিলে বিরসাকে।এ পৃথিবী যুগ-যুগ ধরে করেছে আরোগ্য লাভ,এ ধরা আবার সুন্দর হবে, মঙ্গলময় হবে দেখো।গরিবের শিশুরা আবার হেসে উঠবে হেথাতোমার তটস্থতা কিছুতেই আটকাতে পারবে না তা জেনে রেখো।কৃষ্ণেন্দু কুমার মন্ডল নবোদয়

অক্টোবর ২০, ২০২৩
নিবন্ধ

দুই বিপ্লবী কোনোমতে বেরোতে পেরেছিলেন সেই 'ডালান্ডা হাউস' র রৌরব নরক থেকে!

পি.জি.হাসপাতাল ছাড়িয়ে , বহুতল ট্রমা কেয়ার সেন্টার পেরোলেই কন্ডাক্টরদের সরব ঘোষণা পি.টি.এস .. পি.টি.এস! কিছু মানুষ নেমে যান বাস থেকে; আরো বেশী মানুষ হুরমুড়িয়ে উঠে আসেন সততজনঅধ্যুষিত স্টপেজটি থেকে।রাস্তার উল্টোদিকে সুবিশাল রেসকোর্সের দিকে শান্ত চোখে সারাবেলা চেয়ে থাকা বড় বড় গাছের ছায়ায় ঢাকা বাসস্টপটি আমাদের প্রায় সকলেরই অতিপরিচিত পুলিশ ট্রেনিং স্কুল বা পি.টি.এস। অবসরপ্রাপ্ত দুটি কামান দুপাশে নিয়ে যার প্রশস্ত তোরণ ঝাঁকিদর্শন দেয় ভিতরে বৃত্তাকার এক রহস্যময় সরকারী ভবনের, প্রকৃত নাম যার ডালান্ডা হাউস।পিছিয়ে যাওয়া যাক একশো আশি বছর। এই চত্বরেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল নেটিভদের জন্য বিশাল এক পাগলাগারদ। আগে রসাপাগলা অন্চলে ছিল এই পাগলাগারদ; সেখান থেকে তাকে তুলে আনা হয় এই প্রশস্ত পরিসরে। ১৯০৬ সালে ভবনটি চলে আসে স্ট্যাম্প অ্যান্ড স্টেশনারী দফ্তরের আওতায়। ১৯১৪ সালে এখানেই গড়ে তোলা হোলো এক আধুনিক পুলিশ ট্রেনিং কেন্দ্র, তদানীন্তন পুলিশ কমিশনার স্যার ফ্রেডেরিক হ্যালিডে-র উদ্যোগে। ১৭৫৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হাতে আসা পন্চান্নটি গ্রামের অন্যতম ছিল ডালান্ডা (ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের ধারে পঞ্চান্নগ্রাম স্টপেজ আজো স্মৃতি বহন করছে হাতবদল হওয়া সেই পঞ্চান্নটি গ্রামের) সেই ডালান্ডা গ্রামের নামেই চিহ্নিত হলো ইংরেজ দার্শনিক জেরেমি বেন্থাম-এর উদ্ভাবিত প্যানপ্টিকন শৈলীতে নির্মিত এই পুলিশভবন। এই স্থাপত্যকৌশল তখন ব্যবহৃত হতো কারাগার - হাসপাতাল - পাগলাগারদ - উদ্ধারকেন্দ্র ইত্যাদিতে বৃত্তাকার অট্টালিকার কেন্দ্রে থাকতো নজরদারীর জন্য উঁচু এক নির্মান।বিপ্লবের আগুন তখন দাউদাউ করে জ্বলছে পরাধীন বাংলায়। শত শত অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের সামলাতে জেরবার ব্রিটিশ রাজশক্তি। গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কুখ্যাত চার্লস টেগার্ট প্রস্তাব দিলেন ডালান্ডা হাউস ব্যবহৃত হোক কারাগার ও জিজ্ঞাসাবাদ-কেন্দ্র হিসেবে। সেই শুরু সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে ডালান্ডা হাউস পর্যবসিত হোলো পাশবিক নির্যাতনের এক নারকীয় মন্চে।সেই নরকযন্ত্রণার বিবরণ জানতে পারতো না বাইরের জগৎ। নিদারুণ নিষ্ঠুরতা-নিষ্পেষণ-নিপীড়নে নির্বাপিত হয়েছে কত স্বপ্নদর্শী তরুণ প্রাণ, উন্মাদ হয়ে গেছেন কতো উজ্জ্বল দেশপ্রেমী কে তার খোঁজ রাখে!নলিনীকান্ত ঘোষ আর প্রবোধকুমার বিশ্বাস দুই বিপ্লবী কোনোমতে বেরোতে পেরেছিলেন সেই রৌরব নরক থেকে, ১৯১৬ সালে। পরের বছর বেঁচে ফিরেছিলেন আরেক স্বাধীনতাসংগ্রামী প্রবোধ দাশগুপ্ত-ও। এঁদের মুখেই বিবরণ মেলে ভেতরকার ভয়ঙ্কর বিভীষিকার। সেই ভয়াবহ বর্ণনা ক্রমে ক্রমে জন্ম দেয় প্রবল বিরুদ্ধ জনমতের যা ব্রিটিশ রাজশক্তিকেও বাধ্য করে ১৯২০ সালে এই ফাটক তথা জিজ্ঞাসাবাদ-কেন্দ্র বন্ধ করতে। ডালান্ডা হাউস ফিরে যায় তার মৌলিক চরিত্রে পুলিশট্রেনিং কেন্দ্র হিসেবে।সম্প্রতি কলকাতা পুলিশ কয়েকটি পর্যায়ে মেরামত করেছে ডালান্ডা হাউসকে। বিস্তৃত ভবনটিতে এখনও কার্যালয় রয়েছে কলকাতা পুলিশের বিশিষ্ট কতকগুলি বিভাগের ডগ স্কোয়্যাড .. বম্ব স্কোয়্যাড .. RAF .. কম্যান্ডো ইউনিট .. বিপর্যয় নিয়ন্ত্রণ বিভাগ পুলিশ ট্রেনিং স্কুল চলে যাচ্ছে হাওড়া-র ডুমুরজলায়। ডালান্ডা হাউস জেগে থাকবে মৃত্যুন্জয়ী বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দীর্ঘশ্বাস-যন্ত্রণা-স্বপ্নভঙ্গ বুকে নিয়ে!

আগস্ট ১৭, ২০২৩
শিক্ষা

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিবর্তন, বদল ঘটবে প্রশ্নের ধাঁচেও

বদলে যাচ্ছে রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা পদ্ধতি। আগামী ২০২৪ সালের একাদশ শ্রেণিতে যেসব পড়ুয়া ভর্তি হবে তারাই নয়া পদ্ধতিতে প্রথম পরীক্ষা দেবে।এবার পড়াশুনার পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে। সেমিস্টার পদ্ধতি শুরু হতে চলেছে। একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় সেমেস্টার পদ্ধতি চালু করতে চলেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে যে সব পড়ুয়া একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হবে, সেই সব পড়ুয়ারা এই নয়া নিয়মের আওতায় পড়বে। সেমেস্টার পদ্ধতিতে মূল্যায়নের প্রথম ফলাফল ঘোষণা হবে ২০২৬ সালে। ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন সেমেস্টার পদ্ধতিতে করার প্রস্তাব রাজ্যকে দিয়েছিল সংসদ। গত সোমবার সংসদের প্রস্তাবেই অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।সংসদ সূত্রে খবর, একাদশ শ্রেণিতে দুটি এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি সেমেস্টার হবে। ২০২৪ সালে যেসব পড়ুয়া একাদশে ভর্তি হবে তারা নভেম্বরে প্রথম সেমেস্টারে বসবে। একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় তথা শেষ সেমেস্টার হবে ২০২৫ সালের মার্চে। ওই বছর নভেম্বরে হবে দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম সেমেস্টার। ২০২৬ সালের মার্চে হবে দ্বাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমেস্টার।দ্বাদশ শ্রেণির দুটো সেমেস্টারের উপর মূল্যায়ন করে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রশ্ন পত্রেও আসবে পরিবর্তন। নভেম্বর মাসে দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম সেমেস্টারে প্রশ্ন হবে এমসিকিউ ধরণের। অর্থাৎ ওএমআর শিটে উত্তর লিখতে হবে পড়ুয়াদের। আপাতত এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। দ্বাদশের দ্বিতীয় সেমেস্টারে পড়ুয়াদের বিষয়ের উপর ছোট, বড় মিলিয়ে প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। তবে প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা একটাই হবে। সেমেস্টার অনুয়ায়ী প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা ভাগ হবে না।সংসদ সূত্রে খবর, সর্বভারতীয় স্তরে প্রায় সব পরীক্ষাই ওএমআর শিটে দিতে হয়। তাই বাংলার পড়ুয়াদেট সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অভ্যস্ত করতেই ওএমআর ফরম্যাটে পরীক্ষার এই আয়োজন।

আগস্ট ০৯, ২০২৩
দেশ

ইতিহাসের বারান্দায় অনাস্থা প্রস্তাব

মঙ্গলবার থেকে লোকসভায় শুরু হল বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক। দুদিন ধরে চলবে বিতর্ক। তার পরে সরকার পক্ষের শীর্ষ ব্যাক্তি তাঁর জবাবই বক্তব্য বলবেন। লোকসভায় বিরোধীদের মিলিত শক্তির চেয়ে সাংসদ সংখ্যার বিচারে সরকার পক্ষের শক্তি অনেক বেশি। তাই বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নরেন্দ্র মোদী সরকারের দুশ্চিন্তার কিছু নেই। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব আনলো বিরোধীরা। আর এই প্রথম লোকসভায় বিরোধীদের পারস্পরিক ঐক্য অনেক জমাট দেখাচ্ছে। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পিছনে সংসদীয় রাজনীতির যে কৌশল রয়েছে তা হল মনিপুর প্রসঙ্গে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হবেন। কারণ, সময়, পরিস্থিতি ও বিষয় বিচার করে প্রধানমন্ত্রী কখনো মুখ খোলেন কখনো নীরব থাকেন। যেমন মনিপুরে হিংসা ছড়ানোর ৭৯ দিন পরে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দেন। মনিপুরে এখনো হিংসা থামেনি, লাগাতার হিংসা চললেও প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে আর মুখ খোলেননি।লোকসভার নিয়ম অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে গেলে নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি ও সাংসদ মল্লিকার্জুন খারগের পেশ করা অনাস্থা প্রস্তাবের ৭৯জন সাংসদ সাক্ষর করেছেন। বিজেডি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস ছাড়া সংসদে অস্তিত্ব রয়েছে এমন সব বিরোধী দলই প্রস্তাবের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক শুরুর আগের দিন রাহুল গান্ধী সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ায় বিরোধী শিবির, বিশেষত কংগ্রেস অনেকটাই উজ্জীবিত। ১৩৪ দিন সংসদের বাইরে থাকার পরে সাংসদ পদ ফিরে পেলেন রাহুল।আরও পড়ুনঃ কেন সমাজতন্ত্র: অ্যালবার্ট আইনস্টাইনইতিহাসের হুবহু পুনরাবৃত্তি না হলেও ইতিহাসের অনেক ঘটনা কিছু কিছু লক্ষণ পরবর্তী কালে দেখা যায়। যেমন ১৯৬৩ সালে অগাষ্ট মাসে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে নেহেরু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের সঙ্গে চলতি বর্ষাকালীন অধিবেশনে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের অনেক ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পার্থক্যও রয়েছে। ১৯৬৩ সালে বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব ছিল স্বাধীন ভারতের লোকসভার ইতিহাসে প্রথম। সেই সময় দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করতেন স্বাধীনতা এনেছে কংগ্রেস। তাই ১৯৬২ সালে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস। তখন লোকসভায় আসন সংখ্যা ছিল ৪৯৪। ৩৬১টি আসন পেয়ে তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হন নেহেরু। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দেড় বছরের মাথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকে। ১৯৬২সালের চিন-ভারত যুদ্ধের ফলে নেহেরু সরকার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। কংগ্রেস কোনঠাসা হয়ে পড়ায় ক্রমাগত হারতে থাকা বিরোধীরা উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। এই আবহে বেশ কয়েকটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে পরাজিত হয় কংগ্রেস। কংগ্রেসকে সংসদে আরও চাপে ফেলতে বিরোধীরা কক্ষ সমন্বয় ঐক্যে পৌঁছয়। ফলে লোকসভায় প্রথমবার অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হয় নেহেরু সরকার।সেই সময় লোকসভার অধ্যক্ষ ছিলেন হুকোম সিং। লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের শুরুতে একাধিক রাজনৈতিক দল অধ্যক্ষের কাছে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। প্রথম অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেন প্রজাশক্তি পার্টির শীর্ষ নেতা ও সাংসদ আচার্য জে বি কৃপালনী। ভারতীয় জনসংঘ ও সিপিআই, পৃথকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। এছাড়াও আরো কয়েকটি রাজনৈতিক দল অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। সিপিআইয়ের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে প্রয়োজনীয় নুন্যতম পঞ্চাশ জন সাংসদের সাক্ষর না থাকায় তা বাতিল হয়ে যায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আচার্য কৃপালনীর আনা প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ায়। অধ্যক্ষ হুকোম সিং আচার্যর আনা প্রস্তাবে আলোচনার অনুমোদন দেন। ১৯ অগাষ্ট লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর বিতর্ক শুরু হয়।বিরোধীদের পক্ষে আলোচনা শুরু করেন আচার্য কৃপালনী । তিনি তাঁর বক্তব্যে শুধু চিন-ভারত যুদ্ধ নয়, সরকারের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ও আনেন। লোকসভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের শক্তির ফারাকের কথা মাথায় রেখে আচার্য কৃপালনী বলেন, শুধু সাংসদ সংক্ষ্যা হিসেব করলে চলবে না। প্রাপ্ত ভোটের হিসেব করলে দেখা যাবে বিরোধীদের শক্তি সরকার পক্ষের থেকে বেশি। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে সরকার পক্ষ ৪৬ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়েছে। বাকি ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিরোধীরা । এর থেকে প্রমানিত হয় বিরোধীরাই সংসদে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতকেই পেশ করছে। প্রস্তাবের পক্ষে বিরোধী নেতারা বক্তব্য বলার পাশাপাশি সরকার পক্ষের হয়ে বক্তব্য বলেন মোরারজি দেশাই ও ভগবৎ ঝা আজাদ প্রমুখ। সবশেষে জবাবী ভাষনের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন,বিরোধীদের মধ্যে এই বিচিত্র সমঝোতার মূল কারণ হলো আমার বিরোধিতা করা। তাই বিরোধীদের বক্তব্যের পুরোটাই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা আসলে সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তা হল প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও ব্যক্তি নেহেরুর বিরুদ্ধে মিলিত ব্যক্তিগত আক্রমণ।আরও পড়ুনঃ বাংলায় ক্ষমতায় থাকার কৌশল বদলেছে সময়ের তালে, রাজনৈতিক সংঘর্ষের বীজ লুকিয়ে অতীতের ছায়ায়প্রত্যাশিত ভাবেই বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব সংসদ কক্ষে ভোটে পরাজিত হয়। তবে চিন-ভারত যুদ্ধের ফলাফলে নেহেরুর জনপ্রিয়তায় ফাটল ধরে। সেই সুযোগে দলের মধ্যেও তাঁর বিরোধীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই সঙ্গে বেশ কয়েকটি উপনির্বাচনে ক্ংগ্ৰেসের পরাজয় এবং বিরোধীদের জমাট এক্য - সব মিলিয়ে ঘরে বাইরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন নেহেরু। তার আঁচ গিয়ে পড়ে তাঁর শরীরে। ধীরে ধীরে অসুস্থতা বাড়তে থাকে। ১৯৬৪ সালের ২৭ শে মে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু হয়।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব

এসএসসিতে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি গিয়েছিল তৎকালীন শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ের। এবার আরেক মন্ত্রীর মেয়ে বড় পদ পেলেন শিক্ষা দফতরে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নতুন সচিব পদে নিযুক্ত হলেন প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। যিনি সম্পর্কে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মেয়ে । ৩১ জুলাই নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি জারি হলেও এই নিয়োগের বিষয়টি জানা গিয়েছে বুধবারই। প্রিয়দর্শিনী তিন বছর সচিবের দায়িত্ব সামলাবেন বলেই নির্দেশিকায় উল্লেখ রয়েছে। জ্যোতিপ্রিয় কন্যা আশুতোষ কলেজের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা হিসাবে কর্মরতা ছিলেন।তাপস কুমার মুখোপাধ্যায় স্বয়ং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। তাপসবাবুর যুক্তি ছিল, আগামী বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। কিন্তু ৪ তারিখ তিনি দায়িত্ব ছাড়ার পর নতুন যিনি তাঁর জায়গায় আসবেন, তিনি সেই দায়িত্ব সামলাতে মুশকিলে পড়বেন। তাই আগেভাগেই পদ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন তাপসবাবু। প্রশাসন তাপস মুখোপাধ্যায়ের আবেদনকে মান্যতা দিয়েছে। সংসদের সচিব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাঁকে। শেষমেষ প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে সচিব হিসাবে পেল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে নির্দেশের প্রতিলিপি হাতে না মেলায় এখনই সংবাদ মাধ্যমে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি প্রিয়দর্শিনী।রাজ্যের এক মন্ত্রীর মেয়েকে শিক্ষা প্রশাসনে নিয়োগ ঘিরে জোর বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী মণিদীপা এবং কন্যা প্রিয়দর্শিনীর মল্লিকের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল প্রধান বিরোধী দল। বিজেপি-র অভিযোগ ছিল, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে কয়েক কোটি টাকার আর্থিক তছরূপ করেছিলেন। এর সঙ্গে জড়িত মন্ত্রীর স্ত্রী ও কন্যাও। রীতিমতো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং আয়কর রিটার্ন-এর কাগজপত্র পেশ করে অভিযোগের বিষয়টি জোড়ল করতে চেয়েছিল বিজেপি নেতৃত্ব।

আগস্ট ০২, ২০২৩
দেশ

জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী

কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনের সূচনা করবেন ১লা জুলাই, সল্টলেকের নিক্কো পার্ক সংলগ্ন ইস্ট প্যাভিলিয়নে। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে তিনি অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট ২০২৩- শীর্ষক এক সম্মেলনেরও সূচনাও করবেন। এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্র সরকারের মিশন লাইফ ভাবনাকে নিয়ে জেডএসআইয়ের কর্মকান্ডকে উপস্থাপন করা হবে। পরিবেশ রক্ষার বার্তা দিতে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করার পরিকল্পনাও গৃহীত হয়েছে।এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী অ্যানিম্যাল ডিসকভারিজ ২০২২ শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশ করবেন, যেখানে দেশ জুড়ে আবিষ্কৃত ৬০০ নতুন প্রজাতির সন্ধান থাকবে এই বইয়ে। তাছাড়া স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে স্মরণ করতে ও আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে ৭৫ ওয়েটল্যান্ড ফনা অফ ইন্ডিয়া এবং ৭৫ এন্ডেমিক বার্ডস অফ ইন্ডিয়া শীর্ষক দুটি প্রামান্য বই প্রকাশিত হবে। অনুষ্ঠানে দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিণী কুমার চৌবে এবং বন দপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল তথা দপ্তরের বিশেষ সচিব চন্দ্র প্রকাশ গোয়েল উপস্থিত থাকবেন। ১০৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনমি সামিট ২০২৩-এ দেশ বিদেশের চার শতাধিক প্রাণীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ যোগদান করবেন। লন্ডনের ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এই সম্মেলনে ১২ জন খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ পশু শ্রেণীকরণ, বায়োজিওগ্রাফি সহ বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখবেন। এই সম্মেলনে উপস্থাপিত গবেষণাপত্র সমূহ শতাব্দী প্রাচীন ইন্ডিয়ান জুলজি পত্রিকাতেও পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে। জেডএসআই-এর প্রথম মহিলা নির্দেশক ধৃতী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সংস্থা ভুটান সরকারের সঙ্গে কয়েকটি মৌ চুক্তিও স্বাক্ষর করবে। ভবিষ্যত গবেষণার আদান-প্রদানের লক্ষ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অ্যানিম্যাল ট্যাক্সোনোমি সামিট চলবে ৩রা জুলাই পর্যন্ত। এই উপলক্ষে কলকাতা প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জুলাই ০৭, ২০২৩
রাজ্য

পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার বলি বেড়েই চলেছে, ক্ষিপ্ত রাজ্যপালের তোপ কমিশনারকে

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা, হত্যা অব্যাহত। এদিন রাজ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। হিংসা নিয়ে আগেও ন্রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে সতর্ক করেছেন রাজ্যপাল। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। বৃহস্পতিবার ফের সরব হয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। কাল বাদ পরশু রাজ্যে ভোট। তার আগে বেনজিরভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার নিন্দার মুখর হলেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। রাজ্যপাল এদিন নিজের ভাষণে কখনও মহাভারত, কখনও শেক্সপিয়ার, আবার কখনও টিএন সেশন, স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিচারণ করেছেন।রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, আমি ভেবেছিলাম, বাংলার গ্রামে মঞ্চে গিয়ে দেখব, চিত্ত হেথায় ভয় শূন্য, উচ্চ হেথায় শির। কিন্তু এসে দেখলাম একেবারে উল্টোটা। মানুষের মনে ভয়, মাথা হেঁট হয়ে আছে। গ্রামে গিয়ে বিধবার কান্না শুনেছি, পুত্রহারা মায়ের কান্না দেখেছি। কী করে এসব বন্ধ হবে, যখন রক্তাসুরের হাতেই ক্ষমতা। তবে মনে রাখতে হবে, রক্তাসুর থাকলে মহাকালীও থাকবে। নরক থেকে শয়তান উঠে এসেছে, তারা নৃত্য করছে, ক্যানিং, ভাঙড়, বাসন্তী, কোচবিহার, মুর্শিদাবাদের মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। শয়তানরা এখন সব এখানেই।কমিশনারকে কটাক্ষ, আমি আপনাকে নিয়োগ করেছি, আর আপনি আমাকে হতাশ করেছেন। আপনি কর্তব্য পালনে ফেল করেছেন। রাস্তায় যে শবদেহ পড়ে আছে তার জন্য আপনিই দায়ী। আপনি কি অশ্বথামা হতে চান? রাতের অন্ধকারের চোরের মতো ঢুকে পাণ্ডবদের ছেলেমেয়েকে যে কুচিয়ে কেটেছিল, নাকি আপনি জুজুৎসু হবেন, যিনি অর্ধমকে ছেড়ে এসেছিলেন। ভোটে আধাসামরিক বাহিনীর যথাযথ মোতায়েন, রুট মার্চ, স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার বিষয়গুলি নিয়ে কমিশনারকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, গোটা রাজ্যে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন হচ্ছে। সেখানে মাত্র ৭-৮টা বুথের ঘটনা নিয়ে এত প্রলাপের কোনও অর্থ হয় না। রাজ্যপাল বিজেপির হয়ে রাজনীতি করছেন।

জুলাই ০৭, ২০২৩
রাজ্য

'তিহারে বসে বাপ-বেটি বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে, একই দশা হবে পিসি-ভাইপোর'- সুকান্ত

আপনাদের এখানকার বড় নেতা এখন দিল্লির তিহার জেলে বসে বেদের মেয়ে জোসনা সিনেমার গান গাইছেন জেলখানায় সম্বল, থালা বাটি কম্বল। এখন আবার বাপ বেটি পাশাপাশি বসে গাইছেন। অপেক্ষা করুন কয়েক মাস। পিসি আর ভাইপো একইভাবে সঙ্গে ওই গান করবেন। রবিবার বিকেলে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ষাটপলসা মোরে জনসভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, আপনারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যান। আমার কাছে খবর আছে আপনারা যখন দলীয় পতাকা বাঁধতে যাচ্ছিলেন তখন এই থানার ওসি বলেছিলেন গুলি চালিয়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি একজন কার্যকর্তার গায়ে গুলি চালান, হাইকোর্টে গিয়ে আপনার উর্দি খুলে দিতে না পারলে আমার নাম সুকান্ত মজুমদার নয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জটিল মণ্ডলকে আক্রমণ করে বলেন, বালি পাচারের টাকা খাবেন। একটা অংশ পুলিশকে দেবেন আর আমাদের লোকেদের ধমকাবেন চমকাবেন এটা চলতে দেওয়া যাবে না। এখন বলছি শুধরে যান। মনে রাখবেন আপনাদের বড় বড় আইপিএসদের সিবিআই, ইডি ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি তো থানার ওসি। আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে দুমিনিট সময় লাগবে না।অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগে শুনতে পেতেন খেলা হবে। কিন্তু এখন শুনতে পান? আগে ওরা কথায় কথায় দিল্লি যেত। এখন দিল্লি যেতে বললে তারা বলে দিল্লি যাব না। আরও বড় বড় চোর রয়েছে। উপর তোলার চোরদের আমরা টাইট করব। নিছু তলার চোরদের আপনারা শায়েস্তা করুণ। আপনাদের বড় নেতা চরাম চরাম, পাঁচন, নকুলদানার দাওয়াই দিতেন। এখন শোনা যাচ্ছে বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে। জেলখানা সম্বল, থানা বাটি কম্বল। আমরা দিল্লি গেলে শুনি। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুণ পিসি আর ভাইপো পাশাপাশি একই সঙ্গে বসে একই গান গাইবেন।নগর উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেছিলেন ২৪ সালে আমারই সরকার গড়ব। সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, ২৪ সালে যদি তৃণমূল সরকার গড়ে তাহলে হাতিও জামা প্যান্ট পরে ঘুরবে। আর পারলে আমার বিরুদ্ধে সিবিআই লাগান। তবে বলে রাখি ভোটের দিন কাউকে বুথ লুঠ করতে দেবেন না। তাঁর জন্য ঝাণ্ডার সঙ্গে মোটা মোটা ডাণ্ডা রাখন। কেউ বুথ লুঠ করতে এলে শায়েস্তা করুণ। পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে এক মাসের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেব।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরুপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলেক ১১ অগাস্ট সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। এখন তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। এবার গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি তলব করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলকে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এদিন জবাবে অসঙ্গতি মেলায় সুকন্যাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবরক্ষককে। ইডি সূত্রে খবর, বারে বারে ইডিকে বিভ্রান্তি করে চলেছিল সুকন্যা। তিনি নিজে নাকি টাকা পয়সার হিসেব রাখতেন। একধাক্কায় কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি? এই প্রশ্নের সঠিক জবাব তিনি দিতে পারেননি। শেষমেষ এদিন গ্রেফতার করা হয় সুকন্যাকে। আগামিকাল তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, ৫ দিনের হেফাজত চাইবে ইডি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, আইনি প্রক্রিয়ায় দল নাক গলাবে না{ তবে মাতৃহারা সুকন্যাকে বাইরে রেখে কি তদন্ত করা যেত না? বিজেপির প্রতিক্রিয়া, গরুপাচার কাণ্ডে জড়িত বলেই গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রত কন্যাকে। আগেই বলা হয়েছিল অভিযুক্ত কেউ ছাড়া পাবে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজনীতি

সিবিআইয়ের হানায় বেকায়দায়! বীরভূমে নয়া দলের ঘোষণা প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতির

শনিবার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের তল্লাশি, রবিবার অনুব্রত মন্ডলের জেলায় নয়া দল গঠন। এই দেশে যে কত কিছুই সম্ভব তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সারদা-কাণ্ডের তদন্তের সময় জোর জল্পনা ছিল মুকুল রায় নতুন দল গঠন করবেন। কিন্তু সেই রাস্তায় যেতে দেখা যায়নি তৎকালীন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। সোজা দিল্লি গিয়ে গেরুয়া উত্তরীয় পরেছিলেন মুকুল। কিন্তু এবার সিবিআইয়ের নজরে থাকা তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী নতুন দল গঠন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। রবিবার বিকেলে নলহাটির কৃষ্ণপুর গ্রামে তাঁর ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের আশ্রমেই নতুন দলের আত্মপ্রকাশ করেন। নতুন দলের নাম দেওয়া হয় সাড়া ভারত আর্য মহাসভা।নয়া দল ঘোষণার পর বিভাস চন্দ্র অধিকারী বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে কোন দলের ক্ষতি হবে বা কোন দলের লাভ হবে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে দলের মূল লক্ষ্য হবে আর্য ভারত গঠন। মানুষকে সঠিক দিশা দিতে দল কাজ করে যাবে। বিভাসবাবু জানান, কয়েক দিনের মধ্যে বীরভূম জেলায় একটা সভা করার পর কলকাতার বুকে সভা হবে।এদিনের বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। যাদের অধিকাংশই তৃণমূল কর্মী সমর্থক। তবে লাভ ক্ষতি ভাবতে চান না দলের নয়া সর্বভারতীয় সভাপতি বিভাস চন্দ্র অধিকারী। তিনি বলেন, আমাদের দলে যে কেউ আসতে পারে। আমরা কোন সম্প্রদায় নিয়ে দল করি না। ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র চেয়েছিলেন আর্য মহাসভা নামে দল গঠন হোক। যে দলের কাজ হবে মানুষকে সঠিক দিশা দেখানো। আমরা ঠাকুরের সেই ইচ্ছাকে সম্মান দিয়ে এগিয়ে যাব।

এপ্রিল ১৬, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েত ভোটের মুখে, লোকসভার এক বছর আগেই আসন জয়ের টার্গেট দিলেন অমিত শাহ

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ঝুলিতে এসেছিল ১৮টি আসন। তারপর বিগত বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপিকে লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল ২০০-এর বেশি আসনের। ৭৭-এ থেমে গিয়েছে অশ্বমেধের ঘোড়া। এবার ১ বছর আগে বঙ্গ বিজেপিকে টার্গেট দিয়ে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যে দুয়ারে পঞ্চায়েত ভোট। সামনের বছর ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। পঞ্চায়েত নিয়ে কোনও মনাথা ব্য়াথা নেই কেন্দ্রীয় বিজেপির। তাঁদের পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন। শুক্রবার বীরভূমের সিউড়িতে জনসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়ে দিলেন, ২০২৪ সালের ভোটে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির আসন জয়ের টার্গেট ৩৫। এই আসন বিজেপি পেলেই ২০২৫-এর মধ্যে পতন ঘটবে মমতা সরকারের। তপ্ত জেলায় শাহ ঘোষণায় রাজনৈতিক উত্তাপ যেন আরও বেড়ে যায়।গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের গড়ে অমিত শাহ বলেন, ২০২৪-এ বাংলা থেকে ৩৫ আসনে জিতিয়ে ফের মোদীজিকেই প্রধানমন্ত্রী বানান। আপনারা এই রাজ্য থেকে ৩৫-এর বেশি আসন লোকসভায় বিজেপিকে দিলেই ২৫-এর আগেই মমতা সরকারের পতন হয়ে যাবে। তাহলে আর ২৬ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না।বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে বরাবর সন্ত্রাসের অভিযোগ করে আসছে। বিশেষত বিধানসভা নির্বাচনের পর ঘাসফুল শিবিরের অত্য়াচারের মাত্রা বেড়ে যায় বলে অভিযোগ করে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মীদের খুন ও ঘরছাড়া করার অভিযোগও আছে মমতার দলের বিরুদ্ধে। শাহ বলেন, দিদির দাদাগিরির সামনে লড়াই করছেন বিজেপির বিধায়করা। বিজেপির এই লড়াইয়ের জন্যই আজ শাসক দলের নেতাকে জেলবন্দি করা সম্ভব হয়েছে। যাঁরা দুর্নীতিগ্রস্ত তাঁদের জেলে পাঠাতেই হবে। দিদি ভাইপোর শাসক দলের সন্ত্রাস থেকে মুক্ত করার একমাত্র রাস্তা হল বিজেপি, অনুপ্রবেশকারীদের আটকানোর একমাত্র রাস্তাও বিজেপি।সম্প্রতি রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের কিছু জায়গায় অশান্তি হয়েছে। হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষরা, উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় হিংসা হয়েছে{ অমিত শাহ বলেন, বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনুন, শান্তিপূর্ণভাবে রামনবমীর মিছিল বেরবে। অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে। বাংলায় তোষণের রাজনীতি চলছে, এটা চলতে দেওয়া যাবে না।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় যে কোনও ভাবেই মুখ্যমন্ত্রী হবে না, শাহবার্তা দিয়ে যান। তিনি বলেন, মমতাদি আপনি দেখছেন আগামিতে আপনার ভাইপো মুখ্যমন্ত্রী হবেন। কিন্তু বীরভূমের মাটি থেকে আমি বলে যাচ্ছি আগামী বিধানসভায় জিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি থেকেই কেউ হবেন। অমিত শাহর সভা শেষে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ওনার দল কতগুলি আসন ২০২৪ সালে পাবেন তা জানিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। শুধু বলব ওটা দূরাশা। তবে, ২৫-এ জনগণ দ্বারা নির্বাচিত মমতা সরকারের পতন হবে বলে বুঝিয়ে দিলেন চক্রান্ত চলছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৩
রাজ্য

সরানো হল অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মহম্মদবাজারের আইসিকে, তলব করা হয়েছিল গরুপাচার কাণ্ডে

বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার আইসি মহম্মদ আলিকে সরিয়ে দেওয়া হল। তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরে পাঠানো হয়েছে ডিইবি-তে। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে সরানো হয়েছে আলিকে।সম্প্রতি, গরুপাচার কাণ্ডে মহম্মদ আলির নাম জড়়িয়েছিল। এই আইসিকে তলবও করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ এই পুলিশ অফিসার। তিনি অনুব্রতর মামলার টাকার যোগানও দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর। তাঁকে তলব করায় পুলিশ মহলে কানাঘুষো চলছিল। এবার তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

এপ্রিল ১১, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

নতুন লুকে মডেল ও অভিনেত্রী মিতা মন্ডল

বাংলা সিনেমা জগত ও মডেলিং জগতের খুব পরিচিত নাম মিতা মন্ডল। মডেলিং থেকে অভিনয় দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী মডেল। নানা মিউজিক ভিডিও তে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। শুধু অভিনয় নয়, মডেলিং জগতে বেশ কিছু নামকরা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। আরো কিছু নামকরা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা যাবে তাকে।তবে অভিনেত্রী, মডেল মিতা মন্ডল জানান ভালো প্রজেক্টে ভালো চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করছি। যেখানে নিজের ভালো অভিনয় উপহার দিতে পারবো আমার দর্শকদের। কারণ ভালো চরিত্র পাওয়া প্রতিটি অভিনেত্রীর কাছে সবচেয়ে বড়ো পাওনা।

এপ্রিল ০১, ২০২৩
রাজ্য

সিট খোঁজা নিয়ে দুই স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে উত্তাল হরিশ্চন্দ্রপুর

পরীক্ষা কেন্দ্রের সিট খোঁজা নিয়েও সংঘর্ষ শনিবার দুই স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সিট নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ভিঙ্গল গ্রামের ভিঙ্গল হাইস্কুলে। শনিবার সকালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শুরুর কিছুক্ষণ আগেই এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। তাতে তিনজন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী গুরুতর জখম হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এই সংঘর্ষের খবর পেয়েই ভিঙ্গল হাইস্কুলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও দুই স্কুলের পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানায় মারধরের ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।উল্লেখ্য, শনিবার ছিল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার তৃতীয় দিন। এই স্কুলে সিট পড়েছে কনুয়া হাই মাদ্রাসা এবং চন্ডিপুর হাই স্কুলের ছাত্রদের। পরীক্ষা শুরুর আগে সিট খোঁজা নিয়ে দুই স্কুলের কয়েকজন ছাত্রের মধ্যেে ঝামেলা শুরু হয়। কনুয়া হাই মাদ্রাসার এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ চন্ডিপুর হাই স্কুলের ছাত্ররা তাদের এক ছাত্রকে প্রথমে মারধর করে। তারপরেই শুরু হয় ঝামেলা। এতে মাথা ফেটে যায় এক ছাত্রের। আরো দুইজন ছাত্র চোট আঘাত পেয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাথে সাথে পরিস্থিতির সামাল দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গজমেরের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে এসে পৌঁছায় পরীক্ষা কেন্দ্রে। পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় পরীক্ষা। ভিঙ্গল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র প্রসাদ সাহা জানিয়েছেন, সঠিক সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন আর কোনরকম অশান্তি হয় নি। তবে স্কুলের বাইরে গোলমাল হয়েছে তাই এই ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারব না।এদিকে পুলিশে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে দুটি স্কুলেরই সিট পড়েছে ভিঙ্গল হাইস্কুলে। এদিন ক্লাসে পরীক্ষার সিট খোঁজা নিয়েই প্রথমে কয়েকজন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। আর সেই থেকে ঝামেলার সূত্রপাত। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গজমের জানিয়েছেন, পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এবং সঠিক সময় পরীক্ষা শুরু হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে

মার্চ ১৮, ২০২৩
রাজ্য

কালিঘাটের কাকু সিবিআইতে, কুন্তলের স্ত্রী ইডিতে, দিল্লির হাজিরা এড়ালেন অনুব্রত কন্যা

শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে এবার সিবিআইয়ের তলবে নিজাম প্যালেসে হাজির হয়েছেন কালিঘাটের কাকু তথা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। একইদিনে ইডির তলবে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষ। অন্যদিকে মনীশ কোঠারিকে ৬ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে দিল্লির আদালত। তাঁকে গতকাল হাসতে দেখা গেলেও এদিন চোখে জল দেখা যায় মনীশের। তবে ইডি তলব করলেও এদিন দিল্লি যাননি অনুব্রত কন্য়া সুকন্যা মন্ডল। তা তিনি মেইল করে জানিয়ে দেন ইডিকে। এদিন নিজাম প্যালেসে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে তিন ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। গোপাল দলপতি ও তাপস মন্ডল সুজয়কৃষ্ণ ঘোষের নাম করে। তাঁরা তাঁকে কালীঘাটের কাকু বলে সম্বোধন করেছিল। এদিন দুজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সিবিআই দফতরে আসেন কালিঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ। তিনি বলেন, কেন সিবিআই ডাকল জানি না। একটা ছোট্ট কাগজে নোটিস দিয়েছে চলে এসেছি। স্ত্রী অসুস্থ তাও এসেছি। তা সত্বেও তো বলবে সহযোগিতা করছি না।

মার্চ ১৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

সিনেমা, মডেলিং জগতে নতুন জনপ্রিয় মুখ মাম মন্ডল

বাংলা সিনেমা জগত ও মডেলিং জগতের নতুন নাম মাম মন্ডল। নানা মিউজিক ভিডিও তে নানান চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে। মিউজিক ভিডিওতে বেশ জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। দর্শকদের মনে এক অনন্য জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী, মডেল মাম মন্ডল।অন্যদিকে বেশ নাম করা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শ্যুটে আলাদা আলাদা লুকে তাকে দেখা গিয়েছে। দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন। তবে বর্তমানে ভালো প্রজেক্টের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন অভিনেত্রী মডেল মাম মন্ডল। অভিনেত্রী মাম মন্ডল জানান ভালো প্রজেক্টে ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। যেখানে নিজের অভিনয় দক্ষতা দেখানোর জায়গা পাবো। যার জন্য অপেক্ষা করছি, ভালো প্রজেক্ট পেলে অবশ্যই ভালো অভিনয় আমার দর্শকদের উপহার দেবো। সাথে মডেলিং টাও করতে চাই।

জানুয়ারি ২১, ২০২৩
রাজ্য

'সিনেমার জন্য দেব হয়েছি, রাজনীতির জন্য নয়,' মিঠুনদার সঙ্গে ফের সিনেমা করবঃ সাংসদ অভিনেতা

নন্দনে জায়গা হয়নি মিঠুন ও দেব অভিনীত সিনেমা প্রজাপতি। তা নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মিঠুন বিজেপি নেতা ও দেব তথা দীপক অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সাসংদ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি করেন বলেই নন্দনে জায়গা পায়নি প্রজাপতি। এদিকে এদিন এক সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেব। এই প্রসঙ্গে দেব বলেছেন, আমার কাছে সিনেমা আগে। রাজনীতির জন্য নয়, আমি সিনেমার জন্য দেব হয়েছি। প্রয়োজনে হলে আবার মিঠুনকে নিয়ে সিনেমা করব।এদিন ছিল দেবের জন্ম দিন। টলিউডের অভিনেতা বলেন, প্রজাপতি মানুষ শুধু দেখছে না অন্যদের দেখতে বলছে। নন্দনে শো পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই। তবে কম পয়সায় নন্দনে সিনেমা দেখতে পারতেন মানুষজন। মিঠুন আছেন বলে নন্দনে স্থান পায়নি প্রজাপতি। এই প্রসঙ্গে দেব বলেন, এরপরেও যদি স্ক্রিপ্ট আসে তাহলে ফের তাঁকে নিয়ে সিনেমা করব। আমি কোনও দিন সিনেমার মধ্যে রাজনীতি করিনি, রাজনীতিতে সিনেমা আনিনি। সিনেমা করতে গিয়ে রাজনীতির ক্ষমতা দেখায়নি। আমি ব্যালেন্স করেছি। ছবি ও সিনেমা আমার প্রথম থেকে ভাললাগা, ভালবাসা। সিনেমার জন্য আজ দেব হয়েছি। রাজনীতির জন্য নয়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 18
  • 19
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা, শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া! তিন দিন পরেই ভারত-পাকিস্তান মহারণ

২০২৭ সালের পুরুষদের এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়ায় বসবে এবারের ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ। প্রতিযোগিতা শুরু হবে ২ অক্টোবর এবং ফাইনাল হবে ২১ নভেম্বর। মোট ১৪টি দলকে নিয়ে হবে ৫৭টি ম্যাচ।এবারের বিশ্বকাপের শুরুটাই হবে অন্য রকম। ১৪টি দলের মধ্যে তিনটি দলকে নিয়ে প্রথমে হবে একটি বিশেষ সুপার সিরিজ। সেই পর্বের তিনটি ম্যাচ হবে ২, ৪ এবং ৬ অক্টোবর নামিবিয়ার উইন্ডহোকে। এই পর্বের শীর্ষে থাকা দল মূল গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেবে।এর পর ১২টি দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল। ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, জিম্বাবোয়ে এবং একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল। অন্য গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং আরও একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল।ভারতের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ৭ অক্টোবর। প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। ম্যাচটি হবে কেপটাউনে। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালের পর আবারও বড় মঞ্চে মুখোমুখি হবে দুই দল।তার পরেই ক্রিকেটপ্রেমীদের বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। অর্থাৎ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শুরু হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান মহারণ।ভারতের তৃতীয় ম্যাচ ১৪ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ হবে ত্শোয়ানে। এরপর ১৭ অক্টোবর যোগ্যতা অর্জনকারী একটি দলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ ২৪ অক্টোবর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচটি হবে ভিক্টোরিয়া ফলসে।এবারের প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি হল নতুন ফরম্যাট। গত কয়েকটি বিশ্বকাপের মতো সরাসরি একটি দীর্ঘ গ্রুপ পর্বের পর সেমিফাইনালে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে না। প্রথমে হবে তিন দলের সুপার সিরিজ। তার পর ১২ দলের গ্রুপ পর্ব এবং শেষে সাত দলের সুপার সেভেন পর্ব।দুই গ্রুপের প্রথম তিনটি করে দল সরাসরি সুপার সেভেনে যাবে। পাশাপাশি দুই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে যে দল তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে থাকবে, সেই দলও পরের পর্বে জায়গা পাবে। ফলে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে।সুপার সেভেনে মোট সাতটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। এই পর্বে গ্রুপ পর্বের কোনও পয়েন্ট বহন করা হবে না। ২৫ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সুপার সেভেনের ম্যাচগুলি। এই পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার প্রথম চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে।সেমিফাইনাল হবে ১৭ এবং ১৮ নভেম্বর। প্রথম সেমিফাইনাল হবে কেপটাউনে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ত্শোয়ানে। ২১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। প্রয়োজনে ২২ নভেম্বর রাখা হয়েছে ফাইনালের সংরক্ষিত দিন।এবারের বিশ্বকাপ যৌথ ভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং নামিবিয়া। মোট ১২টি মাঠে হবে ৫৭টি ম্যাচ। আফ্রিকার মাটিতে ২৪ বছর পর ফিরছে পুরুষদের এক দিনের বিশ্বকাপ।সব মিলিয়ে ভারতের জন্য বিশ্বকাপের শুরুতেই অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তানের মতো বড় প্রতিপক্ষ। তার পর আফগানিস্তান, একটি যোগ্যতা অর্জনকারী দল এবং জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের লড়াই। নতুন ফরম্যাটে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব থাকায় শুরু থেকেই ভারতীয় দলের সামনে বড় পরীক্ষা হতে চলেছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
বিদেশ

বিমানের ককপিটে কেন হামলা? স্মিত মচ্ছরকে ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে কী, মুখ খুললেন নেতানিয়াহু

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ককপিটের ভিতরে সহ-পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। হামলার জেরে বিমানটি আচমকা উচ্চতা হারাতে শুরু করে। পরে যাত্রী ও বিমানের কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিমানটিকে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। বিমানে থাকা ১৭৪ জন যাত্রী নিরাপদে রক্ষা পান।ঘটনার পর ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরকে সাহসিকতার জন্য প্রশংসা করেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, গুরুতর আহত অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এরপর যাত্রী ও বিমানের কর্মীরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন। এই ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।বৃহস্পতিবার হামলার নেপথ্যের কারণ নিয়ে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত সহ-পাইলট ইসলামপন্থী ও উগ্র মতাদর্শে দীক্ষিত ছিলেন। তবে তাঁকে কে বা কারা এই মতাদর্শে প্রভাবিত করেছিল, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই বলেও জানান নেতানিয়াহু। কোনও নির্দিষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে অভিযুক্তের যোগ রয়েছে কি না, সেটিও এখনও নিশ্চিত হয়নি।নেতানিয়াহু আরও জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্তে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে ইজরায়েল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তকারীরা হামলার আসল কারণ এবং এর পিছনে কোনও পরিকল্পনা বা সংগঠিত যোগ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষও ঘটনার পরিস্থিতি, উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী যোগের বিষয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে।ঘটনার সময় বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বিমানটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ হাজার ফুটে নেমে যায়। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফেরানো সম্ভব হয় এবং তাবুকে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করা হয়।ঘটনার পর সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আহত স্মিত মচ্ছরকে তাবুকের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং প্রাথমিক ভাবে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে ৯/১১-এর মতো বিমান হামলার তুলনা করেছেন নেতানিয়াহু এবং অন্য কয়েক জন। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্তের মতাদর্শগত যোগ এবং ঘটনার আগে কোনও পরিকল্পনা ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলির চূড়ান্ত উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তাই হামলাটিকে নির্দিষ্ট কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের পরিকল্পনা হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সরকারি তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে। ঘটনাটির পর ইজরায়েলগামী বিমানের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ইজরায়েলে যাতায়াতকারী পাইলটদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যাচাই আরও কঠোর করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, মাঝ আকাশে ককপিটে হামলার ঘটনায় বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা অল্পের জন্য এড়ানো গিয়েছে। ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের ভূমিকা নিয়ে প্রশংসা হলেও, হামলার আসল উদ্দেশ্য এবং এর পিছনে কারও সংগঠিত ভূমিকা ছিল কি না, তা এখনও তদন্তের বিষয়। তদন্ত শেষ হলেই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি আরও স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসের টাকা কোথায় গেল? ইডির জেরায় ইন্দ্রনীল, মমতার অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ পাঠানোর দাবি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর পাস বিক্রিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তের সূত্র ধরে তাঁর সংস্থা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেনের দাবি সামনে এনেছে ইডি। তবে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য, ওই টাকা রয়্যালটি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। ফলে লেনদেনটির প্রকৃতি নিয়ে তদন্ত চলছে।ইডির দাবি, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগের আওতায় রয়েছে ম্যাসআর্ট নামে একটি সংস্থা। এই সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী মধুচ্ছন্দা সেন-সহ আরও কয়েক জনের নাম জড়িয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং পাসের নামে কয়েক বছর ধরে বিপুল পরিমাণ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই অর্থের একটি অংশ ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।তদন্তকারীদের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার সরকারি কাজ বা টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। এই টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইডির বক্তব্য অনুযায়ী, ইন্দ্রনীলের মালিকানাধীন অক্টেভ রেকর্ডস-এর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি ৮০ লক্ষ টাকারও বেশি জমা পড়েছিল। পরে ওই অ্যাকাউন্ট থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে ৩০ লক্ষ টাকা পাঠানো হয় বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন।ওই ৩০ লক্ষ টাকার লেনদেন সম্পর্কে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্যও প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো টাকা রয়্যালটি বাবদ দেওয়া হয়েছিল। ফলে ওই অর্থের উৎস, কারণ এবং পুজোর পাসের টাকা সংক্রান্ত অভিযোগের সঙ্গে এর কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের অংশ হয়ে উঠেছে।এর আগে মঙ্গলবার ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি-সহ একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় ইডি। তাঁর আত্মীয় ও সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ঠিকানাতেও অভিযান হয়। সিঙ্গুরে তাঁর বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা পৌঁছেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রায় ১৫টি ঠিকানায় এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।তল্লাশি অভিযানের পর বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন ইন্দ্রনীল সেন। সেখানে তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেন তদন্তকারীরা। পুজোর পাস, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে টাকার আদানপ্রদান নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ইডির তদন্তে আরও অভিযোগ উঠেছে, দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শোয়ের পাস সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। এই অভিযোগের সত্যতা এবং ওই অর্থের পরবর্তী গতিপথ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং ইডির উত্থাপিত অভিযোগগুলি আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এই মামলায় আগামী দিনে আরও কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে তদন্তের গতিপ্রকৃতি থেকে ইঙ্গিত মিলছে। পুজোর পাস থেকে সংগৃহীত অর্থ কোথায় গিয়েছে, সরকারি টেন্ডারের সঙ্গে সেই অর্থের কোনও যোগ রয়েছে কি না এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের প্রকৃতি কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা। এদিকে ইন্দ্রনীল সেনের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে পাঠানো ৩০ লক্ষ টাকা ছিল রয়্যালটি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই লেনদেন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘সবাইকে নিয়ে আসুন, শুধু ব্যাগেজটা বাদ’! মমতাকে অধীরের বার্তা ঘিরে নতুন চর্চা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কংগ্রেসে ফিরে আসার আহ্বান জানালেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার তাঁর বক্তব্য, মমতা তাঁর সঙ্গে থাকা সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে কংগ্রেসে ফিরলে তাঁকে বাংলায় নেতৃত্ব দিতে আপত্তি নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি ব্যাগেজ বাদ দিয়ে আসার কথা বলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই ব্যাগেজ মন্তব্যকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।অধীরের বক্তব্যের আগে অবশ্য বাংলার রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থীকে সরিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন মমতা। পরে দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠকেও তাঁকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা যায়। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে কংগ্রেস ও মমতার সম্পর্ক নিয়ে তাই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অধীর বলেন, মমতা তাঁর সমস্ত সাংসদ ও বিধায়ককে নিয়ে কংগ্রেসের ছাতার নিচে এলে তিনি সেই নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের মতো বড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মমতা বাংলায় নেতৃত্ব দিলে তাঁর আপত্তি নেই। তবে মমতার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ বাদ দেওয়ার শর্তও তিনি উল্লেখ করেন।অধীরের এই বক্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ সামনে এসেছে। কারণ অতীতে অভিষেক ও অধীরের মধ্যে একাধিক রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গিয়েছে। যদিও ব্যাগেজ বলতে অধীর নির্দিষ্ট করে কারও নাম করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্যের ওই অংশকে অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছে বিভিন্ন মহল।মমতার সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের ইতিহাসও দীর্ঘ। তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের আগে মমতা দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে পৃথক দল তৈরি করে তিনি বাংলার রাজনীতিতে নিজের রাজনৈতিক পরিসর তৈরি করেন। এখন আবার কংগ্রেসে ফেরার আহ্বান সামনে আসায় সেই পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।এই পরিস্থিতিতে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করেছেন। মিলন প্রধানকে একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় এবং নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সুপ্রিম কোর্টেও ওই জামিনের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের আবেদনের শুনানি হয়েছে।তবে অধীরের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক দলীয় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রস্তাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের তরফে এই প্রস্তাব গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে এসেছে কি না, সেটিও আলাদা বিষয়।অধীরের বক্তব্যের পর এখন নজর থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ার দিকে। একই সঙ্গে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এই প্রস্তাব নিয়ে কী অবস্থান নেয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে মমতা-কংগ্রেস সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায় ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘মৃত্যুকামনা করিনি’, শুভেন্দুর আক্রমণের পর সুর বদল হুমায়ুনের! রেজিনগরে তুঙ্গে তরজা

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। হুমায়ুনের কয়েক দিন আগের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বৃহস্পতিবার রেজিনগরের প্রচারসভা থেকে তাঁকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা হুমায়ুন দাবি করেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করেননি এবং তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মৃত্যু চাননি। তাঁর দাবি, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অত্যাচারের অবসানের কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, যাঁরা একতরফাভাবে অত্যাচার ও জুলুম চালান, তাঁদের পতন ইতিহাসে বার বার দেখা গিয়েছে। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রেও সেই কথা প্রযোজ্য বলে দাবি করেন তিনি।হুমায়ুন আরও দাবি করেন, তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অন্য ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু চাননি। বরং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন।এর আগে হুমায়ুনের বক্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য প্রার্থনার কথা উঠে আসে। সেই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের হয়েছিল।বৃহস্পতিবার রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে সেই বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক লড়াইয়ে মতবিরোধ, তর্ক এবং সমালোচনা থাকতেই পারে। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মৃত্যু কামনা করার মতো ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, হুমায়ুন যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তার বিচার রেজিনগরের মানুষের উপর ছেড়ে দিচ্ছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক লড়াইয়ে শেষ কথা বলবেন ভোটাররাই। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।হুমায়ুন অবশ্য শুভেন্দুর আক্রমণের জবাবে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই পাল্টা অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বললেই অত্যাচারের মুখে পড়তে হয়। নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি অত্যাচারীর পতনের কথা বলেছেন, কোনও ব্যক্তির মৃত্যুকামনা করেননি।রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে দুই নেতার এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এক দিকে শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুনের আগের বক্তব্যকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, অন্য দিকে হুমায়ুন নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে মৃত্যুকামনার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে ভোটের আগে এই বিতর্ক প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক চাপানউতোর ভোটের প্রচারে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
কলকাতা

এত বছর চলল নমাজ, এখন নিরাপত্তার প্রশ্ন কেন? বিমানবন্দর মসজিদ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত হাই কোর্টের

কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে একটি মসজিদে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নমাজ পড়ার ব্যবস্থা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু গত ১১ জুলাই থেকে সেখানে নমাজ পড়া বন্ধ রয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মামলাকারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ধর্মাচরণের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হয়। বৃহস্পতিবার মামলাটির শুনানিতে সওয়াল-জবাব হলেও আপাতত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ।মামলাকারীর আইনজীবী কিশোর দত্ত আদালতে জানান, বিমানবন্দর সংলগ্ন ওই মসজিদে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে নমাজ পড়া হয়ে আসছে। তাঁর দাবি, এত দীর্ঘ সময়ে সেখানে নমাজ পড়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কোনও সমস্যা হয়নি। তাহলে এখন কেন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নমাজ বন্ধ করা হল, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।আইনজীবীর বক্তব্য, কলকাতা বিমানবন্দরের আট নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে ওই মসজিদে নমাজ পড়তে যেতে হত। বর্তমানে সেই প্রবেশের ব্যবস্থাই বন্ধ রয়েছে। তাঁর দাবি, ওই জমি এখনও অধিগ্রহণ করা হয়নি। তাই একেবারে নমাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।কিশোর দত্ত আদালতে আরও বলেন, ধর্মীয় প্রার্থনা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ম মেনে অন্তত ওই মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই আপাতত নমাজ পড়ার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।এই মসজিদকে ঘিরে নিরাপত্তার প্রশ্ন অবশ্য নতুন নয়। বিমানবন্দর সম্প্রসারণ এবং দ্বিতীয় রানওয়ের সঙ্গে মসজিদের অবস্থান নিয়ে এর আগেও আলোচনা হয়েছে। মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে রয়েছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার নিয়ে আপত্তির কথাও আগে প্রকাশ্যে এসেছে।এর আগে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, সরকার কাউকে ধর্মপালনে বাধা দিচ্ছে না। তবে জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলে তাঁর বক্তব্য ছিল।এখন হাই কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে। দীর্ঘদিনের ধর্মাচরণের ব্যবস্থা ফের চালু হবে কি না, নাকি বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরবর্তী আদালতীয় প্রক্রিয়াতেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণা থেকে আবাস, কৃষি থেকে শিক্ষাশ্রী! শুক্রবার থেকেই ২০ প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারবেন

পুজোর মরসুমের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্প ও পরিষেবার সুবিধা আরও সহজে পৌঁছে দিতে শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তিন দিনের বিশেষ সেবা সেতু অভিযান। ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর এই শিবির চলবে। কলকাতার ১৬টি বরো এবং রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক ও পুর এলাকায় এই পরিষেবা শিবির আয়োজন করা হচ্ছে।এই শিবিরে একাধিক সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, প্রধানমন্ত্রী কিষান ক্রেডিট কার্ড, প্রধানমন্ত্রী কিষান স্বনিধি-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য জানার পাশাপাশি যোগ্য ব্যক্তিরা নতুন করে আবেদনও করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিবির চলার কথা। বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। একাধিক ব্যাঙ্কের তরফেও কাউন্টার খোলার ব্যবস্থা থাকবে। ফলে সরকারি প্রকল্পের আবেদন বা পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সাধারণ মানুষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন।কলকাতায় প্রতি দুটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে বিশেষ সহায়তা শিবির খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা নিজেদের কাছাকাছি শিবিরে গিয়ে সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য নিতে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এবারের সেবা সেতু অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য হল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অনেকের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় তাঁরা অনেক সময় আবেদন করতে পারেন না। সেই সমস্যা কমাতেই একই জায়গায় বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শিবিরে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে পারে বলে আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করতে অনেক মানুষ আসতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি ভিড় সামলানোর দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।কলকাতার প্রতিটি শিবিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার জন্য লালবাজারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তিন দিনই শিবিরগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের কাউন্টারে যাতে ভিড়ের কারণে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়, সে দিকেও নজর থাকবে প্রশাসনের।সাম্প্রতিক সরকারি কর্মসূচির নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেবা সেতু অভিযান সেবা সংকল্প অভিযান-এর একটি অংশ। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বৃহত্তর কর্মসূচির আওতায় ২ থেকে ৪ অক্টোবর জনকল্যাণমূলক পরিষেবা শিবির আয়োজনের কথা রয়েছে।ফলে সরকারি প্রকল্পে নতুন করে আবেদন করতে চান বা কোনও প্রকল্পের পরিষেবা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, এমন মানুষের জন্য ২ থেকে ৪ অক্টোবরের এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিজের এলাকার শিবিরের নির্দিষ্ট স্থান ও সময় স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারি তথ্যসূত্র থেকে যাচাই করে নিয়ে সেখানে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

অক্টোবর ০১, ২০২৬
দেশ

চার অ্যাকাউন্টে ৮০৪ কোটি, চাওয়া হয়েছিল ব্যবহারের অনুমতি! সুপ্রিম কোর্টে কী হল তৃণমূলের?

তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল টাকা ব্যবহার করা নিয়ে ফের আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরের চারটি ফ্রিজ করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালানোর অনুমতি চেয়ে করা আবেদন বৃহস্পতিবার খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি। একই সঙ্গে হাই কোর্টকে মামলাটির দ্রুত শুনানি করতে অনুরোধ করেছে শীর্ষ আদালত।চারটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলির টাকা ব্যবহার করার অনুমতি চেয়েছিল মমতা শিবির। দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং সামনে থাকা নির্বাচনী কর্মসূচির জন্য অর্থের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাদের পক্ষের আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন। প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা প্রয়োজন বলেও তৃণমূল শিবিরের তরফে জানানো হয়েছিল।মমতা শিবিরের হয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আদালতে দাবি করেন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ায় দলের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। কর্মীদের বেতন, দফতরের খরচ এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কাজ চালাতে অর্থ প্রয়োজন বলেও তিনি জানান। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনের সময় দলের আরও বেশি খরচ হয়।এর আগে কলকাতা হাই কোর্ট চারটি অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি চালানোর অনুমতি দেয়নি। গত অগস্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, আগের নির্দেশ অনুযায়ী বিশেষ আধিকারিকের মাধ্যমে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে চারটি অ্যাকাউন্ট আলাদা করে চালানোর অনুমতি দিলে আগের নির্দেশই কার্যত অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। তাই ওই পর্যায়ে অতিরিক্ত অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়া হয়নি।বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় মমতা শিবির। কিন্তু বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। আদালত মামলার মূল অভিযোগের সত্যতা বা অ্যাকাউন্টের টাকার চূড়ান্ত অধিকার কার, সেই প্রশ্নেরও নিষ্পত্তি করেনি। বরং কলকাতা হাই কোর্টকে দ্রুত শুনানির অনুরোধ করেছে।এই মামলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কোন পক্ষ দলটির সম্পদ ও ব্যাঙ্কের টাকার উপর অধিকার রাখবে, সেই বৃহত্তর প্রশ্নের নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। সুপ্রিম কোর্টও জানিয়েছে, এই বিরোধের মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত টাকার অধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে, মামলায় সরকারি পক্ষের তরফে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আগের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকটি সংস্থা ও ব্যক্তির কাছ থেকে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা বা স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ এখনও তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। আদালত বৃহস্পতিবার এই অভিযোগগুলির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।এর আগে তিনটি অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে কলকাতা হাই কোর্ট বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করে দলের দৈনন্দিন খরচ চালানোর ব্যবস্থা করেছিল। সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে করা আবেদনেও সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি। ফলে বর্তমানে চারটি অ্যাকাউন্টের প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা সরাসরি ব্যবহার করার অনুমতি মমতা শিবির পেল না।তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, তারা মামলার মূল মেরিটে প্রবেশ করছে না। অর্থাৎ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ বেআইনি কি না, কার অধিকার রয়েছে বা তদন্তে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটাএসব প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এই শুনানিতে হয়নি। এখন কলকাতা হাই কোর্টে মূল মামলার দ্রুত শুনানির দিকেই নজর থাকবে।

অক্টোবর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal