• ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ০৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Morning Walk

রাজ্য

ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে সন্দেশখালি সহ নানা প্রশ্নের খোলামেলা জবাব দিলীপ ঘোষের

সন্দেশখালি কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে?ওই জায়গা কোনওদিন কন্ট্রোলে ছিলই না। আজ পুলিশ আধিকারিক এবং তৃণমূলের নেতারা যাচ্ছেন। বছরের পর বছর ওখানে অত্যাচার হয়েছে। কেউ খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন? আজ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। তাঁরা রাস্তায় নেমেছেন। রাজীব কুমার গিয়ে বলছেন ৮ দিনে ঠিক করে দেব। এরকম কত ৮ দিন চলে গিয়েছে। ঠিক করেন নি কেন? কোথায় ছিলেন? দিনের পর দিন ধর্ষণ অত্যাচার হয়েছে। থানায় গিয়ে ফিরে এসেছেন। অভিযোগ নেওয়া হয়নি। পঞ্চায়েতে ভোট লুঠ হয়েছে। ভেরি দখল হয়েছে। পুলিশ অভিযোগকারীদের থানা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যে সন্দেশখালির মতো এরকম বহু জায়গা আছে। এটা কি দ্বিতীয় নন্দীগ্রাম?নন্দীগ্রাম একটা গেম চেঞ্জার ছিল। এটা দেখেও বহু মানুষ প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে পাবেন। নন্দীগ্রামের মতো পরিস্থিতি অনেক জায়গায় তৈরি হবে। সাধারণ মানুষ নিজের হাতে ঝাণ্ডা তুলে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিচ্ছেন। তারা এখন কোনও পার্টিকেও খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। মানুষকে নিজের রাস্তা নিজেই খুঁজে নিতে হচ্ছে। বিজেপির সব নেতা সন্দেশখালি যেতে মরিয়া কেন?রাজ্যে এরকম বহু এলাকা আছে যেখানে একেকজন মুসলিম গুন্ডাকে নেতা বানানো হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম শেখ শাহাজাহান। দক্ষিণ এবং উত্তর ২৪ পরগনা। নদিয়া। মালদা। মুর্শিদাবাদ। যারা মাফিয়া ছিল তারা নেতা হয়ে গেছে। তারা হাতেখড়ি করেছে সিপিএম আমলে। পরে তৃণমূলের হাত ধরেছে। পঞ্চায়েতের সমস্ত সিট ওদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। স্মাগলার, যারা গরু, কয়লা, ফেনসিডিল, সোনা এগুলো পাচার করে। একটা লোক এমন নয় যে ঠিকঠাক আছে। তারাই তৃণমূলের কিং পিন। তারাই টাকা দেয়। তারাই ভোট করায়। তৃণমূল দলটা এদের ওপরেই দাঁড়িয়ে আছে। তাদের গায়ে হাত পড়ে না। এমন সব জায়গা যেখানে ইডি, সিবিআই চট করে গিয়ে কিছু করতেও পারবে না। মানুষ বুঝেছে তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি, মান-সম্মান রক্ষা করতে গেলে তাদেরকেই রাস্তায় নামতে হবে। ডিজি রাজিব কুমারের সেদিনের রহস্যে ঢাকা মধ্যরাতের লঞ্চ সফরলোকেট করতে গেছিল? নাকি শাহজাহানের সঙ্গে দেখা করতে গেছিল? উনি নিজে কীভাবে কোর্ট এবং সিবিআই এর হাত থেকে লুকিয়ে ছিলেন সেই ট্রেনিং দিতে গেছিলেন। শাহজাহানের গায়ে কেউ হাত দেবে না। বলেছে ভরসা রাখুন? কোন পুলিশের ওপর মানুষ ভরসা রাখবে? জমি কেড়ে নিয়ে নোনা জল ঢুকিয়ে ভেরি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। সেই পুলিশের ওপর কে ভরসা রাখবে? মার্চে রাজ্যে মোদীগত নির্বাচনে ওরা ৪২ টা পাওয়ার দাবি করেছিল। ২২ এ নেমেছিলেন। এবার আগে ঘর সামলান। অন্য দিকে তৃণমূলকে তাকাতে হবে না। যা শুরু হয়েছে এমনিতেই ওরা খালি হয়ে যাবে। ২২ টা রাখতে পারবেন? কেউ বলছে ১৯, কেউ ১৫। আমার তো মনে হয় আরও এক ডজন সিট কমে যাবে। বিজেপি মহিলা মোর্চা ভোজেরহাটে রুদ্ধ। আটক লকেট।তৃণমূল ভয় পেয়েছে। পুলিশ ভয় পেয়েছে। কারণ, ভিতরে সাধারণ মানুষ আন্দোলন শুরু করেছে। তাদের সাহস বেড়েছে। তারা পুলিশকে ঢুকতে দিচ্ছে না। পুলিশ হাত জোর করছে। চোখ রাঙাচ্ছে। ফল হচ্ছে না। বাকি যারা তাদের পাশে দাঁড়াতে ওখানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের আটকানোর চেষ্টা চলছে। বিজেপি শুরু করেছিল। তারপর বাকি বিরোধীরা যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সমস্ত কমিশন গেছে। কিছু একটা লুকোনোর চেষ্টা চলছে। মহিলার পায়ের ওপর দিয়ে পুলিশের গাড়িপুলিশ কি স্বীকার বা অস্বীকার করল তাতে এখন আর কিছু যায় আসে না। পুলিশকে এখন ওখানে কেউ পাত্তা দিচ্ছে না। চাকরি বাঁচাতে পুলিশকে ওখানে যেতে হচ্ছে। ওখানে পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের যাওয়া উচিৎ। উনি ৫০০ টাকা দিয়ে সমর্থন কিনে নিয়েছেন। তাহলে তো ওখানে যাওয়া উচিৎ ওনার। উনি গিয়ে বলুন, আমি আছি চিন্তা নেই। কিন্তু ওনার যাওয়ার হিম্মত নেই। অভিষেক যাবেন ১০ তারিখওকে কে পাত্তা দেয়। দুধের ছেলেকে কেউ পাত্তা দেয়। দুধের বোতল নিয়ে রাজনীতি করছেন। উনি তৃণমূলের জন্য বড় নেতা হতে পারেন। যারা তৃণমূলের মাধ্যমে করে খায় তাদের জন্য উনি বড় নেতা। কিন্তু বাকি পশ্চিমবঙ্গের কে পোছে ওনাকে? কি অবদান ওনার? কি যায় আসে? রাজ্যের বকেয়া মেটাক কেন্দ্র : কুনাল ঘোষএকটা বাচ্চাকেও বাড়ির বাজার করতে দিয়ে আমরা হিসেব চাই। এটা বোঝে না তৃণমূল? চুরি করতে করতে এই বুদ্ধিও লোপ পেয়ে গেছে? আগে হিসেব দিন। অন্য রাজ্যকে নিয়ে তো সমস্যা হয় না। এখানে সব ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত চোর। আগে তো টাকার হিসেব দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের দুর্ভাগ্য, তারা চোরদের চয়ন করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
কলকাতা

Dilip Ghosh: ত্রিপুরায় তৃণমূলের আন্দোলন নিয়ে খোঁচা দিলীপের

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যকলাপ নিয়ে ফের মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, পুরভোটের আগে নেতৃত্বের চোখে পড়ার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।পুরভোটের আগে তৃণমূলের নেতারা খবরের শিরোনামে আসতে চাইছেন বলে মনে করেন দিলীপ। তিনি বলেছেন, ভোট আসছে। কেউ টিকিটের চেষ্টা করছেন তো কেউ পদের। খবরের শিরোনামে আসার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি চলছে নেতাদের চোখে পড়ার চেষ্টা। এখন এ রকম কিছু দিন চলবে।দিলীপের এই কথার প্রতিবাদে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেছেন, দিলীপবাবুরা ভোটের আগে লাইমলাইটে থাকার জন্য গোলমাল করতেন। উনি নিজেও সে কথা বলছিলেন। সে সব করেও লাভ কিছু হয়নি। তাই আবার এ সব বলছেন। যদি একটু প্রচারের আলোয় আসা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: উপনির্বাচন নিয়ে ফের তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ

ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ শানালেন দিলীপ। ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, আগে ভাগে প্রার্থী দিলেই কি ভোটে জেতা যায়? ওনারা তো দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। কী হল? আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন। দু মাস আগে থেকে প্রার্থী দিয়েছিলেন। অথচ ফলাফল তো দেখে নিয়েছে সকলেই। লড়াই করেন, দৌড়োদৌড়ি করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ লোকসভাতেও আগে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তারপর ঝটকাটা খেলেন। নির্বাচনটা তো মাঠে হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে কী করে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যে কোনও সময়ই প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বুধবার ত্রিপুরায় সিপিএমের বিভিন্ন কার্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, এখান থেকে নেতা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এখান থেকে মিডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে যোগদান করানো হচ্ছে। ওখানে উৎপাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ওখানকার লোকজন এটা পছন্দ করছে না।একই সঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ আবারও শুধুমাত্র ভবানীপুরে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। আদালতই যা বিচার করার করবে। সমস্ত দিক গুলো আলোচনা হবে। অন্যান্য রাজ্যেও তো উপনির্বাচন। তারা এখন বলছে উপনির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই। পশ্চিমবঙ্গে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে না। কলকাতা সব সময় স্পর্শকাতর। যারা বিধানসভা নির্বাচনে চেঁচিয়ে বলেছিল, করোনার মধ্যে ভোট হলে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হচ্ছে, তারা এখন সে সব ভুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে রাখার জন্য অন্য কথা বলছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান, তা হলে কি সংকট তৈরি হবে না? তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ জানতে চাইছেন নির্বাচন কমিশন কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাউকে বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী করা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব না।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Commissioner of Police: পুলিশ কমিশনারের সচেতনতার পাঠ

প্রাতঃভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে সাতসকালে ময়দানে পৌঁছে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার সোমেন মিত্র। সঙ্গে ছিলেন, গোয়েন্দা প্রধান মুরলীধর শর্মা এবং ডিসি সাউথ আকাশ মাঘরিয়া। আগাম কোনও খবর ছাড়াই সাদা পোশাকে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালসহ ময়দান এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন তাঁরা। নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তব চেহারা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই সারপ্রাইজ ভিজিট বলে দাবি কলকাতা পুলিশের।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় স্বস্তি, পাহাড়ে অস্বস্তিপ্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিনকয়েক আগে ছিনতাইবাজদের হামলার শিকার হন এক ব্যক্তি। খাস কলকাতায় সাতসকালে এমন দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অন্যান্যরা। তবে তারপর থেকে কড়া পুলিশি প্রহরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে এবার ময়দানে কলকাতা পুলিশের শীর্ষকর্তারা।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকরবিবার ভোর পাঁচটায় আচমকাই সাইকেল চালিয়ে সাদা পোশাক পরে ময়দানে আসেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গোয়েন্দা প্রধান মুরলিধর শর্মা এবং ডিসি সাউথ আকাশ মাঘারিয়া। প্রাতঃভ্রমণকারীরা আদৌ ছিনতাইবাজদের নিয়ে কতটা আতঙ্কিত তা খতিয়ে দেখেন তাঁরা। প্রাতঃভ্রমণকারীদের নিরাপত্তাই বা কতটা সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখেন পুলিশকর্তারা। কলকাতা পুলিশের তরফে যদিও ময়দান এলাকার নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সকাল থেকেই চলছে পুলিশের টহলদারি। কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তব চেহারাটা কী সেটা সরেজমিনে দেখতে গিয়েছিলেন পুলিশ কমিশনার ও অন্যান্য আধিকারিকরা। তাই আগে থেকে কোনও খবর না দিয়েই সেখানে চলে যান তাঁরা। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল-সহ বিভিন্ন এলাকা খতিয়ে দেখে। প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় আধিকারিকদের। তাঁদের কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না তাও শোনেন পুলিশ কর্তারা। কমিশনার ও অন্যান্য আধিকারিকদের এই উদ্যোগে তাঁরা খুশি বলেই জানিয়েছেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা।

জুলাই ১৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

রাত ২টো হলেও কেন্দ্র ছাড়বেন না! কর্মীদের কঠোর নির্দেশ মমতার, জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী

ফল ঘোষণার আগেই বড় দাবি করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনি জানান, তৃণমূল ২০০-র বেশি আসন পেতে চলেছে। একই সঙ্গে তিনি এজেন্টদের সতর্ক করে বলেন, রাত ২টো বেজে গেলেও কাউন্টিং সেন্টার ছেড়ে যেন কেউ না যান, যতক্ষণ না তিনি নিজে অনুমতি দেন।মমতা বলেন, সবাই অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং লড়াই করেছেন। তাঁর কথায়, মনে রাখবেন আমরা জিতছি। ২০০-র বেশি আসন পাব। তিনি আরও বলেন, যেসব আসনে ভোটের ব্যবধান খুব কম থাকবে, সেখানে অবশ্যই পুনর্গণনার দাবি জানাতে হবে। বিশেষ করে ২০০-৩০০ ভোটের পার্থক্য থাকলে রিকাউন্টিংয়ের জন্য জোর দিতে বলেন তিনি।এছাড়া, গত কয়েক মাস ধরে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও যারা কাজ করেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, তাঁদের পুরস্কৃতও করা হবে।কাউন্টিংয়ের দিন কীভাবে সতর্ক থাকতে হবে, সেই নিয়েও নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, এজেন্টদের বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যেতে হবে এবং হালকা খাবার খেতে হবে। বাইরের খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি সতর্ক করেন, কেউ খাবারের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে দিতে পারে।অন্যদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপি বিভিন্ন ধরনের প্রচার চালায়, এক্সিট পোল দেখিয়ে প্রভাব ফেলতে চায়। তিনি বলেন, গত ১০-১২ বছর ধরে এমনটা হচ্ছে, তাই এগুলোকে গুরুত্ব না দেওয়াই ভালো।কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তোলেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচার হয়েছে, সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল কর্মীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি ফল ঘোষণার দিন পর্যন্ত চলতে পারে।শেষে কাউন্টিং এজেন্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত কাউন্টিং সেন্টারে থাকতে হবে এবং সার্টিফিকেট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেউ যেন হল ছেড়ে না বের হন।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

‘বেশি বাড়াবাড়ি করছিল’—সাসপেন্ড ওসি গৌতম দাসকে নিয়ে কড়া বার্তা মমতার

কালীঘাট থানার সাসপেন্ড হওয়া ওসি গৌতম দাসকে নিয়ে এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বিতর্কিত ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার পর তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মমতা বলেন, কালীঘাটের ওসি খুব বাড়াবাড়ি করছিল। মহিলারা প্রতিবাদ করেছিলেন। আজ সে সাসপেন্ড হয়েছে। যারা এ ধরনের কাজ করেছে তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, আমাদের সরকার এলে তা খতিয়ে দেখা হবে।জানা যায়, গৌতম দাস ২০০৮ সালের ব্যাচের অফিসার। তিনি সাব ইন্সপেক্টর হিসেবে পোস্তা, আলিপুর ও আনন্দপুর থানায় কাজ করেছেন। আনন্দপুরে কাজ করার সময় তাঁকে কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে পাঠানো হয়। সেই সময় রাজভবনে ডিউটির দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। রিজার্ভ ফোর্সে থাকাকালীনই তাঁর পদোন্নতি হয় এবং তিনি ইন্সপেক্টর পদে উন্নীত হন। পরে তাঁকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে বদলি করা হয়।গত রবিবার নির্বাচন কমিশন তাঁকে কালীঘাট থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ করে। এর পরেই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে একটি ছবি পোস্ট করেন, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ছবিটিকে আপত্তিকর বলে অভিযোগ জানায় তৃণমূল কংগ্রেস।এই বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। চিঠি পাঠানো হয় ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দের কাছেও।অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট তলব করে। এরপর কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়, গৌতম দাসকে কালীঘাট থানার ওসির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি চামেলি মুখার্জিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটগণনার আগে বড় চাল তৃণমূলের! জেলায় জেলায় বিশেষ টিম, ভোর থেকেই কড়া নজর

ভোটগণনাকে সামনে রেখে বড় কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক বৈঠকে জানান, রাজ্য থেকে বিভিন্ন জেলায় কিছু প্রতিনিধিকে পাঠানো হবে। তাঁরা আগের দিনই জেলায় পৌঁছে যাবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন। বিশেষ করে বিদ্যুৎ পরিষেবা ঠিক রাখতে ট্রান্সফরমারগুলির উপর নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ভোটগণনার দিন ভোর ৬টা থেকেই পার্টি অফিস খুলে সেখানে কর্মীদের উপস্থিত থাকার কথাও বলা হয়েছে।জেলা ভিত্তিক দায়িত্বও ভাগ করে দিয়েছে দল। কোচবিহারে আলাদা করে কাউকে পাঠানো হচ্ছে না। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির দায়িত্বে থাকবেন সামিরুল ইসলাম। দার্জিলিংয়ের সমতল এলাকায় নজর রাখবেন গৌতম দেব এবং ইসলামপুরে যাবেন শান্তনু সেন। উত্তর চব্বিশ পরগনায় দায়িত্বে থাকবেন সৌগত রায় ও পার্থ ভৌমিক, আর বারাসতের দায়িত্বে থাকবেন রথীন ঘোষ। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কীর্তি আজাদ ও রাসবিহারী হালদার নজরদারি করবেন।কলকাতার উত্তর অংশে দায়িত্বে থাকবেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিবেক গুপ্ত, কুণাল ঘোষ ও স্বপন সমাদ্দার। দক্ষিণ কলকাতার দায়িত্বে থাকবেন অরূপ বিশ্বাস ও ববি হাকিম। হাওড়ায় চারজন প্রতিনিধি হিসেবে থাকবেন পুলক রায়, অরূপ রায়, কৈলাশ মিশ্র ও গৌতম চৌধুরী। হুগলির দায়িত্বে একাই থাকবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রানাঘাটে শঙ্কর সিংহ ও দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায় দায়িত্ব সামলাবেন।পূর্ব মেদিনীপুরে সায়নী ঘোষ ও ঋজু দত্ত থাকবেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার দায়িত্বে নিজেই থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণ দিনাজপুরে জয়প্রকাশ মজুমদার দায়িত্বে থাকবেন। মালদহে দোলা সেন এবং পলিটেকনিক কলেজ এলাকায় নাদিমুল হক নজর রাখবেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে আসিফ ইকবাল এবং বহরমপুরে প্রতিকুর রহমান ও সুখেন্দুশেখর রায় দায়িত্বে থাকবেন।বীরভূমে থাকবেন শতাব্দী রায়। বাঁকুড়ায় সুশান্ত ঘোষ, বিষ্ণুপুরে জীবন সাহা এবং ঝাড়গ্রামে অরূপ চক্রবর্তী দায়িত্ব সামলাবেন। পশ্চিম বর্ধমানে বাবুল সুপ্রিয় থাকবেন। মেদিনীপুরের সাংগঠনিক জেলায় জুন মালিয়া ও দেব নজর রাখবেন।সব মিলিয়ে ভোটগণনার দিন যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরও ভোট! ফলতা নিয়ে নজিরবিহীন সিদ্ধান্তের পথে নির্বাচন কমিশন

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বড় এবং নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, ৪ মে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেও এই কেন্দ্রে আবার ভোটগ্রহণ হতে পারে।ফলতা কেন্দ্র থেকে বুথ দখল, ভোটারদের হুমকি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই কারণে পুরো কেন্দ্র জুড়ে ভোটগণনা স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে কমিশনের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে। সব বুথে পুনর্নির্বাচন হবে নাকি কিছু নির্দিষ্ট বুথে, তা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি কমিশন।সাধারণত ভোটগ্রহণের পর দ্রুত গণনা হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সময়ের অভাব বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার পুনর্নির্বাচন করানো হলে যথাযথ যাচাই করার সময় পাওয়া যাবে না, কারণ তার পরের দিনই গণনা নির্ধারিত রয়েছে। তাই গণনার পর পুনর্নির্বাচনের পথে হাঁটতে পারে কমিশন। এমন হলে এই ভোটকে উপনির্বাচন হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে।ভোটের দিন ফলতা থেকে ইভিএমে টেপ লাগানোর ছবি সামনে আসে, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরে যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও কিছু গুরুতর তথ্য উঠে আসে। অভিযোগ, শুধু ইভিএমে টেপ লাগানোই নয়, কয়েকটি বুথের সিসিটিভি ক্যামেরাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে এই তথ্য কন্ট্রোল রুমে পৌঁছায়নি বলে জানা গেছে।এর পাশাপাশি, ফলতার হাসিমনগর এলাকা থেকেও একাধিক অভিযোগ এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোট নিয়ে তাঁদের ভয় দেখানো হয়েছে। গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এখন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ০২, ২০২৬
কলকাতা

নতুন মাসেই বড় ধাক্কা, অটো গ্যাসের দামে লাফ—আবার কি বাড়বে ভাড়া?

নতুন মাস শুরু হতেই মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা অনুভব করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি অটোতে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও বেড়েছে। লিটার প্রতি অটো গ্যাসের দাম বেড়েছে ৬ টাকা ৪৪ পয়সা। ফলে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে লিটার প্রতি ৮৯ টাকা ৪০ পয়সা। এর ফলে অটো ভাড়া আবার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কিছুদিন আগেও এই গ্যাসের দাম অনেক কম ছিল। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে জ্বালানির দামে বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এক মাস আগেও জ্বালানি পাওয়ার আশঙ্কায় বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে অটোর দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল।এর আগে জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে বিভিন্ন রুটে অটো ভাড়া ৩ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এখন আবার দাম বাড়ায় নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।অটোচালকদের একাংশ জানিয়েছেন, আপাতত ভাড়া বাড়ানোর কথা ভাবছেন না, তবে গ্যাসের দাম কমলে তাঁদের সুবিধা হবে। অন্যদিকে কিছু চালক বলছেন, ইতিমধ্যেই ভাড়া বেড়েছে এবং পরিস্থিতির কারণে আরও বাড়ানো প্রয়োজন হতে পারে।রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয় নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, ভোটের পরেই গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়বে এবং খরচ আরও বাড়বে।

মে ০১, ২০২৬
রাজ্য

কাল ফের ভোট ১৫ বুথে, ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাটে বড় সিদ্ধান্ত—কোন কেন্দ্রে কী ঘটেছিল জানেন?

শনিবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোটের পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মোট ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। এই সব বুথই ডায়মন্ড হারবার এবং মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এছাড়াও ফলতার একটি বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা থাকলেও তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আপাতত ১৫টি বুথে ভোট হওয়া নিশ্চিত।পুনর্নির্বাচনের পিছনে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং বুথে টেপ লাগানোর মতো অভিযোগ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব বুথে টেপ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে, সেখানে কিছু ক্ষেত্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ফুটেজ পাওয়া যায়নি। এই কারণেই পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে এবারের নির্বাচনে ভোটদানের হার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩৪ লক্ষ বেশি ভোটার এবারে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন। আগে যেখানে প্রায় ৫ কোটি ৯৮ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন, এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩১ লক্ষ। বিশেষ সংশোধনের ফলে বহু নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার পরেও ভোটের সংখ্যা বেড়েছে।ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই অতিরিক্ত ৩৪ লক্ষ ভোট কোথায় গেল। প্রায় ৯৩ শতাংশ রেকর্ড ভোটদানের পিছনে শুধু ভুয়ো ভোটার বাদ পড়াই নয়, প্রকৃত ভোটারের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগে কড়া নজর, মমতা-অভিষেকের বৈঠকে ঠিক হচ্ছে বড় কৌশল

ভোটের ফল ঘোষণার আগে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের সংঘাত চরমে উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র এবং ভাবানীপুরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার পর থেকেই আরও সতর্ক হয়ে উঠেছে তৃণমূল শিবির। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে কালিঘাটে বৈঠকে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার ফল ঘোষণা হওয়ার কথা। তার আগে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুমের অবস্থা, সেখানে নজরদারি এবং গণনার দিনের পরিকল্পনাসব কিছু নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা চলছে এই বৈঠকে। মমতা ও অভিষেক দুজনেই পুরো পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন।শনিবার কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেই কাউন্টিং এজেন্টদের জন্য বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থীরা গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে শ্যামপুকুর ও বেলেঘাটা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের কিছু আধিকারিক ইভিএম খোলার চেষ্টা করছেন। এর প্রতিবাদে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে ধর্নায় বসেন তারা।যদিও নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, সমস্ত ইভিএম সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal