• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Monsoon

রাজ্য

দক্ষিণে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি, উত্তরে লাল সতর্কতা! ঝোড়ো হাওয়া-ভারী বর্ষণে দুর্যোগের আশঙ্কা, কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

রাজ্যের আবহাওয়ায় ফের বদলের ইঙ্গিত। উত্তরবঙ্গে সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির জেরে পাহাড় ও ডুয়ার্সে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই কারণে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বুধবারের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বড়সড় দুর্যোগের সম্ভাবনা না থাকলেও কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সপ্তাহের শেষের দিকে অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।বুধবার দক্ষিণবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বুধবার বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।তবে বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। শুক্রবার থেকে পরিস্থিতি আরও বদলাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ বাংলায় শুরু এনকাউন্টার! বারুইপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে পালাতে গিয়ে নিহত ধর্ষণ-খুনের মূল অভিযুক্তকলকাতার ক্ষেত্রেও বুধবার আকাশ সারাদিনই মূলত মেঘলা থাকবে। কোথাও কোথাও হালকা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। তবে তাপমাত্রার বিশেষ হেরফের হবে না। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৩ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় সামান্য বেশি।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি অনেকটাই উদ্বেগজনক। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায়ও ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। দুই দিনাজপুর ও মালদহ বাদে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।পাহাড়ি এলাকায় টানা বর্ষণের ফলে ভূমিধস, রাস্তা ধসে যাওয়া এবং নদী-নালার জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ডুয়ার্স ও তরাই অঞ্চলেও জল জমা এবং পরিবহণে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোটামুটি বজায় থাকবে। তবে শুক্রবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।রাজ্যের একদিকে যখন উত্তরবঙ্গ ভারী বর্ষণের কবলে পড়তে চলেছে, তখন অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে সক্রিয় হতে শুরু করেছে বর্ষা। সপ্তাহের শেষভাগে প্রায় গোটা রাজ্যই ফের বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে ভিজতে পারে বলে পূর্বাভাস। ফলে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া অযথা বাইরে না বেরোনো এবং আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

নিম্নচাপের দাপটে ভিজছে বাংলা! দিঘা–বালেশ্বর উপকূল দিয়ে আজই স্থলভাগে প্রবেশ, কলকাতায় টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করে পশ্চিমবঙ্গওড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই স্পষ্ট দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। রবিবার গভীর রাত থেকে কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় শুরু হয়েছে টানা বৃষ্টি, যা সোমবারও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আবহবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবারের মধ্যেই এই নিম্নচাপ ওড়িশার চান্দবালি ও পশ্চিমবঙ্গের দিঘার মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। ফলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলী, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান জেলাগুলিকে আগাম সতর্কতা জানানো হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপ অঞ্চলটি রবিবার ঘনীভূত হয়ে পূর্ণাঙ্গ নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় এর অবস্থান ছিল ওড়িশার বালেশ্বরের প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং পশ্চিমবঙ্গের দিঘার প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে। বর্তমানে এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। স্থলভাগে প্রবেশের পরও এর শক্তি বজায় থাকবে এবং মঙ্গলবারের মধ্যে ওড়িশা পেরিয়ে ছত্তীসগঢ় সীমান্তের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।এই নিম্নচাপের সঙ্গে সক্রিয় রয়েছে বর্ষাকালীন অক্ষরেখাও। দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থান থেকে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়, ওড়িশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এই অক্ষরেখা নিম্নচাপকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে। ফলে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সোমবার পর্যন্ত প্রবল বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এরপর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতায় রবিবার রাত থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কখনও হালকা, কখনও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিতে শহরের একাধিক এলাকায় জল জমার খবর মিলেছে। সোমবারও সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে এবং মাঝেমধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অফিস টাইমে জলজট ও যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। নদী সংলগ্ন ও নিচু এলাকায় জল জমার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ছোটখাটো জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের ইঙ্গিত মিলেছে। মঙ্গলবারের পর থেকে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বুধবার ও বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে প্রবল বর্ষণের সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।এদিকে নিম্নচাপের জেরে বঙ্গোপসাগর ও উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্রও উত্তাল রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে, যার দমকা হাওয়ার গতি ৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহবিদদের মতে, নিম্নচাপটি স্থলভাগে প্রবেশ করলেও তার প্রভাব দ্রুত কাটবে না। বরং সপ্তাহজুড়েই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কমবেশি বৃষ্টি চলবে। ফলে নাগরিকদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো, জলমগ্ন রাস্তা এড়িয়ে চলা এবং আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ সতর্কবার্তার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অবশেষে সুখবর! বাংলায় ঢুকল বর্ষা, তবে এখনই মিলবে না গরম থেকে রেহাই

বাংলায় বর্ষার প্রবেশ শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে মৌসুমি বায়ু। তবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের মানুষের জন্য এখনই পুরোপুরি স্বস্তির খবর নেই। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। এর মধ্যেই বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এবার জ্যৈষ্ঠ মাস জুড়ে দক্ষিণবঙ্গের মানুষকে চরম গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুমোট পরিবেশ দেখা যাচ্ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় ঘাম এবং অস্বস্তিও বেড়েছে। ফলে বর্ষা কবে আসবে, সেই প্রশ্নই ঘুরছিল সাধারণ মানুষের মনে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে। সিকিম, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের সব অংশে বর্ষা পৌঁছে গিয়েছে। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি জেলার বেশিরভাগ এলাকা এবং দার্জিলিং জেলার কিছু অংশেও মৌসুমি বায়ুর প্রভাব শুরু হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বাংলার আবহাওয়া বর্তমানে বর্ষা অগ্রগতির জন্য অনুকূল রয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে মৌসুমি বায়ু রাজ্যের আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে। তার আগে দক্ষিণবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টির প্রভাব দেখা যাবে।আগামী কয়েকদিন পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, হুগলি এবং উত্তর চব্বিশ পরগনায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় কালবৈশাখীর পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। অন্যান্য জেলাগুলিতে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।উত্তরবঙ্গের জন্যও জারি হয়েছে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। শনিবার পর্যন্ত কয়েকটি জেলায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আগামী সোমবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টি চলতে পারে।সব মিলিয়ে বর্ষার আগমনে স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও এখনই গরম থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি মিলছে না। তবে আগামী কয়েকদিনের ঝড়বৃষ্টি এবং মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতির দিকে নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। বাংলার মানুষও অপেক্ষায়, কবে পুরোপুরি বর্ষার ছোঁয়ায় স্বস্তি ফিরবে।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

গরমকে বিদায়! বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে ঝড়-বৃষ্টির জোড়া ধাক্কা

জুনের শুরুতেই রাজ্যবাসীর জন্য স্বস্তির খবর। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে। এরই মধ্যে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলতে পারে। ফলে গরমের দাপট থেকে আরও কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।রবিবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা রয়েছে। যদিও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে দিনের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। এই জেলাগুলির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।কলকাতাসহ আশপাশের এলাকাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, সপ্তাহের শুরুতে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এর ফলে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, একটি সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে পূর্ব দিকে বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্তও অবস্থান করছে। এই দুই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির প্রভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে সপ্তাহের শুরুতেই আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। গরমের তীব্রতা কিছুটা কমলেও বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৭, ২০২৬
দেশ

মুম্বাইয়ে যাত্রীবাহী মনোরেল ভারী বর্ষায় আটকে, উদ্ধার ‘প্রায় চার ঘণ্টা পর’

টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত মুম্বাইয়ের জনজীবন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভারী বর্ষণের সময় মুম্বইয়ের চেম্বুর ও ভক্তি পার্ক স্টেশনের মধ্যে অবস্থিত মনোরেল ট্রেন হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায়। যাত্রীদের ধারণ অনুযায়ী, ট্রেনটি অত্যন্ত ভিড়ের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে আটকে পড়ে।ঘটনার সময় ছিল সন্ধ্যা ৬টা ১৫মিনিট থেকে ৬টা ৩৮ মিনিট। মূল কারণ হিসেবে ওভারক্রাউডিংট্রেনের ওজন ডিজাইন ক্যাপাসিটির (প্রায় ১০৪ মেট্রিক টন) উপরে গিয়ে প্রায় ১০৯ মেট্রিক টনে পৌঁছায়যার ফলে পাওয়ার রেল ও কারেন্ট কালেক্টরের মধ্যে যান্ত্রিক বিচ্ছিন্নতা ঘটে এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়। ট্রেনের ভিতর প্রায় অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, যাত্রীরা মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালান। কমবয়সী ও প্রবীণ যাত্রীদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়। উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয় এক থেকে তিন ঘণ্টা পর। স্কাই-ল্যাডার, ক্রেন ও জানালার মাধ্যমে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। সর্বমোট ৫৮২ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে ১২ জন শ্বাসকষ্ট বা অস্বস্তিতে হাসপাতালে ভর্তি হন। বর্তমানে সবারই শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সাথে সংযুক্ত রয়েছেন। একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে এবং যাত্রীদের শান্ত থাকার আবেদন করেছেন তিনি।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বাজারে ঢুকলো মরশুমের প্রথম ইলিশ

বর্ষা ঢুকতেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উঠতে শুরু করল। বাজারে ঢুকলো মরশুমের প্রথম ইলিশ। একদিনের ফিসিংয়ে প্রায় ২৫ টন ইলিশ বাজারে এসেছে। সোমবার সকালে নামখানার খেয়াঘাটে প্রায় ২৫টি ট্রলার ইলিশ নিয়ে ফিরেছে। মৎস্যজীবীরা জানিয়েছেন, মূলত আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে ট্রলার গুলি ভালো ইলিশ পেয়েছে। এই রূপ আবহাওয়া থাকলে আগামী কয়েক দিনের ভিতরে বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণের ইলিশ আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।কাকদ্বীপ ফিশারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, প্রতিদিন কেউ কেউ দুই তিন টন ইলিস পাচ্ছে। ছশো থেকে আটসো গ্রামের ইলিশ মিলে

জুন ১৭, ২০২৫
রাজ্য

জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তির অপেক্ষায় বাংলা, রাজ্যে বর্ষা আসছে কবে?

অর্ধেক জুন মাস পেরিয়ে যেতেও বর্ষার দেখা নেই বাংলায়। এদিন ১৮ জুন। তবে এবার বর্ষা আসতে চলেছে বলে পূর্বাভাষ দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অবশেষে জ্বালাপোড়া গরম থেকে মুক্তি পেতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। বৃষ্টির সঙ্গে দোসর হবে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া। কোনও কোনও জেলায় হাওয়ার বেগ বাড়বে। আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকবে।মঙ্গলবার প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হলেও পশ্চিমের তিন জেলায় গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় গরম থাকবে। তবে এই তিন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বুধ এবং বৃহস্পতিবার ঝড়বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। সঙ্গে ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।উত্তরবঙ্গে আবহাওয়ার উন্নতি হচ্ছে না। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দুর্যোগ চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জেলার কিছু এলাকায়। কমলা সতর্কতা রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে।এদিকে, মঙ্গলবার কলকাতার আকাশ গোটা দিনই ছিল মেঘলা। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। এবং সর্বনিম্ন ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস।

জুন ১৮, ২০২৪
রাজ্য

বিদায়ী বর্ষার ব্যপক বর্ষনে সংকটে শস্যগোলা। চরম ক্ষতির শঙ্কায় চাষীরা

গত তিনদিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টিপাতের জেরে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের কয়েকটি এলাকায় ধানজমি জলমগ্ন হয়েছে। ফলে কৃষকরা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। জমিতে ধানগাছে থোর আসতে শুরু করেছে সেসব ধানগাছ জলমগ্ন হয়ে থাকলে গাছ পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকার কৃষকরা। আউশগ্রামের সোমাইপুর ও আউশগ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় বেশকিছু ধানজমি জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। ওই এলাকায় পাঁচটি বড় নালা এক জয়গায় এসে মিশেছে। স্থানীয় এলাকায় পঞ্চগঙ্গা নামে পরিচিত ওই নিচু জলাভূমি এলাকা।গত তিনদিন দফায় দফায় বৃষ্টিপাতে পঞ্চগঙ্গা সহ তার আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়। জলে ডুবে যায় প্রচুর ধানজমি। এছাড়া আউশগ্রামের কুনুর নদীর সংলগ্ন সিলুট, বসন্তপুর এলাকায় বেশকিছু ধানজমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় কৃষকরা জানান। বৃষ্টির জেরে কুনুর নদীর জলও বেড়েছে। নদী ছাপিয়ে এলাকা প্লাবিত। ওই এলাকার কৃষকরাও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা আশিষ কুমার বারুই বলেন, এখনও পর্যন্ত যা বৃষ্টি হয়েছে তাতে ধানের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বরঞ্চ সেচের জলের অভাবটা অনেকটাই মিটবে। কৃষকদের সুবিধা হবে বলে তিনি জানান।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
রাজ্য

Weather: বর্ষা বিদায়ের আগাম সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস

অবশেষে বর্ষা বিদায়ের আশ্বাসবাণী শোনালেন আবহাওয়াবিদরা।ধীরে ধীরে কাটবে দুর্যোগ, সরবে মেঘ। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আকাশ পরিষ্কার থাকবে। পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। তবে কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ আকাশ মেঘলা থাকবে।আরও পড়ুনঃ নিজের ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে অন্যের ধর্মকে আঘাত করতে গিয়েআবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই কলকাতায়। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় আবহাওয়া ধীরে ধীরে ঠিক হবে। তবে উত্তরবঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।গত কয়েক দিনে মেঘলা আকাশ থাকার জন্য সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নেমে গিয়েছিল। আগামী দুদিনে আবারও এই তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি বাড়বে। রাতের তাপমাত্রার ক্ষেত্রে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় যেমন ছিল কম বেশি তেমনটা থাকলেও এর পর থেকে দু থেকে তিন ডিগ্রি নামতে পারে তাপমাত্রা। এক কথায় বলা যায় শীতের হালকা আমেজ অনুভূত হবে । ২৩ অক্টোবরের মধ্যে পুরো পশ্চিমবঙ্গ থেকেই এবারের মত পাট চোকাবে বর্ষা। ২৬ অক্টোবর দেশের সমস্ত রাজ্য থেকেই বর্ষা বিদায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
দেশ

RajyaSabha: রাজ্যসভায় হুইপ জারি বিজেপির

বাদল অধিবেশনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, তার আগেই হুইপ জারি করল বিজেপি। আজ ও আগামিকাল অর্থাৎ ১০ ও ১১ অগস্ট বিজেপির রাজ্যসভার সব সাংসদকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। কোনও এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে হুইপে। সোমবারই এই সংক্রান্ত তিন লাইনের একটি হুইপ জারি করা হয়েছে।সোমবার একটি নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজ্যসভার সব বিজেপি সাংসদকে জানানো হচ্ছে, মঙ্গলবার রাজ্যসভায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তাই মঙ্গলবার ও বুধবার রাজ্যসভার সব বিজেপি সাংসদকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে। সরকারকে সমর্থন করার জন্য উপস্থিত থাকতে হবে সাংসদদের। গত ১৯ জুলাই বাদল অধিবেশন শুরু হয়। এ বার অধিবেশনের শুরুর দিন থেকেই বিরোধীদের বিক্ষোভে বারবার উত্তাল হয় সংসদের উভয় কক্ষই। পেগাসাস থেকে কৃষি বিল বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয় বিরোধীরা। এমনকী, নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরিচয় করাতে গিয়েও বাধা প্রাপ্ত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৩ অগস্ট সেই অধিবেশন শেষ হয়ে যাচ্ছে। তার আগে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেন্দ্র সামনে আনতে চাইছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জটএ দিকে, গতকালই রাজ্যসভায় পেগাসাস নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট। সোমবার সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যে ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও-র সঙ্গে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়নি কেন্দ্রের। এ দিন রাজ্যসভার অধিবেশনে পেগাসাস প্রসঙ্গ তোলেন সিপিএম সাংসদ ভি শিবদাসন। তিনি জানতে চান, কেন্দ্রের সঙ্গে পেগাসাস প্রস্তুতকারক সংস্থা এনএসও-র কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কিনা। সেই প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট স্পষ্ট জানান, ইজরায়েলি সংস্থার সঙ্গে কোনওরকম আর্থিক লেনদেন হয়নি কেন্দ্রের। এই প্রথমবার কেন্দ্রের তরফ থেকে আড়িপাতার ঘটনায় কোনও স্পষ্ট জবাব দেওয়া হল।

আগস্ট ১০, ২০২১
টুকিটাকি

Healthy Skin: বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক রূপচর্চা

গ্রীষ্ম ও শীতকালেই শুধু নিয়ম মেনে ত্বকের পরিচর্চা করে থাকি আমরা। কিন্তু বাকি সময় অর্থাত্ বর্ষার দিনগুলিতে রূপচর্চার কথা অনেক পড়ে ভাবি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বর্ষাকালেই ত্বকের বিশেষ দেখভাল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই সময় ত্বকের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে বেশি। আর্দ্রতার কারণে ত্বক ও চুলের দুয়েরই সমস্যা তৈরি হয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর জন্য ঘরোয়ো উপায়ে কিছু ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ও দই- তিন টেবিলস্পুন ওটস, একটি ডিম নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার তাতে দুই টেবিলস্পুন দই ও এক চামচ মধু নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার পুরো প্যাকটি ঠান্ডা করতে বেশ কিছুক্ষণ ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে গোটা মুখ, গলা, ঘাড়ে ফেস প্যাকটি লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাবাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটসমিল ত্বকের উপর অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ত্বকের পিএইচ লেভেল ব্যালান্স করতেও ওটসমিলের গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার অদম্য শক্তি, ফলে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও কোমল রাখতে এই উপকারী ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে লাভবানই হবেন।বেসন ও রোজ ওয়াটার- এই ফেসপ্যাক অত্যন্ত প্রচলিত। একচিমটে হলুদ গুঁড়ো ও ১ চামচ বেসন মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও রোজ ওয়াটার দিয়ে ভাল করে একটি ফেস প্যাক বানান। গোটা মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সধারণ গোলাপ জল ত্বকের সব পরিচর্চার সহঙ্গেই দারুণভাবে কাজে লাগে। অন্যদিকে বেসনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, যা ত্বকের চুলকানি, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি। ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার রাখতে এই দুই উপাদানের বিকল্প নেই।স্যান্ডালউড ও হলুদ- ১ টেবিল চামচ স্যান্ডালউড পাউডার ও হআধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল নিয়ে পুরু ফেস প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে, গলায় ভাল ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের কারণে ত্বকে ফর্সাভাব ও জেল্লা বৃদ্ধি পায়। স্যান্ডালউডের কারণে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নির্গত হয়ে সুস্থ ত্বকের পরিচয় দেয়।লেবু ও মধু- একটি বোলে অর্ধেক লেবুর রস আর দু চা চামচ মধু নিয়ে একটি প্যাক বানান। গোটা মুখে ওই প্যাক লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া অবধি রেখে দিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স স্বাভাবিক রাখতে মধুর এই প্যাক দারুণ উপকারী। যে কোনও ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যায়।

আগস্ট ০১, ২০২১
দেশ

Rajya Sabha: বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড শান্তনু সেন

বাদল অধিবেশনের বাকি দিনগুলির জন্য রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনকে। শুক্রবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য শান্তনুকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন।শুক্রবার সকালে রাজ্যসভার নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল সাক্ষাৎ করেন বেঙ্কাইয়ার সঙ্গে। ওই বৈঠকে রাজ্যসভায় সরকারপক্ষের সহকারী দলনেতা মুখতার আব্বাস নকভি এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ভি মুরলীধরনও হাজির ছিলেন। এরপর অধিবেশন শুরু হলে শান্তনুর শাস্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন বেঙ্কাইয়া। তিনি বলেন, অগণতান্ত্রিক এবং অসংসদীয় আচরণের জন্য অভিযুক্ত সাংসদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত বাদল অধিবেশন চলবে। ততদিন সাসপেন্ড থাকবেন শান্তনু।আরও পড়ুনঃ রাজভবনে স্পিকারকে তলব রাজ্যপালেরবৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর হাত থেকে বক্তৃতার কাগজ ছিনিয়ে নিয়েছিলেন শান্তনু। তারপর তা ছিঁড়ে ফেলে ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংয়ের আসনের দিকে ছুড়ে দেন। সে সময় পেগাসাস স্পাইওয়্যারের সাহায্যে ফোনে আড়িপাতার অভিযোগ নিয়ে বক্তৃতা করছিলেন অশ্বিনী।শান্তনুকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ওব্রায়েন অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার কাগজ ছেঁড়ার ঘটনার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী নিজের আসন ছেড়ে শান্তনুর দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। অসংসদীয় বাক্যও প্রয়োগ করেছিলেন। ডেরেকের প্রশ্ন, অন্য অভিযুক্ত (হরদীপ) কেন ছাড় পেলেন? তৃণমূল-সহ বিরোধীদের হট্টগোলের জেরে শুক্রবারও মুলতুবি হয় রাজ্যসভার অধিবেশন।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

weather: ভ্যাপসা গরম কাটিয়ে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে

প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গবাসী। এই রোদ তো এই বৃষ্টি। সঙ্গে অস্বস্তি। তবে বুধবার পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আকাশের মেধের ঘনঘটা বাড়বে, হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া বর্ষারও আবার দেখা মিলবে বলেও বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আজ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৬ শতাংশ। আরও পড়ুনঃ দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারতএদিকে আংশিক মেঘলা আকাশের নেপথ্যে রয়েছে নিম্মচাপের ভ্রূকুটি। মৌসম ভবনের তরফে জানান হয়েছে বুধবার থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হতে শুরু করবে। যার রেশ পড়বে বাংলাতেও। শুক্রবার গভীর নিম্মচাপে পরিণত হতে পারে যার ফলে বৃষ্টি অবধারিত৷ রাজ্যে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যদিও এই কদিনের টানা ভ্যাপসা গরমের পর এই বৃষ্টি কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে এমনটাই মত। তবে আর্দ্রতার অস্বস্তি কমবে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই কারণে আদ্রতাজনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। এদিকে, মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় থাকায় সিকিম ও উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। এছাড়া ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Monsoon Session: আজ শুরু বাদল অধিবেশন, নজরে একাধিক ইস্যু

আজ সংসদে শুরু হতে চলেছে বাদল অধিবেশন। অধিবেশনে একাধিক বিষয়ে নজরের পাশাপাশি রাজ্যে উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া, মুম্বইয়ে কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতে মৃত্যু প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আজ নজর থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।বেলা ১১টা থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। ১৭তম লোকসভার ষষ্ঠ অধিবেশন এটি। করোনার কারণে গত বারের মতো এ বারও দূরত্ব-বিধি বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে সাংসদদের। যদিও বেশিরভাগ সাংসদের টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে। লোকসভা সূত্রে খবর, ৪০০-এর বেশি সাংসদ এবং ২০০-র কর্মী করোনার দুটি প্রতিষেধক নিয়েছেন। এ বারের অধিবেশনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ হতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছে ডিএনএ টেকনোলজি-র মতো বিল। এ ছাড়া রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে ৩৮টি বিল তালিকায় রয়েছে। অন্যদিকে, সরকারকে চাপে ফেলতে বিরোধীরাও বেশ কয়েকটি বিষয় সংসদে উত্থাপন করতে পারে। করোনা দ্বিতীয় ঢেউতে স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশা, রাজ্যে রাজ্যে প্রতিষেধক বাড়ন্ত, সীমান্ত নিয়ে ফের উত্তেজনা ভারত-চিনের এই বিষয়গুলি নিয়ে বিরোধী দলগুলি সরব হতে পারে উভয় কক্ষে। এ ছাড়া তারা কৃষি আইন নিয়েও প্রতিবাদ করতে পারে তারা। ফলে দিল্লিতে সোমবার থেকে শুরু হওয়া বাদল অধিবেশনের দিকে নজর থাকবে।আরও পড়ুনঃ আত্মতুষ্টিই ধস নামিয়েছে বিজেপিতে, মুখ খুললেন শুভেন্দুউল্লেখ্য, সংসদে বাদল অধিবেশন শুরুর আগের দিন নিয়ম অনুসারে সর্বদলীয় বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী । তাঁর সরকার নিয়ম মেনে যে কোনও বিষয়ে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত, এমনটাও জানান তিনি বৈঠকে। এরপরই মোদির এমন মন্তব্যের কটাক্ষ করে তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ওব্রায়েন। মোদির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি টুইটারে লেখেন, আপনি নিজে বৈঠকে ৯ মিনিট ছিলেন। রবিবার সর্বদলীয় বৈঠকে মোট ৩৩টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে মোদি জানান, তাঁর সরকার কোনও রকমের আলোচনাকে ভয় পায় না। আলোচনার পরেই বিল পাশ করার চিন্তাভাবনা করছে তারা। আসন্ন অধিবেশনে মোট ৩০টি বিল পেশ করার পরিকল্পনা করেছে মোদি সরকার। সেই প্রসঙ্গেই এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ড সিরিজ কোহলিদের কাছে বড় পরীক্ষা, বলছেন ইয়ান চ্যাপেল বৈঠকের পরে টুইট করেন মোদি। তিনি লেখেন, সংসদে বাদল অধিবেশনের আগে সর্বদল বৈঠকে যোগ দিলাম। আশা করছি একটি ফলপ্রসূ অধিবেশন হবে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সব বিষয়ে আলোচনা করব আমরা।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Monsoon: বৃষ্টিস্নাত বঙ্গ, রাতভর বারিধারায় জলমগ্ন কলকাতা

দিনভর আকাশের মুখভার ছিলই। পূর্বাভাসও ছিল বৃষ্টি (Rain) হওয়ার। তবে ভারী বৃষ্টির দেখা মেলেনি দিনের বেলায়। বুধবার রাতে বদলে গেল পরিস্থিতি। রাত থেকে কলকলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। যার ফলে জলমগ্ন শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। আগামী ২৪ ঘণ্টাও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (West Bengal Weather Update)। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও। পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর (Alipur Weather Office)। মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা সঙ্গে নিম্নচাপের জোড়া প্রভাবে এই ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও তা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার দিনভর কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে। আগামী দু ঘণ্টার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশিম মেদিনীপুর-কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়ার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পরের দিকে বৃষ্টি বাড়বে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে। ঝাড়খণ্ড থেকে ক্রমশ বিহারের দিকে সরছে নিম্নচাপ। রাজস্থান থেকে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। এর প্রভাবেই আগামী ৩ দিন বৃষ্টি চলবে রাজ্য জুড়ে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত শহরে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে মোমিনপুর এলাকায়। সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ১৭৯ মিলিমিটার। এরপর বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব নিকাশী পাম্প স্টেশন এবং কালীঘাট এলাকায়। সেখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৬৮ এবং ১৬৩ মিমি। ১৫০ মিমির উপর বৃষ্টি হয়েছে তপসিয়া এবং চেতলা লকগেট নিকাশি পাম্পিং স্টেশন এলাকায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে কলকাতার একাধিক এলাকা।

জুন ১৭, ২০২১
কলকাতা

Monsoon: বঙ্গে প্রবেশ বর্ষার, আজ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

উত্তরবঙ্গে প্রবেশের পাঁচদিন পর দক্ষিণবঙ্গে ঢুকল বর্ষা (Monsoon)। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাংশে বর্ষা প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবারের মধ্যে রাজ্যের বাকি অংশে প্রবেশ করবে বর্ষা। সাধারণত জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করে বর্ষা। এবার স্বাভাবিক সময়েই প্রবেশ করল মৌসুমী বায়ু। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ক্যানিং, কৃষ্ণনগর, মালদহে এদিন বর্ষা প্রবেশ করেছে। এই জায়গাগুলোর উপর দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী বায়ুর উত্তরসীমা। মৌসুমী বায়ু প্রবেশের পরই বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে ওই এলাকায়। এর পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অন্যত্রও এদিন থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। তবে অমাবস্যার ভরা কোটালের কারণে সমুদ্রে এবং গঙ্গায় যে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হয়েছিল, তা খুব বেশি হয়নি।শুক্রবার সকালেই উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়েছে। যা শনিবার আরও শক্তিশালী হবে। ফলে বৃষ্টি বাড়বে বঙ্গে। ক্রমশ ওই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে ওডিশায় ঢুকে যাবে। ফলে ওডিশায় (Odisha) বেশি বৃষ্টি হবে। হতে পারে সাইক্লোনও। এজন্য জগৎসিংপুর, কটক, অঙ্গুল, সম্বলপুরে প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। বৃষ্টি হচ্ছে কেন্দাপাড়াতেও। প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হবে। তবে রবিবার বিকেলের পর কলকাতা-সহ হাওড়া-হুগলিতে বৃষ্টি কমলেও তা বাড়বে রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলোতে। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে। সেই সঙ্গে উপকূলবর্তী জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জুন ১২, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal