• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Money Recover

রাজ্য

রাতের অন্ধকারে ফ্ল্যাটে হানা! আলমারি খুলতেই চোখ কপালে পুলিশের, কোটি কোটি টাকা উদ্ধার

রবিবার রাতে মালদহে একটি ফ্ল্যাটে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, সোনা এবং নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদহ থানা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ অভিযানের দল যৌথভাবে এই তল্লাশি চালায়। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ রাত পর্যন্ত গুনে প্রায় আড়াই কোটি টাকা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোনাও উদ্ধার হয়েছে, তবে তার পরিমাণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুরে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধারের একটি মামলার তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসে। সেই সূত্র ধরেই মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে আলমারিতে রাখা বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়। টাকা গোনার জন্য মেশিন আনতে হয় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, ফ্ল্যাটটি দিলীপ সাহা নামে এক ব্যক্তির। স্থানীয়ভাবে তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। তবে দিলীপ সাহার দাবি, তিনি ফ্ল্যাটটি পিন্টু সরকার নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। ভাড়াটিয়া সেখানে কী কাজ করতেন বা কী রাখতেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না বলেও তিনি দাবি করেছেন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এই ঘটনায় আন্তঃরাজ্য কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই মামলায় অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় এসেছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা উচিত। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তদন্ত চলছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ট্রাঙ্ক খুলতেই চোখ কপালে! কোটি কোটি টাকা আর তাল তাল সোনা উদ্ধারে তোলপাড় বীরভূম

বীরভূমের মহম্মদবাজারে এক পাথর ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা উদ্ধারের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার অভিযানে একটি ট্রাঙ্ক থেকে বিপুল সম্পদ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সোনার মূল্য দশ কোটিরও বেশি এবং নগদ টাকার পরিমাণ পাঁচ কোটিরও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অঙ্কের সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।স্থানীয় সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ব্যবসায়ী মিনার মণ্ডলের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান। সেই সময় বাড়ির ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয় বলে জানা যায়। এই বিপুল অর্থের উৎস কী, তা জানতে মিনার মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয়দের দাবি, মিনার মণ্ডল এক সময় সরকারি বাসের চালক ছিলেন। পরে তিনি পাথর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে এই ব্যবসাতেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন বলে এলাকায় প্রচলিত ধারণা।ঘটনাস্থলে এখনও পুলিশ এবং পদস্থ আধিকারিকরা রয়েছেন। তবে কোন মামলার ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে এবং এই বিপুল সম্পদের সঙ্গে অন্য কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।এই ঘটনার পর এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে থাকলে তা আগে নজরে এল না কেন, সেই প্রশ্নও তুলছেন অনেকে। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি মন্তব্য সামনে আসেনি। তদন্ত শেষ হলে তবেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্ট ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হোটেলের ঘরে লুকিয়ে ছিল কোটি কোটি টাকা! দেবরাজ যোগে চাঞ্চল্য, নিউটাউনে পুলিশের হানায় বড় রহস্য ফাঁস

নিউটাউনের একটি হোটেলে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হল কয়েক কোটি টাকা। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ, সাইবার অপরাধ দমন শাখা এবং নিউটাউন টেকনো সিটি থানার আধিকারিকেরা সোমবার কুড়ি নম্বর ট্যাঙ্ক এলাকার ওই হোটেলে তল্লাশি চালান। অভিযান থেকে বিপুল পরিমাণ নগদের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই ঘটনায় ভিনরাজ্যের দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি ধৃত তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে এই টাকার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। সেই সূত্র ধরেই হোটেলে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণা করে বিপুল টাকা সংগ্রহ করা হত। পরে সেই নগদ টাকা একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার গাড়িতে করে হোটেলে আনা হতো। সেখান থেকে হাওলার মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগও উঠে এসেছে।অভিযানের সময় হোটেলের বিভিন্ন ঘর থেকে নগদ টাকা, নথি এবং একাধিক সামগ্রী উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা টাকার একটি অংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে এবং কিছু নোটে উইপোকার ক্ষতির চিহ্নও মিলেছে। যদিও এই বিষয়ে পুলিশ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া নথি খতিয়ে দেখে পুরো চক্রের হদিস পাওয়ার চেষ্টা করছেন।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। রাজারহাট-নিউটাউনের বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়ার দাবি, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে লুট হওয়া টাকা ঘুরিয়ে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা চলছিল। তাঁর মতে, উদ্ধার হওয়া টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তে স্পষ্ট হয়ে যাবে। পুলিশ এখন সিসিটিভি ফুটেজ, উদ্ধার হওয়া নথি এবং আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গোটা ঘটনার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচনের আগে নিউটাউনের গাড়ি থেকে মিলল টাকার পাহাড়? জিজ্ঞাসাবাদে মিলছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

নির্বাচনের আগে বাংলায় ফের টাকার পাহাড় উদ্ধারকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। সোমবার সকালেই নারায়ণপুরের আকাঙ্ক্ষা মোড়ে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আচমকা তল্লাশি চালায় বেঙ্গল এসটিএফ। আর সেখানেই একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় পাঁচ কোটি টাকার নগদ। মুহূর্তে এলাকা জুড়ে তৈরি হয় উত্তেজনা। বিপুল পরিমাণ টাকা-সহ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে গাড়িটি। আটক করা হয়েছে গাড়ির মালিক-সহ দুই জনকে। তদন্তকারীদের অনুমান, নিউটাউনের দিক থেকেই আনা হচ্ছিল এই টাকা। তবে টাকা কার, কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এবং কেনতা এখনো ধোঁয়াশা।ইতিমধ্যেই বাংলায় জোরকদমে চলছে এসআইআর অভিযান, অন্যদিকে দুয়ারে দাঁড়িয়ে ছাব্বিশের ভোট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দলও সদ্য বাংলায় পরিদর্শন সেরে গিয়েছে। এর মধ্যেই গাড়ি ভর্তি এত টাকা উদ্ধারে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছেএই নগদের নেপথ্যে কি নির্বাচনী কারবার? নাকি সক্রিয় কোনও অন্য অর্থচক্র? সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে এসটিএফ।টাকার উৎস জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে আটক দুই ব্যক্তিকে। কোথা থেকে টাকা তোলা হয়েছিল, কার নির্দেশে নেওয়া হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক বা অন্য কোনও চক্র জড়িত কি না, তা জানতেই জোরদার তদন্ত।উল্লেখ্য, মাত্র গত সপ্তাহেই ইডি-র অভিযানে কলকাতার তারাতলায় এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল অঙ্কের নগদ। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে সেই তল্লাশি চালানো হয়েছিল। একই দিন বেলেঘাটা-সহ শহরের আরও কয়েকটি জায়গা জুড়ে চলে তল্লাশি। চলতি মাসের শুরুতেও কলকাতার একাধিক এলাকায় হানা দিয়েছিল ইডি। সল্টলেক সেক্টর ওয়ানেও হয়েছিল তল্লাশি।তবে আজকের উদ্ধার হওয়া পাঁচ কোটি টাকা দুর্নীতির কোনও চক্রের ফল, নাকি সম্পূর্ণ অন্য কারণে নগদ পরিবহণতা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু বলতে চাইছে না তদন্তকারী সংস্থা। এসটিএফ সূত্রে খবর, সবদিক খতিয়ে দেখে শিগগিরই সামনে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আপাতত আটক দুই ব্যক্তির জেরা চলছে, আর সেই জেরার দিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

ইডি অফিস ও আধিকারিকের বাড়িতে সিবিআইয়ের তল্লাশি, উদ্ধার কোটি টাকা

আর্থিক তছরুপ সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সে ইডির এক আধিকারিকের বাড়িতে হানা দিল সিবিআই! উদ্ধার করা হয়েছে কোটি টাকারও বেশি। শুধু তাই নয়, ইডির অফিসেও হানা দিয়েছিল সিবিআই। এই ঘটনা ঘটেছে হিমাচল প্রদেশের শিমলায়।ইডির সহকারি ডিরেক্টরের পদে রয়েছেন অভিযুক্ত অফিসার। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষের টাকা বাড়িতে এবং অফিসে গচ্ছিত রাখার অভিযোগ উঠেছে। সিবিআই হানায় অফিসারের বাড়ি থেকে ১.১৪ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত অফিসার এখন পলাতক। তবে তাঁর ভাইকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। তিনিও এই ঘটনায় জড়িত বলে মনে করছে তাঁরা। কয়েকদিন আগে চণ্ডীগড়ের সিবিআই দফতরে একটি দুর্নীতির মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলায় তদন্ত শুরু করেই এই ইডি অফিসারের খোঁজ পায় সিবিআই। তারপরই শিমলায় ইডি অফিস এবং তাঁর বাড়িতে হানা দেয় তাঁরা। সিবিআই এও জানিয়েছে, এই ইডি কর্তা এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে তিন বছর আগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ইডি অফিসারের বাড়ি থেকে প্রথম দফায় প্রায় ৫০ লক্ষ এবং দ্বিতীয় দফার তল্লাশিতে আরও ৫৪ লক্ষ টাকার মতো উদ্ধার হয়েছে। শিমলায় ইডির অফিসে গিয়ে ওই অফিসারের কেবিন থেকেও বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। এখন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে তাঁর খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে সিবিআই এবং চণ্ডীগড় পুলিশের যৌথ দল।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানে ব্যবসায়ীর গাড়ি থেকে উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, জামিন পেলেন ধৃত

পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্লাট থেকে টাকার পাহাড় মিলেছিল। সেই ঘটনায় অর্পিতার সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। হইচই পড়ে গিয়েছিল। তারপর হাওড়ায় ঝাড়খন্ডের বিধায়কদের গাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এবার বর্ধমানের তেলিপুকুর সাবওয়েতে এক ব্যবসায়ীর গাড়ির ডিকি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা টাকা উদ্ধার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। টাকা ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি চালকল ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানিয়েছেন, ধৃতের নাম অচিন্ত্য কুমার যশ। তিনি ধানকলের মালিক। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে।এদিকে এই ঘটনায় বর্ধমানের চালকল ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পড়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ পুলিশ বর্ধমান-আরামবাগ রোডের তেলিপুকুর মোড়ে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছিল। ওই সময়ে কালো রঙের একটি চারচাকা গাড়ি সেখানে পৌছাতেই পুলিশ গাড়িটি দাঁড় করায়। গাড়িতে দুজন মহিলা সহ পাঁচ জন ছিলেন। গাড়ির ডিকি খুলিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালাতে গেলে পুলিশ ডিকিতে কয়েকটি ব্যাগ দেখতে পায়। ওই ব্যাগগুলিতে টাকা ভর্তি রয়েছে দেখেই পুলিশ গাড়ি সহ যাত্রীদের আর যেতে না দিয়ে আটকে রাখে। এত টাকার উৎস কি তা জানার জন্য পুলিশ গাড়ির সকল আরোহীকে বর্ধমান থানায় নিয়ে যায়।জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, অচিন্ত্য যশ খণ্ডঘোষ ব্লকের উখরিদ অঞ্চলের শরঙ্গা গ্রামের বাসিন্দ। খণ্ডঘোষের বাদুলিয়া ও রায়নায় অচিন্ত্য যশের একাধিক চালকল রয়েছে। বর্ধমানের রামকৃষ্ণ পল্লীতেও ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি বর্ধমান শহরে বহুজাতিক সংস্থার একটি পোষাকের শোরুমও আছে ব্যবসায়ী অচিন্ত্য যশের। তাঁর ভাই একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক বলেও জানা জানা গিয়েছে। কোনও নথি ছাড়া মোটা অংকের নগদ টাকা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ ব্যবসায়ী অচিন্ত্য যশকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। ধৃতের আইনজীবী পার্থ হাটি এদিন বলেন, সন্দেহের বশে পুলিশ জিডি (জেনারেল ডাইরি) করে আমার মক্কেলকে গ্রেফতার করে। শনিবার তাঁকে আদালতে তোলা হতেই বিচারক জামিন দেন। আমরা পুলিশকে সব নথি জমা দেব। তবে বিচারক জামিন দিলেও টাকা বা গাড়ি এদিন ওই ব্যবসায়ী ফেরত পাননি।আদালত পুলিশের কাছে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর সেই রিপোর্ট পুলিশকে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৩
শিক্ষা

কোটি কোটি টাকা উদ্ধার, সাধারণের হাল ফিরবে কবে?

ইডির হানা মানেই টাকার পাহাড়। এ যেন ধারাবাহিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শনিবার গার্ডেনরিচে ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ১৭ কোটি টাকা। আমির খানের তিনটে মোবাইল সুইচঅফ। তাঁকে পাকড়াও করতে পারেনি ইডি। তার আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে হালিশহর পুরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানীর বাড়ি থেকে। কিন্তু কোটি কোটি টাকা কার? যার বাড়ি থেকে উদ্ধার হচ্ছে সে বলছে তাঁর টাকা নয়। প্রতিবার হানা দেওয়ার পর প্রশ্ন ওঠে এবার কার পালা?আরও পড়ুনঃ টালিগঞ্জ এগিয়ে থাকবে নাকি বেলঘরিয়া? অর্পিতার ফ্ল্যাটে এখনও চলছে গণনাকালো টাকার রমরমা যে নোটবন্দির পরে বন্ধ হয়নি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইডির অভিযানে উদ্ধার হওয়া টাকা বা সম্পত্তি নমুনামাত্র। কয়েকবছর আগে বালি পুরসভার এক ইঞ্জিনিয়ারের বাড়িতে হানা দিয়ে প্রায় ২৩ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছিল। কোমডের মধ্যেও টাক গুঁজে রাখা ছিল। ঘরের যেখানে হাত দিয়েছে সেখানে টাকা মিলেছিল। প্রশ্ন তাহলে কী এরাজ্যে আরও কালো কোটি কোটি রয়েছে নেতা-ব্যবসায়ীদের একাংশের বাড়িতে?আরও পড়ুনঃ ইডির হানায় খাস কলকাতায় মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ মহিলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার কোটি কোটি টাকা, বিদেশি মুদ্রালকডাউনে সাধারণ মানুষের দুর্দশার শেষ ছিল না। পরবর্তী সময়েও সেই দুর্দশা সেভাবে অনেকেই কাটিয়ে উঠতে পারেনি। দৈনন্দিন খরচের তুলনায় রোজগারও কমেছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। এটা সত্যি আমবাঙালীর নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। সেই পরিস্থিতিতে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার যেন সাধারণের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একশ্রেণির কাজ নেই, চাকরি নেই, কোনওরকমে দিন গুজরান চলছে, আরেক শ্রেণি বেআইনি ভাবে কোটি কোটি টাকা রোজগার করছে। অর্পিতা বলছেন, তাঁর বাড়িতে টাকা রেখেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী বলছেন তিনি কোনও টাকা রাখেননি। তাহলে ৫০ কোটি টাকা কী ভুতে রেখে গিয়েছে?আরও পড়ুনঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার অনুব্রত মন্ডল গ্রেফতার, গরুপাচার মামলায় সিবিআইয়ের জালে তৃণমূলের কেষ্টসাধারণের দাবি, প্রকৃতই এই কালো টাকার মালিক কারা তা প্রকাশ করতেই হবে। পাশাপাশি তাঁদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। দিনের পর দিন তোলাবাজি, কাটমানি, দুর্নীতি করে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবীকা বিপন্ন করে একশ্রেণির মানুষ ফুর্তি-আয়াসে দিন কাটাবে তা চলতে পারে না। সরকারের উপযুক্ত পদক্ষেপ করা উচিত।আরও পড়ুনঃ চিটফান্ড মামলায় গ্রেফতার হালিশহর পৌরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানিতোলাবাজি, কাটমানি, দুর্নীতি করে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি আধিকারিকদের একাংশ কীভাবে ক্রোড়পতি হয়েছেন তা আজ নানা প্রশ্ন। প্রকৃত তদন্ত হলে সেই সত্য উদ্ঘাটিত হবেই। যার ভাঙা সাইকেল, টালির বাড়ি ছিল সে আজ শুধু রাজনীতি করে নামে-বেনামে কোটি টাকা ও সম্পত্তির মালিক। এমনই কী চলতে থাকবে? বঞ্চিত থাকবে দেশের জনগণ? শিক্ষার কোনও মূল্য থাকবে না? নামেই ভিজিলেন্স?আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় টাকার পাহাড়, ব্যবসায়ীর বাড়ির খাটের নীচে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার ইডিরবিশিষ্ট কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কথায়, জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে, চিরস্থির কবে নীর, হায় রে, জীবন-নদে? একটা জন্মে মানুষ কোথায় ভাল কাজ করে দাগ রেখে যাবে তা নয়, যত অন্য়ায়, দুর্নীতি, পাপকাজ করার ঠিকা নিয়ে সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংসের খেলায় মেতেছে একাংশ। শুধু টাকার নেশায় মত্ত। সব কিছুর যেমন শেষ আছে একদিন এই ব্যবস্থাও কিন্তু শেষ হবে। তার পরিণতি কখনও ভাল হতে পারে না। তাই এখনই এসব অপকর্ম বন্ধ করতে উদ্যোগী হতে হবে। শুধু স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এসব চলতে দিলে একদিন বাঙালি জাতির অস্তিত্ব সংকট হতে বাধ্য। জাতিসত্তা তখন ইতিহাসেই থেকে যাবে। তখন সব কিছুই হাতের বাইরে চলে যাবে। কোন নিয়ন্ত্রণই করা সম্ভব হবে না।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
কলকাতা

ফের কলকাতায় টাকার পাহাড়, ব্যবসায়ীর বাড়ির খাটের নীচে বান্ডিল বান্ডিল টাকা উদ্ধার ইডির

কলকাতাজুড়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশিতে মিলল কোটি কোটি। এখন ইডির তল্লাশি মানেই টাকার পাহাড়ের সন্ধান। শনিবার গার্ডেনরিচে ব্য়বসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে খাটের তলা থেকে কোটি কোটি উদ্ধার করেছে ইডি। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্য়ায়ের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা পাওয়ার পর একনাগাড়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালিয়ে টাকা উদ্ধার চলছে।এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ কলকাতার বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। পরিবহণ ও এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়িতে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে হানা দেয় ইডি। নিয়ে আসে টাকা গোনার মেশিন। ওই ব্যবসায়ীর ঘরের খাটের তলা থেকে ইতিমধ্যে ৭ কোটি উদ্ধার করেছে ইডি। বাকি টাকা গোনার কাজ চলছে। সঙ্গে রয়েছে ব্যাংকের আধিকারিক। মোমিনপুর, পার্কস্ট্রিটেও তল্লাশি চালায় ইডি{কেন বাড়িতে কোটি কোটি রাখা হয়েছে? এগুলি কী ওই ব্যবসায়ীরই টাকা না কেউ এই টাকা রেখে গিয়েছে তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে ইডি{ সূত্রের খবর, মোবাইল গেম প্রতারণার মাধ্যমে এই কালো টাকা এসেছে{ প্লাস্টিকের প্যাকেট করা ২হাজার, ৫শো টাকার নোট মিলেছে। আছে ২শো চাকার নোটের বান্ডিলও।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

নাকা চেকিংয়ে ব্যবসায়ীর গড়ি থেকে উদ্ধার আয় বহির্ভূত প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা

আয়কর দফতরের নজর এড়াতে পারলেও পুলিশের নজর এড়াতে পারলেন না ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়া ব্যবসায়ীর গাড়ি থেকে উদ্ধার হল আয় বহির্ভূত প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা। ওই বিপুল পরিমাণ টাকা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করার পর খবর দেয় আয়কর বিভাগে। সরকারী নিয়ম মেনে পুলিশ এদিনই ওই টাকা আয়কর বিভাগের হাতে তুলে দেয়। ব্যবসায়ী ওই বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে পেলেন ও কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন সেই বিষয়ে পুলিশ ও আয়কর বিভাগ উভয়েই খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি জেলার কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রামে। মঙ্গলবার সকালে তিনি তাঁর চারচাকা গাড়িতে চড়ে বাদশাহী রোড ধরে মঙ্গলকোটের নতুনহাটের দিক থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন। ওই সময়ে ভাতার থানার পুলিশ বাদশাহী রোডে আলিনগর চৌরাস্তার মোড়ের কাছে নাকাচেকিং চালাচ্ছিল। ভাতার থানার ওসি সৈকত মণ্ডল জানিয়েছেন, পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়িতে তল্লাসি চালানোর সময় গাড়ির ভিতরে দুটি বড় ব্যাগ দেখতে পায়। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ দুটি ব্যাগের চেন খুলতেই দেখতে পায় ব্যাগ গুলির ভিতরে ভরা রয়েছে। ৫০০ ও ২০০ টাকার বাণ্ডিলের ওই টাকা গুনে দেখা যায় দুটি ব্যাগে মোট ৫৯ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ছিল। ও সি জানান, ওই টাকার উৎস সংক্রান্ত কোনও তথ্য ব্যবসায়ী দিতে না পারায় উদ্ধার হওয়া সমস্ত টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই টাকা এদিনই আয়কর বিভাগের হাতে তুলে দেয় ভাতার থানার পুলিশ।

মার্চ ২২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal