• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Medinipur

রাজ্য

ভোরে বাঁশ-লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা! মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভিডিয়ো

পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় বিজেপি কর্মী শামসের বিশ্বাসকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বাঁশ ও লাঠি নিয়ে একদল লোক দফায় দফায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার বিকেলে। একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছিল বলে খবর। পরে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে শান্ত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার ভোরে ফের গোলমাল শুরু হয়। সেই সময়েই শামসেরের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গিয়েছে।প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কয়েক জন ব্যক্তি বাঁশ ও লাঠি নিয়ে হামলা চালাচ্ছেন। এক বার নয়, একাধিক বার হামলার দৃশ্য ফুটেজে ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ওই ফুটেজ দেখে এখনও হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাটির সত্যতা এবং হামলার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।হামলায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হাতিহলকা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশি টহল চলছে।হামলাকারীরা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানা দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ নেই। তাঁর অভিযোগ, দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।অন্য দিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোলমাল এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। তাঁর দাবি, সেই পরিস্থিতির জেরেই ফের উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে শামসের বিশ্বাস আদৌ বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।ফলে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। ঠিক কী কারণে শুক্রবার বিকেলে বচসা হয়েছিল, তার সঙ্গে শনিবার ভোরের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সিসিটিভিতে দেখা ব্যক্তিরাই হামলায় জড়িত কি না এবং মৃত শামসেরের রাজনৈতিক পরিচয় কী ছিলসবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এখনও পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কারও নাম নিশ্চিত ভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরেই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ, সংবেদনশীল এলাকায় সরেজমিনে যাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তিন দিনের সফরে এসে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। শনিবার জেলায় পৌঁছেই তিনি দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে তিনি নিজে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। তাঁর প্রধান লক্ষ্য, ভয়মুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করা।এদিন বিকেলে জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বিশাল গর্গ এবং জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহার উপস্থিতিতে এই বৈঠক হয়। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আগের নির্বাচনে যে সব এলাকায় অশান্তি হয়েছিল, সেগুলির নিরাপত্তা নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।বৈঠক শেষে তিনি জানান, জেলায় প্রায় ৪০ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। এত বড় সংখ্যক ভোটারের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, প্রত্যেক ভোটার যাতে কোনও ভয় বা চাপ ছাড়াই নিজের ইচ্ছামতো ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই সফর।তিনি আরও জানান, আগের নির্বাচনগুলিতে যেখানে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা গিয়েছিল, সেই সব এলাকায় তিনি নিজে যাবেন। রবিবার জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে তিনি সরাসরি সেইসব এলাকায় পরিদর্শনে যাবেন। শুধু অফিসে বসে নয়, মাঠে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেই বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ভোট নিয়ে ভয়ের কোনও কারণ নেই। কমিশন এবং জেলা প্রশাসন মিলেই নিরাপদ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই কমিশন এবার আরও বেশি সতর্ক হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকায় সরাসরি নজরদারি বাড়ানো এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর এই উদ্যোগ জেলায় কড়া নিরাপত্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, দশ দিনের লড়াই শেষে প্রাণ গেল যুব ইঞ্জিনিয়ারের

নাইট ডিউটিতে যাওয়ার পথে গণপ্রহারের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন এক যুব ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ, বয়স তেত্রিশ। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট ফেব্রুয়ারি রাতে খড়গপুরে কাজে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় একদল মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে আটকায় এবং বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা শোনা হয়নি এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত হাইটেক হাসপাতাল ভুবনেশ্বর এ স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার রাত দশটা চৌত্রিশ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে তাঁর দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ জানান, হাসপাতালে গিয়ে তাঁর অবস্থা দেখে তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। পরিবারের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

আইপ্যাকের মাধ্যমে গোয়ায় খরচ কোটি কোটি টাকা! মেদিনীপুর থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

মেদিনীপুরে বিজেপির সংকল্প যাত্রা থেকে রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী সেখানে গিয়ে একটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়েই সরব হন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আইপ্যাকের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা গোয়ার নির্বাচনে খরচ করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অথচ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশের পর ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর বক্তব্য, খসড়া তালিকার পরে আর তৃণমূলের সঙ্গে কোনও পার্থক্য নেই। এই নির্বাচন বাংলাকে বাঁচানোর নির্বাচন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সভা থেকে শুভেন্দু অভিযোগ করেন, রাজ্যে আদিবাসীদের উপর নানা ভাবে অত্যাচার চলছে। তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ১৯ হাজার স্কুল বন্ধ করেছেন এবং ৬,৮৮৮টি শিল্প রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, শেষ এসএসসি নিয়োগ হয়েছিল ২০১৫ সালে এবং ৫১টি কর্মসংস্থান কেন্দ্রে তালা ঝুলছে।কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী একশো দিনের কাজে ৫৪ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ তা পাননি। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ৪০ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথা বলা হলেও সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু।২০২২ সালের কয়লা কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ওই দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা আইপ্যাকের মাধ্যমে গোয়ার নির্বাচনে খরচ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ইডির কাজে বাধা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন যে তাঁর আর এক মুহূর্তও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে থাকা উচিত নয়। শুভেন্দু বলেন, আইপ্যাক একটি কর্পোরেট সংস্থা, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে কয়লা কেলেঙ্কারির টাকা তৃণমূলের তহবিলে ঢুকেছে এবং হাওয়ালার মাধ্যমে বিপুল অর্থের লেনদেন হয়েছে।সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হওয়ার সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর আশীর্বাদ ছিল। তখন পরিবর্তনের জন্য বিজেপির সাহায্য নেওয়া হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তখন তিনি দিদি ছিলেন, এখন পিসি হয়ে গিয়েছেন।আগামী দিনে সনাতনী ও আদিবাসীদের একজোট হয়ে তৃণমূলকে সরানোর ডাক দেন শুভেন্দু। ইডি হাইকোর্টে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলা এখন অ্যাকশন দেখতে চায়। চোরদের নির্মূল করতে হবে। আইপ্যাক ও ইডি সংক্রান্ত ঘটনায় বিজেপি এক ইঞ্চিও ছাড়বে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। শেষমেশ নন্দীগ্রাম ও নেতাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেই আন্দোলন না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও দিন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

স্যালাইন-কাণ্ডে অনির্দিষ্টকালীন কর্মবিরতি মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

এবার অনির্দিষ্টকালীন কর্মবিরতি মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। স্যালাইন-কাণ্ডে (Saline Controversy) হাসপাতালের ১২ চিকিৎসককে সাসপেনশনের প্রতিবাদেই এককাট্টা চিকিৎসকরা এবার আন্দোলনের পথে। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশ পূর্ণ কর্মবিরতিতে সামিল হয়েছেন।আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের স্পষ্ট বক্তব্য, যতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে না নেবে ততদিন তাঁদের এই কর্মবিরতি চলবে। এদিকে স্যালাইন কাণ্ডে ইতিমধ্যেই মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের ওই ১২ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় FIR দায়ের হয়েছে। CMOH-এর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই FIR বলে জানা গিয়েছে।শুক্রবার থেকে কর্ম বিরতিতে অ্যানেস্থিসিয়া ও গাইনোকোলজিস্ট এর দুটি ডিপার্টমেন্টের ২২ জন ডাক্তার সহ মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র ডাক্তাররা। যদিও শুক্রবার সকালে জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠকের পর জানান, সম্পূর্ণ কর্মবিরতি হচ্ছে না জরুরি পরিষেবা সহ ওপিডি চালু থাকছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
রাজ্য

স্যালাইন-কাণ্ডে এক যোগে ১২ চিকিৎসককে শাস্তি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ৩ প্রসূতি সঙ্কটেই

স্যালাইন-কাণ্ডে (Saline Controversy) চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তিনি চিকিৎসকদেরকে কাঠগড়ায় তুললেন। বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে মাকে এবং সন্তানকে বাঁচানো যেত। চিকিৎসকদের একাংশের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন মমতা। এদিন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনায় ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।মেদিনীপুর হাসপাতালের স্যালাইন-কাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য। মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্তান প্রসবের পর পরই পাঁচ প্রসূতি আচমকা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অভিযোগ, ওই প্রসূতিদের হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দেওয়ার পরেই তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অসুস্থ হয়ে এক প্রসূতির মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে স্যালাইন নিয়ে অসুস্থ হওয়া এক প্রসূতির সদ্যোজাত শিশুরও মৃত্যু হয়েছে। ৩ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি আছেন এসএসকএম হাসপাতালে। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভাগ্য যাঁদের কাছে নির্ধারিত হয়, যাঁদের হাতে সন্তানের জন্ম হয়, তাঁরা যদি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতেন তাহলে মা এবং সন্তানকে বাঁচানো যেত।এদিন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজের ঘটনায় এদিন ১২ জন চিকিৎসককে সাসপেন্ডের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর মধ্যে চিকিৎসক-জুনিয়র চিকিৎসক রয়েছেন। একই সঙ্গে অসুস্থদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী। চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের সরকারের একটা পলিসি আছে। সিনিয়র চিকিৎসকদের ৮ ঘন্টা ডিউটি করার কথা। সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং পরিষেবা দিতে হবে তাঁদের। প্রসূতি মায়েদের সিজার করার কথা সিনিয়র চিকিৎসকদের। রোগীদের পরিষেবা দেওয়া চিকিৎসকদের কাজ।উল্লেখ্য, মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্তান প্রসবের পরপরই স্যালাইন দেওয়ার পর মামনি রুইদাস নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। একজন মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থেকেই সুস্থ হয়েছেন। তবে বৃহস্পতিবার সকালেই রেখা সাউ নামে ওই প্রসূতির সদ্যোজাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জন্মের পর থেকেই শারীরিক নানা অসুস্থতা নিয়ে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন ছিল ওই সদ্যোজাত শিশুটি। বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
রাজ্য

অধিকারী গড় পূর্ব মেদিনীপুরে ফের জেলাশাসক পদে পূর্ণেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বদল। ফেরানো হলো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে। নির্বাচনের আগে এই জেলায় জয়শী দাশগুপ্তকে জেলাশাসক করে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী আচরণবিধি উঠে যেতেই জয়শীকে জেলাশাসকের পদ থেকে সরানোর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল গতকাল। ঘোষণা প্ নতুন জেলাশাসকের নাম।লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট লুঠ করা হয়েছে। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, ওসি-আইসিদের নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিতেই বিজেপি ভোট লুঠ করেছে। নানা পন্থা অবলম্বন করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলকে।উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি ও তমলুক লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের এগরা ও ঘাটালের পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা ক্ষেত্রেও লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার ১৬টির মধ্যে ১৫টি বিধানসভা এলাকায় এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে যে জেলাশাসকদের বিভিন্ন জেলায় আনা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককেই প্রথম সরানো হল। রাজনৈতিক দিক থেকেও তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। গত ২২ মার্চের বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন আইএএস জয়শী দাশগুপ্ত। তৎকালীন জেলাশাসক তনভীর আফজলকে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতরের বিশেষ সচিব করা হয়েছিল।পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জেলাশাসকের দায়িত্ব সামলানো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণার আগে তাঁকেও বীরভূমের জেলাশাসক করা হয়েছিল। বীরভূমের জেলাশাসক বিধানচন্দ্র রায় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের দায়িত্বে আসেন।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরানো হয় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককেও। ২২ মার্চ বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক হবেন আইএএস কে রাধিকা আইয়ার। তখন বিধানচন্দ্র রায়কে বিদ্যুৎ দফতরের বিশেষ সচিব পদে পাঠানো হয়েছিল।বীরভূমের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজিকে বদলি করা হয়েছিল রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগমের এমডি পদে। এবার তাঁকে পাঠানো হলো পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক করে, যে দায়িত্ব তিনি আগেও সামলেছেন।

জুন ১০, ২০২৪
রাজনীতি

শুভেন্দু গড়ে জনসভায় গড়হাজির, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকে মোদীর নিশানায় তৃণমূল

প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাহত হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি। কাঁথি এবং তমলুকের সভা তাঁকে সারতে হল ঝাড়গ্রাম থেকেই। সোমবার ঝাড়গ্রামে ছিল মোদীর দ্বিতীয় জনসভা। আবহাওয়াজনিত কারণে, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকেই তিনি কাঁথি এবং তমলুকের প্রার্থীদের হয়ে ভাষণ দেন।এক সভা থেকে অন্য সভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী কপ্টারে করে পৌঁছন। কিন্তু, তাঁর কপ্টার ছাড়ার অনুমতি রক্ষীরা দেননি। তার কারণ, পুরোপুরি আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ। সোমবারই প্রধানমন্ত্রীর তমলুকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল। পাশাপাশি যাওয়ার কথা ছিল কাঁথির বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর হলদিয়ার সভায়। কিন্তু, সেখানে পৌঁছতে না পেরে ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর সভামঞ্চ থেকেই তিনি বাকি দুটি সভার কাজ সারেন। প্রধানমন্ত্রী যে দুটি সভায় স্বশরীরে থাকতে পারবেন না, তা বিজেপি কর্মীদের জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।ঝাড়গ্রামের সভাস্থল থেকে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে চরম আক্রমণ করেন। এর আগে রবিবার পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর এবং মেদিনীপুরে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার দেশে পঞ্চম দফা লোকসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে বাংলায় সাতটি আসনে হয়েছে নির্বাচন। এমনিতে প্রতিটি নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী সভা করেন। যে অঞ্চলে ভোট হবে, সেই জায়গার জন্য তিনি সভা করেন।প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচি বহু আগে থেকেই ঠিক থাকলেও আবহাওয়া দফতর সোমবার সকালেই জানিয়েছে, রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হবে। সঙ্গে বজ্রপাতেরও সম্ভাবনা আছে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ইতিমধ্যে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন রাজ্যের মানুষ। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর সভাও প্রাকৃতিক দু্যোগের কারণে ব্যাহত হল। তবে, প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছতে না পারলেও দুর্যোগ উপেক্ষা করে বিজেপি কর্মীরা সভায় যোগ দিয়েছিলেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃবৃন্দের দায়িত্ব ছিল বুথকর্মীদের সভাস্থলে নিয়ে আসার। তাঁরা সেইমত দূর-দূরান্ত থেকে কর্মীদের ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সভাস্থলে নিয়ে এসেছিলেন।

মে ২১, ২০২৪
রাজ্য

উনি (মমতা) মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন, বিজেপি রাজ্যনেতা করেছে, বললেন শুভেন্দু

একসময় দুজনই একদলে ছিলেন। জনগণ মনো অধিনায়কা বলে বক্তব্য শুরু করতেন। এখন ২ জন সম্মুখ সমরে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করতেই ওয়াকআউট করে পরে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।শুভেন্দুর বক্তব্য, উনি আমাকে মেদিনীপুরের নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি আমাকে রাজ্যে নেতা করে দিয়েছে। বিরোধী দলনেতাকে হজম করা মুশকিল তাই ভাববাচ্যে কথা বলছেন। ২০১৮ সালে আমার এলাকা কাঁথিতে ভোট লুঠ করতে দিইনি বলেই উনিশের নির্বাচনে কাঁথি-তমুলকে আপনাকে জিতিয়েছিলাম।২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। বাবা শিশির অধিকারী ও ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী তৃণমূলের সাংসদ হয়েছিলেন। তার আগে ২০১৮-তেও ঘাসফুল ভোট লুট করেছিল বলে ফের সরব বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেছেন, ২০১৮ সালে ভোট লুঠ করেছিলেন বলেই উনিশের লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর, মালদহ উত্তর, বালুরঘাট, রানাঘাট, ব্যারাকপুর, বর্ধমান, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রামে হেরেছিলেন। যাদের ভোট দিতে আটকেছেন তাঁরাই বদলা নেবে।শুভেন্দুর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জেলার নেতা করে রেখেছিলেন। বিজেপি তাঁকে রাজ্যের নেতা করেছে।

জুলাই ২৭, ২০২৩
রাজ্য

বুথ সভাপতি খুনে ময়নায় ১২ ঘন্টার ডাকা বিজেপির বনধে উত্তেজনা

এদিন সকাল থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির ডাকা বনধ শুরু হয়ে হয়েছে। চলে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ, বিক্ষোভ, অধিকাংশ দোকানপাট এদিন বনধ আছে। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বনধ সমর্থকদের বচসা বাধে। দোকান খোলা নিয়ে বেশ কিছু বাজারে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। সোমবার রাতে ঘটনার পর থেকে থেকে দফায়-দফায় উত্তেজনা ছড়ায় ময়নায়। রাতভর থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তারপর মঙ্গলবারও সারা দিন টায়ার জ্বালিয়ে চলে পথ অবরোধ-বিক্ষোভ পূর্ব মেদিনীপুরের নানা স্থানে। ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার ময়না এলাকায় বনধের ডাক দেয় বিজেপি।এদিকে সোমবার শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, বুধবার ১২ ঘণ্টার বনধ। পাঁশকুড়া থেকে দিঘা পর্যন্ত ১০০ জায়গায় অবরোধ হবে। ৪ মে ময়নায় প্রতিবাদ মিছিল হবে। নিহতের পরিবারের দায়িত্ব নিচ্ছি। সিবিআই তদন্তের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব।এদিন ময়না থানা এলাকার বিভিন্ন বাজার এলাকায় বনধের চিত্র দেখা যায়। অন্নপূর্ণা বাজারে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এদিনও দফায় দফায় টায়ার জ্বালিয়ে, রাস্তায় বেঞ্চ পেতে, পাতাকা টাঙিয়ে অবরোধ-বিক্ষোভ করে বিজেপি। বিজেপির দাবি, সোমবার রাতে দলের বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে খুন করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।

মে ০৩, ২০২৩
রাজ্য

অবশেষে ভূপতিনগরের বিস্ফোরণস্থলে ফরেন্সিক দল

ঘটনার চার দিনের মাথায় পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরের বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। কেন ওখানে যেতে এত দেরি তাই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এদিকে কলকাতা হাইকোর্টে ওই ঘটনার এনআইএ তদন্ত করার আবেদন জানিয়ে মামলাও হয়েছে। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে ভূপতিনগরের ঘটনার এনআইএ তদন্ত চেয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পিছনে রয়েছে বিজেপি। তাই তারাই এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে।কাঁথিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির অনতিদূরেই গত শনিবার জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই জনসভায় বক্তব্য রাখেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগের দিন শুক্রবার রাতে ভূপতিনগরে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ওই নেতাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। জখম হয়েছেন আরও ২ জন। এরপরই ভূপতিনগরের বিস্ফোরণ নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে দাবি, পাল্টা দাবি শুরু হয়ে যায়। তবে নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রীর দাবি, বাজি বানানোর সময় বিড়ি ধরাতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটেছে।এরইমধ্যে ঘটনার পর দিনও ভূপতিনগরের ওই বিস্ফোরণস্থলে দেখা যায়নি পুলিশকে। পরবর্তীতে সেখানে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। চার দিনের মাথায় সেই স্থানে নমুনা সংগ্রহ করতে যান ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। আদৌ বিস্ফোরণের সমস্ত তথ্য়প্রমান মিলবে কিনা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন পুলিশ অধিকারিকরা। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা গাঁইতি, কোদাল নিয়ে বিস্ফোরণস্থলে খোঁড়াখুঁড়ি করেন। সূত্রের খবর, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ওই ঘরের মেঝের নীচেই বিস্ফোরক মজুত ছিল। সেই থেকেই সম্ভবত বিস্ফোরণ। জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টে এদিন এনআইএ আবেদনের মামলার শুনানি হতে পারে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

পুলিশ ইচ্ছা করলে গুলি চালাতে পারত, শান্তিপূর্ণ ভাবে ম্যানেজ করেছেঃ মমতা

ফের বিজেপির নবান্ন অভিযান নিয়ে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, পুলিশ ইচ্ছা করলে গুলি চালাতে পারত। সংযত ভাবে আচরণ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে ম্যানেজ করেছে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর বিজেপির আক্রমণের নিন্দাও করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল নবান্ন অভিযানে কলকাতায় বিজেপি কর্মীদের মারধরে গুরুতর জখম কলকাতা পুলিশের এসিপি দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায় এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর হাত ভেঙেছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ওই পুলিশ কর্তার অস্ত্রোপচার করতে হবে। মমতার বক্তব্য, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আন্দোলন হতেই পারে। গণতন্ত্রে সবার আন্দোলন করার অধিকার আছে। কিন্তু ট্রেন ভাড়া করে গুন্ডা আনবে? বাইরের রাজ্য থেকে ট্রেনে করে লোক নিয়ে এসেছে। ব্যাগে করে বোম নিয়ে আসব, বন্দুক নিয়ে আসব, মাথা ফাটাবো।নবান্ন অভিযানে এমজি রোডে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধারনার ঘটনা ঘটেছে। আন্দোলনের জেরে দোকান-পাট বন্ধ রাখতে হয়েছে। নবান্ন অভিযানে ব্যবসায়ীদের বিপুল ক্ষতি হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক বৈঠকে মন্তব্য করেছেন। মমতা বলেন, আন্দোলনের জেরে বড়বাজার, মঙ্গলাহাট বন্ধ ছিল। পুজোর আগে ব্যবসায়ীদের বড় ক্ষতির মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

২০ বছরের বেশি ব্লক সভাপতি, চক্রান্ত হয়েছিল দাবি তৃণমূল নেতার

চক্রান্ত হলেও দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নেত্রীর বিশ্বাসকে চিড় ধরানোর জন্য কেউ বা কারা এ কাজ করেছিল। বললেন কুড়ি বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। প্রসঙ্গত পুনরায় খড়্গপুর ২ নং ব্লক তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন তৃষিত মাইতি। এরপর দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি এদিন।আজ এক সাক্ষাৎকারে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃষিত বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত তৈরী হয়েছিল। দলেরই একাংশ চায়নি তিনি পুনরায় ব্লক সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হোন। কিন্তু দল সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে, সঠিক বিচার বিবেচনার মধ্য দিয়ে পুনরায় দলের খড়্গপুর ২ নং ব্লকের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন দল পরিচালনার জন্য। তবে দলের মধ্যে থেকে কে বা চক্রান্ত করেছে তা খোলসা করে জানাননি তৃষিত বাবু।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে দুজন যুবক, এলাকায় উত্তেজনা

শুক্রবার স্কুলের মধ্যাহ্নভোজের সময় পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে স্থানীয় দুজন যুবক, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ওই দুই যুবক লস্যি খেতে খেতে যাওয়ার সময় ওই লস্যি ছাত্রীদের গায়ে ছুড়ে মারে,ধৃত ২ যুবক বলেন, ক্লাস রুম থেকে ক্লাস সেভেনের ছাত্রীরা ভেঙ্গানোর ফলেই রাগবশত ওই লস্যি তাদের গায়ে ছুড়ে মারে, আতঙ্কিত ছাত্রীরা অসুস্থ বোধ করলে তাদের তৎক্ষণাৎ পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।ছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে যান স্কুলের শিক্ষিকারা, স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানান ওই চারজন ছাত্রীর মধ্যে দুজনের স্যাম্পেল পরীক্ষা করার পর এসিড হালকা স্যাম্পল পাওয়া যায়, এখন ছাত্রীদের অবস্থা স্থিতিশীল, প্রত্যেককেই তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

শুভেন্দুর কনভয়ে দুর্ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই মারিশদা-সহ একাধিক থানার ওসি বদল, জোর জল্পনা পূর্ব মেদিনীপুরে

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একাধিক থানায় প্রশাসনিক স্তরে রদবদল হল। মারিশদা থানার ওসি বদল নিয়ে নতুন জল্পনা। জেলার রাজনৈতিক মহলের ধারণা, একাধিকবার দুর্ঘটনার কবলে বিরোধী দল নেতার গাড়ি। তাই কি মারিশদা থানার ওসি বদল? না, শুধু মারিশদা থানা নয়, বদল হয়েছে একাধিক থানার ওসি। মারিশদা থানা থেকে ওসি রাজু কুণ্ডুকে সরিয়ে পাঠানো হয়েছে পটাশপুরে। সেখানেও তিনি ওসি পদেই কর্মরত। মারিশদায় পাঠানো হয়েছে কাঁথি থানার এসআই সৌমেন গুহকে। ওসি পটাসপুর দীপক চক্রবর্তীকে পাঠানো হয়েছে দীঘা মোহনা থানায়। ওসি দীঘা মোহনা অমিত দেব খেজুরি থানার দায়িত্বে এসেছেন। তিনি এখানে ওসি পদে কর্মরত। খেজুরি থানার ওসি কামের হাসিদকে কাঁথি থানায় পাঠানো হয়েছে।মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ একটি বদলি নির্দেশিকা পাওয়া গিয়েছে জেলা পুলিশ সূত্রে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় উল্লেখ্য, মারিশদা থানার বেতালিয়াতে বিকেল চারটায় পনেরো নাগাদ বিরোধী দল নেতা কাঁথি থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। কয়েকদিন আগেই এই থানা এলাকায় রথের দিন দুরমুঠের সামনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একটি ট্রাক মুখোমুখি চলে আসে। শুভেন্দুর কনভয়ে থাকা শেষ গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে যায়। তবে সেই গাড়িতে ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ওই এলাকার থানার ওসি বদল ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বারবার বিরোধী দলনেতার গাড়ি এভাবে দুর্ঘটনার মুখে পড়ার ফলেই কি ওসি বদল হল? তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশসুপার অমরনাথ কে ফোনে জানিয়েছেন, এটি রুটিন মাফিক বদল। এতে কোনও অস্বাভাবিকত্ব নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজনীতি

প্রার্থী হয়েছেন বিজেপি ও 'দাদার অনুগামী'রা, অনুমোদন পায়নি আমার তালিকা', রাজ্যের মন্ত্রীর কথায় থামল বিক্ষোভ

মন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিক্ষোভ থামল পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। কাঁথি ও এগার পুরসভার নির্বাচন পরিচালন কমিটির আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। মন্ত্রীর পাঠানো তালিকা যে অনুমোদন পায়নি সেকথাও জানিয়েছেন অখিল গিরি। পাশাপাশি বিজেপি ও দাদার অনুগামীরা প্রার্থী তালিকায় জায়গা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।এদিন তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার পর থেকে রাজ্যের নানা দিকে ক্ষোভ-বিক্ষোভ শুরু হয়। এদিন রাতে কাঁথিতে রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। তিনি বলেন, কাঁথি ও এগরার নির্বাচন কমিটির কনভেনর আমি। আমি যে প্রার্থী তালিকা পাঠিয়েছি দল সেই তালিকা অনুমোদন দেয়নি। যা তালিকা এসেছে আমার কাছে সেই তালিকা আমার নয়। আমার কাছে কপি আছে আপনারা দেখতে পারেন। আপনাদের নিশ্চিত ভাবে ক্ষোভ আছে।শেষমেশ মন্ত্রীর কথাতেই বিক্ষোভকারীরা শান্ত হন। একই সঙ্গে মন্ত্রীর দাবি, প্রার্থী তালিকায় বিজেপির দুএকজন আছে। দাদার অনুদামী হিসাবে চিহ্নিত, দাদার সঙ্গে যোগাযোগ আছে তারাও প্রার্থাী তালিকায় রয়েছে। তারা কিভাবে জাযগা পেল আমি জানি না। আমি নিজেই এই তালিকা দেখে মর্মাহত। আমি নিজে নির্বাচন কমিটির কনভেনরশিপ কালই ছেড়ে দেব। আপনারা শান্ত হোন বাড়ি যান।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Bangla Pakha: শালবনিতে জিন্দাল ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজের দাবিতে বিক্ষোভ বাংলা পক্ষর

পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে জিন্দাল ফ্যাক্টরিতে কাজে বাঙালিসহ ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। এমনকি সম্প্রতি ফ্যাক্টরি থেকে ৫০ জন বাঙালি কর্মীকে কারণ না দেখিয়ে ছাঁটাই করা হয়েছে। এরই প্রতিবাদে, ফ্যাক্টরিতে বাঙালিসহ ভূমিপুত্রদের কাজের দাবিতে বাংলা পক্ষর পশ্চিম মেদিনীপুর শাখা বিক্ষোভ দেখায়। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, অমিত সেন, সোয়েব আমিন, জেলা নেতৃত্ব অমিত দে সহ সায়ন মিত্র, আনোয়ার হোসেন ও অন্যান্যরা।বিক্ষোভ কর্মসূচী থেকে স্পষ্ট দাবি ওঠে, জিন্দাল ফ্যাক্টরি সহ বাংলার সমস্ত ফ্যাক্টরি, কোম্পানীতে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের মাটিতে শিল্প হয়েছে, কারখানার ধোঁয়া খাই৷ চাকরিও স্থানীয় মানুষের চাই। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিটা প্রতিনিধিকে অনুরোধ, জিন্দালের ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজের ব্যবস্থা করুন। আপনারা তো বাংলার প্রতিনিধি, বিহার-ইউপির না।বাঙালির স্বার্থে ক্রমাগত লড়াই করে চলেছে বাংলাপক্ষ। কৌশিক মাইতি বলেন, বাংলা জুড়ে বাংলা পক্ষ বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে লড়ছে। জিন্দাল কর্তৃপক্ষকে ধিক্কার। তারা এখানে ব্যবসা করলেও ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করে বিহার-ইউপি থেকে লোক আনা হচ্ছে। স্থানীয় বাঙালিদের ছাঁটাই করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ মানবে না, বাঙালি মানবে না। ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস স্থানীয় সমস্ত ভূমিপুত্রদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হলে তবেই বাঙালির অধিকার আদায় হবে।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Durgapuja Vandalism: বাংলাদেশের পথেই এগোচ্ছে বাংলা – কেন এমন বললেন দিলীপ-শুভেন্দুরা?

একুশের নির্বাচনের সময় প্রচারে বিজেপি নেতারা বলেছিলেন বাংলায় দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হয় না। এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক দাবি শুধু বাংলাদেশেই নয় বাংলাতেও প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ডের ঘটনাকে সামনে এনেছেন। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে ইসকন মন্দিরে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতফেসবুকে নিজের ওয়ালে তিনি লিখেছেন যারা বাংলাদেশের দুর্গাপুজোর উপর হামলা নিয়ে খুব চিন্তিত, তারা কি জানেন যে খোদ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডের একটি পুজোর দুর্গা প্রতিমা কিছু দুষ্কৃতী এসে ভেঙে দিয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজ্যের পুলিশ ও তার উচ্চ আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তড়িঘড়ি প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা করে। তবে কী পশ্চিমবঙ্গ এবার বাংলাদেশের দিকে এগোচ্ছে?একই সুরে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীইও। টুইট করে তিনি বলেছেন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ সবটা দেখেছে। এখন কোথায় গেল সব বুদ্ধিজীবীরা?

অক্টোবর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Child Abuse: একরত্তি শিশুকে আছড়ে ফেলছেন পরিচারিকা, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠলেন বাবা-মা

এমন দৃশ্য দেখে যে কেউ আঁতকে উঠতে বাধ্য। এক রত্তি শিশুকে কাঁধের ওপর তুলে বিছানায় সজোরে আছড়ে ফেলছে পরিচারিকা। শিশুটির পিঠেও আঘাত করা হচ্ছে। সিসিটিভির এই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠেছেন বাড়ির কর্তা-গিন্নি। দুজনকেই কাজের তাগিদে বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে পরিচারিকা রেখেছেন শিশুটিকে দেখাভালের জন্য। বাবা-মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত পরিচারিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, বাবা দেবাশিস দাস বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক, মা নবমিতা ভট্টাচার্য মেদিনীপুরের পাবলিক হেলথের ডিস্ট্রিক্ট ম্য়ানেজার। তাঁদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে শিশুটিকে দেখভালের জন্য রেখেছেন জনৈক কল্পনা সেনকে। বছর পঞ্চাশের এই স্থানীয় মহিলা ২০১৮ সাল থেকে দেবাশিসবাবুদের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বাবার বাড়িতে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে গত মে মাসে ফের ফ্ল্যাটে এসে ওঠেন নবমিতা। দেবাশিসবাবু প্রতি শনিবার ফ্ল্যাটে আসেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিচারিকা কল্পনার অচরণে সন্দেহ হয় দেবাশিসবাবু ও নবমিতার। তাঁরা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করেন। কিন্তু সিসিটিভির বিষয়টা পরিচারিকা জানাননি। তাঁরা মোবাইলে অনলাইনে সিসিটিভির মাধ্যমে বাড়ির প্রতি নজর রাখতেন। বৃহস্পতিবার মোবাইলে অনলাইনে মেয়েকে দেখতে গিয়ে আঁতকে ওঠেন দেবাশিসবাবু। তিনি দেখেন পরিচারিকা তাঁর একরত্তি শিশুর ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। বিছানার ওপর আছড়ে মারছে তাঁর শিশু সন্তানকে। মারধরও করছে। বিষয়টি স্ত্রী নবমিতাকে জানান দেবাশিসবাবু। তড়িঘড়ি দুজনে বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। আপাতত পরিচারিকার স্থান শ্রীঘরে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal