• ১৩ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata Banerjee,

রাজনীতি

Mamata Meeting: আজও দিনভর হেভিওয়েট বৈঠকে মমতা

মঙ্গলবারের মতো বুধবারও রাজধানীতে দিনভর কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে মমতার। বুধবার তাঁর সঙ্গে একাধিক ওজনদার নেতার দেখা করার কথা রয়েছে। তৃতীয় দিনের দিল্লি সফরে আজ ১০ জনপথে যেতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, আজ বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ সেখানে সনিয়ার সঙ্গে বৈঠক করতে যাবেন তিনি। তার আগে দুপুর ১টায় সুখেন্দুশেখর রায়ের বাড়িতে দলীয় সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় সাংসদদের উপস্থিত থাকতে বলেছে তৃণমূল। আর সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার কথা তৃণমূল নেত্রীর।আরও পড়ুনঃ কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধুএ ছাড়া আজ বিজেপি বিরোধী একাধিক নেতার সঙ্গেও তাঁর দেখা করার কথা রয়েছে। ফলে আজ দিনভর মমতার গোটা কর্মসূচির উপর নজর থাকবে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Rajyasabha: রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

রাজ্যসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন আমলা ও প্রসারভারতীর প্রাক্তন সিইও রাজ্যসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হচ্ছেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস টুইট করে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এর আগে কে প্রার্থী হবেন তা নিয়ে অনেকের নাম নিয়েই জল্পনা চলছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে যথেষ্ট গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।নাম ঘোষণার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জহর সরকার। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, এটা আমার কাছে অবিশ্বাস্য। আমার ৪২ বছরের সরকারি চাকরি জীবনে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না, এখনও নেই। তবুও আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।We are delighted to nominate Mr. @jawharsircar in the Upper House of the Parliament.Mr. Sircar spent nearly 42 years in public service was also the former CEO of Prasar Bharati. His invaluable contribution to public service shall help us serve our country even better! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) July 24, 2021নির্বাচন কমিশন গত ১৬ জুলাই এরাজ্যে রাজ্যসভার একটি আসনে ভোটের দিন ঘোষণা করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ২৯ জুলাই। ভোটগ্রহণ ৯ অগাস্ট। দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে নির্বাচন হবে। কিন্তু এখনও মানস ভুঁইয়ার ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনেের ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি।তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী পদত্যাগ করায় এরাজ্য থেকে একটি আসন শূন্য হয়। পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। সেই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল। যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায়ের নাম নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে ছিল।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজনীতি

মুকুলের দলবদল, ৬৪ পৃষ্ঠার তথ্যপ্রমাণ অধ্যক্ষকে পাঠিয়েছেন শুভেন্দু

বিধানসভার পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান হলেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে তিনি প্রকাশ্যে দলনেত্রীর উপস্থিতিতে দলবদল করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। বিজেপির দাবি, পিএসি কমিটির যে ৬ জনের সদস্যের নামের তালিকা পাঠানো হয়েছিল তাতে মুকুল রায়ের নাম ছিল না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর হুঙ্কার, চেয়ারম্যান হয়েও সদস্যপদ টিকিয়ে রাখতে পারবেন না মুকুল রায়।মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে এদিনও হুঙ্কার ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা বলেন, ইতিমধ্যে বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে আমি ৬৪ পৃষ্ঠা তথ্যপ্রমাণ সমৃদ্ধ অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করেছি। আগামী ১৬ তারিখ ২টোর সময় তিনি শুনানিতে ডেকেছেন। আমি আমার তথ্যপ্রমাণের সমর্থণে অধ্যক্ষের শুনানিতে থাকব। এটাও আমরা জানি, বিগত দিনে একজন বিধায়কের বিরুদ্ধে বামফ্রণ্ট পরিষদীয় দল অভিযোগ করেছিল। ২৩ বার হেয়ারিং হয়েছে, শুনানি শেষ হয়নি। ১৬ তারিখটা আসছে তারপর যেখানে গেলে বিচার হবে সেই বিচার ব্যবস্থার দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপির পরিষদীয় দল। আমার স্থির বিশ্বাস, যে মুকুল রায়কে চেয়ারম্যান করেছে তাঁর সদস্যপদ রাখতে পারবে না তৃণমূল কংগ্রেস।এদিকে এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ভোটাভুটি হলেও মুকুল রায় পিএসির চেয়ারম্যান হবে। যদিও একথাও বলেছিলেন মুকুল রায় তো বিজেপির সদস্য। কেন তিনি বিজেপি ছাড়লেন? সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল ভবনে মুকুল রায় বলেছিলেন, পরে লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেবেন। এর আগে বহু বিধায়ক দলবদল করলেও বিধায়ক পদে থেকে গিয়েছেন। এবার যে তা হবে না সেই চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, মুকুল রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। দল ছাড়ার সব প্রমাণ আছে।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mamata: "২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ", তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

বামেদের ২৩৫-এর দম্ভ যেন তাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যে ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক, বিধায়ক, আইপিএস, আইএএসরা যুক্ত বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার মূলতুবি প্রস্তাব অধ্যক্ষ বাতিল করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহার২০০৬-তে ২৩৫টি আসন পেয়ে বামফ্রণ্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ফিরে এসেছিল। সেই বিপুল জনসমর্থনে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বামফ্রণ্টকে, বিশেষত সিপিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা ২৩৫, আপনারা ৩০। এভাবেই ক্ষমতা জাহির করেছিলেন তিনি। এবার সিপিএম বা বাম প্রতিনিধি বিধানসভায় শূন্য। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সব কথায় ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। ২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ যদি দেখান, তাহলে বিএ কমিটিতে গিয়ে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই বিএ কমিটির বৈঠকে যাইনি। এটা আমাদের বয়কট নয়। এটা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদ। আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেভূয়ো টিকা নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। শুভেন্দু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আজ আমাদের বিধায়ক ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আলোচনার জন্য মূলতুবি প্রস্তাব দেয়। কেন আলোচনা হবে না ভূয়ো টিকা নিয়ে? ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে মূলতুবি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা কর্পোরেশনের পুরপ্রশাসক থেকে একাধিক বিধায়ক, আইপিএস, জনপ্রতিনিধি, ছোট থেকে বড় নেতা সকলেই যুক্ত। তা প্রমাণিত।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Birthday: জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, ‘‌দিদি’‌কে ‘‌দাদা’‌র দুর্দান্ত উপহার

নাসরীন সুলতানাবুধবার রাত ১২ টা বাজার পর থেকেই ভরে যাচ্ছিল মোবাইলের ইনবক্স। একের পর এক শুভেচ্ছা বার্তা। প্রিয়জনদের। যাদের কাছে মোবাইল নম্বর নেই, টুইটারই ভরসা। শুভেচ্ছার বন্যায় তিনি যে ভেসে যাবেন, সেটা জানা কথাই। যতই হোক জন্মদিন। তার ওপর নামটা সৌরভ গাঙ্গুলি। সারা বিশ্বে ভক্তর সংখ্যা তো কম নেই। তাই অন্য মাত্রা পেল মহারাজের জন্মদিন। বিকেলে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে সৌরভের বাড়িতে হাজির রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।আরও পড়ুনঃ হুগো বৌমৌসকে তুলে নিয়ে আবার মুম্বইয়ের ঘর ভাঙল এটিকেমোহনবাগানঅন্যান্য বছরের থেকে এবারের জন্মদিনটা সম্পূর্ণ আলাদা। পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে কোভিড ১৯। মহা ধুমধাম, বিশাল আয়োজন, তেমন কোনও ব্যাপার নেই। একেবারেই ঘরোয়া। বুধবার ঘড়ির কাঁটা ১২টা স্পর্শ করতেই হাজির বড় কেক। স্ত্রী ডোনা, কন্যা সানা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে রাতেই কেক কাটেন সৌরভ। এরমধ্যেই স্ত্রী ডোনার কাছ থেকে দামী ব্র্যান্ড নিউ এমআই আল্ট্রা ১১ মোবাইল উপহার পান সৌরভ। ১২জিবি+ ২৫৬ জিবি ভ্যারিয়ান্ট বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন এই মোবাইলের দাম ৬৯,৯৯৯ টাকা।আরও পড়ুনঃ ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ডবৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বাড়িতে ভক্তদের ভিড়। কেক, ফুলের তোড়া নিয়ে হাজির অনেকেই। সৌরভ গাঙ্গুলি ফ্যান ক্লাবের সদস্যরাও কেক, পুস্পস্তবক নিয়ে হাজির। সুদূর চন্ডীগড় থেকে এসেছিলেন কয়েকজন ভক্ত, জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে। খাদ্য রসিক বলে পরিচিত ছিলেন সৌরভ। কিন্তু সাম্প্রতিক অসুস্থতার জন্য খাদ্যতলিকা থেকে অনেককিছুই বাদ গেছে। মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। মাছের বিভিন্ন পদ দিয়ে হল জন্মদিনের সেলিব্রেশন। সৌরভের জন্মদিনে অন্যমাত্রা এনে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বিকেলে তিনি সৌরভের বাড়িতে হাজির হন। মহারাজের হাতে পুস্পস্তবক তুলে দেন মমতা ব্যানার্জি। দিদিকে সিল্কের শাড়ি ও মিষ্টি উপহার দেন সৌরভ। জন্মদিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালেন মহারাজ।আমার প্রিয় দাদি। শুভ জন্মদিন। আপনার সামনে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী বছর কামনা করি|My beloved Dadi. Happy birthday. Wishing you a healthy and happy year ahead. pic.twitter.com/wX9WlPZpPU Sachin Tendulkar (@sachin_rt) July 8, 2021ভক্তদের পাশাপাশি এদিন মহারাজের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানান প্রাক্তন সতীর্থরা। শচীন তেন্ডুলকার যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তেমনই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ, হরভজন সিং, সুরেশ রায়না, ওয়াসিম জাফররা। সবথেকে চমকপ্রদ টুইট শচীনের। বাংলায় টুইট করে তিনি লিখেছেন, আমার প্রিয় দাদি। শুভ জন্মদিন। আপনার সামনে একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুখী বছর কামনা করি। বীরেন্দ্র শেহবগ টুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, দাদার চিন্তাভাবনার সঙ্গে কয়েকজনের মিল রয়েছে। দাদা তোমার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। হরভজন সিং লিখেছেন, আমার ক্যাপ্টেনকে শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আমি সবসময় তোমাকে ভালবাসি।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

Cancer Hospital: রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

টাটা মেমোরিয়ালের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুটি ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও রাজ্যের অধিকাংশ ক্যানসার আক্রান্ত মুম্বাই যান চিকিৎসা করাতে। তাতে একদিকে যেমন টাকা-পয়সার খরচ বেড়ে যায়, অন্যদিকে সঙ্গে থাকার লোকজনের ঝক্কিও থাকে।আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনএদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন রাজ্যের মানুষ মুম্বাই যান ক্যানসারের চিকিৎসা করতে। এরপর এই রাজ্যেই উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে। টাটা মেমোরিয়াল ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে দুটো ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র করবে এখানে। তার মধ্যে একটা এসএসকেএমে অন্যটি উত্তরবঙ্গে তৈরি করা হবে। এর ফলে আর বাইরের রাজ্যে যেতে হবে না ক্যানসার আক্রান্তদের।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিএদিকে এদিনে বৈঠকে ফের ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রদানে রাজ্য দেশের মধ্যে সেরা কাজ করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যে রাজ্যে ২.১৭ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। কেন্দ্রের কাছ থেকে মোট ১.৯৯ কোটি টিকা পেয়েছি। তার মধ্যে ১.৯০ কোটি ডোজ দিয়েছি। রাজ্যে ৫৯ কোটি টাকা দিয়ে সরকারি ট্রেজারি থেকে ১৮ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন কিনেছে। মমতার প্রশ্ন, অন্যরা তিন কোটি ভ্যাকসিন পেলে আমি কেন এক কোটি কম পাব? ফের টিকার দাবি জানিয়ে আজই রাজ্য চিঠি দেবে কেন্দ্রকে।

জুন ৩০, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত, বাড়ছে ছাড়-চলবে যাত্রীবাস

রাজ্যে ফের করোনার বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুলাই পর্যন্ত। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় আরও বেড়েছে। সোমবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলবে সরকারি ও বেসরকারি বাস। এখনই পুরোপুরি করোনাবিধি প্রত্যাহার হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে নতুন বিধিনিষেধ চালু হবে।কী কী ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী** রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবেন না। আগের নিয়ম বহাল থাকছে।** সরকারি ও বেসরকারি বাস চালু করা হচ্ছে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস রাস্তায় নামত পারবে।** কলকাতা, জেলা ও রাজ্যের মধ্যে বাস চলাচল করবে।** অটো, টোটোসহ যাত্রীবাহন চলবে করোনা বিধিন মেনে ।** সেলুন ও বিউটি পার্লার চালু রাখা যাবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। ৫০ শতাংশ কাষ্টমার থাকতে পারবে সেখানে। ভ্যাকসিন নিতে হবে কাস্টমার ও কর্মীদের। প্রতিদিন স্যানিটাইজ করতে হবে।** সবজি ও মাছের বাজার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগের থেকে ১ ঘণ্টা বেড়েছে এক্ষেত্রে।** এছাড়া বাকি দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।** জিম খোলা থাকবে ৫০ শতাংশ হাজিয়ায়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা।** ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে দুপুর ২টো পর্যন্ত।** ট্রেন চালু করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই পরিস্থিতি হয়নি।** বিয়ের অনুষ্ঠান বা উৎসবে সর্বোচ্চ ৫০ জন হাজির থাকতে পারবে।** যারা মহামারি আইন মানছে না তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।** রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকান খোলা থাকবে ১১টা থেকে ৮টা পর্যন্ত।** বেসরকারি বা কর্পোরেট সেক্টরে এখন থেকে ৫০ শতাংশ হাজিরা থেকে কাজ করতে পারবে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ। কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে সংস্থাকে।

জুন ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Mukul-Mamata: "মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার", বললেন মমতা

সম্প্রতি তৃণমূল ভবনে গিয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। তবে বিধায়কপদ ছাড়েননি মুকুল। বরং তিনি বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্যপদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিএসির মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেছেন, মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার।আরও পড়ুনঃ মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শুভেন্দুর চিঠি স্পিকারকেদল ছেড়ে আসার সময় মুকুল রায় ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি। দল ত্যাগ করলেও বিধানসভার সদস্যপদ ছাড়েননি কৃষ্ণনগরের বিধায়ক। অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য। তিনি অধ্যক্ষকে মুকুলের বিধায়ক পদ বাতিলের জন্য লিখিত আবেদনও জানিয়েছেন। এদিকে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির নমিনেশন যে কেউ জমা দিতে পারেন। মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার। অসুবিধের কি আছে। তাঁকে তো বিনয় তামাংদের দল সমর্থন করেছে। আমরাও সাপোর্ট দেব। এটা স্পিকারের সিদ্ধান্ত। আর যদি ভোটাভুটি হয় ভোটে জিতবো। যাকে প্রয়োজন তাঁকে মানুষের ভোটে জেতাব।আরও পড়ুনঃ মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকদল ত্যাগ করলেও জনপ্রতিনিধির পদ না-ছাড়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে এরাজ্য। বেশ কয়েকবছর ধরেই এই রেওয়াজ চলছে। মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে বিধায়ক পদ ছাড়েননি। অন্যদিকে বর্ধমান পূ্র্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেও পদ আঁকড়ে বসে আছেন। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসও শিশির অধিকারী ও সুনীল মন্ডলের সাংসদ পদ খারিজের জন্য লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

জুন ২৪, ২০২১
শিক্ষা

Teacher Recruitment: বড় খবরঃ রাজ্যে ৩২হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এবার ঢালাও শিক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার নবান্নে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আন্দোলন চলছে। তারওপর আদালতেও নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা চলছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্বস্তি মিলেছে কর্মপ্রার্থীদের।এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, দুর্গাপুজোর মধ্যে ১৪০০০ আপার প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। তাছাড়া আরও ১০৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নেওয়া হবে। এরই পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেন, পুজোর পর আগামী মার্চের মধ্যে আরও ৭৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য। অর্থাৎ রাজ্যে মোট ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।শিক্ষকপদে নিয়োগ নিয়ে এর আগে যোগ্যতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাই হবে একমাত্র বিচার্য বিষয়। আদালতে মামলার দরুন নিয়োগ আটকে ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় আশার আলো দেখতে পাচ্ছে কর্মপ্রার্থীরা। তবে তাঁদের একটাই দাবি, যোগ্য়তাই যেন মানদন্ড হয়।

জুন ২১, ২০২১
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার আগেই প্রার্থীপদ বাতিলের আশঙ্কা হুগলির আরামবাগে

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আগামীকাল প্রার্থী ঘোষণা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হওয়ার কথা। এর আগেই তৃণমূলের মধ্যে জল্পনা যেমন চলছে, তেমনই চলছে আশঙ্কাও। হুগলি জেলায় লোকসভা ভোটে দলের ফল ভালো হয়নি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। তা যাতে জয়ের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য অনেক আসনে তারকা প্রার্থী দেওয়া হতে পারে, বিশেষ করে টলিউডের। ফলে পুরানো অনেক নেতা, কর্মীর আজ রাত কাটবে উৎকণ্ঠায়।আরামবাগ লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস খুব স্বল্প ব্যবধানে জয় পায়। বেশিরভাগ বিধানসভা অংশেই তৃণমূল পিছিয়ে ছিল বিজেপির চেয়ে। তবে হুগলির খানাকুলে এক নেতা নিজেকে প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আবির কিনে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে সরকারি দফতরে চিঠি দিয়েছিল বিজেপি। তাতে তাঁর কর্মাধ্যক্ষ হওয়া আটকে গেলেও জেলা পরিষদ সদস্য হওয়া আটকায়নি। রেশন ডিলার কীভাবে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি।সেই নেতাই প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আগাম উৎসবের তোড়জোড় শুরু করেছেন। যদিও রেশন ডিলারের ডিলারশিপ ছেড়ে প্রার্থী হওয়ার অবকাশ আর নেই বলেই দাবি তৃণমূলের একাংশের। সেটাও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতার কথায়, দল কাকে প্রার্থী করবে সেটা দলের ব্যাপার। আমাদের নেত্রীর নির্দেশ মেনেই আমরা ভোটযুদ্ধে ঝাঁপাব। কিন্তু যাঁর কথা শোনা যাচ্ছে, তিনি প্রার্থী হলে বিজেপি আবার আপত্তি জানাবে এটা বলাই যায়। স্ক্রুটিনিতে যদি প্রার্থীপদ বাতিল হয়ে যায় তাতে দলের মুখ পুড়বে। তাই চূড়ান্ত ঘোষণার আগে জেনেবুঝে পা ফেলাই শ্রেয়। কোনওভাবে প্রার্থীপদ বাতিল হলে তো এই এলাকা থেকে লড়াইয়ে আমরা ছিটকে যাব। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানোও হয়েছে। আশা করছি, সঠিক পদক্ষেপই করবে দল।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজনীতি

স্কুটি নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী, কী বললেন শুভেন্দু-রাজীব!

পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের গাড়িতে মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্কুটার চেপে নবান্ন গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির দুই নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।ব্যারাকপুরের সভা থেকে তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, আজ একটা নাটক দেখেছেন সকাল বেলায়। মাননীয়া স্কুটি চেপে গিয়েছেন নবান্নে। ৬০টা মোটর সাইকেল ছিল। তার মধ্যে দুটি ছিল ব্যাটারি চালিত। ৫৮টা পেট্রল চালিত। পেট্রল দেওয়া গাড়ি নিয়ে গিয়েছেন নাটক করতে। পেট্রলের ৩৬ টাকা আপনি নিচ্ছেন, একটাকা ছাড় দিলেন কেন পুরো ৩৬ টাকা ছাড় দেন। তাহলে তো বলব মাননীয়া মানবিক। কম পয়সায় পেট্রল ও ডিজেল দিতে চাইছেন। আসল কথা হল ভোটের আগে গিমিক।ব্যাটারি চালিত স্কুটি প্রসঙ্গে সমালোচনা করতে গিয়ে কলকাতার বিদ্যুৎ পরিচালন সংস্থার বিল নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, স্কুটি চালিয়েছেন ব্যাটারিতে। ব্যাটারি চার্জ হয় ইলেকট্রিকে। আপনার আমলেই সব থেকে বেশি ইলেকট্রিকের বিল দিতে হয়।এদিন বিকেলে হাওড়ার গোলাবাড়িতে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রীর স্কুটিযাত্রাকে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা রাজীব বন্দোপাধ্যায়। রাজীব বন্দোপাধ্যায় বলেন, দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে হলে রাজ্যের ট্যাক্স কমিয়ে দিলে মানুষের উপকার হবে। এইভাবে কয়েক ঘণ্টা রাস্তা আটকে বহু বাইক ও গাড়ি নিয়ে মিছিল করে কিছুই হবে না।পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে রাজীব বলেন, তৃণমূলের গোড়া কেটে দেব। মাথা কাটার দরকার নেই, গোড়া কেটে দিলেই কাজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি, বিজেপির গোড়া শক্ত করতে দল যা করতে বলবে সব কিছুই করবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
দেশ

"দল ছেড়ে ভালই করেছেন, নইলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারতেন"

নাটকীয় ভাবে তৃণমূল ছাড়লেন দীনেশ ত্রিবেদী। পাশাপাশি রাজ্যসভার সাংসদপদও ছেড়ে দিয়েছেন। বস্তুত, রাজ্যসভাতেই তাঁর ওই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন দীনেশ। বলেছেন, আমার রাজ্যের সর্বত্র হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে। অথচ আমরা কিছু বলতে পারছি না। আমি রবীন্দ্রনাথ, নেতাজির ভূমি থেকে আসা মানুষ। তাই এটা আমি আর দেখতে পারছি না। আমি একটি দলে আছি। তাই দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হচ্ছে। কিন্তু আমার দমবন্ধ হয়ে আসছে। এর চেয়ে ইস্তফা দিয়ে বাংলায় গিয়ে কাজ করা ভাল। তাঁর আরও বক্তব্য, আমি আমার অন্তরের ডাক শুনেছি। সকলকেই কখনও না কখনও অন্তরাত্মার ডাক শুনতে হয়।পাশাপাশিই দীনেশ বলেছেন, আমি তৃণমূল ছাড়ছি। তবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। জল্পনা, অতঃপর বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন দীনেশ। দীনেশের ওই ঘোষণা শুনে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান দীনেশকে বলেন, এ ভাবে ইস্তফা দেওয়া যায় না। এর একটি পদ্ধতি আছে। আপনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত ভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিন। দীনেশ যে ভাবে আচম্বিতে দল এবং রাজ্যসভার সাংসদপদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন, তাতে চমকিত তৃণমূল। যদিও সংসদে দীনেশের সতীর্থ প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, উনি ছেড়ে দেওয়ায় আমরা দুঃখিত। দীনেশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। বিভিন্ন আলোচনায় তিনি আমাকে সে কথা বলেছিলেন। দিল্লির কিছু নেতাকেও বলেছিলেন। তবে উনি যে এ ভাবে দল ছেড়ে দেবেন, সেটা সম্পর্কে কোনও ধারণা আমাদের ছিল না। বস্তুত, দীনেশ নিজেও কোনও পরিচিত মহলেই দল ছাড়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত দেননি। তবে তৃণমূলে থেকে যে তিনি সন্তুষ্ট নন, তা ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছিলেন।তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, বৃহস্পতিবারই দীনেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি টুইটকে রিটুইট করেছিলেন। যা থেকে তাঁর বিজেপি-তে যোগদানের সম্ভাবনা আরও জোরাল হচ্ছে। গত লোকসভা ভোটে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়ে হেরে গিয়েছিলেন। জিতেছিলেন অর্জুন সিং, যাঁর সঙ্গে জেলার রাজনীতিতে তাঁর দ্বন্দ্ব সুবিদিত। অর্জুন অবশ্য দীনেশের তৃণমূল ত্যাগের কথা শুনে প্রাক্তন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিজেপি-তে স্বাগত জানিয়েছেন। দীনেশের পদত্যাগে তাঁর রাজ্যসভার সতীর্থ সুখেন্দুশেখর রায় বলেছেন, ওঁর যখন দমবন্ধ হয়ে আসছিল, তখন দল ছেড়ে ভালই করেছেন। নইলে আবার অসুস্থ হয়ে পড়তে পারতেন। কিন্তু একটা বিষয়ে খটকা লাগছে। যখন রাজ্যসভায় আমাদের দলের বলার সময় শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখন চেয়ারম্যান কেন ওঁকেই বাজেট নিয়ে বলতে দিলেন! এটা তো নজিরবিহীন। সেই সময়েই সুযোগ পেয়ে উনি গোটা দেশের সামনে ওই কথাগুলো বলেছেন। আমাদের ধারনা, ওঁকে কথাগুলো বলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এটা আমরা ভাল করে খোঁজখবর নিয়ে দেখব।আরও পড়ুন: দিনভর বামেদের হরতালে কী ঘটল বাংলায়? পড়ুন

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
রাজ্য

এবার আর মালদা থেকে শূন্য হাতে ফিরতে চান না মমতা

তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্ষেপ মালদায় এত মানুষের জনসমাগম হয়, অথচ ভোট এলে অংকটা অন্যরকম হয়ে যায়। বুধবার মালদার জনসভায় মমতা বলেন, লোকসভাতেও শূন্য আর বিধানসভাতে মালদায় একইরকম। এবার আর শুন্য হাতে ফিরতে চাই না। এতদিন কংগ্রেস-বিজেপিকে ফজলি আম খাইয়েছেন। এবার আমাকেও দুটো ফজলি আম খাওয়ান।একইসঙ্গে বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, নির্বাচন এলেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা সাজতে চাইছে বিজিপি। বিজেপিকে প্রত্যাখান করবে বাংলার মানুষ। বুধবার মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সংলগ্ন মাঠে তৃণমূলের জনসভা হয়। সভা শুরু হয় দুপুর একটা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী আসার কথা ছিল তিনটেয়। কিন্তু দুপুর আড়াইটা নাগাদ মঞ্চে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। পাশের মাঠেই তৈরি করা হয়েছিল হেলিপ্যাড। হেলিপ্যাড থেকে প্রায় ৪০০ মিটার হেঁটে মঞ্চে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সহ জেলার প্রথম সারির নেতানেত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, নিহার ঘোষ, বাবলা সরকার, জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস।বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলনেত্রী বলেন, বিজেপির মতো মিথ্যাবাদী কেউ নেই। ওরা দাঙ্গা লাগায়। আজকে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাবের চাষিরা কাঁদছে। বাংলার চাষীদের চোখে জল নেই। কারণ, এই রাজ্যে বিজেপি সরকার নেই। চাষীদের জন্য আমরা কৃষক বন্ধু যোজনা চালু করেছি। যাতে ছয় হাজার টাকা করে পাবেন চাষিরা। কৃষকদের নিয়ে বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে। ওদের কাছে কি তথ্য নেই। আসলে মিথ্যা কথা বলাটাই ওদের কাজ।বিজেপির রথযাত্রার কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জগন্নাথ , বলরাম, সুভদ্রাকে নিয়ে ওরা নোংরা রাজনীতি করছে। আমরা জগন্নাথের রথকে প্রণাম জানাই। আমরা এরকম রাজনীতি করি না। এখন এরা রথকে নিয়ে কেউ জগন্নাথ, কেউ বলরাম আবার কেউ শ্রীকৃষ্ণ সাজছেন। মনে রাখবেন এই রথে করে সীতা হরণ করেছিল রাবন। আমরা মনে করি হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান, শিখ সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষেরা তাদের মতোন চলবেন। বিজেপি মানেই দাঙ্গা। আর এই দাঙ্গার উস্কানি দেওয়া হচ্ছে ওদের আসল কাজ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী উসকে দিয়েছেন মালদার মিথ গনিখান চৌধুরীর স্মৃতিও। মমতা বলেন, মালদায় আমি আজ থেকে আসছি না, বরকতদার সময় থেকেই যখন যুব কংগ্রেস করতাম, তখন থেকে আসছি। এই জেলায় উন্নয়নে তৃণমূল সরকার অনেক কাজ করেছে। উদাহরণ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভুতনি সেতু তৈরি করেছি। মালদা - বালুরঘাট ট্রেন চালু করা হয়েছে। কিন্তু মালদা নিয়ে আমার অনেক দুঃখ এবং বেদনা রয়েছে। এই সরকার সকলের জন্য কাজ করছে। ১৮ বছর বয়সে যদি কেউ বিধবা হন, তাহলে পেনশন পাবে। বাজেটে এই সুবিধা করে দিয়েছি। এরকম সুবিধা অন্য কোন রাজ্যে নেই। স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ট্যাপ কেনার ক্ষেত্রে এককালীন দশ হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের সরকার জনগণের সরকার।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মালদায় তৃণমূল একটি আসনও পায়নি। ১২ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছিল ৮টি, সিপিএম পেয়েছিল ২টি, বিজেপির ছিল ১টি। পাশাপাশি ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস ও সিপিএম জোটের সমর্থনে নির্দল প্রার্থীর দখলে ছিল একটি আসন। যদিও বর্তমানে এইসব বিধানসভা কেন্দ্রের অধিকাংশ বিধায়কেরা তৃণমূলে যোগদান করেন। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি ও কংগ্রেস একটি করে জয় পেয়েছে। সেই আক্ষেপ থেকেই তৃণমূলনেত্রী এবার খালি হাতে ফিরতে চান না।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজনীতি

"ইতনা গুসসা কিউ হ্যায়", মমতাকে কেন বললেন নাড্ডা?

জয় শ্রীরাম ধ্বনি নিয়ে এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন। শনিবার মালদার সাহাপুর কৃষকদের আয়োজিত এক সভায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বলেন, আমি যখন হেলিপ্যাডে নেমে গাড়িতে করে আসছি। তখন রাস্তার দুধারে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁরা আমাকে জয় শ্রীরাম বলে অভিবাদন জানান। এই জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনে রেগে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপকা ইতনা গুসসা কিঁউ হ্যায়। পরিবর্তন যাত্রার সফরে প্রথম জনসভায় এভাবেই তৃণমূল নেত্রীর প্রতি আক্রমণ শোনালেন জেপি নাড্ডা।এই জনসভায় তিনি কৃষকদের কেন্দ্রীয় সাহায্য না পাওয়ার জন্য দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নাড্ডা বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকরা কেন্দ্রীয় সাহায্য পাচ্ছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেদের জন্য এরাজ্যে কৃষকরা সেই সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এরপর সাহাপুরে কৃষকদের সঙ্গে দুপুরের ভোজন সারেন জেপি নাড্ডা। এদিন মালদায় র্যালি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজ্য

ফালাকাটায় আদিবাসী নৃত্যে পা মেলালেন মমতা, দেখুন ভিডিও

উত্তরবঙ্গের ফালাকাটায় রীতিমতো অভিভাবকের ভূমিকায় দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার গণবিবাহের আসরে দাঁড়িয়ে পাত্র-পাত্রীদের হাতে তুলে দিলেন উপহার। পা মেলালেন আদিবাসী নৃত্যে।এদিন ফালাকাটায় এক সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতা। সেখান থেকে চা শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। চা সুন্দরী প্রকল্পের জন্য ঘোষণা করেন ৫০০ কোটি টাকা। তিনবছরের মধ্যে গৃহহীনদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জানান, ফালাকাটা-ময়নাগুড়ি পুরসভার কথা। বলেন, তৃণমূল যা বলে তাই করে। কারও কারও মতো ভোটের সময় সাধারণ মানুষের কথা মনে পড়ে না। প্রকাশ্যে বিজেপিকে বদমাশের গাছ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। যদিও পরে মন্তব্য প্রত্যাহার করে নেন। বলেন, অপপ্রচার, চরিত্রহনন করা ছাড়া ওদের কোনও কাজ নেই। বিবাহের আসরের পাশেই নাচে মেতে উঠেছিলেন আদিবাসী মহিলারা। তাঁদের সঙ্গেই পা মেলান মমতা। মুখ্যমন্ত্রীকে ঠিক দিদির মতো পাশে পেয়ে আপ্লুত প্রত্যেকে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যে বিজেপিতে বিধায়ক ২৭জন!

এই মূহুর্তে বিজেপির মোট বিধায়কের সংখ্যা কত? সংখ্যাটা শুনলে হিসেব গুলিয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দল থেকে যোগ দেওয়ার পর এরাজ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭-এ। যোগদানকারীদের মধ্যে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন। তবে সব থেকে বেশি বিধায়ক এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। এছাড়া রাজ্যের তিনজন প্রাক্তন মন্ত্রী যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপি মাত্র ৩ আসনে জয় পেয়েছিল। খড়্গপুর থেকে জয় পান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় দিলীপ ঘোষকে। তখন বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়ায় দুইয়ে। তারপর ২০১৯ উপনির্বাচনে আরও ৪ আসনে জয়লাভ করে পদ্মশিবির। মোট বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৬-এ। উল্লেখ্য, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এখন সেই দলে রয়েছে মোট ২৭ জন বিধায়ক। আর দুজন প্রাক্তন বিধায়ক। শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁরা প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও পরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।তৃণমূল থেকে ১৫জন বিধায়ক এসেছেন পদ্মশিবিরে। কংগ্রেস থেকে ৩জন। ২জন সিপিএম থেকে ও সিপিআইয়ের ১ জন। এর মধ্যে দিপালী বিশ্বাস সিপিএম থেকে ভায়া তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কংগ্রেসের দুলাল বর তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দলে যোগদান করে এখন বিজেপির বিধায়ক ২৭ জন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় কীনা সেটাই দেখার।কংগ্রেস এখনও বিধানসভায় বিরোধী দল। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক লিখিতভাবে কংগ্রেসে থাকলেও তৃণমূল ও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যে এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা কত? তা বলতে হিমসিম খাবে রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলে একদিকে যেমন অন্য দল থেকে বিধায়ক এসে যোগ দিয়েছে, ঘাসফুল থেকেও একটা অংশ বিজেপিতে গিয়ে ভিড়ছেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

শুভেন্দুর পথেই এগোচ্ছেন রাজীব

মন্ত্রিত্বের পর এবার বিধায়ক পদও ছাড়লেন। শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকারের ঘরে তাঁর সামনে পদত্যাগপত্র লিখে জমা দেন ডোমজুরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে এদিনও তৃণমূলনেত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এই বেসুরো তৃণমূল বিধায়ক।এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজেপি যোগের ইঙ্গিতও দিয়েছেন রাজীব। উল্লেখ্য, রবিবার হাওড়ার ডুমুরজলায় জনসভা আছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহর। সেই মঞ্চেই পদ্ম পতাকা হাতে দেখা যেতে পারে রাজীবকে। ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহর সভার রিপ্লে দেখা যেতে পারে হাওড়ায়। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার সময় রাজভবন থেকে বেরিয়ে কথা বলতে গিয়ে চোখের জল দেখা গিয়েছিল রাজীবের। এদিনও বিধানসভায় যথেষ্ট আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। দলনেত্রীর ছবিও ছিল তাঁর কাছে। শুভেন্দু অধিকারী দুদিন আগেই পুরনো সঙ্গী রাজীবকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শুভেন্দু তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার আগে বিজেপি নেতারা তাঁকে প্রকাশ্যে আহ্বান জানাত। সেই একই পথে কি রাজীবও? সেটাই মূল প্রশ্ন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দবি মমতার

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, কৃষকদের দাবি মেনে নিক। তা নাহলে গদি ছাড়ুক। বিজেপি ভাষা বিভেদ করছে বলেও দাবি করেছেন তৃণমূলনেত্রী।তৃণমূল কোনও ভাষাবিভেদ করে না বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি বলেন, আমরা ভাষা নিয়ে বৈষম্য করি না। ভাষা নিয়ে কোনও বিভাজন করি না। পাঞ্জাবের কৃষকরা লড়াই করছে তাঁদের পাশে আছি বলেও তিনি জানান। তাছাড়াও তিনি রাজস্থান, জাঠ, হরিয়ানার কৃষকদের আন্দোলনের সঙ্গে আছেন তাও জানিয়ে দেন। মমতার বক্তব্য, বাংলায় হিন্দু-মুসলিম নিয়ে রাজনীতি করলে কোনও ফায়দা হবে না বলে বাঙালি-অবাঙালি বিভাজন করছে বিজেপি।কীভাবে তৃণমূল কংগ্রেস হিন্দি ভাষীদের পাশে আছে সেকথাও জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বলেন, তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গে হিন্দিকে প্রথম সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। তৃণমূল সরকার ছট পুজোর জন্য দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এবং হোলির জন্যও ছুটি ঘোষণা করেছে। আমরা হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয় এবং হিন্দি কলেজ তৈরি করেছি, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছি এবং তাঁদের জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করছি। আমরা ভবিষ্যতে আরও কিছু করব।তৃণমূল ভবনে হিন্দিভাষীদের ওই অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, আমার বিহারী, পাঞ্জাবী, রাজস্থানী, উত্তর প্রদেশের ভাই বোনেরা, বলুন তো আপনাদের এই বাংলায়, তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের আমলে কোনও সমস্যায় পড়তে হয়েছে? আমি কিন্তু হিন্দি পড়তে পারি।আমরা হিন্দি, কুরমি, উর্দু ভাষাকে মান্যতা দিয়েছি বাঙালিদের যদি বাংলা ভাষা শেখার অধিকার থাকে তাহলে অন্যান্য ভাষারও একই অধিকার আছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বিতর্কে কড়া হাইকোর্ট! রাজ্যকে বেঁধে দেওয়া হল সময়

বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘ দিন ধরেই কাঁটাতার বসানো নিয়ে সমস্যা চলছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্য সরকার জমি না দেওয়ায় সীমান্তের বড় অংশ এখনও সুরক্ষিত করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে এক প্রাক্তন সেনাকর্মীর করা মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি কেন্দ্রের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই জমি আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়।শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য কেন নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে জমি অধিগ্রহণ করছে না। তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি নেওয়া যায়। বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত, সেখানে কেন সেই ধারা প্রয়োগ করা হবে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিচারপতি পার্থসারথী সেন বলেন, একটি রাজ্য যদি আন্তর্জাতিক সীমান্তের অংশীদার হয়, তা হলে তারা নিজেরা কেন উদ্যোগ নিচ্ছে না, তা সত্যিই আশ্চর্যের।আদালত জানায়, যে জমির জন্য কেন্দ্র টাকা দিয়েছে এবং অধিগ্রহণও হয়েছে, সেই জমি যত দ্রুত সম্ভব হস্তান্তর করতে হবে। এই ক্ষেত্রে এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।রাজ্য এখনও জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে ক্যাবিনেটের অনুমোদন পায়নি বলে জানিয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত। সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী জানান, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় জড়িত থাকলে জেলা শাসক সরাসরি আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবীও জানান, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে।মামলায় ২০১৬ সাল থেকে সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের প্রসঙ্গও তোলা হয়। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাধিকবার রাজ্যকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত রাজ্য ক্যাবিনেট কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া ৪০ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলেই রাজ্যের অবস্থান। রাজ্য আরও জানায়, যেসব জমির টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেগুলি ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। কিছু জেলায় এক-দু মাস সময় বেশি লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুন মাসে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসে জমি হস্তান্তরের কাজ শেষ হবে বলেও আদালতকে জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ জেনারেলের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ! কাঁপছে বেজিং

চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা কার্যত গোটা চিনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে চিনা সেনার পরমাণু বোমা সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপন নথি। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চিনা সেনার এক শীর্ষ জেনারেল গোপনে সেই টপ সিক্রেট নথি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছেন। এর ফলে চিনের পরমাণু অস্ত্র তৈরির বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নাকি পৌঁছে গিয়েছে ওয়াশিংটনের কাছে।অভিযুক্ত ওই সেনাকর্তার নাম ঝ্যাং ইউঝিয়া। বয়স ৭৫। তিনি চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। অভিযোগ, চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প সংক্রান্ত কোর টেকনিক্যাল ডেটা তিনি মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আমেরিকাকে পাচার করেছেন। শুধু তাই নয়, জেনারেল থেকে আরও উঁচু পদে পৌঁছতে উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।একসময় ঝ্যাং ছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও পরিচিত। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে এত বড় অভিযোগ ওঠায় বেজিংয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিন সরকার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানালেও, আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, এই তদন্ত আসলে লোকদেখানো। ভিতরে ভিতরে ঝ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে বলেও জল্পনা।ঝ্যাং সেই সরকারি সংস্থার শীর্ষকর্তা ছিলেন, যারা চিনের পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পের দেখভাল করে। ওই সংস্থাই পরমাণু বোমার গবেষণা, উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগ্রহের দায়িত্বে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, নিজের পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঝ্যাং এই সমস্ত গোপন তথ্য আমেরিকার হাতে তুলে দেন। সেই অর্থ আবার নিজের পদোন্নতির জন্য ঘুষ হিসেবেও ব্যবহার করতেন।চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক বা চিনা দূতাবাস এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে বিবিসির দাবি, ঝ্যাংকে ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাত সদস্যের ওই কমিশনে এখন নাকি মাত্র দুজন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বাকিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিসহ একাধিক অভিযোগ ওঠায় তাঁদের সাময়িকভাবে সরানো হয়েছে।এই কমিশনের আর এক সদস্য লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। ঝ্যাং এবং লিউএই দুই শীর্ষ জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় চিনা সেনার উচ্চমহলে ব্যাপক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই প্রথম শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কোনও সেনাকর্তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হল।ঝ্যাং এবং লিউ দুজনেই সত্তর ও আশির দশকে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬১ বছরের লিউ পিপলস লিবারেশন আর্মির জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের প্রধান ছিলেন। এই বিভাগই চিনা সেনার প্রশিক্ষণ, অপারেশন এবং গোয়েন্দা কাজের দায়িত্বে থাকে।গত দুবছর ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চিনা সেনার অন্দরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অভিযান চলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের দাবি, সেই অভিযানের ফলেই এই ভয়াবহ দুর্নীতির পর্দাফাঁস হয়েছে। ১৯৮০ সালে গঠিত সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন চিনা সেনার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। লক্ষ লক্ষ সেনার উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু সেই কমিশনের সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র দুজনে নেমে আসায়, তাইওয়ান প্রশ্নে চিনের সামরিক পরিকল্পনা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশন! তিন আধিকারিকের বদলি ঘিরে কড়া চিঠি, বেঁধে দেওয়া সময়

নবান্ন এবং নির্বাচন কমিশনের সংঘাত আরও তীব্র হল। রাজ্য প্রশাসনকে অন্ধকারে রেখে কেন তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করা হল, সেই প্রশ্ন তুলে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে কড়া চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে এই বদলির নির্দেশ বাতিল করার দাবি জানিয়েছে কমিশন। পাশাপাশি বুধবার বিকেল তিনটের মধ্যে রাজ্যকে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্ব ছিল রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর। অথচ সেই সময়েই রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভারকে বদলি করেছে, যা কমিশনের মতে সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁরা হলেন স্মিতা পাণ্ডে, যিনি পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের দায়িত্বে ছিলেন, অশ্বিনী কুমার যাদব, যিনি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর দেখতেন, এবং রণধীর কুমার, যাঁর দায়িত্বে ছিল উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তর। এই তিন আধিকারিকের বদলির ক্ষেত্রেই কমিশনের কাছ থেকে কোনও আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের মতে, এই বদলি তাদের স্পষ্ট নির্দেশের লঙ্ঘন। সেই কারণেই মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বুধবার বিকেলের মধ্যে রাজ্য সরকারকে পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের অবস্থান জানাতে হবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরের শুনানিতে ত্বহা সিদ্দিকী! বেরিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভোটে জবাবের হুঁশিয়ারি

এসআইআর সংক্রান্ত শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও। মঙ্গলবার শুনানিতে হাজির হয়ে গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ত্বহার দাবি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার পরও আধিকারিকরা সেগুলি দেখে শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁর কথায়, শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির জবাব যে ভোটেই মিলবে, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।শুনানির নোটিস পেয়ে এ দিন নির্ধারিত সময়েই হাজির হন ত্বহা সিদ্দিকী। বাইরে বেরিয়ে তিনি বলেন, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে, আর রাজনৈতিক দলগুলি পরস্পরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তাঁর মন্তব্য, বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরের বিরোধী হলেও বাস্তবে তারা একই খেলায় নেমেছে। একজন কামড়াচ্ছে, আর একজন সেই কামড় সারানোর ভান করছেএভাবেই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন তিনি।পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে ত্বহা বলেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এই রাজ্য নয়, দেশের বাইরেও বহু মানুষ জানেন। তবুও তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুসলিমদের লক্ষ্য করেই বেশি করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। কারণ বিজেপির ধারণা, মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না। ত্বহার দাবি, তাঁরা কোনও দলকেই অন্ধভাবে সমর্থন করেন না। যে দল উন্নয়ন করে, তার পাশেই থাকেন।ত্বহা আরও বলেন, ভোটের আগে রাজনীতিকরা সাধারণ মানুষের খুব কাছে এসে যান, কিন্তু ভোট মিটে গেলেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে মানুষ এর জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সেই জবাব কোন দল পাবে, বিজেপি না তৃণমূলসে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি পীরজাদা।শুনানির অভিজ্ঞতা নিয়ে ত্বহা জানান, তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। তাঁর কথায়, তিনি সমস্ত কাগজপত্র ঠিকঠাক রেখেই শুনানিতে গিয়েছিলেন। আধিকারিকরা নথি দেখে শুধু হাসছিলেন, কোনও প্রশ্নই করেননি। ত্বহার দাবি, আধিকারিকরাও চাপে রয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত এই গোটা পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal