• ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

MI

কলকাতা

বাগুইআটির মতুয়া পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহের

বাগুইআটির একটি মতুয়া পরিবারে শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ। মধ্যাহ্নভোজ সেরে গৃহকর্তা নবীন বিশ্বাসকে অমিত শাহ জানালেন , বাঙালিয়ানায় ভরপুর নিরামিষ খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। এদিন সকাল থেকে কয়েকটি কর্মসূচি সেরে বিকেলের দিকে আমিত শাহ পৌঁছে যান বাগুইআটির আদর্শনগরের গৌরাঙ্গপল্লিতে। আরও পড়ুন ঃ আমার দল মিউজিক পার্টি, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর প্রথমেই এলাকার হরিচাঁদ মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজো দিয়ে ঢোকেন নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে। সেখানেই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য। ভাত, রুটি, ডাল, পনির, শুক্তো, চাটনি, পায়েস-সহযোগে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া সারেন অমিত শাহ। অমিত শাহের সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা ও মুকুল রায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

‘আমার দল মিউজিক পার্টি’, জল্পনা উড়িয়ে জবাব পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর

পূর্বঘোষণা মতো পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান শ্রুতিনন্দনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বাড়িতে অমিত শাহের আসা প্রসঙ্গে অজয় চক্রবর্তী বলেন , অমিত শাহের মত একজন ব্যক্তি এসেছেন, এই সম্মান পাওয়ার জন্য আমি গুরুদের ধন্যবাদ দেব। তাঁর কথায়, রাজনীতি সংক্রান্ত কোনও কথা তাঁকে বলা হয়নি। আর তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি কোনও দলের সঙ্গে নেই। তাঁর দল একটাই, সঙ্গীত। তাছাড়া আমি মনে করি , দেশ সেবার জন্য রাজনীতি করতে হবে , তার কোনও মানে নেই। যে কোনও মানুষ তাঁর নিজের ক্ষেত্র থেকে দেশ সেবা করতে পারেন। আমি গানের মাধ্যমেই দেশ সেবা করতে চাই। দিল্লিতে অমিত শাহের বাসভবনে তাঁকে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেছেন , আমার গান খুব পছন্দ করেন। তাই কলকাতায় এসে একবার আমার বাড়িতে আসার ইচ্ছা ছিল। তাই আমার বাড়িতে আসা। আরও পড়ুন ঃ আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন একইসঙ্গে অজয় বাবু বলেন, শুধু অমিত শাহ নন , এর আগে অনেক রাজনীতিবিদ আমার বাড়িতে ঘুরে গিয়েছেন। দেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন এপিজে আবদুল কালাম আমার বাড়ি ঘুরে গিয়েছেন। তিনি নিয়মিত আমার গান শুনতেন। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব সুসম্পর্ক ছিল। জ্যোতি বসু আমার বাড়িতে এসেছেন। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য এই বাড়ি করার জন্য জমি দিয়েছেন। বাবুল সুপ্রিয় আমার ছাত্র। ওকে স্নেহ করি। দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও কথা হয়। এছাড়াও তিনি বলেন , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার খুব ভাল সম্পর্ক।আমার খুব ইচ্ছা ওনাকে একদিন আমন্ত্রণ করে বাড়িতে আনার।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

দলের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছুই পূরণ হয়নি , অভিযোগ মিহির গোস্বামীর

ফের দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী। শুক্রবার তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন , আজ যখন দেখছি দিদির দলে কোন ঠিকাদার থিংকট্যাঙ্ক কোম্পানি ঢুকে ঘরবাড়ি তছনছ করে দিচ্ছে, অপমানিত জনপ্রতিনিধিরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তখন দিদি অন্তরালে নির্বিকার! তাহলে সেই ঘরবারির মতো দিদির প্রতি এতদিনের সব আস্থা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়াটা কী স্বাভাবিক নয়? আরও পড়ুন ঃ দার্জিলিং পুরসভার ১৭ কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চায় তিনি আরও লেখেন , কংগ্রেসকে হারাতেই তৃণমূলে আস্থা রেখেছিলেন। তবে তা সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যারা কুকথা বলেছেন, তারাই আবার দলে যোগ দেওয়ায় বিরক্ত হয়েছিলেন তিনি। এত কিছুর পরেও তিনি দলনেত্রীর উপর আস্থা হারাননি। দলের তরফে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছুই পূরণ হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। দলে একাধিকবার অপমানিতও হতে হয়েছে তাঁকে। এদিন এভাবেই দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে তিনি দলের বিরুদ্ধে এই একই ইস্যু্তে সুর চড়িয়েছিলেন। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্কও কম হয়নি। এদিন ফের তিনি এই ইস্যুতে মুখ খোলায় নতুন করে এই বিতর্ক মাথাচাড়া দেবে বলে মত রাজ্যের রাজনৈ্তিক মহলের।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

তোষণের রাজনীতিতে বাংলার ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছেঃ অমিত শাহ

বাংলায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে বলে অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার তিনি পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১১ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর জন্য গোটা মন্দির চত্বরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মন্দিরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বঙ্গ বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। পুজো দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , পুজো দিয়ে আমি আপ্লুত। তিনি আরও বলেন , বাংলার এই পবিত্র ভূমি রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দ, প্রণবানন্দ ঠাকুর, শ্রী অরবিন্দের। কিন্তু এখানেই তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। তোষণের রাজনীতিতে ঐতিহ্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আধ্যাত্মিক-ও ধর্মীয় চেতনায় দেশের শীর্ষে ছিল বাংলা। সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। রাজ্যবাসীকে বিচার-বিবেচনার উপর বিশেষ নজর দিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাব। আরও পড়ুন ঃ বালি বোঝাই লরি উলটে দুর্ঘটনা , মৃত্যু একই পরিবারের তিনজনের এছাড়াও তিনি আরও বলেন, মা কালীর কাছে গোটা দেশ তথা বাংলার মঙ্গল কামনা করেছি। মোদীর নেতৃত্বে দেশ এক নম্বরে পৌঁছক তাই চাই। দক্ষিণেশ্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ছিলেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, বাবুল সুপ্রিয়, অনুপম হাজরা-সহ আরও অনেকে। এছাড়াও মন্দিরে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরে ছিলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সদস্যারাও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

চেতনা সামান্য হলেও ফিরেছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। সৌমিত্রবাবুর চিকিৎসক টিমের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক অরিন্দম কর জানিয়েছেন , বারবার ডাকলে সামান্য চোখ খুলে তাকাচ্ছেন অভিনেতা। তবে বারবার রক্ত দেওয়ার পরেও কেন হিমোগ্লোবিন ও প্লেটলেটসের ধারাবাহিক পতন আটকানো যাচ্ছে না, তা গভীর চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসকদের। তাঁর শরীরের সেকেন্ডারি ইনফেকশনকেই মাথাব্যথার কারণ বলছেন চিকিৎসকরা। আরও ্পড়ুন ঃ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আরও কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বুধবার পর্যাপ্ত মূত্রত্যাগ না হলেও এদিন তাঁর মূত্র নিঃসরণ ছিল স্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার সৌমিত্রের কিডনি ও স্নায়ুর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার পাশাপাশি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা স্থির করার জন্য তিনটি বোর্ড বৈঠকে বসে। সেই বৈঠকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অভিনেতার পরিজনও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন

টানা আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে ঘুরতে চলেছে লোকাল ট্রেনের চাকা। বৃহস্পতিবার নবান্নে রেল এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ আগামী বুধবার থেকে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে প্রতিদিন ৩৬২ টি লোকাল ট্রেন চালু হবে। এরপর ধাপে ধাপে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সব স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। এর জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ও রাজ্য সরকার। আগের মতো কাউন্টার থেকে টিকিট কেটেই ট্রেনে ওঠা যাবে। তবে মাস্ক বাধ্যতামূলক। কোভিড বিধি মেনে ট্রেন চালানো হবে। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট কোন গেট দিয়ে যাত্রীরা স্টেশনে ঢুকবেন এবং কোন গেট দিয়ে বের হবেন তা আগে থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর জন্য আরপিএফ-জিআরপি একসঙ্গে কাজ করবে। প্রতিটি স্টেশনে থাকবে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। রাজ্যের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ ও খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। প্রথমে বৈঠকে ঠিক হয়, গ্যালোপিং ট্রেন প্রথম ধাপে চালু হবে। কিন্তু, পরবর্তীকালে ঠিক হয়, সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে গ্যালোপিং নয়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার

রাজ্য সফরে এসে পূর্বসূচি অনুযায়ী চতুরদিহি গ্রামে গিয়ে বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুপুর তিনটে নাগাদ তিনি বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে স্বাগত জানান। তিনি প্রথমে উঠোনে থাকা খাটিয়াতে বসেন। তারপর তাকে যখন খেতে দেওয়া হয় , তখন তিনি খেঁজুর পাতার চাটাইয়ের উপর বসেন। কাঁসার থালার উপর কলাপাতায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন তিনি। মেনুতে ছিল, ভাত, শাক, পটল বেগুন ভাজা, বিউলির ডাল, কুমড়োর ডালনা, আলু পোস্ত ও পোস্তর বড়া। আর শেষ পাতে ছিল চাটনি ও বেলিয়াতোড়ের বিখ্যাত মেচা সন্দেশ। তিনি অবশ্য মিষ্টি খাননি। তাঁর সঙ্গে খেতে বসেছিলেন বিভীষণ হাঁসদা , দিলীপ ঘোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা-সহ অন্য নেতারাও। খাওয়ার পর রান্নার প্রশংসা করতে ভোলেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টুইটে লেখেন, চতুরডিহি গ্রামে শ্রী বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে চমৎকার বাঙালি খাবার খাওয়ার সুযোগ পেলাম। কোনো শব্দই তাদের আতিথেয়তা বর্ণনা করতে পারবে না। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য অবশ্য বিজেপি কর্মী বিভীষণ হাঁসদা বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী মণিকাকে নিয়ে আমাদের পরিবারে মোট ৬ জন সদস্য। দিনমজুরির কাজ করেই সংসার চলে। আমার একটি ছেলে ও মেয়ে রয়েছে। মেয়ে রচনা হাঁসদা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভ পড়ে। এমনিত পড়াশোনায় ভাল তবে মধুমেহ রোগের জন্য তাকে মাসে তিন বার ইনসুলিন নিতে হয়। এর জন্য প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি ভেবেছিলাম আজ এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে। কিন্তু, প্রচুর মানুষের ভিড় তাঁকে আর সেই কথা বলে উঠতে পারলাম না। তাই ভাবছি চিঠি লিখে মেয়ের চিকিৎসায় সাহায্য করার জন্য ওনার কাছে আবেদন জানাব।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজনীতি

রাজ্য নেতৃত্বকে বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন অমিত শাহ

রাজ্য নেতৃত্বকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া শহরের রবীন্দ্র ভবনে দলীয় কর্মসূচিতে যান অমিত শাহ । সেখানে তিনি দলের নেতাদের বলেন , রাজ্যে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমানসে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। আরও পড়ুন ঃ ১০ নভেম্বর নন্দীগ্রামে কয়েক হাজার বাস-গাড়িতে লাখো অনুগামী-সমাগম এদিনের বৈঠকে উঠে আসে , লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে রাজ্যের ১২১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়েছিল বিজেপি। সেই ১২১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয় নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়াও কোন ৬৯ টি কেন্দ্রে জয়ের সম্ভাবনা আছে বিজেপি প্রার্থীদের , সেই তালিকাও তৈ্রি করতে বলা হয়েছে দলের নেতা- কর্মীদের। দলের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃ্ত্বের তরফ থেকে গোপনে করা সমীক্ষা থেকেও উঠে এসেছে , রাজ্যে ২০২১ সালে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখন থেকে সংগঠনকে মজবুত করে জয়ের লক্ষ্যে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , অনুপম হাজরা , সৌ্মিত্র খান সহ বিভিন্ন নেতারা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহকে রেঁধে খাওয়ানো গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য

২০১৭ সালে ২৫ এপ্রিল নক্সালবাড়ির রাজু মাহালির বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন করেছিলেন অমিত শাহ। নিজের হাতে তাঁকে রান্না করে খাইয়েছিলেন গীতা মাহালি। সেই রাজু মাহালির স্ত্রী গীতা মাহালিকে হোমগার্ডের চাকরি দিল রাজ্য সরকার। পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব তার বাড়িতে গিয়ে চাকরির আশ্বাস দেয়। বৃহস্পতিবার দার্জিলিং জেলা সভাপতি রঞ্জন সরকার গিয়ে গীতা মাহালির হাতে চাকরির শংসাপত্র তুলে দেন। তিনি এদিনই নক্সালবাড়ি থানায় কাজে যোগ দেন। কাজে যোগ দেওয়ার পর রাজু মাহালি রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তার স্ত্রী গীতা মাহালিও খুশি। অন্যদিকে রঞ্জন সরকার জানান, বিজেপির নেতারা এসে খাওয়া দাওয়া করে মিথ্যা আশ্বাস দেন তা প্রমাণিত। আর আমরা মানুষের পাশে থাকি তাই চাকরির ব্যাবস্থা করে দিলাম। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের বাংলা মেনে নেবে নাঃ মমতা জানা গিয়েছে , অমিত শাহ রাজু মাহালির বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন করে যাওয়ার পর থেকে তাদের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ রাখেনি বিজেপি। এরপর রাজু মাহালি ও তাঁর স্ত্রী তৃণমূলে যোগ দেয়। এরপর গীতা মাহালি রাজ্য সরকারের কাছে চাকরির আবেদন জানায়। সেইমতো এদিন তার হাতে হোমগার্ডের নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়। চাকরি পেয়ে গীতা মাহালি কৃ্তজ্ঞতা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

বহিরাগতদের বাংলা মেনে নেবে নাঃ মমতা

বাংলার জাতীয়তাবোধ ভেঙে দিতে চাইছে । নির্বাচিত সরকারকে ডিঙিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বহিরাগতদের বাংলা মেনে নেবে না। ছেড়ে কথা বলবে না বাংলা। চোখরাঙানি বরদাস্ত করবে না। কোনওরকম হুমকির রাজনীতি বরদাস্ত নয়। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে এভাবেই কেন্দ্রকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন কেন্দ্রের সমালোচনা করে আরও বলেন , প্যানডেমিক আইন অধিকাংশ সাধারণ মানুষ মেনেছেন। দুএকটি রাজনৈতিক দল প্যানডেমিক ছড়াচ্ছে। অনুমতি ছাড়া মিছিল করছে। রাজনীতি করতে গিয়ে মানুষের ক্ষতি করবেন না। লক্ষণ-রেখা মানা উচিত। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বৈঠকে ডাকলেন রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন , আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মে হস্তক্ষেপ করি না । কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার বারবার করে রাজ্যের উপরে হস্তক্ষেপ করছে। এজেন্সি দিয়ে রাজ্যের আধিকারিকদের ভয় দেখানো হচ্ছে । সংবিধানের দায়বদ্ধতা কেন্দ্র-রাজ্য উভয়কে মানতে হবে। এদিনের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে গ্রামীণ রাস্তায় ওভারলোড করা গাড়ি চালাতে নিষেধ করেন তিনি । তার বক্তব্য, সরকারের ক্ষমতায় আসার পরে ৯ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তায় ওভারলোড গাড়ি যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়ে দেন, গাইডলাইন মেনে কালীপুজো হবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

আলু-পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হাতেঃ মমতা

আলু-পেঁয়াজের দামের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের হাতে। হয় রাজ্যের হাতে নিয়্ন্ত্রণ করার দায়িত্ব হোক, নয়তো দাম নিয়ন্ত্রণ করুক কেন্দ্র। এই মর্মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখছেন বলেও বৃহস্পতিবার নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে সাফ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এখন আলু-পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই। রাজ্যের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে কেন্দ্র। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে পা রেখেই মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ তাহলে আমি জানতে চাই, কেন্দ্র কেন কিছু করছে না? হয় আমাদের ক্ষমতা ফেরানো হোক, না হলে কেন্দ্র দাম কমাক। মানুষ কি রান্নাবান্না করবে না? এবার কি রান্নাটাও এসে ওরা করে দেবে নাকি? এছাড়াও তিনি জেলাশাসক-পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেন, কারা কারা বেআইনিভাবে আলু-পেঁয়াজ মজুত করছে তার খোঁজ নিতে। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ

মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছে। দুই তৃতীয়াংশ আসনে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। এভাবেই বৃহস্পতিবার তৃণমূ্লের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । এদিন তিনি সাড়ে এগারোটা নাগাদ আকাশপথে বাঁকুড়ায় পৌঁছন । সেখানে তিনি মালদ্যান করেন বিরসা মুণ্ডার মূর্তিতে। এরপর তিনি সাংবাদিকদের বলেন , বিরসা মুণ্ডাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা সফর শুরু করলাম। গতকাল রাত থেকে বাংলার যে প্রান্তেই ছিলাম সব জায়গায় মানুষের উৎসাহ দেখেছি। বিপুল অভ্যর্থনা পেয়েছি। এটা থেকেই স্পষ্ট, মমতা সরকারের প্রতি ভয়ংকর জন আক্রোশ তৈরি হয়েছে। আর মোদির প্রতি তৈরি হয়েছে আশা আর শ্রদ্ধা। আরও পড়ুন ঃ বর্ধমান থেকে হারিয়ে যাওয়া বালক হাওড়া থেকে উদ্ধার এরপর পুয়াবাগান এলাকা থেকেও রাজ্যের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন শাহ। বলেন, মমতা সরকারের মৃত্যু ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। এদিন রাজ্যবাসীকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে কর্মসংস্থান হবে। বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরি পাবে। তাই কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজ্য সরকারকে ছুঁড়ে ফেলুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সোনার বাংলা তৈরি হবে। বাংলায় পরিবর্তন আসন্ন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন , মমতা সরকারের কারণেই কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না প্রান্তিক মানুষেরা। এছাড়াও তিনি বলেন , বাংলার সুরক্ষার সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িয়ে রয়েছে। আপনাদের সকলের কাছে আর্জি, বিজেপিকে একটা সুযোগ দিন। আগামী দিনে সোনার বাংলা গড়ব আমরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আরও কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

সঙ্কট যেন কিছুতেই কাটছে না অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার রাতে বেলভিউ হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, সৌমিত্রবাবুর রক্তে হিমোগ্লোবিন ও অনুচক্রিকার মাত্রা তলানির দিকে। তাঁর ট্র্যাকিওস্টমি করার কথাও ভাবছেন চিকিৎসকরা। তবে এখনও কোনও কিছুই চূড়ান্ত নয়। এদিন নতুন করে তাঁর দেহে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়নি। বাড়েনি ভেন্টিলেশনের মাত্রা। আরও পড়ুন ঃ কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ইতিমধ্যেই চারবার ডায়ালিসিস হয়ে গিয়েছে অভিনেতার। তবু বুধবার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই কম মূত্র নিঃসরণ হয়েছে তাঁর। হাসপাতাল সূ্ত্রে জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিডনির সমস্যা নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছে নেফ্রোলজি ও নিউরোলজি বোর্ড।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে পা রেখেই মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন অমিত শাহ

বুধবার রাতে কলকাতা শহরে পা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বুধবার দমদম বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, অনুপম হাজরা-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। পূর্বসূচি অনুযায়ী রাত ৯. ০৫ নাগাদ বিমানবন্দরে নামেন অমিত শাহ। পুষ্পবৃষ্টি ও ঢাকঢোল বাজিয়ে তাঁকে বরণ করা হয়। শহরে এসেই তিনি কথা বললেন মৃত বিজেপি কর্মী মদন ঘড়ুইয়ের পরিবারের সঙ্গে। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তা ও লাগাতার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন মৃত ওই বিজেপি কর্মীর পরিবার। সব শুনে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ জানা গিয়েছে, এদিন অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাত করতে শঙ্কুদেব পণ্ডার সঙ্গে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন মদন ঘড়ুইয়ের ছেলে, বউ ও ভাই। অভিযোগ, বিধাননগর পুলিশ বাধা দেয় তাঁদের। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে কথা বললে তাঁদের শাহর সঙ্গে দেখা করানোর অনুমতি মেলে। শঙ্কুদেব পণ্ডার দাবি, অমিত শাহই মৃত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন বলেছিলেন। বৃহস্পতিবারও ময়নাতদন্ত না হলে তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন , নিষ্ঠুরতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা আত্মত্যাগ করেছে , বিজেপি সবসময় সেই কার্যকর্তাদের কাছে ঋণী থাকবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

আজ দু'দিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহ

বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যে বুধবার রাতে দুদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুদিনের সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আজ রাতে তিনি থাকবেন রাজারহাটের একটি হোটেলে। সেখানে তিনি বৈঠক করবেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেননের সঙ্গে। আগামীকাল তিনি বাঁকুড়ায় সাংগঠনিক বৈঠক করবেন নেতৃত্বের সঙ্গে। সেখানে বিরসা মুণ্ডার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আদিবাসী গ্রাম চতুর্দহীতে আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে নাঃ শুভেন্দু এছাড়াও শুক্রবার, ৬ নভেম্বর দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন অমিত শাহ। তারপর সল্টলেকে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে একুশের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক করবেন শাহ। এছাড়াও সল্টলেকের ইজেডসিসিতে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। শুক্রবারই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ২০০ জন প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করবেন শাহ। জানা গিয়েছে , উত্তর ২৪ পরগনার গৌরাঙ্গনগরে কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহের। রাজ্য সফরে এসে বৃহস্পতিবার রাজারহাটের মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ নবীন বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে মাটিতে বসে ভাত-ডাল খাবেন অমিত শাহ। এছাড়াও তিনি পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গিয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
দেশ

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার অর্ণব গোস্বামী

দুবছর আগে ঋণ শোধ না করা এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের এডিটর অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্র সিআইডি। তাঁকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতারের ঘটনার কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি এদিন এই বিষয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে টুইটে লেখেন, কংগ্রেস এবং সঙ্গীরা আরও একবার গনতন্ত্রকে লজ্জায় ফেলল। অর্ণব গোস্বামীর উপর আক্রমণ ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের উপর হামলা। এটা আমাকে জরুরি অবস্থার কথা মনে করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করা হবে। জানা গিয়েছে , বুধবার সকালে অর্ণবের বাড়িতে হানা দেয় মুম্বই পুলিশ ও সিআইডির একটি দল। সেই দলে ছিলেন ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ আধিকারিক। অর্ণবের অভিযোগ, তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করেছে পুলিশ। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, তাঁকে বলপূর্বক পুলিশ ভ্যানে তোলা হচ্ছে। যে মামলায় অর্ণবকে আটক করা হয়েছে সেটি বছর দুয়েকের পুরনো।ওই বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে শোধ না করা এবং আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ছিল। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধার আগে রাজনীতি থেকে অবসর নেবঃ মায়াবতী প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মে মাসে ইন্টেরিয়র ডিজাইনার অন্বয় নায়েক এবং তাঁর মা কুমুদ নায়েককে আলিবাগের একটি বাংলোতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্বয়ের মেয়ে আদন্যা দাবি করেন, ওই বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের থেকে বকেয়া টাকা না পেয়ে আত্মহত্যা করেন তাঁর বাবা ও ঠাকুমা।সেইসময় ওই বেসরকারি সংবাদমাধ্যম সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে। পরে দাবি করে, কিছু সংগঠন অসৎ উদ্দেশে ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এই ধরনের মিথ্যা প্রচারর করছে। অন্যদিকে , এদিন অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার করার নিন্দা করে বিজেপি নেতা তথা সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত লিখেছেন , এই ঘটনায় ধর্মনিরপেক্ষ বা্মপন্থী ও তৃণমূলপন্থী্রা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। বাক স্বাধীনতা নিয়ে এবার কিছু বলতে এলে এদের একদম বিদায় করুন। তিনি সকলকে এই ঘটনার বিরুদ্ধে একসঙ্গে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্ত এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে টুইটে লিখেছেন , আমি মনে করি না , এই গ্রেফতারি অর্ণব গোস্বামীকে চুপ করাতে পারবে।এই ঘটনা তাঁর আবেদন আরও বাড়িয়ে তুলবে। কংগ্রেস ও শিবসেনাকে আরও হাস্যকর করে তুলবে। বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা টুইটে লিখেছেন , মহারাষ্ট্র সরকারের প্রতিহিংসামূলক চিন্তাভাবনায় বাংলার সরকারের চিন্তাভাবনার প্রতিচ্ছবি। নির্লজ্জ মুম্বই পুলিশ পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের যোগ্য প্রতিযোগী। দেশের সমস্ত সাংবাদিক বন্ধুদের এই লজ্জাজনক ঘটনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই। মহারাষ্ট্র সরকারের পতন আসন্ন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
বিনোদুনিয়া

কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। মঙ্গলবার ডাক্তার কর জানান, বর্ষীয়ান অভিনেতার নতুন করে রক্তক্ষরণ হয়নি। তাঁর শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে। হিমোগ্লোবিন প্রায় স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে এসেছে। কিডনির স্ট্রেস কমাতেই এদিন ডায়ালিসিস করা হয়েছে। ইউরিন আউটপুট ভাল। ভাস্কুলার সার্জেন, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেসিস্ট তাঁকে ২৪ ঘণ্টাই পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। নতুন করে যাতে আর রক্তক্ষরণ না হয়, সেদিকেই বিশেষভাবে খেয়াল রাখছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুন ঃ ১৪ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন আমির কন্যা ইরা অভিনেতার শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক হলেই তাঁর নিউরোলজিক্যাল বিষয়গুলি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হবে। গত কয়েকদিনের মতো মঙ্গলবারও অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেলে সূচক ১০-এর কাছাকাছি। আচ্ছন্নভাব থাকলেও চোখ খুলছেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে নাঃ শুভেন্দু

ক্ষমতার দম্ভ থাকলে মানুষ পাশে থাকে না। ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয়। মঙ্গলবার পটাশপুরে এক সভা থেকে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরও বলেন , আপনারা দেখেছেন ২০০৯ সালে আমার মার্জিন ছিল এক লক্ষ ৭২ জাজার, ২০১৪-তে মার্জিন আড়াই লক্ষ হয়ে যায়। ভাল কাজ করলে, মানুষের সঙ্গে থাকলে সমর্থন বাড়বে। আরও পড়ুন ঃ ক্যানিংয়ে গুলিবিদ্ধ তিন তৃণমূল কর্মী , ধৃত ২ আর ক্ষমতার দম্ভ দেখালে ২৩৫ যেমন এখন উঠে গেছে, যারা পঞ্চায়েতে আছেন তারা মানুষকে নিয়ে চলেন অনেক দিন থাকবেন মানুষকে নিয়ে না চললে মানুষই সরিয়ে দেবে। তাঁর বক্তব্য , পার্টি দেখে কাজ করলে বেশি দিন থাকবেন না। মানুষকে নিয়ে কাজ করলে বেশি দিন থাকবেন। যতই ক্ষমতার দম্ভ দেখান না কেন মানুষ শেষ কথা বলে। আমি তা নন্দীগ্রামে দেখেছি। ২৩৫ আমরা, ৩০ জনের কথা শুনব কেন? তাঁর এদিনের করা মন্তব্য নিয়ে ফের রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আগামী ৬ নভেম্বর পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর  বাড়িতে অমিত শাহঃ অর্জু্ন সিং

ক্যানিংয়ে আমাদের কোনও সংগঠন নেই যে আমাদের লোকেরা ওদের গুলি মারবে। নিজের নিজের ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে লড়ছে । ভাইপো বনাম পিসির লড়াই চলছে ওখানে। মঙ্গলবার তৃ্ণমূলের সমালোচনা করে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জু্ন সিং। তিনি বলেন , পশ্চিমবঙ্গে যারা রাজনৈতিক দলের লোক আছে , তাদের সবাইকে বলব , সাবধানে থাকুন। তৃ্ণমূলের গোষ্ঠী্দ্বন্ধের লড়াইতে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। আর দোষ চাপাচ্ছে বিজেপির উপরে। কখনও অন্য রাজনৈতিক দলের উপরে। ভো্ট যখন আসে , তখন তৃ্ণমূলের লোকেরা এসব করে থাকে। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এটা পুরোপুরি অরাজনৈতিক ব্যাপার। আগামী ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওনার সঙ্গে দেখা করবেন। সে বিষয়ে ওনার কাছে আবেদন জানাতে গিয়েছিলাম। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে গুরুংয়ের কোনও অস্তিত্ব নেইঃ বিনয় কৈলাস বিজয়বর্গীয় পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে বলেন , উনি বাংলা তথা দেশের গর্ব। আমি ওনাকে প্রণাম করতে গিয়েছিলাম। তৃ্ণমূলের যে গণ্ডগো্ল তা সিন্ডিকেট , কাট্মানি ও পয়সার জন্য হচ্ছে।কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, সকালে ও বিকালে বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করবেন অমিত শাহ। অনেকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

মন্তেশ্বরে গায়ে আগুন দিয়ে একই পরিবারের তিনজন আত্মঘাতী

সপরিবারে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হল একই পরিবারের তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে , মন্তেশ্বরের বাঘাসোন গ্রামে। মৃতদের নাম সুদেব চন্দ্র দে (৩৯) , তাঁর স্ত্রী রেখা দে (২৮) ও তাঁর ছেলে স্নেহাংশু দে (৮)। জানা গিয়েছে , সুদেব চন্দ্র দে রেল পুলিশে কর্মরত। মঙ্গলবার ভোরবেলায় মন্তেশ্বর থানার পুলিশ একই ঘর থেকে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণ , মৃত ১ তাদের বড় মেয়ে রিমঝিমকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বর্ধমান হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। মৃতের দাদা জানান আজ ভোর ৩ টে ১৫ নাগাদ তাঁর ভাইঝি তাঁকে ফোন করে আগুন লাগার ঘটনার কথা জানায়। এরপরই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঢুকে তিনজনের মৃতদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকেরা। এরপর পুলিশ দেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।ঘটনার তদন্তে নেমেছে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ। ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 104
  • 105
  • 106
  • 107
  • 108
  • 109
  • 110
  • 111
  • 112
  • 113
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নিট কেলেঙ্কারির ভয়ংকর ফাঁস! “৫০০-৬০০ নম্বর নিশ্চিত”, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে বিস্ফোরক তথ্য

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, মূল অভিযুক্ত শুভম খয়েরনার পরীক্ষার্থীদের ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত। তার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই ফাঁস হয়েছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।নিট ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে। ইতিমধ্যেই জাতীয় পরীক্ষাকর্তা সংস্থা পরীক্ষা বাতিল করেছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দিনও ঘোষণা করা হয়েছে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নাসিক থেকে গ্রেফতার হওয়া শুভম খয়েরনার গত এপ্রিল মাসেই তার সাপ্লায়ার যশ যাদবকে জানিয়েছিল যে প্রশ্নপত্রের কপি জোগাড় হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২৯ এপ্রিল ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় পরীক্ষার্থীদের টার্গেট করে প্রলোভন দেখানো।অভিযুক্তরা পড়ুয়াদের বোঝাত, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিলে তারা নিশ্চিতভাবে বেশি নম্বর পাবে এবং দেশের নামী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ চলত মূল অভিযুক্তদের মধ্যে। সেখানে পরীক্ষার্থীদের ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হত।সিবিআই ইতিমধ্যেই শুভমের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। চ্যাটের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের কপিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে হরিয়ানার গুরুগ্রাম, রাজস্থানের জয়পুর ও শিকর-সহ দেশের বিভিন্ন বড় কোচিং কেন্দ্রে এই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার এবং কেরলেও ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।শুভম খয়েরনার বয়স ৩০ বছর। নাসিকের ইন্দিরানগরের বাসিন্দা সে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও কখনও ডাক্তারি পাশ করতে পারেনি। তদন্তে জানা গিয়েছে, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিটের প্রশ্নপত্র কিনে পরে তা ১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয় সে।এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ, লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কীভাবে বড় চক্র কাজ করছিল, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে তদন্তে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কান্ডে বড় পদক্ষেপ! তিন আইপিএস সাসপেন্ড, ফের খুলছে তদন্তের ফাইল; মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের বহুল আলোচিত চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে নতুন করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারবিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি-র ভূমিকা নিয়েও খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় পুলিশ প্রশাসন কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছিল, কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে এবং কোন স্তরে তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যত্যয় ঘটেছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। বিশেষ করে ঘটনার পর যথাসময়ে এফআইআর দায়ের, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তদন্তের প্রাথমিক ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরকারি স্তরে আর্থিক সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সামনে আসতেই সারা রাজ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। চিকিৎসক সমাজের লাগাতার আন্দোলন, প্রতিবাদ মিছিল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে কলকাতা পুলিশের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর এডিজি ও আইজিপি পদে বদলি করা হয়েছিল।একই সময়ে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে ছিলেন অভিষেক গুপ্ত। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠার পর তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে থাকা ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও আরজি কর-পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায় আসছে।শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই তদন্ত শুধু প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নির্ধারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন হলে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধীরা একে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেও, শাসকদলের একাংশ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই কটাক্ষ করেছে।আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তের দরজা খোলায় ফের সামনে আসছে সেই ভয়াবহ রাতের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন। এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ঘরছাড়াদের ফেরাতে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! তবে মানতে হবে কড়া শর্ত

ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছিল, বিভিন্ন জেলায় তাঁদের বহু নেতা-কর্মী আক্রান্ত এবং ঘরছাড়া। শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনেও সেই অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর সেই অভিযোগের পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বিধানসভায় এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন শাসকদলের প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোস। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় তাঁদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বক্তব্য রাখতে উঠে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তোলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অত্যাচারে বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন।এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর জানা মতে বর্তমানে কেউ ঘরছাড়া নন। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকে নামের তালিকা জমা দিতে বলেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, আপনারা তালিকা দিন, কারা ঘরছাড়া হয়েছেন জানিয়ে দিন।তবে এখানেই একটি স্পষ্ট শর্ত বেঁধে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, তালিকায় থাকা কেউ যদি একুশের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর থাকে, তাহলে তাঁকে ঘরে ফেরানো হবে না। বরং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু যদি কেউ নির্দোষ হয় এবং সত্যিই ঘরছাড়া থাকেন, তাহলে স্থানীয় বিধায়ক ও পুলিশ সুপার তাঁকে সসম্মানে ঘরে ফিরিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন শুভেন্দু।বিধানসভায় এই আলোচনা শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার। সূত্রের খবর, তিনি শুভেন্দুকে বলেন যে বাইরে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। তখন মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরের দিন পুলিশের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে এবং সেখানে পান্নালালকেও থাকতে বলেন তিনি।শোনা যাচ্ছে, সেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য লিখিত আমন্ত্রণপত্র চান পান্নালাল। পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কারণ, বিধানসভায় আগেই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, বিরোধীদেরও সমানভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আর এবার পুলিশের বৈঠকে বিরোধী বিধায়ককে ডাক দিয়ে তিনি যেন সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট করে দিলেন।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আর গোপন কিছু নয়! বিধানসভার সব কার্যকলাপ লাইভ দেখানোর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বিধানসভার প্রথম দিন থেকেই বড় পরিবর্তনের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়করা কে কতটা কাজ করছেন, কে নিয়মিত বিধানসভায় উপস্থিত থাকছেন, তা যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি জানতে পারেন, সেই লক্ষ্যে বিধানসভার কার্যকলাপ লাইভ সম্প্রচারের ঘোষণা করলেন তিনি। তাঁর কথায়, জনগণের নজরদারি আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, অতীতের অম্ল-মধুর অভিজ্ঞতা তিনি আর টেনে আনতে চান না। পুরনো ত্রুটি-বিচ্যুতি ভুলে গিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নিয়ম মেনেই বিধানসভা চালানোর উপর জোর দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিধানসভাকে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ করে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।তিনি জানান, বিধায়কদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। প্রশ্নোত্তর পর্বে সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারেন না তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধি কী কাজ করছেন। তাই বিল, বাজেট, জিরো আওয়ার-সহ বিধানসভার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ সরাসরি সম্প্রচার করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।বিধানসভায় বিশৃঙ্খলা ও অশালীন আচরণের বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনও বিধায়ককে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা উচিত নয়। বিধানসভা মারামারির জায়গা নয়, বরং গণতান্ত্রিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মঞ্চ।শুভেন্দু আরও জানান, বিধানসভায় সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। এখনও ভোটাভুটির ক্ষেত্রে কাগজে লিখে মত জানাতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভবিষ্যতে ডিলিমিটেশন হলে বিধানসভার আসন সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণেই নতুন বিধানসভা ভবন তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।বিরোধীদের উদ্দেশেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বিরোধীদের আরও বেশি করে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে বিরোধী বিধায়করা সরাসরি মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। পাশাপাশি কোনও মন্ত্রী এলাকায় গেলে স্থানীয় বিধায়ককে আগাম জানানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।শেষে বিরোধীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে চিঠি পাঠালেও উত্তর পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলাবে। বিরোধীরা চিঠি দিলে তিনি নিজে তার উত্তর দেবেন বলেও জানান শুভেন্দু।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নাম না করেই অভিষেককে নিশানা তাপস রায়ের! “বিজেপি নয়, ওর ব্যবস্থা করবে জনগণ আর তৃণমূল”

নতুন সরকার গঠনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। স্পিকার নির্বাচনের দিন তৃণমূলকে একের পর এক আক্রমণ শানালেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়। নাম না করেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তিনি। তাপসের বক্তব্য, বিজেপি তাঁর কিছু করবে না। তাঁর ব্যবস্থা করবে জনগণ এবং তৃণমূলই।শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন বিজেপির রথীন্দ্র বসু। এরপর বিভিন্ন দলের বিধায়করা বক্তব্য রাখেন। সেই সময় বক্তব্য রাখতে উঠে তাপস রায় শুরু থেকেই তৃণমূলকে আক্রমণ করতে থাকেন। তৃণমূল বিধায়কদের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, অনেক তো করেছেন। এবার দেখতে খারাপ লাগছে নাকি?এরপরই তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের ভোট ছিল না, এটা ছিল ধর্মযুদ্ধ। সেই ধর্মযুদ্ধে যারা জিতে এসেছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানান তিনি।নবনির্বাচিত স্পিকার রথীন্দ্র বসুর উদ্দেশে তাপস বলেন, বিধানসভায় কোনও দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান যেন না ওঠে, তার জন্য প্রয়োজন হলে আইন আনতে হবে। তাঁর এই মন্তব্যে টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।এরপরই নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তাপস রায়। তিনি বলেন, একজন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ব্লক অঞ্চল থেকে বিজেপি প্রার্থীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। যদিও বাংলার দলের আবার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক! এই মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদ শুরু করলে তাপস বলেন, সব বলা যায়। বলতে দিতে হবে।তাপস আরও বলেন, সে বলেছিল হাড়গোড় ভেঙে দেওয়া হবে। আমি বলছি, এবার সে বাইরে বেরোক। বিজেপি কিছু করবে না। তার ব্যবস্থা জনগণ আর তৃণমূলই করবে।ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ নিয়েও তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তাপসের দাবি, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে বিজেপির বহু কর্মী খুন হতেন। তিনি বলেন, আজ যদি ওরা ক্ষমতায় ফিরত, তাহলে দেড়শোর বেশি বিজেপি কর্মীর লাশ গুনতে হত। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হত। লক্ষ লক্ষ বিজেপি সমর্থক ঘরছাড়া থাকতেন।একসময় তৃণমূলেরই নেতা ছিলেন তাপস রায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বরাহনগর থেকে জিতেছিলেন তিনি। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তাপস বলেন, আমি যদি ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকি, তাহলে আমাকে জেলে পাঠান।শেষে জয় শ্রীরাম এবং ভারত মাতার জয় ধ্বনি দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন বিজেপি বিধায়ক।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

পদ হারিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট কাকলির! তৃণমূলে কি বাড়ছে বিদ্রোহ?

লোকসভায় মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। আর তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ পদ হারানোর পর সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কাকলি। সেই পোস্ট ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের একাংশ নেতার মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে, কেউ আবার সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অনেকেই দলের খারাপ ফলের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাককে দায়ী করেছেন। সেই আবহেই কাকলির পোস্ট নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্ব দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু মাত্র নমাসের মধ্যেই ফের সেই পদে ফিরিয়ে আনা হল কল্যাণকে। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?পদ থেকে সরানোর পর সমাজমাধ্যমে কাকলি লেখেন, ৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই পোস্ট থেকেই স্পষ্ট, সিদ্ধান্তে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।এর আগেও কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক পোস্ট করে দলের অন্দরে চাঞ্চল্য ফেলেছিলেন। সমাজমাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসাও করেছিলেন।আরও একটি পোস্টে বৈদ্যনাথ লিখেছিলেন, আমার মাকে প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই। প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পোস্টের পর থেকেই কাকলির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।এখন ছেলের পর মা-ও প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখানোয় তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও কাকলির পোস্ট নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal