• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Klikk

বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'রক্তপলাশ'-এর প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল

KLIKK OTT প্ল্যাটফর্মে পরিচালক হিসাবে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাজ ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ আসছে সেটার ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার প্রকাশ্যে এল রক্তপলাশ-এর প্রথম পোস্টার। তবে এই সিরিজে সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের দেখা না গেলেও ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে একরত্তি একটি মেয়ে। তার চোখে মুখে ভয়ের ছাপ। পিছনে হাতে বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে দুজন। তাঁদের পরিচয় অবশ্য স্পষ্ট নয়।সুত্র মারফত জানা যায়, একবিংশতি-র ভয়ঙ্কর রমহর্ষক জঙ্গলমহলের ওপর আধারিত এই কাহিনি। মেদনীপুরের জঙ্গলমহলের সুরমা ফক্সহোল রিসর্টে সমাজের বিশিষ্ট সাতজন ব্যক্তি ঘুড়তে আসাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে এই কাহিনী। প্রথমদিকে সকলে বেড়ানোর আন্দে মজে গেলেও রাতের আড্ডায় তাঁদের অতীতের অনৈতিক ঘটনা একে একে সামনে আসতে থাকে ঘটনা পরম্পরায়। আর সাথে সাথেই ছুটি কাটাতে এসে সাম্রিক বাহিনী ও চরমপন্থীদের লড়াইয়ে মাঝে পড়ে তাঁদের ভালো মানুষের মুখোশ খুলে পড়ে কঙ্কাল বেড়িয়ে পড়ে। কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের এই ওয়েব সিরিজের চরিত্রায়ণেও বৈচিত্র্য রয়েছে। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত। এদের পাশাপাশি এই সিরিজে অভিনয় করছেন উৎসব মুখোপাধ্যায়, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পণ্ডিত, দীপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবি তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাশগুপ্ত প্রমুখ।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়-র প্রথম ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলি

প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করছেন পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে তাঁর ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। ওয়েব সিরিজের জার্নি জনতার কথা-র সঙ্গে শেয়ার করলেন পরিচালক।জনতার কথাঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করা কেন?পরপর থ্রিলার হচ্ছে বলেই কি থ্রিলারে ঝোঁক?সাগ্নিকঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করার পেছনে প্রাইমার্যিরলি যেটা কাজ করেছে সেটা হল প্র্যাঙ্ক। প্র্যাঙ্ক নিয়ে গোটা ভারতবর্ষের নিরিখে সিরিয়াস কাজ কোথাও হয়নি। বহুদিন ধরে আমি প্র্যাঙ্ক চ্যানেল ফলো করি। আমার ভাইরাল হয়ে যাওয়া এই বিষয়টা নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছে রয়েছে। খুব সহজেই ভাইরাল হওয়া যায়। তার জন্য প্রশিক্ষণ, শিল্পবোধ এটা যে ম্যান্ডেটরি তা নয়। তাই আমি প্র্যাঙ্ক বিষয়টি বেছে নিই। তার কারণ হচ্ছে একটি প্র্যাঙ্ক ভিডিও দেখেছিলাম যে হুইলচেয়ারে বসা এক বৃদ্ধর কাছে একটি গাড়ি এসে থামে। সেখান থেকে একটি বন্দুকের নল বেরিয়ে এসে ফায়ার হতে থাকে। সেই ভয়ে ওই বৃদ্ধ হুইলচেয়ার থেকে নেমে হিঁচড়ে হিঁচড়ে মাটি দিয়ে এগোচ্ছিলেন। সেই নির্মম ভিডিও দেখে মানুষজন হাহা রিয়্যাক্ট করছেন, লাভ রিয়্যাক্ট করছেন। এই ভিডিওটা যেখানে ব্যান হওয়া উচিত ছিল বা প্র্যাঙ্কটা যারা করছিলেন তাদের জেল হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু সেই ভিডিওটির মিলিয়ন ভিউ হয়। হয়তো তারা এই ভিডিওটির বিনিময়ে পয়সাও পান। এই বিষয়টা আমাকে খুব নাড়া দেয়। আমার মনে হয় এই বিষয়টা নিয়ে কিছু বলা দরকার। অবশ্যই সেটা ডেটা অরিয়েন্টেড মেসেজ নয়, একটা ফিকশনের মাধ্যমে মেসেজ দেওয়া। একটা কিছু করা দরকার, একটা কিছু বলা দরকার। সেই একটা কিছু বলার জন্য আমি ভেবে দেখলাম যে থ্রিলার হচ্ছে সবথেকে ভালো মাধ্যম। মানুষকে থ্রিল করার জন্য তো তারা এই কাজগুলো করেন। তো তাদেরকেও যদি থ্রিল করতে হয় তাহলে থ্রিলার ছাড়া অপশন নেই। সেই জায়গা থেকে আমার গল্পটা থ্রিলারের আঙ্গিকে তৈরি করা।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলিজনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলিকে কিভাবে কাস্ট করা হল?সাগ্নিকঃ গল্পটা যখন প্রথম ভাবি তখন একটা সাদামাটা প্রউর কথা মাথায় আসে। যাকে আমার কাকু, জেঠু বলতে ইচ্ছে করবে এরকম একজন। সেটা যখন আমার মাথায় আসে তখন কৌশিক দা ছাড়া এই ইন্ডাস্ট্রির আর কারোর নাম আমার মাথায় আসেনি। আমি তাঁকে গল্পটা শোনাই। যেদিন উনি গল্পটা শোনেন সেইদিনই বলেন আমি কাজটা করবো।জনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলির মতো বড় নাম রয়েছে বলেই কি প্র্যাঙ্কেনস্টাইন বেশি জনপ্রিয় হতে পারে?সাগ্নিকঃ দেখুন কৌশিক গাঙ্গুলির নামটাকে তো অস্বীকার করা যায়না। অবশ্যই তাঁর থাকা-না থাকাটা অনেকটা ম্যাটার করে। তবে শুধুমাত্র কৌশিক গাঙ্গুলিই প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের নক্ষত্র না প্র্যাঙ্কেনস্টাইন নিজেও নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে সেটা সময় বিচার করবে।জনতার কথাঃ প্রথম ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা কেমন?সাগ্নিকঃ খুবই ভালো, খুবই থ্রিলিং বলা যেতে পারে। একটা কথা বলতে পারি আমি খুব লাকি যে প্রথম ওয়েব সিরিজটা করছি অ্যাঞ্জেল ডিজিটালের প্ল্যাটফর্ম ক্লিক এর সঙ্গে।জনতার কথাঃ ওয়েব সিরিজটি দর্শকরা কবে দেখতে পাবেন?সাগ্নিকঃ এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এটির প্রিমিয়ার হবে। যেদিন প্রিমিয়ার হবে সেদিন থেকেই ওটিটি তে স্ট্রিম করতে শুরু করবে। তারিখটা এখনও ঠিক হয়নি তবে ধরে নিন শেষ দুটো সপ্তাহের মধ্যে প্র্যাঙ্কেনস্টাইন স্ট্রিম করবে।

মার্চ ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকে মুক্তি পেল রাজা চন্দের প্রথম ওয়েব সিরিজ

পরিচালক হিসাবে ওয়েব সিরিজে অভিষেক হল রাজা চন্দের। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তাঁর পরিচালিত ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি-র প্রিমিয়ার হয়ে গেল নন্দনে। ওয়েব সিরিজটি মূলত থ্রিলার। তবে বাকী থ্রিলারগুলোর থেকে ভিন্নতা রয়েছে এই ওয়েব সিরিজে। ক্লিকের এটি ১৫ তম ওয়েব সিরিজ।রাজা চন্দের পাশাপাশি সৌরভ দাস, দেবতনু, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার এরাও ক্লিকের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন। এখানে মানসী সেনগুপ্ত-র বিপরীতে রয়েছেন ওয়েব কিং সৌরভ দাস। মানসীর বোনের চরিত্রে দেখা যাবে পিয়ান সরকার কে এবং পিয়ানের স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন দেবতনু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিজিৎ গুহ,বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়,শীর্ষা রক্ষিত,জ্যামি,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রমুখ। প্রিমিয়ারে শারীরিক অসুস্থতার জন্য পরিচালক উপস্থিত থাকতে না পারলেও ছিলেন বাকিরা। হিন্দি ধারাবাহিকে কাজ করার জন্য প্রিমিয়ারে উপস্থিত থাকতে পারেননি মানসী সেনগুপ্ত। এই ওয়েব সিরিজ সকলের কাছেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জনতার কথা-র দর্শকদের জন্য রইল প্রিমিয়ারের বেশ কিছু ছবি।

মার্চ ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিক-এ (KLIKK) মুক্তি পাচ্ছে রাজা চন্দ'র 'কাটাকুটি'

Klikk ওরিজিনালস OTT প্ল্যাটফর্মের জন্যে জনপ্রিয় পরিচালক রাজা চন্দ এবার প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করলেন। ছবির নাম কাটাকুটি। নিবেদনে রাজা চন্দ ফিল্মস। সিরিজের কাহিনি-চিত্রনাট্যকার অর্ণব ভৌমিক। শুধু রাজাই নন, কাটাকুটি-র হাত ধরে টেলিভিশনের ছোট পর্দা থেকে ওয়েব সিরিজে প্রথম পা রেখেছেন নায়িকা মানসী সেনগুপ্ত। তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে সৌরভ দাসকে। অভিনেত্রী পিয়ান সরকার মানসির বোনের চরিত্রে আর দেবতনু তার স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন।ছবির প্রেক্ষাপটে লাজুক আদিত্য আর স্পষ্টভাষী কৌশানি, দুজনের বিয়ে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের আগেই হঠাৎ কৌশানি মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়। আর সেই খুনের কারণ বোঝা যায়, এক নৃশংস গ্যাং রেপ কেস। তার সাজানো স্বপ্নগুলি এরম নির্মম ভাবে চুরমার হতে দেখে ভেঙে পড়ে আদিত্য। কাহিনী এগোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তিনজনের নাম, যারা করেছে এই ঘৃন্য অপরাধ! ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে একজন কৌশানির পরিবারের খুব কাছের সদস্য। আদিত্য বদলে যায়। কৌশানির মৃত্যুর বিচার সে তুলে নেয় নিজের হাতে। বেছে নেয় নির্মম প্রতিশোধের পথ। এই কাহিনীর পরোতে পরোতে রয়েছে রোমহর্ষক চমক আর অনবদ্য অভিনয়। ছয় পর্বের এই সিরিজ দেখা যাবে আগামী মার্চ মাসে Klikk OTT প্লাটফর্মে। কাটাকুটি তে অভিনয় করেছেন সৌরভ দাস, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার, দেবতনু, অভিজিৎ গুহ, বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়, সিরষা রক্ষিত, জ্যামি প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Klikk : মজার ওয়েব সিরিজ নিয়ে আসছে ক্লিক

চ্যাটার্জীর গল্প অবলম্বনে KLIKK ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসতে চলেছে নতুন ওয়েব সিরিজ আমরা টুগেইদার। এই ডিসেম্বরেই মুক্তি পাচ্ছে ওয়েব সিরিজটি। এই ওয়েবের গল্পটা বেশ মজার।একটি ছেলে প্রেমে পড়েছে এবং সে বিয়ে করতে চায়, কিন্তু তার বাবা এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেন না! এই না মেনে নেওয়ার পেছনে বড় কারণ ছেলের পছন্দ! যা সাধারণ অর্থে একটি বহুলচর্চিত প্রেম কাহিনী বলে মনে হলেও আমরা টুগেইদার এর গল্প অন্য গল্প থেকে আলাদা কারণ এটি একটি ছেলের অন্য একটি ছেলেকে পছন্দর বিষয় নিয়ে তৈরি। ওই ছেলেটি সমসাময়িক একটি রেডিও জকির প্রেমে পড়েছে! অন্যদিকে এই রেডিও জকিও ওই ছেলেটির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে! এই বিষয়টি জকির মহিলা সহকর্মীও মেনে নিতে পারে না এবং সেও বিষয়টি নিয়ে রেগে যায়। অন্যদিকে এই গল্পের প্রথম ছেলেটির বাবা তাঁর এই বিবাহের বিপক্ষে থাকলেও তাঁর মা তাকে সহায়তা করে এবং এবার আমরা সম্পূর্ণ নতুন একটি জীবনযাপনের গল্পকে এগিয়ে যেতে দেখতে পাই! কিন্তু এই গল্পের অন্ত কি আর পাঁচটা গল্পের মতো মধুরেণ সমাপয়েৎ ঘটাবে নাকি একদম অন্যরকম বাঁক নেবে! জানতে হলে দেখতে হবে আমরা টুগেইদার।এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছে ইন্দ্রাশিস রায়, অনিন্দ্য চ্যাটার্জী, শ্রীদীপ মুখার্জি, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, পূজারিণী ঘোষ, পৌলমী দাস, পল্লবী চ্যাটার্জী, আরজে অয়ন্তিকা। এছাড়া এই ওয়েব সিরিজে অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় থাকবেন সিদ্ধার্থ রায়, গৌরব চট্টোপাধ্যায় ও আরজে শেখর।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Agomoni : আগমনীতে দুর্গাপুজোর ছোঁয়া

Klikk এর নতুন প্রোজেক্ট। আগামী ১০ ই অক্টোবর Klikk এ প্রিমিয়ার হবে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী।অভীক একটি ২২ বছরের ছেলে। শহরের বাইরে থাকে। শুরুতেই দেখা যায় যে কিঞ্চিৎ বিষণ্ণ হয়ে অভীক কে তার বাবা ফোন করে জিজ্ঞেস করছেন যে সে এই বছর পুজোয় বাড়ি আসছে কিনা, কারণ এই বছর তাদের বাড়িতে পুজো হবেনা। অভীক বাড়ি আসে। তার দিদির সাথে কথোপকথনের পর আমরা বুঝতে পারি যে, কিছুদিন তাদের বাবা মায়ের সেপারেশন হয়েছে তাই এবারে পুজোটা হবেনা। অভীক এসেছে জানতে পেরে তার পুরোনো বান্ধবী রাই, তার সাথে কথা বলতে আসে। রাই এখন অভীকের প্রাক্তনী। ২ বছর আগেই ওদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তাদের কথার মধ্যে সেই মান অভিমান আমরা ফুটে উঠতে দেখতে পাই। রাই অভীক কে বলে যদি তারা সব বন্ধুরা মিলে পুজোটা করতে পারে। পরের দিন তারা বাবার কাছে পারমিশন নিতে গেলে বাবা কিছুটা ইতস্তত হলেও রাজি হয়ে যায়। পুজোর তোড়জোড় শুরু হয় বন্ধুদের। মহালয়ার দুদিন আগে অভীক দুঃখের সাথে রাই কে বলে - এবারের পুজোয় মা কে খুব মিস করবো!মহালয়ার দিন সকালে চক্ষুদান এর সময় অভীক দেখে, তার মা ফিরে এসেছে। আবেগে বিহ্বল হয়ে অভীক মা কে জড়িয়ে কেঁদে ফেলে। দেবী ও মাএর আগমনী হয়। মা অমলীন, চিরন্তন,শুধুমাত্র দৈনন্দিন আবেগ বা আরাধনায় আবদ্ধ নয়। বিরহ, বিচ্ছেদ, বিষাদ, সবের ঊর্ধ্বেমা। আসবেই আগমনী। এটি মা এর ফিরে আসার গল্প। মা বারবার ফিরে আসেন। এই ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করবেন রোহন সেন,ঐশ্বর্য সেন,রানা বসু ঠাকুর,অমৃতা দে, হিন্দোলা চক্রবর্তী, অন্তরা স্বর্ণকার এবং বুলান ঘোষ। প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে কিছুক্ষণ এন্টারটেইনমেন্টের অমৃতা দে। প্রযোজনার পাশাপাশি এখানে মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। শুধু তাই নয় টাইটেল ট্র্যাক ও তাঁর গাওয়া। সহ প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুরের JLT FILMS। পরিচালনায় চিত্রনাট্য, ডায়ালগ ও সম্পাদনা পুরোটাই সামলেছেন তরুণ পরিচালক রোহন সেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khela Ssuru : 'খেলা শুরু'-র গল্প শোনালেন রণিতা-ইন্দ্রাশিস

ওয়েব সিরিজ খেলা শুরু-র মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেন সৌপ্তিক। এই ওয়েব সিরিজের মাধ্যমেই ওয়েবে ডেবিউ হল রণিতার। ইষ্টি কুটুম খ্যাত বাহা অর্থাৎ রণিতা দাস ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করলেও ওয়েব সিরিজ বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম তার কাছে একদম নতুন। ওয়েবে কাজ করা খুব একটা সোজা ছিল না। অনেক চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হয়েছে জানালেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ রণিতারঅভিনেত্রীর কথায়,খুব চাপের। সিরিয়ালেও এত প্রেশার থাকে না। যখন সিরিয়াল করতাম ইটস লাইক আমার খুব ফ্লো তে হতো। এত হেডেক নিতে হতো না। এত ভাবতে হতো না। ফার্স্ট টাইম ওয়েবে কাজ করলাম। আমার ভীষণ ডিফিক্যাল্ট লেগেছে। প্রচুর চিন্তা-ভাবনা, প্রচুর এফরট। রোজই শুনছি যে হচ্ছেনা, হচ্ছেনা। লাস্টে গিয়ে যে হয়েছে এটাই অনেক। ডিফিক্যাল্ট বাট হ্যাঁ কাজটা করে ভালো লেগেছে। যখন আউটপুট দেখেছি তখনও ভালো লেগেছে।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল খেলা শুরু জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালকইন্দ্রাশিস জানালেন,একেবারেই অন্য রকমের একটা খেলা। আমরা যে যে খেলার সঙ্গে যুক্ত তার বাইরে গিয়ে সৌপ্তিক একটা খেলা তৈরি করেছে। সেটা আমরা দুজন শুধু নই। আরও অনেকে খেলেছেন। খেলাটা বেশ ডিফিকাল্ট ছিল। ফাইনালি এল দর্শকের সামনে। এই অপেক্ষাতেই আমাদের সমস্ত কাজ শুরু হয়। দর্শকদের কাছ থেকে এই খেলার রেজাল্টের অপেক্ষায় রয়েছি এখন।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khelaa Shuru : মুক্তি পেল 'খেলা শুরু' জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক

খেলা শুরু ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে অভিষেক হল সৌপ্তিকের। ক্লিকের এই ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন ইন্দ্রাশিস রায়, রণিতা দাস। বেশ কয়েকবছর অভিনেতা হিসাবে সফলভাবে কাজ করার পর এবার পরিচালক হিসাবে নতুন জার্নি শুরু করলেন তিনি। খেলা শুরু নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক।জনতার কথা : অভিনয় থেকে পরিচালনা। নতুন খেলা শুরু করে কেমন লাগছে?সৌপ্তিক : খেলা শুরু হলে তো ভালোই লাগে। খেলা তো ছোটবেলা থেকে আমাদের ভেতরেই থাকে। আমরা সবাই খেলতে ভালোবাসি। কিন্তু এটা বড়বেলার খেলা। কেরিয়ার হিসাবে আমি যখন পরিচালনাকে বেছে নিই এটা অ্যাড অন হয়েছে। যদিও অভিনেতা সত্ত্বাটাকে আমি ছাড়িনি। এটা আমার একটা ইচ্ছে ছিল আগে। সেই ইচ্ছেটা আজ পরিণতি পেল ক্লিকের জন্য।জনতার কথা : এই খেলা নিয়ে দর্শকদের কি বলবে?সৌপ্তিক : সবাই বলে আমার গল্প আলাদা। দেখে ভালো লাগবে। আমি যেটা বলবো যে আমার গল্পটা হচ্ছে হরর ফ্যান্টাসি। ফ্যান্টাসি বস্তুতা নিয়ে ওয়েব সিরিজ কিন্তু খুব কম হয়েছে। হয়নি বলবোনা। কিন্তু থ্রিলার বেশি। এটার মধ্যে হরোর মানে ভৌতিক ব্যাপারটাও টোটালি নেই। ইটস আ মিক্সচার। এটা রিয়েল লাইফের সঙ্গে প্রত্যেকটা মানুষ কানেক্ট করতে পারবে। কারণ আসল লাইফে মানুষরা কিন্তু ফ্যান্টাসি ভালোবাসেন। যে তাদের কাছে যদি এরকম একটা জিনিস থাকতো তারা কি করতো। তারা কি সেটা অ্যাক্সেপ্ট করতো? এগিয়ে যেত। না কি তারা ওয়েট করতো রাইট টাইমে আমি কি করবো। তাই সবাই রিলেট করতে পারবে। তাই সবাই দেখুন খেলা শুরু ক্লিক অ্যাপে।জনতার কথা : তোমাকে ও তোমার পুরো টিমকে অনেক শুভেচ্ছা আমাদের তরফ থেকে। পরিচালক হিসাবে আরও ভালো কাজ দর্শকদের উপহার দাও।সৌপ্তিক : থ্যাঙ্কিউ। ভালো গল্প বলার চেষ্টাতেই তো রয়েছি।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Wrong Number : Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number

Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number আসতে চলেছে। আগামীকাল মুক্তি পাবে এই ছবি। এক ঝাঁক প্রখ্যাত ও প্রতিভাবান অভিনেতাদের দেখতে পাওয়া যাবে এই ফিল্ম টি তে। এদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ দাস, সায়নী ঘোষ, দূর্গা সাঁতরা, ভরত কল ও বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।Wrong Number এর গল্পটি হল স্যান্ডি একজন অলস যুবক যে একটি ধনী পরিবার থেকে এসেছে এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তার রুমমেট জয় একজন আংশিক সময়ের (পার্ট টাইম) শিক্ষক যে মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে এবং সে লেখক হতে চায়। যখন জয় রচিত এবং স্যান্ডির গাওয়া একটি গান ইউটিউবে হিট হয়ে যায়, তখন দিয়া এবং তার বন্ধু শ্রুতি ওই দুই পুরুষদের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে। এই প্রজন্মের চার তরুণ-তরুণীর গল্প Wrong Number যেখানে তাঁরা প্রত্যেকেই তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে গুরুতরভাবে আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগছে। তাঁরা কি পারবে তাদের সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে? তাদের সম্পর্কেরপরিণতিই বা কি হবে?আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ কলকাতায় দেবীসম্মানের ক্যালেন্ডার শুটWrong Number এর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পন্ডিত সুবেন্দু । প্রযোজনা করছেন জয়দেব সমাদ্দার, লেখক ও গীতিকার সৌরভ মালাকার, লেখক বিশ্বজিৎ হালদার, সঙ্গীতজ্ঞ রাহুল মজুমদার এবং চিত্রগ্রাহক ইন্দ্রনীল সরকার।

আগস্ট ১৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় আজও ধূপ-ধুনোয় সেজে ওঠে ‘স্টিম সাহেব’, জলপাইগুড়ির বুকে ব্রিটিশ আমলের জীবন্ত স্মৃতি

জলপাইগুড়ি শহরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী নাম, স্টিম সাহেব। ব্রিটিশ আমলের কয়লা চালিত এই স্টিম রোলারকে ঘিরে এখনও আবেগ রয়েছে বহু মানুষের। প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরে পরম যত্নে পুজো করা হয় ঐতিহাসিক এই যন্ত্রটিকে।স্বাধীনতার বহু আগে সুদূর লন্ডন থেকে জলপাইগুড়িতে আনা হয়েছিল কয়লা চালিত এই স্টিম রোলার। ব্রিটিশ সাহেবদের হাত ধরে শহরে আসার কারণেই স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে এর নাম হয়ে যায় স্টিম সাহেব। একসময় জলপাইগুড়ি থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর পর্যন্ত রাস্তা তৈরি ও মেরামতির কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা হত এই রোলার।সেই সময়ের যান্ত্রিক প্রযুক্তির অন্যতম নিদর্শন ছিল এটি। রোলারের বয়লারে কয়লা দেওয়া থেকে শুরু করে স্টিয়ারিং ঘোরানোপুরো ব্যবস্থাটিই ছিল যান্ত্রিক পদ্ধতিনির্ভর। দেশভাগের পরেও দীর্ঘদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে স্টিম সাহেব। তবে সময়ের সঙ্গে ডিজেল চালিত রোলারের ব্যবহার বাড়ায় ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমতে থাকে এই পুরনো যন্ত্রটির। একসময় পূর্ত দপ্তরের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল এটি।১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় রোলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মেরামত করা হয়। সরকারি উদ্যোগে এরপর পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরেই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ঐতিহাসিক এই স্টিম রোলারকে। জানা যায়, কয়েক বছর আগে যে লন্ডন-ভিত্তিক সংস্থা এটি তৈরি করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে রোলারটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে রাজ্য সরকারের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।তাই আজও জলপাইগুড়ির মাটিতেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিম সাহেব। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বর্তমান কর্মীদের পাশাপাশি বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীও নস্টালজিয়ার টানে ছুটে আসেন পূর্ত দপ্তরে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পার্থপ্রতিম সেনের কথায়, স্টিম সাহেব এখনও তাঁদের কাছে এক জীবন্ত নস্টালজিয়া। বর্তমান কর্মী গৌতম দীক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মধু সরকারও মনে করেন, এই ঐতিহ্য ও পরম্পরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও একইভাবে টিকে থাকুক। তাঁদের কাছে স্টিম সাহেব শুধু একটি পুরনো যন্ত্র নয়, বরং জলপাইগুড়ির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝরা পাতা তৃণমূলে নয়’, কংগ্রেসের ‘বটগাছের’ ছায়ায় আসার ডাক অধীরের

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটে নামতে হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জন্য খাম প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের পুরনো নামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানান। রেজিনগর নিয়ে অবশ্য মমতার শিবিরের অবস্থান তখনও স্পষ্ট ছিল না।নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য কোনও শিবিরের পরিবর্তে কংগ্রেসের পাশে আসা উচিত বিরোধীদের।অধীর বলেন, কংগ্রেস একটি বটগাছের মতো এবং তৃণমূল সেই বটগাছের ঝরা পাতা। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চান, তাঁদের কংগ্রেসের ছায়ায় আসা উচিত। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপি-বিরোধী ভোটার ও রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কংগ্রেসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।তৃণমূলের নতুন প্রতীক নিয়েও কটাক্ষ করেন অধীর। তাঁর কথায়, মমতার শিবির ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক পেয়েছে এবং অন্য শিবির পেয়েছে খাম। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনাকেও তিনি তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরেন। রেজিনগর নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।তবে সঞ্চিতা প্রধান দে কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন, সেই বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কারণ জানানো হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাৎ এবং তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা হয়নি।এর পর নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। মমতা জানিয়েছেন, উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন অধীর। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেন এবং কমিশনকে বিজেপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেন। তবে এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের বৈধ প্রতিনিধি দাবি করায় উপনির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহার, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং মমতা শিবিরের কংগ্রেসকে সমর্থনএই তিনটি ঘটনা ঘিরে উপনির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রেজিনগরেও শেষ পর্যন্ত কী ছবি দেখা যাবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
কলকাতা

খাম নিয়ে নতুন সংঘাত, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পথে আইএসএফ? কী বললেন নওশাদ

ঘাসফুল আপাতত বাইরে। নতুন নাম গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, আর প্রতীক খাম। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই নতুন বিতর্কে জড়াল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। কারণ, খাম প্রতীকটি আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই ভোটে লড়ার দাবি করেছে আইএসএফ। এবার সেই প্রতীকই ঋতব্রত শিবিরকে দেওয়া হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে খাম। অন্য দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির পেয়েছে আলাদা নাম ও প্রতীক। পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের নতুন প্রতীক সামনে আসার পরেই আপত্তি তোলে আইএসএফ। নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই তাঁদের দল খাম প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে লড়ছে। চলতি বছরেও ওই প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক অন্য একটি দলকে কী ভাবে দেওয়া হল?শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওশাদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য গত ১০ মার্চ আইএসএফের খাম প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই দলটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই ঋতব্রত শিবিরকে একই প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএসএফকে দুর্বল করার চেষ্টা হতে পারে। তবে এই অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকীর রাজনৈতিক বক্তব্য; নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের কথা জানানো হয়নি।অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবির অবশ্য নতুন প্রতীক নিয়ে সন্তুষ্ট। নন্দীগ্রামের ওই শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, তাঁরা খাম প্রতীক পেয়েছেন এবং সেই প্রতীক নিয়েই প্রচারে নামবেন। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন, আইএসএফের দাবি নির্বাচন কমিশন কী ভাবে বিবেচনা করবে এবং নন্দীগ্রামের ভোটে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী কোন প্রতীকে লড়বেন। ঋতব্রত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এখন নওশাদ সিদ্দিকীর আপত্তির পর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

সারা ঘরে বেলুন দিয়ে সাজানো, ফ্রিজে মেয়ের দেহ, পাশে চকলেট! ঘরে উদ্ধার বাবার ঝুলন্ত দেহ

গুজরাটের আমরেলি জেলায় এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু এবং তার বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ৪০ বছরের কিশোর ধনক তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে হিংমাশীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘরের ভিতর থেকে তিনটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মেয়েকে কেন হত্যা করেছিলেন, তারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরেলি জেলার সাভরকুণ্ডলা এলাকার হাদিদা গ্রামের। কিশোর ধনক নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন বন্ধ থাকায় তিনি তাঁর ভাইকে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই কিশোরের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়।এর পর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ফ্রিজের ভিতর হিংমাশীর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করার পর তার দেহ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কী ভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর আরও স্পষ্ট হবে।ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তদন্তকারীদের আরও ভাবিয়ে তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরটি বেলুন ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো ছিল। শিশুটির জন্য চকোলেটও রাখা হয়েছিল। এমনকি ফ্রিজের উপরে শুভ জন্মদিন হিংমাশী লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়। অথচ সেদিন হিংমাশীর জন্মদিন ছিল না। শিশুটিকে সাদা পোশাক পরানো হয়েছিল এবং মাথায় ওড়নাও দেওয়া ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফ্রিজের ভিতর কুশন রাখা ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ঘরে পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই সমস্ত বিষয় দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মেয়ের জন্য শেষবারের মতো জন্মদিন পালনের মতো একটি আয়োজন করেছিলেন কিশোর। তবে কেন এমন আয়োজন করা হয়েছিল, কেনই বা মেয়েটিকে হত্যা করা হল, তা এখনও তদন্তের বিষয়। পুলিশের তরফে ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি চিরকুট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চিরকুটে কিশোর তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে সেখানে লেখা ছিল। তাঁর দাবি ছিল, ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রায় সাত লক্ষ টাকার বেশি পাওনা ছিল। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি আর্থিক সমস্যায় পড়েছিলেন।অন্য একটি চিরকুটে মেয়েকে হত্যা করার কারণ হিসেবে কিশোর এমন কথা লিখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পরে মেয়েকে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর একটি চিরকুটে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে চিরকুটে লেখা কথাগুলি তদন্তের অংশ হিসেবেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরের স্ত্রী কয়েক দিন আগে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকেই প্রথমে কিশোরের দেহ এবং পরে ফ্রিজের ভিতর শিশুকন্যার দেহের সন্ধান মেলে। ঘটনার পর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আর্থিক সমস্যাই এই ঘটনার মূল কারণ কি না, শিশুকন্যাকে হত্যার আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং ঘরটি কেন জন্মদিনের মতো করে সাজানো হয়েছিলএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, চিরকুট এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য মিলিয়ে গোটা ঘটনার ছবি স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা পাশে দাঁড়াতেই বড় ধাক্কা! পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হলেন মিলন। শুক্রবার তাঁকে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি খুনের মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বড় রাজনৈতিক ঘোষণাকে ঘিরে। তাঁর দলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে তাঁর দল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। দেশের কথা এবং বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মমতার সেই ঘোষণার পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। শুক্রবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং সেই মামলায় পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। ফলে গ্রেফতারির সঙ্গে পুরনো মামলার যোগ রয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।কংগ্রেস অবশ্য এই গ্রেফতারিকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করার অর্থ বিজেপি কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে। তবে এটি অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; বিজেপির তরফে এমন অভিযোগের সমর্থনে কোনও বক্তব্য এই ঘটনায় সামনে আসেনি।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের ঠিক আগে মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচারে ছিলেন। তার পর তাঁকে হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় থানাগুলির কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে, কেন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হল এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন। কংগ্রেসের বক্তব্য, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি কমিশনের নজরেও থাকা উচিত।অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র এই গ্রেফতারিকে প্রশাসনের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ প্রার্থী হলেই তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমন কোনও নিয়ম নেই। প্রশাসনের কাছে প্রয়োজন মনে হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি নন্দীগ্রামে মমতার কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েও মন্তব্য করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত, অন্য দিকে সেই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পুরনো মামলায় গ্রেফতারিদুই ঘটনাই একই দিনে সামনে এসেছে। ফলে গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, পুলিশ জানিয়েছে পুরনো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের গ্রেফতারির ঘটনায় কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর এই ঘটনায় নন্দীগ্রামের ভোটের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

পুজোর আগে সিকিমে বড় বিপদ! পাহাড় থেকে নামছে কাদা-পাথরের স্রোত, বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসের খবর মিলছে। কোথাও জাতীয় সড়ক বন্ধ, কোথাও হাইওয়ে অবরুদ্ধ। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকেরাও। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলেও।উত্তর সিকিমে বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। শুক্রবার ভোরে সিকিম-শিলিগুড়ি যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাংয়ের ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদা ও পাথরের স্রোত নামায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটক, সকলেই সমস্যায় পড়েন।গ্যাংটক জেলাতেও একাধিক জায়গায় ভূমিধস ও কাদাধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। ধসের কারণে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও বাড়ি ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার কবি-টিংদা কেন্দ্রের বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।বোজোগহারি সংলগ্ন লুয়িং-রাঙ্কা সড়ক, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, টিএনএ গেট, ভিআইপি কলোনি, আপার জেড-বোজোগহারি, পাংথাং-লিংডক সড়ক, পামরো গাঁও, লিং পারবিং, আপার ও মিডল লুয়িং, ফেনজং, রাঙ্কা, রকডং তিনটেক, দারাগাঁও, আপার বুরতুক, সিচে এবং আরিথাং-সহ একাধিক এলাকায় ধসের প্রভাব পড়েছে।বহু জায়গায় এখনও রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু বহুতলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। সিচের নিকাশি জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং এনচে স্কুলের বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছেও ধ্বংসস্তূপ জমে রয়েছে। ফলে ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।উত্তর সিকিমেও ব্যাপক ধসের খবর এসেছে। ফেনসং, কবি এবং লিংচুম-টিংদা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা ফের চালু করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ এলাকায় বৃষ্টির জল যাতে মাটির গভীরে ঢুকে পরিস্থিতি আরও খারাপ না করে, সে জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ধসপ্রবণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এলাকাতেও ধসের কারণে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার খবর মিলেছে।পূর্ব সিকিমের দুগা এলাকাতেও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাত্রীরা নিজেরাই রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। এই পথটি গ্যাংটকের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাস্তা। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যাও বেড়েছে।শুধু সিকিম নয়, নেপালেও ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। জামিরেঘাটে ভূমিধসের কারণে পৃথ্বী হাইওয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তার উপরের দিক থেকে বড় ধস নেমে কাঠমান্ডুগামী দুই দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাদিংয়ের ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, ধসের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগতে পারে। কৃষ্ণভির এলাকাতেও ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভুটানেও কয়েকটি পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দোচুলা-ওয়াংদুয়ে সড়কের পেনজালুম দ্রুবচু এলাকায় একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও পর্যটকদের সতর্ক হয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানবাং-মাথাংগুড়ি সংযোগ সড়কের কিছু অংশও অবরুদ্ধ হয়েছে।সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পথে ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় পুজোর আগে পর্যটন শিল্প নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সময় পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ফলে আগামী দিনে বৃষ্টি ও ধসের পরিস্থিতি কীভাবে বদলায়, তার দিকে নজর রাখছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে’, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে সরব শুভঙ্কর সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফুল-ঘাস ফ্রিজ করে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করলেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও সংরক্ষিত ফুল-ঘাস প্রতীক আপাতত ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুটি গোষ্ঠী নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।এই পরিস্থিতিতে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বিতর্কের সমাধান করা। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর, স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে।কংগ্রেস সভাপতির মতে, ভারতের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। তাঁর কথায়, এই বহুদলীয় ব্যবস্থাই ভারতের বহুত্ববাদের প্রতিফলন। কংগ্রেস বরাবরই এই বহুত্ববাদে বিশ্বাসী।শুভঙ্কর সরকার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, একই ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গেও তৈরি করা হচ্ছে।তবে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতাদর্শগত লড়াই থাকবেসংসদীয় গণতন্ত্রে এটাই কাম্য। কাউকে পরাজিত করতে হলে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই করব। কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, সেটা বাংলার মানুষ তাঁদের ভোটের রায়ের মাধ্যমে করবেন।এরপরই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, আজ আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে। তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় নেমেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই চলেছে এবং চলবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা, দলীয় কার্যালয় দখল এবং রাজ্যে অপশাসনের অভিযোগও তোলেন তিনি।তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কংগ্রেস মেনে নেবে না বলেই জানিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার।শেষে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এই দলদাসসুলভ আচরণ গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal