• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Klikk

বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'রক্তপলাশ'-এর প্রথম লুক প্রকাশ্যে এল

KLIKK OTT প্ল্যাটফর্মে পরিচালক হিসাবে কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের প্রথম কাজ ওয়েব সিরিজ রক্তপলাশ আসছে সেটার ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার প্রকাশ্যে এল রক্তপলাশ-এর প্রথম পোস্টার। তবে এই সিরিজে সব অভিনেতা অভিনেত্রীদের দেখা না গেলেও ছবির পোস্টারে দেখা যাচ্ছে ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ছুটে যাচ্ছে একরত্তি একটি মেয়ে। তার চোখে মুখে ভয়ের ছাপ। পিছনে হাতে বন্দুক নিয়ে দাঁড়িয়ে দুজন। তাঁদের পরিচয় অবশ্য স্পষ্ট নয়।সুত্র মারফত জানা যায়, একবিংশতি-র ভয়ঙ্কর রমহর্ষক জঙ্গলমহলের ওপর আধারিত এই কাহিনি। মেদনীপুরের জঙ্গলমহলের সুরমা ফক্সহোল রিসর্টে সমাজের বিশিষ্ট সাতজন ব্যক্তি ঘুড়তে আসাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে এই কাহিনী। প্রথমদিকে সকলে বেড়ানোর আন্দে মজে গেলেও রাতের আড্ডায় তাঁদের অতীতের অনৈতিক ঘটনা একে একে সামনে আসতে থাকে ঘটনা পরম্পরায়। আর সাথে সাথেই ছুটি কাটাতে এসে সাম্রিক বাহিনী ও চরমপন্থীদের লড়াইয়ে মাঝে পড়ে তাঁদের ভালো মানুষের মুখোশ খুলে পড়ে কঙ্কাল বেড়িয়ে পড়ে। কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের এই ওয়েব সিরিজের চরিত্রায়ণেও বৈচিত্র্য রয়েছে। মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন শিলাজিৎ, দেবদূত ঘোষ, অনন্যা সেনগুপ্ত। এদের পাশাপাশি এই সিরিজে অভিনয় করছেন উৎসব মুখোপাধ্যায়, রোজা পারমিতা দে, অসীম রায় চৌধুরী, শুভজিত কর, মৌমিতা পণ্ডিত, দীপঙ্কর, মৌসুমি দালাল, বেবি তামান্না, কোয়েল মিত্র, সুব্রত দাশগুপ্ত প্রমুখ।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়-র প্রথম ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলি

প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করছেন পরিচালক সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে তাঁর ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। ওয়েব সিরিজের জার্নি জনতার কথা-র সঙ্গে শেয়ার করলেন পরিচালক।জনতার কথাঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করা কেন?পরপর থ্রিলার হচ্ছে বলেই কি থ্রিলারে ঝোঁক?সাগ্নিকঃ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন করার পেছনে প্রাইমার্যিরলি যেটা কাজ করেছে সেটা হল প্র্যাঙ্ক। প্র্যাঙ্ক নিয়ে গোটা ভারতবর্ষের নিরিখে সিরিয়াস কাজ কোথাও হয়নি। বহুদিন ধরে আমি প্র্যাঙ্ক চ্যানেল ফলো করি। আমার ভাইরাল হয়ে যাওয়া এই বিষয়টা নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছে রয়েছে। খুব সহজেই ভাইরাল হওয়া যায়। তার জন্য প্রশিক্ষণ, শিল্পবোধ এটা যে ম্যান্ডেটরি তা নয়। তাই আমি প্র্যাঙ্ক বিষয়টি বেছে নিই। তার কারণ হচ্ছে একটি প্র্যাঙ্ক ভিডিও দেখেছিলাম যে হুইলচেয়ারে বসা এক বৃদ্ধর কাছে একটি গাড়ি এসে থামে। সেখান থেকে একটি বন্দুকের নল বেরিয়ে এসে ফায়ার হতে থাকে। সেই ভয়ে ওই বৃদ্ধ হুইলচেয়ার থেকে নেমে হিঁচড়ে হিঁচড়ে মাটি দিয়ে এগোচ্ছিলেন। সেই নির্মম ভিডিও দেখে মানুষজন হাহা রিয়্যাক্ট করছেন, লাভ রিয়্যাক্ট করছেন। এই ভিডিওটা যেখানে ব্যান হওয়া উচিত ছিল বা প্র্যাঙ্কটা যারা করছিলেন তাদের জেল হওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু সেই ভিডিওটির মিলিয়ন ভিউ হয়। হয়তো তারা এই ভিডিওটির বিনিময়ে পয়সাও পান। এই বিষয়টা আমাকে খুব নাড়া দেয়। আমার মনে হয় এই বিষয়টা নিয়ে কিছু বলা দরকার। অবশ্যই সেটা ডেটা অরিয়েন্টেড মেসেজ নয়, একটা ফিকশনের মাধ্যমে মেসেজ দেওয়া। একটা কিছু করা দরকার, একটা কিছু বলা দরকার। সেই একটা কিছু বলার জন্য আমি ভেবে দেখলাম যে থ্রিলার হচ্ছে সবথেকে ভালো মাধ্যম। মানুষকে থ্রিল করার জন্য তো তারা এই কাজগুলো করেন। তো তাদেরকেও যদি থ্রিল করতে হয় তাহলে থ্রিলার ছাড়া অপশন নেই। সেই জায়গা থেকে আমার গল্পটা থ্রিলারের আঙ্গিকে তৈরি করা।ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেন কৌশিক গাঙ্গুলিজনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলিকে কিভাবে কাস্ট করা হল?সাগ্নিকঃ গল্পটা যখন প্রথম ভাবি তখন একটা সাদামাটা প্রউর কথা মাথায় আসে। যাকে আমার কাকু, জেঠু বলতে ইচ্ছে করবে এরকম একজন। সেটা যখন আমার মাথায় আসে তখন কৌশিক দা ছাড়া এই ইন্ডাস্ট্রির আর কারোর নাম আমার মাথায় আসেনি। আমি তাঁকে গল্পটা শোনাই। যেদিন উনি গল্পটা শোনেন সেইদিনই বলেন আমি কাজটা করবো।জনতার কথাঃ কৌশিক গাঙ্গুলির মতো বড় নাম রয়েছে বলেই কি প্র্যাঙ্কেনস্টাইন বেশি জনপ্রিয় হতে পারে?সাগ্নিকঃ দেখুন কৌশিক গাঙ্গুলির নামটাকে তো অস্বীকার করা যায়না। অবশ্যই তাঁর থাকা-না থাকাটা অনেকটা ম্যাটার করে। তবে শুধুমাত্র কৌশিক গাঙ্গুলিই প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের নক্ষত্র না প্র্যাঙ্কেনস্টাইন নিজেও নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে সেটা সময় বিচার করবে।জনতার কথাঃ প্রথম ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা কেমন?সাগ্নিকঃ খুবই ভালো, খুবই থ্রিলিং বলা যেতে পারে। একটা কথা বলতে পারি আমি খুব লাকি যে প্রথম ওয়েব সিরিজটা করছি অ্যাঞ্জেল ডিজিটালের প্ল্যাটফর্ম ক্লিক এর সঙ্গে।জনতার কথাঃ ওয়েব সিরিজটি দর্শকরা কবে দেখতে পাবেন?সাগ্নিকঃ এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এটির প্রিমিয়ার হবে। যেদিন প্রিমিয়ার হবে সেদিন থেকেই ওটিটি তে স্ট্রিম করতে শুরু করবে। তারিখটা এখনও ঠিক হয়নি তবে ধরে নিন শেষ দুটো সপ্তাহের মধ্যে প্র্যাঙ্কেনস্টাইন স্ট্রিম করবে।

মার্চ ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকে মুক্তি পেল রাজা চন্দের প্রথম ওয়েব সিরিজ

পরিচালক হিসাবে ওয়েব সিরিজে অভিষেক হল রাজা চন্দের। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তাঁর পরিচালিত ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি-র প্রিমিয়ার হয়ে গেল নন্দনে। ওয়েব সিরিজটি মূলত থ্রিলার। তবে বাকী থ্রিলারগুলোর থেকে ভিন্নতা রয়েছে এই ওয়েব সিরিজে। ক্লিকের এটি ১৫ তম ওয়েব সিরিজ।রাজা চন্দের পাশাপাশি সৌরভ দাস, দেবতনু, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার এরাও ক্লিকের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন। এখানে মানসী সেনগুপ্ত-র বিপরীতে রয়েছেন ওয়েব কিং সৌরভ দাস। মানসীর বোনের চরিত্রে দেখা যাবে পিয়ান সরকার কে এবং পিয়ানের স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন দেবতনু। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিজিৎ গুহ,বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়,শীর্ষা রক্ষিত,জ্যামি,বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রমুখ। প্রিমিয়ারে শারীরিক অসুস্থতার জন্য পরিচালক উপস্থিত থাকতে না পারলেও ছিলেন বাকিরা। হিন্দি ধারাবাহিকে কাজ করার জন্য প্রিমিয়ারে উপস্থিত থাকতে পারেননি মানসী সেনগুপ্ত। এই ওয়েব সিরিজ সকলের কাছেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জনতার কথা-র দর্শকদের জন্য রইল প্রিমিয়ারের বেশ কিছু ছবি।

মার্চ ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিক-এ (KLIKK) মুক্তি পাচ্ছে রাজা চন্দ'র 'কাটাকুটি'

Klikk ওরিজিনালস OTT প্ল্যাটফর্মের জন্যে জনপ্রিয় পরিচালক রাজা চন্দ এবার প্রথমবার ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করলেন। ছবির নাম কাটাকুটি। নিবেদনে রাজা চন্দ ফিল্মস। সিরিজের কাহিনি-চিত্রনাট্যকার অর্ণব ভৌমিক। শুধু রাজাই নন, কাটাকুটি-র হাত ধরে টেলিভিশনের ছোট পর্দা থেকে ওয়েব সিরিজে প্রথম পা রেখেছেন নায়িকা মানসী সেনগুপ্ত। তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে সৌরভ দাসকে। অভিনেত্রী পিয়ান সরকার মানসির বোনের চরিত্রে আর দেবতনু তার স্বামীর চরিত্রে রয়েছেন।ছবির প্রেক্ষাপটে লাজুক আদিত্য আর স্পষ্টভাষী কৌশানি, দুজনের বিয়ে ঠিক হয় কিন্তু বিয়ের আগেই হঠাৎ কৌশানি মর্মান্তিক ভাবে খুন হয়। আর সেই খুনের কারণ বোঝা যায়, এক নৃশংস গ্যাং রেপ কেস। তার সাজানো স্বপ্নগুলি এরম নির্মম ভাবে চুরমার হতে দেখে ভেঙে পড়ে আদিত্য। কাহিনী এগোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায় তিনজনের নাম, যারা করেছে এই ঘৃন্য অপরাধ! ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে একজন কৌশানির পরিবারের খুব কাছের সদস্য। আদিত্য বদলে যায়। কৌশানির মৃত্যুর বিচার সে তুলে নেয় নিজের হাতে। বেছে নেয় নির্মম প্রতিশোধের পথ। এই কাহিনীর পরোতে পরোতে রয়েছে রোমহর্ষক চমক আর অনবদ্য অভিনয়। ছয় পর্বের এই সিরিজ দেখা যাবে আগামী মার্চ মাসে Klikk OTT প্লাটফর্মে। কাটাকুটি তে অভিনয় করেছেন সৌরভ দাস, মানসী সেনগুপ্ত, পিয়ান সরকার, দেবতনু, অভিজিৎ গুহ, বিপ্লব বন্দোপাধ্যায়, সিরষা রক্ষিত, জ্যামি প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Klikk : মজার ওয়েব সিরিজ নিয়ে আসছে ক্লিক

চ্যাটার্জীর গল্প অবলম্বনে KLIKK ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসতে চলেছে নতুন ওয়েব সিরিজ আমরা টুগেইদার। এই ডিসেম্বরেই মুক্তি পাচ্ছে ওয়েব সিরিজটি। এই ওয়েবের গল্পটা বেশ মজার।একটি ছেলে প্রেমে পড়েছে এবং সে বিয়ে করতে চায়, কিন্তু তার বাবা এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেন না! এই না মেনে নেওয়ার পেছনে বড় কারণ ছেলের পছন্দ! যা সাধারণ অর্থে একটি বহুলচর্চিত প্রেম কাহিনী বলে মনে হলেও আমরা টুগেইদার এর গল্প অন্য গল্প থেকে আলাদা কারণ এটি একটি ছেলের অন্য একটি ছেলেকে পছন্দর বিষয় নিয়ে তৈরি। ওই ছেলেটি সমসাময়িক একটি রেডিও জকির প্রেমে পড়েছে! অন্যদিকে এই রেডিও জকিও ওই ছেলেটির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে! এই বিষয়টি জকির মহিলা সহকর্মীও মেনে নিতে পারে না এবং সেও বিষয়টি নিয়ে রেগে যায়। অন্যদিকে এই গল্পের প্রথম ছেলেটির বাবা তাঁর এই বিবাহের বিপক্ষে থাকলেও তাঁর মা তাকে সহায়তা করে এবং এবার আমরা সম্পূর্ণ নতুন একটি জীবনযাপনের গল্পকে এগিয়ে যেতে দেখতে পাই! কিন্তু এই গল্পের অন্ত কি আর পাঁচটা গল্পের মতো মধুরেণ সমাপয়েৎ ঘটাবে নাকি একদম অন্যরকম বাঁক নেবে! জানতে হলে দেখতে হবে আমরা টুগেইদার।এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছে ইন্দ্রাশিস রায়, অনিন্দ্য চ্যাটার্জী, শ্রীদীপ মুখার্জি, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, পূজারিণী ঘোষ, পৌলমী দাস, পল্লবী চ্যাটার্জী, আরজে অয়ন্তিকা। এছাড়া এই ওয়েব সিরিজে অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় থাকবেন সিদ্ধার্থ রায়, গৌরব চট্টোপাধ্যায় ও আরজে শেখর।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Agomoni : আগমনীতে দুর্গাপুজোর ছোঁয়া

Klikk এর নতুন প্রোজেক্ট। আগামী ১০ ই অক্টোবর Klikk এ প্রিমিয়ার হবে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী।অভীক একটি ২২ বছরের ছেলে। শহরের বাইরে থাকে। শুরুতেই দেখা যায় যে কিঞ্চিৎ বিষণ্ণ হয়ে অভীক কে তার বাবা ফোন করে জিজ্ঞেস করছেন যে সে এই বছর পুজোয় বাড়ি আসছে কিনা, কারণ এই বছর তাদের বাড়িতে পুজো হবেনা। অভীক বাড়ি আসে। তার দিদির সাথে কথোপকথনের পর আমরা বুঝতে পারি যে, কিছুদিন তাদের বাবা মায়ের সেপারেশন হয়েছে তাই এবারে পুজোটা হবেনা। অভীক এসেছে জানতে পেরে তার পুরোনো বান্ধবী রাই, তার সাথে কথা বলতে আসে। রাই এখন অভীকের প্রাক্তনী। ২ বছর আগেই ওদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তাদের কথার মধ্যে সেই মান অভিমান আমরা ফুটে উঠতে দেখতে পাই। রাই অভীক কে বলে যদি তারা সব বন্ধুরা মিলে পুজোটা করতে পারে। পরের দিন তারা বাবার কাছে পারমিশন নিতে গেলে বাবা কিছুটা ইতস্তত হলেও রাজি হয়ে যায়। পুজোর তোড়জোড় শুরু হয় বন্ধুদের। মহালয়ার দুদিন আগে অভীক দুঃখের সাথে রাই কে বলে - এবারের পুজোয় মা কে খুব মিস করবো!মহালয়ার দিন সকালে চক্ষুদান এর সময় অভীক দেখে, তার মা ফিরে এসেছে। আবেগে বিহ্বল হয়ে অভীক মা কে জড়িয়ে কেঁদে ফেলে। দেবী ও মাএর আগমনী হয়। মা অমলীন, চিরন্তন,শুধুমাত্র দৈনন্দিন আবেগ বা আরাধনায় আবদ্ধ নয়। বিরহ, বিচ্ছেদ, বিষাদ, সবের ঊর্ধ্বেমা। আসবেই আগমনী। এটি মা এর ফিরে আসার গল্প। মা বারবার ফিরে আসেন। এই ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করবেন রোহন সেন,ঐশ্বর্য সেন,রানা বসু ঠাকুর,অমৃতা দে, হিন্দোলা চক্রবর্তী, অন্তরা স্বর্ণকার এবং বুলান ঘোষ। প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে কিছুক্ষণ এন্টারটেইনমেন্টের অমৃতা দে। প্রযোজনার পাশাপাশি এখানে মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। শুধু তাই নয় টাইটেল ট্র্যাক ও তাঁর গাওয়া। সহ প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুরের JLT FILMS। পরিচালনায় চিত্রনাট্য, ডায়ালগ ও সম্পাদনা পুরোটাই সামলেছেন তরুণ পরিচালক রোহন সেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khela Ssuru : 'খেলা শুরু'-র গল্প শোনালেন রণিতা-ইন্দ্রাশিস

ওয়েব সিরিজ খেলা শুরু-র মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেন সৌপ্তিক। এই ওয়েব সিরিজের মাধ্যমেই ওয়েবে ডেবিউ হল রণিতার। ইষ্টি কুটুম খ্যাত বাহা অর্থাৎ রণিতা দাস ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করলেও ওয়েব সিরিজ বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম তার কাছে একদম নতুন। ওয়েবে কাজ করা খুব একটা সোজা ছিল না। অনেক চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হয়েছে জানালেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ রণিতারঅভিনেত্রীর কথায়,খুব চাপের। সিরিয়ালেও এত প্রেশার থাকে না। যখন সিরিয়াল করতাম ইটস লাইক আমার খুব ফ্লো তে হতো। এত হেডেক নিতে হতো না। এত ভাবতে হতো না। ফার্স্ট টাইম ওয়েবে কাজ করলাম। আমার ভীষণ ডিফিক্যাল্ট লেগেছে। প্রচুর চিন্তা-ভাবনা, প্রচুর এফরট। রোজই শুনছি যে হচ্ছেনা, হচ্ছেনা। লাস্টে গিয়ে যে হয়েছে এটাই অনেক। ডিফিক্যাল্ট বাট হ্যাঁ কাজটা করে ভালো লেগেছে। যখন আউটপুট দেখেছি তখনও ভালো লেগেছে।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল খেলা শুরু জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালকইন্দ্রাশিস জানালেন,একেবারেই অন্য রকমের একটা খেলা। আমরা যে যে খেলার সঙ্গে যুক্ত তার বাইরে গিয়ে সৌপ্তিক একটা খেলা তৈরি করেছে। সেটা আমরা দুজন শুধু নই। আরও অনেকে খেলেছেন। খেলাটা বেশ ডিফিকাল্ট ছিল। ফাইনালি এল দর্শকের সামনে। এই অপেক্ষাতেই আমাদের সমস্ত কাজ শুরু হয়। দর্শকদের কাছ থেকে এই খেলার রেজাল্টের অপেক্ষায় রয়েছি এখন।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khelaa Shuru : মুক্তি পেল 'খেলা শুরু' জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক

খেলা শুরু ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে অভিষেক হল সৌপ্তিকের। ক্লিকের এই ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন ইন্দ্রাশিস রায়, রণিতা দাস। বেশ কয়েকবছর অভিনেতা হিসাবে সফলভাবে কাজ করার পর এবার পরিচালক হিসাবে নতুন জার্নি শুরু করলেন তিনি। খেলা শুরু নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক।জনতার কথা : অভিনয় থেকে পরিচালনা। নতুন খেলা শুরু করে কেমন লাগছে?সৌপ্তিক : খেলা শুরু হলে তো ভালোই লাগে। খেলা তো ছোটবেলা থেকে আমাদের ভেতরেই থাকে। আমরা সবাই খেলতে ভালোবাসি। কিন্তু এটা বড়বেলার খেলা। কেরিয়ার হিসাবে আমি যখন পরিচালনাকে বেছে নিই এটা অ্যাড অন হয়েছে। যদিও অভিনেতা সত্ত্বাটাকে আমি ছাড়িনি। এটা আমার একটা ইচ্ছে ছিল আগে। সেই ইচ্ছেটা আজ পরিণতি পেল ক্লিকের জন্য।জনতার কথা : এই খেলা নিয়ে দর্শকদের কি বলবে?সৌপ্তিক : সবাই বলে আমার গল্প আলাদা। দেখে ভালো লাগবে। আমি যেটা বলবো যে আমার গল্পটা হচ্ছে হরর ফ্যান্টাসি। ফ্যান্টাসি বস্তুতা নিয়ে ওয়েব সিরিজ কিন্তু খুব কম হয়েছে। হয়নি বলবোনা। কিন্তু থ্রিলার বেশি। এটার মধ্যে হরোর মানে ভৌতিক ব্যাপারটাও টোটালি নেই। ইটস আ মিক্সচার। এটা রিয়েল লাইফের সঙ্গে প্রত্যেকটা মানুষ কানেক্ট করতে পারবে। কারণ আসল লাইফে মানুষরা কিন্তু ফ্যান্টাসি ভালোবাসেন। যে তাদের কাছে যদি এরকম একটা জিনিস থাকতো তারা কি করতো। তারা কি সেটা অ্যাক্সেপ্ট করতো? এগিয়ে যেত। না কি তারা ওয়েট করতো রাইট টাইমে আমি কি করবো। তাই সবাই রিলেট করতে পারবে। তাই সবাই দেখুন খেলা শুরু ক্লিক অ্যাপে।জনতার কথা : তোমাকে ও তোমার পুরো টিমকে অনেক শুভেচ্ছা আমাদের তরফ থেকে। পরিচালক হিসাবে আরও ভালো কাজ দর্শকদের উপহার দাও।সৌপ্তিক : থ্যাঙ্কিউ। ভালো গল্প বলার চেষ্টাতেই তো রয়েছি।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Wrong Number : Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number

Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number আসতে চলেছে। আগামীকাল মুক্তি পাবে এই ছবি। এক ঝাঁক প্রখ্যাত ও প্রতিভাবান অভিনেতাদের দেখতে পাওয়া যাবে এই ফিল্ম টি তে। এদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ দাস, সায়নী ঘোষ, দূর্গা সাঁতরা, ভরত কল ও বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।Wrong Number এর গল্পটি হল স্যান্ডি একজন অলস যুবক যে একটি ধনী পরিবার থেকে এসেছে এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তার রুমমেট জয় একজন আংশিক সময়ের (পার্ট টাইম) শিক্ষক যে মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে এবং সে লেখক হতে চায়। যখন জয় রচিত এবং স্যান্ডির গাওয়া একটি গান ইউটিউবে হিট হয়ে যায়, তখন দিয়া এবং তার বন্ধু শ্রুতি ওই দুই পুরুষদের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে। এই প্রজন্মের চার তরুণ-তরুণীর গল্প Wrong Number যেখানে তাঁরা প্রত্যেকেই তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে গুরুতরভাবে আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগছে। তাঁরা কি পারবে তাদের সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে? তাদের সম্পর্কেরপরিণতিই বা কি হবে?আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ কলকাতায় দেবীসম্মানের ক্যালেন্ডার শুটWrong Number এর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পন্ডিত সুবেন্দু । প্রযোজনা করছেন জয়দেব সমাদ্দার, লেখক ও গীতিকার সৌরভ মালাকার, লেখক বিশ্বজিৎ হালদার, সঙ্গীতজ্ঞ রাহুল মজুমদার এবং চিত্রগ্রাহক ইন্দ্রনীল সরকার।

আগস্ট ১৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal