• ৬ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Killed

রাজ্য

ভোট শুরু হতেই রক্তাক্ত শীতলকুচি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে হত ৪

প্রাণহানি দিয়ে দিন শুরু হয়েছিল। বেলা বাড়তে সেই শীতলকুচিতেই বাড়ল মৃতের সংখ্যা। এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে সেখানে আরও ৪ ব্যক্তির প্রাণ গেল। মাথাভাঙা হাসপাতালে তাঁদের ময়নাতদন্ত চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আরও ৪ ব্যক্তি জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতরা সকলেই তাঁদের সমর্থক বলে দাবি তৃণমূলের। অন্যদিকে, পাঠানটুলির ৮৫ নম্বর বুথ থেকে বলপূর্বক বিজেপির এজেন্ট আনন্দ বর্মনকে বের করে দেয় তৃণমূল। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। বোমাবাজিও করা হয় ওই বুথের সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। জখম হন বেশ কয়েকজন।শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সুষ্ঠ নির্বাচন করানোর ভার যাদের কাঁধে, তাঁদের নির্বিচারে গুলি চালানোর অধিকার কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী সংবাদমাধ্যমে বলেন, দলে দলে মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের ভিতরে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল।অন্যদিকে, বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক গোটা ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা। মাথাভাঙা, শীতলকুচি, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরতে বলেন তিনি, তাতেই একটি বিশেষ শ্রেণির লোক উত্তেজিত এবং তা থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি গুলি চালিয়ে থাকে, তা আত্মরক্ষার্থেই চালিয়েছে। আসলে তৃণমূল জানে, ওরা হারছে। তাই উশৃঙ্খলতা তৈরি করছে। গোটা ঘটনায় অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সিআরপিএফ নয়, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ (সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স)। রাজ্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন, তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। বাধা দেওয়া হচ্ছিল ভোটদানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরা হয়। রাইফেলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাতেই গুলি চলে।কিন্তু স্থানীয় এক বাসিন্দার যুক্তি, নিহতদের পরিচয় তাঁদের বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি তাঁদের সমর্থন নয়। তাঁরা ভোটার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে যদি গুলি চালাতে হয়, তাহলে পায়েও তো গুলি চালাতে পারত। তা না করে সোজাসুজি বুকে গুলি করা হল কেন প্রত্যেককে?কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শীতলকুচির তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়। তিনি বলেন, কী বলব আমি? শীতলকুচির মানুষ আমার স্বজন। চার-চারটি তরতাজা প্রাণ চলে যেতে দেখে চোখের জল চেপে রাখতে পারছি না। মানুষ এখনও ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করছেন। সেই মনোবল ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। আজকের ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। দায়ী বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনে এ সব হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ নিয়ে ফোনে কথা হয়েছে, তিনি পুরোটা দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন পার্থপ্রতিম।নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ফোনে প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়েছেন। কী কারণে গুলি চালাতে হল, কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেল না, সব সমেত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।শনিবার সকালে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় শীতলকুচিতে সঙ্ঘর্ষ বেধেছে তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। সকালে পাঠানটুলি শালবাড়ির ২৮৫ বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামের এক ১৮ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের লোকজন নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, আনন্দ কাদের পক্ষে, তা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই এই ঘটনা।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু ভিন রাজ্যের পুলিশের

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হল এক পুলিশ কর্মীর। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিহার-বাংলা সংলগ্ন পাঞ্জিপাড়ার পানতাপারা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিহারের কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাইক চোরের সন্ধানে হানা দেয় এলাকায়। বাংলার পুলিশের সহযোগিতায় পানতাপারা গ্রামে অভিযানে যায় বিহার পুলিশ।সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমার। গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিহারের পূর্ণিয়ার আইজি সুরেশ প্রসাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকেরা। হাসপাতালে আসেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচিন মক্কর-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা। মৃত পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমারের মৃতদেহ ময়না তদন্তে জন্য পাঠানো হয় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

ভোট দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু যুবকের, রণক্ষেত্র শীতলকুচি

চতুর্থ দফার ভোটের শুরু থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহারের শীতলকুচি। গুলিতে প্রাণ গেল এক যুবকের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় পাঠানটুলি এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ময়দানে নামে পুলিশ, ব়্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কমিশনের তরফে ফোন করা হয়েছে রিটার্নিং অফিসারকে।বিজেপি কর্মীদের দাবি, শনিবার সকালে ভোট দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছিল তাঁদের। এই নিয়ে একাধিক বুথে অশান্তি হয়। বিজেপির অভিযোগ, পাঠানটুলির ৮৫ নম্বর বুথ থেকে বলপূর্বক বিজেপির এজেন্ট আনন্দ বর্মনকে বের করে দেয় তৃণমূল। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বোমাবাজিও করা হয় ওই বুথের সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। জখম হন বেশ কয়েকজন। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ওই ব্যক্তি মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।কর্মীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। যদিও পরিবারের দাবি, ওই যুবক বিজেপির পোলিং এজেন্ট নন। তিনি প্রথমবার ভোট দিতে গিয়েছিলেন। সেখানেই গুলিবিদ্ধ হন। এদিন সিতাই এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। তবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এছাড়াও কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই বোমাবাজি হচ্ছে বলে অভিযোগ। একাধিক জায়গায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিক্ষেত্রেই অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের। তাঁদের পালটা দাবি উত্তরবঙ্গের দিনহাটা, শীতলকুচি, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জের একাধিক বুথে তৃণমূলের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই এবিষয়ে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল।

এপ্রিল ১০, ২০২১
দেশ

ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের গুলির লড়াইয়ে মৃত ৫ জওয়ান

মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫ নিরাপত্তা কর্মীর। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। শনিবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে মাওবাদীদের সঙ্গে ব্যাপক গুলির লড়াই হয় যৌথ বাহিনীর। মাওবাদীদেরও কয়েক জনের হতাহতের খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তও গুলির লড়াই চলেছে।শনিবার বিজাপুরের তারেম এলাকার জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। তার পর নিরাপত্তা কর্মীদের একাধিক বাহিনী যৌথ অভিযানে নামে। তাতে ছিল কোবরা (কমান্ডো ব্যাটালিয়ান ফর রেজলিউট অ্যাকশন), ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) জওয়ানরা। জঙ্গলের মধ্যে সেখানে বিজাপুর এবং সুকমার মাঝে একটি একটি গ্রামে মাওবাদীরা লুকিয়ে রয়েছে বলে জানতে পারেন অভিযানে নামা জওয়ানরা। এলাকায় পৌঁছতেই মাওবাদীরা নিরাপত্তা কর্মীদের দিকে গুলি চালাতে শুরু করেন। তাতেই মৃত্যু হয় ৫ জওয়ানের। আহত হয়েছেন বিভিন্ন বাহিনীর আরও ২০ জওয়ান। গুলির লড়াইয়ের কথা স্বীকার করেছেন ছত্তিশগড়ের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ ডিএম অবস্তি। ছত্তিশগড় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ অফিসার অশোক জুনেজা জানান, ৫ জওয়ান কর্তব্যরত অবস্থায় মাওবাদীদের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। যৌথ বাহিনীর জওয়ানদের ছোঁড়া পালটা গুলিতে মাওবাদীদেরও কয়েক জন মারা গিয়েছে বলে জানিয়ছে তিনি। পুলিশের তরফে মাওবাদীদের মৃত্যুর সংখ্যা জানানো না হলেও সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, অন্তত ২ জন মাওবাদী মারা গিয়েছে। আহত আরও কয়েকজন।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
বিদেশ

একদিনে ১১৪ জনকে গুলি করে মারল মায়ানমারের সেনা

রক্তস্নাত মায়ানমার নিয়ে সারা বিশ্বের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। শনিবার একদিনে অন্তত ১১৪ জনের মৃত্যুর পরে একযোগে বারোটি দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর তরফে যৌথ বিবৃতি দিয়ে তীব্র নিন্দা করা হয়েছে জুন্টার নিষ্ঠুরতার। গত দুমাস ধরেই গণতন্ত্রকামীদের থামাতে নির্বিচারে তাদের উপরে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে নারকীয় হত্যালীলা চলেছে শনিবার।মায়ানমারের সেনা আগেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিল, যদি গণতন্ত্রকামীরা ফের পথে নামে তাহলে সরাসরি মাথায় গুলি করবে তারা। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত প্রতিবাদীদের মাথা লক্ষ্য করেই গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে মায়ানমার সেনাকে। কিন্তু এই প্রথম সরাসরি এমন হুমকি দিয়েছিল তারা। সেদেশের সরকারি টিভি চ্যানেলেই এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। পরে রাজপথে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু হলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে সেনা। দেশের ৪৪টি শহরে সেনার গুলিতে লুটিয়ে পড়তে থাকেন প্রতিবাদীরা। তাদের মধ্যে বহু নাবালক-নাবালিকারাও ছিল। রীতিমতো লোকবসতির মধ্যে ঢুকে গুলি চালানোর কথা জানা গিয়েছে। এক তেরো বছরের কিশোরীকে তার বাড়ির মধ্যেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ইতিমধ্যেই সেনার গুলিতে মৃতের সংখ্যা চারশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। ঘটনার নিষ্ঠুরতায় বিস্মিত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, জাপান, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া-সহ বারোটি দেশের তরফে পেশ করা বিবৃতিতে জুন্টার এহেন আচরণের তীব্র নিন্দা করে বলা হয়েছে, যে কোনও পেশাদার সেনাবাহিনী সব সময় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কাজ করে। মানুষকে রক্ষা করাই তাদের কাজ। ক্ষতি করা নয়। আমরা মায়ানমারের সেনার কাছে আর্জি জানাচ্ছি হিংসা থেকে বিরত হয়ে মায়ানমারের মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করার।

মার্চ ২৮, ২০২১
বিদেশ

মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিক্ষোভ বাংলাদেশে, পাক-পন্থীদের তাণ্ডব, নিহত ৪

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময়ই হিংসা ছড়াল বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায়। এর মধ্যে শুক্রবার সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের হাটহাজারি এলাকায়। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। শুক্রবারই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের সূচনা হয়। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ১৯৭১-এ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সহযোগী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় গিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মূলত মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পাকিস্তান-পন্থী জামাত-ই-ইসলামি এবং তার সহযোগী গোষ্ঠীগুলিই এই বিক্ষোভে জড়িত।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের দাবি, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী জামাতকে কয়েক বছর আগে হাসিনা সরকার নিষিদ্ধ করলেও নাম বদলে কয়েকটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নামের আড়ালে সক্রিয়তা চালিয়ে যাচ্ছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ওই সংগঠনগুলি পরিচালিত কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররাই মূলত হিংসাত্মক বিক্ষোভ চালাচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের ভোটপ্রচারে মোদি-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের অনুপ্রবেশ বিরোধী মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশের জনসমাজের একাংশে অসন্তোষ ছড়িয়েছে। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জামাত-পন্থীরা কৌশলে ভারতবিরোধী জিগির তোলার চেষ্টা করছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন।

মার্চ ২৬, ২০২১
বিদেশ

আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের গুলিতে নিহত অন্তত ১০

আটলান্টা হামলার রেশ না কাটতেই ফের রক্তাক্ত আমেরিকা। এবার কলোরাডোর একটি দোকানে হামলা চালাল এক বন্দুকবাজ। হামলাকারীর এলোপাথারি গুলিবর্ষণে এক পুলিশকর্মী-সহ মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের।স্থানীয় পুলিশকর্তা ক্যারি ইয়ামাগুচি জানিয়েছেন, সোমবার উত্তর কলারাডোর বোলডার শহরের কিং স্কুপার্স নামের একটি দোকানে হামলা চালায় এক বন্দুকবাজ। গুলির আঘাতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। এর মধ্যে এক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পুলিশের পালটা গুলিতে হামলাকারী জখম হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে কলারাডোর গভর্নর জ্যারেড পলিস বলেন, বোলডারে ঘটা এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমার হৃদয় ভেঙে খানখান হয়ে গিয়েছে। শহরটির মেয়র স্যাম উইভার বলেন, এই ঘটনা ভাষায় ব্যক্ত করা যাবে না, তবে ক্ষত শুকিয়ে যাবে। আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াব। ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী রায়ান বরওসকি সিএনএন-কে বলেন, একটি সোডা ও এক প্যাকেট চিপস আনতে গিয়ে প্রাণটাই খোয়া যাচ্ছিল। তবে হামলার পর অনেককেই দেখলাম বাকিদের দোকান থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করছেন। অনেকে আবার ভয়ে জমে গিয়ে এক জায়গায় পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন।এদিনের ঘটনায় রীতিমতো কেঁপে উঠেছে আমেরিকা। গত সপ্তাহে জর্জিয়ার আটলান্টায় তিনটি ম্যাসাজ পার্লার তথা স্পা-য়ে আটজনকে গুলি করে খুন করেছে ২১ বছরের শ্বেতাঙ্গ যুবক রবার্ট এ লং। তার মধ্যে ছয়জন ছিলেন এশীয়। এবার সেই বিষয়ে অত্যন্ত কড়া ভাষায় জাতিবিদ্বেষ বিরোধী বয়ান দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হামলার কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক উদ্বেগ ও যৌন আসক্তিকে কারণ হিসেবে চালানোর চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। তবে অনেকেই তাঁর প্রতিবাদ করেন। বলা হয়, ঘটনাটি তার চেয়েও কিছু বেশি। নিহতদের মধ্যে ছজনই এশীয় আমেরিকান মহিলা। অনেকেই এই বলে সরব হন যে, এর পিছনে রয়েছে এশীয় আমেরিকান ও মহিলাদের প্রতি ঘৃণা। এবার ফের বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত হল আমেরিকা।

মার্চ ২৩, ২০২১
দেশ

সোপিয়ানে সেনার গুলিতে খতম ৩ জঙ্গি

সন্ত্রাস দমনে জম্মু ও কাশ্মীরে বড় সাফল্য পেল সেনাবাহিনী। সোমবার সোপিয়ান জেলায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে তিন সন্ত্রাসবাদী। নিহতদের মধ্যে রয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার দুই সদস্য।কাশ্মীর পুলিশের শীর্ষকর্তা আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, সোপিয়ানের এনকাউন্টারে লস্করের দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। সেখানে আরও দুই জঙ্গি আটকে রয়েছে বলে মনে করছে সেনাবাহিনী। ভারতীয় সেনার চিনার কোর জানিয়েছে, মোট তিন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। চলতি মাসেই সোপিয়ান জেলায় সেনা, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় জইশ-ই-মহম্মদের কম্যালন্ডার সাজ্জাদ আফগানি। মূলত, যুবকদের মগজধোলাই করে তাদের জঙ্গি সংগঠনে টেনে আনার কাজ করত ওই জঙ্গি। সোপিয়ান জেলায় জইশের মাথা ছিল সে। তার মৃত্যুতে সংগঠনটি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।কয়েকদিন আগেই কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানায় আমেরিকা। সন্ত্রাসবাদ ও কাশ্মীর নিয়ে বক্তব্য রাখেন মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস। কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণরেখায় যে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে তাদের কাজের তীব্র নিন্দা করছি আমরা। কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার পক্ষে আমেরিকা।

মার্চ ২২, ২০২১
বিদেশ

রক্তে ভাসছে মায়ানমারের রাজপথ

গণতন্ত্রের দাবিতে উত্তাল মায়ানমার। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে বিক্ষোভ দমনে বন্দুকের আশ্রয় নিয়েছে সেনাবাহিনী। তবে সামরিক বুটের চাপেও জনতার জয়গান কিছুতেই থামছে না। এহেন পরিস্থিতিতে শুক্রবার ফের পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন আটজন প্রতিবাদী।গত ১ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখনও পর্যন্ত ২৩২ জন আন্দোলনকারী মারা গিয়েছেন বলে দাবি করেছে অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজ়নার্স নামে এক সংগঠন। জানা গিয়েছে, গতকাল মধ্য মায়ানমারের আংবান শহরে সেনার স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান মানুষ। তখনই তাদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে নিরাপত্তারক্ষীরা। মৃত্যু হয় অন্তত আটজন বিক্ষোভকারীর। এদিকে, রাজধানী নাইপিদাও থেকে শুরু করে ইয়াঙ্গন পর্যন্ত প্রায় সমস্ত বড় শহরে রাস্তায় সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে সরব হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সেনার হাতে বন্দি নেত্রী আং সান সুচির মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। কয়েকদিন আগেই প্রায় ৩২টি চিনা সংস্থার কারখানায় হামলা চালায় জনতা। কারণ, টাটমাদাও বা বার্মিজ সেনার পাশে দাঁড়িয়েছে বেজিং। আর এতেই ক্ষিপ্ত গণতন্ত্রকামীরা। সোমবারও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান অনেকে।এদিকে, সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য মোট ৪০ জন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন মায়ানমারে। শুক্রবারও দুজন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন। যাঁদের মধ্যে বিবিসি-র এক সাংবাদিকও রয়েছেন বলে খবর। যদিও সংবাদমাধ্যমটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আউং থুরা নামে তাদের ওই সাংবাদিকের কোনও খোঁজই মিলছে না। একের পর এক সংবাদমাধ্যমের অফিসও বন্ধ করে দিচ্ছে জুন্টা। গত সপ্তাহে এক দিনও বেসরকারি কোনও সংবাদপত্র ছাপা হয়নি দেশে।

মার্চ ২০, ২০২১
বিদেশ

ফের রক্তাক্ত মায়ানমার, সেনার গুলিতে ১২ গণতন্ত্রকামীর মৃত্যু

ফের রক্তস্নাত মায়াসমার। শনিবার অন্তত ১২ জন গণতন্ত্রকামীকে গুলি করে মারল জুন্টা। গোটা বিশ্বজুড়ে জুন্টার ভয়ানক আগ্রাসী ভূমিকার তীব্র নিন্দা হচ্ছে। গত বুধবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘ তুলোধোনা করেছে মায়ানমারের সেনার এই ভূমিকাকে। কিন্তু কোনও সমালোচনাই যে তারা গ্রাহ্যের মধ্যে আনতে রাজি নয়, তা এদিন ফের বুঝিয়ে দিল মায়ানমার সেনা। শনিবার ম্যান্ডালায় ধর্নায় বসে থাকা নিরস্ত্র মানুষদের উপরে যেভাবে গুলি চালিয়েছে সেনা, তা দেখে আতঙ্কিত প্রত্যক্ষদর্শীরা। চোখের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পাঁচজন। তাদের মধ্যে এক ১৩ বছরের কিশোরও ছিল। সেনা যে গুলি চালানোর সময় কাউকে রেয়াত করছে না, তা ফের স্পষ্ট হয়ে গেল এই ঘটনায়। এরই পাশাপাশি ইয়াঙ্গন, প্যায় ইত্যাদি জায়গাতেও নির্বিচারে চালানো হয়েছে গুলি। ১ ফেব্রুয়ারি আচমকাই দেশের শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে তুলে নেয় মায়ানমার সেনা। পাল্টা ক্যু বা সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে পথে নামে দেশের আমজনতা। কোথাও তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তো কোথাও আবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছে। কিন্তু আন সাং সু কি-পন্থীদের দমনে মরিয়া সে দেশের সেনা। আর সেই কারণেই নির্বিচারে দমন পীড়ন চালাচ্ছে তারা। এপর্যন্ত সেনার গুলিতে ৭০ জনের বেশি প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, রবার বুলেটের আঘাতে অনেকে আহত হয়েছেন।

মার্চ ১৪, ২০২১
কলকাতা

স্ট্র্যান্ড রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ৯ জনের

স্ট্র্যান্ড রোডে রেলের নিউ কয়লাঘাট বিল্ডিংয়ের অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন দমকল কর্মী ১ জন আরপিএফ কর্মী এবং হেয়ার স্ট্রিট থানার এএসআই রয়েছেন। আর ১ জনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। রাত সোয়া ১১টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতিপূরণ ছাড়া মৃতদের পরিবার পিছু এক জনকে সরকারি চাকরিও দেওয়া হবে। তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগে ওই ভবনে। ১৪ তলা ভবনটির ১৩ তলায় প্রথমে আগুন লাগে বলে জানা গিয়েছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভবনের ১২ তলায়। সেখানে রেলের সার্ভার রুমটি ভস্মীভূত হয়েছে। এর ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতে রেলের বুকিং ব্যবস্থা ব্যাপক ভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রায় ৫ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রথমে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর ১৩ তলায় পৌঁছনর চেষ্টা করেন কয়েক জন দমকল কর্মী। কিন্তু ১২ তলায় পৌঁছে তাঁরা লিফট থেকে বেরনোর চেষ্টা করেন কিন্তু প্রচণ্ড তাপের ফলে তাঁরা ফিরে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু চারপাশের আগুনের তাপ ও বিষাক্ত গ্যাসে তাঁরা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন বলে খবর। তার ফলেই তাঁদের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমেই দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। এতটা উঁচুতে আগুন লাগায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হাইড্রলিক ল্যাডার নিয়ে যাওয়া হয়। আশপাশের ভবনে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে তার চেষ্টা করেন দমকল কর্মীরা। নিরাপত্তার কারণে ওই ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। ভবনের কাছে আইসিইউ সুবিধা যুক্ত বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখা হয়েছে। উদ্ধার কাজে আলোর ব্যবস্থার জন্য কয়েকটি জেনারেটর আনা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই এলাকার মানুষ। স্ট্র্যান্ড রোডের একাংশ বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রশাসন এবং পুলিশ আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা।

মার্চ ০৯, ২০২১
বিদেশ

রক্তে ভাসছে মায়ানমার

মায়ানমারের গণতন্ত্রকে হত্যা করতে মরিয়া সে দেশের সেনা। শান্তি ফেরানোর নামে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তবে বুধবার চরম নৃশংসতার সাক্ষী থাকল আন সাং সুচি-র দেশ। একদিনে ৩৮ গণতন্ত্রকামী মানুষকে গুলি করে মারল সেনা ও পুলিশ। সেনার বর্বরোচিত আচরণে স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব।১ ফেব্রুয়ারি আচমকাই দেশের শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে তুলে নেয় মায়ানমার সেনা। পালটা সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে পথে নামে দেশের আমজনতা। কোথাও তাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তো কোথাও আবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছেন। কিন্তু আন সাং সুচি পন্থীদের দমনে মরিয়া সে দেশের সেনা। সেই উদ্দেশে নির্বিচারে দমন পীড়ন চালাচ্ছে তারা। ইতিপূর্বে একদিনে সর্বাধিক ১৭ জনের মৃত্যু খবর এসেছিল। কিন্তু এবার সেই বীভৎসতাকে ছাপিয়ে গেল বুধবারের নৃশসংসতা।স্থানীয় সূত্রের খবর, শুধুমাত্র ইয়াঙ্গনেই মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৩০০ জন। মনওয়ায় ছজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি মৃত্যুর খবর এসেছে মান্দালয়, মিঙগিয়ান শহরগুলি থেকে। রক্ত ভেসে যাচ্ছে শহরগুলি। এ প্রসঙ্গে মায়ানমারে নিযুক্ত রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশেষ দূত ক্রিশ্চিন স্কেরানের বারজানের জানিয়েছেন, সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে এটাই সবচেয়ে বীভৎস রক্তক্ষয়ী দিন। একদিনে ৩৮ জনের মৃত্যু হল। ইতিমধ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে।

মার্চ ০৪, ২০২১
দেশ

ফের শিরোনামে হাথরাস

ফের শিরোনামে বিতর্কিত হাথরাস। হাথরাস রয়েছে হাথরাসেই। গত বছর উত্তরপ্রদেশের এই জেলায় এক দলিত তরুণীকে গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে উত্তাল হয়েছিল দেশ। এক তরুণীর শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত যুবক গৌরব শর্মা গুলি করে মারল নির্যাতিতার বাবাকে! এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন ইতিমধ্যেই।আরও পড়ুন: বিজপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী২০১৮ সালে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। তরুণীর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেপ্তারও করে গৌরবকে। কিন্তু মাসখানেক পরে জামিন পেয়ে যায় সে। সেই থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তি। যা চরম আকার নেয় গতকাল। সোমবার বিকেলে নির্যাতিতা তরুণীর গ্রামের মন্দিরে পুজো দিতে যান অভিযুক্তের স্ত্রী ও কাকিমা। সেই সময় সেখানে আসেন নির্যাতিতা ও তাঁর বোনও। শুরু হয় ঝগড়া। পরে সেখানে আসেন তরুণীর বাবা ও গৌরব। গৌরবের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল বলে জানা গিয়েছে। ক্রমেই পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে ওঠে। তারপরই আচমকা গৌরব গুলি চালিয়ে দেয়। গুরুতর আহত হন তরুণীর বাবা। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ই তাঁর মৃত্যু হয়। এমন ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ইতিমধ্যেই গৌরবের পরিবারের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ০২, ২০২১
বিদেশ

ইকুইডরের জেলে দাঙ্গায় মৃত ৬২

কারাবন্দিদের মধ্যে দাঙ্গা ইকুয়েডরে । পৃথক তিনটি কারাগারে দাঙ্গার ঘটনায় অন্তত ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে নিরাপত্তারক্ষীরাও রয়েছেন। ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো জানিয়েছেন, এই দাঙ্গার পিছনে রয়েছে অপরাধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শুরু হওয়া বচসা। যাকে কেন্দ্র করে জেলে জেলে ছড়িয়ে পড়ে মারাত্মক দাঙ্গা। তবে নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে বলেও জানান তিনি।সোমবার রাত থেকেই দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে ক্রমেই খারাপ হয়ে যায় পরিবেশ। বন্দুক, ছুরি নিয়ে পরস্পরকে আক্রমণ করে ভিন্ন দলের বন্দিরা। বন্দিদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে গুয়াইয়াকিল, কুয়েনকা এবং লাতাকুনগা কারাগারের সামনে ভিড় জমান বন্দিদের আত্মীয়রা। অনেককেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। পরিস্থিতি যে ভয়ংকর, তা মেনে নিচ্ছেন পুলিশ কমান্ডার প্যাট্রিসিও কারিল্লো। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি দ্রুত কী করে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করছে প্রশাসন। ইকুয়েডরের বহু জেল সম্পর্কেই বলা হয়, সেগুলো বাড়তি ভিড়ে উপচে পড়ছে। এই দাঙ্গার ঘটনায় অবশ্য টনক নড়েছে সরকারের। আপাতত অতিরিক্ত বন্দির সংখ্যা ৪২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে এই ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
দেশ

ফের বিস্ফোরণ কর্নাটকে, মৃত ৬

ফের ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কর্নাটক। একটি খাদান এলাকায় হওয়া এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬ জন। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে কর্নাটকের চিক্কাবল্লাপুর জেলায় খাদানে ব্যবহার হওয়া জেলাটিনে বিস্ফোরণ ঘটে। ওই বিস্ফোরক বেআইনিভাবে জমা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশি অভিযানের ভয়ে জিলেটিন বারগুলোকে নষ্ট করতে গেলে আচমকা ঘটে বিস্ফোরণ। এতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ছয়জন। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা। এই ঘটনায় দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার আশ্বাসও দিয়েছেন ইয়েদুরাপ্পা। এদিকে, বিস্ফোরণের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, কর্নাটকের বিস্ফোরণে প্রাণহানী হওয়ায় আমায় মর্মাহত। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমি সমবেদনা প্রকাশ করছি। প্রার্থনা করছি, আহতদের দ্রুত সেরে ওঠার জন্য প্রার্থনা করছি।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
বিদেশ

আফগানিস্তানের মসজিদে বিস্ফোরণ, মৃত ৩০ তালিবান জঙ্গি

মসজিদে চলছিল বোমা বানানোর প্রশিক্ষণ। হাতে-কলমে সেটাই শেখানো হচ্ছিল। আর তখনই ঘটে যায় বিস্ফোরণ। আফগানিস্তানের বালখ প্রদেশের এই ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে ৩০ তালিবানি জঙ্গি। এমনটাই জানানো হয়েছে আফগান সেনার পক্ষ থেকে।বিস্ফোরণের ঘটনায় আফগান সেনাবাহিনীর ২০৯ শাহিন কোরের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। সেখানেই জানানো হয়, গত শনিবার বিস্ফোরণে ৩০ তালিবান জঙ্গি মারা গিয়েছে। তাতে আবার ছয় জন বিদেশিও রয়েছে। এরাই মাইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে সেখানে অন্যদের বিস্ফোরক বানানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল। জানা গিয়েছে, বালখ প্রদেশের দৌলতাবাদ জেলার কুলতাক গ্রামের একটি মসজিদে ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানেই ওই ছয় বিদেশির কাছ থেকে বিস্ফোরক বানানোর কৌশল শিখছিল জঙ্গিরা। তখনই আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। তার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ওই ছজনের পরিচয়ও জানা যায়নি। গোটা ঘটনায় ওই এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দীর্ঘদিন ধরেই তালিবানের দৌরাত্ম্যে অশান্ত আফগানিস্তান। বছরখানেক ধরে শান্তি আলোচনা চলছে তালিবান ও আফগান সরকারের মধ্যে। মধ্যস্থতায় রয়েছে মার্কিন প্রশাসনও। অথচ তার মধ্যেই নিয়মিত হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এমনকী বাইডেন প্রশাসনও সম্প্রতি তালিবানের বিরুদ্ধে চুক্তি না মানার অভিযোগ তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে সে দেশে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তালিবান।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১
দেশ

মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় মৃত কমপক্ষে ১৫

ফের ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা মহারাষ্ট্রে। রবিবার গভীর রাতে জলগাঁও জেলায় একটি যাত্রীবাহী গাড়ি উলটে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ১৫জন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।গতকাল রাতে জলগাঁওয়ের ইয়াবল তালুকের কিনাগাঁওয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও স্থানীয়রা। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃতদেহগুলোকে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, তীব্র গতিতে ছুটছিল যাত্রীবাহী গাড়িটি। তার উপর অত্যাধিক যাত্রী সওয়ার থাকার ফলে সেটির উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক। টাল সামলাতে না পেরে মুহূর্তে উলটে যায় বাহনটি। ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় অন্তত ১৫ জনের। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী। আহতদের অনেকেরই আঘাত গুরুতর হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য, সড়ক দুর্ঘটনার একেবারের উপরের দিকেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। ২০২০ সালে ওই রাজ্যে পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১১ হাজার ৪৫২ জন। ফলে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পড়েছে ওই রাজ্যের প্রশাসন। প্রশ্ন উঠছে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সড়কগুলোতে গতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
দেশ

মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় মৃত ১৪

ভোররাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মৃত্যু অন্তত ১৪ জন তীর্থযাত্রীর। আশঙ্কাজনক অবস্থা আরও অন্তত ৪ জনের। রবিবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের কারনুল জেলার মাদারপুরম গ্রামের ভেলদুর্থি মণ্ডলের কাছে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চিতোরের মদনাপল থেকে একদল তীর্থযাত্রী রাজস্থানের আজমেড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। রবিবার ভোর তিনটে-সাড়ে তিনটে নাগাদ তীর্থযাত্রীদের মিনি ভ্যানটির সঙ্গে উলটো দিক থেকে দ্রুত গতিতে আসা ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলেই ৮ মহিলা, ৫ পুরুষ ও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকি ২৪ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুটি শিশুও রয়েছে। জানা গিয়েছে, মিনি ভ্যানটিতে ১৮জন ছিলেন। ছিন্নভিন্ন অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে ১৪ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।Andhra Pradesh: 13 people killed, 4 injured in a collision between a bus and a truck near Madarpur village in Veldurti Mandal, Kurnool district in the early morning hours; injured admitted to Government General Hospital pic.twitter.com/Ve1hHqTBkZ ANI (@ANI) February 14, 2021

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
বিদেশ

ইরানের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক পাকিস্তানে, খতম ৫০ সন্ত্রাসবাদী

পাকিস্তানের বালোচিস্তানের কয়েক কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাল ইরানের সেনাবাহিনীর সবচেয়ে দক্ষ শাখা তথা স্পেশ্যাল ফোর্স ইরানি রেভলিউশানির গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ওই হামলায় খতম হয়েছে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী। ইরানের সংবাদসংস্থা ইরনা, তুরস্কের সংবাদসংস্থা আনাদোলু নিউজ এজেন্সি এবং আল জাজিরা জানিয়েছে, আগাম গুপ্তচর মারফত খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে বালুচিস্তানের ইরান সীমান্তের কাছে রুক্ষ পাহাড়ি এলাকায় সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ইরানি সেনারা। তাঁদের অভিযানে খতম হয়েছে জইশ-আল-আদল সংগঠনের বহু জঙ্গি এবং বেশ কয়েকজন পাক সেনা। পাকিস্তান শিবিরের নিহতের সংখ্যা ৫০-এর কাছাকাছি। অভিযানে জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন ইরানি সৈনিক। ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের দুই সেনা গত আড়াই বছর ধরে জইশ-আল-আদলের হাতে পণবন্দি ছিল। তাদের নিরাপদে উদ্ধার করতেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো হয়েছে। সেনার এই অভিযান সফল হয়েছে। পাক সেনার মদতে সুন্নি মতাবলম্বী জঙ্গি সংগঠন জইশ-আল-আদল এর আগে বহুবার আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি করেছে শিয়া মতাবলম্বী ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডের।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২১
কলকাতা

শহরে নৃশংসভাবে খুন নাবালিকা

নৃশংস হত্যাকাণ্ড জোড়াবাগান থানা এলাকায়। ৯ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে দলা কেটে খুন করা হয়েছে। ওই নাবালিকা বুধবার রাত থেকেই নিখোঁজ ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে এলাকারই একটি বহুতলের সিঁড়ি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শোভাবাজার থেকে জোড়াবাগানে মামারবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল সে। পরিবারের অভিযোগ, যৌন নির্যাতনের পর খুন করা হয়েছে তাকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে তৃণমূল-বিজেপির নেতা-কর্মীরা। গুরুতর জখম হয়েছেন দুদলের দুজন।জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে জোড়াবাগানের বৈষ্ণব শেখ স্ট্রিটে কেন সিসিটিভি নেই এই প্রশ্ন তোলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের রহস্যভেদ ও অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান। পুলিশের বিরুদ্ধেও সুর চড়ান তাঁরা। সেই সময় ঘটনাস্থলে যায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। তখনই কথা কাটাকাটি শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে। এরপরই বচসা সংঘর্ষের চেহারা নেয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের সামনে চলে আক্রমণ, পালটা মার। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় শান্ত হয় এলাকা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেন, যৌন নির্যাতনের যে অভিযোগ উঠেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধ দমন শাখার যুগ্ম কমিশনার সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে রয়েছেন। সমস্ত প্রক্রিয়া মেনে তদন্ত চলছে। শিশুটির পরিবারের সঙ্গে আমরাও ঘটনাস্থলে আছি। এর পর শশী বলেন, শিশুটি তার দিদার কাছে এসেছিল। এখানে যে সে প্রথমবার এসেছে, তা নয়। এর আগেও অনেকবার এসেছে। মেয়েটির বাড়ি যেখানে, সেই ১৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকাটি আমার বিধানসভা অঞ্চলের মধ্যে পড়ে।কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মুরলী ধর (অপরাধ দমন শাখা) এলাকা পরিদর্শনে যান। পরিবারের পাশাপাশি পুরসভার স্থানীয় কো-অর্ডিনেটরও অভিযোগ করেন, যৌন নির্যাতন করে খুন করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে জোড়াবাগান থানার পুলিশ ছাড়াও ফরেনসিক দলের প্রতিনিধিরা এসে পৌঁছন।ঘটনাস্থলে যায় প্রশিক্ষিত কুকুরের দল।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বাম শিবিরে অস্বস্তি বাড়ছে, প্রতীক উরের পথেই কি হাঁটবেন আরও তরুণ নেতা

চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে লড়েছিলেন প্রতীক উর রহমান। সময়ের ব্যবধানে সেই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীই এখন তাঁর সহযোদ্ধা। শনিবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলা এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রতীক উর রহমান। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তাঁর এই যোগদান রাজনৈতিক মহলে জোর আলোড়ন ফেলেছে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক সময়ের বাম যুবনেতার দলবদলকে ঘিরে গত এক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছিল। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি চিঠিতে প্রতীক উর রহমান রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার কথা জানান। পরে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি মার্ক্সবাদী দলীয় নিয়ম মেনে তাঁকে বহিষ্কার করে। তবে তার আগে দলের একাংশ তাঁকে ধরে রাখার চেষ্টা চালায় এবং বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলেও জানা যায়।দুদিনের রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁর কাছে সন্তান হারানোর যন্ত্রণার মতো। তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রতীককে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেন। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। বরং প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়।এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন প্রতীক উর। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি। অবশেষে শনিবার বিকেলে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটে। দুপুরে আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে প্রতীক উরের যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয় এবং দুজনেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, প্রতীক উরের পথ অনুসরণ করে আরও বাম যুবনেতা দলবদলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য এবং দীপ্সিতা ধর-এর নাম ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি, তবু আলিমুদ্দিনের অন্দরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

বিরোধী থেকে সহযোদ্ধা, অভিষেকের হাত ধরেই বড় চমক প্রতীক উরের

লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়র বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন তিনি। কিন্তু দুবছর পর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন দেখা গেল। একসময়ের বিরোধী মুখ প্রতীক উর রহমান এবার অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ দিলেন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার আমতলায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক প্রাক্তন বাম যুবনেতার এই দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতীক উর রহমান আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর লেখা একটি চিঠি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যেখানে তিনি রাজ্য কমিটি, জেলা কমিটি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা যেত, কিন্তু সেই পথে না গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে নেতৃত্ব। বর্ষীয়ান নেতা বিমান বসু তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানান। পরে রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর মহম্মদ সেলিম জানান, প্রতীক উরের দলত্যাগ তাঁদের কাছে সন্তানের মতো কাউকে হারানোর সমান। তাঁকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। উল্টে প্রতীক উর দলের প্রবীণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এই সময় থেকেই শোনা যাচ্ছিল তৃণমূলের এক সাংসদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার অবসান ঘটে। আমতলার দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূলে যোগ দেন প্রতীক উর রহমান। রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকজন বাম যুবনেতাও কি তাঁর পথ অনুসরণ করতে পারেন। বিশেষ করে সৃজন ভট্টাচার্য ও দীপ্সিতা ধরকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, তবু বাম শিবিরে উদ্বেগ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ভাষা দিবসের মঞ্চে মমতার পাশে অনন্ত, বঙ্গ রাজনীতিতে কি বড় সমীকরণ বদল

ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বড় রাজনৈতিক চমক দেখা গেল। দেশপ্রিয় পার্কের অমর একুশে উদ্যানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র পাশেই মঞ্চে বসে থাকতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। শনিবার তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরীয় পরিয়ে ও স্মারক তুলে দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে অনন্ত মহারাজ রাজবংশী ভাষায় মহারাজা চিলা রায়ের লেখা কবিতা পাঠ করেন এবং নিজের জাতিগত পরিচয় ও ভাষার প্রতি আবেগের কথা তুলে ধরেন। ভাষা দিবসের মঞ্চে তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।মুখ্যমন্ত্রী ও অনন্ত মহারাজের সম্পর্ক নতুন নয়। লোকসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় থেকেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। গ্রেটার কোচবিহারের দাবিকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন অনন্ত মহারাজ এবং পরে বিজেপি তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করে। কিন্তু গ্রেটার কোচবিহারের দাবি খারিজ হওয়ায় বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। কোচবিহারে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পর অনন্ত মহারাজের সমর্থনের কথাও উঠে আসে, যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং তাঁর পাশেই বসান। পরে তাঁকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দেওয়া হলে জল্পনা আরও জোরদার হয়। সম্মান পেয়ে অনন্ত মহারাজ কৃতজ্ঞতা জানালেও নিজের ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্নে তিনি দৃঢ় অবস্থানের কথাই তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও কোচ রাজবংশী সম্প্রদায়ের স্বার্থে তেমন কাজ হয়নি। এর পরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের আগে কি তবে রাজনৈতিক অবস্থান বদলাতে পারেন অনন্ত মহারাজ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফাঁস অডিওতে বড় দাবি, টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম, বাগদায় তোলপাড়

উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, মাথাপিছু টাকা দিলেই ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন এক বুথ স্তরের আধিকারিক। এই আবহে একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভাইরাল অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।অভিযুক্ত বুথ স্তরের আধিকারিকের নাম চন্দ্রকান্ত মণ্ডল। তিনি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেও জানা গিয়েছে। ভাইরাল অডিওতে শোনা যায়, এক ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য মাথাপিছু দশ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। মোট ছয় জনের নাম তোলার কথা উল্লেখ করে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মাইক্রো পর্যবেক্ষকের নাম করে এই টাকা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর ইমেলের মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।যাঁদের নাম তোলার জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলেও দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, ওই পরিবারের সদস্যরা সম্প্রতি এ দেশে এসেছেন এবং বিভিন্ন উপায়ে পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের কারও নাম ছিল না বলেও স্থানীয় সূত্রে খবর। বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার আবহে পরিবারের সদস্যদের নাম তুলতে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আধিকারিক। তাঁর দাবি, প্রযুক্তির সাহায্যে কণ্ঠস্বর নকল করে এই অডিও তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি-র মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তরুণ ঘোষ জানান, কেউ অন্যায় করে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, শাসকদলের মদতেই এই ধরনের কাজ হচ্ছে। যে পরিবারকে ঘিরে অভিযোগ উঠেছে, তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নিরাপত্তা, বাংলায় ঢুকছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। কেন্দ্রের নির্দেশে আগামী পয়লা মার্চ থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন শুরু হবে। মোট চারশো আশি কোম্পানি আধাসেনা দুই দফায় রাজ্যে আসবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় পয়লা মার্চ দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ বাকি বাহিনী পৌঁছবে।এই বিষয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের ডিজিপির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক ভাবে চারশো আশি কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় যে বাহিনী আসছে তার মধ্যে একশো দশ কোম্পানি সিআরপিএফ, পঞ্চান্ন কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, একুশ কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, সাতাশ কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং সাতাশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল থাকবে।দ্বিতীয় দফায় দশ মার্চ আরও দুশো চল্লিশ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে। সেই দফায় একশো কুড়ি কোম্পানি সিআরপিএফ, পঁয়ষট্টি কোম্পানি সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ষোলো কোম্পানি শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী, কুড়ি কোম্পানি ভারত তিব্বত সীমান্ত পুলিশ এবং উনিশ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল মোতায়েন করা হবে। এই বাহিনীর কাজ হবে স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দেওয়া, ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থা বাড়ানো এবং ভোটযন্ত্র পাহারা দেওয়া।জানা গিয়েছে, মোট নয়টি সেকশনের মধ্যে আটটি সেকশন বুথের নিরাপত্তা ও টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে। একটি সেকশন দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসাবে প্রস্তুত থাকবে, যাতে কোথাও বড় অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বাহিনী মোতায়েনের সম্পূর্ণ পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সঞ্জয় যাদবকে জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এত বিপুল বাহিনীর থাকা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থার দায়িত্ব রাজ্য প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

ওয়াক আউট নিয়ে স্পিকারের ক্ষোভ, বিরোধীদের সতর্কবার্তা

বিধানসভায় শাসক-বিরোধী বিধায়কদের হট্টগোল এবং বিরোধী বিধায়কদের ওয়াক আউট গত পাঁচ বছরে বারবার দেখা গেছে। সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বেলায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও এ বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি মূলত বিরোধী বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, ওরা বিধানসভাকে কাজে লাগাতে পারেনি। ওয়াক আউট করলে হয়তো কাগজে খবর হবে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ চলে যায়।স্পিকার নতুন বিধায়কদেরও কড়া ভাষায় বলেন, আমি সবসময় সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু নতুন বিধায়করা প্রস্তুত না হলে কী লাভ? প্রশ্ন করলে প্রস্তুত হয়ে আসতে হবে।এছাড়াও স্পিকার রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, বছরে বিধানসভা কমপক্ষে ৬০ দিন চলা উচিত, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে তা হয়নি। সরকারের বিল ছাড়া বিধানসভা নিজে চলতে পারে না। নতুন বিধানসভা তৈরি হলে সরকার এই বিষয়টি মনোযোগ দেবে আশা করি।বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার স্পিকারের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে জানান, দুর্ভাগ্যের বিষয় এই রাজ্য সরকার বিধানসভা ঠিকমতো চলতে দিতে চাইছে না। তারা চায় না বিরোধীরা কথা বলুক বা মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরুক। নতুন স্বর আসায় তারা অস্বস্তিতে রয়েছে।বিধানসভায় গত পাঁচ বছরে ১৬৬ দিন অধিবেশন হয়েছে, মোট ঘণ্টা ৪৫৪ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। সপ্তদশ বিধানসভায় ৪১৬২টি প্রশ্ন এসেছে, যার মধ্যে ১৬০৪টির উত্তর দেওয়া হয়েছে। ৯১টি বিল, ৩৯টি মুলতুবি প্রস্তাব, ২৭২টি দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব এবং ৯৩২টি মেনশন এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

শিশুদের উদ্দেশ্যে শিক্ষক গুলি চালাল, গুরুতর আহত এক

রঘুনাথগঞ্জ থানার বানিপুর এলাকায় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি বাড়ির সামনে খেলতে থাকা শিশুদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগে অভিযুক্ত। ঘটনায় এক শিশু আহত হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একটি বন্দুক উদ্ধার করেছে।ধৃত শিক্ষকের নাম সমীর কুমার মণ্ডল, তিনি ওমরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অভিযোগ, শুক্রবারের মতো কয়েকজন শিশু তার বাড়ির পাশে একটি ফাঁকা মাঠে খেলছিল। মাঝেমধ্যে তাদের বল শিক্ষকের বাড়ির ভিতরে পড়ে যেত। আগে থেকেও এই নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শিশুরা খেলতে থাকায় রেগে গিয়ে সমীর বন্দুক নিয়ে শিশুগুলোর দিকে গুলি চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। আতঙ্কিত শিশুরা ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে এক শিশুর হাতে গুলি লাগে।আহত শিশুর বাবা বিশ্বজিৎ সাহা জানান, প্রতিদিনের মতো ১০-১২ জন বাচ্চা খেলছিল। বল বাড়ির দরজায় লাগতেই শিক্ষক বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে এসে গুলি চালাল। আমার ছেলের হাতে গুলি লেগেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাকে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাই।বর্তমানে শিশুটি জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে আটক করে এবং বাড়ি থেকে একটি আধুনিক এয়ারগান উদ্ধার করে। পুলিশ অস্ত্র পরীক্ষা করে দেখছে এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে তা যাচাই করছে। ধৃত শিক্ষক দাবি করেছেন, ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই গুলি চালিয়েছিলাম, কারও গায়ে লেগেছে তা বুঝতে পারিনি।এলাকায় ঘটনার পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গেছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদালতের! দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে করা নতুন আবেদনের শুনানিতে আদালত সিবিআইয়ের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জানিয়েছে, পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে না থাকলেও এটি গ্রহণ করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে এবং দ্রুততা আনা প্রয়োজন।পরিবারের আবেদনে কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, সিবিআই এই বিষয়টি সঠিকভাবে দেখার বিষয়টি এড়িয়েছে। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চললেও এখনও পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি।তিলোত্তমা ছাত্রী নিহতের পরিবারের তরফে গত মঙ্গলবার আদালতে নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এতে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক, কলকাতা পুলিশের অন্যান্য অফিসার এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রথম এবং পরবর্তী রিপোর্টে বড় পার্থক্য রয়েছে, যা কোর্টকে বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা আরও দাবি করেছেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার।সিবিআই-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতারির আবেদন করা হয়েছে, তাদের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হবে, কারণ অনেককে ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal