• ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ১৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jit

বিনোদুনিয়া

প্লেব্যাক ছাড়ার পরও আমিরের ছবিতে অরিজিত? জিয়াগঞ্জ সফর ঘিরে তোলপাড়

প্লেব্যাক গান থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই রবিবার রাতে জিয়াগঞ্জে অরিজিৎ সিংয়ের বাড়িতে হাজির হলেন বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খান। মুম্বই থেকে বিশেষ ভাবে অরিজিতের সঙ্গে দেখা করতেই এসেছিলেন তিনি। এ দিন হাতে একগোছা পান নিয়ে অরিজিতের বাড়ির ছাদে দেখা যায় আমিরকে। এমনকি লাটাই হাতে ছাদের উপর দাঁড়িয়ে স্থানীয়দের দিকে হাত নেড়েও সৌজন্য বিনিময় করেন সুপারস্টার।সোমবার সকাল থেকেই এই মুহূর্তের একাধিক ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই চর্চা শুরু হয়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আমিরকে দেখা গেলেও, প্রকাশ্যে দেখা মেলেনি অরিজিতের। ফলে জিয়াগঞ্জে কী ভাবে অতিথি আপ্যায়ন হল, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মুম্বই থেকে তারকা অতিথি এলে খাবারের আয়োজন যে বিশেষ হবে, তা বলাই বাহুল্য।জানা গিয়েছে, আমিরের জন্য খাবারের সমস্ত ব্যবস্থা করেছিলেন অরিজিতের জেঠতুতো দাদা সুরিন্দর সিং। তিনি জানিয়েছেন, অরিজিতের ফোন পাওয়ার পর রবিবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ সাদা ভাত, বাটার নান, চিকেন, মাটন কষা, মিক্সড ভেজ এবং পনির বাটার মশালা পাঠানো হয়েছিল। অর্থাৎ নিরামিষ ও আমিষদুধরনের পদেই সাজানো ছিল আমিরের খাবারের থালা।এ দিন অরিজিতের বাড়ির আশপাশের ছাদে ভিড় জমিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা আমির তাঁদের দিকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। জিয়াগঞ্জে এসে অরিজিতের রেকর্ডিং স্টুডিওতেও গিয়েছেন আমির। কারণ নিজের ছবির গানের জন্য বরাবরই অরিজিতের কণ্ঠ পছন্দ করেন তিনি।এই সফরের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি অরিজিতকে আবার রেকর্ডিং স্টুডিওয় ফেরাতেই এসেছেন আমির? যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কেউই মুখ খোলেননি। তবে অনেকেরই ধারণা, আমির খানের আগামী ছবির জন্য অরিজিত নতুন গান গাইতে পারেন। শোনা যাচ্ছে, প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের পরেও আমিরের ছবির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে নাকি দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।উল্লেখ্য, রবিবার রাতে আমির খানের জিয়াগঞ্জের নিহালিয়া পাড়ায় অরিজিতের বাড়িতে আসার খবর নিশ্চিত করেছিলেন আজিমগঞ্জ-জিয়াগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ ঘোষ।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

অজিতের পরে ‘বহিনা’! মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুনেত্রা পাওয়ার

দাদার শূন্যস্থান এবার পূরণ করতে চলেছেন বহিনা। প্রয়াত এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার শনিবার মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন। শনিবার বিকেল পাঁচটায় তাঁর শপথগ্রহণের কথা রয়েছে। অজিত পাওয়ারের আকস্মিক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, উপমুখ্যমন্ত্রীর শূন্য পদে সুনেত্রা পাওয়ারকেই সামনে আনতে পারে দল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল এনসিপি।সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল জানিয়েছিলেন, অজিত পাওয়ারের পরে সাধারণ মানুষও মনে করছেন, সুনেত্রাই এই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। দলের অন্দরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। এনসিপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফুল প্যাটেল, ছগন ভুজবল ও সুনীল তটকরে সুনেত্রা পাওয়ারের সঙ্গে আলোচনা করেন। শুক্রবার দলীয় স্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এনসিপির তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যসভার সাংসদ সুনেত্রা পাওয়ারই দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল। বৃহস্পতিবার সুনেত্রার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ছগন ভুজবল ও প্রফুল প্যাটেল মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন বর্ষায় গিয়ে দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সঙ্গে বৈঠক করেন।অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অর্থ, আবগারি ও ক্রীড়া দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাতেন। সূত্রের খবর, এই দফতরগুলিই সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে এনসিপির তরফে। ছগন ভুজবল জানিয়েছেন, দেবেন্দ্র ফড়ণবীস স্পষ্ট করে বলেছেন, শনিবার সুনেত্রা যদি উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।তবে দফতর বণ্টন নিয়ে এখনও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে মহারাষ্ট্রের বাজেট পেশ হওয়ার কথা। সেই কারণে বাজেট পেশ হওয়া পর্যন্ত অর্থ দফতর নিজের কাছেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীস। বাজেটের পরে সেই দায়িত্ব সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আবগারি ও ক্রীড়া দফতর সুনেত্রার হাতে দিতে ফড়ণবীসের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টাতেই সর্বনাশ, র‌্যাডার থেকে উধাও হয়ে গেল বিমান

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। টেবিলটপ রানওয়ে না কি কম দৃশ্যমানতাকোনটি এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি সকালে মুম্বই থেকে বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অজিত পওয়ার। সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাঁর প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে নামার সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছলে যায়। তার পরেই আছড়ে পড়ে বিমানে বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার পর ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ফ্লাইটর্যাডারের তথ্য অনুযায়ী, বম্বার্ডিয়ার লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমানটি সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে উড়ান শুরু করে। আরব সাগরের উপর দিয়ে উড়ে সেটি বারামতীর দিকে যায়। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দৃশ্যমানতা কম থাকায় তখন বিমানটি নামতে পারেনি বলে জানিয়েছে এয়ারক্রাফ্ট অপারেটর ভিএসআর ভেনচার।এর পরে সকাল ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার অবতরণের চেষ্টা করা হয়। ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ র্যাডার থেকে উধাও হয়ে যায় বিমানটি। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, রানওয়ে ১১-র প্রান্তে একটি বিমান আছড়ে পড়ে আগুন ধরে গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানটি মাটিতে পড়তেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের গোলায় পরিণত হয়। ঘন কালো ধোঁয়া ও লেলিহান শিখা পুরো বিমানটিকে গ্রাস করে নেয়। ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, পাইলট এবং ফার্স্ট অফিসার। দুর্ঘটনায় কেউই বাঁচেননি।ডিজিসিএ এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ না করলেও, বিমান সংস্থার তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, কম দৃশ্যমানতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে রানওয়ের গঠন ও অবতরণ প্রক্রিয়ায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অজিত পওয়ারের মৃত্যু কি নিছক দুর্ঘটনা, না কি নেপথ্যে ষড়যন্ত্র? সুপ্রিম কোর্টে তদন্ত চান মমতা

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা দেশ জুড়ে শোকের আবহ। বুধবার সকালে বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এর মধ্যেই দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে করার দাবি তুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার সিঙ্গুরে যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অজিত পওয়ারের মৃত্যুসংবাদে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত ও স্তম্ভিত। তাঁর কথায়, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা দেশের জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দেয়। তিনি গোটা ঘটনার নিরাপত্তা দিক ও নিয়মিত নজরদারির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, সমাজমাধ্যমে তিনি এমন কিছু মন্তব্য দেখেছেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল অজিত পওয়ার বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পারেন। সেই প্রেক্ষিতে এই দুর্ঘটনা নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। দুর্ঘটনার পিছনে কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মত প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই তিনি সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টভাবে বলেন, অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার উপর তাঁর আস্থা নেই। তাঁর বক্তব্য, বহু সংস্থা টাকার কাছে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের উপরেই তাঁর ভরসা বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।প্রসঙ্গত, প্রায় তিন বছর আগে শরদ পওয়ারের সঙ্গে মতভেদে এনসিপি থেকে আলাদা হয়ে নিজের দল গড়েন অজিত পওয়ার। আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে এনসিপির ঘড়ি প্রতীকও তাঁর দখলে আসে। গত লোকসভা নির্বাচনে শরদ পওয়ারের শিবির এগিয়ে থাকলেও, বিধানসভা নির্বাচনে অজিত পওয়ারের গোষ্ঠী বড় সাফল্য পায়। এরপর থেকেই দুই এনসিপির ফের এক হওয়ার জল্পনা শুরু হয়।কয়েক মাস আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অজিত পওয়ার মুচকি হেসে বলেছিলেন, আপনার মুখে ঘি-শক্কর। সেই মন্তব্যের পর দুই শিবিরের মিলনের সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়। এমনকী শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে ও অজিত পওয়ারের মধ্যে দল সংযুক্তিকরণ নিয়ে আলোচনা চলছিল বলেও শোনা যায়। একই সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটের সঙ্গে অজিত পওয়ারের দূরত্ব বাড়ছে বলেও জল্পনা চলছিল। এই পরিস্থিতিতে অজিত পওয়ারের মৃত্যুর পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টাতেই সর্বনাশ, ১০০ ফুট উপর থেকে আছড়ে পড়ল অজিত পওয়ারের বিমান

বুধবার সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতি বিমানবন্দরে নামার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের ব্যক্তিগত বিমান। প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার পর পাইলট দ্বিতীয়বার বিমান নামানোর চেষ্টা করেন। সেই সময়ই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিমানটি ভেঙে পড়ে।ওই বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন আরও চার জন। তাঁদের মধ্যে দুজন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং দুজন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে।ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছিল, তা নিয়ে সামনে এসেছে প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রথমবার অবতরণে ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটি দ্বিতীয়বার নামার চেষ্টা করে। সেই সময় প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে খুব দ্রুত গতিতে নিচের দিকে নামতে শুরু করে বিমানটি। দেখেই মনে হচ্ছিল, বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটতে চলেছে। মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে।বিমানটি ভেঙে পড়ার পর পরই একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রবল আগুনের কারণে কেউই বিমানের কাছে পৌঁছতে পারেননি।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, যে মাঝারি মাপের চার্টার্ড বিমানে করে মুম্বই থেকে বারামতি যাচ্ছিলেন অজিত পওয়ার, সেটি ছিল লিয়ারজেট ৪৫ মডেলের বিমান। বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ভিটি-এসএসকে। বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস সংস্থার তৈরি এই বিমানটি বারামতিতে দ্বিতীয়বার অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটরেডার২৪-ও জানিয়েছে, দ্বিতীয় অবতরণের চেষ্টার সময়ই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রাইভেট প্লেন ভয়াবহভাবে বিধ্বস্ত, প্রয়াত অজিত পাওয়ার

আজ সকালে মহারাষ্ট্রের বারামতীতে খুবই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান মুম্বাই থেকে বারামতীর দিকে যাচ্ছিল, সেখানে জরুরি অবতরণ করার সময় বিমানটি ছাড়িয়ে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে ভস্মীভূত হয়। দুর্ঘটনার কারণে উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ বিমানের সাথে থাকা সকলেই মারা গেছেন।DGCA ও স্থানীয় প্রশাসনের খবর অনুযায়ী, সকাল ৮:৪০ টার সময় বারামতী বিমানবন্দরেই বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বিমানটিতে ছিল মোট ছয়জন, যার মধ্যে পাওয়ারসহ পাইলট, সহকারী পাইলট ও অন্যান্য সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং কেউই বাঁচেননি।স্থানীয় ঘটনাস্থলে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুনে ঘিরে যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। নিহতদের দেহ সংগ্রহ করে হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে, দলিলাগুলো নিশ্চিত হওয়ার পর আরও বিস্তারিত জানানো হবে।এই শোকাবহ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে গভীর শোক দেখা দিয়েছে। নেতারা এবং সাধারণ মানুষ অজিত পাওয়ারের অকাল প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

চোখের জলে ভাসলেন চিরঞ্জিত! টিকিট চাইতে আবেগঘন বার্তা তৃণমূল বিধায়কের

দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। কে টিকিট পাবেন, কে বাদ পড়বেনএই প্রশ্নে এখন উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই সময়েই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ভাষণ দিতে গিয়ে কার্যত চোখে জল চলে আসে তাঁর। বলেন, মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আবার তাঁকে টিকিট দেন, তবে সেই অসম্পূর্ণ কাজগুলো শেষ করবেনএই আশ্বাসও দেন তিনি।গত ১৫ বছর ধরে বারাসতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কিন্তু ২০২৬ সালের ভোটের আগে বারাসতে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল, তিনি আদৌ টিকিট পাবেন কি না। কারণ, রাজনীতির ময়দানে তাঁকে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায় না বলেই অভিযোগ। শাসকদলের বড় মিছিল বা আন্দোলনেও সচরাচর তাঁকে দেখা যায় না। এরই মধ্যে বারাসতের অলিগলিতে ঘুরছে নতুন নামসাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, চিকিৎসক বৈদ্যনাথ দস্তিদারের।এই জল্পনার মধ্যেও চিরঞ্জিত জানান, তাঁর ভরসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর উপরই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কা হয়তো তিনিও বুঝতে পেরেছেন, তাই আবেগে ভেসে গিয়েছেন। যদিও চিরঞ্জিত নিজে বলেন, তিনি রাজনীতি বোঝেন না, মানুষ বোঝেন। তাঁর দাবি, এত বছর মানুষের জন্য কাজ করেছেন। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, অপশাসন সরাতে কিছু আসন দরকার। তখন নেত্রীর বিশ্বাস ছিল, তিনি যেখানে দাঁড়াবেন, হারবেন না।চিরঞ্জিত এ দিন বলেন, তিনি মিছিল করতে পারেন না, স্লোগান দিতে পারেন না, চিৎকার করতেও পারেন না। কিন্তু মানুষের কাজ করতে পারেন। আক্ষেপের সুরে জানান, বারাসতে একটি অডিটোরিয়াম তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর। কিন্তু টাকার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। সেই কাজ এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সুযোগ পেলে সেটাও শেষ করতে চান তিনি।শেষে চিরঞ্জিত বলেন, নেত্রী যদি মনে করেন তাঁকে আবার থাকতে হবে, তখন সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই তিনি এগোবেন। আপাতত সব উত্তরই মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বলিউডে ভূমিকম্প! প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের, চমকে গেলেন অনুরাগীরা

তাঁর কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ আসমুদ্রহিমাচল। সেই অরিজিৎ সিংই আর ছবির জন্য গান গাইবেন নাএমন ঘোষণায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কার্যত চমকে গিয়েছেন অনুরাগীরা। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় গায়ক।নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে অরিজিৎ লেখেন, এত বছর ধরে শ্রোতা হিসেবে তাঁকে ভালোবাসার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। এরপরই তিনি জানান, এখন থেকে আর নতুন কোনও ছবিতে প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে কাজ করবেন না। এই অধ্যায় থেকে তিনি সরে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর কথায়, এই যাত্রাটা ছিল ভীষণ সুন্দর।সেই সঙ্গে তিনি আরও লেখেন, ঈশ্বর তাঁর প্রতি খুবই সদয় ছিলেন। তিনি নিজেকে ভালো সঙ্গীতের একজন ভক্ত বলেই মনে করেন। ভবিষ্যতে একজন ছোট শিল্পী হিসেবেই আরও শিখবেন, আরও কাজ করবেন। অনুরাগীদের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান তৈরি করা তিনি বন্ধ করছেন না। কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, সেগুলি শেষ করবেন। তাই এই বছর শ্রোতারা কিছু নতুন গান পেতেও পারেন।এই ঘোষণার পর থেকেই মনখারাপ অনুরাগীদের। আচমকা এমন সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। সত্যিই কি অরিজিৎ এমন ঘোষণা করলেনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল জন্ম অরিজিৎ সিংয়ের। একটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। গত বছরই পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি।২০০৫ সালে ফেম গুরুকুল-এর প্রতিযোগী হিসেবেই প্রথম নজর কাড়েন অরিজিৎ। যদিও সেই প্রতিযোগিতায় তিনি বিজয়ী হননি। কিন্তু তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মার্ডার ২ ছবিতে গাওয়া ফির মহব্বত গান দিয়েই বলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। তারপর একের পর এক সুপারহিট গান। ধীরে ধীরে বলিউডের পুরুষ প্লেব্যাক কণ্ঠ মানেই অরিজিৎএমন ধারণা গড়ে ওঠে।মাত্র ৩৮ বছর বয়স অরিজিতের। এখনও চল্লিশ পেরোননি। সকলেরই ধারণা ছিল, সামনে তাঁর আরও দীর্ঘ সোনালি পথ পড়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা প্লেব্যাক থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তিনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন, ছবিতে গান গাইবেন না ঠিকই, কিন্তু তাঁর সঙ্গীতচর্চা থামছে না। অন্যভাবে তিনি গান নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন।তাহলে কি অন্য কোনও বড় পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছেন অরিজিৎ? সেই উত্তর আপাতত সময়ই দেবে। তবে আপাতত তাঁর অনুরাগীদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্নকেন হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নিলেন বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ?

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পদ্মশ্রী পেলেন প্রসেনজিৎ! চার দশকের লড়াইয়ের শেষে জাতীয় স্বীকৃতি বাংলার মহাতারকার

পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হলেন বাংলা সিনেমার অন্যতম আইকন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই তালিকায় পদ্মশ্রী বিভাগে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলার এই জনপ্রিয় অভিনেতা। ঠিক সরস্বতীপুজোর আগের দিনই মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ছবি বিজয়নগরের হীরে। চার বছর পর বড়পর্দায় ফিরেছেন কাকাবাবু। তবে শুধু একটি ছবির জন্য নয়, দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সিনেমায় তাঁর অবদানকেই স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র।১৯৬৮ সালে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তখন তিনি শিশু শিল্পী। বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। নায়ক হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ১৯৮৩ সালে দুটি পাতা ছবির মাধ্যমে। এরপর থেকেই একটানা এগিয়েছে তাঁর অভিনয়জীবন। একের পর এক জনপ্রিয় ছবি, বিপুল দর্শকপ্রিয়তা এবং রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশজুড়ে পরিচিতিসব মিলিয়ে দীর্ঘ পথচলা তাঁর।প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অবদান শুধু ভালো অভিনয় বা সফল ছবিতে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁর ভূমিকা নানা ভাবে ব্যাখ্যা করেন সিনেপ্রেমীরা। অনেকের মতে, যখন শহরের দর্শক বিকল্প ধারার সিনেমার দিকে ঝুঁকছিলেন, তখন গ্রামবাংলার দর্শকদের জন্য বাণিজ্যিক ছবির ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছিলেন প্রসেনজিৎ। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারে সাড়ে তিনশোরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। কখনও থেকেছেন মূলধারার নায়ক হিসেবে, আবার কখনও নিজেকে ভেঙে নতুন ধরনের চরিত্রেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।বর্তমানে বাংলা সিনেমা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলেন, ওয়েব সিরিজ, হিন্দি ওটিটি এবং বিকল্প ধারার সিনেমার ভিড়ে বাংলা সিনেমা দর্শক হারাচ্ছে। কিন্তু প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বিজয়নগরের হীরে সেই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে। শুধু কলকাতাই নয়, বলিউডের মাল্টিপ্লেক্সেও ভালো ব্যবসা করছে কাকাবাবু। বাংলা সিনেমা যে এখনও দর্শক টানতে পারে, তারই প্রমাণ দিচ্ছে এই ছবি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী পদ্মশিবিরের পথে? তৃণমূলের জনপ্রিয় ছাত্র নেত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরে জোর জল্পনা

এক সময় যাঁর কণ্ঠে তৃণমূলের স্লোগান মুখরিত হয়েছে ব্রিগেডের মঞ্চ, যাঁকে দেখা গিয়েছে রাজ্য শাসক দলের ভিআইপি প্রচারক হিসেবে, সেই ডাকসাইটে তৃণমূল ছাত্র নেত্রী রাজন্যা হালদারকে ঘিরে এখন রাজনীতির ময়দানে তুমুল জল্পনা। প্রশ্ন উঠছেতবে কি তৃণমূল থেকে সরে বিজেপির দিকে পা বাড়াচ্ছেন তিনি?সম্প্রতি রাজন্যার সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত দুটি পোস্ট এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, একসময় তিনি তমলুকে প্রচার করলেও মানুষ জ্ঞান, শিক্ষা ও ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিয়েছেন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন। সেই সূত্রেই তাঁর সাক্ষাৎ হয় তমলুকের বিজেপি সাংসদ, প্রাক্তন বিচারক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর সঙ্গে। সেখানে রাজন্যা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তাঁদের লড়াই কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বরং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব সমস্যার বিরুদ্ধে সংগ্রাম।এই বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও একটি বড় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। একসময় ২১শে জুলাই ব্রিগেডের মঞ্চে রাজন্যার কণ্ঠে শোনা গিয়েছিলजुल्मी जब जब जुल्म करेगा सत्ता के गलियारों से, चप्पा चप्पा गूंज उठेगा ममता दी के नारों से!এই স্লোগান ছাত্র-যুব সমাজে সাড়া ফেলেছিল। গত লোকসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি ছিলেন তৃণমূলের ভিআইপি প্রচারক। একাধিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়এর খুব কাছাকাছি।কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করে। আর জি কর চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রাজন্যার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বক্তব্যে রাজ্য সরকার ও তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তাঁর কড়া সমালোচনা নজরে আসে রাজনৈতিক মহলের। এই অবস্থান বদলের মাঝেই সরস্বতী পুজোর আগের দিন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়এর বাড়িতে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক মহলে দুইয়ে দুইয়ে চারজল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি রাজন্যা হালদারের বিজেপিতে যোগদান শুধুই সময়ের অপেক্ষা? তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের একসময়কার পরিচিত মুখের এমন অবস্থান পরিবর্তন রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।যদিও এখনও পর্যন্ত রাজন্যা হালদার প্রকাশ্যে দলত্যাগের কোনো ঘোষণা করেননি, তবে তাঁর সামাজিক মাধ্যমের বক্তব্য, রাজনৈতিক অবস্থান এবং বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এই জল্পনাকে আরও জোরালো করছে। রাজ্য রাজনীতিতে ছাত্র-যুব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত রাজন্যার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
কলকাতা

রঞ্জিত মল্লিককে জড়িয়ে ধরলেন অভিষেক, ক্যামেরার সামনে আবেগঘন মুহূর্ত

বর্ষীয়ান অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে ভবানীপুরে অভিনেতার বাড়িতে যান তিনি। প্রায় দুঘণ্টা সেখানে ছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক জানান, এই সাক্ষাতে কোনও রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ছোটবেলায় তাঁর দেখা প্রথম সিনেমার নাম ছিল গুরুদক্ষিণা, যেখানে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। অভিষেক আরও বলেন, অভিনেতার অধিকাংশ ছবি তাঁর জন্মের আগেই মুক্তি পেয়েছিল। ১৯৯২ সালে প্রয়াত কালী বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।অভিষেক জানান, এদিন তিনি রাজনীতির কথা বলতে যাননি। তবে কেন্দ্র কীভাবে রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে এবং গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার কীভাবে কাজ করেছে, সে কথাগুলি রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তিনি তুলে ধরেন।সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি এগিয়ে এসে অভিষেককে জড়িয়ে ধরে বলেন, ওকে আমার খুব ভাল লাগে। খুব ভাল লাগে। এটুকুই বলব। অভিনেতার এই মন্তব্যে মুহূর্তটি আবেগঘন হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, উন্নয়নের পাঁচালি নামে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রচার কর্মসূচির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। এই প্রচারে গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথীর মতো প্রকল্পগুলির কথা লোককথার ঢঙে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামের মহিলাদের কাছে সহজ ভাষায় সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

লাইভ মঞ্চে লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত, ওসির ভূমিকা নিয়েও তদন্ত

লাইভ পারফরম্যান্স চলাকালীন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক মহল। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে একটি বেসরকারি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করতে গিয়ে এই ঘটনার মুখে পড়েন তিনি। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যার নাম তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায় ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুল প্রাঙ্গণে। অভিযোগ অনুযায়ী, লগ্নজিতা চক্রবর্তী যখন জাগো মা গানটি পরিবেশন করছিলেন, তখন অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা ও ওই স্কুলের মালিক মেহবুব মল্লিক আচমকাই মঞ্চে উঠে আসেন। শিল্পীর অভিযোগ, তিনি গালিগালাজ করেন এবং চিৎকার করে বলেন, অনেক হয়েছে জাগো মা, এবার কিছু সেকুলার গান গাও। পাশাপাশি মারধরের হুমকি ও শারীরিকভাবে আক্রমণের চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ।পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অনুষ্ঠান কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে লগ্নজিতা চক্রবর্তী ভগবানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, প্রথমে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর মামলা রুজু হয় এবং অভিযুক্ত মেহবুব মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়।পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ভগবানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং আরও এক পুলিশকর্মীর ভূমিকা নিয়েও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের গাফিলতির প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তীব্র হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা অভিযোগ করেন, একজন শিল্পী কি গান গাইবেন, সেটাও শাসক দলের লোক ঠিক করে দিচ্ছে। এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি আরও দাবি করেন, পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।লাইভ মঞ্চে একজন শিল্পীর গান বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা এই প্রশ্ন এখন আর শুধু ব্যক্তিগত অভিযোগে সীমাবদ্ধ নয়। সাংস্কৃতিক পরিসরে মতপ্রকাশের অধিকার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব সব মিলিয়ে এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি: ইডির জালে এবার মন্ত্রীর মেয়ে! জানুন কী কী প্রশ্ন ঝুলছে

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তের গতিবেগ আরও তীব্র করল ইডি। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর মেয়ে মোহিনী বসু মঙ্গলবার দুপুরে সল্টলেকের ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবীও। ঠিক তার আগের দিনই সুজিত বসুর জামাইকে কয়েক ঘণ্টা জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে আজ মোহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ঘিরে তৈরি হয় বিশেষ আগ্রহ।এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই কলকাতার নানা জায়গায় অভিযান চালিয়েছে। তল্লাশি চলে মন্ত্রী সুজিত বসুর সল্টলেকের বাড়িতে, তাঁর অফিসে এবং তাঁর ছেলের রেস্তরাঁতেও। এই দীর্ঘ তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নগদও পায় ইডি। তার পর থেকেই তদন্তের ফোকাস পরিবারে কার কী ভূমিকায় পড়েছে সেই দিকেও ঘুরে যায়।গত সপ্তাহেই মন্ত্রীর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাকে তলব করে পাঠায় ইডি। তাঁদের সবার কাছে চাওয়া হয়েছিল ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি, ঋণের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেনের ডকুমেন্টস। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার দুপুরে ইডির দপ্তরে হাজির হন মোহিনী বসু। তাঁর সঙ্গে বেশ কিছু নথিও ছিল বলে সূত্রের দাবি।হাজিরা দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি। প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেই ইডি সূত্রে খবর। তদন্তকারীদের দাবিপুর নিয়োগ দুর্নীতি থেকে যে টাকা উঠেছিল, তা কোথায় কোথায় বিনিয়োগ হয়েছে, কোন কোন ব্যবসায় ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষত হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায় কোনও অর্থ ঢুকেছে কি নাতা খতিয়ে দেখতেই মন্ত্রীকন্যাকে তলব করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থেই তাঁর সঙ্গে থাকা নথিগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ইডি মনে করছে, এই দুর্নীতির টাকায় একাধিক লেনদেন হয়েছে, এবং পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টে তার ছাপ থাকতে পারে। তাই তদন্তে এই জিজ্ঞাসাবাদকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
রাজ্য

অরিজিৎ সিং বর্ধমানে? শুটিংয়ের জায়গা খুঁজতে গেলেন বাংলা সিনেমার গ্রামে

মঙ্গলবার ঠিক সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ অরিজিৎ সিং এলেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের মৌখিড়া জমিদার বাড়ির কাছে। ঘুরে দেখলেন জেলার একমাত্র জঙ্গল মহলের কালিকাপুর রাজবাড়িও। ছবি তুললেন রাজবাড়ির পুরোহিত পিগলু ওরফে গোপাল চক্রবর্তীর সঙ্গে। তাকে নিরাপত্তাহীন জঙ্গলের বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরতে দেখে অবাক হন অনেকে। শোনা যায় সম্প্রতি অরিজিৎ সিং বোলপুরে এসেছেন এবার এলেন আউশগ্রামে হঠাৎই। জনপ্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিং একটি নতুন ছবির শুটিংয়ের জন্য রেকি করতে এসেছেন বলে জানান চিত্রনাট্যকার, লেখক, আউশগ্রামের ভূমিপুত্র রাধামাধব মণ্ডল। তিনি আরও জানান, যে তিনি ইলামবাজার সংলগ্ন অঞ্চলে শুটিংয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গা খুঁজছেন বেশ কয়েক দিন ধরেই। তাঁকে এদিন হঠাৎ করে আউশগ্রামের রাস্তায় দেখেই চমকে ওঠেন সকলে। যদিও তাঁর আশার বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ গোপনীয়।

জুন ২৬, ২০২৫
রাজ্য

বিধাননগরে রঙের উৎসবে একই মঞ্চে হাজির সুজিত বসু ও সব্যসাচী দত্ত

ব্যক্তিগত দূরত্ব সরিয়ে রঙের খেলায় এক মঞ্চে হাজির হলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু ও বিধাননগরের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। একসঙ্গে গানের তালে কিছুটা নাচেন দুজনে। আবিরও মাখেন তাঁরা।শুক্রবার দোলের দিন সকালে করুণাময়ী মেলা প্রাঙ্গণে রঙের উৎসবের আয়োজন করা হয়। গানে গানে রঙের খেলায় মেতে ওঠে ছোট বড় সকলে। করুণাময়ী মেলা মাঠে একই সময়ে উপস্থিত হন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং বিধান লনগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। একসঙ্গে দুজনে মঞ্চে। গানের তালে বেশ কিছুটা নাচের প্রচেষ্টা তাদের। বেশ অনেকটা সময় একসঙ্গেই মঞ্চে থাকেন তাঁরা। রাজনৈতিক মহলে তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত দূরত্বের জল্পনা শোনা গেলেও এদিনের মঞ্চে একেবারেই ভিন্ন চিত্র ধরা পড়ে।

মার্চ ১৪, ২০২৫
রাজনীতি

মমতার দল ছেড়ে ফের হাত ধরলেন প্রণবপুত্র অভিজিৎ, জল্পনা চলছিলই দলবদলের

গত ২০২৪ সাল থেকে জল্পনা চলছিল কংগ্রেসে ফিরতে চলেছেন জঙ্গীপুরের প্রাক্তন সাংসদ। অবশেষে বুধবার কংগ্রেসে ফিরলেন প্রণবপুত্র প্রাক্তন সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। এই ফিরে আসা অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন, এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক গুলাম আহমেদ মীর, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, পশ্চিমবঙ্গর পর্যবেক্ষক এআইসিসির সম্পাদক আসফ আলি খান, প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র অভিজিৎ। কিন্তু তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর রাজনীতিতে একেবারেই সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়নি প্রাক্তন সাংসদকে। এদিন রাজ্য কংগ্রেস দফতরে এক অনুষ্ঠানে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ফের ফিরে আসেন পুরনো দলে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫
রাজনীতি

প্রকাশ্যে বাগযুদ্ধ জড়ালেন বাবুল সুপ্রিয় ও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, যানজটে জেরবার দ্বিতীয় হুগলি সেতু

সাধারণের সামনে প্রকাশ্যে রাস্তায় রীতিমতো তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের মন্ত্রী বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় এবং বিজেপির তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর অভিযোগ, পিছনের দিক থেকে যাচ্ছিল বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের গাড়ি। গাড়িটি একনাগাড়ে হর্ন দিচ্ছিল ও দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। বাবুল গাড়ি থেকে মুখ বের করে আপত্তি জানান। এরপরেই গাড়ি থামিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাকে কটু কথা বলতে শুরু করে দেন বলে দাবি বাবুল সুপ্রিয়র। শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে বচসার এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে এই ঘটনা ঘটে। হাওড়ার দিকে যাচ্ছিলেন অভিজিৎ। ওই একই সময়ে বাবুলও দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে যাচ্ছিলেন। রাজ্যের মন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদের মধ্যে ঝামেলায় যানজট তৈরি হয় দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে। বাবুলের দাবি, নিয়ম ভেঙে বেপরোয়া গতিতে ছুটছিল অভিজিতের গাড়ি। প্রতিবাদ জানানোয় গাড়ি থেকেই অভিজিৎ অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে দেন বলে অভিযোগ করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন বাবুল সুপ্রিয়। অভিজিতের নিরাপত্তারক্ষীরা বাবুলকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।মন্ত্রী ও সাংসদের বচসার সময় ভিড় জমে যায় দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে। তবে বিজেপি সাংসদকে বার বার গাড়ি থেকে নামতে বলেন বাবুল, তবু তিনি গাড়িতে বসেছিলেন। বাবুলও বলে চলেন, ক্ষমা না চাইলে অভিজিতের গাড়ি যেতে দেবেন না। বাবুল জানান, কানের কাছে লাগাতার সাইরেন বাজাচ্ছিল অভিজিতবাবুর গাড়ি। গোটা রাস্তা স্কুটার, বাইক দেখে তীব্র হর্ন বাজাতে বাজাতে যাচ্ছিল অভিজিতের গাড়ি। এক মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনা হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির লোকসভার প্রার্থীই দল বিরোধী কাজে অভিযুক্ত! সাময়িক বরখাস্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস তথা ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দলের অভ্য়ন্তরেই। দল বিরোধী অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রাজ্য় বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতির নির্দেশ এই পত্র দিয়েছেন। আগামী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দল অভিজিৎ দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে।মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় অত্য়াচারিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিয় দল। মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর যাওয়ার পথে আমতলা দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি দল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কথা বলতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানাতে থাকে, তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপির ঘরছাড়ারা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা শুনতে হবে। যদিও তাঁরা সেখানে যাননি। বারুইপুর দলীয় কার্যালয়ে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি একাধিক অভিযোগ এনেছে। মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকা, ভোট পরবর্তী হামলায় আক্রান্তদের সেই বৈঠকে যেতে না দেওয়া, কর্মীদের দ্বারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঘেরাও, অনৈতিক মন্তব্য়, বিজেপির ডায়মন্ড হারবার জেলা কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা- এই সব ঘটনার পিছনে অভিজিতের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে। চিঠিতেবলা হয়েছে, আপনি দলের কার্যকর্তা সেই কথা মাথায় রেখে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও দলের করাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে ৭ দিনের মধ্যে দলবিরেোধী কার্যকলাপের কারণ দর্শাতে হবে। আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করেছে দল। চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজ্য

কুয়েতের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে কফিনবন্দি দেহ ফিরল বাঙালির, শেষশ্রদ্ধা সুজিত বসু, অগ্নিমিত্রা পলের

ভারতীয় বায়ু সেনার বিশেষ বিমানে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছল কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে মৃত মেদিনীপুরের বাসিন্দা দ্বারিকেশ পট্টনায়কের (৫২) কফিনবন্দি দেহ। গত বুধবার কুয়েতের বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মরদেহ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, উপস্থিত ছিলেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল।ওই দুর্ঘটনায় মৃত ৪৯ জনের মধ্যে ৪৫ জনই ভারতীয়। শুক্রবার ভোরে বায়ুসেনার একটি বিমানে কুয়েত থেকে কেরল হয়ে দেহগুলি নিয়ে আসা হয় দিল্লিতে। নিহত ভারতীয়দের মধ্যে ২৩ জন কেরল, ৭ জন তামিলনা়ড়ু, ৩ জন উত্তরপ্রদেশ, ২ জন ওড়িশার বাসিন্দা। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, পঞ্জাব, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড এবং হরিয়ানার একজন করে বাসিন্দা রয়েছেন। জানা গেছে, দ্বারিকেশের আদি বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন ২ ব্লকের তুরকাগড় এলাকায় হলেও দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর পরিবার রয়েছে মেদিনীপুর শহরের শরৎপল্লী এলাকায়।ঘুমের মধ্যেই মর্মান্তিক পরিণতি অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু-৪৯, নিহতদের মধ্যে ৪৫ জন ভারতীয় বলে জানা গেছে। মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগী ছিল কেন্দ্র। গত বুধবার রাতেই বিদেশ মন্ত্রী জয় শঙ্কর কুয়েতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। নিহতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে কুয়েতে পৌঁছেছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। কুয়েতের এক বহুতলে বিধ্বংসী আগুন লেগে মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জন ভারতীয় এছাড়াও পাকিস্তান, ফিলিপিনস, মিশর এবং নেপালের নাগরিক ছিল। বুধবার ভোরে কুয়েতের মাঙ্গাস এলাকায় একটি আবাসনে বিধ্বংসী আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল ওই বহু তলে ১৯৫ জন শ্রমিক ছিল। রান্নাঘর থেকে আগুন লাগে তারপরে সেই আগুন গোটা ঘরের ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জন ভারতীয় শ্রমিকের। তাদের মধ্যে ২৩ জন কেরলের বাসিন্দা, সাতজন তামিলনাড়ুর বাসিন্দা, অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, হরিয়ানা, ঝাড়খন্ড, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাবের একজন করে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

জুন ১৫, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রে রহস্য! গুরুতর আহত নতুন সর্বোচ্চ নেতা, নাকি গোপন রাখা হচ্ছে সত্য

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাঁর বাবা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পরই তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বার্তা প্রকাশ পেলেও তিনি নিজে কোথাও প্রকাশ্যে দেখা দেননি।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে তাঁর প্রথম বক্তব্য প্রচার করা হয়। তবে সেই বার্তাটি একটি সংবাদপাঠক পড়ে শোনান। খামেনেই নিজে ক্যামেরার সামনে আসেননি। কেন তিনি প্রকাশ্যে আসেননি, সে বিষয়ে ইরানের সরকারি মাধ্যম কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি। এরই মধ্যে নানা মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে যুদ্ধের প্রথম হামলাতেই তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।ছাপ্পান্ন বছর বয়সী এই নতুন আয়াতোল্লা তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি তাঁর নিহত বাবার নীতিই অনুসরণ করবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলিকে দ্রুত ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক বিমান হামলায় নিহতদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা ধরনের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম ধাক্কায় তিনি আহত হয়েছিলেন। সেই হামলাতেই তাঁর বাবা, মা, স্ত্রী, বোন ও ভাইঝির মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাঁকে রমজানের যোদ্ধা বলে উল্লেখ করেছে। সাধারণত দেশের জন্য লড়াই করতে গিয়ে আহত হওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্টেও তাঁর আঘাত পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি তুলনামূলকভাবে হালকা আহত হয়েছেন। অন্য একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর পায়ে চোট লেগেছে, চোখের পাশে আঘাত রয়েছে এবং মুখেও সামান্য ক্ষত রয়েছে।তবে একটি বিদেশি সংবাদপত্রে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তিনি নাকি এখন কোমায় রয়েছেন এবং হামলায় তাঁর একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁর যকৃত ও পেটেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাঁর প্রথম বার্তা প্রকাশ করা হয়েছিল মূলত তাঁর শারীরিক অবস্থা আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে। জানা গিয়েছে, রাজধানীর একটি ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তাঁর চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের একটি অংশ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ রেজা জাফারঘান্দি তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে রয়েছেন। সূত্রের দাবি, হামলায় তাঁর একটি পা হারাতে হয়েছে এবং শরীরের ভেতরের অঙ্গেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে নানা ধরনের জল্পনা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বও ছড়াতে শুরু করেছে। কেউ কেউ বলছেন, দেশটি নাকি এখন এক অদৃশ্য আয়াতোল্লার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বার্তাটি তিনিই লিখেছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
বিদেশ

আমেরিকার যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের! সত্যিই কি পিছু হটল শক্তিশালী রণতরী

আরব সাগর ও ওমান সাগর সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আমেরিকার একটি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, যুদ্ধজাহাজটি এখনও স্বাভাবিক ভাবেই অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবিভাগ জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীতে আঘাত করেছে। তাদের দাবি, সেই আঘাতে যুদ্ধজাহাজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং উপসাগরীয় এলাকা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।ইরানের তরফে আরও বলা হয়েছে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে একটি নির্ভুল সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। ইরানের সমুদ্রসীমা থেকে প্রায় তিনশো চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ওমান সাগরে এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর আমেরিকার ওই যুদ্ধজাহাজ ও তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য জাহাজ দ্রুত গতিতে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগেও ইরান দাবি করেছিল যে তারা এই যুদ্ধজাহাজে আঘাত করেছে। কিন্তু তখন মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছিল, সেই ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধজাহাজের কাছেও পৌঁছতে পারেনি।ইরানের এই দাবি প্রকাশ্যে আসার পরই যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি খারিজ করে দেয়। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে যুদ্ধজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, ওই রণতরী এবং তার সঙ্গে থাকা নৌবহর এখনও সমুদ্র থেকে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।এই উত্তেজনার মধ্যেই সমুদ্রে আরও একটি ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ইরানি জাহাজ আমেরিকার বিমানবাহী রণতরীর খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন মার্কিন বাহিনী গুলি চালায় বলে জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ বড় আকারের কামান ব্যবহার করে ওই ইরানি জাহাজের দিকে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। তবে ঠিক কোন জাহাজ থেকে গুলি চালানো হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। গুলিগুলি সতর্কবার্তা হিসেবে ছোড়া হয়েছিল কি না, সেটাও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই গুলি একাধিকবার ইরানি জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হলেও কোনওটিই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ইরানের ওই জাহাজটির বর্তমান অবস্থাও এখনও পরিষ্কার নয়।পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সেখানে একাধিক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ বিমান অভিযান শুরু হওয়ার পর দুটি বড় বিমানবাহী রণতরী ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।এই মুহূর্তে অঞ্চলে আমেরিকার দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে। তাদের সঙ্গে একাধিক বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজও কাজ করছে। এর মধ্যে কয়েকটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজও রয়েছে, যেগুলি ওই সমুদ্র এলাকায় নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযান পরিচালনায় অংশ নিচ্ছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হলে মহিলাদের চাকরি দেবে না সংস্থা! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হওয়া এক মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বলেন, যদি ঋতুকালীন ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে অনেক সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে চাইবে না। এই কারণ দেখিয়েই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা সবার জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। তিনি উদাহরণ হিসেবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন। দুই হাজার তেরো সালে রাজ্যের অধীনস্থ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য ঋতুকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিছু বেসরকারি সংস্থাও কর্মীদের জন্য এই ধরনের ছুটি চালু করেছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।আবেদনকারীর দাবি ছিল, সব রাজ্যেই যেন এই ধরনের ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই উদ্দেশ্যেই শীর্ষ আদালতে এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল।তবে প্রধান বিচারপতি এই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হলে তার উল্টো প্রভাবও পড়তে পারে। তাঁর মতে, এতে অনেক মহিলার মনে হতে পারে যে তাঁরা পুরুষদের তুলনায় পিছিয়ে। একই সঙ্গে অনেক সংস্থা তখন মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারে।প্রধান বিচারপতির কথায়, ঋতুস্রাব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু যদি আইন করে এই ছুটি বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে কিছু নিয়োগকারী সংস্থা মনে করতে পারে যে মহিলাদের কাজের ক্ষেত্রে আলাদা সমস্যা রয়েছে। সেই কারণ দেখিয়ে তারা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।তিনি আরও বলেন, কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কর্মীদের ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হলে তা অনেক সময় মহিলাদের কর্মজীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যেই এই ধরনের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। কর্নাটকে গত বছর একটি আইন পাশ হয়েছে, যেখানে মহিলা কর্মীরা মাসে এক দিন সবেতন ঋতুকালীন ছুটি পাবেন। বিহারে আবার উনিশশো বিরানব্বই সাল থেকেই মাসে দুদিন ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু রয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালে ওড়িশা সরকারও মহিলা কর্মীদের জন্য মাসে এক দিন ঋতুকালীন ছুটিতে সম্মতি জানিয়েছিল।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চাইছে তৃণমূল, কিন্তু মিলছে না সময়! কেন তৈরি হচ্ছে নতুন জল্পনা

রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তুলে ধরতে চায় তৃণমূল। সেই কারণে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছে দলের সাংসদরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সময় পাওয়া যায়নি। এই বিষয়টি ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য সরকার কী কী কাজ করেছে, তার একটি খতিয়ান রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন দলের সাংসদরা। সেই উদ্দেশ্যে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত এই বৈঠকের জন্য সময় দেওয়া সম্ভব নয়।এর পরেই আবার নতুন করে চিঠি পাঠিয়েছে তৃণমূল। দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন দলের সাংসদরা। জানা গিয়েছে, ওই চিঠিতে বারো থেকে পনেরো জনের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সেই আবেদন নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকে কোনও উত্তর আসেনি।দলীয় সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে আবারও একটি চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি হবে তৃতীয় চিঠি। সেখানে দলের পক্ষ থেকে নিজেদের অবস্থান এবং এই সাক্ষাতের প্রয়োজনীয়তার কথা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হতে পারে।এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। গত শনিবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।শিলিগুড়ির বিধাননগরে তাঁর একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। পরে নিরাপত্তার কারণে সেই অনুষ্ঠানস্থল বদলে দেওয়া হয়। বাগডোগরার কাছে গোঁসাইপুরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাষ্ট্রপতি নিজেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।পরে বিধাননগরে পৌঁছে তিনি বলেছিলেন, তিনি ওই এলাকাতেই সভা করতে চেয়েছিলেন এবং সেখানে পর্যাপ্ত জায়গাও ছিল। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার সেখানে সভা করার অনুমতি দিল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের ছোট বোন বলে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তাই সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।এই মন্তব্য ঘিরেই পরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরব হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রের একাধিক নেতা-মন্ত্রীও।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি! সংসদে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট

নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে সংসদে প্রস্তাব জমা দিতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এই প্রস্তাব আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।সূত্রের খবর, লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ইতিমধ্যেই অন্তত একশো তিরানব্বই জন সাংসদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে লোকসভায় একশো তিরিশ জন এবং রাজ্যসভায় তেষট্টি জন সাংসদ রয়েছেন। এই স্বাক্ষর জোগাড়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে বলেই দাবি বিরোধী শিবিরের।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাধা তৈরি করা এবং বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ।তৃণমূলের এক বর্ষীয়ান নেতার দাবি, সংসদের দুই কক্ষেই বহু সাংসদের মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই প্রস্তাবে স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজ দ্রুত এগিয়েছে।আইন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতিকে অপসারণের যে প্রক্রিয়া রয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও প্রায় একই নিয়ম প্রযোজ্য। তবে এর আগে কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এ ধরনের উদ্যোগ এতদূর এগোয়নি। সেই কারণেই তৃণমূল অত্যন্ত সতর্ক ভাবে এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী এই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হবে। এরপর লোকসভার স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ঠিক করবেন প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হবে কি না। যদি প্রস্তাবটি গৃহীত হয়, তবে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হবে।এই কমিটি অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখবে। কমিটির অনুমোদন মিললে বিষয়টি আবার সংসদে তোলা হবে এবং তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আলোচনার পরে প্রস্তাবটি নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।তবে পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ এবং জটিল। এতে বিপুল সংখ্যক সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সমর্থন জোগাড় করাই বিরোধীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

গ্যাস আতঙ্কে বড় সিদ্ধান্ত! ফের রেশন দোকানে কেরোসিন দেওয়ার অনুমতি কেন্দ্রের

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস নিয়ে উদ্বেগের আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। এবার থেকে আবার রেশন দোকানেই কেরোসিন তেল পাওয়া যাবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে রান্নার গ্যাস নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় কেরোসিনের গণবণ্টনে সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।দুই হাজার বাইশ সাল থেকে রেশন দোকানে কেরোসিন তেল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্র। পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখেই কেরোসিনের গণবণ্টন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার জেরেই আবার কেরোসিন বিতরণের অনুমতি দেওয়া হল।এই সিদ্ধান্তের আগে রেশন ডিলারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর কাছে চিঠি পাঠানো হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই কেরোসিনের গণবণ্টনে ফের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন রেশন দোকানে কেরোসিন তেল বিতরণ শুরু হতে পারে। জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে এই অনুমতি স্থায়ী নয়। আপাতত সাময়িক ভাবে কেরোসিন বণ্টনের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র।কত দিন এই ব্যবস্থা চালু থাকবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেশন ডিলার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের জন্য চার হাজার একশো কিলোলিটার কেরোসিন তেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের কাছে এই পরিমাণ তেল সংগ্রহ করার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে এই তেল সংগ্রহ করতে হবে। এরপর রেশন ডিলারদের মাধ্যমেই তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে রেশন ডিলাররা খুশি হলেও তাঁদের আরও দাবি রয়েছে। তাঁদের মতে, এই সাময়িক অনুমতিকে স্থায়ী করে দেওয়া উচিত। কারণ রান্নার গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।রেশন ডিলার সংগঠনের বক্তব্য, গ্যাসের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে অনেক মানুষের পক্ষে রান্নার গ্যাস ব্যবহার করা কঠিন হয়ে উঠছে। তাই কেরোসিনের এই বণ্টন ব্যবস্থা যেন আবার বন্ধ না করা হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা মমতার! ‘ভয় পাবেন না’, প্রশাসনকে সরাসরি আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে এখনও বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়নি। তার আগেই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা বাড়াতে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ভয় না পেয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে।সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে নির্বাচন সামনে আসায় নানা ভাবে চাপ তৈরি করার চেষ্টা হতে পারে। তিনি প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। সবাই যেন নিজের কাজ সঠিক ভাবে করে যান। তাঁর কথায়, নির্বাচন আসছে বলেই এখন অনেক বেশি চাপ ও ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হবে।বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সাম্প্রতিক সফরের কথাও উঠে আসে। গত সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে এসে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। সেই বৈঠকে ভোটকে কেন্দ্র করে আরও সতর্ক ও সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল প্রশাসনিক আধিকারিকদের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সেই বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দেন।এর পরেই রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, সেখানে তিনি বলেন যে ফুল বেঞ্চের বৈঠকে কী হয়েছে তা তিনি শুনেছেন। তবে প্রশাসনের কাউকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি আধিকারিকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, সবাই যেন নিজের দায়িত্ব ঠিক মতো পালন করেন।এই বৈঠকেই রাজ্যে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাইরে থেকে লোক এনে বাংলায় ঢোকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনকে বিশেষ ভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর কাছে এমন খবর রয়েছে যে এখন থেকেই বাইরে থেকে লোক বাংলায় ঢুকছে এবং তাঁদের ঢোকানো হচ্ছে। তাই প্রশাসনকে তিনি নির্দেশ দেন বিষয়টি নিয়ে কড়া নজরদারি চালাতে। প্রয়োজনে হোটেলগুলিতে অভিযান চালানো, নাকা তল্লাশি করা এবং বাইরের লোকের চলাচলের উপর নজর রাখার কথাও তিনি বলেন।এছাড়াও রাজ্যে চলতে থাকা জ্বালানি সংক্রান্ত আতঙ্ক নিয়েও প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নোডাল আধিকারিক নিয়োগ করে চব্বিশ ঘণ্টা সক্রিয় থাকবে এমন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি এবং ছাত্রাবাসে জ্বালানি পরিষেবা যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর বার্তাও দিয়েছেন।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! প্রতিটি কেন্দ্রে বসছে আলাদা নজরদার, নজিরবিহীন পদক্ষেপ কমিশনের

রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, দুই হাজার ছাব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নজিরবিহীন পরিকল্পনা করেছে কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এ বার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার ভাবনা চলছে।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজ্যে মোট একশো ষাট জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ছিলেন। সে ক্ষেত্রে এক জন আধিকারিককে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব সামলাতে হয়েছিল। কিন্তু এ বার সেই ব্যবস্থা বদলাতে পারে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য আলাদা পর্যবেক্ষক থাকলে নজরদারি আরও শক্ত হবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।শুধু সাধারণ পর্যবেক্ষকই নয়, ভোটের খরচের হিসেব দেখার জন্য ব্যয় পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও এ বার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও।গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট সাতত্রিশ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু এ বার সেই সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। সূত্রের খবর, জেলা বা মহকুমা ভিত্তিক নিয়োগের বদলে নির্দিষ্ট এলাকা বা বিধানসভা কেন্দ্র ধরে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে। এমনকী কিছু স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এক জনের বেশি পুলিশ পর্যবেক্ষকও থাকতে পারেন।কমিশনের এই সূক্ষ্ম পরিকল্পনা থেকেই স্পষ্ট, ভোটের সময় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। তালিকায় ন্যূনতম পদমর্যাদা হিসেবে মহকুমা শাসক স্তরের আধিকারিকদের রাখা হয়েছে। যদিও সিনিয়র পদমর্যাদার আধিকারিকও থাকতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে নিচের স্তর হিসেবে মহকুমা শাসক পদই নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এতদিন ডিএমডিসি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেতেন। কিন্তু নতুন নির্দেশিকায় সেই পদমর্যাদার কাউকে রাখা হয়নি। যাঁদের নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সকলেই তুলনামূলক ভাবে সিনিয়র আধিকারিক বলে জানা গেছে।

মার্চ ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal