• ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jhargram

রাজ্য

প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম প্রয়াত

প্রয়াত প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম। শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি, ভুগছিলেন কিডনির অসুখে। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন সাংসদ। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ৬২ বছর বয়সি কুনার হেমব্রম ২০১৯ সালে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর টিকিট দেয়নি বিজেপি। ফলে দল ছেড়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই যোগদান নিয়ে বলেছিলেন, ভেবেচিন্তেই দল বদল করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের প্রশংসা করে তাঁর এও বক্তব্য ছিল, জঙ্গলমহলে রাজ্য সরকার যা কাজ করেছে, যে উন্নয়ন করেছে তার তুলনা হয় না। সেই কুনার শনিবার চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজনীতি

শুভেন্দু গড়ে জনসভায় গড়হাজির, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকে মোদীর নিশানায় তৃণমূল

প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাহত হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি। কাঁথি এবং তমলুকের সভা তাঁকে সারতে হল ঝাড়গ্রাম থেকেই। সোমবার ঝাড়গ্রামে ছিল মোদীর দ্বিতীয় জনসভা। আবহাওয়াজনিত কারণে, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকেই তিনি কাঁথি এবং তমলুকের প্রার্থীদের হয়ে ভাষণ দেন।এক সভা থেকে অন্য সভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী কপ্টারে করে পৌঁছন। কিন্তু, তাঁর কপ্টার ছাড়ার অনুমতি রক্ষীরা দেননি। তার কারণ, পুরোপুরি আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ। সোমবারই প্রধানমন্ত্রীর তমলুকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল। পাশাপাশি যাওয়ার কথা ছিল কাঁথির বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর হলদিয়ার সভায়। কিন্তু, সেখানে পৌঁছতে না পেরে ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর সভামঞ্চ থেকেই তিনি বাকি দুটি সভার কাজ সারেন। প্রধানমন্ত্রী যে দুটি সভায় স্বশরীরে থাকতে পারবেন না, তা বিজেপি কর্মীদের জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।ঝাড়গ্রামের সভাস্থল থেকে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে চরম আক্রমণ করেন। এর আগে রবিবার পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর এবং মেদিনীপুরে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার দেশে পঞ্চম দফা লোকসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে বাংলায় সাতটি আসনে হয়েছে নির্বাচন। এমনিতে প্রতিটি নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী সভা করেন। যে অঞ্চলে ভোট হবে, সেই জায়গার জন্য তিনি সভা করেন।প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচি বহু আগে থেকেই ঠিক থাকলেও আবহাওয়া দফতর সোমবার সকালেই জানিয়েছে, রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হবে। সঙ্গে বজ্রপাতেরও সম্ভাবনা আছে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ইতিমধ্যে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন রাজ্যের মানুষ। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর সভাও প্রাকৃতিক দু্যোগের কারণে ব্যাহত হল। তবে, প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছতে না পারলেও দুর্যোগ উপেক্ষা করে বিজেপি কর্মীরা সভায় যোগ দিয়েছিলেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃবৃন্দের দায়িত্ব ছিল বুথকর্মীদের সভাস্থলে নিয়ে আসার। তাঁরা সেইমত দূর-দূরান্ত থেকে কর্মীদের ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সভাস্থলে নিয়ে এসেছিলেন।

মে ২১, ২০২৪
রাজ্য

অরণ্যশহর ঝাড়গ্রামে বারবার চুরির ঘটনায় পুলিসি নিস্কৃয়তার অভিযোগ

দুদিন আগে ঝাড়গ্ৰাম শহরের বাছুরডোবা এলাকায় এক বৃদ্ধ মহিলার বাড়ি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ডাকাতির রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার রাতে ফের অরণ্য শহরে ঘটল দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা। এবার শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুদীপ্ত মাহাত নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে দুষ্কৃতীরা নগদ টাকা এবং সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিল। ঘটনার পর পুলিশের দ্বারস্থ পরিবার।তবে পর পর দুটি ডাকাতির ঘটনায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ঝাড়গ্ৰাম শহরের বুকে। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রশ্ন উঠছে শহরের পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে।ঝাড়গ্ৰাম থানায় পুলিশ সিসি টিভির ফুটেজ ধরে পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

শহরের উপকন্ঠে দাঁতাল হাতির তান্ডব, এক মহিলা সহ তিন জনের মৃত্যু

ঝাড়গ্রাম শহর সংলগ্ন কনাডোবা এলাকায় হাতির আক্রমণে মৃত্যু হয় এক যুবকের। গুরুতর জখম আরও দুই জনকে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়। ওই এলাকায় তান্ডব চালানোর পর শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বেনাগেড়িয়া এলাকায় হাতির মুখোমুখি পড়ে মৃত্যু হয় মহিলার। দুটি হাতি তান্ডব চালাচ্ছে এলাকায়। দলে একটি শাবক রয়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়েছে ঝাড়গ্রাম শহরে।এলাকা সুত্রে জানা যায় তাঁরা বন দপতরে খবর দিয়েছেন। স্থানীয় মানুষজন জানিয়েছেন, ভরা বর্ষায় মাঠে কোনও ফলন্ত ফসল এ পেয়েই দাঁতাল রা দলে দলে লোকালয়ে চলে আসছে। তাঁদের লোকালয়ে আসার প্রধান কারন খাদ্যাভাব বলেই স্থানীয়েদের ধারণা। তিন তিনটি তাজা প্রান অকালে চলে যাওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া।এলাকার এক প্রকৃতি প্রেমী মানুষ জানান, হাতিগুলিকে সনাক্ত করে রেডিও কলার পরিয়ে রাখলে হয়ত তাদের গতিবিধি সমন্ধে সম্যক ধারণা করা যেত এবং সেক্ষেত্রে তাদের প্রতিহত করাও সহজ হত। বারংবার এইভাবে বন সংলগ্ন এলাকায় বন্য প্রানীর অবাধ প্রবেশ এলাকায় অতঙ্ক ছড়াচ্ছে ও সরকারের প্রতি ক্ষোভ বাড়ছে।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

ঝাড়গ্রামে সিআরপিএফ ১৮৪ নং বেটেলিয়ানের 'হর ঘর তেরেঙ্গা' অভিযান

স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঝাড়গ্রামে সি আর পি এফ ১৮৪ নং বেটেলিয়ানের পক্ষ থেকে ঝাড়গ্রাম শহরজুড়ে হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিলের আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তা সিও জানিয়েছেন, ভারত সরকারের নির্দেশে সারা জেলা জুড়ে হর ঘর তিরাঙ্গা কর্মসূচি মাধ্যমে মানুষকে আহ্বান করছেন তারা। এদিনের এই মিছিলে সিআরপিএফ ১৮৪ বেটেলিয়ানের জওয়ান ও স্কুল পড়ুয়ারা হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে শহর পরিক্রমা করে ফের সি আরপিএফ ক্যাম্পে ফিরে আসেন। প্রত্যেকে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে হর ঘর তিরঙ্গার স্লোগান দিয়ে দেশবাসীকে জাগ্রত করতে এই মিছিল করেন।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

রং খেলতে বেরিয়ে খুন ঝাড়গ্রামের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

বাড়ি থেকে দোল খেলতে বেরিয়ে মৃত্যু হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। মৃতের নাম দীপ সাহা (১৬)। কিশোরের বাড়ি ঝাড়গ্রাম শহরের সুভাষপল্লি এলাকায়। শহরের বাণীতীর্থ হাই স্কুলের ছাত্র ছিল সে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুর আড়াইটা নাগাদ আইটিআই সংলগ্ন শীতলাডিহি এলাকা থেকে ওই কিশোরের অচেতন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে খবর, এ দিন ঘোড়াধরায় বসন্ত উৎসবে বন্ধুদের সঙ্গে এসেছিল দীপ। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নাবালককে ঘোড়ধরা পার্কের বাইরে থাকা কিছু যুবক ধাওয়া করেছিল। ছুটতে ছুটতে সে পড়ে যায়। জানা গিয়েছে, পুরনো বিবাদের জেরে সুভাষপল্লি এলাকার ছেলেদের মারধর করার জন্য পিছু ধাওয়া করছিল শহরের স্টেশন পাড়ার কয়েক জন যুবক। এ দিন সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রাম থানায় কৌশিক দাস, অনুরাগ তিওয়ারি ও আয়ুষ যাদব, এই তিন জনের নামে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ওই কিশোরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।মৃতের বাবা দিলীপ সাহা বলেন, আমার ছেলে কোনও দিন ঝামেলা গন্ডগোলে থাকে না। পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।

মার্চ ১৯, ২০২২
রাজ্য

Bangla Pakha: শালবনিতে জিন্দাল ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজের দাবিতে বিক্ষোভ বাংলা পক্ষর

পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে জিন্দাল ফ্যাক্টরিতে কাজে বাঙালিসহ ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। এমনকি সম্প্রতি ফ্যাক্টরি থেকে ৫০ জন বাঙালি কর্মীকে কারণ না দেখিয়ে ছাঁটাই করা হয়েছে। এরই প্রতিবাদে, ফ্যাক্টরিতে বাঙালিসহ ভূমিপুত্রদের কাজের দাবিতে বাংলা পক্ষর পশ্চিম মেদিনীপুর শাখা বিক্ষোভ দেখায়। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, অমিত সেন, সোয়েব আমিন, জেলা নেতৃত্ব অমিত দে সহ সায়ন মিত্র, আনোয়ার হোসেন ও অন্যান্যরা।বিক্ষোভ কর্মসূচী থেকে স্পষ্ট দাবি ওঠে, জিন্দাল ফ্যাক্টরি সহ বাংলার সমস্ত ফ্যাক্টরি, কোম্পানীতে ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের মাটিতে শিল্প হয়েছে, কারখানার ধোঁয়া খাই৷ চাকরিও স্থানীয় মানুষের চাই। স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিটা প্রতিনিধিকে অনুরোধ, জিন্দালের ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজের ব্যবস্থা করুন। আপনারা তো বাংলার প্রতিনিধি, বিহার-ইউপির না।বাঙালির স্বার্থে ক্রমাগত লড়াই করে চলেছে বাংলাপক্ষ। কৌশিক মাইতি বলেন, বাংলা জুড়ে বাংলা পক্ষ বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে লড়ছে। জিন্দাল কর্তৃপক্ষকে ধিক্কার। তারা এখানে ব্যবসা করলেও ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করে বিহার-ইউপি থেকে লোক আনা হচ্ছে। স্থানীয় বাঙালিদের ছাঁটাই করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ মানবে না, বাঙালি মানবে না। ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস স্থানীয় সমস্ত ভূমিপুত্রদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হলে তবেই বাঙালির অধিকার আদায় হবে।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Jhargram: আজ ঝাড়গ্রাম সফরে মুখ্যমন্ত্রী

তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম জঙ্গলমহল সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দুপুর ২ টোয় ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়াম বিশ্ব আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।তাঁর এই প্রস্তুতি চরম পর্যায়ে। এরপর প্রশাসনিক বৈঠকও করতে পারেন তিনি।২০২১-এর ফল প্রকাশের পর দেখা গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খালি হাতে ফেরাননি জঙ্গলমহলবাসী। ঝাড়গ্রাম জেলা ৪ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃতীয়বারের মতো মুখ্যমন্ত্রীর হওয়ার পর ঝাড়গ্রাম সফরে আজ মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্ব আদিবাসী দিবসে তিনি যোগ দেবেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিমঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালও যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। আকাশপথে ঘুরে দেখতে পারেন বন্যা পরিস্থিতি। সোমবার দুপুরে ডুমুরজলা স্টেডিয়াম থেকে রওনা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝাড়গ্রামে রাজ কলেজের মাঠে অস্থায়ী হেলিপ্যাড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গত ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি জিতেছিল। ২০২১ নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঝাড়গ্রামে এসে বলেছিলেন, জঙ্গলমহলের জন্য অনেক করেছি। আপনারা আমাদের পাশে থাকুন। উন্নয়ন আরও হবে। তার পাশাপাশি বেশ কিছু প্রকল্পের ঘোষণা করেন কি না, তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে জঙ্গলমহলের মানুষ। আর মুখ্যমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। আজ ঝাড়গ্রামে রাতে থাকার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আগামিকাল, মঙ্গলবার ঘাটাল বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

পথশ্রী প্রকল্পের টেন্ডার নিয়ে যেন গন্ডগোল না হয়ঃ মুখ্যমন্ত্রী

চেন্নাই-মুম্বই থেকে লরি আসে। এই লরির চাকায় জীবাণু ছড়াচ্ছে। যেমন কাপড়জামা, বাজারের থলি থেকে ছড়ায়। তেমন হলে মাঝেমধ্যে চাকার ফরেন্সিক পরীক্ষাও করা যেতে পারে। বুধবার ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি এই বিষয়ে বলতে গিয়ে আরও বলেন, বাইরের রাজ্য থেকে আসা লরি ড্রাইভারদের যদি ধাবায় বসে খেতে হয়, সেক্ষেত্রে কোভিড বিধি মেনে পুরোপুরি স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করতে হবে। এই পুরো বিষয়টি নজরে রাখার জন্য প্রশাসনকে বলেন তিনি। মমতা বলেন,এখানে অনেককেই দেখছি মাস্ক ব্যবহার করছেন না। তাদের বলছি মাস্ক পরুন। যাঁরা গরীব, টাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে পারছেন না, তাঁদের সবাইকে মাস্ক কিনে দেওয়ার জন্য সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়াও তিনি বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের কাজে বাধা দেবেন না। টেন্ডার নিয়ে কোনও গন্ডগোল যেন না হয়। সব পঞ্চায়েত, সব রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বলছি। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে কেউ টাকা চাইলে সোজা থানায় যান। সরকার জনগণের। কোনও রাজনৈতিক দলের নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ঝাড়গ্রামে অনেক কাজ হয়েছে। তা সত্ত্বেও যারা বড় বড় কথা বলছেন তারা আগে নিজেরা একটু কাজ করে দেখান। নির্বাচনের আগে যাতে নতুন করে ঝাড়গ্রামে কোনও অশান্তির পরিবেশ তৈরি না হয় সেদিকে নজর রাখুন। এছাড়াও এদিন মাটির সৃষ্টি প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। তিনি বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষ কাজ পাবেন। এছাড়াও তিনি ঘোষণা করেন, ঝাড়গ্রামে সাংবাদিকদের জন্য ভবন তৈরি হবে। ভবনের জন্য পাঁচ কাটা জমি দেওয়া হয়েছে । খরচ দেবে রাজ্য সরকার।

অক্টোবর ০৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal