• ২১ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

দেশ

দিল্লিতে অভিষেকদের কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার, প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক বাংলায়

কৃষিভবনে রাজ্যের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ জানাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। শুধু তাই নয় টেনেহিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে আটক করা হয় তৃণমূলের নেতানেত্রীদের। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর কাছে অভিষেকের নেতৃত্বে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। মন্ত্রী দেখা তো করেনইনি। উলটে, রাত ৯টার পর বিশালসংখ্যক পুলিশবাহিনী কৃষিভবনে প্রবেশ করে। পুলিশ তৃণমূল নেতাদের জানায়, অবিলম্বে কৃষিভবন খালি করে দিতে হবে। কৃষিভবন বন্ধ করা হবে। তৃণমূল নেতারা কৃষিভবন থেকে বের হতে না-চাওয়ায় তৃণমূলের প্রতিনিধিদের প্রথমে চ্যাংদোলা করে, জোর করে কৃষিভবন থেকে বের করে দিল্লি পুলিশ।এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল নেতাদের আটক করে বাসে চাপিয়ে পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়। তিনটি বাসে চাপিয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের নিয়ে যাওয়া হয়। পর্যন্ত তৃণমূলের আটক সাংসদদের উৎসব সদন মুখার্জিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানার ভিতর থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বাসে চাপিয়েই পুলিশ নিয়ে চলে যায় উৎসব সদন সশস্ত্র পুলিশের ক্যাম্পে। খবর পেয়ে রাতেই ক্যাম্পের বাইরে জড় হন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। রাত ১১টা নাগাদ তাঁদের পুলিশলাইন থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।এর আগেই তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল কৃষিমন্ত্রী গিরিরাজ সিং থাকবেন না। বদলে কৃষি ভবনে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির কাছে মঙ্গলবার সন্ধে ৬টা নাগাদ বাংলার বঞ্চিত জব কার্ড হোল্ডারদের চিঠি পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল অভিষেক-সহ তৃণমূল নেতৃত্বের। সময় মতই মন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেও গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের নেতারা। তারপর প্রায় ঘন্টা তিনেক অতিক্রান্ত হলেও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দেখা করেননি প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। উলটে তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, পাঁচ জন এলে দেখা করতেন মন্ত্রী। কিন্তু, ৪০ জন এসেছেন, তাই তিনি দেখা করবেন না। এই কথা জানার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।বঞ্চিতদের চিঠি নিজের কাঁধে চাপিয়ে নিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী না দেখয় করায় তিনি কৃষি ভবনের মেঝেতেই বসে পড়েন। তাঁর দাবি, মন্ত্রী দেখা না-করা পর্যন্ত কৃষিভবন ছাড়বেন না। তাঁর দেখাদেখি কৃষিভবনের মেঝেতে বসে ধরনা শুরু করেন তৃণমূলের অন্যান্য প্রতিনিধিরাও। কৃষিভবনে ধরনা চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা অভিযোগ করেন, বিকেলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কৃষিভবনে এসেছিলেন। মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু, বঞ্চিতদের প্রতিনিধি তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে মন্ত্রী দেখা করেননি। উলটে একেকবার একেকরকম কথা বলে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বিভ্রান্ত করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাত ৯টাতেও কৃষি ভবনে মন্ত্রীর অপেক্ষায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা।তার আগে রাত আটটার পর কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির দফতর থেকেই অপেক্ষমাণ তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ভিডিও বার্তায় বলেন, দেখা করব বলেছিলেন। ওঁনার দেওয়া সময় মতই আমরা এসেছি। দুপুরে উনি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন। বাংলার টাকা আটকে রাখার চিঠি নিয়েছেন। আর আমাদের সময় দিয়েও এখন মন্ত্রী বলছেন আসবেন না।কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা বাংলার বকেয়া অর্থের দাবিতে ৪০ জনের প্রতিনিধি নিয়ে এসেছেন। সেই প্রতিনিধিদলে আছেন বাংলার তৃণমূল সাংসদ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বহু মন্ত্রী এবং ১০০ দিনের কাজ করেও মজুরি থেকে বঞ্চিত বেশ কয়েকজন। এত লোকের সঙ্গে মন্ত্রীর দেখা করা সম্ভব নয়। সর্বাধিক তৃণমূলের পাঁচ জন প্রতিনিধি এলে দেখা করতেন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে না-জানিয়েই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কৃষি ভবন থেকে বেরিয়ে যান বলে খবর পান তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূল নেতৃত্ব দিল্লিতে গ্রেফতার হয়েছে, সেই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দিল্লির রাজপথে নেমে পড়েন তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতেও শুরু হয় বিক্ষোভ। রাজ্য বিজেপির দফতরের বাইরেও বিক্ষোভ চলে। দিল্লিতে কৃষিভবনের বাইরেও তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। কিন্তু, কৃষিভবনের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিল।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

ইডির তদন্তে স্বস্তিতে ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়, হাইকোর্টে শুনানি আগামীকাল

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ। এর আগে বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, আজ ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে ইডিকেই। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। আগামিকাল ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেকের মামলার শুনানি হবে।উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল ইডি। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একগুচ্ছ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তারই ভিত্তিতে অভিষেককে ডেকে পাঠিয়ে কলকাতার অফিসে এর আগে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।ফের একবার আজ ৩ অক্টোবর ফের তাঁকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও পরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ ইডির তলবে যাবেন না বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন।অভিষেকের সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের পরেই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বিষয়টি আদালতের সামনে রেখেছিলেন। তারই ভিত্তিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডিকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করবে হবে।যদিও এক্ষেত্রে সরাসরি কারও নাম নেননি বিচারপতি। বিচারপতি সিনহার সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই এবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০৩, ২০২৩
দেশ

আবর্জনা মুক্ত ভারত গড়ার অঙ্গীকার কলকাতার জিএসআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতরে

আবর্জনা মুক্ত ভারত-এর যুগের অঙ্গীকারে ভারতের জিওলজিক্যাল সার্ভে, পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তর, কলকাতা, রবিবার এক ঘন্টা শ্রমদানের মাধ্যমে Swacchata Hi Seva 2023 অভিযান সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়। সল্টলেকের জিএসআই কার্যালয়ে ও আনন্দলোক হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার আবর্জনা অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতার প্রচারের প্রচেষ্টায় ৫০০ জন জিএসআই কর্মীবৃন্দ ও নাগরিক সমবেত হয়েছিলেন। গান্ধী জয়ন্তীর প্রাক্কালে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। জিএসআই, পূর্বাঞ্চল শাখার অ্যডিশেনাল ডিরেক্টার জেনারেল এবং এইচ ও ডি, শ্রীমতি বর্ষা অশোক আগলাওয়ের তত্ত্বাবধানে Ek Tarikh Ek Ghanta এক ঘণ্টার শ্রমদান অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অধ্যক্ষা সারা বছর নিয়মিত কার্যালয়ে ও সংলগ্ন এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার বিষয়ে জোর দেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার, সকল ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল, ডিরেক্টর, উচ্চপদস্থ কর্মচারী ও অন্যান্য কর্মীবৃন্দ এবং অস্থায়ী স্টাফ পূর্ণ উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন। প্রবীণ নাগরিকসহ স্থানীয় লোকজন ব্যাপকভাবে এই বৃহৎ পরিচ্ছন্নতা কর্মকাণ্ডে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট জাতীয় ফুটবল খেলোয়াড় সন্দীপ নন্দী। তিনি একটি পরিষ্কার পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির জন্য এই ধরনের আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করেন।

অক্টোবর ০১, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির তলব অভিষেককে, সমন বাবা-মাকেও

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ৩রা অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজেই এই তলবের বিষয়টি এক্সবার্তায় জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত ও মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদেরও তলব করেছে ইডি।সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচি রয়েছে। ৩রা অক্টোবর ওই ধর্না কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির পূর্ব ঘোষিত দলীয় কর্মসূচি ফেলে কলকাতায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন কিনা সেটাই দেখার।এদিন এক্সবার্তায় অভিষেক লিখেছেন, এখন, আজ আবার তারা আমাকে তাদের সামনে হাজির হওয়ার জন্য আরেকটি সমন পাঠিয়েছে। যেদিন ৩রা অক্টোবর দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হবে। এটাই প্রমাণ করছে যে কারা সত্যিকারের ভীত, সন্ত্রস্ত এবং কারা ভয়ে কাঁপছেন।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ৩রা অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজেই এই তলবের বিষয়টি এক্সবার্তায়ন্ড হারবারের বিধায়ক।সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচি রয়েছে। ৩রা অক্টোবর ওই ধর্না কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির পূর্ব ঘোষিত দলীয় কর্মসূচি ফেলে কলকাতায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন কিনা সেটাই দেখার।এদিন এক্সবার্তায় অভিষেক লিখেছেন, এখন, আজ আবার তারা আমাকে তাদের সামনে হাজির হওয়ার জন্য আরেকটি সমন পাঠিয়েছে। যেদিন ৩রা অক্টোবর দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হবে। এটাই প্রমাণ করছে যে কারা সত্যিকারের ভীত, সন্ত্রস্ত এবং কারা ভয়ে কাঁপছেন।এই প্রথম নয়, এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছিল ইডি। সেদিন ছিল ইন্ডিয়া জোটের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক। ওই কমিটির সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, দুর্নীতি মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সির ডাক পড়ায় সেদিন ওই বৈঠকে যোগ দেননি তৃণমূল সাংসদ। ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন।এদিনের এক্সবার্তাতেও সেই বিষয়টি জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, এই মাসের শুরুতে, দিল্লিতে ইন্ডিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়কারী বৈঠকের দিনই ইডি আমাকে তলব করেছিল। আমি দায়িত্বশীল হওয়ায় সমনে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছিলাম।তৃণমূল সূত্রে খবর, ওইদিন ইডি-র তলবে অভিষেকের সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কারণ, পূর্বঘোষণা মতই ২ ও ৩ অক্টোবর দিল্লিতে কেন্দ্র বিরোধী কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূলের। অভিষেকের নেতৃত্বেই হবে সেই কর্মসূচি। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কয়েক হাজার কর্মী। প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। শুক্রবারই থেকেই দিল্লিমুখী জনতা কলকাতায় জড়ো হবেন। তাই ওই কর্মসূচি ছেড়ে অভিষেক কলকাতায় হাজিরা দিতে আসবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে।এর আগে গত ১৯ মে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি ফেলে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলবে সাড়া দিয়ে হাজিরা দিয়েছিলেন তৃণণূলের সেকেন্ডজ ইন কমান্ড। এরপর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পরপর দুবারই বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট বা তৃণমূলের কর্মসূচির দিনই অভিষেককে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি।কেন বেছে বেছে দল বা বিরোধী শিবিরের কর্মসূচির দিনই তলব? তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের দাবি, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পাচ্ছেন। অভিষেক ভীতিতে ভুগছেন ওরা। তাই তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মসূচির দিনই কেন্দ্রীয় এজেন্সি মারফৎ তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে।গত ১৩ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বল্ছিলেন যে, এই দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শুধু শূন্য নয়, মাইনাস টু। শুধু সময় নষ্ট। আমাকে আবার ডাকলে আবার আসবো। আবারও সেদিন বলব জিজ্ঞাসাবাদের ফল মাইনাস ফোর হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজ্য

ঈশ্বরচন্দ্রর দেখানো পথে বাল্য বিবাহ রোধে শপথ নিল মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ির স্কুল

বাল্য বিবাহ সামাজিক অভিশাপ। এই সামাজিক অভিশাপ দূর করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছেন বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগার। মঙ্গলবার তাঁর ২০৪ তম জন্মজয়ন্তীতে তাঁরাই দেখানো পথে ফের একবার বাল্য বিবাহ রুখতে শপথ নিল স্কুলের পড়ুয়ারা। অভিনব এই অনুষ্ঠানটি হয়ে গেল বীরভূমের রামপুরহাট থানার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ি কুসুম্বা গ্রামের কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ে।কেন্দ্র থাকে রাজ্য সরকার বাল্য বিবাহ রোধে লাগাতার প্রচার করে চলেছে। বাল্য বিবাহের খবর পেলে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কিন্তু যে বয়সের মেয়েদের এই প্রবনতা দেখা দিচ্ছে সেই বয়সের মেয়েদেরই এবার বাল্য বিবাহ না করার শপথ গ্রহণ করালেন কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার মণ্ডল। সেই সঙ্গে বাড়ি ফিরে বাল্যবিবাহ রোধে তাদের পথে নামার পরামর্শও দেওয়া হলশুরুটা হয়েছিল গতবছর থেকে। গ্রাম্য এলাকায় কম বয়সী-ছেলে মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। সেইসব দেখে বাল্য বিবাহ রুখতে উদ্যোগ গ্রহন করেন কুসুম্বা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার মণ্ডল। গতবছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রথম বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে স্কুলের পড়ুয়াদের শপথবাক্য পাঠ করার আবেদন জানান। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসে স্কুলের পড়ুয়া থেকে সহকর্মীরা।মঙ্গলবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৪ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কুসুম্বা হাইস্কুলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগরের একটি আবক্ষ মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয় স্কুলের বাইরে। এদিন সেই মূর্তির উন্মোচন করেন রামপুরহাট বিধায়ক, ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্বোধনের পরেই বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে স্কুলের পড়ুয়াদের শপথ গ্রহন করালেন প্রধান শিক্ষক সন্দীপ মণ্ডল। অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি শপথ বাক্য পাঠ করান। তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে শপথ নিলেন স্কুলের ছাত্র ও ছাত্রীরা। একই অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের পাশাপাশি স্কুলের ছাত্রদের মাদক দ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকারও শপথ বাক্য পাঠ করালেন বীরভূম জেলা স্কুল পরিদর্শক চন্দ্রশেখর জাউলিয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মাধ্যমিক শিক্ষার অ্যাডহক কমিটির সদস্য প্রীতম হালদার, জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক নিখিল কুমার সিনহা, এ আই অফ স্কুল গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।সন্দীপবাবু বলেন, গ্রাম বাংলায় অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা ভাঙতেই আমাদের এই পদক্ষেপ। শুধু শপথবাক্য পাঠ করাই নয়, নিয়মিত ছাত্রীদের বিষয়ে খোঁজ খবর করি আমরা। সেই সঙ্গে সারা রাজ্যে বাল্য বিবাহ রোধের বার্তা পৌঁছে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ।এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন জেলা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক চন্দ্রশেখর জাউলিয়া। তিনি বলেন, মাধ্যমিক স্তর থেকে এই বার্তা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পৌঁছে দিতে পারলে বাল্য বিবাহ অনেকাংশে কমবে। কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয় ভালো উদ্যোগ নিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

ন্যাশনাল ক্যারাটেতে বর্ধমানের মেয়ে ইশানীর সোনা

কলকাতার ঠাকুরপুকুরের জেমস একাডেমিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে গত ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এক্সামিনেসনস (সি.আই.এস.সি.ই.), নিউ দিল্লি এর পরিচালনায় সি.আই.এস.সি.ই. ন্যাশনাল ক্যারাটে টুর্নামেন্ট ফর গার্লস ২০২৩ এর আসর বসেছিল। এই প্রতিযোগীতাটি ক্যারাটে-ডো এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়।বর্ধমান ক্যারাটে-ডো এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রেনসি দেবাশীষ কুমার মন্ডল জনতার কথাকে জানান, পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল সেন্ট পলস একাডেমির ছাত্রী ইশানী গুপ্তা এই প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব ১৪ বছরের ৪২-৪৬ কেজি মহিলা কুমিতে বিভাগে স্বর্ণ পদক জিতেছে এবং স্কুল গেমস ফেডেরেশন অফ ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল ক্যারাটে প্রতিযোগিতার জন্য সিলেক্ট হয়েছে। এই খবরে জেলার ক্রীড়াপ্রেমী সকলেই খুবই উচ্ছসিত। গত ২২ ও ২৩ শে জুন, ২০২৩ তারিখে কলকাতার টালিগঞ্জের পি.বি. একাডেমিক স্কুলে অনুষ্ঠিত সি.আই.এস.সি.ই. রিজিওনাল ক্যারাটে টুর্নামেন্ট ২০২৩ (ওয়েস্ট বেঙ্গল নর্থ ইস্ট রিজিয়ন) এ উক্ত বিভাগে সোনা জয়ের সুবাদে ইশানী সি.আই.এস.সি.ই. ন্যাশনালে খেলার সুযোগ পায়।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৩
বিদেশ

নিউটাউনে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বহুজাতিক সংস্থা, মুখ্যমন্ত্রী দুবাইতে করলেন বৈঠক

বাংলায় শপিং মল করতে চলেছে দুবাইয়ের বহুজাতিক সংস্থা লুলু গোষ্ঠী। শুক্রবার এই সংস্থার একজিকিউটিভ ডিরেক্টর আশরফ আলির সঙ্গে একান্তে বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক সদর্থক হয়েছে বলে এক্সবার্তায় জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামিতে কলকাতার নিউটাউনে বিশ্ব মানের শপিং মল খুলতে পারে লুলু গোষ্ঠী।আগামী নভেম্বরে বাংলায় হবে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন। ওই বাণিজ্য সম্মেলন অংশগ্রহণের জন্য লুলু গোষ্ঠীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।বিশ্বের বহু দেশে এই গোষ্ঠীর শপিং মল রয়েছে। সেইসব শপিং মলে বিশ্ববাংলার জন্য পৃথক কাউন্টার খোলা হতে পারে। সেখানে বিক্রি হবে বিশ্ববাংলার পণ্য। পাশাপাশি আগামী সময়ে নিউটাউনে বিশ্ব মানের শপিং মল খুলতে পারে লুলু গোষ্ঠী।Todays meeting with Mr. @asharfalima, Executive Director of LuLu Group International, was immensely promising for Bengals growth!We delved into a range of exciting possibilities, foremost among them being the prospect of a world-class mall in Newtown. We discussed the global pic.twitter.com/KJaiE2miCn Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 22, 2023এরাজ্যে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র খুলতেও আগ্রহী ওই নামজাদা সংস্থা। মুখ্যমন্ত্রীর এক্সবার্তা অনুয়ায়ী মাছ, মাংস প্রক্রিয়াকরণ, পোলট্রি, ডেয়ারি শিল্পে বিনিয়োগেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে লুলু গোষ্ঠী।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
দেশ

দেশের সেরা পর্যটন গ্রামের শিরোপা বাংলার, ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের

সারা দেশের মধ্যে পর্যটনে শ্রেষ্ঠ গ্রামের শিরোপা ছিনিয়ে নিল বাংলারই একটি গ্রাম। নতুন পালক যুক্ত হল বাংলার মুকুটে। অভূতপূর্ব এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদেশে থেকেও এই গর্বের তথ্য নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে পর্যটনে দেশের সেরা গ্রামের বাসিন্দাদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভারত সরকার পর্যটনে দেশের সেরা গ্রাম হিসেবে মুর্শিদাবাদ জেলার কিরীটেশ্বরীকে সম্মান প্রদান করেছে। ৩১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছিল। ২০২৩ সালে এদের মধ্যে থেকে সেরা পর্যটন গ্রাম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদের কিরীটেশ্বরীকে। পর্যটন মন্ত্রকের তরফে এই স্বীকৃতি ।মুখ্যমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কিরীটেশ্বরীকে ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রক দেশের সেরা পর্যটন গ্রাম হিসেবে নির্বাচিত করেছে। দেশের ৩১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত ৭৯৫টি আবেদনের মধ্যে ২০২৩ সালে সেরা পর্যটন গ্রাম প্রতিযোগিতা হয়েছিল। সেখানেই এই নির্বাচন হয়েছে। পর্যটন মন্ত্রক আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান করবে। আমি ওই গ্রামের বাসিন্দাদের অভিনন্দন জানাই। জয় বাংলা!Glad to share and announce that Kiriteshwari in the Murshidabad district of West Bengal has been selected by the Ministry of Tourism, Government of India, as the Best Tourism Village of India. The selection has happened in the Best Tourism Village Competition,2023, from among 795 Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 21, 2023কিরীটেশ্বরী মন্দিরে মোটামুটি সারা বছরই ভক্তদের ঢল থাকে। দেবী পার্বতীর মুকুট এখানে পড়েছিল বলে পুরাণে কথিত রয়েছে। এলাকাবাসীদের বক্তব্য, মন্দিরটি প্রায় ১ হাজার বছরের পুরনো। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে যান এই মন্দিরে। দেশের সেরা পর্যটন গ্রামের স্বীকৃতি পাওয়ায় এবার পর্যটনের কতটা উন্নয়ন হয় সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
নিবন্ধ

ধৌলাধর-এর কাছাকাছি - তৃতীয় পর্ব

ঢুকে যখন পড়েছি একবার ছাড়াছাডি নেই আর! কোনোমতে ঘুষিয়ে ঘাষিয়ে সেই ভীড়ে ঠাসা সর্বোচ্চ গ্যালারীর পরিধি বেয়ে এগোতে লাগলাম অনীক আর আমি। কারো কোল ডিঙিয়ে, কারো বগলের তলা দিয়ে উঁকি মেরে, কোনো শালপ্রাংশু মহাভুজের পিঠের পিছন দিয়ে পিছলে গিয়ে, দুরধিগম্য এক অভিযানে ব্রতী হলাম আমরা এমন একটুকরো পা রাখার জায়গার সন্ধানে যেখান থেকে অন্তত এক চোখ দিয়েও দেখা যাবে সীমানাফটকে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কী মহানাট্য! লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে সড়রা মেরে শেষতক পৌঁছোতেও পারলাম সেই গ্যালারীর পশ্চিমতম প্রান্তে, আর হাডগোডভাঙ্গা দ-এর মতো বেঁকেচুরে কোনোমতে দাঁড়িয়ে দেখলাম সেখান থেকে দুই দেশের সীমান্তফটক আর মধ্যবর্তী নো ম্যানস ল্যান্ড দেখা যায় চমৎকার!সীমান্তচৌকির এই অনুষ্ঠান দেখার পরমোৎসাহ ছিল মূলত চিত্রা ও সুকন্যা-র; আমরা বাকিরা বিনে পয়সায় দুশো মজা দেখার মতলবে সামিল হয়েছিলাম হইহই করে। কিন্তু এ যা ভুতোভুতি কান্ড দেখছি, চিত্রা গ্যালারীর ভেতর ঠিকঠাক জায়গায় ঘাঁটি গাড়তে পেরেছে তো! আর সুকন্যা-রূপার উইকেট তো পড়ে গেছে প্রথম ওভারেই! নিজেরাও হাত-পা-গুলো আস্ত নিয়ে বেরোতে পারবো কি না কে জানে!চোখের সামনে সুবিশাল পাঁচতলা অশ্বক্ষুরাকৃতি দর্শনার্থী-গ্যালারি, খচাখচ ভরা হুয়া হ্যায়। গাঁকগাঁক করে দেশপ্রেম উগড়োচ্ছে মহাশক্তিমান সব সাউন্ডসিস্টেম, সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উল্লসিত কলরোল আবেগাপ্লুত জনগনেশের। মধ্যিখানের মসৃন পিচঢালা রাস্তাটি বন্ধ ফটক পেরিয়ে গিয়ে পড়েছে নো ম্যানস ল্যান্ডে। সেই রাস্তায় বলিউডি দেশভক্তিগীতির তালে তালে তুমুল নৃত্যকলা প্রদর্শন করছেন শয়ে শয়ে উত্তেজিত দেশপ্রেমী সে দলে ঝুঁটিবাঁধা নবযুবক-ফাটাজিন্স তরুণী-পৃথুলা মাঝবয়সী পন্জাবিনী-ছকরাবকরা শার্টশোভিত চকচকে-টাক আঙ্কলজী, কে নেই! ভূমিতলের গ্যালারীর প্রথম কয়টি ধাপে সমাসীন কিছু বিদেশী অতিথি পরম কৌতুকভরে অবলোকন করছেন এই অমৃত মহোৎসব!সীমান্তের ওপাড়ের গ্যালারি খাঁ খাঁ করছে। রমজান মাস। উপবাসভঙ্গের সময় এখন। তাই বোধ হয় ওদিকের দেশপ্রেমীরা তেমন আসর জমান নি। মখমলি সবুজ ঘাসজমি ঘিরে অর্ধচন্দ্রাকার গ্যালারীটি আয়তনে এদিকের এই দানবিক নির্মাণের কাছে পঁচিশ গোল খাবে; তবে বেশ একটা সংযত ওল্ড ওয়ার্ল্ড চার্ম জড়িয়ে আছে ওয়াগা সীমান্তফটকের ওই দিকের পরিকাঠামোয়।নববর্ষের বৈকালিক সূর্য ঢলে পড়লো উল্টোদিকের গ্যালারীর আডালে। এখন ছাদেও উঠে এসেছেন বহু মানুষ। সুকন্যা-রূপাকে নিয়ে বাদশাদা ফিরে এলো কি? ঢুকতে পারলো? প্রবেশদ্বারগুলির কাছে চরম বিশৃঙ্খলা এখন মনে হচ্ছে অনেকখানি স্তিমিত। সোয়া পাঁচটা বেজে গেছে। চারটি দশাসই সারমেয় শান্ত পায়ে হেঁটে গেল তাদের হ্যান্ডলারদের পাশে পাশে; তার পরেই সতেজ সাবলীল পদক্ষেপে কদম কদম এগিয়ে গেলেন বি.এস.এফ-এর চার তরুণী সদস্যা সীমান্তফটকের কাছে গিয়ে পোজিশন নিলেন এঁরা সবাই।এবার অকুস্থলে অবতীর্ণ হলেন বি.এস.এফ-এর কোনো এক গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক। তাঁর পরবর্তী ক্রিয়াকলাপ দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আমাদের দেশাত্মবোধ জাগাতে কী না করলেন ভদ্রলোক লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে-দৌড়ে গিয়ে- ঢিল মারার ভঙ্গী করে সবাইকে অনুপ্রাণিত করলেন তাঁর বাজখাঁই গলায় দেওয়া স্লোগানে গলা মেলাতে। কত রকমভাবে যে গলা খেলালেন তিনি! আর থেকে থেকে অদ্ভুত এক কালোয়াতী ঢঙে ছো-ও-ও শব্দে মিনিটখানেক টান দিয়ে শেষে হা-আ-আ করে সংক্ষিপ্ত হুঙ্কার পাবলিক পুরো ফিদা সেই রণনির্ঘোষ শুনে!এই উচ্চকিত দেশভক্তির ফুটন্ত বাতাবরণে অনীক আর আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছি বেশ! স্লোগানে তেমন গলা তোলা হয় নি একবারও। গ্যালারীতে উঠে এসে আমাদের ঘাড় ধরে ওপাড়ে ছুঁড়ে ফেলে না দ্যায়! তবে ভয়ে ভয়ে এধার ওধারে তাকিয়ে দেখে নিয়েছি, কাছাকাছি ইতস্তত বিক্ষিপ্ত আরো কিছু বাঙালী পরিবারের অবস্থাও তথৈবচ! জ্বলন্ত দেশপ্রেমের সাম্প্রতিক মাপকাঠিতে আমাদের বাঙালিদের নম্বর যে নেহাতই কম সে কথা মালুম হলো, তা সে আন্দামানের সেলুলার জেল-এর বন্দীতালিকায় মোট ৫৮৫ জনের মধ্যে ৩৯৮ জনই বাঙালী যতই না হোক!!প্রায় সাড়ে পাঁচটা। দৃপ্ত পদক্ষেপে কুচকাওয়াজ করে এগিয়ে গেলেন একদল জওয়ান। তাঁদের তলোয়ার খেলানো.. অঙ্গসন্চালন.. আকাশমুখী পদবিক্ষেপ সবই বিস্ফারিতচক্ষে দেখার মতো। ভয় হচ্ছিল, নিজের পায়েই না কারো কপালে চোট লেগে যায়! উপস্থিত তিন-সাড়ে তিন লাখ জনতা উৎসাহে-রোমান্চে-গর্বে উদ্বেল! থেকে থেকে বজ্ররবে উছলে উঠছে জনসমুদ্র ভারতমাত্তা কি-ই ঝ্যায়! আমরা এখান থেকে দিব্যি দেখতে পাচ্ছি, ফটকের ওপারের ঘাসজমিতেও অনুষ্ঠিত হয়ে চলেছে রণরঙ্গ; তবে তাতে উত্তেজনা অনেক কম। শুরুতে ঢাউস ঢাক বাজাতে বাজাতে নেচে গেছেন জনাকয় ভাঙরা-শিল্পী, তাতে মৃদু হর্ষোল্লাস শোনা গেছে একটু একটু করে জমে ওঠা শখানেক দর্শকের ওমনি প্রবল প্যাঁক দিয়েছে এপাড়।ঠিক সাড়ে পাঁচটায় খুলে গেল দুদিকের ফটক। দুদেশের জওয়ানরা সেলাম ঠুকলেন পরস্পরকে খোলা হলো পতাকার দড়ির গিঁট টানটান করে কোনাকুনি দড়ি ধরে দাঁডিয়ে রইলেন দুপাড়ের সান্ত্রীরা ধীরে ধীরে নেমে এলো দুদেশের নিশান ভাঁজ করে রেখে দেওয়া হোলো পরদিন সকালে পুনর্বার ঝান্ডোত্তোলনের জন্য গড়গডিয়ে বন্ধ হয়ে গেল দুপাড়ের সীমান্তফটক, আজ রাতের মতো।অনুষ্ঠান শেষ। একটি প্রাত্যহিক রিচ্যুয়াল ঘিরে এই মাপের হাইপ ভাবা যায় না! স্লুইস গেট খুলে যাওয়া অতিকায় বাঁধের জলসমুদ্রের মতো দ্রুত খালি হয়ে যাচ্ছে গ্যালারী। ধীরে ধীরে বেরিয়ে এলাম দুজনে। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে দুচোখ ভরে দেখলাম সীমান্তের ওপাড়ে দিনের সূর্যের ডুবে যাওয়া সেই একই হরিয়ালা শষ্যক্ষেত্র একই মাটি জল একই নীলাকাশ!নীচের বাগানে মানুষের মেলা সাজিয়ে রাখা পুরোনো বিমানের সামনে ফটো-সেশনের ভীড়কোনোমতে ফোনের লাইন পেতেই খুঁজে পাওয়া গেল বাকিদের। চিত্রা ভীড়ের চাপে চিঁডেচ্যাপটা হয়েও দেখতে পেয়েছে ভালোই! বাদশাদা-সুকন্যা-রূপা আমার আশাকে সম্মান জানিয়ে ফিরে এসেছিল ও ফাঁকতালে ভালো জায়গাতেই দাঁড়াতে পেরেছিল। সমবেত নৃত্যভুবনের মায়াবী পরিবেশে আত্মহারা হয়ে সুকন্যা ও রূপা গ্যালারীতেই বেশ দুপা নেচেও নিয়েছে শুনলাম। শুনে পরম আশ্বস্ত হওয়া গেল। সতীর পুণ্যে পতির পুণ্য! এই সুমহান দেশভক্তিমূলক নৃত্যসমাবেশে আমারও যাকে বলে মহত্বপূর্ণ যোগদান রয়ে গেল!বাইরে শাহী কিলা রেস্তরাঁয় পয়সাওয়ালা দর্শনার্থীদের ভীড়। একপাশে ছোট্ট মন্চে গাইছেন ঝিকিমিকি আলোজ্বলা পোশাকপডা গাইয়ে।রূপা প্রচন্ড ক্ষেপে রয়েছে ওকে ছেড়ে আমি ভিতরে ঢুকে যাওয়ায়। একগ্লাস কোল্ড কফি সেই উত্তপ্ত চিত্তে কিন্চিৎ ছায়াবিস্তার করলো। বিস্তর ঝামেলা গেছে আজ সারাদিন, বেশী গন্ডগোলের দরকার কী!ঝামেলার অবশ্য বাকি ছিল আরো! পার্কিংলট থেকে গাড়ি বেরোতেই লেগে গেল ঘন্টাখানেক, এমন বিচ্ছিরি যানজট! যে যেদিকে পারে গাড়ি ঢুকিয়ে দিচ্ছে, যাননিয়ন্ত্রণের কোথাও কোনো নামগন্ধই নেই। অবশেষে একসময় ফেরার পথ ধরলো আমাদের ইনোভা ক্রিস্টা। পেটে তখন চুহাদের উন্মত্ত ছোটাছুটি; সারাদিন তো সেভাবে গুছিয়ে খাওয়াই হয় নি! গৌরব গাড়ি দাঁড় করালো মাঝপথে, বল্লে বল্লে ধাবা-য়।বেশ জম্পেশ ব্যাপার; পাশেই আছে সাবা সাবা ধাবা। বল্লে বল্লে আর সাবা সাবা মিলে বেশ জনচিত্তজয়ী পরিবেশ রচনা করে রেখেছে রাজপথের পাশে। ভিতরে প্রশস্ত চাতাল.. বাগান.. ফোয়ারা.. খাটিয়া বা কুর্সিতে ইচ্ছামতো বসার আয়োজন!টনটনে পা ছড়িয়ে বসে জম্পেশ খাওয়া হোলো চাওল-রাজমা - বেসন দা রোটি - মক্কি দা রোটি - সর্ষুঁ দা শাগ - পায়েস-লস্যি! প্রৌঢ সর্দারজী বাঙালী মেহমানদের খাতিরদারি করলেন দিল খুলে। পন্চনদ -এর দেশে প্রথম সন্ধ্যার পেটপুজো নেহাত মন্দ হলো না!আধঘন্টায় অমৃতসর শহর পুরোনো ও নতুন হাতধরাধরি করে দাঁডিয়ে পেরোলাম বিখ্যাত গুরু নানকদেব বিশ্ববিদ্যালয় তার পাশেই বিশাল উদ্যানশোভিত ক্যাম্পাসে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের মতো আলোকিত এক অপরূপ সৌধ দেখে মুগ্ধ হলাম, জানলাম ওটি খালসা কলেজ! হোটেল গোল্ডেন সিরাজ ক্যাসল খুঁজে পেতে বেগ পেলেও জায়গাটা পছন্দ হোলো বেশ!কোন ভোরে উঠেছি সবাই! ঝটপট তাই বিছানায়। কাল সকাল সকাল উঠে সোজা স্বর্ণমন্দির!

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
নিবন্ধ

ধৌলাধর-এর কাছাকাছি - দ্বিতীয় পর্ব

বৈশাখী উৎসব কাল রং ছড়িয়েছে সারা পন্চনদ জুড়ে; সেই রঙের স্বপ্নমায়া যেন জড়িয়ে আছে পথের দুধারের প্রকৃতিতে। পাকা গমের ক্ষেতে সোনালী আলো, তার মাঝে মাঝে গাছগাছালির সবুজ সঙ্গৎ। মধ্যদিনে গান বন্ধ করে নি পাখিরা; স্বাস্থ্যবান টিয়ার ঝাঁক ওড়াউডি করছে গাছে গাছে আর গমের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায়.অমৃতসর বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে হোটেলে না উঠে সরাসরি চলেছি চল্লিশ কি.মি. দূরে আটারি সীমান্তের দিকে, উল্টোদিকের পাকিস্তানী সীমান্ত ওয়াগা-র নামেই যা খ্যাতি পেয়েছে ওয়াগা বর্ডার রূপে। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ মুখোমুখি দুই দেশের সীমান্তচৌকিতে জাতীয় পতাকা অবনমনের অনুষ্ঠানটি দেখেই ফিরবো আমরা, তারপর পূর্বনির্ধারিত হোটেলে গিয়ে আশ্রয়গ্রহণ।নিদাঘদগ্ধ অপরাহ্নের নিষ্করুণ রৌদ্র গড়িয়ে নামছে দুপাশারি নিম-বট-অশ্বত্থের ডাল বেয়ে। প্রশস্ত সড়কের ডান পাশে একের পর এক পাঁচিলঘেরা সামরিক ছাউনি। পথে মাঝে মাঝেই পেরোচ্ছি পেছনের ডালাখোলা টেম্পো-ম্যাটাডর-ছোটোহাতি গাড়িদের; সেসব গাড়িতে বোঝাই হয়ে সীমান্তচৌকির অনুষ্ঠান দেখতে যাচ্ছে তেরঙা টুপি-ফেট্টি-পতাকায় সজ্জিত তরুণ ভারত। পথের বাঁ ধারে মাঝে মাঝেই বিলাসবহুল দুর্দান্ত সব ফার্মহাউস বা অনুষ্ঠানস্থল বাগান-মূর্তি-স্থাপত্যের আড়ম্বরে যা চোখ ধাঁধিয়ে দেয়, দেখিয়ে দেয় সবুজ বিপ্লবোত্তর পন্জাব-এর সমৃদ্ধি-চিত্র।অকুস্থলের কাছাকাছি এসে লম্বা গাড়ির লাইনের পেছনে থেমে যেতে হোলো। গাড়ির আশেপাশে হাতে-গালে তেরঙা আঁকনেওয়ালা টুপি-ফেট্টি-আর্মব্যান্ড বেচনেওয়ালা ছোটোখাটো স্মারক- সি.ডি - টি-শার্ট গছানেওয়ালারা উপচে পড়লো। ভারতীয় সেনার প্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের পরিচিতিপত্র দেখিয়ে, গাড়ির আগাপাস্তালা চেকিংয়ের অগ্নিপরীক্ষা পেরিয়ে, পৌঁছে গেলাম সীমান্তচৌকির কাছে বিশাল পার্কিংলটে। ওয়াশরুম - কাফেটারিয়া - ওয়েটিং শেড সবকিছু নিয়ে জমজমাট এক পরিকাঠামো সারথী গৌরব এখানেই আমাদের ভূমিস্থ করে সাময়িক বিদায় নিল।কাতারে কাতারে মানুষ; লম্বা লাইন এগোচ্ছে দ্রুত। বাইরের গেট-এর কাছে এসে দেখি পুরুষ ও মহিলাদের লাইন আলাদা করে দেওয়া হয়েছে, পৃথক জায়গায় তাদের শরীর তল্লাশির বন্দোবস্ত। সেই অবশ্যপালনীয় খিটকেলটি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে বাদশাদা-অনীক-আমি আর খুঁজে পেলাম না আমাদের মহিলা ব্রিগেডকে!নিশ্চয়ই ঢুকে গ্যাছে ভিতরে! অনুষ্ঠানের সময় হয়ে আসছে; লোকজন প্রায় ছুটছে দুপাশ দিয়ে। কাজেই গ্যালারিতে জায়গা পেতে হলে কালক্ষেপ না করে এগোও। ওদের ফোন করতে গিয়ে দেখি ফোনের সিগন্যাল হাওয়া! তা হলে যোগাযোগ হবে কী করে! মহা মুশকিল হোলো তো!তিনজনে ফোন টেপাটেপি করতে করতেই পা চালাচ্ছি; হঠাৎ বাদশাদা ফোন পেল সুকন্যার কোথায় তোমরা, কোথায় তোমরা করতে করতেই সে ফোন কেটেও গেল। অতঃপর তিনজনেই প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি, কখনো সখনো কানেকশন হচ্ছেও, কিন্তু কথা বলার আগেই কেটে যাচ্ছে। এই লাখখানেক লোকের ভীড়ে একসাথে না মিললে চিত্তির; কিন্তু ওরা যে কোথায় বোঝাই যাচ্ছে না! দাঁড়িয়ে যাবো কোনো এক জায়গায় নাকি এগোবো তাও ঠিক করতে পারছি না!এই কুনাট্য অভিনীত হোলো আরো প্রায় মিনিট দশেক। ততক্ষণে বন্যার মতো জনস্রোত বয়ে যাচ্ছে মূল অনুষ্ঠানস্থলের দিকে। দূর ছাই, নিশ্চয়ই ওখানেই পাবো ওদের। চলো এগোই। বলে প্রায় দৌড়োলাম তিনজনে।সামনেই বিশাল এক অট্টালিকাসম নির্মাণ, মাথায় লেখা INDIA; সামনে সুউচ্চ দণ্ডশীর্ষে বিশাল জাতীয় পতাকা উড়ছে পতপত করে। গ্রাউন্ড লেভেল-এর প্রবেশপথটি জনস্ফীতিহেতু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে। প্রহরীর নির্দেশ, উঠে যাও পাশের সিঁড়ি দিয়ে ওপরের গ্যালারিতে। সে দিকে তাকিয়েই দেখি সিঁডির পাশে বিপন্ন মুখে দাঁড়িয়ে সুকন্যা আর রূপা!!হারানিধি ফিরে পেলেও সেলিব্রেশন-এর সময় নেই। চিত্রা কই? সে নাকি আমাদের দেরী দেখে একাই গুঁতিয়ে গাঁতিয়ে ঢুকে গেছে ভীড়ে ভীড়াক্কার গ্যালারিতে! দোষারোপ - পাল্টা দোষারোপের সময় নেই; তেডে সিঁড়ি বাইতে শুরু করলাম পাঁচজনে। ঠাসাঠাসি ভীড় প্রায় এগোনোই যায় না ভারতবর্ষের নানান প্রান্তের ভাষায় চিল্লামিল্লি ভেতর থেকে তারস্বরে মাইক উগরে দিচ্ছে জয় হো, জয় হো-ও .দোতলা তেতলার গ্যালারিতে তিলধারণের ঠাঁই নেই, ঢোকাই গেল না। চারতলার ল্যান্ডিংয়ে এসে স্নায়ুবিপর্যয় হোলো সুকন্যা-রূপার আর এক পা-ও যাবো না আমরা, মরবো নাকি এই ভীড়ে লোকের পায়ের তলায়!অনেক চেষ্টাতেও বোঝানো গেল না তাদের। অগত্যা বাদশাদা ওদের দুজনকে নিয়ে নামার পথ ধরলো। অনীক-এর হাত জাপটে ধরে আমি বল্লাম, যা থাকে কপালে, ফিরবো না। চলো দেখা যাক কী হয়!সর্বোচ্চতলার গ্যালারি প্রবেশপথের আগে সিঁড়িতে একদম ঠাসাঠাসি ভীড়, চরম বিশৃঙ্খলা। ওপরের লোকেরা ঢুকতে না পেরে নেমে আসতে চাইছে, নীচের লোকেরা চাইছে ওপরে উঠতে। কঘন্টা আগের দিল্লী-অমৃতসর উড়ানে মাঝের কিছুক্ষণ ভয়ানক এয়ার টার্বুলেন্স-এ পড়েছিল আমাদের বিমান; বারকয়েক মাঝআকাশে এয়ারপকেটে ধাঁইধপ্পাস পড়ে ভীষণ আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। আমি তখন ওয়াশরুমের ভেতর হাতল আঁকড়ে সিঁটিয়ে দাঁড়িয়ে! কিন্তু তখনো এতো ভয় লাগে নি, এই মূহুর্তে যতটা বিপন্নবোধ করছি। এখন আর নেমে যাওয়ারও সুযোগ নেই। বাংলা নববর্ষের বিকেলে, এই দূর সীমান্তচৌকিতে পদপিষ্ট হয়ে যাওয়াই কপালে লেখা ছিল!সারাক্ষণ কোনো ভীড় নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ বা ব্যবস্থা চোখেই পড়ে নি সেভাবে। চিৎকার.. কান্নাকাটি.. গালাগালি.. তার মধ্যেই দুজনে দুজনার হাত জাপটে ধরে, দাঁতে দাঁত চেপে, দেওয়াল ঘেঁষে ঘষটে ঘষটে, অ্যামিবার মতো ক্ষণপদ বা সিউডোপোডিয়া এদিক সেদিক বাড়িয়ে বাড়িয়ে, একসময় কোনোমতে উঠে এলাম সর্বোচ্চ গ্যালারির প্রবেশপথে। তারপর একঝটকায় ভিতরে। মাইকে তখনো অমায়িক নির্দোষ ইয়ে মেরা ইন্ডিয়া, ইয়ে মেরা ইন্ডিয়া..

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩
রাজ্য

জেলাশাসকের উদ্যোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের ভিডিও প্রকাশ

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ জেলাশাসকের মিটিং হলে পূর্ব বর্ধমান জেলা পর্যটনের এক তথ্যচিত্রের উদ্বোধন হল। তথ্যচিত্রটির উদ্বোধন করেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা। তিনি জানান, এই জেলার অনেক জায়গা আছে যেগুলি পর্যটকরা সেভাবে জানে না, সেই জায়গাগুলিকে এই ভিডিওর মাধ্যমে পর্যটন মানচিত্রে নিয়ে এসে মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও জানান, পর্যটনে এই জেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ছাড়াও জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় প্রদর্শিত হবে।জেলাশাসক জানান, সামনেই দুর্গাপুজো, জেলার পুজো কমিটিগুলোকেও আমরা এই ভিডিও দেখানোর অনুরোধ করতে পারি। এছাড়াও জেলার ওয়েবসাইটে এই ভিডিওর লিঙ্ক দেওয়া থাকবে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দপ্তরকে এই ভিডিওটি পাঠিয়ে দিয়েছেন যাতে রাজ্যের পর্যটন নিয়ে যে সমস্ত প্রচার করা হয় সেখানে যাতে দেখনো হয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এদিন বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন বৈচিত্র অনেক বেশী। এখানে যেমন উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় স্থান আছে তেমনই ডোকরা, শোলা, তাঁত, কাঠের তৈরি কারুশিল্পেও উল্লেখযোগ্য স্থান আছে। জেলায় বিস্তীর্ণ বনভূমি আছে। এছড়াও এই জেলায় কুমুদরঞ্জন মল্লিক, রাসবিহারী ঘোষ, রাসবিহারী বোস, কাসিরাম দাস, উপেন্দ্রনাথ ব্রম্ভচারী-র মতো বিশিষ্ট মানুষদের জন্মস্থান। জেলার প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে গঙ্গা, অজয়, দামোদরের মত নদ নদী।প্রিয়াঙ্কা সিংলা আরও জানান, যাঁরা এই জেলায় বেড়াতে আসতে চান, এই ভিডিও তাঁদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার বিশ্বাস, এই ভিডিওটি দেখার পরে অনেকেই এই জেলায় বেড়াতে আসার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত হবে।আজকের এই ভিডিও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল ও টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল)। তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, এই ভিডিওটি সর্বস্তরে প্রচার করা হবে। এর ফলে দেশের ও রাজ্যের মানুষ আরও ভালো ভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাকে জানতে পারবে এবং এখানে বেড়াতে আসবে।টুরিজিম ডেভলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী (রাহুল) জনতার কথাকে জানান, জেলাশাসক শ্রীমতি প্রিয়াঙ্কা শিংলার উদ্যোগে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আর্থিক সহযোগিতায় পূর্ব বর্ধমান জেলার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, হস্তশিল্প, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংমিশ্রনে একটি ভিডিও তৈরী করা হয় যা আজ জেলাশাসকের দপ্তর থেকে প্রকাশিত করা হলো। ভিডিওটি পূর্ব বর্ধমান জেলার অনাবিষ্কৃত পর্যটন সম্ভাবনা খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। ভিডিওটি প্রকাশের মূল লক্ষ্য জেলার পর্যটন সম্ভাবনার প্রচার করা। আগামী দিনে পর্যটনের উন্নয়নে আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দুর্গাপূজা উৎসবের আগে আমরা জেলার পর্যটনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

টানা ৮ ঘন্টা ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তৃণমূল নেতা অভিষেক, ফের তলব করা হতে পারে!

৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)-এর দফতরে। একেবারে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বুধবার সকাল প্রায় সাড়ে ১১টায় সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু নথি নিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা অতিক্রান্ত। প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা গিয়েছে, দুপুর সাড়ে ১২টা ১০ মিনিট থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। আধ ঘন্টা পর অভিষেকের দেওয়া বয়ান নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল বৈঠক করে। তারপর থেকে এখনও দুদফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। অভিষেকের বয়ান রেকর্ড করা হয়।I.N.D.I.A-এর বৈঠকে দিল্লি যাননি। ইডি-র তলবে সাড়া দিয়ে এদিন ইডির দফতরে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমাণ্ড। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার অভিষেককে তলব করে ইডি। এদিন তলবেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দেখছে তৃণমূল। দলের এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই অভিষেককে তলব, যাই হোক না কেন আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আজ আদালতে ইডির মৌখিক রক্ষাকবচ নিয়ে সিজিও-তে এসেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ড ও কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেককে। কুন্তল ঘোষের চিঠিতেও অভিষেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে তিনি নিজেই ওই সংস্থাকে আমার কোম্পানি বলে দাবি করেছিলেন, সেই কারণে ইডি আধিকারিকরা তাঁর কাছ থেকে ওই সংস্থার কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা আবগারি দপ্তরের

একেবারে বিলেতি মদের আসল লেবেল ও বোতল ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছিল নকল বিলেতি মদ। রীতিমতো ঘর ভাড়া করে অবৈধ কারখানা গড়ে উঠেছিল হরিরামপুরে। সেখান থেকেই রম রমিয়ে এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যেত নকল বিলেতি মদ। হরিরামপুর, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট ,তপন, হিলি কুমারগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে পৌঁছে যেত নকল এই বিলেতি মদ। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে আবগারি দপ্তরের দুই দিনাজপুর সহ মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের বিশেষ টিম নকল বিলেতি মদের কারখানায় হানা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই চক্ষু চারকগাছ আবগারি দপ্তরের আধিকারিকদের। উদ্ধার হয় ৩৭৫ এমএলএর ম্যাকডয়েল নাম্বার ওয়ান লাক্সারি, ইম্পিরিয়াল ব্লু এর ২৬ বোতল সিলপ্যাক নকল মদ। এছাড়াও ২০০ লিটার স্পিরিট, নকল হলগ্রাম, লেবেল,স্টিকার নকল মদের বোতল কেমিক্যাল সহ অন্যান্য সামগ্রী। সমগ্র নকল মদ রেডি হলে এর বাজার মূল্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।হরিরামপুর এর চোপা এলাকায় গড়ে ওঠা এই নকল বিলেতি মদের কারখানা থেকে মনোরঞ্জন বর্মন নামক বছর ৪৫ এর এক ব্যক্তিকে আটক করে আফগারি দপ্তর। যদিও আগেভাগেই ফেরার হয় মূল অভিযুক্ত সহ চক্রের অন্যান্য পান্ডারা।শনিবার নির্দিষ্ট ধারায় মামলার রুজু করে গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয় ধৃত ব্যক্তিকে। আফগারি দপ্তরের আধিকারিক সঞ্জীব সুপ্পা জানিয়েছেন এই ধরনের নকল বিলেতি মদ স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত হানিকারক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নকল বিলেতি মদ পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে অন্যান্য রাজ্যে রপ্তানি হতো কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে আধিকারিকদের পক্ষ থেকে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

ফের ইডির তলব অভিষেককে, কড়া আক্রমণ নরেন্দ্র মোদিকে

ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তলব। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১৩ই সেপ্টেম্বর, বুধবার তাঁকে সশরীরে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই তলব। এদিকে এই তলবের পরই টুইট করে অভিষেক বিঁধেছেন নরেন্দ্র মোদীকে। এর আগে ইডির তলবের সময় অভিষেক জানিয়ে ছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যস্ত থাকবেন। তাই যেতে পারছেন না। ইডিও অনেক দিন চুপচাপ ছিল।FIRST meet of INDIAs coordination comm is on 13th Sept in Delhi, where Im a member. But, @dir_ed conveniently served me a notice just now to appear before thm on the VERY SAME DAY! One cant help but marvel at the TIMIDITY VACUOSNESS of the 56-inch chest model. #FearofINDIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 10, 2023তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে লিখেছেন, ভারতের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক ১৩ই সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। ওই কমিটির আমি একজন সদস্য। কিন্তু, ইডি ওই দিন হাজির হওয়ার জন্য এখনই একটি নোটিশ দিয়েছে! ৫৬ইঞ্চি ছাতির ভীরুতা এবং শূন্যতা দেখে অবাক না হয়ে কেউ পারে না।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
নিবন্ধ

ধৌলাধরের কাছাকাছি, প্রথম পর্ব

নববর্ষের ফুরফুরে সকালে যখন হু হু করে ছুটছে আমাদের গাড়ি রাজারহাট-নিউটাউন এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে, লালপেডে শাড়িতে সুশোভিতা একঝাঁক বঙ্গললনার ছোট্ট পদযাত্রা চোখে পডলো; হাতে তাঁদের ঢাউস মাপের শুভ নববর্ষ লেখা তালপাতার পাখা। সকাল আটটার রোদ আটকাতেই অনেকে সে পাখা ব্যবহার করছেন ছাতার মতো। বঙ্গসংস্কৃতি উদযাপন করতে তাঁদের অভিমুখ সেন্ট্রাল মলের সামনের নববর্ষ মেলায় এটা যেমন বোঝা গেল, তেমনই সকাল আটটাতেই ঘামিয়ে দেওয়া এই রুদ্রবৈশাখকে ফাঁকি দিতে চলেছি হিমাচলের ওক-পাইন-দেওদারের ছায়ায় ছায়ায় এই ভাবেই মনটা গার্ডেন গার্ডেন হয়ে গেল!সস্ত্রীক বাদশাদা-অনীক-আমি মোট ছয়জনের নাতিদীর্ঘ বাহিনী। অমৃতসর দিয়ে শুরু করে হিমাচলপ্রদেশের পশ্চিমাংশটা সমঝে নেবো আগামী আটদিনে। প্ল্যানটা দানা বেঁধেছিল মাত্রই মাসখানেক আগে; তাই ফেরার পথে চন্ডীগড থেকে কালকা মেল-এর বাতানুকূল সেকেন্ড টায়ার-এর টিকিট কষ্টেসৃষ্টে পেয়ে গেলেও অমৃতসর অবধি যাওয়ার টিকিট আকাশপথেই কাটতে হোলো। চারমাস আগে ট্রেনের আসন সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু হওয়ায় আমাদের মতো উঠলো বাই তো বিনসর যাই- মার্কা উড়ুউডু মনদের সর্বনাশ হয়ে গেছে। কটা পেশাজীবী মানুষ আর চারপাঁচমাস আগে থেকে আজকাল বেড়ানোর ছক সাজিয়ে উঠতে পারে!বাদশাদা-সুকন্যা আর অনীক-চিত্রা ভোর ভোর বেরিয়ে গাড়ি নিয়ে আসছে বর্ধমান থেকে। রূপা আর আমি কাল সন্ধ্যেতেই চলে এসেছিলাম বারুইপুরের কাছে শ্বশুরবাডিতে। মেয়েও চলে এসেছিল হোস্টেল থেকে; তার সাথে সময় কাটিয়ে সকাল সকাল দুজনে চলেছি দমদম হাওয়াই আড্ডায়। আমাদের পৌঁছে দিয়ে সারথী মিঠু ফিরে যাবে বর্ধমান।3A গেট-এ নামলাম যখন, উড়ান-এর বাকি পৌনে দুঘন্টা। দুজনের দুটি সুটকেস, সাথে দুই পিঠব্যাগ। টিকিটের প্রিন্টআউট নিয়ে গেটের সি.আই.এস.এফ সান্ত্রী দেখছেন তো দেখছেনই। কী হোলো রে বাবা! আমার আধারকার্ড দেখে মিলিয়েছেন; রূপারটা বারবার উল্টাচ্ছেন ওনার তো টিকিট নেই।মানে? টিকিট হাতে নিয়ে স্মার্টলি দেখাতে গিয়ে আমার চক্ষুস্থির! টিকিট কেটে দিয়েছিলেন এক নিকটজন; রূপার পোশাকী নাম যে ইতি সরকার সেটা বোধ হয় জানা ছিল না তাঁর। ফলত টিকিটে নাম আছে রূপা সরকার। এদিকে আধারকার্ডে জ্বলজ্বল করছেন ইতি সরকার! আর এই মাসখানেক-এর মধ্যে আমরা কেউই একবারও শ্রীনয়ন মেলে তাকাই নি টিকিট-এর পানে!!সর্বনাশের মাথায় বাড়ি! কী হবে এবার! রূপা প্রায় কেঁদে ফেলে আর কি! অন্যেরা ইতিমধ্যে ভিতরে ঢুকে চেক ইন করে করে ফেলেছে। ফোন লাগালাম কাঁপা হাতে। শুনে ওদেরও আক্কেলগুডুম! ভিস্তারা-র কাউন্টারের মে আই হেল্প ইউ আসনের মহিলা প্রথমে সটান বলে দিলেন কিছু করার নেই । পরে অন্য এক ভদ্রলোকের সহায়তায় কাস্টমার কেয়ার-এ ফোন করে জানা গেল নামের বানান ভুল হলে ঠিক করে দেওয়া যেত, কিন্তু নাম পরিবর্তন অসম্ভব!রূপার টিকিট ক্যানসেল করে ইতি সরকার নামে নতুন টিকিট কাটো; গচ্চা যা যায় যাবে, কিছু করার নেই ! সে গুড়ে বালি; কলকাতা-দিল্লী আর দিল্লী-অমৃতসর দুটো উড়ানই পুরো ঠাসা। ভিস্তারা-র পরবর্তী দিল্লী যাত্রা অনেক বেলায়; আর বেশ কয়েকঘন্টা ট্র্যানজিট টাইম দিল্লিতে কাটিয়ে পরের অমৃতসর উড়ান ধরে পৌঁছাতে রাত দশটার কাছাকাছি হয়ে যাবে!মাথা ঝাঁঝাঁ করছে। কী করি! বাদশাদা আর অনীক ছোটাছুটি করছে ভিতরে, ফোনাফুনি চলছে, আর আশ্বাস পেয়ে চলেছি দেখছি আমরা, কিছু একটা ব্যবস্থা হবে নিশ্চয়ই!আচ্ছা, রূপার টিকিটটা ক্যান্সেল হলেই তো একটা সিট খালি হয়ে যাবে; সেখানেই তো জায়গা পেয়ে যাবে ইতি সরকার এটাই বলো না ওদের!এক একটা মিনিট এক এক ঘন্টা যেন! কলকাতা বিমানবন্দরের সাথে কোনো সূত্রে যোগাযোগ আছে এমন প্রায় সব বন্ধুকে ফোন করা হয়ে গেছে। উড়ান-এর সময় এগিয়ে আসছে। অবশেষে ভিস্তারা-র কর্মীরা সফল হলেন ঐ প্লেন-য়েই নতুন টিকিট কাটায়। গচ্চা গেল একগাদা; তবু..., যেন প্রাণ আসলো ধড়ে!!ওয়েব চেক ইন করে দিয়েছে ওরা। হুড়মুড় করে ব্যাগপত্র জমা দিয়ে, সিকিউরিটি চেক করে, ঢুকে পড়লাম ভিতরে। বোর্ডিং শুরু হয় হয়। তা বলে মোমো না খেয়ে প্লেনে ওঠা যায় বুঝি! ওটা যে দমদম-এ এসে আকাশে ওড়ার আগে আমার অবশ্যপালনীয় মঙ্গলাচরণ! অতএব ওয়াও মোমো-র কাউন্টারে হামলে পড়লাম সবাই। কাউন্টার-বর্তিনী জানালেন ছপ্লেট ফ্রায়েড চিকেন মোমো পাকাতে বিশ মিনিট সময় দিতে হবে। আপাতত তৈরী আছে এক প্লেট। কিছু পরোয়া নেহি! ঐ এক প্লেটই ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে একটা করে মোমো দিয়ে মুখশুদ্ধি করে নিয়ে দে দৌড় বোর্ডিং লাইনের দিকে। তবে তার মধ্যেই পাশের বইয়ের দোকান থেকে রিডার্স ডাইজেস্ট আর আউটলুক ট্র্যাভেলার পত্রিকার সাম্প্রতিকতম সংখ্যাদুটি তুলে নিতে ভুল হয় নি।ভিস্তারা আমার বেশ পছন্দের বিমানসংস্থা। মাঝে তিন বছরের কোভিডকাল বাদ না সাধলে এতোদিনে এরা ইন্ডিগো-কে বেশ কড়া প্রতিদ্বন্দিতার মুখে ফেলে দিতো বলেই আমার বিশ্বাস। কালো চামড়ায় মোড়া মোটা গদীতে ডুবে গিয়ে পরবর্তী দুঘন্টায় দিল্লী পাড়ি দিলাম বইয়ের পাতায় চোখ রেখে। রসনাতৃপ্তির আয়োজনও নেহাত মন্দ ছিল না। তবে দিল্লিতে নেমে মাত্র মিনিট পঁয়তাল্লিশের ব্যবধানে অমৃতসর উড়ান ধরার জন্য যা ছুটতে হোলো টার্মিনাল থ্রি-র অন্তহীন অলিন্দ বেয়ে, সে আর বলার নয়! তবে ভিস্তারা-র গ্রাউন্ডস্টাফ প্রায় পরমপ্রভু-প্রেরিত মেষপালকের মতো সযত্নে আমাদের তাড়িয়ে নিয়ে গেলেন প্রার্থিত বিমান অভিমুখে। সেই পাগডি-অধ্যুষিত উড়ানে যেই না ঢোকা, গড়গড়িয়ে বিমানের দরজা গেল বন্ধ হয়ে; আবার আকাশচারী হলাম সবাই।একঘন্টার সংক্ষিপ্ত উড়ান; পবিত্রশহরগামী বলেই বোধ হয় খাবারটাও নিরামিষ দিল। মেজাজটা ঈষৎ খিঁচডে গেলেও বেশ নীচু দিয়ে ওড়ায় হরিয়ানা-পন্জাবের মাঠঘাট-সেচখাল-গ্রামগঞ্জ দেখতে দেখতে মন ভালো হয়ে গেল। বিমান অমৃতসরের মাটি ছুঁলো মসৃণভাবে।হিসেবমতো অমৃতসর পন্জাব-এর এক জেলাশহরমাত্র হলেও আন্তর্জাতিকস্তরে এর নিবিড় ধর্মীয়-সামাজিক-ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্য বিমানবন্দরটি বেশ জোরদার.. সুন্দর.. গাম্ভীর্যপূর্ণ। এখান থেকে বার্মিংহাম-গামী আন্তর্জাতিক উড়ান চালু হয়ে গেছিল ভারতীয় বিমান-ইতিহাসের একেবারে ঊষাকালেই। বহু নিয়মিত ও চার্টার্ড ফ্লাইটের সতত আনাগোনা এখানে। ভ্রমণসূচী ঠিকঠাক জায়গা দিয়েই শুরু করেছি আমরা।মালপত্র পেতে দেরী হোলো না। বাইরে বেরিয়ে ড্রাইভারকে ফোন করতেই মিনিট দশেকের মধ্যেই ইনোভা ক্রিস্টা নিয়ে এসে হাজির ঝাঁকড়াচুলো বেঁটেখাটো চেহারার ড্রাইভার গৌরব। ঝটপট গাড়িবোঝাই হয়ে রওনা দিলাম চল্লিশ কি.মি. দূরে আটারি-ওয়াগা সীমান্তের উদ্দেশে। ঘড়িতে তখন বিকেল সাড়ে তিনটে । ড. সুজন সরকার, বর্ধমান।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

এক ধাক্কায় কত বেতন বাড়ল বাংলার মন্ত্রী-বিধায়কদের বেতন?

শহিদ মিনারের নীচে এখন অবস্থানে বসে আছে ডিএ আন্দোলনকারীরা। মামলা গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এদিকে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণায় এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ল বিধায়ক মন্ত্রীদের বেতন। বাংলা দিবস নিয়ে বিধানসভায় আলোচনার শেষে এই বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্য সরকারী কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চলছে। টানা শহিদ মিনারে বসে রয়েছেন সরকারী কর্মীরা। নতুন নিয়োগ বা উন্নয়ন প্রকল্পও থমকাচ্ছে অর্থের অভাবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমাদের রাজ্যের বিধায়কদের বেতন দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম। চলাফেরা, দুটো খাওয়া, সবই ওই টাকায় করতে হয়। সেটা পর্যবেক্ষণ করেই আমাদের সরকার তাই বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কত বাড়ছে বেতন?মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মোতাবেক- বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন একধাক্কায় ৪০ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।এতদিন বিধায়কদের বেতন ছিল প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে। তা বেড়ে হল ৫০ হাজার টাকা।রাজ্যের প্রতিমন্ত্রীরা এত দিন মাসে ১০ হাজার ৯০০ টাকা করে বেতন পেতেন। এখন তা বেড়ে হল ৫০ হাজার ৯০০ টাকা।পূর্ণমন্ত্রীদের বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা। তাঁরা বেতন বাবদ এবার থেকে পাবেন ৫১ হাজার টাকা করে।বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে পূর্ণমন্ত্রীরা মন্ত্রীরা এখন থেকে প্রতি মাসে পাবেন দেড় লক্ষ টাকার বেশি। প্রতিমন্ত্রীরা পাবেন প্রায় ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৯০০ টাকা। বিধায়করা পেতে চলছেন মাসিক ১ লাখ ২১ হাজার টাকা বেতন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে বেতন নেন না বলে জানিয়েছেন।মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, আমরা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে সমর্থন করছি না। আমরা চাই আশাকর্মী, ভিলেজ পুলিশ, সিভিক পুলিশ, চুক্তিভিত্তিক সব শিক্ষক, ভোকেশনাল টিচাররা সম কাজে সম বেতন পাক। আর আমরা যখন হাউজে ছিলাম না তখন উনি একতরফাভাবে মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন।সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, কর্মীরা ডিএ বাড়াতে বললেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন টাকা নেই। কর্মীও বহু জায়গায় নিয়োগ হচ্ছে না। অথচ মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বাড়ালেন উনি। এটাকেই বলে তেলা মাথায় তেল দেওয়া। বাংলার মানুষকে পুরোটায় নজর রাখতে অনুরোধ করছি। আদালতেও এটা আমরা জানাবো। আমরা আন্দোলন আরও জোরদার করবো।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৩
দেশ

ইন্ডিয়া কেন ভারত? মোদি সরকারের উদ্দেশ্য প্রকাশ্যে আনলেন অভিষেক

দ্য প্রেসিডেন্ট অফ ভারত, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পক্ষ থেকে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে দেশবিদেশের অতিথিদের নৈশভোজের আমন্ত্রণপত্র, এই লেখা ঘিরেই আপাতত চরম বিতর্ক। তাহলে কী এবার সত্যি ইন্ডিয়ার বদলে শুধুই ভারত? দেশের নামকরণ বিতর্কে গতকালই কেন্দ্রের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন মোদী সরকারের এই নাম বদলের কৌশল? এক বার্তায় সেটাই ব্যাখ্যা করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।সংবিধানে ভারত এবং ইন্ডিয়া এই দুয়েরই উল্লেখ রয়েছে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে সব বাদ দিয়ে দেশের নাম শুধু ভারত রাখার দাবি উঠছে। এই নেপথ্যে আরএসএস-এর দর্শন রয়েছে বলে মনে করে বিরোধীীা। পাশাপাশি বিরোধী জোটের নাকরণ হওয়ায় ইন্ডিয়া নামটি মানতে কষ্ট হচ্ছে গেরুয়া শিবিরের। তাই এই পদক্ষেপের ভাবনা। মনে করছে বিরোধী দলগুলো। এদিকে পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, ব্রিটিশদের দেওয়া দেশের ইন্ডিয়া নামটি কেন এখনও ব্যবহার হবে। আগামী সংসদ অধিবেশনে এই নামকরণ সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।INDIA vs BHARAT is just a distraction orchestrated by the BJP. Lets cut to the chase and hold the govt accountable for skyrocketing prices, rampant inflation, communal tensions, unemployment, border disputes and their empty rhetoric of Double Engine and Nationalism. #StayFocused Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 6, 2023কি লিখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?বুধবার দুপুরে দেশের নামবদল বিতর্কে বিরাট ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়। এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ভারত বনাম ইন্ডিয়া আসলে বিজেপির দ্বারা সংগঠিত একটি বিভ্রান্তি মাত্র। আসল ইস্যুগুলি থেকে নজর ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। আসুন আমরা এই প্ররোচনায় পা না দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কাঠগড়ায় তুলি। সরাসরি আক্রমণ করি আকাশছোঁয়া দাম, ব্যাপক মূদ্রাস্ফিতি, সাম্প্রদায়িক বিভাজন, বেকারত্ব, সীমান্ত বিরোধ, ডাবল ইঞ্জিন সরকারের শূন্যতা এবং জাতীয়তাবাদের ফাঁকা আওয়াজের জন্য।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
শিক্ষা

প্রতিটা দিনই 'শিক্ষক দিবস'; শিক্ষক দিবসে এই বার্তা-ই দিল বর্ধমানের ইংরাজি মাধ্যম স্কুল

১৫ থেকে ৫ই অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হয়। কিন্তু ভারতে এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর। সাধরণ রেওয়াজ অনুযায়ী সমগ্র দেশে এই বিশেষ দিনে ছাত্র ছাত্রীরা তাঁদের শিক্ষক শিক্ষিকা দের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে নানাবিধ অনুষ্ঠান অয়োজন করে। সরস্বতী পুজার মত এই দিনের অনুষ্ঠানের সকল দায়িত্ব ছাত্ররাই বহন করে। নাচ গান আবৃত্তির মাধ্যমে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানাবিধ অনুষ্ঠান হয়। আন্তর্যাতিক সংস্থা ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক শিক্ষকদের সন্মাননা জানানোর জন্য তাঁদের স্মরণে ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেক্ষেত্রে ভারতে কেন শিক্ষক দিবস এক্মাস আগে পালন হয়? এই প্রশ্নই অনেকের মনে।স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মদিনে ভারতের শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। একাধারে দার্শনিক, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও ভারতরত্ন প্রাপক ডঃ রাধাকৃষ্ণান ১৮৮৮ র ৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন তৎকালীন মদ্রাজ আধুনা চেন্নাইয়ের প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নমানের সহিত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫২ তে স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। এর ঠিক ১০ বছর অতিক্রান্ত করে ১৯৬২ তে ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে নিযুক্ত হন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনে।১৯৬২ তে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগুনতি ছাত্র ছাত্রীরা তাঁর জন্মদিনটি পালনের জন্য অনুরোধ রাখেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের কাছে। তার প্রত্যুত্তরে তিনি জানান, তাঁর জন্মদিনকে আলাদাভাবে পালন করার চেয়ে, যদি ৫ সেপ্টেম্বর দিনটিকে শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হয় তবে তাতে আমি অধিকতর খুশি হব। সে থেকেই, সারা বিশ্বে শিক্ষক দিবস ৫ অক্টোবর পালিত হলেও, ভারতে ১৯৬২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বরই শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হয়।সারা দেশ সহ পশ্চিমবঙ্গের ও বিভিন্ন বিদ্যালয়, কলেজ সহ শিক্ষা সাথে জুড়ে থাকা নানান প্রতিষ্ঠানে এই দিনটি পালিত হল মহা সমারোহে। বর্ধমানের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলেও এই দিনটি খুব জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হয়। সকাল থেকেই রঙ্গিন পোষাকে চকলেট, গোলাপ, হাতে তৈরি গ্রিটিংস কার্ড নিয়ে উপস্থিত কচিকাঁচারা। তাঁদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত। ওরিয়েন্টাল এসোশিয়েশান ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সংস্থার অধিনস্ত এই স্কুলে বরাবরই পড়াশোনার সাথে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের এক সুন্দর মেলবন্ধন আছে। সেই রেশ রেখেই ছাত্র ছাত্রীরা নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটকের মাধ্যমের তাঁদের শিক্ষকদের শ্রদ্ধা জ্ঞ্যাপন করেন। সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের প্রতিকৃতিতে মাল্যদাল ও পুষ্পার্ঘ প্রদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংস্থার সেক্রেটারি ও বিদ্যালের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষক দিবস কোনও একটা বিশেষ দিন নয়, সারা বছরের প্রতিটা দিনই শিক্ষক দিবস। শিক্ষক কথাটার অর্থ ব্যপক...। শুধুমাত্র তোমাদের ক্লাসের মধ্যে যিনি ক্লাস নিচ্ছেন তিনিই একমাত্র শিক্ষক নন। পিতা, মাতা, গুরুজন, প্রতিবেশী, ক্রীড়াবিদ এরা সকলেই তোমাদের শিক্ষক। এমনকি আমরা অনেক ছোট ছোট জিনিস শিক্ষা লাভকরি এমন কিছু মানুষের থেকে যাঁদের শিক্ষক ভাবতে আমরা লজ্জা পাই তারাও এক অর্থে আমাদের শিক্ষক। তাই শিক্ষক কে অনুসরণ করে যদি চলা যায় তাঁকে যদি সারা জীবন তোমরা শ্রদ্ধা করতে পারো কোনোদিনই তোমরা তোমাদের জীবনের চলার পথে হোঁচট খাবে না।তিনি আরও বলেন, যে মানুষটি তাঁর নিজের জন্মদিনটি পালন না করে, সকল শিক্ষকদের স্মরণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞ্যাপন করার কথা বলেন, তাঁর অর্থ এটাই দাঁড়ায় যেকোনো সফল মানুষের পিছনে একগুচ্ছ সফল শিক্ষক। তোমাদের সফল দেখাটাই শিক্ষদের সফলতা, তাই তাঁদের কথা আদেশ ভেবে মেনে চললেই জীবনে সফল হওয়ার চাবিকাঠির সন্ধান পেয়ে যাবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

শর্তসাপেক্ষে আগাম জামিন নওশাদের, নির্দেশ মতো থানায় হাজিরা

সহবাস ও ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলায় শর্তসাপেক্ষে আগাম জামিন মঞ্জুর হল ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির। সোমবার আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।হাইকোর্টের নির্দেশ, তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে নওশাদকে। হাইকোর্ট জানিয়েছে, তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি ছাড়া রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না নওশাদ। এছাড়াও, নওশাদ সিদ্দিকিকে সপ্তাহে দুদিন তাঁকে বউবাজার থানায় হাজিরা দিতে হবে।ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদের বিরুদ্ধে সহবাস, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করেন মুর্শিদাবাদের ডোমকল শহর তৃণমূল কমিটির অন্যতম সাধারণ সম্পাদিকা। ওই তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতার বৌবাজার থানায় নওশাদ সিদ্দিকির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। এফআইআরে অভিযোগকারিণীর দাবি, দেড় বছর আগে তাঁকে বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে নিজের অফিসে আটকে রেখে ধর্ষণ করেছেন নওশাদ। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েও বেশ কয়েক বার সহবাস করেছেন আইএসএফ বিধায়ক। অভিযোগ, এরপর অভিযোগকারিণী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাঁকে এড়িয়ে যেতে থাকেন নওশাদ। বিধায়ক কখনও নিজে, কখনও সহকারীদের দিয়ে তরুণীকে হুমকি দিয়েছেনএরপর গত ৭ জুলাই আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নওশাদ সিদ্দিকি। মামলা দায়েরের অনুমতি দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নওশাদকে এদিন আগাম জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কি কথা হল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের? বৈশাখী তখন কি করছিলেন?

একদা একসঙ্গেই দল করতেন।একজনের ইডির তালিকায় নামও ছিল। গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আরেকজন শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি। এবার তাঁদের দেখা হল আলিপুর কোর্ট লকআপে। দুজনই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হল কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের।শনিবার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলিপুর আদালতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। সেখানে জানতে পারেন ওই কোর্ট লকআপেই রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গাড়িতে উঠেছিলেন কিন্তু ফের তিনি নেমে পড়েন। একসময়ের সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে কোর্ট লকআপে যান শোভন। দূর থেকে তাঁদের মধ্যে কথাও হয়।দুজনে কী কথা বললেন?শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দূর থেকে দেখলাম। দেখা করার সেই পরিবেশ, পরিস্থিতি নেই।পার্থ চট্টোপাধ্যায় কী পরিস্থিতির শিকার? শোভন বলেন, পার্থদা পরিস্থিতির শিকার তো বটেই! আমাকেও তো গ্রেফতার করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তো আর প্রশাসন থেকে আলাদা কিছু নয়! এত দিন এক সঙ্গে ছিলাম। না দেখা করে চলে গেলে মনে হত, এখান থেকে চলে গেলাম! দূর থেকে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। শোভন যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান তখন বৈশাখী গাড়িতেই বসেছিলেন। এই প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেছেন, দীর্ঘ দিনের সঙ্গী তো।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 140
  • 141
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বিস্ফোরণ! ৭০০ ভোটারের নাম উধাও, রাস্তায় আগুন হাসনাবাদে

ভোটের মুখে হাসনাবাদে উত্তেজনা ছড়াল ভোটার তালিকা নিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই কাঁথি-মালঞ্চ রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন শতাধিক মানুষ। তাদের অভিযোগ, তিনটি বুথ থেকে প্রায় ৭০০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভার মাখালগাছা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ২৫১, ২৫২ এবং ২৫৩ নম্বর বুথে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, নতুন তালিকায় ২৫১ নম্বর বুথের এক পঞ্চায়েত সদস্যের নামও নেই। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।বিক্ষোভকারীরা রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। ফলে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরে এই এলাকায় বসবাস করেও তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি আসা কিছু মানুষের নাম তালিকায় রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।এক বাসিন্দা জানান, তাদের পরিবার বহু বছর ধরে এই এলাকায় থাকলেও এবার নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কেন এমন হল, তা তারা বুঝতে পারছেন না। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।গত এক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠছে। তালিকা সংশোধন নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে। কোথায় আবেদন করতে হবে, কীভাবে নাম তোলা যাবে, তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে।এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে বহু মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে। এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বড় বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

অমিত শাহকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, কল্যাণের বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে চলেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ করছে।বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে উস্কানিমূলক এবং হিংসাত্মক। এই ধরনের মন্তব্য যাতে আর না করা হয়, সেই জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। পাশাপাশি, তাঁর সেই বক্তব্যের ভিডিওও সরানোর দাবি জানিয়েছে বিজেপি।সম্প্রতি এক প্রচারসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ৪ মে আপনাকে সবুজ আবির মাখাব। ১৫ দিন কেন, ১৫ মাস থাকুন। আপনার দাদাগিরি শেষ করে দেব। এই বক্তব্য ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।বিজেপি এই মন্তব্যকে কুরুচিকর বলে দাবি করেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে তারা। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিওর উল্লেখও করা হয়েছে।বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, একজন সাংসদের মুখে এই ধরনের ভাষা শোভা পায় না এবং এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! কসবা থানার ওসি সাসপেন্ড, চাঞ্চল্য শহরে

ভোটের আগে কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানার ওসি বিশ্বনাথ দেবনাথকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিযোগ, এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকায় কুখ্যাত সোনা পাপ্পুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি।নির্বাচনের আগে প্রতিটি থানার কাছে এলাকার দাগি দুষ্কৃতীদের তালিকা চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কসবা থানাও সেই তালিকা পাঠায়। কিন্তু কমিশন সূত্রে খবর, সেই তালিকায় সোনা পাপ্পুর নাম ছিল না। এরপরই শনিবার কমিশনের আধিকারিকরা থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথা বলেন। জানা গিয়েছে, তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এরপর রবিবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।উল্লেখ্য, সোনা পাপ্পু নামে পরিচিত বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনাতেও তাকে খোঁজা হচ্ছে। কসবা ও তোপসিয়া এলাকায় তার প্রভাব দীর্ঘদিনের বলে জানা যায়।স্থানীয়দের মতে, পরিবারের সোনার ব্যবসা থাকলেও ধীরে ধীরে অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সে। ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তার নাম সামনে আসে। পরে ২০১৭ সালের একটি খুনের মামলাতেও তার নাম জড়ায়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে সে পলাতক।এই পরিস্থিতিতে এমন একজনের নাম দাগি তালিকায় না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর মধ্যেই ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের একাধিক থানায় বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্বে থাকা হীরক দলপতিকে গোয়েন্দা দফতরে পাঠানো হয়েছে। নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নীলকান্ত রায়। গড়িয়াহাট থানায় দায়িত্ব পেয়েছেন রাজকুমার মিশ্র। বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মনীশ সিংহকে। চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে মনোজ দত্তকে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে পুলিশ প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ, সংবেদনশীল এলাকায় সরেজমিনে যাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তিন দিনের সফরে এসে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। শনিবার জেলায় পৌঁছেই তিনি দীর্ঘ বৈঠক করেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে তিনি নিজে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। তাঁর প্রধান লক্ষ্য, ভয়মুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করা।এদিন বিকেলে জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বিশাল গর্গ এবং জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহার উপস্থিতিতে এই বৈঠক হয়। জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আগের নির্বাচনে যে সব এলাকায় অশান্তি হয়েছিল, সেগুলির নিরাপত্তা নিয়ে খোঁজখবর নেন তিনি।বৈঠক শেষে তিনি জানান, জেলায় প্রায় ৪০ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। এত বড় সংখ্যক ভোটারের জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, প্রত্যেক ভোটার যাতে কোনও ভয় বা চাপ ছাড়াই নিজের ইচ্ছামতো ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই সফর।তিনি আরও জানান, আগের নির্বাচনগুলিতে যেখানে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা গিয়েছিল, সেই সব এলাকায় তিনি নিজে যাবেন। রবিবার জেলাশাসককে সঙ্গে নিয়ে তিনি সরাসরি সেইসব এলাকায় পরিদর্শনে যাবেন। শুধু অফিসে বসে নয়, মাঠে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেই বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ভোট নিয়ে ভয়ের কোনও কারণ নেই। কমিশন এবং জেলা প্রশাসন মিলেই নিরাপদ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।রাজনৈতিক মহলের মতে, আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই কমিশন এবার আরও বেশি সতর্ক হয়েছে। স্পর্শকাতর এলাকায় সরাসরি নজরদারি বাড়ানো এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর এই উদ্যোগ জেলায় কড়া নিরাপত্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলি একাধিক ওসি, নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের অন্দরে আবার বড়সড় রদবদল হল। এতদিন ধরে প্রশাসনিক মহলে একের পর এক আমলার বদলি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই সঙ্গে পুলিশের উপরতলায় বদলি নিয়েও জল্পনা ছিল। এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কলকাতা পুলিশে একাধিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে।শনিবার লালবাজারের তরফে কমিশনারের ১৮১ এবং ১৮২ নম্বর নির্দেশ জারি করা হয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার বেশ কয়েকজন আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই রদবদলে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সরিয়ে অন্য দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে।পার্ক স্ট্রিট থানার ওসি হীরক দলাপতি এবং বিজয়গঞ্জ বাজার থানার ওসি অংশুমান রায়কে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে পাঠানো হয়েছে। চেতলা থানার ওসি অমিতাভ সরকারকে বিশেষ টাস্ক ফোর্সে বদলি করা হয়েছে।অন্যদিকে, নতুন করে বেশ কয়েকটি থানায় নতুন ওসি নিয়োগ করা হয়েছে। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে নীলকান্ত রায়কে পার্ক স্ট্রিট থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্যামপুকুর থানার অতিরিক্ত ওসি রাজ কুমার মিশ্রকে গড়িয়াহাট থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এন্টালি থানার অতিরিক্ত ওসি মনীশ সিংকে বিজয়গঞ্জ বাজার থানায় পাঠানো হয়েছে। বিশেষ টাস্ক ফোর্স থেকে মনোজ দত্তকে ফিরিয়ে এনে চেতলা থানার নতুন ওসি করা হয়েছে।এছাড়াও হেয়ার স্ট্রিট এবং ঠাকুরপুকুর থানার ওসিদের মধ্যেও বদলি হয়েছে। এই দুই থানার বর্তমান ওসি লোপসাং তশেরিং ভুটিয়া এবং রাজীব সাহুর মধ্যে দায়িত্ব বিনিময় করা হয়েছে।এদিকে, ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিক প্রশান্ত মজুমদারের আগের বদলির নির্দেশ বাতিল করা হয়েছে। তাঁকে আগের দায়িত্বেই বহাল রাখা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকায় গত ২৯ মার্চের আগের কিছু নির্দেশেও আংশিক পরিবর্তন ও সংশোধন আনা হয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এই রদবদল ঘিরে কলকাতা পুলিশের অন্দরে এবং প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
বিদেশ

কলকাতাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! পাক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি কোনও সংঘাত তৈরি হয়, তবে তা আর সীমান্তে আটকে থাকবে না, বরং ভারতের ভিতরেও ছড়িয়ে পড়বেএমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি সরাসরি কলকাতার নাম নিয়ে আক্রমণের কথাও বলেন, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।শনিবার সিয়ালকোটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খোয়াজা আসিফ বলেন, ভারত যদি কোনও মিথ্যা অজুহাতে অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার ফল ভালো হবে না। তিনি দাবি করেন, সেই সংঘাত সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা কলকাতা পর্যন্ত গড়াবে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতে শীঘ্রই একটি ভুয়া হামলা হতে পারে। তাঁর দাবি, ভারত নিজেই এমন হামলার পরিকল্পনা করছে এবং পরে সেটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে তুলে ধরবে। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দেননি।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যদি ভারত এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, তাহলে গত বছরের থেকেও বড় অপমানের মুখে পড়তে হবে। তাঁর কথায়, সংঘাত আর সীমান্তবর্তী কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তারা ভারতের ভিতরে ঢুকে হামলা চালাতে পারে।অন্যদিকে, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই মাসেই পাকিস্তানের ভিতরে এক বা একাধিক হামলা হতে পারে। সেই হামলার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে অস্থিরতা তৈরি করে তার দায় ভারতের উপর চাপানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থন পেতে বা কূটনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য এমন কৌশল নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেও বাইরের শত্রু তত্ত্ব সামনে আনা হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াল পাকিস্তান।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগের রাতেই চাঞ্চল্য, কোচবিহারে অস্ত্র-সহ ধরা ২ দুষ্কৃতী

রবিবার কোচবিহারে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভাকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে অত্যন্ত কড়া। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার গভীর রাতে কোচবিহার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চ্যাংড়াবান্ধা এলাকায় নাকা চেকিং চলছিল শনিবার রাতে। সেই সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ছয়টি দেশি পিস্তল এবং ২০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়।জানা গিয়েছে, ধৃতরা মেখলিগঞ্জ এলাকা থেকে অস্ত্র নিয়ে আসছিল। রাত প্রায় আড়াইটা নাগাদ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের হাতে তারা ধরা পড়ে। পরে তাদের পুলিশে তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভার ঠিক আগের রাতে এতগুলি অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।কেন এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল, এর পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এরই মধ্যে আর একটি ঘটনা ঘিরেও জল্পনা বেড়েছে। শনিবার মালদহের মালতীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারের সামনে একটি রহস্যময় ড্রোন উড়তে দেখা যায়। ঘটনাটি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসতেই তিনি কিছুক্ষণের জন্য থেমে যান।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই মালদহের কালিয়াচকে বিক্ষোভের জেরে প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে আটকে রাখা হয়েছিল। সেই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী সেখানে সফরে গিয়েছিলেন। এর মধ্যেই ড্রোন দেখা যাওয়া এবং কোচবিহারে অস্ত্র উদ্ধারএই দুই ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রাতের শহরে চাঞ্চল্য, গাড়ি থেকে উদ্ধার প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা! ভোটের আগে বড় প্রশ্ন

ভোটের আগে রাতের শহরে বড়সড় চাঞ্চল্য ছড়াল। নেতাজি নগর থানা এলাকায় নাকা চেকিং চলাকালীন একটি গাড়ি থেকে প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে পুলিশ এবং নজরদারি দলের যৌথ তল্লাশিতে এই বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে এবং গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে নিয়মিত নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় আলিপুর দিক থেকে একটি গাড়ি আসতে দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত আধিকারিকদের। গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে সেখান থেকে ৩৭ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা উদ্ধার হয়।গাড়িতে থাকা আশুতোষ আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু এত বড় অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল এবং কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তিনি দিতে পারেননি। ফলে এই টাকা পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।ঘটনার পরেই বিষয়টি জানানো হয় আয়কর বিভাগকে। নিয়ম মেনে উদ্ধার হওয়া টাকা তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, টাকার প্রকৃত মালিককে তলব করা হবে। তিনি যদি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন, তাহলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে। অন্যথায় সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal