• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ০৫ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INDIA

খেলার দুনিয়া

IPL : আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?‌

২০২২ আইপিএলের জন্য দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। নতুন দল নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। নতুন দল নেওয়ার জন্য আগস্টের শেষে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল। ৫ অক্টোবরের মধ্যে আগ্রহী সংস্থাগুলিকে টেন্ডার জমা দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই যে যে শহরগুলির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, তার তালিকাও তৈরি হয়ে গেছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনআগেই শোনা গিয়েছিল আমেদাবাদ ও লক্ষ্ণৌ, এই দুটি শহরের নামে দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ৬টি শহরের নাম ভেবে রেখেছে। তাদের মধ্যে দুটি শহরকে ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়া হবে। নিলামের জন্য যে ৬টি শহরের কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, সেগুলি হল গুয়াহাটি, রাঁচি, কটক, আমেদাবাদ, লক্ষ্ণৌ ও ধর্মশালা। আইপিএলে আঞ্চলিক ভারসাম্যের কথা ভেবেই শহরগুলি বেছে নেওয়া হয়েছে। কবে নিলাম ডাক হবে, তা অবশ্য এখনও ঠিক হয়নি। সামনের মাসে টেন্ডার খোলার পর নিলামের দিন চূড়ান্ত করা হবে বলে ভারতীয় বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপতবে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে আমেদাবাদ। আমেদাবাদ দল কেনার জন্য শিল্পপতি গৌতম আদানি ঝাঁপাতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কাও নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার জন্য ঝাঁপাতে পারেন। একসময় পুনে রাইজিং স্টার দলের মালিক ছিলেন শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। নতুন দলের জন্য প্রথমে ১৭০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। যে সংস্থা বার্ষিক ৩ হাজার কোটি টাকা ও তার বেশি আর্থিক লেনদেন করে থাকে, একমাত্র তাদেরই আইপিএলের নতুন দল কেনার বিডে অংশ নিতে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরআইপিএলের নতুন দল কিনতে গেলে কী যোগ্যতা থাকতে হবে, টেন্ডার জমা দেওয়ার নিয়ম, প্রস্তাবিত নতুন দলের অধিকার সম্পর্কিত তথ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া ইনভাইটেশন অফ টেন্ডারএ দেওয়া হয়েছে। অফেরৎযোগ্য ১০ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার পর ইনভাইটেশন অফ টেন্ডার নিতে হবে। এই ১০ লক্ষ টাকার সঙ্গে সার্ভিস ট্যাক্স যুক্ত হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, আগামী বছর আইপিএলে যে নতুন দুই দল অন্তর্ভূক্ত হবে, তাদের বেস প্রাইজ ২ হাজার কোটি টাকা করা হচ্ছে। টেন্ডারের মাধ্যমে দুটি নতুন দল বিক্রি করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি আয় হবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ravi Shastri : ম্যাঞ্চেস্টারে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা

তাঁর ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ফলে দলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। শুধু শাস্ত্রী নন, বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেউই ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না। পলে পঞ্চম টেস্টে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা। হেড কোচ রবি শাস্ত্রীকে ছাড়াই সিরিজ নির্ণায়ক টেস্ট খেলতে নামতে হবে ভারতকে।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপউইকেটকিপার ঋষভ পন্থ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ভারতীয় শিবিরে নিয়মিত ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষার রীতি চালু হয়েছে। সব ক্রিকেটারকে কিট দেওয়া হয়। প্রেগনেন্সি টেস্টের মতো নিজে নিজেই এই পরীক্ষা করা যায়। এই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে তারপর আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য। শাস্ত্রীর দুবার ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষা হয়েছিল। দুটি রিপোর্টই পজিটিভ আসে। তারপরই আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়। সেই রিপোর্টেও পজিটিভ এসেছে। বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ। তিনজনকেই ১০ দিন লন্ডনে হোটেলে আইসোলেশনে থাকতে হবে। ফলে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না এই ৩ সাপোর্ট স্টাফ। মঙ্গলবারই ভারতীয় দলের ম্যাঞ্চেস্টার যাওয়ার কথা।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেররবি শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসা নীতিন প্যাটেলের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও তাঁকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, শাস্ত্রীর হালকা গলা ব্যথা রয়েছে। করোনার মৃদু উপসর্গও রয়েছে। বাকিদের কোনও উপসর্গ নেই। নীতিন প্যাটেলের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও ওকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হবে না। এটা আগে থেকেই ঠিক ছিল। ব্যাটিইং কোচ বিক্রম রাঠোরই ম্যাঞ্চেস্টারে দায়িত্ব সামলবে। ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা বায়ো বাবল তৈরি করা হবে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনভারতীয় দলের প্রত্যেকেই করোনা ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ নিয়েছেন। তারপরও শাস্ত্রী কীভাবে করোনার কবলে পড়লেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মনে করা হচ্ছে, টিম হোটেলে ওভাল টেস্ট শুরুর আগের দিন রবি শাস্ত্রীর বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথিই এসেছিলেন, তাঁরা শাস্ত্রীর কাছাকাছিও পৌঁছে কথা বলেছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে ভরত অরুণ, শ্রীধর ও প্যাটেল শাস্ত্রীর কাছাকাছিই ছিলেন। ওই অনুষ্ঠান থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test : শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতের

ওভালে চতুর্থ টেস্ট জিতে কি সিরিজে এগিয়ে যেতে পারবে ভারত? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। প্রথম দিনের ব্যর্থতা কাটিয়ে চতুর্থ দিনে ম্যাচের চালকের আসনে বিরাট কোহলির দল। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে ৩৬৭। ভারতকে চালকের আসনে বসিয়েছে টেল এন্ডারদের দুরন্ত ব্যাটিং। ম্যাচের তৃতীয় দিনই ভারতের বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারারা। সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দলকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন টেল এন্ডাররা। আগের দিনের ৩ উইকেটে ২৭০ রান হাতে নিয়ে খেলতে নামে ভারত। বিরাট কোহলি ২২ ও রবীন্দ্র জাদেজা ৯ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুজনই ভারতকে বড় রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে থাকেন। কোহলি ও জাদেজার জুটিতে ওঠে ৫৯ রান। এরপরই ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হন জাদেজা। ৫৯ বলে তিনি করেন ১৭ রান। ব্যাট হাতে আবার ব্যর্থ সহঅধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। মাত্র ৮ বল খেলে ক্রিস ওকসের বলে তিনিও লেগ বিফোর হন। ওকসের বলে একবার আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন রাহানেকে। কিন্তু ডিআরএস নিয়ে সে যাত্রায় বেঁচে যান। রাহানে যখন আউট হন ভারতের রান ২৯৬/৫। হাফ সেঞ্চুরি করার আগে মঈন আলির বলে স্লিপে ধরা পড়েন কোহলি (৪৪)। আবার বড় রান পেতে ব্যর্থ ভারত অধিনায়ক।এরপর ঋষভ পন্থ ও শার্দুল ঠাকুর দলকে টেনে নিয়ে যান। সপ্তম উইকেটে ঋষভ পন্থের সঙ্গে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে মজবুত জায়গায় দাঁড় করান শার্দুল। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে ওঠেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। প্রথম ইনিংসে ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। একদিনের মেজাজে ব্যাট করে ৭২ বলে ৬০ রানের দুরন্ত ইনিংস উপহার দেন শার্দুল ঠাকুর। ৭টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি। জো রুটের বলে ক্রেগ ওভারটনের হাতে ধরা পড়েন শার্দুল। ম্যাচের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করে বিশ্ব ক্রিকেটের এক এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেছেন তিনি। ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে বিশ্বের ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করার বিরল নজির গড়েন। শার্দুল আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান ঋষভ পন্থ। ১০৬ বলে ৫০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ভারতকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন উমেশ যাদব (২৫) ও যশপ্রীত বুমরা (২৪)। ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিস ওকস ৩টি, মঈন ও রবিনসন ২টি করে এবং জো রুট, ক্রেগ ওভারটন ও অ্যান্ডারসন ১টি করে উইকেট পান। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত প্রথম ইনিংস ১৯১, দ্বিতীয় ইনিংস ৪৬৬। ইংল্যান্ড প্রথম ২৯০।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Football : ৩৭ বছর বয়সেও চমক দেখিয়ে চলেছেন সুনীল ছেত্রী

৭২ ঘন্টার মধ্যে দ্বিতীয় ম্যাচ। ফুটবলারদের চোট, ক্লান্তি কাটানোর সময় একেবারে পাননি ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও নেপালের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় তুলে নিল ভারত। ইগর স্টিম্যাকের দল জিতল ২১ ব্যবধানে। কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে বৃষ্টিভেজা ভারী মাঠে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়েছিল ভারতীয় দলের। ম্যাচ ১১ ড্র হয়েছিল। প্রথম ম্যাচে নিজেদের একেবারে মেলে ধরতে পারেননি সুনীল ছেত্রীরা। দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল স্টিম্যাক ব্রিগেড। ৩৭ বছর বয়সেও নিজের জাত চেনাচ্ছেন সুনীল ছেত্রী। নেপালের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের নায়ক তিনিই। গোটা ম্যাচে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিলেন ভারতীয় দলের এই বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার। ভারতের দুটি গোলের ক্ষেত্রে তাঁরই অবদান। একটি করলেন, আর একটি করালেন। নেপালের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম একাদশ খোলনলচে বদলে দেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। আগের ম্যাচের দলে এদিন সাতটি পরিবর্তন করেন তিনি। তবে প্রথম ম্যাচের মতোই দ্বিতীয় ম্যাচেও প্রথমার্ধে ভারতের থেকে অনেক বেশি উজ্জ্বল ছিল নেপাল। ১৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসে গিয়েছিল নেপালের সামনে। একেবারে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন নেপালের মণীশ দাঙ্গি। কিন্তু তিনি তিন কাঠিতে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধে ভারত বলার মতো সুযোগ পেয়েছিল ২৪ মিনিটে। কিন্তু সেই সুযোগ হেলায় নষ্ট করেন অনিরুদ্ধ থাপা। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। বিরতির পরপরই একটি পরিবর্তন করেন ভারতীয় কোচ ইগর স্টিম্যাক। বিপিন সিংয়ের পরিবর্তে মাঠে নামান ফারুক চৌধুরিকে। এরপরই আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ে ভারতের। ৬২ ফারুখ চৌধুরির হাত ধরেই এগিয়ে যায় ভারত। চিঙলেনসানার সেন্টার হেডে নামিয়ে দেন সুনীল ছেত্রী। ঠান্ডা মাথায় বল জালে ঠেলে দেন ফারুক। ভারত এগিয়ে যাওয়ার পর রেফারির একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন কোচ ইগর স্টিম্যাক। তিনি রেফারির সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন। রেফারি ভারতীয় দলের কোচকে হলুদ কার্ড দেখান। ৮০ মিনিটে সুনীলের গোল। বক্সের বাইরে থেকে নেপালের এক ফুটবালরের ভাসানো ফ্রিকিক কোনও রকমে বিপদমুক্ত করেন ভারতের গোলকিপার অমরিন্দার সিং। নিজেদের পেনাল্টি বক্সের সামনে থেকে সেই লুজ বল ধরে শুরু করেন সুনীল। অনিরুদ্ধ থাপা সঙ্গে ওয়াল পাস খেলে গতি বাড়িয়ে পৌঁছে যান নেপালের পেনাল্টি বক্সে। ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি নেপাল। আক্রমণে উঠে আসে। ৮৭ মিনিটে দূরপাল্লার শটে নেপালের হয়ে ব্যবধান কমান তেজ তামাং। প্রতিযোগিতার সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন রহিম আলি।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lokesh Rahul : কেন জরিমানার কবলে পড়তে হল লোকেশ রাহুলকে?‌

লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরি জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল ভারতের। চলতি সিরিজে বলতে গেলে তিনিই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের অন্যতম মুখ। ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। ব্যক্তিগত ৪৬ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন লোকেশ রাহুল। আম্পায়ারের অসন্তোষ প্রকাশ করে আর্থিক জরিমানার কবলে পড়েছেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার। ওভালে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের ৩৪তম ওভারে বোলিং করছিলেন ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন। ওভারের শেষ বলে পরাস্ত হন লোকেশ রাহুল। তাঁর বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের আবেদন জানান ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। অনফিল্ড আম্পায়ার আবেদন নাকচ করে দেন। তখন ডিআরএসের আশ্রয় নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে অনফিল্ড আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত বদলের পরামর্শস দেন। রিপ্লেতে একটা শব্দ শুনে টিভি আম্পায়ার মনে করেছিলেন অ্যান্ডারসনের বল লোকেশ রাহুলের ব্যাট স্পর্শ করে উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টোর হাতে পৌঁছেছে। ফলে রাহুলকে আউট দেওয়ার পরামর্শ দেন। আম্পায়ারের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি লোকেশ রাহুল। মাথা নাড়তে নাড়তে তিনি সাজঘরে ফেরেন। রাহুলের দাবি বল তাঁর ব্যাটে নয়, ব্যাট তাঁর প্যাডে লাগায় আওয়াজ হয়েছে।আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করা লোকেশ রাহুল আইসিসির কোড অফ কনডাক্টের ২.৮ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাই তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। ভারতীয় এই ওপেনারের ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। রাহুলের শৃঙ্খলার রেকর্ডে একটা ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে। ম্যাচের অনফিল্ড আম্পায়ার অ্যালেক্স হোয়ার্ফ, রিচার্ড ইলিংওর্থ, তৃতীয় আম্পায়ার মাইকেল গফ ও ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত রাহুল মেনে নিয়েছেন। ওভাল টেস্টে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭ রান করে আউট হয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন এই ভারতীয় ওপেনার। ডিআরএস সিদ্ধান্তে লোকেশ রাহুল যখন আউট হন, তিনি হাফ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দুরে। ১০১ বল খেলে তিনি এই রান করেন। দারুণ ব্যাট করছিলেন। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ফিরে যেতে হয়। ওভালে ভারত ও ইংল্যান্ডের চতুর্থ টেস্টে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এর মধ্যেই লোকেশ রাহুলের শাস্তি পরিবেশ কিছুটা হলেও গম্ভীর করেছে। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে জরিমানার কবলে পড়তে হল।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : মমতা ব্যানার্জির পায়ে ‘‌খেলা হল’‌, জমকালো উদ্বোধন ডুরান্ডের

ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে ডুরান্ড কাপ সরে এসেছে বাংলার রাজধানী কলকাতায়। ২০১৯ সাল থেকে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৫ বছর কলকাতাতেই ডুরান্ড কাপ কলকাতায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবছর করোনার জন্য এই শতাব্দীপ্রাচীন প্রতিযোগিতা স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল আয়োজকরা। এবছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্বোধনে অন্যমাত্রা পেল ডুরান্ড কাপ। রবিবার পড়ন্ত বিকেলে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন হল ডুরান্ড কাপের। সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে পুস্পবৃষ্টি মোহিত করে রেখেছিল যুবভারতীকে। তারই মাঝে বলে লাথি মেরে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এরপর দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে তিনি পরিচিত হন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়াদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তেওয়ারি এবং সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্তারা।এবারের প্রতিযোগিতায় ১৬টি দল অংশ নিচ্ছে। ১৬টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নিয়েছিল কলকাতার মহমেডান স্পোর্টিং ও ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুরু করল মহমেডান। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে সাদা কালো ব্রিগেড। ডুরান্ড কাপ অভিযানে নামার আগে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিসভ বলেছিলেন, তাঁর দল উপভোগ্য ফুটবল উপহার দেবে। সাদা কালো কোচ যে ভুল প্রতিশ্রুতি দেননি, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বিরুদ্ধেই প্রমাণিত।ম্যাচের শুরু থেকেই মহমেডানের আধিপত্য ছিল। দুই বিদেশি মার্কাস ও নিকোলা স্টোজানোভিচের মাঝমাঠে বোঝাপড়া ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঝমাঠে দুর্দান্ত কর্তৃত্ব নিয়ে খেলেন ম্যাচের সেরা নিকোলা। তাঁর জন্যই মাঝমাঠে খেলা ধরতে পারেননি বায়ুসেনার ফুটবলাররা। মহমেডানের জয়ের পেছনে নিকোলার অবদান অনস্বীকার্য। ম্যাচের ১৯ মিনিটে তাঁরই বাড়ানো পাস থেকে ১৮ গজের দূরপাল্লার শটে দর্শনীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিলন সিং। ৩২ মিনিটে শেখ ফৈয়াজের মাইনাসে বক্সের ডানদিকের কোনা থেকে ডানপায়ের শটে ২০ করেন ওভারল্যাপে উঠে আসা ডিফেন্ডার অরিজিত সিং। ৩৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ত। মার্কাসের দুরন্ত শট কোনও রকমে বাঁচান এয়ারফোর্সের গোলকিপার। প্রথমার্ধের একাবারে শেষলগ্নে নিকোলাসের ডিফেন্স চেরা পাস থেকে ৩০ করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক। প্রথমার্ধেই ৩ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় হয়তো আত্মতুষ্টি গ্রাস করেছিল মহমেডানকে। তার খেসরতও দিতে হয় সাদাকালো ব্রিগেডকে। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে গোল হজম করতে হয় মহমেডানকে। দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে ব্যবধান কমান এয়ারফোর্সের সৌরভ সাধুখাঁ। ম্যাচের ৭৬ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ায় মহমেডান। নিকোলার ফ্রিকিক থেকে ফ্লাইং হেডে ৪১ করেন মার্কাস জোসেফ।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

R‌abi Shastri : দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে, করোনায় আক্রান্ত হেড কোচ রবি শাস্ত্রী

ওভাল টেস্ট চলাকালীনই দুঃসংবাদ ভারতীয় শিবিরে। করোনায় আক্রান্ত বিরাট কোহলিদের হেড স্যার। তিনি হোটেলের রুমে আইসোলেশনে রয়েছেন। স্বভাবতই হেড কোচকে ছাড়াই রবিবার মাঠে আসতে হয়েছে কোহলিদের। শনিবার রাতে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সব সাপোর্ট স্টাফের ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট করা হয়। হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সঙ্গে সঙ্গে দলের মেডিকেল টিম রবি শাস্ত্রীকে আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেয়। রবি শাস্ত্রীর পাশাপাশি দলের বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিডিং কোচ আর শ্রীধর ও ফিজিও নীতিন প্যাটেলকেও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। রবিবার টেস্টের চতুর্থ দিন মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারের দুবার ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট পরীক্ষা হয়। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট কোনও ক্রিকেটারের পজিটিভ না আসায় স্বস্তি মেলে। কোহলিদের মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা হয়নি। তবে সাপোর্ট স্টাফদের এবার আরটি-পিসিআর পরীক্ষা হবে। সেই রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করবে তাঁদের গতিবিধি। ভারতীয় দলের মেডিক্যাল টিম সবুজ সঙ্কেত না দেওয়া পর্যন্ত সব সাপোর্টকে হোটেল রুমে আইসোলেশনে থাকবেন।কোহলিদের শনিবার রাতের পর রবিবার সকালেও ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট হয়। ক্রিকেটারদের সকলের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় মাঠে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। যে প্রাথমিক পরীক্ষায় রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তা একপ্রকার সেল্ফ টেস্ট কিট। ভারতীয় দলের প্রত্যেক সদস্যকেই তা দেওয়া হয়েছে। এই পরীক্ষার রিপোর্ট সব সময়ই সঠিক আসে, তা কিন্তু নয়। নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরটি-পিসিআর টেস্টেরই ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ বলেছেন, শনিবার ফ্লো টেস্টে হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়েছে। সেই টেস্টের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। ভারতীয় দলের চিকিৎসকরা কোচ রবি শাস্ত্রীকে আইসোলেশনে পাঠিয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে একইসঙ্গে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিও নীতিন প্যাটেলকেও।সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট খেলতে মঙ্গলবারই ভারতীয় দলের ম্যাঞ্চেস্টার যাওয়ার কথা। রবি শাস্ত্রী সত্যিই করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পর। শাস্ত্রী ও অন্য সাপোর্ট স্টাফ, যারা আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ এলে বাধ্যতামূলকভাবে ১০ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। দুদুটি আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই তাঁরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলার পর ভারতীয় দল যখন ছুটিতে ছিল তখনই ঋষভ পন্থের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। পরে সুস্থ হয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেন পন্থ। কিন্তু সেই সময় থেকে পন্থের ঘটনার থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিদিন ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্ট করা হচ্ছে ভারতীয় দলের সদস্যদের। চতুর্থ টেস্ট শুরুর আগে টিম হোটেলে রবি শাস্ত্রী বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনেক বহিরাগত অতিথি এসেছিলেন। সেখান থেকে শাস্ত্রীর সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : রোহিতের শতরানে ভর করে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ভারতের। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে ৩ উইকেটে ২৭০। রোহিত ছাড়াও রান পেলেন চেতেশ্বর পুজারা ও লোকেশ রাহুল। ক্রিজে জমে গিয়েছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন ভারতীয় সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতেরপ্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের রাশ ফের ভারতের হাতে টেনে নিয়ে এলেন রোহিত শর্মা। হিটম্যানের দুরন্ত শতরানে ভর করে বড় লিডের দিকে এগোচ্ছে কোহলি ব্রিগেড। আগের দিনের দিনের বিনা উইকেটে ৪৩ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুই ওপেনারই এদিন সতর্কভাবে খেলা শুরু করেছিলেন। ৩৪ ওভারের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় ভারত। লোকেশ রাহুলকে (৪৬) তুলে নেন জেমস অ্যান্ডারসন। উইকেটের পেছনে তাঁর ক্যাচ ধরেন জনি বেয়ারস্টো। দ্বিতীয় সেশনে ভারতের কোনও উইকেট পড়েনি। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১০৮/১।আরও পড়ুনঃ বাইশ গজের বাইরে দুরন্ত ব্যাটিং বিরাট কোহলিরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরও ভারতীয় দুই ব্যাটসম্যানের ডিফেন্স টলাতে পারেননি ইংল্যান্ড বোলাররা। দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন রোহিত ও পুজারা। ১৪৫ বলে অর্ধ শতরান পূর্ণ করেন রোহিত। তার মধ্যে ছিল ৫টি বাউন্ডারি। জীবনের ৪৩তম টেস্টে ৭৪ তম ইনিংসে ২০৪ বলে শতরান পূর্ণ করলেন রোহিত। হাফ সেঞ্চুরি করার পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। পরের ৫০ আসে মাত্র ৫৯ বলে। চা পানের বিরতিতে ১০০ রানে এগিয়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ১২৭ রান করে অলি রবিনসনের বলে ক্রিস ওকসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রোহিত। ভারতের রান তখন ২৩৬/২। একই ওভারের শেষ বলে পুজারাকে (৬১) তুলে নেন রবিনসন। মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। দিনের শেষে ভারত তুলেছে ২৭০/৩। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে ১৭১ রানে। ক্রিজে রয়েছেন কোহলি (২২) ও জাদেজা (৯)।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : বাইশ গজের বাইরে দুরন্ত ‘‌ব্যাটিং’‌ বিরাট কোহলির

দু বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত। সেঞ্চুরি নেই বিরাট কোহলির। তাতেও অবশ্য জনপ্রিয়তা বিন্দুমাত্র কমেনি ভারত অধিনায়কের। বরং ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীর ব্যাপারে কোহলি এমন এক নজির গড়েছেন, যা কেবলমাত্র ক্রিশ্চিয়ানো রোনল্ডো, লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়রের রয়েছে। কোহলি মাঠের বাইরে যেভাবে খেলছেন, যে কোনও মুহূর্তে টপকে যেতে পারেন নেইমারকে। আর দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে তো কোনও কথাই নেই। সবার থেকে এগিয়ে থাকবেন, এটাই তো স্বাভাবিক। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়ের দিক দিয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও।কোহলি যে বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় ক্রিকেটার, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে আয়ের দিক থেকে আইপিএলের ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনিই সবথেকে এগিয়ে। শুধু দেশীয় ক্রিকেটারদের মধ্যেই নয়, বিশ্বের সব ক্রিকেটারের মধ্যেও তাঁর আয় বেশি। কোহলির স্পনসর হিসেবে রয়েছে পুমা, মন্ত্র, অডির মতো সংস্থা। কোহলির ইস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা ১৫ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিটি স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে কোহলির আয় ৫ কোটি ৮ লক্ষ টাকা। এই মুহূর্তে তিনিই বিশ্বের সবথেকে ধনী ক্রিকেটার।আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতেরইনস্টাগ্রাম পোস্টের আয়ের দিক থেকে ভারতীয়দের ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও ধোনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমন অ্যাক্টিভ নন। তবুও ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ কোটি। ধোনির স্পনসর হিসেবে রয়েছে ভিভোর মতো কোম্পানি। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে ধোনির আয় ভারতীয় মুদ্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন রোহিত শর্মা। তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ২ কোটি। অ্যাডিডাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডরস রোহিত। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে রোহিতের আয় প্রায় ৭৬ লক্ষ টাকা। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লক্ষ। প্রতিটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে হার্দিকের আয় ৬৫ লাখ টাকা। তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছেন সুরেশ রায়না। তাঁর ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। প্রতিটা স্পনসর ইনস্টাগ্রাম থেকে রায়নার আয় ৩৪ লক্ষ টাকা। আর প্রতিটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে আয় ৫১ লাখ।আরও পড়ুনঃ কোহলি নাকি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরতে পারেন? এ কী বললেন সৌরভ!১৫ কোটির বেশি ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার বিরাট ছাড়া ক্রীড়াবিদদের মধ্যে রয়েছে শুধু বিশ্বের সেরা তিন ফুটবলারের। ইনস্টাগ্রামে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ফলোয়ার সংখ্যা ৩৩.৭ কোটি। রোনাল্ডোর পরে রয়েছেন লিওনেল মেসি। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ২৬ কোটি। নেইমার রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। তাঁর ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের সংখ্যা ১৬ কোটি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rohit Sharma : প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতের

দীর্ঘ ৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে বিদেশের মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরির মুখ দেখলেন রোহিত শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ওভালে পৌঁছে গেলেন সেই কাঙ্খিত শতরানে। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। বড় রানের পথে বিরাট কোহলির দল। ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রোহিত শর্মার। দেশের মাঠে ওই সিরিজে দুদুটি সেঞ্চুরি করে চমক দিয়েছিলেন। কিন্তু মিডল অর্ডারে ধারাবাহিকতার অভাবে টেস্ট দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অবশ্য জায়গা পাকা করে নিয়েছিলে হিটম্যান। পরে টিম ম্যানেজমেন্ট রোহিতকে টেস্টে ওপেন করার পরামর্শ দেয়। ২০১৯ থেকে টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন রোহিত। লাল বলের ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে চমক দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে ওপেনার হিসেবে প্রথম দুটি ইনিংসে করেছিলেন ১৭৬ ও ১৭২ রান। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ওপেনার হিসেবে ১৯ ইনিংসে ১০৯৪ রান করেন রোহিত। এর মধ্যে ৪টি সেঞ্চুরি এবং ২টি হাফ সেঞ্চুরি। এশিয়ার প্রথম টেস্ট ওপেনার হিসেবে দ্রুততম ১০০০ রানের গন্ডি টপকে যান রোহিত। খেলেছিলেন মাত্র ১৭ ইনিংস। দেশের মাঠে সেঞ্চুরি এলেও বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরি অধরাই ছিল ভারতের এই ওপেনারের কাছে। যদিও অভিষেক হওয়ার পর বিদেশের মাটিতে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি রোহিত। মাত্র ৬টি টেস্ট খেলেছেন। দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে খেলেছেন ১৬টি টেস্ট। শেষ পর্যন্ত ওভালে বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরির স্বপ্ন পূরণ হল রোহিতের। ইনিংসের ৬৪ তম ওভারে মঈন আলির বলে ৬ মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছন। সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে নেন ২০৪ বল। আগের দিনই রোহিত ১৫ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করেছেন। প্রথম টেস্টে তিনি করেছিলেন ৩৬ ও ১২। দ্বিতীয় টেস্টে রোহিতের ব্যাট থেকে আসে ৮৩ ও ২১। লিডস টেস্টে তিনি ১৯ ও ৫৯ রানে আউট হয়েছিলেন। রোহিত ও লোকেশ রাহুল জুটি দলকে নির্ভরতা দেয়। চলতি সিরিজে এই নিয়ে তৃতীয়বার ভারতের ওপেনিং জুটি ৫০-এর বেশি রান যোগ করল। ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে উঠেছিল ৯৭ ও ৩৪। লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে রোহিত-রাহুল জুটিতে ওঠে ১২৬, দ্বিতীয় ইনিংসে। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে ওপেনিং জুটি ১ রানে ভাঙলেও দ্বিতীয় ইনিংসে উঠেছিল ৩৪। ওভালে প্রথম ইনিংসে ২৮ রানের মাথায় আউট হয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দলের ২৮ রানের মাথাতেই ফেরেন রাহুল। তবে এদিন ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙল ৮৩ রানের মাথায়।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly: কোহলি নাকি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরতে পারেন?‌ এ কী বললেন সৌরভ!‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে জেতার পর লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে উড়িয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর সেই জার্সি ওড়ানোর ঘটনায় গর্বিত হয়েছিল গোটা দেশ। এখনও সকলের মুখে মুখে ঘোরে সৌরভের সেই জার্সি ওড়ানোর ঘটনা। অনেকেই মনে করেন, তিনি সাহসী ছিলেন বলেই লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি খুলে ওড়াতে পেরেছিলেন। বিরাট কোহলি যে তাঁকে ছাপিয়ে যেতে পারেন, এই ব্যাপারে নিশ্চিত সৌরভ। কৌন বনেগা ক্রোড়পতির অনুষ্ঠানে অমিতাভ বচ্চনকে পর্যন্ত সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি কোহলিকে চ্যালেঞ্জ না জানানোর জন্য।সৌরভ গাঙ্গুলি ও বীরেন্দ্র শেহবাগকে নিয়ে কৌন বনেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানের বিশেষ এপিসোড ছিল। সেই অনুষ্ঠানে লর্ডসের ২০০২ সালে লর্ডসের ব্যালকনিতে জার্সি ওড়ানোর প্রসঙ্গে সৌরভ প্রথমে বলেন, আমার মেয়েও একবার জিজ্ঞাসা করেছিল কেন ওই কাজ করেছিলাম। সঠিক উত্তর দিতে পারিনি। পরে অনেকেই জিজ্ঞেস করেছিল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজারের বেশি রান করেছি, এত কভার ড্রাইব মেরেছে, অথচ লোকে এখনও লর্ডসের ব্যালকনির ওই জামা ওড়ানোর দৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন করে। অমিতাভ এরপর সৌরভকে বলেন, তিনি যা করেছিলেন তারজন্য গোটা দেশ এখনও গর্বিত। সৌরভ বিশ্বাস করেন, কোহলিরও লর্ডসে জার্সি খুলে ওড়ানোর সাহস আছে। এরপরই তিনি অমিতাভ বচ্চনকে বলেন, কোহলিকে জার্সি ওড়ানো নিয়ে কোনও দিন চ্যালেঞ্জ করবেন না। লর্ডস তো দূরের করা, কোহলি অক্সফোর্ড স্ট্রিটেও জামা ছাড়া ঘুরে বেড়াতে পারে। সেই সাহস ওর রয়েছে। সৌরভের এই কথা শুনে অমিতাভ ও শেহবাগ দুজনেই হাসিতে ফেটে পড়েন। জার্সি খুলে ওড়ানোর সময় সৌরভ কী বলেছিলেন সে সম্পর্কে অমিতাভ বচ্চন জানতে চাইলে সৌরভ বলেন, পরে বলব। অমিতাভ তখন বলেন, আমি আন্দাজ করতে পেরেছি, কী বলেছিলে। তবে যেটা বলেছিলে, ঠিকই বলেছিলে। অনুষ্ঠানে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালের আরও মজার প্রসঙ্গ উঠে আসে। শেহবাগ ওই ম্যাচে কতটা অবাধ্য হয়েছিলেন, সে কথা তুলে ধরেন সৌরভ। তিনি বলেন, আমরা দুজনেই ওপেন করতে নেমেছিলাম। ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালটা আমাদের কাছে জেতা জরুরী ছিল। কারণ, তার আগে কয়েকটা ফাইনালে হেরেছিলাম। ফাইনালে প্রথম ৮ ওভারে ভাল রানও ওঠে। রনি ইরানি বল করতে এলে শেহওয়াগকে ঝুঁকি নিতে বারণ করি। আমার কথায় সম্মতি দিলেও পরের বলই মিড অনের ওপর দিয়ে বাউন্ডারি মারে। ওকে গিয়ে বলি, একটা বাউন্ডারি এসে গিয়েছে তুলে শট মারার দরকার নেই। সম্মতি জানিয়ে পরের বল মিড অফ দিয়ে মাঠের বাইরে। তৃতীয় বলের আগে আবার সতর্ক করেও লাভ হয়নি। এরপর ওকে আর কিছু বলিনি। পরের দুটো বলেও চার মেরে শেষ বল হয়তো আমার কথা রাখার জন্য ডিফেন্স করেছিলেন।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Paralympics : প্যারালিম্পিক্সে বাঁ হাতেই খেল মণীশ নারওয়ালের

জন্ম থেকে ডান হাত একেবারে অকেজো। বাঁ হাতেই সবকিছু করতে হয়। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে সেই বাঁ হাতেই খেল দেখালেন মণীশ নারওয়াল। শনিবার ৫০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে দেশকে সোনা এনে দিলেন। শুধু সোনা জেতাই নয়, ২১৮.২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে নতুন প্যারালিম্পিক্স রেকর্ডও গড়েছেন মণীশ। এই ইভেন্ট থেকেই দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন সিংহরাজ আধানা। টোকিও অলিম্পিকে মানু ভাকের, সৌরভ চৌধুরিদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু প্রত্যাশাপূরণ করতে পারেননি ভারতীয় শুটাররা। মানু ভাকর ও সৌরভ চৌধুরীদের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন অবনী লেখারা, মণীশ নারওয়াল, সিংহরাজ আধানারা। টোকিও প্যারালিম্পিক্সে দুটি সোনা সহ মোট পাঁচটি পদক জিতে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। শনিবার মনীশ নারওয়াল ও সিংহরাজ আধানার হাত ধরে এক বৃত্ত সম্পন্ন হল। একই প্যারালিম্পিক্সে দুটি পদক জিতে এলিট ক্লাবের সদস্য হলেন সিংহরাজ। ১৯৮৪ প্যারালিম্পিক্স থেকে একটি সোনা ও দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন যোগিন্দর সিং সোধি। চলতি প্যারালিম্পিকের শুটিং ইভেন্ট থেকে সোনা ও ব্রোঞ্জ জিতেছেন অবনী লেখারা।পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের ফাইনালে মণীশের থেকে ভাল শুরু করেছিলেল সিংহরাজ আধানা। প্রথম ১০টি শটের পর ৯২.১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে ছিলেন। মণীশের স্কোর ছিল ৮৭.২ পয়েন্ট। একসময় তাঁকে টপকে যান রাশিয়ান প্যারালিম্পিক্স কমিটির সার্গেই মালিসেভ। পঞ্চম সিরিজ পর্যন্ত মালিসেভই সোনা জয়ের দাবিদার ছিলেন। শেষ দুই সিরিজে জ্বলে ওঠেন ভারতের দুই শুটার। সিংহরাজ আধানাকেও টপকে যান মণীশ। প্রথম ১০ শটে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন। ১৮ নম্বর শটের পর ৪ নম্বরে ছিলেন মণীশ। শেষ দুই সিরিজে ১০.৮ ও ১০.৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ২১৮.২ পয়েন্টে পৌঁছে যান ১৯ বছর বয়সী এই প্যারা শুটার। বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন। অন্যদিকে, সিংহরাজ আধানা সংগ্রহ করেন ২১৬.৭। ১৯৬.৮ পয়েন্ট নিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন সার্গেই মালিসেভ। পি ৪ মিক্সড ৫০ মিটার পিস্তল এসএইচ ওয়ান ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ৫৩৬ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ হয়েছিলেন সিংহরাজ আধানা। ৫৩৩ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম হয়ে ফাইনালে উঠেছিলেন মনীশ। তবে চূড়ান্ত পর্বে দুই ভারতীয় প্যারা শুটারদের পারফরমেন্স সকলকে চমকে দিয়েছে। শৈশবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন মনীশ নারওয়াল। লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে খেলবেন। কিন্তু শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নপূরণ হয়নি। প্যারালিম্পিক্স থেকে দেশকে সোনা জিতে নতুন ইতিহাস রচনা করলেন হরিয়ানার এই প্যারা শুটার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : উমেশের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

দিনের শুরুতে উমেশ যাদব ধাক্কা দিলেও ইংল্যান্ডকে তেমন বেকায়দায় ফেলা গেল না। ভারতের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে দিলেন অলি পোপ, ক্রিস ওকসরা। ভারতের ১৯১ রানের জবাবে প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ড তুলেছিল ৩ উইকেটে ৫৩। উমেশ যাদবের বলে দিনের শেষবেলায় আউট হয়েছিলেন অধিনায়ক জো রুট (২১)। দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু হতেই স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই আউট হন ক্রেগ ওভার্টন (১)। তাঁকে তুলে নিয়ে টেস্ট কেরিয়ারের ১৫০ উইকেট দখল করেন উমেশ যাদব। এরপর দাওইদ মালানকেও ফেরান উমেশ। ৩১ রান করে স্লিপে রোহিত শর্মার হতে ক্যাচ দেন মালান। ৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান অলি পোপ ও জনি বেয়ারস্টো। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৪২ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৯। পোপ পাঁচটি চারের সাহায্যে ৬৬ বলে ৩৮ এবং বেয়ারস্টো ৬৩ বলে ৩৪ রানে ক্রিজে ছিলেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর বলে জনি বেয়ারস্টো (৩৭) লেগ বিফোর হন। এরপর অলি পোপের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান মঈন আলি (৩৫)। রবীন্দ্র জাদেজার বলে স্লিপে তিনি রোহিতের হাতে ক্যাচ দেন। সেঞ্চুরি থেকে ১৯ রান আগে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হন অলি পোপ (৮১)। তিনি যখন আউট হন, ইংল্যান্ড ২৫০ রানের গন্ডি পার করে গেছে। রবিনসন (৫) দ্রুত ফিরলেও ইংল্যান্ডে ২৯০ রানে পৌঁছে দেন ক্রিস ওকস (৫০)। ভারতের হয়ে উমেশ যাদব ৭৬ রানে ৩টি উইকেট নেন। বুমরা ও জাদেজা পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। শার্দুল ও সিরাজের ভান্ডারে ১টি করে।দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালই শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে বিনা উইকেটে ৪৩। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Manika Batra : মনিকাকে হোটেলের ঘরে কী প্রস্তাব দিয়েছিলেন সৌম্যদীপ রায়?‌

ভারতীয় টেবিল টেনিস দলের কোচ সৌম্যদীপ রায়ের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুললেন অলিম্পিয়ান মনিকা বাত্রা। নিজের অ্যাকাডেমির ছাত্রীর সুবিধার জন্য ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে সৌম্যদীপ নাকি হোটেলে মনিকার ঘরে গিয়েছিলেন। এমনই অভিযোগ করেছেন এই ভারতীয় মহিলা টেবিল টেনিস তারকা।টোকিও অলিম্পিক থেকেই বিতর্কে রয়েছেন মনিকা বাত্রা। অলিম্পিক চলাকালীন তিনি জাতীয় কোচ সৌম্যদীপ রায়ের সাহায্য নিতে অস্বীকার করেছিলেন। টোকিও থেকে দেশে ফেরার পর এই কারণে মনিকা বাত্রাকে শোকজ করেছিল ভারতের টেবিল টেনিস ফেডারেশন। তাঁর উত্তর দিতে গিয়েই মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন মনিকা। অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ দিতেও তিনি প্রস্তুত।আরও পড়ুনঃ পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধুসৌম্যদীপের বিরুদ্ধে এই রকম মারাত্মক অভিযোগ মেনে নিতে পারছেন না বাংলার টেবিল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সচিব শর্মি সেনগুপ্ত। তিনি বলছিলেন, সৌম্যদীপ ৪ বছর দারুণ কাজ করছে। ওকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। সৌম্যদীপ এই ধরণের বোকামি করতে পারে বলে আমার মনে হয় না। অহেতুক কেন ও ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিতে যাবে বুঝতে পারছি না। যাইহোক, এটা সর্বভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের বিচারাধীন বিষয়। সঠিক তদন্ত করে আসল তথ্য বার করবে।মনিকা বাত্রার আচরণেও অবাক শর্মি সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, মনিকাকেও দীর্ঘদিন ধরে চিনি। খুবই ভাল মেয়ে। নিজের খেলা নিয়ে এতটাই মগ্ন থাকে, অন্য বিষয়ে মাথা গলায় না। মোবাইল পর্যন্ত নিজের কাছে রাখে না। খেলার প্রতি এতটাই ডেডিকেশন। সেই মেয়ে এই ধরণের অভিযোগ করছে, এটা ভাবার বিষয়। তবে অলিম্পিকে সৌম্যদীপকে বসতে বলে ঠিক করেনি।আরও পড়ুনঃ ফোনে কথা বলছেন নার্স, ভ্যাকসিন পড়ল পর পর ৩ ডোজ!ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন যে শোকজ করেছিল, তার জবাবে মনিকা বলেছেন, মার্চে দোহায় টোকিও অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ চলছিল। ওর অ্যাকাডেমির এক ছাত্রীকে ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আমার হোটেলের ঘরে এসেছিলেন সৌম্যদীপ রায়। প্রায় ২০ মিনিট আমার ঘরে ছিলেন। আমি সেই প্রস্তাব সরাসরি ফিরিয়ে দিই। ওটা আমার কাছে ম্যাচ ফিক্সিংয়েরই সামিল। অলিম্পিকে সৌম্যদীপের কাছে পরামর্শ নিতে গেলে ওই ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবের ঘটনা মাথায় আসত। আমার খেলায় প্রভাব ফেলতে পারত। সেই কারণেই সৌম্যদীপকে কোচ হিসেবে বোর্ডের পাশে দেখতে চাইনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই ঘটনার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। যথাসময়ে প্রমাণ পেশ করার জন্য তিনি তৈরি।সৌম্যদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলেও ঠিক কোন ছাত্রীর জন্য তিনি ম্যাচ ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অনুমান করা হচ্ছে সুতীর্থা মুখার্জির জন্য তিনি মনিকার কাছে যেতে পারেন। কারণ, সুতীর্থা সৌম্যদীপ রায়ের অ্যাকাডেমির ছাত্রী। অলিম্পিকের পর মনিকা বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বলে যে জল্পনা চলছিল তাঁর বিস্ফোরক চিঠি গোটা ঘটনাকেই অন্য মোড় দিল। মনিকার অভিযোগ সত্যি হলে তা প্রাক্তন অলিম্পিয়ান সৌম্যদীপের পক্ষেও কলঙ্কজনক অধ্যায়ই হবে। সৌম্যদীপ রায় অবশ্য এখনও মনিকার অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি। তাতে রহস্য বাড়ছে। মনিকার অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে ফেডারেশনও। সৌম্যদীপের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। জাতীয় শিবিরে কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সৌম্যদীপকে মনিকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁর বক্তব্য পেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেই উত্তর এলে তবেই পরবর্তী পদক্ষেপ করবে ফেডারেশন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বুমরার দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত

ইংল্যান্ডের মাটিতে টস হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ওভালে চতুর্থ টেস্টেও সেই টসে হার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯১ রানে গুটিয়ে গেলেন বিরাট কোহলিরা। দুদুটি রেকর্ড করার দিনেও দলকে নির্ভরতা দিতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ওভাল টেস্টে মেঘলা আবহাওয়া দেখে টস জিতে ফিল্ডিং নিতে দ্বিধা করেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। বিরাট কোহলিরও সেইরকম পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু টস হারায় নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তবে লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলা। সেই আশা পূরণ হয়নি ভারতীয় দলের অধিনায়কের। তাঁর পরিকল্পনা ধাক্কা খায় প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের ব্যর্থতায়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই ৩ উইকেট হারানোয় বড় রানের স্বপ্নে সলিলসমাধি ঘটে। চতুর্থ টেস্টে দুই দলই দুটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। চোটের জন্য ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ সামিকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামতে হয় ভারতকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও উমেশ যাদব। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে চতুর্থ টেস্টেও প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের স্যাম কারেনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পান ক্রিস ওকস। জস বাটলারের জায়গায় ওলি পোপ। আগের টেস্টের মত ভারতের দুই ওপেনার অবশ্য শুরুতে ফিরে যাননি। ওভালে বেশ সাবলীলভঙ্গীতেই শুরু করেছিলেন। প্রথম ঘণ্টায় শুধু রোহিত শর্মার উইকেটই হারিয়েছিল ভারত। ম্যাচের নবম ওভারের শেষ বলে দলের ২৮ রানের মাথায় ২৭ বলে ১১ করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন রোহিত। জলপানের বিরতির পর ৩৫ বলের ব্যবধানে লোকেশ রাহুল ও চেতেশ্বর পূজারাও আউট হয়ে যান। তিনটি চারের সাহায্যে ৪৪ বলে ১৭ করে অলি রবিনসনের বলে লেগ বিফোর হন রাহুল। ২৮ রানে দুই উইকেট পড়ে ভারতের। এরপর দলের ৩৯ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসন দুর্দান্ত ডেলিভারিতে তুলে নেন চেতেশ্বর পুজারাকে। ৩১ বল খেলে ৪ রান করে উইকেটের পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দেন পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ভারতের রান ছিল ২৫ ওভারে তিন উইকেটে ৫৪। তিনটি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ১৮ করে অপরাজিত ছিলেন বিরাট কোহলি। ১৯ বলে ২ রান করে ক্রিজে ছিলেন জাদেজা।অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে এদিন ৫ নম্বরে নামানো হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে। তিনিও সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ১৪ রান করে ক্রেগ ওভারটনের বলে মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। অধিনায়ক কোহলিও বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারেননি। ৯৬ বলে ৫০ রান করে অলি রবিনসনের বলে উইকেটেপ পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ধরা পড়েন। ভারতের রান তখন ১০৫/৫। ওভাল টেস্টেও খারাপ ফর্ম কাটিয়ে উঠতে পারলেন না রাহানে (১৪) ও ঋষভ পন্থ। চরিত্র বিরোধী ইনিংস খেলে ৩৩ বলে ৯ রান করে ক্রিস ওকসের বলে আউট হন তিনি। ১২৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ভারত। এরপর উমেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালান শার্দুল ঠাকুর। জুটিতে ওঠে ৬৩। এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেন শার্দুল। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ৬১.৩ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় কোহলিদের ইনিংস। ৫৫ রানে ৪ উইকেট নেন ক্রিস ওকস। রবিনসন ৩৮ রানে নেন ৩ উইকেট। অ্যান্ডারসন ও ওভারটন নেন ১টি করে উইকেট।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে ররি বার্নসকে (৫) বোল্ড করেন যশপ্রীত বুমরা। একই ওভারের শেষ বলে হাসিব হামিদকে (০) তুলে নেন। তারপর রুখে দাঁড়ান দাওইদ মালান ও অধিনায়ক জো রুট।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : ‌শচীন, ধোনির রেকর্ড ভেঙে ওভালে নতুন কীর্তি বিরাট কোহলির

দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটে রান নেই। ভারত অধিনায়ককে নিয়ে চারিদিকে গুঞ্জন কম হচ্ছে না। তার মধ্যেই আবার একটা রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন বিরাট কোহলি। ভেঙে দিলেন কিংবদন্তী শচীন তেন্ডুলকারের রেকর্ড। বিশ্বের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২৩ হাজার রানের মালিক হয়ে গেলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের চতুর্থ টেস্ট চলছে ওভালে। ওভাল টেস্ট বিরাট কোহলির ৪৪০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। ৪৯০তম ইনিংসে জেমস অ্যান্ডারসনের বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৩ হাজার রান পূর্ণ করেন বিরাট। ২৩ হাজার রানে পৌঁছতে শচীন তেন্ডুলকারের লেগেছিল ৫২২ ইনিংস। আর রাহুল দ্রাবিড়ের লেগেছিল ৫৭৬ ইনিংস। সেই জায়গায় কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন ৪৯০ ইনিংসে। বিশ্বের সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে কোহলি ২৩ হাজার রানে পৌঁছলেন। তাঁর আগে এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছেন শচীন, দ্রাবিড় ছাড়াও রিকি পন্টিং (৫৪৪), জ্যাক কালিস (৫৫১), কুমার সাঙ্গাকারা (৫৬৮), মাহেলা জয়বর্ধনে (৬৪৫)। কোহলির টেস্টে সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ২৫৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০টি শতরান ও ১১৬টি অর্ধশতরান রয়েছে বিরাটের। ২৯ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান করার নিরিখে ভারত অধিনায়ক রয়েছেন ৭ নম্বরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান শচীন তেন্ডুলকারের। তিনি করেছেন ৩৪৩৫৭ রান। ৬৬৪টি ম্যাচে ৭৮২টি ইনিংসে শচীন এই রান করেছেন। এরপর রয়েছেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা (২৮০১৬), অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং (২৭৪৮৩), শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনে (২৫৯৫৭), দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক কালিস (২৫৫৩৪) এবং ভারতের রাহুল দ্রাবিড় (২৪২০৮)। তিন ফরম্যাটেই বিরাটের গড় ৫০এর উপর। শুধু শচীনের রেকর্ডই ভাঙা নয়, ওভালে এদিন আরও একটি নজির গড়েছেন বিরাট কোহলি। প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে বিদেশের মাটিতে একটা দেশের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিলেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে ১০টি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার নজির গড়লেন কোহলি। ভেঙে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনির রেকর্ড। ধোনি ইংল্যান্ডের মাটিতে দেশকে ৯টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সুনীল গাভাসকার পাকিস্তানের মাটিতে দেশকে ৮টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশকে সবথেকে বেশি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ডও কোহলির দখলে। তিনি মোট ৬৫টি টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ধোনি দিয়েছিলেন ৬০টি টেস্টে। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৪৯টি টেস্টে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

Fixed Deposit Missing : গ্রাহকের অজান্তেই গায়েব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা, পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়

গ্রাহকের আজান্তেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব হয়ে গেল তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। ঘটনার বিহিত চেয়ে কালনা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন কালনার মধূবন পাড়ার বিডিও অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ধীরেন্দ্রনাথ দাস। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশকে ধীরেন্দ্রনাথ দাস জানিয়েছেন, বিডিও অফিস থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি এককালীন ২ লক্ষ টাকা পান। ২০১৮ সালের ২৯ আগষ্ট ওই ২ লক্ষ টাকা তিনি কালনার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে গচ্ছিত রাখেন। ২০২৩ সালের ১৯ আগষ্ট ছিল ফিক্সড ডিপোজিটের ম্যাচিউরিটি ডেট। ধীরেন্দ্রনাথ বাবু জানিয়েছেন, তাঁর ছোট মেয়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য তাঁর টাকার প্রয়োজন হয়। সেই কারণে মেয়াদ উত্তির্ণ হওয়ার আগেই চলতি মাসের ১৬ তারিখ তিনি ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেট ভাঙিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কে যান। তখনই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানিয়ে দেয়, ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা নাকি তুলে নেওয়া হয়েছে । ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেটেও ক্লোজ বলে লিখে দেয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমনটা জানিয়ে দেওয়ায় মাথায় হাত পড়ে যায় ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর। তিনি নিশ্চিত হন জালিয়াতি করে কেউ তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরপরেই ধীরেন্দ্রনাথবাবু ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে কালানা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।আক্ষেপ প্রকাশ করে ধীরেন্দ্রনাথ দাস এদিন বলেন, রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কে জীবনের সঞ্চয়টুকু জমা রেখে এইভাবে ঠকতে হবে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। এখন অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসা কীভাবে করবেন তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ম্যানেজার ইন্দ্রজিৎ মজুমদার শুধু বলেন, লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে তাঁকে কেউ কিছু জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ranji Trophy : সৌরভের চমক, ইডেনে রনজি ফাইনাল ১৬ মার্চ

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে আসীন বাংলার সৌরভ গাঙ্গুলি। সেই রাজ্য সংস্থা কি আর বঞ্চিত থাকতে পারে? এই মরশুমে রনজি ট্রফির সব নক আউট ম্যাচ কলকাতায় আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সামনে ঘরের মাঠে রনজি নক আউটে খেলার সুযোগ। কারণ, এবছর রনজিতে অপেক্ষাকৃত সহজ গ্রুপে রয়েছে বাংলা। গ্রুপ অফ ডেথে দিল্লি, মুম্বই, কর্ণাটক। করোনা ভাইরাসের আবহেই ক্রিকেট মরশুম শুরু করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই মাঠ তৈরি রাখার ব্যাপারে সব রাজ্য সংস্থাকে নির্দেশ পাঠিয়েছে। দিল্লিতে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার নক আউট পর্বের খেলা হবে। আর রনজির জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে কলকাতাকে।নক আউট পর্ব শুরু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে। ফাইনাল শুরু হবে ১৬ মার্চ। ইডেন ছাড়াও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠ, কল্যানীতে ম্যাচ আয়োজন করা হতে পারে। রনজির গ্রুপ বিন্যাসও হয়ে গেছে। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ ট্রফি, বিজয় হাজারে ট্রফি ও রনজি ট্রফিতে ৩০টি দলকে পাঁচটি এলিট গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটা গ্রুপে ৬টি করে দল রয়েছে। প্লেট গ্রুপে খেলবে আটটি দল। ৫টি এলিট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। এলিট গ্রুপের রানার্স ও প্লেট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে। সেখান থেকে আরও ৩টি দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। এলিট গ্রুপ এতে রয়েছে : গুজরাত, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, সার্ভিসেস, অসম। বি গ্রুপে রয়েছে : বাংলা, বিদর্ভ, হরিয়ানা, কেরল, ত্রিপুরা, রাজস্থান। সি গ্রুপে রয়েছে: দিল্লি, কর্ণাটক, মুম্বই, হায়দরাবাদ, মহারাষ্ট্র্র, উত্তরাখণ্ড। ডি গ্রুপে রয়েছে : তামিলনাড়ু, রেলওয়েজ, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ড, গোয়া, সৌরাষ্ট্র। ই গ্রুপে রয়েছে : অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বরোদা, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, পন্ডিচেরি। প্লেট গ্রুপে রয়েছে : চণ্ডীগড়, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, বিহার, মণিপুর, মিজোরাম, সিকিম, অরুণাচলপ্রদেশ।মহিলা অনূর্ধ্ব ১৯ প্রতিযোগিতা দিয়ে শুরু হবে দেশের নতুন ঘরোয়া ক্রিকেট মরসুম। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি। ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে রনজি ট্রফি। করোনা ভাইরাসের জন্য বেশকিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা ও বিভিন্ন দলগুলিকে। প্রতি দলে সর্বোচ্চ ৩০ ও সর্বনিম্ন ২০ জন ক্রিকেটার রাখা যাবে। দলের সাপোর্ট স্টাফের সংখ্যা ১০ কিংবা তার নিচে রাখার কথা জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। করোনার জন্য একজন ফিজিশিয়ান রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Para Olympics : নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপো

জ্যাভেলিনে দেশ যে অনেকটাই এগিয়েছে, অলিম্পিক গেমসেই তার প্রমাণ মিলছে। টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভেলিন থ্রোতে সোনা জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিলেন নীরজ কুমার। প্যারালিম্পিকেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখলেন ভারতের জ্যাভেলিন থ্রোয়াররা। টোকিও প্যারালিম্পিকের পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্ট থেকে দুটি পদক জিতল ভারত। দেশকে রুপো এনে দিয়েছেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। একই ইভেন্ট থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন সুন্দর সিং গুর্জর। ২০১৬ সালের রিও প্যারালিম্পিকে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। তাঁকে নিয়ে দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হল দেবেন্দ্রকে। পুরুষদের এফ ৪৬ বিভাগে রুপো জিতেছেন তিনি। রুপো জেতার পথে দেবেন্দ্র বর্শা নিক্ষেপ করেন ৬৪.৩৫ মিটার। এটাই তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ দুরত্ব অতিক্রম করা। অন্যদিকে ৬২.৫৮ মিটার ছুঁড়ে ব্রোঞ্জ জেতেন সুন্দর সিং গুর্জর। এটা তাঁর মরশুমের সেরা দুরত্ব অতিক্রম করা। তিনজন ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট টোকিও গেমসে যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। দেবেন্দ্র, সুন্দর ছাড়াও ছিলেন অজিত। এদিন প্রতিযোগিতায় প্রথম প্রচেষ্টায় দেবেন্দ্র ছোঁড়েন ৬০.২৮ মিটার। অন্যদিকে সুন্দর সিং গুর্জর ছোঁড়েন ৬২.৫৮ মিটার। এই দুজনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন অজিত। তিনি ছোঁড়েন ৫৬.১৫ মিটার। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় দেবেন্দ্র ছোঁড়েন ৬০.৬২ মিটার। তৃতীয় প্রচেষ্টায় নিজের রেকর্ড ছাপিয়ে তিনি ছোঁড়েন ৬৪.৩৫ মিটার। কিন্তু শ্রীলঙ্কার প্রতিযোগী দীনেশ প্রিয়ান হেরাথ মুদিয়ানসেলাজে বিশ্বরেকর্ড ভেঙে তাঁর তৃতীয় প্রচেষ্টায় ছোঁড়েন ৬৭.৭৯ মিটার।আরও পড়ুনঃ প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়াঅন্যদিকে, প্রথম প্রচেষ্টায় ভাল ফল করলেও তৃতীয় ও চতুর্থ প্রচেষ্টায় ফাউল করেন সুন্দর সিং গুর্জর। তাঁর পঞ্চম থ্রোতে ৬৪.০১ মিটার ছুঁড়ে ব্রোঞ্জ জয় নিশ্চিত করেন। অন্যদিকে অজিত প্রথম প্রচেষ্টায় যে দুরত্বে বর্শা নিক্ষেপ করেছিলেন, বাকি প্রচেষ্টায় তাকে ছাপিয়ে যেতে পারেননি। শেষ প্রচেষ্টায় তিনি ছোঁড়েন ৫২.৩৬ মিটার। টোকিও অলিম্পিকে নীরজ কুমারে সোজা জয় তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেছিল বলে দাবি করেছেন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া। প্যারালিম্পিকে রুপো জেতার পর তিনি বলেন, নীরজের সোনা জয় দেশের জ্যাভেলিন থ্রোয়ারদের প্রচারের আলোয় নিয়ে এসেছে। আমাকেও দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল। টোকিও প্যারালম্পিকের পর আশা করছি জ্যাভেলিন থ্রো দেশের দ্বিতীয় জনপ্রিয় খেলায় পরিণত হবে।

আগস্ট ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Para Olympics :প্যারালিম্পিকে ডিসকাস থ্রো–তে রুপো জিতলেন যোগেশ কাথুনিয়া

টোকিও প্যারালিম্পিকে চমক দিয়েই চলেছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। টেবিল টেনিসে রুপো জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন ভাবনাবেন প্যাটেল। নিশাদ কুমার, বিনোদ কুমাররাও দেশকে পদক এনে দিয়েছেন। তবে সোমবার সবথেকে বড় চমক দেখিয়েছেন অবনী লেখারা। মহিলাদের ব্যক্তিগত শুটিং ইভেন্টে বিশ্ব রেকর্ড করে সোনাআ জিতে ইতিহাস রচনা করেন তিনি। অন্য অ্যাথলিটদের পদাঙ্ক অনুসরন করে দেশকে পদক এনে দিয়েছেন যোগেশ কাথুনিয়া। পুরুষদের ডিসকাস থ্রোতে রুপো জিতেছেন তিনি। আগের দিনই ডিসকাস থ্রোতে দেশকে ব্রোঞ্জ এনে দিয়েছিলেন বিনোদ কুমার। ডিসকাস থ্রো থেকে দ্বিতীয় পদক এল ভারতের।পুরুষদের এফ ৫৬ বিভাগে জীবনের সেরা থ্রো করেও অল্পের জন্য সোনা হাতছাড়া হয়েছে যোগেশ কাথুনিয়ার। ফাইনালে তিনি ৪৪.৩৮ মিটার দুরে ডিসকাস ছোঁড়েন। ৪৫.৫৯ মিটার দুরে ডিসকাস ছুঁড়ে এই বিভাগে সোনা জিতেছেন ব্রাজিলের বাতিস্তা ডস স্যান্টোস ক্লাউডিনে। ব্রাজিলের এই প্যারা অ্যাথলিট বিশ্ব রেকর্ডেরও অধিকারী। এদিন প্রতিযোগিতায় প্রথম প্রয়াস ফাউল করেন যোগেশ কাথুনিয়া। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় তিনি ছোঁড়েন ৪২.৮৪ মিটার। তৃতীয় প্রচেষ্টায় নিজের পারফরমেন্স আরও উন্নত করেন ভারতের এই প্যারা অ্যাথলিট। তিনি ছোঁড়েন ৪৩.৩৮ মিটার। ফাইনাল থ্রোতে ৪৪.৩৮ মিটার দুরে ডিসকাস ছুঁড়ে রুপো নিশ্চিত করেন যোগেশ কাথুনিয়া। প্যারালিম্পিক থেকে তিনি দেশকে পঞ্চম পদক এনে দেন। প্যারালিম্পিক অভিষেকে রুপো জিতে দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন কাথুরিয়া। এই বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন কিউবার প্যারা অ্যাথলিট। আন্তর্জাতিক মঞ্চে যোগেশের এই পদক প্রথম নয়। এর আগেও তিনি দেশের মান উজ্জ্বল করেছেন। ২০১৯ সালে দুবাইতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব প্যারা অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন যোগেশ কাথুনিয়া। যোগেশের আগে সোমবার সোনা জিতে ইতিহাস গড়েন অবনী লেখারা। মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল স্ট্যান্ডিং এসএইচ ওয়ান ইভেন্টে ২৪৯.৬ স্কোর করে সোনা জেতেন অবনী। চলতি গেমস থেকে ভারতের হয়ে চতুর্থ পদক জিতলেন এই মহিলা প্যারা শুটার। প্যারালিম্পিকের শুটিং ইভেন্টে এর আগে কোনও ভারতীয় মহিলা সোনা জিততে পারেননি। ১৯ বছরের অবনী লেখারা টোকিওয় নিজের কেরিয়ারের প্রথম গেমস খেলতে নেমেই অসাধ্য সাধন করেছেন। মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেল স্ট্যান্ডিং এসএইচ ওয়ান ইভেন্টে ২৪৯.৬ স্কোর করে দেশের জন্য সোনা জেতার পাশাপাশি বিশ্ব রেকর্ড ছুঁয়েছেন ভারতীয় প্যারা শুটার। যা প্যারালিম্পিক রেকর্ডও বটে। ইভেন্টে রুপো জিতেছেন চিনের কুইপিং ঝাং। ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন ইউক্রেনের ইরিয়ানা স্কেটনিক।

আগস্ট ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • ...
  • 39
  • 40
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

হারের হ্যাটট্রিকে চাপে শ্রেয়স, বৈভবের অভিষেক রঙহীন; ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সিরিজে পিছিয়ে ভারত

ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের দুর্দশা যেন কাটছেই না। বিশ্বকাপজয়ী দলের আত্মবিশ্বাস কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে। নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বেও সেই হতাশার ছবিই আরও স্পষ্ট হল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯০ রান করেও জয় ছিনিয়ে আনতে ব্যর্থ হল ভারত। এক ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল স্বাগতিকরা। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে অধিনায়ক হিসেবে টানা তিনটি ম্যাচ হেরে সমালোচনার মুখে পড়লেন শ্রেয়স আয়ার।এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল তরুণ বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। আয়ারল্যান্ড সিরিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ না পাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। অবশেষে দ্বিতীয় ম্যাচে সঞ্জু স্যামসনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা পান বৈভব। ভারতের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের নজির গড়লেও ব্যাট হাতে সেই অভিষেক স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না তিনি।তবে শুরুটা ছিল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। জফ্রা আর্চার ও জশ টংয়ের মতো অভিজ্ঞ পেসারদের বিরুদ্ধে দুটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান বৈভব। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারলেন না। উইল জ্যাকসের বলে ক্রিজ ছেড়ে বড় শট খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি। মাত্র ১০ বলে ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় এই তরুণ ব্যাটারকে।অন্য প্রান্তে অভিষেক শর্মা নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। আগ্রাসী মেজাজে খেলতে খেলতে মাত্র ২৪ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। কিন্তু অর্ধশতরানের দোরগোড়ায় পৌঁছে স্যাম কারেনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন। তাঁর বিদায়ের পর ভারতের ইনিংসে কিছুটা গতি কমে যায়।মধ্যক্রমে ঈশান কিশন ও অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ঈশান ৪৯ এবং শ্রেয়স ৩৭ রান করেন। ইংল্যান্ডের বোলাররা চমৎকার পরিকল্পনায় ভারতের ব্যাটারদের বড় বাউন্ডারির দিকে শট খেলতে বাধ্য করেন। ঝুঁকিপূর্ণ সেই শট খেলতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারায় ভারত।শেষের দিকে তিলক বর্মা মাত্র ১১ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও শিবম দুবে ও অক্ষর পটেল ব্যর্থ হন। ফলে একসময় ২০০ রানের সম্ভাবনা তৈরি হলেও ভারত থামে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানে। হার্দিক পাণ্ড্য না থাকায় অতিরিক্ত বোলার খেলাতে গিয়ে ব্যাটিং গভীরতায় ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা ভারতের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। অর্শদীপ সিংহ প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন দুই বিধ্বংসী ওপেনার ফিল সল্ট এবং জস বাটলারকে। ম্যাচের শুরুতে ভারতের দিকেই পাল্লা ভারী ছিল।কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১৫ বলে ৩৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে চাপ সরিয়ে দেন তিনি। পরে টম ব্যান্টন ৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। তবে ম্যাচের আসল নায়ক হয়ে ওঠেন জেকব বেথেল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শতরান করেও ভারতের বিরুদ্ধে দলকে জেতাতে পারেননি বেথেল। এবার সেই আক্ষেপ মুছে দিলেন তিনি। ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে মাত্র ৪৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষের দিকে তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের সামনে কার্যত অসহায় দেখায় ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে।ভারতের বোলাররা শুরুতে সাফল্য পেলেও মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলতে ব্যর্থ হন। ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা বড় জুটি গড়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায়। শেষ দিকে কয়েকটি উইকেট পড়লেও তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এক ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় এই জয় ইংল্যান্ডকে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিল। এখন সিরিজে ফিরতে হলে বাকি তিনটি ম্যাচের প্রতিটিতেই জিততে হবে ভারতকে। তবে বর্তমান ফর্ম, ব্যাটিংয়ের অনিয়মিত পারফরম্যান্স এবং মাঝের ওভারে বোলিংয়ের ধারহীনতা দেখে সেই কাজ মোটেও সহজ মনে হচ্ছে না।নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের জন্যও পরিস্থিতি ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। অধিনায়ক হিসেবে এখনও জয়ের মুখ দেখেননি তিনি। টানা তিনটি পরাজয়ের পর তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ম্যাচগুলোয় ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে শুধু সিরিজ নয়, দলের আত্মবিশ্বাসও আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়তে পারে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে বড় বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ঘোষণায় চমকে রাজ্য, বদলে গেল সব হিসাব

শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ফেরাতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ এবং হাজার হাজার চাকরি বাতিলের ঘটনার পর এবার নতুন বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তিনি ঘোষণা করেন, রাজ্যের বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিয়োগ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সরকার আরও এক ধাপ এগোল বলে দাবি করা হয়েছে।শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গত কয়েক বছরে রাজ্যের রাজনীতি উত্তপ্ত ছিল। নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় আদালতের নির্দেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই স্বচ্ছ নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বর্তমান সরকার। এবার সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপ হিসেবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শীর্ষ পদে অভিজ্ঞ প্রশাসনিক আধিকারিককে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সরকার শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ করা হবে এবং নিয়োগ কমিশনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে। সেই লক্ষ্যেই নিয়োগ কমিশনগুলিকে সর্বভারতীয় মানের কাঠামোয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাখা হবে না।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই বরিষ্ঠ আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালার হাতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে বলেই সরকারের আশা।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে চাকরি পাওয়ার একমাত্র মাপকাঠি হবে মেধা এবং যোগ্যতা। অতীতের মতো কোনও ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মকে বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়াই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।সরকারের এই ঘোষণার পর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আশাবাদী হয়েছেন বহু চাকরিপ্রার্থী। এখন নজর থাকবে নতুন কমিশনের অধীনে নিয়োগ কতটা স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেদিকেই।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা মমতার শিবিরে! পদ ছাড়তেই বিস্ফোরক দাবি চন্দ্রিমার, পাল্টা কড়া বার্তা দলনেত্রীর

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও প্রকাশ্যে এল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। কালীঘাট শিবিরের রাজ্য সভানেত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়ার পর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে, তাঁর ইস্তফার পরই সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মমতা জানিয়েছেন, এই পদত্যাগের ইঙ্গিত তিনি অনেকদিন ধরেই পাচ্ছিলেন।ফেসবুকে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চন্দ্রিমা অনেকদিন ধরেই পদ ছাড়ার কথা জানাচ্ছিলেন। তাঁর দাবি, চন্দ্রিমার ছেলে ইতিমধ্যেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে তিনি নিজে কোনও সমঝোতার পথে হাঁটবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন। মমতার কথায়, নেতা নয়, তিনি কর্মীকেই বেশি গুরুত্ব দেন। একজন চলে গেলে দলের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংগ্রামই তাঁর জীবনের শক্তি এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জন্যই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন।বিদ্রোহীদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন দল থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার পর এখন অনেকেই অন্য পথে হাঁটছেন। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সুব্রত বক্সির অসুস্থতার কারণেই চন্দ্রিমাকে অস্থায়ীভাবে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান মমতা। তিনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে রাজ্যের সাংগঠনিক দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন। পাশাপাশি দলের কাজ আরও শক্তিশালী করতে মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথাও জানান।অন্যদিকে, পদত্যাগের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, তিনি সবসময় দলের প্রতি অনুগত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তৃণমূল ভবন নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনায় তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। চন্দ্রিমার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভবন অন্য শিবিরের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই অভিযোগে তিনি অত্যন্ত আঘাত পান। তাঁর কথায়, তিনি কোনওভাবেই এমন কিছু করেননি। সেই কারণেই আত্মসম্মানের জায়গা থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ বসুর অন্য শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়েও তিনি মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিজেই নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মতের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।এদিকে চন্দ্রিমাকে স্বাগত জানিয়েছে ঋতব্রত শিবির। ওই শিবিরের নেতা সন্দীপন সাহার দাবি, কালীঘাটে এখন এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অনেকেই স্বস্তি পাচ্ছেন না। তাঁর বক্তব্য, সেই কারণেই চন্দ্রিমার মতো অভিজ্ঞ নেত্রীও শেষ পর্যন্ত সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাই হবেই! রিকশায় দাঁড়িয়ে সভার হুঁশিয়ারি মমতার

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালনকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল। ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, কোনও বাধাই তাঁদের শহিদ দিবস পালন আটকাতে পারবে না। প্রয়োজন হলে রিকশায় দাঁড়িয়েও শহিদ দিবস পালন করা হবে।শনিবার সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ অনুমতি না দিলেও একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি বাতিল হবে না। তাঁর অভিযোগ, মধ্য কলকাতায় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে তাঁদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে কোনও বাধাই তাঁদের থামাতে পারবে না। কোথায় অনুষ্ঠান হবে, সেই সিদ্ধান্ত পুলিশের অনুমতির পর জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে মমতা বলেন, কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। দল আগেও ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবে। মানুষের ভালোবাসাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও দাবি করেন তিনি।এদিন তৃণমূলের মেট্রোপলিটন পার্টি অফিসে তালা পড়ার ঘটনাও তুলে ধরেন মমতা। তিনি বলেন, ওই দফতরটি দল নিয়ম মেনে ভাড়ায় নিয়েছিল এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাড়ার চুক্তিও রয়েছে। প্রতি মাসে নিয়মিত ভাড়া ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। সমস্ত নথিও দলের কাছে রয়েছে। তাঁর দাবি, একটি অফিসে তালা ঝোলানো যেতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তালা লাগানো সম্ভব নয়। এই ঘটনায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, মমতার বক্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, কালীঘাটে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে বহু নেতা স্বস্তি পাচ্ছেন না। সেই কারণেই একের পর এক বর্ষীয়ান নেতা অন্য শিবিরে চলে আসছেন। তাঁর আরও দাবি, তাঁদের শিবিরে যে সাংগঠনিক কাঠামো ঠিক করা হয়েছে, সেটাই এখনও বহাল রয়েছে। অন্যদিকে কালীঘাট শিবিরে বারবার সাংগঠনিক দায়িত্বে পরিবর্তন হচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় এবং কীভাবে হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

জুলাই ০৪, ২০২৬
কলকাতা

চন্দ্রিমাকে নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল! ‘সব পেয়েও তখন অভিমান হয়নি, এখন হঠাৎ কী হল?’

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফাকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে বিতর্ক আরও তীব্র হল। এবার তাঁকে সরাসরি আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। চন্দ্রিমার সিদ্ধান্ত নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর সময় কোনও অভিমান ছিল না। তাহলে এখন হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত, সেই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি।সম্প্রতি দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুক্রবারও তিনি দলীয় সভানেত্রী হিসেবে তৃণমূল ভবনে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু পরের দিনই দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন। নিজের সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। সেই মন্তব্যে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন বলেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।এই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমার পরিবারের কয়েকজন আগেই অন্য শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। তবুও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ছিল। কিন্তু তৃণমূল ভবনের ঘটনাদিন তিনি যদি আরও কিছুক্ষণ সেখানে থাকতেন, তাহলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত বলে দাবি করেন কুণাল। তাঁর কথায়, দলীয় কর্মীরাও চন্দ্রিমাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি সেই অনুরোধ না মেনে সেখান থেকে চলে যান। কুণালের দাবি, দলের দায়িত্বে থাকা একজন নেতার কাছে এমন আচরণ প্রত্যাশিত ছিল না।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি কাউকে ভবনের দখল নিতে সাহায্য করেননি। তাঁর দাবি, তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি ভবন অন্য পক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন? এই মন্তব্যেই তিনি অপমানিত বোধ করেন। তাঁর মতে, সেই কথার মধ্য দিয়ে তাঁর আনুগত্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। আর সেই কারণেই তিনি দলের সব পদ থেকে ইস্তফা দেন।এর জবাবে কুণাল ঘোষ আরও কড়া ভাষায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন চন্দ্রিমা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। তখন কোনও অভিমান ছিল না। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই হঠাৎ অসন্তোষ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। কুণালের কথায়, ক্ষমতায় থাকাকালীন সব সুবিধা নেওয়া আর পরে অন্য শিবিরের দিকে ঝুঁকে পড়া রাজনৈতিকভাবে অকৃতজ্ঞতার পরিচয়। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবে নেবেন না।চন্দ্রিমাকে এক সময় স্বাস্থ্য, অর্থ এবং আইন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্কের পর এই প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মারাদোনার রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের শিখরে মেসি! গোলেও একের পর এক নজির

বয়স যত বাড়ছে, ততই যেন নতুন নতুন ইতিহাস লিখে চলেছেন লিওনেল মেসি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে নকআউট পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুধু দলকে জেতাতেই বড় ভূমিকা নেননি, একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এমন একটি রেকর্ড গড়েছেন, যা এতদিন ছিল আর্জেন্টিনার আর এক কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার দখলে।ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপে নিজের মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড় করালেন ৯-এ। এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বাধিক অ্যাসিস্টের মালিক এখন এককভাবে লিওনেল মেসি। এতদিন ৮টি অ্যাসিস্ট নিয়ে এই রেকর্ডটি ছিল দিয়েগো মারাদোনার নামে। সেই নজির ভেঙে আরও একবার নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখে ফেললেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।গোল করাতেও অতুলনীয় মেসিফুটবল বিশ্বে মেসিকে সাধারণত অসাধারণ গোলদাতা হিসেবেই বেশি চেনা হয়। তবে তাঁর খেলার অন্যতম বড় শক্তি হল সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। নিখুঁত পাস, অসাধারণ ভিশন এবং ম্যাচের গতিপ্রকৃতি বোঝার ক্ষমতা তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেমেকারেও পরিণত করেছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেই দক্ষতারই আরও একটি উজ্জ্বল প্রমাণ মিলল।বিশ্বকাপে ৯টি অ্যাসিস্টের রেকর্ড শুধু তাঁর ব্যক্তিগত কৃতিত্বই নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেরও প্রতীক।গোলেও নতুন মাইলফলকঅ্যাসিস্টের পাশাপাশি গোল করেও ইতিহাস গড়েছেন মেসি। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের বাড়ানো বল থেকে দুরন্ত ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। এটি ছিল বিশ্বকাপে তাঁর ২০তম গোল।এই গোলের সুবাদে আরও একটি অনন্য নজির গড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা আটটি ম্যাচে গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, দুটি পৃথক বিশ্বকাপে সাত বা তার বেশি গোল করা প্রথম ফুটবলার হিসেবেও নিজের নাম লেখান মেসি।গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে২০২৬ বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই সাতটি গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন মেসি। তবে লড়াই এখনও শেষ হয়নি। ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে ছয় গোল করে খুব কাছেই রয়েছেন। ফলে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, ততই জমে উঠবে সর্বোচ্চ গোলদাতার প্রতিযোগিতা।নাটকীয় লড়াইয়ের শেষে আর্জেন্টিনার জয়কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে দুই দলই ২-২ গোলে সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময়েও দুই দলের লড়াই ছিল সমানে সমান।শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় এক আত্মঘাতী গোলে। অতিরিক্ত সময়ে মেসির নেওয়া একটি শট বিপদমুক্ত করতে গিয়ে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার দিনে বোরজেস নিজের জালেই বল জড়িয়ে ফেলেন। সেই আত্মঘাতী গোলেই ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।এই জয়ের সুবাদে লিওনেল স্কালোনির দল নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট। আর ব্যক্তিগতভাবে লিওনেল মেসি আরও একবার প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু গোল করার জন্যই নন, দলের আক্রমণ গড়ে তোলা এবং ইতিহাস সৃষ্টিদুই ক্ষেত্রেই অনন্য। প্রতিটি ম্যাচে নতুন রেকর্ড গড়ে তিনি যেন নিজের কিংবদন্তিকে আরও সমৃদ্ধ করে চলেছেন।

জুলাই ০৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক?' আর্জেন্টিনার জয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা, ভবিষ্যদ্বাণী উল্টে দিল লা অ্যালবিসেলেস্তে

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই চমক, নাটকীয়তা আর নানান ধরনের ভবিষ্যদ্বাণী। কখনও অক্টোপাসের ভবিষ্যদ্বাণী, কখনও আবার কার্টুন সিরিজ The Simpsons-এর কাকতালীয় মিলপ্রতিটি বিশ্বকাপেই এমন নানা ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এবার সবকিছুকে ছাপিয়ে ভাইরাল হয়ে ওঠেন ঘানার এক স্বঘোষিত তান্ত্রিক।বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে তিনি দাবি করেছিলেন, লিওনেল মেসিদের দল নাকি কেপ ভার্দের কাছেই আটকে যাবে এবং প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারবে না। তাঁর এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। কেউ সেটিকে নিছক বিনোদন হিসেবে নিলেও, অনেকেই আবার ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হবে বলেই ধরে নিয়েছিলেন।কিন্তু মাঠে নেমে সব হিসেবই বদলে দেয় আর্জেন্টিনা। ১২০ মিনিট ধরে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ১৬-তে জায়গা নিশ্চিত করে লা অ্যালবিসেলেস্তে। কঠিন লড়াইয়ের পর পাওয়া এই জয় শুধু আর্জেন্টিনার সমর্থকদেরই উচ্ছ্বসিত করেনি, একইসঙ্গে ঘানার সেই তান্ত্রিকের দাবিকেও সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে।আর্জেন্টিনার জয়ের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে হাস্যরসের ঝড়। ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রামসব জায়গাতেই একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কোথায় গেল ঘানার সেই তান্ত্রিক? কেউ লিখছেন, ধরে আন ব্যাটাকে! আবার কেউ মিম বানিয়ে দেখাচ্ছেন, ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ হতেই তিনি নাকি গায়েব হয়ে গিয়েছেন। মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার মিম এবং ট্রোল ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।ঘটনার মজার দিক আরও একটি। যে ঘানার তান্ত্রিক আর্জেন্টিনার বিদায়ের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, সেই ঘানার দলই শেষ পর্যন্ত কলম্বিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ফলে সমর্থকদের একাংশ কটাক্ষ করে বলছেন, অন্যের ভাগ্য গণনা করতে গিয়ে নিজের দলের ভবিষ্যৎই দেখতে পেলেন না!ফুটবল যে শেষ বাঁশি বাজার আগে কোনও ফলাফল মেনে নেয় না, আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দে ম্যাচ যেন তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। কুসংস্কার, অলৌকিক দাবি কিংবা ভাইরাল ভবিষ্যদ্বাণীর চেয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠের লড়াই, কৌশল এবং ফুটবল দক্ষতাই যে আসল কথাতা আরও একবার প্রমাণ করলেন মেসিরা।এখন শেষ ১৬-র লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে মিশর। তবে এই মুহূর্তে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় একটাইঘানার সেই তান্ত্রিক এখন

জুলাই ০৪, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের কোষাগার চাঙ্গা করতে দিল্লি অভিযান! বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতে ও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়াতে বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বাংলার বাড়ি প্রকল্প ও অন্যান্য সামাজিক প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। আসন্ন সংসদের বাদল অধিবেশনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রীদের দিল্লিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া ও অতিরিক্ত বরাদ্দ আদায়ই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বাড়ছে আর্থিক চাপবর্তমানে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,৯২০ কোটি টাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে। পূর্ববর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগের জেরে কেন্দ্রীয় অর্থপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকেই প্রকল্পটি চালিয়ে আসছিল।এবার নতুন সরকার চাইছে, এই প্রকল্পকে আবার প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (PMAY-G)-র আওতায় ফিরিয়ে আনা হোক অথবা অন্তত এক বছরের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হোক। সেই দাবিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রীয় অংশের দাবিসূত্রের খবর, প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য কেন্দ্রের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ছাড় করার আবেদন জানানো হবে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনায় সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করে কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য। সেই কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুর করার আবেদনই জানাবে রাজ্য সরকার।সামাজিক প্রকল্পে বাড়তি ব্যয়রাজ্যে বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত-সহ একাধিক সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন ঋণের কিস্তিও পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে রাজ্যের কোষাগারের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই বাদল অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার।গুরুত্বপূর্ণ বিষয়* বাদল অধিবেশনে দিল্লিতে যাবেন বিভিন্ন দফতরের রাজ্য মন্ত্রীরা।* কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা।* বাংলার বাড়ি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক সহায়তার আবেদন।* প্রায় ১৬ লক্ষ উপভোক্তার জন্য PMAY-G-এর কেন্দ্রীয় অংশ দ্রুত মঞ্জুরের দাবি।* সামাজিক প্রকল্প ও ঋণ পরিশোধের কারণে রাজ্যের আর্থিক চাপ কমাতেই এই উদ্যোগ।

জুলাই ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal