• ১ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IC

কলকাতা

করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ, একদিনে গ্রেপ্তার ১৬৭ জন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করছে কলকাতাকে। করোনা রুখতে চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে শুরু হয়েছে পুলিশের প্রচার। মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ধরপাকড়ের উপর আরও গুরুত্ব দিল পুলিশ। বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাস্ক না পরার অভিযোগে ১৫০ জনের উপর পথচারীকে ধরা হয়। এর মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে হাতেনাতে ধরা পড়ে ১৫ জন। অন্যান্য বাজারেও মাস্ক না পরলেই তাকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, করোনা আক্রান্তর সংখ্যা কলকাতায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বহু পথচারী ও গাড়ি, বাস আরোহীর মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক নেই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরও। এবার সেদিকেও বিশেষ নজর পুলিশের। পুলিশের উপর ভোটের ডিউটির চাপ রয়েছেই। সেই সঙ্গে এবার করোনা রোখারও ব্যবস্থা নিল পুলিশ।গত বছর করোনার ঢেউ কলকাতায় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার সচেতনতার প্রচার শুরু করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু আক্রান্তর সংখ্যা কমতে থাকায় সেই প্রচারে ভাটা পড়ে। যদিও সংখ্যায় কম হলেও মাস্ক না পরার অভিযোগে চলছিল ধরপাকড়। গত মাস থেকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবার গত বছরের আদলেই প্রচার করতে শুরু করেছে পুলিশ।এদিকে, বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে করোনা বিরোধী সচেতনতার প্রচার শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি থানা। পুলিশের অভিযোগ, এই বছর এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই করোনা নিয়ে সচেতন নন। তাই বাজারগুলিতে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা, এমনকী, বিক্রেতাদের মুখেও নেই মাস্ক। পারস্পরিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না। এদিন নিউ মার্কেট অঞ্চলে মাস্ক না পরে নামতে দেখলেই ওই যাত্রীকে ধরেছে পুলিশ। একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, যাদবপুর, হাতিবাগানের মতো বাজারগুলিতেও। এ ছাড়াও ওই বাজারগুলিতে মাস্ক না পরে কেনাকাটা করার অভিযোগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
কলকাতা

আইকোর মামলায় এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব ইডির

আইকোর মামলায় ফের রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের পর এবার তাঁকে নোটিস পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি এই অর্থলগ্নিকারী সংস্থাকে সমর্থন করেছিলেন। সে বিষয়েই তাঁরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডাকা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে দাবি।তবে শুধুমাত্র বেহাল পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই নয়, কলকাতা পুরসভার এক বিদায়ী কাউন্সিলরকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। বিদায়ী কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের সঙ্গে আইকোরের কী সম্পর্ক ছিল তা জানতে চেয়ে তাঁকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। আগামী সপ্তাহে দুজনকেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে একই মামলায় রাজ্যের মন্ত্রীকে তলব করেছিলি সিবিআই। কিন্তু ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি আপাতত হাজিরা দিতে পারবেন না বলে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন।মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয় সিবিআইয়ের তরফে। ১৫ মার্চ কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করার কথা ছিল। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই দিন হাজিরা দেননি। জানিয়েছিলেন, তিনি তখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। পেলে অবশ্যই উত্তর দেবেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয় তাঁকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজনীতি

এবার কমিশনের কোপে রাহুল, দিলীপ, শুভেন্দু

এবার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে মন্তব্যের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্বাচন কমিশন। তার পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে থাকে বিজেপি নেতারা একাধিক বার আপত্তিকর মন্তব্য করলেও, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠতে থাকে। এহেন পরিস্থিতিতে রাহুল সিনহার প্রচার ৪৮ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচি নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকেও শোকজ নোটিস পাঠানো হল। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে উত্তর দিতে হবে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। শুভেন্দু অধিকারীকেও সতর্ক করা হয়েছে। বিতর্কিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা যান ৪ জন। যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ছেলেকে যারা গুলি করেছে, তাদের নেত্রী আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। মস্তানরাজ কায়েম করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। এরপরই জুড়ে দেন, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিক কাজ করেছে। তাদের উপর বোমা ছোঁড়া হচ্ছে। আবারও গোলমাল করলে এই জবাবই দেবে। কেন চারজনকে মারল? ৮ জনকে গুলি করে মারা উচিত ছিল। এর জন্য বাহিনীকেই শোকজ করা উচিত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করার পর রাহুলের এই বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ধর্মতলার গান্ধি মূর্তির পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছেন। তার মাঝেই কমিশনের তরফে রাহুলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সামনে এল। যদিও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়নি বলে জানা গিয়েছে। রাহুলকে নোটিস পাঠানো না হলেও দিলীপকে শোকজ করা হয়েছে কমিশনের তরফে। এর আগে রবিবার বরাহনগরের সভা থেকে হুমকির সুরে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, সকলে ভোট দিতে যাবেন। কেউ যদি বাধা দেয়, কোনও কথা শুনবেন না। আমরা সব দেখে নেব। মাথায় রাখবেন কেউ বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে। বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। তার পর কমিশনের এই পদক্ষেপ।এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার পর শুভেন্দু অধিকারীকে শোকজ নোটিস ধরায় কমিশন। কিন্তু শুভেন্দুর দেওয়া উত্তরে কমিশন সন্তুষ্ট নয় বলে জানা গিয়েছে। সে কথা জানিয়ে, কমিশন শুভেন্দুকে আপাতত সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। যে কোনও রকম বিতর্কিত মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

কোচবিহারে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের

চতুর্থ দফায় বঙ্গের নির্বাচনে নজিরবিহীন হিংসার জের। আগামী ৭২ ঘণ্টা কোচবিহার জেলায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। ফলত রবিবার কোচবিহার সফর বাতিল হচ্ছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। শীতলকুচি-সহ জেলার ৫টি স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রবেশ করতে পারবেন না, জানিয়ে দিল কমিশন। এই নয়া নির্দেশ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ সূত্রে দাবি, মূলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটকাতেই কমিশনের এই নয়া নির্দেশিকা। তবে রবিবার সূচি অনুযায়ী, নাগরাকাটায় যাবেন তৃণমূল নেত্রী।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু ভিন রাজ্যের পুলিশের

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হল এক পুলিশ কর্মীর। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিহার-বাংলা সংলগ্ন পাঞ্জিপাড়ার পানতাপারা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিহারের কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাইক চোরের সন্ধানে হানা দেয় এলাকায়। বাংলার পুলিশের সহযোগিতায় পানতাপারা গ্রামে অভিযানে যায় বিহার পুলিশ।সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমার। গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিহারের পূর্ণিয়ার আইজি সুরেশ প্রসাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকেরা। হাসপাতালে আসেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচিন মক্কর-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা। মৃত পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমারের মৃতদেহ ময়না তদন্তে জন্য পাঠানো হয় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

করোনাবিধি না মানলে বিনা নোটিসেই বন্ধ হতে পারে সভা-মিছিল

লাফিয়ে বাড়ছে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ। ১ এপ্রিল থেকে গত দশ দিনে রাজ্যে সংক্রমণ তিনগুণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। চতুর্থ দফার ভোট শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে, শুক্রবার কমিশন জারি করেছে কঠোর নির্দেশিকা। তাতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, এইভাবে চলতে থাকলে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ করার পথে যাবে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্বের নির্দেশ না মানা হলে প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো নিষিদ্ধ করা হবে।উল্লেখ্য, কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যু। দুইয়ের নিরিখে গতবছরের মতো এবারও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে শীর্ষে কলকাতা। অন্তত রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তথ্য তাই বলছে। মানে, কুড়ির করোনাপর্বের সুচনালগ্নের রিরান শুরু হয়েছে একুশেও। এমতাবস্থায় আগেরবারের মতোই কোমরবেঁধে নেমে পড়েছে প্রশাসন। আগামী সপ্তাহেই স্বাস্থ্যদপ্তর ও কলকাতা পুরসভা যৌথভাবে মহানগরের ঘনবসতি এলাকায় ফের বুথ করে করোনা পরীক্ষা অভিযানে নামছে। তথ্য বলছে, গতবছরের ১৫ অক্টোবর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩,৭২০। তবে সেই সময়ে দৈনিক কোভিড পরীক্ষা ৪১ হাজার ছাড়িয়েছিল। এখন পরীক্ষা কম। কিন্তু সংক্রমণ দ্রুত ছড়ানোর এমন চিত্রে চোখ বুলিয়ে যারপরনাই দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যকর্তারা। তাঁরা দুষছেন আট দফা লম্বা ভোটকে। বিহার ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের কোভিড বিধি মানার যে নির্দেশিকা ছিল সেটিই এবারে পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে ফের জারি করা হয়েছিল। শুক্রবার নতুন নির্দেশে কমিশন জানিয়েছে, ওই নির্দেশিকা মেনে চলছে না রাজনৈতিক দলগুলি। যদি দেখা যায়, সভায় বা মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা মাস্ক পরছে না এবং মঞ্চে নেতারা শারীরিক দূরত্ব রক্ষা করছেন না তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বিনা নোটিসেই নিষিদ্ধ করা হবে। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই এখনও বিধানসভা ভোট শেষ হওয়া বাকি। রাজ্যে পরবর্তী চার দফার প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলিকে যে সতর্ক হতেই হবে তা এদিন রাতের নির্দেশিকায় স্পষ্ট।বড় বড় সভার ক্ষেত্রে সেটা হওয়া আদৌ কতটা সম্ভবপর তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ফলে কমিশনকে কঠোর পদক্ষেপ করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে কোনও কোনও ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বন্ধ হতে পারে। শুক্রবার রাতে কমিশনের এই নির্দেশিকার কথা জানাজানি হওয়ার পর চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নেতাদের কপালে। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের এক কর্তার কথায়, কোভিড সংক্রমণ কলকাতার চৌহদ্দি ছাড়িয়ে বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও ছড়িয়েছে। ভোটের কারণে কলকাতা থেকে যাঁরা জেলায় যাচ্ছেন তাঁদের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এপ্রিল ১০, ২০২১
কলকাতা

ভোটের আগের দিন উত্তপ্ত কসবা

ভোটের আগের দিনই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কসবা বিধানসভা কেন্দ্র। দিনেদুপুরে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর উপর হামলার ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোটের কয়েকদিন আগে থেকেই কসবার ৬৭নং ওয়ার্ড এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিয়ে বারবার তাঁদের উপর চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের তরফে। তবে শুক্রবার এলাকার অশান্তির মাঝে এলাকায় কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখা যায়নি। ফলে নির্বাচনী আবহে কসবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে একুশের ভোটে লড়ছেন তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খান, বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ এবং সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। ৬৭ নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবারই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাড়ি বাড়ি ঢুকে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। শুক্রবার সকালের দিকেও ছবিটা একই ছিল। রামঠিকারী মাঠ এলাকায় জনা ২০ যুবক বাইক নিয়ে একই কথা বলে তাঁদের। আর সেই হুমকি দিতে দিতেই তারা বাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে। সেখানে উপস্থিত এক যুবককে রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।ঘটনার খবর পেয়ে বিকেলের দিকে সেখানে যান বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ, সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। শতরূপের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকদিন ধরে অশান্তির খবর পেয়েও উদাসীন থানা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে কসবা থানার ওসিকে অপসারণের দাবি তোলেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর অভিযোগ, তিনি নিজে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা এর প্রতিকার চেয়ে বিক্ষোভেও শামিল হয়েছেন। তা সত্ত্বেও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ। এ নিয়ে পালটা ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য, তৃণমূল নয়, বিজেপির তরফেই এলাকার শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা হয়েছে। ভোটের আগে বিজেপিই সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে কসবায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

অফিস টাইমে ব্যাহত শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ট্রেন চলাচল

সিগন্যালিংয়ের সমস্যা। অফিস টাইমে ব্যাহত শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল পরিষেবা। এক ঘণ্টা বাদে আংশিকভাবে তা চালু করার চেষ্টা করছে রেল। পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার জেরে বহু নিত্যযাত্রীকে নাকাল হতে হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস যাত্রীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রের খবর, শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার বালিগঞ্জ স্টেশনে সিগন্যালে সমস্যা থাকার কারণে এদিন সকাল ৮টা নাগাদ ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আপ বা ডাউন কোনও লাইনেই ট্রেন চলছিল না। যার ফলে সোনারপুর, ক্যানিং, বারুইপুর, ডায়মন্ডহারবার, লক্ষীকান্তপুর, নামখানা এবং বজবজ লাইনে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়। ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। প্রায় প্রতিটি স্টেশনেই বহু যাত্রীর ভিড় জমে গিয়েছে। আটকে বহু ট্রেন। রেলের পদস্থ আধিকারিক ও টেকনিশিয়ানরা দ্রুত সিগন্যাল ব্যবস্থায় কাজ করছে। সকাল ৯ টার পর আংশিক পরিষেবা চালু করা গেলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুকে নোটিস নির্বাচন কমিশনের

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেগম বলে সম্বোধন করে কমিশনের কোপে পড়লেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার শুভেন্দুকে এ বিষয়ে শোকজ নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ অর্থাৎ নন্দীগ্রামে ভোটের শেষ প্রচারের দিন প্রতিপক্ষ প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে মমতা বেগম বলে উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তৃণমূল শিবির প্রথমেই তীব্র আপত্তি তোলে। এটা অসম্মানজনক বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। সেই অভিযোগ ভালভাবে খতিয়ে দেখে ভোট হয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর শুভেন্দুর সেই মন্তব্যকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বলে চিহ্নিত করেল কমিশন। আর তারপরই শুভেন্দুকে নোটিস পাঠানোর মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর। যদিও কমিশনের এই শোকজ নোটিস নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি শুভেন্দু অধিকারী কিংবা গেরুয়া শিবিরের কেউই।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
কলকাতা

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, মমতাকে নোটিস কমিশনের

ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাচক্রে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে দিন দুই আগে কোচবিহারের জনসভা থেকে সরব হয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তাঁর দাবি ছিল, মমতা জনসমক্ষে সব মুসলমানকে এক হতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, সব মুসলমান এক হও, ভোট ভাগ হতে দিও না। তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতা যেমন বলছেন, তেমন যদি আমি বলতাম যে, সব হিন্দু এক হয়ে বিজেপিকে ভোট দাও, তাহলে নির্বাচন কমিশন আমাকে ৭-৮ দিনের জন্য নোটিস দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও নোটিস আসে। জানি না, কমিশন আপনাকে নোটিস দেবে কিনা। প্রধানমন্ত্রী সেই কটাক্ষের দুদিনের মধ্যেই মমতাকে নোটিস দিল কমিশন।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

তিন জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরাল কমিশন

ভোটের আবহেই দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দুই বর্ধমান জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরিয়ে দিল কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, এঁদের তিনজনের বিরুদ্ধেই ভোটের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা না করার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখেই এই আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতার দুই থানার পুলিশ আধিকারিকদেরও সরানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।নিখিল নির্মলকে সরিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ডিইও করা হয়েছে ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার সি মুরুগানকে। পূর্ব বর্ধমানের ডিইও করা হয়েছে শিল্পা গৌরীসারিয়াকে। তিনি ২০০৯ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার অনুরাগ শ্রীবাস্তবকে বসানো হয়েছে পশ্চিম বধর্মানের জেলার নির্বাচন আধিকারিকের পদে। কমিশন সূত্রে বলা হচ্ছে, বাংলায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট করানোটা একটা চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই এই আধিকারিকদের সরানোর সিদ্ধান্ত।তবে শুধু নির্বাচনী আধিকারিকদের সরানো নয়। প্রশাসনিক দিকের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকটাও খেয়াল রাখতে চায় কমিশন। সেই উদ্দেশ্যেই আগামী পর্বে কলকাতার যে এলাকায় নির্বাচন, সেই এলাকার দুটি থানার আধিকারিকদের বদলে দিয়েছে কমিশন। রিজেন্ট পার্ক থানার ওসি মৃণালকান্তি মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে। বাঁশদ্রোণী থানার ওসি প্রতাপ বিশ্বাসকে পাঠানো হয়েছে গোয়েন্দা বিভাগে। পরিবর্তে টালিগঞ্জে রাম থামা এবং মলয় বসুকে বাঁশদ্রোণী থানার ওসি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, টালিগঞ্জে এবার হেভিওয়েটেদের লড়াই। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এই আসনে রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়ছেন। লড়াইয়ে সিপিএমের দেবদূত ঘোষও। সম্ভবত, সে কারণেই এই কেন্দ্রে বিশেষ নজর কমিশনের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
দেশ

অমিত শাহ, যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি দিয়ে ইমেল এল সিআরপিএফ-এর দপ্তরে। কয়েক দিন আগে এই ইমেল এলেও মঙ্গলবার সিআরপিএফ এই মেলের বিষয়ে সকলকে জানিয়েছে। দেশের দুই হেভিওয়েট নেতাকে এভাবে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বিগ্ন প্রশাসন।জানা গিয়েছে, কেবল যোগী ও অমিত শাহকে খুনের হুমকিই নয়, সেই সঙ্গে দেশজুড়ে ধর্মীয় স্থান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতেও ধারবাহিক হামলার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই মেলে। এছাড়া দুই নেতাকে হত্যার হুমকি প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ১১ জন সুইসাইড বম্বার প্রস্তুত রয়েছে ওই হামলা চালানোর জন্য। এই মেল পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে তৎপরতা৷ বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা৷ সেই সঙ্গে কারা এই মেল পাঠাল, তার খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি৷ খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোথা থেকে এসেছে সেটি।প্রসঙ্গত, এর আগেও যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি দিয়ে মেসেজ এসেছিল। উত্তরপ্রদেশের ১১২ হেল্প ডেস্কের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে আসা সেই মেসেজে বলা হয়েছিল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একে-৪৭ দিয়ে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হবে যোগীকে। সরাসরি হুমকি দিয়ে বলা হয়েছিল, ক্ষমতা থাকলে আমাকে খুঁজে বের করো। তারও আগে গত বছরের ২১ নভেম্বর ওই নম্বরেই আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি বার্তা এসেছিল। তবে সেক্ষেত্রে অভিযুক্তের সন্ধান মিলেছিল। আগ্রা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জানা গিয়েছিল, অভিযুক্ত একজন নাবালক।এবারের জোড়া হুমকি বার্তায় সতর্ক সিআরপিএফ। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলিকে তাদের তরফে এই মেল সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মাঝে ফের অপসারিত কলকাতার ৮ রিটার্নিং অফিসার

বঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবারই ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। আর সেদিনই ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার আটজন রিটার্নিং অফিসারকে। বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানাল নির্বাচন কমিশন।কমিশনের মতে, পরপর তিন বছর কেউ এক পদে থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সেই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়াই নিয়ম। কিন্তু এতদিন কলকাতার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর করা হয়নি। এবার সেই বিধিই কার্যকর করা হল। আর তাই সরানো হয়েছে ওই আট রিটার্নিং অফিসারকে। যদিও সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময়ে ওই আট আধিকারিকের উপর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও সময়ই তাঁরা সেই অভিযোগগুলির প্রতি গুরুত্ব দেননি। এরপরই সেই খবর পৌঁছায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন কমিশনের আধিকারিকরা। ওই আটজন অফিসারকে শো-কজ করা হয়। তারপরই মূলত তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ওই আটজনের পরিবর্ত হিসেবে নতুন রিটার্নিং অফিসারও নাকি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।কমিশনের তরফে খবর, কলকাতার মোট আটটি বিধানসভা এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে অপসারিত করা হয়েছে। এগুলি হল- কলকাতা বন্দর , জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। অর্থাৎ কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে আটটিরই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। এই কেন্দ্রগুলিতে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতা পোর্ট বা বন্দর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবার ফিরহাদ হাকিম। তবে তাঁর এলাকার রিটানিং অফিসারকেও অপসারিত করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় দিনভর অশান্তির তৃতীয় দফা

কোথাও প্রতিপক্ষের ইট থেকে মাথা বাঁচাতে প্রার্থীকে হেলমেট পরে বুথে যেতে হল। কোথাও সংঘর্ষে আহত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে সপাটে চড় খেলেন প্রার্থী। কোথাও আবার দিনভর দফায় দফায় প্রার্থীকে হামলার শিকার হতে হল। রাজ্যের ৩ জেলার ৩১ আসনে তৃতীয় দফার ভোটে বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়ল অশান্তির ছবি। ভোটপর্বের মাঝে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে মঙ্গলবার। হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীদের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তৃণমূলের এক বুথ সভাপতির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটপর্ব শুরুর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরে কেশপুরে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ওই দফায় ভোটপর্বের মাঝে নন্দীগ্রামে এক বিজেপি কর্মী আত্মঘাতী হয়েছিলেন।হুগলি এবং হাওড়া জেলায় দিনভর পেশিশক্তির লড়াই হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপি-র। হামলার আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে স্পর্শকাতর এলাকা মুক্তিচকে বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হাওড়ার উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নির্মল মাজি। এলাকায় পৌঁছনোর পরেই বিজেপি সমর্থকেরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। নির্মলের মাথা বাঁচলেও ইটের আঘাতে আহত হন তাঁর দেহরক্ষী।পাশের কেন্দ্র উলুবেড়িয়া দক্ষিণে আক্রান্ত হন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। সেখানে তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে তাঁকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে আহত এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে তিনি আক্রান্ত হন। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পুলিশের সামনের চড় মারা হয়েছে পাপিয়ার গালে। ভিডিও ফুটেজ দেখে রাতে পুলিশ দুই হামলাকারীকে গ্রেপ্তারও করে। উলুবেড়িয়া লাগোয়া শ্যামপুরে বিজেপি-র আর এক অভিনেত্রী প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তীকে হেনস্থা করারও অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবার। অভিযোগ, জোকা কুমারচক এলাকায় একটি বুথের কাছে তাঁর উদ্দেশে অশালীন শব্দ ছুড়ে দেন তৃণমূলের কিছু সমর্থক।তবে দিনভর অশান্তির নিরিখে এগিয়ে ছিল পাশের জেলা হুগলি। ভোটপর্বের মাঝে গোঘাটে প্রাণহানির পাশাপাশি জেলার আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ-র উপর হামলা হয়েছে একাধিক জায়গায়। তাঁর মাথায় বাঁশের বাড়ি পড়তেও দেখা গিয়েছে ভিডিও ফুটেজে। এমনকী, লাঠি হাতে মহিলাদের তাঁর উপর হামলা করতে দেখা গিয়েছে আরামবাগে। খানাকুলের তৃণমূল প্রার্থী মুন্সি নজিবুল করিমকেও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দুটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে।দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে ব্যতিক্রমী ছবি। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে টক্কর দিয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গিয়েছে প্রভাবশালী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে। তাঁর অভিযোগ, বুরানগড় এলাকায় বোমা-গুলি নিয়ে সন্ত্রাস করছে আইএসএফ। তাঁকেও বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, শকুন্তলা এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের আইএসএফ প্রার্থী মইদুল ইসলাম এবং ফলতার বিজেপি প্রার্থী বিধান পাড়ুইয়ের উপরেও তৃণমূল সমর্থকেরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ। রবিবারও হামলায় আহত হয়েছিলেন বিধান। বিষ্ণুপুরের পানাকুয়ায় হয়েছে দফায় দফায় বোমাবাজি। সেখানে সাতসকালেই এক মহিলাকে ভোট না দিতে যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে দেখা যায় এক দুষ্কৃতীকে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাতগাছিয়া থেকেও অশান্তির অভিযোগ মিলেছে।অশান্তির নিরিখে প্রথম দুদফার সঙ্গে পাল্লা দিলেও ভোটদানের নিরিখে পিছিয়ে পড়েছে তৃতীয় দফা। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৮ শতাংশের কাছাকাছি। প্রথম দুদফাতে যা গড়ে ৮৫ শতাংশ ছাপিয়ে গিয়েছিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

সকালে ফের কেঁপে উঠল একাধিক জেলা

মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হল উত্তরবঙ্গে। কেঁপে উঠল একাধিক জেলা। গতকাল রাতের পর আজ সকাল ৭টা ৭ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয়বার কম্পন অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। এর প্রভাব দেখা যায় মূলত জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে।প্রসঙ্গত, সোমবার রাত আটটা বেজে পঞ্চাশ মিনিট নাগাদ একইভাবে কম্পন অনুভব করেন কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, দুই দিনাজপুর ও মালদহের বাসিন্দারা। এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল গ্যাংটক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.২। ৭ থেকে ৮ সেকেন্ড কম্পন অনুভূত হয়। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক গ্রাস করে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের। মূলত বহুতল আবাসনের বাসিন্দারা নেমে আসেন রাস্তায়। কার্যত হুলুস্থুলু পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও এই কম্পনে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। প্রাণহানিও ঘটেনি বলেই জানা যাচ্ছে।এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরই আজ সকালে নতুন করে কম্পন অনুভূত হয় এই জেলাগুলিতে। তবে, আজকের কম্পন ছিল একেবারেই মৃদু। এর উৎস বা মাত্রা কোনওটাই এখনও জানা যায়নি। এটা গতকালের ভূমিকম্পের আফটার শক হতে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। এদিকে, আজ ভোরেও অসমের তিনসুকিয়ায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ২,৭। এই ভূমিকম্পের জেরেই উত্তরবঙ্গে কম্পন অনুভূত হল কিনা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
কলকাতা

বাঙালি ক্রিকেটার খেলানোর দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে বাংলা পক্ষ

সিএবি-তে বাঙালি ক্রিকেটার খেলানোর দাবিতে আন্দোলনের সময় বাংলা পক্ষের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে আগামী ৭ এপ্রিল, বুধবার প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে এই বাঙালি সংগঠন।বাংলা ক্রিকেট দলে বাংলার খেলোয়াড়দের সুযোগ বৃদ্ধির জন্য ডোমেসাইল নিতি চালু করার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলা পক্ষ। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার খেলোয়াড়দের জন্য ডোমেসাইল চালুর দাবিতে গত শনিবার ইডেন গার্ডেন্সে সিএবি অফিসে ডেপুটেশন প্রদান ও প্রতিবাদ কর্মসূচী নিয়েছিল এই সংগঠন। সেই সময় কয়েকজন বহিরাগত খেলোয়াড় বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধা দেবাশীষ মজুমদারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় দেবাশীষ মজুমদারের ডান হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করেছেন সংগঠনের পক্ষে কৌশিক মাইতি। কৌশিকের দাবি, দেবাশীষ মজুমদারকে বাঁচাতে গেলে বেশ কিছু বহিরাগত বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধাদের ব্যাট, উইকেট দিয়ে মারতে আসে। এই আক্রমণে মহিলা সহযোদ্ধা সহ বেশ কয়েকজন আঘাত পেয়েছেন। এই বর্বরোচিত হামলা চলাকালীন পুলিস কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলে তাঁরাও ওই বহিরাগত দুস্কৃতিদের হামলার শিকার হন।তিনজন হামলাকারীকে চিহ্নিত করে ময়দান থানায় বাংলা পক্ষের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই তিনজন হামলাকারী দীপক পুনিয়া, হরষিত কাওসিক, ওমপাল বোকেম। এরা সকলেই ভিন রাজ্য থেকে কলকাতার ক্লাবে খেলতে এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলা পক্ষ।এই ঘটনার প্রতিবাদে কড়া ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি এবং এই তিন খেলয়াড়কে সিএবি-র সমস্ত খেলা এবং খেলা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় থেকে বহিস্কারের দাবিতে আগামী ৭ এপ্রিল বাংলা পক্ষ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২১
বিদেশ

ফের ক্যাপিটলে হামলা, নিহত ২

ফের হামলার মুখে ক্যাপিটল হিল । এবার মার্কিন কংগ্রেসের ভবনটির কাছে পুলিশকর্মীদের প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দেয় একটি গাড়ি। ওই হামলায় মৃত্যু হয়েছে এক পুলিশ আধিকারিকের। আহত আরও এক। নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে নিহত হয়েছে হামলাকারী।এই ঘটনার পর ক্যাপিটল বন্ধ করে দিয়েছে ন্যাশনাল গার্ডস। ক্যাপিটল পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার স্থানীয় সময় মতে দুপুর ১টা নাগাদ ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ের উত্তরের ব্যারিকেডে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা মারে একটি নীল রঙের সেডান। হামলায় আহত হন দুই পুলিশকর্মী। সেটির চালক ছুরি হাতে গাড়ি থেকে বেরোনোর চেষ্টা করে। তখন পুলিশের গুলিতে আহত হয় সে। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান আহত পুলিশকর্মী। এ দিনের ঘটনায় নিহত আততায়ীর পরিচয় এখনও জানায়নি পুলিশ। ঘটনার কিছু ক্ষণ আগেই হোয়াইট হাউস থেকে ক্যাম্প ডেভিডে যান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ঘটনার তদন্তে ক্যাপিটল পুলিশকে সাহায্য করছে এফবিআই।উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে পরাজয়ের পর গত জানুয়ারি মাসে ক্যাপিটলে হামলা চালায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা। তখন জো বাইডেনকে জয়ের শংসাপত্র দিতে শুরু হয়েছিল মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন। কিন্তু তারপরই ট্রাম্প সমর্থকদের হামলায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ক্যাপিটল বিল্ডিং চত্বর। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় পুলিশের। কয়েক হাজার সমর্থক ট্রাম্পের সমর্থনে স্লোগান ওই বিল্ডিংয়ে জোর করে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। ট্রাম্পপন্থীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করতেই পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে। সেই হামলায় এক পুলিশকর্মী-সহ পাঁচ জন নিহত হয়েছিলেন। তারপর থেকেই সুরক্ষা বাড়ানো হয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের ভবনটির।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
কলকাতা

বয়ালের বুথে মমতার ধর্না নিয়ে পাল্টা কমিশনে বিজেপি

নন্দীগ্রামের বয়ালের ৭ নম্বর বুথে ২ ঘণ্টা মমতার উপস্থিতি। তৃণমূল বলছে, মুখ্যমন্ত্রী ভোট লুট রুখতে গিয়েছিলেন। এবার পালটা এল বিজেপির তরফে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গতকাল বয়ালে আইন ভেঙে দুঘণ্টা ধর্না দিয়েছেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ভোটের গতি কমিয়ে দেওয়া। যাতে হারের ব্যবধান কমানো যায়।বিজেপি বলছে, নন্দীগ্রামের বুথে মমতার ২ ঘণ্টা বসে থাকা বেআইনি। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়ার অভিযোগ, নন্দীগ্রাম বিধানসভার ৭ নম্বর বুথে মমতা রীতিমতো ধর্না দিয়েছেন। তিনি প্রার্থী হিসেবে যে কোনও বুথে যেতেই পারেন। কিন্তু ধর্না দিতে পারেন না। দুঘণ্টা ধর্না দিলেন। সব ভুলে গেলেন। ১৪৪ ধারারও তোয়াক্কা করেননি। বহিরাগতদের নিয়ে ভোট প্রভাবিত করেছেন মমতা। গত ৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র নন্দীগ্রামেই শতাংশ ভোট কমল? তার মানে কী? উনি জেনেবুঝে ভোটকে প্রভাবিত করলেন। ভোটের গতি কমিয়ে দিলেন। শুধু তাই নয়, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার অভিযোগ, তৃণমূলনেত্রী ভোটের পর উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন। যদিও এসব হুমকির কোনও অর্থ হয় না। কারণ, এরপর উনি আর মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এসব হুমকির পর যদি কোনও অঘটন ঘটে তাঁর জন্য দায়ী কে হবে?শুক্রবার দুপুরে তৃণমূলের উচ্চস্তরীয় এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে একাধিক অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। ইভিএম নিয়েও অভিযোগ জানিয়ে এসেছে শাসক দল।তৃণমূলের পালটা কমিশনে যায় বিজেপির প্রতিনিধি দলও। শিশির বাজোরিয়া, তথাগত রায়দের দাবি, তৃণমূল রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ভোট চায় না। সেকারণেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রোজ নতুন নতুন অভিযোগ নিয়ে কমিশনে নালিশ করছেন তাঁরা। কমিশনের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে, গতকাল যেভাবে ভোট হল, তাতে বিজেপি খুশি। আমরা সন্তুষ্ট। শিশির বাজোরিয়া বলছেন, এইভাবে ভোট হলে আমরা মাথা তুলে বলতে পারব, বাংলায় ভোট ভাল হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 122
  • 123
  • 124
  • 125
  • 126
  • 127
  • 128
  • ...
  • 141
  • 142
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal