• ৩ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Home Remedy

টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

Face Cream: হোম মেড ফেস ক্রিম দিয়ে শুষ্ক ত্বকে ফিরিয়ে আনুন পুরনো ঔজ্জ্বল্য

সামনেই পুজো। সারা বছর নিজের দিকে তেমন তাকানোর সময় না হলেও, পুজোর কটা দিন নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে বেশ ভালোই লাগে। এই সময় আবহাওয়াটাই কেমন যেন মন ভালো থাকে। তাই নিজেকে একটু সাজিয়ে নিতে পারলে, মনটাও ভালোই হয়ে যায়। এমনিতে করোনা আবহে ঘরে থেকে থেকে একেঘেয়েমির আস্তরণ পড়ে গিয়েছে অনেকের মনে। এক ঝটকায় সেই আস্তরণ সরিয়ে ফেলতে ঘরে বসেই নিজের ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলুন। বহু বছর ধরে অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন-ই ত্বকের পরিচর্চার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মার্কিন দেশের ন্যাশানাল লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভিটামিন ই-এর সাময়িক ব্যবহারে সূর্যের ইউভি বিকিরণের কারণে ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে। অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষার পাশাপাশি ভিটামিন ই-তে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেশন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্য। যা ত্বককে মসৃণ, উজ্জ্বল ও টোনড করতে সাহায্য করে। ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য ভিটামিন ই হল সেরা উপাদান। তবে বাজার চলতি কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে, বাড়িতে তৈরি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ফেস ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল বাজারে সহসলোভ্য। তাই এই উপকরণ নিয়ে কিছুটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেই পারেন।মসৃণ ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ও ভিটামিন ই মাস্কতাজা অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল থেকে তেল বের করে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ফেস ক্রিম বা মাস্কটি মুখের ত্বকে লাগিয়ে আধ ঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উভয় উপকরণের মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে মসৃণ ও লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পেঁপে ও ভিটামিন ই মাস্ক২ টেবিলস্পুন পেঁপের পাল্প, এক টেবিলস্পুন গোলাপ জল ও ১৫-২০ ফোঁটা ভিটামিন ই তেল- একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। মুখের সর্বত্র লাগিয়ে যতক্ষণ না শুকিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ও ভিটামিন ই-এর মিশ্রণ ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই ফেস মাস্ক দারুণ উপকারী। পেঁপেতে রয়েছে পেপেইন এনজাইম বা ত্বকের মৃত কোষ ও ট্যান দূর করতে এই ফেস মাস্ক বেশ কার্যকরী। এই দুই উপাদান ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে।গ্রিন টি, মধু ও ভিটামিন ই মাস্কমুখের মধ্যে অকাল বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে একটি বাটিতে এক কাপ গ্রিন টি, ২-৩ টেবিলস্পুন চালের গুঁড়ো, ১ টেবিলস্পুন মধু, ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল। প্রথমে গ্রিন টি বানিয়ে তা ঠান্ডা করতে দিন। তারপর গ্রিন টিয়ের সঙ্গে চালের গুঁড়ো, মধু ও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। মুখের ত্বকের উপর সমানভাবে পেস্টটি ব্যবহার করুন। গ্রিন টি অকাল বার্ধক্যের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সাহায্যে করে।এই কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি মাস্কই আপনার ত্বকে ফিরিয়ে আসতে পারে সেই পুরনো জৌলুস। তাই পুজোর কটা দিন নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরোয়া এই মাস্কগুলো দিয়ে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
টুকিটাকি

Skin Burning Home remedy: ঘরোয়া ফেসপ্যাকে মিরাক্যাল

কোনও কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে ত্বকের মধ্যে যে দাগ সৃষ্টি হয়, তা শুধু ত্বকেই নয়, মানসিকভাবেও সেই দাগ থেকে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের ক্ষতবিক্ষত দিকগুলি যতটা পারা যায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অনেকে দাগ মেটাতে প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জারি করান। কিন্তু জানেন কী, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়েও কালো দাগ, ব্রণের ক্ষত দাগ, পক্সের কালো দাগ, গর্ত এইগুলি খুব সহজে নির্মূল করা যায়।সবজির খোসা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকদাগের চিকিৎসার জন্য লেজার থেরাপি, মাইক্রো ডার্মাব্রেসন, কেমিক্যাল পিলিং, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড এগুলি করাই যায়। তবে ভেজ পিল ট্রিটমেন্ট নামে একটি বায়ো পিলিং পদ্ধতি রয়েছে। যা খুব সহজে পোড়া দাগ ও আঘাতপ্রাপ্ত দাগ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এগুলি ক্লিনিকে না গিয়ে বাড়তেও করতে পারেন। তবে যদি অনেক দাগ থাকে তাকলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বেশ কয়েকটি সেশনের দরকার হতে পারে। তবে ব্রণের কারণ গর্ত, কালো দাগ, বসন্তের জেরে ছোট-বড় গর্ত হঠাতে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন।বাড়িতে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবচালের গুঁড়ো, দই ও এক চিমটে হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ছোট ছোট বৃত্তাকারে মাসাজ করে ত্বকের উপর আলতো করে ঘষুন। ব্রণের চিহ্ণ বা গর্তগুলিতে বিশেষ করে ঘষুন। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে তারপর প্রচুর পরিমাণে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ফেসপ্যাকসপ্তাহে এক থেকে দুবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ৩ চা চামচ ওটস ও এক চা চামচ দই, মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার ঠোঁট, চোখের চারপাশের এলাকা ছাড়া মুখের সর্বত্র লাগান। আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুকনো কমলালেবুর খোসা, ও লেবুর রস, গ্রাউন্ড আমন্ড মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। ডিমের সাদা অংশে এই প্যাকে সঙ্গে যোগ করে মুখের ত্বকের লাগিয় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা দূর করার জন্য ২ চা চামচ দই নিন, তাতে এক চিমচে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্রতিদি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে শুধু নরমই করে না। কালো দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে। পাকা পেঁপের গুড়োর সঙ্গে শসা কুচি, টমেটোর পাল্প ও কমলালেবুর খোসার পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখের ত্বকে প্রতিদিন লাগান ও আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বকের উপর ব্রণের দাগ হালকা করতে সক্ষম। তাই দাগের উপর মধু লাগান। বিশেষ করে রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেচের গুঁড়ো মিশিয়ে মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা জল যোগ করুন।প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান ও ১০-১৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। নিয়ম অনুসারে ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই পেয়ে যেতে পারেন নরম, দাগহীন পেলব ত্বক। যা সকলের নজর কাড়বেই।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
টুকিটাকি

Neck Black spot: ঘাড়ে কালো দাগ? নির্মূল করবেন কী করে? রইল ঘরোয়া টিপস

নিজের সৌন্দর্য নিয়ে আপনি বরাবরই সচেতন ! কিন্তু হঠাৎ করেই লক্ষ্য করছেন ঘাড়ে খেয়াল করছেন অযাচিত কালো দাগ। জনসমক্ষে বেরোতে অস্বস্তি হচ্ছে তাই। পিঠ কাটা জামা পড়তে গেলে ভাবতে হচ্ছে দশ বার। কীভাবে মুক্তি পাবেন এই অযাচিত কালো দাগ থেকে? রইল কিছু ঘরোয়া উপায়।অ্যালোভেরা জেলযে কোনও ত্বক ঘটিত সমস্যা হলে অ্যালোভেরা জেল অব্যর্থ। অ্যালোভেরা জেল খুব সহজেই ত্বকের ডার্কনেস দূর করে। অ্যালোভেরা জেলে থাকা মিনারেল, ভিটামিন ত্বকের পিগমেন্টেশন দূর করতে সাহায্য করে। ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে সামান্য জেল নিন দিয়ে ঘাড়ে স্ক্রাব করুন দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন । আধ ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন।অ্যাপেল সিডার ভিনিগারত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। ত্বক থেকে ডেড সেল সরাতেও সাহায্য করে এই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। একটি পাত্রে ২টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিয়ে তাতে অল্প জল মিশিয়ে নিন। এবার তুলোতে ভিজিয়ে ঘাড়ের কালো অংশে লাগান আর কিছুক্ষণ রেখে দিন এবং জলে ধুয়ে নিন।দইত্বককে পরিষ্কার করতে আরও এক অব্যর্থ জিনিস হল দই। দই যেমন খেলেও উপকার। ত্বকের জন্যও সমান উপকারি। দুচামচ দই নিয়ে ঘাড়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। প্রায় পনেরো মিনিট রেখে দেওয়ার পর ধুয়ে ফেলুন তাহলেই দেখবেন চমক।আলুব্লিচের জন্য আলু খুবই ভাল। আলুটা ভাল করে গ্রেট করে নিন। তারপর আলু থেকে চেপে রস বের করুন। সেই রস ঘাড়ের কালো অংশে লাগান। পনেরো মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললেই দেখতে পাবেন পার্থক্য।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
টুকিটাকি

Flax seed oil: ত্বকের পরিচর্যায় অপরিহার্য তিসির তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড ওয়েল

অলিভ অয়েল, ল্যাভেন্ডার অয়েল, জোজোবা অয়েল- ত্বকের পরিচর্যায় কিন্তু দারুণ ভাবে কাজে লাগে এই তিন ধরনের এসেন্সিয়াল অয়েল। তবে এই তালিকায় রয়েছে আর এক ধরনের তেল যাকে বলা হয় তিসির তেল বা ফ্ল্যাক্সসিড ওয়েল। ত্বকের পরিচর্যার পাশাপাশি ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতেও সাহায্যে করে এই তিসির তেল। এবার দেখে নেওয়া যাক, তিসির তেল কীভাবে ত্বকের পরিচর্যায় কাজে লাগে।বিভিন্ন র্যাশ-আলার্জি দূর করে- ত্বকে যদি কোনও র্যা শ বা অ্যালার্জি হয় তাহলে সেটা নিরাময়ে সাহায্যে করে এই তিসির তেল। এই তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ইনফ্লেমেটরি উপকরণ, যার সাহায্যে ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাব কিংবা চুলকানি ও অন্যান্য অস্বস্তিকর সমস্যা, লাল হয়ে যাওয়া- এইসব কমে যায়। বিশেষ করে যাঁদের রুক্ষ-শুষ্ক ত্বক, তাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তখন তিসির তেল ব্যবহার করলে নিমেষে দূর হয় দাগ-র্যা শ-চুলকানি। ব্রণর সমস্যাও দূর হয়ে এই তেলের সাহায্যে। আঙুলে করে নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়ে দিলেই পাওয়া যাবে সমাধান।ত্বক আর্দ্র রাখে- তিসির তেলে রয়েছে এসেন্সিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড। এর প্রভাবে ত্বকের রুক্ষ-শুষ্ক ভাব দূর হয়। ত্বক থাকে মসৃণ এবং মোলায়েম। হাল্কা কোনও ময়শ্চারাইজারের সঙ্গে এই তেল মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক উজ্জ্বল হয়। জেল্লা বাড়ার পাশাপাশি দূর হয় ত্বকের কালচে দাগছোপ। রাত্রিবেলা ঘুমানোর আগে হাতের তালুতে দুফোঁটা তিসির তেল নিন। তারপর হাতেই ঘষে সেটা সামান্য গরম করে নিন। এবার ওই তেল দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করে তারপর ৫ মিনিট তেল মুখে রেখে পরিষ্কার এবং সামান্য উষ্ণ জলে মুখে ধুয়ে নরম কাপড় বা গামছা কিংবা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। সকালে উঠেই ত্বকের ফারাকটা চোখে পড়বে আপনার।ডার্ক সার্কেল দূর করে- চোখের তলায় কালি বা কালচে ছোপ পড়ে গিয়েছে, গোলাকারে চোখের চারপাশেই দেখা দিয়েছে কালচে দাগছোপ, এই সমস্যার সমাধানে খুবই ভালভাবে কাজ করে তিসির তেল। তানা এক সপ্তাহ চোখের চারপাশের কালচে দাগে এই তেল মাখলে তফাতটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। এছাড়াও ত্বকের বলিরেখা রুখতে, চামড়ার কুঁচকে যাওয়া রুখতে সাহায্য করে তিসির তেল।শুধু মুখের ত্বকের নয়, সারা শরীরের ত্বকের যত্নেই আপনি ব্যবহার করতে পারেন তিসির তেল। এই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে ত্বক খুবই নরম, মসৃণ এবং মোলায়েম থাকে।

আগস্ট ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

Sun Tan: পদযুগলে ট্যান দূরীকরণের ঘরোয়া উপায় জানুন

গ্রীষ্মকালে আমাদের ত্বকের জন্য সবচেয়ে খারাপ সময় বলা যেতে পারে। এইসময় ট্যানিং হল সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম। হাত-পা-পিঠে ট্যানিংয়ের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ প্রায়শই দেখা যায়। কখনও কখনও ট্যানিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে চুলকানি এবং জ্বালাভাব অনুভব করা যায়। গরমে রোদের তাপে হাত ও মুখে ট্যান পড়লে কীভাবে তা দূর করা যায়, তার ঘরোয়া টোটকা জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করি। কিন্তু পায়েও যে ট্যানিং পড়ে কদাচিত দেখতে লাগে, তা এড়িয়ে যাওয়া হয় অনেক সময়ই। পা থেকে ট্যানিং অপসারণের জন্য কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারেন। আসুন জেনে নিই, পা থেকে ট্যান দূর করার ঘরোয়া প্রতিকারবেকিং সোডা এবং দই একটি পাত্রে এক চামচ বেকিং সোডা নিন এবং এতে একটি লেবুর রস ও তাজা দই মিশিয়ে নিন। ঘরে তৈরি স্ক্রাব তৈরির জন্য এই উপকরণগুলি একসঙ্গে মেশান। তারপর পেস্টটিকে পায়ে লাগান এবং এক্সফোলিয়েট করার জন্য হালকা মাসাজ করুন। ৪-৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। এটি ৮-১০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জলে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ট্রাই করে দেখুন।হলুদ ও বেসন একটি পাত্রে দুই চামচ বেসন নিন। এতে আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গোলাপ জল যোগ করুন। মসৃণ পেস্ট তৈরি করতে সমস্ত উপাদান মিশিয়ে নিন। রোদে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া পায়ে পুরো পেস্টটা প্রয়োগ করুন। শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এর পরে আঙুল ও পায়ের উপরের অংশে, যেখানে য়েখানে ট্যান পড়েছে, সেখানে হালকা বৃত্তাকার ভাবে পা মাসাজ করুন। ট্যান হালকা করার জন্য ত্বকের মৃতকোষগুলি নির্মূল হয়ে যায়। এবার পা থেকে পেস্টটি স্বাভাবিক ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার বা তিনবার ব্যবহার করুন।পেঁপে ও মধু আধ পাকা পেঁপে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এক কাপ পাকা পেঁপের কিউব একটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। একটি বাটিতে পেঁপের পেস্টের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দুটি পায়ে আলতোভাবে লাগান। ১০ মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে মাসাজ করুন এবং তারপরে এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এর পরে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন একবার করে এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।কাঁচা দুধ এবং চালের গুঁড়ো- একটি পাত্রে দুচামচ চালের গুঁড়ো নিন। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা দুধ যোগ করে একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এবার পেস্টটি উভয় পায়ে প্রয়োগ করে বৃত্তাকার গতিতে হালকা হাতে মাসাজ করুন। এটি ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে এবং ধীরে ধীরে সূর্যের ট্যানটি মুছতে সহায়তা করে। কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাকটি ব্যবহার করলে হাতেনাতে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
টুকিটাকি

Hibiscus: যত্নের অভাবে চুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন চুলে জবা ফুলের মিনিট মেড কামাল দেখুন

বর্ষাকালে চুল পড়ে বলে অনেকেই তা গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ায়, যত্নের অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন, শুষ্ক চুলের জেল্লা ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন জবা ফুলের প্যাক। জবা ফুল বাজারে সহজলভ্য আর এই হেয়ার প্যাক বানানোও সহজ, জেনে নিন বাড়িতেই কীভাবে বানাবেন জবা ফুলের প্যাক।খুশকি তাড়াতে, চুল সাদা হওয়া রুখতে, ঘন চুল বজায় রাখতে জবা ফুল উপকারি। জবা ফুলের হেয়ার প্যাক বানাতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০টি জবা ফুল। ফুলের সবুজ অংশটি ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিন ফুল। এবার জবা ফুল ও ৪ টেবিল চামচ টক দই নিয়ে মিক্সারে গ্রাইন্ড করতে হবে। প্রয়োজনে খানিকটা জল মেশাতে পারেন। মেথি পেস্ট তৈরি করে একটি বাটিতে ঢেলে ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে তাতে মিক্সারে গ্রাইন্ড করা জবা ফুল ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই প্যাক।আরও পড়ুনঃ চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগেএ তো গেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জবা ফুলের ব্যবহার। ত্বকের জন্যও খুব উপকারি জবা ফূলের প্যাক। ত্বকের টক্সিন ও অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে উপকারি জবা ফুলের প্যাক। জবার পাপড়ি পেস্ট করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো ও জল মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট মাসাজ করুন ওই পেস্ট। তার পরে ধুয়ে নিলেই ফিরে পাবেন সুন্দর ত্বক।জবা ফুলের প্যাক বানানোর সময় লক্ষ রাখবেন যেন ফুল ও পাতা তাজা থাকে। প্রয়োজনে মেথির বদলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে খুশকি থাকলে হেয়ার প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করুন। টাটকা ফুল না পেলে সুপার জবা ফুলের পাউডারও পাওয়া যায়, সেগুলিও ব্যবহার করতে পারেন হেয়ার প্যাক তৈরিতে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণবাড়িতে জবা ফুলের গাছ থাকলে বাড়তেই বানিয়ে ফেলুন জবাপাতার হেয়ার প্যাক, এটি বানাতে মুঠোভর্তি জবা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে কয়েকটি জবা ফুলও দিয়ে দিতে পারেন। মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। পাতার পেস্ট একটি বাটিতে নিন। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথি গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার দুটি পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন চুলে। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন ব্যবহার করেই দেখুন না, পার্লারে না গিয়েও আপানারও ঈর্ষা জাগানো কেশরাশির সমাহার দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
টুকিটাকি

Healthy Skin: বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক রূপচর্চা

গ্রীষ্ম ও শীতকালেই শুধু নিয়ম মেনে ত্বকের পরিচর্চা করে থাকি আমরা। কিন্তু বাকি সময় অর্থাত্ বর্ষার দিনগুলিতে রূপচর্চার কথা অনেক পড়ে ভাবি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বর্ষাকালেই ত্বকের বিশেষ দেখভাল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই সময় ত্বকের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে বেশি। আর্দ্রতার কারণে ত্বক ও চুলের দুয়েরই সমস্যা তৈরি হয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর জন্য ঘরোয়ো উপায়ে কিছু ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ও দই- তিন টেবিলস্পুন ওটস, একটি ডিম নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার তাতে দুই টেবিলস্পুন দই ও এক চামচ মধু নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার পুরো প্যাকটি ঠান্ডা করতে বেশ কিছুক্ষণ ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে গোটা মুখ, গলা, ঘাড়ে ফেস প্যাকটি লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাবাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটসমিল ত্বকের উপর অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ত্বকের পিএইচ লেভেল ব্যালান্স করতেও ওটসমিলের গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার অদম্য শক্তি, ফলে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও কোমল রাখতে এই উপকারী ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে লাভবানই হবেন।বেসন ও রোজ ওয়াটার- এই ফেসপ্যাক অত্যন্ত প্রচলিত। একচিমটে হলুদ গুঁড়ো ও ১ চামচ বেসন মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও রোজ ওয়াটার দিয়ে ভাল করে একটি ফেস প্যাক বানান। গোটা মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সধারণ গোলাপ জল ত্বকের সব পরিচর্চার সহঙ্গেই দারুণভাবে কাজে লাগে। অন্যদিকে বেসনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, যা ত্বকের চুলকানি, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি। ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার রাখতে এই দুই উপাদানের বিকল্প নেই।স্যান্ডালউড ও হলুদ- ১ টেবিল চামচ স্যান্ডালউড পাউডার ও হআধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল নিয়ে পুরু ফেস প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে, গলায় ভাল ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের কারণে ত্বকে ফর্সাভাব ও জেল্লা বৃদ্ধি পায়। স্যান্ডালউডের কারণে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নির্গত হয়ে সুস্থ ত্বকের পরিচয় দেয়।লেবু ও মধু- একটি বোলে অর্ধেক লেবুর রস আর দু চা চামচ মধু নিয়ে একটি প্যাক বানান। গোটা মুখে ওই প্যাক লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া অবধি রেখে দিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স স্বাভাবিক রাখতে মধুর এই প্যাক দারুণ উপকারী। যে কোনও ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যায়।

আগস্ট ০১, ২০২১
টুকিটাকি

Eyelashes : ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিন

মাস্কারা দিয়ে দিয়ে আর ভাল লাগছে না। চোখের পাতাও ঝরে যাচ্ছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে বড় করবেন আইল্যাশ? জেনে নিন।ছোটবেলা থেকেই লম্বা আই ল্যাশের শখ অনেকেরই। এটাও ঠিক সুন্দর চোখের সঙ্গে বড় বড় আই ল্যাশ অনেকের জন্মগত। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে আপনার কোনওদিন লম্বা এই ল্যাশ হতে পারে না। অনেকেই আছেন যারা নকল চোখের পাতা লাগান। কিন্তু তা অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়। কিন্তু না, এবার আর নকল নয় ইচ্ছে হলে পেয়ে যেতে পারেন সুন্দর ন্যাচারাল আই ল্যাশ। কীভাবে? রইল কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি।গ্রিন টিরোগা হওয়ার জন্য আমরা সাধারণত গ্রিন টি খেয়ে থাকি। কিন্তু জা্নেন কী গ্রিন টি এমনকী চোখের পাতা বড় করতেও সাহায্য করে। রোজকার যেমন চা বানান, সেই চা থেকে এক চা চামচ চা নিয়ে ঠান্ডা করে চোখের পাতায় লাগান তুলো দিয়ে। এটা দু থেকে তিন বার করুন তাহলেই পাবেন অসাধারণ ফল।অলিভ অয়েলচুলের গ্রোথের জন্য অলিভ দারুণ ওষুধ। অনেকেই চুলের গ্রোথের জন্য অলিভ ওয়েল ব্যবহার করেন। হাতে অল্প পরিমাণ তেল নিন আর ধীরে ধীরে চোখের উপর মাসাজ করুন । পরের দিন সকালে উঠে হালকা গরম জলে চোখ ধুয়ে নিন।ক্যাস্টর অয়েলপ্রতিদিন কাজল আর মাস্কারা দিয়ে দিয়ে চোখের অবস্থা খারাপ। অনেক সময় চোখের পাতাও পরে যায়। যদি তুলো দিয়ে হালকা করে ক্যাস্টর অয়েল দেওয়া যায় তাহলে বেশ কয়েকদিন দেওয়ার পর তার প্রভাব দেখা যাবে। চোখ থাকবে সুস্থ, চোখের উপর থেকে সরে যাবে ক্লান্তি ছাপ। উপরন্তু বাড়বে চোখের পাতাও।

জুন ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

Grey Hair: সাদা চুল নিমেষে কালো করার প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায় কী কী, জানুন...

প্রবীণ বয়সে চুল পাকা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু কম বয়সে চুল পেকে যাওয়া চিন্তার বিষয়। আধুনিক জীবযাপনে স্ট্রেসের কারণে মানুষের অল্প বয়সেই চুলে পাক ধরার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। চুল সাদা হয়ে যাওয়ার পিছনে যে প্রধান কারণগুলি উঠে আসে, তা হলে কময় বয়সে চুল পাকার অন্যতম হল জিন বা বংশগত কারণ। এছাড়া অতিরিক্ত স্ট্রেস, অতিরিক্ত ধূমপান-মদ্যপান, হেরিডিটি, অ্যানিমিয়া, অপুষ্টির কারণে তাড়াতাড়ি চুল সাদা হয়ে যায়। প্রসঙ্গত শরীরের ভিটামিন বি ১২এর অভাব ঘটলে বা থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে চুল সাদা হয়ে যায়। দেখে নিন একঝলকেনারকেল তেল ও মেহেন্দি পাতানারকেল তেল ও হেনা সাদা চুল হঠাতে দারুণ উপকারী। হেনার বাদামি রঙ চুলের গোড়া পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ৩-৪ চামচ নারকেল তেল গরম করুন। তাতে কয়েকটি মেহেন্দি পাতা দিয়ে ফোটান। যতক্ষণ না তেলের রঙ বাদামি হচ্ছে, ততক্ষণ ফোটাতে থাকুন। তেল ঠান্ডা হলে চুলোর গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত তেল লাগান। ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন।রোজকার নিয়মে এই উপকারী তেল ব্যবহার করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যই সাদা চুল কালো হয়ে যায়।ক্যাস্টর তেল ও সরষের তেল১ চা চামচ ক্যাস্টর তেল ও ২ চা চামচ সরষের তেল মিশিয়ে কয়েক সেকেন্ডের জন্য গরম করুন। তেল ঠান্ডা হলে চুলের গোড়ায় ও স্ক্যাল্পে দিয়ে ১০ মিনিট ধরে ভাল করে মাসাজ করুন। অন্তত ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর স্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধয়ে ফেলতে পারেন। সপ্তাহে তিন বার এই ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললে দ্রুত চুল কালো হয়ে যায়।নারকেল তেল ও আমলকীঘন কালো চুল পেতে একটি বোলে ২ চা চামচ আমলা পাউডার ও ৩ চা চামচ ফ্রোজেন নারকেল তেল মিশিয়ে গরম করতে দিন, তেল ঠান্ডা হলে চুলের গোড়ায় দিয়ে মাসাজ করুন। সারারাত মাথায় তেল মেখে রাখলে ফল পাওয়া যাবে দ্রুত। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিলে চকচকে, কালো কুচকুচে চুল পেতে পারেন।

জুন ২৫, ২০২১
টুকিটাকি

দাঁত সাদা রাখবেন কীভাবে? জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতি

হাসি হল মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুন্দর হাসির জন্য সুন্দর দাঁত আরও গুরুত্বপূর্ণ। হলুদ হয়ে যাচ্ছে দাঁত? তাই নিয়ে বেশ চিন্তিত ! কীভাবে সাদা রাখবেন দাঁত। জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিহাসি যে কোনও মানুষের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।আর দাঁত সুন্দর হলে হাসি আরও সুন্দর দেখায়। কিন্তু অনেক সময় এই হাসি ম্লান হয়ে যায় যদি দাঁতের কোনও সমস্যা দেখা দেয়। কিংবা দাঁতের রঙের পরিবর্তন ঘটে। আপনাদের জন্য রইল তেমনিই কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি, যাতে দাঁত দেখাবে মুক্তোর মত। হাসি হয়ে উঠবে আরও আকর্ষনীয়।বেকিং সোডাযে কোনও কিছু পরিষ্কারের জন্য বেকিং সোডা যে ম্যাজিকের মত কাজ করে তা অনেকেরই জানা। কিন্তু জানেন কী দাঁত ঝকঝকে রাখতেও বেকিং সোডা দারুন কাজে করে। জলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। আর সেই পেস্টটি ব্রাশে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ব্রাশ করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।লেবুর খোসাপ্রাকৃতিকভাবেই লেবুতে আছে ব্লিচিং উপাদান। লেবুর খোসা খুব সহজেই দাঁত পরিস্কার রাখে। দাঁতে কিছুক্ষণ লেবুর খোসা ঘষে নিন তারপর ধুয়ে ফেলুন।নারকেল তেলহ্যাঁ একদম ঠিক পড়ছেন। মুখে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমনকি কয়েক ফোঁটা তেল ব্রাশে দিয়ে ভাল করে দাঁতে ঘষুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পাবেন চমৎকার ফল।

জুন ০৪, ২০২১
টুকিটাকি

চুল ঝরছে? ত্বকে সমস্যা? বাড়িতে কর্পূর থাকলে একাধিক সমস্যার সমাধান

আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকেই পুজো-পাঠে আর খাবারের সুগন্ধ বাড়াতে কর্পূরের ব্যবহার করা হয়। চোখ বন্ধ করেও শুধু মাত্র গন্ধেই কর্পূর চেনা যায়। তবে শুধু পুজো-পাঠ বা খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেই নয়, বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় যুগ যুগ ধরে কর্পূর ব্যবহার করা হয়। আজ জেনে নেওয়া যাক কর্পূরের কয়েকটি অজানা, আশ্চর্য ব্যবহার...১. কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের গন্ধে মশা ঘর ছেড়ে পালাবে।২. ঘরের দুর্গন্ধ কাটাতে কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। দেখবেন এটি রুম ফ্রেশনারের কাজ করবে।৩. সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা বুকে কফ জমে গেলে কর্পূরের সাহায্য নিতে পারেন। কর্পূরের গন্ধে বন্ধ নাক ছেড়ে যাবে। সরষের তেল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে আন্দাজ মতো কর্পূর মিশিয়ে সামান্য গরম করে নিন। উষ্ণ অবস্থাতেই এই তেলের মিশ্রণটি বুকে, পিঠে ভাল করে মালিশ করতে পারলে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে।৪. অতিরিক্ত চুল ঝরা রোধ করতে আর খুশকির সমস্যা দূর করতে কর্পূর একেবারে অব্যর্থ একটি উপাদান। নিয়মিত মাথায় মাখার তেলের সঙ্গে কর্পূরের গুঁড়ো মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারলে চুল ঝরার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। চুলে শ্যাম্পু করার আগে এই তেলের মিশ্রণ মাথার তালুতে আর চুলের গোড়ায় মাখতে পারলে খুশকির সমস্যাও দ্রুত কমবে।৫. ব্রণ ও ব্রণর দাগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী! কয়েক ফোঁটা কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল বা কর্পূরের গুঁড়ো এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা আমন্ড তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক দিন কেখে দিন। এ বার ওই তেল ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে ভাল করে মালিশ করতে পারলে ব্রণর সমস্যা দ্রুত কমবে, সেই সঙ্গে ব্রণর দাগও ফিকে হয়ে যাবে।৬. ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যায় কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী। এক টুকরো ভোজ্য কর্পূর সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে, কিছু ক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যা দ্রুত কমে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন, কখনওই কাটা বা ক্ষত স্থানে কর্পূর ব্যবহার করবেন না। কারণ কর্পূর রক্তের সঙ্গে মিশে গেলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে।৭. ছারপোকা তাড়াতে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ছারপোকার সমস্যা থেকে মুক্ত পেতে প্রথমে বিছানার চাদর ধুয়ে, তোষক, ম্যাট্রেস সব দীর্ঘ ক্ষণ রোদে দিন। এর পর একটি বড় কর্পূরের টুকরো কাপড়ে মুড়ে বিছানা ও ম্যাট্রেসের মাঝে রেখে দিন। কর্পূরের গন্ধে ছারপোকারা বিছানার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না।৮. বাড়িতে পিঁপড়ের উপদ্রব বেড়েছে? তাহলে এই সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পেতে বাজার চলতি ক্ষতিকর কীটনাশকের পরিবর্তে জলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের ঘন্ধে পিঁপড়ে ঘর ছেড়ে পালাবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
টুকিটাকি

চুলের সমস্যায় ঘরোয়া সমাধান

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বেশির ভাগ মানুষই চুল পড়ার সমস্যায় জর্জরিত। কিছু ক্ষেত্রে চুল পড়ার বিষয়টা জিনগত হলেও নানা শারীরিক সমস্যা, মানসিক চাপও এর জন্য বহু ক্ষেত্রে দায়ী। তা ছাড়া কলকাতার পরিবেশে দূষণ, আর্দ্রতা, তার সঙ্গে ঘামের কারণেও ব্যাপক পরিমাণে চলু উঠে যায় অনেকের। দৈনিক ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়ে যাওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যদি রোজ তার থেকেও বেশি চুল পড়তে শুরু করে, তবে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। তাই ঠিক সময়ে চুলের পরিচর্যার দিকে একটু বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। চুলের যত্ন নিতে গেলেই যে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে কিংবা তা খরচ সাপেক্ষ হবে, তা কিন্তু নয়। কম খরচে, সামান্য কিছু ঘরোয়া জিনিসও হয়ে উঠতে পারে আপনার চুল পরিচর্যার উপকরণ। দেখে নিই কী সেই উপকরণগুলি?অ্যালো ভেরা: অ্যালো ভেরা যেমন ত্বকের জন্য ভাল, তেমনই চুলের জন্যও উপকারী। এটি চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া মাথার ত্বকের চুলকানি ভাব দূর করে এবং এই ত্বকের স্বাভাবিক পিএইচ-এর মাত্রা সংরক্ষণে সাহায্য করে। আর খুসকি দূর করতেও এর জুড়ি মেলা ভার।কী ভাবে ব্যবহার করবেন?একটি বড় মাপের অ্যালো ভেরা পাতা নিয়ে তার ভিতরের শাঁস বের করে নিতে হবে। তার পর ওই শাঁস ভাল করে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট রেখে দিন। এর পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন এটি ব্যবহার করুন।মেথি: চুল পড়া আটকাতে মেথি খুব ভাল কাজ করে। এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করে চুল উজ্জ্বল এবং লম্বা করতে সাহায্য করে।কী ভাবে ব্যবহার করবেন?এক কাপ মেথি সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে তা বেটে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন। এর পর ওই পেস্ট চুলে এবং মাথায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। পারলে একটা শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এর পর জলে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ব্যবহারের কোনও প্রয়োজন নেই। টানা ১ মাস সপ্তাহে ২ দিন করে এটি ব্যবহার করলে আপনি পেয়ে যাবেন উজ্জ্বল, ঘন, লম্বা চুল।চুলের যত্নে আমলকিআমলকী: আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান, যা চুল পড়া বন্ধ করতে দারুণ কাজ করে। মাথার ত্বক ভাল রাখতে এবং দ্রুত চুল বাড়াতে আমলকীর জুড়ি মেলা ভার।কী ভাবে ব্যবহার করবেন?এক কাপ নারকেল তেলের মধ্যে ৪ থেকে ৫টি শুকনো আমলকী নিয়ে তা ফুটিয়ে নিন। তেল কালো হয়ে যাওয়া অবধি ফোটাতে থাকুন। এর পর তা নামিয়ে নিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এ বার ওই তেল দিয়ে মাথায় মাসাজ করে ৩০ মিনিট মতো রেখে দিন। তার পর শ্যাম্পু এবং জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২ বার এটি ব্যবহার করুন।

মার্চ ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের ঘরে নতুন লগ্নির আলো! উৎসবেই কি চমক, বিনিয়োগকারী হিসেবে উঠে আসছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম?

ইমামির বিদায়ের পর লাল-হলুদের আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চারইমামি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিনিয়োগকারী হিসেবে সম্পর্কের অবসানের পর থেকেই নতুন পৃষ্ঠপোষকের সন্ধানে ছিল ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক সম্ভাব্য নাম নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এবার লাল-হলুদের বিনিয়োগকারী হওয়ার দৌড়ে উঠে এল হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (এইচপিএল) নাম। সূত্রের খবর, ক্লাব ও সংস্থার মধ্যে কথাবার্তা বেশ কিছুটা এগিয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে উৎসবের মরশুমেই নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারে ইস্টবেঙ্গল। যদিও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়া শুধুমাত্র আর্থিক সংস্থানের প্রশ্ন নয়, আগামী দিনের ফুটবল পরিকল্পনার সঙ্গেও তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দল গঠন, ভালো মানের ফুটবলারদের ধরে রাখা, নতুন প্রতিভা তুলে আনা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নসব ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক অর্থের জোগান প্রয়োজন। সেই জায়গায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক লাল-হলুদ শিবিরকে নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সংস্থাকে ঘিরে প্রত্যাশাহলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দ্য চ্যাটার্জি গ্রুপ (টিসিজি)। এই সংস্থা হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রধান উদ্যোক্তা। পাশাপাশি, সংস্থাটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারেরও অংশীদারি রয়েছে। ফলে এই সম্ভাব্য সমীকরণ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।তবে শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ক্লাবের সম্ভাব্য সম্পর্কের গুরুত্ব যতই থাকুক, চুক্তির আর্থিক কাঠামো এবং পরিচালন সংক্রান্ত শর্তগুলি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নতুন বিনিয়োগকারী ক্লাবের দৈনন্দিন পরিচালনায় কতটা ভূমিকা নেবে, ফুটবল দলের বাজেট কতটা বাড়বে কিংবা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে, সে সবই এখন দেখার বিষয়।ইমামির বিদায়েই শুরু নতুন অধ্যায়গত ২৫ অগস্ট বিবৃতি দিয়ে ইমামি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছিল, ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসেবে তাদের ভূমিকার অবসান ঘটছে। গত আইএসএল মরশুম শেষ হওয়ার পর থেকেই এই বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যের খবরও সামনে এসেছিল। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ইমামির জায়গায় লাল-হলুদের আর্থিক দায়িত্ব সামলাবে কোন সংস্থা?চলতি মরশুমের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ইমামির লোগো না দেখা যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জার্সিতে ছোট আকারে ফিরে আসে ইমামির লোগো। তার আগে থেকেই ইঙ্গিত মিলছিল, বিনিয়োগকারীর ভূমিকা থেকে সরে গেলেও ক্লাবের সঙ্গে স্পনসর হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী সংস্থাটি।পরে ইমামির বিবৃতিতেও সেই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, বিনিয়োগকারী ও পরিচালন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরে এলেও স্পনসর হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের পাশে থাকবে তারা। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেদের শেয়ার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটাধিকার ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, বিনিয়োগের অধ্যায় শেষ হলেও লাল-হলুদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার পথে হাঁটেনি ইমামি।আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটানোর অপেক্ষানতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ফুটবলারদের বেতন বকেয়া থাকার খবর সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। নতুন মরশুমে দল গঠন, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং অন্যান্য খরচের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।এই পরিস্থিতিতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসা লাল-হলুদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ক্লাবের আর্থিক পরিকল্পনায় স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা মিলতে পারে।তবে নতুন বিনিয়োগকারী এলেই যে সমস্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়ার অবকাশ নেই। বিনিয়োগের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের সময়সূচি, ক্লাব পরিচালনায় অংশীদারিত্ব এবং ফুটবল বিভাগের জন্য বরাদ্দপ্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সেই শর্তগুলির উপরেই নির্ভর করবে নতুন সমীকরণে ইস্টবেঙ্গল কতটা লাভবান হবে।উৎসবের মরশুমেই কি লাল-হলুদে নতুন সূর্যোদয়?ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী পাওয়ার সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। ঐতিহ্য, বিপুল সমর্থকগোষ্ঠী এবং সাফল্যের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও আধুনিক ফুটবলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রয়োজন শক্তিশালী আর্থিক ভিত। সেই ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এখন নজর নতুন বিনিয়োগকারীকে ঘিরে।সূত্রের খবর অনুযায়ী, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে থাকায় উৎসবের মরশুমে ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না চুক্তি সম্পূর্ণ হচ্ছে এবং ক্লাব বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসছে, ততক্ষণ বিষয়টিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখতে হবে।শেষ পর্যন্ত হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের গাঁটছড়া বাঁধা হলে তা ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। সেই ঘোষণাই স্পষ্ট করবে, নতুন বিনিয়োগের হাত ধরে লাল-হলুদ শিবির কতটা নতুন পথে এগোতে পারে।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, ২০২৭-এর পুজোর আগেই আগাম প্রস্তুতি! শ্যামপুরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। শ্যামপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, নদীবাঁধ মেরামতি, কর্মসংস্থান ও আবাস যোজনা নিয়েও একাধিক ঘোষণা করলেন তিনি।শ্যামপুর: উৎসবের আনন্দের মধ্যে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় যে বেদনার ছায়া নেমে এসেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চায় রাজ্য সরকার। ২০২৭ সালের পুজোয় যাতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে শ্যামপুরের বেলপুকুর কলেজের মাঠে বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চোরবাগানের ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এ দিন বিশেষ গুরুত্ব পায় চোরবাগানের দুর্ঘটনা। প্রথম সপ্তমীর রাতে ওই ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, উৎসবের আনন্দের মধ্যেই বেদনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, এই ঘটনার তদন্ত হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন বিপর্যয় আর না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়েছে। আগামী বছরের দুর্গাপুজোর অনেক আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১২ জনের পরিবারের সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন। বাকি ছটি পরিবারের সঙ্গে ২৩ ও ২৪ তারিখের মধ্যে দেখা করার পরিকল্পনার কথাও জানান। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্বজনহারা পরিবারের ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেন তিনি।শ্যামপুরের অতীত প্রসঙ্গ তুলে রাজনৈতিক আক্রমণবিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের কয়েক বছর আগের অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক সময়ে যাঁরা মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তুলেছিলেন, তাঁদেরই এখন প্রিজন ভ্যানে উঠতে হচ্ছে। দুর্গাপ্রতিমা ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে তাঁর আরও মন্তব্য, যাঁরা দুর্গাঠাকুর ভেঙেছিলেন, তাঁদের মা দুর্গাই ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি এ দিনের অনুষ্ঠানে এলাকার উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।১৪ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হবে ১০০ শয্যারশ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে এলাকায় ১৪ শয্যার একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেটিকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার আশ্বাস দেন তিনি। শুধু শয্যা বাড়ানোই নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।নদীবাঁধের ভাঙন রোধে উদ্যোগ, কাঠের সেতুর বদলে পাকা ব্রিজপ্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে শ্যামপুরের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এই এলাকায় নদীবাঁধের ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় থাকা কাঠের সেতুগুলিকে পাকা সেতুতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। বোয়ালিয়ায় একটি বড় সেতু তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।শ্যামপুরে পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী তিনি। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামোর উন্নয়ন হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।আগামী ৮ মে-র মধ্যে এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতিকর্মসংস্থান প্রসঙ্গেও এ দিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতিশ্রুতি, আগামী বছরের ৮ মে-র মধ্যে রাজ্যে এক লক্ষ যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার আশ্বাসও দেন তিনি। তবে কোন কোন দপ্তরে কত পদে নিয়োগ হবে এবং তার বিস্তারিত সময়সূচি কী, সে বিষয়ে এ দিনের বক্তব্যে নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজের নির্দেশ, আবাস যোজনায় আরও ২৫ লক্ষ বাড়িগ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পঞ্চায়েতগুলিকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিকশিত ভারত ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে আগামী ছমাসের মধ্যে প্রতিটি পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করার কথা বলেন তিনি। তাঁর দাবি, ১২৫ দিনের কর্মসূচিতে ৩৭০ ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি।আবাস যোজনার পরবর্তী ধাপে আরও ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামীণ এলাকার মানুষের বাসস্থানের চাহিদা পূরণ এবং স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।চোরবাগানের দুর্ঘটনা এ দিনের অনুষ্ঠানে শোক ও সতর্কতার বার্তা নিয়ে এলেও, একই মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন, কর্মসংস্থান এবং আবাসন নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এখন নজর থাকবে, ঘোষিত প্রকল্পগুলির কতটা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়িত হয় এবং আগামী বছরের দুর্গাপুজোর আগে দুর্ঘটনা রোধে কী ধরনের আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে ‘না’, জামিনের শর্তে কী মুচলেকা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা?

এক সপ্তাহ তিহাড়ে কাটিয়ে মুক্তি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের, ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনজ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এখনও অনড় দুই নেতা।এক সপ্তাহ জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। বুধবার বিকেলে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তবে মুক্তির পথ একেবারে শর্তহীন ছিল না। ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনুমতি ছাড়া প্রতিবাদ কর্মসূচি না করা এবং শান্তিভঙ্গকারী কোনও কাজে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করতে হয়েছে দুই নেতাকে। মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডেও সই করেছেন তাঁরা।প্রশাসনের নির্ধারিত বিধি উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানোর অভিযোগেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পুলিশি পদক্ষেপ এবং পরবর্তী সময়ে দুই নেতার জেলযাত্রা।জামিনের শর্তে কী জানালেন দুই নেতা?জামিনের শুনানিতে আশুতোষ ও সৌরভের বক্তব্য ছিল, দেশের আইন ও সংবিধান মেনেই তাঁরা ভবিষ্যতে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করবেন। যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করবেন না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই নেতা।প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনে চলার এই অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। দুই নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে।তিন দিনের অতিরিক্ত হেফাজতের আবেদন খারিজসূত্রের খবর, আশুতোষ ও সৌরভকে আরও তিন দিন হেফাজতে রাখার আবেদন জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। বুধবার বিকেলে জামিনের নির্দেশ দেওয়ার পর রাতের দিকে তাঁদের তিহাড় জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রায় এক সপ্তাহের বন্দিজীবনের অবসান ঘটে দুই নেতার।জেল থেকে বেরিয়েও অবস্থান বদল নয়জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি আশুতোষ ও সৌরভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা এখনও অনড়। ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় দুই নেতাকে স্লোগান দিতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে তাঁদের মুখে শোনা যায়, ভারতমাতা কি জয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ-এর পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে স্লোগান।অন্যদিকে, জেলজীবন নিয়ে আশুতোষের মন্তব্যও নজর কেড়েছে। মুক্তির পর তিনি জানিয়েছেন, তিহাড় জেলের খাবার বেশ ভালো। তবে জেলবন্দি হওয়ার অভিজ্ঞতা কিংবা জামিনের শর্তকোনও কিছুই যে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিতে প্রভাব ফেলেনি, তাঁদের বক্তব্য ও স্লোগানে সেই বার্তাই স্পষ্ট।সব মিলিয়ে, জামিনে মুক্তি পেলেও ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। একদিকে জামিনের শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানএই দুইয়ের মধ্যে আগামী দিনে তাঁরা কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যান, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal