• ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Himalaya

রাজ্য

দেশের সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল পশ্চিমবঙ্গের চিড়িয়াখানা

দেশের মধ্যে সেরা চিড়িয়াখানার শিরোপা পেল দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিকাল পার্ক। দেশের প্রায় দেড়শোটা অন্যতম চিড়িয়াখানার মধ্যে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে দার্জিলিংয়ের চিড়িয়াখানা। আর সেরার শিরোপা পেতেই উচ্ছ্বসিত পার্কের আধিকারিকদের থেকে কর্মীরা। পাশাপাশি কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানা চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে। সম্প্রতি ১০ সেপ্টেম্বর ওড়িশার ভুবনেশ্বরে দেশের সমস্ত চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের ডিরেক্টরদের কনফারেন্সের আয়োজন হয়েছিল। সেই কনফারেন্সেই সেন্ট্রাল জু অথরিটি ওই তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকাতেই দার্জিলিং চিড়িয়াখানা প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে জানা যায়। পাশাপাশি চেন্মাইয়ের চিড়িয়াখানা দ্বিতীয় ও মাইশোরের চিড়িয়াখানা তৃতীয় স্থান অধিকার করে।মূলত পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ রেড পান্ডা, হিমালয়ান ব্ল্যাক বিয়ার, স্নো লেপার্ড, গোরাল, হিমালয়ার টার, নীল হরিণের মতো প্রানী। পাশাপাশি তোপকেদাড়া প্রজনন কেন্দ্র, রেড পান্ডা অগমেনটেশন প্রোগ্রামের মতো প্রক্রিয়ায় অন্যতম জায়গা করে নিয়েছে দার্জিলিং চিড়িয়াখানা। যেকারণে ওই চিড়িয়াখানা দেশের বড় বড় চিড়িয়াখানাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। শুধু স্থানীয় দর্শক নয়। দার্জিলিং চিড়িয়াখানা দেখতে দেশের বিভিন্ন রাজ্য ও বিদেশি পর্যটকদের ব্যাপক ঢল নামে।দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর বাসবরাজ হোলিইয়াচি বলেন, আমরা খুব আনন্দিত এই ফলে। এই কৃতিত্ব চিড়িয়াখানার সমস্ত কর্মীদের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
দেশ

দ্রুত গলছে হিমবাহ, সতর্কবার্তা ছিল আগেই

হিমবাহ ভেঙে ভয়ঙ্কর বন্যায় তছনছ উত্তরাখণ্ডের চামোলি। মোট ১৭০ জনের নিখোঁজ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১০ জনকে। উদ্ধারকার্যে নেমেছে এনডিআরএফ সেনা, আধসেনা, আইটিবিপি। দিল্লি থেকেও সাহায্য পৌঁছেছে উত্তরাখণ্ডে। ভয়ঙ্কর এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে অধিকাংশ মানুষ হয় জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছেন, নয়তো চাপা পড়ে গিয়েছেন কাদামাটির নীচে। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে ততই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।এমন ভয়ঙ্কর বিপর্যয় যে হতেই পারে তা নিয়ে সতর্ক করেছিল ২০১৯ সালের এক সমীক্ষা। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছিল, চামোলি সংলগ্ন এলাকায় হিমাবাহগুলো তার ভারসাম্য হারাচ্ছে। ১৯৭৫-২০০০ পর্যন্ত যে হারে ওইসব হিমবাহগুলোর বরফ গলতো তা এখন দ্বিগুণ হয়েছে। এছাড়াও বহু বিজ্ঞানী ৮ মাস আগেও সতর্ক করে ছিলেন উত্তরাখণ্ড ও জম্মু-কাশ্মীরের এমন সব হিমবাহ রয়েছে তা যে কোনও সময় ফেটে যেতে পারে।বিজ্ঞানীদের সতর্কতা ছিল, শায়ক নদীর প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে একটি হিমবাহ। ফলে তৈরি হয়েছে একটি হ্রদ। সেটি যে কোনও সময়ে ফেটে যেতে পারে। ওই সমীক্ষায় কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী জেসুয়া মৌরারা বলেন, হিমালয়ের বরফ দ্রুত গলছে। তা ছবিতেই স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
ভ্রমণ

বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতা

জীর্ণতাকে চ্যালেঞ্জ করে বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ ধসে পড়লো পাহাড়টা মানুষের ভাষায় ল্যান্ড স্লাইড। অক্টোবরের ১৪ আজ... সামনের পথ বন্ধ। চারিদিকে পাহাড়চূড়ার দল দাঁড়িয়ে আছে নির্ভেদ্য অহঙ্কার নিয়ে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোষ তারা পোষে না। দ্বিধাহীন থ্রোটলে বিশ্বাসের হাত রেখে চলছিলাম। ওডোমিটার দেখিয়ে চলেছিল দূরত্বের হিসাব। তাকেও থামতে হলো প্রকৃতির এই নির্দেশে। গাড়ি থেকে নেমে জ্যাকেট নামালাম। হিসাব করলাম আজকের গন্তব্য চিল্লি এখনও ১২ কিলোমিটার দূরে। শুরু হলো এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ভাব জমাতে শুরু করলাম অন্যান্য অপেক্ষমান মানুষগুলোর সাথে। তাঁদের যেমন বিভিন্ন আচার, তেমনি তাদের নানাবিধ প্রয়োজন। হিমালয়ের পাহাড়ি টানে লন্ডন থেকে ছুটে আসা ম্যাডক সাহেবের সঙ্গে চলল একপ্রস্থ আড্ডা। স্থানীয়দের থেকে তথ্য নিয়ে বুঝলাম রাস্তা আজ আর পরিষ্কার হবে না। এক শিক্ষক বাতলে দিলেন অন্য পথ -- যা ৫০ কিলোমিটার বেশি দূরত্ব। তবে তা নিশ্চিতভাবেই চাম্বা থেকে চিল্লি পৌঁছে দেবে। হাঁটালাম গাড়ি, ঘুরপথে...। টান্ডি কিশওর রোড সোজা পথে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম ৯ই অক্টোবর, ২০১৯, সকাল-সকাল; মোটরসাইকেল, লাগেজ, সঙ্গী-সাথী আর একমাথা বৃষ্টি নিয়ে। উদয়নারায়ণপুর থেকে শুরু করে তারকেশ্বর হয়ে বর্ধমান পর্যন্ত বৃষ্টিই ছাতা হয়ে রইল আমাদের। আমরা ছজন। এক্স-ব্লেড নিয়ে আমি উৎসব; আমার পিঠে, মানে পিলিয়ন সীটে পিতৃসম দাসুদা, অযান্ত্রিক লিবেরোয় সওয়ার ক্যাপ্টেন গোপীকাকু, শাইন-সঙ্গে বিবেক স্যার, সঙ্গে অ্যাভেঞ্জার-এ কাকু অরিন্দম, আর পালসার-সাথে অসীমদা ভিলেজ বাইকার্স-এর এক ছোট্ট ইউনিট। বড় ট্যুরে সকলেরই কমবেশি অভিজ্ঞতা থাকলেও আমি এখানে একেবারেই কোরা কাগজ। কানপুর, আগ্রা, পাঠানকোট হয়ে নিঃশ্বাস নিলাম দুনেরা-তে। ৫ দিন কেটেছে। কোরা কাগজে নানা বর্ণের দাগও পড়তে শুরু করেছে। গুরুদোয়ারা, আশ্রম, খোলা মন্দিরে রাত কাটানো থেকে শুরু করে হাইওয়েতে চক্ষুযুগলের তীব্র ঘুমের আকুতি সবই রেকর্ড হচ্ছে। আপাতত গেস্ট হাউসে অসীমদার হাতের সুস্বাদু চিকেনকারীর জাদুতে সরগরম ডাইনিং টেবিলে চলছে কনকনে ঠাণ্ডা সাচ পাস-এর প্ল্যানিং। চিকেনের রসনাতৃপ্তি অবশ্যম্ভাবীভাবে এনে দিল একটা কোয়ালিটি ঘুম আর অনেকটা এনার্জি। ভোর-ভোর উঠে গাড়ি স্টার্ট করলাম সাড়ে পাঁচটায়। গন্তব্য চিল্লি। আর তার মাঝেই এই বিপত্তি, বা বলা ভালো ল্যান্ডস্লাইডের চ্যালেঞ্জ, যা দিয়ে আমাদের স্বাগত জানালো পীরপাঞ্জাল। ঝুপ করে নামল সন্ধে। স্ট্রীটলাইটের পাহারা নেই এখানে। বন্ধুর পাহাড়ি রাস্তায় ক্লান্তিহীন দুটো চাকা গড়াতে শুরু করলো।সঙ্গী পাঁচজনের সঙ্গে আরও একজন, স্থানীয় রমজান ভাই। দুর্ভেদ্য অন্ধকারে পাহাড়ি নদী রাগিণীর আহ্বানের কাছে গাড়ির শব্দ আর আলো দুটোই কেমন ফিকে হয়ে আসছিল। উঁচু পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে সাজানো বাড়িগুলোর মিটিমিটি আলো মিশে গিয়েছিলো তারাদের সাথে। আমি তফাৎ করতে পারিনি। এটাকেই কি ধর্ম বলো তোমরা? আমি বাই-ডিফল্ট হিন্দু, যে আমাদের গাইড করছে এই অন্ধত্বের অন্ধকারে তার গায়ে মুসলিম ট্যাগ, আর এর দুদিন আগে যে আমি গুরুদোয়ারার প্রার্থনা কক্ষে বসে প্রার্থনা করে এলাম! আমি তফাৎ করতে পারিনি ...। ধারালো এলইডি বীমের তীক্ষ্ণ ফলা দিয়ে অন্ধকার কেটে ছুটে চললাম। পাহাড়ি সর্পিল পথের বাঁকে বাঁকে বহুদিন ধরে সাধনা করতে থাকা সন্ন্যাসীর জটার মতো ঝোপ। এরই একটা আশ্রয় হয়েছে অপেক্ষারত দুটো হলুদ পাথুরে ঠাণ্ডা চোখের। লেপার্ড, দৃষ্টি আটকালো আমার। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মেপে নিচ্ছে অন্ধকারের অভিযাত্রীদের। শিরদাঁড়ার ঠাণ্ডা স্রোত নামতে নামতে পৌঁছে গেলাম চিল্লি। ঠাণ্ডাটা তুলনা করলাম। শিরদাঁড়ারটা যেন বেশি ছিল। সে দিনের পথে পায়ের ছাপ রেখে এসেছিলাম স্বপ্নের খাজিয়ার-এর সবুজ গালিচায়। খাজিয়ার হিমাচলের মিনি সুইজারল্যান্ড, যা সুইস রাজধানী বার্ন থেকে মাত্র ৬১৯৪ কিলোমিটার দূরে। পট বদলাচ্ছে প্রতিনিয়ত। শ্বেতশুভ্র স্মৃতিভরা এই দিনটা এক স্বপ্নের মতো। ১৫ই অক্টোবর, ২০১৯। প্রায় এগারো বছর আগে বাবার হাত ধরে প্রথম সাইকেলে চড়া শেখা। তখন ছেলেটা ভাবেনি এসব, ভাবতেও শেখেনি। ক্লাস সেভেনে প্রথম বাইকে হাত, বাবার হাত ধরেই। উন্মাদনার অহরহ সঙ্গী ছিল আছাড়। তবে, এবারে আর নয়। ইন্ডিয়ান আর্মি চেকিং সেরে সকাল সাড়ে এগারোটায় ২২ বছর ১১ মাস বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে ছেলেটা অতিক্রম করল সাচ পাস (৪৫০০ মিটার)। পৃথিবীর এক সর্বাধিক বিপদসংকুল আর ভয়ঙ্কর রাস্তা পেরিয়ে পৌঁছানো জায়গাটা স্বর্গের কিছুটা কাছাকাছি। দেখতে স্বপ্নের মতো। মুখে দুবার অক্সিজেন স্প্রে করে বুঝলাম যে এটা স্বপ্ন নয়। আসলে অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় চিমটি কাটার সামর্থ্য হয়নি। মহাদেবের আশীর্বাদ নিয়ে এগিয়ে পড়লাম। হালকা স্নোফলে মুখ ভিজিয়ে দিনের যাত্রা শেষ করলাম কিল্লার-। এশিয়ার উচ্চতম সেতু চিচাম বেড়ানো আসলে শেখা। এটা অনেক জীবন দর্শনের একটা বিশাল সমাহার, যা আমাদের প্রতি মুহূর্তে আরও বড় হতে শেখায়। যেমনটা আনন্দের মাঝে থাকে বেদনার করুন সুর। এর পরের দিন। একটু বেদনার, বিচ্ছেদসম্পৃক্ত। সময় আর কর্তব্যে জড়ানো বিবেক স্যার, অসীমদা আর কাকু অরিন্দমকে বিদায় জানাতে হল। কোকসার থেকে মানালির পথে থ্রোটল-আপ করলো তিনজন; আর বাকি তিনমূর্তি আটকে গেল স্পিতির ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায়। পৃথিবীর উচ্চতম ডাকঘর পাইলট করতে শুরু করলো ক্যাপ্টেন। পিছনে আমি দক্ষ ফলোয়ার, সঙ্গে লাইভ গাইড দাসুদা। মাঝে মাঝে এগিয়ে পড়তে মন্দ লাগছিল না। চন্দ্রভাগার দেখানো পথে বেশ কড়া পাকের অফ্-রোডিং করতে করতে পেরোতে থাকলাম একের পর এক ঝরনা আর ওয়াটারক্রস। হাড় কাঁপানো হিমালয়ের বাতাসকে সঙ্গী করে বাতাল পেরিয়ে পৌঁছলাম কুনজুম পাস। শহরের ঘিঞ্জিতে বেশ কয়েকটা মন্দির চোখে পড়েছিল; এখানে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে মন্দির যেন এখানেই হওয়া উচিত। কনকনে ঠান্ডায় অনুভূতির ক্ষমতা হারিয়েছি আগেই। বৌদ্ধ স্তুপ-এর সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা কী করেছিলাম মনে নেই, তবে মাথা নত করে ছিলাম শিশুর মতো। আজ পাহাড় আমার দেবতা। তার কোলে আসতে পারাটাই এক সাধনা। গাড়ি ঘোরালাম চন্দ্রতাল লেকের পথে। এক কিলোমিটার ট্রেকিং-এর পর অপার্থিব সৌন্দর্যে হারিয়ে ফেললাম নিজেকে। মোহাবিষ্ট মন শুধু অনুভব পেল এক বিশালত্ত্বের, পাথুরে স্নেহের। সীমার মাঝে অসীমের মায়াবী স্মৃতি বুকে আঁকড়ে রাতের পাড়ি জমালাম লোসার-এ। লাংজার বুদ্ধ মূর্তি সকালে উঠে দেখি বাইকের সিটের উপর বরফ অপেক্ষা করছে আমার জন্য। বুঝতে পারলাম সব। বুঝতে পারলাম রাত্রে কেন চারটে ব্ল্যাঙ্কেট-এর কফিনে শুয়েও হচ্ছিল না, কিংবা, রুটি তরকারি খেয়ে হাত কেন ধুতে পারিনি, মুছতে হয়েছিল। সকাল আটটায় চলতে শুরু করেও আধঘন্টা পর দাঁড়াতে হলো। নিজের আঙুলের উপর কোনো অধিকার নেই যে ... সব কাঠের মতো মনে হচ্ছে! এটাই তো সেই আদি অকৃত্রিম প্রকৃতি। যতই যন্ত্রদানবের হুংকার ছোটাই তার ওপর, শেষে মাথানত করতেই হয় যে। মাতা-পিতা সকল সত্ত্বা একই গঠনে -- এটাই তার স্নেহ, এটাই তার তিরস্কার। তিনিই রক্ষক, তিনিই সংহারক। তিনি শিল্পী। তার পাগলামো তো সহ্য করতেই হয়। বাইকের একজস্টে হাত একটু গরম করে আগুন জ্বালালাম। কিছু সময় আগুন পোহানোর পর শুরু হলো আবার গাড়ি ছোটানো। ডেজার্ট মাউন্টেনের রঙিন সাম্রাজ্যে পরম যত্নে সাজানো বায়ুর ক্ষয়কার্যের অপরূপ নিদর্শনগুলো দেখতে দেখতে চলে এলাম মান্ডি জেলায় অবস্থিত এশিয়ার উচ্চতম সেতু চিচাম-এ (৪১৪৫ মিটার)। তারপর কি মনাস্ট্রি হয়ে পৌঁছলাম লাংজার বুদ্ধ মূর্তির পাদদেশে। ধ্যানমগ্নতার আবহের মধ্যে স্থানীয় ভাষা অর্ধেক বুঝে আর অর্ধেক না বুঝে বেশ লাগছিল। লাংজা গ্রাম যেন সেই আদি অনন্তকাল থেকে ধ্যানমগ্ন; আর তাদের সবার পিতা এই বিশালাকায় বুদ্ধ। পেয়ে হারানোর বেদনা নয় এটা, এটার অবগাহন এক সুখ, যা পরিতৃপ্তি বয়ে নিয়ে যায় শিরায় শিরায়। মোটোরেবল রোড দিয়ে সংযুক্ত পৃথিবীর উচ্চতম গ্রাম কোমিক আমাদের স্বাগত জানালো বিকেল-বিকেল। স্থানীয় গোম্ফা ঘুরে দেখে চাকা গড়ালাম হিক্কিমের পথে। ওঁ মণিপদ্মে হুঁ উচ্চারণ করতে করতে পৃথিবীর উচ্চতম ডাকঘর-এর গ্রামে পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগলো না। শেষ বিকেলে ভেড়ার পালের ধুলো সঙ্কেত দিল সূর্যাস্তের ঘন্টা বেজে গেছে। কাজায় রাত্রিবাস সমাপন করে পরের দিন মামির সাথে দেখা করলাম। মামি , মানে মমি, সাধক সাঙ্ঘা তেনজিং-এর প্রায় ৫০০ বছরেরও বেশি পুরানো সেল্ফ-মামিফায়েড মমি। ধানখড়, তাবো আর নাকো লেক, সঙ্গে নাকো মনাস্ট্রিতে একটা জমজমাট বিয়ের অনুষ্ঠান -- আপন করে নিলো সবাই। নতুন আত্মীয়দের আবেগকে মনে ভরে নিলাম। ব্যাগে আলাদা করে আর জায়গা ফাঁকা নেই। যা ছিল এতক্ষনে সব আপেলে ভর্তি করে ফেলেছি। মুখটাও যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছে। প্রেয়ার হুইল ঘুরিয়ে বিদায় জানালাম উৎসবমুখর পরিবেশটা আর তার সাথে একাত্মতাকে। পৃথিবীর উচ্চতম গ্রাম কোমিক পরদিন কল্পা, রিকং পিও আর সুইসাইড পয়েন্ট পেরিয়ে তরী, থুড়ি, গাড়ি ভিড়ালাম সারহানের ভীমাকালী মন্দিরের গেস্টহাউসে। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ্য যে, দাসুদার মতে এখানের সব জায়গাই সুইসাইড পয়েন্ট, কোনো একটা জায়গার এরকম নাম দেবার কোনও মানেই হয় না! থেমে থাকলে তো আর চলে না বন্ধু। সেকেন্ডের কাঁটার সেই সিনেম্যাটিক টিক্-টিক্ শব্দ যেন কানের কাছে তাড়া দেয়। অফিসের পেনের খস্-খস্ আওয়াজ, পাতা উল্টানোর অবয়ব ভেসে আসতে থাকে অগোচরে। সেসব থেকে এখনও আমি লক্ষ যোজন দূরে। এক সপ্তাহ পর মোবাইলটা নেটওয়ার্ক ফিরে পেলো ...। রোহড়ু, মিনাস পেরিয়ে নামতে শুরু করলাম উত্তরাখণ্ডের জংলি সবুজ পথ ধরে। বাইকের গতিকে প্রতিমুহূর্তে পরাজিত করছে প্রাণচঞ্চল খরস্রোতারা। পাথররাশির এবড়োখেবড়ো সম্পত্তির অনায়াস দখল নিয়ে এগিয়ে চলেছে তাদের প্রাণস্পন্দনের সূক্ষ্ম অনুভূতির তুফান। গারাম্ফু বটকল কাজা রোড বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় বৃষ্টি, দিল্লি অঞ্চলের তীব্র রোদ আর গরম, আর হিমালয়ের উল্টানো কর্ণেটোর কোনের মাথায় বরফের টুপি দেখার পর ফেরার পথে উত্তরপ্রদেশে ঢুকে আবার সার্কেল-অফ-লাইফ কমপ্লিট হতে শুরু করলো বৃষ্টি দিয়ে। দুদিন ধরে ফিরলাম রায়বেরিলি থেকে দুর্গাপুর; রাত্রিবাস এক কাকুর কোয়ার্টারে। রাজকীয় খাওয়াদাওয়া সেরে কুম্ভকর্ণ স্তরের একপিস ঘুম দিয়ে বেরোলাম পরদিন সকাল ৯ টায়। শক্তিগড়ের ল্যাংচা নিয়ে হাসতে হাসতে বাড়ি ফিরলাম দুপুরে; হ্যাঁ, আমার নিজের বাড়িতে, বেরোনোর পর ১৮ দিনের মাথায়। একরাশ পাহাড়ি সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত আর স্বপ্নের ক্লিফহ্যাঙ্গারগুলো পেরিয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। বেরিলিতে ঝুমকোর খোঁজ করাটা বাকি রয়ে গেল যে! হারানোর হিসেব আজ নয়, আর কখনোই নয়; কারন, যা পেয়েছি তা হারানোর নয়। আঠারো দিনের মুসাফিরানা শেষে মস্তিষ্ক আর হৃদয়ের সেই রক্তাক্ত সঙ্গমস্থলে নাড়ি ছেঁড়া শিশুর কান্না আর শতদ্রুর স্রোতের সিম্ফনি বাজতে শুনি -- সফর খুবসুরত হ্যায় মঞ্জিল সে ভী.....। উৎসব সিনহা (ভিলেজ বাইকার্স)

নভেম্বর ২৮, ২০২০
ভ্রমণ

দেবতার হ্রদে একদিন

দেওরিয়া তাল নাকি দেবতাদের হ্রদ... শোনা যায় পূর্ণিমার রাতে দেবতারা নাকি নেমে আসেন এই হ্রদের জলে স্নান করতে... তাঁরা আসেন কিনা জানা নেই, তবে স্থানীয় ফরেস্ট গার্ডের সাথে কথা বলে জানা যায় অনেক বন্য প্রাণীরা আসে এই তালে জল খেতে। সেই কারনেই হয়তো রাতে এই তালের ধারে টেন্ট খাটিয়ে আর কাউকে থাকতে দেওয়া হয় না। কথিত আছে এই হ্রদের তীরে যুধিষ্ঠির বকবেশী ধর্মরাজের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলেন। স্থানীয় দের বিশ্বাস এই হ্রদের তলাতেই নাগ দেবতার বাস তাই প্রতি জন্মাষ্টমীতে পুজো হয় নাগ দেবতার। মেলা ও বসে।অক্টোবর মাস। নীল আকাশ, ঝকঝকে রোদ নিয়ে কেদার থেকে নেমে আমরা চলেছিলাম সারি গ্রামের উদ্দেশ্যে। গন্তব্য দেওরিয়া তাল। কুন্ড থেকে রুদ্রপ্রয়াগের রাস্তা ছেড়ে বাঁক নিলাম বাম দিকে উখিমঠের দিকে। মহকুমা সদর উখিমঠ থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে সারি গ্রাম।সারি গ্রাম... দেওরিয়া তাল যাওয়ার জন্য এখান থেকেই শুরু হয় আনুমানিক ৩ কিমি-র ছোট্ট ট্রেক। সারি পৌঁছতে পৌঁছতে বেলা প্রায় বিকেল। আমাদের বুকিং ছিল উমেধজির হোম স্টে তে। কিন্তু উনি ছিলেন না বলে ব্যবস্থা করে দেন ওনারই ভাই রাকেশজির কাছে। খুব সুন্দর ছবির মত ছোট্ট একটা গ্রাম, পাহাড়ের ঢালে যেন অপেক্ষা করে আছে আমাদেরই জন্য। সামনেই ধাপে ধাপে নেমে গেছে বাড়ি, তারপর রামদানার ক্ষেত। পথের ধারে অযত্নেই ফুটে আছে ডালিয়া, গাঁদা ও আরো মরসুমী ফুল।গাছে ঝুলছে একধরনের লেবু মাল্টা। ক্ষণে ক্ষণে আকাশ চিরে উড়ে যাচ্ছে পাখি। পুব আকাশে তখন উঠছে ত্রয়োদশীর চাঁদ।দেওরিয়াতালের পথেপরদিন সকাল ৯:৩০ নাগাদ চলতে শুরু করলাম চড়াই ভেঙে। পথের অপরূপ দৃশ্যে মুগ্ধ হয়ে মাঝে মাঝেই থেমে যাচ্ছিলাম আর খচা-খচ শব্দে ক্লিক হচ্ছিল ক্যামেরার শাটার। এবড়ো খেবড়ো পাথর দিয়ে সাজানো চড়াই রাস্তা। পথের দুধারে ফুটে আছে অজস্র নাম না জানা অপরূপ সুন্দর বুনো ফুল। রোদের আলপনা, হাওয়ার দোলায় তৈরি করছে মনোরম পরিবেশ। দুপাশে ওক, পাইন, রডোডেনড্রন এর ঘন জঙ্গল। পথে পড়বে শিব মন্দিরএপ্রিলে রাস্তা রডোডেনড্রন এর রঙে রঙিন হয়ে থাকে। কিন্তু এখন অক্টোবর, শুধু গাছ দেখেই তাই সন্তুষ্ট থাকতে হল। অক্টোবর মাস হলে কি হবে? রোদের তেজ বেশ বেশি। উঠতে উঠতে ঘেমে-নেয়ে হাঁপিয়ে উঠছি। কোথাও বা বসে পড়ছি রাস্তার পার্শ্ববর্তী কোন পাথরে। কিলোমিটার খানেক উঠে পৌঁছলাম শিবের মন্দিরে। আরো বেশকিছুটা উঠে ছোট্ট এক দোকানে গলা ভেজালাম রডোডেনড্রন জুসের শরবতে। আরো প্রায় দু কিমি চড়াই ভেঙে আমরা পৌঁছলাম লেকের প্রবেশপথে। লেকের প্রবেশ পথে ফরেস্ট গার্ডের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে নিতে হবে জনপ্রতি ১৫০ টাকার বিনিময়ে। এই অনুমতিপত্র তিনদিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য এবং এই একই প্রবেশপত্রে তুঙ্গনাথ ও চন্দ্রশিলাও ঘুরে আসা যাবে। এতসব কান্ড করে যখন লেকের ধরে পৌঁছলাম জাস্ট মন্ত্রমুগ্ধ। মখমলের মত ঘাস, সবুজ বনানী আর তার মাঝে টলটলে পান্না সবুজ জলের মাঝারি মাপের একটা হ্রদ। এত সুন্দর জায়গায় থাকতে পারে!!! তখন আকাশ মেঘে ঢাকা... ফলে কোন শৃঙ্গ ই দেখা যাচ্ছে না... তাতে কি, যা দেখছি তার কোন তুলনা হয় না। লেকের চারপাশে ঘুরতে মন্দ লাগল না। তারপর নরম সবুজ গালিচার মত ঘাসে পা ডুবিয়ে বসে রইলাম অনেকক্ষণ। চারিদিকে ছেয়ে থাকা নির্জনতা ভেঙে যাচ্ছিল হরেক নাম না জানা পাখির কলকাকলিতে। দেখি এক লম্বা লেজের ব্লু ম্যাগপাই ঘুরে ঘুরে ফল খেতে ব্যস্ত। মুগ্ধতার তখনও কিছু বাকি ছিল। আসলে পাহাড়ের সৌন্দর্য ই এমন। পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর মত পরতে পরতে খুলতে থাকে আলাদা আলাদা রূপ। বিকেলে আস্তে আস্তে মেঘ কাটতে থাকল। সূর্যাস্তের শেষ আলো মেখে আবির রাঙা হয়ে উঠলো চৌখাম্বা, মন্দানি, কেদারনাথ পাহাড়ের শৃঙ্গ। চৌখাম্বা এখানে স্বমহিমায় উজ্জ্বল। মুগ্ধ চোখে শুধু তাকিয়ে আছি ওইদিকে... এর টানেই তো ছুটে আসি বারবার... যতক্ষণ আলো ছিল কাটালাম তালের ধারে। সন্ধ্যায় ফিরে গেলাম টেন্টে, নামল ঝিরঝিরে বৃষ্টি। সূর্যাস্তের আলোয় চৌখাম্বাতার মাঝেই আমরা ক্যালকুলেশন করতে শুরু করলাম বৃষ্টি হয়ে গেলে সকালে ঝকঝকে হয়ে উঠবে সব পাহাড়গুলো। রাতে টেন্টে স্লীপিং ব্যাগে শুয়ে পড়লাম। বাপরে বাপ কি ঠান্ডা। নাক যেন ঠাণ্ডায় জমে যাচ্ছে। পরদিন ভোর পৌনে ছটায় রওনা দিলাম ২০০মিটার দূরের তালের দিকে। চারিদিকে তখন ঘুটঘুটে অন্ধকার। প্রাক শীতের হাওয়া শরীরে কাঁপন ধরাচ্ছে। হাতে মোবাইলের টর্চ। জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পৌঁছলাম তালের পাড়ে। আগের দিন ভালো করে দেখে নিয়েছিলাম কোথায় দাঁড়ালে পুরো বরফঢাকা পাহাড়গুলোর প্রতিবিম্ব পড়বে ওই তালের জলে। আর কি... সাক্ষী হলাম সেই বহু প্রতীক্ষিত মুহূর্তের। সূর্যের প্রথম আলোয় ধীরে ধীরে আগুন লাগতে থাকল চৌখাম্বা, মন্দানি, ভাতৃকুণ্ঠ, কেদারনাথ, কেদারডোম, জনূকুট, থলয়সাগর, গঙ্গোত্রী, মেরু সুমেরু, খর্চাকুন্ড, বন্দরপুন্ছ শৃঙ্গগুলিতে। ছবি তুলে তুলে যেন আর আশ মেটে না। তালের ওপাড়েই আছে একটা ওয়াচ টাওয়ার। ঘুরে এলাম সেখানেও। এই পথ ধরেই রোহিনী বুগিয়াল হয়ে চলে যাওয়া যায় চোপতা আর সেখান থেকে তুঙ্গনাথ ও চন্দ্রশিলা। বেলা আটটা নাগাদ আবার একপ্রস্থ ছবি তুলে পিছনে তাকাতে তাকাতে চললাম তৈরি হতে। তখন আস্তে আস্তে মেঘ এসে ঢাকতে শুরু করেছে বরফ মুকুট শৃঙ্গ গুলিকে। এবার তো নামতে হবে... যদিও মন একটুকুও চাইছিল না। ফিরে চললাম সারি গ্রামে। মনে মনে বললাম এবারের মত চললাম হিমালয়, আবার আসব তোমায় চোখ দিয়ে ছুঁয়ে দেখতে।মৌসুমী দেসহকারী শিক্ষকবর্ধমান দুবরাজদীঘি উচ্চ-বিদ্যালয়, বর্ধমান কিভাবে যাবেনদুন এক্সপ্রেস, কুম্ভ বা উপাসনা এক্সপ্রেসে হরিদ্বার। সেখান থেকে প্রাইভেট গাড়িতে উখিমঠ হয়ে সারি গ্রাম। বাসে গেলে উখিমঠের পর গাড়িতে যেতে হবে। সারিগ্রাম থেকে তিন কিমি হাঁটাপথে দেওরিয়া তাল। দিনের দিন ফিরেও আসতে পারেন। ভালো হয় এক রাত দেওরিয়া তালে থেকে গেলে। তালের ধারে এখন আর থাকতে দেওয়া হয় না। থাকতে হবে 200 মিটার দূরের টেন্ট এ। কোথায় থাকবেনসারিগ্রামে রাকেশ সিং নেগী 09411534715

নভেম্বর ০৩, ২০২০
ভ্রমণ

মোহময় 'গরসন বুগিয়াল': এক রূপকথার দেশ

হিমালয়ের এক অদ্ভুত মাদকতা আছে। একবার তার কাছে গেলে যেনো নেশা ধরে যায়। গাড়োয়াল হিমালয় দেবভূমি নামে পরিচিত। পুণ্যসলিলা, সভ্যতা ও সংস্কৃতির প্রাণসুধা সঞ্চারকারিনী ভাগীরথীর সৃষ্টি এই গাড়োয়াল হিমালয় অঞ্চলের গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ থেকে। এছাড়া অসংখ্য ছোট-বড় নদী, দেবালয়, সাধু মহাত্মাদের তপস্যার স্থল হিসাবে এই গাড়োয়াল হিমালয় প্রসিদ্ধ। দেবভুমি হিসাবে সার্থকনামা। হিমালয়ের অসংখ্য বিখ্যাত গিরি শৃঙ্গের সমাহার এখানে। চৌখাম্বা, সুমেরু, নীলকন্ঠ, নন্দাদেবী, বন্দর পুঞ্ছ ইত্যাদি সমস্ত শৃঙ্গরাজি তাদের অপার সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে স্বমহিমায় বিরাজ করছে। আর এর টানেই যুগ যুগ ধরে মানুষ সমস্ত শারীরিক কষ্ট উপেক্ষা করে ছুটে যায় পাহাড়ের কাছে। এখন পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে, অনেক কম সময়ে অনায়াসে দূরবর্তী স্থানে পৌঁছে যাওয়া যায়। তবে ঝিনুকের ভিতরে লুকানো মুক্তোর মতই, হিমালয়ের অসংখ্য গিরিকন্দরে ছড়িয়ে আছে অকৃত্রিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, অতুলনীয় মানসিক শান্তির ঠিকানা। পায়ে পায়ে পৌঁছে যাওয়া যায় সেই সব স্থানে, তবে একটু আয়াস করে, ভালোবেসে। এমনই একটি নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্যে ভরপুর জায়গা গরসন বুগিয়াল। বুগিয়াল কথাটার অর্থ ঘাসে ঢাকা জমি। একবারে সবুজের কার্পেট বিছানো। এই সবুজ মখমলের দিগন্ত বিস্তৃত বুগিয়াল থেকে মনভরে উপভোগ করা যায় নন্দাদেবী, নন্দকোট, হাতি ঘরী পালকি ও নন্দঘুন্টির রূপকে। দেখলে মনে হয় হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যাবে। আবার চুপ করে বসে তাদের ধ্যানমগ্ন রূপকে অনুভব করতেও অসাধারণ লাগে। যোশীমঠ থেকে ১০ কিমি দূরে আউলি। সকাল সকাল পৌঁছে হাল্কা ব্রেকফাস্ট করে আমরা যখন রোপওয়ের লাইনে দাঁড়ালাম তখন বেশ ভিড়। এক এক বারে ২৫জন করে যাওয়া যায় এই রোপওয়েতে। এই যাত্রাও সারাজীবনের সঞ্চয়, উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সামনের ছোট পাহাড়ের সারির পিছন থেকে একটু একটু করে সামনে আসতে থাকে বরফের মুকুট শোভিত, রৌদ্রস্নাত পর্বত শৃঙ্গেরা। সে এক অপূর্ব অনুভূতি। ১০ নম্বর টাওয়ার-এ নেমে পড়লাম আমরা। এখানে গাইড পাওয়া যায়। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যাত্রা শুরু হল। পুরো পথটাই হাল্কা থেকে মাঝারি চড়াই, জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে। গাছের ফাঁক দিয়ে মেঘ ও রোদের লুকোচুরিতে মোহময় পর্বতমালার হাতছানি। যেতে যেতে গাইডের মুখে নন্দাদেবীর সাথে জড়িত এক লৌকিক কাহিনী শোনা গেল। মা নন্দা পর্বত দুহিতা। প্রতি ১২বছর অন্তর তার পুজো অনুষ্ঠিত হয়। পুজোর প্রাক্কালে আশ্চর্যজনক ভাবে এই অঞ্চলের আশপাশের এলাকায় জন্মায় এক চার শিং যুক্ত ভেড়া। সেই ভেড়া ও পুজোর সামগ্রী নিয়ে এই পথ ধরে শোভাযাত্রা সহকারে মানুষ এক নির্দিষ্ট স্থানে সব পৌঁছে দিয়ে আসে মা নন্দাদেবীর কাছে। ওই ভেড়াটি অদৃশ্য হয়ে যায়। এই পথেই চলে যাওয়া যায় রূপকুণ্ডের ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপের সন্ধানে। সে পথ আরও অনেক দূর, অনেক দূর্গম। গাইড-এর সঙ্গে গল্প করতে করতে আর নৈঃস্বর্গিক শোভা দেখতে দেখতে বুঝতেই পারিনি পৌঁছে গিয়েছি সেই স্বপ্নের দেশে। চোখের সামনেই স্বগর্বে দাঁড়িয়ে নন্দাদেবী সহ সকল শৃঙ্গ, বরফ শীতল বাতাস, ঢেউ খেলানো অপরিসীম সবুজ প্রান্তর সবনিয়ে গরসন বুগিয়াল এক মায়াবী রূপকথার দেশ। আমরা যারা শহুরে জীবনে অভ্যস্ত তাদের কাছে ছোট্ট এই ৫ কিমি ট্রেক করে কষ্টের থেকে পাওনা অনেক বেশি, যা মনের মনিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে চিরদিন। ডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় সহকারী অধ্যাপক চন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়) কিভাবে যাবেন হরিদ্বার থেকে যোশী মঠ ২৭৫ কিমি। সেখানে রাত্রিবাস করে, পরের দিন খুব ভোরে উঠে চলে যান ১০কিমি দূরে আউলী। সেখানে রোপওয়ের লাইনে দাঁড়াতে হবে। রোপওয়ের ১০ নম্বর টাওয়ারে নেমে, গাইড বুক করে যাত্রা শুরু করুন। ৫কিমি হাল্কা থেকে মাঝারি চড়াই পথ। যেতে আসতে সময় লাগবে ঘণ্টা পাঁচেক। ফিরে এসে খোলা প্রকৃতির মাঝে, সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে লাঞ্চ সেরে নিতে পারেন। তারপর আবার রোপওয়ে করে ফিরে আসুন আউলী। থাকার জন্য যোশী মঠে থাকার জন্য GMVN এর জ্যোতি টুরিস্ট কমপ্লেক্স (৯৫৬৮০০৬৬৬৭) গাড়ী বা হোটেল বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন কিশোর ট্রাভেলস (৯১-৯৯২৭৭১২০৯০) www.kishoretravels.in

অক্টোবর ০৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

কমনওয়েলথ গেমসের দলে নীরজ, তবে কি এখনও পুরোপুরি ফিট নন অলিম্পিক সোনাজয়ী তারকা?

চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভারতের তারকা জ্যাভলিন নিক্ষেপক নীরজ চোপড়া। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ঘোষিত ৩২ সদস্যের ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স দলে রাখা হয়েছে। রবিবার দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। তবে নীরজকে শর্তসাপেক্ষে দলে রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রীড়ামহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই কৌতূহল, অলিম্পিক সোনাজয়ী এই তারকা কি এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি?এবারের দলে রয়েছেন দেশের একাধিক তারকা অ্যাথলিট। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় রেকর্ড নিয়ে আলোচনায় থাকা স্প্রিন্টার গুরিন্দরবীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন তেজস্বিন শঙ্কর, তাজিন্দরপাল সিং তুর এবং সর্বেশ কুশারের মতো অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদরাও।গত মে মাসে রাঁচিতে আয়োজিত ফেডারেশন কাপে বেশ কয়েকজন ভারতীয় অ্যাথলিট দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতা অর্জন করেন। তবে পুরুষদের চার গুণ একশো মিটার রিলে দলটি সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশ্ব রিলে প্রতিযোগিতায় ব্যাটন বদলের সময় দুর্ঘটনার জেরে ভারতীয় দল অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিল। যদিও পরে তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো সময় করলেও শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।জ্যাভলিন বিভাগে নির্ধারিত মান পূরণ করতে না পারা অ্যাথলিটদের জন্য গত ১৩ জুন জলন্ধরে অতিরিক্ত বাছাইপর্বের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে রোহিত যাদব এবং যশবীর সিং নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করে যোগ্যতা অর্জন করেন। দুজনেই নির্ধারিত দূরত্বের বেশি জ্যাভলিন ছুড়ে নজর কাড়েন।ফেডারেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন নীরজ। গত বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে প্রথমবার নব্বই মিটারের গণ্ডি পেরনোর পর থেকেই তিনি পিঠের চোটে ভুগছিলেন। তবে ফেডারেশনের দাবি, নীরজ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন।ফেডারেশনের আশা, কমনওয়েলথ গেমস শুরুর আগে নীরজ প্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার সব শর্ত পূরণ করতে পারবেন। তাই তাঁকে দলে রাখা হয়েছে শর্তসাপেক্ষে।এদিকে ট্রিপল জাম্পার সেলভা প্রভুকেও বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে নির্ধারিত যোগ্যতা মান অতিক্রম করেছেন। ফলে তাঁকেও নিয়ে আশাবাদী ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স মহল।এখন সকলের নজর কমনওয়েলথ গেমসের দিকে। নীরজ চোপড়া কত দ্রুত প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন এবং ভারতীয় অ্যাথলিটরা কতটা সফল হন, সেটাই দেখার।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

‘ওনার কাছ থেকে কোনও উপহার চাই না’, মমতার দেওয়া গয়না ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা সাংসদপুত্রের

তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন বিতর্ক সামনে এল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সোনার গয়না ও পুজোর উপহার ফেরানোর সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি জানান, বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীকে দেওয়া সোনার হার এবং তাঁকে দেওয়া পুজোর পোশাক ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।বৈদ্যনাথ তাঁর পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কিছু কারণেই এই উপহারগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি লেখেন, এই সৌজন্যের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে উপহারগুলি আর নিজেদের কাছে রাখতে চান না।ছেলের এই সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ছেলে ও পুত্রবধূর সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। কাকলি ঘোষ দস্তিদার দীর্ঘদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে মনে করা হচ্ছে।কিছু দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে এক সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি নিজের ছেলের জন্য দলের টিকিট চেয়েছিলেন। সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় তিনি অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পরে দলের আরও কয়েকজন নেতার মুখেও একই ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন বৈদ্যনাথ, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ওই উপহারগুলি ফেরত দিয়ে আসবেন। এমনকি সোনার হার দীর্ঘদিন তাঁদের কাছে থাকার কারণে যদি কোনও অতিরিক্ত অর্থ বা সুদ দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন।এখানেই থামেননি বৈদ্যনাথ। তাঁর অভিযোগ, পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। সেই কারণে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের দুই সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বিরোধ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দুর বড় কর্মসূচি, আমন্ত্রণ পেলেন তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলররাও

সোমবার কলকাতা পুরসভায় বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে শুরু হতে চলেছে স্বচ্ছতাকে স্বাগত শীর্ষক বিশেষ সাফাই অভিযান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অনুষ্ঠানে শুধু শাসক দলের প্রতিনিধিরাই নন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি আগেও দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভার সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে সৌজন্য ও সহযোগিতার বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন মেয়র পারিষদ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানে যোগ নাও দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বড় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে কলকাতাকে আরও পরিচ্ছন্ন করে তুলতে শহর জুড়ে ছয় দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু করছে প্রশাসন।এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। রবিবার ছুটির দিন হলেও পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক পুরভবনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তদারকি করেছেন বলে সূত্রের খবর।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণার টাকা মিলেছে, এবার কবে যুবশক্তি? মালদহ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি এবং বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প আদৌ চালু হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। তবে যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প এখনও চালু না হওয়ায় অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মালদহের এক সভা থেকে তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।এরপর যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই বেকার ভাতা চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর প্রকল্প দুটির সুবিধাপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেটে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরে নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দেয়, ক্ষমতায় এলে যুবশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি যাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল।সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত, প্রকল্প চালুর আগে উপভোক্তাদের তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। যোগ্য ব্যক্তিরাই যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতেই যাচাই প্রক্রিয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে যুবশক্তি প্রকল্প চালু হওয়ার আগে আবেদন ও যাচাই সংক্রান্ত নিয়মাবলি নিয়েও শীঘ্রই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

স্পিকারের দরজায় অভিষেকের চিঠি! বিদ্রোহী সাংসদদের বড় পরিকল্পনার আগেই দিল্লিতে তৃণমূলের পাল্টা চাল

দিল্লিতে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। সূত্রের খবর, আজই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা ব্লক গঠনের আবেদন জানাতে পারেন তৃণমূলের একাংশ সাংসদ। তার আগেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি নিয়ে স্পিকারের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ।জানা গিয়েছে, তিন পাতার ওই চিঠি আগেই ই-মেলের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। রবিবার সাগরিকা ও কীর্তি সরাসরি স্পিকারের হাতে সেই চিঠি তুলে দেন। চিঠিতে অভিষেকের আবেদন, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে যেন আলাদা স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এমন পদক্ষেপের কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কীর্তি আজাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিভাজনকে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর আশা, আইন ও সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার।অন্যদিকে, সাগরিকা ঘোষের বক্তব্য, লোকসভার মধ্যে তৃণমূলের সাংসদদের নিয়ে আলাদা ব্লক তৈরির উদ্যোগ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এর কোনও আইনি বৈধতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এ দিন দিল্লিতে একজোট হন বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদরা। সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। এরপর তাঁদের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তাঁরা আলাদা ব্লক গঠন করে এনডিএকে সমর্থনের আবেদন জানাতে পারেন।এই পরিস্থিতিতেই স্পিকারের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী হবে। ফলে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে নামেননি নেইমার, তবু ব্রাজিলের গোলের নেপথ্যে তিনিই! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল চর্চা

চোটের কারণে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। শুধু তাই নয়, তিনি রিজার্ভ বেঞ্চেও ছিলেন না। তবু ম্যাচের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, মাঠে না নেমেও ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ গোলের নেপথ্যে ছিলেন নেইমারই।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল চাপে পড়ে গেলেও ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোর কিছুই করার ছিল না।তবে গোলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, প্রথমার্ধে জলপান বিরতির সময় মাঠের ধারে এসে ভিনিসিয়াসের সঙ্গে কথা বলছেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরে ব্রুনো গিমারেসকেও ডেকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিও দেখে অনেকের ধারণা, ভিনিসিয়াসকে আরও বেশি করে বক্সের ভিতরে ঢুকে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নেইমার। কারণ ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাইরে খেলতে দেখা গিয়েছিল।মজার বিষয় হল, সেই কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরেই গিমারেসের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর সেই কারণেই সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, মাঠের বাইরে থেকেও ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন নেইমার।যদিও এই ম্যাচে খেলেননি তিনি, তবে পরের ম্যাচে নেইমারকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সমর্থকের মতে, দলটিকে একেবারেই চেনা ব্রাজিলের মতো লাগেনি। রাফিনহাদের খেলায় ধার ও গতি দুটোরই অভাব ছিল। অন্যদিকে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানী ভবনে মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল! সাড়ে তিন ঘণ্টার জেরা ঘিরে বাড়ছে রহস্য

সই জাল কাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড়। রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের নেতা কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা জেরার পর ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন কুণাল ঘোষ। বেরিয়ে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে এর বেশি কিছু বলতে চাননি।অন্যদিকে, রাত পর্যন্ত ভবানী ভবনেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, টানা প্রায় আট ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এই মামলায় গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করেছিল সিআইডি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সেই জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলেই রবিবার তাঁকে ফের তলব করা হয়। দুপুর বারোটার মধ্যে হাজিরার নির্দেশ থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান অভিষেক। এরপর বিভিন্ন নথি সামনে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পরে ভবানী ভবনে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। সূত্রের দাবি, প্রথমে দুজনকে আলাদা করে জেরা করা হয়। পরে অভিষেক ও কুণালকে মুখোমুখি বসিয়ে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই জেরাই চলে দীর্ঘ সময় ধরে।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কুণাল ঘোষ সরাসরি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। যদিও সেখানে যাওয়ার কারণ নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।সই জাল কাণ্ডকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এর আগে তদন্তের সূত্রে সিআইডি আধিকারিকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের পাশের দফতরেও তল্লাশি চালিয়েছিলেন। ফলে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড় শক্তিপ্রদর্শন! ওম বিড়লার বাড়িতে ১৭ সাংসদ, তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে জল্পনা

দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি রবিবার আরও নাটকীয় হয়ে উঠল। বিকেলে তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। পরে সামনে আসে একটি ছবি, যেখানে তৃণমূলের ১৭ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে একসঙ্গে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও।সূত্রের খবর, সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন ব্লক গঠনের দাবি জানাতে পারেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ তাঁদের পাশে রয়েছেন। সেই দাবিকে সামনে রেখেই তাঁরা নতুন রাজনৈতিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।রবিবার সকাল থেকেই একের পর এক সাংসদ দিল্লিতে পৌঁছতে শুরু করেন। তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চান। সেই কারণেই তিনি তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান।অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবির স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছনোর আগেই সেখানে যান তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। যদিও স্পিকারের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। তাঁরা স্পিকারের দফতরে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি জমা দেন। সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, লোকসভায় একটি রাজনৈতিক দলের দুটি পৃথক ব্লক থাকতে পারে না।এর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছন। যে ছবি সামনে এসেছে, সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, অরূপ চক্রবর্তী, দীপক অধিকারী, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার এবং মিতালি বাগ-সহ মোট ১৭ জন সাংসদকে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর সোমবারের দিকে। স্পিকারের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা কী দাবি জানান এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব কী হয়, তা নিয়েই তুঙ্গে আলোচনা।

জুন ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal