• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Habas

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই সিটি–র বিরুদ্ধে বদলার ম্যাচ এটিকে মোহনবাগানের, কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো?‌

সোমবার মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ১১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সবুজমেরুণ শিবির। জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে চতুর্থ স্থানে উঠে আসার সুযোগ। সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান। মুম্বই সিটি এফসিকে হারালেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পাশাপাশি শীর্ষস্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসির সঙ্গে ব্যবধান অনেকটাই কমে আসবে। সেই দিকেই তাকিয়ে সবুজমেরুণ শিবির। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডার্বিতে জয় আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। সেই আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে মুম্বই সিটি এফসিকে বদ করতে চাইছে জুয়ান ফেরান্দোর দল। আইএসএলের প্রথম পর্বে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। এবার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির। ডার্বিতে জয় আশাবাদী করে তুলেছে জু্য়ান ফেরান্দোর দলকে।আইএসএলে সবথেকে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরি। সবার নজর এখন ২১ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের দিকে। রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশিদের ভিড়ে ফেরান্দো তাঁকে শুরু থেকেই মাঠে নামান কিনা, এখন সেটাই দেখার। তবে ডার্বিতে হ্যাটট্রিক মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ান নাসিরির। গোটা সবুজমেরুণ শিবিরের আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে।মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ডার্বিতে জয় মাথায় রাখছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আইএসএলে এখনও পর্যন্ত মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে জয় পায়নি এটিকে মোহনবাগান। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে পরিসংখ্যানও মাথায় রাখছেন না সবুজমেরুণ কোচ। তিনি বলেন, অতীত মাথায় রাখাটা জরুরি নয়। ফুটবলে কোনও কিছু নির্দিষ্ট নয়। প্রত্যেকটা ম্যাচই আলাদা। এবারের আইএসএলে ভাল শুরু করেও ছন্দপতন হয়েছে মুম্বইয়ের। ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে এটিকে মোহনবাগানের ঠিক পরেই রয়েছে মু্ম্বই সিটি এফসি। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ।জুয়ান ফেরান্দোর দলকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মুম্বই সিটি এফসি কোচ ডেস বাকিংহাম। এমনকি প্রথম পর্বের জয়ও মাথায় রাখছেন না। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, আমি এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। এটিকে মোহনবাগানকে হারালেই লিগ টেবিলে ওপরের দিকে উঠে আসব। প্রথম পর্বে যে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম, সেই মোহনবাগানের সঙ্গে এই দলের অনেক পার্থক্য রয়েছে। আগের থেকে অনেকটাই সংঘবদ্ধ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : হাবাসের জায়গায় এফসি গোয়ার কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে হাইজ্যাক করে নিয়ে আসছে এটিকে মোহনবাগান!‌

আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের জায়গায় এফসি গোয়ার কোচকে হাইজ্যাক করে নিয়ে আসছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা! সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুএকদিনের মধ্যেই সবুজমেরুণের হেড কোচ হিসেবে যোগ দিচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো। এফসি গোয়াও এই স্প্যানিশ কোচকে রিলিজ দিতে রাজি হয়েছে।শনিবার কর্তাদের চাপেই পদত্যাগ করেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে হাবাসের সহকারী ম্যানুয়েল কাসকালানাকে দায়িত্ব দেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। পাশাপাশি নতুন কোচের সন্ধানও করতে থাকেন। হোসে মলিনার কথা ভেবেছিলেন সবুজমেরুণ কর্তারা। কিন্তু স্পেন থেকে ভারতে এসে কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দলের দায়িত্ব নিতে মলিনার অনেকটা সময় কেটে যেত। তাই শেষ পর্যন্ত মলিনার কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর এফসি গোয়ার কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে প্রস্তাব দেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তিনি সবুজমেরুণ কর্তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান।জুয়ান ফেরান্দো এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের কথায় রাজি হলেও অন্য সমস্যা দেখা দেয়। তিনি সবুজমেরুণ কর্তাদের প্রস্তাবে সম্মত হওয়ার পর এফসি গোয়ার কর্তাদের কাছে রিলিজ চান। তাঁর এই আচরণে প্রচন্ড রেগে যান এফসি গোয়ার কর্তা অক্ষয় ট্যান্ডন। প্রথম দিকে এফসি গোয়ার কর্তারা তাঁকে ছাড়তে রাজি হচ্ছিলেন না। বিশাল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এফসি গোয়ার কর্তারা শেষ পর্যন্ত জুয়ান ফেরান্দোকে রিলিজ দিতে রাজি হন।হাবাস পদত্যাগ করায় তাঁর নিয়ে আসা সাপোর্ট স্টাফরাও আর এটিকে মোহনবাগানে থাকবেন কিনা এটাই দেখার। তবে জুয়ান ফেরান্দো গোয়া থেকে ফিটনেস ট্রেনারকেও এটিকে মোহনবাগানে নিয়ে আসছেন। হাবাসকে সরানোর পেছনে উঠে আসছে নানা কারণ। দলের অন্দরমহল থেকে জানা গেছে, ফুটবলারদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন হাবাস। যার ফলে একেকটা ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়ে ফুটবলারদের মধ্যে দোষারোপের পালা চলছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতেই হাবাসকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা।এদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচ বদলের সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত। ইতিমধ্যেই নতুন কোচের সন্ধানে নেমে পড়েছেন কর্তারা। ভারতীয় কোচ যেমন সন্ধান করা হচ্ছে, তেমনই বিদেশি কোচের দিকেও নজর রয়েছে। দল বদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে ছাঁটাই করা হচ্ছে টমিস্লাভ মার্সেলো, আমির দেরভিসেভিচকে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : পদত্যাগ, না অপসারিত?‌ এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব ছাড়লেন হাবাস

আইএসএল অভিযানের প্রথম ম্যাচেই কেরালা ব্লাস্টার্সকে ৪২ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। তারপর ডার্বিতেও দুর্দান্ত জয়। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল ৩০ ব্যবধানে। তারপর টানা ৪ ম্যাচে জয়হীন। পরপর দুটি পরাজয়ের পর দুটি ড্র। ভাল দল হাতেও পেয়েও দলের জঘন্য পারফরমেন্স। খারাপ পারফরমেন্সের দায় নিয়ে পদত্যাগ করলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বলা ভাল, টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে সমালোচিত হয়েই অপমানে দায়িত্ব ছাড়লেন তিনি। আপাতত দায়িত্ব সামলাবেন সহকারী কোচ ম্যানুয়েল কাসকালান।গতবছরের থেকেও এবছর শক্তিশালী দল গড়েছে এটিকে মোহনবাগান। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন হুগো বোমাস। দলে নেওয়া হয়েছে জনি কাউকোর মতো তারকাকে। ডেভিড উইলিয়ামস, মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা তো রয়েছেনই। তা সত্ত্বেও খারাপ পারফরমেন্স এটিকে মোহনবাগানের। ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে আগের ম্যাচে ড্র করার পর হাবাস নিজেই প্লে অফে খেলা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। কোচ হিসেবে খুব একটা খারাপ পারপরমেন্স নেই হাবাসের। আইএসএলে তিনি অন্যতম সফল কোচ। দুদুবার তিনি আইএসএল খেতাব জিতেছেন। গতবছর রানার্স করেছেন এটিকে মোহনবাগানকে। এবছর তাঁর হাতে শক্তিশালী দল তুলে দিয়েছেন কর্তারা। তা সত্ত্বেও সাফল্য নেই। আসলে রয় কৃষ্ণার খারাপ ফর্ম এবং রক্ষণ সমস্যায় প্রতি ম্যাচেই ডুবতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগানকে। সব দায় নিতে হচ্ছে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে। রক্ষণে সন্দেশ ঝিংঘানের না থাকাটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এটিকে মোহনবাগানের কাছে। সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচের পরই কর্তাদের রোষানলে পড়েন হাবাস। তাঁর কাছে দলের একের পর এক ব্যর্থতার কারণ জানতে চান কর্তারা। কর্তাদের আচরণে অসম্মানিত বোধ করেছিলেন হাবাস। আকার ইঙ্গিতে অপসারনের কথা বলেছিলেন কর্তারা। কিন্তু সম্মান বজায় রাখতে কর্তাদের সেই সুযোগ দিলেন না হাবাস। আপাতত তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করা ম্যানুয়েল কাসকালানা দায়িত্ব সামলাবেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগান কর্তারা নতুন কোচের সন্ধানে নেমেছেন। কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও করেছে। সামনের সপ্তাহের মধ্যেই নতুন কোচ ঠিক হয়ে যাবে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন, কিন্তু কেন আতঙ্কে এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস?‌

আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসি একসময় ছিল সব দলের কাছেই আতঙ্ক। সুনীল ছেত্রিদের সেই ঐতিহ্য আর নেই। গত কয়েকবছর ধরে পারফরমেন্স একেবারে তলানিতে। এবছর তো যথেষ্ট করুণ অবস্থা। ৬ ম্যাচে মাত্র ১টা জয়, ১টা ড্র। চারটিতে হার। লিগ টেবিলে রয়েছে নবম স্থানে। একেবারেই ছন্দে নেই বেঙ্গালুরুর দলটি। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য যে কোনও প্রতিপক্ষ যে এইরকম দলকেই বেছে নেবে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসও ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচকেই বেছে নিচ্ছেন।এবারের আইএসএলে দারুণ শুরু করেছিল গতবারের রানার্স এটিকে মোহনবাগান। প্রথম দুটি ম্যাচেই জয়। তার মধ্যে আবার একটা ম্যাচ ডার্বি। সমর্থকরা আশা করেছিলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জেতায় অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই ছুটবে এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু বিধি বাম। ডার্বি জেতার পর থেকেই ছন্দপতন। টানা ৩ ম্যাচে জয় নেই। দুটিতে হার, একটা ড্র। বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয়ে ফিরতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।সুনীল ছেত্রির ছন্দে নেই। এটাই সমস্যায় ফেলেছে বেঙ্গালুরু এফসিকে। তা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে রাজি নন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সুনীল ছেত্রি অনেক বড় মাপের স্ট্রাইকার। ভারতের সেরা ফুটবলার। দুএকটা ম্যাচে গোল না পেলেও সেটা কোনও ব্যাপার নয়। যে কোনও দিন জ্বলে উঠতে পারে। ওকে গুরুত্ব দিতেই হবে। তবে শুধু ওকে গুরুত্ব দিলে চলবে না, গোটা দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। শেষ ৪ ম্যাচে জয় না এলেও বেঙ্গালুরু এফসিকে সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, দুএকটা ম্যাচে হারলেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আইএসএলের সব দলের শক্তিই উনিশবিশ। ওরাও চেষ্টা করবে ঘুরে দাঁড়ানোর। সুনীলের খারাপ ফর্ম বাড়তি কোনও সুবিধা দেবে না বলে মনে করছেন ৭এটিকে মোহনবাগান কোচ।চেন্নাইন এফসি ম্যাচের আগে তিনটি ম্যাচে রক্ষণ সমস্যায় ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। তিরিকে প্রথম একাদশে ফিরিয়ে ও প্রীতম কোটালকে তাঁর পাশে নিয়ে এসে রক্ষণ কিছুটা মজবুত করেছেন হাবাস। তবে রোগ এখনও পুরোপুরি সারেনি। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে রক্ষণ সংগঠনের ওপর জোর দিতে চান। মাঝমাঠের ফুটবলারদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রয়োজনে নেমে এসে রক্ষণকে সাহায্য করতে। কয়েকটা ম্যাচে রেফারিং নিয়ে ভুগতে হয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেফারিং নিয়ে চিন্তা যাচ্ছে না হাবাসের।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL-ATK Mohun Bagan : ‌‌চেন্নাইনের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়ে এটিকে মোহনবাগান। কে হবেন হাবাসের অস্ত্র?‌

এবছর আইএসএলেও সেই মুম্বই সিটি এফসির আধিপত্য। ৫ ম্যাচ খেলে চারটিতে জিতে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এখনও লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েচে মুম্বইয়ের দলটি। কলকাতার দুই প্রধানের অবস্থা খুব একটা ভাল নয়। এটিকে মোহনবাগান ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে থাকলেও করুণ অবস্থা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। ৪ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের একেবারে শেষে। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে যথেষ্ট চাপে এটিকে মোহনবাগান। এই অবস্থায় শনিবার চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছে সবুজমেরুণ শিবির। চেন্নাইনের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হাবাস ব্রিগেড।এই মরশুমে আক্রমণভগের শক্তি বেড়েছে এটিকে মোহনবাগানের। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে হুগো বোমাস ষুক্ত হয়েছেন। লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরাও রয়েছেন। তা সত্ত্বেও আক্রমণভাগের গোলখরা চলছে। রয় কৃষ্ণা ও হুগো বোমাসরা এখনও পর্যন্ত সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। শক্তিশালী রক্ষণের কাছে আটকে যাচ্ছেন। এসব ঘটনাকে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না। পরপর দুম্যাচে হার তাঁর কাছে অতীত। একেবারেই মাথায় রাখছেন না। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস বলেন, লম্বা প্রতিযোগিতা। উত্থানপতন থাকবে। পরপর দুটো ম্যাচ হেরেছি বলে আমরা বিশ্বের সবথেকে খারাপ দল হয়ে গেছি, এইরকম ভাবলে চলবে না। কঠিন পরিস্থিতিতে খেলতে হচ্ছে। কয়েকটা জিনিস ঠিক করতে হবে। তাহলেই দল আবার ছন্দে ফিরে আসবে।প্রথম দুই ম্যাচে ৭ গোল করেছিল এটিকে মোহনবাগান। আগের দুটি ম্যাচে রক্ষণের ভুলে হারতে হয়েছে। তিরি সুস্থ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে প্রথম একাদশে খেলাননি হাবাস। তাঁর স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শুধু রক্ষণ নয়, গোটা দলের খেলায় উন্নতি করতে হবে বলে মনে করছেন হাবাস। তিনি বলেন, শুধু ডিফেন্স নয়, গোটা দলের খেলা নিয়ে ভাবছি। সব জায়গায় উন্নতি করতে হবে। গোটা ম্যাচে একই ছন্দ ধরে রাখতে হবে। রক্ষণ শক্তিশালী করতে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ম্যাকহিউয়ের পরিবর্তে তিরিকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে হাবাসের। চেন্নাইন এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন সবুজমেরুণ কোচ। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে তিনি বলেন, চেন্নাইন এফসি যথেষ্ট লড়াকু দল। ওদের দলে দেশি ও বিদেশি, সব ফুটবলারই বেশ ভাল। রক্ষণ দারুণ শক্তিশালী। লড়াইটা কঠিন হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : রেফারিং নিয়ে ক্ষোভের মাঝেই জয়ে ফিরতে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

ডার্বিতে দুরন্ত জয়ের পর পরের ম্যাচেই কুপোকাত পালতোলা নৌকা। গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসির কাছে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। মুম্বইয়ের কাছে হেরে রেফারিং নিয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল সবুজমেরুণ শিবির। সেই ক্ষোভ এখনও যায়নি। সোমবার এটিকে মোহনবাগানের সামনে জামশেদপুর এফসি। রেফারিং নিয়ে ক্ষোভের মাঝে জয়ে ফিরতে মরিয়া বাগান শিবির।জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মুম্বই এফসি ম্যাচের কথা মাথায় রাখতে চান না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীও লোপেজ হাবাস। তবে রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ যাচ্ছে না। হাবাস বলেন, মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচ আমাদের কাছে অতীত। হারের জন্য কোনও অজুহাত দিতে চাই না। মুম্বই আমাদের থেকে অনেক ভাল খেলেছিল। তবে হ্যাঁ, রেফারিংয়ের জন্য আমাদের সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে মনোবল ভেঙে পড়েছিল। তার ওপর দ্বিতীয় গোলটা অবৈধভাবে করেছিল মুম্বই। তৃতীয় গোলের আগেও ফাউল হয়েছিল। রেফারি এড়িয়ে গিয়েছিলেন। চতুর্থ গোল তো পরিস্কার অফসাইড থেকে। রেফারি এতগুলো ভুল না করলে এত বড় ব্যবধানে হারতাম না। তার ওপর আমাদের দীপক টাঙরিকে লালকার্ড দেখিয়ে বার করে দিয়েছিলেন। তবে হ্যাঁ, স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, মুম্বই আমাদের থেকে অনেক ভাল ফুটবল খেলেছিল। অতীত নিয়ে আর মাথা ঘামাতে চাই না। এখন জামশেদপুর এফসি ম্যাচে ফোকাস করছি। জেতার জন্য ঝাঁপাতে হবে।জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, জামশেদপুর যথেষ্ট শক্তিশালী দল। আক্রমণ ও রক্ষণ খুবই ভাল। ভালস্কিস, জর্ডান মারে, লিমার মতো দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। ওয়েন কোলও দারুণ বিচক্ষণ কোচ। সুতরাং গুরুত্ব দিতেই হবে। ওদের শক্তির কথা মাথায় রেখে দল সাজাতে হবে। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে কোন ছকে দল সাজাবেন, তা অবশ্য ভাঙেননি সবুজমেরুণ কোচ। চোট সারিয়ে তিরি প্রথম একাদশে ফিরছেন। বাকি দল অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আগের ম্যাচে রয় কৃষ্ণা ও হুগো বোমাসের ছন্দহীনতা চিন্তায় রাখছে এটিকে মোহনবাগান শিবিরকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : এই মরশুমে নেতা হিসেবে কাদের বেছে নিলেন হাবাস?‌ জানতে পড়ুন

কয়েকদিন আগেই আইএসএলের জন্য অধিনায়ক নির্বাচিত করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একজন নেতাই বেছে নিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড তুলে দিয়েছেন অভিজ্ঞ গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর হাতে। সহকারী হিসেবে বেছে নিয়েছেন টমিস্লাভ মার্সেলোকে। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস অবশ্য একজন অধিনায়কের নীতিতে বিশ্বাসী নন। গত বছর আইএসএলে একাধিক অধিনায়ক বেছে নিয়েছিলেন। সেই পথ অনুসরণ করে এবছরও তিনজন অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। রয় কৃষ্ণা, প্রীতম কোটালের সঙ্গে এবছর সবুজমেরুণ ব্রিগেডকে নেতৃত্ব দেবেন শুভাশিস বসু। আইএসএল অভিযানে নামার একদিন আগে এই মরশুমের নেতা বেছে নিয়েছেন হাবাস।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস মনে করেন, একক নেতৃত্বের ওপর সেরা পারফরমেন্স হয় না। দলগত সংহতিই আসল। তাই তিনি একাধিক অধিনায়কের দর্শনে বিশ্বাসী। এতে দলের পারফরমেন্স নাকি ভাল হয়, এমনই মনে করেন সবুজমেরুন কোচ। গত বছর একাধিক নেতা থাকায় পারফরমেন্স ভাল হয়েছিল। সেই ধারণা থেকেই এই সিদ্ধান্ত হাবাসের। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা এবং প্রীতম কোটাল। এবার তাঁদের সঙ্গে বেছে নেওয়া হয়েছে শুভাশিস বসুকে।আবার এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত প্রীতম কোটাল। কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ঝড়ে পড়েছে এই বাঙালী ডিফেন্ডারের গলায়। তিনি বলেন, গত মরশুমে কোচ আমাকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিল। এবছরও সেই গুরুদায়িত্ব দিয়েছে। আমরা ওপর আস্থা রাখায় খুব ভাল লাগছে। এটা আমার কাছে খুব বড় প্রাপ্তি। এটিকে মোহনবাগানের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের। নিয়মের জন্য হয়তো একজনের হাতে আর্ম ব্যান্ড থাকবে। কিন্তু দলের সবাই নেতা। মাঠে নেমে নিজেদের পজিশনে সব ফুটবলারকেই নেতৃত্ব দিতে হয়। আমিও সেটাই করব। আশা করছি এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারব।দুবছর ধরে এটিকে মোহনবাগান রক্ষণের অন্যতম ভরসা শুভাশিস বসু। তিনিও কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। শুভাশিস বলেছেন, এটিকে মোহনবাগানের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা বাঙালী ফুটবলারদের কাছে অন্য আবেগ। আমি নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। নেতৃত্বের দায়িত্ব আমাকে আরও ভাল খেলতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। গতবছরও সবুজমেরুণের আর্ম ব্যান্ড ছিল রয় কৃষ্ণার হাতে। এবছরও দায়িত্ব পেয়ে তিনি খুশি।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ২৭ নভেম্বরের ডার্বি নিয়ে কী ভাবছেন এটিকে মোহনবাগানের কোচ হাবাস?

আইএসএলের প্রস্তুতি যখন জোর কদমে শুরু করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, কিছুটা হলেও পিছিয়ে এটিকে মোহনবাগান। কারণ অন্যকিছু নয়। প্রস্তুতি ম্যাচের অভাব। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ১৯ নভেম্বর আইএসএল অভিযানে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ভাবছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীও লোপেজ হাবাস। তাঁর কাছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা বিশেষ জরুরি নয়।সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এটিকে মোহনবাগান কোচ বলেন, আমার কাছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। গত মরশুমে আইএসএল অভিযানে নামার আগে আমরা কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলিনি। কারণ, যাদের বিপক্ষকে প্রস্তুতি ম্যআচ খেলব, তারা কেউই সেরা দল নামায় না। মাঠে নেমে সেরা খেলাও উপহার দেয় না। তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক খেলা হয় না। তাছাড়া ম্যাচ খেলার মতো সেরা পরিবেশও পাওয়া যায় না। ফলে এইরকম প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে দলের কোনও লাভ হয় না। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার তুলনায় ভালভাবে অনুশীলন করে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়িয়ে তোলাটাই সবথেকে ভাল দিক। গত বছরের মতো এবছরও সেই পথেই এগোচ্ছি।১৯ নভেম্বর কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচই ডার্বি। ২৭ নভেম্বর এটিকে মোহনবাগান খেলতে নামবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। গত বছর আইএসএলে দুটি ডার্বিতেই জিতেছিল হাবাসের এটিকে মোহনবাগান। তবে এখনই ডার্বি নিয়ে ভাবছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ। তাঁর মাথায় এখন শুধুই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ। তিনি বলেন, ডার্বি ম্যাচের এখনও ১৫ দিন বাকি। এত আগে থাকতে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ভাবতে চাই না। তাছাড়া আমি কখনওই বিপক্ষ শিবিরকে নিয়ে বেশি ভাবি না। নিজের দলের পারফরমেন্সের ওপর বেশি গুরুত্ব দিই। তাঁর দল প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াই এবারের আইএসএলে মাঠে নামবে। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযানে নামার আগে বেশ কয়েকটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে মাঠে নামায় মানেলো দিয়াজের দল বাড়তি সুবিধা পাবে কিনা সে প্রসঙ্গে হাবাস বলেন, সময় মতো এর উত্তর পাওয়া যাবে।গত মরশুমে ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। নতুন মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আক্ষেপ মেটাতে চান আন্তোনীও লোপেজ হাবাস। এই মরশুমের প্রত্যাশা সম্পর্কে তিনি বলেন,নতুন মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামব। লক্ষ্য থাকবে সব ম্যাচে জয়ের জন্য ঝাঁপানো। আমি কখনও ফুটবলারদের ড্রয়ের কথা বলি না।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌TK Mohun Bagan : প্রতিশ্রুতি দিয়েও কেন কলকাতা লিগ খেলল না এটিকে মোহনবাগান?‌

এটিকে মোহনবাগান কর্তারা আইএফএকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তাঁরা কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে দল নামাবে। আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে কলকাতা লিগে খেলার কথা ভেবেছিলেন কর্তারা। কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁরা আর দল নামাতে চাইছেন না। এর আসল কারণ কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের অনিচ্ছা। ইতিমধ্যেই তিনি ফুটবলারদের পুজো পর্যন্ত ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। দল নিয়ে এটিকে এবং মোহনবাগান কর্তাদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। সবুজমেরুণ কর্তারা চেয়েছিলেন দল কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে খেলুক। কিন্তু কোচ হাবাস ও এটিকে কর্তারা তা চান না। নাসাফের বিরুদ্ধে খেলতে যাওয়ার আগে এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস বলেছিলেন, কলকাতা ফুটবল লিগের মতো অপেশাদার প্রতিযোগিতায় খেলতে চান না। নাসাফের বিরুদ্ধে লজ্জাজনক হারের পর তিনি ফুটবলারদের ছুটিও দিয়ে দেন। কেন কলকাতা লিগে খেলতে চাননি হাবাস? সামনে উঠে আসছে অন্য কারণ। এটিকে মোহনবাগানের একঝাঁক ফুটবলার সাফ কাপের জন্য ভারতীয় শিবিরে ডাক পেয়েছেন। মালদ্বীপে হবে সাফ কাপের প্রস্তুতি শিবির। সাফ কাপের গ্রুপ লিগের খেলা চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। ফাইনালে উঠলে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় দলে আটকে থাকতে হবে ফুটবলারদের। কয়েকজন ফুটবলারদের চোট রয়েছে। বিদেশি ফুটবলাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ের বাইরে থেকে কলকাতা লিগে খেলতে রাজি নন। শুধু স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে কলকাতা লিগ খেলতে রাজি হননি আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। যদি কলকাতা লিগে খারাপ ফল হত, তাহলে ফুটবলারদের মনোবলে আঘাত লাগত। তাই কলকাতা লিগে খেলার ঝুঁকি নিতে চাননি বাগান কোচ। এটিকে মোহনবাগান কর্তার ঠিক করেছিলেন পুজোর আগে কলকাতায় কয়েকদিন আইএসএলের প্রস্তুতি সারবেন ফুটবলাররা। যুবভারতীর ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুশীলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। কারণ হাবাস সব ফুটবলারকে ইতিমধ্যেই ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। তাই কলকাতায় অনুশীলনের পরিকল্পনা বাতিল করে গোয়াতেই একেবারে আইএসএলের প্রস্তুতি শিবিরের আয়োজন করছে। ১৮ অক্টোবর গোয়ায় এই প্রস্তুতি শিবির শুরু হবে। কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসসহ সব ফুটবলার একেবারে গোয়াতেই প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেবেন। জাতীয় শিবিরে থাকা ফুটবলাররাও সাফ কাপ খেলে সরাসরি গোয়ার শিবিরে যোগ দেবেন। ফুটবলারদের বাধ্যতামূলক ৮ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। কোয়ারেন্টিন পর্ব চলাকালীন অনুশীলন করবেন ফুটবলাররা। তবে অনুশীলন ছাড়া হোটেল থেকে বার হতে পারবেন না। প্রস্তুতি শিবির চলাকালীন কয়েকটা প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলারও পরিকল্পনা রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌ATK Mohun Bagan : ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগান

ড্র করলেই এএফসি কাপের পরের রাউন্ডে যাওয়া নিশ্চিত। বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে ড্র করেই পরের রাউন্ডে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ফল ১১। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফেরে হাবাসের দল। বসুন্ধরার বিরুদ্ধে বাগানের রক্ষাকর্তা হয়ে দাঁড়ালেন ডেভিড উইলিয়ামস। গোল করে তিনি দলের মান বাঁচালেন। ৭ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হল এটিকে মোহনবাগান। ২০১৬ সালের পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে পৌঁছে গেল সবুজমেরুণ।পরের রাউন্ডে যেতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না বসুন্ধরা কিংসের কাছে। তাই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বসুন্ধরা কিংস। এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণে চাপও তৈরি করছিল। অন্যদিকে, হাবাসের লক্ষ্য ছিল প্রতি আক্রমণে গোল তুলে নেওয়া। বিক্ষিপ্ত লগ্নে আক্রমণে উঠে আসছিলেন রয় কৃষ্ণারা। এভাবেই প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ১৮ মিনিটে এগিয়ে যেত পারত এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণা বসুন্ধরা কিংসের গোলকিপারকে টেনে এসে বল সাজিয়ে দিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসোকে। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন লিস্টন কোলাসো। আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!২৮ মিনিটে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস। এটিকে মোহনবাগানের পেনান্টি বক্সের ডানদিকে বল পান ব্রাজিয়ান ফুটবলার ফার্নান্ডেজ। ছোট্ট জায়গার মধ্যে সবুজমেরুণের এক ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে ডানপায়ের দুরন্ত শটে গোল করেন তিনি। এটিকে মোহনবাগানের মাঝমাঠে এদিন হুগো বুমাসের অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। দুটি হলুদ কার্ড দেখায় তিনি বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারেননি। সেই সুযোগে মাঝমাঠে রাজত্ব করে গেলেন বসু্ন্ধরার ফুটবলাররা। ডেভিড উইলিয়ামসকে বারবার নীচে নেমে আসতে হচ্ছিল। প্রথমার্ধে লেনি রডরিগেজ একেবারে নিষ্প্রভ ছিলেন। ৪০ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণার শট বসুন্ধরা কিংসের এক ফুটবলারের পায়ে লেগে বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বসুন্ধরা কিংসের সুশান্ত ত্রিপুরা বিপজ্জনক ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় টিকাকরণের নিয়মে বড়সড় বদলগ্রুপ লিগের আগের ম্যাচে মাজিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে খেলায় ফিরে এসেছিল এটিকে মোহনবাগান। বসুন্ধরার বিরুদ্ধেও সেই একই ছবি। দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের অনেকটাই গুছিয়ে নেয়ে হাবাসের ফুটবলাররা। তবে সবুজমেরুণ ব্রিগেডের কাজ সহজ করে দিয়েছিল বসুন্ধরা কিংসের ১ জনের কম থাকাটা। বিপক্ষের ১ জন কম থাকার সুযোগ নিয়ে ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করে এটিকে মোহনবাগান। ৬২ মিনিটে সমতাও ফেরায় সবুজমেরুণ। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের মাঝখান থেকে দুরন্ত শটে গোল করেন ডেভিড উইলিয়ামস। জয়ের জন্য শেষ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বসুন্ধরা কিংস। ৮৪ মিনিটে রবসনের শট পোস্টের বাইরে লেগে বেরিয়ে যায়। অল আউট আক্রমণে গেলেও আর গোল তুলে নিতে পারেনি বসুন্ধরা কিংস।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কী বলছেন হাবাস?‌

গ্রুপ লিগে পরপর দুটি ম্যাচ জিতে এএফসি কাপের পরের পর্বে যাওয়ার রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলেছে এটিকে মোহনবাগান। মঙ্গলবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে ড্র করলেই পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত। তবে ড্রয়ের কথা ভাবছে না। জয়ের দিকেই তাকিয়ে এটিকে মোহনবাগান। ফুটবলারদের জয়ের জন্য ঝাঁপানোর নির্দেশ দিয়েছেন সবুজমেরুণ কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস।আরও পড়ুনঃ অভিষেক বচ্চন হাসপাতালে, চিন্তায় পরিবার থেকে অনুরাগীরাটানা দুটি ম্যাচে জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। বসুন্ধরা কিংস মাজিয়াকে প্রথম ম্যাচে হারালেও বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে ড্র করেছে। এই পরিস্থিতিতে সুনীল ছেত্রীদের সঙ্গে নক আউটে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে মাজিয়া। বসুন্ধরা পয়েন্ট তালিকায় রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের পরেই, ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে শেষ ম্যাচে ড্র করলেই সবুজমেরুণ পৌঁছে যাবে এএফসি কাপের নক আউটে। অন্যদিকে, পরের রাউন্ডে যেতে গেলে জিততেই হবে বসুন্ধরা কিংসকে।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কিছুটা হলেও সমস্যায় এটিকে মোহনবাগান। হলুদ কার্ডের জন্য হাবাস গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে পাবেন না মিডফিল্ডার হুগো বুমাসকে। নিঃসন্দেহে বাগান শিবিরের কাছে এটা একটা বড় ধাক্কা। কারণ, প্রথম দুটি ম্যাচেই দলের জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। তবে হাবাস তাঁর না থাকাকে বড় করে দেখছেন না। তিনি বসুন্ধরা বধের পরিকল্পনা তৈরি করেছেন।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবপরপর দুটি ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে রয়েছে সবুজমেরুণ শিবিরের। তবে নিজেদের ফেবারিট হিসেবে দেখছেন না হাবাস। বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, নিজেদের ফেবারিট ভেবে মাঠে নামতে চাই না। ফুটবল খেলাটা খুবই কঠিন। অনেক সময় অঙ্ক মেলে না। বসুন্ধরা কিংসের খেলা দেখেছি। বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন দল। ওদের সমীহ করতেই হবে। এই ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করবে নকআউটে যাওয়া। লক্ষ্য থাকবে গোল না খাওয়া। তার মানে এই নয় আমরা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলব। খেলায় ভারসাম্য রাখতে হবে। জেতার জন্য ফুটবলারদের সেরাটা দিতে হবে। আরও পড়ুনঃ পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরএদিকে, এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে নিজেদের পিছিয়ে রাখছেন বসুন্ধরা কোচ অস্কার ব্রুজো। হাবাসের দলকে ফেবারিট হিসেবে মেনে নিলেও, বিনা লড়াইয়ে জমি ছাড়তে নারাজ। তিনি বলেন, এটিকে মোহনবাগান নিঃসন্দেহে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। তবে ওদের হারিয়ে নকআউটে যাওয়া সম্ভব। ভারতীয় ক্লাবে কোচিংয়ের সূত্রে ওদেশের ফুটবলের সঙ্গে পরিচয় আছে। এটিকে মোহনবাগানের শক্তি ও ওদের কোচ হাবাসের কোচিং সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা আছে। সেটা মাথায় রেখেই জেতার জন্য মরিয়া হবে আমার ফুটবলাররা।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ‌এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?‌

মালদ্বীপ উড়ে যাওয়ার আগে এটিকে মোহনবাগান শিবির জানত না, গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ কে। রবিবার প্লে অফ ম্যাচে মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে হারিয়ে মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ডি গ্রুপে তারা খেলবে এটিকে মোহনবাগান, মেজিয়া স্পোর্টস ও বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে। বুধবার এটিকে মোহনবাগানের গ্রুপ লিগে প্রথম ম্যাচই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। চেনা প্রতিপক্ষ হলেও প্রথম ম্যাচ নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের ট্র্যাক রেকর্ড বরাবরই যথেষ্ট ভাল। গত মরশুমেও হাবাসের দল ভাল পারফরমেন্স করেছে। নতুন মরশুমে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট সতর্ক সবুজমেরুণ কোচ হাবাস। অতীত নিয়ে তিনি একেবারেই ভাবতে নারাজ। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করার আগে বিপক্ষকে দারুণ সমীহ করছেন এটিকে মোহনবাগানের হেড কোচ। সে কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এই স্প্যানিশ কোচ।বুধবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে নামার আগে হাবাস বলেন, এবছর বেঙ্গালুরু এফসি বেশ কয়েকজন নতুন বিদেশি ফুটবলার সই করিয়েছে। কোচিং স্টাফও পরিবর্তন করেছে। বেশ কয়েকজন ভাল স্বদেশি ফুটবলারও নিয়েছে। ফলে ওদের শক্তির তারতম্য ঘটেছে। তবে আমরা একে অপরকে চিনি। একসাথে অনেক ম্যাচ খেলেছি। এবার আরওও ভাল লড়াই হবে। হাবাস আরও বলেন, আগে কোথায় জিতেছি, সেকথা মাথায় রাখছি না। অতীত পরিসংখ্যান নিয়ে ভেবে লাভ নেই। এখন প্রতিটা ম্যাচেই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ। নতুন মাঠ, নতুন পরিবেশ। সব কিছুর সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। এএফসি কাপ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। সবাই নিজেকে প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হবে। যারা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে, তারাই সাফল্য পাবে। শনিবার মালদ্বীপে পৌঁছে যায় সবুজমেরুন শিবির। রবিবার থেকে কৃত্রিম ঘাসের মাঠে অনুশীলনে নেমে পড়েছেন রয় কৃষ্ণা, ব্র্যাড উইলিয়ামসরা। হোটেল থেকে প্রায় ২০ মিনিট দুরে অনুশীলনের মাঠ। এটিকে মোহনবাগান ফুটবলারদের জলপথে অনুশীলনে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে আয়োজকরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal