• ১৪ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fever

স্বাস্থ্য

দেশে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত, দেশে সক্রিয় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৬,১৩৩ জনে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬জন কোভিড-১৯ আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। কর্ণাটকে দুজন, কেরালায় তিনজন এবং তামিলনাড়ুতে একজন।রবিবার পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজ্য কেরালা। সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ১,৯৫০ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, এর পরেই রয়েছে গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ এবং দিল্লি। রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ জন নতুন কোভিড-১৯ আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে সংখ্যাটি ৬৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, আজ সকাল পর্যন্ত দেশজুড়ে ৭৫৩ জন রোগীর নিরাময় হয়েছে।ভারতে করোনার বর্তমান বৃদ্ধির কারণ হল নতুন ওমিক্রন উপ-ভেরিয়েন্ট যেমন JN.1, NB.1.8.1, LF.7, এবং XFC। এগুলোর সংক্রমণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হালকা লক্ষণ দেখা গেছে। WHO বর্তমানে এগুলোকে পর্যবেক্ষণাধীন রূপ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে। এখনও উদ্বেগের বিষয় নয়, তবে সতর্কতা প্রয়োজন। ইতিমধ্যে, কোভিড-১৯ এর জন্য দায়ী ভাইরাস SARS-CoV-2 অদৃশ্য হয়ে যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৫
স্বাস্থ্য

ফের করোনা উদ্বেগ বাড়ছে বাংলায়, সতর্কতার ওপর জোর স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

করোনা শুনলেই ফের মনে আতঙ্ক, উদ্বেগ বাড়তে থাকে। মনে পরে যায় ২০২০-২০২২ এর সেই ঘরবন্দি পরিস্থিতি। দেশ জুড়ে লোকডাউন। রোজগার চলে যাওয়া। মানুষের হাহাকার।। আবার সেই করোনা নামক অসুরের থাবা দেশ জুড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গে, বিশেষ করে কলকাতায় কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কিছুটা বেড়েছে।এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মোট সক্রিয় কোভিড-১৯ কেসের সংখ্যা ৩৭১। কলকাতায় ৪১টি নতুন কোভিড-১৯ কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। চলতি বছরে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত একটি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। মৃত ৪৩ বছর বয়সী মহিলা হাওড়ার বাসিন্দা ছিলেন। জানা গিয়েছে, তাঁর কিডনি ও হৃদরোগের মতো অন্যান্য কোমরবিডিটি ছিল। তার JN.1 ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্য যেমন কেরালা, মহারাষ্ট্র এবং তামিলনাড়ুতেও JN.1 ভ্যারিয়েন্টের কারণে মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।সতর্কতা: যদিও সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন যে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। তবে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।কলকাতা পৌরসংস্থা (KMC) শহর জুড়ে ব্যানার লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে মানুষ মাস্ক পরা, ঘন ঘন হাত ধোয়া এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।কেএমসি-এর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিদের এবং কোমরবিডিটি আছে এমন ব্যক্তিদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। হাসপাতালের প্রস্তুতি: হাসপাতালগুলোকে পর্যাপ্ত সংখ্যক বেড, অক্সিজেন সরবরাহ, অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধের স্টক নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ভেন্টিলেটর, বাই-প্যাপ মেশিন, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর এবং পিএসএ প্ল্যান্ট সহ সমস্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছেন। বিশেষ করে JN.1 উপ-ভ্যারিয়েন্টের উচ্চ সংক্রমণ হারের পরিপ্রেক্ষিতে। * বুস্টার ডোজ: বিশেষ করে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর জন্য বুস্টার ভ্যাকসিন নেওয়ার সুপারিশ করা হচ্ছে।সাধারণ মানুষের জন্য পরামর্শ:* মাস্ক ব্যবহার: জনসমাগমপূর্ণ স্থানে মাস্ক পরুন।* হাতের স্বাস্থ্যবিধি: নিয়মিত সাবান ও জল দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখুন বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।* সামাজিক দূরত্ব: ভিড় এড়িয়ে চলুন এবং অন্যদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।* উপসর্গ দেখা দিলে: জ্বর, সর্দি, কাশি বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনও উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন।* টিকাকরণ: যারা এখনও বুস্টার ডোজ নেননি, তাদের দ্রুত তা নেওয়ার কথা ভাবা উচিত, বিশেষ করে যদি তাদের কোমরবিডিটি থাকে।বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করা সকলের জন্য জরুরি।

জুন ০৬, ২০২৫
রাজ্য

Child Fever: বেড ঘাটতির কারণে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ঠাঁই হয়েছে কাটোয়া হাসপাতালের মেঝেতে

শিশুদের জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়ার সংখ্যা বেড়ে চললেও বাড়েনি হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা। তাই জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল ভর্তি হওয়া অনেক শিশুর ঠাই হয়েছে মেঝেতে। অসুস্থ শিশুদের মেঝেতে রেখেই চলছে চিকিৎসা। চাহিদা অনুয়ায়ী শিশু ওয়ার্ডে বেড কম থাকার কথা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে নিলেও বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেননি চিকিৎসাধীন শিশুর পরিজনরা।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের পার্টি অফিসে পরিণত হয়েছে নবান্ন, টুইট আক্রমণ শুভেন্দুরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে সারা বছরই রোগীর চাপ থাকে। পূর্ব বর্ধমান জেলার পাশাপাশি প্রতিবেশী জেলা মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও নদীয়া থেকে রোগীরা চিকিৎসা করাতে এই হাসপাতালে আসেন। তারই মধ্যে বর্তমান জ্বর, সর্দি ও কাশি উপসর্গ নিয়ে কাটোয়া হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা ব্যাপক ভাবে বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় এখন তিল ধারনের জায়গা নেই কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি হয় ৮৫ টি শিশু। বুধবার বিকাল পর্যন্ত ৫০ জন শিশু চিকিৎসাধীন থাকে। অথচ শিশু ওয়ার্ডে বেডের সংখ্যা ২০ তেই থমকে রয়েছে। তার কারণে অসুস্থ শিশুর ঠাঁই হয়েছে ওয়ার্ডের মেঝেতেই।আরও পড়ুনঃ পায়রার মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের পক্ষী প্রেমীরকাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল সুপার ধীরাজ রায় এই বিষয়ে জানান, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে বেডের চাহিদার কথা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে তাঁরা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে ভাইরাসঘটিত জ্বর সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। রোজ রোজ শিশু রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে। তাই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Fever and Respiratory Infections: পূর্ব বর্ধমানে শিশুদের জ্বর-শ্বাসকষ্ট জনিত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর

কোভিডের লক্ষণ না থাকলেও পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে জ্বরে আক্রন্ত শিশু ভর্তির সংখ্যা। প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুর সংখ্যা ১৪০ জন। তার মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে ৩৭ জন ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ৯৫ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। কোন শিশুর মৃত্যুর খবর এখনও পর্যন্ত নেই বলে যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। জ্বরে আক্রান্ত হয়ে জেলার কালনা ও কাটোয়া হাসপাতালের পাশাপাশি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও শিশু ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বাড়ায় উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুদের চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। পাশাপাশি অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়ার জন্য বিশেষ ওয়ার্ডও চালু করা হয়েছে।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকজন শিশু জ্বর নিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হত । কিন্তু গত দুসপ্তাহ যাবৎ দৈনিক ৩০ থেকে ৪০ জন জ্বরে আক্রান্ত শিশু বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। তাঁদের অনেকের জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের সমস্যাও থাকছে। তবে চিকিৎসাধীন কোন শিশুর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ ধরা পড়েনি।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কৌস্তুভ নায়েক জানিয়েছেন, এই সময় আবহাওয়ার পরিবর্তনজনিত কারণে শিশুদের সমস্যা হয়। তবে তার কারণে এই বছর শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ার সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশী। শিশুদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ৬৪ বেডের একটি ওয়ার্ড নির্দিষ্ট করা হয়েছে।এছাড়াও সোমবার থেকে অক্সিজেন পরিষেবা যুক্ত ২০ বেডের একটি ওয়ার্ডও চালু করা হয়েছে। শিশুদের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার, নার্স ও গার্ডের সংখা বাড়ানো হয়েছে। চিকিৎসক কৌস্তভ নায়েক জানিয়েছেন, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের কোভিড পরীক্ষাও করা হচ্ছে।চিকিৎসাধীন শিশুদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেও কৌস্তুভ নায়েক দাবী করেছেন।বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাশাপাশি কালনা মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও শিশুদের ব্যাপক হারে জ্বরে আক্রান্ত হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। কালনা মহকুমা হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক অরুপ রতন করণ সোমবায় জানান, চলতি মাসের ২০ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত ছয় দিনে প্রবল জ্বর ছাড়াও সর্দি, কাশি, উপসর্গ নিয়ে ১৫১ জন শিশু তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি হয়। কিছু বাচ্চার শ্বাসকষ্ট উপসর্গও থাকে। যদিও হাসপাতালে সব শিশুর কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া শিশুদের সঙ্গে বাড়িতে কোভিড বিধি মেনেই মেলামেশার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Covid: দুর্গাপুরে কোভিড আক্রান্ত তিন শিশু, বাড়ছে শ্বাসকষ্টজনিত জ্বর, আতঙ্ক শিল্পশহরে

দুদিন আগে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের শিশু বিভাগে ইনজেকশন দেওয়ার পর শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। আতঙ্কে শিশুদের নিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে শুরু করে অভিভাবকরা। দূর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল কতৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও শোনেনি তাঁরা। এবার এই হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে করোনা সংক্রমণ হওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।ইনজেকশন বিতর্কের মাঝেই দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা ধরা পড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েছে। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট জনিত জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। এর ফলেই ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে শিল্পশহর দুর্গাপুরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর জেলা স্বাস্থ্য দফতর।সূত্রের খবর, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সমস্ত শিশুরই কোভিড পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই শনিবার তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা পাওয়া যায়। এই শিশুদের সঙ্গে সঙ্গেই কোডিড ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। পশ্চিম বর্ধমান জেলার ডেপুটি CMOH কেকা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, করোনার থার্ড ওয়েভ নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর চিন্তিত। একই সঙ্গে শিশুদের অভিভাবকদের আরও সতর্ক ভাবে কোভিড বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Unknown Fever: মালদায় জ্বরের বলি আরও এক শিশু

অজানা জ্বরের বলি ফের এক শিশু। রবিবার গভীর রাতে ফের মৃত্যু হল আরও এক শিশুর। জানা গিয়েছে শিশুটির বয়স মোটে ১ মাস ৬ দিন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মালদা মেডিক্যাল কলেজের মাতৃমা বিভাগে প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি হয় ওই শিশু। রবিবার গভীর রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে বেডের অভাব। বেড না পেয়ে একই বিছানায় অন্য আক্রান্তদের সঙ্গে রেখেই চিকিৎসা করাতে হয়েছিল ওই শিশুকন্যাকে। চিকিৎসকদের গাফিলতির জন্যই মৃত্যু হয়েছে শিশুটির এমনই অভিযোগ। সূত্রের খবর, মেডিক্যাল কলেজে শনিবার পর্যন্ত ১৬৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। কিন্তু বেডের সংখ্যা ১২০। আরও পড়ুনঃ টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেনমেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৈষ্ণবনগর থানার চক বাহাদুরপুরের বাসিন্দা প্রকাশ মণ্ডলের নবজাতক পুত্র আচমকাই জ্বরে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, রক্তে সংক্রমণের দরুণ শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। যদিও, ঠিক কীভাবে সেই সংক্রমণ হল তা কিন্তু স্পষ্ট বলতে পারছেন না চিকিৎসকেরা। তবে, এই শিশুটিরও অন্যান্যদের মতো একই উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। প্রবল জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা। শিশুটিকে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার পর বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। কিন্তু, তারপরেও শেষ রক্ষা হয়নি। এই নিয়ে গত পাঁচদিনে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মোট ৮ টি শিশুর মৃত্যু হল।উল্লেখ্য, রাজ্যে শিশুদের আক্রান্ত হওয়া নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: অজানা জ্বরের কারণ জানতে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় শিশুদের মধ্যে জ্বর ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত হয়েছে। এই নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করল স্বাস্থ্য দপ্তর। বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতালে বৈঠকে এই মর্মে মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। এমনটাই জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য ভবনসূত্রে।এদিন একঘণ্টার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ৫ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে অজানা জ্বরের আতঙ্ক ছাড়াও স্বাস্থ্যপরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেখানে হাসপাতালগুলির বেড বাড়ানো, মেডিক্যাল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশভোট প্রচারে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী এদিন বৈঠক ছেড়ে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। তবে উত্তরবঙ্গ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় প্রকোপ ছড়ানো শিশুদের অজানা জ্বর নিয়ে তিনি বৈঠকে স্বাস্থ্যকর তাদের কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে এদিন সকালেই মুখ্যমন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন। জানতে পেরেছেন, কোনও অজানা জ্বর নয়, এমনি সাধারণ জ্বরেই আক্রান্ত হয়েছে শিশুরা। যাদের মৃত্যু হয়েছে, তারা সকলেরই অন্য জটিল অসুখ ছিল। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলেও চিকিৎসার কোনও সুযোগ হয়নি।জ্বরের প্রকোপ ছড়াতেই স্বাস্থ্যদপ্তর তড়িঘড়ি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিল। তাতে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গে শিশুদের মধ্যে অজানা জ্বরের নেপথ্যে রয়েছে আরএস ভাইরাস। তবে এই ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি কারণ কী, তা খতিয়ে দেখে দ্রুত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এদিনের বৈঠকে এই সংক্রান্ত আলোচনা ছাড়াও কলকাতার ৫ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিকাঠামোর আরও উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই হাসপাতালগুলি দেশের অন্যতম সেরা হাসপাতাল হিসেবে ইতিমধ্যেই খ্যাত। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন জেলাগুলি থেকেও প্রচুর মানুষজন এসব হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন। অন্তত ৭৬ শতাংশ মানুষ এর উপর নির্ভরশীল। আরও কীভাবে এসব হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো যায়, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি করা যায় এবং মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যাও বাড়ানো যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশি

অজানা জ্বরের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর এসেছিল আগেই। এখনও পর্যন্ত এই অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিন শিশুর। গুরুতর অসুস্থ শিশুর সংখ্যা সব মিলিয়ে ৫০-এর পঞ্চাশের কাছাকাছি। সরকারি নথি অনুযায়ী ৫০০-র বেশি শিশু অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আর এই ঘটনা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে ধরেছে। বিশেষত শিশু চিকিৎসার পরিকাঠামোর বেহাল চেহারাটা ক্রমশ সামনে আসছে। আর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্কও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আরও একটি বড় দুর্নীতির আশঙ্কায় শুভেন্দুকরোনার তৃতীয় ঢেউ সামলাতে এবং শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ভবন ঘোষণা করেছিল যে গোটা রাজ্যে প্রস্তুতি চলছে। বাড়ানো হচ্ছে বেড। আইসিইউ, পিকু, নিকু সহ পেডিয়াট্রিক এক্সপার্টদের নিয়ে তৈরি হয়েছে টিম। তৃতীয় ঢেউ কবে আসবে জানা নেই। তবে জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহার সংলগ্ন এলাকায় শিশুদের এই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাতেই বেআব্রু হয়ে পড়েছে সরকারি সেই ব্যবস্থা। হাসপাতালে গাদাগাদি করে রয়েছে শিশু এবং তাদের অভিভাবকেরা। ভর্তির জায়গা নেই। এমনই অবস্থা একাধিক জেলা ও মহকুমা হাসপাতাল কিংবা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। মূলত শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন অঞ্চলে এই জ্বরের প্রকোপে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল বা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা ভিড় করছে। কোথাও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও বা ভর্তি করে নেওয়া হচ্ছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ, জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল, বানারহাট, ধুপগুড়ি , মালবাজার, মেখলিগঞ্জ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ছোট-বড় হাসপাতালে এই মুহূর্তে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ভিড়। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর গত ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে এই অজানা জ্বরের প্রকোপ বেড়ে চলেছে জেলাজুড়ে। উত্তরবঙ্গের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, সঠিকভাবে সেই তথ্য জানানো হয়নি স্বাস্থ্য ভবনকে। তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। জ্বর, পেটে যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বহু শিশু। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে এই অজানা জ্বর। অথচ ১০-১২ দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করে সঠিক কারণ জানা গেল না। কেন জ্বরের কারণ জানতে এত বেশি সময় লাগছে? সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal