• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ০১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fake Vote

রাজ্য

স্ত্রী মৃত্যুর পরও ভোট দিয়ে চলেছেন! পরিচিয়পত্রহীন স্বামীর ভিক্ষেই সম্বল

স্ত্রী মারা গিয়েছেন বছর পাঁচেক আগে। কিন্তু ভোটার তালিকায় গত লোকসভা পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ফলে ভোটের সময় ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটও দিতে এসেছিলেন বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু জীবিত থেকেও ভোটাধিকার নেই স্বামীর। বঞ্চিত সরকারি সুবিধা থেকেও। সরকারি সুবিধা পাবেন কিভাবে! কাগজকলমে মৃত কি ভাবে সুবিধা পাবেন! মৃত মানুষ ভোট দিয়ে যেতে পারেন! তবে সরকারি সুবিধা কখনই নয়!এমনই অদ্ভুত ভুতুড়ে ভোটার তালিকার হদিশ মিলল বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার নারায়নপুর পঞ্চায়েত কানাইপুর সংসদে। ওই সংসদের হতদরিদ্র ধীরেন মাল জানতে পারেন তিনি মৃত। প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘোরাফেরা করেও তিনি নিজেকে জীবিত প্রমান করতে পারেননি। ফলে এখন ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে মৃতপ্রায় হয়ে চলাফেরা করছেন। তবে বছর পাঁচেক আগে মৃত স্ত্রী ভাসানি মাল ভোটার তালিকায় ২০২৪ সাল পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ভোটের সময় আসেন, আর ভোট দিয়ে চলে যান।এদিকে মৃত স্ত্রীর নামে বার্ধক্য ভাতাও ঢুকছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু টাকা তোলা যাচ্ছে না। এদিকে ধীরেন মালকে মৃত ঘোষণা করায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে বার্ধক্য ভাতা পান না। চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর। এই বয়সে বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন। ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে জীবন-মরণের লড়াই চালাচ্ছেন। ধীরেন মলের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে তার ভোটার তালিকায় নাম বাদ দিয়েছে, গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে গেলে তাকে বুথ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ জানতে গেলে বলা হয় তিনি মৃত। তাই তার ভোটার তালিকায় নাম নেই। অথচ তাঁর স্ত্রী মৃত্যু হলেও তার নাম ছিল ওই ভোটার তালিকায়। বার বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলেও এখনও তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি। ধীরেন মালের নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে তার ব্যবস্থার নেওয়ায় আস্বাস দিয়েছে প্রশাসন থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূলের নারায়নপুর অঞ্চল সভাপতি মিলন শেখ বলেন, বিষয়টা আমরা জানি না। হয়তো স্ত্রীর নাম বাদ দিতে গিয়ে স্বামীর নাম বাদ দিয়েছে। তবে তাঁর নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে সেই ব্যবস্থা করব। একই সঙ্গে যাতে বার্ধক্য ভাতা পায় সেই বিষয়টাও দেখা হবে।বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, ভোটার তালিকায় গড়মিলের বিষয়টি আমরাই প্রথম অভিযোগ করেছি। মৃত মানুষের ভোটেই তো তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। তাছাড়া কানাইপুর সংসদ বিজেপি অধ্যুষিত। ফলে পরিকল্পিত ভাবে ধীরেনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১৩, ২০২৫
রাজ্য

গ্রাম বাংলার দখল কার হাতে? সকাল ৮টা থেকে শুরু পঞ্চায়েতের ভোট গণনা

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গননা কেন্দ্রগুলিকে। প্রতি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁর সাথেথাকছে রাজ্য পুলিশও। ভোট গণনা চলবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে। অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আর কিছুক্ষণ পরেই, গ্রাম বাংলার রাশ কার দখলে যাবে? গননা কেন্দ্র গুলিতে এসে পরেছেন ভোট কর্মীরা, প্রয়োজনীয় ঔষধ ছাড়া আর কিছু নিয়েই ভিতরে প্রবেশ নিশিদ্ধ। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হবে ২০২৩ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা। সারা রাজ্যের মোট ৩৩৯টি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সুত্রে জানা যাচ্ছে, তিনটি স্তর (গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ) মিলিয়ে প্রায় ১২% আসনে (মোট ৭৩৮৮৭ টি আসনের মধ্যে ৯০০৯ টি আসনে) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩২২৯টি আসনের মধ্যে বিনা যুদ্ধে জয় ৮০০২ টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৯৭৩০ টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ৯৯১ টি আসনে। জেলা পরিষদের মোট ৯২৮টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ১৬টি আসনে।এখানে উল্লেখ্য, ২০১৮ মতো ২০২৩ এও পঞ্চায়েত ভোটেও দেখা গেছে ভয়াবহ হিংসার ছবি। ভোট ঘোষণা র দিন থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ধরলে ২০১৮-কেও ছাপিয়ে গেল ২০২৩। বিরধীদের রোষনলের মুখে নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। যে শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত ভোটের আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নবজোয়ার কর্মসুচীতে দিয়েছিলেন সেটা কি তাহলে শুধুই কথার কথা ছিল? এনিয়ে পাল্টা জবাব পালটা জবাব চলছে। আজ মঙ্গলবার ফলাফল।পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক বিপরীত ছবি দেখা গেলো পুননির্বাচনে,লাগামছাড়া সন্ত্রাসের ছবি উধাও! পুলিস ও কেন্দ্রীয়বাহিনী দাপিয়ে বেরালো বুথ ও সংলগ্ন এলাকা, রূটিন রুট মার্চ, এরিয়া ডোমিনেসন সবই করতে দেখা গেলো। সেখানেই প্রশ্ন বিরোধীদের, তাহলে কি এটা ড্যমেজ কন্ট্রোল? ৮ই জুলাই কোথায় ছিলো পুলিশের এই সক্রিয়তা? বিরোধীদের আরও দাবী হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্তেও কেনো সমস্ত বুথে দেখা যায়নি সশস্ত্র বাহিনী কে? তাহলে কি এটা দিদি-মোদি পরিকল্পনারই ফসল?বিরোধীদের দাবী, ভোটের দিন যেভাবে সারা রাজ্যে বুথে বুথে অশান্তি হয়েছে, বন্দুক হাতে দাপাদাপি করতে দেখা গিয়েছে রাজনৈতিক কর্মীদের, মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়েছে, দেদার ছাপ্পা, কিন্তু কোথাও কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী কে দেখা যায়নি। পূর্ববর্ধমান জেলার মেমারি-র বাম নেতা অভিজিৎ কোনার (খোকন) তাঁর সামাজিক মাধ্যমে ছবি দিয়ে দাবী করেছেন, আজ ৮/৭/২০২৩ পশ্চিমবঙ্গে অবাধে লুটপাটের পঞ্চায়েত নির্বাচন চলছে।হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্বেও মেমারি ১ ব্লক,মেমারি ২ ব্লক সহ পূর্ব বর্ধমান জেলার কোন বুথেই কেন্দ্রীয়বাহিনী নেই। আজ সকাল ৭.১৮ মিনিটে মেমারি ষ্টেশনে অসংখ্য পুলিশের জমিয়ে গল্প, হাওয়া খাওয়ার ফটো দেখুন।ভোট হচ্ছে গ্রামে,আর পুলিশ রয়েছে রেল স্টেশনে। এতদিন কেন্দ্রীয়বাহিনী নিয়ে TMC-BJP র নাটক এখন বুঝতে পারছেন? কেন্দ্র ও রাজ্যের বোঝাপড়া বুঝুন। তবে বিভিন্ন বুথে প্রতিরোধের ঘটনাও ঘটছে।কোথা ব্যালট বক্স ভোট কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার ভোট কক্ষের ভিত্রেই বোতলে জল নিয়ে গিয়ে ঢেলে দেওয়া হয়েছে ব্যলট বক্সের ভিতর। কিন্তু কোথাও পুলিশর দেখা মেলেনি, না মিলেছে হাইকোর্টের নির্দেশে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীও!

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজ্য

চোখের সামনে 'ভোটলুঠ', নিরাপত্তার অভাব, আর কখনও ভোটের কাজে নয়, শপথ প্রিসাডিংয়ের

ভোট গ্রহণের প্রথম তিক্ত অভিজ্ঞতায় মহিলা পরিচালিত বুথের ভোট কর্মীরা তিতিবিরক্ত। চাকরি না থাকলেও আর কখনও ভোটের কাজে অংশগ্রহণ করতে চান না তাঁরা। এদিন ঘটনার পর থেকে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। ভয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন প্রিজাইডিং অফিসার অঙ্গনা শেঠ।বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ এবার মহিলা পরিচালিত ছিল। সেখানে পাঁচজন মহিলা ভোট কর্মী ছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ছিল একজন জুনিয়ার কনস্টেবল এবং একজন সিভিক ভলন্টিয়ার। ভোট কর্মীরা জানান, বেলা ১১ টা পর্যন্ত ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। তখন প্রায় ২০০ ভোট হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই একদল দুষ্কৃতী মুখে কাপড় বেঁধে লাঠি হাতে ভিতরে ঢুকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে স্ট্যাম্প মেরে বক্সে ঢোকাতে শুরু করে। এরকম কিছুক্ষণ চলার পর আরও কিছু দুষ্কৃতী ভিতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বুথের ভিতর তাণ্ডব চালায়।অঙ্গনা শেঠ বলেন, আমাদের মহিলা পরিচালিত বুথ হলেও ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। একপ্রকার আমাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। দুষ্কৃতীরা আমাদেরও মারতে উদ্যত হয়। জুনিয়ার কনস্টেবল এবং সিভিক দুজনেই নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। বাইরে তখন ধুন্দুমার চলছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে দুটি মোটর বাইক।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহিরাগত দুষ্কৃতীরা এখানে মোটরবাইক নিয়ে ভোট লুঠ করতে এসেছিল। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষই তাদের মোটরবাইক জ্বালিয়ে দিয়েছে।ঘটনার পর থেকে মহিলা ভোট কর্মীদের চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল আতঙ্কের চাপ।। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পরেন। পুলিশকে খবর দেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ পুলিশের দেখা মেলেনি। ফলে চাকরি চলে গেলেও তাঁরা যে ভোট প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে কখনও অংশগ্রহণ করবেন না সেটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২৩
কলকাতা

ভুয়ো ভোটার ধরতে বুথেই হাতাহাতি ২ মহিলা প্রার্থীর

পুরভোটে সকাল থেকেই সরগরম বিধাননগর। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়েছে। এ বার, বিধাননগরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থীর মধ্যে কার্যত হাতাহাতি শুরু হয়। অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস চক্রবর্তী ছাপ্পা ভোট করাচ্ছিলেন। এমনকী, বুথে বিজেপির কোনও পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। উপরন্তু, তৃণমূলের তরফে ভুয়ো পোলিং এজেন্টকে বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময়, বিজেপি প্রার্থী প্রমিতা সাহা বুথে এসে পৌঁছলে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় কিছু সময়ের মধ্যেই সেখানে এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস চক্রবর্তী। তখনই উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় কার্যত উত্তেজনা ছড়ায়। গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। ওই ওয়ার্ডে এই মুহূর্তে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।পুলিশের উপস্থিতিতে এভাবে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাতাহাতি বচসার ঘটনা কীভাবে ঘটল? আদৌ সেখানে ছাপ্পা চলছিল কি না? কীভাবে ভোট হচ্ছিল? সব তথ্য চেয়ে গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।বিজেপির তরফে অভিযোগ, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওই বুথে সকাল থেকেই ছাপ্পা ভোট চলছিল। খবর পেয়ে সেখানে যান বিজেপি প্রার্থী প্রমিতা সাহা। তিনি বুথে গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলা শুরু করতেই এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস। প্রমিতা অভিযোগ করেন বুথে বিজেপির কোনও পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি।শুধু তাই নয়, তৃণমূলের তরফে বহিরাগতদের এনে ভোট করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এমনকী, তৃণমূলের পোলিং এজেন্ট ভুয়ো এই দাবিও করেন বিজেপি প্রার্থী। তখনই শুরু হয় বচসা। তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস প্রমিতাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এদিকে বুথের বাইরে মোতায়েন ছিল পুলিশ। কিন্তু, কর্তব্যরত পুলিশ কর্তাদের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ।পাল্টা, তৃণমূলের অভিযোগ, বুথে কোনও বহিরাগতদের নিয়ে আসা হয়নি। উল্টে বিজেপি প্রার্থীই এসে মারধর হামলা করে বলে অভিযোগ মিনু দাসের। যার জেরে বুথে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় বলেই জানিয়েছেন মিনু।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
কলকাতা

বিধাননগরে একাধিক ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর

বিধাননগর ভোটের শুরুতেই ভুয়ো ভোটারের অভিযোগ বিরোধীদের। লাইনেই রয়েছে বহু ভুয়ো ভোটার। এমনই অভিযোগ বিধাননগর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস জানার।শনিবার ভোটের শুরুতেই দেবাশিস জানা বিএফ কমিউনিটি সেন্টারে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ভোটার লাইনে এক ব্যক্তিকে দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি তাঁকে প্রশ্ন করতে শুরু করেন। খুবই সাধারণ প্রশ্ন, ওই ব্যক্তির বাবার নাম জিজ্ঞাসা করেন দেবাশিস জানা। বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য, ওই ব্যক্তি তাঁর বাবার নামই বলতে পারেননি। বেশি চাপাচাপি করতে তিনি লাইন ছেড়ে বেরিয়ে যান। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, লাইনে বহু ভুয়ো ভোটার রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি এজেন্টদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।অন্যদিকে, বিধাননগর ১৮৫ নম্বর বুথেও উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি প্রার্থী পিয়ালি বসুর অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে অন্য একটি দরজা তালা খোলা অবস্থায় ছিল। তা দেখে তিনি আপত্তি জানান। পরে তালা বন্ধ করা হয়। প্রসঙ্গত, বিধাননগরে অশান্তি এড়াতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।বিধাননগর ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধে হয়, তার জন্য শুক্রবারই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ছিল হাইকোর্টের। আদালত নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে দিয়েছিল, বিধাননগরের ভোটে কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, তার দায় থাকবে কমিশনের ওপর। আর তার জবাবদিহি করতে হবে কমিশনারকে। সেক্ষেত্রে এদিনটা কমিশনের কাছেও অনেকটাই চ্যালেঞ্জের বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Khardah By Poll: খড়দহে দফায় দফায় উত্তেজনা, কাজল সিনহার ছেলেকে মারধর

খড়দহে ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় শনিবার। মুড়াগাছায় জাল ভোটার ধরতে গাড়ি থেকে নেমে ধাওয়া করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, শশীভূষণ জুনিয়র বেসিক স্কুলে ভোট দিতে আসেন কয়েকজন জাল ভোটার। একজনকে ধরে ফেলেন বলে দাবি করেন বিজেপি প্রার্থী। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে ভয়ে পালাচ্ছিলেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।এ দিন খড়দায় ফের ভুয়ো ভোটারের অভিযোগে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। আইডিয়াল অ্যাকাডেমির সামনে তীব্র উত্তেজনা। অন্যের ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে আসার অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই নিজেকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দেন ওই ব্যক্তি। এই সংবাগদ প্রকাশিত হওয়া মাত্রই ঘটনার রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশনের। অন্যদিকে, এদিন খড়দহে প্রয়াত বিধায়ক কাজল সিনহার ছেলে আর্যদীপ সিনহাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে খড়দহ বিটি রোড অবরোধ করে তৃণমূল। বিজেপি প্রার্থী জয় সাহার গাড়ি ঘিরেও বিক্ষোভ দেখানো হয়।উল্লেখ্য, ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন সম্পন্ন হল আজ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনহাটায় ভোট পড়েছে ৭০%। শান্তিপুরে ভোট পড়েছে ৭৬%। খড়দায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৬৪%। গোসাবায় ভোট পড়েছে ৭৬%।ভোট শুরু হওয়ার একঘণ্টার মধ্যেই বিলকান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের যুগবেড়িয়ায় তৃণমূলের বিক্ষোভের মুখে পড়েন খড়দহর বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, প্রতীক লাগানো গাড়িতে চড়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন বিজেপি প্রার্থী। এই অভিযোগে যুগবেড়িয়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। বুথের বাইরে বেআইনি জমায়েত করে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে তৃণমূলই, পাল্টা অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Fake Voter: ভুয়ো ভোটারকে ঘিরে ধুন্ধুমার খালসা হাইস্কুলে

ভবানীপুরে খালসা হাইস্কুলে ভুয়ো ভোটার ঘিরে তুমুল গোলমাল বিজেপি-তৃণমূলের। বিজেপির অভিযোগ, ভুয়ো ভোটার এনে ভোট করাচ্ছে তৃণমূল। পাল্টা শাসকদলের অভিযোগ, ভুয়ো ভোটার এনে অশান্তি ছড়াচ্ছে বিজেপি। এই নিয়েই ভোটকেন্দ্রের ভিতর মারামারি শুরু হয়ে যায়। এক যুবককে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌঁছয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, কোনও প্রমাণপত্র ছাড়া অন্য একজনের স্লিপ নিয়ে ভোট দিতে এসেছে ওই ছেলেটি। সিআরপিএফ জিজ্ঞাসা করায় ও কোনও জবাব দিতে পারেনি। ও তৃণমূলের লোক। যদিও তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করে গোটা ঘটনার দায় বিজেপির ঘাড়েই ঠেলেছে।আরও পড়ুনঃ ৩৫ কোম্পানির ঘেরাটোপে তিন বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু ভোটগ্রহণএদিকে ভুয়ো ভোটার নিয়ে উত্তেজনার পরই খালসা হাইস্কুলে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছল জয়েন্ট সিপি নীলাঞ্জন বিশ্বাস। এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে যান কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকও। বিজেপির অভিযোগ, তাদের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল খালসা হাইস্কুলে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে গিয়ে দেখেন, এক যুবক সেখানে রয়েছেন। তাঁর হাতে কোনও রকম পরিচয়পত্র নেই, অন্যান্য কোনও পরিচয়পত্র নেই। অথচ তিনি ভোট দিতে ঢুকেছেন। তখন তাঁরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। অভিযোগ, এরপরই বিজেপির লোকজন ওই যুবককে মারতে মারতে বাইরে নিয়ে আসেন। ওই যুবক তৃণমূলেরই লোক বলে দাবি করেছে বিজেপি।পাল্টা তৃণমূলের দাবি, বিজেপি অশান্তি পাকাতেই এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে বিজেপি। যে ছেলেটিকে মারধর করা হয়েছে, বিজেপির লোকজন দীর্ঘক্ষণ ধরে তাঁকে আটকে রাখে। এর সঙ্গে ভুয়ো ভোটারের কোনও সম্পর্কই নেই। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটদান পর্ব চলছিল। বিজেপির প্রার্থী ঢুকতেই গোলমাল শুরু হয়। যদিও বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের বক্তব্য, গোটা রাজ্যটাই ভুয়ো আইপিএস, পুলিশ আধিকারিকে ভর্তি হয়ে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় ঘোষণা! এই দিনই মনোনয়ন জমা দেবেন মমতা, জমবে শক্তির প্রদর্শন

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে মনোনয়ন পেশের প্রস্তুতি শুরু করে দিল শাসক শিবির। সূত্রের খবর, আগামী আট এপ্রিল ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার সার্ভে বিল্ডিংয়েই তাঁর মনোনয়ন পেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।জানা গিয়েছে, ওই দিন ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত সব কাউন্সিলর উপস্থিত থাকতে পারেন। পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেতৃত্বও সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে মনোনয়ন পেশের দিনটি বড় রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।ভবানীপুর কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তাই এই কেন্দ্র থেকেই তাঁর মনোনয়ন পেশ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম আসনের জন্য ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের নেতা দিলীপ ঘোষ। এ বছরের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু।এর আগে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয় শুভেন্দুর হাতে। ফলে একদিকে নন্দীগ্রাম, অন্যদিকে ভবানীপুর দুই কেন্দ্রেই রাজনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরে তাণ্ডব! ফর্ম ৬ ঘিরে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, হাতাহাতি চরমে

ভোটের মুখে ফর্ম ৬ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল সিইও দফতর চত্বরে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অশান্তিতে উসকানির অভিযোগ জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার মাধ্যমে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম বাংলার ভোটার তালিকায় তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরেই বিক্ষোভে নামেন তৃণমূলপন্থী বিএলওরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে তা দ্রুত ধস্তাধস্তিতে পৌঁছয়।পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী সিইও দফতর ছেড়ে বেরোনোর পর কয়েকজন যুবক ব্যাগভর্তি ফর্ম ৬ জমা দেন। এই ঘটনাকে ঘিরেই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।এর আগে সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভোটার তালিকায় কারচুপি হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাইরের রাজ্যের ভোটারদের নাম বাংলার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে।মঙ্গলবারও সেই অভিযোগ সামনে এনে সোশাল মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে তৃণমূল। সেখানে দাবি করা হয়েছে, প্রথমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তারপর অন্যদের নাম তোলা হচ্ছে, যারা নির্দিষ্ট একটি দলের হয়ে ভোট দেবে।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! রক্তাক্ত ১৫ পড়ুয়া, আশঙ্কাজনক এক শিশু

মুর্শিদাবাদে স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় জখম হল ১৫ জন পড়ুয়া। তাদের মধ্যে ১১ জনকে গুরুতর অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক পড়ুয়ার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা বিভাগে রাখা হয়েছে। আহতরা নার্সারি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার সকাল প্রায় নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার সীমান্তবর্তী পলাশি ফুলবাগান মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনের মতো এদিনও তেঘরিয়া-নাজিরপুর এলাকা থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে প্রায় ১৫ জন পড়ুয়া পলাশির একটি বেসরকারি স্কুলে যাচ্ছিল। পথেই আচমকা দুর্ঘটনার মুখে পড়ে তাদের গাড়ি।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি পলাশি ফুলবাগান মোড়ে পৌঁছতেই রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। স্কুলের এক শিক্ষক জানান, নির্বাচনের কারণে ওই এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাকা তল্লাশি চলছিল। তল্লাশির জন্য ডাম্পারটি রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করানো হয়েছিল।হঠাৎ করে রাস্তার মাঝখানে ডাম্পার দাঁড়িয়ে থাকায় স্কুল ভ্যানের চালক সময়মতো গাড়ি থামাতে পারেননি। ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ডাম্পারের পিছনে ধাক্কা মারে ভ্যানটি। এই ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।দুর্ঘটনার পর আহত পড়ুয়াদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নাকা তল্লাশির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ছিল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূল থেকে বিজেপি! হঠাৎ শিবির বদল লিয়েন্ডার পেজের, ভোটের মুখে বড় চমক

ভোটের আগে বড় চমক দিলেন ভারতের প্রাক্তন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন। এর আগে ২০২১ সালে গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তখন তাঁকে দলের মুখ হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছিল। তবে পরে তাঁকে সক্রিয়ভাবে খুব বেশি দেখা যায়নি রাজনীতির ময়দানে।দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে লিয়েন্ডার পেজকে দলে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগেই কলকাতায় বিজেপি নেতা নিতিন নবীনের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি হল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়ায় তিনি মূলত প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন এবং তাঁকে তারকা প্রচারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। এবার বিজেপিও তাঁকে প্রার্থী করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বিজেপিতে যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার বলেন, তিনি বাংলার সন্তান এবং ছোটবেলা থেকেই এখানেই তাঁর খেলার শুরু। তিনি জানান, একসময় বাংলায় খেলাধুলার পরিকাঠামো খুব কম ছিল, যদিও এখন কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও অনেক উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। আগামী দিনে যুবসমাজকে খেলাধুলার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।বিজেপি নেতা অনীল বালুনি দাবি করেন, লিয়েন্ডার পেজ মহান কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বংশধর। ফুল ও দলীয় প্রতীক দিয়ে তাঁকে দলে স্বাগত জানানো হয়।এখন দেখার বিষয়, এই টেনিস তারকা রাজনীতির ময়দানে কতটা সফল হন এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয় কি না।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের নাম! সরাসরি কমিশনকে চিঠি মমতার, তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের মানুষের নাম ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। এই অভিযোগ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। চিঠিতে ডিয়ার সিইও সম্বোধন করে মমতা লিখেছেন, এই অভিযোগ সত্যি হলে তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং গণতন্ত্রবিরোধী কাজ ।চিঠিতে তিনি আরও জানান, নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় বিপুল পরিমাণে ফর্ম ছয় জমা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিক নয় এবং এর মাধ্যমে এমন মানুষদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে, যাঁরা এই রাজ্যের বাসিন্দা নন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি ।এর আগেই একই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিপুল পরিমাণ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ে কমিশনের দফতরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজার হাজার ফর্ম জমা পড়েছে, যেগুলির সঙ্গে ভিনরাজ্যের ভোটারদের নাম জড়িত থাকতে পারে। সেই সময় তিনি কমিশনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও জানান ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে আরও অভিযোগ করেছেন, এই ধরনের কার্যকলাপের ফলে বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই চিঠি তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী হিসেবে পাঠিয়েছেন। ফলে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নজরদারির অভিযোগে বিস্ফোরণ! কমিশনের দরজায় শুভেন্দু

ভোটের মুখে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, তাঁর এবং দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফোনের অবস্থান গোপনে নজরদারি করা হচ্ছে। এই গুরুতর অভিযোগ জানাতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, রাজ্যের একাধিক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক এই নজরদারির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর অভিযোগ, বিশেষ টাস্ক ফোর্স, গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা দফতরের কিছু আধিকারিক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে নীচুতলার নেতাদের ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করছেন। এই বিষয়ে তাঁদের কাছে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ সব ক্ষেত্রে কার্যকর করা হচ্ছে না। ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে শাসকদলের নেতাদের সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারদের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।এই দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা দেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক বক্তব্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এক ক্ষেত্রে নাকি তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতিবাদে নামার কথা বলেছেন বলে অভিযোগ। অন্য একটি বক্তব্যে বিজেপি কর্মীদের নিজেদের অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্যে বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় ময়নাগুড়ির একটি জনসভা থেকে। সেই বক্তব্য ঘিরেই বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লিতে কমিশনের সদর দফতরেও নালিশ জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, অতীতে অন্য নেতাদের ক্ষেত্রে যেমন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, একই নিয়ম এখানে প্রয়োগ করা হোক।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করা মামলা খারিজ

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলাগুলিতে উপযুক্ত যুক্তি দেখানো যায়নি।রাজ্যে আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের ব্যাপক বদলির বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক আইনজীবী। গত পনেরো মার্চ থেকে উনিশ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ছেচল্লিশ জন আধিকারিককে বদলি করেছিল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে মামলা করা হয় এবং বদলি হওয়া আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিও তোলা হয়েছিল। এই মামলায় রাজ্য সরকারও সমর্থন জানিয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।একই সঙ্গে বিডিও, আইসি এবং ওসি পদে বদলি নিয়েও আর একটি মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলাটিও খারিজ করে দেন বিচারপতিরা। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ পাওয়া যায়নি।রায়ে আদালত জানায়, মামলাকারী ব্যক্তিগতভাবে কোনও ক্ষতির মুখে পড়েননি, ফলে এই আবেদনকে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলির সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত বা অযৌক্তিক বলেও মনে করেনি আদালত। দেশে অন্যান্য জায়গাতেও একই ধরনের বদলি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।আদালত আরও জানায়, যদি কোনও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি বা ক্ষমতার বাইরে গিয়ে নেওয়া হয়, তবেই আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই মামলাটি খারিজ করা হয়েছে।পাশাপাশি আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কোনও আধিকারিক যদি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে তিনি আলাদাভাবে নিজের বদলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।এই রায়ের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক বদলি নিয়ে তৈরি হওয়া জট অনেকটাই কাটল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে বড় ধাক্কা, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলি নিয়ে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপে অস্বীকৃতি আদালতের।

মার্চ ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal