• ১৭ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED Attacked

রাজ্য

পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়

গত বুধবার থেকে প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে সন্দেশখালি। উত্তর ২৪ পরগনার এপ্রান্তে আইন হাতে নিয়েই প্রতিবাদে নেমে বেপরোয়াভাবে চলে ভাঙচুর-আগুন। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরা-সহ এলাকায় তাদের অনুগামীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এই দ্বীপাঞ্চলের আদিবাসী সমাজ থেকে শুরু করে স্থানীয় অন্য বাসিন্দারা। মহিলারা হাতে লাঠি, ঝাঁটা, কাঠারি, বাঁশ নিয়ে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে।ইতিমধ্যেই শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরার বাড়ি-পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর-আগুন ধরানো হয়েছে। শাহজাহান-সহ উত্তম-শিবুর গ্রেফতারিতে সুর চড়াচ্ছে সন্দেশখালি। পরিস্থিতি সামলাতে শুক্রবার রাত থেকে সন্দেশখালির একটি বড় অংশ জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকে এলাকায় মাইক প্রচার। প্রত্যেককে বাড়িতে থাকার পরামর্শ পুলিশের। সন্দেশখালির অলি-গলিতে টহল চলছে পুলিশ, র্যাফের-এর।প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল গত বুধবার থেকে। ওই দিন শেখ শাহজাহন ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উত্তম সরদারের বাড়িতে চড়াও হয় উন্মত্ত জনতা। তার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। উত্তমকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শাহজাহানের মদতেই উত্তম সরদার এলাকায় জোর করে জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অবৈধ কাজ চালাত বলে অভিযোগ। এছাড়াও শাহজাহানের আর এক শাগরেদ শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবু হাজরার পোলট্রি ফার্ম অফিসেও আগুন ধরায় জনতা। বুধবারের পর শুক্রবারেও শিবুর আরও একটি পোলট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে বাড়িতেও ভাঙচুর চালায় গ্রামবাসীরা।শাহজাহানরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ এমনভাবেই চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল গ্রামবাসীরা। যাঁদের একটি বড় অংশই মহিলা। এদিকে, সন্দেশখালিতে আইনের শাসন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে নড়েচড়ে বসে নবান্ন। শুক্রবার রাত ৯.৩০ থেকে সন্দেশখালি ২ নং ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্দেশখালির প্রতিটি দ্বীপে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।শনিবার সকাল থেকে ধামাখালি থেকে সন্দেশখালি ঢোকার রাস্তায় নাকা চেকিং পুলিশের। সবাইকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ পুলিশ কর্তাদের। দোষীরা শাস্তি পাবেই, বারবার আশ্বাস সরকারের। শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ধামাখালি থেকে একের পর এক বোট আসছে। সেই বোটগুলিতে পুলিশের আরও বাহিনী পাঠানো হচ্ছে সন্দেশখালিতে। এলাকায় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। প্রশাসনের আবেদন অমান্য করলে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার বার্তা দিয়ে মাইকে-টেটোয় প্রচার পুলিশের।পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পোল্ট্রি ফার্মে আগুন, বাড়ি ভাঙচুর, ধুন্ধুমার সন্দেশখালি

শুক্রবারও তুমুল উত্তেজনা সন্দেশখালিতে। ফের শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পোল্ট্রি ফার্ম-বাড়িতে আগুন-ভাঙচুর কয়েকশো ক্ষুব্ধ জনতার। শাহজাহান ও তার অনুগামী উত্তম সরদার, শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে বৃহস্পতিবারে পর শুক্রবারেও লাঠি, ঝাঁটা, বাঁশ, কাঠারি হাতে পথে নেমে বিক্ষোভে সোচ্চার হাজার-হাজার মহিলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন সন্দেশখালিতে।উত্তেজনা যেন কিছুতেই থামছেই না সন্দেশখালিতে। শুক্রবার সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার আরও একটি পোল্ট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেয় কয়েকশো জনতা। এর কিছুক্ষণের মধ্যে মহিলাদের আরও একটি দল চড়াও হয় শিবু হাজরার বাড়িতে। সেখানেও বেপরোয়াভাবে ভাঙচুর চালানো হয়।ক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ, গায়ের জোরে দখল করা জমিতেই পোল্ট্রি ফার্ম বানিয়েছেন তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা। শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই তৃণমূল নেতা এলাকায় ভয় দেখিয়ে-আতঙ্ক তৈরি করে স্থানীয়দের কাজে লাগাত পোল্ট্রি ফার্মে। ন্যায্য পারিশ্রমিক না দিয়ে দিনের পর দিন এলাকার অনেককে ফার্মে কার্যত ভয় দেখিয়ে কাজ করানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।শিবু ও তার দলবদল শেখ শাহজাহানের মদতেই এলাকায় দিনের পর দিন ধরে জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অপরাধমূলক কাজকর্ম চালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একটি বড় অংশের। এর আগে গত বুধবারেও শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবু হাজরার আরও একটি পোল্ট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেয় গ্রামবাসীরা। এবার ফের একবার বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠল সন্দেশখালিতে।লাঠি, বাঁশ হাতে এদিন শাহাজাহান, উত্তম সরদার, শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান হাজার-হাজার মহিলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সন্দেশখালিতে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ-র্যাফ-এর কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তেজিত গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টায় পুলিশকর্তারা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহানকে এবার ইডির তলব, তল্লাশিতে কি কি মিলল?

গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়েছিল ইডি গোয়েন্দারা। যা ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ওই অঞ্চল। স্থানীয়রা বেদম মারধর করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। অভিযান গুটিয়ে সন্দেশখালি ছাড়তে বাধ্য হন গোয়ন্দা দল। সেই থেকে নিখোঁজ সন্দেশখালির বাহুবলী শেখ শাহজাহান। মাঝে একবার অনুগামীদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দিলেও তাঁর হদিশ মেলেনি। প্রশ্নের মুখে পড়ে পুলিশের ভূমিকা। এই ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় ফের সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় শাহজাহানের বাড়িতে বুধবার তল্লাশি চালায় ইডির গোয়েন্দারা। প্রায় সাড়ে ছয় ঘন্টা অভিযান চলে। এদিনও বাড়িতে ছিলেন না ওই তৃণমূল নেতা। তবে, শাহজাহানকে হাতে পেতে মরিয়া ইডি। ফলে অভিযুক্তের নাগাল পেতে অভিযান শেষে এদিন শাহজাহানের বাড়িতে সময় সেঁটে দিয়েছে ইডি।ওই সমনে উল্লেখ, রেশন মামলায় শেখ শাহজাহানের হাজিরা জরুরি। ২০০২ সালের আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইনের ধারা অনুযায়ী, ২৯ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে শাহজাহানকে কলকাতায় ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। সঙ্গে নিয়ে যাতে হবে আধার কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড এবং নিজের পাসপোর্ট আকারের ছবি।গত ৫ জানুয়ারি ইডির অভিযানের পর থেকেই ফেরার শেখ শাহজাহান। ইডি গোয়েন্দাদের অনুমান এই তৃণমূল নেতা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। শাহজাহানকে খুঁজতে বুধবার তালা ভেঙে তাঁর বাড়িতে ঢোকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দুর্নীতির তদন্তে নথির হদিশ পেতে ভাঙা হয় শাহজাহানের ঘরের আলমারি। চলে চিরুনিতল্লাশি। তারপর বেলা পৌনে হটো নাগাদ ইডি গোয়েন্দারা ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। বেরনোর সময় শেখ শাহজাহানের বাড়ির দরজায় সেঁটে দেওয়া হয়েছে ইডির সময়।এদিনের অভিযানের আগে ও পরে ইডি গোয়েন্দাদের নিরাপত্তায় ছিল পুলিশ। তল্লাশির সময় ছিলেন দুই নিরপেক্ষ সাক্ষী। জানা গিয়েছে, শাহজাহানের বাড়িতে এ দিনের তল্লাশিতে রেশন দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও নথি উদ্ধার করতে পারেননি ইডি গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, এই তৃণমূল নেতার ঘর থেকে ১০টি অনথিভুক্ত জমি সংক্রান্ত দলিল, সোনার গয়েনা কেনান রশিদ, পঞ্চায়েত ভোটে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল প্রার্থীদের তালিকা ও ব্যবসার অংশীদারি দলিল উদ্ধার করা হয়েছে।গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলায় শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারীরা। প্রবল বাধার মুখে পড়েছিলেন তাঁরা। শাহজাহান অনুগামীদের আক্রমণে মাথা ফেটে যায় ইডির এক আধিকারিকের। আক্রমণ করা হয় সংবাদ মাধ্যমেের ওপর। সেদিন থেকে বেপাত্তা হয়ে যায় শাহজাহান শেখ। সেই সময় ইডির বিরুদ্ধে চুরি, শ্লীলতাহানি সহ একাধিক অভিযোগ করে এফআইআরও করা হয়েছিল।বুধবার ভোর পাঁচটা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে মোট ২২টা গাড়ির কনভয় রওনা দেয় নিউ টাউন সিআরপিএফ ক্যাম্প থেকে। এদিন মোট ১২৫ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী শাহজাহানের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এই তৃণমূল নেতার সব বাড়িতেই তালা দেওয়া ছিল। পুলিশও ভিডিওগ্রাফি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ইডি তখন জানিয়ে দেয় ঘরের ভিতরে তল্লাশির ভিডিও করা যাবে না। বাইরে থেকে ভিডিও করা যাবে। তদন্তকারীরাও এদিন ভিডিও ফোটোগ্রাফার নিয়ে গিয়েছে। তালা খোলার জন্য দুজন লোককে সঙ্গে নিয়ে যায় ইডি।শাহজাহানের বাড়ি ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। জওয়ানদের সঙ্গে রয়েছে কাঁদানে গ্যাস। ন্যাজাট থানা থেকে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। শাহজাহানের বাড়ির মূল দরজার সামনে পাহারায় রয়েছে রাজ্য পুলিশও। তাদের কাছেও রয়েছে কাঁদানে গ্যাস। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের মাথায় হেলমেট, হাতে গার্ড পরে সব রকম ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। জেলা পুলিশকে এ দিন আগাম খবর দিয়ে রাখা হয়েছিল ইডির তরফ থেকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

এবার সন্দেশখালির ঘটনার যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

সন্দেশখালির বেপাত্তা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শাহজাহান শেখের সন্ধানে এবার রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। বুধবার এই নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। নির্দেশ অনুযায়ী, এই বিশেষ তদন্তকারী দল প্রয়োজনে আধা সেনা ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা নিতে পারবে। তদন্তকারী দলের মাথায় যৌথভাবে থাকবেন সিবিআইয়ের ও রাজ্যের এস পি পদমর্যাদার একজন করে অধিকারিক। এই তদন্তের উপর নজরদারি রাখবে আদালত।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা কেন্দ্র কোথাও সন্দেশখালি তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্টও হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া জমা দেওয়া যাবে না।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তৃণণূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিলেন ইডি গোয়েন্দারা। যা জানতে পেরেই ধুন্ধুমার বেঁধে যায় সেখানে। স্থানীয়রা মারধর চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের লক্ষ্য করে। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়িও। এরপর মোট তিনটি এফআইআর হয় ন্যাজাট থানায়। তার মধ্যে একটি এফআইআর করে ইডি। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। তৃতীয় এফআইআরটি করেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির কেয়ারটেকর। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক প্রথম দুটি এফআইআরের তদন্ত করবে সিট।রাজ্য জানিয়েছে তাদের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকবেন আইপিএস জসপ্রীত সিং। যদিও সিবিআইয়ের তরফে এখনও কোনও আধিকারিকের নাম ঘোষণা করা হয়নি। বৃহস্পতিবারের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিনই বিশেষ তদন্তকারী দল-কে তদন্তের অগ্রগতির সংক্রান্ত রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে।মঙ্গলবার সন্দেশখালি মামলায় তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির চারদিকে নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার রাজ্য হাইকোর্টে জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ১০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শাহজাহান মার্কেটেও ইন্সস্টল করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এরপরই এজলাসে রাজ্য ও সিবিআই-ইডি বাকযুদ্ধ হয়। সিবিআই বলে ওসামা বিন লাদেনের মতো ভয়েস মেসেজ করছেন শাহজাহান অথচ পুলিশ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না। ইডি তাতে সহমত পোষণ করে। এরপরই সন্দেশকালি মামলার তদন্তে পুলিশ-সিবিআই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি জয় সেগুপ্ত।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

গোপন ডেরা থেকে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব আওড়ালেন শাহাজাহান, নেত্রীর প্রতি আনুগত্য

শুক্রবারের তাণ্ডবের পর এখনও ধরা পড়েনি সন্দেশখালির বাহুবলী তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ। তাঁকে জালে তুলতে মরিয়া ইডি। জারি করা হয়েছে লুক আউট নোটিস। শাহজাহান বাংলাদেশে পালিয়ে গেল কিনা তার খোঁজ চলছে। প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। কাঠগড়ায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা। এসবের মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে থাকা শাহজাহান শেখের অডিও বার্তা প্রাকাশ্যে এসেছে (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা সেই অডিও যাচাই করেনি)। গোপন ডেরা থেকে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা, কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধক্ষ শাহজাহান শেখশনিবার বিকেল গড়াতেই প্রচারিত হতে থাকে সন্দেশখালির ১নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতির শাহজাহান শেখের অডিও বার্তা। যেখানে নিজেকে তিনি নির্দোষ বলে দাবি করে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব খাড়া করেছেন তিনি। ঘোষণা করেছেন, অপরাধ প্রমাণ করতে পারলে নিজের হাতে মুন্ডু কাটব। পাশাপাশি তিনি এখন কোথায় রয়েছেন, কেমন আছেন তা না ভেবে শান্তিপূর্ণভাবে জীবনধারণের জন্য সন্দেশখালিবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।অডিও বার্তায় যে ব্যক্তির কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে, তিনি নিজেকে শাহজাহান শেখ বলে পরিচয় দিচ্ছেন। ওই অডিও-তে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, আমার অঞ্চলের সভাপতি যাঁরা আছেন, যাঁরা যুব সভাপতি, তৃণমূল কংগ্রেসের সৈনিক যাঁরা আছেন, সবার কাছে আমার অনুরোধ ওরা আমায় দমাতে পারলে মনে করছে সন্দেশখালির তৃণমূল দুমড়ে যাবে। ইডি, সিবিআই-কে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি কোনও অন্যায় বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। সবটাই ষড়যন্ত্র। শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ বুঝতে পারছে, পুরোটাই চক্রান্ত। কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে অপরাধের সঙ্গে আমি যুক্ত নিজের মুণ্ডু কেটে ফেলব। আপনারা আমার উপর আস্থা রাখুন। ভয় পাবেন না। মৃত্যু একদিন হবেই। তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। যতদিন বেঁচে থাকব অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না। আমায় মতো হাজারো হাজারো শেখ শাহজাহান আছে। ষড়যন্ত্রকারীরা একদিন শেষে নিপাত যাবেই। এরপরই দলনেত্রীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে শোনা গিয়েছে ওই অডিও বার্তায় নিজেকে শাহজাহান বলে দাবি করা ব্যক্তিকে। বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকুন। উনি সর্বস্তরের, সর্বধর্মের মানুষের জন্য উন্নয়নের কাজ করছেন। আমি কোথায় যাচ্ছি, কী করছি এসব নিয়ে ভাববেন না। শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুন। আমি জানি সন্দেশখালিবাসী আমার সঙ্গেই রয়েছেন। এটাই আমার বড় শক্তি। তৃণমূল কর্মীদের কাছে আমার আহ্বান আপনারা দলের সঙ্গে থাকুন।শুক্রবার সন্দেশখালিতে শাহজাহান শেখের সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার মুখে পড়েন ইডি আধিকারিকরা। ওই তাণ্ডবকে প্ররোচনা বলে দাবি করে ইডির ঘাড়েই দোষ চাপিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। গোটাটার নেপথ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। শাহজাহানের গোপন ডেরা থেকে অডিও বার্তাতেও একেবারে সেই সুরই শোনা গেল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে ইডিকে আক্রমণের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজে ৩ জনকে সনাক্ত শুভেন্দুর

শুক্রবার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় ইডি আধিকারিকদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে ৩ জনকে সনাক্ত করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিকেলে এক পোস্টে নামসহ তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, মমতার মদতেই রোহিঙ্গাদের কসাই হিসাবে ব্যবহার করে সন্দেশখালিতে নিজের সন্ত্রাসের সাম্রাজ্য কায়েম করেছেন শাহজাহান।বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, সন্দেশখালিতে যে চরমপন্থীরা ইডি আধিকারিক, সিআরপিএফ জওয়ান ও সাংবাদিকদের ওপরে হামলার পরিকল্পনা ও প্রয়োগ করেছেন শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগির, আরেক ভাই শেখ সিরাজউদ্দিন ও কুখ্যাত অস্ত্র পাচারকারী তথা সরবেড়িয়া আগরহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জিয়াউদ্দিন। এর পর তিনি লিখেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাস ও প্ররোচনায় শেখ শাহজাহানের মতো দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাসের সাম্রাজ্য কায়েম করতে রোহিঙ্গাদের কসাই হিসাবে ব্যবহার করছে। এনআইএ-র উচিত এই দেশবিরোধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা।The Extremists who orchestrated executed the cowardly attack on the ED Officials, CRPF Jawans and Journalists today at Sandeshkhali; North 24 Parganas district are:-# Sheikh Alamgir; youngest brother of Sheikh Shahjahan.# Jiauddin; renowned arms smuggler, murderer and pic.twitter.com/3GTGjXmbKF Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) January 5, 2024শুক্রবার সকালে সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে যান ইডির আধিকারিকরা। অনেক ডাকাডাকিতেও কেউ সাড়া না দেওয়ায় বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টা শুরু করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তখনই বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েকশ নারী পুরুষ দুষ্কৃতী কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় একাধিক ইডি আধিকারিকের মাথা ফাটে। এর পর গাড়িতে করে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন ইডি আধিকারিকরা। অভিযোগ গাড়ি থামিয়ে ফের মারধর করা হয় তাঁদের। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। প্রাণ বাঁচাতে অটো রিকশয় করে এলাকা ছাড়েন তাঁরা। এর পর এলাকার বিভিন্ন রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ শুরু হয়।এই ঘটনার পর রাজ্যপালকে পদক্ষেপ করাতে আহ্বান জানিয়ে টুইট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকরী। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে বলে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেওয়া উচিত রাজ্যপালের। এরপরই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, সরকারের উচিত গণতন্ত্রে এই ধরনের বর্বরতাকে রোখা। পেশীশক্তি ও কাগুজে বাঘদের নামিয়ে বাংলার মানুষকে ভয় দেখানো যাবে না। জঙ্গলরাজ ও গুন্ডাগিরি চলতে পারে কেবলমাত্র মুর্খের স্বর্গেই। বাংলায় দুর্বল গণতন্ত্র নেই। রাজ্য সরকারের নিজের কর্তব্য পালন করা উচিত। রাজ্যপাল হিসেবে, সংবিধান অনুযায়ী সব বিকল্প খতিয়ে দেখে যথা সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ করব। এই ধরনের ভোট পূর্ববর্তী হিংসার শুরুতেই অবসান হওয়া দরকার। হিংসা থামানোর দায় শুধুমাত্র সরকারের। সরকারের উচিত বাস্তব বুঝে পদক্ষেপ করা উচিত। নইলে তার ফল ভোগ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে পারে না পুলিশ। হিংসায় দোষীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। সেই সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকদেরও বোঝাতে হবে, কিছু লোককে সামান্য সময়ের জন্য বোকা বানাতে পারেন না। বাংলায় অবিলম্বে হিংসা ও দুষ্কৃতীরাজ থামাতে হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে তদন্তে গিয়ে রক্তাক্ত ইডি আধিকারিক, চরম রাজনৈতিক চাপান-উতোর

রণক্ষেত্র, ধুন্ধুমার সন্দেশখালি। রেশন দুর্নীতির তদন্তে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে রক্তাক্ত হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। হামলা চালানো হয় সংবাদকর্মী ও সংবাদমাধ্যমের গাড়ির উপরেও। বেনজির এই ঘটনায় উত্তাল রাজ্যরাজনীতি। তৃণমূলের তরফে অবশ্য এই ঘটনায় দায় চাপানো হয়েছে ইডি-র উপরই। নিশানা করা হয়েছে বিজেপিকেও।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ শুক্রবার বলেছেন, সন্দেশখালিতে যা ঘটেছে তা উদ্বেগজনক। এমনটা না হলেই ভাল হত। কিন্তু বুঝতে হবে যে কেন এমন হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি বেছে বেছে রোজ তৃণমূল নেতাদের বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে। সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমের একাংশকে। তার পর সেখানে গিয়ে প্ররোচনা দিচ্ছে।বিজেপির উদ্দেশেও তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল। শুভেন্দু অধিকারীকে রেজিস্টার্ড চোর বলে কটাক্ষ করেছেন কুণাল। বলেছেন, বিজেপি নেতাদের বাড়ি তল্লাশি হয় না। কিন্তু যেখানেই বিজেপি সংগঠনে পাল্লা দিতে পারছে না, সেই জায়গায় গিয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষকে প্ররোচিত করা হচ্ছে, গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। তবে ইডি ও বিজেপির প্ররোচনায় সাধারণ মানুষকেও প্ররোচনায় পা না দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তৃণণূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক।পাল্টা সন্দেশখালির ঘটনার কড়া নিন্দা করে এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গোটা বিষয়টিকে টেলিফোনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন, বর্বরোচিত। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা তলানিতে ঠেকেছে। তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে হামলা মুখে পড়তে হল ইডি এবং সিআরপিএফ আধিকারিকদের। এর পরই তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সেই এক্স বার্তা ট্যাগ করে সন্দেশখালির এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন। সেই এক্স বার্তায় তিনি জুড়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল, ইডির অধিকর্তা এবং সিআরপিএফকেও।প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ বলেছেন, এরা চুরি, লুঠ করবে, আর যখন তল্লাশি হবে তখন হানাহানি চালাবে। এরা তৃণমূলের সুভবিধাভোগী। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে তৃণমূল বাংলায় অপরাধের জগৎ তৈরি করেছেন। ইডি-র তরফে জানানো হয়েছে যে, সন্দেশখালির ঘটনা দিল্লির কর্তাদের জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৪

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সুখবর! বকেয়া ডিএ পেতে চলেছেন আরও হাজার হাজার কর্মী

সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আগেই মিটিয়েছে রাজ্য। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও অবসর ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে খবর।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে অর্থ দফতরের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে, নির্বাচনের আগে দ্রুত বকেয়া অর্থ মেটানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মীসংখ্যা এবং বকেয়া ভাতার বিস্তারিত তথ্য দ্রুত জমা দিতে।বিশেষ করে দুই হাজার আট সালের এপ্রিল থেকে দুই হাজার উনিশ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ভাতার হিসাব সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। শিক্ষা, পুর ও নগর উন্নয়ন, পরিবহন, পঞ্চায়েত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন। তাঁদের থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।এর আগে মার্চ মাসে রাজ্য সরকার কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বকেয়া ভাতা মেটানোর কাজ শুরু করেছিল। সেই সময় সরকারি কর্মীদের একটি অংশ বকেয়া অর্থ পেলেও, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী এই সুবিধা পাননি।এবার সেই বাকি থাকা কর্মী এবং পেনশনভোগীদেরও বকেয়া ভাতা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ফলে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অনেকেই তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনে সংঘর্ষ! রোড শোতেই চরম অশান্তি

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে রোড শো চলাকালীন দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।ঘটনাটি ঘটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির সামনে। সেখানে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে এগিয়ে আসতে হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।এ দিন রোড শো চলাকালীন তৃণমূল সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরাও। দুই পক্ষের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অমিত শাহের কনভয় ওই এলাকায় পৌঁছয়। তখন জুতো ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মধ্যে কনভয় এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহকে কনভয় থেকে নেমে যেতে হয়। পরে তিনি একটি ছোট গাড়িতে উঠে ওই এলাকা পার হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এই ধরনের ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াই! “মমতাকে হারাতেই হবে”—মঞ্চ কাঁপালেন অমিত শাহ

ভবানীপুর কেন্দ্রে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সমর্থন জানাতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাজরার সভা মঞ্চ থেকে তিনি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন এবং পরিবর্তনের ডাক দেন।অমিত শাহ বলেন, দুই হাজার চৌদ্দ সালের পর যে সব রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। এবার বাংলাতেও সেই পরিবর্তন দরকার। তিনি ভবানীপুরের ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে। তাঁর কথায়, বাংলাকে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে পরিবর্তন জরুরি।তিনি আরও বলেন, রাজ্যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় বিজেপি সরকার গঠন।অমিত শাহ দাবি করেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে চায়। তাঁর মতে, কোনও গুণ্ডা ভোটারদের আটকাতে পারবে না এবং সবাইকে সাহসের সঙ্গে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু পরাজিত করাই নয়, তৃণমূলকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দিতে হবে।শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তিনি বলেন, তিনি আগে অন্য জায়গা থেকে লড়তে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁকে বলা হয় ভবানীপুর থেকেই লড়াই করতে। তাঁর দাবি, এই কেন্দ্রে জয় পেলেই গোটা বাংলায় পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে যাবে।অমিত শাহ আরও বলেন, বাংলার মানুষ এখন নতুন সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিজেপি সরকার প্রয়োজন। তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য কিছুদিন তিনি বাংলাতেই থাকবেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।এ দিনের সভা থেকে ভবানীপুর-সহ একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন জানান তিনি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং ভবানীপুরে লড়াই যে জমে উঠেছে, তা স্পষ্ট।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

“কালিয়াচকের ঘটনা বিজেপির গেম প্ল্যান!” জনসভা থেকে কড়া আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদিঘির জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং এর পিছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে যা মন্তব্য করেছে তা সঠিক। একই সঙ্গে তিনি মানুষের কাছে আবেদন জানান, কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে এবং মালদহের ঘটনার বিষয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছে।তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যাতে নির্বাচন বাতিল করে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষকে শান্ত থাকতে হবে এবং কোনও উসকানিতে পা দেওয়া চলবে না। তিনি সকলকে বাংলার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেওয়া যাবে নাএই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কার্গিল যোদ্ধার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ! তীব্র চাঞ্চল্য

দেশের জন্য প্রায় তিরিশ বছর কাজ করেছেন, অংশ নিয়েছেন কার্গিল যুদ্ধেও। সেই প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নামই এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি ওই এলাকার দুইশো নয় নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিও তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু নতুন পরিপূরক তালিকা প্রকাশের পর তিনি দেখেন, তাঁর এবং পরিবারের আরও এক সদস্যের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তিনি এবং তাঁর পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজাদ আলি সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। কার্গিল যুদ্ধের পাশাপাশি অপারেশন বিজয় এবং অপারেশন পরাক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন। উনিশশো পঁচানব্বই সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে সুবেদার পদ থেকে অবসর নেন।আজাদ আলির বক্তব্য, দেশের সুরক্ষার জন্য তিনি সবসময় প্রস্তুত ছিলেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। অথচ এখন নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার পরও তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মতো যাঁদের কাছে এত নথি নেই, তাঁদের কী হবে।স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের কাছেও দুঃখজনক, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক পক্ষের দাবি, প্রক্রিয়া সঠিকভাবেই চলছে এবং যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করলে সমাধান সম্ভব।এই ঘটনাকে ঘিরে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

পাথরবৃষ্টি, ভাঙা কাচ, আতঙ্কে বিচারকরা! ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট

মালদহের কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রাখা হয় এবং গভীর রাতে উদ্ধার করা হলেও ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাচ ভেঙে সিটের উপর পড়ে বলে জানা গেছে।এই ঘটনার পর বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, তিনি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিতে চান না, কিন্তু পুরো ঘটনাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, বিকেল থেকেই বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছিল, অথচ রাত পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারি থাকা প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, কেউ দায় এড়াতে পারে না এবং বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বিচারকদের দেওয়া নির্দেশ মানেই আদালতের নির্দেশ, সেটি রক্ষা করা জরুরি।আদালতে শুনানির সময় একাধিক আইনজীবী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগে বিচারকদের ভয় দেখানো হত, এখন তাঁদের উপর সরাসরি হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর উদ্ধার সম্ভব হয়। কিন্তু তারপরও তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়।আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে বিচারকরা কাজ করছেন সেখানে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাঁদের থাকার জায়গাতেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বিচারকদের কোনও ধরনের হুমকি থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।আদালত এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে জানায়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং তাঁদের কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে জানানো হয়েছে।শীর্ষ আদালত আরও জানায়, রাজ্য প্রশাসন তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি এবং কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেওয়া হতে পারে।এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের কড়া অবস্থানের পর এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

কালিয়াচক কাণ্ডে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত! জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নোটিস

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের ঘিরে ধরে রাখার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিল দেশের শীর্ষ আদালত। এই ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছেও বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকে তিনজন মহিলা সহ মোট সাতজন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘিরে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতির বেঞ্চে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আদালত এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে, যেখানে পুরো ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু সেই সময় জেলাশাসক বা পুলিশ সুপার কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিক ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়। এরপর রাত বারোটার পর বিচারকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের গাড়িতে হামলা করা হয় এবং পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।আদালত এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এমন ঘটনা বিচারকদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারে। আদালতের মতে, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই উদাহরণ।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।আদালত আরও জানায়, আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিতে হবে।এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে এবং গোটা বিষয়টি এখন আদালতের কড়া নজরে রয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal