• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dog

দেশ

পথকুকুরদের সরাতেই হবে — শীর্ষ আদালতের ঐতিহাসিক নির্দেশে তোলপাড় দেশ

দেশজুড়ে পথকুকুরদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার এক ঐতিহাসিক নির্দেশে শীর্ষ আদালত জানাল, দেশের সমস্ত হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও খেলাধুলোর মাঠ এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে সব পথকুকুরকে সরিয়ে ফেলতে হবে। তাদের নিরাপদে নিয়ে যেতে হবে ডগ শেল্টারে, এবং কোনওভাবেই আবার আগের জায়গায় ছেড়ে দেওয়া যাবে না।বিচারপতি বিক্রম নাথ, সন্দীপ মেহতা ও এন.ভি. আঞ্জারিয়া-র বেঞ্চে পথকুকুরদের কামড় নিয়ে চলা স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানিতে এই নির্দেশ দেন আদালত। বলা হয়, আগামী আট সপ্তাহের মধ্যেই এই কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে।সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ সরকারি হাসপাতাল, বাসস্ট্যান্ড, স্কুল, কলেজ, রেলস্টেশন বা জনবহুল স্থানে একটিও পথকুকুর রাখা যাবে না। যেসব কুকুরকে ধরা হবে, তাদের শেল্টারে পাঠানোর পর যেন আর কখনও ওই এলাকায় না ফেরা যায়, সে দিকেও নজর রাখতে হবে প্রশাসনকে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়া অ্যামিকাস কিউরি-র মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে পরবর্তী শুনানিতে, যা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১৩ জানুয়ারি।শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ আসতেই নতুন করে আলোচনায় আগুন। কারণ কয়েক মাস আগেই এমনই এক নির্দেশ দিল্লি ও এনসিআর অঞ্চলে জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ হয়েছিল। পরে সেই রায় সংশোধন করে বলা হয়, কেবল টিকাকরণ ও নির্বীজকরণের পরই পথকুকুরদের ছেড়ে দেওয়া যাবে। তবে এবার আদালত বলেছে, হাসপাতাল বা রেলস্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কোনও অবস্থাতেই তাদের রাখা যাবে না। আদালতের ভাষায়, জননিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাই অগ্রাধিকার। তাই জনবহুল এলাকাগুলিতে পথকুকুর রাখা যাবে না।এর পাশাপাশি, আদালত গরুদের ক্ষেত্রেও নির্দেশ দিয়েছে দেশের সমস্ত জাতীয় ও রাজ্য সড়ক থেকে গরুদের সরিয়ে নির্দিষ্ট গোরক্ষাকেন্দ্রে রাখতে হবে। রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে, হাইওয়ে হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে হবে এবং হাইওয়ে পেট্রোলিং টিম তৈরি করতে হবে, যাতে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো প্রাণীদের দ্রুত উদ্ধার করা যায়।পর্যবেক্ষক মহলের মতে, এই নির্দেশ একদিকে যেমন শহুরে নিরাপত্তার দিকে বড় পদক্ষেপ, অন্যদিকে প্রাণীপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়াতে পারে। অনেকেই বলছেন, পথকুকুরদের সরিয়ে ফেলা সমাধান নয়, তাদের টিকাকরণ ও দায়িত্বপূর্ণ যত্নই দরকার। তবে আদালতের মতে, জননিরাপত্তা ও মানুষের জীবনই সর্বাগ্রে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বাগডোগরায় রানওয়ে ছাড়িয়ে ঘাসজমিতে ঢুকে গেল বায়ুসেনার বিমান, জখম চালক ও ক্রু

গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বায়ুসেনার বিমান। পাক ১১টা ৫৮মিনিট নাগাদ বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে বিমানবন্দর চত্বর। ছুটোছুটি শুরু হয়ে যায় বায়ুসেনা, অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকলকর্মীদের। জানা যায়, দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বায়ুসেনার এএন-৩২ বিমান। বায়ুসেনার উদ্ধারকারী দল, দমকলকর্মীরা মিলে দূর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে চালক সহ ৬ জনকে উদ্ধার করে। আহতদের একজন চালক এবং একজন ক্রু রয়েছেন। এদের ব্যাংডুবি সামরিক বিভাগের বেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বায়ুসেনা কর্তৃপক্ষ মুখে কুলুপ এঁটেছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে ভারতীয় বায়ুসেনা তড়িঘড়ি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বায়ুসেনা এবং পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা ৫৮ মিনিটে এএন-৩২ বিমানটি বাগডোগরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে নামার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রানওয়ে ছেড়ে প্রায় ঘাসজমির মধ্যে ২২০ ফুট ঢুকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দ ও ধুলো উড়তে দেখা যায়। দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই বিমানবাহিনীর ডিভিওআর রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই বায়ুসেনার দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স, মেডিকেল টিম, উদ্ধারকারী দল, বায়ুসেনার আধিকারিকরা পৌঁছে যান। বিমানের পাইলট, কো পাইলট ও ৪ জন ক্রু সহ মোট ৬ জন ছিলেন। আহত হয়েছেন একজন পাইলট ও একজন ক্রু। তাঁরা সামরিক হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও আঘাত গুরুতর নয় বলেই জানা গিয়েছে। তবে রানওয়েতে দুর্ঘটনা ঘটলেও বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল করতে কোনও সমস্যা হয়নি। শুক্রবার সব বিমানই স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করেছে। অন্যদিকে শুক্রবার হরিয়ানার পঞ্চকুলায় ভেঙে পড়ে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি যুদ্ধবিমান। দৈনন্দিন প্রশিক্ষণের সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। যুদ্ধবিমান থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন চালক।

মার্চ ০৮, ২০২৫
রাজ্য

আটকে থাকা কুকুর বাঁচার তাগিদে ফোন করলো! এ কাহিনী শুনলে অবাক হতেই হবে

গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস যথারীতি নিয়ম মাফিক বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে যার মতো বাড়ি চলে গিয়েছেন। কিন্তু কারও জানা নেই তালাবন্ধ অফিসে আটকে পড়ে একজনের দফারফা অবস্থা। অগত্যা উপায় কি। তার দলবলেরও কেউ সঙ্গে নেই। একা ভয়ে-আতঙ্কে কাঁদতে কাঁদতে ফোন করে বসলেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে। অপর প্রান্তের গলা শুনে আঁতকে উঠে পঞ্চায়েত অফিসে ছুটলেন উপপ্রধান। অফিসে গিয়ে আটক এক সারমেয়কে মুক্তি দিলেন উপাপ্রধান। পঞ্চায়েত অফিসে তালাবন্দি হয়ে পড়েছিল নেহাতই একটি কুকুর।চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সন্ধ্যায় হুগলির গুপ্তিপাড়ায়। পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের মোবাইলেই শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটায় একটি কল যায়। সেই কল পেয়েই তিনি বুঝতে পারেন ফোনের অপর প্রান্তে কোনও মানুষ নয় রয়েছে একটি কুকুর। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উপপ্রধান কুকুরের ফোন পেয়ে রাতেই ছুটে যান পঞ্চায়েত অফিসে।পঞ্চায়েত অফিসে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিল কুকুরটি। ঘুম ভাঙার পর দেখে পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ। ১১টি কুকুরের দল পঞ্চায়েত অফিস চত্বরে থাকে। ভিতরেই তালাবন্দি হয়ে পড়ে একটি কুকুর।এই ব্যাপারে উপপ্রধান বিশ্বজিত নাগ বলেন, প্রতিদিনের মতো শনিবারেও পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ হওয়ার পর আমি বাড়ি ফিরে আসি। আমার ঘরের ল্যান্ড লাইনটা হটলাইন করা আছে। মানে কেউ রিসিভার তুলে ডায়াল না করলেও অটোমেটিকালি আমার সেলফোনে কল ডাইভার্ট হয়ে যাবে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার সময় হঠাৎ আমার সেলফোনে একটি কল আসে। আমি দেখি সেটা পঞ্চায়েত অফিসের নম্বর। আমি তো চমকে যাই। বার দুয়েক হ্যালো বলি, কিন্তু অপর প্রান্তে কোনও সাড়া নেই। হঠাৎ কয়েক মুহূর্ত বাদে আমি কুকুরের কান্নার আওয়াজ পাই। আমি বুঝতে পারি কিছু একটা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এরপর চাবি নিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে যাই। চাবি খোলার পর সার্টার তুলতেই বেরিয়ে আসে কুকুরটি। উল্লেখ্য, ওই পঞ্চায়েত অফিসে প্রচুর পথকুকুর খায়, বিশ্রাম করে। বিশ্বজিতও তাদের খাওয়ান প্রত্যেকদিন।সব থেকে বড় প্রশ্ন ফোন গেল কি করে? আটকে গিয়ে সারা ঘরে দৌড়ঝাঁপ করতে থাকে কুকুরটি। সেই সময় কোন কারণ ছাড়া ল্যান্ডলাইনের রিসিভারের তারে সারমেয়টির পা পড়ে যায়। তাতে রিসিভারটি হালকা স্থানচ্যুত হয়। আর তখনই সিস্টেম অনুযায়ী অপর প্রান্তে উপপ্রধান বিশ্বজিতের কাছে ফোন চলে যায়। যদিও রিসিভারটি আবার যথাস্থানেই রাখা ছিল।

জুলাই ২৩, ২০২৩
দেশ

জংলিবাবা মন্দিরের কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর যখন ৪ সেনা জওয়ান

বাগডোগরা জংলি বাবা মন্দির এর কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর যখন ৪ সেনা জওয়ান। জানা যায় রবিবার সন্ধ্যে ৫টা নাগাদ একটি চার চাকা গাড়িতে চার সেনা যাওয়া বাগডোগরা জংলি বাবা মন্দির পথ হয়ে বাগডগোরার দিকে আসছিলেন। সেই সময় বাম্পারে ধাক্কা লেগে গাড়ি রাস্তা থেকে প্রায় ১০ ফিট দূরে জঙ্গলে গিয়ে পড়ে। তাদের সকলকেই দ্রুত বেঙডুবি বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাগডোগরা বন বিভাগের কর্মীরা, বাগডোগরা ট্রাফিক গার্ডের কর্মীরা ও বাগডোগরা থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

সেলিমের পুলিশ না রেখে কুকুর পোষার মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

গতকাল, শনিবার পুলিশকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। প্রাক্তন সাংসদের মন্তব্যে তোলপাড় পুলিশ থেকে রাজনৈতিক মহল। তবে নিজের বক্তব্য থেকে একটুও সরে আসেননি সেলিম। বরং সিপিএম নেতার বক্তব্য, পুলিশের বদলে কুকুর পোষার কথা বলে অপমান করেছেন কুকুরকে। তৃণমূল কংগ্রেস কড়া সমালোচনা করেছে মহম্মদ সেলিমের। পুলিশ মহলের বক্তব্য, সমালোচনা করতেই পারেন তবে এভাবে কুকুরের সঙ্গে তুলনা না করলেই পারতেন।দক্ষিণ ২৪ পরগণার বিষ্ণুপুরে জনসভায় মহম্মদ সেলিম বলেছেন, পুলিশকে কেন মাইনে দিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশকে না রেখে কয়েকটা কুকুর পুষলে ভাল হত। পুলিশের কুকুর থাকে না ট্রেনিং দেওয়া, তাঁরা শুঁকে শুঁকে বলে দিতে পারবে কোন দিকে অপরাধী গিয়েছে। কয়েকটা এসপির বদলে বিদেশি কুকুর রেখে দিলে খুনের কীনারা হয়ে যাবে। সেলিমের এই মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি।তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, এমন মন্তব্য করে অত্যন্ত নিম্মরুচির পরিচয় দিয়েছেন সেলিম। সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্য নেতারাও এই বিষয়ে তাঁকে সমর্থন করবেন না। নেতাজিকে এরাই তোজোর কুকুর বলেছিল। সিপিএমের আমলে পুলিশ দলদাস ছিল। লালবাজারের নাকের ডগায় বড়বাজারে রশিদ খানের বাড়িতে বোমা বিষ্ফোরণে ১০০জন মারা গিয়েছিল। রশিদ গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তার পিছনে যে সিপিএম নেতারা ছিল তাঁরা দলের শাস্তির কোপে পড়লেও তাঁদের গ্রেফতার করা হয়নি। এখন পুলিশ নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করছে।এদিকে সেলিমের বক্তব্য নিয়ে প্রাক্তন পুলিশ কর্তারাও বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, পুলিশ দুর্নীতিযুক্ত নয় তা বলছি না তবে এমন তুলনা না করলেই পারতেন। কিছু সৎ পুলিশ কর্মী-আধিকারিক এখনও আছেন। সিপিএমের আমলেও পুলিশ দলদাসে পরিণত হয়েছিল। লোকাল কমিটির সম্পাদকের সম্মতি ছাড়া পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করতে পারত না। তবে এখন সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে পুলিশ। সব রাজনৈতিক দলই এর জন্য দায়ী।

মে ০৮, ২০২২
বিবিধ

মানুষের সঙ্গে তালে তালে নৃত্য দেশি কুকুরের, দেখুন সেই মজার ভাইরাল ভিডিও

কুকুরের ড্যান্স নিয়ে উত্তাল সোশাল মিডিয়া। যে সে কুকুর নয় একেবারে দেশি কুকুর। এই কুকুরের নৃত্য দেখে সোশাল মিডিয়ায় মানুষজন এতটাই মেতেছে যে লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে এই ড্যান্সের ভিডিওর। আপনি দেখলেও মোহিত হয়ে যাবেন।ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে কোনও অনুষ্ঠান বাড়ি চলছিল। সেখানে একটু দেশি কুকুর অন্যদের সঙ্গে নিজের তালে তালে নেচে চলেছেন। কুকুরটি পিঠে কালো রং,পায়ের দিকটা লালছে। এই কুকুরের ড্যান্স দেখলে যে কেউ অবাক হতে বাধ্য। কুকুরটির নৃত্য দেখলে মনে হতে পারে সে বোধহয় নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। বক্সে গান বাজছে আর আনন্দে আত্মহারা হয়ে চার পায়ের সঙ্গে দেহের তাল মিলিয়ে নেচেই চলেছে কুকুরটি। নিজেও মজা পেয়েছে। দেখুন সেই মজার ভিডিও।

মে ০৩, ২০২২
রাজ্য

পর পর গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যু, উদ্বিগ্ন বনদফতর

গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যু যেন কিছুতেই কমছে না। শুক্রবার রাতে ৩১নং জাতীয় সড়কে বাগডোগরার মুনি চাবাগানের কাছে ফের গাড়ির ধাক্কায় চিতাবাঘের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিগত কয়েক মাসে এই রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে তিনটে চিতার মৃত্যু হয়েছে। স্বভাবতই উদ্বিগ্ন বনদফতর।বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাগডোগরার ৩১নং জাতীয় সড়কের ওপর ক্ষত বিক্ষত একটি চিতাবাঘের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় পথযাত্রী। খবর দেওয়া হয় বাগডোগরা থানায়। তৎক্ষনাৎ বিষয়টি জানানো হয় বাগডোগরা বন বিভাগে। বাগডোগরা থানার ট্রাফিক গার্ড ও বাগডোগরা বনবিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। বেঙ্গল সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়া হয় মৃত চিতাটিকে। জানা গিয়েছে, ওই পার্কেই চিতাবাঘটির ময়নাতদন্ত হবে। মাথায় আঘাত পেয়েছে চিতাটি।বাগডোগরা বনদফতরের রেঞ্জ অফিসার সমীরণ রাজ জানিয়েছেন, রাস্তা পার হতে গিয়েই সম্ভবত গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে চিতাবাঘটির। ময়না তদন্তেই জানা যাবে মৃত্য়ুর প্রকৃত কারণ। এর আগেও এই এলাকাতেই রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে একের পর এক চিতাবাঘের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। তাতে উদ্বেগ বেড়েছে বনদফতরের।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের এই গ্রামে দোল উৎসবে মেলে ১,০০০ টাকা দরে এক পিস রসগোল্লা

এক পিস রসগোল্লা এক হাজার টাকা! এটা কোন আজগুবি গল্পকথা নয়। পাঁচ শতাধিক বছরের প্রাচীন দোল উৎসবের মেলার সেরা আকর্ষণ হাজার টাকা পিসের পেল্লাই সাইজের রসগোল্লা। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের দোগাছিয়ার দোল উৎসবের এমনই মস্ত সাইজের মিষ্টি তৈরি হয়। দোল উৎসব উপলক্ষ্যে আগত অতিথিদের এমন বিশালাকার মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করাটাই দোগাছিয়া গ্রামের রেওয়াজ। তাই দোল উৎসব উপলক্ষ্যে দোগাছিয়া গ্রামের মেলায় যাঁরা মিষ্টির দোকান খুলে বসেন তাঁরা সবাই তৈরি করেন পেল্লাই সাইজের হরেক রকমের মিষ্টি। নজর কাড়া এমন মিষ্টি স্বচক্ষে একবার দেখার জন্যেও অনেকে মেলায় ভিড় জমান।দোগাছিয়া গ্রামের দোল উৎসবের মাহাত্ম্য নিয়ে এলাকায় নানা লোককথা প্রচলিত রয়েছে। গ্রামের বাসিন্দা নিখিলেশ রায়চৌধুরি ও দেবপ্রসাদ রায়চৌধুরি জানান, প্রায় সাড়ে পাচশো বছর আগের ঘটনা।বাংলায় তখন রাজত্ত্ব চালাতেন জমিদাররা। সেই সময় কালে দোগাছিয়া গ্রামে চারদিনের দোল উৎসবের সূচনা হয়।দোলে গ্রামের চৌধুরিপাড়ার মূল মন্দিরে হয় কৃষ্ণচন্দ্র, গুপীনাথ ও মদনমোহন মূর্তির পুজোপাঠ। মূল মন্দির থেকে কিছুটা দূরে থাকা দোলমন্দিরে চতুর্দোলা করে তিন দেবতার মূর্তি নিয়ে গিয়ে পুজো করা হয়। নিখিলেশ রায়চৌধুরি জানান, তাঁদেরই বংশের পূর্বপুরুষ শ্রীধর কর জমিদারী আমলে মন্দিরগুলি তৈরি করেন। পরবর্তীকালে নবাব আমলে তাঁদের পরিবার রায়চৌধুরি উপাধি লাভ করে। চৌধুরী পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে, দোল উৎসব উপলক্ষ্যে গ্রামে হরিনাম সংকীর্তন সহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয়, মেলাও বসে।দোগাছিয়া গ্রামে দোল উৎসবের মেলায় এদিন গিয়ে দেখা যায় মেলার মূল আকর্ষন মিষ্টি। দু-এক কেজি ওজনের মিষ্টি নয়। ১০০০ টাকা পিস দরের ৮ কেজি ওজনের রসগোল্লা মেলায় বিক্রির জন্য তৈরি করেছেন বিক্রেতারা। বড় বড় গামলায় সেইসব বিশালাকার মিষ্টি সাজিয়ে রাখেন বিক্রেতারা। এত বড় বড় মিষ্টি মেলায় আগত মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা তৈরি করেন মূলত এলাকার রীতি রেওয়াজকে মান্যতা দিয়েই। স্থানীয় বাসিন্দা সুধাকর ঘোষ ও কৃপেশ বিশ্বাস বলেন, জমিদারি আমল থেকেই দোল উৎসবে আমাদের গ্রামে আগত অতিথীদের মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করা হত। সেই রেওয়াজ এখনও চালু রয়েছে। আর তার কারণেই দোল উৎসব উপলক্ষে গ্রামে বসা মেলার সবথেকে বেশি প্রাধান্য পায় মিষ্টি।মেলায় মিষ্টির দোকান খুলে বসা ব্যবসায়ী তপন বিদ, প্রভাত ঘোষ জানান, দোগাছিয়া গ্রামের দোল উৎসবের মেলায় মিষ্টিই মূল আকর্ষন। তাই তাঁরা নজরকাড়া নানা মিষ্টি তৈরি করেন। এই বছর করেছেন ১০০০ টাকা পিস দরের ৮ কেজি ওজনের রসগোল্লা।এছাড়াও ৫০০, ৪০০, ২০০ টাকা পিস দামের মিষ্টিও মেলায় বিক্রীর জন্য তৈরি করেছেন। মিষ্টি কিনতে জেলা ছাড়িয়ে ভিন জেলার ক্রেতারাও মেলায় আসছেন। প্রবাত ঘোষ বলেন, , মেলায় বিক্রি-বাটাও খারাপ হচ্ছে না। দাম যাই হোক, খরিদ্দাররা সব ধরণের মিষ্টি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। মেলার স্টলে বসেও দল বেঁধে হাজার টাকা দামের রসগোল্লা খাচ্ছেন।

মার্চ ২০, ২০২২
রাজ্য

Dog Show: সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানে

রবিবার পুর্ব-বর্ধমানের মেমারি তে মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এবং শিক্ষা বিকাশ সেবা ফাউন্ডেশন-র ঐশী সিংঘ রায়-র উদ্যোগের এক সারমেয়-র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী তে নানা প্রকারের সারমেয় নিয়ে উপস্থিত হন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সারমেয় প্রেমী-রা। এই শো দেখতে ঢল নামে মেমারি শহর সংলগ্ন বি-এড কলজের মাঠে। একপ্রকার মেলা বসে যায়।মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে-র প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও পশু-প্রেমী শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর সারমেয় প্রেম বহুজনবিদিত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পথ সারমেয় ভালোবাসা নিয়ে বহুবার তাঁকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শ্রীলেখা মিত্র-র সামাজিক মাধ্যম ফলো করলেই মানুষ জানতে পারবে তিনি কোনও তথাকথিত নামজাদা সারমেয় পালন করেন না। তিনি পথ চলতি সারমেয় দের কেই তাঁর বাড়ির অন্দরমহলে স্থান দেন। তাদের লালন পালন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে আসার পথে জাতীয় সড়কের পাসে এক ধাবা তে দাঁড়িয়ে সেখানকার কয়েকটি সারমেয় সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে তার মাঝে আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এর থেকেই তাঁর সারমেয় প্রেম সমন্ধে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়।এ-হেন মানুষ কেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসাবে আমন্ত্রন যতার্থ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত-এ গলা মেলালেন, এবং শো-তে উপস্থিত থাকা এক সারমেয়-র জাতীয় সঙ্গীত কে সন্মান জানানোর মুহুর্তটি মনে রাখার মত। যদিও যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে জাতীয় সঙ্গীত-র ছন্দ পতন হয়। অভিনেত্রী কোনও রকমে সামলে নেন।আজকের এই শোয়ে প্রধান অকর্ষন ছিলো এক ট্রেন দুর্ঘটনায় চলশক্তিরহিত পথভ্রষ্ট সোনামনি, সঞ্চিতা নামের এক গর্বিত কুকুর অভিভাবক এই অবলা পথভ্রষ্ট সারমেয় কে পালন করে জীবনদান করেন। অভিনেত্রী বলেন আমি এটা দেখে আরো অভিভূত কারণ এই সমস্ত মানুষ আমাদের লোমশ বন্ধুদের সম্পর্কে যে সচেতনতা ছড়াচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের অদের প্রতি ভালোবাসা কিছুটা হলেও বাড়বে। সঞ্চিতা বলেন হোক প্রতিবাদ, সবাই যেনো সতর্ক থাকে, ওদের ওপর কেউ যেন কেউ অত্যাচার করতে না পারে, সারমেয়দের ভালো রাখার আবেদন রাখেন।এই অনুষ্ঠানে বহু প্রজাতির সারমেয় অংশগ্রহন করে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মান শেফার্ড, গ্রে হাউন্ড, ল্যাব্রেডার, তোসা ইনু, আমেরিকান বানডগ, কেনে কর্সো, রোডেশিয়ান রিংব্যাক, ডগো আর্জেন্টিনা, বোয়ের বোয়েল, গাল ডং, সেন্ট বার্নাড, আমেরিকান বুলডগ, বক্সার ইত্যাদি। এই সমস্ত সারমেয়রা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে।আয়োজক সংস্থা জনতার কথা কে জানান এই ধরণের অনুষ্ঠান করার উদ্দশ্যে একটাই যাতে সামান্য হলেও মানুষের এই সমস্ত অবলা পশুদের প্রতি সহমর্মিতা একটু হলেও বৃদ্ধি পায়। তখনই এই আয়োজনটাকে স্বার্থক বলে মনে করবো আমরা। মেমারি এলাকাই এই ধরণের আয়োজন এই প্রথম। প্রথম বারেই বেশ সাড়া ফেলে দেয়। বিশিষ্ট এক সাহিত্যিক বলেছিলেন কাউকে অমুকের বাচ্ছা বলে সেই পশু / জন্তু টার অপমান করবেন না। আর সাহিত্যিক দুলেন্দ্র ভৌমিকের বাজা তোরা রাজা যায় তে এক যায়গায় লিখেছেন, এক মানুষ দ্বারা আহত বাঘ তাঁর বাচ্ছা বাঘ কে বলছেন আমাদের বীরত্ব ফলাতে গেলে মানুষের চামড়া দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতে হয় না। এর থেকে সপাট থাপ্পড় বোধহয় হাত দিয়েও মারা যায় না। তাই মানুষকে ডগ-শো করে সারমেয় / পশু প্রেম বাড়াতে হয়। যাক মুঠো টা তো খুলুক।।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Howrah Robbery : বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলের

কুকুরের আচরণই ডাকাতির কিনারা করতে সাহায্য করল পুলিশকে। গত ২৫ শে জুন হাওড়া ব্যাঁটরা হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জী লেনে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতি হয়। ডাকাতির সময় বাড়ির পোষা কুকুর কোনওরকম চিৎকার করেনি। চুপচাপ ছিল। কুকুরের এমন অস্বাভাবিক আচরণ তদন্তকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে পুলিশকে। কুকুরের এহেন আচরণ দেখে পুলিশের বুঝতে অসুবিধা হয় না যারা ডাকাতি করেছে তারা ওই বাড়ির কোন পরিচিত ব্যক্তি। সেই সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় ধর্মেন্দ্র দাস (৩৪) এবং শুভজিৎ সামন্ত (২৬) কে। তারা দুজনেই কাজের জন্য একাধিকবার এই বাড়িতে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত তিনটি বাস, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশাপুলিশ জানিয়েছে, গৌতম পালের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে। ধর্মেন্দ্র ছিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। ধৃত অপর একজন সুরজিৎ সামন্ত ওই ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সিটি স্ক্যান করতেন। কাজের সূত্রে অনেকবারই গৌতম পালের বাড়ি গিয়েছেন অভিযুক্তরা। সেই সূত্রে বাড়ির কুকুরটি চিনত তাদের দুজনকেই। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্রর বাড়ি ওড়িশায়। সে এই ডাকাতির জন্য ওড়িশা থেকে দুই আত্মীয়কে এখানে নিয়ে এসেছিল। বর্তমানে তারা এখন পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রপুলিশের দাবি সিসিটিভি অভিযুক্তদের গতিবিধি জানতে সাহায্য করেছে কিন্তু তদন্ত করেই ধরা হয়েছে অভিযুক্তদেরকে। এই তদন্তে ডাকাতির সময় কুকুরের এই আচরণের ঘটনা জানতে পারে। ডাকাতির সময় পোষ্যটি ছিল নীরব। এই ঘটনা তদন্তের কাজ অনেকটাই সাহায্য করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরউল্লেখ্য ২৫ জুন বিকেলে মধ্য হাওড়ার ব্যাঁটরার হৃদয়কৃষ্ণ ব্যানার্জি লেনের একটি তিন তলা বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এদিন বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ হঠাৎ দুই যুবক দরজা খুলে বাড়িতে ঢুকে বাড়ির গৃহকত্রীকে বেঁধে ফেলে বছর পঁয়তাল্লিশের শান্তনা পালকে। তাঁর গলায় ভোজালি ঠেকিয়ে লক্ষাধিক টাকার গয়না নিয়ে চম্পট দেয় ওই দুই দুষ্কৃতী। মারধর ও শরীরে ধারালো অস্ত্র ঠেকানোয় আহতও হন। প্রায় আধঘন্টা তান্ডব চালায় দুষ্কৃতিরা। সেইসময় তাঁর স্বামী গৌতম পাল ও ছেলে সম্রাট ছিলেন তাঁদের ডায়গোনিস্টিক সেন্টারে। খবর পেয়ে বাড়ি আসেন। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন পাল দম্পতি।

জুলাই ০৪, ২০২১
বিদেশ

কুকুর-বিড়ালের জন্যও করোনা প্রতিষেধক

মানুষ তো করোনা (COVID 19) আক্রান্ত হচ্ছেই, কুকুর, বিড়াল, সিংহ, বাঘ কেউ বাকি নেই। করোনা করাল থাবা বসাচ্ছে প্রত্যেকের শরীরে। এমতাবস্থায় প্রাণীদেরও করোনা টিকা দেওয়া শুরু করেছে রাশিয়া। মার্চ মাসে রাশিয়াই প্রথম প্রাণীদের জন্য করোনা টিকা নিয়ে এসেছিল। ইতিমধ্যেই সে দেশের একাধিক অঞ্চলে শুরু হয়েছে প্রাণীদের করোনা টিকাকরণ।রাশিয়ার প্রাণীদের করোনা প্রতিষেধক কার্নিভ্যাক-কোভ বিশ্ব বাজারেও জায়গা করে নিয়েছে। ইতিমধ্যেই কার্নিভ্যাক-কোভ কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন পশুদের শরীরে করোনা ছড়ায় মানুষের কাছ থেকেই। পশুদের কাছ থেকে মানুষের দেহে মারণ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যক্ষ কোনও প্রমাণ মেলেনি।তবে পশুরাও যাতে করোনা আক্রান্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই রাশিয়ায় শুরু হয়েছে করোনা টিকাকরণ। কুকুর, বিড়াল, মিঙ্ককে দেওয়া হচ্ছে এই টিকা। রাশিয়ার প্রাণীসংরক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, প্রত্যেকে নিজেদের পোষ্যকে করোনা টিকা দিতে চাইছেন। উল্লেখ্য, রাশিয়া ছাড়াও পশুদের জন্য করোনা টিকা তৈরি করছে মার্কিন ভেটিনারি ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা জোটিসও।

জুন ০৮, ২০২১
কলকাতা

মৃত পশু সৎকারে চুল্লি মহানগরে

এবার আর মৃত পশুদের দেহ যত্র-তত্র ফেলে দেওয়া যাবে না। নোংরা করা যাবে না পরিবেশ। মহানগরে মৃত পশুদের সৎকারের জন্য চুল্লি নির্মিত হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রোমদনগরে। আজ, বুধবার বিকেলে সেই চুল্লির উদ্বোধন করবেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রাস্তার কুকুর, বিড়াল হোক বাড়িতে পোষ্য হোক, মৃত্যুর পর এই পশুদের ফেলে দেওয়া হয় কোনও আস্তাকুঁরে। আবার অনেক সময় দেখা যায় রাস্তার পাশে মৃত পশু ফেলে দেওযা হচ্ছে। যথাযথ ভাবে দাহ করা হয় না বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। ফলে পরিবেশ নষ্ট হয়। পশুপ্রেমীদের দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল পশুদের জন্য় চুল্লির। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হচ্ছে। এবার অন্তত কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে মহানগরের পরিবশে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal