• ১০ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cultur

কলকাতা

সাফ নির্দেশ মমতার, গঙ্গাসাগর মেলায় ভিআইপি কালচার বন্ধ

গঙ্গাসাগর মেলায় কোনও ভিআইপি সংস্কৃতি চলবে না। নবান্নে বৈঠক থেকে এই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভিআইপিদের জন্য যেন সাধারণ মানুষের কোনও রকম সমস্যা না হয়। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাগরদ্বীপে বসে গঙ্গাসাগর মেলা। মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নানের জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে ভিড় করেন। সেই বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে মেলা প্রাঙ্গণ ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় রাজ্যের তরফে। আগামী জানুয়ারির গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে সোমবার নবান্নে প্রস্তুতি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। ১২ জানুয়ারি মন্ত্রীরা মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনও ভিআইপি বা বিশেষ অতিথির জন্য যেন সাধারণ পুণ্যার্থীরা কোনও সমস্যায় না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য মেলা চত্বরে থাকবেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক। প্রত্যেক পুণ্যার্থীর হাতে থাকবে বিশেষ ব্যান্ড এবং পরিচয়পত্র। সকলেই বিমার আওতায় থাকবেন। নিরাপত্তার জন্য ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলবে।যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেলাকে কেন্দ্র করে চলবে প্রায় ২৫০০ বাস, ২৫০টি লঞ্চ এবং ব্যবহার করা হবে ২১টি জেটি। সব মিলিয়ে গঙ্গাসাগর মেলাকে সুষ্ঠু ও নিরাপদ ভাবে পরিচালনা করতেই এই প্রস্তুতি বলে জানানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

মন্ত্রীরা মেসিকে দেখলেন, সেলফি তুললেন আর আমরা টাকা দিলাম! ক্ষোভে ফেটে পড়লেন দর্শকরা

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হল। মাঠের ভিতরে ছোড়া হল চেয়ার, জলের বোতল। ক্ষুব্ধ দর্শকরা ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েন। এমনকি একটি দিকের গোলপোস্টও ভেঙে ফেলা হয় বলে জানা গিয়েছে। মেসিকে সামনে থেকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হাজার হাজার দর্শক।মাঠে উপস্থিত দর্শকদের কথায় উঠে এসেছে চরম হতাশা। এক দর্শক বলেন, মেসিকে নয়, আমরা শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই দেখতে পেয়েছি। আর এক জনের অভিযোগ, আমাদের টাকায় সরকার মেসিকে দেখল, আমরা দেখলাম না। কেউ কটাক্ষ করে বলেন, অনিরুদ্ধ ধর আর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখতে এসেছিলাম, আর কাউকে দেখতে আসিনি।এক দর্শকের ক্ষোভ, অরূপ বিশ্বাসকে দেখলাম সেলফি তুলতে ব্যস্ত। মনে হচ্ছিল মেসির জায়গায় উনিই এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। ৩ হাজার ৩৩৮ টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলাম, কিন্তু এক ঝলকও মেসিকে দেখতে পেলাম না। কেউ ৪ হাজার, কেউ আবার ১০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে এসেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ দর্শকদের থেকে মেসিকে আড়াল করে শুধু নেতা-মন্ত্রীরাই তাঁকে ঘিরে রেখেছিলেন।অনেকেই প্রশাসনের ভূমিকাকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন। এক জন বলেন, মাঠে পুলিশ, স্তাবক আর মিডিয়ার ভিড় ছিল। সাধারণ মানুষ কিছুই দেখতে পায়নি। পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কাটা এক যুবক জানান, আগের রাত থেকেই তিনি সেই হোটেলের কাছে অপেক্ষা করছিলেন, যেখানে মেসি ছিলেন। তবুও ভগবান দর্শন হয়নি তাঁর।দর্শকদের ক্ষোভ ক্রমেই তীব্র আকার নেয়। মাঠে ওঠে চোর চোর স্লোগান। কেউ বলেন, নেতা-মন্ত্রীরা মেসিকে দেখল, সেই টাকাই তো আমরা দিয়েছি। সাঁতরাগাছির এক দর্শকের আক্ষেপ, আমরা শুধু মেসির হাতটা দেখেছি। কেউ গোটা ঘটনাকে দুর্নীতির সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটা স্ক্যাম ২০২৫, শতদ্রু দত্তের উদ্যোগ।শুধু রাজ্যের দর্শকরাই নন, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আসা এক প্রবাসী ভক্তও মেসিকে দেখতে না পেয়ে ভেঙে পড়েন। এমনকি এক রোনাল্ডো ভক্তও মেসিকে দেখতে এসে হতাশ হয়েছেন। কারও অভিযোগ, পুলিশও গালাগাল করেছে। এক দর্শকের কথায়, এত বড় লজ্জা ঢাকার জায়গা নেই। আর এক জন বলেন, মেসিকে দেখতে এসে শুধু ক্যামেরাম্যানই দেখে গেলাম।সব মিলিয়ে যুবভারতীর এই বিশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ এখন সর্বত্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, মেসিকে নিয়ে গোটা বিষয়টাই মেস করে দেওয়া হল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
শিক্ষা

বর্ষশেষে 'মেসমারাইজ' বর্ষবরণ বর্ধমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

প্রতি বছরের ন্যায় ২০২৩-এও জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হল ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শহরের দেওয়ানদিঘী অঞ্চলে অবস্থিত তাঁদের বিদ্যায়তন ২২শে ডিসেম্বর বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS) ও আরও তিনটি স্নাতক স্তরের কলেজের অনুষ্টান দিয়ে এই তিনদিন ব্যাপী মেসমারাইজ-২০২৩ র (Mesmarize 2023) শুভারম্ভ হয়।২৩ ও ২৪শে ডিসেম্বর ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বর্ধমান মডেল স্কুল র ছাত্র ছাত্রী দের নিয়ে নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়। ২৩ ডিসেম্বর বর্ধমান মডেল স্কুল-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খড়গপুর আইআইটি পদার্থ বিদ্যার বিভাগীয় প্রধান বিশিষ্ট অধ্যাপক ডঃ অর্ঘ্য তরফদার, বর্ধমান ডিএনদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরষ্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত, উপস্থিত ছিলেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র প্রেসিডেন্ট ডঃ এস এম দাঁ, ও বিদ্যালয়ের কর্নধার এবং ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বিভিন্ন বিভাগের অধ্যক্ষ যথা, লিজা বন্দ্যোপাধ্যায় (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), ডঃ এম এস আনোয়ার (BIMLS) ও সোসাইটির সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (OIHS)। ২২ ডিসেম্বর OAER-র বিভিন্ন কলেজের মেসমারাইজ-২০২৩ অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট রক ব্যান্ড রিডল (RIDDLE)। এছাড়াও সেদিনের সারাদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা নাচ-গান-নাটকে মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের।বর্ধমান মডেল স্কুল তাঁদের দুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে নৃত্য, সঙ্গীত ও ছোট নাটিকা উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য অবাক জলপান ও বাঞ্ছারামের বাগান নাটক দুটি দর্শকদের মনে ভীষণ ভাবে দাগ কাটে। এছাড়াও বর্ধমান মডেল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের পরিবেশিত সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন রীতিমত মুগ্ধ করেছে উপস্থিত অভিভাবক ও দর্শকদের। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে উপস্থিত হয়েছিলেন বর্ধমান সদর দক্ষিণ-র মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল ও বর্ধমান সদর থানার ইন্সপেক্টার ইন চার্জ সুখময় চক্রবর্তী। এদিন এক মনোরম যন্ত্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বেহালা, সেতার, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, স্যাক্সোফোন, গিটার সহ একাধিক অ্যাকোস্টিক যন্ত্র সম্বলিত এক অনবদ্য সঙ্গীত মুর্ছনায় ভরে যায় মেসমারাইজ-২০২৩ র মঞ্চ। এদিনের এই যন্ত্র সঙ্গীতের অনুষ্ঠান সমন্ধে বলতে গিয়ে সংস্থার সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জানান, এই প্রজন্মের বাচ্চারা এত বেশী ডিজিটাল জিনিস দেখছে তারা ম্যানুয়াল সঙ্গীত পরিবেসনের যন্ত্র ভুলতে বসেছে। তাদের চেনানোর জন্যই মূলত এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথার মাধ্যমে ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানান এই মেসমারাইজ-২০২৩ অনুষ্ঠানটিকে সাফল্য মণ্ডিত করে তোলার জন্য। তিনি জানান এটা কোন একজন বা শুধুমাত্র কয়েকজনকে কৃতিত্ব নয়। সামগ্রিক প্রচেষ্টার ফসল আমাদের এই সংস্থা। সকলে মিলে সকল কাজ সম দায়িত্ব নিয়ে করেছেন বলেই আজ আমরা রজত জয়ন্তী বছরে পা দিলাম। অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল আরও জানান, সামনের বছর অর্থাৎ ২০২৪-এ তাঁদের সংস্থার ২৫তম বর্ষপুর্তী অর্থাৎ রজত জয়ন্তী। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেই অনুষ্ঠান আরও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে করার আশা করেন তিনি।২৩ ও ২৪শে ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীতে সর্বচ্চ স্থানাধিকারী ছাত্র ছাত্রীদের সম্বর্ধিত করা হয়। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ২৪শে ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান শেষে সকলকে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও নতুন বছরের জন্য আগাম শুভেচ্ছা জানান। সমবেত জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৩
উৎসব

দেশ-বিদেশের ১৫০০ বাঙালি ১২ দিন ধরে কলকাতায় সাহিত্য-সংস্কৃতির মহাযজ্ঞে সামিল

বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা ঘোষণার দাবিকে সামনে রেখে শেষ হলো ১২ দিন ব্যাপী যতদূর বাংলা ভাষা অনুষ্ঠান। ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা যুগসাগ্নিকের উদ্যোগে গত সাতাশে অগাস্ট গঙ্গা বক্ষে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ বারোদিনব্যাপী বঙ্গীয় সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতার বিভিন্ন মঞ্চে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, গল্পপাঠ, শ্রুতিনাটক, সংগীত, নৃত্য, শিল্পকলা, ও নাট্যাভিনয় অনুষ্ঠিত হয়। গোটা অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজ্য সহ ৬টি দেশের বাংলা ভাষার ১৫০০ বেশি কবি, সাহিত্যিক অংশ গ্রহণ করেন।এ প্রসঙ্গে, যুগসাগ্নিক পত্রিকার সম্পাদক প্রদীপ গুপ্ত বলেন, সমগ্র ভূখণ্ডে যেখানেই বাংলাভাষা উচ্চারিত হয় আমরা সেখানেই পৌঁছাতে চাই। আর এই কার্যসিদ্ধি সম্ভব হয়েছে কবিতা-সাহিত্য-সংস্কৃতির হাত ধরে। যুগসাগ্নিক ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছাড়াও আরও কয়েকটি সাহিত্য পত্রিকার সহযোগিতায় বিগত তিন বছর ধরে হয়ে আসছে যতদূর বাংলা ভাষা শীর্ষক অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভারতের সমস্ত রাজ্যের বাংলা ভাষার কবি-সাহিত্যকদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলা ভাষার কবি-সাহিত্যকদের মিলনক্ষেত্র গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি আমরা। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবারের অনুষ্ঠানসূচি আরও বৃহৎ আঙ্গিকে করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ১২ দিন ব্যাপী এই সূচি ভারতবর্ষে ইদানীংকালে সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম ও সর্ববৃহৎ বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতির মিলন মেলার চেহারা নিয়েছে। ভারতের ১২ টি রাজ্য ও বিশ্বের ছটি দেশের মোট ১৫০০ কবি-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি মনষ্ক মানুষ এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও অন্তোদয় অনাথ আশ্রমের শিশুদের বিশেষ অংশগ্রহণ ছিল সমগ্র অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠান থেকে সকল ভাষাকে সম্মান জানিয়েই বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা ঘোষণার দাবি তোলা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

মহা সমারোহে শুরু দু'দিন ব্যাপী বর্ধমান মডেল স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শুক্রবার বর্ধমানের বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হল। ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর যথা শুক্র ও শনিবার এই অনুষ্ঠান চলবে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (OAER) র সচিব ও বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ও ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার অন্যান্য কলেজের অধ্যক্ষ যথা লিজা ব্যানার্জী (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (সোসাইটির সদস্য), বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শম্বুনাথ চক্রবর্তী, স্কুল পরিচালন সমিতি-র সদস্যা ডঃ ইন্দ্রানী মুখার্জি ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাষ দত্ত। অথিতিদের বরণ করে নেন বর্ধমান মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক (প্রিন্সিপ্যাল) বিপিন বিহারী সিং।সুসজ্জিত মঞ্চওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সচিব তথা বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন সামগ্রিক শিক্ষার কথা। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বই-মুখী পড়াশোনার বাইরেও সমাজ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়, সমাজ যে শিক্ষা দেয় তা চিরস্থায়ী। তিনি জানান, করোনা অতিমারীর কারণে দীর্ঘ দুবছর অপেক্ষার পর এবছর আবার খুব জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সংস্থার বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেসমারাইজ (Mesmerize-2K22) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নৃত্য পরিবেশনওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন পড়াশোনায় টেকনোলজি-র প্রভাব। তিনি বলেন, আগের প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরা জানতেই পারতো না যে, সে যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে সেই বিষয়ে বিশ্বের সেরা শিক্ষক কে? আজকের ছাত্রদের কাছে সেটা খুবই মামুলি ব্যাপার, সেই শিক্ষক আজ তাদের মুঠোয় বন্দি (Mobile)। তিনি আরও বলেন, টেকনোলজিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই অনেক দূর অবধি যাওয়া যায়। তিনি বেশ কয়েকজন ছাত্রের উদাহরণ টেনে বলেন, তাঁরা এই টেকনলজির সাহায্য নিয়েই (অন লাইন এডুকেশন) এই বছর সারা ভারতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য র্যাঙ্কিং করেছে।রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত তাঁর বক্তব্যে জানান, বিজ্ঞানমনস্ক না হলে উন্নতি কিছুতেই হবেনা। ছাত্রছাত্রীদের খুব অল্প বয়স থেকেই বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহী করে তুলতে হবে। তাঁর কথায়, জীবনের চলার পথে বিজ্ঞানকে আমরা কখনোই অবহেলা করতে পারবো না। এরপর বর্ধমান মডেল স্কুল-র বার্ষিক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধন করেন সম্মানিত অতিথিবর্গ। এছাড়াও স্কুলের ছাত্রদের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পুরস্কৃত করা হয়।বার্ষীক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধনস্কুলের খুদে বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়দের নাচ, গান, নাটক ও আবৃত্তিতে ভরে ওঠে অনুষ্ঠান। অভিভাবক সহ সাধরণ দর্শককুল দারুণভাবে উপভোগ করেন আজকের এই অনুষ্ঠান। বিশেষ করে হিন্দি নাটকে বেড়ালের চরিত্রে ছোট্ট আদিত্য সিং-র অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়ে যায়। এছাড়াও স্কুলের আবৃত্তি শিক্ষিকা সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে অনুপ্রাণ সমবেত আবৃত্তি এককথায় আসাধরণ। ৪০ জন ছাত্র ছাত্রী সম্বলিত এই প্রয়াস এক কথায় অনবদ্য। একেবারে অনুষ্ঠানের শেষ লগ্নে বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান বার্তা নিয়ে সমগ্র দেশের বিভিন্ন নৃত্য শৈলীর সমন্বয় ঘটিয়ে স্কুলের নৃত্য শিক্ষিকা তুনা রুদ্রের প্রয়াস সত্যিই মেসমারাইজ (Mesmerize)।ছোটদের আবৃত্তিসঙ্গীত বিভাগের দুই শিক্ষক নম্রতা রায় ও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়-র নিরলস প্রয়াস ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গীত প্রদর্শন এক অন্য মাত্রা পায়। এবছরের মেসমারাইজ-এর (Mesmerize) সবচেয়ে বড় পাওনা ব্যান্ড বিএমএস। স্কুলের এক ঝাঁক ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে তৈরি এই ব্যান্ড মুগ্ধ করে দেয় তাদের উপস্থাপনায়। নম্রতা রায়ের প্রচেষ্টা ও কর্নধার অচিন্ত্য মণ্ডলের উৎসাহে এই ব্যন্ড সত্যিই ব্রান্ড বিএমএস (Brand BMS)উল্লখ্য গতকাল ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তিনদিন ব্যাপি ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-র কলেজ গুলির Mesmerize-2K22 শীর্ষক বার্ষিক সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠান শুভ সূচনা হয়। ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কলকাতার ফকিরা ব্যান্ড গান পরিবেশন করেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বর্ধমানে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ

শিশু কিশোর আকাদেমি ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য সংসস্কৃতি দপ্তরের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী জেলাভিত্তিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ হল ২৭ আগস্ট। প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করলেন ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার। দুদিনব্যাপী আবৃত্তি, রবীন্দ্রগীত, নজরুগীত,রাগপ্রধান গান এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতিযোগিতা চলবে। জেলা তথ্য ও সংসস্কৃতি দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বর্ধমান-কাটোয়া ট্রেনে গান গেয়ে ভাইরান হন গায়ক মিলন কুমার, সেই মিলন কুমারকে সরকারি মঞ্চে প্রধান অতিথি করে নিয়ে এসে সম্বর্ধনা দেওয়া খুবই তাৎপর্যপুর্ণ। মিলন নিজেও সে কথা জানান। তিনি মানুষের প্রতিনিধি মানুষের জন্য গান গেয়ে যেতে চান বলে জানান ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের মহলা কক্ষে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মাল্যদান করেন সাংবাদিক বিপ্লব কুমার ঘোষ মহাশয়। এরপর নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে মাল্যদান করেন প্রদীপ কুমার সাহা। সংস্থার কর্ণধার জীবন অধিকারীর উদ্বোধনী সংগীতে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমেই বিপ্লব কুমার ঘোষ কে সম্মান জ্ঞাপন করা হয়। তিনি নাবিক নাট্যমের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। তার বক্তব্য দর্শকদের রবীন্দ্র-নজরুল চেতনায় প্রভাবিত করে। এদিন উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবকও গোবরডাঙা পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর বাসুদেব কুন্ডু। তাছাড়াও ছিলেন গোবরডাঙা চিরন্তন, নাট্যয়ন, মৃদঙ্গম, মসলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার, মুকুলিকা গানের স্কুল, চাঁদপাড়া এক্টর বন্ধুরা এবং এলাকার বিশিষ্ট সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষেরা।এই অনুষ্ঠানে নৃত্য প্রদর্শন করেন নিকিতা সরকার, রাখি বিশ্বাস, দেবাদৃতা ঘোষ, নবনীতা বিশ্বাস, দেবস্মিতা চক্রবর্তী, সৃজনী রায়চৌধুরী, অস্মিতা দত্ত প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন ঐশী মুখার্জি, ঋষভ চক্রবর্তী, চৈতি সিংহরায়। সংগীত পরিবেশন করেন নমিতা বিশ্বাস, সোনালী দাস, অনিমা মজুমদার। মনোগ্রাহী এই অনুষ্ঠানের বিশেষ মাত্রা যুক্ত করে সৌরজ্যোতি অধিকারী ও আঁকন মজুমদারের গানের যুগলবন্দী। কালাচাঁদ শীলের তবলার বোল দর্শকদের মাতিয়ে রাখে। আল্পনা সরকারের সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছিল।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবিতা ক্লাবের সত্যজিৎ রায় স্মরণে বিশেষ পিকচার কথার অনুষ্ঠান

সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এপিজে বাংলা সাহিত্য উৎসব, অক্সফোর্ড বুকস্টোর এবং কবিতা ক্লাবের উদ্যোগে পার্ক স্ট্রিটের শতাব্দীপ্রাচীন অক্সফোর্ড বুকস্টোরে আয়োজিত হল। মে মাসে সত্যজিৎ রায়ের জন্মমাস। সেই কারণেই এই কিংবদন্তির জন্মশতবার্ষিকীতে, কবিতা ক্লাবের মে মাসের পিকচার কথা বিভাগটি সত্যজিৎ রায় স্মরণে। এই মাসের পিকচার কথায় যাদের লেখা নির্বাচিত হয়েছে তাদের অক্সফোর্ড বুক স্টোরের সৌজন্যে বিশেষ পুরস্কার ও শংসাপত্র প্রদান করা হয় এই অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল অপরাজিত ছবির চরিত্রাভিনেতাদের উপস্থিতি। অনীক দত্ত পরিচালিত, সদ্য রিলিজ হওয়া, বহুলচর্চিত অপরাজিত ছায়াছবির চরিত্রাভিনেতারা তাদের অভিজ্ঞতার কথা উপস্থিত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন I উপস্থিত ছিলেন দেবাশিস রায়, শৌণক সামন্ত, শোয়েব কবীর এবং ঋত্বিক পুরকায়েত। এই অভিনেতারা সিনেমার পর্দায় সুবীর মিত্র, সুনীল চৌধুরী, চন্দ্রগুপ্ত কিচলু এবং দেবাশিস বর্মণের চরিত্রে দর্শকদের সামনে ধরা দিয়েছেন I এই চরিত্রগুলি সম্পূর্ণ কাল্পনিক নয়, বরঞ্চ নির্মিত হয়েছে সুব্রত মিত্র, অনিল চৌধুরী, বংশী চন্দ্রগুপ্ত এবং আশিস বর্মণের ছায়া অবলম্বনে। কবিতা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং অন্যতম সদস্য জনপ্রিয় গীতিকার, গায়ক এবং সঙ্গীত পরিচালক সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও উপস্থিত হন। কবিতাক্লাবকে ঘিরে সারা বছর চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। পিকচার কথার সূচনাপর্ব কবিতাক্লাবের এক আড্ডায়। ভাবনাটা কথায় কথায় স্পষ্ট হয়েছিল যে ছবির বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে চার লাইনের কবিতা, কিম্বা চার পাঁচে কুড়ি শব্দের অণুগল্প লেখা হয়।

মে ৩১, ২০২২
সম্পাদকীয়

'ছুটির সংস্কৃতি' রাজ্য তথা দেশকে কতটা এগিয়েছে!

বিআর আম্বেদকরের জন্মদিনে জাতীয় ছুটি। মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে ছুটি। এমন নানা ছুটি রয়েছে এই দেশে। ঈদ-পুজো-বড়দিনে ছুটি। তাছাড়া শনি-রবিবার তো রয়েছেই। নিত্যনতুন ছুটির বাহানা তো আছে। স্থানীয় উৎসবে ছুটি। তবে এই ছুটির বহর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারি স্তরে। দেশ এভাবেই এগিয়ে যাবে! না এসব নিয়ে কারও মুখে টু-শব্দটি নেই। প্রশ্ন তুললেই পাছে রেরে করে ওঠ।মাস মাইনে না বাড়লেই আন্দোলন। নিশ্চয় আন্দোলন করার হক রয়েছে। কিন্তু সরকারি স্তরের অধিকাংশ ক্ষেত্রের চাকরিজীবীরা কখনও ভেবে দেখেছেন তাঁরা বছরে কতদিন ছুটি উপভোগ করেন। আর কতদিন কাজ করেন। সরকার কখনও কি ভেবেছে? জরুরি পরিষেবায় সেই উপায় নেই। সেখানে বরং অনেক সময় একটু বেশিই ডিউটি করতে হয়। তাঁদের কিন্তু যথাযথ আর্থিক সংস্থান করা হয় না, এই অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু ছুটির দেশে কখনও দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব। রাজ্যে যেভাবে ছুটির ঘোষণা হয় তাতে তো এখানে ছুটির সংস্কতি বাড়ছে।কাজের গতি বৃদ্ধির কথা চিন্তা করা প্রয়োজন কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের। বিশেষত শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও মনোযোগ দেওয়া উচিত। প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত। গবেষণার আরও প্রয়োজন রয়েছে। সবাই যে ফাঁক গলে অধ্যাপক হচ্ছেন তা নয়। রীতিমতো পড়াশুনা করে যোগ্যতার সঙ্গে অধ্যাপনা করেন এমন অধ্যাপকের সংখ্যা অনেক। কিন্তু এরই মধ্যে প্রত্যক্ষ রাজনীতি করে কোন যাদুবলে অধ্যাপক হয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ তাতেও সন্দেহ বাড়ে। ছাত্র নেতৃত্বের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে চাকরি জুটে যায়। বাম-তৃণমূল দুই আমলেই তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারওপর এদের কাজের প্রতি অনীহা থাকাই স্বাভাবিক। তৈলমর্দন বা রাজনীতিই যখন মূল পন্থা। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে কত ঘন্টা ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান, লাইব্রেরিতে কতটা সময় দেন, গবেষণায় কতটা মন দেন, এসব নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক নয় কি? তাছাড়া নানা সেমিনারের কারিজুড়ি আছে। তাতে পড়াশুনা বা সমাজ ব্যাবস্থায় কতটা উপকারে লাগে তা-ও ভাবনার বিষয়। তারওপর ছুটির বন্যা।এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতির খোঁজে আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে সিবিআই। অর্থের যাদুতে শিক্ষক হয়ে যাচ্ছেন। তাঁরাও পড়াবেন! শিক্ষাক্ষত্রে যদি এই হাল হয় আর সবাই বলবে দেশ এগোচ্ছে! সরকারি বিমান সংস্থায় খোঁজ নিয়ে দেখুন বংশপরম্পরায় চাকরি করছেন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিন এই বংশপরম্পরার উদাহরণ পাবেনই। এমনকী নানা জেলা শাসকের অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখা যেতে পারে। চাকরি জুটছে ঘুরপথে, তাঁরা দেশের উন্নয়নে সামিল হবেন কী করে?সরকারি দফতরগুলিতে যেখানে সরসারি মানুষের যোগাযোগ নেই, সেখানে ফাঁকি দেওয়া অনেক সহজ। কোনও দফতরে কর্মীর অভাবে গাধার খাটুনি খাটছে কেউ কেউ, কোনও দফতরে হাওয়া খেয়ে বেড়াচ্ছে লোকজন। দুয়ারে সরকার হোক আর দুয়ারে সমাধান, সরকারি দফতরে নিয়মিত কাজ করলে কি এসব শিবিরের কোনও প্রয়োজন পড়ে?আশির দশকে একবার জাপানে কলকারখানার কর্মী সংগঠন ধর্মঘট ডেকেছিল। তা স্বত্তেও একটি জুতো প্রস্তুতকারি সংস্থায় ১০০% হাজিরা ছিলো। তারা সবাই কাজে এসেছিলো। গনমাধ্যমের লোকেরা কারখানায় গিয়ে দেখে তারা সবাই কাজ করছে। কেউ বসে বা অলস সময় কাটাচ্ছে না। তাঁদের নেতাকে এটা কি ধরনের ধর্মঘট জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, কারখানার উৎপাদন থেকেই আমাদের মাসমাইনে জোটে। তাই আমরা উৎপাদন বন্ধ রাখিনি। আমাদের দাবী আমরা জানিয়ে রেখে শুধু বাম-পায়ের জুতো বানাচ্ছি। দাবী মেনে নিলে ডান পায়েরটা বানিয়ে দেবো, শুধু বাম পায়ের জুতো তো বিক্রি হবে না, আর দাবী মেনে নিলে সময়টাও বেচে যাবে।সব থেকে বড় কথা মণিষীদের জন্ম বা মৃত্যু দিনের ছুটি দিলে কি বিশাল একটা সম্মান জানানো হয়? তাঁরা তো নিজের কর্মের জন্যই খ্য়াতি পেয়েছেন। তাঁরা ছুটি নিয়ে অলস দিনযাপন করেননি। বিআর আম্বেদকর হোন বা মহাত্মাগান্ধী বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এঁরা দিনরাত এক করে দেশের কথা ভেবেছেন। হাড়ভাঙা খেটেছেন। দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আর স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের সরকার ছুটি দিয়ে কর্মদিবস নষ্ট করছে। কর্মের মাধ্যমে এঁদের সম্মান দেওয়া যায় না? তাতে দেশের অগ্রগতি হবে না দেশ পিছিয়ে যাবে? বরং ছুটির সংখ্যা কমানো প্রয়োজন। তাহলেই মণিষীদের প্রকৃত সম্মান দেওয়া হবে। ছুটির সংস্কৃতি তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে সরকারি দফতরে ফাইলের পাহাড় হবে না। অফিস চলাকালীন ক্যারাম বা তাস খেলার এন্টারমেন্ট আর কত দিন চলবে এই অভাগা দেশে? দেশের অগ্রগতি চাইলে একমাত্র উপায় কর্ম। একেই তো নেপোটিজম করে অনেকের চাকরি জোটে, রয়েছে মন্ত্রীদের কোটা। তাঁদের কাজের নেশা আসবে কোথা থেকে। একেই তো সারা দেশ দুর্নীতির জালে জড়িয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে প্রতারিত চাষি পুলিশের দ্বারস্থ

ব্যাঙ্ক থেকে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন এক চাষি। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। প্রতারিত চাষি সুশান্ত সাহানা প্রতারণার ঘটনার সবিস্তার উল্লেখ করে জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে চাষ করা জামালপুরের কৃষক মহলের। চাষি সুশান্ত সাহানা জামালপুর থানার হরগোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। লিখিত অভিযোগে পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, তিনি জামালপুরের শুড়েকালনা স্টেট ব্যাঙ্কের একজন গ্রাহক। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আলু চাষের স্বার্থে কৃষি ঋণ পাওয়ার জন্য তিনি নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে ব্যাঙ্কে আবেদন করেন। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বিভিন্ন কাগজপত্রে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়ার পর কয়েকদিন বাদে লোনের টাকা তুলে নেওয়ার কথা বলেন। ৮৩ হাজার টাকা লোন স্যাংশন হয়েছে বলে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন। সেই মতো আবেদন করার কিছুদিন বাদে সুশান্ত বাবু লোনের টাকা ব্যাঙ্কে তুলতে যান। তখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার তাঁকে বলেন, লোনের টাকা আপনি তুলেনিয়ে গিয়েছেন। আবার কিসের লোন পাবেন।ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের মুখ থেকে এমন কথা শুনে মাথায় হাত পড়ে যায় চাষি সুশান্ত সাহানার। ফের পরেরদিন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে গিয়ে তিনি বলেন, ব্যাঙ্ক লোনের টাকা তিনি তোলেননি। তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে দেখার জন্য সুশান্ত বাবু ওইদিন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে পুনরায় অনুরোধও করেন। কিন্তু ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে বসিয়ে রেখে জানিয়ে দেন পরের সপ্তাহে এসে খোঁজ নিতে। অভিযোগ, ব্যাঙ্ক ম্যানেজার এই ভাবে সুশান্ত বাবুকে দুমাস ধরে ঘোরায়।সুশান্তবাবু জানিয়েছেন, এরপর ফের একদিন লোনের টাকা না পাওয়ার কথা জানাতে তিনি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে যান। তখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে হুমকি দিয়ে তাঁকে ব্যাঙ্ক থেকে একপ্রকার তাড়িয়ে দেয়। সুশান্তবাবু দাবি করেন, ব্যাঙ্ক থেকে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পরে রবিবার জামালপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।এই বিষয়ে জামালপুর থানার এক পুলিশ কর্তা বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রকৃত কি ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হবে। স্টেট ব্যাঙ্ক শুড়েকালনা শাখার ম্যানেজার মৃত্যুঞ্জয় কুমারকে এদিন ফোন করা হলে তিনি যদিও নিশ্চিৎ ভাবে বলতে পারেননি সুশান্ত সহানা কেসিসি লোনের টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে নিয়েছেন, না তোলেননি। তবে তিনি বলেন , সুশান্তবাবু ব্যাঙ্কে এসেছিলেন। ওনাকে আমি সময় দিতে পারিনি। ব্যাঙ্কের সিসিটিভি টেকনিশিয়ান কোভিড পরিস্থিতির জন্য আসতে পারেনি বলে সিসিটিভি ফুটেজ এখনও দেখা হয়ে ওঠেনি। নথি সহ সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখতে হবে। সঠিক কি হয়ে আছে তা খতিয়ে দেখে ওই গ্রাহককে ডেকে পাঠাবেন বলে ম্যানেজার জানিয়েছেন। ছবি প্রতারিত চাষি ও ব্যাঙ্ক ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
সম্পাদকীয়

করোনা: বাঙালি নিজ সংস্কৃতি-সভ্যতা নিজেই ধ্বংস করবে!

মানুষের বুদ্ধি কি লোপ পেয়েছে? করোনা আবহে এই প্রশ্নটি বোধহয় সব থেকে যুক্তিসঙ্গত। নাকি মানুষ চায় নিজ সভ্যতা নিজের হাতে ধ্বংস করে দিতে। জীবন বিপন্ন করে দেওয়ার পন নিয়েছে সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তার সঙ্গে সরকারি উদাসীনতা ও নানান সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রশ্ন চিহ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশুকরোনাপূর্তির দুবছর সম্পূর্ণ আমাদের দেশে। লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন, আইসোলেশন নানা শব্দ এখন যেন বাংলা শব্দে রূপান্তর হয়েছে। অতিমারি এখন একেবারে চেপে বসেছে বাংলায়। এখন আর লাফিয়ে বা লিফ্টে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে না, একেবারে রকেট লঞ্চারের মাথায় বসে ছুটছে করোনা। তবুও কিন্তু হুঁশ ফেরেনি মানুষের। যা হওয়ার হবে গোছের মনোভাব। সরকার নানা ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে, আবার যে করোনা বিধি ঘোষণা করেছে তার তোয়াক্কা করছে না সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতেও প্রশাসনের অনীহা দেখা যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ করোনার থাবা এবার সিবিআই-ইডি অফিসেওগঙ্গাসাগর মেলায় কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। বিরোধী দল বিজেপি বলছে, রাজ্য সরকার আমাদের কথা শোনে না। এমন কথা বলে নিজেদের দায় এড়ানো যায় কীনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে আজ, বৃহস্পতিবার শুনানি রয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে। যদিও নানা মেলা-উৎসব বন্ধ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনা উদ্বেগে স্থগিত কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবট্রেন, বাস, অটো, বাজারহাটে মাস্ক ছাড়া বহু মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেপরোয়া মনোভাব রয়েছে একটা বড় অংশের। এক্ষেত্রে পুলিশ-প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ করা উচিত। যে মাস্ক পড়ছে না সে যদি শুধু নিজের ক্ষতি করতো তাহলে এক বিষয়, কিন্তু পুরো সমাজের ওপর প্রভাব পড়তে বাধ্য। প্রথমত, তাঁর করোনায় বাড়াবাড়ি হলে হাসপাতালে একটা বেড ধরে রাখবে। সরকারি কোষাগার থেকে তাঁর চিকিৎসা খাতে মোটা অর্থ অপচয় হবে। আরও বহু লোকের মধ্যে রোগটাকে ছড়িয়ে দেবে। আবার এখন তো সরকারি ক্ষতিপূরণেও অর্থ ব্যয় হবে। একটা বেপরোয়া মানুষ সমাজের একাধিক ক্ষতির জন্য দায়ী হচ্ছে। তবু কেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে না? এই প্রশ্নই ঘুরছে সর্বত্র। বৃহত্তর সমাজ তথা মানব সভ্য়তা টিকিয়ে রাখতে হলে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ করতেই হবে।আরও পড়ুনঃ ১২ সেকেন্ডের গোল, ভেঙে গেল ৪৫ বছরের পুরনো রেকর্ড, তবু সবুজমেরুনকে জেতাতে ব্যর্থ উইলিয়ামসনির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যত কথা কম বলা যায় ততই মঙ্গল। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কীভাবে বাংলার সর্বনাশ করেছে তা রাজ্যবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের পর তৃতীয় ঢেউয়ে কলকাতার বেসামাল অবস্থাও দেখা যাচ্ছে। ভোট রাজনীতিতে শাসক-বিরোধী কোনও দলই করোনা বিধির তোয়াক্কা করে না, তা আর বলারও প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে রাজ্য। মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যা ১৪হাজার ছাড়িয়েছে। ১০ দিন আগে সেই সংখ্যা ছিল ৪৩৯। ভাবুন একবার রকেট বেগে কীভাবে ছড়াচ্ছে কোভিড ১৯। সাধারণ মানুষের একটা অংশের এখনও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সরকারকেও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা নাহলে রুটি, রুজি, সমাজ, সংস্কৃতি, সভ্যতা কীভাবে ধ্বংস হবে তা বাঙালি নিজের চোখেই প্রত্যক্ষ করবে। কাউকে দায়ী করে কোনও ফায়দা নেই।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Protest: অপসংস্কৃতির বিরোধিতায় বাংলা পক্ষ-র প্রতিবাদ প্রদর্শন

বাংলা ধারাবাহিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে বাঙালি জাতির সংস্কৃতি নষ্ট করার বিরুদ্ধে এবার পথে নামতে চলেছে ভারতের বাঙালি জাতির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ।সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জি বাংলা চ্যানেলের বেশ কিছু বাংলা ধারাবাহিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে ক্রমাগতভাবে হিন্দি গান জুড়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পর্বে। এছাড়া তাদের আরও অভিযোগ, বাংলা ও বাঙালি জাতির ইতিহাস বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে করুণাময়ী রানি রাসমণি নামক ধারাবাহিকে। সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই পথ যদি না শেষ হয় নামক ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে করবা চৌত নামক প্রথা নাকি বাঙালি সমাজে প্রচলিত। এছাড়াও বাঙালি বৌ অবাঙালি বর এবং রাখিবন্ধন নামক ধারাবাহিকও এই তালিকায় আছে।বাংলা পক্ষ আরো জানিয়েছে যে জনপ্রিয় ক্রিকেটার পরিচালিত দাদাগিরি নামক অনুষ্ঠান, ডান্স বাংলা ডান্স এবং সারেগামাপা নামক অনুষ্ঠানেও অনিয়ন্ত্রিতভাবে হিন্দি গান বাজানো ও প্রচার চালানো হয়। সংগঠনের তরফ থেকে উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল জেলা শাখার সম্পাদক পিন্টু রায় সরাসরি বলেছেন, আমরা কখনোই হিন্দি গান বা হিন্দিভাষী কলাকুশলীদের বিরোধী নই আমরা কেবল বাঙালি সংস্কৃতির ওপর হিন্দি সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার চ্যানেল গুলির যে প্রবণতা তার বিরোধী।তিনি এও বলেন আমাদের জেলার অন্তর্গত রাজারহাটের ডিআরআর স্টুডিওতে এই সমস্ত ধারাবাহিক ও অনুষ্ঠান গুলির শুটিং হয় তাই ওখানে গিয়ে ডেপুটেশন প্রদান ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে রবিবার ২১শে নভেম্বর সকাল ১১ টায়।

নভেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Agriculture Act: কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় লাড্ডু বিতরণ বর্ধমানে

কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় তৃণমূল সহ বিরোধী দলের নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের অভিনন্দন জানাতে সোমবার বর্ধমানের বড়নীলপুর মেড়ে মানুষের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়। এই তিন আইন বাতিল করার জন্য তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছেন বর্ধমানের তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করেছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, আন্দোলনকারী কৃ্যক সংগঠন ও তৃণমূল কংগ্রেসের ক্রমাগত প্রতিবাদের ফলেই এই তিন কৃষি আইন বাতিল ঘোষণা করেছেন তিনি। সোমবার তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ বলেন, আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় কালা কৃষি আইনের টানা প্রতিবাদ করেছেন। পথে নেমে তৃণমূল আন্দোলন করেছে। কৃ্যকদের কোনও সমস্যা হলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যে ভাবে নির্দেশ দেবে সে ভাবেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ব। আমরা কৃষকদের পাশে আছি। রাজ্য সরকার সবসময় কৃষকদের সঙ্গে থাকে। এদিকে দিল্লিতে আন্দোলনকারী কৃষকরা জানিয়ে দিয়েছে, শুধু মুখে ঘোষণা করলে হবে না কৃষি আইন বাতিলের পক্ষে সংসদে বিল আনতে হবে মোদি সরকারকে।

নভেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Simla A Bong positive : সিমলা এ বং পজিটিভের জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান

সিমলা এ বং পজিটিভ নাট্যদল তাদের পঞ্চম জন্মদিন উদযাপন করল হেদুয়ায়। রক্তদান কর্মসূচর মাধ্যমে তাদের অনুষ্ঠান শুরু হয়। মোট ৫২ জন এদিন রক্ত দেন। এই রক্তদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা কিঞ্জল নন্দ অভিনেত্রী বাসবদত্তা চ্যাটার্জি। এছাড়া বিনামূল্যে অক্সিজেন পার্লার ও ছিল।আরও পড়ুনঃ সাহসী পোশাকে আলুপোস্ত রেঁধে ভাইরাল রিম্পিবিকালে থিয়েটার নিয়ে একটা সেমিনার হয়। মে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন অনিন্দ্য ব্যানার্জি, পঙ্কজ মুন্সী, কমল চ্যাটার্জি, ত্রিগুণা শঙ্কর প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। অনিন্দ্য ব্যানার্জি এই আলোচনাসভায় জানান করোনা পরিস্থিতিতে থিয়েটারের অবস্থা খুব খারাপ। সরকার থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে থিয়েটারের অবস্থা আরও বিপন্ন হতে পারে। এছাড়া এদিন উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী তপতী মুন্সী ও সমাজসেবী শ্রেয়া পাণ্ডে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Theatre : জন্মদিনে বিশেষ অনুষ্ঠান করছে সিমলা এ বং পজিটিভ

সিমলা এ বং পজিটিভ বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আজ তাদের ৫ বছর হল। এই ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১ আগস্ট হেদুয়া পার্কের সামনে তারা রক্তদান শিবির, বিনামূল্যে অক্সিজেন পার্লার, থিয়েটার সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তবে পুরোটাই হবে কোভিড বিধি মেনে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল ওগো নিরুপমার শুটিংএই বিশেষ দিনে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অভিনেত্রী বাসবদত্তা চ্যাটার্জি। তাদের উদ্যোগ প্রসঙ্গে এ বং পজিটিভের সদস্য রিমি দেব জনতার কথা কে জানালেন, আজ আমাদের এ বং পজিটিভের জন্মদিন। কিন্তু আজ যেহেতু উইক ডেস তাই কোনো প্রোগ্রাম রাখা হচ্ছে না। সবটাই হবে ১ আগস্ট। এদিন একটা ব্ল্যাড ডোনেশন ক্যাম্প, একটা থিয়েটার সেমিনার এবং দুটো ফোক বাংলা ব্যান্ডের পারফরম্যান্স থাকবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?কয়েক মাস আগেই চারদিন ব্যাপী একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে এ বং পজিটিভ। সেই অনুষ্ঠান সফল হওয়ার পর ৫ বছরের জন্মদিনে আরো একটি ভালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে তারা।

জুলাই ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

TMC: শিল্পীমহলে রংয়ের বিভেদ দেখতে নারাজ রাজ

রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি, শিল্পীমহলে কোনও স্থান নেই রাজনীতির। সেখানে সবুজ, গেরুয়া, লাল সব রংই মিশে গিয়ে রংমিলান্তি হয়। আ এমনটাই এদিন স্পষ্ট করলেন তৃণমূলের কালচারাল কমিটির রাজ্য সভাপতি রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার তৃণমূলভবনে ছিল তৃণমূলের কালচারাল কমিটির বৈঠক। যে সকল শিল্পীরা বিজেপিতে গিয়েছিলেন তারা তৃণমূলের ফিরতে চাওয়ার প্রসঙ্গে রাজ চক্রবর্তী বলেন, এ বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে। কিন্তু শিল্পীদের ক্ষেত্রে কোনওরকম বাধা থাকবে বলে তিনি মনে করেন না। রাজ জানান, বাংলা এক ও অখন্ড। এর কোনও ভাগাভাগি হবে না। বাংলার সমস্ত সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। বাংলা দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে, এবার তাতে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা চলছে। এদিনের বৈঠকে পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গড়া হয়েছে। সেই কমিটিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান রাজ। এমনকী, এখন যদি শিল্পী মহলের কেউ তৃণমূলে ফিরতে চান, তাহলেও যাতে বাধার সৃষ্টি না-হয় তাই কমিটি চেষ্টা করবে বলেও জানান রাজ। যদিও সবটাই দলীয় নেতৃত্ব তথা দলের নেত্রীর সিদ্ধান্তর উপরই নির্ভর করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন ব্রাত্য বসু, রাজ চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল সেন, সায়ন্তিকা, সুদেষ্ণা রায়-সহ অন্যান্যরা।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

বিশ্বভারতীর সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিলেন অমিত শাহ

লাল মাটির বোলপুরে অমিত শাহর কর্মসূচি ঘিরে সাজো সাজো রব। শাহী পোস্টার এবং কাটআউটে ছেয়ে গিয়েছে বোলপুরের চারদিক। বোলপুরে সকালেই পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পৌঁছানোর পর উপাসনা গৃহ ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর সঙ্গীত ভবনে যান শাহ। সঙ্গীত ভবনের পড়ুয়াদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দর্শকাসনে বসে অনুষ্ঠান দেখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহা। শান্তিনিকেতনে ভিজিটর্স বুকে নিজের প্রতিক্রিয়া লেখেন তিনি। সেখান থেকে বাংলাদেশ ভবনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাহ। আরও পড়ুন ঃ কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায় অমিত শাহ বলেন, আমি এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানালাম। আজ খুব সৌভাগ্যের দিন। জগতকে বাংলার সঙ্গে যুক্ত করতে শান্তিনিকেতন তৈরি করা হয়েছিল। শতবর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর। তাই এটাই সময় বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি সঙ্গে সকলের পরিচয় ঘটানোর। কদিকে বাঙলি মনন-আবেগকে নাড়া দেওয়া, অন্যদিকে হিন্দুত্বের মোড়কে বিজেপির প্রচার। এই দুয়ের লক্ষ্যে ভোটের আগে এবার বঙ্গ সফরে অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

কৃষি আইন চাষিদের উন্নয়ন করবে , সওয়াল মোদির

বিতর্কিত আইন নিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবারও এফআইসিসিআইয়ের ৯৩ তম সাধারণ সভার উদ্বোধনে তিনি বলেন, দেশকে আত্মনির্ভর করতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সংস্কার প্রয়োজন। কৃষকদের উন্নতি করতে তাঁদের কাছে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। আর সেই কাজ করতে নতুন আইন প্রয়োজন। চাষবাস ও ওই ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্র-কোল্ড চেন, কৃষি প্রযুক্তির অগ্রগতির ক্ষেত্রে একাধিক বাধা ছিল। সেগুলি এখন সরে গিয়েছে। পুরনো আইন সংস্কার ফলে কৃষকরা দেশে নতুন বাজার, নতুন সুযোগ-সুবিধা পাবে। বিরোধীদের দুষে তিনি বলেন, সদিচ্ছার অভাবে দেশে এত বছর কোনও সংস্কার হয়নি। তাই ভারত আত্মনির্ভর হতে পারেনি। আরও পড়ুন ঃ কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষকরা, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চলতি বছরের শুরুতে যখন করোনা মহামারীর মুখে পড়লাম তখন জানতাম না কীভাবে এর মোকাবিলা করব। উন্নয়ন থমকে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছিল। প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে দেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সংস্কারে র প্রয়োজন রয়েছে বলে সওয়াল করেন তিনি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি মমতার

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে কৃষকদের আন্দোলন বড় আকার ধারণ করেছে। আজ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে এনিয়ে বৈঠকেও বসেছে কৃষক সংগঠনগুলি। সেই বৈঠক চলাকালীন টুইট করে এ কথা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, আমি কৃষি আন্দোলন নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। কেন্দ্রীয় সরকার এখনই নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহার করুক। অন্যথায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমরা আন্দোলনে নামব। আরও পড়ুন ঃ অবস্থান মঞ্চ থেকে বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বলপূর্বক সরিয়ে দিল পুলিশ প্রথমদিন থেকেই তৃণমূল এই আইনের বিরোধিতা করে আসছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি লেখেন, আমরা দেশের সম্পত্তিকে বিজেপির ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হতে দেব না। অত্যাবশকীয় পণ্য আইন নিয়ে শুক্রবার দলের বৈঠক ডেকেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

শিল্পীদের জন্য সব ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি নবান্নের

বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমতি দিল নবান্ন। শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, যাতে বাংলার শিল্পীরা তাদের জীবন-জীবিকায় উৎসাহ পান তার জন্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অবশ্যই কোভিড-বিধি মেনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।গান, নৃত্য, আবৃত্তি কিংবা কোনও প্রদর্শনী অনুষ্ঠান নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের। এদিন মুখ্যসচিব জানান, যদি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাহলে দেখতে হবে, অর্ধেক মানুষ নিয়ে তা আয়োজন করতে হবে। তিনি বলেন, বদ্ধ ঘর হলে যত আসন সংখ্যা থাকবে তার অর্ধেক দর্শক থাকতে পারে। প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে ২০০ জন করে ছাড় দেওয়া হবে। যদি খোলা মাঠে কোনও মেলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। যেখানে মাথার ওপর কোনও সিলিং নেই। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র করোনা বিধি মেনে দূরত্ব বজায় রেখে চললেই হবে। আরও পড়ুন ঃ সম্মান না পাওয়ায় তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের বাংলার সমস্ত মাপের শিল্পীদের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যসচিব। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রত্যেক জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং কমিশনারেটের কমিশনারদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কলকাতার নগরপাল এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পিতৃতর্পণের সময় গঙ্গার পাড়ে বাজবে মহিষাসুরমর্দিনী, সাজবে ঘাট! বড় উদ্যোগের খবর

২০২৬ সালের দুর্গাপুজো ঘিরে কলকাতায় একের পর এক নতুন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর পাশাপাশি মহালয়ার ভোরে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার বলে সূত্রের খবর।মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা। সেই দীর্ঘদিনের আবেগ ও ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটকে এই আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে এই ঘাটগুলিতে মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী বাজানো হতে পারে। মহালয়া ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর শনিবার।শুধু মহিষাসুরমর্দিনী বাজানোই নয়, ঘাটগুলিকে বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ভোরের গঙ্গার পাড়ে তর্পণের সময় এক অন্য ধরনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। পিতৃতর্পণ করতে আসা মানুষের পাশাপাশি মহালয়ার আবহ উপভোগ করতে আসা মানুষের কাছেও এই আয়োজন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।এই পরিকল্পনার আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে বিশাল আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় মহিষাসুরমর্দিনী শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই স্মৃতিকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার ভাবনা রয়েছে। ঘাটের চত্বরে বড় রেডিয়োর আদল তৈরি করে তার মাধ্যমে পুরনো দিনের সেই আবহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।মহালয়ার সঙ্গে বাঙালির এই আবেগ বহু পুরনো। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনে ভোর থেকেই কলকাতার গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ করতে মানুষের ভিড় হয়। তার সঙ্গে যদি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী এবং বিশেষ আলোকসজ্জা যুক্ত হয়, তা হলে ঘাটগুলির পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের একাধিক বড় আয়োজনের পরিকল্পনার খবর ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে মহালয়া ২০২৬-এ কলকাতার গঙ্গার ঘাটে নতুন ধরনের আবহ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাটে শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে কারণ কী

জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রনেতা আচমকাই ক্লাসরুমে কেরোসিন ঢেলে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। পরে তিনি লাইটার বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে থাকা অধ্যাপক তাঁকে থামিয়ে দেন।ওই ছাত্রের নাম অর্ণব সরকার বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে এসএফআইয়ের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ইতিহাসের ক্লাস চলছিল। অর্ণব ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের গায়ে ঢেলে নেন। এরপর লাইটার জ্বালানোর আগেই অধ্যাপক তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে নেন। পরে তাঁকে অধ্যক্ষের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়।ঘটনার পর অর্ণব দাবি করেন, কলেজে তাঁকে নিয়মিত নিগ্রহ করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিতে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ঘটনার দিন কলেজে ঢোকার মুখেও তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তিনি এমন পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান অর্ণব।অর্ণবের দাবি, তিনি কাউকে মারতে চাননি। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর আরও দাবি, বাড়ি থেকেই কেরোসিন নিয়ে কলেজে এসেছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন এবং পড়ুয়া কী ভাবে দাহ্য পদার্থ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।অন্য দিকে, অর্ণবের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবিভিপি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অর্ণবকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও তিনি নির্দিষ্ট কারও নাম বলতে পারেননি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবিভিপি।এসএফআই অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে-র দাবি, এবিভিপির বিরুদ্ধে ছাত্রদের মারধর এবং ক্যাম্পাসে ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কলেজের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট অপরাধচক্র তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগও এখনও রাজনৈতিক পক্ষগুলির বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে এবং তা স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।ঘটনার পর কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কী ভাবে একজন পড়ুয়া কেরোসিনের মতো দাহ্য পদার্থ নিয়ে কলেজে ঢুকলেন, সেটি এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে অর্ণবের অভিযোগের সত্যতা, তাঁকে কোনও ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আনন্দচন্দ্র কলেজের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এসএফআই ও এবিভিপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। ছাত্রনেতার অভিযোগ এবং এবিভিপির পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে আসল ঘটনা কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! লেজেন্ডস লিগে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আয়োজকদের?

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণ। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট সাতটি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দল অংশ নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি এবার প্রথম বার খেলছে বাংলাদেশ।ভারতের দলে রয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকারা। পাকিস্তানের দলেও রয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানকে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হওয়ার কথা।সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য ১০ অক্টোবরের ম্যাচে। ওই দিন দুবাইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। আয়োজকদের সরকারি সূচিতে এই ম্যাচটি রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান অংশ নেবে না বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হয়েছেএমন তথ্য বর্তমান সরকারি সূচির সঙ্গে মিলছে না।এর আগে দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারতীয় কিংবদন্তিদের দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামেনি। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াকওভার পেয়ে পরের পর্বে পৌঁছেছিল। সেই ঘটনার প্রভাব এবারের প্রতিযোগিতাতেও পড়বে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা ছিল।তবে তৃতীয় সংস্করণের বর্তমান সূচিতে ভারত ও পাকিস্তানকে একই প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুই দলের মধ্যে ম্যাচের দিনও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গতবারের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এবারের প্রতিযোগিতার আরও একটি বড় আকর্ষণ বাংলাদেশের অভিষেক। বাংলাদেশের কিংবদন্তি দল প্রথম বার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সেই দলের অন্যতম পরিচিত নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩ অক্টোবর প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণে মোট ২৪টি লিগ ম্যাচ হবে। শারজা এবং দুবাইয়ের মাঠে হবে ম্যাচগুলি। লিগ পর্বের পর ১৬ অক্টোবর সেমিফাইনাল এবং ১৮ অক্টোবর ফাইনাল হওয়ার কথা।ফলে পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার যে দাবি সামনে এসেছে, তা অন্তত বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী সঠিক নয়। বরং পাকিস্তান এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম অংশগ্রহণকারী দল এবং ১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচও সূচিতে রয়েছে। গতবারের বিতর্কের পর এবার সেই ম্যাচ সত্যিই মাঠে গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দেশ

যৌনাঙ্গ কাটা, চারতলা থেকে ঝাঁপ! প্রেমানন্দের শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুতে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধি ওরফে রসিক দুলারি শরণের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন। পঁচিশ বছরের দীপক উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে উপর থেকে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে তিনি ছাদ থেকে পড়েছিলেন, তা এখনও তদন্তের বিষয়।দীপক মূলত মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দুবছর আগে তিনি বৃন্দাবনে আসেন। পরে প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়ে রসিক দুলারি শরণ নাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বৃন্দাবনেই থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর দীপকের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি গ্রাইন্ডার উদ্ধার করা হয়। সেটিতে রক্তের দাগ ছিল বলে পুলিশ ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীপকের শরীরে যৌনাঙ্গে কাটার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রাইন্ডারটি কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেটিতে থাকা রক্ত কার, তা জানতে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।এই গ্রাইন্ডারই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠেছে। সেটি দিয়েই দীপকের শরীরে ওই আঘাত করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। তদন্তকারীরা ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন।দীপকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে গুরুতর আঘাতও হয়েছিল। ফলে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বুঝতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ফরেন্সিক প্রমাণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দীপকের ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদের দিকে যাওয়ার সময় এবং পরে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শেষ কয়েক মিনিটের গতিবিধি এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিজেই ওই কাজ করেছিলেন, নাকি অন্য কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ দীপকের মোবাইল ফোন, ডায়েরি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের তরফে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।ফলে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যু আপাতত একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে তদন্তকারীদের। চারতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়লেও তার আগে কী ঘটেছিল, ঘরে রক্তমাখা গ্রাইন্ডার কেন ছিল এবং শরীরে কাটার চিহ্নের সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি নাএসব প্রশ্নের উত্তর ফরেন্সিক পরীক্ষা ও তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ঘটনাটিকে ঘিরে কোনও একটি তত্ত্বকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ইন্টারভিউ থেকে প্যানেল, সব তালিকাতেই বদল! একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে এসএসসির বড় সিদ্ধান্ত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আগের মেধাতালিকা ও প্যানেল পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই সংশোধিত শূন্যপদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট শূন্যপদ ১২ হাজার ৪৪৫টি।এর আগে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। পরে রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণের কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের মেধাতালিকা নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ভিত্তিতেই একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ এবং সংরক্ষণের হিসাব নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।ফলে আগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের যে প্রক্রিয়া চলছিল, তাতে পরিবর্তন আসছে। নতুন করে সংশোধিত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এরপর নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।তবে আগে যাঁরা ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে সেই ধাপগুলিতে অংশ নিতে হবে না। তাঁদের আগের লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর, ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানের নম্বরই নতুন মূল্যায়নে বিবেচনা করা হবে বলে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে জানা যাচ্ছে।নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই করা হবে। সেই যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ধাপে এগোবে কমিশন। সংশোধিত মেধাতালিকার ভিত্তিতেই পরবর্তী কাউন্সেলিং এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।এই পরিবর্তনের ফলে আগের তালিকায় থাকা কিছু প্রার্থীর অবস্থান বদলাতে পারে। আবার নতুন সংরক্ষণ কাঠামোর কারণে এমন কিছু প্রার্থীও নতুন তালিকায় সুযোগ পেতে পারেন, যাঁরা আগের তালিকায় প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলেন না। তবে ঠিক কতজন প্রার্থীর অবস্থান বদলাবে বা কতজন আগের তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, তা সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়ায় আগে প্রকাশিত তালিকা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের মূল কারণই হল সংরক্ষণ বিধির পরিবর্তন। কমিশন জানিয়েছে, নতুন নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর ফলে আগের তালিকার পরিবর্তে সংশোধিত মেধাতালিকাই নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একাদশ-দ্বাদশের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছিল। পরে সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তনের কারণে পুরো মেধাতালিকা পুনর্গঠনের প্রয়োজন তৈরি হয়।এখন চাকরিপ্রার্থীদের নজর সংশোধিত চূড়ান্ত মেধাতালিকার দিকে। নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, কার অবস্থান কোথায় বদলাল এবং কারা শেষ পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ পেলেন। কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির উপরেই এখন নির্ভর করছে একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ছয় সেকেন্ডেই গলে গেল গোটা পাহাড়! নেপালে ভয়াবহ দৃশ্য, নদীতে মিশে গেল পাহাড়ের অংশ

নেপালে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব। প্রবল বৃষ্টি, পাহাড় ধস এবং বন্যায় একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত। মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় কালীগণ্ডকী নদীর দিকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিশাল পাহাড়ের অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। সেই সময় স্থানীয়দের চিৎকারও শোনা যায়। ধসের জেরে নদীর গতিপথ কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।টানা বৃষ্টির জেরে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েছে। মুস্তাং, মিয়াগদি, পার্বত এবং স্যাংজার মতো এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের খবর মিলেছে। পার্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকী নদীর জল ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে নেপালের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আরও ১৪ জন নিখোঁজ বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল একাধিক এলাকায় কাজ করছে। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই মানাং জেলার হিমলুং হিমালেও ভয়াবহ তুষারধস নেমেছে। রবিবার ৭১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের কাছে তুষারধসে পর্বতারোহী ও তাঁদের সহকারীদের একটি শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে প্রায় ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে উদ্ধারকারীরা চারটি দেহ উদ্ধার করেন। আরও ১২ জন এখনও নিখোঁজ বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এই নতুন বিপর্যয় এমন সময়ে ঘটল, যখন গত ২৬ অগস্টের ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান থেকে এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেপাল। সেই ঘটনায় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়িঘর, সেতু, রাস্তা এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, সেই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা এক হাজার চারশোরও বেশি এবং নিখোঁজের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।২৬ অগস্টের বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালের একাধিক এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। কিন্তু নতুন করে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড় ধস পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গতদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।মুস্তাংয়ের পাহাড় ধসের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চোখের সামনে পাহাড়ের বিশাল অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সময়ে মানাংয়ে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।নেপালে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উদ্ধারকাজ এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টি ও নতুন করে ধস নামার আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকাগুলিতে সতর্কতাও জারি রাখা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সোনার বাজারে ভূমিকম্প! এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, কলকাতায় আজ ২২ ক্যারেটের দাম জানলে চমকে যাবেন

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝে ভারতীয় বাজারে পতন লক্ষ্য করা গেল সোনার দামে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতি গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫,০১৭ টাকায়, যা গত ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় গ্রাম প্রতি ২৫১ টাকা কম। একইভাবে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামও কমেছে। ভারতে আজ সোনার দর (প্রতি গ্রাম ও ১০ গ্রাম)২৪ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৫,০১৭ টাকা (১০ গ্রামে ১,৫০,১৭০ টাকা)। ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় দর কমেছে ২৫১ টাকা।২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৩,৭৬৫ টাকা (১০ গ্রামে ১,৩৭,৬৫০ টাকা)। দর কমেছে ২৩০ টাকা।১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১১,২৬৩ টাকা (১০ গ্রামে ১,১২,৬৩০ টাকা)। দর কমেছে ১৮৮ টাকা।প্রধান শহরগুলিতে আজ সোনার দর (প্রতি ১০ গ্রাম)কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৩০ টাকা।দিল্লি: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,৩২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৮০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৭৮০ টাকা।চেন্নাই: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১৫,৩৫০ টাকা।আহমেদাবাদ ও বরোদা: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,২২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৭০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৮০ টাকা।কেন কমছে সোনার দাম?অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপই দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমার প্রধান কারণ। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম Giottus.com-এর সিইও বিক্রম সুব্বুরাজ জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪,২২৪ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ইউএস ফিউচার্স প্রতি আউন্সে প্রায় ৪,২৫৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডলারের শক্তি বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার কারণে অলঙ্কার ও সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা সাময়িকভাবে কমছে। তবে অন্যদিকে, রুপোর বাজারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এমসিএক্স (MCX)-এ সিলভার মিনি কন্ট্রাক্ট প্রতি কেজিতে প্রায় ২,৩৬,৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাআন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সামুদ্রিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে গেছে। চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই দুই দেশ পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মার্কিন হামলার জবাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্যও তৈরি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা ও দামের ওপর দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বজায় থাকছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হাতছাড়া হতে চলেছে মমতার সাধের প্রতীক?

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলায় বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূলের ভেতরে চলা উপদলীয় কোন্দলের জেরে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য পেশ করতে হবে এবং তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতা বজায় রাখতে দ্রুত এই বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দলের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল (Flowers Grass) প্রতীক ফ্রিজ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই বিরোধী গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিতর্ক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিকল্প নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ঠিক ১০ দিন পর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পৃথক গোষ্ঠীই নিজেদের প্রার্থী মনোনীত করেছিল।কমিশনের ওই নির্দেশিকায় বর্তমানে বিকল্প প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে দুই শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ফুটবলার প্রতীক নিয়ে এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির নির্বাচন লড়ছে খাম (Envelope) প্রতীক নিয়ে। তবে দলের আসল মালিকানা ও নাম-প্রতীক কার দখলে যাবে, আগামী ৩ মাসের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal