• ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Commission

রাজ্য

ভোট প্রচারে রোড শো, মিছিল বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

করোনা আবহে রাজ্যে চলছে টানা আট দফা ভোট। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণও। বৃহস্পতিবারও রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার ছুঁইছুঁই। এই পরিস্থিতিতে ভোটের পদ্ধতি নিয়ে এদিনই হাই কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন । তারপরই নড়েচড়ে বসেন দিল্লির কর্তারা। এদিন সন্ধেবেলা নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন সমস্ত মিছিল, রোড শোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করল। সূত্রের খবর, এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও পৌঁছেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে।এর আগে চতুর্থ দফা ভোটের পরই কমিশন প্রচারের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত প্রচার করা যাবে, তারপরে কোনও রকম প্রচার চলবে না। ভোটের দিনের ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করে ফেলতে হবে। জনসভায় ৫০০ জনের বেশি সমাগমে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।করোনা পরিস্থিতিতে সেই নির্দেশিকা মেনেও নেন সকলে। তার আগেই অবশ্য রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে দেখে বাম দলগুলি প্রচার বন্ধ করেছিল। এ নিয়ে সর্বদল বৈঠকে তৃণমূলও ভার্চুয়াল প্রচারের কথা বলেছিল। তবে বিজেপি প্রচার সম্পূর্ণরূপে বন্ধের বিরোধিতা করে। এসবের জেরে নির্দিষ্ট সময় মেনেই এতদিন প্রচার চলছিল। তা সত্ত্বেও জনগণের একাংশই এই প্রচারের বিরুদ্ধে মত পোষণ করছিলেন। তবে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফা ভোট শেষ হতেই নির্বাচন কমিশন নয়া নির্দেশিকা জারি করল। সবরকম রোড শো, পদযাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হল। জনসভা করলেও ৫০০ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো না হন, সে বিষয়ে আরও কড়াভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। প্রসঙ্গত, শেষ দু দফা ভোটের আগেই কলকাতায় রোড শো করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। রোড শোর সূচি ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহরও। এদিন কমিশনের নির্দেশিকার পর সেসবও বাতিল হয়ে গেল।

এপ্রিল ২২, ২০২১
রাজ্য

ভোট প্রচারে রোড শো, মিছিল বন্ধের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

করোনা আবহে রাজ্যে চলছে টানা আট দফা ভোট। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণও। বৃহস্পতিবারও রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার ছুঁইছুঁই। এই পরিস্থিতিতে ভোটের পদ্ধতি নিয়ে এদিনই হাই কোর্টের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল নির্বাচন কমিশন । তারপরই নড়েচড়ে বসেন দিল্লির কর্তারা। এদিন সন্ধেবেলা নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন সমস্ত মিছিল, রোড শোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করল। সূত্রের খবর, এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকাও পৌঁছেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে।এর আগে চতুর্থ দফা ভোটের পরই কমিশন প্রচারের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত প্রচার করা যাবে, তারপরে কোনও রকম প্রচার চলবে না। ভোটের দিনের ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করে ফেলতে হবে। জনসভায় ৫০০ জনের বেশি সমাগমে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।করোনা পরিস্থিতিতে সেই নির্দেশিকা মেনেও নেন সকলে। তার আগেই অবশ্য রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে দেখে বাম দলগুলি প্রচার বন্ধ করেছিল। এ নিয়ে সর্বদল বৈঠকে তৃণমূলও ভার্চুয়াল প্রচারের কথা বলেছিল। তবে বিজেপি প্রচার সম্পূর্ণরূপে বন্ধের বিরোধিতা করে। এসবের জেরে নির্দিষ্ট সময় মেনেই এতদিন প্রচার চলছিল। তা সত্ত্বেও জনগণের একাংশই এই প্রচারের বিরুদ্ধে মত পোষণ করছিলেন। তবে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফা ভোট শেষ হতেই নির্বাচন কমিশন নয়া নির্দেশিকা জারি করল। সবরকম রোড শো, পদযাত্রা বন্ধ করে দেওয়া হল। জনসভা করলেও ৫০০ জনের বেশি লোক যাতে জড়ো না হন, সে বিষয়ে আরও কড়াভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। প্রসঙ্গত, শেষ দু দফা ভোটের আগেই কলকাতায় রোড শো করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। রোড শোর সূচি ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহরও। এদিন কমিশনের নির্দেশিকার পর সেসবও বাতিল হয়ে গেল।

এপ্রিল ২২, ২০২১
রাজ্য

চলল গুলি, পড়ল বোমা, 'শান্তিপূর্ণ ষষ্ঠ দফার ভোট', জানাল কমিশন!

চলল গুলি,পড়ল বোমা। বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যেই শেষ হল ষষ্ঠ দফার ভোট। কমিশনের চোখে অবশ্য শান্তিপূর্ণ ভোটই হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব জানান, ষষ্ঠ দফার ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে।বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফায় ৪ জেলার ৪৩ আসনে ভোট গ্রহণ হয়। অশান্তি এড়াতে বুধবার থেকেই কয়েকটি এলাকাকে বিশেষ তালিকাভুক্ত করেছিল কমিশন। এ ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি ৫২ জন পর্যবেক্ষককে নিয়োগও করেছিল কমিশন। বেশ কিছু অশান্তির ঘটনার মধ্যে দিয়েই শেষ হল ষষ্ঠ দফার ভোট। বৃস্পতিবার ব্যারাকপুরে ১০৮ নম্বর বুথে বোমাবাজি হয়। ওই ঘটনায় ৩ জন আহত হন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে কমিশন জানায়, বোমাবাজির ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে রয়েছেন ডিসি।উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা বিধানসভার ৩৫ নম্বর বুথের ২০০ মিটারের বাইরে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে। চতুর্থ দফায় শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানোর ঘটনার পর ফের গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল বাগদায়। যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় নিয়ে আরিজ বলেন, একটি সেক্টর অফিসে জমায়েতের অভিযোগ ওঠে একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে। জমায়েত হঠাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশ ও বাহিনীর উপর চড়াও হয় উন্মত্ত জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩ রাউন্ড গুলি চালায় পুলিশ। বুদ্ধ সাঁতরা নামে এক ব্যক্তি পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যুঞ্জয় সাঁতরা নামে আরও এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তবে তাঁর গুলি লেগেছে বলে প্রমাণ এখনও মেলেনি। মেডিক্যাল রিপোর্টের পরই বলা সম্ভব হবে। এ ছাড়া ওই ঘটনায় এক পুলিশ ইনস্পেক্টর এবং কনস্টেবল আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা চিকিৎসাধীন।বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফার ভোটে কাঁচরাপাড়া, অশোকনগর, মঙ্গলকোট-সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গোলমালের খবর মিলেছে। কমিশনে অভিযোগ জমা পড়েছে ১৯৯২টি। সে সব অভিযোগ নিয়ে কমিশন কোনও উচ্চবাচ্য করেনি। তারা শুধু জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গোলমালের অভিযোগে ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ৯টি তাজা বোমা। সব মিলিয়ে পঞ্চম দফার মতো ষষ্ঠ দফাতেও সুষ্ঠু ভোট হয়েছে বলে দরাজ শংসা দিলেন কমিশনের আধিকারিক।

এপ্রিল ২২, ২০২১
রাজ্য

শেষ দু'ফার ভোট একসঙ্গে সম্ভব নয়, জানাল কমিশন

করোনা আবহে একসঙ্গে করা হোক শেষ দুদফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। আর্জি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু রাজ্যের শাসকদলের সেই আর্জি মানা হল না। কমিশন জানিয়ে দিল, নির্বাচন জটিল প্রক্রিয়া। শেষবেলায় এসে আর ভোট একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। তাছাড়া, করোনা বিধি মেনে ভোট করার জন্য সমস্তরকম ব্যবস্থাও করেছে নির্বাচন কমিশন।চতুর্থ দফার ভোটের পরই বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করার আরজি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে হয়ে গেলে আর প্রচারের কোনও ব্যাপার থাকবে না। ফলে সাধারণ মানুষের জমায়েত এড়ানো যাবে। কিন্তু কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাকি ভোট আরও চার দফাতেই হবে। কিন্তু সংক্রমণের চোখ রাঙানি বাড়ার পর ফের ফের কমিশনের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল।এবার তৃণমূলের তরফে চিঠি দিয়ে আবেদন করা হল, ২৬ এবং ২৯ এপ্রিলের ভোট প্রক্রিয়া একসঙ্গে করা হোক।তৃণমূলের এই চিঠির প্রেক্ষিতে কমিশন জানিয়ে দিল, শেষ দুদফার ভোট একসঙ্গে করানো হবে না। এমনিতেই করোনার কথা ভেবে ২০১৬ নির্বাচনের তুলনায় এবছর ১১ দিন কমিয়ে আনা হয়েছে। তাছাড়া এবছর বাংলায় বুথের সংখ্যা বেড়েছে ৩২ শতাংশ। তাছাড়া করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য সন্ধে ৭টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত ভোটপ্রচার বন্ধ রাখা হয়েছে। ভোটের দিনের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের যুক্তি, নির্বাচনের সূচি অনেক দিন আগে থেকে অনেক পরিকল্পনা করে তৈরি করা হয়। তাছাড়া নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন জমা থেকে ভোটের দিনের মধ্যে অন্তত ১৪ দিনের সময় দিতে হয়। তাই কোনওভাবেই শেষ দফার ভোট এগিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

ব্যারাকপুরে অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ

রাত পোহালেই রাজ্যে ভোট ষষ্ঠী। আর এই দফায় সকলের নজরে আটকে ব্যারাকপুরে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে ভোটের সময় অশান্তিতে উত্তাল হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার এই এলাকা। তাই এবারের উত্তপ্ত আবহে এই এলাকাকে নিয়ে বিশেষ সতর্ক নির্বাচন কমিশন।ভোটের মাত্র ২৪ ঘণ্টা ব্যারাকপুরের জন্য অতিরিক্ত আরও ১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন। তিনি শুধুমাত্র বারাকপুরের ঘটনা নিয়ে কমিশনকে রিপোর্ট দেবেন। উল্লেখ্য, এ বারের ভোটে ১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে দুই বা তার বেশি বিধানসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এবার বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। তাই বিশাল বাহিনী মোতায়েন থেকে ওয়েব কাস্টিং, কিউআরটি টিমের সংখ্যা বৃদ্ধি থেকে একাধিক পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ, একাধিক পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটষষ্ঠী নির্বিঘ্নে মেটাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিল কমিশন। এই দফার ভোটে কয়েকটি এলাকাকে বিশেষ তালিকাভুক্ত করেছে কমিশন। ভোটের দিন এই এলাকাগুলিতে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে তারা। এর মধ্যে বেশির ভাগই উত্তর ২৪ পরগনা শিল্পাঞ্চলের অন্তর্গত এলাকা।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

করোনা আবহে একসঙ্গে করা হোক শেষ দুদফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। এমন আর্জি জানিয়েই এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল তৃণমূল। এদিকে, নির্বাচনী প্রচারে লাগাম টানতে হাইকোর্টে করা জনস্বার্থ মামলা নিয়ে মঙ্গলবার কড়া মনোভাব দেখালেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি।চতুর্থ দফার ভোটের পরই বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করার আর্পি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে হয়ে গেলে আর প্রচারের কোনও ব্যাপার থাকবে না। ফলে সাধারণ মানুষের জমায়েত এড়ানো যাবে। কিন্তু কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাকি ভোট আরও চার দফাতেই হবে। কিন্তু সংক্রমণের চোখ রাঙানির মধ্যে ফের একই আরজি শোনা গেল তৃণমূলের তরফে। ২২ এপ্রিল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বঙ্গে ষষ্ঠ দফার ভোট। ফলে এই দফায় আর কোনও বদল আনা সম্ভব নয়। কিন্তু এবার তৃণমূলের তরফে চিঠি দিয়ে আবেদন করা হল, ২৬ এবং ২৯ এপ্রিলের ভোট প্রক্রিয়া একসঙ্গে করা হোক। তৃণমূলের এই দাবিতে কমিশনের প্রতিক্রিয়া কী হয়, এখন তারই অপেক্ষা।এদিকে, নির্বাচনী প্রচারে রাশ টানতে হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এদিন তারই প্রেক্ষিতে নয়া নির্দেশ দিলেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণণ। ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত বিধি মেনেই যাতে প্রচার ও ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তার দায়িত্ব কমিশনকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশ, প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে গোটা প্রক্রিয়া বলবৎ করতে হবে। এ ব্যাপারে কমিশনকে সাহায্য করার এক্তিয়ার রাজ্যের রয়েছে কি না, তা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই পরিষ্কার করে জানাতে হবে হাইকোর্টকে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
কলকাতা

আধাসেনাদের অশ্লীল আক্রমণ ফিরহাদের! ভাইরাল ভিডিও

এবার পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনল বিজেপি। একটি ভাইরাল ভিডিওকে হাতিয়ার করে বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য দাবি করলেন, বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গালিগালাজ করেছেন তিনি। সুর চড়ালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। যদিও পুরমন্ত্রীর পালটা দাবি, তিনি কোনওরকম গালিগালাজ করেননি। তাঁর মুখে কথা বসানো হয়েছে। বিজেপি ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে।অমিত মালব্যর পোস্ট করা ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, প্রচারে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাম নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করছেন ফিরহাদ। বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের দল এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও গালিগালাজ করেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী। ভিডিওটি পোস্ট করে অমিত মালব্য অভিযোগ করছেন,মমতা নিজেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন, তাঁর দলের মন্ত্রীরাই বা পিছিয়ে থাকবেন কীভাবে? বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের আবার দাবি, হতাশা থেকে এই ধরনের মন্তব্য করছেন তৃণমূল নেতারা। সংখ্যালঘুদের ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে তৃণমূল। দিলীপের বক্তব্য, চাষির গরু হারিয়ে গেলে যা হয়, সেটাই হচ্ছে তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রী যা ইচ্ছা বলছেন, তাঁর মন্ত্রীরা যা ইচ্ছা বলছেন, সংখ্যালঘুদের উসকানি দিচ্ছেন। কিন্তু কেউ রাস্তায় নেই। বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অভিযোগও জানানো হয়েছে।Ye election ho jaane do, suar ke bache CISF ke against action lenge... says Firhad Hakim, TMC leader and ex-Mayor of Kolkata.If Mamata Banerjee is constantly instigating her cadres to indulge in violence against central para military forces, how can her minions be behind? pic.twitter.com/ceL1Di7xvK Amit Malviya (@amitmalviya) April 20, 2021যদিও এই ভিডিও ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ফিরহাদ নিজে। রাজ্যের পুরমন্ত্রীর দাবি, তাঁকে এবং তাঁর দলকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করছিল এক বিজেপি কর্মী। তাঁর মুখে সেই কথা বসানো হয়েছে। তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। ফিরহাদের কথায়,আমি গালাগালি কেন দেব? প্রত্যেকবার ভোটের আগে একটা করে এমন ফেক ভিডিও বিজেপি-র আইটি সেল ছড়ায়। এডিট করে দিয়েছে, বিজেপির আইটি সেল চরিত্র হনন করে। ফেক নিউজ, ফেক ভিডিও ছড়াচ্ছে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

করোনার কবলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র

রাজনীতিবিদ থেকে সেলিব্রিটি- করোনা রেয়াত করছে না কাউকেই। এবার যাঁদের উপর এই অতিমারি আবহে নির্বাচনের দায়িত্ব, তাঁরাও মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। মঙ্গলবারই জানা গেল, কোভিড-১৯-এ সংক্রমিত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র। করোনার কবলে পড়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারও।গত ১৩ এপ্রিল সুনীল আরোরার উত্তরসূরি হিসেবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ গ্রহণ করেছেন সুশীল চন্দ্র। জানা গিয়েছে, সেই সময়ই তাঁর শরীরে ভাইরাস বাসা বেঁধেছিল। যে কারণে বাড়িতে বসেই নিজের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের তরফে সরকারিভাবে জানানো হল, সুনীল চন্দ্রের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর। একইসঙ্গে এই ভাইরাসে সংক্রমিত নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারও। দুজনই বাড়ি বসে কাজ করছেন। বঙ্গে এখনও বাকি তিন দফার ভোট। ২২, ২৬ এবং ২৯ তারিখ হবে নির্বাচন। এমন পরিস্থিতিতে দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বাড়ল উদ্বেগ।করোনার ভয়াবহতার কারণে তৃণমূলের তরফে বারবার দফা কমানোর আবেদন জানানো হচ্ছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, শেষ দুদফার ভোট যাতে একসঙ্গে করানো হয়। যদিও আগেই কমিশন জানিয়েছিল পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই ভোট হবে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
রাজ্য

ফের রদবদল রাজ্য পুলিশে

শেষ তিন দফা ভোটের আগে ফের রদবদল রাজ্য পুলিশে। বদলি হলেন পূর্ব বর্ধমান, বীরভূমের পুলিশ সুপারদের। বদলে দেওয়া হল আসানসোল-দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনারকেও । সূত্রের খবর, তাৎপর্যপূর্ণভাবে বীরভূমের পুলিশ সুপারের দায়িত্বে আনা হল নন্দীগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। যিনি গত ১ তারিখ, রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন হাই ভোল্টেজ নন্দীগ্রামের বুথে তৃণমূল সুপ্রিমোর চোখে চোখ রেখে নিজের দায়িত্ব পালনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছিলেন। ভোটে অশান্তি রুখতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছিলেন, খাকি উর্দিতে তিনি কোনও দাগ লাগতে দেবেন না।বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে নির্বাচনী বিধি মেনে পুলিশ আধিকারিকদের রুটিন বদলি হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফে। সেসময়ে বীরভূমের এসপি শ্যাম সিংকে বদলি করে আনা হয়েছিল মীরাজ খালিদকে। ভোটের মাঝেই আবার এই পদে বদল করল কমিশন। মীরাজ খালিদকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল আইপিএস নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মত, এই সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্ট, উত্তেজনাপ্রবণ বীরভূম জেলাকে এবারের ভোটে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত এখানকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে আগেই নজরবন্দি করা হয়েছে। তাঁর প্রতিটি গতিবিধির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে এই জেলার দায়িত্ব দেওয়ার অন্যতম কারণ এটাই। বীরভূম জেলার ১১ টি কেন্দ্র ভোট শেষ দফায়, ২৯ এপ্রিল।এছাড়া পূর্ব বর্ধমানের ৮টি কেন্দ্রে ভোট আগামী ২২ তারিখ। তার আগে সেখানেও পুলিশ সুপার বদলি করা হল। ভাস্কর মুখোপাধ্যায়ের বদলে দায়িত্ব দেওয়া হল অজিত কুমার যাদবকে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি ছিলেন সুকেশ জৈন। তাঁর বদলে এলেন মিতেশ জৈন। এখানে ভোট সপ্তম দফায়, ২৬ তারিখ। বোলপুরের নতুন এসডিপিও হলেন নাগরাজ দেবরাকোন্দা। এতদিন এই পদে ছিলেন অভিষেক রায়।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

বাড়তি সতর্কতায় শান্তিপূর্ণ পঞ্চম দফা, জানাল কমিশন

শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটেছে পঞ্চম দফার ভোট। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটলেও বড় কোনও অশান্তির খবর নেই। শনিবার ভোট শেষে এমনটাই জানালেন কমিশনের আধিকারিকরা। শনিবার পঞ্চম দফায় রাজ্যের মোট ৪৫টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই দফায় কিছু জায়গায় অশান্তির খবর পাওয়া গেলেও মোটের উপর ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে অভিমত কমিশনের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব বলেন,পঞ্চম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। দুএকটি জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তা খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। নদিয়ার চাকদহে বুথের বাইরে বন্দুক হাতে ধরা পড়েন নির্দল প্রার্থী কৌশিক ভৌমিক। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় কমিশন। এ ছাড়া গয়েশপুরে বিজেপি কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, পঞ্চম দফার ভোটে সব মিলিয়ে মোট ১২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনকে আগাম আটক করা হয়েছিল।চতুর্থ দফার ভোটে কোচবিহারে অশান্তির পর এই দফায় বাড়তি সতর্কতা নিয়েছিল কমিশন। ভোটের ৭২ ঘন্টা আগেই প্রচার শেষের নির্দেশ দেয় কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি অশান্তি এড়াতে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হয়। অশান্তির সম্ভাবনা রয়েছে এমন বুথগুলিতে ভিডিওগ্রাফি বাড়ায় কমিশন। এর পাশাপাশি ১৪৪ ধারা রয়েছে এমন এলাকায় কঠোর থাকতে বলা হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এই সব পদক্ষেপই গন্ডগোল এড়াতে কাজে দিয়েছে বলে মত কমিশনের। কিছু জায়গায় প্রার্থীকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। তা নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলো সরব হয়েছে। কমিশন অবশ্য জানাচ্ছে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে প্রার্থীদের বুথে না আটকানোর কথা বলা হয়েছে। তারপরও যে সমস্ত অভিযোগ এসেছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেক জায়গায় কোভিড বিধি মানা হচ্ছে না বলেও স্বীকার করছে কমিশন। আগামী দফার ভোট থেকে কোভিড বিধির উপর বাড়তি নজর দেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

করোনা পরিস্থিতিতে কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্যে শনিবার পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ। এর পরেও ৩ দফার ভোট রয়েছে। কিন্তু এখন থেকে আর বাকি দফাগুলিতে রাত পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার করতে পারবে না রাজনৈতিক দলগুলি। শুক্রবার নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক জনসভা বা রোড-শো করা যাবে না। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে কমিশন জানিয়েছে, বাকি তিন দফার ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণের ৭২ ঘণ্টা আগেই শেষ হয়ে যাবে প্রচারের সময়সীমা। সাধারণ ভাবে ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হয় প্রচারপর্ব। প্রসঙ্গত, রাজ্যে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রেও ৭২ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।গোটা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৯১০ জন। এর মধ্যে কলকাতায় আক্রান্ত ১ হাজার ৮৪৪ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্ত ১ হাজার ৫৯২। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। তার জেরে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ১০ হাজার ৫০৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ৯ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।আগামী দফাগুলিতে যে সব জায়গায় ভোটগ্রহণ রয়েছে সেখানেও করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধির সংখ্যা রীতিমতো উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতিতে শেষ ৩ দফার ভোটগ্রহণ একসঙ্গে করার দাবিও উঠেছিল। যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে সমস্যার কথা মাথায় রেখে সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার একটি সর্বদল বৈঠকও করে কমিশন। সেখানে অবশ্য নতুন কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। তবে দুপুরের বৈঠকে হাজির সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের কঠোরভাবে কোভিড বিধি মেনে চলার বার্তা দেওয়া হয়। এর পরেই সন্ধ্যায় দিল্লি থেকে প্রচারের সময় কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানাল কমিশন।এই সিদ্ধান্ত জানানোর পাশাপাশি করোনাবিধি মেনে চলার জন্য নতুন করে সতর্কতাও জারি করেছে কমিশন। বলা হয়েছে, প্রত্যেক প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলকে করোনাবিধি কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। কোনও রকম শিথিলশিথিলতা চলবে না। কোনও নিয়ম ভাঙলে কমিশন আইনগত ব্যবস্থা নেবে। ফৌজদারি মামলা করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে কমিশন। বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে সব সভা, সমাবেশ হবে সেখানেও প্রত্যেকের মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতামূলক। পর্যাপ্ত স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও রাখতে হবে। এই বাবদ যে খরচ হবে সেটা বহন করতে হবে প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলোকেই। নির্বাচন কমিশন প্রার্থী ও দলের জন্যে খরচের যে সীমা বেঁধে দিয়েছে তার থেকেই মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের প্রচারে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার দিলীপ ঘোষের প্রচারের উপর ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন । শীতলকুচি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে খবর। ফলে ১৫ এপ্রিল সন্ধে ৭টা থেকে ১৬ এপ্রিল সন্ধে ৭টা পর্যন্ত প্রচার করতে পারবেন না তিনি।এদিকে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুকে নোটিস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর মন্তব্যের জেরে নির্বাচনবিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে মনে করছে কমিশন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাবে সন্তুষ্ট না হলে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে কমিশন।শীতলকুচিকাণ্ড নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এর পরই বিজেপি নেতাকে শোকজ করেছিল কমিশন। তার জবাবও দিয়েছিলেন দিলীপ। কিন্তু সেই জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি কমিশন। আর তাই এবার তাঁর প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। সায়ন্তন বসুর শীতলকুচি নিয়ে মন্তব্যের বিরুদ্ধে চিঠি দিয়েছে কমিশন। দিন কয়েক আগেই এক সভাতে বিজেপি নেতা দাবি করেছিলেন, আমাদের সঙ্গে বেশি খেলতে আসবেন না। তাহলে আমরা শীতলকুচির মতো খেলা খেলব। প্রথমবারের জন্য ভোট দিতে গিয়ে নিহত হয়েছিল আনন্দ বর্মন। উনি আমাদের এক শক্তি প্রমুখের ভাই। এর বদলা নিতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আমাদের। ওদের চারজনকে স্বর্গের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছি। তাঁর এই মন্তব্যে নির্বাচনীবিধি ভঙ্গ হয়েছে বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধিতে চিন্তিত কমিশন, শুক্রবার সর্বদল বৈঠকের ডাক

রাজ্যে এক দিকে নির্বাচন চলছে, অন্য দিকে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা নয়া রেকর্ড ছুঁয়েছে। কিন্তু কোনও মতেই প্রচারের জন্য জমায়েতে রাশ টানা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় সর্বদল বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।কমিশনের তরফে রাজ্যের ১০টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি লিখে এ কথা জানানো হয়েছে। ১৬ এপ্রিল, শুক্রবার, দুপুর ২টোর সময় কমিশনের রাজ্য দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়েছে তাদের। স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি দল থেকে ১ জন করে প্রতিনিধি যাবেন এই বৈঠকে। কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নয়, শুক্রবারের বৈঠকে এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগমোহন ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও প্রচারে জমায়েত কমানো যাচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। মঙ্গলবার এই ব্যাপারে শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রচারের সময় যাতে কোভিড গাইডলাইন মেনে চলা হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে। মাস্ক পরা, নির্দিষ্ট দূরত্ব বিধি মেনে চলার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পরেই বৈঠক ডাকা হয়েছে কমিশনের তরফে। কী ভাবে কোভিড বিধি মেনে প্রচার করা যাবে সেটা নিয়েই কথা হবে শুক্রবারের বৈঠকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজনীতি

এবার কমিশনের কোপে রাহুল, দিলীপ, শুভেন্দু

এবার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে মন্তব্যের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্বাচন কমিশন। তার পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে থাকে বিজেপি নেতারা একাধিক বার আপত্তিকর মন্তব্য করলেও, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠতে থাকে। এহেন পরিস্থিতিতে রাহুল সিনহার প্রচার ৪৮ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচি নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকেও শোকজ নোটিস পাঠানো হল। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে উত্তর দিতে হবে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। শুভেন্দু অধিকারীকেও সতর্ক করা হয়েছে। বিতর্কিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা যান ৪ জন। যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ছেলেকে যারা গুলি করেছে, তাদের নেত্রী আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। মস্তানরাজ কায়েম করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। এরপরই জুড়ে দেন, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিক কাজ করেছে। তাদের উপর বোমা ছোঁড়া হচ্ছে। আবারও গোলমাল করলে এই জবাবই দেবে। কেন চারজনকে মারল? ৮ জনকে গুলি করে মারা উচিত ছিল। এর জন্য বাহিনীকেই শোকজ করা উচিত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করার পর রাহুলের এই বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ধর্মতলার গান্ধি মূর্তির পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছেন। তার মাঝেই কমিশনের তরফে রাহুলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সামনে এল। যদিও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়নি বলে জানা গিয়েছে। রাহুলকে নোটিস পাঠানো না হলেও দিলীপকে শোকজ করা হয়েছে কমিশনের তরফে। এর আগে রবিবার বরাহনগরের সভা থেকে হুমকির সুরে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, সকলে ভোট দিতে যাবেন। কেউ যদি বাধা দেয়, কোনও কথা শুনবেন না। আমরা সব দেখে নেব। মাথায় রাখবেন কেউ বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে। বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। তার পর কমিশনের এই পদক্ষেপ।এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার পর শুভেন্দু অধিকারীকে শোকজ নোটিস ধরায় কমিশন। কিন্তু শুভেন্দুর দেওয়া উত্তরে কমিশন সন্তুষ্ট নয় বলে জানা গিয়েছে। সে কথা জানিয়ে, কমিশন শুভেন্দুকে আপাতত সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। যে কোনও রকম বিতর্কিত মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
কলকাতা

মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি কমিশনের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনও রকমের নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে তারা সন্তুষ্ঠ নয়। সে কারণেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর মমতা টুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি এর প্রতিবাদে গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসবেন।এর ফলে মমতার মঙ্গলবারের সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার কথা ছিল। শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রবিবার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলকুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপি-র নির্দেশে। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপি-র শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ। দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন বলেন, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।কোচবিহারের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে একহাত নেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল মিলে ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার মন্তব্যে এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং কোচবিহারের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন। তার জন্য মমতাকেও নোটিস পাঠানো হয়।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

আত্মরক্ষার্থেই গুলি, রিপোর্ট গেল কমিশনে

চতুর্থ দফার ভোটেও প্রাণহানি অব্যাহত। তবে এ বার অভিযোগের আঙুল ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। কোচবিহারের শীতলকুচিতে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যদিও নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে তা খারিজ করে দিলেন রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে বলে কমিশনকে জানিয়েছেন তিনি।শনিবারের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিতেই গোটা ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ভার যাদের হাতে, তাদের গুলিতেই ভোটারদের মৃত্যুর তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল। এ সব নিয়ে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, সেই সময় কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে বিবেক জানালেন, শীতলকুচির জোড়পাটকির যে ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে ঝামেলা চলছিল। তাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে কুইক রেসপন্স টিম পাঠানো হয়। এর পর দুপক্ষের সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। সেই পরিস্থিতি সামলাতে ময়দানে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু গ্রামের মানুষ তাদের ঘিরে ধরেন। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেই সময় আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এমন রিপোর্টই বিবেক দিয়েছেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিবেকের এই যুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিবেকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, গুলি চালিয়ে মানুষগুলিকে মেরে ফেলে এখন আত্মরক্ষা বলে চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা।শীতলকুচির সাধারণ মানুষও গোটা ঘটনার জন্য কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোড়পাটকির এক বাসিন্দার প্রশ্ন, পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে পায়ে গুলি চালাতে পারত কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদম নিশানা করে প্রত্যেকের বুকে গুলি লাগল কী ভাবে? স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদেরও একই অভিযোগ। তাঁদের দাবি, বুথে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীই গুলি চালায়। তবে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের ধস্তাধস্তি এবং রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে জানিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

করোনাবিধি না মানলে বিনা নোটিসেই বন্ধ হতে পারে সভা-মিছিল

লাফিয়ে বাড়ছে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ। ১ এপ্রিল থেকে গত দশ দিনে রাজ্যে সংক্রমণ তিনগুণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। চতুর্থ দফার ভোট শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে, শুক্রবার কমিশন জারি করেছে কঠোর নির্দেশিকা। তাতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, এইভাবে চলতে থাকলে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ করার পথে যাবে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্বের নির্দেশ না মানা হলে প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো নিষিদ্ধ করা হবে।উল্লেখ্য, কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যু। দুইয়ের নিরিখে গতবছরের মতো এবারও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে শীর্ষে কলকাতা। অন্তত রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তথ্য তাই বলছে। মানে, কুড়ির করোনাপর্বের সুচনালগ্নের রিরান শুরু হয়েছে একুশেও। এমতাবস্থায় আগেরবারের মতোই কোমরবেঁধে নেমে পড়েছে প্রশাসন। আগামী সপ্তাহেই স্বাস্থ্যদপ্তর ও কলকাতা পুরসভা যৌথভাবে মহানগরের ঘনবসতি এলাকায় ফের বুথ করে করোনা পরীক্ষা অভিযানে নামছে। তথ্য বলছে, গতবছরের ১৫ অক্টোবর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩,৭২০। তবে সেই সময়ে দৈনিক কোভিড পরীক্ষা ৪১ হাজার ছাড়িয়েছিল। এখন পরীক্ষা কম। কিন্তু সংক্রমণ দ্রুত ছড়ানোর এমন চিত্রে চোখ বুলিয়ে যারপরনাই দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যকর্তারা। তাঁরা দুষছেন আট দফা লম্বা ভোটকে। বিহার ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের কোভিড বিধি মানার যে নির্দেশিকা ছিল সেটিই এবারে পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে ফের জারি করা হয়েছিল। শুক্রবার নতুন নির্দেশে কমিশন জানিয়েছে, ওই নির্দেশিকা মেনে চলছে না রাজনৈতিক দলগুলি। যদি দেখা যায়, সভায় বা মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা মাস্ক পরছে না এবং মঞ্চে নেতারা শারীরিক দূরত্ব রক্ষা করছেন না তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বিনা নোটিসেই নিষিদ্ধ করা হবে। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই এখনও বিধানসভা ভোট শেষ হওয়া বাকি। রাজ্যে পরবর্তী চার দফার প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলিকে যে সতর্ক হতেই হবে তা এদিন রাতের নির্দেশিকায় স্পষ্ট।বড় বড় সভার ক্ষেত্রে সেটা হওয়া আদৌ কতটা সম্ভবপর তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ফলে কমিশনকে কঠোর পদক্ষেপ করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে কোনও কোনও ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বন্ধ হতে পারে। শুক্রবার রাতে কমিশনের এই নির্দেশিকার কথা জানাজানি হওয়ার পর চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নেতাদের কপালে। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের এক কর্তার কথায়, কোভিড সংক্রমণ কলকাতার চৌহদ্দি ছাড়িয়ে বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও ছড়িয়েছে। ভোটের কারণে কলকাতা থেকে যাঁরা জেলায় যাচ্ছেন তাঁদের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুকে নোটিস নির্বাচন কমিশনের

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেগম বলে সম্বোধন করে কমিশনের কোপে পড়লেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার শুভেন্দুকে এ বিষয়ে শোকজ নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ অর্থাৎ নন্দীগ্রামে ভোটের শেষ প্রচারের দিন প্রতিপক্ষ প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে মমতা বেগম বলে উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তৃণমূল শিবির প্রথমেই তীব্র আপত্তি তোলে। এটা অসম্মানজনক বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। সেই অভিযোগ ভালভাবে খতিয়ে দেখে ভোট হয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর শুভেন্দুর সেই মন্তব্যকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বলে চিহ্নিত করেল কমিশন। আর তারপরই শুভেন্দুকে নোটিস পাঠানোর মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর। যদিও কমিশনের এই শোকজ নোটিস নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি শুভেন্দু অধিকারী কিংবা গেরুয়া শিবিরের কেউই।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের উপর হামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ১৬

দিলীপ ঘোষের উপর হামলার ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে কোচবিহারের শীতলকুচি। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কমপক্ষে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।বুধবার শীতলকুচিতে সভা ছিল রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের। সেই সভা সেরে বেরনোর সময় দিলীপের কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, যে মাঠে তাঁর সভা হয়েছিল, সেখানেই আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয়। দিলীপের অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও দুটি বোমা পড়েছে। শুধু তাই নয়, আধলা ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তাঁর নিজের গায়েও ইটের আঘাত লেগেছে। কনভয়ের অন্য গাড়িতেও বোমা পড়েছে বলেও দাবি করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই তোলপাড় শুরু হয়। তদন্তে নামে পুলিশ।অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদ, অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে কলকাতায় কমিশনের বাইরে ধরনা দেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও দলের নেতা-কর্মীরা। ফলে কোচবিহারের ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কলকাতাতেও। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতভর কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায় বোমাবাজি করা হয়। বিজেপি ও তৃণমূল উভয় দলের কর্মীরাই অভিযোগ করেছেন রাতে তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এবিষয়ে কোচবিহারের এসপি দেবাশিস ধর বলেন, গতকাল প্রায় ১৫০ জন ঘটনাস্থলে ছিল। রাতভর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসপি জানিয়েছেন, এই ঘটনার কারণেই ভোটে শুধু কোচবিহারেই ১৮৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশন। থাকবে ৬ হাজার রাজ্যপুলিশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বৈভবের ঝড়, ময়ঙ্কের আগুনে বোলিং—জিম্বাবোয়েকে হারিয়ে শ্রেয়সের প্রথম জয়

আয়ারল্যান্ডে হোয়াইটওয়াশ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হতাশাজনক হারের পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখল ভারত। হারারের মাঠে জিম্বাবোয়েকে সহজেই হারিয়ে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে নিল টিম ইন্ডিয়া। এই জয়ের নায়ক দুই তরুণময়ঙ্ক যাদব এবং বৈভব সূর্যবংশী।টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রেয়স। তাঁর ভরসার প্রতিদান দেন ভারতীয় তরুণ বোলাররা। ২১ মাস পর জাতীয় দলে ফিরে প্রথম ওভারেই ময়ঙ্ক যাদব ঘণ্টায় ১৪৯ কিলোমিটার গতিতে বল করে ওপেনার বেনেটকে ফিরিয়ে দেন। অন্য প্রান্তে প্রিন্স যাদবও দুর্দান্ত বোলিং করেন।জিম্বাবোয়ের ব্যাটাররা শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও বড় রান করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবোয়ে সাত উইকেটে মাত্র ১২৫ রান তোলে।১২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আউট হন অভিষেক শর্মা। কিন্তু এরপরই ঝড় তোলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১৮ বলে আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের প্রথম অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল চারটি চার ও চারটি ছক্কা।বৈভবের এই ইনিংস শুধু ভারতকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়নি, গড়েছে বিশ্বরেকর্ডও। মাত্র ১৫ বছর ১১৮ দিন বয়সে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অর্ধশতক করা বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার এখন বৈভব।ঈশান কিষান ২৪ বলে ৩৫ রান করেন। শেষ পর্যন্ত শ্রেয়স আইয়ার ২৮ রানে অপরাজিত থেকে মাত্র ১৩.২ ওভারে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।এই জয়ে ভারত শুধু সিরিজে ভালো শুরু করল না, বরং ময়ঙ্ক যাদবের প্রত্যাবর্তন ও বৈভব সূর্যবংশীর বিস্ফোরক ব্যাটিং ভবিষ্যতের জন্য বড় আশার আলো দেখাল।

জুলাই ২৩, ২০২৬
দেশ

নিট প্রশ্নফাঁসে মুখ খুললেন অভিনব বিন্দ্রা, এক বার্তায় নাড়িয়ে দিলেন দেশকে

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে যখন প্রতিবাদের ঝড়, তখন মুখ খুললেন ভারতের প্রথম ব্যক্তিগত অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী অভিনব বিন্দ্রা। তিনি স্পষ্ট জানালেন, শিক্ষা এমন একটি বিষয় যা গোটা দেশের মানুষকে একসঙ্গে প্রভাবিত করে। তাই রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিন ধরে নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ চলছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন পড়ুয়া, অভিভাবক এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশনেও বসেছেন। সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে লক্ষাধিক পড়ুয়া সংসদ ভবন অভিযানে অংশ নেন। সেই বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছোড়া এবং মহিলা আন্দোলনকারীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে এক্স মাধ্যমে অভিনব বিন্দ্রা লেখেন, আমি কখনও রাজনীতিতে ছিলাম না। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যা গোটা দেশের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। শিক্ষা ব্যবস্থা তার মধ্যে অন্যতম। এটাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। আশা করি আমরা সবাই একজোট হয়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করব।I have never considered myself a political person. But I do believe that some issues belong to all of us, regardless of where we stand. Education is one of them.The measure of a nation is found not only in its economy or its achievements, but in the opportunities it creates for Abhinav A. Bindra OLY (@Abhinav_Bindra) July 23, 2026বিন্দ্রা কোনও রাজনৈতিক পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষভাবেই নিজের মত প্রকাশ করেছেন। তবে নিট ইস্যুতে অন্য ক্রীড়াতারকারাও মুখ খুলেছেন। সানিয়া মির্জা পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন, তাঁদের কণ্ঠস্বর শোনা দরকার এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি। অন্যদিকে শিখর ধাওয়ান যুবসমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে সরকারের উপর ভরসা রাখার কথা বলেছেন।নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিনব বিন্দ্রার মতো একজন জাতীয় আইকনের মন্তব্য শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনে দিল।

জুলাই ২৩, ২০২৬
দেশ

সিকিমের সুড়ঙ্গে মৃত্যুমিছিল, তিনদিন পরও চলছে উদ্ধার—আরও কত দেহ ভিতরে?

সিকিমের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস ও মিথেন গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বৃহস্পতিবার শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, টানেল থেকে ২৫টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে, আর সেই সঙ্গেই দুর্ঘটনার কারণ জানতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সিকিম সরকার।সোমবার দক্ষিণ সিকিমের সামারডুং এলাকায় তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের হেড রেস টানেল-এ ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। টানেলের ভিতরে মিথেন গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ও ধসের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া ২৫ জনের মধ্যে মাত্র ১১ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, এখনও টানেলের ভিতরে কিছু দেহ আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বিষাক্ত গ্যাস, অন্ধকার এবং ধসে পড়া অংশের কারণে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, এনএইচপিসি, প্যাটেল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস এবং ওয়েস্টার্ন কোলফিল্ডস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।উদ্ধারকাজে গতি আনতে আসানসোলের ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড থেকে বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বুধবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচটি দেহ উদ্ধার করা হয়।দুর্ঘটনার তদন্তে সিকিম সরকার চার সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। মুখ্যসচিব আর তেলং-এর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ দিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। কমিটিতে রয়েছেন সিকিম পুলিশের আইজি তাশি ওয়াংয়াল, খনি ও ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর ফিগু শেরিং ভুটিয়া, অতিরিক্ত অধিকর্তা কেশর লুইটেল এবং সিআইডি-র ডিআইজি তেনজিং লোডেন লেপচা।এনএইচপিসি নিহতদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে এককালীন আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে। সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং জানিয়েছেন, কোথায় গাফিলতি ছিল এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৩, ২০২৬
দেশ

নিট প্রশ্নফাঁসে দিল্লি অবরুদ্ধ! রাহুলের মিছিলে ব্যারিকেড, বন্ধ ইন্টারনেট

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে উত্তেজনা আরও বাড়ল। আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের সমর্থনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা গান্ধী স্মৃতিস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলের সাংসদরা তিনটি বাসে করে সেখানে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন।পুলিশ আগেই ওই এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। পথে একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয়, যাতে মিছিল এগোতে না পারে। রাহুল গান্ধী জানান, নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়াতেই এই পদযাত্রা। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে বিরোধীরা একজোট হয়েছে।এর আগে বিকেলে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের বৈঠক হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আন্দোলনকারীদের সমর্থনে গান্ধী স্মৃতিস্থলে গিয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে।অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যন্তর মন্তর ও তার আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কনৌট প্লেস এলাকায় জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের জমায়েতের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। পড়ুয়াদের আন্দোলনের প্রতি বিরোধী শিবিরের এই প্রকাশ্য সমর্থন রাজধানীর রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভুয়ো জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রে কড়া নবান্ন, পঞ্চায়েত ও পুর প্রধানদের সইয়ের ক্ষমতা বাতিল

জন্ম-মৃত্যুর ভুয়ো শংসাপত্রের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তোলপাড়ের মধ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। এবার থেকে পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুর চেয়ারম্যানরা আর জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু করতে পারবেন না। এই ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকদের হাতে থাকবে বলে জানালেন মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল।মুখ্যসচিবের নির্দেশের পর জেলায় জেলায় জন্ম-মৃত্যুর নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।নবান্ন সূত্রে খবর, এখন থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের সইয়ের ক্ষমতা থাকবে। পঞ্চায়েত প্রধান বা পুর চেয়ারম্যানদের আর সেই ক্ষমতা থাকবে না।এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুখ্যসচিব বলেন, নথি যাচাইয়ের সময় বহু ভুয়ো জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিশেষ করে মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর দিনাজপুরে এই ধরনের অভিযোগ বেশি পাওয়া গিয়েছে।জন্ম শংসাপত্রের ভিত্তিতেই আধার কার্ড, ভোটার কার্ড-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র তৈরি হয়। তাই এই শংসাপত্রে কোনও ভুয়ো তথ্য থাকলে তা ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। সেই কারণেই শংসাপত্র ইস্যুর দায়িত্ব শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকদের হাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, সরকারি আধিকারিকদের হাতে দায়িত্ব থাকলে তাঁরা চাকরির দায়বদ্ধতার কথা মাথায় রেখে সঠিকভাবে শংসাপত্র ইস্যু করবেন। ভুয়ো নথির মাধ্যমে বেআইনিভাবে নাগরিকত্বের সুযোগ কেউ যাতে না পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জুলাই ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ডিউটি চলাকালীন নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! হত্যার অভিযোগ পরিবারের

বীরভূমের সিউড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক নার্সের (Nurse) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের একটি বন্ধ কেবিন থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মৃতার পরিবার এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত খুন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলেই এমন ঘটনা ঘটেছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতা নার্স বুধবার রাত ১১টা নাগাদ ডিউটিতে গিয়েছিলেন। রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবার কথা বলার সময় তিনি জানিয়েছিলেন যে তিনি (Nurse) অপারেশন থিয়েটারে রয়েছেন। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি।পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছে জানতে পারেন, তাঁদের মেয়ের দেহ একটি বন্ধ কেবিন থেকে উদ্ধার হয়েছে। তাঁর গলায় স্টেথোস্কোপ ঝুলছিল বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়।মৃতা নার্সের (Nurse) বাড়ি বীরভূমের সিউড়িতে। বুধবার রাতে তিনি প্রতিদিনের মতোই ডিউটিতে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরদিন সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয় হাসপাতালের একটি কেবিন থেকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিউড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং হাসপাতালের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।মৃতার (Nurse) বাবা বলেন, আমার মেয়ে খুব ভালো মেয়ে ছিল। সে ডিউটিতে গিয়েছিল, কোনও ঝামেলায় জড়িত ছিল না। যে তাকে ডিউটিতে ডেকেছিল, তাকে খুঁজে বের করতে হবে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রে বিস্ফোরক অভিযোগ, মমতা ও আইপ্যাককে নিশানা শুভেন্দুর

ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হল। হুগলির গুপ্তিপাড়ায় রথের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের ভোটকৌশলী সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিক প্রমাণ দেওয়ার জন্য অবৈধভাবে জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এসআইআরের সময় আইপ্যাকের কর্মীদের বসিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নির্দেশে এই কাজ হয়েছে। এতে রাজ্যের ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সমস্ত রেকর্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেগুলি স্ক্যান করে সিলমোহর দিয়ে ফেরত দেওয়া হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাঁরা অবৈধভাবে শংসাপত্র দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে, সাসপেন্ড করা হবে এবং প্রয়োজন হলে জেলেও যেতে হবে।তিনি আরও বলেন, শরণার্থীদের নামে যাঁদের শংসাপত্র ইস্যু হয়েছে এবং যারা সিএএ-তে অনুমোদিত, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে যাঁরা অনুপ্রবেশকারী, তাঁদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র কেলেঙ্কারি সামনে আসতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। কলকাতা, দুর্গাপুর, নদিয়া, বীরভূম, রামপুরহাট, দুবরাজপুর এবং কোচবিহারের বিভিন্ন পঞ্চায়েত ও পুরসভায় হানা দিয়ে রেজিস্টার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তল্লাশির মাঝেই নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, এবার থেকে পঞ্চায়েত প্রধান ও পুরপ্রধানরা আর জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে পারবেন না। শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকরাই এই শংসাপত্র ইস্যু করবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে গোটা রাজ্যে আধিকারিকদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

জুলাই ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নিটে ২৮৯ না ৬৬১? নম্বরে ৩৭০-র গরমিল নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে বিস্ফোরক মামলা

নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে যখন তীব্র প্রতিবাদ চলছে, তখন নতুন করে বিতর্কে জড়াল নম্বর প্রকাশের প্রক্রিয়া। নিট পরীক্ষায় প্রায় ৩৭০ নম্বর গরমিলের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছেন এক পরীক্ষার্থী। ওএমআর পুনরায় যাচাইয়ের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।মামলাকারীর দাবি, তাঁর আনসার কী অনুযায়ী পাওয়ার কথা ছিল ৬৫৯ থেকে ৬৬১ নম্বর। কিন্তু ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, তিনি পেয়েছেন মাত্র ২৮৯ নম্বর। অর্থাৎ প্রায় ৩৭০ নম্বরের গরমিল রয়েছে।পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, এনটিএ তাঁকে যে ওএমআর পাঠিয়েছে, তার সঙ্গে আনসার কী-র কোনও মিল নেই। প্রশ্নফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষার্থীদের ই-মেলের মাধ্যমে ওএমআর পাঠানো হয়েছিল। সেই ওএমআর খতিয়ে দেখেই তিনি এই গরমিলের অভিযোগ তোলেন।মামলাকারীর আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় আদালতে বলেন, ওএমআর মূল্যায়ন সম্পূর্ণ কম্পিউটার ব্যবস্থার মাধ্যমে হয়। সেখানে এত বড় নম্বরের ফারাক কীভাবে সম্ভব, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি ওএমআর যাচাই প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির আশঙ্কাও প্রকাশ করেন।বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই মামলায় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির বক্তব্য তলব করেছেন। আগামী মঙ্গলবার মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে বিক্ষোভ চলছে। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। তার মধ্যেই নম্বরে কারচুপির এই অভিযোগ নতুন করে নিট বিতর্ককে আরও জটিল করে তুলল।

জুলাই ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal