• ২১ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Coin

রাজ্য

এভাবেও স্বপ্ন সত্যি হয়! ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে মোটরবাইক কিনলেন লটারি বিক্রেতা

ভাবতেও যেন ভাললাগা আছে। লক্ষ্য স্থির থাকলে তা পূরণ হবেই। নিজের স্বপ্নকে সত্যি করলেন এক লটারি বিক্রেতা। এক বছর ধরে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে লক্ষধিক টাকার বিনিময়ে কিনে ফেলেছেন একটি মোটরবাইক। লটারি বিক্রেতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের খবর ছড়িয়ে পরতেই ভিড় জমে বীরভূমের মল্লারপুরের হিরো গাড়ির শো-রুমে। অবশ্যই লটারি বিক্রেতার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে এগিয়ে এসেছেন শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল।জানা গিয়েছে, ভারতের তামিলনাড়ুতে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে চার চাকার গাড়ি কিনে তাক লাগিয়েছিলেন এক যুবক। নদিয়ার এক যুবক এভাবে কয়েন জমিয়ে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে বাইক কিনেছিলেন। এবার বাংলার বীরভূমের রামপুরহাট থানার চাকপাড়া গ্রামের যুবক লটারি বিক্রেতা তাপস লেট। লটারি বিক্রেতা তাপস লেট জানান, লটারি বিক্রি করতে গিয়ে প্রতিদিন বেশ কিছু ৫ ও ১০ টাকার কয়েন দিতেন। তখনই মনে হয়েছিল ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে একটি মোটরবাইক কিনব। সেই মতো স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। জমাতে শুরু করি কয়েন। সেই স্বপ্ন এতদিনে বাস্তবে রুপ দিতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে পছন্দের গাড়ি কিনতে পেরে।বীরভূমের মল্লারপুরের বাহিনা মোড়ের জয় জগন্নাথ হিরো শো-রুমে থেকে মোটরসাইকেল কেনেন তাপস। শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তাপস আমাদের শো-রুমে ফোন করছিলেন। জানিয়েছিলেন লাল রঙের হিরো গ্ল্যামার ক্লাসিক গাড়ি নেবেন। কিন্তু টাকা নিতে হবে সব দশ টাকার কয়েন। প্রথমে লক্ষাধিক টাকার কয়েন নিতে অস্বীকার করি। তাপস ফের জানায় এটা তার স্বপ্ন। এরপরেই তার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে কয়েন নিতে ইচ্ছে প্রকাশ করি। এরপরেই হাসি মুখে ঝোলা ভর্তি করে দশ টাকার কয়েন নিয়ে শো রুমে হাজির তাপসবাবু

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বিনা অস্ত্রপচারে গলা থেকে কয়েন বার করে নজির গড়লো মালদহ মেডিক্যাল কলেজ

বাতাসা ভেবে কয়েন খেয়ে নিয়েছিল শিশু। গলা থেকে কয়েন বের করে নজির গড়লো মালদহ মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকেরা। বিনা অপারেশনেই শিশু কন্যার গলায় আটকে থাকা পয়সার কয়েন বার করে সাফল্য মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। বিশেষ চিকিৎসা যন্ত্রের সাহায্যে ফরেন বডি গলার ভেতর থেকে বার করা হয়। বর্তমানে সুস্থ রয়েছে শিশুকন্যা। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ধরণের চিকিৎসা এখন প্রায় হচ্ছে মালদা মেডিকেল কলেজে। পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকলেও ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকেরা ঝুঁকি নিয়ে এই পরিষেবা দিয়ে থাকেন। এমন সফল ভাবে সাফল্য মিলছে।কালি মন্দিরে বাতাসা প্রসাদ ভেবে পাঁচ টাকার কয়েন খেয়ে নিয়েছিল আট বছরের মানালি সাহা। বাড়ির পাশে কালি মন্দিরে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটে। শিশুকন্যার বাড়ি মালদার হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায়। কয়েন খাওয়ার পর পরিবারের লোকেদের কিছুই জানায় নি। রাতে গলা ব্যাথা করলে পরিবারের লোকেরা বিষয়টি জানতে পারে। তড়িঘড়ি স্থানীয় বুলবুলচন্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকেরা মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। মেডিকেল কলেজে ভর্তির পরে চিকিৎসা শুরু করেন ই এন টি বিভাগের চিকিৎসকেরা। গলার এক্সরে করে চিকিৎসা করে জানতে পারেন খাদ্যনালীতে কিছু একটা আটকে রয়েছে। তারপরে ইথোফস্কোপ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে খাদ্যনালী থেকে বার করা হয় পাঁচ টাকার কয়েন।মালদহ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপ্যল পার্থ প্রতিম মুখার্জী জানান,আমাদের ই এন টি চিকিৎসকেরা এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা করেছে। শিশুটি আপাতত সুস্থ রয়েছে।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

আজব ঘটনা! পেটের ভিতরে ২৫০টি পেরেক সঙ্গে ৩৫টি কয়েন, বর্ধমান হাসপাতালে অস্ত্রোপচারে সুস্থ মইনুদ্দিন

এক আধটা নয় পেটের মধ্য়ে ছিল ২৫০টি পেরেক। শুধু পেরেক খেয়ে সন্তুষ্ট ছিল না ওই ব্যক্তি। পেরেকের সঙ্গে মিলল ৩৫টি কয়েনও। এই নিয়ে দিব্বি চলাফেরা করছিলেন মইনুদ্দিন। তাঁর অস্ত্রোপচার সফল হওয়ায় খুশি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা। অপারেশনের পর সুস্থ রয়েছেন মঙ্গলকোটের কৃষ্ণবাটি গ্রামের বাসিন্দা সেখ মইনুদ্দিন(৩৮)।জানা গিয়েছে, সেখ মইনুদ্দিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগে নিয়মিত চিকিৎসা করান। শনিবার সকাল থেকে খাবারে কোনও রুচি আসছিল না মইনুদ্দিনের। ফলে কোনও কিছুই খাচ্ছিলেন না মইনুদ্দিন। পরিবারের লোকজন চিন্তায় পরে যান। মঙ্গলবার বর্ধমান শহর সংলগ্ন একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসকের কাছে মইনুদ্দিনকে নিয়ে আসে পরিবারের সদস্যরা। ওই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো বুধবার সকালে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা এক্স-রে করে তাঁকে ভর্তি করেন।বুধবার রাতে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিতসকরা। বুধবার রাতে অপারেশন করে তাঁর পেট থেকে এক এক করে ২৫০ টি পেরেক বেরিয়ে আসে। সঙ্গে ৩৫ টি কয়েন ও বেশ কিছু পাথর-কুচি বের হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পর আপাতত তিনি সুস্থ আছেন। এই অপারেশন বর্ধমান হাসপাতালের এক অভুতপূর্ব সাফল্য বলে দাবি করেছেন হাসপাতালের সুপার ডা. তাপস ঘোষ।

জুন ১৬, ২০২২
দেশ

ISKCON Coin: ১২৫ টাকার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করলেন মোদি

ইসকনের প্রতিষ্ঠাতার ১২৫ তম জন্মবর্ষ উপলক্ষে ১২৫ টাকার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা তথা হরেকৃষ্ণ মুভমেন্টের প্রবর্তক শ্রীলা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভূপাদের ১২৫ তম জন্মবর্ষ এটি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেই মুদ্রা প্রকাশ করেন মোদি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি।আরও পড়ুনঃ দলগঠনে চমক এসসি ইস্টবেঙ্গলের, অরিন্দমকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার প্রস্তাব!এ দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আজ আমরা শ্রীলা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভূপাদের জন্মবর্ষ পালন করছি। ধ্যান কিংবা ভক্তিতে মনে যে প্রশান্তি মেলে, যেন সেরকমই আনন্দ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আজ একই ভাবে গোটা বিশ্বে প্রভূপাদের যে লক্ষ লক্ষ ভক্ত আছেন, প্রত্যেকেরই একই রকম আনন্দ হচ্ছে।মোদি এ দিন আরও বলেন, আজ বিশ্বজুড়ে কয়েকশো ইসকনের মন্দির রয়েছে। আর সেই সব মন্দিরের মাধ্যমে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে ভারতীয় সংস্কৃতি। ইসকনই গোটা বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিশ্বাসের অর্থ হল উদ্যোগ আর উৎসাহ। আর মানবিকতায় বিশ্বাস। প্রাকৃতিক বিষর্পয়ে ইসকনের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী এ দিন মনে করিয়ে দেন ২০০১-এর ভূমিকম্পের কথা। সেই সময় কী ভাবে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইসকন, সেই কথা উল্লেখ করেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও মনে করিয়ে দেন যে, দেশে যখনও কোনও বিপর্যয় এসেছে, তখন পাশে দাঁড়িয়েছে ইসকন। ও্ডিশা বা পশ্চিমবঙ্গের সাইক্লোনের কথাও বলেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Fraud: ৩ লক্ষ টাকায় ২০০ 'সোনার কয়েন', গ্রেফতার তিন

সোনার কয়েন বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ৩ প্রতারক। ধৃতদের নাম শেখ মেহের ,খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল। প্রতারিতর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশ শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের মধ্যে মেহেরের বাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। খোকন আউসগ্রামের ভেদিয়া ও সাগর কাঁটাটিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনপুলিশের দাবি, ধৃতদের ব্যবহৃত একটি মোটর বাইক ও প্রতারণার প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার তিন ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের মঙ্গলবার পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার রাজনগরের বাসিন্দা বিমল কুমার মালকে কয়েকদিন আগে এক ব্যক্তি ফোন করেন। তিনি ফোন করে তাঁর নাম রাজীব দাস বলে বিমলকে পরিচয় দেন। রাজীব নামের ওই ব্যক্তি ফোনে বিমলকে জানায়, বাড়ির পুকুর কাটার সময়ে সে একটি কলসি পায়েছে। কলসির মধ্যে অনেক সোনার কয়েন মিলেছে। সেই সোনার কয়েন নেওয়ার জন্য রাজীব গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলে বিমলকে। সেইমতো বিমল ১৬ জুলাই গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। সেখানে তাঁকে একটি কয়েন দেখিয়ে সেটি পরীক্ষা করার জন্য বিমলকে বলা হয়। বিমল কয়েনটি নিয়ে স্বর্ণকারের কাছে যান। স্বর্ণকার কয়েনটি সোনার বলে জানান। এরপরেই সোনার বাকি কয়েন কেনার জন্য দুজনের মধ্যে দরাদরি হয়। ২০০ টি কয়েনের জন্য তিন লক্ষ টাকা দর ঠিক হয়।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারঅভিযোগ, প্রতারকদের কথামতো শুক্রবার সন্ধেয় বিমলবাবু টাকা নিয়ে গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। সেখানে আগে থেকেই শেখ মেহের, খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল অপেক্ষা করছিল। তারা নগদ ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে বিমলকে ২০০টি কয়েন দেয়। এই কয়েনগুলি নেওয়ার পরেও বিমল সেগুলি স্বর্ণকারের কাছে নিয়ে যায়। স্বর্ণকার পরীক্ষা করে সেগুলি জাল বলে জানিয়ে দেয়।এরপরই বিমল মাল আউশগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Bit Coin: বিটকয়েনের সাহায্যে চিনে টাকা পাচার করত হান

চিনা (China) জালিয়াতদের শতাধিক ভুয়ো সংস্থার হদিশ পেলেন গোয়েন্দারা। এসব বেআইনি লেনদেনের মাথায় ছিল মালদা (Maldah) থেকে ধৃত চিনা চর হান জুনেই। ভারত থেকে বিটকয়েনের সাহায্যে তারা চিনে অর্থ পাঠাত বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও হানকে জেরা করে চলছে হাওয়ালা চক্রের সন্ধান। মালদহ থেকে ধৃত হানকে নিজেদের হেপাজতে পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন রাজ্যের স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (STF) আধিকারিকরা। গোটা চক্রের নেটওয়ার্ক জানতে তাকে জেরা শুরু করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, হান ও তার সঙ্গীরা যে জালিয়াতি চক্র চালাত, তা নিশ্চিত। চিনে বসে বিভিন্ন পদ্ধতিতে জালিয়াতি চালাতে শুরু করে হান ও তার সঙ্গীদের চক্র। ওই জালিয়াতির টাকা ভারতবিরোধী কোনও কার্যকলাপে কাজে লাগানো হত, এমন সম্ভাবনা গোয়েন্দারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এই ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে হানের যোগাযোগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে যে, জালিয়াতির জন্য কয়েকটি চিনা অ্যাপ ব্যবহার করত জালিয়াতরা। ওই অ্যাপের সার্ভার রয়েছে চিনে। সেই অ্যাপগুলির সাহায্যেই ভুয়ো লগ্নিকারী সংস্থা বলে পরিচয় দেওয়া হত। মেল করে অথবা মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে ভুয়ো সংস্থায় টাকা বিনিয়োগের টোপ দেওয়া হত। মোটা সুদ পাওয়ার লোভে অনেকেই টাকা রাখতেন সংস্থায়। আর সেই টাকাই হাতিয়ে নিত চিনা জালিয়াতরা। যেহেতু ভারতীয়দের জালিয়াতি করা হত, তাই প্রথমে ওই ভুয়ো সংস্থাগুলির সাহায্যে ভারতীয় মুদ্রা হাতিয়ে নিত তারা। এরপর বিটকয়েন বা ক্রিপটোকারেন্সিতে পরিবর্তন করে ওই টাকা পাঠানো হত চিনে। এভাবে বেশ কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছে চিনা জালিয়াতরা। হোটেল ব্যবসার আড়ালে চলত ওই জালিয়াতি।

জুন ১৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal