• ৪ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Coin

রাজ্য

এভাবেও স্বপ্ন সত্যি হয়! ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে মোটরবাইক কিনলেন লটারি বিক্রেতা

ভাবতেও যেন ভাললাগা আছে। লক্ষ্য স্থির থাকলে তা পূরণ হবেই। নিজের স্বপ্নকে সত্যি করলেন এক লটারি বিক্রেতা। এক বছর ধরে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে লক্ষধিক টাকার বিনিময়ে কিনে ফেলেছেন একটি মোটরবাইক। লটারি বিক্রেতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের খবর ছড়িয়ে পরতেই ভিড় জমে বীরভূমের মল্লারপুরের হিরো গাড়ির শো-রুমে। অবশ্যই লটারি বিক্রেতার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে এগিয়ে এসেছেন শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল।জানা গিয়েছে, ভারতের তামিলনাড়ুতে দশ টাকার কয়েন জমিয়ে চার চাকার গাড়ি কিনে তাক লাগিয়েছিলেন এক যুবক। নদিয়ার এক যুবক এভাবে কয়েন জমিয়ে দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে বাইক কিনেছিলেন। এবার বাংলার বীরভূমের রামপুরহাট থানার চাকপাড়া গ্রামের যুবক লটারি বিক্রেতা তাপস লেট। লটারি বিক্রেতা তাপস লেট জানান, লটারি বিক্রি করতে গিয়ে প্রতিদিন বেশ কিছু ৫ ও ১০ টাকার কয়েন দিতেন। তখনই মনে হয়েছিল ১০ টাকার কয়েন জমিয়ে একটি মোটরবাইক কিনব। সেই মতো স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। জমাতে শুরু করি কয়েন। সেই স্বপ্ন এতদিনে বাস্তবে রুপ দিতে পারলাম। খুব ভালো লাগছে পছন্দের গাড়ি কিনতে পেরে।বীরভূমের মল্লারপুরের বাহিনা মোড়ের জয় জগন্নাথ হিরো শো-রুমে থেকে মোটরসাইকেল কেনেন তাপস। শো-রুমের কর্ণধার টুটুল মণ্ডল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তাপস আমাদের শো-রুমে ফোন করছিলেন। জানিয়েছিলেন লাল রঙের হিরো গ্ল্যামার ক্লাসিক গাড়ি নেবেন। কিন্তু টাকা নিতে হবে সব দশ টাকার কয়েন। প্রথমে লক্ষাধিক টাকার কয়েন নিতে অস্বীকার করি। তাপস ফের জানায় এটা তার স্বপ্ন। এরপরেই তার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে কয়েন নিতে ইচ্ছে প্রকাশ করি। এরপরেই হাসি মুখে ঝোলা ভর্তি করে দশ টাকার কয়েন নিয়ে শো রুমে হাজির তাপসবাবু

নভেম্বর ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বিনা অস্ত্রপচারে গলা থেকে কয়েন বার করে নজির গড়লো মালদহ মেডিক্যাল কলেজ

বাতাসা ভেবে কয়েন খেয়ে নিয়েছিল শিশু। গলা থেকে কয়েন বের করে নজির গড়লো মালদহ মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকেরা। বিনা অপারেশনেই শিশু কন্যার গলায় আটকে থাকা পয়সার কয়েন বার করে সাফল্য মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। বিশেষ চিকিৎসা যন্ত্রের সাহায্যে ফরেন বডি গলার ভেতর থেকে বার করা হয়। বর্তমানে সুস্থ রয়েছে শিশুকন্যা। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ধরণের চিকিৎসা এখন প্রায় হচ্ছে মালদা মেডিকেল কলেজে। পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকলেও ইএনটি বিভাগের চিকিৎসকেরা ঝুঁকি নিয়ে এই পরিষেবা দিয়ে থাকেন। এমন সফল ভাবে সাফল্য মিলছে।কালি মন্দিরে বাতাসা প্রসাদ ভেবে পাঁচ টাকার কয়েন খেয়ে নিয়েছিল আট বছরের মানালি সাহা। বাড়ির পাশে কালি মন্দিরে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটে। শিশুকন্যার বাড়ি মালদার হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায়। কয়েন খাওয়ার পর পরিবারের লোকেদের কিছুই জানায় নি। রাতে গলা ব্যাথা করলে পরিবারের লোকেরা বিষয়টি জানতে পারে। তড়িঘড়ি স্থানীয় বুলবুলচন্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকেরা মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে। মেডিকেল কলেজে ভর্তির পরে চিকিৎসা শুরু করেন ই এন টি বিভাগের চিকিৎসকেরা। গলার এক্সরে করে চিকিৎসা করে জানতে পারেন খাদ্যনালীতে কিছু একটা আটকে রয়েছে। তারপরে ইথোফস্কোপ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে খাদ্যনালী থেকে বার করা হয় পাঁচ টাকার কয়েন।মালদহ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপ্যল পার্থ প্রতিম মুখার্জী জানান,আমাদের ই এন টি চিকিৎসকেরা এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা করেছে। শিশুটি আপাতত সুস্থ রয়েছে।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

আজব ঘটনা! পেটের ভিতরে ২৫০টি পেরেক সঙ্গে ৩৫টি কয়েন, বর্ধমান হাসপাতালে অস্ত্রোপচারে সুস্থ মইনুদ্দিন

এক আধটা নয় পেটের মধ্য়ে ছিল ২৫০টি পেরেক। শুধু পেরেক খেয়ে সন্তুষ্ট ছিল না ওই ব্যক্তি। পেরেকের সঙ্গে মিলল ৩৫টি কয়েনও। এই নিয়ে দিব্বি চলাফেরা করছিলেন মইনুদ্দিন। তাঁর অস্ত্রোপচার সফল হওয়ায় খুশি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা। অপারেশনের পর সুস্থ রয়েছেন মঙ্গলকোটের কৃষ্ণবাটি গ্রামের বাসিন্দা সেখ মইনুদ্দিন(৩৮)।জানা গিয়েছে, সেখ মইনুদ্দিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মানসিক রোগ বিভাগে নিয়মিত চিকিৎসা করান। শনিবার সকাল থেকে খাবারে কোনও রুচি আসছিল না মইনুদ্দিনের। ফলে কোনও কিছুই খাচ্ছিলেন না মইনুদ্দিন। পরিবারের লোকজন চিন্তায় পরে যান। মঙ্গলবার বর্ধমান শহর সংলগ্ন একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের এক চিকিৎসকের কাছে মইনুদ্দিনকে নিয়ে আসে পরিবারের সদস্যরা। ওই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো বুধবার সকালে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা এক্স-রে করে তাঁকে ভর্তি করেন।বুধবার রাতে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিতসকরা। বুধবার রাতে অপারেশন করে তাঁর পেট থেকে এক এক করে ২৫০ টি পেরেক বেরিয়ে আসে। সঙ্গে ৩৫ টি কয়েন ও বেশ কিছু পাথর-কুচি বের হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের পর আপাতত তিনি সুস্থ আছেন। এই অপারেশন বর্ধমান হাসপাতালের এক অভুতপূর্ব সাফল্য বলে দাবি করেছেন হাসপাতালের সুপার ডা. তাপস ঘোষ।

জুন ১৬, ২০২২
দেশ

ISKCON Coin: ১২৫ টাকার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করলেন মোদি

ইসকনের প্রতিষ্ঠাতার ১২৫ তম জন্মবর্ষ উপলক্ষে ১২৫ টাকার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা তথা হরেকৃষ্ণ মুভমেন্টের প্রবর্তক শ্রীলা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভূপাদের ১২৫ তম জন্মবর্ষ এটি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেই মুদ্রা প্রকাশ করেন মোদি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি।আরও পড়ুনঃ দলগঠনে চমক এসসি ইস্টবেঙ্গলের, অরিন্দমকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার প্রস্তাব!এ দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, আজ আমরা শ্রীলা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভূপাদের জন্মবর্ষ পালন করছি। ধ্যান কিংবা ভক্তিতে মনে যে প্রশান্তি মেলে, যেন সেরকমই আনন্দ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আজ একই ভাবে গোটা বিশ্বে প্রভূপাদের যে লক্ষ লক্ষ ভক্ত আছেন, প্রত্যেকেরই একই রকম আনন্দ হচ্ছে।মোদি এ দিন আরও বলেন, আজ বিশ্বজুড়ে কয়েকশো ইসকনের মন্দির রয়েছে। আর সেই সব মন্দিরের মাধ্যমে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে ভারতীয় সংস্কৃতি। ইসকনই গোটা বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিশ্বাসের অর্থ হল উদ্যোগ আর উৎসাহ। আর মানবিকতায় বিশ্বাস। প্রাকৃতিক বিষর্পয়ে ইসকনের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন মোদী। প্রধানমন্ত্রী এ দিন মনে করিয়ে দেন ২০০১-এর ভূমিকম্পের কথা। সেই সময় কী ভাবে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইসকন, সেই কথা উল্লেখ করেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও মনে করিয়ে দেন যে, দেশে যখনও কোনও বিপর্যয় এসেছে, তখন পাশে দাঁড়িয়েছে ইসকন। ও্ডিশা বা পশ্চিমবঙ্গের সাইক্লোনের কথাও বলেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Fraud: ৩ লক্ষ টাকায় ২০০ 'সোনার কয়েন', গ্রেফতার তিন

সোনার কয়েন বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ৩ প্রতারক। ধৃতদের নাম শেখ মেহের ,খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল। প্রতারিতর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশ শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের মধ্যে মেহেরের বাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। খোকন আউসগ্রামের ভেদিয়া ও সাগর কাঁটাটিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনপুলিশের দাবি, ধৃতদের ব্যবহৃত একটি মোটর বাইক ও প্রতারণার প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার তিন ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের মঙ্গলবার পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার রাজনগরের বাসিন্দা বিমল কুমার মালকে কয়েকদিন আগে এক ব্যক্তি ফোন করেন। তিনি ফোন করে তাঁর নাম রাজীব দাস বলে বিমলকে পরিচয় দেন। রাজীব নামের ওই ব্যক্তি ফোনে বিমলকে জানায়, বাড়ির পুকুর কাটার সময়ে সে একটি কলসি পায়েছে। কলসির মধ্যে অনেক সোনার কয়েন মিলেছে। সেই সোনার কয়েন নেওয়ার জন্য রাজীব গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলে বিমলকে। সেইমতো বিমল ১৬ জুলাই গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। সেখানে তাঁকে একটি কয়েন দেখিয়ে সেটি পরীক্ষা করার জন্য বিমলকে বলা হয়। বিমল কয়েনটি নিয়ে স্বর্ণকারের কাছে যান। স্বর্ণকার কয়েনটি সোনার বলে জানান। এরপরেই সোনার বাকি কয়েন কেনার জন্য দুজনের মধ্যে দরাদরি হয়। ২০০ টি কয়েনের জন্য তিন লক্ষ টাকা দর ঠিক হয়।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারঅভিযোগ, প্রতারকদের কথামতো শুক্রবার সন্ধেয় বিমলবাবু টাকা নিয়ে গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। সেখানে আগে থেকেই শেখ মেহের, খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল অপেক্ষা করছিল। তারা নগদ ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে বিমলকে ২০০টি কয়েন দেয়। এই কয়েনগুলি নেওয়ার পরেও বিমল সেগুলি স্বর্ণকারের কাছে নিয়ে যায়। স্বর্ণকার পরীক্ষা করে সেগুলি জাল বলে জানিয়ে দেয়।এরপরই বিমল মাল আউশগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Bit Coin: বিটকয়েনের সাহায্যে চিনে টাকা পাচার করত হান

চিনা (China) জালিয়াতদের শতাধিক ভুয়ো সংস্থার হদিশ পেলেন গোয়েন্দারা। এসব বেআইনি লেনদেনের মাথায় ছিল মালদা (Maldah) থেকে ধৃত চিনা চর হান জুনেই। ভারত থেকে বিটকয়েনের সাহায্যে তারা চিনে অর্থ পাঠাত বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও হানকে জেরা করে চলছে হাওয়ালা চক্রের সন্ধান। মালদহ থেকে ধৃত হানকে নিজেদের হেপাজতে পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন রাজ্যের স্পেশ্যা ল টাস্ক ফোর্সের (STF) আধিকারিকরা। গোটা চক্রের নেটওয়ার্ক জানতে তাকে জেরা শুরু করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, হান ও তার সঙ্গীরা যে জালিয়াতি চক্র চালাত, তা নিশ্চিত। চিনে বসে বিভিন্ন পদ্ধতিতে জালিয়াতি চালাতে শুরু করে হান ও তার সঙ্গীদের চক্র। ওই জালিয়াতির টাকা ভারতবিরোধী কোনও কার্যকলাপে কাজে লাগানো হত, এমন সম্ভাবনা গোয়েন্দারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এই ক্ষেত্রে পাকিস্তানের চর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) সঙ্গে হানের যোগাযোগের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে যে, জালিয়াতির জন্য কয়েকটি চিনা অ্যাপ ব্যবহার করত জালিয়াতরা। ওই অ্যাপের সার্ভার রয়েছে চিনে। সেই অ্যাপগুলির সাহায্যেই ভুয়ো লগ্নিকারী সংস্থা বলে পরিচয় দেওয়া হত। মেল করে অথবা মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে ভুয়ো সংস্থায় টাকা বিনিয়োগের টোপ দেওয়া হত। মোটা সুদ পাওয়ার লোভে অনেকেই টাকা রাখতেন সংস্থায়। আর সেই টাকাই হাতিয়ে নিত চিনা জালিয়াতরা। যেহেতু ভারতীয়দের জালিয়াতি করা হত, তাই প্রথমে ওই ভুয়ো সংস্থাগুলির সাহায্যে ভারতীয় মুদ্রা হাতিয়ে নিত তারা। এরপর বিটকয়েন বা ক্রিপটোকারেন্সিতে পরিবর্তন করে ওই টাকা পাঠানো হত চিনে। এভাবে বেশ কয়েক কোটি টাকা হাতিয়েছে চিনা জালিয়াতরা। হোটেল ব্যবসার আড়ালে চলত ওই জালিয়াতি।

জুন ১৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেবাশ্রয় দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি অভিষেকের, ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কড়া পদক্ষেপে হাইকোর্টের নিষেধ

সেবাশ্রয় দুর্নীতি-সহ তিনটি মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই তিন মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মামলাগুলির পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ১৬টি এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। সেই এফআইআরগুলিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর আগে পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। এবার আরও তিনটি মামলায় অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেলেন তিনি। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট আটটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপে আদালতের সুরক্ষা রয়েছে।নতুন করে যে তিনটি মামলায় রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে দুটি বিষ্ণুপুর থানায় এবং একটি রবীন্দ্রনগর থানায় দায়ের হয়েছিল। জমি সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং সেবাশ্রয় দুর্নীতির অভিযোগে ওই মামলাগুলি করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই আপাতত অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ না করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাজ্যের তরফে অভিষেককে রক্ষাকবচ দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়। রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, মামলার নথি খতিয়ে না দেখে এই ধরনের সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জানান, অভিষেকের বিষয়ে শুধু এই এজলাসেই নয়, হাইকোর্টের অন্য এজলাসেও বিভিন্ন নির্দেশ হয়েছে। এমনকি বিদেশে যাওয়ার অনুমতিও তাঁকে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, গত মে মাস থেকে অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি শুনতে গিয়ে অন্য মামলার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়া হল।এর আগে সই জাল সংক্রান্ত মামলাতেও অভিষেকের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সুরক্ষা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। পাশাপাশি আমতলায় অভিষেকের দলীয় কার্যালয় ভাঙার ক্ষেত্রেও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি নিয়েও অভিষেককে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট শর্তসাপেক্ষে তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু তার পরেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়। সেই বিষয়েও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন অভিষেক।ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কারণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল হাইকোর্ট। অনলাইনে কেওয়াইসি করা সম্ভব হলে অভিষেককে কেন সশরীরে ব্যাঙ্কে যেতে হবে, সেই প্রশ্ন করেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। পরে বাড়িতে গিয়ে কেওয়াইসি আপডেট করার নির্দেশও দেওয়া হয়।সব মিলিয়ে একের পর এক মামলায় আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ায় আপাতত স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বাকি মামলাগুলির আইনি লড়াই এখনও জারি রয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
দেশ

ছররা গুলির ঘটনায় এফআইআর চেয়ে থানার সামনে রাহুল, কয়েক ঘণ্টার নাটকীয়তার পর বড় মোড়

রাজধানী দিল্লিতে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হল। আহত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় হাজির হন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি ছিল, গত ২০ জুলাই ছাত্রদের সংসদ চলো অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর ঘটনায় এফআইআর দায়ের করতে হবে।শুক্রবার সকালে আহত যুবক সাহিল লোচাবকে সঙ্গে নিয়ে থানায় পৌঁছন রাহুল। আচমকা তাঁকে থানায় দেখে আধিকারিকদের মধ্যেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাহুলের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের সময় ছররা গুলি চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় কার নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল, তা তদন্ত করে প্রকাশ্যে আনার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছেন তিনি।থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করার দাবি জানান রাহুল। অভিযোগ, প্রথমে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতে রাজি হয়নি। এর পর থানার বাইরে আহত যুবককে সঙ্গে নিয়ে ধর্নায় বসে পড়েন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর বক্তব্য ছিল, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের না হওয়া পর্যন্ত তিনি ধর্না চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে। ওই দিন সংসদ অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। প্রথমে দিল্লি পুলিশ ছররা গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করেছিল বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় রিজ়ার্ভ পুলিশ বাহিনীর তদন্তে ছররা গুলি ব্যবহারের তথ্য উঠে আসে বলে দাবি করা হয়েছে।এর পর থেকেই রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলছিলেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তাঁর দাবি, এই ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসা প্রয়োজন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।এ দিন পুলিশ রাহুলকে জানায়, বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু তাতেও নিজের দাবিতে অনড় থাকেন রাহুল। তিনি জানান, ছাত্রদের পাশে তাঁরা রয়েছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি থেকে পিছিয়ে যাবেন না।দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা থানার সামনে ধর্না চলার পর অবশেষে সাহিল লোচাবের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়। ফলে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ নিয়ে দিল্লিতে তৈরি হওয়া টানাপড়েনে আপাতত নতুন মোড় এল।

আগস্ট ২১, ২০২৬
কলকাতা

ক্লাস নাকি জনগণনা? শিক্ষকদের নিয়ে বড় নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের, কী বললেন বিচারপতি

শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহার নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়। স্কুলের পঠনপাঠন এবং জনগণনার কাজদুইয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রাখা হবে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী, জনগণনার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের নির্দিষ্ট সময়, দিন ও জায়গা জানিয়ে দিতে হবে। একই সময়ে স্কুলের পঠনপাঠন যাতে ব্যাহত না হয়, তার ব্যবস্থাও করতে হবে।শিক্ষকদের জনগণনার কাজে দায়িত্ব দেওয়া হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই কাজই তাঁদের কর্তব্য হিসেবে গণ্য হবে। সেই সময়ে তাঁদের শিক্ষকতার কাজ করতে হবে না। তবে জনগণনার দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষকরা সেই কাজ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারবেন না।এর আগে রাজ্য সরকারের একটি নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, স্কুলের পঠনপাঠন যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য স্কুলের সময়ের পরে অথবা সপ্তাহান্তে শিক্ষকদের দিয়ে জনগণনার কাজ করানো যেতে পারে। সেই নির্দেশিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। আদালতের প্রশ্ন ছিল, স্কুল ছুটির পর অন্য জায়গায় গিয়ে জনগণনার কাজ করতে হলে শিক্ষকদের বাড়ি ফিরতে কত রাত হবে?এই পরিস্থিতিতে পুরনো নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্কুল শিক্ষা দফতর। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জনগণনার কাজকেও শিক্ষকদের সরকারি দায়িত্ব বা কর্তব্যের অংশ হিসেবে ধরা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফেও আগে জানানো হয়েছিল, শিক্ষকদের এমন ভাবে কাজে লাগাতে হবে যাতে স্কুলের পঠনপাঠন কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয়।শুক্রবারের রায়ে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট করে দেন, জনগণনার কাজে শিক্ষকদের ব্যবহার করতে হলে আগে থেকেই তাঁদের নির্দিষ্ট সময়, দিন এবং কাজের জায়গা জানাতে হবে। সেই অনুযায়ী স্কুল কর্তৃপক্ষকে পঠনপাঠন চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ জনগণনার কাজের জন্য শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হলেও স্কুলের স্বাভাবিক পড়াশোনা বন্ধ রাখা যাবে না।জনগণনার দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষকদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের দায়িত্বকেই তাঁদের কর্তব্য হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই সময় তাঁদের জনগণনার কাজই করতে হবে। তবে দায়িত্ব পাওয়ার পর কোনও শিক্ষক তা অস্বীকার করতে পারবেন না। ফলে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহার নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতায় হাই কোর্টের এই রায়কে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
কলকাতা

৩৭ ঘণ্টা পর যাদবপুরে এফআইআর! বুধবার রাতের ঘটনায় ঠিক কী অভিযোগ জানাল বিশ্ববিদ্যালয়?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনায় অবশেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করল কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাতের ঘটনার প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে যাদবপুর থানায় এফআইআর করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ও বৃহস্পতিবারের অশান্তির ঘটনায় তদন্তের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। সেই মতো শুক্রবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির তিন সদস্যই অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য, বাবা সাহেব আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং আরও এক আধিকারিক।যাদবপুর থানায় দায়ের করা অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার রাত ১২টার পর কয়েক জন বহিরাগত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢুকেছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সিসিটিভি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। এরপর অরবিন্দ ভবনের কোলাপসেবল গেটের সামনে আগুন ধরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এফআইআরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী ফলক ভাঙার অভিযোগও রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নাকি বহিরাগত, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।অন্য দিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতীকী ফলক নিয়ে কর্মবিরতিতে বসেছেন অধ্যাপকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, ঘটনার সঠিক তদন্ত করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রাজেশ্বর সিনহা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এফআইআর দায়েরের সিদ্ধান্তকে তাঁরা প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।তাঁর দাবি, ঘটনার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও পড়ুয়া ঘটনায় জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আবার বহিরাগতরা জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।ফলক ভাঙার ঘটনাতেও পৃথক তদন্তের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবিও জানিয়েছেন অধ্যাপকদের একাংশ। ফলে এফআইআর দায়ের এবং তদন্ত কমিটি গঠনের পর যাদবপুরের অশান্তির ঘটনায় এবার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে নিয়ে অমিত শাহের মুখে এমন কথা! কী বদলেছে বাংলায়, মঞ্চে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এই আবহেই উত্তরবঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাজের প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সীমান্ত নিরাপত্তা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়াএকাধিক বিষয় তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সমন্বয়ের কথা জানান শাহ।মঞ্চে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বলেন, শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা পাওয়া সহজ হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজন হলে ফোন করলেই অনুমতি পাওয়া যায়, চিঠি পরে যায়। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।শাহ আরও জানান, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফ এবং এসএসবির জন্য ১১২৯ একর জমি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এই জমি ২০১৪ সাল থেকেই চাওয়া হচ্ছিল। আরও ২৯ একর জমি দেওয়ার বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে। বাংলার উন্নয়ন এবং রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অনুপ্রবেশ বন্ধ না হলে বাংলা বা দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সেই কারণে সীমান্তে কাঁটাতারের প্রয়োজন রয়েছে।এই প্রসঙ্গেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময়ের কথাও টেনে আনেন শাহ। তাঁর দাবি, বিএসএফের জন্য জমি দেওয়ার বিষয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছিল। এমনকি তিনি নিজে তাঁর দফতরেও গিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্মতি জানিয়েছিলেন বলে দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত জমি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন শাহ।শাহের কথায়, এসএসবি বা বিএসএফ কোনও রাজনৈতিক দল নয়। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই দল-মত নির্বিশেষে জওয়ানদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর ১০০ দিনের সময়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরে অমিত শাহের এই বক্তব্য রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়ার প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

রাতে আচমকা বর্ধমানের দুই হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, কি বললেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়?

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে জোর দিয়ে এবার রাতে সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে নামলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। তার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্ধমানের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। দুই হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা, পরিকাঠামো, নিরাপত্তা এবং কর্মীদের কাজের পরিবেশ খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।রাত ৯টা নাগাদ বর্ধমান ২ নম্বর ব্লকের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আচমকা মন্ত্রীর আগমনে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি মেডিসিন বিভাগে গিয়ে রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। চিকিৎসা পরিষেবা ও তাঁদের সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন। তবে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি তিনি। সাফাইকর্মীকে ডেকে নিয়মিত এবং আরও মন দিয়ে পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন।এরপর রাত ১০টা নাগাদ আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জরুরি বিভাগ-সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না জানতে চান। জুনিয়র ডাক্তার, নার্সিং স্টাফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তাঁদের প্রয়োজন, অসুবিধা এবং কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ নেন।পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে নেতিবাচক কোনও অভিযোগ তিনি পাননি। অধিকাংশ রোগীই পরিষেবা নিয়ে সন্তুষ্ট বলে দাবি তাঁর। তবে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ঘাটতি এবং মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুমের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানান। হাসপাতালের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।নার্সিং স্টাফের ঘাটতি, বিশেষত জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত নার্সের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান তিনি। চিকিৎসক ও নার্সদের বসার জায়গা, লেখালেখির প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং বিশ্রামের উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, চিকিৎসক-নার্সরা ভালোভাবে কাজ করতে না পারলে রোগী পরিষেবাও ব্যাহত হবে। তাই তাঁদের অভাবের পাশাপাশি আবদারও শুনতে হবে।বর্ধমান মেডিকেল কলেজের সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কয়েকজন ছাত্রের নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একজনকে আপাতত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তদন্ত এখনও চলছে বলেও জানান। থ্রেট কালচার প্রসঙ্গে তাঁর বার্তা, ভয় আউট, ভরসা ইন।অভীক দে-কে ঘিরে অনাময় হাসপাতালকে গ্রামীণ হাসপাতাল হিসেবে দেখিয়ে স্নাতকোত্তরে সুযোগ পাওয়ার অভিযোগ এবং হাজিরা খাতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে এবং প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত। যোগ্য পড়ুয়াদের বঞ্চিত করে কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের প্রস্তুতি কতটা? কলকাতার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখল ব্রাজিল

কলকাতায় ব্রাজিল ফুটবল দলের সম্ভাব্য সফর ঘিরে প্রস্তুতি আরও জোরদার। অক্টোবরের শুরুতে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসে বিভিন্ন পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে অনুশীলনের মাঠ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে ফুটবলারদের থাকার সম্ভাব্য হোটেলসবকিছুই পরিদর্শন করেন তাঁরা।বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিট নাগাদ সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছয় ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, প্রাক্তন ভারতীয় গোলকিপার সুব্রত পাল এবং রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। প্রথমে অনুশীলনের মাঠ ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিরা। এরপর তাঁরা মূল স্টেডিয়ামে গিয়ে ম্যাচ আয়োজনের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন।স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় একাধিক বিষয়ে বিশেষ নজর দেন ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড, ড্রেসিংরুম, বাথরুম, গোলপোস্ট এবং মাঠের ঘাসের মান পরীক্ষা করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খুঁটিয়ে দেখা হয়। অর্থাৎ শুধু ম্যাচ আয়োজনের মাঠ নয়, গোটা পরিকাঠামোই তাঁদের পরিদর্শনের আওতায় ছিল।এর আগে নিউটাউনে ফেডারেশনের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সেও যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সেখানে সম্ভাব্য অনুশীলন ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন তাঁরা। এরপর যুবভারতী সংলগ্ন একটি পাঁচতারা হোটেলও পরিদর্শন করা হয়। সেখানে ব্রাজিল দলের থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়।ব্রাজিলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় দলের জেনারেল সুপারভাইজার Srgio Dimas de Oliveira, প্রশাসনিক আধিকারিক Vinicius Barrozo Costa, মার্কেটিং ও অপারেশন ম্যানেজার Jos Vitor Senatore de Paula Lima, ফিজিওলজিস্ট Guilherme Passos Ramos এবং নিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি Bruno Mazzei Reis। কলকাতার বিভিন্ন ব্যবস্থা পরিদর্শনের পর তাঁরা ব্রাজিলে ফিরে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেবেন।সূত্রের খবর, ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের আগে ৩০ সেপ্টেম্বরের আশপাশে ব্যক্তিগত বিমানে কলকাতায় আসতে পারে ব্রাজিল দল। অক্টোবরের শুরুতেই যুবভারতীতে টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ জানিয়েছেন, ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও পরিষেবা উন্নয়নে সবরকম ব্যবস্থা করা হবে। দর্শকদের বিশ্বকাপ স্তরের ম্যাচের অভিজ্ঞতা দেওয়াই লক্ষ্য। ফলে ব্রাজিলের সম্ভাব্য সফর ঘিরে কলকাতার ফুটবলমহলে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

রেললাইনের পাশে মাঠে পড়ে যুবকের দেহ, রহস্য ঘিরে বিরাট চাঞ্চল্য

রঘুনাথগঞ্জের গদাইপুর এলাকায় রেললাইনের ধারের একটি মাঠ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকায় যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের নাম ছোটু রবিদাস (২৯)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জের বালিঘাটা এলাকায়।স্থানীয়দের নজরে বিষয়টি আসার পর দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে বহু মানুষ জড়ো হন। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।তবে রেললাইনের ধারের ওই মাঠে ছোটু রবিদাস কীভাবে পৌঁছলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়েও তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। যুবকের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়েছে, নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ছোটু রবিদাস কখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন এবং কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।পুলিশের তরফে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে, রেললাইনের ধারের মাঠে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গদাইপুর এবং আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ২৯ বছরের যুবকের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা জানতে তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আগস্ট ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal