• ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Coal Scam

রাজ্য

ব্যাঙ্ক কর্মী নিয়ে বনসালদের বাড়িতে ইডি, বস্তাভর্তি কী উদ্ধার হল কয়লা কাণ্ডে?

বালি ও কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোলের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরেই দুর্গাপুর-পাণ্ডবেশ্বর ও জামুরিয়া এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।তদন্ত চলাকালীন জামুরিয়ায় বনসাল পরিবারের বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা ঢোকেন দুই ব্যাঙ্ক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে। তাঁদের হাতে ছিল বড় বড় বস্তা। সূত্রের খবর, ওই তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে। বেলা পৌনে তিনটে নাগাদ রাজেশ বনসালের বাড়ি থেকে তিনটি চালের বস্তা হাতে নিয়ে বেরোতে দেখা যায় ইডি আধিকারিকদের। বস্তার ভিতরে ঠিক কী রয়েছে, তা স্পষ্ট না হলেও প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, সেগুলির মধ্যে কোটি কোটি টাকা বা গুরুত্বপূর্ণ নথি থাকতে পারে।ইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, কয়লা কারবারে হাওয়ালা লেনদেনের সঙ্গে জামুরিয়ার বনসাল পরিবারের যোগ রয়েছে। জানা যাচ্ছে, বিভিন্ন কারখানা আইনসম্মত বা বেআইনি ভাবে কয়লা কিনলেও সরাসরি আর্থিক লেনদেন করত না। এই লেনদেনের মধ্যস্থতাকারীর কাজ করত রাজেশ বনসালের একটি ট্রেডিং সংস্থা। কয়লা ব্যবসায় বনসাল পরিবারের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ। কত টাকা কোথা থেকে কোথায় গেছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।শুক্রবার ভোরেও কয়লা কাণ্ডের তদন্তে আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় ইডি। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ কলকাতা থেকে তিনটি গাড়িতে করে ইডির একটি দল জামুরিয়ায় পৌঁছয়। জামুরিয়া বাজার সংলগ্ন রাজেশ বনসালের বাড়ি, তাঁর দুই ছেলে সুমিত ও অমিত বনসালের আবাসন, পাঞ্জাবি মোড়ে একটি হার্ডওয়্যার দোকান এবং একটি গুদামেও তল্লাশি চালানো হয়।এ ছাড়াও জামুরিয়া হাটতলা এলাকার বনসাল হার্ডওয়্যারেও ইডির অভিযান চলছে। তদন্তকারীদের ধারণা, কয়লা পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই এই সব জায়গায় তল্লাশি। একই সঙ্গে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। গোটা ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিল্পাঞ্চলে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

রুজিরাকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ, আগামী সপ্তাহে তলব অভিষেককে

সাড়ে চার ঘন্টা পর সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে। কয়লা পাচার মামলায় ইডি তলব করেছিল অভিষেক-জায়াকে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ তিনি প্রবেশ করেন সিজিওতে। দিল্লি থেকে আসা ইডি অফিসাররা রুজিরাকে প্রশ্ন করেছেন। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে রুজিরাকে দিল্লির সদর দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেক্ষেত্রে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশেই রুজিরাকে কলকাতার দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে বলা হয়েছিল ইডিকে।বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, আমার পারিবারিক বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। ও (রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়) ভালো মেয়ে, নিরাপরাধ মেয়ে, সৎ মেয়ে, প্রাপ্ত বয়স্কা। শুধু বলব ইডি বাঘ নাকি? ইডি দেশের জনগণের সেবার জন্য, বিজেপির সেবা করার জন্য নয়।এরপরই এদিন বিকালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। আগামী মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গত, ওইদিনই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ধৃত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের।আজ, বৃহস্পতিবারই ইডির নোটিস, মঙ্গলবার অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি । কুন্তলের চিঠি ছাড়াও একাধিক তথ্যকে সামনে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চায় ইডি। গত ২০ মে কুন্তলের চিঠির প্রেক্ষিতে অভিষেককে প্রায় ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই।সমন পাওয়ার পর অভিষেক জানিয়ে দিয়েছে, পঞ্চায়েত ভোট শেষ হওয়ার পর ইডি তলব করলে তিনি যাবেন। এখন ১০-১২ ঘন্টা সময় নষ্ট করতে পারবেন না।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

কয়লা পাচার কাণ্ডে দিনভর সিবিআইয়ের তল্লাশি, দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ মলয় ঘটককে

কয়লা পাচার তদন্তে রাজ্যের আইনমন্ত্রীর মলয় ঘটকের একাধিক বাড়িতে বুধবার সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। আইনমন্ত্রীর আসানসোল ও কলকাতার বাড়ি, সরকারি আবাসনে হানা দেয় সিবিআই। ডালহৌসির সরকারি আবাসনে গিয়ে মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদও করে সিবিআই আধিকারিকরা। মলয় ঘটকের দাবি, সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা তাঁর তিনটি স্মার্ট ফোন সেট নিয়ে গিয়েছে। সিমগুলি অবশ্য নেয়নি।বুধবার কয়লা পাচার কাণ্ডে প্রায় আট ঘন্টা তল্লাশি চালায় সিবিআই। বিকেলে সরকারি আবাসন থেকে বেরিয়ে প্রথমে মলয় ঘটক জানিয়ে দেন বিচারাধীন বিষয় তাই মুখ খুলবেন না। কিন্তু, সন্ধ্যার সরকারি আবাসনেই সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রী।মন্ত্রীর দাবি, তাঁকে বদনাম করতেই সিবিআই এত তল্লাশি চালাচ্ছে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশির সার্চ ওয়ারেন্ট ছিল না বলেও অভিযোগ করেছেন মলয়বাবু। তাঁর বক্তব্য, আসানসোল পুরভোট, লোকসভার উপনির্বাচন বা রাজ্যব্যাপী পুরভোটের সময় আমাকে সিবিআই, ইডি তলব করেছে। আমি ব্যাস্ত থাকায় জানিয়েছিলাম পরে যাব। ইমেলে তারিখ জানতে চাইলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষে কিছু জানানো হয়নি।তবে মলয় ঘটক জানিয়েছেন, তদন্ত সাহায্য করা আমার কর্তব্য। তবে সময় সুযোগ বুঝে ডাকলে যাব। তাঁর চ্যালেঞ্জ, আসানসোলের বিজেপি নেতা, কর্মী, সমর্থকরা ছাড়া কেউ বলুক যে আমি কয়লা পাচারে জড়িত, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। এর আগে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছিলেন তদন্তে সহযোগিতা করবেন। যদিও সিবিআইকে তদন্তে সহযোগিতা করবেন বলে মুকুল রায়ের সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এদিকে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে দুর্গাপুরে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

'গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না' অভিষেক প্রসঙ্গে শুভেন্দু

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে ইডির তলব নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, আমি রাজনীতির কথা বলবো না গণপতি বাপ্পাকে সামনে রেখে এরকম চোর ডাকাতদের সম্বন্ধে বলা উচিত না। অন্য জায়গায় বলবো জায়গাটাকে অপবিত্র করবেন এইরকম গরু চোর গরুকে আমরা মাতা বলি আর এরা গরু পাচার করে।পানিহাটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপম দত্তের খুনের ঘটনায় অভিযুক্তের জামিন নিয়ে বলেন, আমাদের সহানুভূতি আছে আমি যে বিধানসভায় সাসপেন্ড হয়েছিলাম পানিহাটি ঝালদা রামপুরহাটের বাগটুই এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে উনি আমাদের দলের কাউন্সিলর ছিলেন না কিন্তু আমাদের সহানুভূতি ছিল আমি বিরোধী দলনেতা হিসেবে পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম প্রথম দিন তার পরিবারের তরফ থেকে সিবিআই তদন্ত চাওয়া হয় কিন্তু পরবর্তীকালে শাসক দলের লোকেরা ওনাকে বুঝিয়ে বলেন এই সরকারের পুলিশ সিআইডি থেকে বিচার পাবেন সাময়িকভাবে ভুল বুঝিয়ে আজকে খুনিদের ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে ওনার স্ত্রী এবং বাড়ির লোককে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা সিআইডি তদন্তের উপর আস্থা রাখবেন না উচ্চ আদালতে যাবেন সিবিআই তদন্তের দাবিতে।অনুপম দত্তের স্ত্রী আত্মহত্যা করতে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, আমি জানি খুব খুব বেদনাদায়ক ঘটনা গণপতি বাবার কাছে ওনার পরিবারের সুস্থতা কামনা করব এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়ুক তিনি যে ধরনের আইনি সাহায্য বা লিডার অপজিশন হিসেবে যেহেতু পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি ছাড়া আর কোন দলের এমএলএ নেই তাই এই সরকারের দ্বারা এখানকার গুন্ডাদের দ্বারা যেই পীড়িত হবে যে দলেরই যারা সরকার বিরোধী তাদের পাশে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত বিরোধী দলনেতা তাদের পাশে থাকবে।মিনাক্ষী দত্ত মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিল কিন্তু পাইনি, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এগুলো বলতে পারব না। আমি শুধু বলবো এই রাস্তাটা তাড়াতাড়ি সারানোর ব্যবস্থা করতে।

আগস্ট ৩১, ২০২২
দেশ

কয়লা পাচারকাণ্ডে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জামিন যোগ্য গ্রেফতারি পরোয়না

জামিন যোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে এই পরোয়না জারি করেছে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে একাধিকবার রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিশ করা হলেও হাজির হচ্ছেন না। ২০ অগাস্টের মধ্যে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইডি সূত্রে খবর, বারংবার নোটিশ করা সত্বেও হাজির হচ্ছিলেন না অভিষেক পত্নী। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।এদিকে আদালতে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সওয়ালে জানান, তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছেন, তবে এখনও শুনানি হয়নি। পাল্টা ইডির তরফে বলা হয়, আবেদন করা হয়েছে কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়নি। রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী ও ইডির তরফে সওয়াল জবাবের পর অভিষেকপন্ত্রীর নামে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

কয়লাকাণ্ডঃ অভিষেকপত্নী রুজিরা ও শ্যালিকাকে তলব ইডির

কয়লাকাণ্ডে অভিষেকপত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামিকাল সকাল ১১টা নাগাদ দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রুজিরাকে। পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার একই সময়ে হাজির হতে বলা হয়েছে মেনকাকে। এর আগেও রুজিরাকে তলব করেছিল ইডি। তখন দেখা করেননি রুজিরা। এদিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি দফতরে তলব করা হয়েছিল। এদিন তিনি হাজির হতে পারেননি। সময় চেয়েছেন।ইডি সূত্রের খবর, মূলত বিদেশে দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে রুজিরা ও মেনকাকে। বিদেশের সেই ব্যাংক থেকেও তথ্য় মিলেছে ইডির। সেই তথ্য় যাচাই করতে চায় ইডি আধিকারিকরা। এদিকে এদিনও কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলো নিয়ে তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এবিষয়ে এক জোট হতে আবেদন জানিয়েছেন মমতা। এর আগে কয়লাকাণ্ডে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককে। যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রকে খুঁজে বেড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

মার্চ ২৯, ২০২২
দেশ

ইডি-সিবিআইয়ের কাছে মাথা নোয়াতে রাজি নই, সাড়ে ৮ ঘণ্টা জেরা শেষে হুংকার অভিষেকের

সকাল ১১ টায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অফিসে প্রবেশ করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইডি অফিস থেকে বেরিয়ে অভিষেক সাফ জানালেন, তিনি মাথা নোয়াবেন না। সেই সঙ্গে কয়লা পাচার বা গোরু পাচারের কেলেঙ্কারিতে দায় ঠেললেন সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দিকে। তাঁর দাবি, গোরু যদি ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার হয়ে যায়, তাহলে বিএসএফ কী করে? এই বিষয়টা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন বলে উল্লেখ করে অভিষেক বলেন, এই সব কেলেঙ্কারিকে হোম মিনিস্ট্রি স্ক্যাম বলা উচিত।জানা গিয়েছে, এ দিন থাইল্যান্ডের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে সেটি কার। অভিষেক সে বিষয়ে মুখ খোলেননি। ওই অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে উল্লেখ করেছেন। সাড়ে চার ঘণ্টা ইডি আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদের পর এক ঘণ্টার লাঞ্চ ব্রেক দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। মঙ্গলবার অভিষেকের স্ত্রী রুজিরাকে প্রবর্তন ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি তলব করেছে। তবে রুজিরা যাবেন না বলে জানিয়েছেন অভিষেক।তবে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক প্রশ্ন তোলেন, কী এই কয়লা কেলেঙ্কারি? কী এই গোরু পাচার কেলেঙ্কারি? তাঁর দাবি, গোরু কোনও ছোট কীট নয়, একটা বড়সড় প্রাণী। তাই গোরু যদি ভারত থেকে বাংলাদেশে যায়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে বিএসএফ কী করছে? আর বিএসএফ রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। কয়লাও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে বলে উল্লেখ করে অভিষেক বলেন, এগুলোকে হোম মিনিস্ট্রি স্ক্যাম বলা উচিৎ।জেরায় অভিষেকের থেকে বেশ কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। তা তিনি জোগাড় করে দিয়ে দেবেন বলে বেরিয়ে এসে জানালেন অভিষেক। এর পরেই নাম না করে বিজেপি-কে হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক বলেন, ইডি, সিবিআই-কে কাজে লাগিয়ে যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছে, তাদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই, আমি অন্য মেটিরিয়াল। এ সব যত করবে, আমি তত দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হব, তত নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকব।পাশাপাশিই, অভিষেক বলেন, বিচারব্যবস্থার উপর আমি আস্থাশীল। আমি তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতাই করছি। ওঁরা ওঁদের কাজ করছে। আবার ডাকলে আবার আসব। কিন্তু যাঁদের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ, প্রমাণ রয়েছে, তাঁদের কজনকে ডাকছে ইডি, সিবিআই। যাঁদের বিরুদ্ধে সারদার কর্ণধার লিখিত অভিযোগ করেছে, যাঁদের কাগড়ে মুড়িয়ে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের কেন ডাকা হচ্ছে না? আমি আজ বিরোধী দলে আছি বলেই আমাকে ডাকা হচ্ছে। যাঁরা বিজেপি করেন, তাঁদের ডাকা হবে না। এ সব ধাপ্পাবাজি বেশি দিন চলবে না।

মার্চ ২১, ২০২২
দেশ

ইডি-র সদর দপ্তরে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দিল্লিতে ইডি-র সদর দপ্তরে হাজির হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সকাল ১১টার কিছু আগে ইডি-র দপ্তরে হাজির হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। কিছুক্ষণর মধ্যেই অভিষেককে জেরা করার কথা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার।সোমবার অবশ্য ইডি-র দপ্তরে যাওয়ার আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন অভিষেক। তাঁকে দিল্লিতে ডেকে জেরা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করেন। তবে সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলা গৃহীত হয়নি। এরপরই ইডি-র দপ্তরের উদ্দেশে রওনা হন অভিষেক। কয়লা পাচার-কাণ্ডে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, কয়লা-কাণ্ডে নতুন তথ্য প্রমাণও হাতে এসেছ ইডি-র। দুটি বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নজর রয়েছে তাদের। অভিষেককে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।উল্লেখ্য, দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। ইডি-র তলবে সাড়া দিতে রবিবারই সস্ত্রীক দিল্লিতে পৌঁছন অভিষেক। দিল্লি রওনা হওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরেই অভিষেক জানিয়ে যান তিনি প্রয়োজনে ইডি-র বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট যাবেন।

মার্চ ২১, ২০২২
কলকাতা

কয়লাকাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে

কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে তলব। ৮ ফেব্রুয়ারি তলব করেছে ইডি। ২ ফেব্রুয়ারির পর ৮ ফেব্রুয়ারি হাজিরা দেওয়ার জন্য ফের নোটিস দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয় ঘটকের বিরুদ্ধে কিছু তথ্য প্রমাণ পেয়েছে ইডি। তারই ভিত্তিতে তাঁকে সাক্ষী হিসাবে তলব করা হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি। কোভিড পরিস্থিতির কথা জানিয়ে তিনি ইডি দপ্তরে হাজিরা দেননি। আবারও নোটিস দিয়ে তাঁকে ৮ ফেব্রুয়ারি তলব করা হল। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্যও চেয়ে পাঠিয়েছেন তদন্তকারীরা। যেহেতু ইডির সদর দপ্তর দিল্লিতে কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্ত চলছে, তাই সেখানেই তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।একেবারে পুরভোটের মুখে ইডির এই পদক্ষেপ অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে শাসকশিবিরে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। ইডির নোটিস পাওয়ার পর রাজ্যের আইনমন্ত্রী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন? সেটাই দেখার।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

Coal Scam: কয়লা পাচার-কাণ্ডে বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই

কয়লা পাচার-কাণ্ডে অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করা হল। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পরই বৃহস্পতিবার বিকাশকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই।সিবিআই সূত্রে খবর, শারীরিক অসুস্থতার কারণে বুধবার বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল বিকাশকে। আপাতত সেখানে চিকিৎসাধীন তিনি। হাসপাতাল থেকে বিকাশকে গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।বুধবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত বিকাশের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছিল। সিবিআই আধিকারিকেরা আদালতে জানিয়েছিলেন, শারীরিক অসুস্থতার মিথ্যে কারণ দেখিয়ে জামিন পেয়েছিলেন বিকাশ। এর পর বিকাশের আবেদন খারিজ করে তাঁর বিরুদ্ধে জারি করা হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Coal Scam-CBI arrest: কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে প্রথম গ্রেপ্তার লালা-ঘনিষ্ঠ ৪

কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে এই প্রথম গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-র। সোমবার ওই দুর্নীতি মামলায় চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। ধৃতেরা সকলেই কয়লা মাফিয়া বলে অভিযোগ।সিবিআই কয়লা-কাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর থেকে এই প্রথম গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটল। সোমবার জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ নন্দ, গুরুপদ মণ্ডল এবং নীরদ মণ্ডল নামে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, কয়লাপাচার-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার সহযোগী হিসাবেই কাজ করত ওই চার জন। তদন্তকারীদের ধারণা, ধৃতেরা বহু দিন ধরেই ওই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাদের দায়িত্ব ছিল মূলত পরিত্যক্ত খাদান থেকে কয়লা তোলা এবং তা বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো। তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক স্তরের পাশাপাশি প্রভাবশালী কেউ জড়িয়ে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের থেকে বহু তথ্য মিলবে বলেই সিবিআইয়ের ধারণা।আরও পড়ুনঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় পালিত হচ্ছে ভারত বনধ, প্রভাব পড়েছে রাজ্যেও মঙ্গলবার আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ধৃতদের তোলা হবে। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ওই কাণ্ডের তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-ও। প্রায় এক বছর হতে চলল কয়লাকাণ্ডের তদন্তভার হাতে তুলে নিয়েছে সিবিআই। তবে এতদিন ঢেলে তদন্ত করলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। এই প্রথম কয়লাকাণ্ডে গ্রেপ্তারি। তাও একই সঙ্গে চারজন। অভিযোগ, প্রত্যেকে লালার সিন্ডিকেটে যুক্ত। অর্থাৎ, কয়লা কোথায় পাচার করা হবে। কত টাকায় রফা হবে, কে কী ভাবে কয়লার টাকা দেবেন বা নেবেন সবটাই নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ধৃতদের। সিন্ডিকেটের একেবারে শীর্ষ পদে ছিলেন এই জয়দেব, নীরদ, নারায়ণ, গুরুপদ। অভিযোগ, শুধু সিন্ডিকেটই নয়, লালার আরও একাধিক বেআইনি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন চারজন। মূলত, এই ব্যবসায় কয়লা পাচারের টাকা খাটানো হতো বলে অভিযোগ। সেই ব্যবসায় ডিরেক্টর পদে নাম রয়েছে চারজনের। সিবিআই এর আগেও বহুবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তাঁদের। কোনও বারই সন্তোষজনক জবাব পায়নি।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Abhishek-Dilip: 'অভিষেককে কলকাতায় ডাকলে দলীয় কর্মীরা ঢিল মারবে'

কলকাতায় কার্যালয় থাকা সত্বেও কয়লাকাণ্ডে বার বার দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে কেন্ত্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা। তাঁদের দাবি, আইন মেনে কলকাতাতেই ডাকা হোক তাঁদের। এদিকে দিল্লিতে সস্ত্রীক অভিষেককে তলব নিয়ে যুক্তি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, কলকাতায় ডাকা হলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বাধা দেব। তাই যেখানে নিরাপদ সেখানেই ডাকা হবে।আরও পড়ুনঃ ৫০০ টাকা পেতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট থেক উধাও হল ৫ হাজার টাকা!শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে ডাকলে তো ওদের কর্মীরা এসে ঘেরাও করবে, ঢিল মারবে, মুখ্যমন্ত্রী ধর্না দেবেন। এর আগেও অন্য মামলায় ভিন রাজ্যে ডেকে জেরা করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। তাই যেখানে নিরাপদ মনে হবে সেখানেই ডাকা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে হওয়ার মামলার কথা মনে করিয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বম্বে হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করে তাঁদের গুজরাত থেকে সেখানে ডাকা হয়েছে। আমরা গিয়েছি। অশান্তি করিনি। আমাদের আইনের উপর আস্থা ছিল। তাঁর কথায়, আইনের আশ্রয় নিয়ে আমাদের নেতারা সোনার মত চকচকে হয়ে বেরিয়ে এসেছে। অভিষেকের এই ইস্যুতে হাইকোর্টে যাওয়াকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, আমার মনে হয় না এইভাবে বাঁচা যাবে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে শহরের একাধিক জায়গায় ইডি হানা

কয়লাকাণ্ডে শনিবার সকালে আচমকা শহরের দুটি জায়গায় হানা দিলেন ইডি আধিকারিকরা। এ দিন দুই সংস্থার অফিসে যান তাঁরা। ওই দুই সংস্থার সঙ্গে কয়লা পাচারের যোগ ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের। জানা যাচ্ছে, ওই সংস্থাগুলির মাধ্যমেই কয়লা পাচারের টাকা যেত অন্য কোনও অ্যাকাউন্টে।বিধানসভা নির্বাচনের কিছু আগেই সামনে আসে কয়লা-কেলেঙ্কারি। এরপর তদন্ত এগোলে উঠে আসে একের পর এক প্রভাবশালীর নাম। শাসক দলের সঙ্গে অভিযুক্তদের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। ক্রমশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মলয় ঘটকদের নামও উঠে আসে এই মামলায়। এবার সেই কেলেঙ্কারির তদন্তে আরও তৎপর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আরও পড়ুনঃ বিধানসভার গোপন সুড়ঙ্গে লুকিয়ে অজানা ইতিহাসের হাতছানিজানা গিয়েছে, এ দিন সকালে ইডির তিনটি দল শহরে তল্লাশি চালায়। মল্লিক বাজার ও ডালহৌসির ওই দুই সংস্থার অফিসে গিয়েছেন আধিকারিকেরা। ওই দলে দিল্লি থেকে আসা অফিসারেরাও রয়েছেন বলে খবর। অফিসে হানা দিয়ে ইতিমধ্যেই কর্মীদের বেরতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে একটি স্টিল কোম্পানির অফিস ও অন্যটি পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। কর্মীদের আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি। সংস্থার ডিরেক্টরদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ওই আধিকারিকদের দল অন্য জায়গায় তল্লাশিতে যেতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। আগেই এই কয়লা-কাণ্ডে ডাক পড়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরই মধ্যে তলব করা হয়েছে রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে তলব করা হয়েছে বলে খবর। সকাল ১১ টায় তাঁকে রাজধানীর ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যদিও আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি এই সংক্রান্ত কোনও নোটিস পাননি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতার

শনিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এদিন সকালেই, কয়লা-কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর টিএমসিপি-র মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠেই এই নিয়ে সরাসরি আক্রমণের পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিল্লি আমাদের সঙ্গে না পেরেই কেন্দ্রীয় সংস্থা লেলিয়ে দেয়। কয়লা দুর্নীতি ও অভিষেকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তিনি ইডি-র নোটিস নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দেন।টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে উঠে এ দিন মমতা বলেন, ক্ষমতায় এসে আমাদের চ্যালেঞ্জ আরও বেড়ে গিয়েছে। যেটুকু কাজ বিরোধী দলে আমাদের ছিল, তার থেকে এখন কাজ বেড়ে গিয়েছে। আমরা কখনও দমে যাইনি। মানুষের কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ। তাই দিল্লি যখন আমাদের সঙ্গে রাজনীতিকে পারে না, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার তখন এজেন্সি লেলিয়ে দেয়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট নিয়েও এ দিন কটাক্ষ করেছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আজকাল লজ্জা লাগে আমার। আমি মানবাধিকার কমিশনকে শ্রদ্ধা করি, সম্মান জানাই। এই মানবাধিক কমিশনের জন্যই আমি ২১ দিন ধরনা করেছিলাম রাস্তায়।আরও পড়ুনঃ শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যামুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের পরবর্তী সময় ফের একবার কয়লা কাণ্ডের কথা উঠে আসে। তিনি বলেন, কয়লা চুরির জন্য শুধু তৃণমূলকে ধরলে হবে? তৃণমূলের দায়িত্বে কয়লা নয়। কয়লা কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্বে। মাথায় রেখো, এটা রাজ্যের দপ্তর নয়। তোমার দপ্তর। একটা ছোট্ট নেংটি ইঁদুর বের করেছো না পকেট থেকে, ওই ইঁদুর তোমার পকেট ফাঁকা করে দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে অভিষেকের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালাও। এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি কখনও দেখিনি। আমরা এমন রাজনীতি করি না। তোমার দলের বিরুদ্ধে কতটা পদক্ষেপ করেছ? উত্তরপ্রদেশে হাথরসের ঘটনায় মানবাধিকার কমিশন পাঠিয়েছ?আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার কয়লা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তবে এ রাজ্যে নয়, তাৎপর্যপূর্ণভাবে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। সূত্রের খবর, অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠিয়েছে আর্থিক তছরুপ তদন্তকারী এই গোয়েন্দা সংস্থা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে রুজিরাকে। তদন্তের সহযোগিতারা জন্য অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

ED Summons: কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-র

কয়লা-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ১ সেপ্টেম্বর রুজিরা এবং ৩ সেপ্টেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি সংবাদসংস্থা এএনআই-র।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানকে বিশেষ স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগেরসংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, পিনকন কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেকের আইনজীবী সঞ্জয় বসুকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। বিধানসভা ভোটের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বোনকেও। এবার নোটিস পাঠিয়ে দিল্লির অফিসে ডেকে পাঠানো হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও তাঁর স্ত্রীকে। একে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই নিয়ে তৃতীয় নোটিস পাঠানো হল। কয়লা মামলার তদন্তে তাঁর সহযোগিতা চেয়ে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর। এই আগে কয়লাকাণ্ডে খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে সিবিআই-এর গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল অভিষেকের আরও এক আত্মীয়কে। যদিও কয়লাকাণ্ডে অভিষেককে এখনও পর্যন্ত সিবিআই বা ইডি-র মুখোমুখি হতে হয়নি।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Cow-Coal Smuggling: আরও বিপাকে বিনয় মিশ্র, হাইকোর্টে খারিজ সব আবেদন

গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে ভার্চুয়ালি জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। এই আর্জি জানিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কিংপিন বিনয় মিশ্র। কিন্তু সেই আর্জি আজ খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত রবিবার সিবিআই বিনয়ের এই আবেদন খারিজ করে দেয়। আজ সিবিআই-এর সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখল আদালত। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাত থেকে বহুদূর চলে গিয়েছেন গোরু ও কয়লা পাচারকারীর মাথা বিনয় মিশ্র। আপাতত প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুয়াতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন বিনয়। আরও পড়ুনঃ খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ কর্তাদের মানবতার দিশা দেখালেন ইব্রাহিম ও তারাপদতাঁকে সিবিআই-এর তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, ভারতে এসে যথারীতি সময়ে হাজিরা দিতে। শুধুই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে গ্রেপ্তার করা হবে না। তখন বিনয় শর্ত দেন, তিনি ভারতে এখন আসবেন না, যা জিজ্ঞাসা করার যেন ভার্চুয়ালি করা হয় সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন। কিন্তু সিবিআই সেই আর্জি খারিজ করে দেয় ও বিনয়ের আর কোনও দাবি না মানার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মর্মে আদালতের কাছে আর্জি জানালেও তা খারিজ করে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়ে দিয়েছেন, সিবিআই তদন্তে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। নিজের মতো করেই তদন্ত করতে পারবে তারা। অর্থাৎ এবার সিবিআই হয়ত বিনয়কে গ্রেপ্তার করতেও পারে। অপরদিকে আজই নিজাম প্যালেসে বিনয়ের বাবা-মায়ের ভুয়ো কোম্পানি কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও আসেননি তারা। বেলা ১১ টায় হাজিরার সময় থাকলেও এখনও পাত্তা নেই বিনয়ের বাবার। আইনজীবি মহলের ধারণা বিনয়কে এখনই গ্রেপ্তার করা সিবিআই-এর তরফে অসম্ভব। কারণ সিবিআই ভালোই জানে ভানুয়াতুয়ার সঙ্গে ভারতের পণবন্দির চুক্তি নেই। আর থাকলেও এই করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত অসম্ভব। আবার বিনয়ের কাছে একাধিক পাসপোর্ট রয়েছে, সিবিআই-এর তোড়জোড়ের খবর পেলেই হয়ত অন্য রাষ্ট্রে পালিয়ে গিয়ে একেবারেই গা ঢাকা দিতে পারে যেটা গোয়েন্দারা কখনই চাইবেন না।

জুলাই ২৮, ২০২১
কলকাতা

লালা ঘনিষ্ঠ অমিত আগরওয়ালকে সিবিআই তলব

কয়লাপাচার কাণ্ডে একই সঙ্গে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি ও সিবিআই। এবার সিবিআই তলব করল লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়ালকে। অবৈধভাবে কয়লা পাচরের ঘটনায় একের পর এক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। এবার লালার কাছে কয়লা কিনতেন এমন এক ব্যবসায়ীকে তলব করা হল।সোমবার নিজাম প্যালেসে কয়লাপাচার কাণ্ডে তলব করা হয়েছে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী তথা স্টিল প্লান্টের মালিক অমিত আগরওয়ালকে। লালার অবৈধ কয়লার বেশিরভাগই এই ব্যবসায়ী কিনে তাঁর স্টিল প্লান্টে ব্যবহার করতেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি লালার কয়লার অবৈধ কাজকর্ম চালানোর জন্য সমাজবিরোধীদের আশ্রয়ও দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে পাঁচটি কম্পিউটার, হার্ড ডিস্ক ও ল্যাপটপ উদ্ধার করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এগুলিতেই কয়লার যাবতীয় হিসেব লুকিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।এছাড়া আজই নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে অন্ডাল থাকার প্রাক্তন আইসি পার্থ ঘোষকেও। এই অন্ডাল থানা এলাকার মধ্যেই পড়ে নিউ কাজোরা এলাকা। আর সেখানেই রয়েছে ইসিএলের লিজপ্রাপ্ত বেশিরভাগ কয়লাখনি। যেখান থেকে সব থেকে বেশি পরিমাণ কয়লা চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। কয়লাকাণ্ডে সমান্তরালভাবে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই ও ইডি। চলছে জোর তল্লাশি। তদন্তে নেমে একাধিক নাম হাতে উঠে আসে তদন্তকারীদের হাতে। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রের নাম। যদিও এই বিনয় এখন পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে ওপেন ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে। তবে বিনয়কে নাগালে না পেলেও ইতিমধ্যেই একাধিকবার তাঁর ভাই বিকাশকে জেরা করেছে সিবিআই। তাঁকে জেরা করেই জানা গিয়েছে, কয়লাপাচারের মূল চক্রী অনুপ মাজি ওরফে লালার ব্যবসা ছিল প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার। প্রভাবশালীদের পিছনে ৭৩০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এ দিকে, আজ মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করা হয়েছে রাজ্যের আরও এক আইএএস দ্বিবেদীকে।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

কয়লা-কাণ্ডে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীকে তলব সিবিআইয়ের

কয়লা পাচার-কাণ্ডে এবার অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়ালকে সমন পাঠাল সিবিআই। আগামী সোমবার তাঁকে কলকাতায় তদন্তকারী সংস্থাটির নিজাম প্যালেসের দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে।সূত্রের খবর, কয়লা পাচার-কাণ্ডে শুরু থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন লৌহ ইস্পাত শিল্পগোষ্ঠীর মালিক অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়াল। এই দুই ভাই কুলটির বরাকরের আদি বাসিন্দা। তাঁদের ঝাড়খণ্ড, দুর্গাপুর, কাঁকসা, বাঁকুড়ায় ১৩-১৪টি কারখানা রয়েছে। সূত্রের খবর, সেই লৌহ ইস্পাত কারখানা চালাতেই লালার কাছে থেকে অবৈধভাবে কয়লা কিনতেন তাঁরা বলে অভিযোগ। অনুপ মাঝি ওরফে লালা কাকে পাচার করত কয়লা? কে কিনত ওই বিপুল পরিমাণ অবৈধ কয়লা? সেই ক্রেতাদের হদিশ পেতে গতকাল বা মঙ্গলবার রাজ্যে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলকাতার শেক্সপিয়র সরণি-সহ রাজ্যের পাঁচ এলাকায় তল্লাশি চালায় সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। গতকাল ১০ জন তদন্তকারী আধিকারিক অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়ালেরর বরাকরের বাড়িতে হাজির হন। সেখানে দুজনের খোঁজ মেলেনি। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ওই আধিকারিকরা। এদিকে শেক্সপিয়র সরণীতে তাদের অফিসে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।প্রসঙ্গত, গতকাল কয়লা ও গোরু পাচার-কাণ্ডে বিনয় মিশ্রর ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাচারচক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

কয়লা-কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি

কয়লা-কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি। সিআইডির জালে রণধীর সিং নামের এক ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, কয়লা পাচারচক্রের প্রধান অনুপ মাজি ওরফে লালার ঘনিষ্ঠ ওই ব্যবসায়ীকে অন্ডাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের পাঁচ তারিখে সিআইডির ডিআইজি অজয় ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি দল দুর্গাপুর আসানসোলের যে সমস্ত জায়গায় অবৈধভাবে কয়লা তোলা হচ্ছিল বলে অভিযোগ সেসব জায়গায় তদন্ত চালায়। সেসময় অন্ডালের কাজোরা এরিয়ার লছিপুর, হরিশপুর, তালডাঙা, জে কে রোপওয়ে, বক্তারনগর এলাকাগুলোতে অবৈধ খাদানগুলো পরিদর্শন করেন সিআইডি গোয়েন্দারা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন সিআইডির আধিকারিকরা। সিআইডি ডিআইজি জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন সময়ে বেআইনি কয়লা পাচার ও চুরির অভিযোগ করেছিল ইসিএল। সংস্থার অভিযোগের ভিত্তিতেই অবৈধ কয়লা কারবারের বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলা হবে।এবার তার মাসখানেক পরেই অন্ডাল থানা এলাকার কাজোরা এরিয়ায় তাঁর বাড়ি থেকে অনুপ মাজির ঘনিষ্ঠ রণধীর সিংকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি বলে সূত্রের খবর। আজ শনিবার রণধীরকে আদালতে তোলা হবে। ধৃতকে সিআইডি হেপাজতে নিয়ে তদন্তের গতি দ্রুত করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। বাম আমল থেকেই অন্ডাল, পাণ্ডবেশ্বরে কয়লা পাচারে জড়িত রণধীর বলে অভিযোগ। কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল তাঁর। বাংলায় পালাবদলের পর অনুপ মাজির ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন রণধীর। পাশাপাশি, তিনি জিতেন্দ্র তিওয়ারির অনুগামী বলেও এলাকায় পরিচিত।

মার্চ ১৩, ২০২১
কলকাতা

কয়লাকাণ্ড: সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ লালা

কয়লাকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছে সে। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা।এখনও তার নাগাল পাননি তদন্তকারীরা। কয়লাকাণ্ডের তদন্তে কার্যত সিবিআইয়ের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালা। তার বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, সেই এফআইআর খারিজের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সে। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায় সিঙ্গল বেঞ্চ। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কয়লা কাণ্ডে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে সিবিআই । তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। তবে, যে জায়গা রেলের আওতাধীন নয়, সেখানে তল্লাশি করতে গেলে রাজ্যের অনুমতি বাধ্যতামূলক। যদিও রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত এলাকায় থাকা কোনও ব্যক্তিকে যদি জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে সমন পাঠানোর জন্য অনুমতি নিতে হবে না।এদিকে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ের পর পাল্টা তৎপরতা শুরু হয় সিবিআই-র অন্দরেও। মামলা গডায় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি সিবিআইকে রাজ্যের এক্তিয়ারভুক্ত তল্লাশি অনুমতি দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল কয়লাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা। সঙ্গে তার বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজের আবেদনও।

মার্চ ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal