• ৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Chief Justice Of India

দেশ

সুপ্রিম কোর্টের দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা’, তরুণদের ন্যায়বিচারের আশ্বাস প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের

দেশের তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ নাগরিকদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের কোনও নাগরিক যদি অন্যায়ের শিকার হন, তাহলে আইনি প্রক্রিয়া মেনে তাঁর অভিযোগ শোনার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সর্বদা প্রস্তুত। বিশেষ করে তরুণদের আশ্বস্ত করে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগ তাঁদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।দেশজুড়ে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং গত ২০ জুলাই দিল্লিতে চলো সংসদ কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ও কথিত অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়েই প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া এক বক্তব্যে বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রতি অন্যায় হয়ে থাকলে সুপ্রিম কোর্ট আইন ও নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় সেই অভিযোগ শুনবে। যেখানে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ রয়েছে, সেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে বলেও তিনি জানান।প্রধান বিচারপতির বলেন, আমি প্রতিটি নাগরিক এবং বিশেষ করে দেশের তরুণদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, যদি কারও প্রতি কোনো অবিচার হয়ে থাকে, তবে সুপ্রিম কোর্ট আইন ও নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়ার সীমার মধ্যে থেকে সেই অভিযোগ শুনবে। যেখানেই সম্ভব, আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব। জনগণের সমস্যা ও দুর্ভোগের সমাধানে বিচার বিভাগ সর্বদা প্রস্তুত।চলমান বিক্ষোভের নেতৃত্বে থাকা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র আন্দোলনের যৌক্তিকতা বা দাবির গুণাগুণ নিয়ে অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিষয়টি বর্তমানে আদালতের সামনে রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি শুনতে অস্বীকার করেছেএমন দাবি সঠিক নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন।তিনি জানান, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যখন প্রথম আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছিল, তখন যথাযথ আইনি পদ্ধতি অনুসরণ করে কোনও আবেদন দাখিল করা হয়নি। আদালতের কাছে জরুরি শুনানির আবেদন জানিয়ে কেবল একটি চিঠি বা স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই ধরনের চিঠি বা স্মারকলিপি সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়েরের স্বীকৃত আইনি পদ্ধতি নয়।প্রধান বিচারপতির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে কোনও বিষয় নিয়ে শুনানি চাইলে নির্ধারিত নিয়ম মেনে যথাযথ আবেদন বা পিটিশন দাখিল করতে হয়। পরে যখন নিয়ম মেনে আবেদনগুলি দায়ের করা হয় এবং আদালতের সামনে সেগুলির বিষয়টি উত্থাপন করা হয়, তখন সেগুলিকে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এই প্রসঙ্গেই প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা। আদালত কোনও অবিচারকে প্রশ্রয় দেবে না।সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়ে সাম্প্রতিক সমালোচনার আবহে প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গত বুধবার ২০ জুলাইয়ের চলো সংসদ কর্মসূচিতে পুলিশের কথিত অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (suo motu) হস্তক্ষেপ করুকএমন মৌখিক আবেদন জানিয়েছিলেন এক আইনজীবী। সেই সময় আদালত বিষয়টি গ্রহণ না করায় নানা মহলে সমালোচনা শুরু হয়।এর পর শুক্রবার প্রকাশ্য আদালতেই বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার সঙ্গে বেঞ্চে থাকা প্রধান বিচারপতি জানান, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়ে কোনও রিট পিটিশন দায়ের হয়নি। ফলে আদালত শুনানি বা তালিকাভুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেএমন খবরকে তিনি দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে সমালোচনা করেন।এর কয়েক ঘণ্টা পর প্রবীণ আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন আদালতে দুটি নতুন আবেদনের বিষয়টি উত্থাপন করেন। ওই আবেদনে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের কথিত বাড়াবাড়ি এবং ছাত্র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হয়। আইনজীবী জানান, আবেদনগুলির জন্য ইতিমধ্যে ডায়েরি নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে এবং সেগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্তও হয়েছে।বিষয়টি শুনে প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, আবেদনগুলি সোমবার শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হবে। ফলে এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের পথ এখন কার্যত উন্মুক্ত হয়েছে।পুরো বিতর্কের সূত্রপাত গত ২০ জুলাইয়ের চলো সংসদ কর্মসূচিকে ঘিরে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের দাবিতে হাজার হাজার ছাত্র ও বিক্ষোভকারী সংসদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।বিক্ষোভকারীদের একাংশ ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে। যদিও দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, বিক্ষোভকারীদের একাংশ সহিংস হয়ে ওঠে এবং পুলিশের দিকে পাথর ছোড়া শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই বলপ্রয়োগ করা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।এই ঘটনাকে ঘিরে দিল্লি হাইকোর্টেও একাধিক আবেদন দায়ের হয়েছে। সেই মামলাগুলির শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট পুলিশি পদক্ষেপের সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।অন্যদিকে, আদালতের তৎপরতার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার এবং আন্দোলনকারীদের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনাও শুরু হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পর সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক ২৬ দিনের অনশন ভেঙেছেন। এরপর শুক্রবার সিজেপি-র একটি প্রতিনিধিদল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে।বৈঠককে গঠনমূলক বলে দাবি করলেও আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের মূল দাবিগুলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামছে না। পুলিশের ভূমিকার জন্য দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কথিত অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের তদন্ত এবং দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কারএই দাবিগুলিকে সামনে রেখেই তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।ফলে একদিকে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি নিয়ে শুনানির প্রস্তুতি, অন্যদিকে দিল্লি হাইকোর্টের নথি সংরক্ষণের নির্দেশ এবং কেন্দ্রের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আলোচনাসব মিলিয়ে ঘটনাটি এখন একাধিক স্তরে এগোচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সুপ্রিম কোর্টের দরজা ২৪ ঘণ্টাই খোলা মন্তব্য সাধারণ নাগরিক, বিশেষ করে তরুণ সমাজের কাছে বিচার বিভাগের ভূমিকা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে সামনে এসেছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হলে মহিলাদের চাকরি দেবে না সংস্থা! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হওয়া এক মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বলেন, যদি ঋতুকালীন ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে অনেক সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে চাইবে না। এই কারণ দেখিয়েই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা সবার জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। তিনি উদাহরণ হিসেবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন। দুই হাজার তেরো সালে রাজ্যের অধীনস্থ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য ঋতুকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিছু বেসরকারি সংস্থাও কর্মীদের জন্য এই ধরনের ছুটি চালু করেছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।আবেদনকারীর দাবি ছিল, সব রাজ্যেই যেন এই ধরনের ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই উদ্দেশ্যেই শীর্ষ আদালতে এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল।তবে প্রধান বিচারপতি এই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হলে তার উল্টো প্রভাবও পড়তে পারে। তাঁর মতে, এতে অনেক মহিলার মনে হতে পারে যে তাঁরা পুরুষদের তুলনায় পিছিয়ে। একই সঙ্গে অনেক সংস্থা তখন মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারে।প্রধান বিচারপতির কথায়, ঋতুস্রাব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু যদি আইন করে এই ছুটি বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে কিছু নিয়োগকারী সংস্থা মনে করতে পারে যে মহিলাদের কাজের ক্ষেত্রে আলাদা সমস্যা রয়েছে। সেই কারণ দেখিয়ে তারা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।তিনি আরও বলেন, কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কর্মীদের ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হলে তা অনেক সময় মহিলাদের কর্মজীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যেই এই ধরনের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। কর্নাটকে গত বছর একটি আইন পাশ হয়েছে, যেখানে মহিলা কর্মীরা মাসে এক দিন সবেতন ঋতুকালীন ছুটি পাবেন। বিহারে আবার উনিশশো বিরানব্বই সাল থেকেই মাসে দুদিন ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু রয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালে ওড়িশা সরকারও মহিলা কর্মীদের জন্য মাসে এক দিন ঋতুকালীন ছুটিতে সম্মতি জানিয়েছিল।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

১৪ মাসের জন্য দেশের শীর্ষ বিচারক সূর্য কান্ত! জানুন কোন মামলাগুলি আগে শুনানি হবে

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে নেতৃত্ব বদল হল আজ, ২৪ নভেম্বর। পদ ছাড়লেন দেশের প্রধান বিচারপতি বিআর গভাই। তাঁর জায়গায় দেশের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। রাষ্ট্রপতি ভবনে সোমবার সকালে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রধান বিচারপতি গভাই তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে সূর্য কান্তের নামই সুপারিশ করেছিলেন। তবে নতুন প্রধান বিচারপতির মেয়াদ খুব দীর্ঘ নয়আগামী প্রায় ১৪ মাস তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিচারপতির দায়িত্বে থাকবেন।হরিয়ানার একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৬২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জন্মসূর্য হয়ে ওঠা সূর্য কান্তের আইনি জীবনের শুরু হিসারে ১৯৮৪ সালে। পরে তিনি পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করতে চলে আসেন। তাঁর আইনজীবী জীবনের উত্থানও কম নাটকীয় নয়২০০০ সালে হরিয়ানার ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে অ্যাডভোকেট জেনারেল হন তিনি। পরের বছরই পান সিনিয়র অ্যাডভোকেটের মর্যাদা। ২০০৪ সালে তাঁকে পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ করা হয়।এরপর ২০১৮ সালের অক্টোবরে তিনি হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হন এবং ২০১৯ সালের মে পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পদোন্নতি হয় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্টের লিগাল সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে কাজও করছেন।Attended the oath taking ceremony of Justice Surya Kant as the Chief Justice of India. Best wishes to him for his tenure ahead. pic.twitter.com/62yeSlfmsx Narendra Modi (@narendramodi) November 24, 2025প্রধান বিচারপতির চেয়ারে বসার আগে সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেনতাঁর প্রথম লক্ষ্য হবে দেশের সমস্ত হাইকোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেলা ও নিম্ন আদালতগুলিতে কোন কোন জায়গায় কাজের সমস্যা রয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে খুঁজে বের করা। বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় বছরের পর বছর ঝুলে থাকা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পাঁচ সদস্য, সাত সদস্য ও নয় সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে তিনি সেই মামলাগুলি দ্রুত শুনানিতে আনবেন।দেশের বিচারব্যবস্থার গতি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণএই পরিবর্তনকে ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে আইনজগত থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
দেশ

প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ২০৯৩ মহিলা আইনজীবীর

বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ক্রমাগত চাপ বাড়ছে রাজ্য সরকারের উপর। অশান্তির ঘটনা কমে এলেও যে ঘটনাগুলি ভোট শেষ হওয়ার পরই ঘটেছে তার রেশ এখনও জিইয়ে রয়েছে। নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করা হল। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এনভি রামনার কাছে এই নিয়ে নালিশ জানিয়েছেন দেশের প্রায় ২০০০ মহিলা আইনজীবী। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাওয়া হয়েছে।বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে শীর্ষ আদালতে। কখনও মামলায় দাবি করা হয়েছে, রাজ্যে যেন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। কোনও মামলার আবার দাবি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুক আদালত। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যদিও বারবার দাবি করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী তৃতীয়বার শপথ গ্রহণের পর থেকে অশান্তির ঘটনা কমে গিয়েছে। তবে বিজেপি তেমনটা মানতে নারাজ।ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। যদিও রাজ্যের পক্ষ থেকে এখনও কোনও জবাব এই নিয়ে দেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে আদালতের উপর চাপ বাড়িয়ে প্রধান বিচারপতিকে একটি চিঠি লিখে নালিশ জানালেন মহিলা আইনজীবীরা। সূত্রের খবর, নালিশের এই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে ২ হাজার ৯৩ জন মহিলা আইনজীবীর। ২৮ টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মহিলা আইনজীবীরা এই নালিশ জানিয়েছেন।আইনজীবীদের অভিযোগ, গত ২ মে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতির কোনও উন্নতি এখনও দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। তাই প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন জানানো হয়েছে, তিনি যাতে বিষয়টি নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে কোনও পদক্ষেপ করেন।

মে ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময়ের থেকে এগিয়ে’—প্রয়াণে আবেগঘন শ্রীলেখা মিত্র

দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার মধ্যে ছিল আধুনিকতা, স্মার্টনেস আর এক আলাদা ফ্রেশনেসমিঠুকে স্মরণ করে লিখলেন শ্রীলেখাবর্ধমান: সত্তর-আশির দশকের বাংলা ছবির পরিচিত মুখ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলা চলচ্চিত্রমহল। ৭১ বছর বয়সে দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে রবিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী। প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করছেন চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিঠুকে স্মরণ করে তাঁর লেখা দীর্ঘ আবেগঘন পোস্টে উঠে এসেছে এক দর্শকের ব্যক্তিগত মুগ্ধতাযে মুগ্ধতা শুধু অভিনয়ে নয়, মিঠুর পর্দার উপস্থিতি এবং নিজস্ব ব্যক্তিত্বকে ঘিরেও।শ্রীলেখার কথায়, মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন সময় থেকে এগিয়ে থাকা এক অভিনেত্রী। তাঁর চোখে মিঠুর আকর্ষণ ছিল এমন এক স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বে, যা পর্দায় আলাদা করে নজর কাড়ত। শ্রীলেখা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সত্তরের দশক থেকে আশি এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিক পর্যন্ত মিঠু একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। মৌচাক, মর্জিনা আবদুল্লাহ, স্বয়ংসিদ্ধার মতো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি আজও দর্শকের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।মিঠুর সৌন্দর্য নিয়েও অকপট শ্রীলেখা। বড় বড় চোখ, সেই চোখের অভিব্যক্তি, শিফন শাড়িতে তাঁর পর্দার উপস্থিতিসব মিলিয়ে মিঠুর মধ্যে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক দুষ্টু-মিষ্টি নায়িকার পরিচিত ছাঁচের বাইরে থাকা এক আধুনিক মুখ। শ্রীলেখার মতে, সেই সময়ের অনেক অভিনেত্রী যেখানে নির্দিষ্ট একটি ইমেজ-এর মধ্যে নিজেদের আটকে রাখতেন, সেখানে মিঠু ছিলেন অনেকটাই অন্যরকম।তাঁর ভাষায়, মিঠু যেন সেই সময়ের পর্দায় এক ঝলক fresh airআধুনিক, স্মার্ট, চুলবুলি এবং নিজের মতো করে থাকা এক অভিনেত্রী।শুধু সৌন্দর্য নয়, মিঠুর স্বাভাবিক আকর্ষণকেও বিশেষভাবে মনে করেছেন শ্রীলেখা। তাঁর সঙ্গে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নীতু সিংয়েরও কোথাও একটা মিল খুঁজে পেয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যেই ছিল এমন এক effortless charm, যা কৃত্রিমভাবে তৈরি করার প্রয়োজন পড়ত নাস্বাভাবিকভাবেই যা দর্শকের চোখে ধরা দিত।১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর শেষ পর্ব ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লাহ, নিশিকন্যা, মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, হোটেল স্নো ফক্স-সহ একাধিক ছবিতে অভিনয় করে নিজের জায়গা তৈরি করেন বাংলা ছবিতে। উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিকের মতো অভিনেতাদের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন মিঠু।তবে জীবনের পরের পর্বে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রজগতের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু। মুম্বইয়ে অনেকটাই অন্তরালে কাটছিল তাঁর জীবন। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অসুস্থতার পর থেমে গেল সেই জীবনযাত্রা।শ্রীলেখার পোস্টের শেষটুকু তাই হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রিয় অভিনেত্রীকে বিদায় জানিয়ে তাঁর লেখামিঠু মুখোপাধ্যায় তাঁর খুব পছন্দের একজন অভিনেত্রী ছিলেন। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন শ্রীলেখা, পাশাপাশি সমবেদনা জানিয়েছেন মিঠুর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি।পর্দার আলো নিভে গিয়েছে। কিন্তু বড় বড় চোখ, স্বতঃস্ফূর্ত হাসি আর সেই স্বতন্ত্র freshnessস্মৃতির পর্দায় হয়তো আরও অনেকদিন জ্বলজ্বল করবেন মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

আগামীকাল থেকেই আবহাওয়ার মেগা বদল, তুফানি তান্ডব বাংলা জুড়ে, কোন কোন জেলায় তুমুল বৃষ্টিপাত?

আবারও বদলাতে চলেছে বঙ্গের আবহাওয়া। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২২ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বঙ্গোপসাগরেও তৈরি হতে পারে প্রতিকূল পরিস্থিতি। সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা থাকায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই যারা সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরে আসতে এবং সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। ফলে খোলা জায়গায় এবং গাছপালা বা দুর্বল কাঠামোর আশপাশে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও প্রতিকূল আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের দুই প্রান্তেই আবহাওয়ার উপর নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। তাই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

উৎসবের মরসুমের পুণ্যার্থীদের জন্য জ্যাকপট, তারাপীঠ যাবেন? বিরাট ঘোষণায় ছক্কা হাঁকাল পূর্ব রেল

উৎসবের মরসুমের আগে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন এলাকার ট্রেনযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল পূর্ব রেল। দীর্ঘদিনের দাবির পর শিয়ালদহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ব্যারাকপুরে এবার পরীক্ষামূলকভাবে থামবে ১৩১৮৭/১৩১৮৮ শিয়ালদহরামপুরহাটশিয়ালদহ মা তারা এক্সপ্রেস। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে এই নতুন স্টপেজ কার্যকর হবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।পূর্ব রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিয়ালদহ থেকে রামপুরহাটগামী ১৩১৮৭ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ব্যারাকপুর স্টেশনে পৌঁছবে। সেখানে এক মিনিট দাঁড়িয়ে সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেবে।অন্যদিকে, রামপুরহাট থেকে শিয়ালদহগামী ১৩১৮৮ মা তারা এক্সপ্রেস প্রতিদিন বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে ব্যারাকপুরে পৌঁছবে। এক মিনিটের বিরতির পর বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে শিয়ালদহের উদ্দেশে যাত্রা করবে।এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুরের পাশাপাশি টিটাগড়, খড়দহ, পলতা-সহ আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এতদিন তারাপীঠ বা বীরভূমের অন্যান্য এলাকায় যেতে হলে অনেক যাত্রীকে প্রথমে শিয়ালদহ যেতে হত। কেউ কেউ নৈহাটি বা ব্যান্ডেল হয়ে সংযোগকারী ট্রেনের উপর নির্ভর করতেন। এবার ব্যারাকপুর থেকেই সরাসরি রামপুরহাটগামী ট্রেন ধরার সুযোগ মিলবে।বিশেষ করে তারাপীঠের মা তারার দর্শনে যাওয়া পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা সুবিধাজনক হবে। এতে যাতায়াতের সময় এবং অতিরিক্ত খরচ, দুটিই কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।রেল সূত্রে খবর, আপাতত যাত্রীদের চাপ এবং টিকিটের চাহিদা পর্যালোচনা করতে পরীক্ষামূলকভাবে এই স্টপেজ চালু করা হচ্ছে। স্থানীয় যাত্রী সংগঠন এবং নিত্যযাত্রীদের তরফেও রেলের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির সঙ্গে দূরপাল্লার যোগাযোগ বাড়ানোই এই ধরনের সিদ্ধান্তের অন্যতম লক্ষ্য। ব্যারাকপুরে মা তারা এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ চালু হলে প্রতিদিনের যাত্রীদের পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে তারাপীঠগামী যাত্রীদেরও সুবিধা হবে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে হারিয়ে শোকে বুকে পাথর চেপে প্রচারে ঝড়! দেড় লাখের বেশি ভোটে জয়ে আত্মবিশ্বাসী ‘ঘরের মেয়ে’ হাসিরানি রথ

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার যত জোরদার হচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক তরজা। রবিবার প্রচারে বেরিয়ে ভোটারদের কাছে বিজেপির পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দলের প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি তুলে ধরলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণের গোবর্ধন পর্বত ধারণের প্রসঙ্গ। তাঁর বক্তব্য, শ্রীকৃষ্ণ যেমন এক আঙুলে গোবর্ধন পর্বত ধারণ করেছিলেন, তেমনই ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের শক্তি দেখাতে হবে।নন্দীগ্রামে প্রচার চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন হাসিরানি। নন্দীগ্রামকে নিজের বাড়ি বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এলাকার মানুষ তাঁকে যেভাবে আপন করে নিয়েছেন, তাতে তিনি অভিভূত। আগামী ৬ অক্টোবর ভোটের দিন ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন জানান তিনি।প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন শুভেন্দু অধিকারীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে একাধিকবার হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন হাসিরানি।এরপরই ৬ অক্টোবরের ভোটকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে তিনি বলেন, ভোটের দিন ইভিএমে একটি আঙুলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি নেতৃত্ব এবং শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি সমর্থন জানানোর আবেদনও করেন তিনি।নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁকে ঘরের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করেন হাসিরানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান বিজেপি প্রার্থী।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হওয়ার পর ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে। বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছে হাসিরানি রথকে। তিনি প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগণনা ৯ অক্টোবর। বিজেপি, তৃণমূলের দুই শিবির, কংগ্রেস এবং বাম-সহ একাধিক রাজনৈতিক শক্তি এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই জোরদার হচ্ছে প্রচার এবং রাজনৈতিক চাপানউতোর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

একসময় পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন, তারপর আচমকাই অন্তরালে! প্রয়াত মিঠু মুখোপাধ্যায়

বিনোদন জগতে ফের শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল সাতের দশকের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর পারিবারিক বন্ধু প্রবীর রায়। তাঁর কথায়, প্রায় এক বছর ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর সঠিক সময় সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।অভিনেত্রীর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মিঠু মুখোপাধ্যায়ের ছবি ভাগ করে তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, অভিনেত্রীর স্মৃতি এবং তাঁর কাজ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকবে।সাতের দশকের বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ১৯৭২ সালে একটি বাংলা ছবির মাধ্যমে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়। এরপর মর্জিনা আবদুল্লা ছবিতে নামভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। মৌচাক, স্বয়ংসিদ্ধা, নিশিকন্যা-সহ একাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকদের নজর কেড়েছিল। পরে হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেন তিনি।মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্য ও পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিও দর্শকদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয় ছিল। সেই সময় অনেকেই তাঁর সঙ্গে বলিউডের অভিনেত্রী রেখার তুলনা করতেন। বাংলা ছবির দর্শকদের একাংশের কাছে তিনি কলকাতার রেখা নামেও পরিচিত হয়ে ওঠেন।তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই ধীরে ধীরে সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। পরবর্তী জীবনে তাঁকে খুব বেশি প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। ফলে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলও ছিল দর্শকদের মধ্যে।তাঁর অভিনয়জীবন খুব দীর্ঘ না হলেও বাংলা সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। একের পর এক জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন তিনি। প্রেমিকা থেকে শুরু করে প্রাণবন্ত তরুণী, নানা ধরনের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।শেষ জীবনে অবশ্য সিনেমার আলো থেকে অনেক দূরে ছিলেন মিঠু মুখোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর রবিবার রাতে মুম্বইয়ে তাঁর মৃত্যু হল। তাঁর প্রয়াণে বাংলা সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

এসআইআরের জট কাটতে ১২ বছর! সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে বিস্ফোরক দাবি নির্বাচন কমিশনের

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হওয়া জট এখনও কাটেনি। এসআইআরের সময় নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোট ৩৮ লক্ষের বেশি আপিল জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে, বর্তমান গতিতে কাজ চললে সব আপিলের নিষ্পত্তি করতে ১২ বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, মোট ৩৮ লক্ষ ৩১ হাজারের মতো আপিল জমা পড়েছে। এর মধ্যে এসআইআরে নাম বাদ পড়া ভোটারদের ২২ লক্ষ ২১ হাজার ১১৮টি আবেদন রয়েছে। তাঁরা ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম ফেরানোর আবেদন করেছেন। অন্য দিকে, প্রায় ১৬ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন করা হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে।এই বিপুল সংখ্যক আপিলের মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র এক লক্ষের কিছু বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আরও সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ১ লক্ষ ২৬ হাজার ১৯৪টি আপিলের নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের পক্ষে সিদ্ধান্ত গিয়েছে এবং তাঁদের নাম ফের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্য দিকে, ৮ হাজার ৬৪৯টি আপিলে আবেদনকারীরা হেরে গিয়েছেন।কমিশনের হিসাব বলছে, ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩৭ লক্ষ ৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। বর্তমান গতিতে মাসে গড়ে প্রায় ২৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন নিষ্পত্তি হচ্ছে। সেই হিসাবেই বাকি আবেদন শেষ করতে ১৪৬ মাসের মতো সময়, অর্থাৎ ১২ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে আপিলের শুনানি দ্রুত শেষ করতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২টি করার আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের ভিত্তিতে একটি করে ট্রাইব্যুনাল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।শুধু ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো নয়, অনলাইনেও শুনানি করার অনুমতি চেয়েছে কমিশন। বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা যাতে নিজেদের বাসভবন বা অন্য নির্দিষ্ট জায়গা থেকে অনলাইনে শুনানি করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সংশোধনের কথাও হলফনামায় জানানো হয়েছে।এসআইআরের সময় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল বলে কমিশনের তথ্য। তাঁদের মধ্যে ২২ লক্ষের বেশি ভোটার নিজেদের নাম ফেরানোর জন্য আপিল করেছেন। অর্থাৎ বাদ পড়া ভোটারদের একটি বড় অংশই এই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাম পুনর্বহালের আবেদন করেছেন।ফলে এখন মূল নজর আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তির দিকে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব এবং অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা কার্যকর হলে মামলার গতি কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার। একই সঙ্গে বাদ পড়া ভোটারদের আবেদনের শুনানি এবং ভোটার তালিকায় নাম পুনর্বহালের প্রক্রিয়া নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ! মমতার মামলায় জরুরি শুনানির আর্জি মেনে নিল সুপ্রিম কোর্ট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সেই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করার আবেদন গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে সোমবার বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।নির্বাচন কমিশন গত ১৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী নির্দেশে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং দলের নির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে আপাতত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম, প্রতীক এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী উপনির্বাচনের জন্য দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁর আবেদনে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। সেই মামলাটিই দ্রুত শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান কপিল সিব্বল।সোমবার আদালতে মামলাটি উল্লেখ করে কপিল সিব্বল কমিশনের সিদ্ধান্তের সময় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের প্রক্রিয়া জুন মাসে শুরু হয়েছিল এবং জুলাইয়ে তাঁদের তরফে জবাব দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির পর প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।সিব্বলের আরও বক্তব্য, নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তাই মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ চেয়েছেন বলেও আদালতে জানান।এর পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, মামলাটি তালিকাভুক্ত হলে সব পক্ষই নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাবে। আদালত বিষয়টি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করবে বলেও জানানো হয়। অর্থাৎ জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করা হলেও সেই মুহূর্তে শুনানির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এদিকে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় দুই গোষ্ঠীকে আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর জন্য একটি নতুন নাম ও নতুন প্রতীক এবং অপর গোষ্ঠীর জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা আসন্ন উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কার্যকর করা হয়েছে।ফলে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর এবার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। মামলাটি কবে তালিকাভুক্ত হয় এবং শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সমর্থন পাওয়ার পরেই গ্রেফতার, এবার হাইকোর্টে মিলন! কী চাইছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে আইনি জটিলতায় পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তাঁর আইনজীবী মামলাটি উল্লেখ করেছেন। আগামীকাল মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা সামনে এসেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে তাঁকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। আদালত মামলাটি শুনে অভিযোগগুলির গুরুত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে।মিলন প্রধানের গ্রেফতারিও নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো খুনের মামলায় মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের আরও দাবি, ওই মামলায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে ছিলেন।এ ছাড়াও মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র আইনের মতো ধারায় মামলা রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন করে আরও একটি মামলা যুক্ত হওয়ার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। তাঁর আইনজীবী নির্বাচনের আগে রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলে আদালত এই আবেদন গ্রহণ করে কী নির্দেশ দেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একদিকে প্রার্থীর গ্রেফতারি, অন্য দিকে পাঁচ মামলায় হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদনদুই ঘটনাতেই নতুন করে নজর পড়েছে এই কেন্দ্রের দিকে। আগামীকাল শুনানি হলে মিলন প্রধানের আবেদনে আদালতের অবস্থান কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal