• ১৭ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CM

রাজ্য

বাংলায় আজ থেকেই চালু ‘পুশব্যাক’ আইন! অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

রাজ্যে পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ রুখতে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। বুধবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করা হল পুশব্যাক আইন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৫ সালেই রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তৎকালীন তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি। এবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইন চালু করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী জানান, এবার থেকে রাজ্যে ধরা পড়া অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এর ফলে দ্রুত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে সরানো সম্ভব হবে।তবে এই ঘোষণার পরেই বাংলাদেশ থেকে আসা মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তাঁদেরও কি রাজ্য ছাড়তে হবে? সেই জল্পনার জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় থাকা কোনও হিন্দু বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না।শুভেন্দু বলেন, সিএএ-র আওতায় থাকা সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন। যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে বা বাংলায় এসেছেন, তাঁদের পুলিশ কোনওভাবেই হেনস্তা বা আটক করতে পারবে না।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, যাঁরা সিএএ-র আওতায় পড়েন না, তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই দেখা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন মেনে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এরপর বিএসএফের মাধ্যমে বিজিবি-র সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন আইন চালুর ফলে পরিস্থিতির বদল হবে বলেই মনে করছে রাজ্যের শাসক দল।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়ে উপচে পড়ল জনতার দরবার! তারপরই নবান্নে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ বৈঠক

সোমবার নবান্নে বসছে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। তার আগেই সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে জনতার দরবারে হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারী। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি সেখানে পৌঁছন। উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা শুভেন্দুকে স্বাগত জানান। এরপর সাধারণ মানুষের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ শুনতে শুরু করেন তিনি। প্রথম দিনেই সেখানে চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় চোখে পড়ে।সূত্রের খবর, জনতার দরবার শেষ করেই শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে যাবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। পাশাপাশি দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আর জি কর কাণ্ড, নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন এবং বকেয়া ডিএ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।গত সপ্তাহেই বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প-সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে যুক্ত হওয়া, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা পাঁচ বছর বাড়ানো এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালুর মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তাই দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন কী ঘোষণা হতে পারে, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, সুশাসন এবং নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়েই এগোবে নতুন সরকার। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।সরকারি কর্মীদের সবচেয়ে বড় নজর এখন বকেয়া ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশনের দিকে। আগের সরকারের সময় সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিলেও পুরো টাকা এখনও মেলেনি। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের একাংশের বকেয়া দেওয়া হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ডিএ এখনও বাকি রয়েছে।নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশা তৈরি হয়েছে যে, এবার হয়তো পুরো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হতে পারে। অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। বিজেপির নির্বাচনী ইস্তেহারেও সপ্তম বেতন কমিশনের প্রতিশ্রুতি ছিল। সরকারি কর্মীদের দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন চালু হলে তাঁদের বেতন অনেকটাই বাড়বে। তাই আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অ্যাম্বুলেন্সে দালালরাজ শেষ! মুখ্যমন্ত্রীর নতুন সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে রোগীর পরিবার

রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল ফেরাতে একের পর এক বড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সম্প্রতি হওয়া বৈঠকেই তিনি কড়া বার্তা দেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায় দালালরাজ বন্ধ করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্স বুক করতে পারবেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি সমস্ত অ্যাম্বুলেন্সে বসানো হবে জিপিএস ট্র্যাকার।সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি অ্যাম্বুলেন্স চালকরাও। তাঁদের দাবি, এর ফলে রোগীর পরিবারের সঙ্গে আর কোনও সমস্যা হবে না এবং ভাড়াও কম লাগবে। অ্যাম্বুলেন্স চালক দিলীপ কুমার দে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ খুবই ভালো। গাড়ির প্রয়োজন হলে অ্যাপের মাধ্যমেই বুকিং হবে। আগে দালালের মাধ্যমে বুকিং আসত, এখন সরাসরি পরিষেবা দেওয়া যাবে। এতে রোগীর পরিবারের খরচও কমবে। আগে যেখানে পাঁচশো টাকা লাগত, এখন সেখানে চারশো টাকাতেই পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁর।শুধু অ্যাম্বুলেন্স নয়, সরকারি হাসপাতালের পরিষেবাতেও বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলিতে বসানো হবে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড। সেখানে রিয়েল টাইমে জানা যাবে কত বেড খালি রয়েছে। খালি বেডের তথ্য নজরে রাখতে তৈরি হচ্ছে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা। পাশাপাশি বাড়ানো হবে বেডের সংখ্যাও। রোগীরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধাও পাবেন বলে জানানো হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও বসানো হচ্ছে বিশেষ কিয়স্ক।সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক রোগীর আত্মীয় বলেন, এই ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। আগে হাসপাতালে কত বেড খালি আছে তা জানা যেত না। এবার সেই তথ্য সহজেই পাওয়া যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

‘নেপথ্যের আসল কারিগর মিঠুন’! মুখ্যমন্ত্রীর মুখে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

ছাব্বিশের ভোটের আগে বাংলাজুড়ে লাগাতার প্রচার করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। একের পর এক সভা, বৈঠক এবং প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। সেই জয়ের পর এবার বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।শনিবার সকালে নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে যান শুভেন্দু। ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগেই তিনি মহাগুরুর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা কথা হয় দুজনের মধ্যে।মিঠুনকে বিজেপির জয়ের অন্যতম নেপথ্য কারিগর বলেই উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, বাংলাকে বাঁচানো, হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা এবং মা-বোনেদের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। গত কয়েক মাস ধরে তিনি একের পর এক সভা, বৈঠক ও প্রচার করেছেন। শুধু বড় মঞ্চ নয়, মাইক্রো স্তরেও কাজ করেছেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, জনগণের আশীর্বাদ এবং দলের সিদ্ধান্তে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু এই জয়ের পিছনে যাঁদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মিঠুন চক্রবর্তী।কেন আচমকা মিঠুনের বাড়িতে গেলেন, সেই কারণও স্পষ্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, জয়ের পর মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। তখনই শুভেন্দু বলেন, তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মিঠুনের বাড়িতে গিয়ে দেখা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতেই শনিবার সকালে নিউটাউনে যান তিনি।এই বৈঠকের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়, তবে কি বিজেপি সরকারে কোনও বড় দায়িত্ব পেতে চলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী? যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, কোনও পদ নিয়ে মিঠুনের আগ্রহ নেই। দল তাঁকে ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিঠুন চক্রবর্তী। হাসিমুখে শুভেন্দুর কাঁধে হাত রেখে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পেতে পারত না। শপথ নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মিঠুন আরও বলেন, আগামী দিনেও মানুষ বুঝতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী কেমনভাবে রাজ্য চালাচ্ছেন। তাঁর কথায়, শুভেন্দু একজন যোদ্ধা এবং তিনি সবসময় তাঁর পাশে থেকে লড়াই করবেন।উল্লেখ্য, এর আগেও নতুন বিজেপি সরকারের প্রশংসা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে বেরিয়েই ডায়মন্ড হারবারের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ডায়মন্ড হারবারে শুভেন্দুর হাইভোল্টেজ এন্ট্রি! অভিষেকের গড়ে কী বড় ঘোষণা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

প্রথম বড় প্রশাসনিক বৈঠক করতে এদিন ডায়মন্ড হারবারে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুর ১টায় পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিধায়কদেরও ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার, সুন্দরবন এবং বারুইপুর পুলিশ জেলার শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরাও উপস্থিত থাকবেন বলে খবর। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে শুরু করে চলতি উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকার বিধায়কদের নিয়েও আলাদা বৈঠক করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং আগামী দিনে কীভাবে উন্নয়নের গতি বাড়ানো যায়, তা নিয়েও পর্যালোচনা হতে পারে বলে সূত্রের দাবি। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠক থেকেই একাধিক নতুন প্রকল্প বা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছনোর সময় বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত থাকতে পারেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেই কারণে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা। যে আবাসিক হোটেলে প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা, সেখানে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।রাজনৈতিক দিক থেকেও এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ডায়মন্ড হারবার। ডায়মন্ড হারবার মডেলকে সামনে রেখে একসময় প্রচারে জোর দিয়েছিল তৃণমূল। সেই কেন্দ্র থেকেই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।ডায়মন্ড হারবারের কর্মসূচি শেষ করে এদিন ফলতায়ও যাওয়ার কথা রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে ভোটের আগে একটি কর্মিসভায় যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

মে ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নন্দীগ্রাম বিতর্কে থাকা অফিসারও এবার সিএমও-তে! শুভেন্দুর প্রশাসনিক দলে বড় বদল

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনে বড় রদবদল শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে আরও শক্তিশালী করতে একের পর এক নতুন আমলাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হচ্ছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যুগ্ম সচিব পদে নিয়োগ করা হল দুই তরুণ আইএএস অফিসারকে। পাশাপাশি সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নতুন দায়িত্ব পাওয়া আইএএস অফিসারদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৯ ব্যাচের পি প্রমোথ। এতদিন তিনি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প এবং বস্ত্র দফতরের যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ২০২০ ব্যাচের আইএএস অফিসার নবনীত মিত্তলকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।একইসঙ্গে সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকে সিএমও-তে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সুরজিৎ রায়। ভোটের সময় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার ছিলেন। এর আগে নন্দীগ্রামের বিডিও থাকাকালীন তাঁকে শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। এবার সেই সুরজিৎকেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারের এসডিও অয়ন দত্তগুপ্ত এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি রাজর্ষি নাথকেও সিএমও-তে নিয়োগ করা হয়েছে।শুধু প্রশাসনিক পদেই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু। শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএফ অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে সেই সময় বিস্তর আলোচনা হয়েছিল।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, শপথ নেওয়ার পর থেকেই নিজের দফতর গুছিয়ে দ্রুত কাজে নামতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট করছে।

মে ১১, ২০২৬
দেশ

বিহারে বড় পালাবদল! নীতীশ সরতেই মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট, চমকে দিল রাজনীতি

বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটল। দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর পদ ছাড়লেন নীতীশ কুমার। তাঁর জায়গায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী। পটনার লোক ভবনে আজ সকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। বিহারের চব্বিশতম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিলেন তিনি।নীতীশ কুমার দীর্ঘ প্রায় কুড়ি বছর ধরে বিহারের রাজনীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হয়ে ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে জোট সরকার বদলালেও তিনিই ক্ষমতায় ছিলেন। রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় মুখ্যমন্ত্রী থাকার রেকর্ডও তাঁরই দখলে। তবে এবার তাঁকে সেই পদ ছাড়তে হল। তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করা হয়েছে, আর তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। নিজের শেষ দিনে নতুন সরকারকে সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছেন নীতীশ।সম্রাট চৌধুরীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা, চিরাগ পাসওয়ান এবং জিতন রাম মাঝি সহ একাধিক নেতা।উপমুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার পর এবার মুখ্যমন্ত্রী হলেন সম্রাট চৌধুরী। নতুন মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন জেডি ইউ নেতা বিজয় কুমার চৌধুরী এবং বীজেন্দ্র প্রসাদ যাদব।সম্রাট চৌধুরীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনিই বিহারের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। এনডিএ জোটের নেতারা সর্বসম্মতভাবে তাঁকে এই পদে নির্বাচিত করেছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও তাঁর নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সম্রাট চৌধুরী আগে আরজেডি এবং পরে জেডি ইউ-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রায় বারো বছর ওই দলগুলিতে থাকার পর তিনি দুই হাজার সতেরো সালে বিজেপিতে যোগ দেন। দুই হাজার চব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয়।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
দেশ

এক বছরের অচলাবস্থার অবসান, সন্ধ্যাতেই শপথ খেমচাঁদ সিংয়ের

রাষ্ট্রপতি শাসন উঠে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন সরকার পেল মণিপুর। বুধবার সন্ধ্যায় শপথ নিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং। তাঁর সঙ্গে শপথগ্রহণ করেন দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রী নেমচা কিপগেন ও লোসি দিখো। একই সঙ্গে শপথ নেন রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দাস কন্থুজাম।বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে প্রায় এক বছর পর মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান হয়। তার পরেই সন্ধ্যা ছটা নাগাদ রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ অস্থিরতার পর রাজ্যে ফের নির্বাচিত সরকারের সূচনা হল।মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আবহে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বিরেন সিং। তার পরেই কেন্দ্রের নির্দেশে মণিপুর বিধানসভা স্থগিত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটল বুধবার।হিংসা থামাতে ও সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে বিশেষ কৌশল নিয়েছে বিজেপি। মেইতেই সম্প্রদায় থেকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ইউমনাম খেমচাঁদ সিংকে। কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নেমচা কিপগেন। দ্বিতীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী লোসি দিখো নাগা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।২০২৩ সাল থেকে ভয়াবহ জাতিগত সংঘর্ষে উত্তপ্ত ছিল মণিপুর। সেই হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০০-রও বেশি মানুষ। ঘরছাড়া হয়েছেন লক্ষাধিক। দীর্ঘ সময় ধরে সেনা ও আধাসেনার কড়া নজরদারিতে ছিল রাজ্য। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসন।নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রাজ্যে শান্তি ও আস্থা ফেরানো। হিংসা যাতে নতুন করে মাথাচাড়া না দেয়, সে দিকেই নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

অজিতের পরে ‘বহিনা’! মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুনেত্রা পাওয়ার

দাদার শূন্যস্থান এবার পূরণ করতে চলেছেন বহিনা। প্রয়াত এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার শনিবার মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন। শনিবার বিকেল পাঁচটায় তাঁর শপথগ্রহণের কথা রয়েছে। অজিত পাওয়ারের আকস্মিক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, উপমুখ্যমন্ত্রীর শূন্য পদে সুনেত্রা পাওয়ারকেই সামনে আনতে পারে দল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল এনসিপি।সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল জানিয়েছিলেন, অজিত পাওয়ারের পরে সাধারণ মানুষও মনে করছেন, সুনেত্রাই এই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। দলের অন্দরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। এনসিপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফুল প্যাটেল, ছগন ভুজবল ও সুনীল তটকরে সুনেত্রা পাওয়ারের সঙ্গে আলোচনা করেন। শুক্রবার দলীয় স্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এনসিপির তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যসভার সাংসদ সুনেত্রা পাওয়ারই দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল। বৃহস্পতিবার সুনেত্রার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ছগন ভুজবল ও প্রফুল প্যাটেল মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন বর্ষায় গিয়ে দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সঙ্গে বৈঠক করেন।অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অর্থ, আবগারি ও ক্রীড়া দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাতেন। সূত্রের খবর, এই দফতরগুলিই সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে এনসিপির তরফে। ছগন ভুজবল জানিয়েছেন, দেবেন্দ্র ফড়ণবীস স্পষ্ট করে বলেছেন, শনিবার সুনেত্রা যদি উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।তবে দফতর বণ্টন নিয়ে এখনও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে মহারাষ্ট্রের বাজেট পেশ হওয়ার কথা। সেই কারণে বাজেট পেশ হওয়া পর্যন্ত অর্থ দফতর নিজের কাছেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীস। বাজেটের পরে সেই দায়িত্ব সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আবগারি ও ক্রীড়া দফতর সুনেত্রার হাতে দিতে ফড়ণবীসের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর বিশ্বস্বীকৃত ঐতিহ্যকে চিরস্থায়ী করতে নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের ভিত্তিপ্রস্তর

ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে শুধু স্মৃতিতে নয়, স্থায়ী স্থাপত্যে ধরে রাখার লক্ষ্যেই কলকাতার নিউটাউনে গড়ে উঠতে চলেছে দুর্গা অঙ্গন। রাজ্যের দুর্গাপুজোর আবহমান ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার এই ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে সোমবার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি প্রকাশ্যে আনলেন প্রস্তাবিত মন্দির কমপ্লেক্সের রূপ ও পরিসর।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, দুর্গা অঙ্গন হবে বিশ্বের বৃহত্তম দুর্গামন্দির। প্রায় ২ লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে গড়ে উঠবে মূল মন্দির, যার চারপাশে থাকবে বিস্তীর্ণ খোলা প্রাঙ্গণ ও সবুজে মোড়া চত্বর। প্রতিদিন এক লক্ষ দর্শনার্থীর সমাগমের কথা মাথায় রেখেই পরিকাঠামোর নকশা করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে নকশা করা খিলানের মধ্যে দাঁড়াবে এক হাজার আটটি স্তম্ভ, গর্ভগৃহের উচ্চতা হবে ৫৪ মিটার। থাকবে ১০৮টি দেবদেবীর মূর্তি ও ৬৪টি সিংহমূর্তি। সিংহদুয়ার ও পবিত্র কুণ্ড এই স্থাপত্যের অন্যতম আকর্ষণ হবে।দুর্গা অঙ্গনে মূল মন্দিরের পাশাপাশি পৃথক ভাবে তৈরি হবে শিব, লক্ষ্মী, গণেশ, সরস্বতী ও কার্তিকের মন্দির। এখানে সারা বছর, অর্থাৎ ৩৬৫ দিনই দুর্গাপুজো চলবে। গর্ভগৃহের বাইরের অংশে এক সঙ্গে প্রায় এক হাজার মানুষের বসার ব্যবস্থা থাকবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা, প্রসাদ ঘর এবং মন্দির সংলগ্ন পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও থাকছে।এই প্রকল্পের নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছে হিডকোদিঘার জগন্নাথ মন্দিরের মতোই। প্রথমে ১২ একর জমিতে দুর্গা অঙ্গন গড়ার ভাবনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১৭.২৮ একরে করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাখ্যা, বড় কাজ যখন করছি, তখন সেটাও বড় মাপেই হোক। ইতিমধ্যেই দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।মন্দিরের নির্মাণ ও ভবিষ্যৎ পরিচালনার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চেয়ারম্যান করে একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, দুর্গা অঙ্গনের তহবিলে জমা অর্থেই দুর্গামূর্তির খরচ উঠে এসেছে।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণেশ্বর মন্দির, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ, রামকৃষ্ণ মিশন কামারপুকুরের প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি চার্চ, বৌদ্ধমঠ, গুরুদ্বার ও মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মহামেডান ক্লাবের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়। মঞ্চ থেকেই সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।অনুষ্ঠানের শুরুতে নৃত্য পরিবেশন করেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। পরে সঙ্গীত পরিবেশন করেন শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবুল সুপ্রিয়, ইমন চক্রবর্তী ও ইন্দ্রনীল সেন। বিকাল ৩টা ৫৬ মিনিটে রিমোটের বোতাম টিপে দুর্গা অঙ্গনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে তিনি ভিত্তিফলকের সামনে লাল রঙের উপর সোনালি সুতোর কাজ করা একটি শাড়ি অর্পণ করেন এবং হিডকোকে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও ঘোষণা করেন, আগামী জানুয়ারি মাসে শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে স্মরণে রেখে দুর্গা অঙ্গন যে শুধু ধর্মীয় কেন্দ্র নয়, বরং রাজ্যের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক স্থায়ী প্রতীক হয়ে উঠতে চলেছেতা স্পষ্ট করে দিল এই দিন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
দেশ

বিহারের মসনদে ফের নীতীশ কুমার, আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ

বিহারে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নীতীশ কুমার আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। গান্ধী ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি সম্পন্ন। নতুন NDA সরকারের গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা।প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক প্রভাবএবার বিধানসভা নির্বাচনে NDA একক ভাবে শক্তিশালী জয় পেয়েছে। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় তাদের ২০২টি আসন লাভ করেছে। এনডিএ ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তেজস্বী যাবদ, পিকের নয়া দলও। নীতীশ কুমারকে জোটের বিধায়করা নেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছে। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি।প্রশাসনিক এবং আনুষ্ঠানিক গঠনইতিমধ্যে নীতীশ কুমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খানকে। আজ আবার প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে বিহার সরকারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। নীতীশের নতুন মন্ত্রীসভায় প্রায় ৩৫ জন মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল ১১:৩০মিনিট নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা। থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অন্যান্য NDA নেতা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

মুখ্যমন্ত্রীর ওপর হামলা! গ্রেফতার এক

বুধবার সকালে দিল্লির সিভিল লাইন্সে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক জনশুনানি চলাকালীন এক ব্যক্তি তাঁকে আক্রমণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই ব্যক্তি প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু কাগজপত্র দেন এবং তারপর হঠাৎ করে তাকে আঘাত করেন। আক্রমণকারী, যার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর, তাকে ঘটনাস্থলেই আটক করে সিভিল লাইন্স থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছেছেন। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি এবং কংগ্রেস ও আপ নেতারাও মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আগস্ট ২০, ২০২৫
রাজ্য

নতুন বাংলা গড়তে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ৬টি অর্থনৈতিক করিডোর-মুখ্যমন্ত্রী

ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটি পোর্টাল উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি সোমবার স্টেট লেভেল ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটির (এসএলআইএসসি) আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার লক্ষ্য, এমন একটি বাংলা গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি বাসিন্দা গর্বের সাথে বলতে পারবে। আজ বাংলা যা ভাবে, ভারত আগামীকাল তাই ভাবে। আজ, এই ওয়েবসাইটটি পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা করার সহজতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া বিনিয়োগ প্রকল্পের জন্য ছাড়পত্র প্রক্রিয়া হিসেবে কাজ করবে। বাংলার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আমাদের এই সভায় একত্রিত হওয়া। বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে আগত নীতিনির্ধারক, কর্পোরেট সংস্থা, উদ্যোক্তা এবং বিশ্ব স্বপ্নদর্শীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত স্বপ্ন, আজ বাস্তবে পরিণত হচ্ছে। এই বছরের BGBS-এ ২১২টি সমঝোতা স্মারক এবং ইচ্ছাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেগুলির মধ্যে মোট ৪,৪০,৫৯৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব সাফল্যের আঙিনায়।বীরভূমের দেউচা পাচামি প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেউচাতে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। বিশাল কয়লা মজুদের উন্মোচন, যা বাংলার শিল্প ভবিষ্যতের জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা জমি দিয়েছে তাদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। যাঁদের বয়স আঠেরোর নীচে, তাদের মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। আগামীতে তাদের চাকরি দেওয়া হবে। শিল্পে গতি এবং নতুন বাংলা গড়তে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ৬টি অর্থনৈতিক করিডোর। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গোদরেজ, অম্বুজা, বেঙ্গল অম্বুজা হাউজিং, শ্যাম স্টিল, বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থার মতো একাধিক সংস্থার প্রকল্প শুরু হচ্ছে বাংলায়। আগামীতে শুধু কর্মই না, বাংলার উন্নয়নের সঙ্গী হতে এগিয়ে আসছেন বিভিন্ন শিল্পপতিরা।

মার্চ ০৪, ২০২৫
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া লাইভে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী, তুলোধনা হাইকোর্টের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ চলাকালীণ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন হাওড়ার এক তৃণমূল কর্মী। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এবার ওই গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশের ভূমিকার তুলোধনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এদিন বিকেল ৫টার মধ্যে ওই ঘটনায় ধৃত এরশাদ সুলতানকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এই ধরণের ঘটনা নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি সিনহা।গত ২৪ জুন, মন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ আমলাদের নিয়ে পুরসভার ভূমিকা খতিয়ে দেখতে এক বৈঠকে বক্তব্য় রাখছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়। উল্লেখ্য সেই বৈঠক থেকে হাওড়া পুর পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশও করেন মমতা। সোশাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচারিত হয় সেদিনের সেই বৈঠক। লাইভ সম্প্রচারের মাঝেই এরশাদ সুলতান নামে ওই ব্যক্তি কমেন্ট করে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে হাওড়ার দুই ওয়ার্ডে পুকুর ভরাটের অভিযোগ আনেন। যা নিয়ে হাওড়ার তৃণমূল নেতা সুশোভন চট্টোপাধ্যায় পুলিশে অভিযোগ জানায়।এই অভিয়োগের জেরে দলের অন্দরেই হইচই পড়ে যায়। এরপর গত ২৮ জুন ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শিবপুর থানায় সুশোভনবাবু অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেছেন, তৃণমূল নেতা নয় এলাকাবাসী হিসাবে অভিযোগ করেছি। সম্মানীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না থাকায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। ৩০ জুন গ্রেফতার হন এরশাদ। মামলার জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। এদিকে ঘটনার শুনানি চলাকালীন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সরব হন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তিনি এই ঘটনাকে ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করে বিচারপতি বলেন, কোন মানুষ ক্ষোভ জানালে তাকে গ্রেফতার করা হবে? অযথা পুলিশের নাক গলানো নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি বিচারপতি সিনহা এও জানতে চান মন্ত্রী অরূপ রায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেছেন কিনা?

জুলাই ০৩, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানের বেসরকারি স্কুলের অনন্য নজির! ক্লাস রুমে উপস্থিত শ্রীহরিকোটার স্পেস সেন্টারের ডাইরেক্টর!

গৌরবময় চন্দ্রাযান ৩ এর সফল অবতরণের ঠিক পরের দিনই বর্ধমান জেলার এক বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে ভারচুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত হলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তথা শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারের ডাইরেক্টর শ্রী এ রাজারাজন।পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম কোন দেশ সফল ভাবে চন্দ্রযান চাঁদে অবতরণ করালো। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি চন্দ্রযান-৩ বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা ৪ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রাখে। চন্দ্রযান-৩ সফল অবত্রণের পর বিজ্ঞানী ডঃ এ রাজারাজন, চেয়ারম্যান, লঞ্চ অথরাইজেশন বোর্ড (LAB) ISRO এবং সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার SHAR (SDSC SHAR) শ্রীহরি কোটা-র ডাইরেক্টর, গত বৃহস্পতিবার ২৪.0৮.২০২৩ এ বর্ধ্মান জেলার এক বেসরকারি ইংরাজী মাধ্যম স্কুল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের দের সাথে এক ভারচুয়াল আলোচনায় অংশগ্রহণ করে ছিলেন। স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক দের জন্য এটি ছিল একটি অসাধারণ মুহূর্ত। কারণ তাঁর কয়েক ঘণ্টা আগেই ভারত মহাকাশে ইতিহাস তৈরি করে ফেলেছে। তাঁরা বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়ে চাঁদে প্রথম চন্দ্রযান অবতরণ করিয়েছে।এই ভারচুয়াল আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীরা অত্যুতসাহী হয়ে চন্দ্রযান-৩ সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করেন বিজ্ঞানীকে। চন্দ্রাযান-৩ অভিযানের এই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরে তাঁর মূলবান মতামত এবং মাহাকাশ গবেষণায় ছাত্রদের উতসাহিত করেন।ভারতের প্রথম কোন স্কুল চন্দ্রাযান-৩ অভিযানের এর ঠিক পরেই লঞ্চ অথরাইজেশন বোর্ড (LAB) চেয়ারম্যান তথা ভারতের সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার SHAR (SDSC SHAR) শ্রীহরি কোটা এর ডিরেক্টর এর উপস্থিতিতে স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে এই ধরনের ভার্চুয়াল সভা করতে সমর্থ হয়েছে। উল্লেখ্য ইংরেজি মাধ্যম এই স্কুল সবসময় তাদের শিক্ষার্থীদের তাদের সৃজনশীলতার জন্য উত্সাহিত করেছেন।এর আগে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর মহাকাশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছিল মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র অনুরাগ মান্না। গত ১৪ মে ২০২৩ থেকে ২৭শে ২০২৩ মে অবধি শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।

আগস্ট ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

'ক্যা ক্যা করার জন্য কাক আছে, তুমি(বিজেপি) কেন ক্যা ক্যা করছো,' কটাক্ষ মমতার

মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল এনআরসি থেকে সিএএ প্রসঙ্গে। সংখ্যালঘু ও মতুয়াদের জন্য রাজ্য কি করেছে সে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজনীতি নিয়ে ভাবছে অর্থনীতি নিয়ে ভাবছে না। কেন্দ্রীয় শাসক দলটা কেন এত হিংসুটে? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘুদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছে না বলেও দাবি তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখানে ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু জনসংখ্য়া আছে। সেটা তো তাদের অপরাধ নয়। তারা যদি পড়াশুনো করতে চায় আমাদের কি উচিত তাঁদের পড়াশুনার ব্যবস্থা করা। নাকি উইপোকা কামড়ালেও তাঁদের একটা এজেন্সি পাঠিয়ে গ্রেফতার করা। কোনটা কাজ? তাদের পড়াশুনা করিয়ে এগিয়ে দেওয়াটা আমাদের কাজ।ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন স্কলারশিপ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের স্কলারশিপ অনেক বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১কোটি ২০ লক্ষ সংখ্য়ালঘু ছেলেমেয়ের ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ দিচ্ছি। শিক্ষাশ্রী তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের দিচ্ছি। ওবিসি স্কলারশিপ এবছর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ওবিসিদের জন্য তৈরি করেছি মেধাশ্রী। মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেছেন, মতুয়াদের জন্য আমরা সবটা করেছি। তাঁর বক্তব্য, ভোট এলে হঠাৎ ভাত খেয়ে বলবে আমরা মতুয়ার বন্ধু হয়ে গেলাম। ক্যা ক্যা করে চিৎকার করবে, ওদের বলুন ক্যাক্যা করার জন্য কাক আছে। তুমি কেন ক্যা ক্য়া করছো? এনআরসির নামে সবাইকে জেলে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ক্যার নামে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যতদিন মতুয়াদের বড়মা বেঁচে ছিলেন তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা কে করেছিল? আমি করেছিলাম। কেউ তাকিয়ে দেখেনি। আমরা কন্য়াশ্রী কলেজ করেছি, কৃষ্ণনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্য়াম্পাস করেছি, মতুয়া বাড়ির গেট করা হয়েছে। সৌন্দর্যকরণ করা হয়েছে। কি করা হয়নি? আমি চাই আপনাদের উন্নয়ন হোক। রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্র, গরুপাচার, কয়লাপাচার নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক তৃণমূল নেতা ও প্রশাসনিক কর্তাকে গ্রেফতার করেছে। বিজেপি চোর চোর বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগানও দিচ্ছে সভা-সমাবেশ। মমতা এদিন বলেন, আমরা যদি চোর হই তোমরা ডাকাত। তোমরা কি করছ। ডাকাত, গদ্দার বলে কটাক্ষ করে মমতার অভিযোগ, পুরুলিয়ার কোটা নিজের পকেটে রেখে দিয়েছিলেন। কেন তারা চাকরি পায়নি?

জানুয়ারি ৩১, ২০২৩
রাজ্য

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি না পাওয়ায় জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে বিক্ষোভ ঠিকাশ্রমিক সংগঠনের

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি দিচ্ছেনা এজেন্সি। অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য টাকা তাদের ফেরত দিতে হবে।এই দাবীতে জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল পূবর্ব বর্ধমান জেলা স্কাভেনজার্স সিকিউরিটি ও ঠিকাশ্রমিক সংগঠন। তাদের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এই এজেন্সি। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই এজেন্সি ৮.৩৩ শতাংশ হারে বোনাস তুললেও তাদের নির্ধারিত হারে বোনাস দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ।এই অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তি চেয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল সংগঠনের সদস্যরা। দ্রত তাদের সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও বৃহৎ আন্দোলনে সামিল হবেন বলে জানিয়েছেন। বিক্ষোভ শেষে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন পুর্ব-বর্ধমান জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা'র

পূর্ব বর্ধমান জেলায় স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বারবার অভিযোগ ওঠায় বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে গেলেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা. উল্লাসের কাছের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে তিনি জানান, হাসপাতলে ফ্রণ্ট ডেস্কের স্বাস্থ্য সাথীর ডিসপ্লে থাকার কথা সেটা নাই, তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যসাথী ডিসপ্লে ও স্বাস্থ্যসাথী রেজিস্টার মেইন্টেন করার নির্দেশ দেন তিনি, এরথেকে বোঝা যাবে কতজন রোগী ভর্তি আছেন আর কতজন ছুটি পেয়েছেন তা হাসপাতালে মজুত কার্ডের সাথে মেলানো যাবে।জেলাশাসক সরজমিনে ঘুরে দেখেন এই হাসপাতালে রাজ্য সরকারের প্রকল্প স্বাস্থসাথী-র কোনও গণ্ডগোল হচ্ছে কিনা। তিনি ছাড়াও শনিবারের এই হঠাৎ পরিদর্শনে জেলাশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ অধিকর্তা, সহকারি-স্বাস্থ অধিকর্তা, ও বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের মহুকুমা শাসক। সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।হাসপাতালে উপস্থিত সাধারণ মানুষ জনতার কথাকে জানান, এই ধরনের হঠাৎ হাসপাতালে এলে আধিকারিক রা জানতে পারবেন কি ধরনের পরিসেবা সাধারণ মানুষ এদের থেকে পায়। এবং হাসপাতাল কর্ত্তিপক্ষ ও সদা সতর্ক থাকবে পরিসেবা ব্যাপারে।

এপ্রিল ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নেতানিয়াহুর গদি কি টলমল? ইজরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতাকে সমর্থন আরব দলগুলির!

ইজরায়েলের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোটকে সমর্থন জানাল আরব-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দলগুলি। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে আইজেনকোটের পক্ষে ১২০ আসনের সংসদে ৬৭ জন সদস্যের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইজরায়েলে সরকার গড়তে প্রয়োজন ৬১ জন সাংসদের সমর্থন। সেই হিসাব অনুযায়ী, সরকার গঠনের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন বিরোধী নেতা।বৃহস্পতিবার যৌথ তালিকা জোট জানায়, তারা দেশের রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগের কাছে আইজেনকোটকে পরবর্তী সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করবে। এর আগে আর একটি আরব-নেতৃত্বাধীন দল রাআমও একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ তালিকা জোটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে।যৌথ তালিকা জোটের হাতে রয়েছে ১১টি আসন। অন্য দিকে, রাআমের আসন সংখ্যা আট। দুই দল মিলিয়ে মোট ১৯ জন সাংসদ রয়েছেন। ইজরায়েলের সংসদে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলির পক্ষে এই সংখ্যা রেকর্ড বলে জানা যাচ্ছে। এই দুই দলের সমর্থন নিশ্চিত হলে আইজেনকোটের পক্ষে মোট ৬৭ জন সাংসদের সমর্থন থাকতে পারে। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে তাঁর শিবির।অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর শিবিরের সামনে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁদের হাতে রয়েছে ৫৩টি আসন। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে নেতানিয়াহুকে কত জন সাংসদ সমর্থন করবেন, সেই সংখ্যা আরও কম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুর জোটের শরিক ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের একটি অংশও তাঁর পাশে নেই। ওই জোটের সাতটি আসনের মধ্যে চারটি আসন রয়েছে দেগেল হা তোরাহের হাতে। তারা জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বা আইজেনকোটকাউকেই প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করবে না। টাইমস অফ ইজরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের পুরুষদের বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা থেকে ছাড় দেওয়ার আইন পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে নেতানিয়াহু সরকার। সেই কারণেই জোটের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।সব মিলিয়ে ইজরায়েলে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য কাকে আমন্ত্রণ জানাবেন, তা ঠিক করবেন। আরব দলগুলির সমর্থনে আপাতত সেই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন গাদি আইজেনকোট। তবে শেষ পর্যন্ত ইজরায়েলের ক্ষমতা কার হাতে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি নিয়োগে বড় খবর! ইন্টারভিউয়ের তালিকায় কারা, দেখে নিন নাম

এসএসসি-র গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় খবর। বৃহস্পতিবার ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩৮ হাজার প্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। কারা এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, তা কমিশনের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখে নিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জমা দেওয়া সংশোধিত শূন্যপদের হিসাবের ভিত্তিতে এই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম রাজ্যস্তরের বাছাই পরীক্ষা বা এসএলএসটি-র মাধ্যমে নন-টিচিং স্টাফের ক্লার্ক পদে নিয়োগের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের নাম এই তালিকায় রাখা হয়েছে।প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রকাশিত তালিকায় নিজেদের নাম খুঁজে নিতে পারবেন। নামের পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও মিলিয়ে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে প্রার্থীদের মূল নথি, শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করা হবে। পাশাপাশি নেওয়া হবে ইন্টারভিউ। তবে নথি যাচাই এবং ইন্টারভিউয়ের দিনক্ষণ এখনও জানায়নি কমিশন। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা হয়েছে ১ মার্চ। অন্য দিকে, গ্রুপ সি পদের পরীক্ষা হওয়ার কথা ৮ মার্চ। গ্রুপ সি পদে শূন্যপদের সংখ্যা ২,৯৮৯। গ্রুপ ডি পদে শূন্যপদ রয়েছে ৫,৪৮৮টি। এই দুই পদে নিয়োগের জন্যই প্রার্থীদের পরবর্তী ধাপের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আলাদা দিনে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে বিধানসভা নির্বাচনের কারণে ফল প্রকাশ পিছিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে ইন্টারভিউয়ের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলে নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভেন্টিলেশনে প্রাক্তন মন্ত্রী ! কিডনি বিকল, ব্রেন স্ট্রোকের পর কী বলছেন চিকিৎসকেরা?

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। কলকাতার একটি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন তিনি। কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় চলছে ডায়ালিসিস। এর পাশাপাশি ব্রেন স্ট্রোক এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যাও রয়েছে তাঁর। চিকিৎসকেরা পেসমেকার বসানোর কথা ভাবলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আপাতত অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। উজ্জ্বল বিশ্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রও।উজ্জ্বল বিশ্বাসের অসুস্থতা নিয়ে সমাজমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর অত্যাচার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার ধাক্কা তাঁর শরীর ও মনের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলেও অভিযোগ করেছেন কুণাল। অন্য দিকে, মহুয়া মৈত্রও উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা করেছেন তিনি।গত কয়েক মাস ধরেই অসুস্থ উজ্জ্বল বিশ্বাস। গত ৫ অক্টোবর কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের বাইপাস অস্ত্রোপচার হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পরের দিনই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন তিনি। প্রায় ১৪ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা।কিন্তু দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিন ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রাক্তন মন্ত্রী। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সপ্তমীর দিন তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসকেরা তাঁর নিউমোনিয়া হয়েছে বলে জানান। সেই সঙ্গে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও কমে যায়। একের পর এক শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। শ্বাস নিতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য গলায় অস্ত্রোপচার করে শ্বাস নেওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি কিডনির সমস্যা দেখা দেওয়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিস চলছে।উল্লেখ্য, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন উজ্জ্বল বিশ্বাস। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থ ভাবে কৃষ্ণনগরের মানুষের সেবা করার পরেও উজ্জ্বল বিশ্বাসের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, জেল থেকে ফেরার পর থেকেই শারীরিক ভাবে ভেঙে পড়তে শুরু করেন প্রাক্তন মন্ত্রী। পরবর্তী সময়ে হৃদ্যন্ত্রের অস্ত্রোপচার, ব্রেন স্ট্রোক এবং কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হন তিনি।সব মিলিয়ে উজ্জ্বল বিশ্বাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখছেন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি তাঁর। পেসমেকার বসানোর বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুরে কি ফিরছে গাড়ি কারখানা? শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই বড় ইঙ্গিত শুভেন্দুর!

রাজ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার নতুন শিল্পনীতির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই নীতিতে রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে একাধিক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যুতের শুল্ক থেকে শুরু করে কর্মীদের ভবিষ্যনিধি সংক্রান্ত বিষয়েও বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়েছে সরকার। আর নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার দিনেই সিঙ্গুর নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সিঙ্গুরের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে নতুন করে কিছু করার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।গত ১৫ বছর তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় বড় শিল্প আসেনি বলে বারবার অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর শিল্পের প্রসার নিয়ে নতুন সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। বাংলায় নতুন শিল্প আসুক, তৈরি হোক কর্মসংস্থানএমনটাই চাইছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যে শিল্প ফিরিয়ে আনার কথা বলে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে শিল্প দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা। কয়েকটি ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগও এসেছে। এরই মধ্যে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশ করল রাজ্য সরকার। তবে সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানো নিয়ে কী ভাবছে সরকার, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিলই।সেই প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সিঙ্গুর নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সিঙ্গুর নিয়ে অবশ্যই আমরা ইতিবাচক পদক্ষেপ করব। সেই বিষয়ে অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিছু একটা করব। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি সিঙ্গুরে আবার গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে উঠতে পারে? যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও নির্দিষ্ট ঘোষণা করেননি মুখ্যমন্ত্রী।সিঙ্গুরের সঙ্গে বাংলার শিল্পায়নের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ২০০৬ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে হুগলির সিঙ্গুরে প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করে টাটা মোটরসের ন্যানো গাড়ির কারখানা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উদ্যোগে বাংলায় ছোট গাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামেন একাংশের কৃষক। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে জমি আন্দোলনের প্রতিবাদে অনশন শুরু করেন তিনি। টানা ২৬ দিন অনশনের পর তা প্রত্যাহার করেন।২০০৮ সালের অগস্ট মাসে সিঙ্গুরে আন্দোলন আরও জোরালো হয়। পরিস্থিতির চাপে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে টাটা মোটরস কারখানার কাজ বন্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর সিঙ্গুর থেকে ন্যানো প্রকল্প সরিয়ে নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রতন টাটা। পরে গুজরাতের সানন্দে তৈরি হয় ন্যানো গাড়ির কারখানা।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর সিঙ্গুরের জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় তৃণমূল সরকার। তবে জমি ফেরত পাওয়ার পরেও সেখানে চাষবাস সেভাবে শুরু হয়নি। অন্য দিকে, নতুন করে শিল্পও গড়ে ওঠেনি। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই সিঙ্গুরে শিল্প ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে নতুন শিল্পনীতি প্রকাশের দিন মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য তাঁদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে সিঙ্গুরে ঠিক কী ধরনের শিল্প গড়ে উঠবে, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে ফের ভয়াবহ বিপর্যয়! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল তিনতলা বাড়ি, মৃত ২, ধ্বংসস্তূপে বহু?

দিল্লিতে ফের বাড়ি ভেঙে বড়সড় বিপর্যয়। বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি নির্মীয়মাণ তিনতলা বাড়ি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। চাওরি বাজার মেট্রো স্টেশনের কাছে গলি সিতারা এলাকায় নির্মাণকাজ চলছিল বাড়িটিতে। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তিনতলা বাড়িটি। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। এখনও পর্যন্ত দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের নাম চন্দরপাল (৬০) এবং বিজয় কুমার (৩৩)।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বাড়িটির নির্মাণকাজ চলছিল। সেই সময় পুরনো ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। তার জেরেই গোটা বাড়িটি ভেঙে পড়ে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা। তাঁদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা সামনে এসেছে। সেই সব ঘটনায় প্রাণহানিও হয়েছে। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এমন দুর্ঘটনা ঘটল রাজধানীতে। পর পর এই ধরনের ঘটনায় দিল্লির নিরাপত্তা ও নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আম আদমি পার্টি। রাজধানীতে একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের! ফর্ম ৬ জমা দিতে আর লাগবে না এই নথি

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তোলার জন্য ফর্ম ৬ জমা দিতে গেলে আর দিতে হবে না এসআইআর সংক্রান্ত ডিক্লারেশন বা ঘোষণা। যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন চলছে, সেখানেও এই নিয়ম কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কমিশন। এর ফলে নতুন ভোটারদের জন্য ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হল।এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকেই ফর্ম ৬-এ ডিক্লারেশন জমা দেওয়ার নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। প্রথম থেকেই এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক জোশী। তাঁদের বক্তব্য ছিল, আপত্তি থাকা সত্ত্বেও এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে ফর্ম ৬-কে যুক্ত করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তাঁদের আপত্তির বিষয়টিই গুরুত্ব পেল বলে মনে করা হচ্ছে।ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম তুলতে হলে ফর্ম ৬ পূরণ করতে হয়। এত দিন এসআইআর চলাকালীন এই ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীদের একটি অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হচ্ছিল। সেই ঘোষণায় আবেদনকারীর পরিবারের পুরনো ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হচ্ছিল। বিশেষ করে আবেদনকারীর বাবা-মা, দাদু-দিদার নাম শেষ এসআইআরের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য দিতে হচ্ছিল।অনলাইনে ফর্ম ৬ পূরণ করার সময়ও এই সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছিল। ফর্মের নির্দিষ্ট অংশে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। এই নিয়ম নিয়েই আপত্তি ওঠে। বিরোধীরাও প্রশ্ন তোলেন, নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে গেলে কেন এসআইআরের অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে?নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যও এই নিয়ম নিয়ে আপত্তি জানান। কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধুর বক্তব্য ছিল, আইন সংশোধন না করে ফর্মে এই ধরনের পরিবর্তন করা যায় না। সংসদের মাধ্যমে আইন সংশোধনের পরেই ফর্মে প্রয়োজনীয় বদল আনা উচিত। কিন্তু সেই আপত্তি সত্ত্বেও নিয়ম চালু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে ফর্ম ৬-এর সঙ্গে এসআইআর সংক্রান্ত ঘোষণা জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়া ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ইতিমধ্যেই নতুন করে ফর্ম ৬ জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার কমিশন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে যে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে, সেখানেও ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার সময় আর অতিরিক্ত ঘোষণা দিতে হবে না। অর্থাৎ, অনলাইনে ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রেও এই বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হল।এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার ক্ষেত্রে এত দিন যে অতিরিক্ত নিয়ম মানতে হচ্ছিল, তা আর মানতে হবে না। তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে দুই নির্বাচন কমিশনারের আগের আপত্তি এবং বিরোধীদের প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বাবরি মসজিদ নিয়ে সুর বদল হুমায়ুনের! মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন বিধায়ক?

বাবরি মসজিদ বিতর্কে আচমকাই সুর বদল নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। মুর্শিদাবাদে বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও অনুমতি দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সেই মন্তব্যের পরেই নিজের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিলেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি জানালেন, মুখ্যমন্ত্রী যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে হবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল তৈরি করেন হুমায়ুন কবীর। আম জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে সেই দল গড়ে ভোটের ময়দানে নামেন তিনি। সেই সময়ই মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরির ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। তা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। এর পর মুর্শিদাবাদে মসজিদ তৈরির কাজও শুরু হয়।গত ২ নভেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত একটি সভায় আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। সেখানে মসজিদ নির্মাণের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সভা থেকেই আগামী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন জাতীয় সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন হুমায়ুন। প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে তাঁকে আটকে দেখাক বলেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।এর পরেই বুধবার বাবরি মসজিদ বিতর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদের অনেক কৃতী মানুষের নামে মসজিদ তৈরি করা যেতে পারে। কিন্তু বাবরের নামে মসজিদ তৈরি হলে কোনও পরিকল্পনা বা অনুমোদন মিলবে না। এই বিষয়ে জেলার জেলাশাসককে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই বৃহস্পতিবার সকালে সুর নরম করেন হুমায়ুন। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি যদি বাবরি নাম না চান, তা হলে তাঁর ইচ্ছাকে মান্যতা দিতেই হবে। হুমায়ুনের এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। এত দিন যে বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি, সেই অবস্থান থেকে কি তবে সরে আসছেন নওদার বিধায়ক?হুমায়ুনের মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বাবরি মসজিদ তৈরি হবে না। হুমায়ুনের কথারও কোনও স্থিরতা নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি। সজলের কটাক্ষ, কখনও এক কথা, কখনও অন্য কথা বলেন হুমায়ুন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন তিনি। তাই তাঁর কথায় গুরুত্ব দিতে চান না বলেও জানান বিজেপি বিধায়ক।বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে হুমায়ুনের এই নতুন মন্তব্যে বিতর্কে আরও একটি নতুন মোড় এল। মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির পর সত্যিই কি মসজিদের নাম বদলাবেন তিনি, নাকি ভবিষ্যতে আবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করবেন? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বোতলের ভিতরে মা কালী! মহাদেবের কোলে শিশুর মতো শুয়ে দেবী, বাঁকুড়ার শিল্পীর সৃষ্টি দেখে অবাক নেটপাড়া

কাচের বোতলের ভিতরে আস্ত মা কালী! তাও আবার প্রচলিত রূপে নয়। মহাদেবের বুকে পা দিয়ে দাঁড়িয়ে নেই দেবী। বরং দেবাদিদেব মহাদেবের কোলেই শিশুর মতো শুয়ে রয়েছেন তিনি। আর এমনই এক অভিনব শিল্পকর্ম তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন বাঁকুড়ার শিল্পী ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়।সাধারণত কালীমূর্তিতে মহাদেবের বুকের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় দেবীকে। কিন্তু সেই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অন্য ভাবনায় মূর্তিটি তৈরি করেছেন ইন্দ্রনীল। সবচেয়ে অবাক করার বিষয়, গোটা মূর্তিটি তৈরি হয়েছে একটি কাচের বোতলের ভিতরে। ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন রঙের সুতো। সরু তারের সাহায্যে একের পর এক সুতো বোতলের ভিতরে ঢুকিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন তিনি।কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কালো মেয়ের পায়ের তলায় দেখে যা আলোর নাচন গানটি মা কালীর ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্রচলিত কালীমূর্তির সঙ্গে এই গানের ভাবনা জড়িয়ে রয়েছে। তবে ইন্দ্রনীলের তৈরি মূর্তিতে ফুটে উঠেছে দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের এক অন্য দিক।এই শিল্পকর্ম তৈরির পিছনে রয়েছে শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা। ইন্দ্রনীলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অসুর বধের পর প্রচণ্ড ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠেন দেবী। তাঁকে শান্ত করতে মহাদেব তাঁর সামনে শুয়ে পড়েন। দেবীর পা মহাদেবের বুকে পড়তেই শান্ত হন তিনি। পৌরাণিক কাহিনির এই পরিচিত দৃশ্যের পরের অংশটিই নিজের কল্পনায় সাজিয়েছেন শিল্পী।তাঁর ভাবনায়, দেবী শান্ত হওয়ার পর মহাদেব তাঁকে নিজের কোলে তুলে নেন। ছোট্ট শিশুর মতো বুকে আগলে আদর করেন। দেবী ও মহাদেবের সম্পর্কের মধ্যে থাকা ভালোবাসা, স্নেহ এবং মমতার সেই ছবিই ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। প্রচলিত চিত্রকল্পের বাইরে গিয়ে এমন ভাবনা তাঁর শিল্পকর্মকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ বছর ধরে ছবি আঁকা এবং নানা ধরনের সৃজনশীল শিল্পকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বোতলের ভিতরে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে শিল্পকর্ম তৈরি করাই তাঁর বিশেষ পরিচিতি। বাংলার পরিচিত বোতলশিল্পীদের মধ্যেও তিনি অন্যতম।দীর্ঘ শিল্পীজীবনে দেশের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সামনে নিজের কাজ তুলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন ইন্দ্রনীল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিনের সাধনা, ধৈর্য এবং অভিনব ভাবনার জোরেই নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন বাঁকুড়ার এই শিল্পী।একটি ছোট্ট কাচের বোতলের ভিতরে রঙিন সুতোর সাহায্যে এমন সূক্ষ্ম কাজ সত্যিই নজর কাড়ার মতো। আর মা কালী ও মহাদেবের পরিচিত সম্পর্ককে এক নতুন ভাবনায় তুলে ধরে শিল্পী বুঝিয়ে দিয়েছেন, শিল্পের জগতে কল্পনার কোনও সীমা নেই।

নভেম্বর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal