• ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Burn

রাজ্য

ভয়ঙ্কর ঘটনা আসানসোলে, বাড়িতেই পুড়ে শেষ মা, বাবা ও ছেলে

বাড়িতে আগুন লেগে মৃত তিন, আহত এক। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে বলে প্রাথমিক অনুমান। শনিবার গভীর রাতের ঘটনা। এই ঘটনায় বাড়ির তিনজন মারা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির কর্তা কেবল চন, স্ত্রী গায়ত্রী চন ও এদের জামাই বাবলু সিং আগুন লাগার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। কেবল চনের মেয়ে শিল্পী সিংকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় আসানসোল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে দুর্গাপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল দক্ষিণ থানার ফতেপুর বৈশালী পার্কের কাছে। রাতে দমকল ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জুন ২৯, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় বিডিও অফিসের পিছনে আমবাগানে এ কী কান্ড! তদন্ত শুরু করল পুলিশ

আমবাগানের মধ্যে উদ্ধার হল খড় দিয়ে পোড়ানো আধপোড়া মৃতদেহ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদা জেলা জুড়ে। মনে করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দেহ পুড়িয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সাত সকালে ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় মালদার চাঁচল-২নং ব্লকের মালতীপুর এলাকায় বিডিও অফিসের পেছনে আমবাগান এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন খুব সকালের দিকে স্থানীয়রা আমবাগানের মধ্যে আগুন জ্বলতে দেখেন। এরপর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে লক্ষ্য করেন খড়ের আগুনে মৃতদেহ জ্বলছে। দেহের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। পায়ের অংশটুকু বাকি পড়ে আছে।এই ভয়ানক ঘটনার কথা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক তৈরি হয়। বহু মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চাঁচল থানার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু। সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রথমে পুলিশ আধপোড়া দেহের অংশটুকু উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের অনুমান মৃতদেহটি কোন মহিলার। তাকে দুষ্কৃতীরা বাইরে কোথাও কিংবা ঘটনাস্থলেই খুন করে দেহে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে চাঁচল থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু জানিয়েছেন, দেহটি মহিলার না কোন পুরুষের সেই ব্যাপারে তাঁরা এখনও নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের পরেই সঠিক তথ্য সামনে আসবে। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখতে তারা তদন্ত শুরু করেছেন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

নিউটনের চলন্ত বাসে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন

নিউটনের রাস্তায় চলন্ত বাসে আগুন লেগে বিপত্তি ঘটেছে। ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন। এই ঘটনার জেরে নিউ টাউন বিশ্ববাংলা মোড় থেকে সাপুর্জি রাস্তায় তৈরি হয় প্রচন্ড যানজট।স্থানীয় সূত্রে খবর, নিউটাউন থেকে আলিপুর রুটের ২৬০ নম্বর বাস যখন যাত্রী নিয়ে আলিপুর থেকে নিউটাউনের দিকে আসছিল বিশ্ববাংলা মোড়ের কাছে আসতেই দেখা যায় গাড়ির ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। এরপরই তড়িঘড়ি যাত্রীদেরকে বাস থেকে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। দমকলে ও পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনার স্থলে এসে পৌঁছে টেকনোসিটি থানার পুলিশ ও দমকল এর একটি। বাসটি ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। তবে এই আগুন লাগার ফলে বিশ্ব বাংলা মোড় থেকে সাপুর্জিগামী রাস্তায় তৈরি হয় যানজট। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি, তবে দমকলের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট এর ফলে এই আগুন।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজনীতি

তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বদলের দাবিতে মালদায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

অঞ্চল সভাপতি ঘোষণা হতেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকন্দল। পুনরায় কুশিদা অঞ্চলের সভাপতি মোহাম্মদ নুর আজমকে করায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন তৃণমূল কর্মীদের একাংশের। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ মোহাম্মদ নুর আজমকে তাঁরা সভাপতি হিসেবে মানবেন না। নুর আজম দুর্নীতিগ্রস্ত। এমনকি তিনি কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানের পদেও রয়েছেন। তার পরিবর্তে অলোক পোদ্দারকে অঞ্চল সভাপতি করতে হবে বলে দাবি বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের। যদি বিহার থেকে লোক নিয়ে এসে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে পাল্টা দাবি মহম্মদ নুর আজমের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের অস্বস্তিতে শাসক দল। বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, তৃণমূলের শেষের শুরু এটা। আজকে কাটমানি কার হাতে যাবে কে কাট মানির ভাগ পাবে সেই নিয়ে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। এখানে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল আছে। এটা আরো বেশি প্রকট হচ্ছে। এটা হচ্ছে কাটমানি খাওয়ার রাশ দুর্নীতি করার রাস কার হাতে থাকবে। এটা নিয়েই তাদের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। কারণ তৃণমূল বুঝে গেছে মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানান, একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ক্ষোভ বিক্ষোভ তো থাকতেই পারে। দুই দলকে নিয়ে বসে আলোচনা করা হবে দুই দলের কথাই শোনা হবে। কেন তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ রয়েছে। আর বিজেপিকে বলবো আমাদের দলের বিষয় নাক গলানোর কোন দরকার নেই। আমাদের দলের ব্যাপার আমরা মিটিয়ে নেব।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৩
রাজ্য

জমির নাড়া পোড়াতে গিয়ে পুড়ে ছাই পাশের জমির ধান, পথে বসলেন চাষী

আগুনে ভস্মীভূত হল ধানের জমি। চরম ক্ষতির সন্মুখিন জমির মালিক। জমির মালিক বিকাশ ঘোষ জানান, পাশের জমির নাড়া পোড়ানোর আগুন ছড়িয়ে গিয়ে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তাঁর ১৫ কাঠা জমির গোবিন্দভোগ ধান।পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের পারহাট গ্রামের বাসিন্দা বিকাশ ঘোষ তার ১৬ কাঠা জমিতে গোবিন্দভোগ ধানের চাষ করেছিলেন। চাষের ওপরেই নির্ভর গোটা পরিবার। ধান পেকে যাওয়ায় যথারীতি তিনি ধান কাটেন। পরের দিন কাটা ধান বাঁধতে গিয়ে তিনি দেখেন ১৬ কাটা জমির মধ্যে ১৫ কাঠা জমির ধান আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। এ যেন পাকা ধানে মই।বিকাশ বাবু বলেন আশেপাশের জমির ধান কাটার পর অবশিষ্ট অংশে কেউ বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। সেই আগুন ছড়িয়ে তাঁর জমির ধান সব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ ও কৃষি বিভাগে জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে ভাতার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুমন্ত বন্দোপাধ্যায় বলেন, নাড়া পোড়ানো নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার কৃষকদের সতর্ক করা হচ্ছে। একাধিকবার কৃষকদের নিয়ে বৈঠকও করা হয়েছে। তাতেও হুঁশ ফিরছে না। নাড়া পোড়ানোর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পারহাটের ওই কৃষক। ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। পাশাপাশি নাড়া পোড়ানোর বিষয়ে কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

ভাইরাল পোড়া পাহাড়ের 'গুহা', আদিম নাকি খনিজ সম্পদের জন্য খোঁড়া , জানুন বিস্তারিত

প্রসঙ্গ দক্ষিণ বাঁকুড়ার খাতড়া ব্লকের গোড়াবাড়ি পঞ্চায়েতের অধীন ভাইরাল হওয়া আমডিহা ও দামোদরপুর মৌজায় অবস্থিত পোড়া পাহাড়ের গুহা। কেউ বলেন কড়া পাহাড়। তবে কেউ বা কড়ো পাহাড়। তবে পোড়া পাহাড়া এই নামটা বেশি শোনা যায় এলাকাবাসীর কাছ থেকে। নাম করণের ইতিহাস অবশ্য জানা নেই কারও কাছে। তবে বাসিন্দাদের একাংশের অভিমত, বর্ষা বা নিম্নচাপের সময় পাহাড়ের চূড়ার দিকে তাকালে কিছু পুড়লে যেমন ধোঁয়া হয় সেই রূপ ধোঁয়া দেখা যায় পাহাড়ের চূড়ায় । এই কারণে হয়তো পাহাড়ের নাম হয়েছে পোড়া পাহাড়। আমার বাড়ি থেকে পাহাড়ের দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়াশোনা করার সময় গ্রামের এই পাহাড়ের নাম ভূগোল এ যেদিন প্রথমবার পড়লাম সেদিন যে কি আনন্দ হয়েছিল তা বলে বোঝানো যাবেনা। এই পাহাড় কোন আদি অনন্তকালে গড়ে উঠেছে তার সঠিক তথ্য পরিসংখ্যান কেউই দিতে পারবেনা। তবে আমার গ্রাম সংলগ্ন পাহাড়ের উত্তর দিকে যে গুহা রয়েছে সেটি তৈরির সঠিক গল্প এলাকার অনেকেই আপনাকে বলে দেবে। গুহা নিয়ে ইতিমধ্যে কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভুল তথ্য পরিবেশন করা নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। এই ঝড় আছড়ে পড়েছে জেলা ছাড়িয়ে সারা রাজ্য জুড়ে । কেউ আবার ১৯৬২ সালের আর্কিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য তুল ধরে আদিম যুগের সত্যতা প্রমাণ করতে চাইছেন। কোনও অধ্যাপক গবেষক বলছেন গুহাটি বহু প্রাচীন। কেউ আবার আর্কিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য উল্লেখ করে বলেছেন এলাকায় আদিম মানুষের বসবাস ছিল। তাঁরা গুহাটি তৈরি করে ছিলেন বসবাসের জন্য। কেউ বলছেন এখানে নাকি বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু আসতেন। ওই গুহায় বসে বোমা বাঁধতেন। তাঁদের তথ্য অনুযায়ী কংসাবতী নদীর তীরবর্তী এলাকায় আদিম যুগের কোনও নিদর্শন থাকলেও পোড়া পাহাড়ের গুহার সঙ্গে আদিম যুগের কোনও যোগ নেই। কারণ, গুহাটি যাঁরা নিজের হাতে ড্রিল করে পাথর কেটে তৈরি করেছেন তাঁরা সবাই এখনও মরে যায়নি। আর যাঁরা সেখানে ঠিকা শ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন তাঁদের অনেকে এখনো জীবিত সুস্থ সবল আছেন। গুহায় কাজ করা সেইসব শ্রমিকদের অভিজ্ঞতার বিবরণ তুলে ধরছি আপনাদের কাছে ।ছোট বেলায় বাবার (ঁশঙ্কর চন্দ্র মাহালী) কাছে শুনেছিলাম পাহাড়ে পাথর কেটে গুহা তৈরি হয়েছে। আমার বৃদ্ধা মা বিশাখা মাহালীর (৭৭) কাছে পাহাড়ে গুহা তৈরির বিষয়ে একদিন জানতে চেয়ে ছিলাম। মা বলেছিলেন বিয়ের বেশ কিছুদিন পর পাহাড়ে কোনও ধাতু উত্তোলনের কাজ শুরু হয়েছিল। সেই সময়ই গুহাটি তৈরি হয়। আগে কোনও গুহা ছিলোনা বলে শুনেছি। আমার গ্রাম কুঁড়েবাকড়া (আমডিহা) ও পাশাপাশি গ্রামে খোঁজখবর নিতে শুরু করলে অনেকেই জানিয়েছেন এই তো সেদিন গুহাটি তৈরি হয়েছে।কুঁড়েবাকড়া গ্রামের বাসিন্দা আসরফ আলি (৬৫), বড়মেট্যালা গ্রামের আলোক কুমার মাহাতো (৬২), বিশ্বনাথ রজক, মাইলিহীড় গ্রামের কৃষ্ণপদ বাস্কে সহ অনেকেই জানালেন পোড়া পাহাড়ে কোনও গুহা ছিলোনা। এই তো সেদিন গুহাটি তৈরি হল। কিশোর বয়েসে নিজেরা গুহা তৈরির কাজ দেখেছি । ২০২২ সালে দাঁড়িয়ে যে গুহার বয়স এখন পঞ্চাশ -পঞ্চান্ন বছরের বেশি কিছুতেই নয়। আমরা দাঁড়িয়ে থেকে গুহা তৈরির কাজ দেখলাম। আর কোথা থেকে কে একদিন বেড়াতে এস দাবি করছেন তিনিই নাকি গুহার আবিষ্কারক। তাঁরা জানান জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এই পাহাড় থেকে উলফার্ম নামে এক প্রকার ধাতু সংগ্রহের কাজ শুরু করেছিল । সেই সময় স্থানীয় বেশকিছু যুবককে এই কাজে ঠিকা শ্রমিক হিসাবে নিয়োগ করেছিল । যাঁরা প্রথম দিন থেকে কাজ করেছেন এবং এখনো সুস্থ স্বাভাবিক জীবিত আছেন তাঁরা হলেন খাতড়া ব্লকের খাতড়া ২ পঞ্চায়েতের বড়মেট্যালা গ্রামের বাসিন্দা দশরথ মাহাতো (৭০)। মাইলিহীড় গ্রামের বাসিন্দা নগেন্দ্রনাথ ভুঁইয়া (৭০)। বড়মেট্যালা গ্রামের অনিল মাহাতো, তিলাবনী গ্রামের কৃষ্ট মাঝি, দাঁড়শোল গ্রামের শিবু মাহাতো, জ্ঞানেন্দ্রনাথ মাহাতো।পাহাড়ে গুহা খননের দিন থেকে কাজ করে পরে ভারত সরকারের জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এর মাইনিং বিভাগে যিনি চাকরি করেছেন তিনি দাঁড়শোল গ্রামের বাসিন্দা নিমাই বাউরি। তিনি জানান, ১৯৬৮ সালের এপ্রিল মাসে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া এর মাইনিং ডিভিশন গুহা খননের কাজ শুরু করেছিল। প্রায় দুই তিন বছর কাজ হয়েছে। খননের আগে পাহাড়ে কোনও গুহা ছিলোনা। জি গোরাচারি নামে একজন মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারের আন্ডারে কাজ হয়। আমি টেকনিক্যাল লাইনে কাজ করতাম। দু বছর কাজ হওয়ার পরও বাণিজ্যিকভাবে কোনও সফলতা না পাওয়ায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এখান থেকে যন্ত্রপাতি নিয়ে তারা চলে যায় রাখামাইনসে। গত প্রায় ১০ - ১২ বছর আগে নিমাইবাবু অবসর গ্রহণ করে এখন বাড়িতে আছেন।এঁদের মধ্য থেকে উলফার্ম উত্তোমনের কাজে ড্রিল হেল্পার হিসাবে যিনি কাজ করেছেন সেই দশরথ মাহাতো জানিয়েছেন। তাঁর বয়স যখন ১৬ - ১৭ বছর সেই সময় জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় হাফ (আধ) কিলোমিটার দূর দাঁড়শোল গ্রাম সংলগ্ন তিলাবনী মৌজায় ক্যাম্প করে থাকতেন। যে দিন তাঁরা প্রথম সেখানে এলেন সেই দিন গ্রামের অনেকের সাথে কৌতুহল নিয়ে হাজির হয়ে ছিলাম। বিকাল নাগাদ তাঁরা যখন সেখানে তাঁবু খাটানোর কাজ করছিলেন সেই সময় ধরাধরি করে দিতে বলেছিলেন কোনও একজন অফিসার। আমরা কয়েকজন তাঁবু খাটানোর কাজে সাহায্য করে ছিলাম তাঁদের। তাঁবু খাটানোর কাজ শেষে পরের দিনও যেতে বলে ছিলেন। ক্যাম্পে ২২ টি তাঁবু খাটানো হয়েছিল। সেখান থেকেই পাহাড়ে কাজ করার জন্য যেতে বলে ছিলেন তাঁরা। এলাকার ৩০ জন যুবককে পাহাড়ে কাজ করার জন্য নেওয়া হয়েছিল । ক্যাম্প থেকে প্রায় দুই কিলোমটার পোড়া পাহাড়ে গাড়িতে চাপিয়ে নিয়ে যেত। পাশাপাশি গ্রামের যাঁরা ছিলেন হেঁটে যেত। ওই ক্যাম্পে সরকারি কর্মচারী ছিলেন ২২ জন।আলোককুমার মাহাতো নামে এক ব্যক্তি জানান, বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে যখন ক্যাম্প হয়েছিল সেই সময় আমরা সেখানে যেতাম। ওই সময় ১০-১১ বছর বয়স ছিল। ক্যাম্পে সিংবাবু নামে এক ড্রাইভার ছিলেন। গাড়িতে করে তিনি কংসাবতী নদীর কেচন্দা ঘাট থেকে ক্যাম্প ও পাহাড়ে ব্যবহারের জন্য জল আনতেন। কারণ, ক্যাম্পে কোনও জলের ব্যবস্থা ছিলোনা। নদীতে জল আনতে যাবার সময় গাড়িতে চাপতে চাইলে নিয়ে যেতেন। আবার পাহাড়ে কাজের জায়গায় যেতে চাইলে সেখানেও নিয়ে যেতেন। তাই শুরু থেকেই গুহা খননের কাজ দেখেছি।দশরথ মাহাতো জানান, মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার দাসগুপ্তবাবুর অধীনে ড্রিল হেল্পার হিসাবে কাজ করতাম। মাসে ৩০০ টাকা মজুরি ছিল। তিনি জানান পাহাড়ের উত্তর পশ্চিম কোনায় পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা কালো রং এর একটি বড় প্রাচীরপাথর আছে। ওই পাথরের উত্তর দিক থেকে ড্রিল করে প্রথম উলফার্ম সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। কাজ শুরু করার সময় প্রত্যেককে মাথায় টুপি (হেলমেট), পায়ে ফুল সু (জুতো) পরে নিতে হতো। পাথরে এক সঙ্গে ১৮ টি ড্রিল করে তাতে ডিনামাইট দিয়ে পাথর বার্স্ট করা হতো। এই কাজ করতেন অফিসারদের মধ্যে শিবশঙ্কর দাস নামে এক ব্যক্তি। কালো প্রাচীরপাথরের স্তরটি যে দিকে গিয়েছে সেই দিকেই পাথরটি ড্রিল করে ডিনামাইট দিয়ে বার্স্ট করে একটু একটু করে কেটে গুহাটি ভিতরের দিকে ঢুকেছে। প্রায় সাড়ে পাঁচ ছয় ফুট উচ্চতা এবং সাড়ে পাঁচ ছয় ফুট চওড়া গুহার ভিতরে কাজ করতে হতো। ভিতরে সম্পূর্ণ দাঁড়িয়ে কাজ করা যেত না কিছুটা ঝুঁকে কাজ করতে হতো। পাথরের আয়তন অনুযায়ী সব জায়গায় সমান ভাবে পাথর কাটা যায়নি। কোথাও বেশি আছে তো কোথাও একটু কম আছে। গুহার ভিতর অন্ধকার থাকায় কার্বাইট ল্যাম্প দেওয়া হতো। সেই আলোতে কাজ করতে হতো। উলফার্ম টুকরো (কালো পাথর) সংগ্রহ করে কাপড়ে মুড়ে সেগুলিকে তাঁরা বাইরে পাঠাতেন। কেটে কেটে ভিতরে ঢোকার সময় কালো পাথর ছাড়া ভিতরে যে মাটি ও পাথর বালি জমা হতো ট্রলিতে করে সেগুলিকে ভিতর থেকে বের করে ফেলা হতো। মূল গুহা ছাড়াও প্রাচীরপাথর যে দিকে যতটুকু গিয়েছে সেই দিকে ততটুকু পাথর কেটে শাখা গুহা তৈরি হয়েছে। ভিতের এই রকম আট-দশটি শাখা গুহা আছে। প্রাচীরপাথরটি প্রায় আড়াই থেকে তিন চেন অর্থাৎ আড়াই থেকে তিনশো ফুট গুহাটি কাটা হয়েছে। ড্রিল করে পাথর কাটার আগে ড্রিল মেশিন দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য বাইরে পাঠানো হতো। সেখান থেকে নির্দেশ এলে তবেই পাথর কাটা হতো। প্রায় দুই-তিন বছর কাজ করার পর দেখা গেল যে পরিমাণ খরচ হচ্ছিল সেই খরচটুকুও সেখান থেকে উঠছিলো না। ফলে পোড়া পাহাড় থেকে উলফর্ম সংগ্রহের কাজ বন্ধ করে তাঁরা অন্য জায়গা চলে যায়।খাতড়া ২ পঞ্চায়েতের মাইলিহীড় গ্রামের বাসিন্দা নগেন্দ্রনাথ ভুঁইয়া (৭০) জানান ২০-২২ বছর বয়সে কাজে যোগ দিয়ে ছিলেন তিনি। ভিতরে ডিনামাইট বার্স্ট করার পর ভিতরে ঢুকে পাথর মাটি ট্রলিতে করে বাইরে আনা হতো। ট্রলি যাতায়াতের জন্য ট্রেন লাইনের মতো লাইন ছিল। লাইনের সঙ্গে সংযুক্ত ট্রলি ছিল রিভলভিং। যে দিকে ইচ্ছা ঘোরানো যেত। পাহাড়ে যেখানে উলফার্ম তোলার কাজ চলছিল সেখানে জলের কোন ব্যবস্থা না থাকায় পাহাড়ের ঢালে সিমেন্টের বাঁধ দিয়ে জল ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কংসাবতী নদী থেকে গাড়িতে (ট্যাঙ্ক) জল এনে সেখানে চৌবাচ্চায় ঢেলে রাখা হত। সেই জল দিনভর বিভিন্ন কাজে এবং পাথরে ড্রিল করার কাজে ব্যবহার হতো। পাহাড়ে গুহার অদূরে জল ধরে রাখার জায়গাটি আজও সম্পূর্ন অক্ষত আছে।দশরথবাবু জানান, এই পোড়া পাহাড়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন তাঁদের মধ্যে আমডিহা গ্রামের ঁবলাই মাহাতো, চিত্তরঞ্জন মাহাতো, কুঁড়েবাকড়া গ্রামের প্রয়াত হাবু শেখ, বড়মেট্যালা গ্রামের দশরথ মাহাতো, রবি রজক, গৌর সর্দার, জগত সর্দার, গৌর সর্দার (দ্বিতীয়), গতি মাহাতো, ছোটমেট্যালা গ্রামের ঁরতন মাহাতো, অনিল মাহাতো, দাঁড়শোল গ্রামের গুহিরাম মাহাতো, রঞ্জিত মল্লিক (কাঁদরু), ঁননিগোপাল সর্দার, নিমাই বাউরি, গাঁঠিরাম মাহাতো , শিবু মাহাতো, জ্ঞানেন্দ্রনাথ মাহাতো, রানিবাঁধ থানার ধাদকিডিহি গ্রামের সুধীর মাহাতো, ভেলাইগোড়া গ্রামের ঁধরম মান্ডি, মাইলিহীড়, নগেন ভুইয়া, ঁপবিত্র ভুঁইয়া, তিলাবনী গ্রামের, ঁলস্কর বাস্কে, কৃষ্ণ মাঝি সহ ৩০ জন যুবক কাজ করতেন। কাজ বন্ধ করে সরকারি কর্মীর এখান থেকে চলে যাবার সময় তাঁদের নিয়ে যেতে চেয়ে ছিলেন। কিন্তু এখান থেকে কেউ যেতে রাজি হয়নি। দাঁড়শোল গ্রাম থেকে নিমাই বাউরি ও ননিগোপাল সর্দার নামে দুজন ব্যক্তি গিয়েছিলেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে তাঁদের স্থায়ী চাকরি হয়ে যায়। এদের মধ্যে কয়েক বছর আগে ননিগোপাল সর্দার মারা যান। নিমাই বাউরি এখনো সুস্থ স্বাভাবিক আছেন।পরিশেষে বলি গুহা নিয়ে মানুষের কাছে মিথ্যা ভূল তথ্য পরিবেশন না করে আসুন সঠিক তথ্য তুলেধরে বাঁকুড়ার পর্যটন মানচিত্রে আরও একটি নতুন পালকের সংযোজন করতে উদ্যোগী হই আমরা সকলে। মুকুটমণিপুর পর্যটন কেন্দ্র থেকে মাত্র চার সাড়ে চার কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে পোড়া পাহাড়। অপরদিকে পাহাড় সংলগ্ন কুরকুটিয়া ডুংরি (টিলা)। তার মধ্যখানে সুন্দর ঝিল, অদূরেই পাহাড় সংলগ্ন কৃপাসিন্ধু আশ্রম এবং মন্দির। এখানকার সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটকদের যে মনকাড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। মুকুটমণিপুরে বেড়াতে আসা পর্যটকরা সেখানে ঢোকার আগে বা পরে পাহাড়, গুহা, ঝিল, মন্দির দর্শন করে যেতে পারেন । ইচ্ছা করলে ঝিল সংলগ্ন প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে পিকনিক করতে পারবেন অনায়াসে। তাহলে আর দেরি কেন, এই মরসুমে যাঁরা মুকুটণিপুরে বেড়াতে আসার মনস্থির করছেন তাঁরা পোড়া পাহাড়ের গুহা দেখে যাবার কথা অবশ্যই ভেবে রাখুন।(সুশীল মাহালীর ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া)

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজ্য

গভীর রাতে ভয়াবহ আগুনে ভষ্মিভুত বাড়ি, অভিযোগ, দমকল দেরিতে আসায় পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি

গভীররাতে পূর্ববর্ধমানের মেমারির উদয়পল্লীর পশ্চিমপাড়ার একটি বাড়িতে আগুন লাগে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় বাড়ির আসবাব সহ সমস্ত সামগ্রী। আগুন লাগার পর স্থানীয় মানুষজন খবর দেন মেমারির দমকল বিভাগকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ও মেমারি থানার পুলিশ যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ দমকল ডাকার অনেক পরে তাঁরা পৌঁছায়, ততক্ষণে স্থানীয়রাই উদ্যোগ নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে। ভষ্মীভুত বাড়িটির মালিক বলাই গোলদার জনতার কথাকে জানান, তিনি বাড়িতে ছিলেন না, মেলায় গিয়েছিলেন, আগুন লাগার সময় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান ছিল, তিনি জানান, তাঁরা কী আহত হননি, স্থানীয়দের সাহায্যে তাঁর পরিবার নিরাপদেই আছে।বলাই গোলদার জানান, তিনি বিভিন্ন মেলায় ব্যবসা করে সংসার চালান। আগুন লাগার আগের দিন মহাজনকে দেওয়ার জন্য বাড়িতে ৫০ হাজার টাকা নগদ রেখেছিলেন। সেই টাকাও উদ্ধার হবেনা জেনে তিনি ভেঙ্গে পরেছেন। স্থানীয় অভিজিৎ মণ্ডল (প্রতিবেশী) জানান তারাই প্রথম আগুনটা দেখেন, তিনি জানান তাঁরা আগুন দেখে দমকলকে ৭টা ১৫ তে ফোন করেন, কিন্তু এক কিলোমিটার দূর থেকে দ্মক্ল বাহিনী আসতে ৮টা ৩০ মিনিট হয়ে যায়। ততক্ষণে স্থানীয় মানুষজনই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছেন। দমকল সুত্রে জানা যায়, তাঁরা মেমারি লেভেল ক্রশিং (রেল গেট) এ ৩০ মিনিট আটকে ছিলেন।মেমারি এলাকায় মাত্র রাজ্য সরকারের অগ্নি নির্বাপণ দপ্তরের একটা মাত্র আগুন নেভানো গাড়ি আছে, সেটাও রেলগেটের দক্ষিন পাড়ে থাকে, কিন্তু মেমারি শহরের সবচেয়ে ঘন বসতি রেলগেটের উত্তর পাড়ে। স্থানীয় মানুষজনের দাবী, দমকল বিভাগ যেন আরও একটা গাড়ি উত্তর পাড়ে রাখেন যাতে রেল গেট পড়ে দেরি হওয়ার কারনে এই রকম ঘটনা না ঘটে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে গ্রেফতার টোটোচালক, সিবিআইয়ের হাতে পেট্রল পাম্পের সিসি টিভি ফুটেজ

বগটুই কাণ্ডে ফের ওই গ্রামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এর আগে মুম্বাই থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ধৃত ব্যক্তি রিটন শেখ পেশায় টোটোচালক। রিটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। এদিকে মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে সিবিআই।সূত্রের খবর, বগটুই গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শীরা রিটন শেখের নাম বলে। ওই গ্রামেই বাড়ি তাঁর। সূত্রের খবর, রিটন শেখকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্প থেকে ঘটনার দিন জারে করে পেট্রল আনা হয়েছিল। সেই পাম্পে গিয়ে সিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেই ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বগটুই কাণ্ডে সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। পরে আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্তভার হাতে নেয়। অভিযোগ, তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনের পর পেট্রল দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় ৯ জনকে। তার আগে তাঁদের মারধর করে জখম করা হয়েছিল। নানা অত্যাধুনিক পদ্ধতিও বগটুই তদন্তে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনার পর বগটুই গ্রামে মাটির নীচ থেকে বোমাও উদ্ধার করেছে সিবিআই। রাজ্যের একের পর এক ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত ভার তুলে দিয়েছে হাইকোর্ট। বগটুই কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

বগটুই গণহত্যার সঙ্গে ভাদু খুনের ঘটনারও তদন্তে সিবিআই, নির্দেশ হাইকোর্টের

বগটুই গণহত্যার পাশাপাশি তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখের খুনের তদন্ত করবে সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতিরা মনে করছেন একটা ঘটনার সঙ্গে অন্যটার ইন্টারলিংক আছে। দুটি ঘটনা দুটি সংস্থা তদন্ত করলে সঠিক হত না। মামলাকারীরা দাবি করছিলেন, একটা ঘটনার সঙ্গে আরেকটা যুক্ত। সিবিআই তদন্তে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হতে পারে।বগটুই মোড়ে তৃণমূল উপপ্রধান খুন হওয়ার পর বগটুই গ্রামে একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। তার মধ্যে একটি বাড়িতে ৮ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। অন্য একটি বাড়িতও একজন মারা যায়। এই গণহত্যার ঘটনায় তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। কলকাতা হাইকোর্ট প্রথমে গণহত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। হাইকোর্টে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। ভাদু খুনের দুঘন্টার মধ্যে গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দুটো ঘটনার মধ্যে সংযোগ রয়েছে বলে রিপোর্টে জানিয়েছে সিবিআই।এদিকে মুম্বাই থেকে গণহত্যার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। তাদের রামপুরহাটে নিয়ে এসে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে কয়েক দফায় বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
রাজ্য

বগটুই কান্ডে মুম্বাই থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

বগটুই কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতার করল সিবিআই। বাপ্পা শেখ, সাবু শেখ সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন করে তাঁদের ধরা হয় মুম্বাই থেকে। জানা গিয়েছে, সিবিআই মুম্বাইয়ে তাদের আদালতে পেশ করে। তাদের রিমান্ডে রামপুরহাট নিয়ে আসবে সিবিআই। ঘটনার পরই তারা মুম্বাইয়ে পালিয়ে যান। বগটুইয়ে আগুন লাগিয়ে গণহত্যার ঘটনায় এদের নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভাদু শেখের খুনের পর বগটুইয়ে ৯ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে খুন করা হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ওই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।বিস্তারিত আসছে......

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

উডবার্ণেই অনুব্রত মন্ডল, দুই আইনজীবী চিঠি ধরালেন সিবিআইকে

পঞ্চমবার নোটিশ হয়ে গেল, তবু সিবিআইয়ের মুখোমুখি হলেন না তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মন্ডল। গতকাল, মঙ্গলবার কলকাতায় চিনারপার্কের ফ্লাটে এসে উঠেছিলেন অনুব্রত। তবে এদিন নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তিনি যাবেন কীনা তা নিয়ে সংশয় ছিল। এদিন দুপুরে তিনি সোজা চলে যান এসএসকেএমে হাসপাতালে। সেখানে উডবার্ণ ওয়ার্ডে তিনি ভর্তি হয়েছেন।এদিকে তাঁর ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজাম প্যালেসে অনুব্রত মন্ডলের দুই আইনজীবী সিবিআই দফতরে হাজির হন। তাঁরা সিবিআইকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের মক্কেলের শরীর অসুস্থ। সিবিআই বারে বারে নোটিশ দেওয়ায় তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তিনি আসতে পারবেন না। এবারেও গরুপাচার কান্ডে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের মুখোমুখি হলেন না বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস জেলা সভাপতি। এর আগে আরও চারবার নোটিশ পাঠানো হয়েছিল অনুব্রত মন্ডলকে।হাইকোর্টে কক্ষাকবচ-এর আবেদন করেছিলেন অনুব্রত। হাইকোর্ট তাঁর ওই আবেদন বাতিল করে দেয়। বার বার তলব করা সত্বেও সিবিআইয়ের দফতরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি হাজির হতে পারছেন না। এমনটাই বক্তব্য তাঁর আইনজীবীদের। বরং তাঁদের দাবি, অনুব্রতর সিবিআই দফতরে আসার সদিচ্ছা আছে।এদিকে এসএসকেএম হাসপাতালে অনুব্রত মন্ডলের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এর আগেও তিনি এসএসকেএমে ভর্তি হয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, অনুব্রতর বুকে ব্যাথা রয়েছে। পেটেও সমস্যা রয়েছে। ইতিমধ্যে, ইসিজি করা হয়েছে অনুব্রতর{ ইসিজিতে কিছু সমস্য়া পাওয়া গিয়েছে। সেই সমস্য়া কতটা গুরুতর তা পরীক্ষার জন্য় ইকো করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিতসকরা।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

ধর্মঘটে দুর্গাপুরে টায়ার জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ, গ্রেফতার বাম কর্মী-সমর্থকরা

মঙ্গলবার সাধারণ ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে কোনও প্রভাব না পড়লেও মঙ্গলবার দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাম কর্মী সমর্থকরা।সোম বার ও মঙ্গলবার সারা দেশ ব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন সমূহ। সাধারণ ধর্মঘটের সমর্থনে মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বাম কর্মী সমর্থকরা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিভিন্ন থানার পুলিশ পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে।পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের শুরু হয় বচসা ও ধস্তাধস্তি।বিক্ষোভকারীদের সরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় স্বোচ্চার হবে বিজেপি বিধায়করা

রামপুরহাটের নারকীয় হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিজেপির জনপ্রতিনিধিরা বৃহস্পতিবার লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় প্রতিবাদে স্বোচ্চার হবে। ওই দিন রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিজেপি বিধায়করা স্বোচ্চার হবেন তাঁরা। বুধবার রামপুরহাট থেকে ফেরার পথে বর্ধমানের এদিন রাতে জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে এসে এই কথা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।শুভেন্দু অধিকারী এদিন আরও বলেন, রাজ্যে খুনের রাজনীতি চলছে। পাড়ুইয়ে আবার একজন খুন হয়েছেন। রামপুরহাটের ঘটনার প্রতিবাদে লোকসভা ও বিধানসভার ভিতরে প্রতিবাদের পাশাপাশি বাইরেও প্রতিবাদ জারি রাখবে বিজেপি। রাজ্যের প্রতিটা মণ্ডলে বিজেপি কর্মীরা ঘটনার প্রতিবাদ জানাবে। সরাষ্ট্রমন্ত্রক ৭২ঘন্টার মধ্যে রামপুরহাটের গণহত্যা কাণ্ডের রিপোর্ট চেয়েছে। ঘটনার পর থেকে বুধবার ২৪ঘন্টা পার হয়ে গেছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর সরাষ্ট্রমন্ত্রক পদ্ধতি মেনে পরবর্তী সিদ্বান্ত নেবে। শুভেন্দু বাবু বলেন, তাঁরা চান এনআইএ ও সিবিআই রামপুরহাটের গণহত্যা কাণ্ডের তদন্ত করুক। প্রধানমন্ত্রী নিজে ঘটনার বিষয়ে অবহিত আছেন। এ ঘটনা নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি লড়াই চালিয়ে যাবে। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ও একই কথা বলেন।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল নেতা খুনে অগ্নিগর্ভ রামপুরহাট, ঝলসে মৃত্যু ১২ জনের

বীরভূমের রামপুরহাটে তৃণমূল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। বগটুইতে পর পর বাড়িতে আগুন। অগ্নিদগ্ধ বাড়িগুলি থেকে ১২টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে দমকল। বীরভূমের পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, একটি বাড়িতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে যাচ্ছে সিআইডি এবং ফরেন্সিক টিম। হেলিকপ্টারে রামপুরহাট যাচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম (বীরভূমের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা), আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিজিত সিনহা।রামপুরহাটের এই এলাকা কয়েকমাস ধরেই রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত। আট মাসে আগে বাড়ি ফেরার পথে খুন হয়েছিলেন ভাদু শেখের মেজো ভাই। জানা গিয়েছিল, রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। এর পর সেই একই কায়দায় খুন হলেন তৃণমূলের উপপ্রধান। আর তার ঠিক পরপরই গ্রামে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এতজনের মৃত্যু। ইতিমধ্যে কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল পাঠানো হচ্ছে রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে। সূত্রের খবর, সিআইডি টিম যাচ্ছে সেখানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান রেকর্ড করে প্রাথমিকভাবে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী। তাঁর দাবি, ৭টি বাড়িতে আগুনের ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।সোমবার রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে বোমা হামলায় তৃণমূল নেতা ভাদু শেখের মৃত্যু হয়। ভাদু রামপুরহাট এক নম্বর ব্লকের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ছিলেন। তাঁর বাড়ি রামপুরহাট থানা এলাকার বগটুই গ্রামে। সেখানে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন ভাদু। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ে পালায় এক দল দুষ্কৃতী। ঘটনার পর স্থানীয়েরা রক্তাক্ত অবস্থায় ভাদুকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা ভাদুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার পর থেকেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ওই গ্রাম। পর পর বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। দমকল আধিকারিক জানিয়েছেন,সোমবার রাতে তিন জনের ঝলসানো মৃতদেহ উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার সকালে আরও সাত জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই সাত জনই একটি বাড়িতে ছিলেন। দমকলের হিসেব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত বারো জনের মৃত্যু হয়েছে। বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন, তিন চারটি বাড়িতে আগুন লেগেছিল। টিভি ফেটে আগুন লাগে। দমকল, পুলিশ গিয়েছিল। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক, তার পর বলব। তবে উপপ্রধান খুনের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনুব্রত।

মার্চ ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে অগ্নিকাণ্ডে কোভিড রোগীর মৃত্যুর কারণ অক্সিজেন সিলিন্ডার না মশা মারার ধূপ? তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে আগুন ধরে যাওয়ায় পুড়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা আক্রান্ত এক প্রৌঢ়ার। মৃতার নাম সন্ধ্যা মণ্ডল (৭২)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসির বড়মুরিয়া গ্রামে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপালে। হাসপাতাল কর্মীরাই প্রথম আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। পরে খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছায়। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখেন দমকলের আধিকারিকরা। ওয়ার্ডে থাকা অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে আগুন লেগেছে নাকি মসা মারার ধূপ থেকে বেডে আগুন ধরে গিয়েছিল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনা নিয়ে হাসপাতালের তরফে একটি এফআইআর করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। মৃতদেহটি এদিনই ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। ভিসেরা সংগ্রহে রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বর্ধমান হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে এক রোগীনির মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে বেলা বাড়তেই রাজ্য জুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। ঘটনা নিয়ে সোচ্চার হয় রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা ও বিধায়করা। তড়িঘড়ি রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয়। স্বাস্থ্য দফতরের তিন সদস্যের কমিটি হাসপাতালে আগুন লাগার ঘটনার তদন্ত করবে। জানা গিয়েছে, ওই কমিটিতে রয়েছেন স্পেশাল সেক্রেটারি অনিরুদ্ধ নিয়োগী, আরজিকর হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সোমনাথ দাস ও নার্সিং মেম্বার মণিকা গায়েন। পাশাপাশি বর্ধমান হাসপাতালের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের সমস্ত সরকারী হাসপাতালে ফায়ার অডিটের নির্দেশও দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট উপসর্গ থাকায় পরিবারের লোকজন গত বুধবার প্রৌঢ়া সন্ধ্যা মণ্ডলকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কোভিড ওয়ার্ড অর্থাৎ রাধারানী ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সেখানেই তাঁর কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এলে পরদিন সন্ধ্যাদেবীকে হাসপাতালের কোভিড জেনারেল বেডে স্থানান্তরিত করা হয়। তাঁর অক্সিজেন চলছিল। রাতে ওয়ার্ডের বাইরে শুয়েছিলেন রোগীর পরিজনরা। শনিবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ সেখানেই ঘটে বিপত্তি। ওয়ার্ডের ৬ নং ব্লকের ৮০ নম্বর বেডে হঠাৎ আগুন ধরে যায়। সেই বেডে থাকা সন্ধ্যাদেবী আগুনে পুড়ে দগ্ধ হন। তাতেই মৃত্যু হয় তাঁর।রাধারানী ওয়ার্ডের বাইরে রাতে শুয়ে থাকা রোগী পরিজনদের একজন হলেন মেমারির নিশিরাগড় নিবসী বাসি হেমব্রম। তিনি জানান, রাধারানী ওয়ার্ডের উল্টোদিকের বপডে তিনি শুয়েছিলেন। হঠাৎ শুনতে পান ওয়ার্ডের ভিতর থেকে আগুন আগুন বলে এক মহিলা চিৎকার করছেন। তেমনটা শুনেই দ্রুত তিনি ছুটে ওয়ার্ডে ভিতর যান। গিয়ে দেখেন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভিতরের একটি বেডে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। তা দেখে ওয়ার্ডে থাকা বাকি রোগীরা ছুটে বেড়িয়ে আসছে। রোগীদের চিৎকার চেঁচামেচি শুনে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা ওয়ার্ডে পৌছে আগুন নেভায়। তারই মধ্যে আগুনে পুড়ে দগ্ধ হন প্রৌঢ়া রোগী। পরে তিনি মারা যান । অপর এক রোগীর পরিজন সুমিত্রা মাঝি জানান, আগুন দেখে অনেক কোভিড রোগী ভয়ে বাইরে চলে আসে। ঘটনার প্রায় আধঘণ্টা পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন হাসপাতালে আসে। তার আগেই হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মীরা আগুন নিভিয়ে ফেললেও প্রৌঢ়া কোভিড রোগী মারা যান। আগুন সম্পূর্ণ নিভে যাওয়ার পর দমকলের আধিকারিকরা ওয়ার্ডে আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা শুরু করেন। দমকলের এক আধিকারিক দীপক সেন জানান, ওয়ার্ডে একটি বেড ছাড়া অন্য কোন বেডে আগুন লাগেনি। মশার ধূপ থেকেই ওই বেডে আগুন লেগেছে বলে তাদের প্রাথমিক অনুমান। ঘটনার পরেই দ্রুত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌছান প্রিন্সিপ্যাল প্রবীর সেনগুপ্ত, সুপার তাপস ঘোষ সহ অন্যা চিকিৎসকরা। বর্ধমান থানার আই সি সুখময় চক্রবর্ত্তীও একই সময়ে হাসপাতালে পৌছান। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেন। পরে প্রিন্সিপ্যাল প্রবীর সেনগুপ্ত জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তের জন্য ফরেন্সিক দলকে বলা হয়েছে। এছাড়াও একটি পাঁচ সদ্যসের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা করবে। সুপার তাপস ঘোষ জানান, অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক ভাবে আশঙ্কা করাহচ্ছে। মৃতদেহের পাশে গ্যাস লাইটার, দেশালাই পাওয়া গিয়েছে। কোন কারণে ওই রোগীনি আগুন ব্যবহার করেছিলেন কিনা সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।হাসপাতালে উপস্থিত থাকা মৃতার মেয়ে রানু মণ্ডল এদিন বলেন, মায়ের ব্যাগে থালা ও জলের বোতল ছিল। লাইটার, দেশালাই ছিল না। তাঁরাও ওইসব মাকে দেননি। বাড়ি থেকে শুক্রবারই মসারি এনে দিয়ে ছিলেন। তাই মাসা মারার ধূপ জ্বালানোর কোন প্রয়োজনই থাকেনি।বর্ধমান হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এদিন রাজনৈতিক মহলেও তোলপাড় ফেলে দেয়। এদিন দুপুরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিজেপির সাত সদস্যদের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘরুই, বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা, বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা সহ বর্ধমান জেলার বিজেপি নেতৃত্ব। বিধানসভার বিরোধি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশেই এই পরিদর্শন বলে জানান বিজেপি নেতারা। এই প্রতিনিধি দল কোভিড ওয়ার্ড পরিদর্শন করতে গেলেও দুর্ঘটনাস্থল সিল থাকার জন্য যেতে পারেননি। পরে তাঁরা হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে দেখা করে বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার কথা জানান। হাসপাতাল চত্ত্বরে দাঁড়িয়েই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে বিজেপির প্রতিনিধিরা। মৃতার পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দেওয়ার দাবিও তোলেন বিজেপি নেতৃত্ব। বর্ধমান সদর জেলা বিজেপির সম্পাদক অভিজিৎ নন্দী অভিযোগ করেন, সাংসদ কোটার দেড় কোটি টাকা খরচ করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপাত্র তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার হাল কতটা তলানিতে ঠেকেছে তার রিপোর্ট সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। যা জানার পর লজ্জায় উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দাদের মাথা হেট হয় গেলেও বিজেপি নেতাদের হয়নি। ওদের লজ্জা-শরম নেই বলে বর্ধমান হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে শুরু করে দিয়েছে ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে আগুনে ঝলসে গেল কোভিড রোগী, কারণ অনুসন্ধানে তড়িঘড়ি তদন্ত কমিট গঠন

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল এক রোগীর। শনিবার ভোররাতে ওই ওয়ার্ডে আগুন লাগে। সেই আগুনে ঝলসে যায় একজন কোভিড রোগী। মৃতের নাম সন্ধ্যা মণ্ডল(৬০)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসির বড়মুড়িয়া গ্রামে। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ হাসপাতালের রাধারাণী ওয়ার্ডে আগুন লাগে। বর্তমানে রাধারাণী ওয়ার্ডকে কোভিড রুগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে ৬ নম্বর ব্লকে ভর্তি ছিলেন কোভিড রোগী সন্ধ্যা মণ্ডল। কোভিড ওয়ার্ডের অন্য রোগীর আত্মীয়রা দাবী, আগুন লাগার সময় হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষী ও অন্য কর্মীরা ঘুমিয়ে ছিল। যদিও নিরাপত্তার গাফিলতির কথা অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। খবর পেয়ে হাসপাতালে যায় দমকলের একটি ইঞ্জিন। ততক্ষণে হাসপাতালের কর্মীরাই আগুন নিভিয়ে ফেলে। জানা গিয়েছে, এক কোভিড রোগীর আত্মীয় প্রথম আগুন দেখতে পান। তারপর তিনি অন্যদের জানান।এদিকে বর্ধমান হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধ হয়ে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ প্রবীর সেনগুপ্ত জানান, ফরেন্সিক দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বর্ধমান থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলার দাবিতে বর্ধমানে শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ালো বাম শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠন

বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন চালুর দাবীতে পথে নেমে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ালো বাম ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। স্কুল খোলার দাবিতে মঙ্গলবার বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে যৌথ ভাবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহে নামে এবিটিএ,এবিপিটিএ, এসএফআই এবং বিএসপিএসের সদস্যরা। সেখানেই তারা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।সরকার দাবি না মানলে গোটা রাজ্যজুড়ে আইন অমান্য আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি এদিন দিয়েছেন এসএফআই নেতৃত্ব।আন্দোলনকারীরা এদিন অভিযোগ করেন, রাজ্যে মেলা,খেলা সবই চলছে। সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনযাপনও চলছে। অথচ শুধু বন্ধ রয়েছে বিদ্যালয়গুলি। দাবি না মানলে গোটা রাজ্যজুড়ে এসএফ আই আইন অমান্য আন্দোলন করবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সুদীপ্ত গুপ্ত বলেন, আমরা চাই সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হোক। আবার স্কুলমুখী হোক ছাত্রছাত্রীরা। পঠন পাঠন চালুর মধ্যে দিয়ে রাজ্যে পূর্বের শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হোক এটাই আমাদের মূল দাবি। সুদীপ্তবাবু আরও জানান, এবছর মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত থেকেছে। বেড়েছে ড্রপ আউটের সংখ্যা। অনেক মেয়ে আছে যাদের অল্প বয়সে এই সময়ের মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। এরকম অবস্থা যদি চালু থাকলে আগামি দিনে শিক্ষাব্যবস্থা আরও চরম সংকটে পড়বে। তাই তাঁরা চান অবিলম্বে পঠন-পাঠন শুরু হোক বিদ্যালয় গুলিতে। এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক অনির্বাণ রায় চৌধুরী জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবি তুলেছে বামপন্থী শিক্ষক এবং ছাত্র সংগঠন গুলি। রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ ও মানবসম্পদের কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুলতে হবে। এই দাবিতে আগামী ২৭ তারিখ গোটা রাজ্য জুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে খোলা আকাশের নিচে ওপেন এয়ার ক্লাসরুম করবেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

সারা শরীরে কেরোসিন তেল ঢেলে জ্বলন্ত উনানে ঝাঁপ! মৃত্যু আদিবাসী যুবকের

গোটা শরীরে কেরোসিন তেল ঢেলে জ্বলন্ত উনানে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক আদিবাসী যুবক। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার শিলাকোট গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সুকুল মুর্মু(৩০)। মানসিক অবসাদে থাকার কারণেই যুবক এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিবার সদস্যরা। পুলিশ যদিও অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যুবকের এমন মৃত্যুর ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত এলাকাবাসী।আরও পড়ুনঃ উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় জনমজুর শিলাকোট গ্রামের বাসিন্দা সুকুল মুর্মুর বাড়িতে তাঁর স্ত্রী, দুই নাবালক ছেলে ও বাবা মা রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, সুকুল বেশ কয়েকদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিল। আগে কয়েকবার পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে সে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের তৎপরতার তাঁর প্রাণ বাঁচে। কিন্তু সোমবার রাতে তাঁর স্ত্রী সরস্বতী মুর্মু যখন উনানে রান্না করছিলেন তখন সুকুল গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আচমকা উনুনে ঝাঁপ দিয়ে দেয়। তাঁর গোটা শরীর দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যান সরস্বতী মুর্মু। সরস্বতীর চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সুকুলের শরীরের আগুন নিভিয়ে ফেলে। স্থানীয়রাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান হাসপাতালে সুকুলের মৃত্যু হয় ।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Childs Burn: শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশু

শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পা পিছলে পড়ে গিয়ে দগ্ধ হল এক শিশু। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি বুধবার সকালে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার অগ্রদ্বীপের একটি ইট ভাটায়। আশঙ্কানক অবস্থায় শিশুপুত্র লিটো মাজি (৮) কে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ঘটনার আকশ্মিকতায় স্তম্ভিত ইটভাটার সকল শ্রমিকরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্রদ্বীপের ইঁটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁদের বাড়ি বিহারে। ভাটার শ্রমিকদের কথায় জানা গিয়েছে, শীত নিবারণের জন্য এদিন সকালে তাঁরা কাঠ কুটো যোগড় করে তাতে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন। ওই সময়ে কাছে-পিঠেই ছোটাছুটি করছিলেন কয়েকটি শিশু. তাদের মধ্যে শিশুপুত্র লিটো মাজিও ছিল।। ছুটোছুটি করে খেলার সময়ে হঠাৎতই পা পিছলে লিটো সোজা আগুনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। আর তাতেই ঘটেযায় বিপত্তি। লিটোর শরীরের অনেকাংশ আগুনে দগ্ধ হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

উইপোকা ধরা টাকার পর বড় পদক্ষেপ! সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে গ্রেপ্তার পরিতোষ দত্ত

সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিল এবং বিতর্কিত কক্ষকে ঘিরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই ঘটনায় দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত পরিতোষ দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের গুন্ডা দমন শাখা। বর্ধমান থেকে তাঁকে আটক করে কলকাতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার জেরে নড়েচড়ে বসেছে উচ্চশিক্ষা দফতরও। কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। কীভাবে কলেজের ইউনিয়ন কক্ষের আলমারি থেকে ব্যাগভর্তি টাকা উদ্ধার হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা।গত মঙ্গলবার কলেজের ইউনিয়ন কক্ষ থেকে উইপোকা ধরা টাকার বান্ডিল উদ্ধার হওয়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তদন্তে উঠে আসে আরও একাধিক তথ্য। কলেজের পাঁচতলায় তথাকথিত অতিথি কক্ষ হিসেবে ব্যবহার করা কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে বিছানা, গদি, বালিশ, আলমারি এবং আরও কিছু সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ।দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই ঘরগুলি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কলেজের একটি কক্ষে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্টদের ছবিও দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এদিকে উচ্চশিক্ষা দফতর জানতে চেয়েছে, ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে। কলেজের ভিতরে ওই কক্ষগুলি তৈরির অনুমতি ছিল কি না, কারা সেগুলি ব্যবহার করতেন এবং কীভাবে এত টাকা কলেজে এল, তারও বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন এমন ব্যক্তিদের নাম-সহ একটি তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষকে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা দফতর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।প্রায় একশো চল্লিশ বছরের পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে এমন ঘটনা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ থেকে সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কলেজে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

জুন ০৪, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুম ভাঙল আগুনে! হাসপাতালের আইসিইউতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত অন্তত ৪

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিহারের একটি হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত চার জনের। ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় চারটে নাগাদ মুজফ্ফরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আচমকা আগুন লাগে। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন এবং ঘন কালো ধোঁয়া পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালের ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোগী, চিকিৎসক এবং কর্মীদের মধ্যে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ছতলায় থাকা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকেই আগুনের সূত্রপাত। ধোঁয়ায় ভরে যায় পুরো তলা। দমকলকর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রায় পনেরো থেকে কুড়ি জন রোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করেন।তবে সব রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের অনেকেই গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় অন্য হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে সঠিক কারণ জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।মুজফ্ফরপুর দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বহু রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র থেকে বের করে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে ধোঁয়া এবং আগুনের তীব্রতার কারণে কয়েকজনকে আর বাঁচানো যায়নি।এই মর্মান্তিক ঘটনার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে আগুন লাগল এবং সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে গোপন বৈঠক কর্ণ আদানির! বাংলায় আসছে কি হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ?

রাজ্যের শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং শিল্পপতি গৌতম আদানির পুত্র কর্ণ আদানি। বুধবার নবান্নে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুজনের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, সৌজন্য সাক্ষাতের আড়ালেই শিল্প, কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আদানি গোষ্ঠী রাজ্যে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, বন্দর, লজিস্টিক কেন্দ্র, রাস্তা নির্মাণ এবং তথ্যভাণ্ডার কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাজ্য সরকার শুরু থেকেই শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলিকে রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বৈঠকে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, রাজ্যে বৃহৎ লজিস্টিক কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন এবং আধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এদিন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে ভবিষ্যতে আরও একাধিক দফায় বৈঠক হতে পারে বলে খবর।আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক নতুন নয়। অতীতেও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন সরকারের আমলে এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন শিল্পমহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে রাজ্যে বড় বিনিয়োগের পথ খুলতে পারে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।এখন নজর পরবর্তী বৈঠকের দিকে। শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, সেটাই দেখার।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার মন্তব্য ঘিরে বড় বিতর্ক! সাইবার থানায় নতুন অভিযোগ, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়। গত দুই জুন ধর্মতলায় ধর্না কর্মসূচির মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই অভিযোগ করা হয়েছে। এর আগেও গত সপ্তাহে একই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই আইনজীবী।অভিযোগকারীর দাবি, প্রকাশ্য সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা দেশের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক গোপনীয়তা সংক্রান্ত প্রশ্ন তুলে দিতে পারে। বিশেষ করে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে ঘিরে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই আপত্তি জানানো হয়েছে।আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ওসমান হাদি নামে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে। দুই জুন ধর্মতলার সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তোলেন এবং ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা এক অভিযুক্তকে রাজ্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করেছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রতিবাদও হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্তরা মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রসঙ্গও উঠে আসে।অভিযোগপত্রে একাধিক ধারার উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, উত্তেজনা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা এবং ভয় প্রদর্শনের মতো বিষয় উঠে এসেছে। যদিও অভিযোগের সত্যতা বা আইনি ভিত্তি নিয়ে এখনও প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে তদন্তকারী সংস্থা কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাপিয়ার ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টালিগঞ্জে বিস্ফোরণ! ইট-ডিমের লড়াইয়ে রণক্ষেত্র স্টুডিওপাড়া

টলিপাড়ার সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তনের ঘোষণার মাত্র একদিনের মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও চত্বর। বৃহস্পতিবার সকালে বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।বুধবার বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী টেকনিশিয়ান্স স্টুডিও প্রাঙ্গণ থেকে দীর্ঘদিনের ফেডারেশন ভেঙে নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণা করেন। তিনি জানান, পুরনো কাঠামোর পরিবর্তে নতুন কনফেডারেশন তৈরি করা হবে এবং সংগঠনের কাঠামোয় বড়সড় পরিবর্তন আনা হবে। একই সঙ্গে টলিউডে যোগ্য ও বৈধ কর্মীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। অবৈধভাবে বা নিয়ম না মেনে কাজ পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান।এই ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সকালে স্টুডিও প্রাঙ্গণে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায় স্টুডিওর ভিতরে বৈঠক করা সম্ভব হয়নি। পরে কাছাকাছি একটি মাঠে জটলা তৈরি হয় এবং সেখানেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা শুরু হয়।এক পক্ষের অভিযোগ, সংগঠনের পদ এবং প্রভাব ধরে রাখার জন্য কিছু নেতা বহিরাগতদের নিয়ে এসে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে পাল্টা স্লোগান তুলে প্রতিবাদ জানায় অপর পক্ষ। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে ইট, পাটকেল এবং ডিম ছুড়তে শুরু করে।ঘটনায় স্টুডিওপাড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রিজেন্ট পার্ক থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের জেরে কিছুক্ষণ কাজকর্মও ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর টেকনিশিয়ানদের একাংশ বিদায়ী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের দাবি, সংগঠনের আর্থিক বিষয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া উচিত। পাশাপাশি টলিপাড়ার চলমান অস্থিরতা দূর করতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিও তুলেছেন অনেকেই।নতুন সংগঠন গঠনের ঘোষণার পরই যে ভাবে টালিগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, তাতে আগামী দিনে টলিপাড়ার সাংগঠনিক লড়াই আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এনআইএ হানার আগেই উধাও শওকত! ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তোলপাড় দক্ষিণ ২৪ পরগনা

কোথায় শওকত মোল্লা? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভাঙড় ও ক্যানিংয়ের রাজনৈতিক মহলে। ভাঙড়ের বামুনিয়া বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চললেও শওকতের খোঁজ মেলেনি।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে এনআইএ-র একাধিক দল ভাঙড় ও সংলগ্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে না পাওয়ায় তদন্তকারীদের বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযানের খবর পাওয়ার আগেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।এদিকে, তল্লাশি চলাকালীন শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লাকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। শুধু বাড়িতেই নয়, ইমরানের মালিকানাধীন ক্যাফে অরণ্যের কূলে-তেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ক্যাফে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিতর্ক রয়েছে। অভিযোগ, নদীর জমি ভরাট করে সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে এই ক্যাফে।ভাঙড়ের বামুনিয়া এলাকায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন আরও কয়েকজন। সেই মামলার তদন্তেই সম্প্রতি গতি এনেছে এনআইএ। কয়েকদিন আগে এই মামলায় তৃণমূল নেতা আহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার বামুনিয়া এলাকার একাধিক বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। পাশাপাশি ধৃত আহিদুল ইসলামের বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে। তদন্তকারীরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, শওকত মোল্লার খোঁজে তাঁর ভাই আবু জাফরের বাড়িতেও এনআইএ-র একটি দল পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। তিনি কি তদন্ত এড়াতেই আড়ালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোনও কারণে এলাকায় নেইসেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

জুন ০৪, ২০২৬
কলকাতা

গ্রেপ্তারের আশঙ্কা? থানায় ডাকার পরই আচমকা অসুস্থ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

মেসি ইভেন্ট বিতর্কে নতুন মোড়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি আগামী দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেসি ইভেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত।গত সতেরো মে অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন শতদ্রু দত্ত। অভিযোগে টিকিট কালোবাজারি, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে চার জুন থানায় হাজিরার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তবে তার আগের রাতেই তিনি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান, তিনি অসুস্থ এবং এই মুহূর্তে হাজিরা দিতে পারবেন না। সূত্রের খবর, অন্তত দুসপ্তাহ সময় চেয়েছেন তিনি। পরে নিজের অবস্থান জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও আইনি সুরক্ষা নেই বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তদন্তের প্রয়োজন হলে পুলিশ যে কোনও সময় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে পারে।অন্যদিকে অরূপের অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শতদ্রু দত্ত। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, সমন পাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাঁর দাবি, চিকিৎসার নথি দেখিয়ে সময় পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু আইনি প্রক্রিয়া এড়ানো যায় না। এতদিন সব স্বাভাবিক ছিল, অথচ সমন আসার পরই অসুস্থতার খবর সামনে এল বলে কটাক্ষ করেন তিনি।মেসি ইভেন্ট ঘিরে এই বিতর্কে রাজনৈতিক মহলও নজর রাখছে। এখন দেখার, অরূপ বিশ্বাস কবে তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন এবং তদন্ত কোন দিকে এগোয়।

জুন ০৪, ২০২৬
রাজ্য

পুলিশ যেতেই খাটের তলায় লুকিয়ে তৃণমূল নেতা! কাটমানি মামলায় গ্রেপ্তার হতেই বিক্ষোভ

আবাস যোজনার উপভোক্তাদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন মাথাভাঙার জোরপাটকি এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা শহিদুল মিঞা। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি পলাতক ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে খাটের তলা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করার সময় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহিদুল মিঞার স্ত্রী জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। অন্যদিকে শহিদুল নিজেও মাথাভাঙা থানার সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকায় তিনি নিজেকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আবাস যোজনার সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে উপভোক্তাদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, দশ হাজার থেকে শুরু করে কুড়ি হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার পর গত পঁচিশ মে এলাকাবাসীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপন করে ছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের।কাটমানির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে সিভিক ভলান্টিয়ারের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এরপর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কিন্তু এতদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার গোপনে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদুল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ পৌঁছনোর খবর পেয়েই তিনি বাড়ির খাটের তলায় লুকিয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে বের করে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, যাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, তাঁদের সমস্ত টাকা দ্রুত ফেরত দিতে হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal