• ৬ কার্তিক ১৪৩৩, সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bowler

খেলার দুনিয়া

লর্ডসের ঐতিহাসিক শতরানের আলোতেও সমুজ্জ্বল বোলার সৌরভের পারফরম্যান্স

লর্ডসে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রাহুল দ্রাবিড়ের। দিনটা ছিল ১৯৯৬ র ২০ জুন। এই টেস্টের কথা উঠলেই মহারাজকীয় শতরানের কথাই সবার আগে মনে আসে। যা এসেছিল ২২ জুন।তবে ২০ জুন বল হাতে কামাল দেখিয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ইংল্যান্ডের তৃতীয় ও চতুর্থ উইকেট পড়েছিল চার রানের ব্যবধানে। দলের ৯৮ রানের মাথায় সৌরভের প্রথম শিকার হন তিন নম্বরে নামা নাসের হুসেন। ১১০ বলে ৩৬ রান করে তিনি ফেরেন বিক্রম রাঠোরের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ১০২ রানে ইংল্যান্ডের চতুর্থ উইকেট পড়ে। ৯ বলে ১ রান করে গ্রেম হিক সৌরভের বলেই জাভাগল শ্রীনাথের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। প্রথম ইনিংসে সৌরভের বোলিং ফিগার ছিল ১৫-২-৪৯-২। বেঙ্কটেশ প্রসাদ পাঁচটি, শ্রীনাথ তিনটি ও সৌরভ ২টি উইকেট পান। পরশ মামব্রে, অনিল কুম্বলে ও সচিন তেন্ডুলকর উইকেট পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসে সৌরভ তুলে নিয়েছিলেন প্রথম ইনিংসে শতরানকারী জ্যাক রাসেলের উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে মহারাজ ৩ ওভারে মাত্র ৫ রানের বিনিময়ে একটি উইকেট পেয়েছিলেন। ফলে লর্ডসের ঐতিহাসিক শতরানের আলোতেও সমুজ্জ্বল বোলার সৌরভের পারফরম্যান্স।

জুন ১৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে?‌ কী বললেন ভুবনেশ্বর

সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ২১১ রান করেও শেষরক্ষা হয়নি। ডেভিড মিলার ও রাসি ভান ডার ডুসেনের দাপটে হারতে হয়েছিল। কটকে সিরিজে সমতা ফেরানোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারত। ঋষভ পন্থের দলের কাছে কাজটা খুব একটা সহজ হবে না।কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্য কিন্তু খারাপ নয়। ২০১৫ সালে এই বরাবটি স্টেডিয়ামেই ভারতকে ৯২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে ভরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বরাবাটি স্টেডিয়ামে ৫ বছর পর টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত। ভারত অবশ্য তাকিয়ে ৭ বছর আগের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে।করোনার জন্য এতদিন ক্লোজড ডোর অনুশীলনই হচ্ছিল। শনিবার কটকের ছবিটা ছিল আলাদা। অনুশীলন দেখতেই গ্যালারি ভর্তি। কটকে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অনুশীলন করছে ভারতীয় দল। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সহ অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়ার ব্যাটিং অনুশীলনে আগ্রাসী মেজাজ, বড় শট খেলা দেখা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ভাল হয়েছে। বোলিংয়ের জন্যই ডুবতে হয়েছিল ভারতকে। সেকথা মাথায় রেখে বোলিং বিভাগে উন্নতির জন্য পরিকল্পনা করছে ভারতীয় শিবির।কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সবথেকে অভিজ্ঞ বোলার ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমাদের কোথায় ভুলত্রুটি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সকলেই আইপিএল খেলে এসেছে এবং এই দলে যারা রয়েছে, প্রত্যেকেই আইপিএলে ভাল খেলেছে। সবাই জানে ম্যাচে কী কী করতে হবে। একটা দিন খারাপ যেতেই পারে। আগের ম্যাচে বোলিং বিভাগের সেটাই হয়েছিল। আমরা সকলেই ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে রয়েছি।ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরাবাটি স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে বোলিং আক্রমণে পরিবর্তন আসে কিনা সেটা দেখার। তবে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় নিজে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চান না। সকলকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে চান। বরাবাটির উইকেটে হাইস্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা। পেসার কমিয়ে স্পিনার রবি বিষ্ণোইকে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্শদীপ সিং বা উমরান মালিকের অভিষেক কটকে হয় কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে প্রথম একাদশে পরিবর্তন না হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২৩ ওভার পর মনে পড়ল!‌ লর্ডসে অভিনব শ্রদ্ধা শেন ওয়ার্নকে

ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ড টেস্টের খেলা তখন ২৩ ওভার শেষ হয়েছে। মাঠের মধ্যেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়লেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে। স্টেডিয়ামের বড় জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটে উঠল শেন ওয়ার্নের ছবি। ২৩ সেকেন্ড ধরে করতালি গোটা স্টেডিয়াম জুড়ে। প্রয়াত কিংবদন্তী স্পিনার শেন ওয়ার্নকে এভাবেই শ্রদ্ধা জানাল লর্ডস।কেন এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল? এই নম্বরটাই ছিল শেন ওয়ার্নের প্রিয়। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে বিগ ব্যাশ, আইপিএল, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সব ধরণের ম্যাচেই ২৩ নম্বর জার্সি গায়ে খেলেছিলেন শেন ওয়ার্ন। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতেই এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল। ওয়ার্নের মৃত্যুর পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে লর্ডসের কমেন্ট্রি বক্সের নাম রাখা হয়েছে তাঁর নামে। ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্টেও এবার ফিরে এল তাঁর স্মৃতি। লর্ডস কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। লর্ডসে চারটি টেস্ট খেলেছেন ওয়ার্ন। তিনটিতে জিতেছেন। একটা ড্র। লর্ডসে ৪ টেস্ট খেলে নিয়েছেন ১৯ উইকেট।শেন ওয়ার্নকে শ্রদ্ধা জানানো হলেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে বিপর্যয়ে নিউজিল্যান্ড। জেমস অ্যান্ডারসন ও ম্যাথু পটের দাপটে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেল মাত্র ১৩২ রানে। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে উইল ইয়ংকে (১) ফেরান জেমস অ্যান্ডারসন। ২ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। টম লাথামকে (১) আউট করেন অ্যান্ডারসনই।৭.১ ওভারে ডেভন কনওয়ে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন দলগত ৭ রানের মাথায়। কনওয়ে ৭ বলে ৩ রান করেন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও ব্যর্থ। ৯.৫ ওভারে দলের ১২ রানের মাথায় তিনি আউট হন ২২ বলে ২ রান করে। এই টেস্টেই অভিষেক হওয়া ম্যাথু পটস টেস্ট কেরিয়ারের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই পেলেন উইলিয়ামসনের উইকেট। প্রথম ঘণ্টায় ১১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কিউদের স্কোর ছিল মাত্র ১২। ১৭.৫ ওভারে ড্যারিল মিচেলকেও ফেরান পটস। মিচেল ৩৫ বল খেলে ১৩ রান করেন। ২৭ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ার পর নিউজিল্যান্ডের ষষ্ঠ উইকেটটি পড়ে ২১.৫ ওভারে ৩৬ রানের মাথায়। পটসের তৃতীয় শিকার টম ব্লান্ডেল। মিচেলের মতো তাঁকেও বোল্ড করেন পটস। ব্লান্ডেল ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ৪৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। কলিন গ্র্যান্ডহোম ও টিম সাউদি কিছুটা রুখে দাঁড়ান। সাউদিকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন অ্যান্ডারসন। আজাজ প্যাটেলকে (৭) ফেরান পটস। ট্রেন্ট বোল্টকে (১৪) তুলে নেন বেন স্টোকস। ৬৬ রানে ৪ উইকেট নেন অ্যান্ডারসন। ১৩ রানে ৪ উইকেট পটসের।

জুন ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গর্বে ভাসছেন সেদিনের অপমানিত কার্তিকেয়র বাবা

একসময় কিটস কেনার সামর্থ ছিল না। সেই ছেলে এখন ক্রিকেটের মহাযজ্ঞের মঞ্চে। পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে চোখে জল ঝাঁসির কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহের চোখে। ছেলের জন্য একসময় ক্রিকেট কিট কেনার টাকাও ছিল না এই কনস্টেবলের। কী ঘটেছিল শ্যামনাথ সিংয়ের সঙ্গে? বছর আষ্টেক আগেকার কথা। ছেলের জন্য ক্রিকেট কিট কিনতে গিয়েছিলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। ক্রিকেটের পুরো কিটস কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না শ্যামনাথের। সেদিন দোকানদারকে শ্যামনাথ বলেছিলেন, কিটসের পুরো টাকা দিতে পারবেন না। নিজের অসামর্থ্যের কথা জানিয়েছিলেন। দোকানদার সটান উত্তর দিয়েছিলেন, পুরো কিটস কেনার সামর্থ্য যখন নেই, তাহলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন শ্যামনাথ দোকানদারকে কোন উত্তর দিতে পারেননি। অর্ধেক কিটস কিনে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ছেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে সুযোগ পাওয়ার ৮ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের হেড কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। চোট পেয়ে চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মহম্মদ আর্শাদ। তাঁর জায়গায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে নিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার কুমার কার্তিকেয় সিংহকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে সুযোগ পাওয়া কার্তিকেয়ার জন্ম ক্রীড়া পরিবারেই। বাবা শ্যামনাথ সিংহ মধ্যপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। তিনি ছিলেন একজন শ্যুটিং খেলোয়াড়। ছেলে কার্তিকেয় বাবার কাছ থেকেই খেলাধূলার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। মধ্যপ্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন কার্তিকেয়। ২০১৮ সালে কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ২০১৯ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলিতে অভিষেক সিকিমের বিরুদ্ধে। মহম্মদ আর্শাদ খান চোট পাওয়ায় তাঁর জায়গায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ঝাঁসি পুলিশের আধিকারিকরা যখন কার্তিকেয়র আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানতে পারেন, তখন পুলিশ ক্যাপ্টেনসহ অন্যান্য অফিসাররা শ্যামনাথকে অভিনন্দন জানান। পুলিশ লাইনে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শ্যামনাথ বলেন, ছেলে যখন ভারতীয় দলের জার্সি পরার সুযোগ পাবে, সেদিন তিনি সবথেকে বেশি খুশি হবেন। ছেলে ফোন করে আমাকে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। ক্যাপ্টেন স্যার, সিও স্যার এবং সমস্ত স্টাফ আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমি জাতীয় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমাকে দেখে ছেলে খেলায় আসে। পড়াশোনাতেও খুব ভাল ছিল। খেলার প্রতি ওর বেশি আগ্রহ দেখে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছিলাম। আমার আত্মীয়রা আমাকে বলেছিল যে আমি ওর ভবিষ্যত নষ্ট করছি। ওকে পুলিশে ভর্তি করাতে পারতাম। কারও কথা শুনিনি। আমার দেওয়া লক্ষ্য থেকে ছেলে পিছিয়ে যায়নি। শ্যামনাথ আরও বলেন, সামনে অনেক বাধা ছিল। ছেলের সব চাহিদা মেটাতে পারিনি। একসময় ছেলে বলত, আর হয়তো খেলতে পারবে না। আমি ওকে হাল ছাড়তে নিষেধ করেছিলাম। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শ্যামনাথ। তিনি জানান, দুই ছেলের জন্য কিটস কিনতে দোকানে গিয়েছিলেন। দুটো কেনার টাকা ছিল না। তখন দোকানদার বলেছিল, শুধু একটি কিটস কিনুন। জিনিসপত্র খুব দামী। টাকা কম থাকার কারণে কিছু জিনিস কমিয়ে নিয়েছিলাম। এ নিয়ে দোকানদার বলেছিলেন, সামর্থ না থাকলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন কিছু বলতে পারিনি। কখনই সম্পূর্ণ কিটস ছেলেকে কিনে দিতে পারেনি।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেথ ওভার বোলিংয়ে বুমরাদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন এই তরুণ জোরে বোলার

ডেথ ওভার বোলিংয়ে দারুণ সুনাম আছে যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। কিন্তু চলতি আইপিএলে তাঁদেরও পেছনে ফেলে দিয়েছেন এক অখ্যাত তরুণ জোরে বোলার। অথচ একসময় পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলেই সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে কানাডায় চলে যেতে। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করে নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে। রাজি হননি তরুণ অর্শদীপ। বাবার পরামর্শ অগ্রাহ্য করে ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথে।ছোট থেকেই ক্রিকেটই ছিল ধ্যানজ্ঞান। বাবা ছেয়েছিলেন ছেলে হকি খেলোয়াড় হোক। কিন্তু অর্শদীপের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখে বাবা আর জোরাজুরি করেননি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে ভাল খেলেও পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ২০০৭ সাল। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন কানাডার ব্র্যাম্পটনে দিদির কাছে চলে যেতে। রাজি হননি অর্শদীপ। বাবার কাছে একবছর সময় চেয়ে নেন। এক বছরের মধ্যে পাঞ্জাবের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অর্শদীপ সিংকে। সুযোগ এসে যায় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলেও। ২০১৮ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপেও দলে ছিলেন। কিন্তু সেভাবে খেলার সুযোগ পাননি। তাংকে বসিয়ে খেলানো হয়েছিল ঈশান পোড়েল, কমলেশ নাগরকোটিদের। আইপিএলে তাঁরাই এখন ডাগ আউটে বসে। আর বাইশ গজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অর্শদীপ সিং।২০১৯ সাল থেকেই পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়ে খেলছেন এই তরুণ জোরে বোলার। ওই বছর খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন। উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ৩টি। পরের বছর ৮ ম্যাচে ৯ উইকেট। তবে গত বছর আইপিএলে রীতিমতো নজর কাড়েন ১২ ম্যাচে তুলে নেন ১৮ উইকেট। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে অর্শদীপকে ধরে রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছেন।চলতি আইপিএলে ডেথ ওভারের বোলিংয়ে কৃপনতার দিক দিয়ে তারকা বোলারদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন অর্শদীপ সিং। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ পর্যন্ত ডেথ ওভারে তাঁর ইকনমি ৫.৬৬। অর্শদীপ ডেথ ওভারের বোলিংয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন সুনীল নারাইন, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। ডেথ ওভারে সুনীল নারাইনের ইকনমি ৬.০০। অন্যদিকে ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ যশপ্রীত বুমরার ইকনমি ৮.১৬। মহম্মদ সামির ৮.৪০, ভুবনেশ্বর কুমারের ৮.৫০। শেষ ৪ ওভারে ৩০ বল করার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে অর্শদীপ সিংই সেরা।সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ডেথ ওভারে তাঁরই বোলিংই পাঞ্জাব কিংসের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। চেন্নাই ইনিংসের ১৭তম ওভারে অর্শদীপের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর ওই ওভারে তাঁর ওই ওভারে মাত্র ৭ রান তুলতে সক্ষম হয় চেন্নাই। ১৯ তম ওভারেও ৭ রান দেন অর্শদীপ। অর্থাৎ ২ ওভারে মাত্র ১৪ রান। এতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। মহেন্দ্র সিং ধোনি, রবীন্দ্র জাদেজার মতো ফিনিশাররাও জ্বলে উঠতে পারেননি অর্শদীপের বোলিংয়ের সামনে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন ওয়ার্ন, মত সৌরাশিস লাহিড়ীর

মাত্র ৫২ বছর বয়স। এই বয়সেই মারা যাবেন ক্রিকেটের কিংবদন্তী! না, শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব স্তম্ভিত, শোকাহত। শোকাহত বললে কম বলা হয়। রীতিমতো বাক্যহারা হয়ে পড়েছেন সকলে।শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মানতে পারছেন না বাংলার প্রাক্তন স্পিনার তথা বর্তমান বাংলা সিনিয়র দলের সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী। কটক থেকে ফোনে সৌরাশিস জনতার কথার প্রতিনিধিকে বলেন, ওয়ার্নের মৃত্যুর খবর শুনে আমার হাতপা থরথর করে কাঁপছিল। বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। এত কম বয়সে চলে যাবেন, ভাবতেই পারছি না। সত্যিই অবিশ্বাস্য। গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়ে গেল।শেন ওয়ার্নের সঙ্গে কখনও সামনা সামনি মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়নি সৌরাশিস লাহিড়ীর। তবে ওয়ার্নের বোলিং দেখে বড় হয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন স্পিনার। একসময় ওয়ার্নের স্পিনে মোহিত হয়ে থাকতেন বলে জানান সৌরাশিস। তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের কাছে স্বপ্নের নায়ক। ওর বোলিংয়ে মোহিত ছিলাম। কখনও সাক্ষাৎ হয়নি। কিন্তু ওয়ার্নকে দেখেই বড় হয়েছি। আমি তো ওকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্পিনার হিসেবে মনে করি। শুধু দুর্দান্ত বোলারই ছিলেন না, বর্ণময় চরিত্রও ছিলেন। ওয়ার্নের হাত থেকে এমন কিছু বল বেরিয়েছে, ক্রিকেট যতদিন থাকবে, সেই বলগুলোর কথাও ততদিন থেকে যাবে।সৌরাশিস আরও মনে করেন, স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পার্ট হতে পারে, সেটা শেন ওয়ার্নই দেখিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন। স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের দুর্দান্ত পার্ট হতে পারে, তাঁর মতো অন্য কেউ তুলে ধরতে পারেননি। বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা স্পিনার হিসেবে আমি ওয়ার্নকেই বেছে নেব। অধিনায়ক হওয়ার মতো সমস্ত গুনও ওয়ার্নের মধ্যে ছিল বলে মনে করেন সৌরাশিস। তিনি বলেন, দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সব গুনই ছিল ওয়ার্নের মধ্যে। কিন্তু স্টিভ ওয়া ও রিকি পন্টিংয়ের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকায় দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ হয়নি।ওয়ার্নের ক্রিকেট ধারাভাষ্যেও মুগ্ধ সৌরাশিস। তিনি বলেন, এত সুন্দর বিশ্লেষণ করতে খুব কম ধারাভাষ্যকারকেই দেখেছি। এককথায় অসাধারণ। আর বৈচিত্রময় চরিত্রর দিক দিয়ে ইমরান খান, ইয়ান বথামদের পাশেই শেন ওয়ার্নকে রাখব। সত্যি কথা বলতে কী, ওর মৃত্যু ক্রিকেট বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু স্পিনের যাদুকরের, বাহান্নতেই থেমে গেলো জীবন

থেমে গেলো স্পিনের যাদুকরের হাত, তাঁর আঙ্গুলের ছোঁয়া পেয়ে আর লাল বলটা বনবন করে ঘুড়বে না সবুজ গালিচায়। মাত্র ৫২ বছর বয়সে থেমে গেলো মহান ক্রিকেট শিল্পী-র জীবন। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকা স্পিনার মৃত্যুর সময় তাইল্যান্ডে তাঁর নিজ বাসভবনে ছিলেন।শ্যেন ওয়ার্নের সংস্থা শনিবার বিবৃতি দিয়ে এই মর্মান্তিক খবর জানায়। তারা এই বিবৃতিতে জানায়, শ্যেন তাইল্যান্ডে প্রয়াত হয়েছেন এবং তাঁর নিজস্ব বাংলোতে এই মহান ক্রিকেটারকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের সমস্ত রকম চেষ্টা স্বত্তেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। তাঁর পরিবার এই সময়ে গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।Sad to hear the news that Rod Marsh has passed. He was a legend of our great game an inspiration to so many young boys girls. Rod cared deeply about cricket gave so much-especially to Australia England players. Sending lots lots of love to Ros the family. RIP mate❤️ Shane Warne (@ShaneWarne) March 4, 2022শনিবার ভারতীয় সময় ৭:২৩ মিনিটে, মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রাক্তন ক্রিকেটার রডনি মার্শের প্রয়াণে টুইট করেছিলেন শ্যেন। রডনি মার্শ বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। সেই শোকবার্তায় শ্যেন ওয়ার্ন লিখেছিলেন, রড মার্শ প্রয়াত হওয়ার খবর শুনে খুবই খারাপ লাগছে। উনি ক্রিকেটেরএক কিংবদন্তি ছিলেন। বহু উদীয়মান ক্রিকেটারের অনুপ্রেরণা ছিলেন। রড ক্রিকেট ভালোবাসতেন। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। ওঁর পরিবারকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাই।১৩ সেপ্টেম্বর ১৬৬৯ আপার ফার্নট্রি গলি, ভিক্টোরিয়াতে শ্যেন ওয়ার্ন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৪৫টি টেস্টে ৭০৮টি উইকেট সংগ্রহ করেন। শ্রীলঙ্কার মুথাইয়া মুরলিধরনের (৮০০) পর তিনি দ্বিতীয় সর্ব্বচ্চ উইকেট সংগ্রাহক।বর্তমানে শ্যেন তাঁর তাইল্যান্ডের নিজের বাংলোতে বসবাস করছিলেন। নিজের বাসস্থানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ভারতে আইপিএল-এর প্রথম সংস্করনে বিজয়ী দল রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক ছিলেন শেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারত

জোহানেসবার্গে সিরিজ জিতে কি ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? প্রথম ইনিংসে লোকেশ রাহুলরা ২০২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দিনে শার্দূল ঠাকুরের হাত ধরে দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত। জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল। তুলে নিলেন ৬১ রানে ৭ উইকেট। ভারতের ২০২ রানে জবাবে ২২৯ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৭ রানের বেশি লিড পেল না প্রোটিয়ারা।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগআগের দিনের ১ উইকেটে ৩৫ রানে হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম বল থেকেই দারুণ সতর্ক ছিলেন ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। যশপ্রীত বুমরার বলে এলগারকে একবার আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এলগার রিভিউ নিয়ে যে যাত্রায় বেঁচে যান। তার পরেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরারা সুবিধা করতে না পারায় শার্দূল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন লোকেশ রাহুল। এলগারকে (২৮) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনপ্রথম দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগেই ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটেছিল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেই একই অবস্থা। শার্দূল ঠাকুরের ধাক্কায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। উইকেটে জমে যাওয়া কিগান পিটারসেন (৬২) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন শার্দুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তেম্বা বাভুমা ও কাইল ভেরেইন। জুটিতে ওঠে ৬০। জুটি ভাঙতে সেই শার্দূলের দ্বারস্থ হন লোকেশ রাহুল। অধিনায়ককে হতাশ করেননি শার্দূল। ভেরেইনকে (২১) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। এক ওভার পরেই তুলে নেন বাভুমাকে (৫১)। এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পরই বড় ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষদিকে মার্কো জানসেন (২১) ও কেশব মহারাজের (২১) সৌজন্যে ২২৯ রানে পৌঁছয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬১ রানে ৭ উইকেট নেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে এদিন একাই ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল ঠাকুর। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিসবেনে ৬১ রানে ৪ উইকেট নেওয়াটা ছিল টেস্ট জীবনের সেরা বোলিং। ওই টেস্টে দুইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন শার্দূল। ব্রিসবেনে ভারত টেস্ট জিতেছিল। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাটিংয়েও দারুণ অবদান রেখেছিলেন। জোহানেসবার্গ টেস্টে তাঁর খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর পরিবর্তে উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভেবেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত শার্দূলেই আস্থা রাখে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ২ উইকেটে ৮৫। লোকেশ রাহুল ৮ রান করে মার্কো জানসেনের বলে আউট হন। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ২৩ রান করে আউট হন। চেতেশ্বর পুজারা ৩৫ ও অজিঙ্কা রাহানে ১১ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL : মাঝপথে আইপিএল ছেড়ে পালানোর কেমন শাস্তি পেলেন জাম্পারা?‌

এবছর আইপিএল চলাকালীন বিদেশি নিয়ে বারবার ধাক্কা খেলে হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে। স্থগিত ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে আবার ধাক্কা খেলেন বিরাট কোহলিরা। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএল থেকে এবার সরে দাঁড়ালেন কোচ সাইমন কাটিচ। তাঁর জায়গায় কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট মাইক হেসন। এছাড়া তিনজন নতুন বিদেশি ক্রিকেটারও নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআইপিএলের বাকি ম্যাচগুলিতে বেঙ্গালুরু একঝাঁক ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কিছু নতুন মুখকে নিয়ে আসতে বাধ্য হল। অস্ট্রেলিয়ার তিনজন ক্রিকেটার থাকছেন না। দেশের হয়ে খেলবেন বলে পাওয়া যাবে না নিউজিল্যান্ডের দুই ক্রিকেটারকেও। তাই আইপিএলের দরজা খুলে গেল শ্রীলঙ্কার দুজন ও সিঙ্গাপুরের এক ক্রিকেটারের।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?করোনা আতঙ্কে আইপিএলের মাঝপথে দেশে ফিরে জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তাঁর আচরণে সন্তুষ্ট নয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলল। জাম্পার পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে ভালো পারফরম্যান্সের সুবাদেই খুলল আইপিএলের দরজা। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেন। টি ২০ সিরিজে তিন ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে শেষ দুটি টি ২০ ম্যাচে মূল্যবান রান যোগ করেছিলেন। এবার তিনি আইপিএলের মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাবেন।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াঅস্ট্রেলিয়ার ড্যানিয়েল স্যামসের পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার পেসার দুষ্মন্ত চামিরাকে দলে নিয়েছে আরসিবি। চামিরা ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে দুটি এবং টি ২০ সিরিজে চারটি উইকেট পেয়েছিলেন। সতীর্থ হাসারাঙ্গার সঙ্গে চামিরা বিরাটদের দলে ঢোকায় শ্রীলঙ্কার এই দুই ক্রিকেটারের টি ২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও ভালোভাবেই হতে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ার কেন রিচার্ডসনকেও পাচ্ছে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন ও স্কট কুগলেইজনও থাকছেন না। নিউজিল্যান্ড দলের হয়ে তাঁদের খেলা রয়েছে আইপিএলের মধ্যেই। তাঁরা দেশের হয়েই খেলবেন। এই পরিস্থিতিতে সুযোগ পেলেন সিঙ্গাপুরের অলরাউন্ডার টিম ডেভিড। টিম ডেভিড পাকিস্তান সুপার লিগ, বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-সহ বিভিন্ন দেশে টি ২০ লিগে খেলেন। দ্য হান্ড্রেডে সাদার্ন ব্রেভ দলেও রয়েছেন। চলতি মাসে রয়্যাল লন্ডন কাপে সারের হয়ে দুটি শতরানও করেছেন।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohammad Siraj : বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ

ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজের লড়াইয়ের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ভারতবর্ষ শাসন করছিল, বাংলার নবাব সিরাজউদদৌল্লাকে সহজে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারেননি। তিনিই ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। সিরাজউদদৌল্লাকে বাগে আনতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হেরে বশত্যা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন বাংলার নবাব।আরও পড়ুনঃ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসিবাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে বশে নিয়ে এলেও লর্ডসে অবশ্য মহম্মদ সিরাজকে বাগে নিয়ে আসতে পারেনি ইংরেজরা। লর্ডস যুদ্ধে বরং সিরাজেরই দাপট। কেন দাপট থাকবে না? এই যুদ্ধে মীর্জাফরের মতো তো কেউ ছিলেন না মহম্মদ সিরাজের সঙ্গে। বরং পাশে পেয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মার মতো সতীর্থদের। যাঁদের ভুমিকা ছিল মীর মদনের মতোই। ভারতের লর্ডস অভিযানের সাফল্যের পেছনে মহম্মদ সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে মহম্মদ সিরাজের ধাক্কাতেই শুরুতে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। পরপর দুবলে ডম সিবলে ও হাসিব হামিদকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিল। রুট ও বেয়ারস্টোর ১২১ রানের পার্টনারশিপ ভেঙে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সিরাজই। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ৯৪ রানে ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জ্বলে ওঠেন সিরাজ ৩২ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জস বাটলার ও মঈন আলির জুটি গড়ে উঠছিল। এই জুটি ভাঙতে না পারলে ভারতের জয় কঠিন হয়ে যেত। মঈন ও বাটলার, দুজনকেই তুলে নেন সিরাজ। সুতরাং লর্ডস জয়ে সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। নবাব সিরাজউদদৌল্লা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হেরে গেলেও বাইশ গজের অন্য যু্দ্ধে এই প্রজন্মের সিরাজের কাছে পরাভূত ইংরেজরা।আরও পড়ুনঃ ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু...রু...ফু...রু..শব্দ, শুরু কলকাতা লিগলর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ বেলায় মহম্মদ সিরাজ যে ফাস্ট বোলিংটা করেন, তাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। কীভাবে এই হায়দরাবাদি জোরে বোলার উঠে এসেছেন, দেখে নেওয়া যাক। অস্ট্রেলিয়া সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেও ভারতীয় টেস্ট দলে জায়গা পাকা করতে পারছিলেন না মহম্মদ সিরাজ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাননি হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার। তবে ইংল্যান্ডে সফরের প্রথম ম্যাচেই টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে সুযোগ পান সিরাজ। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি তিন উইকেট নিয়েছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারকে লর্ডসে আরও একটা সুযোগ দেন কোহলি। যা হাতছাড়া করতে চাননি সিরাজ। মোট আট উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। যিনি হায়দরাবাদের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৮১টি উইকেট নিয়েছেন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ৪৫টি উইকেট নেওয়া সিরাজকে চিনতে ভুল করেননি নির্বাচক। তবে বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর চলতি সিরিজে অন্তত সিরাজের জায়গা টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে পাকা বলে ধরে নেওয়া যায়। সিরিজ জুড়ে ফর্মের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী দিনেও যে তিনি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য হতে চলেছেন, তা মেনে নিচ্ছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২০১৭ সালে ভারতীয় দলে প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। যদিও টি২০ এবং ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। দেশের হয়ে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৭ উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দলের জার্সিতে একটি ওয়ান ডে ও তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলে মোট তিনটি উইকেট নিয়েছেন হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার।

আগস্ট ১৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

জেল থেকে ফিরেই হুমকির অভিযোগ! আমোদপুরে তৃণমূল নেতাকে দড়ি বেঁধে ঘোরালেন স্থানীয়রা

বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার আমোদপুরে এক তৃণমূল নেতাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। জামিনে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফের বিভিন্ন জনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর পর পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। অভিযুক্তের নাম তাহিরুল শেখ। তিনি সাঁইথিয়া ব্লকের ভ্রমরকোল অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি। ঘটনার খবর পেয়ে আমোদপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।ঘটনার সূত্রপাত সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের দিন। অভিযোগ, ওই দিন ভ্রমরকোল অঞ্চলের ৬৮ নম্বর বুথে বিজেপির নির্বাচিত বিধায়ক দেবাশিস ওঝার ছেলে, নির্বাচনী এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডলসহ বিজেপির কয়েকজন নেতাকে মারধর করা হয়েছিল। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা তাহিরুল শেখের নাম জড়ায়। বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। প্রায় দুমাস আগে জামিনে মুক্তি পান তিনি।বিজেপির অভিযোগ, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ফের দলের কর্মীদের হুমকি দিতে শুরু করেন তাহিরুল। রবিবার বেলার দিকে তিনি আমোদপুর লাগোয়া ঈশ্বরপুর গ্রামে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রশান্ত সাধুর বাড়িতে যান। সেই খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ তাঁকে ধরে কোমরে দড়ি বেঁধে আমোদপুর বাজার এলাকায় ঘোরান। পরে তাঁকে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির হাতে তুলে দেওয়া হয়।বিজেপির ভ্রমরকোল মণ্ডল সভাপতি সুদীপ ঘোষের দাবি, ভোটের দিন তাহিরুলের নেতৃত্বে তাঁদের দলের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়েছিল। তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলারও চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, জামিনে মুক্তির পর ফের বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই খবর পেয়েই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাঁরা তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ ইউনুসের বক্তব্য, বিজেপি অনেক জায়গাতেই পুলিশের মদতে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের হেনস্থা করছে। তবে আমোদপুরের এই নির্দিষ্ট ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি উদয় শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোটের দিন বিজেপি নেতাদের মাথা ফাটানোর অভিযোগের জেরেই তাহিরুল জনরোষের মুখে পড়েছেন। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত নেতার কঠোর শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন। আমোদপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এবং ঘটনার নেপথ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

রং-তুলিতে সমাজের মুখ আঁকা থামল! প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী, বয়স ৮৭

ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে ১৪ মাসের লড়াই, সঙ্গে মূত্রনালির সংক্রমণকলকাতার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস শিল্পীর। চিত্রকলার পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও রেখেছিলেন স্বতন্ত্র ছাপ।বাংলার শিল্পজগতে নেমে এল শোকের ছায়া। প্রয়াত প্রখ্যাত চিত্রকর যোগেন চৌধুরী। রবিবার সকালে কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বিরল ধরনের ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন এই বিশিষ্ট শিল্পী। তার উপর মূত্রনালির সংক্রমণ এবং শারীরিক নানা জটিলতা ক্রমশ তাঁর অবস্থাকে সংকটজনক করে তোলে। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৪ মাস ধরে মাইলোপ্রোলিফেরেটিভ নিওপ্লাজম নামে এক ধরনের রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। চলছিল কেমোথেরাপিও। শারীরিক অসুস্থতা বাড়তে থাকায় দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে তাঁর অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। সংক্রমণের কারণে সেপসিসের উপসর্গ দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। চিকিৎসকদের সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানেন বর্ষীয়ান শিল্পী।ফরিদপুর থেকে কলকাতা, শিল্পী হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রা১৯৩৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরের দাহারপাড়া গ্রামে জন্ম যোগেন চৌধুরীর। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। পরিবারের পরিবেশও তাঁর শিল্পীসত্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর মা সুন্দর আল্পনা আঁকতেন। মায়ের সেই শিল্পচর্চা ছোট্ট যোগেনের মনে ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ তৈরি করেছিল।দেশভাগের সময় পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে আসেন তিনি। এই শহরেই শুরু হয় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পশিক্ষা। কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফ্টে পড়াশোনা করেন তিনি। শিল্পশিক্ষা শেষ করে হাওড়া জেলা স্কুলে অঙ্কন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পরে ১৯৬২ সালে কলকাতার হ্যান্ডলুম বোর্ডে ডিজাইনার হিসেবে যোগ দেন। শিল্পচর্চার পাশাপাশি পেশাগত জীবনেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি।উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯৬৫ সালে প্যারিসে পাড়ি দেন যোগেন চৌধুরী। ইউরোপীয় শিল্পধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয় সেই সময়। ভারতীয় শিল্পের ঐতিহ্য এবং পাশ্চাত্যের আধুনিক শিল্পভাবনার সংমিশ্রণ তাঁর কাজকে স্বতন্ত্র মাত্রা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের আর্ট গ্যালারির কিউরেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।ব্যঙ্গ, সমাজ ও রাজনীতিক্যানভাসে ধরা পড়ত সময়ের ছবিযোগেন চৌধুরীর শিল্পকর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সমাজ ও রাজনীতির নানা অসংগতি তুলে ধরার ক্ষমতা। তাঁর ছবিতে কেবল রং, রেখা কিংবা অবয়বের প্রকাশ ঘটত না; ফুটে উঠত সমকালীন সমাজের নানা প্রশ্ন, দ্বন্দ্ব ও বাস্তবতা। ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি সমাজের অসংগতিগুলিকে শিল্পের ভাষায় প্রকাশ করতেন। সেই স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে ভারতীয় চিত্রকলার জগতে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।ভারতীয় ঐতিহ্য এবং ইউরোপীয় আধুনিক শিল্প আন্দোলনের প্রভাব তাঁর কাজে লক্ষ করা যায়। তবে প্রভাবের মধ্যেও নিজস্ব শিল্পভাষা নির্মাণ করেছিলেন তিনি। তাঁর সৃষ্টিতে মানুষের অবয়ব, অভিব্যক্তি এবং সামাজিক বাস্তবতা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশ-বিদেশে তাঁর শিল্পকর্ম প্রশংসিত হয়েছে এবং বিভিন্ন সম্মানেও ভূষিত হয়েছেন তিনি।দুর্গাপুজোর শিল্পভাবনাতেও ছিল তাঁর ছোঁয়াক্যানভাসের বাইরেও বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। বিভিন্ন সময়ে একাধিক দুর্গাপুজোর থিম এবং প্রতিমা-ভাবনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে বেহালা নূতন দল দুর্গাপুজোর প্রতিমার স্কেচ তৈরি করেছিলেন এই শিল্পী। পরের বছর ঠাকুরপুকুর স্টেট ব্যাঙ্ক পার্ক সর্বজনীনের দুর্গাপ্রতিমার চালচিত্রের নকশাতেও তাঁর শিল্পভাবনার প্রতিফলন ঘটেছিল।বাংলার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে শিল্পের যে বিস্তৃত পরিসর তৈরি হয়েছে, সেখানে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। প্রথাগত শিল্পচর্চা থেকে জনপরিসরের শিল্পবিভিন্ন ক্ষেত্রেই নিজের সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছিলেন তিনি।শিল্পের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেওচিত্রকর হিসেবে পরিচিতির পাশাপাশি সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনও ছিল যোগেন চৌধুরীর। ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। ২০২০ সাল পর্যন্ত সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প ও সংস্কৃতির জগতের সঙ্গে যুক্ত একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সংসদীয় রাজনীতিতে উপস্থিতি তাঁকে অন্য পরিচিতিও দিয়েছিল।তবে তাঁর দীর্ঘ জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে থাকবে শিল্পচর্চা। রং, রেখা ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজকে দেখার যে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তিনি তৈরি করেছিলেন, তা ভারতীয় আধুনিক চিত্রকলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।যোগেন চৌধুরীর প্রয়াণে হারালেন বাংলা তথা ভারতের শিল্পজগতের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর সৃষ্টি, শিল্পভাবনা এবং সমাজকে দেখার স্বতন্ত্র দৃষ্টিভঙ্গি আগামী দিনেও শিল্পপ্রেমীদের কাছে প্রাসঙ্গিক থাকবে। মানুষটি চলে গেলেন, কিন্তু ক্যানভাসে রেখে গেলেন সময়, সমাজ ও মানুষের বহু না-বলা কথার চিহ্ন।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
দেশ

হস্টেলে আত্মহত্যা রুখতে বিশেষ ফ্যান! অতিরিক্ত ওজন পড়লেই খুলে যাবে, বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন

সুরাট: পড়ুয়াদের নিরাপত্তায় অভিনব উদ্যোগ বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়েরছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্টেলের ঘরে বিশেষ প্রযুক্তির সিলিং ফ্যান বসাল গুজরাটের সুরাটের বীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় (Veer Narmad South Gujarat University)। আত্মহত্যার ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি এই বিশেষ ফ্যানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একটি স্প্রিং মেকানিজম। ফ্যানে অতিরিক্ত ওজন পড়লে সেটি খুলে নীচে নেমে আসবে এবং একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ফলে ফ্যানকে আত্মহত্যার কাজে ব্যবহার করা কঠিন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলগুলিতে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ সিলিং ফ্যানের পরিবর্তে বিশেষ ব্যবস্থাযুক্ত এই ফ্যান ব্যবহারের মূল লক্ষ্য হল, কোনও পড়ুয়া চরম মানসিক সংকটের মুহূর্তে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে সেই ঝুঁকি কমানো।বিশেষ স্প্রিং ব্যবস্থার কারণে নির্দিষ্ট সীমার বেশি ওজন পড়লে ফ্যানটি তার মাউন্টিং ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি। এর ফলে বিদ্যুৎ সংযোগও বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। তবে এই প্রযুক্তি কতটা কার্যকর, তা নির্ভর করবে যন্ত্রটির নকশা, নির্ধারিত ওজনসীমা এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের উপর।#WATCH | Surat, Gujarat | Veer Narmad South Gujarat University installs anti-suicide ceiling fans, with special spring mechanism, in hostels, designed to detach under excessive weight and cut off the power supply. https://t.co/1GM7E91n3K ANI (@ANI) October 24, 2026শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পড়াশোনার চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ কিংবা ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে অনেক পড়ুয়াই মানসিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যান। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা, কাউন্সেলিং এবং সময়মতো সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থাও জরুরি।বিশেষ ফ্যান বসানোর এই উদ্যোগ হস্টেলের নিরাপত্তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি বিকল্প প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ। তবে আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু পরিকাঠামোগত ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়পড়ুয়াদের পাশে থাকা, তাঁদের সমস্যার কথা শোনা এবং প্রয়োজনে দ্রুত পেশাদার সহায়তা পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে ‘অর্ণব’! বুধবার কোথায় আছড়ে পড়বে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়? বাংলায় কোথায় কতটা বৃষ্টি?

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। অভিমুখ বদলে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে মঙ্গলবার তীব্র এবং বুধবার অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে সেটি। অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলার উপকূলেও বাড়ছে সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি এবং সমুদ্রে প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা। পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ইতিমধ্যেই শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করেছে। আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী, রবিবারের মধ্যে সেটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর পর অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকলে সোমবার সকালের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে অর্ণব।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটির গতিপথে পরিবর্তন আসতে পারে। প্রথমে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগোলেও পরে সেটি বাঁক নিয়ে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সমুদ্রের উপর দিয়ে এগোনোর সময় ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে বুধবারের মধ্যে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে সেটি। ফলে আগামী কয়েক দিন বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার উপর বিশেষ নজর রাখছেন আবহবিদেরা।কোথায় রয়েছে নিম্নচাপ? কোন দিকে এগোচ্ছে?আবহাওয়া দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ নিম্নচাপটির অবস্থান ছিল আন্দামানের শ্রীবিজয়পুরম থেকে প্রায় ৪৭০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর পশ্চিমে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এর দূরত্ব ছিল প্রায় ৮৬০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে। কাকিনাড়া থেকে প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে, মছলিপত্তনম থেকে ১,০৬০ কিলোমিটার পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে প্রায় ১,১৩০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থান করছিল নিম্নচাপটি।প্রাথমিক ভাবে ঘণ্টায় প্রায় ৮ কিলোমিটার গতিতে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এগোচ্ছিল সেটি। রবিবার দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হওয়ার পর পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর গতিপথ বদলে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগোনোর সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পর মঙ্গলবারের মধ্যে তা তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিতে পারে। পরে আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।বুধবার কোথায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়?সম্ভাব্য গতিপথের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় অঞ্চলে বুধবার দুপুর নাগাদ স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার হতে পারে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ বেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।তবে ঘূর্ণিঝড়ের নির্দিষ্ট গতিপথ, তীব্রতা এবং স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় আবহাওয়ার পরবর্তী পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে। তাই চূড়ান্ত ল্যান্ডফলের স্থান ও সময় সম্পর্কে পরবর্তী সরকারি বুলেটিনের দিকে নজর রাখা জরুরি।উত্তাল সমুদ্র, মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কতানিম্নচাপের প্রভাবে ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ অংশে আবহাওয়ার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রবিবার থেকেই সমুদ্রে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বাড়তে পারে। সোমবার ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। মঙ্গলবার তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তা ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার হতে পারে। বুধবার অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের সময় হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার বেগ ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছনোর আশঙ্কা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলেও মঙ্গলবার থেকে সতর্কতা জারি থাকার কথা জানানো হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাঁরা ইতিমধ্যে মাছ ধরতে গিয়েছেন, তাঁদের মঙ্গলবারের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৫৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া ও বাঁকুড়াতেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।কলকাতা, হাওড়া ও হুগলিতে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্য দিকে, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, উপকূলবর্তী জেলাগুলির পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের অভ্যন্তরীণ জেলাগুলিতেও ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ সমান হবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী সতর্কতার মাত্রা বদলাতে পারে।উত্তরবঙ্গেও কি বাড়বে বৃষ্টি?ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন দুই বঙ্গেই তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তার পর তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।কলকাতার তাপমাত্রা কত?রবিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৪ ডিগ্রি বেশি। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৫ ডিগ্রি কম।সব মিলিয়ে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের পরবর্তী গতিপ্রকৃতিই এখন আবহাওয়াবিদদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা থাকলেও বাংলার উপকূলেও সতর্কতা প্রয়োজন। বিশেষ করে মৎস্যজীবীদের সরকারি নির্দেশ মেনে চলা এবং উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখা জরুরি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৩০০তম ম্যাচেই ইতিহাস ভারতের! আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০০ জয়ের বিশ্বরেকর্ড, জোড়া মাইলফলকে উজ্জ্বল টিম ইন্ডিয়া

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আরও একবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারতীয় ক্রিকেট দল। ৩০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নেমেই জোড়া মাইলফলক স্পর্শ করল টিম ইন্ডিয়া। একদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে ৩০০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার নজির, অন্যদিকে প্রথম দল হিসেবে ২০০টি ম্যাচ জয়ের ঐতিহাসিক কৃতিত্ব। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই দুই সাফল্য ভারতীয় ক্রিকেটের মুকুটে নতুন পালক যোগ করল।শনিবারের ম্যাচটি ভারতের কাছে শুধুমাত্র সিরিজের আর একটি লড়াই ছিল না, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে নিজেদের জায়গা আরও শক্তিশালী করে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষও ছিল। টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতে জয় তুলে নেয় ভারত। ফলে মাঠের লড়াইয়ে সাফল্যের পাশাপাশি রেকর্ডের পাতাতেও স্মরণীয় হয়ে থাকল এই ম্যাচ।৩০০টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, তালিকায় দ্বিতীয় ভারতছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে ভারত। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচটি ছিল এই ফরম্যাটে ভারতীয় দলের ৩০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এর ফলে বিশ্বের দ্বিতীয় দল হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত।এই তালিকায় এখনও শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান। প্রতিবেশী দেশটি এখনও পর্যন্ত ৩০৪টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে। অর্থাৎ, ম্যাচ খেলার সংখ্যার বিচারে পাকিস্তানের থেকে মাত্র চারটি ম্যাচ পিছিয়ে রয়েছে ভারত। অন্যদিকে, শনিবারের ম্যাচের পর নিউ জ়িল্যান্ডের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬৯।পরিসংখ্যান বলছে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারত কতটা ধারাবাহিকভাবে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ফরম্যাটে নিয়মিত অংশগ্রহণের পাশাপাশি সাফল্যের নিরিখেও ভারতীয় দল যে অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, তা স্পষ্ট হয়েছে তাদের জয়ের পরিসংখ্যানে।২০০ জয়ের নজির গড়ে বিশ্বের এক নম্বর ভারত৩০০তম ম্যাচে ভারতের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি নিঃসন্দেহে ২০০তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি জয়। এই কৃতিত্ব অর্জন করে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে নজির গড়ল ভারত। অর্থাৎ, শুধু ম্যাচ খেলার সংখ্যাতেই নয়, জয় তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস তৈরি করল টিম ইন্ডিয়া।জয়ের পরিসংখ্যানে ভারতের ধারেকাছে আপাতত রয়েছে পাকিস্তান। তারা এখনও পর্যন্ত ১৭৬টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয় পেয়েছে। তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা নিউ জ়িল্যান্ডের জয়ের সংখ্যা ১৩৫। ফলে এই পরিসংখ্যানে ভারতের সঙ্গে অন্য দলগুলির ব্যবধান যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।এই সাফল্য ভারতীয় দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেরই প্রতিফলন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুত রান তোলা, চাপের মুখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা ভারতকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।চলতি বছরেও সাফল্যের ধারায় টিম ইন্ডিয়াআন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে চলতি বছরেও ভারতের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩৭টি ম্যাচ খেলে ২৫টিতে জয় পেয়েছে ভারতীয় দল। ব্যস্ত ক্রিকেট সূচির মধ্যেও এই জয়ের হার দলের ধারাবাহিকতার পরিচয় বহন করছে।অন্যদিকে, পরাজয়ের সংখ্যার নিরিখেও ভারতের রেকর্ড উল্লেখযোগ্য। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৮৩টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হারতে হয়েছে ভারতকে। এই বিভাগে ভারতের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে একাধিক শক্তিশালী ক্রিকেট খেলিয়ে দেশ।ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া, দুই দলই ৯২টি করে ম্যাচে পরাজিত হয়েছে। ফলে এই তালিকায় তারা যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয়ের সংখ্যা ১০১।রেকর্ডের সঙ্গে শেষ বল পর্যন্ত লড়াইনজির গড়ার ম্যাচে ভারতীয় দলের জয়ও এসেছে যথেষ্ট লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে। নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর এক বল বাকি থাকতে জয় নিশ্চিত করে ভারত। ফলে ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা বজায় ছিল।আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা এবং ২০০ জয়ের সাফল্যদুইয়ের মেলবন্ধন ভারতীয় ক্রিকেটের শক্তির পরিচয় দিচ্ছে। এই ফরম্যাটে বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে ২০০ জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করা নিঃসন্দেহে বড় কৃতিত্ব।সব মিলিয়ে, নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ভারতের কাছে হয়ে থাকল দ্বিগুণ আনন্দের উপলক্ষ। একদিকে মাঠে জয়, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়। পরিসংখ্যানের নিরিখে ভারত যে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম প্রধান শক্তি, ৩০০তম ম্যাচে ২০০ জয়ের নজির সেই দাবিকেই আরও জোরালো করল।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটিতে ইতি! সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বতের

২০২৭ সালের দুর্গাপুজো থেকে বদলাতে চলেছে সরকারি হাসপাতালের ছুটির রীতি। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত বিশেষ রোস্টার, অর্ধেক থাকবেন অ-চিকিৎসক কর্মী। চিকিৎসক ও নার্সদের থাকতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিউটিতে।কলকাতা: দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটি বা ছুটি-ছুটি মেজাজের দিন শেষ হতে চলেছে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে চলে আসা দীর্ঘদিনের এক অলিখিত রীতিতে এবার ইতি টানার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আগামী বছর থেকে পুজোর ছুটিতে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো জরুরি ক্ষেত্রে দীর্ঘ ছুটির প্রচলিত ধারণা বদলানোই সরকারের লক্ষ্য।শুক্রবার, বিজয়া দশমীর পর দ্বাদশীর দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অন্যান্য সরকারি দফতরের সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের কাজের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরকারি অফিসে ছুটির প্রভাব এক রকম হলেও হাসপাতালের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে রোগীর চিকিৎসা, জরুরি বিভাগ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা কোনওভাবেই বন্ধ রাখা যায় না। তাই পুজোর সময়েও পর্যাপ্ত কর্মী নিয়ে হাসপাতাল চালু রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ১৯৪৭ সালের পর থেকে রাজ্যে কার্যত একটি অলিখিত রীতি চলে আসছিল। ষষ্ঠী থেকেই সরকারি দফতরগুলিতে পুজোর আবহে কাজের গতি কমে যেত, আর সেই ছুটির রেশ চলত লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত। কিন্তু হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এই দীর্ঘ ছুটি-ছুটি ভাব আর বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটি নেওয়ার প্রচলিত রেওয়াজ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।আগামী বছর থেকে কী নিয়ম চালু হবে?স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের দুর্গাপুজো থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীএই চার দিনের জন্য বিশেষ ডিউটি রোস্টার চালু থাকবে। হাসপাতালের পরিষেবা সচল রাখতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। অ-চিকিৎসক কর্মীদের ক্ষেত্রে এই চার দিনে মোট কর্মীসংখ্যার প্রায় অর্ধেককে কাজে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।তবে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য আগাম নির্দিষ্ট ছুটির রোস্টার থাকবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। হাসপাতালের প্রয়োজন এবং পরিষেবার চাহিদা অনুযায়ী তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। অর্থাৎ, পুজোর দিনগুলিতে চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কাজের প্রয়োজনের উপর।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর সময়েও হাসপাতালের দৈনন্দিন পরিষেবা, রোগী সামলানো এবং জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর।এ বছর থেকেই কাজে ফেরার নির্দেশশুধু আগামী বছরের পরিকল্পনাই নয়, চলতি বছরেও সরকারি হাসপাতালগুলিতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শারদ্বত। তাঁর দাবি, অন্যান্য সরকারি দফতরের মতো মেডিক্যাল কলেজগুলির শিক্ষক, অধ্যক্ষ, এমএসভিপি, নন-মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট থেকে শুরু করে সাফাইকর্মীবিভিন্ন স্তরের কর্মীরা কাজে ফিরেছেন।এমনকি যাঁরা আগে থেকেই ছুটিতে ছিলেন, তাঁদের ছুটি বাতিল করে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতির অবসান ঘটিয়ে হাসপাতালগুলিতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন অগ্রাধিকার।পরিষেবা সচল রাখাই মূল লক্ষ্যদুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটির প্রচলন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের কাজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে পুজোর সময় চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীদের সুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে নতুন রোস্টার কীভাবে কার্যকর হবে, হাসপাতালভিত্তিক কর্মী বণ্টন কীভাবে হবে এবং চিকিৎসক-নার্সদের দায়িত্ব নির্ধারণে কী পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় স্পষ্ট, আগামী বছর থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে পুজোর ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বদল আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। উৎসবের মরশুমেও যাতে স্বাস্থ্য পরিষেবায় কোনও শিথিলতা না আসে, সেই লক্ষ্যেই ছুটির বদলে দায়িত্ব পালনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগান কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ পুলিশের! আতঙ্কের মাইকিংয়ে গ্রেফতার আরও এক ঘোষক, ধৃতের সংখ্যা ২

সপ্তমীর সন্ধ্যায় মণ্ডপে হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণার অভিযোগ। তদন্তে উঠে এসেছে দুই ঘোষকের নাম। কেন এমন ঘোষণা, নেপথ্যে কারও নির্দেশ ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।কলকাতার চোরবাগান দুর্গাপুজোর বিপর্যয় ঘিরে তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল পুলিশ। মণ্ডপে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো ঘোষণার ঘটনায় দ্বিতীয় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম কুশল মজুমদার। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। এর আগে এই ঘটনায় চোরবাগান পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ফলে মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে যখন দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রবল ঠেলাঠেলি ও হুড়োহুড়ি চলছিল, তখন মাইকে ঘোষণা করা হয়, মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে। অভিযোগ, এই ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। আতঙ্কিত দর্শনার্থীরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। তাতেই বিশৃঙ্খলা আরও বেড়ে যায় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। যদিও ওই ঘোষণার উদ্দেশ্য এবং তার সঙ্গে বিপর্যয়ের সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।সিসিটিভি ফুটেজে দুই সন্দেহভাজনের খোঁজঘটনার পরই মণ্ডপে মাইক থেকে কে বা কারা ওই ঘোষণা করেছিলেন, তা জানতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। তাঁদের গতিবিধির উপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছিল। অবশেষে দ্বিতীয় সন্দেহভাজন কুশল মজুমদারকেও পাকড়াও করা হল।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকেই সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুর খোঁজ মিলছিল না। তাঁর বাড়িতে গিয়েও পুলিশ তাঁকে পায়নি। তদন্তকারীদের দাবি, বিপর্যয়ের পর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে অন্য নম্বর ব্যবহার করে পরিবার ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সূত্র ধরে সন্দেহভাজন আটটি মোবাইল নম্বরের উপর নজরদারি চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত সেই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার নদিয়া থেকে সেন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।আতঙ্কের ঘোষণা ঘিরে বাড়ছে প্রশ্নচোরবাগান কাণ্ডের পর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে চরম বিশৃঙ্খলার ছবি দেখা যায়। একটি ভিডিয়োতে গ্রিল দিয়ে ঘেরা ঘোরানো উড়ালপথের উপর কয়েক জন দর্শনার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়। অন্য একটি ভিডিয়োতে মণ্ডপ থেকে বেরোনোর গেটের ভিতরে কয়েক মিটার দূরেই ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জনকে মাটিতে পড়ে যেতে দেখা যায়। আতঙ্কিত দর্শনার্থীদের চিৎকারের মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায় এক পুলিশকর্মীকে।এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই মাইক থেকে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘোষণার পর দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় এবং অনেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি। তদন্তের স্বার্থে ভিডিয়োগুলির সত্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা জরুরি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজেও ওই ঘোষণার বিষয়টি তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে উঠে এসেছে।নির্দেশ দিয়েছিল কে? খতিয়ে দেখছে পুলিশতদন্তকারীদের সামনে এখন একাধিক প্রশ্ন। মণ্ডপে যখন ভিড়ের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তখন ঠিক কী পরিস্থিতিতে ওই ঘোষণা করা হয়? ঘোষকরা কি নিজেরাই এমন কথা বলেছিলেন, নাকি তাঁদের পিছনে অন্য কারও নির্দেশ ছিল? পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করা হলেও তা কীভাবে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সঞ্জীব রাহা ও কুশল মজুমদারদুজনেরই বাড়ি অমর বসু সরণিতে, চোরবাগানের পুজোমণ্ডপ থেকে প্রায় ৫০ মিটারের মধ্যে। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হওয়া সঞ্জীবকে শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানোর কথা ছিল বলে জানা গিয়েছিল। দ্বিতীয় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও তথ্য উঠে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে পুলিশের।চোরবাগানের বিপর্যয় ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। তার মধ্যে মাইকে করা ওই ঘোষণা কেন এবং কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। দুই সন্দেহভাজন ঘোষককে গ্রেফতারের পর এবার এই ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত কতদূর এগোয়, সেদিকেই নজর কলকাতার।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

পরকীয়ার সন্দেহে দাম্পত্যে অশান্তি, বাড়ি ফিরতেই চরম পরিণতি! বংশীহারিতে স্বামী খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী

দেড় বছরের দাম্পত্যে তৃতীয় ব্যক্তিকে ঘিরে বিবাদ, ঘরের মেঝে থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার স্ত্রী, তদন্তে পুলিশ।পুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে এক যুবকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য। স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহের জেরেই স্বামীকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মৃতের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এবং কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিকাশ রায়। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের কড়ই কলোনির দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে এলাকারই বাসিন্দা শিউলির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সংসার চালানোর জন্য কলকাতায় কাজ করতেন বিকাশ। সেই কারণে দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হত তাঁকে।অভিযোগ, বিকাশ বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী যুবক অনুপ দাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শিউলি। অনুপ পেশায় টোটোচালক। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই সম্পর্কের কথা ক্রমে জানাজানি হয়ে যায়। সম্প্রতি বাড়ি ফেরার পর বিষয়টি বিকাশেরও নজরে আসে বলে অভিযোগ। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি বাড়তে থাকে। ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল বলে দাবি পরিবারের।ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিকাশ ও শিউলিকে ঘরের বাইরে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। তাঁরা বারবার ডাকাডাকি করলেও প্রথমে কোনও সাড়া মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। পরে শিউলি দরজা খুললে ঘরের মেঝেতে বিকাশের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় বংশীহারি থানায়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কীভাবে বিকাশের মৃত্যু হল, তার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মৃতের পরিবারের তরফে শিউলির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বিকাশের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী যুবকের সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই সংসারে অশান্তির সূত্রপাত। মৃতের ভাইয়ের অভিযোগ, নিজের সম্পর্কের পথে বাধা দূর করতেই পরিকল্পনা করে তাঁর দাদাকে খুন করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দেড় বছরের দাম্পত্যের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের পিছনে থাকা সমস্ত তথ্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal