• ১২ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bowler

খেলার দুনিয়া

লর্ডসের ঐতিহাসিক শতরানের আলোতেও সমুজ্জ্বল বোলার সৌরভের পারফরম্যান্স

লর্ডসে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রাহুল দ্রাবিড়ের। দিনটা ছিল ১৯৯৬ র ২০ জুন। এই টেস্টের কথা উঠলেই মহারাজকীয় শতরানের কথাই সবার আগে মনে আসে। যা এসেছিল ২২ জুন।তবে ২০ জুন বল হাতে কামাল দেখিয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ইংল্যান্ডের তৃতীয় ও চতুর্থ উইকেট পড়েছিল চার রানের ব্যবধানে। দলের ৯৮ রানের মাথায় সৌরভের প্রথম শিকার হন তিন নম্বরে নামা নাসের হুসেন। ১১০ বলে ৩৬ রান করে তিনি ফেরেন বিক্রম রাঠোরের হাতে ক্যাচ দিয়ে। ১০২ রানে ইংল্যান্ডের চতুর্থ উইকেট পড়ে। ৯ বলে ১ রান করে গ্রেম হিক সৌরভের বলেই জাভাগল শ্রীনাথের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। প্রথম ইনিংসে সৌরভের বোলিং ফিগার ছিল ১৫-২-৪৯-২। বেঙ্কটেশ প্রসাদ পাঁচটি, শ্রীনাথ তিনটি ও সৌরভ ২টি উইকেট পান। পরশ মামব্রে, অনিল কুম্বলে ও সচিন তেন্ডুলকর উইকেট পাননি। দ্বিতীয় ইনিংসে সৌরভ তুলে নিয়েছিলেন প্রথম ইনিংসে শতরানকারী জ্যাক রাসেলের উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে মহারাজ ৩ ওভারে মাত্র ৫ রানের বিনিময়ে একটি উইকেট পেয়েছিলেন। ফলে লর্ডসের ঐতিহাসিক শতরানের আলোতেও সমুজ্জ্বল বোলার সৌরভের পারফরম্যান্স।

জুন ১৯, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে?‌ কী বললেন ভুবনেশ্বর

সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ২১১ রান করেও শেষরক্ষা হয়নি। ডেভিড মিলার ও রাসি ভান ডার ডুসেনের দাপটে হারতে হয়েছিল। কটকে সিরিজে সমতা ফেরানোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারত। ঋষভ পন্থের দলের কাছে কাজটা খুব একটা সহজ হবে না।কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্য কিন্তু খারাপ নয়। ২০১৫ সালে এই বরাবটি স্টেডিয়ামেই ভারতকে ৯২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে ভরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বরাবাটি স্টেডিয়ামে ৫ বছর পর টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত। ভারত অবশ্য তাকিয়ে ৭ বছর আগের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে।করোনার জন্য এতদিন ক্লোজড ডোর অনুশীলনই হচ্ছিল। শনিবার কটকের ছবিটা ছিল আলাদা। অনুশীলন দেখতেই গ্যালারি ভর্তি। কটকে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অনুশীলন করছে ভারতীয় দল। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সহ অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়ার ব্যাটিং অনুশীলনে আগ্রাসী মেজাজ, বড় শট খেলা দেখা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ভাল হয়েছে। বোলিংয়ের জন্যই ডুবতে হয়েছিল ভারতকে। সেকথা মাথায় রেখে বোলিং বিভাগে উন্নতির জন্য পরিকল্পনা করছে ভারতীয় শিবির।কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সবথেকে অভিজ্ঞ বোলার ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমাদের কোথায় ভুলত্রুটি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সকলেই আইপিএল খেলে এসেছে এবং এই দলে যারা রয়েছে, প্রত্যেকেই আইপিএলে ভাল খেলেছে। সবাই জানে ম্যাচে কী কী করতে হবে। একটা দিন খারাপ যেতেই পারে। আগের ম্যাচে বোলিং বিভাগের সেটাই হয়েছিল। আমরা সকলেই ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে রয়েছি।ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরাবাটি স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে বোলিং আক্রমণে পরিবর্তন আসে কিনা সেটা দেখার। তবে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় নিজে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চান না। সকলকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে চান। বরাবাটির উইকেটে হাইস্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা। পেসার কমিয়ে স্পিনার রবি বিষ্ণোইকে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্শদীপ সিং বা উমরান মালিকের অভিষেক কটকে হয় কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে প্রথম একাদশে পরিবর্তন না হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২৩ ওভার পর মনে পড়ল!‌ লর্ডসে অভিনব শ্রদ্ধা শেন ওয়ার্নকে

ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ড টেস্টের খেলা তখন ২৩ ওভার শেষ হয়েছে। মাঠের মধ্যেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়লেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে। স্টেডিয়ামের বড় জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটে উঠল শেন ওয়ার্নের ছবি। ২৩ সেকেন্ড ধরে করতালি গোটা স্টেডিয়াম জুড়ে। প্রয়াত কিংবদন্তী স্পিনার শেন ওয়ার্নকে এভাবেই শ্রদ্ধা জানাল লর্ডস।কেন এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল? এই নম্বরটাই ছিল শেন ওয়ার্নের প্রিয়। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে বিগ ব্যাশ, আইপিএল, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সব ধরণের ম্যাচেই ২৩ নম্বর জার্সি গায়ে খেলেছিলেন শেন ওয়ার্ন। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতেই এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল। ওয়ার্নের মৃত্যুর পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে লর্ডসের কমেন্ট্রি বক্সের নাম রাখা হয়েছে তাঁর নামে। ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্টেও এবার ফিরে এল তাঁর স্মৃতি। লর্ডস কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। লর্ডসে চারটি টেস্ট খেলেছেন ওয়ার্ন। তিনটিতে জিতেছেন। একটা ড্র। লর্ডসে ৪ টেস্ট খেলে নিয়েছেন ১৯ উইকেট।শেন ওয়ার্নকে শ্রদ্ধা জানানো হলেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে বিপর্যয়ে নিউজিল্যান্ড। জেমস অ্যান্ডারসন ও ম্যাথু পটের দাপটে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেল মাত্র ১৩২ রানে। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে উইল ইয়ংকে (১) ফেরান জেমস অ্যান্ডারসন। ২ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। টম লাথামকে (১) আউট করেন অ্যান্ডারসনই।৭.১ ওভারে ডেভন কনওয়ে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন দলগত ৭ রানের মাথায়। কনওয়ে ৭ বলে ৩ রান করেন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও ব্যর্থ। ৯.৫ ওভারে দলের ১২ রানের মাথায় তিনি আউট হন ২২ বলে ২ রান করে। এই টেস্টেই অভিষেক হওয়া ম্যাথু পটস টেস্ট কেরিয়ারের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই পেলেন উইলিয়ামসনের উইকেট। প্রথম ঘণ্টায় ১১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কিউদের স্কোর ছিল মাত্র ১২। ১৭.৫ ওভারে ড্যারিল মিচেলকেও ফেরান পটস। মিচেল ৩৫ বল খেলে ১৩ রান করেন। ২৭ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ার পর নিউজিল্যান্ডের ষষ্ঠ উইকেটটি পড়ে ২১.৫ ওভারে ৩৬ রানের মাথায়। পটসের তৃতীয় শিকার টম ব্লান্ডেল। মিচেলের মতো তাঁকেও বোল্ড করেন পটস। ব্লান্ডেল ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ৪৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। কলিন গ্র্যান্ডহোম ও টিম সাউদি কিছুটা রুখে দাঁড়ান। সাউদিকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন অ্যান্ডারসন। আজাজ প্যাটেলকে (৭) ফেরান পটস। ট্রেন্ট বোল্টকে (১৪) তুলে নেন বেন স্টোকস। ৬৬ রানে ৪ উইকেট নেন অ্যান্ডারসন। ১৩ রানে ৪ উইকেট পটসের।

জুন ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গর্বে ভাসছেন সেদিনের অপমানিত কার্তিকেয়র বাবা

একসময় কিটস কেনার সামর্থ ছিল না। সেই ছেলে এখন ক্রিকেটের মহাযজ্ঞের মঞ্চে। পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে চোখে জল ঝাঁসির কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহের চোখে। ছেলের জন্য একসময় ক্রিকেট কিট কেনার টাকাও ছিল না এই কনস্টেবলের। কী ঘটেছিল শ্যামনাথ সিংয়ের সঙ্গে? বছর আষ্টেক আগেকার কথা। ছেলের জন্য ক্রিকেট কিট কিনতে গিয়েছিলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। ক্রিকেটের পুরো কিটস কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না শ্যামনাথের। সেদিন দোকানদারকে শ্যামনাথ বলেছিলেন, কিটসের পুরো টাকা দিতে পারবেন না। নিজের অসামর্থ্যের কথা জানিয়েছিলেন। দোকানদার সটান উত্তর দিয়েছিলেন, পুরো কিটস কেনার সামর্থ্য যখন নেই, তাহলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন শ্যামনাথ দোকানদারকে কোন উত্তর দিতে পারেননি। অর্ধেক কিটস কিনে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ছেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে সুযোগ পাওয়ার ৮ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের হেড কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। চোট পেয়ে চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মহম্মদ আর্শাদ। তাঁর জায়গায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে নিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার কুমার কার্তিকেয় সিংহকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে সুযোগ পাওয়া কার্তিকেয়ার জন্ম ক্রীড়া পরিবারেই। বাবা শ্যামনাথ সিংহ মধ্যপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। তিনি ছিলেন একজন শ্যুটিং খেলোয়াড়। ছেলে কার্তিকেয় বাবার কাছ থেকেই খেলাধূলার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। মধ্যপ্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন কার্তিকেয়। ২০১৮ সালে কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ২০১৯ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলিতে অভিষেক সিকিমের বিরুদ্ধে। মহম্মদ আর্শাদ খান চোট পাওয়ায় তাঁর জায়গায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ঝাঁসি পুলিশের আধিকারিকরা যখন কার্তিকেয়র আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানতে পারেন, তখন পুলিশ ক্যাপ্টেনসহ অন্যান্য অফিসাররা শ্যামনাথকে অভিনন্দন জানান। পুলিশ লাইনে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শ্যামনাথ বলেন, ছেলে যখন ভারতীয় দলের জার্সি পরার সুযোগ পাবে, সেদিন তিনি সবথেকে বেশি খুশি হবেন। ছেলে ফোন করে আমাকে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। ক্যাপ্টেন স্যার, সিও স্যার এবং সমস্ত স্টাফ আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমি জাতীয় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমাকে দেখে ছেলে খেলায় আসে। পড়াশোনাতেও খুব ভাল ছিল। খেলার প্রতি ওর বেশি আগ্রহ দেখে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছিলাম। আমার আত্মীয়রা আমাকে বলেছিল যে আমি ওর ভবিষ্যত নষ্ট করছি। ওকে পুলিশে ভর্তি করাতে পারতাম। কারও কথা শুনিনি। আমার দেওয়া লক্ষ্য থেকে ছেলে পিছিয়ে যায়নি। শ্যামনাথ আরও বলেন, সামনে অনেক বাধা ছিল। ছেলের সব চাহিদা মেটাতে পারিনি। একসময় ছেলে বলত, আর হয়তো খেলতে পারবে না। আমি ওকে হাল ছাড়তে নিষেধ করেছিলাম। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শ্যামনাথ। তিনি জানান, দুই ছেলের জন্য কিটস কিনতে দোকানে গিয়েছিলেন। দুটো কেনার টাকা ছিল না। তখন দোকানদার বলেছিল, শুধু একটি কিটস কিনুন। জিনিসপত্র খুব দামী। টাকা কম থাকার কারণে কিছু জিনিস কমিয়ে নিয়েছিলাম। এ নিয়ে দোকানদার বলেছিলেন, সামর্থ না থাকলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন কিছু বলতে পারিনি। কখনই সম্পূর্ণ কিটস ছেলেকে কিনে দিতে পারেনি।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেথ ওভার বোলিংয়ে বুমরাদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন এই তরুণ জোরে বোলার

ডেথ ওভার বোলিংয়ে দারুণ সুনাম আছে যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। কিন্তু চলতি আইপিএলে তাঁদেরও পেছনে ফেলে দিয়েছেন এক অখ্যাত তরুণ জোরে বোলার। অথচ একসময় পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলেই সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে কানাডায় চলে যেতে। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করে নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে। রাজি হননি তরুণ অর্শদীপ। বাবার পরামর্শ অগ্রাহ্য করে ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথে।ছোট থেকেই ক্রিকেটই ছিল ধ্যানজ্ঞান। বাবা ছেয়েছিলেন ছেলে হকি খেলোয়াড় হোক। কিন্তু অর্শদীপের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখে বাবা আর জোরাজুরি করেননি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে ভাল খেলেও পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ২০০৭ সাল। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন কানাডার ব্র্যাম্পটনে দিদির কাছে চলে যেতে। রাজি হননি অর্শদীপ। বাবার কাছে একবছর সময় চেয়ে নেন। এক বছরের মধ্যে পাঞ্জাবের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অর্শদীপ সিংকে। সুযোগ এসে যায় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলেও। ২০১৮ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপেও দলে ছিলেন। কিন্তু সেভাবে খেলার সুযোগ পাননি। তাংকে বসিয়ে খেলানো হয়েছিল ঈশান পোড়েল, কমলেশ নাগরকোটিদের। আইপিএলে তাঁরাই এখন ডাগ আউটে বসে। আর বাইশ গজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অর্শদীপ সিং।২০১৯ সাল থেকেই পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়ে খেলছেন এই তরুণ জোরে বোলার। ওই বছর খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন। উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ৩টি। পরের বছর ৮ ম্যাচে ৯ উইকেট। তবে গত বছর আইপিএলে রীতিমতো নজর কাড়েন ১২ ম্যাচে তুলে নেন ১৮ উইকেট। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে অর্শদীপকে ধরে রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছেন।চলতি আইপিএলে ডেথ ওভারের বোলিংয়ে কৃপনতার দিক দিয়ে তারকা বোলারদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন অর্শদীপ সিং। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ পর্যন্ত ডেথ ওভারে তাঁর ইকনমি ৫.৬৬। অর্শদীপ ডেথ ওভারের বোলিংয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন সুনীল নারাইন, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। ডেথ ওভারে সুনীল নারাইনের ইকনমি ৬.০০। অন্যদিকে ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ যশপ্রীত বুমরার ইকনমি ৮.১৬। মহম্মদ সামির ৮.৪০, ভুবনেশ্বর কুমারের ৮.৫০। শেষ ৪ ওভারে ৩০ বল করার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে অর্শদীপ সিংই সেরা।সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ডেথ ওভারে তাঁরই বোলিংই পাঞ্জাব কিংসের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। চেন্নাই ইনিংসের ১৭তম ওভারে অর্শদীপের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর ওই ওভারে তাঁর ওই ওভারে মাত্র ৭ রান তুলতে সক্ষম হয় চেন্নাই। ১৯ তম ওভারেও ৭ রান দেন অর্শদীপ। অর্থাৎ ২ ওভারে মাত্র ১৪ রান। এতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। মহেন্দ্র সিং ধোনি, রবীন্দ্র জাদেজার মতো ফিনিশাররাও জ্বলে উঠতে পারেননি অর্শদীপের বোলিংয়ের সামনে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন ওয়ার্ন, মত সৌরাশিস লাহিড়ীর

মাত্র ৫২ বছর বয়স। এই বয়সেই মারা যাবেন ক্রিকেটের কিংবদন্তী! না, শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব স্তম্ভিত, শোকাহত। শোকাহত বললে কম বলা হয়। রীতিমতো বাক্যহারা হয়ে পড়েছেন সকলে।শেন ওয়ার্নের মৃত্যু মানতে পারছেন না বাংলার প্রাক্তন স্পিনার তথা বর্তমান বাংলা সিনিয়র দলের সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী। কটক থেকে ফোনে সৌরাশিস জনতার কথার প্রতিনিধিকে বলেন, ওয়ার্নের মৃত্যুর খবর শুনে আমার হাতপা থরথর করে কাঁপছিল। বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। এত কম বয়সে চলে যাবেন, ভাবতেই পারছি না। সত্যিই অবিশ্বাস্য। গোটা ক্রিকেট বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দিয়ে গেল।শেন ওয়ার্নের সঙ্গে কখনও সামনা সামনি মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়নি সৌরাশিস লাহিড়ীর। তবে ওয়ার্নের বোলিং দেখে বড় হয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন স্পিনার। একসময় ওয়ার্নের স্পিনে মোহিত হয়ে থাকতেন বলে জানান সৌরাশিস। তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের কাছে স্বপ্নের নায়ক। ওর বোলিংয়ে মোহিত ছিলাম। কখনও সাক্ষাৎ হয়নি। কিন্তু ওয়ার্নকে দেখেই বড় হয়েছি। আমি তো ওকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্পিনার হিসেবে মনে করি। শুধু দুর্দান্ত বোলারই ছিলেন না, বর্ণময় চরিত্রও ছিলেন। ওয়ার্নের হাত থেকে এমন কিছু বল বেরিয়েছে, ক্রিকেট যতদিন থাকবে, সেই বলগুলোর কথাও ততদিন থেকে যাবে।সৌরাশিস আরও মনে করেন, স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা পার্ট হতে পারে, সেটা শেন ওয়ার্নই দেখিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, স্পিন বোলিংকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন। স্পিন বোলিং যে ক্রিকেটের দুর্দান্ত পার্ট হতে পারে, তাঁর মতো অন্য কেউ তুলে ধরতে পারেননি। বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা স্পিনার হিসেবে আমি ওয়ার্নকেই বেছে নেব। অধিনায়ক হওয়ার মতো সমস্ত গুনও ওয়ার্নের মধ্যে ছিল বলে মনে করেন সৌরাশিস। তিনি বলেন, দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সব গুনই ছিল ওয়ার্নের মধ্যে। কিন্তু স্টিভ ওয়া ও রিকি পন্টিংয়ের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকায় দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ হয়নি।ওয়ার্নের ক্রিকেট ধারাভাষ্যেও মুগ্ধ সৌরাশিস। তিনি বলেন, এত সুন্দর বিশ্লেষণ করতে খুব কম ধারাভাষ্যকারকেই দেখেছি। এককথায় অসাধারণ। আর বৈচিত্রময় চরিত্রর দিক দিয়ে ইমরান খান, ইয়ান বথামদের পাশেই শেন ওয়ার্নকে রাখব। সত্যি কথা বলতে কী, ওর মৃত্যু ক্রিকেট বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু স্পিনের যাদুকরের, বাহান্নতেই থেমে গেলো জীবন

থেমে গেলো স্পিনের যাদুকরের হাত, তাঁর আঙ্গুলের ছোঁয়া পেয়ে আর লাল বলটা বনবন করে ঘুড়বে না সবুজ গালিচায়। মাত্র ৫২ বছর বয়সে থেমে গেলো মহান ক্রিকেট শিল্পী-র জীবন। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকা স্পিনার মৃত্যুর সময় তাইল্যান্ডে তাঁর নিজ বাসভবনে ছিলেন।শ্যেন ওয়ার্নের সংস্থা শনিবার বিবৃতি দিয়ে এই মর্মান্তিক খবর জানায়। তারা এই বিবৃতিতে জানায়, শ্যেন তাইল্যান্ডে প্রয়াত হয়েছেন এবং তাঁর নিজস্ব বাংলোতে এই মহান ক্রিকেটারকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের সমস্ত রকম চেষ্টা স্বত্তেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। তাঁর পরিবার এই সময়ে গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।Sad to hear the news that Rod Marsh has passed. He was a legend of our great game an inspiration to so many young boys girls. Rod cared deeply about cricket gave so much-especially to Australia England players. Sending lots lots of love to Ros the family. RIP mate❤️ Shane Warne (@ShaneWarne) March 4, 2022শনিবার ভারতীয় সময় ৭:২৩ মিনিটে, মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্রাক্তন ক্রিকেটার রডনি মার্শের প্রয়াণে টুইট করেছিলেন শ্যেন। রডনি মার্শ বৃহস্পতিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। সেই শোকবার্তায় শ্যেন ওয়ার্ন লিখেছিলেন, রড মার্শ প্রয়াত হওয়ার খবর শুনে খুবই খারাপ লাগছে। উনি ক্রিকেটেরএক কিংবদন্তি ছিলেন। বহু উদীয়মান ক্রিকেটারের অনুপ্রেরণা ছিলেন। রড ক্রিকেট ভালোবাসতেন। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। ওঁর পরিবারকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাই।১৩ সেপ্টেম্বর ১৬৬৯ আপার ফার্নট্রি গলি, ভিক্টোরিয়াতে শ্যেন ওয়ার্ন জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৪৫টি টেস্টে ৭০৮টি উইকেট সংগ্রহ করেন। শ্রীলঙ্কার মুথাইয়া মুরলিধরনের (৮০০) পর তিনি দ্বিতীয় সর্ব্বচ্চ উইকেট সংগ্রাহক।বর্তমানে শ্যেন তাঁর তাইল্যান্ডের নিজের বাংলোতে বসবাস করছিলেন। নিজের বাসস্থানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ভারতে আইপিএল-এর প্রথম সংস্করনে বিজয়ী দল রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক ছিলেন শেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa : জীবনের সেরা বোলিং, শার্দূলের দুর্দান্ত প্রত্যাঘাতে ম্যাচে ফিরল ভারত

জোহানেসবার্গে সিরিজ জিতে কি ইতিহাস তৈরি করতে পারবে ভারত? প্রথম ইনিংসে লোকেশ রাহুলরা ২০২ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। দ্বিতীয় দিনে শার্দূল ঠাকুরের হাত ধরে দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত। জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল। তুলে নিলেন ৬১ রানে ৭ উইকেট। ভারতের ২০২ রানে জবাবে ২২৯ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ২৭ রানের বেশি লিড পেল না প্রোটিয়ারা।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগআগের দিনের ১ উইকেটে ৩৫ রানে হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম বল থেকেই দারুণ সতর্ক ছিলেন ডিন এলগার ও কিগান পিটারসেন। যশপ্রীত বুমরার বলে এলগারকে একবার আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। এলগার রিভিউ নিয়ে যে যাত্রায় বেঁচে যান। তার পরেও বড় রান করতে ব্যর্থ হন প্রোটিয়া অধিনায়ক। মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরারা সুবিধা করতে না পারায় শার্দূল ঠাকুরকে আক্রমণে নিয়ে আসেন লোকেশ রাহুল। এলগারকে (২৮) তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু দেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনপ্রথম দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগেই ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটেছিল ভারতের। দক্ষিণ আফ্রিকারও সেই একই অবস্থা। শার্দূল ঠাকুরের ধাক্কায় মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক আগে ব্যাটিং বিপর্যয় প্রোটিয়াদের। উইকেটে জমে যাওয়া কিগান পিটারসেন (৬২) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন শার্দুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তেম্বা বাভুমা ও কাইল ভেরেইন। জুটিতে ওঠে ৬০। জুটি ভাঙতে সেই শার্দূলের দ্বারস্থ হন লোকেশ রাহুল। অধিনায়ককে হতাশ করেননি শার্দূল। ভেরেইনকে (২১) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। এক ওভার পরেই তুলে নেন বাভুমাকে (৫১)। এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পরই বড় ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষদিকে মার্কো জানসেন (২১) ও কেশব মহারাজের (২১) সৌজন্যে ২২৯ রানে পৌঁছয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৬১ রানে ৭ উইকেট নেন শার্দূল।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০জীবনের সেরা বোলিং করে ভারতকে এদিন একাই ম্যাচে ফেরালেন শার্দূল ঠাকুর। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিসবেনে ৬১ রানে ৪ উইকেট নেওয়াটা ছিল টেস্ট জীবনের সেরা বোলিং। ওই টেস্টে দুইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন শার্দূল। ব্রিসবেনে ভারত টেস্ট জিতেছিল। শুধু বোলিংয়েই নয়, ব্যাটিংয়েও দারুণ অবদান রেখেছিলেন। জোহানেসবার্গ টেস্টে তাঁর খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর পরিবর্তে উমেশ যাদবকে খেলানোর কথা ভেবেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত শার্দূলেই আস্থা রাখে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি২৭ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তুলেছে ২ উইকেটে ৮৫। লোকেশ রাহুল ৮ রান করে মার্কো জানসেনের বলে আউট হন। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ২৩ রান করে আউট হন। চেতেশ্বর পুজারা ৩৫ ও অজিঙ্কা রাহানে ১১ রান করে ক্রিজে রয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL : মাঝপথে আইপিএল ছেড়ে পালানোর কেমন শাস্তি পেলেন জাম্পারা?‌

এবছর আইপিএল চলাকালীন বিদেশি নিয়ে বারবার ধাক্কা খেলে হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে। স্থগিত ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে আবার ধাক্কা খেলেন বিরাট কোহলিরা। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএল থেকে এবার সরে দাঁড়ালেন কোচ সাইমন কাটিচ। তাঁর জায়গায় কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট মাইক হেসন। এছাড়া তিনজন নতুন বিদেশি ক্রিকেটারও নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআইপিএলের বাকি ম্যাচগুলিতে বেঙ্গালুরু একঝাঁক ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কিছু নতুন মুখকে নিয়ে আসতে বাধ্য হল। অস্ট্রেলিয়ার তিনজন ক্রিকেটার থাকছেন না। দেশের হয়ে খেলবেন বলে পাওয়া যাবে না নিউজিল্যান্ডের দুই ক্রিকেটারকেও। তাই আইপিএলের দরজা খুলে গেল শ্রীলঙ্কার দুজন ও সিঙ্গাপুরের এক ক্রিকেটারের।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?করোনা আতঙ্কে আইপিএলের মাঝপথে দেশে ফিরে জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তাঁর আচরণে সন্তুষ্ট নয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলল। জাম্পার পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে ভালো পারফরম্যান্সের সুবাদেই খুলল আইপিএলের দরজা। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেন। টি ২০ সিরিজে তিন ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে শেষ দুটি টি ২০ ম্যাচে মূল্যবান রান যোগ করেছিলেন। এবার তিনি আইপিএলের মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাবেন।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াঅস্ট্রেলিয়ার ড্যানিয়েল স্যামসের পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার পেসার দুষ্মন্ত চামিরাকে দলে নিয়েছে আরসিবি। চামিরা ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে দুটি এবং টি ২০ সিরিজে চারটি উইকেট পেয়েছিলেন। সতীর্থ হাসারাঙ্গার সঙ্গে চামিরা বিরাটদের দলে ঢোকায় শ্রীলঙ্কার এই দুই ক্রিকেটারের টি ২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও ভালোভাবেই হতে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ার কেন রিচার্ডসনকেও পাচ্ছে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন ও স্কট কুগলেইজনও থাকছেন না। নিউজিল্যান্ড দলের হয়ে তাঁদের খেলা রয়েছে আইপিএলের মধ্যেই। তাঁরা দেশের হয়েই খেলবেন। এই পরিস্থিতিতে সুযোগ পেলেন সিঙ্গাপুরের অলরাউন্ডার টিম ডেভিড। টিম ডেভিড পাকিস্তান সুপার লিগ, বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-সহ বিভিন্ন দেশে টি ২০ লিগে খেলেন। দ্য হান্ড্রেডে সাদার্ন ব্রেভ দলেও রয়েছেন। চলতি মাসে রয়্যাল লন্ডন কাপে সারের হয়ে দুটি শতরানও করেছেন।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohammad Siraj : বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ

ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজের লড়াইয়ের ইতিহাস সুদীর্ঘ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ভারতবর্ষ শাসন করছিল, বাংলার নবাব সিরাজউদদৌল্লাকে সহজে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারেননি। তিনিই ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। সিরাজউদদৌল্লাকে বাগে আনতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হেরে বশত্যা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন বাংলার নবাব।আরও পড়ুনঃ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রথম ম্যাচ কবে? সূচি প্রকাশ করল আইসিসিবাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে বশে নিয়ে এলেও লর্ডসে অবশ্য মহম্মদ সিরাজকে বাগে নিয়ে আসতে পারেনি ইংরেজরা। লর্ডস যুদ্ধে বরং সিরাজেরই দাপট। কেন দাপট থাকবে না? এই যুদ্ধে মীর্জাফরের মতো তো কেউ ছিলেন না মহম্মদ সিরাজের সঙ্গে। বরং পাশে পেয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা, ইশান্ত শর্মার মতো সতীর্থদের। যাঁদের ভুমিকা ছিল মীর মদনের মতোই। ভারতের লর্ডস অভিযানের সাফল্যের পেছনে মহম্মদ সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে মহম্মদ সিরাজের ধাক্কাতেই শুরুতে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। পরপর দুবলে ডম সিবলে ও হাসিব হামিদকে তুলে নিয়ে দলকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিল। রুট ও বেয়ারস্টোর ১২১ রানের পার্টনারশিপ ভেঙে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সিরাজই। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ৯৪ রানে ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জ্বলে ওঠেন সিরাজ ৩২ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে জস বাটলার ও মঈন আলির জুটি গড়ে উঠছিল। এই জুটি ভাঙতে না পারলে ভারতের জয় কঠিন হয়ে যেত। মঈন ও বাটলার, দুজনকেই তুলে নেন সিরাজ। সুতরাং লর্ডস জয়ে সিরাজের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। নবাব সিরাজউদদৌল্লা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হেরে গেলেও বাইশ গজের অন্য যু্দ্ধে এই প্রজন্মের সিরাজের কাছে পরাভূত ইংরেজরা।আরও পড়ুনঃ ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু...রু...ফু...রু..শব্দ, শুরু কলকাতা লিগলর্ডস টেস্টের পঞ্চম দিনের শেষ বেলায় মহম্মদ সিরাজ যে ফাস্ট বোলিংটা করেন, তাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। কীভাবে এই হায়দরাবাদি জোরে বোলার উঠে এসেছেন, দেখে নেওয়া যাক। অস্ট্রেলিয়া সফরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেও ভারতীয় টেস্ট দলে জায়গা পাকা করতে পারছিলেন না মহম্মদ সিরাজ। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাননি হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার। তবে ইংল্যান্ডে সফরের প্রথম ম্যাচেই টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে সুযোগ পান সিরাজ। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি তিন উইকেট নিয়েছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারকে লর্ডসে আরও একটা সুযোগ দেন কোহলি। যা হাতছাড়া করতে চাননি সিরাজ। মোট আট উইকেট নিয়ে ম্যাচে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। যিনি হায়দরাবাদের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৮১টি উইকেট নিয়েছেন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ৪৫টি উইকেট নেওয়া সিরাজকে চিনতে ভুল করেননি নির্বাচক। তবে বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর চলতি সিরিজে অন্তত সিরাজের জায়গা টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে পাকা বলে ধরে নেওয়া যায়। সিরিজ জুড়ে ফর্মের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী দিনেও যে তিনি দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য হতে চলেছেন, তা মেনে নিচ্ছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতের২০১৭ সালে ভারতীয় দলে প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন মহম্মদ সিরাজ। যদিও টি২০ এবং ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ২৭ বছরের ফাস্ট বোলার। দেশের হয়ে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলে ২৭ উইকেট নিয়েছেন মহম্মদ সিরাজ। ভারতীয় দলের জার্সিতে একটি ওয়ান ডে ও তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলে মোট তিনটি উইকেট নিয়েছেন হায়দরাবাদের তরুণ ফাস্ট বোলার।

আগস্ট ১৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোর ছুটিতে ১০ হাজারের বাজেটে ঘুরে আসুন! কলকাতার কাছেই রয়েছে ১৪ চোখধাঁধানো ডেস্টিনেশন

শহরের ক্রমাগত ব্যস্ততা, ট্রাফিকের ক্লান্তি আর কাজের একঘেয়েমি চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে চান? উইকেন্ড বা সাপ্তাহিক ছুটিতে একটু ঘুরে আসা এখন শুধু বিলাসিতা নয়, মানসিক শান্তির অন্যতম ওষুধ বলতে পারেন। রবিঠাকুর থেকে পাহাড়ের ঠান্ডা বাতাস, কলকাতার কাছেই লুকিয়ে রয়েছে এমন বেশ কিছু তাকলাগানো ডেস্টিনেশন, যেখানে কয়েকটা দিন কাটালেই ফিরে পাওয়া যাবে কাজের নতুন শক্তি, মনে ফিরবে নয়া সতেজতা।১. গ্যাংটক (সিকিম)সিকিমের এই নয়নাভিরাম রাজধানী শহরটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত গ্যাংটক প্রকৃতির রূপ, অ্যাডভেঞ্চার এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতির এক অপরূপ মিলনস্থল।বিশেষ আকর্ষণ: এমজি মার্গ (MG Marg), রুমটেক মনাস্ট্রি, ছাঙ্গু লেক (Tsomgo Lake) এবং স্থানীয় সুস্বাদু খাবার থুকপা, সেল রুটি ও ছুরপি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের দূরত্ব প্রায় ৫৫০ কিমি। সবচেয়ে দ্রত পৌঁছাতে কলকাতা (CCU) থেকে বাগডোগরা (IXB) পর্যন্ত বিমান যাত্রা এবং সেখান থেকে গাড়ি বা ট্যাক্সিতে গ্যাংটক (সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস (বসন্তের মনোরম আবহাওয়া, তাপমাত্রা ১৫C২৫C)।২. নামচি (সিকিম)সিকিমের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এক অপরূপ শহর নামচি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই শহরের উচ্চতা প্রায় ৭,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই শহর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।বিশেষ আকর্ষণ: সামদ্রুপসে পাহাড়ে অবস্থিত পদ্মসংভবের বিশাল মূর্তি, চারধাম (সিদ্ধেশ্বর ধাম), তারে ভিড় এবং নামচি মনাস্ট্রি।কীভাবে যাবেন: গ্যাংটক থেকে নামচির দূরত্ব মাত্র ৭৮ কিমি। ট্যাক্সি বা ক্যাবে সময় লাগে প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস।৩. রাভাংলা (সিকিম)নামচি থেকে মাত্র ২৬ কিমি দূরে অবস্থিত হিমালয়ের কোলে এক শান্ত হিল স্টেশন রাভাংলা। যারা অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা।বাজেট ১০ হাজার? পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন চোখধাঁধানো এই সব ট্র্যাভেল ডেস্টিনেশন থেকে, রইল অ্যাডভেঞ্চারের সেরা ঠিকানাবিশেষ আকর্ষণ: বুদ্ধ পার্ক, মীনাম ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঙ্কচুয়ারি এবং মীনাম হিল ট্র্যাক। স্থানীয় ভুটিয়া ও লেপচা সংস্কৃতির স্বাদ মিলবে এখানে।কীভাবে যাবেন: ট্রেনযোগে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) পৌঁছে সেখান থেকে সরাসরি ট্যাক্সিতে রাভাংলা (সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস (তাপমাত্রা ১০C২০C)।৪. ডুয়ার্স (পশ্চিমবঙ্গ)উত্তরবঙ্গের নদী, পাহাড় ও ঘন জঙ্গলে ঘেরা এক সবুজ জানলা হলো ডুয়ার্স। চা বাগান এবং বন্যপ্রাণীদের মুক্ত বিচরণ এই অঞ্চলের প্রধান আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: বক্সা টাইগার রিজার্ভ, গরুমারা জাতীয় উদ্যান, জলদাপাড়া এবং মেচ, বোডো ও টোটো উপজাতিদের বর্ণময় সংস্কৃতি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের মতো নৈশ ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি বা নিউ মাল জংশন নেমে সহজেই গাড়ি ধরে নেওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ (শীতকাল বন্যপ্রাণী দেখার জন্য সেরা)।৫. দার্জিলিং (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের রানি দার্জিলিং পর্যটকদের চিরন্তন প্রিয় ডেস্টিনেশন। হিমালয়ের আবহাওয়া, বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা এবং শৈলশহরের ট্র্যাডিশনাল পরিবেশ মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট।বিশেষ আকর্ষণ: টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়, বাতাসিয়া লুপ, ঘুম স্টেশন ও টয় রাইড।কীভাবে যাবেন: বিমান বা ট্রেনে বাগডোগরা বা নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি বা শেয়ার ক্যাবে ৩-৪ ঘণ্টার পথ।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে মে।জনতা দরবারে ৬ মাসের শিশুর বিরল চিকিৎসার আবেদন, ১৭ কোটি টাকার জিন থেরাপিতে সাহায্যের আশ্বাসে রাজ্যবাসীর মন জিতলেন শুভেন্দু৬. মিরিক (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের মাঝে নিস্তব্ধতা পছন্দ করলে দার্জিলিং জেলার ছোট্ট শহর মিরিক একটি চমৎকার বিকল্প। লেপচা শব্দ মির-ইওক (যার অর্থ আগুনে পোড়া স্থান) থেকে মিরিক নামের উৎপত্তি।বিশেষ আকর্ষণ: সুমেন্দ মাহাল বা মিরিক লেক, লেকের ওপরের ইন্দ্রধনু পুল (ইন্দ্রধনু ব্রিজ) এবং চারপাশে পাইন গাছের জঙ্গল।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৫০ কিমি দূরে অবস্থিত মিরিকে গাড়ি বা বাসে অনায়াসে পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস।৭. কালিম্পং (পশ্চিমবঙ্গ)হিমালয়ের পাদদেশে তিস্তা নদীর ঠিক ওপরে অবস্থিত কালিম্পং। শান্ত আবহাওয়া ও ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যের জন্য এই শহরটির বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।বিশেষ আকর্ষণ: দূরপিন মনাস্ট্রি, ফাগু মনাস্ট্রি, বিখ্যাত ক্যাকটাস গার্ডেন এবং ব্রিটিশ আমলের মরগান হাউস।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর বা এনজিপি স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৭০ কিমি দূরত্ব।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মে মাস (তবে বর্ষায় পাহাড়ি রূপ দেখতে জুন-সেপ্টেম্বরেও অনেকে যান)।৮. শান্তিনিকেতন (পশ্চিমবঙ্গ)বাঙালির সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন উইকেন্ড ট্রিপের জন্য সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় পছন্দ।বিশেষ আকর্ষণ: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র ভবন ও মিউজিয়াম, ছাতিমতলা, আমার কুটির এবং সোনাঝুরির শনিবারের হাট।কীভাবে যাবেন: হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে বোলপুরগামী ট্রেন (যেমন কুলিক বা গণদেবতা এক্সপ্রেস)। সময় লাগে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: নভেম্বর থেকে মার্চ (পৌষ মেলা ও বসন্ত উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে)।৯. বিষ্ণুপুর (পশ্চিমবঙ্গ)বাঁকুড়া জেলার এই ঐতিহাসিক শহরটি তার প্রাচীন পোড়ামাটির (টেরাকোটা) মন্দির ও মল্ল রাজাদের ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত।বিশেষ আকর্ষণ: রাসমেঞ্চ, জোরবাংলা মন্দির, মদনমোহন মন্দির, দলমাদল কামান এবং জগৎখ্যাত বালুচরি শাড়ির বুটিক ও বয়ন কেন্দ্র।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে বাস বা ট্রেনে খুব সহজেই বিষ্ণুপুর পৌঁছানো যায়। গাড়িতে সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে জানুয়ারি।১০. খয়রাবেড়া লেক (পুরুলিয়া)পাহাড়, জঙ্গল আর প্রাকৃতিক জলাভূমির এক অপূর্ব মেলবন্ধন পুরুলিয়ার খয়রাবেড়া। শীতের মৌসুমে বহু পরিযায়ী পাখির আস্তানা হয়ে ওঠে এই লেকটি।বিশেষ আকর্ষণ: খয়রাবেড়া ড্যাম, বাঘমুণ্ডি পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাঁওতালি নাচ এবং স্থানীয় ভাদু উৎসব।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া স্টেশন (যেমন হাওয়াড়া-রাঁচি এক্সপ্রেস)। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা গাড়িতে বাঘমুণ্ডির দিকে খয়রাবেড়া।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল।পর্যটকদের জন্য বড় চমক, জঙ্গলঘেরা পরিবেশে পান শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট-এর ভাইভ! মেগা আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য১১. জয়চণ্ডী পাহাড় (পুরুলিয়া)সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে ছবির শুটিংয়ের কারণে দর্শনার্থীদের কাছে জয়চণ্ডী পাহাড়ের এক আলাদা পরিচিতি রয়েছে। অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিংপ্রেমীদের জন্য এটি দুর্দান্ত একটি স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: পাহাড়ে ওঠার সিঁড়ি ও চূড়ায় অবস্থিত প্রাচীন জয়চণ্ডী মন্দির, ফটোগ্রাফির জন্য আদিম প্রকৃতির মনোরম ভিউ।কীভাবে যাবেন: পুরুলিয়া শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, সেখান থেকে বাস বা অটোতে যাওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ।১২. বারন্তী (পুরুলিয়া)পঞ্চলকোট ও বিহারীনাথ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এক নিভৃত আদিবাসী গ্রাম বারন্তী। বারন্তী লেক ও তার সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।বিশেষ আকর্ষণ: বারন্তী লেক, পাহাড়ি পথ ধরে ট্রেকিং এবং উপজাতীয় শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ।কীভাবে যাবেন: আসানসোল বা আদ্রা স্টেশন হয়ে রঘুনাথপুর পৌঁছানোর পর সেখান থেকে স্থানীয় গাড়ি বা অটোয় বারন্তী।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।শুধু পুজো নয়, এযেন রূপকথা! এবার উত্তর কলকাতার এই বিখ্যাত পুজোমণ্ডপে ঢুকলেই শুনবেন গঙ্গার গর্জন!১৩. বামনী জলপ্রপাত (পুরুলিয়া)অযোধ্যা পাহাড়ের মাঝখানে ঘন সবুজের বুক চিরে নেমে আসা বামনী জলপ্রপাত পুরুলিয়ার অন্যতম সেরা আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: জলপ্রপাতের শীতল হাওয়া ও পাইন গাছের সুবাস। মূল জলপ্রপাতে পৌঁছাতে প্রায় ৪০০টি সিঁড়ি নামতে হয়, যা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া পৌঁছে সেখান থেকে অযোধ্যা পাহাড়ের পথে ট্যাক্সি বা ক্যাব ভাড়া করতে হয়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি।১৪. ঘাটশিলা (ঝাড়খণ্ড)ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা এই ছোট্ট শহরটির সঙ্গে বহু বাঙালি সাহিত্যিকের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিধন্য এই স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: রঙ্কিনী মাতা মন্দির, বুরুডি লেক, ফুলডুংরি পাহাড় এবং ধারাগিরি জলপ্রপাত।কীভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে মাত্র ২০০ কিমির সামান্য বেশি দূরত্ব। ইস্পাত এক্সপ্রেস বা মেমু ট্রেনে ৩-৪ ঘণ্টায় সরাসরি পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

সোনার দামে রেকর্ড পতন, দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতায় জলের দরে হলুদ ধাতু

আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার মধ্যে ভারতের বাজারে সোনা ও রুপোর দামে ফের বদল লক্ষ্য করা গেল। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে দাঁড়িয়েছে ১,৪৮,৮৬০ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১০ গ্রামে ১,৩৬,৪৪৫ টাকা। একই সময়ে রুপোর দাম প্রতি কেজিতে রয়েছে ২,২৫,৩০০ টাকা। Bullion.co.in-এর তথ্য অনুযায়ী এই দামগুলি প্রকাশ করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) সোনা ও রুপোর দামে আরও পতন দেখা যায়। অক্টোবর মেয়াদের সোনার ফিউচার ১০ গ্রামে ১,৪৬,২৩২ টাকায় লেনদেন শেষ করে। অন্যদিকে রুপোর ফিউচার প্রতি কেজিতে ২,২৫,৪৫০ টাকায় সেশন শেষ করে।বিশ্ববাজারে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বহু বছরের উচ্চতার কাছাকাছি থাকায় সোনা-রুপোর মতো সুদ না দেওয়া সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং চলতি বছরে ফেডারেল রিজার্ভের আরও সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও মূল্যবান ধাতুর বাজারে প্রভাব ফেলছে। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কাও বাজারে রয়েছে।আন্তর্জাতিক বাজারে COMEX-এ সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪,২০৮.৯ ডলার, যা আগের দামের তুলনায় ২৯.২ ডলার বা ০.৭০ শতাংশ বেশি ছিল। একই সময়ে রুপোর দাম ছিল ৬১.৪৫ ডলার প্রতি আউন্স, যা প্রায় ০.৪৯ শতাংশ বেড়েছে।শহরভিত্তিক ২৪ ক্যারেট সোনার দামমুম্বই: ১,৪৮,৫৯০ প্রতি ১০ গ্রামদিল্লি: ১,৪৮,৩৪০ প্রতি ১০ গ্রামচেন্নাই: ১,৪৯,০৩০ প্রতি ১০ গ্রামকলকাতা: ১,৪৮,৪০০ প্রতি ১০ গ্রামবেঙ্গালুরু: ১,৪৮,৭১০ প্রতি ১০ গ্রামহায়দরাবাদ: ১,৪৮,৮৩০ প্রতি ১০ গ্রাম২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে মুম্বইয়ে দাম ১,৩৬,২০৮ টাকা, দিল্লিতে ১,৩৫,৯৭৮ টাকা, চেন্নাইয়ে ১,৩৬,৬১১ টাকা, কলকাতায় ১,৩৬,০৩৩ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ১,৩৬,৩১৮ টাকা এবং হায়দরাবাদে ১,৩৬,৪২৮ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম।আজকের রুপোর দামবুধবার ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,২৫,৩০০ টাকা। অন্যদিকে ৯২৫ স্টার্লিং রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,০৮,৪০৩ টাকা। শহরভেদে ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম মুম্বইয়ে ২,২৪,৮৯০ টাকা, দিল্লিতে ২,২৪,৫১০ টাকা, চেন্নাইয়ে ২,২৫,৫৫০ টাকা, কলকাতায় ২,২৪,৬০০ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ২,২৫,০৭০ টাকা এবং হায়দরাবাদে ২,২৫,২৫০ টাকা প্রতি কেজি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

১ অক্টোবর থেকে চালু নতুন নিয়ম, LPG-র e-KYC না থাকলেই সর্বনাশ ,কীভাবে চেক করবেন স্টেটাস?

LPG e-KYC: অক্টোবরের শুরুতেই LPG গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে পরিবর্তন আসতে চলেছে। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অক্টোবর মাস। আর ১ অক্টোবর থেকে LPG সংযোগের e-KYC নিয়ে কড়া নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। যাঁরা এখনও তাঁদের গ্যাস সংযোগের e-KYC সম্পূর্ণ করেননি, তাঁরা LPG ভর্তুকির সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে তাঁদের বাজারদরেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হতে পারে।LPG ভর্তুকির সুবিধা চালু রাখতে গ্রাহকদের e-KYC সম্পূর্ণ করা জরুরি। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা বলা হয়েছে। তবে শুধু e-KYC করলেই হবে না, সেটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বাকি থাকার কারণে অনেক সময় e-KYC করেও স্ট্যাটাসে তা প্রতিফলিত নাও হতে পারে।ইন্ডেন গ্রাহকরা কীভাবে e-KYC স্ট্যাটাস দেখবেন?ইন্ডেনের গ্রাহকরা IndianOil One মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাপে লগইন করে হোম পেজের মেনু অপশনে যেতে হবে। এরপর My Profile বা আমার প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে e-KYC বা Re-KYC Status দেখা যাবে। যদি সেখানে KYC Status Valid লেখা থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যাবে যে KYC প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।HP Gas গ্রাহকদের জন্য কী নিয়ম?HP Gas-এর গ্রাহকরা myhpgas.in ওয়েবসাইটে গিয়ে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করার পর গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্যের অংশে যেতে হবে। সেখানে KYC Status অপশন থেকে আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে কি না, নাকি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তা জানা যাবে।Bharat Gas গ্রাহকরা কীভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন?Bharat Gas গ্রাহকদের e-KYC স্ট্যাটাস জানতে ebharatgas.com-এ গিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর Check KYC Status অপশনে গিয়ে স্ট্যাটাস যাচাই করা যাবে। সেখানে যদি Aadhaar Number Linked এবং KYC Verified দেখা যায়, তাহলে e-KYC প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে।e-KYC স্ট্যাটাস Pending দেখালে কী করবেন?e-KYC স্ট্যাটাস যদি Pending দেখায়, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট LPG সংস্থার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহকরা অনলাইন এবং অফলাইনদুই মাধ্যমেই e-KYC করার সুযোগ পেতে পারেন। তাই ভর্তুকির সুবিধা নিয়ে কোনও সমস্যা এড়াতে e-KYC সম্পূর্ণ করার পাশাপাশি তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ম্যাচের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণ, কলকাতায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষ আয়োজন

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারতীয় ফুটবল দল। এর তিন দিন পর, ৬ অক্টোবর একই মাঠে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সূচি অনুযায়ী, দুই ম্যাচই কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে।ব্রাজিলের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলের ঘোষিত দলে রয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, এন্ড্রিক, এস্তেভাও, জোয়াও পেদ্রো, ব্রুনো গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ, মারকুইনহোস এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের মতো একাধিক তারকা ফুটবলার।ব্রাজিলের দলটি ২৬ সদস্যের। কোচ কার্লো আনচেলোত্তির বেছে নেওয়া এই দলে অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি বেশ কয়েক জন তরুণ ফুটবলারও রয়েছেন। ফলে কলকাতায় ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগের সন্ধ্যায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে দলের প্রতিনিধিদের রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলে সূত্রের খবর। ভারতীয় দলের প্রতিনিধিদেরও ওই অনুষ্ঠানে থাকার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই নৈশভোজের বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও সামনে আসেনি। তাই অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত আয়োজন এবং কারা উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন হতে পারে।৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও প্রস্তুতি চলছে। গ্যালারি, প্রবেশপথ, মাঠ এবং দর্শকদের বিভিন্ন পরিষেবা উন্নত করার কাজ করা হচ্ছে। বিপুল দর্শক সমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ব্যবস্থাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।ম্যাচের দিন গ্যালারিতে মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির সম্ভাবনার কথা জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যও ম্যাচ দেখতে কলকাতায় আসতে পারেন বলে আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে তাঁর উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত নয়।ভারতের সামনে অবশ্য কঠিন দুই পরীক্ষা। প্রথমে ৩ অক্টোবর ব্রাজিল এবং তারপর ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। দুই দলই সদ্য বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলেছে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও জানিয়েছে, এই ম্যাচগুলি ভারতীয় দলের জন্য উচ্চমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।ব্রাজিলের দলে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মারকুইনহোস এবং ব্রুনো গিমারায়েসের মতো তারকারা থাকায় ৩ অক্টোবরের ম্যাচ নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যাশা তুঙ্গে। ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাজিল ৪-২ গোলে জিতেছে। সেই ম্যাচে ভিনিসিয়াস জুনিয়র পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং ব্রুনো গিমারায়েসও গোল করেন। রাফিনিয়া চোটের কারণে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন, তাই কলকাতার ম্যাচে তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকেও নজর থাকবে।সব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচকে ঘিরে কলকাতায় এখন থেকেই উৎসবের আবহ। যুবভারতীর মাঠে দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচের আগে সম্ভাব্য বিশেষ আয়োজন এবং গ্যালারিতে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি এই ফুটবল সন্ধ্যাকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লজেন্স কুড়োতে গিয়ে বিপত্তি! রেজিনগরে প্রচার গাড়ির সামনে পড়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

রেজিনগরে বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত শিশুটির নাম জাসমিনা খাতুন। পরিবারের অভিযোগ, রবিবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার চলার সময় প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে মাটিতে পড়ে গুরুতর জখম হয় জাসমিনা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।পরিবারের দাবি, প্রচারের গাড়ি এলাকায় আসার পর বাজনার শব্দ শুনে অন্যদের সঙ্গে জাসমিনাও সেখানে ছুটে গিয়েছিল। সেই সময় গাড়ি থেকে শিশুদের জন্য লজেন্স ছোড়া হচ্ছিল। লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত লাগে বলে পরিবারের অভিযোগ।আহত অবস্থায় প্রথমে জাসমিনাকে বেলডাঙা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানিয়েছে।মৃত শিশুটির আত্মীয় ইউসুফ শেখের দাবি, প্রচার চলাকালীন বাজনার আওয়াজ শুনে শিশুরা সেখানে গিয়েছিল। প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পায়। এরপর তাকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।ঘটনাকে ঘিরে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখের বক্তব্যও সামনে এসেছে। তাঁর দাবি, শিশুদের জন্যই লজেন্স ছোড়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী ভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাঁদের জানা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার কথাও বলেছেন প্রার্থী।অন্য দিকে, এই ঘটনায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর বক্তব্য, ঘটনা ঘটার পরেই সংশ্লিষ্ট নেতাদের শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে মৃত শিশুটির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।রেজিনগরে উপনির্বাচনের প্রচার ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ রয়েছে। বিভিন্ন দল নিজেদের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছে। তার মধ্যেই প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের শিশুর জখম হওয়া এবং পরে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে জাসমিনার মৃত্যুর সঠিক কারণ, কী ভাবে সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছিল এবং ঘটনার সঙ্গে প্রচার গাড়ির কার্যকলাপের সরাসরি সম্পর্ক কতটাতা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই স্পষ্ট হবে। পরিবারের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal