• ৯ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ২৩ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Blast

রাজ্য

ভাঙড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই হেরে নিভে গেল শিশুর জীবন

ভাঙড়ের রাস্তা সংস্কারের কাজ চলাকালীন কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হওয়া বালক শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানল। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। বুধবার ভোরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তার শরীরের প্রায় পঁচানব্বই শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। গোটা এলাকাজুড়েও নেমে এসেছে শোকের আবহ। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, ক্যানিং বিধানসভার অন্তর্গত ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল কয়েক দিন আগে। মঙ্গলবার বিকেলে রাস্তার ধারে প্রায় দুইশো লিটার লাইট ডিজেল অয়েল ভর্তি একটি ড্রাম পড়ে ছিল। সেই ড্রামের পাশেই আট থেকে দশ বছর বয়সী চার শিশু খেলছিল। আচমকাই বিকট শব্দে ড্রামটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় সাদিকুল মারাত্মকভাবে ঝলসে যায় এবং বাকি তিনজনও দগ্ধ ও আহত হয়। অসহ্য যন্ত্রণায় একজন পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয় বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত শিশুদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রথমে নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনজনকে কলকাতার এম আর বাঙুর হাসপাতাল এ স্থানান্তর করা হয়। আহতদের মধ্যে সাদিকুলের অবস্থা সবচেয়ে আশঙ্কাজনক ছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত ভোরে তার মৃত্যু হয়।অন্য দুই আহত বালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর ভাঙড় এলাকায় পৌঁছন ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে বোমা স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।রাস্তা মেরামতির কাজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না এবং দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বিদেশ

মসজিদের গেটে বিস্ফোরণ, চারদিকে ছড়িয়ে দেহ—ভয়ংকর ছবি পাকিস্তানে

ফের বিস্ফোরণে রক্তাক্ত পাকিস্তান। জুম্মার নামাজ চলাকালীন ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা হল শিয়াদের মসজিদে। তাও আবার দেশের রাজধানী ইসলামাবাদের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে। শুক্রবার দুপুরে শেহজাদ টাউন এলাকার টারলাই ইমামবাড়ার শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ গুরুতর জখম হয়েছেন।পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও টিভি জানিয়েছে, জুম্মার নামাজের সময় মসজিদের মূল নামাজস্থলকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল জঙ্গির। তবে সে ভিতরে ঢুকতে পারেনি। ইসলামাবাদ পুলিশের দাবি, মসজিদের প্রবেশপথেই ওই আত্মঘাতী বোমারুকে আটকে দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তখনই সুইসাইড ভেস্ট পরা জঙ্গি নিজেকে উড়িয়ে দেয়।বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় শুরু হয় তীব্র আতঙ্ক। পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মসজিদের চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে রক্তাক্ত দেহ ও ধ্বংসস্তূপ।রয়টার্সকে ইসলামাবাদের এক পুলিশ আধিকারিক জানান, বেশ কয়েকটি দেহ ও আহতদের ইতিমধ্যেই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। তাঁর কথায়, বহু দেহই ঘটনাস্থলে নিথর অবস্থায় পড়ে ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় ওই শিয়া মসজিদে প্রায় ৫০০ জনের বেশি মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ফলে মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানে অতীতেও একাধিকবার শিয়া সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। খাইবার পাখতুনখোয়া ও পঞ্জাব প্রদেশে আগেও এই ধরনের হামলা চালিয়েছে সুন্নি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি। এই ঘটনার পর ইসলামাবাদ জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ এই হামলার জন্য তালিবানদের দায়ী করেছেন। গোটা ঘটনাকে কার্যত যুদ্ধপরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গিগোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য প্রাণ বাঁচল ২০২ পরীক্ষার্থীর! মাধ্যমিক কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যদিও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।সোমবার নির্ধারিত সময়েই নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়। ওই কেন্দ্রে বালাভূত হাই স্কুল, বালাভূত বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ এবং কৃষ্ণপুর স্কুলের মোট ২০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎই স্কুলের ক্যান্টিনে চা বানানোর সময় একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়।মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে স্কুল চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা দ্রুত সাহসিকতার পরিচয় দেন। তাঁরা জ্বলন্ত গ্যাস সিলিন্ডারটি টেনে দ্রুত স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে।দমকল বাহিনী পৌঁছনোর আগেই বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডারটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই পরীক্ষা ছেড়ে দ্রুত স্কুলের মাঠে বেরিয়ে আসেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তুফানগঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার-সহ জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল বসাক জানান, পুলিশের তৎপরতার জন্যই বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সিলিন্ডারটি ফাঁকা মাঠে বিস্ফোরিত হওয়ায় কেউ আহত হননি।পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা আবার শান্তভাবে পরীক্ষায় বসেন এবং নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের বিজয় মিছিলে কিশোরীর মৃত্যু, ৬ মাস পর চরম সিদ্ধান্ত তামান্নার মায়ের

ছয় মাস আগে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া বোমায় প্রাণ হারিয়েছিল নাবালিকা তামান্না খাতুন। সেই ঘটনার পর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন তাঁর মা সাবিনা ইয়াসমিন। অবশেষে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হল তাঁকে। বর্তমানে তিনি শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।পরিবারের দাবি, মেয়ের খুনের ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। এখনও সব অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়নি। এই অনিশ্চয়তা এবং লাগাতার আতঙ্কের জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে খাবার খাওয়ার পর সাবিনা ইয়াসমিন অতিরিক্ত কয়েকটি ঘুমের ওষুধ খান। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে পলাশী মীরা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৩ জুন নদিয়ার কালীগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন তৃণমূলের বিজয় উৎসব চলাকালীন বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তামান্না খাতুনের। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, মোট অভিযুক্তের সংখ্যা আরও বেশি এবং অনেকেই এখনও বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মামলা আদালতে চললেও বিচার আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে পরিবারে সংশয় রয়েছে।তামান্নার পরিবারের অভিযোগ, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা জামিনে ছাড়া পেয়ে গেলে ফের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের দিক থেকে নানা হুমকিও আসছে বলে দাবি। এই আতঙ্কেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তামান্নার মা।তামান্নার কাকা রবিউল শেখ বলেন, মেয়ের মৃত্যুর পর থেকেই সাবিনা ইয়াসমিন শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। নিয়মিত ওষুধ খেতেন। এখনও অনেক অভিযুক্ত ধরা পড়েনি। যাঁরা ধরা পড়েছেন, তাঁরা জামিন পেলে ফের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। এই ভয় আর চাপই তাঁকে চরম অসুস্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
বিদেশ

ঢাকার কেরানিগঞ্জে মাদ্রাসা ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নারী-শিশুসহ চারজন আহত

ঢাকার কেরানিগঞ্জ থানার হাসনাবাদ এলাকায় উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনে শুক্রবার দুপুরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে নারী ও শিশু-সহ চারজন আহত হন। মুহূর্তের মধ্যে ভবনের কয়েকটি কক্ষের দেয়াল উড়ে যায়। দুই কক্ষের দেয়াল সম্পূর্ণ ধসে পড়ে এবং ছাদ ও বিমে ফাটল দেখা দেয়। পাশের ভবনের দেয়াল ও জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।মাদ্রাসায় প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় কোনও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন না, ফলে প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গেছে।বিস্ফোরণে মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লা (৭) আহত হয়েছেন। আহতদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, বিস্ফোরণে তাদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে এবং ঘরের আসবাবপত্রও ভেঙে পড়েছে। এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি গাড়ি গ্যারেজে রাখার সময় ইটের আঘাতে অজ্ঞান হয়ে যান।ভবনের মালিক পারভীন বেগম জানিয়েছেন, তিন বছর ধরে মাদ্রাসাটি ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করতেন মুফতি হারুন। তিনি মাঝে মাঝে মাদ্রাসায় আসতেন, কিন্তু ভবনের আড়ালে কী ঘটছিল, তা বুঝতে পারেননি। পুলিশ ভবনের ভেতর থেকে ককটেল, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।দক্ষিণ কেরানিগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল আলম জানিয়েছেন, বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করেছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ক্রাইম সিন ইউনিট ও বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট তদন্ত চালাচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
বিদেশ

বোমা বিষ্ফোরণে কেঁপে উঠলো ঢাকা, মৃত্যু এক, অপরাধ-হিংসা বেড়েই চলেছে বাংলাদেশে

ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার পর থেকে বাংলাদেশ উত্তপ্ত। তারপর ময়মনসিংহের দীপুচন্দ্র দাসকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে নৃশংসভাবে খুন করেছে জেহাদীরা। চট্টগ্রামে হিন্দু বাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে। অতপর আজ, বুধবার ঢাকায় নিউ ইস্কাটনে ককটেল বোমা নিক্ষেপ করেছে দুষ্কৃতীরা। সেই বোমায় মৃত্যু হয়েছে একজনের। ইউনূস সরকারের আমলে একের পর এক অপরাধ ঘটেই চলেছে। বড়সড় প্রশ্নের মুখে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব।প্রথম আলো সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে ফ্লাইওভার থেকে ছোড়া ককটেলের বিস্ফোরণে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার রাত পৌনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে এটাকে বোমার বিস্ফোরণ বলেছিল।এ বিষয়ে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, রাত পৌনে ৮টার দিকে নিউ ইস্কাটনের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ফটকের সামনে শক্তিশালী ককটেলের বিস্ফোরণ হয়। এ সময় ওই যুবক গুরুতর আহত হন। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশের উপকমিশনার মাসুদ আলম জানান, নিহত ব্যক্তির নাম সিয়াম বলে জানা গেছে। তিনি সেখানে চা খেতে এসেছিলেন। ওপর থেকে ককটেল এসে তাঁর মাথার ওপর পড়ে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে নির্বাচনে লড়াই করার প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলি। খালেদাপুত্র তারেক রহমানের আগামী কাল বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষ্যে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে সরকার। পাশাপাশি তাঁকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত বিএনপি নেতা-কর্মীরা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তিনি বাংলাদেশে ফিরছেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের সূত্র ধরে নতুন করে চাঞ্চল্য! কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় একযোগে NIA হানা

সোমবার ভোররাতেই জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা, শোপিয়ান এবং কুলগাম জেলার আটটি এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। হঠাৎ এই অভিযানে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে হওয়া সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত একটি হোয়াইট কলার টেরর মডিউল-এর খোঁজেই এই তল্লাশি অভিযান।সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শোপিয়ানে মৌলবী ইরফান আহমেদ ওয়াগের বাড়িতেও তল্লাশি চালান এনআইএ আধিকারিকরা। এই মৌলবীকে গত অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বর্তমানে সে এনআইএর হেফাজতেই রয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দিল্লি বিস্ফোরণ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা হোয়াইট কলার টেরর নেটওয়ার্কের মূল মাথা সে-ই হতে পারে।এছাড়াও শ্রীনগরে জইশের পোস্টার ছড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্ত আদিল র্যাদারের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গি যোগাযোগের বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট। ধৃত কয়েকজন চিকিৎসকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগ থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। এই সূত্র ধরেই রবিবার দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ থাকতে পারে। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, পঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে এই তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের সঙ্গে সম্ভবত পাকিস্তানি গুপ্তচর শেহজাদ ভাটির যোগ রয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
দেশ

২৫ জায়গায় একযোগে তল্লাশি, জেরা চেয়ারম্যান— আল ফালাহ নিয়ে কেন এত সন্দেহ?

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলছে। এবার সরাসরি তদন্তকারীদের নজর গিয়ে পড়ল ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে। মঙ্গলবার সকাল হতেই ইডি দিল্লির অফিসে হানা দিয়ে শুরু করে তল্লাশি। শুধু দিল্লি নয়, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত মোট ২৫টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছেন আধিকারিকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকির বাড়িতেও পৌঁছে যায় ইডি। সেখানেই তাঁকে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্নে জেরা করা হচ্ছে বলে খবর।আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পিএমএলএ আইনে মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেনের বড় অংশই পরিষ্কার নয়। এমনকী কিছু টাকা বেআইনি কাজে বা জঙ্গি তৎপরতার চক্রে ঢুকে গিয়েছে কি না, সেদিকেও নজর দিচ্ছে ইডি। কারণ বিস্ফোরণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক চিকিৎসকের নাম উমর-উন-নবি, ডক্টর মুজাম্মিল, ডক্টর শাহীন সইদসহ আরও কয়েকজন। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এই চিকিৎসকদের অ্যাকাউন্টে যে মোটা অঙ্কের লেনদেন ধরা পড়েছে, তা কোনওভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে গেছে কি না। যদি গিয়ে থাকে, তা কী উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, তারও উত্তর খুঁজছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।শুধু ইডিই নয়, আলাদা ভাবে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশের আর্থিক দুর্নীতিদমন শাখা। অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থাও পরিস্থিতি খুব কাছ থেকে নজর রাখছে। ফলে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে একের পর এক প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।দিল্লির লালকেল্লার সামনে ১০ নভেম্বর ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তদন্তে নেমেছে এনআইএ। তারই মাঝেই বিশ্ববিদ্যালয়-সংক্রান্ত আর্থিক যোগসূত্র সামনে আসায় তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। বিস্ফোরণের পরবর্তী তদন্ত এখন একেবারে নতুন দিকের দিকে মোড় নিচ্ছে, এবং তাতে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা এখন তদন্তের কেন্দ্রে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণের আগেই ‘সুইসাইড বোমার’ হওয়ার প্রস্তুতি! জেরায় ফাঁস দানিশের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। আত্মঘাতী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেনএমনই সন্দেহে পাকড়াও করা হল উমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জাশির বিলাল ওয়ানিকে, যাঁকে দানিশ নামেই চিনত গোটা শ্রীনগর। এনআইএ-র একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে প্রথমে তাঁকে শ্রীনগরেই আটক করে। পরে জেরা চলতে থাকতেই উঠে আসে বিস্ফোরণের দিনেদুজনের ভূমিকাসহ একাধিক চমকে দেওয়া তথ্য। দিন তিনেক আগে অনন্তনাগে গোপনে লুকিয়ে থাকা দানিশকে পাকড়াও করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, দিল্লি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা টেবিলে বসেই উমরের সঙ্গে মিলিতভাবে তৈরি করেছিলেন তিনি। শুধু পরিকল্পনাই নয়আত্মঘাতী হামলায় অংশ নেওয়ার জন্য মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন দানিশ নিজেও। শেষ মুহূর্তে কোনও অজানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত আর বাস্তবায়িত হয়নি। কিন্তু তার আগেই হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় শ্রীনগরের এই যুবক।তদন্তকারীদের কাছে দানিশ স্বীকার করেছেন, কাশ্মীরের একটি মসজিদে উমরের সঙ্গে প্রথম আলাপ। সেখান থেকেই সম্পর্ক ঘনিয়ে ওঠে। উমরের প্রভাবেই তাঁর মনে জিহাদের পথে পা বাড়ানোর ইচ্ছা জন্মায়। ধীরে ধীরে আত্মঘাতী হামলার জন্য নিজের মনকে তৈরি করতে শুরু করেন তিনি। তদন্তকারীরাও বিস্মিতকারণ দানিশ বুদ্ধিমত্তায় ও প্রযুক্তিগত দক্ষতায় অত্যন্ত চৌকস। ড্রোন, রকেট-লঞ্চারের মতো জটিল অস্ত্র তৈরি করতে তাঁর দক্ষতার কথাও উঠে এসেছে জেরায়। এমনকি, দিল্লি বিস্ফোরণের জন্য ব্যবহৃত মারাত্মক বিস্ফোরক তৈরিও দানিশই নাকি করেছিলেন, যা পরে তিনি তুলে দেন উমরের হাতে।এখন দফায় দফায় জেরা চলছে। দানিশের কাছ থেকে বেরিয়ে আসছে বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যের অজানা সুত্র। কিন্তু ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আর-একটি পতন ঘটে দানিশের পরিবারের উপরছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গি-যোগের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে তাঁর বাবা। বাড়ির মধ্যেই আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। গোটা এলাকায় নেমে আসে স্তব্ধতা ও শোকের ছায়া।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

হাওয়া অফিস নয়, গোয়েন্দারা বলছেন—আল-ফালাহ এখন ‘হাই আলার্ট’ এলাকায়

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন চমক সামনে আসছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ যে তথ্য উঠে এসেছে, তা হল আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উল-নবি আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই গোটা তদন্তের মোড় ঘুরে যায়। কারণ গত চার দিনে একের পর এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি, এবং তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গেই কোনও না কোনওভাবে জুড়ে রয়েছে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। এই সংযোগই এখন সবচেয়ে বড় ধাঁধা।দিল্লি পুলিশ ও এনআইএর সন্দেহ আরও বেড়েছে কারণ যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই উচ্চশিক্ষিত চিকিৎসক। কিন্তু অভিযোগ বলছে তাঁদের আড়ালে চলত নাশকতার পরিকল্পনা, বিস্ফোরক পরিবহন, লজিস্টিক তৈরি থেকে শুরু করে জঙ্গিদের আর্থিক সহায়তা পর্যন্ত। এই তথ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠছেতাহলে কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালেই তৈরি হতো জঙ্গি মডিউল?আরও ভয়ঙ্কর প্রশ্নএটা কি কেবল কয়েকজনের কাজ? নাকি কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক কাজ করত ক্যাম্পাসের মধ্যে? তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, আল-ফালাহ মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই কড়া নজরদারিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস থেকে নথি জব্দ করা হয়েছে, হঠাৎ গায়েব হয়ে যাওয়া ১৫ জন চিকিৎসকের ফোনও ট্রেস করা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতির পাশাপাশি নাশকতায় জড়িত থাকার সন্দেহও প্রবল হচ্ছে।দিল্লি বিস্ফোরণের দিন গাড়িতে থাকা ডঃ উমর নাকি হাওয়ালা রুটে পেয়েছিলেন ২২ লক্ষ টাকাএই তথ্য তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। টাকা কোথা থেকে এল, কে পাঠাল, কেনই বা পাঠানো হলসবই এখন তদন্তের বড় প্রশ্ন।সমগ্র ঘটনাকে ঘিরে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সাধারণ ছাত্রছাত্রী থেকে স্থানীয় মানুষ সকলের মধ্যেই আতঙ্কশিক্ষার জায়গায় কীভাবে গড়ে উঠল এমন বিপজ্জনক চক্র?

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণ! এবার উদ্ধার সেনাবাহিনীর কার্তুজ, তীব্র ধন্দে তদন্তকারীরা

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার সামনে এল এমন তথ্য, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম ক্যালিবারের তিনটি কার্তুজযার মধ্যে দুটি তাজা এবং একটি ফাঁকা শেল। সাধারণ মানুষের হাতে এ ধরনের কার্তুজ থাকে না। সাধারণত সেনাবাহিনী বা বিশেষ অনুমোদনপ্রাপ্ত সংস্থার কাছেই এই ধরনের কার্তুজ থাকে। ফলে বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে তীব্র রহস্য।সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি। তাই প্রশ্ন উঠছেকার্তুজগুলি কি বিস্ফোরণের সময়ই ছিল, নাকি পরে কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাখা হয়েছে তদন্তকে ঘোলাটে করতে? ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি কার্তুজ খতিয়ে দেখছেন। সেগুলির উৎপত্তি থেকে শুরু করে ব্যবহারের সম্ভাব্য সময়সবই যাচাই হচ্ছে দ্রুতগতিতে।এদিকে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং এনআইএ তদন্ত আরও জোরদার করেছে। বিশেষত আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিক্যাল কলেজের একাধিক কর্মীর উপর নজর বাড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ কোনও যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিস্ফোরণের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ১৫ জন চিকিৎসকের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে সন্দেহ আরও গভীর হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।তদন্তকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখলা অফিসেও হানা দিয়েছেন এবং বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করেছেন। বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে ছিলেন ডঃ উমর। জানা গিয়েছে, তিনি বিভিন্ন হাওয়ালা রুটের মাধ্যমে ২২ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং তার ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী ছিল, তাও এখন তদন্তের কেন্দ্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। লালকেল্লার মতো সংবেদনশীল এলাকার পাশে বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক তথ্য সামনে আসায় গোটা রাজধানীতে আবারও ছড়িয়েছে উদ্বেগ।তদন্ত যত এগোচ্ছে, রহস্য ততই গভীর হচ্ছে। কার্তুজ উদ্ধার, নিখোঁজ চিকিৎসক, হাওয়ালা লেনদেনসব মিলিয়ে বিস্ফোরণের পেছনে কোনও বড় চক্র সক্রিয় থাকার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এখনও পাওয়া তথ্য বরফের চূড়া মাত্র। আসল সূত্র পাওয়া গেলে উঠে আসতে পারে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণের ‘মাস্টারমাইন্ড’ চিকিৎসক আফগানিস্তানে? ইন্টারপোলের পাহারা বাড়াল ভারত

দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নয়া মোড়। তদন্তে সামনে এসেছে দক্ষিণ কাশ্মীরের এক চিকিৎসকের নামমুজাফ্ফর রাঠার। তিনি এই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর থেকেই পলাতক মুজাফ্ফর পাকিস্তান পেরিয়ে আফগানিস্তানে আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারে। তাকে ধরতেই এবার ইন্টারপোলের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। লক্ষ্যরেড কর্নার নোটিস জারি।মুজাফ্ফর রাঠার হলেন আরও এক অভিযুক্ত চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাঠারের ভাই। জানা গিয়েছে, দুজনেই দক্ষিণ কাশ্মীরের কাজিগান্দ এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেছেন, ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল মুজাফ্ফরের। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে তার নাম। পাশাপাশি সামনে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য২০২১ সালে উমর নবি এবং মুজাম্মিলের সঙ্গে তুরস্কে গিয়েছিলেন মুজাফ্ফর। সেখানে গিয়েই তিনজনের প্রশিক্ষণ নেওয়ার খবর মিলেছে তদন্তে।তদন্ত অনুযায়ী, গত আগস্ট মাস থেকেই দেশছাড়া মুজাফ্ফর। সেই থেকেই তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। নাম ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই জম্মুকাশ্মীর পুলিশ রেড কর্নার নোটিসের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তদন্তকারী দলের এক সদস্য জানিয়েছেন, বর্তমানে এই তদন্তের দায়িত্ব রয়েছে এসআইএ-র হাতে। তাই রাজ্য পুলিশ সরাসরি ইন্টারপোলের কাছে যেতে পারে না। কেন্দ্রীয় সংস্থার মারফতই রেড কর্নার নোটিসের আবেদন পাঠানো হবে।এর মধ্যেই লালকেল্লা বিস্ফোরণ-কাণ্ড আরও চাপ বাড়িয়েছে তদন্তকারীদের উপর। কয়েকদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ঐতিহাসিক লালকেল্লা চত্বর। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৩ জনের। ঘটনার পর থেকেই একাধিক রাজ্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কিছু চিকিৎসক। শুক্রবার বাংলা থেকেও এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ।বিস্ফোরণের তদন্তে উঠে আসা চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে আদিল আহমেদ রাঠার, মুজাফ্ফর আহমেদ, মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সইদের। ফলে তাঁরা আর ভারতে কোনও হাসপাতাল অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা পেশা চালাতে পারবেন না। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিস্ফোরণ-কাণ্ডের নেপথ্যে সংগঠিত নেটওয়ার্ক ছিল, যার আঁতুড়ঘর কাশ্মীর থেকে বিদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, তার, জ্বালানি—গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরণের কারখানা! চাঞ্চল্যকর তথ্য

লালকেল্লার কাছে যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার তদন্তে এবার উঠে এল আরও ভয়াবহ তথ্য। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ধৃত জঙ্গি-চিকিৎসক উমর নবি নাকি আই-২০ গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি করেছিল। যে ৫০টিরও বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই কিলোগ্রামেরও বেশি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়েছিল দিল্লির ওই বিস্ফোরণে। সঙ্গে ছিল পেট্রোলিয়াম জাতীয় এক ধরনের জ্বালানি। গোয়েন্দাদের কথায় এটা ঠিক সেই ধরনের বিস্ফোরক, যা খনি এলাকায় ব্যবহৃত হয়।আই-২০ গাড়ির ধ্বংসাবশেষে মেলে সরু তার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের চিহ্ন এবং জ্বালানির দাগ। এখান থেকেই সন্দেহ প্রবল হয়গাড়িতেই কি বিস্ফোরক বানায় উমর? তদন্তকারীরা বলছেন, ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই এই ধরনের বিস্ফোরক তৈরি করা যায়। আর সব তথ্য মিলিয়ে তাঁরা এখন প্রায় নিশ্চিতগাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি হয়েছিল।তবে প্রশ্ন একটাইবিস্ফোরণ কি লালকেল্লার সামনেই করার পরিকল্পনা ছিল? নাকি আরও জনবহুল জায়গায়? সোমবার লালকেল্লা বন্ধ থাকে, তাই গোয়েন্দাদের মনে আরও সন্দেহ। পরিকল্পনা কি আসলে ছিল অন্য জায়গা টার্গেট করার?জেরায় ধৃতরা আরও স্বীকার করেছে যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশ ছাড়ার ছক ছিল মুজাম্মিল-শাহিনদের। তাঁদের লক্ষ্য ছিল কাতার বা তুরস্কে পালিয়ে অন্তত ছয় মাস লুকিয়ে থাকা। সেই উদ্দেশ্যে অনলাইনে নতুন পাসপোর্টের আবেদনও করেছিলেন তাঁরা। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই সেই পুলিশ অফিসারের সঙ্গে কথা বলছেন, যিনি আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে গিয়ে তাঁদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করেছিলেন। সব নথি আদৌ ঠিক ছিল কিনা, সেটাই এখন তদন্তের অন্যতম বড় প্রশ্ন।সূত্র বলছে, ৯-১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই শাহিন, মুজাম্মিল ও আদিল দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল। আর উমর নবি কাশ্মীরে গিয়ে জঙ্গি ডেরায় লুকোতে চেয়েছিল। জেরা করে গোয়েন্দারা আরেকটি ভয়ংকর তথ্যও পেয়েছেন৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনই তৈরি হয়েছিল এই বড় নাশকতার ছক।মুজাম্মিল ও শাহিনের নথিতে সমস্যা না থাকলেও, আদিলের নথিতে একাধিক গরমিল ধরা পড়েছে। নিজের বাড়ির ঠিকানা না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা দাখিল করেছিল আদিল, অথচ কোনও প্রমাণপত্র দিতে পারেনি। তদন্তকারীদের সন্দেহ, অধিকাংশ নথিই জাল। যে পুলিশকর্মীরা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের কাজ করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায়। এমনকি শাহিনের পাসপোর্টের ছবি তুলতে গিয়েও মোবাইলে ছবি তোলে সেই অফিসারএটিও নজরে এসেছে তদন্তকারীদের।ক্রমশ এই বিস্ফোরণকাণ্ড এক ভয়ংকর জঙ্গি-চক্রের দিকে আঙুল তুলছে, আর উঠে আসছে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা নাশকতার পরত-ওপর-পরত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

এক ঝটকায় উড়ে গেল থানার অর্ধেক অংশ! নওগাম বিস্ফোরণ নিয়ে কী বললেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

নওগাম থানার ভয়াবহ বিস্ফোরণ নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। শুক্রবার গভীর রাতে থানার একটি বড় অংশ উড়ে যায়, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপ, আর তার মাঝেই প্রাণ হারান ৯ জন। প্রায় ৩০ জনের বেশি আহত হয়ে হাসপাতালের বেডে ছটফট করছেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। শুরু হয় সন্দেহএ কি আরেক নতুন নাশকতা? কারণ দিল্লির বিস্ফোরণে ব্যবহার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গেই মিল পাওয়া গিয়েছিল নওগামের বিস্ফোরকটির।কিন্তু শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে যুগ্ম কমিশনার প্রশান্ত লোখান্ডে জানিয়ে দেন, এটা কোনও নাশকতা নয়, পুরোপুরি দুর্ঘটনা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। সেই সময়ই হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। কীভাবে, কেনএই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্ত শেষ হলেই সব তথ্য জানানো হবে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে। বিশেষ বিষয়, সাংবাদিক বৈঠকে জঙ্গি হামলা বা নাশকতার কোনও উল্লেখই করা হয়নি।জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল নলীন প্রভাতও একই দাবি করেন। তিনি জানান, ৩৬০ কেজি বিস্ফোরক ফরিদাবাদে এক চিকিৎসকের ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করার পর সেটি নওগাম থানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম মাফিক খোলা জায়গায় বিস্ফোরক সুরক্ষিত ছিল। কিন্তু নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে আচমকাই ঘটে দুর্ঘটনা। এতে এক স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির আধিকারিক, তিনজন এফএসএল কর্মী, দুই ফটোগ্রাফার, দুই রেভেনিউ কর্মী এবং এক টেইলর প্রাণ হারান। আহত হন ২৭ জন পুলিশ আধিকারিক ও ৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা।ডিজিপির কথায়, সমস্ত সতর্কতা নিয়েও কীভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেটাই এখন তদন্তের মূল প্রশ্ন। তিনি বলেন, সব নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছিল। তার মধ্যেই রাত ১১টা ২০ মিনিটে হঠাৎ বিস্ফোরণ। এর পিছনে অন্য কোনও সন্দেহের কারণ নেই।এদিকে জঙ্গি সংগঠন প্যাফ এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করলেও সরকারিভাবে সেই দাবির কোনও ভিত্তি পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরও প্রশ্ন বাড়ছেনাশকতার ছায়া থাকলে কেন তা অস্বীকার করা হলো, আর যদি দুর্ঘটনা হয়, তবে এত বড় বিস্ফোরক পরিচালনায় কী সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল?তদন্তের শেষ রিপোর্টই জানাবে সঠিক সত্য। বর্তমানে নিহতদের পরিবার শোকাহত, আহতদের চিকিৎসা চলছে, আর প্রশাসনও সর্বোচ্চ সতর্কতায় পরিস্থিতি নজরে রাখছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

লালকেল্লা বিস্ফোরণে বাংলার যোগ! উত্তর দিনাজপুর থেকে মেডিক্যাল ছাত্র গ্রেফতার, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

দিল্লির লালকেল্লার বাইরে যে বিস্ফোরণ-কাণ্ড দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে, সেই মামলায় উঠে এল বাংলার যোগ। উত্তর দিনাজপুরের সূর্যাপুর বাজার এলাকা থেকে এনআইএ শুক্রবার ভোরে গ্রেফতার করেছে হরিয়ানার আলফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস পড়ুয়া যাহ নিশার আলমকে। জাতীয় তদন্ত সংস্থার বিশেষ দল গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সকালেই তাকে আটক করে। হঠাৎ এই গ্রেফতারি ঘিরে এলাকায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে।পরিবার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাহ নিশারের আদি বাড়ি পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় হলেও তাঁর পৈতৃক ভিটে ডালখোলা থানার কোনাল গ্রামে। বহু বছর আগে তাঁর বাবা তৌহিদ আলম কাজের সূত্রে লুধিয়ানা গিয়ে সেখানেই স্থায়ী হন। তবুও গ্রাম-পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক আজও অটুট। কয়েক দিন আগে এক আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে মা ও বোনকে নিয়ে কোনাল গ্রামে এসেছিলেন নিশার। কিন্তু সেই সফরেই তাঁর জীবনে নামল ঝড়বিয়ের আনন্দের মাঝেই এনআইএ তাকে তুলে নিয়ে যায়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের তদন্তে প্রথমেই তাঁরা লুধিয়ানায় তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকেই জানা যায় যাহ নিশার এখন উত্তর দিনাজপুরে। খবর মিলতেই দ্রুত উত্তরবঙ্গে পৌঁছে যায় এনআইএর বিশেষ দল। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করেই নিশারকে চিহ্নিত করা হয় বলে দাবি। তাঁর ফোনের সিগন্যাল দেখাচ্ছিল সূর্যাপুর বাজার সংলগ্ন এলাকা। তারপরই সেখানে হানা দিয়ে তাকে আটক করা হয়। প্রথমে তাকে ইসলামপুরে জিজ্ঞাসাবাদে রাখা হয়, পরে আরও তথ্যের খোঁজে শিলিগুড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এদিকে যাহ নিশারের গ্রেফতারির খবরে হতবাক পরিবার এবং গ্রামের মানুষ। তাঁর কাকা আবুল কাশেম বলেন, ভাইপোকে আমরা ছোটবেলা থেকেই শান্ত-স্বভাবের ছেলে হিসেবে চিনি। সে পড়াশোনা ছাড়া অন্য কোনও বিষয়েই মাথা ঘামায় না। গ্রামের লোকেরাও একই কথা বলছেনশান্ত, ভদ্র, শিক্ষিত পরিবারের ছেলে। এমন বিস্ফোরক ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে যাওয়া তাদের কাছে অবিশ্বাস্য।এই গ্রেফতারি শুধু পরিবারকেই নয়, গোটা গ্রামকে নাড়িয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা এখনও পর্যন্ত কিছু স্পষ্ট জানায়নি, তবে তারা মনে করছে, দিল্লি বিস্ফোরণ তদন্তে যাহ নিশারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে। এখন নজর সকলেরশিলিগুড়িতে চলা জেরা থেকে কী নতুন তথ্য বেরিয়ে আসে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ইডেন মানেই দুর্গ! কলকাতা পুলিশের ‘অপারেশন সেফ ক্রিকেট’ শুরু শুক্রবার থেকে

দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে এখন লাল সতর্কতা। নিরাপত্তার নজরদারিতে তটস্থ রাজধানী থেকে রাজ্য পর্যন্ত। আর এই আতঙ্কের মধ্যেই শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার বহুল প্রতীক্ষিত টেস্ট ম্যাচ, সেই ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেন্সে। শহর এখন কার্যত নিরাপত্তার দুর্গে পরিণত। কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে একটুও ঢিলেমি নয়।ইডেনের ভেতর থেকে বাইরেটা পর্যন্ত এখন কড়া নিরাপত্তার বলয়ে ঢাকা। খেলা চলাকালীন মাঠের গ্যালারিতে সাধারণ পোশাকের পুলিশ অফিসার মিশে থাকবেন দর্শকদের মধ্যেই। মাঠ ঘিরে, ফেন্সিং বরাবর, ছাদে, টাওয়ারে সর্বত্র মোতায়েন করা হচ্ছে পুলিশ বাহিনী। যেন ক্রিকেট উৎসবের আনন্দে কোনও অঘটন না ঘটে।কয়েক দিন আগেই ইডেন গার্ডেন্স ঘুরে গিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। খুঁটিয়ে দেখেছেন মাঠের প্রতিটি নিরাপত্তা দিক। জানা গিয়েছে, গোটা ইডেনকে কয়েকটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে থাকবেন একজন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ও নয়জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। গ্যালারিতে, ক্লাব হাউসে, এমনকি ভিআইপি বক্সেও আলাদা করে থাকবে পুলিশের সুরক্ষা বলয়।এখানেই শেষ নয় ইডেনের বিভিন্ন অংশে মোতায়েন থাকবে কুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি, থাকবে সশস্ত্র বাহিনীও। বাইরে, ইডেন সংলগ্ন রাস্তাগুলিতেও তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ পুলিশ বাঙ্কার, যেখানে কমব্যাট ফোর্সের সদস্যরা থাকবেন প্রস্তুত অবস্থায়। শুক্রবার ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে থেকেই আশপাশের রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।লালবাজার সূত্রে খবর, দিল্লি বিস্ফোরণের পরই কলকাতা পুলিশের তরফে জোর দেওয়া হয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তায়। ভারতীয় দলের প্রতিটি সদস্যের যাতায়াত, অনুশীলন, এমনকি হোটেল থেকে ইডেন যাওয়ার রাস্তাতেও বিশেষ নজর রাখা হবে। বলা হচ্ছে, এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টির সময়।শহরের বুকের এই ক্রিকেট মন্দিরে এখন তাই উৎসবের উত্তেজনার সঙ্গে মিশে আছে অজানা আশঙ্কার ছায়া। তবে পুলিশ ও প্রশাসনের দাবি, ইডেন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্রিকেটপ্রেমীরা নিশ্চিন্তে উপভোগ করুন খেলা।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

বাবরি মসজিদের ‘বদলা’ নিতে ছ’টি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা! প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর জইশ চক্রান্ত

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের রেশ এখনো কাটেনি। ১০ নভেম্বরের সেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১২ জন, আহত আরও ২০ জন। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতিতে এখন প্রকাশ পাচ্ছে আরও ভয়ঙ্কর সত্য। এই বিস্ফোরণ ছিল না কোনও একক ঘটনাবরং ছিল এক বিশাল, ধারাবাহিক সন্ত্রাসের সূচনা মাত্র!কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার হাতে এসেছে এমন তথ্য, যা রীতিমতো গা শিউরে দেওয়ার মতো। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণ ছিল একটি বড়সড় সিরিয়াল ব্লাস্ট প্ল্যানের প্রথম ধাপ। জইশ-ই-মহম্মদের হোয়াইট কলার মডিউল-এর তরফে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকী।তদন্তে উঠে এসেছে, ওই দিন দিল্লির অন্তত ছয় জায়গায় একসঙ্গে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জইশ মডিউল। এনআইএ-র জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিশোধ নিতে ওই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল এমন এক হামলার, যা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দেবে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হামলায় মোট ৩২টি গাড়ি ব্যবহার করার ছক ছিল। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ৪টি গাড়িএকটি হুন্ডাই আই-২০, একটি ব্রেজা, একটি সুইফট ডিজায়ার এবং একটি ফোর্ড ইকোস্পোর্ট। গাড়িগুলি কেনা হয়েছিল হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে, তাও পুরনো বা থার্ড হ্যান্ড গাড়ি হিসেবে, যাতে পুলিশ বা গোয়েন্দারা ট্রেস করতে না পারে।জইশের এই ডাক্তার-জঙ্গি মডিউল গোটা হামলাটিকে সাজিয়েছিল পাঁচ ধাপে। প্রথম ধাপে তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদী মডিউল, যাতে ছিল জইশ ও আনসার ঘাজয়াত-উল-হিন্দের যোগ। দ্বিতীয় ধাপে নুহ ও গুরুগ্রাম থেকে বিস্ফোরক এনে মজুত করা হয়। তৃতীয় ধাপে কেমিক্যাল আইইডি বানানো হয় এবং সম্ভাব্য টার্গেট বেছে নিয়ে রেইকি চালানো হয়।এরপর চতুর্থ ধাপে সেই বিস্ফোরক ভাগ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন মডিউল সদস্যদের মধ্যে। সবশেষ ধাপে, অর্থাৎ পঞ্চম ধাপে, দিল্লির অন্তত ছয় থেকে সাতটি জায়গায় একসঙ্গে সিরিয়াল ব্লাস্ট ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে এই বিস্ফোরণগুলো করার ছক কষা হয়েছিল চলতি বছরের আগস্টে। কিন্তু পরে মাসুদ আজহারের নির্দেশে দিন বদলে করা হয় ৬ ডিসেম্বর। গোয়েন্দারা মনে করছেন, জইশ প্রধান মাসুদ আজহার চায় বাবরি মসজিদ ইস্যুকে নতুন করে উসকে দিয়ে ভারতে সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়াতে। বহু বছর ধরেই তারা বদলা-র হুমকি দিয়ে আসছে।এক গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা। দিল্লির মতো শহরে একসঙ্গে ছটি বিস্ফোরণ ঘটলে তার পরিণতি অকল্পনীয় হত।এখন প্রশ্ন একটাইআরও কি গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে এই মডিউলের হাতে? তদন্ত চলছে জোরকদমে। গোটা দেশের নিরাপত্তা সংস্থা এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

উমর উন-নবিই—‘বইপোকা’ থেকে সন্ত্রাসী! দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে চমকপ্রদ কাহিনি

দিল্লি বিস্ফোরণের রহস্য অবশেষে উন্মোচিত! ঘটনার পর থেকেই নানা জল্পনা চলছিল, আর এবার তদন্তে মিলল স্পষ্ট প্রমাণ। লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হুন্ডাই আই-২০ গাড়িটি চালাচ্ছিল যে যুবক, তার পরিচয় মিলেছে সে আর কেউ নয়, কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা উমর উন-নবিই।তদন্ত সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার দেহাংশের ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে উমরের পরিবারের সঙ্গে। উমরের মা ও ভাইয়ের ডিএনএ-র সঙ্গে মেলানোর পর দেখা যায়, একশো শতাংশ মিলেছে সেই নমুনা। অর্থাৎ, গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর নিজেই, আর সেই বিস্ফোরণ ছিল এক আত্মঘাতী হামলা।বিস্ফোরণে ব্যবহৃত আই-২০ গাড়িটির নম্বর ছিল HR26 CE 7674। গাড়িটির মালিকানার ইতিহাসও কম চমকপ্রদ নয়। প্রথমবার ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ বিক্রি হয়েছিল এটি। তারপর একে একে গাড়িটি হাতবদল হয়সলমন থেকে দেবেন্দ্র, তারপর সোনু, তারিক, আর শেষে উমরের হাতে। কিন্তু কখনওই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে সেই বদল হয়নি। বিস্ফোরণের আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, উমর নিজেই গাড়িটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সুনহেরি মসজিদ থেকে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত। সেখানেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ।তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে অনুমান করছেন, উমর আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করেছিল দুই সহযোগীকে নিয়ে। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক সন্দেহভাজন ধরা পড়া ও আরডিএক্স উদ্ধার হওয়ায়, ভয়ে পড়েই সম্ভবত সময়ের আগেই বিস্ফোরণ ঘটায় উমর।বুধবার তদন্তকারীরা আরও একটি তথ্য হাতে পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, উমরের নামে আরও একটি গাড়ি রয়েছেএকটি লাল রঙের ফোর্ড গাড়ি, যেটি ২০১৭ সালে রাজোরি গার্ডেনে তাঁর নামে রেজিস্টার হয়। ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করে গাড়িটি কিনেছিল সে। অনুমান, এটি দ্বিতীয় হামলার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। বিস্ফোরণের পর থেকেই এই লাল গাড়িটির হদিশ নেই। এখন তল্লাশি শুরু হয়েছে গোটা দিল্লি জুড়ে।এদিকে উমরের নাম উঠে আসতেই স্তব্ধ তার পরিবার। কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার কইল গ্রামের ছেলে উমরকে এক বইপোকা, শান্ত স্বভাবের পড়ুয়া হিসেবেই চিনতেন সবাই। উমরের বৌদি জানান, গত শুক্রবারই ওর সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলেছিল সামনে পরীক্ষা আছে, লাইব্রেরিতে পড়ছে। এমন শান্ত, ভদ্র ছেলে এই কাণ্ড করবেবিশ্বাসই হচ্ছে না। পরিবারের দাবি, দারিদ্র্য থেকে মুক্তির লড়াইয়ে ছিল উমরের মা। ছেলেকে নিয়েই ছিল সব আশা। সেই ছেলেই আজ দেশ কাঁপানো বিস্ফোরণের মূল accusedশোকে ভেঙে পড়েছেন সবাই।তদন্ত এখন অনেক গভীরে গিয়েছে। কে বা কারা উমরকে প্ররোচিত করল, কারা যোগ দিয়েছিল এই ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী ছকেসেই উত্তর খুঁজছে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

দিল্লির লালকেল্লায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই জানাল কেন্দ্র

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে গেল এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ! লালকেল্লার সামনে সোমবারের (১০ নভেম্বর) সেই বিস্ফোরণ যে নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদী হামলাই ছিল, তা এখন আর কারও অজানা নয়। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলএটি ছিল এক ঘৃণ্য টেরর অ্যাটাক।বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৈঠকের শুরুতেই দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয় লালকেল্লা বিস্ফোরণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এরপর কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়এটি দেশবিরোধী শক্তির পরিকল্পিত হামলা, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতের নিরাপত্তা ও ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ করা।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশে ফেরার পরই সরাসরি ছুটে যান দিল্লির লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। সেখানে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন, চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস দেন যে এই জঘন্য ঘটনার দায়ে জড়িতদের একটিকেও ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। যারা এই হামলার পিছনে, তাদের শাস্তি হবেই।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছে। গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন, কোথা থেকে এবং কারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি এনআইএ-র একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।১০ নভেম্বর বিকেলে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, একের পর এক গাড়ি উড়ে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের দোকান ও বাড়ির জানলার কাচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, একটা বোমার আওয়াজে যেন কেঁপে উঠেছিল গোটা এলাকা!এখন প্রশ্ন একটাইকাদের হাত এই হামলার পিছনে? গোটা দেশ তাকিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার দিকে। প্রধানমন্ত্রী থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাসবার এক সুর, ভারতকে ভয় দেখানো যাবে না।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। বিদেশ থেকেও একাধিক দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থনের বার্তা দিয়েছে। এদিকে কেন্দ্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণে এবার বাংলাদেশ যোগ! চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এনআইএ-র

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটনার পর কেটে গিয়েছে কয়েকদিন। কিন্তু রহস্যের জাল যেন আরও জটিল হচ্ছে প্রতিটি ঘণ্টায়। সোমবারের সেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১২ নিরীহ মানুষের। ঘটনার তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে এনআইএ (NIA)। আর এবার তদন্তে উঠে এসেছে এক নতুন মোড় এই বিস্ফোরণে জড়িয়ে গেল বাংলাদেশের নাম!গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া ২,৯০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের বড় অংশ বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছিল ভারতে। শুধু তাই নয়, এনআইএ-র হাতে থাকা তথ্য বলছে, অন্তত আরও ৩৫০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক খুঁজে বের করাই এখন তদন্তকারীদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।এতেই শেষ নয়, গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় উঠে এসেছে দুই বাংলাদেশি মহিলা চিকিৎসকের নাম। জানা গেছে, তাঁরা দুজনেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও শ্রীনগরে ডাক্তারি করছিলেন। তবে তাঁদের কাজ শুধুই চিকিৎসা নয় তাঁরা গোপনে জইশ-ই-মহম্মদের হয়ে কাজ করছিলেন বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।এনআইএ সূত্রে খবর, এই দুই মহিলা চিকিৎসকই মূলত লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করতেন ইস্তাম্বুল ও দোহা থেকে তাঁদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়েছিল ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই ধৃত শাহিনকে জেরা করে এই দুই নারীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাঁদের কোনো হদিশ মেলেনি।সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়, গোয়েন্দারা বলছেন, তুরস্কের সঙ্গে এই বিস্ফোরণ চক্রের যোগাযোগ মিলেছে। মনে করা হচ্ছে, পহেলগাঁও হামলার সময় যেমন তুরস্ক পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল, এবারও একই রকম যোগাযোগের প্রমাণ মিলছে।সূত্রের দাবি, জইশ ও লস্কর-ই-তইবার নেতারা বারবার বাংলাদেশের মাটিতে প্রবেশ করেছে ধর্মীয় প্রচারের নামে। সেখানে তারা গোপনে নতুন ঘাঁটি তৈরি করছিল। এমনকি পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই বাংলাদেশের মাটিতেই তাদের অফিস খুলতে চেয়েছিল, যার জন্য বাংলাদেশ সরকারের একাংশের অনুমতিও মেলে বলে গোয়েন্দাদের দাবি।তদন্তকারীদের মতে, যেহেতু পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের দিক থেকে ভারতে প্রবেশ এখন কঠিন হয়ে পড়েছে, তাই জইশ ও লস্কর এখন বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যবহার করে ভারতে নাশকতার ছক বাস্তবায়ন করছে।এক কথায়, লালকেল্লা বিস্ফোরণের পেছনে লুকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি জোটের ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! শিলিগুড়িতে মোদীর রোড শো, জোর প্রস্তুতি বিজেপির

ভোটের মুখে বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়াল বিজেপি। আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গ বিশেষ করে শিলিগুড়িতে সাত অথবা আট এপ্রিল রোড শো করতে পারেন তিনি। একই সঙ্গে একাধিক জনসভাও করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই সফর ঘিরে শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে কেন্দ্রীয় নেতারা ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চালাচ্ছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে মোট চারটি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সূচি চূড়ান্ত করতে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব।এদিকে খুব শীঘ্রই রাজ্যে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি এলে মূলত সাংগঠনিক বৈঠকের ওপর জোর দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দলীয় সংগঠন নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করতে পারেন তিনি। যদিও তাঁর পূর্ণ সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে কয়েকটি জনসভাও করতে পারেন তিনি।এই নির্বাচনে বিজেপি দুইশোর বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার এই লক্ষ্য সামনে রেখে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন। এর আগেই অমিত শাহ বাংলায় এসে এই লক্ষ্য স্পষ্ট করেছিলেন। তাঁর দাবি, এবার বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে চায়।অন্যদিকে, বিজেপির এই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা আরও বেশি আসন জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যা এই নির্বাচনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।মোটের উপর ভোটের আগে বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতার সফর ঘিরে এখন তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং জল্পনা।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

দেওয়াল মুছতেই হামলা! ভোটের আগে দুর্গাপুরে কমিশনের কর্মীদের উপর চড়াও অভিযোগ

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই দুর্গাপুরে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মীকে মারধরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। সরকারি দেওয়ালে লেখা রাজনৈতিক প্রচার মুছতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁরা।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সরকারি কোনও দেওয়াল বা জায়গায় রাজনৈতিক প্রচার করা যাবে না। সেই নির্দেশ মেনেই এসডিও দপ্তরের নির্দেশে কমিশনের কর্মীরা এলাকায় পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন। দুর্গাপুরের কলোনিপাড়ায় পোস্ট অফিসের দেওয়ালে লেখা প্রার্থীর নাম মুছতে যান তাঁরা। অভিযোগ, সেই কাজ শেষ করে গাড়িতে ওঠার পর আচমকাই তাঁদের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।আক্রান্ত এক কর্মীর দাবি, তাঁরা সরকারি নির্দেশ মেনেই কাজ করছিলেন। নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁদের কথা শোনা হয়নি। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের শাসকদলের সমর্থক বলে দাবি করে তাঁদের উপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের দাবি, মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বরং বিরোধী দলের কর্মীরাই বাইরে থেকে লোক এনে নিজেরাই দেওয়াল মুছছিল এবং উত্তেজনা তৈরি করছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে কড়া হুঁশিয়ারি! বুথ দখল হলেই অ্যাকশন, কঠোর বার্তা অজয় নন্দার

ভোটের আগে কঠোর বার্তা দিল পুলিশ প্রশাসন। বুথ দখল, ভুয়ো ভোট বা কোনও রকম কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। রবিবার ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেন।নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার জানান, বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এদিন শুধু ভাঙড় নয়, দক্ষিণ শহরতলীর একাধিক থানাতেও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর ও বারুইপুর থানায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরতলীর এই এলাকাগুলিতে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু বুথ রয়েছে। সেই সব বুথে নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে হোমগার্ডসকলকেই ভোটের আগে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।কঙ্কর প্রসাদ বারুই জানান, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচনই এখন প্রধান লক্ষ্য।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

জয় শ্রীরাম স্লোগানে উত্তাল, মাঝপথেই থামাল পুলিশ! হিরণের প্রচারে চরম উত্তেজনা

ভোটের আগে প্রচার ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হল শ্যামপুরে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন বাইক মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।রবিবার শ্যামপুরে প্রচার শুরু করেন হিরণ। তাঁর সঙ্গে বহু কর্মী ও সমর্থক গেরুয়া পতাকা নিয়ে বাইক করে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় শ্যামপুর-বাগনান রোডে পুলিশ মিছিলটি আটকায়। পুলিশের দাবি, আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকার কারণে কোনও মিছিল বা জমায়েতের জন্য আগে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি।ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। হিরণ নিজেও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়, তাঁরা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, সমর্থকেরা ধর্মীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন, তাই এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা ঠিক নয়।তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রার্থী উপস্থিত থাকলে সেটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবেই ধরা হয় এবং সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মিছিলটি এগোতে দেওয়া হয়।এদিন রাজ্যের অন্য জায়গাতেও উত্তেজনার খবর সামনে এসেছে। নানুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা ও বিক্ষোভ হয়। দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়াল থেকে প্রচার মুছতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ উঠেছে।ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর গড়ে চ্যালেঞ্জ! নন্দীগ্রামে অভিষেকের টানা সভা ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নন্দীগ্রামকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। এই কেন্দ্রকে সামনে রেখে এবার জোর প্রচারে নামতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রামে এবার তৃণমূল প্রার্থী করা হয়েছে পবিত্র করকে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতবারের পরাজয়ের পর এবার এই কেন্দ্র দখলে মরিয়া তৃণমূল।জানা গিয়েছে, আগামী পঁচিশে মার্চ নন্দীগ্রামে একটি কর্মীসভার মাধ্যমে প্রচার শুরু করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর সাতাশে মার্চ পাঁশকুড়া পূর্বে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। ত্রিশে মার্চ কাঁথি এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও করবেন তিনি।এই সফরকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়ছে। দলের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই এই ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মুখোমুখি লড়াই হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। সেই লড়াইয়ে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার আবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই তৃণমূল নতুন করে কৌশল সাজাচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পবিত্র করকে প্রার্থী করে তৃণমূল একটি কৌশলী পদক্ষেপ নিয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত মুখ হওয়ায় তিনি ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। আর তাঁর পাশে থেকে প্রচার জোরদার করতে মাঠে নামছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াই এবার আরও জমে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
বিদেশ

ইজরায়েলের পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ভয়াবহ হামলা! আতঙ্কে বিশ্ব, তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের আবহে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল। ইজরায়েলের পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে পালটা হামলা চালিয়েছে ইরান। ডিমোনা এবং আরাদ এলাকার দুই পরমাণু কেন্দ্রের কাছাকাছি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। হামলার পর থেকেই তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতে প্রথমে ডিমোনার শিমন পেরেস নেগেভ পরমাণু কেন্দ্রের কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। কিছুক্ষণ পর আরাদ এলাকার আর একটি পরমাণু কেন্দ্রের দিকেও হামলা চালানো হয়। তবে সরাসরি পরমাণু কেন্দ্র লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি ক্ষেপণাস্ত্রগুলি। তার বদলে কাছাকাছি বহুতল আবাসনে আঘাত হানে, ফলে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।এই হামলার পর ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যায় জরুরি পরিষেবার কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ানোর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যদিও তার সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা সফল হয়নি। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করেই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আছড়ে পড়ে। এই হামলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ইজরায়েল সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।প্রসঙ্গত, এর আগে ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। সেই ঘটনারই পালটা জবাব হিসেবে এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রে শীতের কামড়! এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা, কাঁপছে বাংলা

চৈত্র মাসের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গরমের বদলে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে শীতের আমেজ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় রাতে আবার কম্বল টানতে হয়েছে মানুষকে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে।শুক্রবার রাত থেকে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রায়। প্রথমে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি কমার পর শনিবার তা আরও কমে গিয়ে মোট প্রায় এগারো ডিগ্রি নেমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে তেইশ দশমিক দুই ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উনিশ দশমিক সাত ডিগ্রি।আবহাওয়া দফতরের মতে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। তবে এখনও কিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ থাকবে এবং এক-দুবার বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও দুর্যোগ কাটেনি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও খুব ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সপ্তাহের শেষে আবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে চৈত্রের শুরুতেই অবাক বাংলার মানুষ।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

অভয়ার মাকে জেতাতে সিপিএমকে প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ! বামমনস্ক চিকিৎসকের মন্তব্যে বাড়ছে রাজনৈতিক পারদ

এক সময় বামপন্থী মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বামেদের হয়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে বদল এসেছে। ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাঁকে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এবার পানিহাটির নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী অভয়ার মায়ের সমর্থনে সরাসরি বাম প্রার্থীকে আক্রমণ করলেন তিনি।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্তর উচিত প্রার্থীপদ থেকে সরে দাঁড়ানো। তাঁর মতে, ভোট কাটাকুটির ফলে যাতে অভয়ার মা কোনওভাবে হার না যান, তা নিশ্চিত করা জরুরি। কলতান তাঁর ঘনিষ্ঠ বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে অনুরোধ করবেন প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে।কলতান দাশগুপ্ত আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত। আন্দোলনের সময় তিনি জেলেও ছিলেন। নির্বাচনের আগে অভয়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। তবে অভয়ার মা-বাবা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কলতান এবং বামেদের বিরুদ্ধে তাঁদের সুর চড়েছে। তাঁদের দাবি, রাজ্যে বামেদের কোনও শক্তি নেই এবং তাদের ভোট দিলে তা শেষ পর্যন্ত তৃণমূলেরই সুবিধা করে দেবে।নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও সেই একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি মনে করেন, তৃণমূলকে ঠেকাতে হলে বিরোধী ভোট এক জায়গায় থাকা দরকার। শুধু কলতান নয়, তাঁর বাবার কাছেও আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ছেলেকে বোঝানো উচিত যাতে সে প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীরও সরে দাঁড়ানো উচিত বলে মত তাঁর।অন্যদিকে, অভয়ার মা-বাবা বিজেপির প্রার্থী হতে চাওয়ায় বাম মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সেই সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তাঁরাও বামেদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, মেয়ের বিচার বিলম্বিত হওয়ার পিছনেও বামেদের ভূমিকা রয়েছে। যদিও এই সব মন্তব্যে নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুব্ধ নন। তিনি বলেন, অভয়ার মা-বাবা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি তার পাশে থাকবেন। তাঁর মতে, রাজ্যে এখন পরিবর্তনের দাবি জোরালো হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।সব মিলিয়ে পানিহাটির নির্বাচন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে এবং এই ইস্যুতে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal