• ১৩ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bikers,

ভ্রমণ

বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতা

জীর্ণতাকে চ্যালেঞ্জ করে বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ ধসে পড়লো পাহাড়টা মানুষের ভাষায় ল্যান্ড স্লাইড। অক্টোবরের ১৪ আজ... সামনের পথ বন্ধ। চারিদিকে পাহাড়চূড়ার দল দাঁড়িয়ে আছে নির্ভেদ্য অহঙ্কার নিয়ে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোষ তারা পোষে না। দ্বিধাহীন থ্রোটলে বিশ্বাসের হাত রেখে চলছিলাম। ওডোমিটার দেখিয়ে চলেছিল দূরত্বের হিসাব। তাকেও থামতে হলো প্রকৃতির এই নির্দেশে। গাড়ি থেকে নেমে জ্যাকেট নামালাম। হিসাব করলাম আজকের গন্তব্য চিল্লি এখনও ১২ কিলোমিটার দূরে। শুরু হলো এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ভাব জমাতে শুরু করলাম অন্যান্য অপেক্ষমান মানুষগুলোর সাথে। তাঁদের যেমন বিভিন্ন আচার, তেমনি তাদের নানাবিধ প্রয়োজন। হিমালয়ের পাহাড়ি টানে লন্ডন থেকে ছুটে আসা ম্যাডক সাহেবের সঙ্গে চলল একপ্রস্থ আড্ডা। স্থানীয়দের থেকে তথ্য নিয়ে বুঝলাম রাস্তা আজ আর পরিষ্কার হবে না। এক শিক্ষক বাতলে দিলেন অন্য পথ -- যা ৫০ কিলোমিটার বেশি দূরত্ব। তবে তা নিশ্চিতভাবেই চাম্বা থেকে চিল্লি পৌঁছে দেবে। হাঁটালাম গাড়ি, ঘুরপথে...। টান্ডি কিশওর রোড সোজা পথে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলাম ৯ই অক্টোবর, ২০১৯, সকাল-সকাল; মোটরসাইকেল, লাগেজ, সঙ্গী-সাথী আর একমাথা বৃষ্টি নিয়ে। উদয়নারায়ণপুর থেকে শুরু করে তারকেশ্বর হয়ে বর্ধমান পর্যন্ত বৃষ্টিই ছাতা হয়ে রইল আমাদের। আমরা ছজন। এক্স-ব্লেড নিয়ে আমি উৎসব; আমার পিঠে, মানে পিলিয়ন সীটে পিতৃসম দাসুদা, অযান্ত্রিক লিবেরোয় সওয়ার ক্যাপ্টেন গোপীকাকু, শাইন-সঙ্গে বিবেক স্যার, সঙ্গে অ্যাভেঞ্জার-এ কাকু অরিন্দম, আর পালসার-সাথে অসীমদা ভিলেজ বাইকার্স-এর এক ছোট্ট ইউনিট। বড় ট্যুরে সকলেরই কমবেশি অভিজ্ঞতা থাকলেও আমি এখানে একেবারেই কোরা কাগজ। কানপুর, আগ্রা, পাঠানকোট হয়ে নিঃশ্বাস নিলাম দুনেরা-তে। ৫ দিন কেটেছে। কোরা কাগজে নানা বর্ণের দাগও পড়তে শুরু করেছে। গুরুদোয়ারা, আশ্রম, খোলা মন্দিরে রাত কাটানো থেকে শুরু করে হাইওয়েতে চক্ষুযুগলের তীব্র ঘুমের আকুতি সবই রেকর্ড হচ্ছে। আপাতত গেস্ট হাউসে অসীমদার হাতের সুস্বাদু চিকেনকারীর জাদুতে সরগরম ডাইনিং টেবিলে চলছে কনকনে ঠাণ্ডা সাচ পাস-এর প্ল্যানিং। চিকেনের রসনাতৃপ্তি অবশ্যম্ভাবীভাবে এনে দিল একটা কোয়ালিটি ঘুম আর অনেকটা এনার্জি। ভোর-ভোর উঠে গাড়ি স্টার্ট করলাম সাড়ে পাঁচটায়। গন্তব্য চিল্লি। আর তার মাঝেই এই বিপত্তি, বা বলা ভালো ল্যান্ডস্লাইডের চ্যালেঞ্জ, যা দিয়ে আমাদের স্বাগত জানালো পীরপাঞ্জাল। ঝুপ করে নামল সন্ধে। স্ট্রীটলাইটের পাহারা নেই এখানে। বন্ধুর পাহাড়ি রাস্তায় ক্লান্তিহীন দুটো চাকা গড়াতে শুরু করলো।সঙ্গী পাঁচজনের সঙ্গে আরও একজন, স্থানীয় রমজান ভাই। দুর্ভেদ্য অন্ধকারে পাহাড়ি নদী রাগিণীর আহ্বানের কাছে গাড়ির শব্দ আর আলো দুটোই কেমন ফিকে হয়ে আসছিল। উঁচু পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে সাজানো বাড়িগুলোর মিটিমিটি আলো মিশে গিয়েছিলো তারাদের সাথে। আমি তফাৎ করতে পারিনি। এটাকেই কি ধর্ম বলো তোমরা? আমি বাই-ডিফল্ট হিন্দু, যে আমাদের গাইড করছে এই অন্ধত্বের অন্ধকারে তার গায়ে মুসলিম ট্যাগ, আর এর দুদিন আগে যে আমি গুরুদোয়ারার প্রার্থনা কক্ষে বসে প্রার্থনা করে এলাম! আমি তফাৎ করতে পারিনি ...। ধারালো এলইডি বীমের তীক্ষ্ণ ফলা দিয়ে অন্ধকার কেটে ছুটে চললাম। পাহাড়ি সর্পিল পথের বাঁকে বাঁকে বহুদিন ধরে সাধনা করতে থাকা সন্ন্যাসীর জটার মতো ঝোপ। এরই একটা আশ্রয় হয়েছে অপেক্ষারত দুটো হলুদ পাথুরে ঠাণ্ডা চোখের। লেপার্ড, দৃষ্টি আটকালো আমার। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মেপে নিচ্ছে অন্ধকারের অভিযাত্রীদের। শিরদাঁড়ার ঠাণ্ডা স্রোত নামতে নামতে পৌঁছে গেলাম চিল্লি। ঠাণ্ডাটা তুলনা করলাম। শিরদাঁড়ারটা যেন বেশি ছিল। সে দিনের পথে পায়ের ছাপ রেখে এসেছিলাম স্বপ্নের খাজিয়ার-এর সবুজ গালিচায়। খাজিয়ার হিমাচলের মিনি সুইজারল্যান্ড, যা সুইস রাজধানী বার্ন থেকে মাত্র ৬১৯৪ কিলোমিটার দূরে। পট বদলাচ্ছে প্রতিনিয়ত। শ্বেতশুভ্র স্মৃতিভরা এই দিনটা এক স্বপ্নের মতো। ১৫ই অক্টোবর, ২০১৯। প্রায় এগারো বছর আগে বাবার হাত ধরে প্রথম সাইকেলে চড়া শেখা। তখন ছেলেটা ভাবেনি এসব, ভাবতেও শেখেনি। ক্লাস সেভেনে প্রথম বাইকে হাত, বাবার হাত ধরেই। উন্মাদনার অহরহ সঙ্গী ছিল আছাড়। তবে, এবারে আর নয়। ইন্ডিয়ান আর্মি চেকিং সেরে সকাল সাড়ে এগারোটায় ২২ বছর ১১ মাস বয়সে সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে ছেলেটা অতিক্রম করল সাচ পাস (৪৫০০ মিটার)। পৃথিবীর এক সর্বাধিক বিপদসংকুল আর ভয়ঙ্কর রাস্তা পেরিয়ে পৌঁছানো জায়গাটা স্বর্গের কিছুটা কাছাকাছি। দেখতে স্বপ্নের মতো। মুখে দুবার অক্সিজেন স্প্রে করে বুঝলাম যে এটা স্বপ্ন নয়। আসলে অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় চিমটি কাটার সামর্থ্য হয়নি। মহাদেবের আশীর্বাদ নিয়ে এগিয়ে পড়লাম। হালকা স্নোফলে মুখ ভিজিয়ে দিনের যাত্রা শেষ করলাম কিল্লার-। এশিয়ার উচ্চতম সেতু চিচাম বেড়ানো আসলে শেখা। এটা অনেক জীবন দর্শনের একটা বিশাল সমাহার, যা আমাদের প্রতি মুহূর্তে আরও বড় হতে শেখায়। যেমনটা আনন্দের মাঝে থাকে বেদনার করুন সুর। এর পরের দিন। একটু বেদনার, বিচ্ছেদসম্পৃক্ত। সময় আর কর্তব্যে জড়ানো বিবেক স্যার, অসীমদা আর কাকু অরিন্দমকে বিদায় জানাতে হল। কোকসার থেকে মানালির পথে থ্রোটল-আপ করলো তিনজন; আর বাকি তিনমূর্তি আটকে গেল স্পিতির ম্যাজিক দেখার অপেক্ষায়। পৃথিবীর উচ্চতম ডাকঘর পাইলট করতে শুরু করলো ক্যাপ্টেন। পিছনে আমি দক্ষ ফলোয়ার, সঙ্গে লাইভ গাইড দাসুদা। মাঝে মাঝে এগিয়ে পড়তে মন্দ লাগছিল না। চন্দ্রভাগার দেখানো পথে বেশ কড়া পাকের অফ্-রোডিং করতে করতে পেরোতে থাকলাম একের পর এক ঝরনা আর ওয়াটারক্রস। হাড় কাঁপানো হিমালয়ের বাতাসকে সঙ্গী করে বাতাল পেরিয়ে পৌঁছলাম কুনজুম পাস। শহরের ঘিঞ্জিতে বেশ কয়েকটা মন্দির চোখে পড়েছিল; এখানে দাঁড়িয়ে মনে হয়েছে মন্দির যেন এখানেই হওয়া উচিত। কনকনে ঠান্ডায় অনুভূতির ক্ষমতা হারিয়েছি আগেই। বৌদ্ধ স্তুপ-এর সামনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা কী করেছিলাম মনে নেই, তবে মাথা নত করে ছিলাম শিশুর মতো। আজ পাহাড় আমার দেবতা। তার কোলে আসতে পারাটাই এক সাধনা। গাড়ি ঘোরালাম চন্দ্রতাল লেকের পথে। এক কিলোমিটার ট্রেকিং-এর পর অপার্থিব সৌন্দর্যে হারিয়ে ফেললাম নিজেকে। মোহাবিষ্ট মন শুধু অনুভব পেল এক বিশালত্ত্বের, পাথুরে স্নেহের। সীমার মাঝে অসীমের মায়াবী স্মৃতি বুকে আঁকড়ে রাতের পাড়ি জমালাম লোসার-এ। লাংজার বুদ্ধ মূর্তি সকালে উঠে দেখি বাইকের সিটের উপর বরফ অপেক্ষা করছে আমার জন্য। বুঝতে পারলাম সব। বুঝতে পারলাম রাত্রে কেন চারটে ব্ল্যাঙ্কেট-এর কফিনে শুয়েও হচ্ছিল না, কিংবা, রুটি তরকারি খেয়ে হাত কেন ধুতে পারিনি, মুছতে হয়েছিল। সকাল আটটায় চলতে শুরু করেও আধঘন্টা পর দাঁড়াতে হলো। নিজের আঙুলের উপর কোনো অধিকার নেই যে ... সব কাঠের মতো মনে হচ্ছে! এটাই তো সেই আদি অকৃত্রিম প্রকৃতি। যতই যন্ত্রদানবের হুংকার ছোটাই তার ওপর, শেষে মাথানত করতেই হয় যে। মাতা-পিতা সকল সত্ত্বা একই গঠনে -- এটাই তার স্নেহ, এটাই তার তিরস্কার। তিনিই রক্ষক, তিনিই সংহারক। তিনি শিল্পী। তার পাগলামো তো সহ্য করতেই হয়। বাইকের একজস্টে হাত একটু গরম করে আগুন জ্বালালাম। কিছু সময় আগুন পোহানোর পর শুরু হলো আবার গাড়ি ছোটানো। ডেজার্ট মাউন্টেনের রঙিন সাম্রাজ্যে পরম যত্নে সাজানো বায়ুর ক্ষয়কার্যের অপরূপ নিদর্শনগুলো দেখতে দেখতে চলে এলাম মান্ডি জেলায় অবস্থিত এশিয়ার উচ্চতম সেতু চিচাম-এ (৪১৪৫ মিটার)। তারপর কি মনাস্ট্রি হয়ে পৌঁছলাম লাংজার বুদ্ধ মূর্তির পাদদেশে। ধ্যানমগ্নতার আবহের মধ্যে স্থানীয় ভাষা অর্ধেক বুঝে আর অর্ধেক না বুঝে বেশ লাগছিল। লাংজা গ্রাম যেন সেই আদি অনন্তকাল থেকে ধ্যানমগ্ন; আর তাদের সবার পিতা এই বিশালাকায় বুদ্ধ। পেয়ে হারানোর বেদনা নয় এটা, এটার অবগাহন এক সুখ, যা পরিতৃপ্তি বয়ে নিয়ে যায় শিরায় শিরায়। মোটোরেবল রোড দিয়ে সংযুক্ত পৃথিবীর উচ্চতম গ্রাম কোমিক আমাদের স্বাগত জানালো বিকেল-বিকেল। স্থানীয় গোম্ফা ঘুরে দেখে চাকা গড়ালাম হিক্কিমের পথে। ওঁ মণিপদ্মে হুঁ উচ্চারণ করতে করতে পৃথিবীর উচ্চতম ডাকঘর-এর গ্রামে পৌঁছতে খুব বেশি সময় লাগলো না। শেষ বিকেলে ভেড়ার পালের ধুলো সঙ্কেত দিল সূর্যাস্তের ঘন্টা বেজে গেছে। কাজায় রাত্রিবাস সমাপন করে পরের দিন মামির সাথে দেখা করলাম। মামি , মানে মমি, সাধক সাঙ্ঘা তেনজিং-এর প্রায় ৫০০ বছরেরও বেশি পুরানো সেল্ফ-মামিফায়েড মমি। ধানখড়, তাবো আর নাকো লেক, সঙ্গে নাকো মনাস্ট্রিতে একটা জমজমাট বিয়ের অনুষ্ঠান -- আপন করে নিলো সবাই। নতুন আত্মীয়দের আবেগকে মনে ভরে নিলাম। ব্যাগে আলাদা করে আর জায়গা ফাঁকা নেই। যা ছিল এতক্ষনে সব আপেলে ভর্তি করে ফেলেছি। মুখটাও যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছে। প্রেয়ার হুইল ঘুরিয়ে বিদায় জানালাম উৎসবমুখর পরিবেশটা আর তার সাথে একাত্মতাকে। পৃথিবীর উচ্চতম গ্রাম কোমিক পরদিন কল্পা, রিকং পিও আর সুইসাইড পয়েন্ট পেরিয়ে তরী, থুড়ি, গাড়ি ভিড়ালাম সারহানের ভীমাকালী মন্দিরের গেস্টহাউসে। এখানে একটা বিষয় উল্লেখ্য যে, দাসুদার মতে এখানের সব জায়গাই সুইসাইড পয়েন্ট, কোনো একটা জায়গার এরকম নাম দেবার কোনও মানেই হয় না! থেমে থাকলে তো আর চলে না বন্ধু। সেকেন্ডের কাঁটার সেই সিনেম্যাটিক টিক্-টিক্ শব্দ যেন কানের কাছে তাড়া দেয়। অফিসের পেনের খস্-খস্ আওয়াজ, পাতা উল্টানোর অবয়ব ভেসে আসতে থাকে অগোচরে। সেসব থেকে এখনও আমি লক্ষ যোজন দূরে। এক সপ্তাহ পর মোবাইলটা নেটওয়ার্ক ফিরে পেলো ...। রোহড়ু, মিনাস পেরিয়ে নামতে শুরু করলাম উত্তরাখণ্ডের জংলি সবুজ পথ ধরে। বাইকের গতিকে প্রতিমুহূর্তে পরাজিত করছে প্রাণচঞ্চল খরস্রোতারা। পাথররাশির এবড়োখেবড়ো সম্পত্তির অনায়াস দখল নিয়ে এগিয়ে চলেছে তাদের প্রাণস্পন্দনের সূক্ষ্ম অনুভূতির তুফান। গারাম্ফু বটকল কাজা রোড বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় বৃষ্টি, দিল্লি অঞ্চলের তীব্র রোদ আর গরম, আর হিমালয়ের উল্টানো কর্ণেটোর কোনের মাথায় বরফের টুপি দেখার পর ফেরার পথে উত্তরপ্রদেশে ঢুকে আবার সার্কেল-অফ-লাইফ কমপ্লিট হতে শুরু করলো বৃষ্টি দিয়ে। দুদিন ধরে ফিরলাম রায়বেরিলি থেকে দুর্গাপুর; রাত্রিবাস এক কাকুর কোয়ার্টারে। রাজকীয় খাওয়াদাওয়া সেরে কুম্ভকর্ণ স্তরের একপিস ঘুম দিয়ে বেরোলাম পরদিন সকাল ৯ টায়। শক্তিগড়ের ল্যাংচা নিয়ে হাসতে হাসতে বাড়ি ফিরলাম দুপুরে; হ্যাঁ, আমার নিজের বাড়িতে, বেরোনোর পর ১৮ দিনের মাথায়। একরাশ পাহাড়ি সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত আর স্বপ্নের ক্লিফহ্যাঙ্গারগুলো পেরিয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। বেরিলিতে ঝুমকোর খোঁজ করাটা বাকি রয়ে গেল যে! হারানোর হিসেব আজ নয়, আর কখনোই নয়; কারন, যা পেয়েছি তা হারানোর নয়। আঠারো দিনের মুসাফিরানা শেষে মস্তিষ্ক আর হৃদয়ের সেই রক্তাক্ত সঙ্গমস্থলে নাড়ি ছেঁড়া শিশুর কান্না আর শতদ্রুর স্রোতের সিম্ফনি বাজতে শুনি -- সফর খুবসুরত হ্যায় মঞ্জিল সে ভী.....। উৎসব সিনহা (ভিলেজ বাইকার্স)

নভেম্বর ২৮, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal