• ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ১৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bikaner-Guwahati Express

রাজ্য

ময়নাগুড়িতে লাইনচ্যুত বিকানের এক্সপ্রেস, মৃত কমপক্ষে ৬, জখম বহু

ময়নাগুড়িতে লাইনচ্যুত বিকানের-গৌহাটি এক্সপ্রেস। তার জেরে বহু যাত্রীর প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দোমোহনি এলাকায়। এক্সপ্রেস ট্রেনিটর বেশ কয়েকটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে গিয়েছে। বিকেল পাঁচটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ছয় জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। আহত অবস্থায় ৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৭ জনকে জলপাইগুড়ি হাসপাতালে এবং ১৬ জনকে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পাঁচ জনকে জলপাইগুড়ি হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। আহতদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। রেল এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। রেলের তরফে মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী নিজে নজর রাখছেন উদ্ধারকাজে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। গুরুতর আহতদের ১ লক্ষ টাকা ও অল্প আহতদের ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেবে রেল।পাটনা থেকে গুয়াহাটিগামী ওই ট্রেনটি বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর ট্রেনটির ৪-৫টি কামরা একেবারে দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে। একটি কামরার উপরে উঠে যায় আর একটি কামরা। একটি কামরা জলেও পড়ে যায়। হতাহতের বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ট্রেনটির ইঞ্জিনের পর থেকে ১২টি কামরা দুর্ঘটনার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে ৭টি কামরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। ওই ট্রেনটি ছাড়ার সময় তাতে প্রায় ৭০০ যাত্রী ছিলেন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। গ্যাস কাটার নিয়ে এসে কামরা কেটে যাত্রীদের বার করার চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আলিপুরদুয়ার থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেনটি থেকে অনেকেই নিজেই বার হয়ে এসেছেন। বাকিদের উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে রেলের উদ্ধারকারী দলও। ইতিমধ্যেই আশপাশের সদর হাসপাতাল এবং অন্যান্য হাসপাতালের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।Spoke to Railways Minister Shri @AshwiniVaishnaw and took stock of the situation in the wake of the train accident in West Bengal. My thoughts are with the bereaved families. May the injured recover quickly. Narendra Modi (@narendramodi) January 13, 2022আহত যাত্রীদের প্রাথমিকভাবে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে সেখানকার পরিকাঠামো উপযুক্ত না হওয়ায় সেখান থেকে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে আহতদের স্থানান্তরিত করা হয়। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজকেও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। জলপাইগুড়ির বিভিন্ন ব্লক হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক এবং নার্সদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৫০টিরও বেশি অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।Deeply concerned to hear about the tragic accident of the Bikaner-Guwahati Express in Maynaguri.Senior Officers of the State Government, DM/SP/IG North Bengal are supervising rescue and relief operations. Those injured will receive medical attention, as early as possible. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) January 13, 2022রেলের হেলপলাইন নম্বর৮১৩৪০৫৪৯৯৯ , ০৩৬১ ২৭৩১৬২২ , ০৩৬১ ২৭৩১৬২৩এনজেপি স্টেশন ৯০০২০৪১৯৫১, ৯০০২০৪১৯৫কাটিহার ৯০০২০৪১৯৫২বিকানের ০১৫১২২০৮২২২দানাপুর ০৬১১৫২৩২৩৯৮দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন ০৫৪১২২৫৩২৩২শোনপুর ০৬৫১৮২২১৬৪৫নওগাছিয়া ৮২৫২৯১২০১৮বারাউনি ৮২৫২৯১২০৪৩

জানুয়ারি ১৩, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার স্টেট এডেড কলেজ টিচার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (SACTWA)-এর যৌথ জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল মেদিনীপুর শহরের রেডক্রশ সভাগৃহে। উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় স্টেট এডেড কলেজ টিচারদের (SACT) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা, দীর্ঘদিনের বেতন-বৈষম্য এবং হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিই ছিল সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিবেকানন্দ চক্রবর্তী প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ, রাজ্য কমিটির সদস্য পীযূষ দাস মহাপাত্র, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননীগোপাল দাস, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বনাথ দাস ও সুজাতা গোস্বামী, কোষাধ্যক্ষ সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ দুই জেলার বিভিন্ন কলেজের স্যাক্ট (SACT) শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ী।সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিবেকানন্দ চক্রবর্তী বলেন, বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলিতে পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের তুলনায় স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যাই বেশি। অথচ একইভাবে পাঠদান, পরীক্ষা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং কলেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামলালেও তাঁদের বেতনে রয়েছে ব্যাপক বৈষম্য। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে সমকাজে সমবেতন-এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি। তাঁর কথায়, সামান্য বেতন বৃদ্ধি করে সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়েছে। সুযোগ পেলে এই বিষয়টি সরকারের নজরে আনব।সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপালচন্দ্র ঘোষ বলেন, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে বর্তমানে ১২ হাজারেরও বেশি স্টেট এডেড কলেজ টিচার কর্মরত, যা পূর্ণ সময়ের অধ্যাপকদের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। বহু কলেজে বিভিন্ন বিভাগের মূল দায়িত্বও স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকেরাই বহন করছেন। তবুও গত ছয় বছর ধরে এই শিক্ষক সমাজ সবচেয়ে বেশি বঞ্চনার শিকার বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, আমরা হরিয়ানা মডেলের সুবিধা চাই। সেখানে যেভাবে স্টেট এডেড শিক্ষকদের আর্থিক ও পরিষেবা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেই মডেল কার্যকর করা হোক। নতুন সরকারের কাছে আমাদের এটাই প্রধান দাবি।সম্মেলনে দুই জেলার বিভিন্ন কলেজে স্যাক্ট (SACT) শিক্ষকদের সংখ্যা, তাঁদের কর্মদায়িত্ব এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় তাঁদের অবদানের বিস্তারিত পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়। সংগঠনের দাবি, উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসা হয়ে উঠলেও SACT শিক্ষকরা এখনও বেতন, চাকরির নিরাপত্তা এবং অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত।সম্মেলন থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, সমকাজে সমবেতন, চাকরির মর্যাদা এবং হরিয়ানা মডেলে পরিষেবা সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন ও দাবি অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবির বদলেই বড় পদক্ষেপ! অফিস থেকে উধাও অভিষেকের ছবি, কিন্তু মমতার ছবি কেন রইল?

শিবির বদলের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। আর তার পরের দিনই বোলপুরে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল বড় পরিবর্তন।রবিবার বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আর নেই। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক ছবি আগের মতোই রাখা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিলেও কি অনুব্রত এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিজের নেত্রী হিসেবে মানছেন? আবার অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে কি বিশেষ কোনও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চাইলেন তিনি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।শিবির বদলের পর অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যেই দলের ভরাডুবির জন্য নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণকারী সংস্থাকে দায়ী করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি পরোক্ষভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নিশানা করেছিলেন। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে আলোচিত।এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে তিনি বহু প্রার্থীকে জয়ী করেছেন, তখন ওই সংস্থার কোনও ভূমিকা ছিল না। তাঁর প্রশ্ন, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি তৃণমূলকে ভালোবাসেন এবং কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে এসেছিলেন। বীরভূমে সকলকে নিয়ে দলের নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেওয়া হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আগের জায়গাতেই থাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে। আগামী দিনে এই পরিবর্তনের আরও কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য সামনে আসে কি না, এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ! ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ, সামনে বড় সংঘাতের আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের জানানো তথ্য অনুযায়ী, ওই জাহাজে মোট ১১ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হলেও এখনও একজন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর খোঁজে তৎপর রয়েছে ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে ভারতীয় দূতাবাস। নিখোঁজ নাবিকের সন্ধানে সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে সহযোগিতার জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছে ভারত।মার্কিন সেনার দাবি, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর জাহাজে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে ওঠে যে নাবিকদের জাহাজ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়। জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে বড় ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর দাবি, কয়েকটি জাহাজ নির্ধারিত পথ ছেড়ে অন্য পথে চলছিল। বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশ না মানায় একটি জাহাজকে গুলি করে থামানো হয়। এরপরই হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে কড়া নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দেয় ইরান।এই ঘটনার পরই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে আমেরিকা। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে মোট ৩০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে তারা। পাল্টা বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলার খবরও সামনে এসেছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। অবিলম্বে উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপরও জোর দিয়েছে ভারত।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

দিলজিৎকে নিশানা করে বিস্ফোরক আক্রমণ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শুরু তুমুল বিতর্ক

সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে দেশজুড়ে চর্চা শুরু হয়। এরই মধ্যে পাঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এবার প্রকাশ্যে তাঁকে কটাক্ষ করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক।বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গায়ক রবিন্দর সিং, যিনি কাকা নামেই পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভরদ্বাজ। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দীপক কাকার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইনিও একজন শিল্পী। এই মন্তব্যকে অনেকেই দিলজিৎ দোসাঞ্ঝকে উদ্দেশ্য করে করা কটাক্ষ বলেই মনে করছেন।কিছুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়েছিলেন দিলজিৎ। সেখানে তাঁকে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যন্তর মন্তর প্রতিবাদের জায়গা কি না, তা নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তিনি আরও বলেন, তিনি একজন শিল্পী, কোনও রাজনৈতিক নেতা নন। তাই এই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চান।দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীর সব সমস্যা একসঙ্গে কখনও মিটবে না। যারা প্রতিবাদ করছেন, তাঁদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে যাঁদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন, তাঁদের সম্পর্কেও কোনও মন্তব্য করতে চাননি বলে জানান। তাঁর দাবি, এই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি বিশেষ কিছু জানেন না।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মানুষের বিনোদন করাই তাঁর কাজ। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁর নেই। তা সত্ত্বেও তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পরপর লজ্জার হারের পর বড় ধাক্কা! গম্ভীরের শিবিরে ভাঙন, দল ছাড়ছেন ঘনিষ্ঠ দুই সহকারী?

পরপর দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এবং শেষ সাত ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে হার। টানা ব্যর্থতার পর ভারতীয় ক্রিকেটে চাপ বাড়ছে। এবার সেই প্রভাব পড়তে পারে দলের কোচিং স্টাফেও। সূত্রের খবর, প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের বেছে নেওয়া দুই সহকারী কোচ জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে একজনের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের সঙ্গে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে কথা হয়েছে। অন্যজনও নতুন দায়িত্বের খোঁজ করছেন বলে জানা গিয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, গৌতম গম্ভীরের কোচিং স্টাফের একজন খুব শিগগিরই জাতীয় দল ছেড়ে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে যোগ দিতে পারেন। আর এক সহকারীর ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। বর্তমানে গম্ভীরের কোচিং দলে রয়েছেন রায়ান টেন দুশখাতে, মর্নি মর্কেল, সীতাংশু কোটাক এবং টি দিলীপ। তবে তাঁদের মধ্যে ঠিক কে দল ছাড়বেন, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।ভারতীয় দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় ক্ষুব্ধ বোর্ড। জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক দুই সিরিজে হারের কারণ খতিয়ে দেখা হবে। শুধু ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স নয়, কোচিং স্টাফের কাজও পর্যালোচনা করা হবে। সেই পর্যালোচনার ভিত্তিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।যদিও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তি রয়েছে দুই হাজার সাতাশ সালের এক দিনের বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই তাঁর পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তবে সাম্প্রতিক ফলাফলের পরে তাঁর কোচিং দল নিয়ে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বোর্ডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর ভারতীয় ক্রিকেট মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কা! ‘ধর্মতলা চলো’ উধাও, হঠাৎ কেন ‘কলকাতা চলো’ পোস্টার কালীঘাট তৃণমূলের?

একুশে জুলাইকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির। অন্যদিকে ধর্মতলায় সমাবেশের অনুমতি না পাওয়ায় নতুন কৌশল নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। বহু বছরের পরিচিত ধর্মতলা চলো স্লোগানের বদলে এবার প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা চলো পোস্টার।প্রতি বছর একুশে জুলাইয়ের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মতলা চলো পোস্টার দেখা যেত। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ধর্মতলা এলাকায় বিধিনিষেধ জারি থাকায় সেখানে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি। সেই কারণেই স্থান উল্লেখ না করে নতুন পোস্টার প্রকাশ করেছে কালীঘাট শিবির। পোস্টারে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি এবং কলকাতা চলো বার্তা।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যদি বড় সমাবেশের অনুমতি না মেলে, তা হলে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। সেই সভাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে সেক্ষেত্রেও পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন।অন্যদিকে শনিবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির অনুমতি পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। জানা গিয়েছে, কর্মসূচির আগে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনও করবেন তাঁরা।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল দুই শিবিরে বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দুই পক্ষই প্রথমে ধর্মতলায় সমাবেশ করতে চাইলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। পরে বিকল্প জায়গার আবেদন করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা এবং শেষ পর্যন্ত গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অনুমতি পান। এখন কালীঘাট শিবিরের কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১২, ২০২৬
কলকাতা

বড় রায়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! ‘আসল তৃণমূল’ কার, আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল চাপ

তৃণমূলের আসল সংগঠন কোনটি, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক চলছিল। সেই বিতর্কের মধ্যেই আলিপুর আদালতের একটি রায়কে সামনে এনে বড় দাবি করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিই আইনগতভাবে স্বীকৃত তৃণমূলের সংগঠন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলেই তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়েছে। একের পর এক নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ায় সাধারণ কর্মীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। কোন সংগঠনকে অনুসরণ করা হবে, সেই প্রশ্নেই কয়েকজন কর্মী আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন।রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আদালত সেই কমিটিকেই আইনগতভাবে স্বীকৃত বলে উল্লেখ করেছে। তাঁর দাবি, এই কমিটির বাইরে অন্য কোনও সংগঠন নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করলে তা আইনসম্মত নয়।ঋতব্রত আরও জানান, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হবে। তাঁর মতে, এই রায় ভবিষ্যতে দলীয় পরিচয় সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২৬
দেশ

মধ্যরাতে তাজ হোটেলে বোমা! দাউদের নাম উচ্চারণ করতেই তোলপাড়, তারপর যা জানা গেল...

মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক তাজ হোটেলকে ঘিরে রবিবার গভীর রাতে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র আতঙ্ক। পুলিশের কন্ট্রোল রুমে একটি উড়ো ফোন আসে। ফোনে দাবি করা হয়, দাউদ ইব্রাহিমের লোকজন তাজ হোটেলে বোমা রেখে গিয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হোটেলে পৌঁছে যায় পুলিশ, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং অপরাধ দমন শাখার আধিকারিকেরা। গোটা হোটেলে দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হলেও কোনও সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় সাড়ে বারোটার সময় এই ফোনটি আসে। ফোন পাওয়ার পর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। হোটেলের প্রতিটি অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়। শেষ পর্যন্ত বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু উদ্ধার না হওয়ায় স্বস্তি ফেরে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি একটি ভুয়ো ফোন ছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের তুরভে এলাকা থেকে ফোনটি করা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই নম্বরটি শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তকে খুঁজতে ওই এলাকায় বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।উল্লেখ্য, তাজ হোটেল ২০০৮ সালের ভয়াবহ জঙ্গি হামলার অন্যতম লক্ষ্য ছিল। সেই ঘটনার পর থেকে হোটেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। তাই নতুন করে বোমা আতঙ্কের খবর ছড়াতেই পুলিশ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত তল্লাশি অভিযান চালায়। ঘটনার তদন্ত চলছে।

জুলাই ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal