• ১৩ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ২৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Basirhat

কলকাতা

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় ধাক্কা, বসিরহাটের বিডিও সাসপেন্ড

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও তথা অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার সুমিত প্রতিম প্রধানকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে তাঁকে ভোটার তালিকা সংশোধনের সমস্ত কাজ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।রবিবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী ভট্টাচার্যকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত বিডিও বেআইনিভাবে ১১ জন অতিরিক্ত এআরও নিয়োগ করেছিলেন। কমিশনের মতে, ওই ধরনের নিয়োগ করার কোনও আইনগত ক্ষমতাই তাঁর ছিল না। তবু তিনি নিজে থেকেই নোটিস জারি করে শুনানি প্রক্রিয়া চালাচ্ছিলেন।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৩সি ধারা স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এই নিয়োগকে কমিশন অনিয়ম বলেই চিহ্নিত করেছে। শুধু তাই নয়, ওই বেআইনি ভাবে নিযুক্ত অতিরিক্ত এআরও-রা এতদিন যে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বা কাজ করেছেন, সেগুলিও সম্পূর্ণ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে।পাশাপাশি, পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং মুখ্যসচিবের কাছ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ টিভি৯ বাংলাকে বলেন, সুষ্ঠুভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানোর ক্ষেত্রে এই প্রথম কোনও কঠোর ও ইতিবাচক পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। তাঁর কথায়, নিয়ম মেনে কাজ করতে গেলে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত প্রয়োজন, আর এটিই তার প্রথম ধাপ।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের দুই লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী পদ বাতিলের আবেদন বিজেপির, কি বক্তব্য ঘাসফুল শিবিরের

তৃণমূলের দুই প্রার্থী মালা রায় ও হাজি নুরুল ইসলামের প্রার্থীপদ বাতিল করার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছে বিজেপি। তার মধ্যে বসিরহাটের তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুলের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র ও রাজ্য বিজেপি। পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির অভিযোগ, মালা রায় কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন থাকা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে দক্ষিণ কলকাতায় প্রার্থী হয়েছেন। যা অফিস অফ প্রফিট নিয়ম ভঙ্গ করেছে। উলটো দিকে মালা রায়ের বক্তব্য, তিনি ২০১৯ সাল থেকে সাংসদ এবং কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন।আর, হাজি নুরুলের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী চূড়ান্ত সময়সীমা অর্থাৎ মঙ্গলবার বেলা ৩ টে-এর মধ্যে তাঁর মনোনয়নের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নো ডিউজ সার্টিফিকেট জমা দেননি। তাই নুরুলের মনোনয়নপত্রও বাতিল করতে হবে। এর আগে বীরভূম আসনে বিজেপি প্রথমে প্রার্থী করেছিল আইপিএস, তথা প্রাক্তন অফিসার দেবাশিস ধরকে। কিন্তু, রাজ্য সরকারের থেকে নো ডিউজ সার্টিফিকেট না-পাওয়ার আশঙ্কায় দেবাশিস ধরকে বদলে ওই আসলে প্রার্থী করা হয়েছে দেবতনু ভট্টাচার্যকে। একই নিয়মে এবার হাজি নুরুলেরও মনোনয়ন বাতিল চায় বিজেপি।আগামী ১ জুন, সপ্তম দফা লোকসভা নির্বাচন। ওই দিন বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতা আসনে ভোট হবে। তার আগে বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, হাজি নুরুলের মনোনয়ন বাতিল করার জন্য আমরা কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছি। হাজি নুরুল পঞ্চদশ লোকসভার সাংসদ ছিলেন। ২০১৪ সালের ১৮ মে, ওই লোকসভার মেয়াদ শেষ হয়েছে। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনও প্রার্থী ১০ বছরে সরকারি পরিষেবা পেলে, তাঁর বিল বাকি থাকলে মিটিয়ে দিতে হয়। সেই সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। কিন্তু, তিনি কোনও সার্টিফিকেট জমা দেননি।তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, স্ক্রুটিনির শেষ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্য জমা দেওয়া যায়। বুধবার শেষ দিন। তার মধ্যেই যা জমা দেওয়ার, দিয়ে দেব। বিজেপি জানে যে বসিরহাটে হারবে। তাই বিরোধী প্রার্থীকে সরাতে চাইছে। কিন্তু, ওদের এই কৌশল খাটবে না। মালা রায় বলেছেন, কমিশনের কাছে আমার সব কাগজপত্র জমা দেওয়া আছে। আমি যখন থেকে সাংসদ, পুরসভা থেকে কোনও ভাতা নিই না। তাছাড়া পুরসভা স্বশাসিত সংস্থা। ওরা আসলে হারবে জেনে এসব বলছে।

মে ১৫, ২০২৪
রাজ্য

মাঝরাতে বসিরহাটে ধুন্ধুমার, হাসপাতালে বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত, কটাক্ষ তৃণমূলের

সন্দেশখালি অভিযানে গিয়ে কোমরে এবং বুকে চোট পেয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বেশ কিছুক্ষণ সংজ্ঞাহীন ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। তাঁকে প্রাথমিকভাবে ভর্তি করানো হয় বসিরহাট হাসপাতালে। তাঁকে ইনজেকশন এবং ওষুধ দেওয়া হয়। পাশাপাশি অক্সিজেনও চলছে। সেখান থেকে এরপর তাঁকে নিয়ে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের পথে রওনা দেন বিজেপি নেতা-কর্মী ও সুকান্ত মজুমদারের দেহরক্ষীরা।বসিরহাট হাসপাতাল সূত্রে খবর, সুকান্ত মজুমদারের অবস্থা স্থিতিশীল। অবস্থার সামান্য উন্নতি হওয়ার পরেই তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সূত্রপাত টাকিতে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সন্দেশখালি যেতে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ। তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বের বচসা বাধে। এই সময় দেখা যায়, পুলিশের গাড়ির ওপর উঠে পড়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে নামানোর চেষ্টা করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর ধুন্ধুমার শুরু হলে ঠেলাঠেলির সময় পড়ে গিয়ে মাটিতে শুয়ে পড়েন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।ধস্তাধস্তিতে তিনি আহত হয়েছেন বলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ। তাঁরা পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে খুনের চেষ্টারও অভিযোগ আনেন। বিজেপি সূত্রে খবর, চোখেমুখে জল ছিটিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতির সংজ্ঞা ফেরানোর চেষ্টা হলেও কোনও লাভ হয়নি। এরপর টাকি হাসপাতালে উপযুক্ত ব্যবস্থা না-থাকায় রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে গাড়িতে তুলে বসিরহাট হাসপাতালের পথে রওনা দেন সুকান্ত মজুমদারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও বিজেপি কর্মীরা।সুকান্তর হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অভিনয় করছেন সুকান্ত মজুমদার? রাজ্য বিজেপি সভাপতির টাকিতে অসুস্থ হয়ে পড়া নিয়ে এমনই প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের। দলের সাংসদ তথা পেশায় চিকিৎসক ডা. শান্তনু সেন বলেন, আমার মনে হয়, সাংসদ জীবন অচিরেই শেষ হবে উপলব্ধি করে, তিনি ভবিষ্যতে বোধহয় অভিনয়ের জগতে নাম লেখাতে চাইছেন। সেজন্য একটা রিহার্সাল দিলেন। যত টিভি চ্যানেলে আমরা দেখেছি, কোথাও আমরা দেখিনি, সুকান্ত মজুমদারকে কেউ ধাক্কা মারছে বা কেউ মারধর করেছে। হঠাৎ তিনি অভিনয় করতে শুরু করলেন। অভিনয় জগতে আগামী দিনে তিনি অংশগ্রহণ করবেন বলেই মনে হচ্ছে। সেই জগতে তাঁর সাফল্য আমি অগ্রিম কামনা করছি।এর আগে বুধবার সুকান্ত মজুমদার ইছামতীর পাড়ে প্রথমে সরস্বতী পুজো করেন। কিন্তু, টাকির হোটেল থেকে বেরিয়ে সন্দেশখালির উদ্দেশে তিনি রওনা দিতে গেলেই, পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, হোটেল ঘিরে ফেলে পুলিশ। কার্যত গৃহবন্দি করা হয়েছিল সুকান্ত মজুমদারকে। সেই নিয়ে ধুন্ধুমার বাধলে পুলিশের গাড়ির ওপরে উঠে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি। কিন্তু, ধস্তাধস্তির সময় তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং সংজ্ঞা হারান বলে বিজেপি নেতা-কর্মীদের দাবি। এরপরই তড়িঘড়ি সুকান্ত মজুমদারকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালের পথে রওনা দেন বিজেপি কর্মীরা।এসবের আগে, মঙ্গলবার মাঝরাতে বসিরহাটের পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে থেকে বিজেপির ধরনা জোর করে তুলে দেন পুলিশকর্মীরা। এই সময় বেশ কিছুক্ষণের জন্য আটক করা হয় সুকান্ত মজুমদার ও কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে। কিছুক্ষণ পর অবশ্য সুকান্ত মজুমদারকে ছেড়েও দেয় পুলিশ। এই ব্যাপারে পুলিশের দাবি, মাঝরাতে বিজেপি-পুলিশ ওই খণ্ডযুদ্ধে জখম হয়েছেন এক আইসি-সহ ৩৭ জন পুলিশকর্মীও। তার মধ্যে বসিরহাট থানার আইসির হাতও ভেঙেছে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে এক মহিলা কনস্টেবল ভর্তিও হয়েছেন। এই ঘটনায় মোট ১১ বিজেপি কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারপরই বুধবার সন্দেশখালি যাওয়ার পরিকল্পনা করে রাজ্য বিজেপি। যদিও সুকান্ত মজুমদার অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর সেই পরিকল্পনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৪
রাজ্য

টেট মামলাকারী ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু, উঠল একাধিক প্রশ্ন

এসএসসি, প্রাইমারি সহ শিক্ষাক্ষেত্রে নানা কাণ্ডকারখানার মধ্য়েই এক টেট আন্দোলনকারীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। প্রাইমারি টেটে উত্তীর্ণ হতে না পেরে পরীক্ষায় অকৃতকার্য করানোর অভিযোগ এনে মামলা করেছিলেন ওই চাকরিপ্রার্থী। আন্দোলনে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন। সেই মামলা এখনও চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। ওর পরিবার ও বন্ধুরা মনে করছে, ওই মামলার রায় জানার আগেই অবসাদে আত্মঘাতী হলেন বসিরহাটের বাদুড়িয়ার চাকরিপ্রার্থী। ২০১৭ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের নির্ণায়ক টেট দিয়েছিলেন রাজু গাজি(২৯)। মৃতের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের বাদুড়িয়া থানার চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ৷ যোগ্য় প্রার্থীরা চাকরি পেলে এভাবে ছেলে চলে যেত না, আক্ষেপ মৃতের বাবা ইসরাইল গাজী।রাজু গাজির আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত হাইকোর্ট মামলা করেন। এই মর্মে প্রাথমিক টেট ২০১৭ পরীক্ষা ১৫০ টি প্রশ্নের মধ্যে ৮ টি প্রশ্নের উত্তর ভুল দেওয়া হয়েছে। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। কিন্তু ওই মামলার রায় জানার আগেই মৃত্যু হল রাজুর।জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রাজু। বাড়ি ফিরতে দেরি করায় তাঁর পরিবারের লোকজন চিন্তায় পড়েন। পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ তাঁর ফোনে কথাও হয়নি। দেরি হতে থাকায় তাঁদের টেনশন আরও বাড়তে থাকে। রাজুকে ফোন করলে এক জিআরপি আধিকারিক ফোনটা ধরেন। তখন দুঃসংবাদ জানাতে পারে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, ঠাকুরনগর ও চাঁদপাড়া স্টেশনের মাঝে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে রাজুর।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

ফুড প্রসেসিং কারখানয় গ্যাস লিক আতঙ্ক ছড়ালো এলাকায়, ঘটনার স্থলে পুলিশ দমকল স্বাস্থ্যকর্মীরা অ্যাম্বুলেন্স

বসিরহাটের মাটিয়া থানা শিকড়া কুলিন গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর মোড়ে ঘটনা শুক্রবার সকালে গ্যস লিক করে আতঙ্ক ছড়াই। সকাল দশটা নাগাদ হটাৎই ফুড প্রসেসিং কারখানায় থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে এই গ্যাস নাকে আসলে বেশ কয়েকজন শিশু মহিলা মহিলা পুরুষ অসুস্থ হয়। এই ঘটনা জানাজানি হতে স্থানীয় বাসিন্দারা মাটিয়া থানার খবর দেন ঘটনাস্থলে বসিরহাট পুলিশ জেলার বাদুরিয়ার এসডিপিও অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন গিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে কারখানার অ্যামোনিয়া গ্যাস সিলিণদার থেকে এই গ্যাস লিক হচ্ছে। প্রত্যেক পুলিশ কর্মী, মুখে গামছা রুমাল, কাপড় দিয়ে ঢাকে পরিস্থিতি রয়েছে ঘটনাস্থলে দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ওই কারখানার যে অ্যামোনিয়া গ্যাস যেখান থেকে লিক হচ্ছিল সেখানে জল দিতে শুরু করে এখনো নিয়ন্ত্রণে আসে নি। ঘটনার ফলে স্বাস্থ্যকর্মীরা কি কারনেই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে বাইরে বেরচ্ছিল তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কারখানার মালিক কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তাহলে কি কারখানার মধ্যে এমনিয়া গ্যাস রয়েছে তার কি নির্দিষ্ট সুরক্ষা ছিল না। এলাকায় রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২২
কলকাতা

প্রভাবশালী সিপিএম বিধায়ক যোগ দিলেন তৃণমূলে

সিপিএম বিধায়ক রফিকুল ইসলাম মণ্ডল তৃণমূলে যোগ দিলেন। তিনি বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিএম বিধায়ক ছিলেন। আগে তিনি তৃণমূলেই ছিলেন। ২০১৬ সালে টিকিট না পেয়ে দল ছেড়ে সিপিএম-এর টিকিটে ভোটে লড়াই করেন। জয়লাভও করেন। শুক্রবার তিনি সিপিএম ছেড়ে পুনরায় তৃণমূলে যোগ দিলেন। আরও পড়ুনঃ পটাশপুরে মৃত বিজেপি কর্মীর ফের ময়নাতদন্ত, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের এছাড়াও বিএসপি থেকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাবু নন্দ প্রসাদ এদিন তৃণমূলে যোগদান করেন। এদিন তৃণমূল ভবনে তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল নেতা অরূপ বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন সাধন পাণ্ডে। এছাড়াও বহুজন সমাজ পার্টি থেকে আরও ১০০০ জন সদস্য এদিন তৃণমূলে যোগ দেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

হঠাৎ অসুস্থ সনিয়া! হাসপাতাল থেকে এল বড় আপডেট, কবে ছুটি পাচ্ছেন জানুন

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে দিল্লির একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধি। তাঁকে নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তবে দুদিন পর হাসপাতাল সূত্রে কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে।শ্রী গঙ্গারাম হাসপাতাল-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সনিয়া গান্ধির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতালের চেয়ারম্যান অজয় স্বরূপ জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা এখন অনেকটাই স্থিতিশীল এবং তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে রয়েছেন। চিকিৎসায় ভাল সাড়া মিলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সব ঠিক থাকলে এক-দুদিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হতে পারে।সূত্রের খবর, গত মঙ্গলবার আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন সনিয়া গান্ধি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধি এবং মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। তাঁরা দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ছিলেন। গভীর রাতে রাহুল গান্ধি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান।কী কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে জানা গিয়েছে, ফুসফুস সংক্রান্ত সমস্যায় তিনি ভুগছিলেন। সেই কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে, যা স্বস্তি দিচ্ছে কংগ্রেস সমর্থকদের।মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে কেরলে নিজের কর্মসূচি মাঝপথে ছেড়ে দ্রুত দিল্লিতে পৌঁছন রাহুল গান্ধি। তিনি সারা রাত হাসপাতালেই ছিলেন। এমনকি মায়ের কেবিনে একটি সোফায় শুয়ে রাত কাটান তিনি। পরে এক সভায় তিনি জানান, হাসপাতালের এক নার্স প্রতি ঘণ্টায় সনিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছিলেন। তাঁর এই দায়িত্ববোধের প্রশংসাও করেন রাহুল।সব মিলিয়ে, সনিয়া গান্ধির শারীরিক অবস্থার উন্নতির খবরে স্বস্তির হাওয়া বইছে কংগ্রেস শিবিরে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বড় চমক ২৮ মার্চ! অমিত শাহের উপস্থিতিতে রাজ্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক চার্জশিট বিজেপির

বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট প্রকাশের পর এবার গোটা রাজ্যকে নিয়ে বড় চার্জশিট প্রকাশ করতে চলেছে বিজেপি। আগামী ২৮ মার্চ এই চার্জশিট প্রকাশ করা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র উপস্থিতিতে। গত পনেরো বছরে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে এই রিপোর্টে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এবং তার বাস্তব প্রয়োগ নিয়েও একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে ধাপে ধাপে এগোতে চাইছে বিজেপি। আপাতত তাড়াহুড়ো না করে সংগঠিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮০টি কেন্দ্রের পর্যালোচনা হয়েছে সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-এর উপস্থিতিতে। একটি বিশেষজ্ঞ দল এই চার্জশিট তৈরি করেছে।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই চার্জশিট আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্যের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর প্রকাশ করা হবে নির্বাচনী সংকল্পপত্র। সেই সংকল্পপত্র তৈরির জন্য বাংলার প্রায় দশ হাজার বিশিষ্ট মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে।বিজেপির নির্বাচনী কৌশলে এবার মূল স্লোগান ভয় বনাম ভরসা। স্থানীয় ইস্যুকে সামনে রেখেই আন্দোলন ও প্রচার চালানো হবে। যে সব প্রার্থীর আসন পরিবর্তন করা হয়েছে, তাঁদের জন্য দলের মধ্যে আলাদা একটি নামও ব্যবহার করা হচ্ছে।এই চার্জশিটে রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলার সমস্যা, নারী নিরাপত্তা, গণতন্ত্রের পরিস্থিতি, শিল্পের অবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সমস্যা, কৃষকদের দুর্দশা, উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা, চা শ্রমিকদের অবস্থা, কলকাতার পরিস্থিতি এবং সিন্ডিকেট প্রথার মতো একাধিক ইস্যু।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ৩০ মার্চ থেকে তারকা প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে শুরু করবেন। অন্যদিকে, শুক্রবার রাতে দিল্লি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা অমিত শাহের। রাতেই তিনি শহরে পৌঁছে নিউটাউনে যাবেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই চার্জশিট প্রকাশকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

আবার কি লকডাউন আসছে? জ্বালানি সঙ্কটে দেশজুড়ে আতঙ্ক, মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে, আবার কি লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারের মতো কয়েকটি দেশ জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই কারণেই ভারতে একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও।তবে এই জল্পনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশে আবার লকডাউন জারি করার কোনও পরিকল্পনা নেই। কোভিডের সময় যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তেমন কিছু ফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন নিয়ে যে খবর ছড়াচ্ছে তা পুরোপুরি ভুল। এই সময়ে শান্ত থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও কেন্দ্রের দাবি, ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ তৈরি হলেও দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন এবং আগাম জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, কোনও ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য দেশ প্রস্তুত।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় বদল! অবশেষে বিমানে অন্ডাল যাচ্ছেন মমতা, সকাল থেকে টানটান নাটক

সকাল থেকে অনিশ্চয়তার পর শেষ পর্যন্ত অন্ডাল সফর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন করে সূচি পাঠানো হয়েছে বিমানবন্দরে। ঠিক হয়েছে, দুপুর দুটো দশের বিমানে তিনি কলকাতা থেকে অন্ডাল রওনা দেবেন।আবহাওয়ার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই দুপুরের বিমানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।এদিন সকালে অবশ্য ভিন্ন ছবি দেখা গিয়েছিল। শেষ মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর বিমানযাত্রা বাতিল করা হয়। তখন খবর পাওয়া যায়, তিনি সড়কপথে অন্ডালের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রেও জানানো হয়েছিল, নির্ধারিত বিমানে তিনি যাচ্ছেন না।সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সফর নিয়ে দুটি বিকল্প পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল। একটি ছিল সড়কপথে যাওয়া, অন্যটি বিমানপথে। জানা গিয়েছিল, নির্ধারিত কাজ দ্রুত শেষ হলে তিনি সড়কপথে রওনা দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বিকেল দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে বেরোনোর সম্ভাবনা ছিল। তবে কাজ শেষ হতে দেরি হলে এবং বিকেলের দিকে বেরোতে হলে বিমানপথে যাওয়ার পরিকল্পনা রাখা হয়েছিল।শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী বিমানেই অন্ডাল যাবেন। সকাল থেকে এই সফর ঘিরে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে অবশেষে নির্দিষ্ট সময়েই তাঁর যাত্রা নিশ্চিত হল।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

রামনবমীতে অবিশ্বাস্য দৃশ্য! সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠল রামলালার তিলক, চমকে গেল অযোধ্যা

রামনবমীর পুণ্য তিথিতে অযোধ্যায় এক বিরল দৃশ্যের সাক্ষী থাকলেন ভক্তরা। ঠিক দুপুর বারোটার সময় জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারদিক। সেই সময়েই নবনির্মিত রাম মন্দির অযোধ্যা-র গর্ভগৃহে রামলালার কপালে এসে পড়ে সূর্যের উজ্জ্বল আলো। মুহূর্তের মধ্যে চন্দনের তিলক যেন জ্বলে ওঠে। প্রায় চার মিনিট ধরে এই দৃশ্য চলে, যা দেখে আবেগে ভেসে যান উপস্থিত ভক্তরা।এই সূর্য তিলক কেবল ধর্মীয় অনুভূতির বিষয় নয়, এর পেছনে রয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানের প্রয়োগ। সিবিআরআই রুরকি এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স-এর বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন। আয়না ও লেন্সের সাহায্যে সূর্যের আলোকে বিশেষভাবে প্রতিফলিত করে মন্দিরের গর্ভগৃহে পৌঁছে দেওয়া হয়। সেই আলোর একটি নির্দিষ্ট বিন্দু রামলালার কপালে এসে পড়ে, যা দেখে মনে হচ্ছিল সূর্য যেন আশীর্বাদ করছেন।এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-ও। তিনি সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও পর্দায় এই দৃশ্য দেখেন এবং হাত জোড় করে প্রার্থনা জানান। সারা দেশের কোটি কোটি মানুষও বিভিন্ন মাধ্যমে এই দৃশ্য দেখেছেন।ভোর থেকেই অযোধ্যায় উৎসবের পরিবেশ ছিল। সকাল পাঁচটা থেকেই মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। সরযূ নদী-তে স্নান করে ভক্তরা মন্দিরে প্রবেশ করেন। প্রশাসনের হিসেবে, এদিন দশ লক্ষেরও বেশি মানুষের ভিড় জমেছিল। সকালেই বিশেষ পূজার পর রামলালাকে সাজানো হয় এবং দুপুরে সূর্য তিলকের সময় নিবেদন করা হয় নানা রকম ভোগ।এই ঘটনা প্রমাণ করল, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রাচীন বিশ্বাস একসঙ্গে মিলেও নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। অযোধ্যার এই সূর্য তিলক শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের এক অনন্য মিলন হিসেবে মনে রাখা হবে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
বিদেশ

ক্ষেপণাস্ত্রে লেখা বার্তা ঘিরে চাঞ্চল্য! ভারতের উদ্দেশে ইরানের এই ধন্যবাদ কেন?

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ইরান থেকে ইজরায়েল-এর উদ্দেশে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রে লেখা ছিল ভারতের জনগণের উদ্দেশে ধন্যবাদবার্তা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার পর যে দেশগুলি তেহরানের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের প্রতিই কৃতজ্ঞতা জানাতে এই পদক্ষেপ করেছে ইরান। ভারতের পাশাপাশি স্পেন, জার্মানি এবং পাকিস্তান-কেও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। সেই হামলায় তেহরান-সহ একাধিক এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-র মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। এরপরই পাল্টা হামলা শুরু করে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় থাকা আমেরিকার সেনাঘাঁটি এবং ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক আক্রমণ চালানো হয়।এই পরিস্থিতিতে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যদিও তার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ইজরায়েলের দিকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের গায়ে বন্ধু দেশগুলির উদ্দেশে বার্তা লিখছেন এক ইরানি সেনা। ভাইরাল ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রে ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। একইভাবে জার্মানি, স্পেন এবং পাকিস্তানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, যুদ্ধের পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভারত সরাসরি কোনও পক্ষ না নিলেও বারবার শান্তির পক্ষে বার্তা দিয়েছে। পরে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর মৃত্যুতেও শোকপ্রকাশ করে ভারত।অন্যদিকে, ইরানও সে দেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং তাঁদের দেশে ফেরার ক্ষেত্রেও সাহায্য করেছে। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী ভারতের জন্য উন্মুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় তেহরান, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আবার ফিরছে তাণ্ডব! ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপবে বাংলা, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা

বৃহস্পতিবার বিকেলে খারাপ আবহাওয়ার জেরে হঠাৎই ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব দেখেছিল রাজ্যবাসী। প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছিল যে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করতেও সমস্যায় পড়ে। সেই ঘটনার পর ফের একই রকম দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে শুক্রবার থেকে রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এবার একাধিক জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত এই সতর্কতা জারি থাকবে।শুক্রবার পশ্চিমাঞ্চলের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।উত্তরবঙ্গেও একই পরিস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি জেলায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার ওই সব এলাকায় ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দমদম এলাকায় প্রায় পনেরো কিলোমিটার উঁচু উলম্ব মেঘ তৈরি হয়েছিল। তার জেরেই আচমকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চলে। প্রবল হাওয়ায় অনেক জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়। এবার সেই রকম পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ২৭, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য! ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে মৃত্যু ভারতীয়ের

প্রায় এক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। আকাশে বারুদের গন্ধ, দিনরাত সাইরেনের শব্দ আর একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যেই হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই যুদ্ধের প্রভাব থেকে রক্ষা পাননি ভারতীয়রাও। এবার ইরান ও আমেরিকার সংঘর্ষে আরও এক ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে।সম্প্রতি আবু ধাবি শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে ওই ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই প্রতিহত করা হয়। পাল্টা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সেটিকে আটকানো সম্ভব হয়। তবে আকাশে দুই ক্ষেপণাস্ত্রের সংঘর্ষের পর তার ধ্বংসাবশেষ গিয়ে পড়ে সুয়েইহান স্ট্রিট এলাকায়। সেখানেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় মোট দুই জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন ভারতীয় এবং অন্যজন পাকিস্তান-এর নাগরিক।ভারতীয় দূতাবাসের তরফে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। শোক প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিবারের পাশে থাকার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী-এর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।পরে জর্ডন-এর বিদেশ মন্ত্রক হতাহতদের পরিচয় প্রকাশ করে জানায়, এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যেও একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে মোট সাতজন ভারতীয়র মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে এখন পর্যন্ত মোট এগারো জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছিল নয়। সাম্প্রতিক হামলার পর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এগারোতে। নিহতদের মধ্যে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন সদস্যও রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ এবং প্যালেস্টাইনের নাগরিকরাও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।সেদেশের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ইরানের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে আবু ধাবির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিপুল সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তিনশোরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজারের বেশি ড্রোন হামলা। তবুও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal