• ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bank

বিবিধ

Debit-Credit Card: ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন? নিয়মে বড় বদল আনতে চলেছে আরবিআই

এখন অনেকেই নিয়মিত অনলাইনে কেনাকাটা করেন। জামাকাপড় থেকে খাবার অনলাইনে অর্ডার করা ও দাম মেটানোয় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন বহু মানুষ। এখন কার্ডের মাধ্যমে কোনও সংস্থাকে টাকা মেটাতে সব সময়ে ১৬ সংখ্যার নম্বর দিতে হয় না। সেই সঙ্গে দিতে হয় কার্ডের এক্সপায়ারি ডেট এবং সিভিভি। অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট থেকে জোম্যাটো, সুইগি নিয়মিত ক্রেতাদের কার্ডের বিবরণ নিজেদের ব্যবস্থায় সংরক্ষিত রাখে। কিন্তু এই ব্যবস্থা আর থাকবে না। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে কোনও সংস্থাই কোনও গ্রাহকের কার্ডের বিবরণ নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করতে পারবে না। ইতিমধ্যেই এইচডিএফসি-সহ বিভিন্ন ব্যাংক গ্রাহকদের এই ব্যাপারে নির্দেশ পাঠাতে শুরু করেছে। তাতে বলা হয়েছে ১ জানুয়ারি থেকে টোকেনাইজেশন পদ্ধতিতে লেনদেন হবে।এই নতুন পদ্ধতিতেও গ্রাহককে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের ১৬ অঙ্কের সংখ্যা মনে রাখতে হবে না। কেনাকাটার সময়ে কার্ডের নম্বর থেকে সিভিভি বা কার্ডের এক্সপায়ারি ডেটের তথ্য দিতে হবে না। তার বদলে একটি টোকেন নম্বর দিতে হবে। তাতেই টাকা মেটানো যাবে। নতুন এই নিয়মে কোনও গ্রাহকের কার্ডের বিবরণ কোনও মার্চেন্ট সাইটে সংরক্ষণ করা হবে না। ফলে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ভয়ও থাকবে না। মার্চেন্ট এবং ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলি সাধারণত নিজের গ্রাহকদের কার্ডের বিস্তারিত বিবরণ সংরক্ষণ করতে বলে, যাতে কেনাকাটায় গতি আনা যায়। কিন্তু এতে তথ্য চুরির ঝুঁকি থেকেই যায়। এখন রিজার্ভ ব্যাংক নির্দেশিত কার্ডের টোকেনাইজেশনের প্রযুক্তি অবলম্বন করলে সেই ঝুঁকিটাই এড়ানো যেতে পারে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Bank Strike: বছর শেষে টানা দু’দিন সব ব্যাংক বন্ধ, ব্যাহত হতে পারে পরিষেবা

বছর শেষের আগেই ফের ব্যাংক পরিষেবায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দুদিনের ব্যাংক ধর্মঘট ডাক দিয়েছে প্রায় সব ব্যাংক কর্মী সংগঠন। এর ফলে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া-সহ সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকের পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও বুধবার স্টেট ব্যাংকের পক্ষে টুইট করে জানানো হয়েছে, কর্মীদের কাজে যোগদান করতে বলা হয়েছে।অতীতেও ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাংক ইউনিয়নের ডাকা ধর্মঘটে সম্পূর্ণ ব্যাংক পরিষেবা বন্ধ হতে দেখা গিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই মনে করা হচ্ছে আগামী দুদিন দেশে আর্থিক লেনদেন বড় রকমের ধাক্কা খাবে। তবে তৃতীয় সপ্তাহ হওয়ায় এই শনিবার ব্যাংক খোলা থাকবে।ব্যাংকের বেসরকারিকরণ রুখতে বহুদিন ধরেই আন্দোলন করে চলেছেন কর্মীরা। ব্যাংক বেসরকারিকরণ আটকাতে তাঁরা যে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে বড় মাপের আন্দোলনে নামবেন, তা আগেই বলেছিলেন। এ বার সেই পথেই হাঁটছেন তাঁরা। ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর দুদিনের ব্যাংক ধর্মঘটে শামিল হচ্ছে, নটি ইউনিয়ন।বুধবার স্টেট ব্যাংকের পক্ষে জানানো হয়েছে, এসবিআই কর্মীদের ব্যাংক ধর্মঘটের দিনে সব শাখা ও অফিসে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে কর্মীদের অনুরোধ করলেও ধর্মঘটের রেশ পড়তে পারে। আর তাতে ব্যাংকের কাজ প্রভাবিত হতে পারে। প্রথম দিন এটিএম গুলিতে টাকার জোগান থাকলেও শুক্রবার সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন ব্যাংকের কর্তারাও।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Flood Situatuation: ফুঁসছে দামোদর-অজয়-গন্ধেশ্বরী-দ্বারকেশ্বর, বানভাসী দক্ষিণবঙ্গ, ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা

অজয় নদের জলে প্লাবিত হল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চল। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই অজয়ের জল বাড়তে শুরু করে। রাতে ভেদিয়ার সাঁতলা গ্রামের অজয় নদের বাঁধে ফাটল বিশাল আকার ধারণ করে। এই মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে অজয়ের জল সাঁতলা বাগবাটি-সহ চার পাঁচগ্রামকে প্লাবিত করেছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা করছে প্রশাসন। বিঘের পর বিঘে ধানের জমি জলের তলায়। ফলে চরম বিপদ শঙ্কায় এলাকার বাসিন্দারা।এদিকে, শুক্রবার সকাল পরিস্থিতির আরও অবনতি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম বহু অংশ প্লাবিত হয়েছে। জলের তলায় চলে গিয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম। ঘর হারানো মানুষজন একটু ডাঙার খোঁজে উত্তাল নদীর স্রোতের মধ্যে দিয়েই সাঁতরে চলেছেন। বিভিন্ন জেলা থেকে একাধিক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলছে। প্রাণহানি নিয়েও আশঙ্কায় প্রশাসন। সাতসকালে মঙ্গলকোটের কোঁয়ারপুর, মালিয়ারা ও গণপুর তিনটি গ্রামের কাছে অজয় নদের বাঁধ ভেঙেছে। বাঁধ ছাপিয়ে জল ঢুকতে শুরু করেছে আউশগ্রামের সাঁতলাতেও। জলবন্দি বেশকিছু গ্রামের মানুষ। আউশগ্রামের সাঁতলায় অজয়ের বাঁধ ভেঙেছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরানোর চেষ্টা চলছে। আউশগ্রামের সাঁতলা গ্রাম থেকে সাঁতরে বেরিয়ে এসে বাঁচার চেষ্টা করছেন তাঁরা। বাঁকুড়ার পরিস্থিতিও তথৈবচ। জলের তীব্র স্রোতে বাঁশের সাঁকো ভেঙে পাত্রসায়ের, সোনামুখীর বহুলাংশ প্লাবিত। গন্ধেশ্বরী, দ্বারকেশ্বর নদী ফুঁসছে। দ্বারকেশ্বরের জলে হুগলির আরামবাগ, গোঘাট-সহ একাধিক ব্লক জলমগ্ন। উদ্ধারকাজে নামানো হচ্ছে সেনাবাহিনী।অন্যদিকে, বানভাসী হুগলিও। লাল সতর্কতা জারি হয়েছে আরামবাগে। একদিকে টানা বৃষ্টি অন্যদিকে দফায় দফায় ডিভিসি-র ছাড়া জল আবার পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণ সব মিলিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠেছে রূপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুন্ডেশ্বরী ও দামোদর নদী । কোথাও বাঁধ ভেঙে আবার কোথাও বাঁধ উপচে জল ঢুকছে। তার মধ্যে রয়েছে আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট ও পুরশুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং ও নিচু এলাকার মানুষদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। পুরশুড়াতেও বিপদ বাড়িয়েছে ডিভিসির ছাড়া জল।দামোদর ও মুন্ডেশ্বরী নদীও বইছে বিপদ সীমার উপর দিয়ে। ইতিমধ্যেই প্রায় দুই লক্ষ্য কিউসেকেরও বেশি জল ছেড়েছে ডিভিসি। যদিও এখনও ডিভিসির ছাড়া জল মুন্ডেশ্বরী দিয়ে খানাকুলে এসে পৌঁছয়নি। কিন্তু ডিভিসির জল খানাকুলে এসে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে এবং সমস্ত বন্যা পরিস্থিতিকে ছাপিয়ে যাবে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই নিয়ে ২ মাসে আরামবাগ মহকুমা পরপর তিনবার বন্যার সম্মুখীন হলো। সব মিলিয়ে বড় সড় বন্যা পরিস্থিতির আতঙ্কে আতঙ্কিত গোটা আরামবাগ মহকুমার মানুষ। জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ কমানো হচ্ছে। আজ সকাল থেকে ১ লক্ষ ৮৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। গতকাল এই জল ছাড়ার পরিমাণ ২ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি ছিল। নিম্নচাপ ধীরে ধীরে সরে যাওয়ায় বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে কমছে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ। নতুন করে নিম্নচাপ না হলে এই জল ছাড়ার পরিমাণ আজকে অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা করছে সেচ দপ্তর।

অক্টোবর ০১, ২০২১
রাজ্য

Bank Timing: বড় ঘোষণা: বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে পূর্ণ সময় খোলা থাকবে ব্যাংক

বিধিনিষেধ উঠল। এবার ব্যাংক খোলা থাকবে তার স্বাভাবিক সময়সীমা মেনেই। পানাগড়ে এক পলিফিল্ম কারখানার শিলান্যাস অনুষ্ঠানে একথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশপাশি, নবান্নর তরফের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা জানিয়ে দেওয়া হল। অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে এবার বিকেল ৪টে পর্যন্ত চলবে ব্যাংকের কাজকর্ম।আরও পড়ুনঃ নারদ মামলায় ফের তলব সুব্রত-ফিরহাদ-মদন-শোভনকেপানাগড়ে এদিন এক অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিপুল সাড়া মিলেছে। একদিন দেড় কোটি মানুষ ওই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ হচ্ছে ব্যাংকের মাধ্যমে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকাও দেওয়া হবে ব্যাংকের মাধ্যমে। তাই ব্যাংকের কাজের সময়সীমা আগের মতে করে দেওয়া হল। করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে গত ১৬ মে রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় ব্যাংকের কাজকর্ম সকাল ১০টা থেকে ২টোর মধ্যে শেষ করতে হবে। পাশাপাশি শনিবার ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। মমতার নির্দেশে এবার সেই নিয়মে বদল আসতে চলেছে। সকাল ১০টায় ব্যাংকের কাজ শুরু হয়ে তা শেষ হবে বিকেল চারটেয়। বৃহস্পতিবার থেকে চালু হচ্ছে এই নিয়ম।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Students Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্র

আর্থিক প্রতিবন্ধকতার কারণে ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা যাতে থমকে না যায় তার জন্য রাজ্য সরকার চালু করেছে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড।তার মাধ্যমে পড়ুয়ারা ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবে। পড়ুয়াদের স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেওয়া এমন উদ্যোগ গোটা দেশের পড়ুয়া মহলে সাড়া ফেলে দেয়। কিন্তু এত কিছুর পরেও স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লোন নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ পড়ুয়ার কাছ থেকে সিকিউরিটি বাবদ বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা রাখার কথা বলায় পণ্ড হতে বসেছে স্টুটেন্ড ক্রেডিট কার্ড চালু করার মূল উদ্দেশ্য। ব্যাঙ্কের জারি করা এমন ফরমানে চরম বিপাকে পড়ে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বি-টেক পড়ুয়া আবির মিত্র। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ যাতে এমন ফরমান প্রত্যাহার করে নেয় তার জন্য ছাত্র আবির চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও কালনার মহকুমা শাসকের কাছে আর্জি জানিয়েছে। পড়ুয়ার আর্জির কথা জানতে পেরে নড়ে চড়ে বসেছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।কালনা শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ছোটমিত্র পাড়ায় বাড়ি বি-টেক এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবির মিত্রর।তাঁর বাবা ওষুধের দোকানে কাজ করে সামান্য যেটুকে অর্থ রোজগার করেন তা দিয়েই কোনরকমে তাঁদের সংসার চলে। তবুও নিম্নবিত্ত পরিবারের মেধাবি ছাত্র আবিরের স্বপ্ন উচ্চ শিক্ষিত হওয়া। এখন তাঁর লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অর্থই বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালু করায় লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আশার আলো দেখেছিল আবির।পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য আবির ষ্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের রেজিষ্ট্রেশন করে। এরপর সে পড়াশোনার জন্য দেড় লক্ষ টাকা লোন নিতে চেয়ে বর্ধমান সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের কালনা শাখায় আবেদন করে। আবিরের অভিযোগ, ওই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে দেড় লক্ষ টাকা লোন পাওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর বাড়ির দলিল ব্যাঙ্কে জমা (বন্ধক )রাখতে বালায় সে বিপাকে পড়ে যায়। আবির এদিন জানিয়েছে, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমন ফরমান যাতে প্রত্যাহার করে তার আর্জি জানিয়ে সে মুখ্যমন্ত্রী, জেলাশাসক ও মহকুমাশাসকের কাছে চিঠি লিখেছে।যদিও ওই ব্যাঙ্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার প্রদীপ অধিকারী এদিন বলেন, লোন নিয়ে প্রাথমিক একটা আলোচনা হয়। ওই লোন সেন্ট্রাল বর্ধমান থেকে দেওয়া হচ্ছে। জমি, বাড়ি বন্ধক রাখার কথা কাউকে বলা হয়নি বলে প্রদীপ বাবু জানান। কালনা মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। ওই ছাত্রের লোন পেতে কোনও অসুবিধা হবে না।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
রাজ্য

Fixed Deposit Missing : গ্রাহকের অজান্তেই গায়েব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা, পুলিশের দ্বারস্থ প্রৌঢ়

গ্রাহকের আজান্তেই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব হয়ে গেল তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। ঘটনার বিহিত চেয়ে কালনা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন কালনার মধূবন পাড়ার বিডিও অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ধীরেন্দ্রনাথ দাস। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশকে ধীরেন্দ্রনাথ দাস জানিয়েছেন, বিডিও অফিস থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি এককালীন ২ লক্ষ টাকা পান। ২০১৮ সালের ২৯ আগষ্ট ওই ২ লক্ষ টাকা তিনি কালনার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ফিক্সড ডিপোজিট হিসাবে গচ্ছিত রাখেন। ২০২৩ সালের ১৯ আগষ্ট ছিল ফিক্সড ডিপোজিটের ম্যাচিউরিটি ডেট। ধীরেন্দ্রনাথ বাবু জানিয়েছেন, তাঁর ছোট মেয়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য তাঁর টাকার প্রয়োজন হয়। সেই কারণে মেয়াদ উত্তির্ণ হওয়ার আগেই চলতি মাসের ১৬ তারিখ তিনি ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেট ভাঙিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কে যান। তখনই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানিয়ে দেয়, ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা নাকি তুলে নেওয়া হয়েছে । ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেটেও ক্লোজ বলে লিখে দেয়। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এমনটা জানিয়ে দেওয়ায় মাথায় হাত পড়ে যায় ধীরেন্দ্রনাথ বাবুর। তিনি নিশ্চিত হন জালিয়াতি করে কেউ তাঁর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরপরেই ধীরেন্দ্রনাথবাবু ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে কালানা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।আক্ষেপ প্রকাশ করে ধীরেন্দ্রনাথ দাস এদিন বলেন, রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কে জীবনের সঞ্চয়টুকু জমা রেখে এইভাবে ঠকতে হবে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। এখন অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসা কীভাবে করবেন তা তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ম্যানেজার ইন্দ্রজিৎ মজুমদার শুধু বলেন, লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে তাঁকে কেউ কিছু জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Bank Robbery: মেমারিতে ব্যাঙ্ক ডাকাতির চেষ্টা, গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ চার জন

সমবায় ব্যাঙ্কের শাখায় ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার হল এক সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ আরও ৪ জন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপুল শিকারি, আকাশ রায় ও অসীম মণ্ডল। মেমারি থানার দলুই বাজার এলাকা নিবাসী চন্দন মেমারি থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। বাকি ধৃতরা মেমারির পারিজাতনগর এলাকার বাসিন্দা।আরও পড়ুনঃ অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা ব্যাঙ্ক ডাকাতির চেষ্টার ঘটনায় মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে সঞ্জু ঘোষ, অভিজিৎ দে, শেখ জাবেদ ওরফে চিঙ্কা, বাপি মণ্ডল ও অভিজিৎ দত্তকে গ্রেপ্তার করে। তাদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ ঘটনায় সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ চার জনের জড়িত থাকার কথা জানতে পেরে গ্রেপ্তার করে। চার ধৃতকেই পুলিশ এদিন পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ১ সেপ্টেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মা হলেন নুসরত, পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন তিনিপুলিশ জানিয়ছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে মেমারির ডাকাত দল রসুলপুরে সাহানুই এসকেইউএস সমবায় ব্যাঙ্কের শাখা অফিসে হানা দেয়। তারা ব্যাঙ্কের সাটার ভেঙে ভিতরে ঢোকে। ব্যাঙ্কের আধিকারিক পার্থ দে বাড়িতে বসেই তাঁর মোবাইলের সিসি ক্যামেরার ফিড থেকে ডাকাতদের ব্যাঙ্কে ঢোকার বিষয়টি জানতে পারেন। তখনই তিনি মেমারি থানায় ঘটনার কথা জানান। খবর পেয়েই মেমারি থানার ওসি দেবাশিষ নাগের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী দ্রুত ওই ব্যাঙ্ক শাখার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তখন ডাকাতরা ব্যাঙ্কের ভল্ট ভেঙে টাকা লুটের চেষ্টা করছিল। পুলিশ সেখানে পৌছে প্রথমেই চারজনকে হাতে-নাতে ধরে ফেলে। পরে আরও এক ডাকাত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়। এই পাঁচ জনকে হেপাজতে নিয়ে জেরা চালিয়েই পুলিশ ব্যাঙ্ক ডাকাতির চেষ্টায় সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ চারজনের জড়িত থাকার কথা জানতে পারে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Bankura BJP: স্বামী-সন্তান ছেড়ে পালিয়ে বিয়ে করলেন চন্দনা বাউড়ি! কী বলছেন বিধায়িকা?

বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ির বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ উঠল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে গাড়ির চালককে বিয়ে করেছেন চন্দনা। সেই মর্মে বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত গাড়িচালক কৃষ্ণ কুণ্ডুর স্ত্রী রুম্পা কুণ্ডু। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দনা। স্বামী শ্রবণের সঙ্গে পারিবারিক গোলমালকেই রাজনৈতিক উদ্দেশে অন্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ফের বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরলগরিব ঘরের বধূ চন্দনা বাউড়ি বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই খবরের শিরোনামে থেকেছেন। ভোটের প্রচারে বাঁকুড়া এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও চন্দনার কথা আলাদা করে বলেছিলেন। সেই চন্দনা সম্পর্কে পরকীয়ার খবর নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নানা জল্পনা শুরু হয়। বিজেপি-র পক্ষ থেকে অবশ্য এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি দুপুর পর্যন্ত। তবে চন্দনা তাঁর স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে একটি ফেসবুক লাইভ করে তাঁদের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানান। সেখানেও তিনি গোটা বিষয়টিকেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তবে জেলা বিজেপি-র একাংশের দাবি, কৃষ্ণ গাড়িচালক নন। তিনি শালতোড়া বিধানসভার দলীয় কো-কনভেনর।আরও পড়ুনঃ অতিরিক্ত টোল আদায়, অভব্য আচরণের অভিযোগ বালি টোল সংস্থার বিরুদ্ধেপুলিশ জানিয়েছে, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে চন্দনার বিরুদ্ধে। গাড়িচালক কৃষ্ণর স্ত্রী রুম্পার দাবি, বুধবার রাতে চন্দনা এবং কৃষ্ণা বিয়ে করেছেন। পুলিশের একাংশের দাবি, বিবাহের বিষয়টি নাকি পুলিশের কাছে চন্দনা স্বীকার করেছেন। যদিও চন্দনার দাবি, তিনি একেবারেই তা বলেননি। পুলিশের একাংশের ওই দাবি অসত্য। প্রসঙ্গত, চন্দনা এবং কৃষ্ণ দুজনেই নিজের নিজের জীবনে বিবাহিত। তাঁদের সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ পেয়ে গঙ্গাজলঘাটি থানার পুলিশ চন্দনা ও কৃষ্ণর বিরুদ্ধে ৪৯৮-এ ধারায় বধূ নির্যাতনের মামলা রুজু করেছে।এ ছাড়াও,৫০৬ ধারায় দুজনের বিরুদ্ধেই ভয় দেখানোর অভিযোগও আনা হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজ্য

Bank: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার দম্পতি

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের গ্রাহকদের জমা করা টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দম্পতি। ধৃতদের নাম সুখেন মাজি ও কৃষ্ণা দাস। ধৃতদের মধ্যে সুখেনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার দেয়াসিন গ্রামের। অপর ধৃত কৃষ্ণার বাড়ি কাটোয়া থানার মুস্থুলি গ্রামে। কাটোয়া থানার পুলিশ শনিবার ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি ভাড়াবাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে।সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক সুখেন মাজির ৭ দিনের পুলিশি হেপাজত ও কৃষ্ণাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়ার গরাগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রয়েছে রাস্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কের অধীন একটি গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র। সেটি চালাতেন সুখেন মাজি ও তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণাদেবী। সাধারন গ্রাহকদের পাশাপাশি স্থানীয় গরাগাছা, খেদাপাড়া,পলতাগাছা প্রভৃতি গ্রামের একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যারা সুখেন মাজির ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে আর্থিক লেনদেন করতেন। সম্প্রতি গোষ্ঠীর মহিলারা জানতে পারেন তাঁরা ব্যাঙ্ক ঋণের যে কিস্তি জমা করেছিলেন তা আদপে ব্যাঙ্কে জমা হয়নি। কয়েক লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গোষ্ঠীর শতাধিক মহিলা ও বেশ কিছু গ্রাহক ব্যাঙ্কের শাখায় এসে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। তারই মধ্যে সুখেন মাজি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। শেষে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সুখেন মাঝি ও তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা দাসকে বারাসত থেকে গ্রেফতার করে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
রাজ্য

Money Theft: ব্যাঙ্ক গ্রাহকের টাকা ছিনতাই করে পালাতে গিয়ে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ওড়িশার ২ দাগী দুস্কৃতি

ব্যাঙ্ক গ্রাহকের মোটর বাইকের টুল বক্স ভেঙে মোটা টাকা ছিনতাই করে নিয়ে পালানোর সময়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিন রাজ্যের দুই দাগী দুস্কৃতি।ধৃতদের নাম আউল সোম ও রাণা আউল প্রধান। এদের মধ্যে আউলের বাড়ি ওড়িশার গঞ্জাম জেলার আসকা (Aska) থানার ডোমকুনি সাহাপুর এলাকায়। অপর ধৃত রাণার বাড়ি ওড়িশার জয়পুর জেলার কোরাই (Korai)থানার পূর্বকোটে (Purbakote) এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ে যায় ওড়িশা রাজ্যের এই দুই কুখ্যাত দুস্কৃতি। তাঁদের কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ছিনতাই হওয়া টাকা। থানায় পুলিশের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের সম্পর্কে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা জেনে কার্যত স্তম্ভিত জেলা পুলিশের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?পুলিশ জানিয়েছে, খণ্ডঘোষের কৈয়ড় গ্রামে বাড়ি যুবক শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের। এদিন দুপুরে রায়নার সেহেরাবাজারের একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক থেকে মোটা টাকা তুলে তিনি তাঁর মোটর বাইকের টুল বক্সে রাখেন। এর পর তিনি তাঁর বাইকে চেপে ব্যাঙ্ক থেকে কিছুটা দূরে একটি দোকানের সামনে বাইকটি দাঁড় করিয়ে দোকানে ঢোকেন। ওই সময়ে কয়েক মুহুর্তের মধ্যে শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের ওই বাইকের টুলবক্স ভেঙে টাকা নিয়ে দুই দুস্কৃতি তাঁদের নীল রঙের বাইকে চেপে দ্রুত পালিয়ে যায়। এই ঘটনা দেখার পরেই ওই দোকানের সামনে থাকা লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। তখনই শৈলেনবাবু দোকান থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন তাঁর মোটর বাইকের টুলবক্স ভাঙা। টুল বক্সে টাকা নেই। তারই মধ্যে সেখানকার অনেকে নীল রঙের বাইকে চেপে পালানো দুস্কৃতিদের পিছু ধাওয়া করে। কয়েকজন রায়না থানার পুলিশকেও ঘটনা বিষয়ে জানায়। সেই খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসে রায়না ও জামালপুর থানার পুলিশ। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, খবর পাওয়া মাত্র বিভিন্ন থানাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। সেহেরাবাজার থেকে জামালপুর যাওয়ার পথে রায়না ও জামালপুরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের নাকা শুরু হয়। নীল বাইকে চেপে থাকা দুই দুস্কৃতি সেহারাবাজার থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জামালপুরের কাড়ালাঘাট এলাকায় তারা ধরা পড়ে যায়। ছিনতাই হওয়া টাকাও তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ ওই দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি তাঁদের নম্বরবিহীন নতুন মোটরবাইকটি বাজেয়াপ্ত করেছে। শৈলেন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে অপারেশন চালিয়ে দুস্কৃতিরা তাঁর বাইকের টুলবক্স ভেঙে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ দ্রুত তৎপর হওয়াতেই দুস্কৃতিরা ওই টাকা সহ ধরা পড়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের দিল্লি সফরে রাজ্যপাল, কারণ অজানা ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃতরা মূলত ওড়িশা, বিহার ও বাংলায় অপরাধ চক্র চালায়। তাঁরা ওড়িয়া ছাড়াও হিন্দি ও বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি থানাতে জাল নোট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তারা কিছুদিন আগে গঞ্জাম এলাকায় ২ লক্ষ টাকা ছিনতাই করে পূর্ব মেদিনীপুরে চলে আসে। সেখানে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই নীল মোটরবাইকটি কেনে। সেই মোটরবাইক নিয়ে কলকাতাতে বেশ কিছু দিন ঘুরে তারা পূর্ব বর্ধমান জেলায় এসে বিভিণ্ন জায়গায় ঘুরে রেইকি করে যাচ্ছিল। কিছুদিন আগে, বর্ধমান শহরের বাদামতলায় এক চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ এখনও সেই ঘটনার কিনারা করতে পারেনি। শহর বর্ধমানে ওই চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জামালপুরে ধৃত দুষ্কৃতীরা জড়িত কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ধৃতদের নামে আর কী কী মামলা রয়েছে তার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Lalgarh: ১২ বছর ধরে পথ চেয়ে বসে লালগড়ে অপহৃত পুলিশ কনস্টেবল সাবির ও কাঞ্চনের পরিবার

এক আধ বছরের অপেক্ষা নয়। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ছেলের জন্য পথ চেয়ে বসে আছেন দুই পুলিশ কনস্টেবলের দুই মা। একজন কনস্টেবল সাবির মোল্লার সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা মা জাহানারা বেগম। অন্যজন সাবিরের সহকর্মী কাঞ্চন গড়াইয়ের বৃদ্ধা মা মিনতি গড়াই। ২০০৯ সালের ৩০ জুলাই পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড় থেকে অপহৃত হয়ে যায় এই দুই পুলিশ কনস্টেবল। দুই পুলিশ কনস্টেবলের কেউই সেই থেকে আজও আর বাড়ি ফেরেনি।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালবাড়িতে বসে চোখের জল মুছতে মুছতে শুক্রবার সাবিরের মা জাহানারা বেগম বলেন, ১২ বছর আগে আমার পুলিশ কনস্টেবল ছেলে সাবির মোল্লা ও তাঁর সহকর্মী কাঞ্চন গড়াই ধরমপুর পুলিশ ক্যাম্প থেকে লালগড় বাজারে ডিউটি করতে যাওয়ার পথে অপহৃত হয়। মাওবাদীরাই সাবির ও কাঞ্চনকে অরহরণ করে। তার পর থেকে দীর্ঘ ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও ওদের হদিশ মেলেনি। এবার হয়তো রাজ্য প্রশাসন দুই মায়ের দুই পুলিশ কনস্টেবল ছেলেকে মৃত বলেই ঘোষণা করে দেবে।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টজাহানারা বেগমের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার তেলসরা গ্রামে। তাঁর স্বামী ইব্রাহিম মোল্লা ২০০২ সালে মারা গিয়েছেন। কৃষিজীবী পরিবার। জাহানারা বেগমের চার ছেলে ও এক কন্যার মধ্যে সাবিরই সবার ছোট। সাবির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র ব্যাটেলিয়নে কস্টবেবল পদে চাকরি পাওয়ায় তাঁদের পরিবারে সুদিন ফেরে। সাবিরের মেজ দাদা সামাদ মোল্লা এদিন বলেন, ২০০৬ সালে ব্যারাকপুরে ট্রেনিং সম্পূর্ণ করে তাঁর ছোট ভাই সাবির মোল্লা। তারপর মাঝে কয়েক বছর সে অন্যত্র ডিউটি করে। ২০০৯ সালের ১৬ জুলাই পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড়ের ধরমপুর ক্যাম্পে পোস্টিং হয় সাবিরের। একই ক্যাম্পে পোস্টিং হয়েছিল বাঁকুড়ার ছাতনা থানার সুয়ারাবাকড়াআরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় কি শিল্পা শেট্টিও জড়িত?গ্রামের যুবক কাঞ্চন গড়াইয়ের। বাড়িতে রয়েছে কাঞ্চনের বৃদ্ধ বাবা বাসুদেব গড়াই ও মা মিনতি গড়াই। কাঞ্চনই ছিল গড়াই পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। সামাদ মোল্লা জানান, ২০০৯ সালের ৩০ জুলাই বিকালে একই বাইকে চেপে ধরমপুর পুলিশ ক্যাম্প থেকে লালগড় বাজারে ডিউটিতে যাচ্ছিল সাবির ও কাঞ্চন। মাঝপথে মাওবাদীরা সাবির ও কাঞ্চনকে অপহরণ করে গুম করে দেয়। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রাজ্য প্রশাসনে তোলপাড় পড়ে যায়। পুলিশের তাবড় মহল নড়ে চড়ে বসে। আজকের বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সেই সময়ে ছিলেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী নেত্রী। তিনি অপহৃত দুই পুলিশআরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিককনস্টেবলের পরিবারের পাশে দাড়ান। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তদানীন্তন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্তী পি চিদাম্বরমের কাছে পৌছান। দুই অপহৃত পুলিশ কনস্টেবলের উদ্ধারের ব্যবস্থা করার জন্য তিনি পি চিদাম্বরমের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেন। কিন্তু এত সবের পরেও ১২ বছর পেরিয়ে গেল। দুই পুলিশ কনস্টেবল সাবির মোল্লা ও কাঞ্চন গড়াই কারোরই হদিশ মেলেনি। সামাদ মোল্লা বলেন, এবার হয়তো সরকারী নিয়ম মেনেই রাজ্য প্রশাসন অপহৃত দুই পুলিশ কনস্টেবল সাবির মোল্লা ও কাঞ্চন গড়াইকে মৃত বলে ঘোষনা করে দেবে!আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়ারাজ্য রাজনীতিতে পালাবদল ঘটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেও কিন্তু তিনি দুই অপহৃত পুলিশ কনস্টেবলের পরিবারের কথা ভুলে যাননি ।খাতায়-কলমে আজও সাবির মোল্লা ও কাঞ্চন গড়াই মিসিং অন ডিউটি রয়েছেন।তবে সাবির মোল্লা ও কাঞ্চনের গড়াইয়ের চাকরির বেতনের টাকা প্রতি মাসে তাঁদের অবিভাবকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। ২০১৭ সালে রাজ্য সরকার পুলিশ ডিপার্টমেন্টেই সাবিরের এক দাদা সরিফ মোল্লা ও কাঞ্চনের ভাই তারক গড়াইয়ের চাকরির ব্যবস্থা করে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?তবে অন্য সব সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তি হয়নি বলে এদিন হতাশা ব্যক্ত করেছেন সাবির মোল্লার মা জাহানারা বেগম। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও পাঠিয়েছেন। জাহানারা বেগম বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে তাঁর ছেলের বেতনের ইনক্রিমেন্ট বন্ধ রয়েছে। পুরানো বেতনই এখনও পাচ্ছেন। রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের বিমার কোনও অর্থ এখনও পাননি। এমনকি ২০২০ সালের পে-কমিশনের সুবিধাও তাঁরা পাচ্ছেন না। মাওবাদী এলাকায় কর্মরত পুলিশকর্মীরা অতিরিক্ত ৩০% বেতন পাবে বলে যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সেটাও পাচ্ছেন না। আগে ডিএ পেলেও এখন সেটা বন্ধ রয়েছে। এই বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন বলে জাহানারা বেগম বলেন। একই বক্তব্য কাঞ্চন গড়াইরের বাবা মায়েরও।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারএই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় অপহৃত দুই পুলিশ কনস্টেবলদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দুই পরিবারের একজনের চাকরির ব্যবস্থাও তিনি করে দিয়েছেন। হতাশ হবার কিছু নেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই পরিবারগুলির বিষয়ে ওয়াকিবহাল হয়েছেন।

জুলাই ৩০, ২০২১
রাজ্য

BJP MLA: সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

রাজ্যে ফের আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক। রবিবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিফায়ক দিবাকর ঘরামি। জানি গিয়েছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দিবাকরবাবুর গাড়ির উপর লাঠি নিয়ে হামলা করে। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় রক্ষা পান বিজেপি বিধায়ক। যদিও দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। জখম সকলকেই সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। যথারিতি এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধেবেলা মানিকবাজারের কাষ্ঠসাঙা গ্রামের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সোনামুখীর (Sonamukhi) বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। তিনি সেখানে কথাবার্তা বলার পর ফেরার পথে মানিকবাজারের কাছে দুষ্কৃতী হামলার মুখে পড়েন।চলে গো ব্যাক স্লোগান।দুপক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে অনেকের মাথা ফেটে যায়, কেউ বা হাতে-পায়ে চোট পেয়েছেন। ঘটনার পরও রাতভর সেখানে উত্তেজনা জারি ছিল। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের খবর মিলেছে একাধিকবার। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূলের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, সবটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঘটনার কথা টুইট করে তীব্র নিন্দা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একজন বিধায়কও অবিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর জঙ্গলরাজে নিরাপদ নন।Sonamukhi MLA Dibakar Gharami attacked by TMC goons today at Manikbajar Panchayat area.7 BJP party members accompanying him were seriously injured alongside others had to be referred to Bankura Medical College.An MLA is not even safe in the Non-MLA CMs jungle raj. Horrific pic.twitter.com/Q8UpJqVeTP Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 4, 2021উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার, ঘরছাড়া হওয়ার খবর আসছে রাজ্যজুড়ে। এই নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে দরবারও করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে এসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদেরও। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আক্রান্ত হলেন বিজেপি বিধায়ক।

জুলাই ০৫, ২০২১
ব্যবসা

Bank's Profit: করোনা অতিমারিতেও ব্যাংকের রেকর্ড লাভ

২০২০-২১ অর্থবর্ষে দেশের ব্যাংকিং বিভাগ করোনা অতিমারিতেও রেকর্ড লাভ করেছে। যখন দেশের বাকি সমস্ত সংস্থা এই অতিমারিতে অর্থনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত, সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক। ওই অর্থবর্ষে বাঙ্কিং বিভাগ ১,০২,২৫২ কোটি টাকা লাভ করেছে, যা গত অর্থবর্ষের ১৮,০০০ কোটি টাকার মোট লোকসানের তুলনায় বেশ ভাল বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।মোট মুনাফার ৫০% এসেছে প্রধান দুইটি ব্যাংক এইচডিএফসি এবং স্টেট বাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে। এইচডিএফসি বাঙ্ক ৩১,১১৬ কোটি টাকা যা প্রায় মোট লাভের ৩০% এবং গত অর্থবর্ষের তুলনায় ১৮% বেশী। দেশের সর্ববৃহৎ ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ২০,৪১০ কোটি টাকা লাভের কথা ঘোষণা করেছে, যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ২০% বেশী। তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে আইসিআইসিআই ব্যাংক, তারা ১৬,১৯২ টাকা লাভ করে, যা আগের অর্থবর্ষের প্রায় দ্বিগুন। সরকারি ব্যাংকগুলি (পিএসবি) ঋণদানের ক্ষেত্রে ধীরগতির নীতি অবলম্বন করায় বেসরকারী ব্যাংকগুলিরও বাজারের শেয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাসবচেয়ে বড় ব্যাপার বেসরকারি ব্যাংকগুলি গত পাঁচ বছরে এই প্রথম সম্মিলিত ভাবে নিট লাভ করেছে। সারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের মধ্যে মাত্র দুটি ব্যাংক যথাক্রমে পাঞ্জাব ও সিন্ধ ব্যাংক এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া-তে এই বছরে নিট লোকসান হয়েছে।বেসরকারী ক্ষেত্রে ইয়েস ব্যাংক ৩,৪৬২ কোটি টাকার নিট লোকসান করে লাল তালিকাভুক্ত হয়েছে। তারা বিগত বছরের মত একই ধারা অব্যহত রেখেছে। লাল তালিকাভুক্ত হওয়ার কারণ, তারা বিগত বছরের ন্যায় কম লোকসান করেছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচিসারকারি অধিগৃহীত ব্যাংকের এই সাফল্যের মুল কারন, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ব্যাংকগুলিকে বাধ্য করেছিল সর্বোচ্চ ১০টি আনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার ঋণের টাকা উদ্ধার করার জন্য। তারপর তারা পরবর্তী ৪০টি অনাদায়ী ঋণ গ্রহীতার থেকে ঋণের টাকা উদ্ধার করে তাদের দেউলিয়ার ঘোষণা থেকে নিরস্ত করে।রেটিং এজেন্সি আইসিআরএ রিপোর্ট অনুসারে, চলতি বছরের লাভের মুল কারণ হল সরকারি ব্যাংকের বন্ড-এ ব্যাপক বিনিয়োগ। রেটিং এজেন্সিটি আরও জানিয়েছে, এসবিআই ছাড়া বন্ড বিক্রয় থেকে লাভ অন্যান্য সমস্ত সরকারি ব্যাংকের কর-পূর্বের মুনাফা বেড়েছে। আরও পড়ুনঃ কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কিরসুদের হার কমে গেলে সরকারী বন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পায়। সুদের হার কম রাখার জন্য আরবিআইয়ের আগ্রাসী পদক্ষেপে সুদের আয় হ্রাস পেয়েছে তবে ট্রেজারি আয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর লাভ দিয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরটি দশটি সরকারী ব্যাংকের একত্রীকরণ করে চারটি ব্যাংকে পরিণত করার জন্য বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য।ব্যাংকগুলির ব্যালান্স শিটগুলিতে মহামারির প্রভাব এখনও সেইভাবে প্রতিফলিত না হওয়ার কারণ ঋণগ্রহীতাদের ঋণখেলাপি অনেকাংশেই আটকানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পুরসভার কর্মী বদলিতে বিধায়কের সম্মতি! শোরগোল বর্ধমানে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে আরবিআই ব্যাংকগুলিকে নির্দেশ দেয় যেন তারা ঋণগ্রহীতাদের আরও এক বছর সময় দিয়ে ঋণ পুনরুদ্ধার করতে। বৃহত্তর কর্পোরেট অ্যাকাউন্টগুলির ওপর যাতে এর প্রভাব কোন ভাবেই না পড়ে সেই দিকেও খেয়াল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলি আতিমারির কারণে ঋণখেলাপি হয়ে ভবিষ্যতে লোকসানের প্রত্যাশা করছেনা না।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

PNB Scam: মালিয়া-চোকসি-মোদির শেয়ারের ৯ হাজার কোটি টাকা ফেরানো হল ব্যাংকে

আজও দেশে ফেরানো যায়নি তিন পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya) , মেহুল চোকসি (Mehul Choksi) ও নীরব মোদিকে (Nirav Modi)। তিনজনের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির ক্ষতির পরিমাণ ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। বুধবার তিনজনের মোট ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা জমা পড়ল ব্যাংকে। এর মাধ্যমে আংশিক ক্ষতিপূরণ হবে ব্যাংকগুলির।ইতিমধ্যেই ওই তিন শিল্পপতির মোট ১৮ হাজার ১৭০ কোটি টাকার সম্পতি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। যা ব্যাংকগুলির মোট ক্ষতির প্রায় ৮০ শতাংশ। বুধবার ইডির তরফে জানানো হয়েছে কেবল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই নয়, সেই সঙ্গে শেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ ৯ হাজার ৩৭১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা এবার ফিরিয়ে দেওয়া হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় সরকারকে।তিন পলাতক শিল্পপতির কারণে ব্যাংকগুলিকে মোট ২২ হাজার ৫৮৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। তিনজনকেই দেশে ফেরানোর সব রকম চেষ্টা হলেও এখনও সাফল্য আসেনি। তবে এরই মধ্যে ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা ফেরত পাওয়ার ফলে ব্যাংকগুলি কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।বিজয় মালিয়া রয়েছেন ব্রিটেনে। তাঁকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণ করার দাবি জানিয়েছে সরকার। তবে এখনও সেই আরজিতে সবুজ সংকেত না মেলায় ফেরানো যায়নি একদা কিংফিশারের কর্ণধারকে। তবে সম্প্রতি যে পলাতক শিল্পপতিকে নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়েছিল তিনি মেহুল চোকসি।অ্যান্টিগুয়া থেকে কিউবায় পালানোর পথে ডোমিনিকায় ধরা পড়েছেন চোকসি। তারপর থেকে সেখানেই বন্দি রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেশে ফেরানোর প্রাথমিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও আশা ছাড়েননি ভারতীয় গোয়েন্দারা। শীঘ্রই তাঁকে দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জুন ২৩, ২০২১
দেশ

Coronavirus: দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশের আর্থিক ক্ষতি ২ লক্ষ কোটি!

করোনা (Coronavirus) অতিমারির বড় ধাক্কা যে দেশের অর্থনীতিতে লাগবে, তা জানাই ছিল। কারণ, এই সমস্যা কেবল ভারতের নয়। গোটা বিশ্বের। ব্যতিক্রম কেবল চিন। কিন্তু ধাক্কার পরিমাণ ঠিক কতটা, তা নিয়ে চলছিল জল্পনা। রিজার্ভ ব্যাংক যে পরিসংখ্যান দিল, তা রীতিমতো চোখ কপালে ওঠার মতো। শীর্ষ ব্যাংক জানাচ্ছে স্রেফ করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার ফলে ভারতের অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা।করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শহরাঞ্চলের পাশাপাশি দেশের গ্রামাঞ্চলেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। তাই শহরের অর্থনীতির পাশাপাশি এবার গ্রামীণ অর্থনীতিতেও মন্দার ছোঁয়া। মহামারির মারে কাজ হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। আসলে, করোনা সংক্রমণ এবং লকডাউনের জেরে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা ঠেকেছে তলানিতে। ফলস্বরূপ বছর ঘুরতেই আবার বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে ক্ষুদ্র, ছোট, মাঝারি ব্যবসায়ীদের বড় অংশ। এই ব্যবসাগুলির সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িতদের অনেকেরই রোজগার বন্ধ। যার ধাক্কা সরাসরি গিয়ে পড়ছে দেশের জিডিপিতে (GDP)। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার সময় দেশজুড়ে সার্বিক লকডাউন না হলেও প্রায় সব রাজ্যই নিজেদের মতো করে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। স্বাভাবিকভাবেই এর ফলে অধিকাংশ শিল্প কারখানায় উৎপাদন বন্ধ। যা দেশের অর্থনীতিকে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি দিয়েছে।যদিও রিজার্ভ ব্যাংকের (Reserve Bank of India) মাসিক বুলেটিনে আশার কথাও শোনানো হয়েছে। RBI বলছে,করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা দেশের বাজারে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা কমিয়েছে ঠিকই। কিন্তু কৃষিক্ষেত্র এবং স্পর্শহীন পরিষেবার ক্ষেত্রে চাহিদা এবং সুযোগ দুটোই বাড়ছে। রিজার্ভ ব্যাংকের আশা, টিকাকরণের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মানুষের মনে ভরসা বাড়বে। অর্থনীতিও গতি ফিরে পাবে।

জুন ১৭, ২০২১
রাজনীতি

বাঁকুড়ায় নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী কী কী বললেন, দেখে নিন একনজরে

বঙ্গে ফের প্রধানমন্ত্রী। রবিবার বাঁকুড়ায় নির্বাচনী প্রচারে এসে মোদি বলেন, আমি মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণাম করি। আমার মনে আছে, লোকসভা নির্বাচনে যখন আপনাদের আশীর্বাদ নিতে এসেছিলাম দিদি কি কি করেছিলেন। লোকেদের ভয় পাওয়ানোর জন্য দিদি কি না করেছেন। কিন্তু আমি বাঁকুড়ার মানুষের প্রশংসা করব কি, মানুষ এত কিছুর পরও চুপচাপ পদ্মে ভোট দিয়েছেন। আজও এত মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ দিতে এসেছেন। এত জনগহ থেকে এটা নিশ্চিত ২ মে দিদি যাচ্ছে, আসল পরিবর্তন আসছে। আসল পরিবর্তন বাংলার বিকাশ, এমন সরকার আনার জন্য যা গরিবের সেবা করবে।তিনি আরও বলেন, যারা তোলাবাজির সিন্ডিকেটে কড়া পদক্ষেপ নেবে। এই পরিবর্তন বিজেপি করবে। দিদি ও দিদি, ভ্রষ্টাচারের খেলা চলবে না, চলবে না। সিন্ডিকেটের খেলা, কাটমানির খেলা চলবে না, চলবে না। বিজেপি সরকার এলে মায়ের পূজা হবে, মাথায় তিলক হবে, মানুষের সম্মান হবে। রামপাড়ায় আওয়াজ দিলে সব ঘর থেকে রাম বেরোবে, শুধু রামপাড়া নয় সব আদিবাসী সমাজের চিত্র এটা। বনবাসী সমাজের সঙ্গে প্রভু রাম সবসময় থেকেছেন। আর ভাবুন যারা রাম নাম নেয়, তাদের সাথে দিদি কি করেন। তুষ্টিকরণের জন্য দিদি। দিদি আপনার আসল চেহারা আপনি আগে দেখিয়ে দিলে কখনও আপনার সরকার আসত না। দিদি এখন তাঁর রাগ আমার উপর বের করেছেন। দিদির লোক আজকাল দেওয়াল চিত্র বানাচ্ছে। আমার মাথা নিয়ে ফুটবল খেলছে। কেন আপনি বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন এভাবে?আমি আজ দিদিকে বার্তা দিতে চাই, আমি আমার মাথা ১৩০ কোটি মানুষের কাছে মাথা ঝুকিয়েই রেখেছি। এটাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সংস্কার। তাই দিদি আপনি চাইলে আমার মাথায় পাও রাখতে পারেন আর লাথিও মারতে পারেন। কিন্তু আপনাকে আমি আর বাংলার বিকাশের উপর লাথি মারতে দেব না। এখানে মানুষ একটু জলের জন্য কষ্ট পাচ্ছে। জল কই দিদি? এখানে কৃষকদের এই হাল কেন? সেচ নেই কেন? চাকরি নেই কেন? আপনি শুধু কথা বলেছেন। আপনি দশ বছর বাংলার সঙ্গে খেলার পরেও আপনার মন ভরেনি? এখন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঠিক করে নিয়েছে খেলা শেষ হবে, বিকাশ আরম্ভ হবে। অজিত মুর্মুর মত আদিবাসী শহিদ হয়েছেন। মানুষ গরিব হয়েছেন, তৃণমূলের নেতারা বড়লোক হয়েছেন। গরিবের টাকা লুটে এসব হয়েছে। তাই দিদি যাচ্ছে। বালি মাফিয়াদের রোজগার বেড়েছে। মানুষের অসুবিধায় দিদির হেলদোল নেই। এখন তো দিদি আমার মুখটাও দেখতে পছন্দ করেন না। কিন্তু আমাদের চন্দনা দিদির মত কার্যকর্তার চেহারা দিদি অনেক দিন মনে রাখবেন। এটা সেই গরিবদের প্রতীক যাঁদের হকের চাল, টাকা মেরেছে তৃণমূল। এখন এরাই গরিবদের নিজেদের অধিকার বুঝে নেবে। এটাই আসল পরিবর্তন। এঁদের সমর্থন দিয়ে বিধানসভায় পাঠাবেন যাতে দিনরাত তাঁরা আপনাদের সেবা করতে পারেন। ডাবল ইঞ্জিন সরকার বানাতে পারেন। আমি যুব ভোটার দের বলব সোনার বাংলার জন্য ভোট দিন। আপনাদের আগের প্রজন্মে সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূল শেষ করেছে। লাখ মানুষ বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এখন থেকে ২৫ বছর খুব গুরুত্বপূর্ণ। সোনার সময়। ভ্রষ্টাচার মুক্ত সরকার তৈরির জন্য বাংলায় বিজেপি সরকার জরুরি। সরকার এসেই জাতীয় শিক্ষা নীতি লাগু হবে। যাতে নিজেদের ভাষায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবে। জল জীবন মিশন লাগু হবে। আয়ুষ্মান ভারত লাগু হবে। হেলথ সেন্টার তৈরি হবে।বিজেপি স্কিম এর উপর চলে আর তৃণমূল স্ক্যামের উপর চলে। স্কিম যাদেরই স্কিম হোক না কেন স্ক্যামের ব্যবস্থা করে নেয় তৃণমূল। যেখানে স্কিম, সেখানে স্ক্যাম। আয়ুষ্মান ভারত, পিএম কিষান থেকে স্ক্যাম করা সম্ভব নয় তাই দিদি স্কিম আসতে দেননি। বাংলার কৃষক সরকার বঞ্চিত হয়েছেন পিএম কিষান যোজনা থেকে। বিজেপি সরকারে এসেই টাকা দেবে। আগেও দেবে। দশ বছর যে ইভিএমে জিতলেন এখন সেই ইভিএম চাননা। বোঝাই যাচ্ছে। এইবার জোরসে ছাপ, পদ্মে ছাপ। বন্ধুগণ, আসুন আমরা সংকল্প করি আসল পরিবর্তন, এবার নিশ্চই আসছে বিজেপি। সবাইকে ধন্যবাদ। ভারত মাতার জয়। বন্দে মাতরম।

মার্চ ২১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপি নেতাদের ফাঁকা জনসভা নিয়ে কটাক্ষ মমতার

ভোট মরশুমে প্রচার, পালটা প্রচারে তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। এরইমধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাগুলো। জখম পা নিয়েই মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় একদিনে তিনটি জনসভা করে ফেললেন তিনি। প্রত্যেক সভাতেই মঞ্চে হুইলচেয়ারে বসেই ভাষণ রাখলেন তিনি। তবে শরীর অসুস্থ হলেও, মনোবল ভাঙেনি এতটুকু। দুপুরের পরও মাথার উপর ঝাঁ ঝাঁ রোদ নিয়ে বিজেপি বিরোধী সুর ক্রমশই চড়িয়ে রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতাদের ফাঁকা জনসভা নিয়ে বিঁধলেন তিনি। ছন্দের আশ্রয়ে বললেন, জনগণ দিন তালি, বিজেপির সব চেয়ার খালি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণে এমন একটা উদ্দীপনা বরাবরই থাকে, যা শুধু তৃণমূল কর্মী, সমর্থকদের নয়, আলোড়ন তোলে আমজনতার মনেও। তার টানে তিনি যেখানেই সভা করুন, দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন সাধারণ মানুষজনও। ভোটের মরশুমে এই ভিড় আরও বেশি।এসব নিয়ে এদিন বাঁকুড়ার রাইপুর থেকে বিজেপি নেতৃত্বকে বিঁধলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো ছন্দে ছন্দে বললেন, জনগণ দিন তালি, বিজেপির সব চেয়ার খালি। এতে আমার কী করার আছে? লোকে তোমাদের পছন্দ করে না, তাই তোমাদের সভায় লোক আসে না। এদিনের সভা থেকে সরকারি আধিকারিকদের প্রতি কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর আচরণ নিয়েও তোপ দেগেছেন মমতা। মেট্রো ডেয়ারি সংক্রান্ত একটি মামলায় স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে তলব করেছে ইডি। পুরনো এক মামলায় সিবিআই তলব করেছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এসব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। কেন নন্দীগ্রামে তিনি জখম হওয়ার পর রাজ্যের নিরাপত্তা আধিকারিককে বদলানো হল, সেই প্রশ্নও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মার্চ ১৬, ২০২১
রাজনীতি

নাম করে অভিষেককে আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

গত রবিবার বজবজের সভা থেকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন,সবার আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ভাইপো। বুকের পাটা থাকলে ভাব বাচ্যে কথা বলে না বলে নাম নিয়ে দেখাক। এবার সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তাঁর নাম করেই আক্রমণ শানালেন বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। মঙ্গলবার সকালে কোচবিহারে চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন চোর। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ডাকাত। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন কয়লা মাফিয়া। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চাকরি দেব বলে ছেলেদের কাছ থেকে টাকা তুলেছে এলাকায় এলাকায়। ওর সঙ্গী বিনয় মিশ্র। আরও পড়ুন ঃ কল্যাণের মন্তব্যে বিজেপিকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে , মত তৃণমূল সাংসদের তিনি আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলুন আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে। তারপর আমি বুঝে নেব। তিনি তৃণমূলকে সাম্প্রদায়িক বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পিসি আর ভাইপো ছাড়া সবাই চেষ্টা করবে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কীভাবে বাঁচা যায়। তৃণমূলের মালিক পিকে ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পালটা সৌমিত্রবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কোচবিহার জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
রাজনীতি

রাজ্যপাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ডাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি সৌমিত্র খাঁয়ের

রাজ্যের যা পরিস্থিতি তাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে যে কোনও দিন রাজভবনে রাজ্যপালের ডাক পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। রবিবার এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। ৭ ডিসেম্বর উত্তরকন্যা অভিযানের ডাকও দিয়েছেন তিনি। শাসকদলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বলেছেন, পরিস্থিতি যা তাতে কদিন পর তৃণমূল বলে কোনও দলই থাকবে না। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি জানান, শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার সুব্রত মুখার্জী লাইনে আছে। আরো ৫৮ জন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে আসার জন্য প্রস্তুত। আরও পড়ুন ঃ বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলেরঃ দিলীপ সৌমিত্র দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, আগামী এক মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার মুখ থুবড়ে পড়বে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল এমপি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সৌ্মিত্র যে অঙ্ক জানে না, আমি সেটা জানতাম না। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থেকে ওর মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

সিপিএম ও বিজেপি লোভী ও ভোগী, তৃণমূল ত্যাগীঃ মমতা

বাঁকুড়ার সভা থেকে একযোগে সিপিএম ও বিজেপিকে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বাঁকুড়ার শুনুকপাহাড়ী ময়দানে ছিল দলের কর্মীসভা। সেখানে তিনি বলেন, সিপিএম হল লোভী, বিজেপি হল ভোগী ও তৃণমূল হল ত্যাগী। লোকসভা ভোটের সময় জগাই-মাধাই-গদাই এক হয়েছিল। সিপিএম-এর হার্মাদরাই আজ রং পরিবর্তন করে বিজেপি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আপনারা কি সিপিএম-এর সেদিনের অত্যাচার ভুলে গেছেন। সেদিনের লড়াইয়ের কথা ভুলে গেছেন। আমি কিন্তু ভুলিনি। বাঁকুড়ার ছেলেমেয়েরা আগে ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারত না। কিন্তু আজ সেই বাঁকুড়া শান্তিতে আছে। বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অন্য সময় পাত্তা নেই। আর আজ যখন বাংলার মানুষ শান্তিতে বাস করছে তখন মানুষের শান্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য দিল্লি কা লাড্ডু কয়েকজনকে বাংলায় পাঠিয়েছে। তাঁরা কেউ বাংলার লোক নয়। বাইরের লোক। আপনাদের সব লুটে নেবে। কিন্তু যখন নির্বাচন আসবে তখন দেখবেন আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিচ্ছে। এলাকায় লুকিয়ে লুকিয়ে টাকা দিচ্ছে। পুলিশের বিভিন্ন এজেন্সিতে যারা কাজ করে তাদের মাধ্যমেও টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে শুনেছি। আরও পড়ুন ঃ অনুব্রতর গড়ে চ্যালেঞ্জ দিলীপের বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ১০০ দিনের কর্মীরা সঠিক সময় টাকা পাচ্ছেন না। কারণ সেই টাকা সুদে খাটাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর কথায়, কেন্দ্র বাংলা থেকে করের টাকা নিয়ে যায়। সেই টাকাই আবার রাজ্যকে দেয়। আলাদা করে কিছুই দেয় না। জনসভা থেকে নাম না করে দিলীপ ঘোষকেও কটাক্ষ করতে পিছপা হননি মমতা। তাঁর খোঁচা, কেউ কেউ বলছেন গোমূত্র খেলে করোনা হবে না। তিনি তো খেয়েছিলেন. তাহলে তাঁর কীভাবে করোনা হল? বিজেপির রাজ্য সভাপতির গোমূত্র থেকে সোনা তৈরির মন্তব্য নিয়েও কটাক্ষ করলেন তিনি। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের বাঁকুড়া সফর নিয়ে মমতার খোঁচা, বাঁকুড়ায় এসে পাঁচতারা হোটেলের খাবার খেয়েছেন তিনি। এভাবে কি মানুষের কাছে আসা যায়? এছাড়াও নাম না করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কেও বিঁধলেন তিনি। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কোনও কাজ নেই সকাল থেকে শুধু টুইট করে যান। উল্লেখ্য,বাংলা কৃষকদের কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা না দেওয়ার নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিঁধেছিলেন রাজ্যপাল। পালটা মমতার দাবি, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কৃষকদের প্রকল্পের টাকা চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছিলাম। বলেছিলাম, রাজ্যকে টাকা পাঠিয়ে দিন, আমরা কৃষকদের দিয়ে দেব। কিন্তু তাঁরা টাকা পাঠায়নি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের দিন কালীঘাটে কড়া নিষেধাজ্ঞা! মন্দিরে গেলেই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন আপনি

ভোটের আর বেশি দেরি নেই। তার আগেই গোটা রাজ্যে কড়া প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা জোরদার করতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চলছে এবং আগেই সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কালীঘাট মন্দির এলাকাকে ঘিরেও বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কালীঘাট মন্দির-এ প্রতিদিন বহু ভক্ত পুজো দিতে আসেন এবং লম্বা লাইনও দেখা যায়। তবে ভোটের দিন সেই চিত্র থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মন্দিরের সামনে বা আশেপাশে কোনও ধরনের জমায়েত করতে দেওয়া হবে না।কমিশন জানিয়েছে, কালীঘাট মন্দিরে অন্য বিধানসভা এলাকার মানুষ জমায়েত করতে পারবেন না। গোটা এলাকা থাকবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এবং নজরদারিও থাকবে সর্বক্ষণ। ভোটের দিন কেউ অন্য বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এখানে এলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হতে পারে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিনে এক বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার অন্য কেন্দ্রে যেতে পারেন না। কেউ যদি অন্য এলাকা থেকে কালীঘাটে আসেন, তা হলে নিরাপত্তার কারণে তাঁকে আটকে রাখা হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত বসিয়েও রাখা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি আসেন, তা হলে নিজের দায়িত্বেই আসতে হবে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে ফলতায় তীব্র উত্তেজনা! আইপিএস বনাম তৃণমূল, স্লোগানে উত্তাল এলাকা

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্র এখন রাজ্যের অন্যতম চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই এলাকায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা-কে। তাঁর সঙ্গে ছিল বড়সড় কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাতে ছিল দাগিদের তালিকা, আর সেই তালিকা ধরে এলাকায় নজরদারি চালাতে দেখা যায় তাঁকে।সোমবার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সকালেও একই ভঙ্গিতে তাঁকে এলাকায় ঘুরতে দেখা যায়। তবে এদিন পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।সকালে প্রথমে ফলতার খানপাড়া এলাকায় প্রবেশ করেন অজয় পাল শর্মা। সেখান থেকে স্থানীয় কয়েক জনকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী এগিয়ে যায়। যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের খোঁজ চালানো হচ্ছিল বলে জানা যায়। সেই এলাকা থেকে বেরোনোর সময় বিক্ষোভের মুখে পড়ে তাঁর কনভয়।কাছেই ছিল জাহাঙ্গীর খানের কার্যালয়। সেখান থেকে তাঁর অনুগামীরা বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন। অজয় পালের গাড়ি এগিয়ে গেলেও তাঁর কনভয়ের পিছনে থাকা সিআরপিএফের কয়েকটি গাড়ি আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অনেকেই এই ঘটনার সঙ্গে সাম্প্রতিক অন্য ঘটনার মিল খুঁজে দেখছেন।এর আগে সোমবার জাহাঙ্গীর খানের বাড়িতে গিয়ে অজয় পাল শর্মা সতর্ক করে বলেছিলেন, এভাবে মানুষকে ধমকানো হলে পরে সমস্যা হতে পারে। এর পাল্টা জবাবে মঙ্গলবার জাহাঙ্গীর খান বলেন, তাঁরা কোনও অবস্থাতেই মাথা নত করবেন না। তিনি দাবি করেন, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁদের দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকার মানুষও এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তাঁর মন্তব্য।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কলকাতায় অস্ত্রভাণ্ডার ফাঁস! চিৎপুরে পুলিশের বড় অভিযান

ভোটের আগে কলকাতায় ফের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চিৎপুর থানা এলাকার বিটি রোড সংলগ্ন এলাকা থেকে শামিম আলম নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স। ধৃত ব্যক্তি বিহারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।সোমবার বিকেলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল কার্তুজ। উদ্ধার হয়েছে তিনটি এক নল বন্দুক, একটি পিস্তল, কয়েকটি খালি ম্যাগাজিন এবং বহু রাউন্ড গুলি।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তিনি সন্তোষজনক কোনও উত্তর দিতে পারেননি। উদ্ধার হওয়া সব অস্ত্র ও গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই অস্ত্র কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং এর পিছনে কোনও বড় চক্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ভোটের আবহে কেন এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে আদালতে তোলা হবে।এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি রুখতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোথাও কোনও বেআইনি কাজ চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে। ভোটের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বতোভাবে তৎপর রয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ় খুলতে ইরানের শর্ত! ট্রাম্পের অস্বস্তি বাড়িয়ে নতুন সঙ্কট

শুরু হলে তার শেষও হয়, কিন্তু ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলতে থাকা এই সংঘাতের শেষ কোথায়, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আদৌ এই যুদ্ধ থামবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। হরমুজ় প্রণালী ঘিরে জটিলতা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে (Strait of Hormuz)।এই পরিস্থিতিতে ইরান জানিয়েছে, তারা হরমুজ় প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলতে প্রস্তুত। তবে তার জন্য আমেরিকাকে তিনটি শর্ত মানতে হবে। জানা গিয়েছে, ইরান চাইছে তাদের বন্দরগুলির উপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কথাও বলা হয়েছে। এছাড়া ইরান ও লেবাননের উপর হামলা বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমান (Strait of Hormuz) ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকের সময় এই তিন দফা প্রস্তাব দেন এবং আলোচনা আবার শুরু করার উদ্যোগ নেন।অন্যদিকে, আমেরিকার পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রাম্প এবং তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দল এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন বলেই জানা গিয়েছে। যদিও ঠিক কোন কারণে আপত্তি, তা স্পষ্ট নয়। তবে ট্রাম্প বারবার জানিয়েছেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দেওয়া হবে না।মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পারমাণবিক ইস্যু বাদ দিয়ে কোনও চুক্তি সম্ভব নয়। যদিও এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, ইরানের দেওয়া তিনটি শর্তই মানতে রাজি নন ট্রাম্প। ফলে এই পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
রাজ্য

রোজভ্যালি কাণ্ডে বড় স্বস্তি! অবশেষে ফেরত মিলল কোটি কোটি টাকা

রোজভ্যালি গোষ্ঠীর প্রতারিত আমানতকারীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর সামনে এল। হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটি প্রায় একশো সাতাশ কোটি ঊনসত্তর লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছে। এই টাকা এক লক্ষ তিয়াত্তর হাজার তিনশো পঞ্চাশ জন আমানতকারীর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে, সমস্ত নথি যাচাইয়ের পর।সূত্রের খবর, রোজভ্যালি গোষ্ঠীর বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা সাধারণ মানুষের মধ্যে ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় নজর রাখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দিলীপকুমার শেঠের নেতৃত্বে এই কমিটি কাজ করছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই তারা ধাপে ধাপে টাকা ফেরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকও আমানতকারীদের জন্য পাঁচশো পনেরো কোটির বেশি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছিল। যাঁরা এখনও তাঁদের দাবির অবস্থা জানতে চান, তাঁরা কমিটির নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে তা দেখতে পারবেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, আরও প্রায় চারশো পঞ্চাশ কোটি টাকা ফেরানোর অনুমতি পেয়েছে এই কমিটি। তদন্তে উঠে এসেছে, রোজভ্যালি সংস্থা প্রতারিত আমানতকারীদের টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্কে স্থায়ী আমানত হিসেবে রেখে দিয়েছিল। পরে তদন্ত চলাকালীন তিনশো বত্রিশ কোটি ছিয়াত্তর লক্ষ টাকার স্থায়ী আমানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই আমানত ভাঙার অনুমতি মেলার পরই এবার টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।এই পদক্ষেপে বহু আমানতকারীর দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হল বলে মনে করা হচ্ছে, যদিও এখনও অনেকেই তাঁদের পাওনা ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
দেশ

আবার ট্রেন লাইনচ্যুত! এবার বন্দে ভারত, অল্পের জন্য বড় বিপদ এড়াল যাত্রীরা

ফের ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার দুর্ঘটনার মুখে পড়ল বন্দে ভারত ট্রেন। পুনে রেলওয়ে স্টেশনে ঢোকার সময় ট্রেনের একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও যাত্রীর মৃত্যু বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে বড়সড় বিপদ থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রেনটি মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস থেকে সোলাপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুনে স্টেশনের একটি অংশে তখন কাজ চলছিল। সেই সময় স্টেশনে ঢোকার মুখেই একটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়।ঘটনার পরপরই রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং আতঙ্কিত যাত্রীদের সাহায্য করা হয়। যাত্রীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অন্য ট্রেনে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।স্টেশনে অতিরিক্ত রেলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এই ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে এলে তবেই জানা যাবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal