• ১১ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ২৫ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজ্য

জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? দিলীপের প্রশ্ন

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনের পর ট্রেনে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। দ্বিতীয়বার পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তা নিয়ে চলছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে অভিযোগ পাল্টা বক্তব্য। বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন, বন্দে ভারত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নীরব। তাই অনেকেই সন্দেহ করছেন, জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? কাশ্মীরে দেশপ্রেমীদের পাথর ছুঁড়ে মারা হতো। এখানে রাষ্ট্রবাদীতার প্রতীক বন্দে ভারতে পাথর মারা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, স্টেশনে স্টেশনে কি বিপুল উন্মাদনা। ট্রেনকে স্বাগত জানানোর জন্য মানুষের সীমাহীন উৎসাহ। মানুষ এই ট্রেনকে আন্তরিকভাবে নিয়েছেন। এতে মুখ্যমন্ত্রী বোধহয় খুব কষ্ট পেয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গকে পিছন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন, জনতাকেও এগোতে দিচ্ছেন না। যারা এগোতে চাইছে, তাদের পাথর মারা হচ্ছে। বিজেপি নেতার দাবি, যাঁরা আমাদের রাজ্যকে বদনাম করছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।তৃণমূল কংগ্রেস দিদির রক্ষাকবচ নিয়ে পথে নেমে পড়েছে। বাড়ি যাবেন নেতৃত্ব{ দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও এই ধরনের ঘোষণা হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কেউ যায়নি। সিএম জাটুয়া রায়দিঘী গিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মাছ ভাত খেয়েছিলেন। ওনার দলের কেউ ওনাকে খেতে দেয়নি। এই প্রকল্পগুলো মিডিয়াকে বলে বাজার গরম করার চেষ্টা। কারণ ওদের এখন পাবলিকের সামনে মুখ দেখানোর জো নেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গাজোলের সভা থেকে হুংকার শুভেন্দু অধিকারীর

বন্দে ভারত থেকে কিছুতেই ঘুচছে না রাজনীতির ছোঁয়া। নাম না করে রাজ্যের একটি দলের বিরুদ্ধে বন্দে ভারতের পাথর ছোঁড়া পার্টি বলে মালদায় তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সভা মঞ্চ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানার আইসিকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী । তিনি বলেন, গাজোলের আইসি সাহেব খুব মাল তুলছেন। এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান, তৃণমূল দল আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। আইনের কাজ করুন। যা করছেন সব খবর আমাদের কাছে আছে।মঙ্গলবার গাজোল থানার বিএসএ ময়দানে উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদার সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত, দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী প্রমূখ।এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যারা বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়েছে সেই পাথর ছোড়ার পার্টির দিন ঘনিয়ে এসেছে। মানুষ এর জবাব দিবে।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চরম দুর্নীতি হচ্ছে। যাদের পাকা বাড়ি, চারচাকা গাড়ি, আড়াই একরের ওপর জমি আছে, তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃত গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়ে একশ্রেণীর বড়লোকদের এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাই আমি বলছি বঞ্চিত লোকেদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে বিজেপি।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ৭০ লক্ষ শৌচালায় তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও বহু গ্রামীণ এলাকায় এই সুবিধা পাননি সাধারণ মানুষ। সবেতেই দুর্নীতি। তৃণমূল একটা দুর্নীতির সরকারের পরিণত হয়েছে। এই সরকারের এখন এমন অবস্থা যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে দিতে গেলে মাইনে বন্ধ হবে । আর মাইনে দিতে গেলে লক্ষী ভান্ডার বন্ধ হবে। কোন কিছুই ওরা বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। তাই এবারে মতোই ইতি টানতে হবে এই চোর সরকারকে।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত দুর্নীতি হয়েছে, যে ভয়ে নিজেরা প্রশাসনিকভাবে কাজ না করে খেটে খাওয়া অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদের দিয়ে সমীক্ষা করাতে বলেছে। আসলে তৃণমূল দল কিছুই করতে পারবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু ভোট লুঠ হয়েছিল। কিন্তু এবার মানুষ বদ্ধপরিকর। ভোট এবার লুঠ হতে দেওয়া যাবে না। গাজোল তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু জায়গায় পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ আটকে দিয়েছিল জনগণ এবং বিজেপি। ফলে বহু আসন বিজেপি পেয়েছিল। এবারে সোচ্চার হয়েছে। বন্যার টাকা নিয়েও দুর্নীতি করা হয়েছে মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। একজন প্রধানও জেল খাটছে। বাকিরা ও বাদ যাবেন না।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

আলকায়দা ঢুকছে, বিদেশী জঙ্গিরা আশ্রয় পাচ্ছে বাংলায়, দিলীপ ঘোষের দাবি

বন্দে ভারতে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি, কাশ্মীর শুধরে গেছে। বাংলা কাশ্মীর হয়ে যাচ্ছে। দেশ বিরোধী শক্তি এরাজ্যে এতো সক্রিয়, এখানকার সরকার সেই শক্তিকে মদত দিচ্ছে। পার্লামেন্টে যখন সি এ এ পাস হল, তখন বিরোধিতা অনেক রাজ্যে হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তিনদিন ধরে উৎপাত হয়েছে। আড়াইশো কোটি টাকার সম্পত্তি ধংস করা হয়েছে। যার সিংহভাগ রেলের সম্পত্তি। দেশের সম্পত্তিকে এই রাজ্যের একাংশ শত্রু সম্পত্তি মনে করতে শুরু করেছে। দেশের সংবিধানকে তারা শত্রুপক্ষের সংবিধান বলে মনে করছে। তারা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোক। এবং তৃণমূল কংগ্রেস তাদের পাশে আছে। একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, নুপুর শর্মার সময়ে দেখেছি। মন্দিরে সে সময় ঢিল মারা হয়েছে। দেশ বিরোধি শক্তির হাতে বাংলা চলে যাচ্ছে। ১৯৪৭ এর আগে যেরকম হয়েছিল, আবার সেই দিকে যাচ্ছে। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তৃণমূলের। মমতা তাদের সহযোগিতা করছেন। পুলিস এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।বিজেপি নেতার দাবি, বর্ডার দিয়ে সিমি, জামাত আল কায়দা ঢুকছে। বিদেশী জঙ্গিরা এখানে আশ্রয় পাচ্ছে। সমস্ত গ্যাং স্টার বা সমাজবিরোধী এখানে শেল্টার পাচ্ছে, ধরা পড়ছে। এখানে দেশ বিরোধি শক্তি সহযোগিতা পায়। এখানে তাদের আধার কার্ড হয়। রেশন কার্ড হয়। দেশের অন্যত্র গিয়ে এরা বিস্ফোরণ করে। দেশ বিরোধি কাজের অনুপ্রেরণা এই রাজ্য থেকেই পাওয়া যায়।দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, দিদি বক ধার্মিক। মমতা ব্যানার্জির মুখ থেকে সত্যের বাণী শুনতে হবে, এটা তো একপ্রকার বিড়ম্বনা। সারাজীবন যিনি মিথ্যা বলায় রেকর্ড করেছেন, মিথ্যা ছাড়া কিছু বলেন নি, দেশের একতা ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তিনি সত্যের কথা বলছেন, এটা সত্যিই বিড়ম্বনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'সিনেমার জন্য দেব হয়েছি, রাজনীতির জন্য নয়,' মিঠুনদার সঙ্গে ফের সিনেমা করবঃ সাংসদ অভিনেতা

নন্দনে জায়গা হয়নি মিঠুন ও দেব অভিনীত সিনেমা প্রজাপতি। তা নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মিঠুন বিজেপি নেতা ও দেব তথা দীপক অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সাসংদ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি করেন বলেই নন্দনে জায়গা পায়নি প্রজাপতি। এদিকে এদিন এক সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেব। এই প্রসঙ্গে দেব বলেছেন, আমার কাছে সিনেমা আগে। রাজনীতির জন্য নয়, আমি সিনেমার জন্য দেব হয়েছি। প্রয়োজনে হলে আবার মিঠুনকে নিয়ে সিনেমা করব।এদিন ছিল দেবের জন্ম দিন। টলিউডের অভিনেতা বলেন, প্রজাপতি মানুষ শুধু দেখছে না অন্যদের দেখতে বলছে। নন্দনে শো পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই। তবে কম পয়সায় নন্দনে সিনেমা দেখতে পারতেন মানুষজন। মিঠুন আছেন বলে নন্দনে স্থান পায়নি প্রজাপতি। এই প্রসঙ্গে দেব বলেন, এরপরেও যদি স্ক্রিপ্ট আসে তাহলে ফের তাঁকে নিয়ে সিনেমা করব। আমি কোনও দিন সিনেমার মধ্যে রাজনীতি করিনি, রাজনীতিতে সিনেমা আনিনি। সিনেমা করতে গিয়ে রাজনীতির ক্ষমতা দেখায়নি। আমি ব্যালেন্স করেছি। ছবি ও সিনেমা আমার প্রথম থেকে ভাললাগা, ভালবাসা। সিনেমার জন্য আজ দেব হয়েছি। রাজনীতির জন্য নয়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

নবান্নের ১৪ তলায় অমিত-মমতা একান্তে বৈঠক, সাফাই শুভেন্দুর

একান্তে বৈঠক মানেই সেটিং গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। বিজেমূল কটাক্ষের ফের সুযোগ পেয়েছে নবান্নের ১৪ তলায় অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০ মিনিটের বৈঠকের পর। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দুদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো এক পা এগিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে অমিত শাহ যা তাঁকে বলেছেন তা সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন। শুভেন্দু বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফের চৌকি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শুভেন্দু যাই বলুক না কেন মমতা-অমিতের বৈঠকের প্রকৃত নির্যাস কি তা কি সহজে প্রকাশ্যে আসবে? প্রথমত মমতা বা শাহ কেউই সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু বলেননি। তাছাড়া দুজন শীর্ষ নেতৃত্ব একান্তে কোনও কথা বললে তা প্রকাশ্যে চলে আসবে তা ভাবার কোনও কারণ নেই।এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করলেই সেটিং সেটিং বলে চিৎকার জুড়ে দিত সিপিএম ও কংগ্রেস। এবার তো নবান্নে বৈঠক করলেন মমতা-শাহ। শুভেন্দু আবার ওই বৈঠকের সাফাই গাইতে অমিত শাহ কি বলেছেন তা ঘোষণা করে দিলেন। সময়ই জানান দিতে পারে আদৌ শাহ-মমতা কি আলোচনা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

২১ ডিসেম্বরের আগের দিনই দিল্লিতে শাহ-শুভেন্দু-সুকান্ত বৈঠক, নয়া কৌশল?

ডিসেম্বর ডেডলাইন দেওয়ার পর তিনটে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে নজর রাখতে বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর পেরিয়ে গিয়েছে। সামনে ২১ ডিসেম্বর, বুধবার।১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারপর ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে বিজেপির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে তিন জনের মৃত্যু। এই অনুষ্ঠানে শুরুতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল অভিযোগ করে এই দুদিনের দুটি ঘটনাই কি শুভেন্দুর ডিসেম্বর ধামাকা? এবার বাকি রইল তৃতীয় তারিখ ২১ ডিসেম্বর।এদিকে ২০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন দলের রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। স্বভাবতই ২০ ডিসেম্বরের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২১ ডিসেম্বরের আগে দিল্লিতে ওই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ জয়নগরে, প্রতিবাদ বিজেপির

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলল। গাড়ির ওপর একদলকে লাঠি উঁচিয়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি কালো পাতাকাও ছিল কারও কারও হাতে। পুলিশ কোনওরকমে সেখান থেকে সুকান্তর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। এরপরই রাজ্য সভাপতিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলা করেছে অভিযোগ করেছে বিজেপি।এদিন সুকান্ত মজুমদার গিয়েছিলেন জয়নগরে। সেখানে ৫ নং মন্ডলের মায়াহাউড়িতে দেখা করেন গ্রেফতার করা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। বিজেপির দাবি, এই কর্মীদের শুভেন্দুর জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুকান্ত বলেন, আমাকে মারতে এসেছিল, গাড়ি ভাঙতে এসেছিল। আমাকে মেরে কি হবে বাংলায় হাজার হাজার সুকান্ত মজুমদার আছে। মমতা সরকারের পতন হবেই। তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

মেমারি থেকে কাটোয়া রেল প্রকল্পের আশ্বাস দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট প্রচার শুরু বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়া'র

পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর বিধানসভার কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। পাশপাশি, এদিন মেমারি ২ ব্লকে সাতগেছিয়া এলাকায় একটি হিমঘরে এই পঞ্চায়েত সম্মেলন ও বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীরা কিভাবে কাজ করবেন, কোন কোন বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিনের বৈঠকে সাংসদ ছাড়াও ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা ও অন্যান্যরা।সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া বলেন, মেমারি কাটোয়া ভায়া মন্তেশ্বর একটি রেল লাইন করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এই রেল লাইন চালু হলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। এই এলাকায় মানুষের উৎপাদিত ফসল সহজেই অন্যত্র পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই রেলপথ দ্রুত চালু করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নিজেই চাইছেন তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই তাঁর বিরুদ্ধে করা সমস্ত এফআইআর-এর সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে চক্রান্ত করা হয়েছে তা খোলসা করতেই সিবিআই তদন্ত চান তিনি। অবশ্য আদালতের তত্বাবধানেই সিবিআই তদন্ত হতে হবে বলেও শর্ত আরোপ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এদিকে এদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা উচ্চ আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শুভেন্দুর মামলাগুলি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের এফআইআরগুলি নিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছেন। তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও ভরসা নেই। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি তো আদালতে প্রমান করেছি কি ধরনের মামলাগুলি করেছে। আমি তো তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্য়ালেঞ্জ করছি এই মামলাগুলি সিবিআইকে ট্রান্সফার করে দিক তাহলে বুঝতে পারবে সিআইডির রাজশেখরণ, পূর্ব মেদিনীপুরের অমরনাথ ও বিনীত গোয়েলরা কিকি করেছে।এদিনই তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলিতে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন হাইকোর্টে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, ওই মামলাগুলির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
দেশ

গুজরাটে গেরুয়া ঝড়ে নয়া ইতিহাস, হিমাচলে হাতের দাপটে ঝরল পদ্ম

গুজরাটে সপ্তমবারের জন্য সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে সেখানে উড়ে গিয়েছে কংগ্রেস। ১৮২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ১৫৬টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ১৭টি, আম আদমি পার্টি ৫টি আসন জয় পেয়েছে। অন্যরা পেয়েছে ৪টি আসন। এরাজ্যে এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল ৭৭টি আসন। মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের একটা বড় অংশের ভোট পেয়েছে আপ।হিমাচলপ্রদেশে ৬৮ আসনের মধ্যে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৪০ আসনে। বিজেপি জয় পেয়েছে ২৫টি আসনে। অন্যরা পেয়েছে ৩টে আসন। এর আগে হিমাচলপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। তবে কংগ্রেসের আশঙ্কা বিজেপি যেনতেন প্রকারেণ সরকার গঠনের প্রচেষ্টা চালাতে পারে। তাই বিধয়কদের ওপর কড়া নজর রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। তবে এই পাহাড়ি রাজ্যে কংগ্রেসের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিজেপি।গুজরাটে রেকর্ড জয়ের পর দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের জয়ের জন্য সেখানকার সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, গুজরাটের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছে। দেশের সংকটের সময় দেশের জনতা ভরসা করে বিজেপিকে। দল সেখানে হারলেও হিমাচলের পাশে থাকবে কেন্দ্র। সেখানকার উন্নতিতে সামিল হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
দেশ

গুজরাটে বিরোধীদের দুরমুশ করে ফের ক্ষমতার দোরগোড়ায় বিজেপি, হিমাচলে হাড্ডাহাড্ডি

মরবি সেতু দুর্ঘটনার পর এভাবেও যে ক্ষমতায় আসা যায় তা হয়তো ভাবেননি স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ। ফলাফলের ট্রেন্ড দেখে বোঝাই যাচ্ছে রীতিমতো কংগ্রেসসহ বিরোধীদের ওপর যেন বুলডোজার চালিয়ে দিয়েছে। দুরমুশ করে এখনও অবধি গুজরাটে ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে ও আম আদমি পার্টি ৮টি আসনে এগিরয়ে রয়েছে। অন্যরা এগিয়ে রয়েছে ৪টি আসনে। গুজরাটে নিরঙ্কুশ ভাবে এগিয়ে থাকলেও হিমাচলপ্রদেশে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এই পাহাড়ী রাজ্যের ৬৮ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৩৩টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩১টি আসনে। এই রাজ্যে নির্দলরা এগিয়ে রয়ছে ৪টি আসনে।গুজরাটে টানা ২৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও সরকার বিরোধী কোনও হাওয়াই তুলতে পারেনি কংগ্রেস। আপ এবার সেখানে প্রথমবার লড়াই করেই আপাতত ৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে গুজরাটে ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। সেই আসন ধরে রাখা দূরের কথা, তার কাছাকাছিও এবার নেই হাতশিবির। জিগনেশ মেভানি, মহেন্দ্র সিং বাঘেলাসহ তাবড় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব পিছিয়ে রয়েছেন। তবে হিমাচলে কখনও কংগ্রেস এগোচ্ছে কখনও বিজেপি এগিয়ে যাচ্ছে। মোদ্দা কথা হিমাচলে কে সরকার গড়বে এখনই বলা মুশকিল। কিন্তু মোদি-শাহের রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠন করা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

শুভেন্দু খেলাও করবেন আবার ডায়মন্ড হারবারে লাড্ডুও খাওয়াবেন, অভিষেক গড়ে বিরোধী দলনেতা

এত দিন বাংলাদেশের খেলা হবে স্লোগান আয়ত্বে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় সেই স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে ইঙ্গিত রেখে নানা বক্তব্য রাখলেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগামী গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামে-গ্রামে দলের নেতা-কর্মীদের প্রার্থী ঠিক করার নির্দেশ দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কর্মীদের পাশে থাকার বার্তাও দিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? মঞ্চের সামনে থেকে নেতা-কর্মীরা হ্যাঁ বলতেই শাসক তৃণমূলকে দুষে শুভেন্দুর হুংকার, এবারে খেলাটা দেখাব!শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডায়মন্ড হারবারে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলেও তারপর থেকে এখানে ভোট কার্যত লুঠ হয়েছে। যদিও ২০১৬ সালের পর ২০২১-র বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে পর্যন্তও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলেই ছিলেন। অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ২০১৮-এর পঞ্চায়েতে এই এলাকাতেও বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি। তবে এবার আসন্ন পঞ্চায়তে ভোট লুঠ আটকাতে সবরকম চেষ্টা করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শুভেন্দু।বিরোধী দলনেতা বলেন, ২০১৪- ১৬ সাল পর্যন্ত এখানে ভোট হতো। ২০১৬ সালের পর এখানে ভাইপো বাহিনী ভোট করতে দেয়নি। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমা দিতে দেয়নি। এবার খেলাটা দেখাব। গ্রামে প্রার্থী ঠিক করতে পারবেন তো? আমরা মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। এবারে আমরা খেলা দেখাব।খাস অভিষেকের গড়ে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলে গেলেন এমাসেই ডায়মন্ড হারবারের বাসিন্দাদের লাড্ডু খাওয়াব। কেন এই লাড্ডু বিলি? তা অবশ্য তাঁর বক্তব্য়ে স্পষ্ট করেননি। তবে লাড্ডু তিনি আনবেন বলেই ধনুকভাঙা পন করেছেন। গতকাল রাতেই ডায়মন্ড হারবারের লাইট হাইস ময়দানে বিজেপির সভামঞ্চ খুলে দেয় ডেকরেটার। মাঠ থেকে চেয়ার ফিরিয়ে নিয়ে যায়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল ডেকরেটর মালিককে ভয় দেখিয়ে এই কাজ করিয়েছেন। শেষমেশ শুভেন্দুর উদ্য়োগে হাওড়া থেকে ডেকরেটর নিয়ে আনিয়ে সভামঞ্চ বাধা হয়।শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেছন, এই মাসেই এখানে ফের আসব। এবার সঙ্গে করে এক গাড়ি লাড্ডু নিয়ে আসব। জগন্নাথ বলেছেন কারণ বলা যাবে না। তাই কেন লাড্ডু আনব তা বলছি না। লাড্ডু নিয়ে আসব। এই মাসেই আসব। গুজরাটে নির্বাচন চলছে, তবে শুভেন্দুর ইঙ্গিত রয়েছে বাংলার ঘটনার দিকে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

কাঁথিতে অধিকারী পরিবারের বাড়ির কাছের সভা থেকে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগের বন্যা অভিষেকের

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির ঢিলছোড়া দূরত্বে কাঁথির জনসভা থেকে দীর্ঘ বক্তব্য রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রায় সারাক্ষণই নিশানা করে গেলেন শুভেন্দু অধিকারীকে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে আনলেন একের পর এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ। তৃণমূল ছাড়া থেকে নির্বাচনে জয়, তোলাবাজি থেকে কয়লাপাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ সমস্ত অভিযোগ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, আগে সরকারি পরিষেবা থেকে টাকা মারত। আমি ১০টা ক্যামেরা ও মোবাইলের সামনে বলে যাচ্ছি ইডি, সিবিআই ও এনআইয়ের নাম করে টাকা তুলছে। যদি বুকের পাটা থাকে আমার বিরুদ্ধে মামলা কর। আমার কাছে কাগজ-পত্র আছে। আদালতে গিয়ে জমা দিয়ে দেব। এর পাশাপাশি এদিন কয়লাপাচারে প্রধান অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের সঙ্গে শুভেন্দুর কথোপকথনের অডিও ক্লিপ তাঁর কাছে আছে বলেও দাবি করেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, বিনয় মিশ্র ও শুভেন্দু অধিকারীর কথোকথন, অডিও ক্লিপ আছে। সেটা ছাড়িনি। কথায় কথায় বলত না কয়লা চোর, গরু চোর। কে কার সঙ্গে কথা বলেছে বোঝাপড়ার কি চুরি সংক্রান্ত, কে কত বড় তোলাবাজ, কে কত বড় মিরজাফর, কে কত বড় গদ্দার। সব বার করব।এসবের পাশাপাশি সারদা-নারদায় টাকা নেওয়া ও স্থানীয় স্তরে নানা দুর্নীতি নিয়ে অভিষেক শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।শুভেন্দু অধিকারীর দলবদল ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্বাসঘাতক, মিরজাফর তকমা থেকে সেরে আসতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। এত দিন এভাবে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। শনিবার কাঁথির এই জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মিরজাফরকে যেমন বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বাংলার মানুষ মনে রেখেছেন। তেমনই শুভেন্দু অধিকারীকেও আগামী ৫০০ বছর বিশ্বাসঘাতকতার জন্য বাংলার মানুষ মনে রাখবেন। আগামীকাল থেকেই প্রতিটি বুথে আগামী একমাসের জন্য বেইমান মুক্ত কর্মসূচি চালাবে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২
রাজনীতি

বর্ধমানে 'ধেরে ইঁদুর' বলে কোন তৃণমূল নেতাকে সম্বোধন করলেন সৌমিত্র খাঁ?

ডিসেম্বরে ধেরে মাথা অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরা পড়বে বলে মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সারের কালোবাজারির প্রতিবাদে ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিডিওকে। ডেপুটেশনে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন ধেরে ইঁদুর মানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পিসি ভাইপো সহ গোটা পরিবার চোর বলে কটাক্ষ করেন তিনি।এদিন জামালপুরের নেতাজী ময়দান থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মিছিল করে যায় বিডিও অফিসে।মিছিলে নেতৃত্ব দেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। মিছিল জমায়েত হয় বিডিও অফিসের সামনে। আলুচাষের ভরা মরশুমে রাসায়নিক সারের কালোবাজারি হচ্ছে। চাষীরা চড়া দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিন কালো বাজারী রুখতে প্রশাসনকে সক্রিয় হওয়ার জন্য ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বিডিও অফিসের সামনে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা চোর,শ্বশুর চোর। এরা সোনা চোর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজনীতি

তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে গিয়ে শেষ হয়ে যাবেঃ লকেট

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্তব্য করলেন বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েতে নিজেদের সিণ্ডিকেট বাজির জন্য, টাকা তোলার জন্য ক্ষমতার লড়াই চলছে। আগে এটা তৃণমূল - বিজেপি ছিল। বহু বিজেপি কার্যকর্তা শহীদ হয়েছে। এখন নিজেদের মধ্যে লড়াই চলছে। তৃণমূল দলটা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে করতে শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ভুপতি নগর থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল বিভিন্ন ভাবে বিজেপিকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল মেদিনীপুরে দাঁত ফোটাতে পারবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা এখন পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাশান হয়ে গেছে। সর্ষের মধ্যেই ভূত আছে। গোটা শিক্ষা মন্ত্রালয় জেলে চলে গেছে কিন্তু এখনো এই ভূতগুলো বসে আছে।বাংলার যে শিক্ষা নিয়ে আমরা গর্ববোধ করতাম কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো বাংলার শিক্ষা কোন জায়গায় চলে গেছে উনি যেন ধ্যান দেন। মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজনীতি

ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াইয়ে বোমা পড়বে! ভবিষ্যত বানী বিজেপি নেতার

বোম তৈরি করা আর সবাইকে বোম ছোড়া, এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের কালচার। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না এটা তার আভাস। কালীঘাটেও বোমা পড়বে, যেদিন ফিরহাদ হাকিমের সাথে ভাইপোর লড়াই হবে বোমা পড়বে আমরা দেখবো। মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ এর। তিনি আরও বলেন, এই ফিরহাদ হাকিম একদিন কালীঘাটে পাথর ছুঁড়েছিল। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের উন্নয়ন মানে পারিবারিক উন্নয়ন। একই সাথে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসকে একহাত নেন তিনি। বর্ধমানে যত অপসংস্কৃতি খোকন দাস এনেছেন, উনি বর্ধমানের কেষ্ট হয়ে গেছেন। খুব তাড়াতাড়ি উনি যাবেন বলে মন্তব্য করেন সৌমিত্র খাঁ।মঙ্গলবার বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ে কার্যাকারিনী বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার ঘরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু, সরগরম রাজ্য-রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকে দুজনের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। নন্দীগ্রামে একজন তৃণমূল অন্যজন বিজেপির প্রার্থী। নির্বাচনে ছিল চরম উত্তেজনা। ভোটের ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। ভোট গড়াল আদালত পর্যন্ত। দীর্ঘ দিন বাদে একই ঘরে মুখোমুখী আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও শুভেন্দুর সঙ্গী ছিলেন তিন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, মনোজ টিগ্গা ও অশোক লাহিড়ী। বিধানসভায় মমতার ঘরে শুভেন্দু, এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। বিধানসভাও সাক্ষী থাকল বিরল ছবির।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাাধ্যায়ের ঘরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরা ছিলেন মেরে-কেটে ৩-৪ মিনিট। এটাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। তাঁকে নাকি একাই ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সঙ্গে দলের আরও তিন বিধায়ককে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে। সূত্রের খবর, এদিন মার্শালকে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ডেকেছিলেন বিরোধী দলনেতাকে।শুক্রবার বিধানসভার এই সাক্ষাতের ঘটনায় তোলপাড় হয়ে পড়ে রাজ্য-রাজনীতি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাকে ডেকেছিলেন। সংবিধান দিবসে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যই ডেকেছিলেন। সাক্ষাতের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, শুভেন্দুকে চা খেতে ডেকেছিলাম। সংবিধান দিবসে উপলক্ষ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর উদ্দেশে বলেন, ভাইয়ের মতো স্নেহ করতাম। রাজ্যে তৃণমূল বনাম বিজেপির চরম সংঘাতের মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে বিরোধী দলনেতার সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়িয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। রে রে করে উঠেছে বাম-কংগ্রেস।

নভেম্বর ২৫, ২০২২
রাজনীতি

অখিল গিরি বচনঃ অন্য রাজ্য হলে মন্ত্রী কারাগারে যেতেন, বললেন সুকান্ত

এ রাজ্যের কারামন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন উনি অন্য কোন রাজ্যের মন্ত্রী হলে কান ধরে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হত। শনিবার বর্ধমানে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যর প্রতিবাদে সারা রাজ্যজুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ অব্যাহত।এদিন বিকালে বর্ধমান জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি প্রতিবাদ র্যালি আয়োজিত হয়। এই প্রতিবাদ র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া সহ একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। র্যালি শেষ হয় বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে। র্যালি শেষে বক্তব্য রাখতে এসে সুকান্ত মজুমদার বলেন, অখিল গিরির বিরুদ্ধে গোটা দেশ জুড়ে মামলা করা হবে। ওনাকে জেলে পাঠাবো। বক্তব্য রাখতে এসে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। জেলায় জেলায় পালা করে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। নেতা মন্ত্রীদের আত্মীয়দের বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হচ্ছে। বিক্ষোভ সভা শেষে অখিল গিরির কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় কার্জনগেট চত্ত্বরে।পাশাপাশি তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস আসছে। শীত পড়বে থরহরি কম্পন শুরু হবে। এই কম্পন কিসের ইঙ্গিত তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার ডিসেম্বরে সরকারের বিপদ বলে দাবি করে এসেছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

যুব মোর্চার বর্ধমান জেলা সভাপতি অপসারণের দাবি

আজ দিনভর বর্ধমান জেলা বিজেপির দপ্তরে বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য কার্যকারিণী সভা চলছে। আর এই সময়ই যুব মোর্চার বর্ধমান জেলা সভাপতি পিন্টু সামকে বহিস্কারের দাবি নিয়ে পোস্টার পড়ল বর্ধমান শহরের কোর্ট এলাকায়। ওই পোস্টারে শ্রী সামকে প্রাক্তন হার্মাদ বলে বর্ণনা করে তার বিরুদ্ধে চাকরির নাম করে পয়সা নেবার অভিযোগ করা হয়েছে। তোলা হয়েছে নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগ। যদিও পোস্টারটি বেনামী। কে বা কারা লাগিয়েছে জানা যায়নি। তবে পোস্টার নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলা বিজেপিতে।এই নিয়ে দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সাংবাদিকরা তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন; এগুলো বিরোধীদের অপপ্রচার। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এগুলো করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন; বিজেপিতে কোনও বিধায়ক, সাংসদ এমনকি খোদ রাজ্য সভাপতির কোনও চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা নেই। এরকম অভিযোগ থাকলে দল তা দেখবে। আগামীদিনে রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলেও মেধার ভিত্তিতে চাকরি হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

প্যারিসে বাম ঝড়! দক্ষিণপন্থীদের উড়িয়ে বিপুল জয়ে নতুন ইতিহাস

ফ্রান্সের পুরসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের বড় জয় সামনে এল। রাজধানী প্যারিসে ডানপন্থীদের হারিয়ে আবারও জয় পেল বাম শিবির। প্যারিসের মেয়র নির্বাচনে সোশালিস্ট দলের নেতা এমানুয়েল গ্রেগোয়ার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। তিনি প্রায় একান্ন থেকে তিপ্পান্ন শতাংশ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিদা দাতিকে হারিয়েছেন।শুধু প্যারিস নয়, ফ্রান্সের একাধিক বড় শহরেও বামপন্থীদের ভালো ফল দেখা গিয়েছে। এই নির্বাচনে ডানপন্থীদের হারাতে বাম দলগুলি একজোট হয়ে লড়াই করে। ফল ঘোষণার আগেই বুথফেরত সমীক্ষায় বামেদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত মিলেছিল। শেষ পর্যন্ত সেই পূর্বাভাসই সত্যি হয়েছে।ফ্রান্সের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইতেও বামেদের জয় প্রায় নিশ্চিত। সেখানে সোশালিস্ট মেয়র বেনেই পায়ান প্রায় পঁয়ষট্টি শতাংশ ভোট পেয়ে ফের নির্বাচিত হওয়ার পথে। জয় নিশ্চিত হওয়ার পর সোশালিস্ট দলের নেতৃত্ব জানায়, এই ফল প্রমাণ করে মানুষ উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাঁদের দাবি, বামপন্থীরাই দেশের উন্নয়নের সঠিক পথ দেখাতে পারে।এছাড়াও লিও এবং লিল শহরেও বামেরা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশের বড় শহরগুলিতে বামেদের দাপট স্পষ্ট। বিশেষ করে প্যারিসের জয় আলাদা করে নজর কাড়ছে। সোশালিস্ট, গ্রিন, কমিউনিস্ট সহ একাধিক বামপন্থী দলের জোট এই জয় নিশ্চিত করেছে।তবে সব জায়গায় একই চিত্র দেখা যায়নি। নিস শহরে ডানপন্থী নেতা এরিক চিত্তত্তি জয় পেয়েছেন। এছাড়া উগ্র ডানপন্থী দল জাতীয় র্যালি বড় শহরে জয় পায়নি ঠিকই, তবে ছোট কিছু পুরসভায় তারা কিছুটা সাফল্য পেয়েছে।এই নির্বাচনের ফল ফ্রান্সের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী রাষ্ট্রপতি এবং সংসদ নির্বাচনে এই ফলের প্রতিফলন দেখা যেতে পারে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

নতুন বিলে বদলে যাবে পরিচয়! রূপান্তরকামীদের জন্য কড়া নিয়মে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক

লোকসভায় শীঘ্রই পেশ হতে চলেছে রূপান্তরকামী ব্যক্তি অধিকার সুরক্ষা সংশোধনী বিল। এই বিল পাশ হলে কোনও ব্যক্তি আর নিজের ইচ্ছেমতো নিজেকে রূপান্তরকামী হিসেবে ঘোষণা করতে পারবেন না। এর জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসা প্রক্রিয়ার পর মেডিক্যাল শংসাপত্র জমা দিতে হবে।বিল সামনে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। একদিকে কেন্দ্রের সমাজকল্যাণ মন্ত্রকের দাবি, রূপান্তরকামীদের সঠিক সংজ্ঞা না থাকায় অনেক ভুয়ো দাবি সামনে আসছে। এর ফলে প্রকৃত রূপান্তরকামী ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এই সংশোধন প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।অন্যদিকে রূপান্তরকামীদের সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই বিল তাদের অধিকার খর্ব করবে। তাঁদের মতে, এই নিয়ম চালু হলে নিজের পরিচয় নির্ধারণের স্বাধীনতা কমে যাবে। অনেক সংগঠনই বলছে, এতে লিঙ্গ পরিচয়ের বিষয়টি সহজ হওয়ার বদলে আরও জটিল হয়ে উঠবে।এই বিলের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই আইন কার্যকর হলে রূপান্তরকামী মানুষের স্বাধীনতা এবং অধিকার আরও সংকুচিত হবে।বাংলাতেও এই ইস্যুতে প্রতিবাদের ছবি সামনে এসেছে। আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়ায় প্রায় পঞ্চাশজন রূপান্তরকামী অধিকারকর্মী পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা এই প্রস্তাবিত বিলের কপি পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই আন্দোলন।আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারকে এই বিল নতুন করে ভাবতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে, যাতে রূপান্তরকামীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।সব মিলিয়ে সংসদে বিল পেশ হওয়ার আগেই বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে উত্তেজনা এবং উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

গড়িয়ায় চাঞ্চল্য! বিউটিপার্লারে ঢুকে নৃশংস খুন, তারপরই যুবকের রহস্যমৃত্যু

ভোটের আবহের মধ্যেই কলকাতা সংলগ্ন গড়িয়ার মহামায়াতলায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। একটি বিউটিপার্লার থেকে উদ্ধার হল জোড়া দেহ। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন এক মহিলা এবং এক যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই এই খুন এবং আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।মৃত মহিলার নাম রূপবানি দাস, বয়স প্রায় পঞ্চাশ বছর। তিনি মহামায়াতলা এলাকায় একটি বিউটিপার্লার চালাতেন। মঙ্গলবার দুপুরে এক যুবক পার্লারে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই দৃশ্য দেখে আশেপাশের দোকানদারেরা আতঙ্কে সেখান থেকে সরে যান।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে একই পার্লারের ভিতর থেকেই ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, যুবক কাশ্মীরের বাসিন্দা। তবে এখনও তার সম্পূর্ণ পরিচয় জানা যায়নি।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমস্যার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। মহিলাকে খুন করার পর যুবক আত্মঘাতী হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই দুই দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ভরদুপুরে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ভোটের আগে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ২৪, ২০২৬
রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণে বড় বদল! জনগণনা বাদ দিয়ে নতুন চাল কেন্দ্রের, বাড়তে পারে লোকসভা আসন

সংসদে শীঘ্রই মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগে বলা হয়েছিল, জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে। কিন্তু এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে কেন্দ্র নতুন পথ বেছে নিতে চাইছে।সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই সংসদে দুটি সংবিধান সংশোধনী বিল আনা হতে পারে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। আগে যেখানে নতুন জনগণনার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন সেই ধাপ বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে দ্রুত মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার পথে এগোতে চাইছে কেন্দ্র।এই সংশোধনী কার্যকর হলে লোকসভায় আসনের সংখ্যাও অনেকটাই বাড়তে পারে। বর্তমানে যেখানে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩, সেখানে তা বেড়ে প্রায় ৮১৬ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও আসন সংখ্যা ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।তবে এই বিল পাশ করাতে সংসদে দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই বিরোধীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। যদিও সব দল এই প্রস্তাবে সমর্থন দেবে কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মহিলা সংরক্ষণ বিলের সংশোধনী নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে দ্রুত সংরক্ষণ কার্যকর হবে, নাকি আরও বিতর্ক বাড়বেতা এখন দেখার।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের লেটারহেডে বিজেপির ছাপ? বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভা ভোটের আগে আবারও নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে প্রচারে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলেন।মমতার অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের লেটারহেডেই নাকি বিজেপির প্রতীক দেখা যাচ্ছে। তাঁর কথায়, কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।তিনি আরও বলেন, যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে, তাহলে সেটাকে শুধু কাগুজে ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে কিনা, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সব রাজনৈতিক দলকে একজোট হয়ে একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানান।এছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন পদে আইপিএস ও আইএএস অফিসারদের বদলি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি গভীর রাতে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, এই তালিকা এখনও পর্যন্ত কোনও বুথ, ব্লক বা জেলায় সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, এই তালিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও সামনে এসেছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য কমিশনেরই দায় রয়েছে।এসআইআর নিয়ে আদালতে লড়াইয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আদালতে যাওয়ার কারণেই কিছু নাম তালিকায় উঠেছে। কিন্তু এখনও তালিকা প্রকাশ নিয়ে কমিশন কেন এত দেরি করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, স্বচ্ছতা থাকলে এত দেরি হওয়ার কথা নয়।সব মিলিয়ে ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মধ্যরাতে ভোটার তালিকা কেন? বিস্ফোরক অভিযোগে সরব মমতা, রাজনৈতিক চক্রান্তের ইঙ্গিত

উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তুললেন, কেন গভীর রাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হল এবং এর পিছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে বলেও দাবি করলেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁদের নাম তালিকায় উঠেছে, তা তাঁর সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ফলেই সম্ভব হয়েছে। অন্যথায় আরও অনেক মানুষের নাম বাদ পড়ে যেত বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁর দাবি, ভোটের ঠিক আগে এই প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে পরিকল্পনা করে। তিনি বারবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন এবং দিল্লিতে গিয়েও বিষয়টি তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও মামলা করেছেন তিনি।গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সেখানে প্রায় ষাট লক্ষ নাম বিচারাধীন ছিল। পরে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার গভীর রাতে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। যদিও সেই তালিকার বিস্তারিত তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়, তবে জানা যাচ্ছে প্রায় আটাশ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন তালিকা এখনও বুথ, ব্লক বা জেলার নির্দিষ্ট জায়গায় প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রের নির্দেশেই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে ভোটার তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে রাজ্যে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় চাঙ্গা বাজার! কিন্তু ঘণ্টা খানেকেই ধাক্কা, আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই হঠাৎ করেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ও নিফটি দুটিই দ্রুত উপরের দিকে উঠতে শুরু করে। একই সঙ্গে টাকার দামও কিছুটা শক্তিশালী হয় এবং সোনা ও রুপোর দাম কমে যায়। তবে এই উত্থান কতক্ষণ স্থায়ী হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সংশয় তৈরি হয়।এই উত্থানের পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য। তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোয় কোনও হামলা করা হবে না। এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামার আশা তৈরি হয় এবং তার প্রভাব পড়ে ভারতীয় বাজারেও।বাজার খুলতেই সেনসেক্স এক লাফে হাজার পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। নিফটিতেও দেখা যায় উন্নতি। একই সময়ে টাকার দামও ডলারের তুলনায় প্রায় চৌত্রিশ পয়সা বেড়ে যায়। তেলের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়।কিন্তু এই খুশি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বাজার খোলার অল্প সময়ের মধ্যেই সেনসেক্স প্রায় পাঁচশো পয়েন্ট পড়ে যায়। সূচক ঘোরাফেরা করতে থাকে তিয়াত্তর হাজার তিনশোর আশপাশে। এই ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ইতিমধ্যেই ইরান ভুয়ো বলে দাবি করেছে। সেই কারণেই বাজারে আবার অনিশ্চয়তা ফিরে এসেছে। যুদ্ধ যদি সত্যিই না থামে, তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।প্রায় চার সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাত কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বাজারে অস্থিরতা থাকলে লাভের আশা করাও কঠিন হয়ে পড়বে। ফলে সাময়িক উত্থান হলেও বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে তুমুল তর্ক! বিচারপতির সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে কপিল সিব্বল, চাঞ্চল্যকর শুনানি

সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানিতে হঠাৎই উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের মধ্যে তীব্র বাক্য বিনিময় ঘটে।মঙ্গলবার শুনানির সময় কপিল সিব্বল প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে ইডি সংবিধানের বত্রিশ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় মামলা করতে পারে। এই প্রশ্ন ঘিরেই আদালতে উত্তেজনা তৈরি হয়।শুনানির এক পর্যায়ে বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র বলেন, অভিযোগ অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তল্লাশির জায়গায় ঢুকে পড়েছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে যদি অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেই অভিযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের কাছেই যেতে হবে, এবং সেখান থেকেই বিচার পাওয়ার আশা করতে হবে।বিচারপতির এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন কপিল সিব্বল। তিনি বলেন, এটি কোনও প্রমাণিত সত্য নয়, এটি শুধুই অভিযোগ। বিচারপতি আগে থেকেই ধরে নিচ্ছেন যে মুখ্যমন্ত্রী অপরাধ করেছেনএমনটাই অভিযোগ তোলেন তিনি।এর জবাবে বিচারপতি মিশ্র জানান, আদালত কোনও কিছু ধরে নিচ্ছে না। তবে কোনও অভিযোগ সাধারণত কিছু প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতেই করা হয়। যদি সেই ভিত্তি না থাকে, তাহলে তদন্তের প্রয়োজনই পড়ে না। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এই মামলায় সিবিআই তদন্তের দাবিও উঠেছে।এই ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal