• ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Awareness

দেশ

রেলে লাগাতার দূর্ঘটনা, সতর্ক থাকতে নির্দেশ সব মহলকে

কোনও জায়গায় রেললাইনে রাখা সিলিন্ডার, কোথাও ৭০ কেজির সিমেন্টের চাঁই ! কোথাও পরপর মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা তো কোথাও যাত্রীবাহী ট্রেনের বরাত জোরে রক্ষা। বিগত কয়েক মাসে এই ধরনের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তার জেরেই সাধারণ মানুষ এখন কার্যত ট্রেনে উঠতেই ভয় পাচ্ছেন। রেল অবশ্য আগেই দাবি করেছিল যে, এইসব ঘটনায় কোনও নাশকতা নেই। তাও বিষয়গুলি একদমই হালকাভাবে নিচ্ছে না রেল। সেই মতো এবার পদক্ষেপও নেওয়া হল।দেশের সব রাজ্যের সরকার, পুলিশের ডিজি এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ভারতীয় রেল।কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মঙ্গলবার জানিয়েছেন, যারা ধারাবাহিকভাবে রেল ট্র্যাকে নানা বস্তু ফেলে দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে তারা কোনও ভাবেই ছাড় পাবে না। এদের ধরতে কাজ শুরু হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত ফল পাওয়া যাবে। তাঁর কথায়, পরপর কিছু ঘটনা গোটা রেল পরিবারকে চিন্তিত করে তুলেছে। কিন্তু সকলেই সতর্ক হয়ে আছেন। খুব তাড়াতাড়ি দোষীদের ধরা হবে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

'নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের উদ্যোগে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প ও খেলাধুলা'

দক্ষিণ কলকাতার গড়ফা বয়েজ ক্লাবের সহযোগিতায় আনন্দপুর খেলার মাঠে ২৮ এ ফেব্রুয়ারী বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের আয়োজনে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প র আয়োজন করা হয়। ভোট কি? ভোটার গুরুত্ব, ভোট না দিলে কি হতে পারে, মূলত এই সমস্ত বিষয় নিয়েই এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিভিন্ন স্তরের বক্তার বক্তব্য থেকে এটাই উঠে আসে যে, ভোট আমাদের একটি মৌলিক অধিকার হওয়ার পাশাপাশি আমাদের গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভোট দেওয়াটা ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যখন কোনও মানুষ ভোট দানে বিরত থাকে, তারা নিজেদের নীরব রাখে এবং তখন এই বার্তাই জানান দেয় যে, আমরা আত্মতুষ্টিতে আছি এবং তারা যেকোনো কিছুর সাথে পার পেয়ে যেতে পারে। ভোটের সময় ইদানিং এক ভয়ানক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বহু সংখক মানুষই ভোট দানে বিরত থাকছেন। এই ভোট না দিতে আসারও নানা কারণ থাকতে পারে, কেউ কেউ মনে করতে পারে ভোট কোনো ব্যাপার না, কেউ কেউ নিবন্ধিত নাও হতে পারে, কারো কাছে নির্বাচনে যাওয়ার পরিবহন নেই বা কেউ বা রাজনীতিতে আগ্রহী নন।এই সব বিষয়গুলি মাথায় রেখেই এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত মানুষদের বোঝাতে চেষ্টা করেন, কিভাবে নিবন্ধন করতে হবে ও তাদের ভোটের স্থান কোথায় অবস্থিত থাকতে পারে সে সম্পর্কে কিছু তথ্য আদানপ্রদান করেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে বিবাহিত মহিলাদের কর্মসংস্থান ও শারীরিক সুস্থতার কথা মাথায় রেখে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যেখানে প্রচুর মহিলারা যোগদান করেন। এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ছিল এবারের ভোট হোক শান্তিপূর্ণ।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

অভিনব অঙ্কনে বাল্যবিবাহ রোধে প্রচার সরকারি আধিকারিকের

বাল্যবিবাহ তৃতীয় বিশ্বের এক ভয়ানক ব্যাধি। এর কু-প্রভাব সুদুরপ্রসারী। সাধারণভাবে বাল্যবিবাহ হল অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই মানুষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে বা বিনা অনুষ্ঠানের বিবাহ। বর্তমান ভারতবর্ষে বিবাহের জন্য ছেলেদের আইনত বয়স হতে হবে ২১ বৎসর, এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮। ১৯৩০ এ বিবাহের জন্য নুন্যতম বয়স ছিল ছেলেদের ১৮ ও মেয়েদের ১৪। ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৪৯ এ মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়স বেড়ে হল ১৫। ১৯৭৮ এ এই নিয়ম আবার পরিবর্তন হয়ে বর্তমান নিয়ম লাঘু হয়।বাল্যবিবাহে ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের উপরই যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। তবে মেয়েরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিশেষত নিম্ন আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কারণে মেয়েদের বাল্য বয়সেই বিবাহ দেওয়ার প্রবণতা অনেক যায়গায় দেখা যায়। যে যে কারণে বাল্যবিবাহ হয় তাঁর মধ্যে অন্যতম, দারিদ্রতা, পণপ্রথা (যৌতুক), কিছু সামাজিক প্রথা, ধর্মীয় ও সামাজিক চাপ, অঞ্চলভিত্তিক রীতি, অবিবাহিত থাকার শঙ্কা, নিরক্ষরতা এবং মেয়েদের উপার্জনে অক্ষম ভাবা।স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, অল্প বয়সে মেয়েদের বিবাহ দিলে, তাঁরা স্বাভাবিক কারণেই অল্প বয়সেই সন্তান ধারণ করে। ওই বয়সে সন্তান প্রসব করানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেটা শিশু ও মা উভয়ের জন্যই। তাঁরা আরও জানান, স্বল্প বয়সে মা হওয়ার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বাচ্চা পুষ্টির অভাবে ভোগে। মায়েরও একই সমস্যা হতে পারে। এর ফলে খুব অল্প বয়সে বার্ধক্য নেমে আসে।২০১৯ এ এক কেন্দ্রীয় সমীক্ষায় দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে ২৪ থেকে ২৫ বছরের বয়সী মেয়েদের মধ্যে ৪১.৬০ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮-র কম বয়সে। কেন্দ্রীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য পরিষেবা মন্ত্রকের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গেছে কলকাতা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূমের মতো জেলায় উদ্বেগজনক ভাবে বাল্য বিবাহের হার বাড়ছে। এবং কন্যাশ্রীর মতো জনমুখী প্রকল্প সত্ত্বেও দেশে বাল্যবিবাহে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গই।বাল্যবিবাহের কুপ্রভাব নিয়ে সারা দেশ জুড়ে নানা ভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে। কোনও ক্ষেত্রে সরকারের তরফ থেকে, কোথাও বা সেচ্ছাসেবী সংস্থা দ্বারা, আবার ব্যক্তিগত উদ্যোগেও এর বিরুদ্ধে প্রচার চলছে। তেমনই এক অভিনব প্রচার সামাজিক মাধ্যমে সাড়া ফেলে দিয়েছে। পুর্ব-বর্ধমান জেলার বর্ধমান-১ ব্লকের অধিকর্তা অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। ছবিটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এগিয়ে যাও বড় হও বক্তব্যকে তুলে ধরে তিনি বলতে চেয়েছেন, স্বল্প বয়সে বিয়ে না করে একটি মেয়ের অনেক কিছুই করার আছে।তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই প্রয়াস সমন্ধে লিখেছেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক অপরাধ। যেকোনো মূল্যে বাল্যবিবাহ নির্মূল করতে হবে। বাল্য বিবাহের খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমার দ্বারা করা একটি খুব দ্রুত চিত্রকর্ম।অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর ছবির মাধ্যমে বলতে চেয়েছেন, মেয়েরা শুধুমাত্র সন্তান প্রসবের যন্ত্র নয়। একটা মেয়ে সে পাইলট হতে পারে, হতে পারে চিকিৎসক, একজন আইএএসও হতে পারে, হতে পারে শিক্ষক, জগৎ বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী হতে পারে, যোগদান করতে পারে পুলিস প্রশাসনে, বা পি ভি সিন্ধু, মিরাভাই চানু-র মত উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে ক্রীড়াক্ষেত্রে। তিনি এটাই হয়ত বলতে চেয়েছেন যে, বিবাহ ছাড়াও অনেক কিছুই করা যায় যা করলে সমাজ মনে রাখবে। অভিরূপ ভাট্টাচার্যের এই পোস্টারে কন্যাশ্রীর প্রকল্পের অবয়ব অঙ্কনের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকল্পকটিকে জাতিসংঘ সমাদর করে পুরস্কৃত করার পিছনে এক সুদুর প্রসারি ভাবনা আছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে দেশের মধ্যে সবচেয়ে তৎপর পশ্চিমবঙ্গ।বাল্য বিবাহের প্রবণতা থেকে দূরে রাখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুটি জনমুখী প্রকল্প বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়। হয়ে উঠেছে, প্রথমটি রুপশ্রী, এই প্রকল্পে একটি মেয়ে তাঁর বিবাহের সময় এককালীন মোটা টাকার অনুদান পায় সরকারের থেকে। এক্ষেত্রে মেয়ের বয়স অবশ্যই ১৮ উর্ধ হতে হবে। আরেকটি মেয়েদের পড়াশোনার সুবিধার্থে কন্যাশ্রী। দুটি প্রকল্পেরই মূল লক্ষ্য বাল্য বিবাহ রোধ। বিশেষজ্ঞদের ধারনা এই দুই প্রকল্পের সুবিধা পেতে মেয়েরা স্কুল ও কলেজ মুখী হয়ে উঠবে।

আগস্ট ১০, ২০২২
কলকাতা

থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় শহর জুড়ে বিভিন্ন রূপে সত্যজিতের চরিত্ররা

৮ মে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস। সারা বিশ্ব জুড়ে এই ব্যাধির বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচী নেওয়া হয়ে থাকে। পিছিয়ে থাকেনা আমাদের শহর কলকাতাও।শহরের এক অতি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনও সামিল হন এমনিতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞে। এমনিতেও সারা বছর ধরে এই সংগঠন বিভিন্ন ধরণের সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে।এবছর ৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে নানা কর্মসূচী। তবে সব থেকে চমক হল এবছরের সচেতনতার প্রচার পরিকল্পনায়। শহর জুড়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় নেমেছেন সত্যজিৎ রায়ের ছবির চরিত্রেরা। দেবীর শর্মিলা ঠাকুর, জলসাঘরের ছবি বিশ্বাস, মহানগরের মাধবী মুখোপাধ্যায়, গুপি গাইন বাঘা বাইন এর রবি-তপেশ, সোনার কেল্লার সৌমিত্র, আগন্তুকের উৎপল দত্ত আরো অনেকে। প্রচারে এই চরিত্রেরা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার নানা কথা বলছেন। ছবির থিম, কখনো ডায়ালগকে মাথায় রেখে বানানো হয়েছে নানা রকমের স্লোগান। ঠিক যেন এই চরিত্র গুলো আমাদের মতো রক্ত মাংসের মানুষ হয়ে পথে নেমেছে।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়া২ মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবার্ষিকী। সদ্য শতবার্ষিকী হয়েছে। তিনি শিশুদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। গল্প লেখা থেকে শুরু করে, ছবি বানানো, সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদনা, নানা রকম ইলাসট্রেশন করা। অথচ একটু অসচেতনতার জন্য সেই শিশুরাই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়। এ যেন সেই সব থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের পক্ষ থেকেই এই বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাকে স্মরণ। ক্যাপশন গুলো লিখেছেন তারাই।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়াসেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন এর সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য জানিয়েছেন, সত্যজিতের ছবি খুব পপুলার। চরিত্রগুলোও ভীষণ জনপ্রিয়।এই ধরনের চরিত্র গুলোকে যদি প্রচারের মাধ্যমে আনা যায় তাহলে লোকের চোখে বেশি করে পড়বে। সেক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর আমাদের যে লক্ষ সেটা সফল হবে। সত্যজিৎ বাবু তাঁর সৃষ্টিতে অমর। এখানে তাঁর সৃষ্টি সমাজে থ্যালাসেমিয়ার মতো একটা ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতার অংশ হয়ে উঠল এতে সামগ্রীক ভাবে প্রচারটা অনেক বেশি করে লোকের চোখে পড়লো। এছাড়া থাকছে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান জীবনদেবতা সম্মান, রক্তদান শিবির সহ নানা কর্মসূচী।

মে ০১, ২০২২
রাজ্য

Covid Awarness: করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তা

রাজ্যে প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। করোনার বাড়বাড়ন্তের পরও মানুষের হুঁশ ফেরেনি। এখনও যত্রতত্র মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে বহু মানুষকে। জমায়েত করতেও দেখা যাচ্ছে বাজারগুলোতে। এই পরিস্থিতিতে বর্ধমানের মেমারির ২৬৫ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক মাননীয় মধূসুদন ভট্টাচার্য করোনা সচেতনতায় এলাকার মানুষের স্বার্থে বার্তা দিলেন। নিজের বিধানসভাকেন্দ্রের মানুষকে কোভিড বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। মাস্ক পরার পাশাপাশি দূরত্ববিধি মেনে চলার আবেদন জানিয়েছেন বিধায়ক। সঙ্গে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতেই জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠএলাকার সমস্ত স্কুল-কলেজ-ক্লাবের শাখা নেতৃত্বদের কাছেও তিনি অনুরোধ করেন, এই কোভিডবিধি যাতে মেনে চলা হয় সেদিকে নজর রাখার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সাধারণের উদ্দেশ্যে যে করোনাবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছেন তা যেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয় সেকথাও বলেছেন তিনি। শুধুমাত্র সচেতনতা অবলম্বনের মাধ্যমেই করোনার বিরুদ্ধে জয়লাভ সম্ভব বলেও উল্লেখ করেছেন মাননীয় বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত বাহুবলীপ্রসঙ্গত, রাজ্যে এক লাফে কোভিড সংক্রমণ ২৪ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। নতুন সপ্তাহের প্রথম দিন দেশের কোভিড গ্রাফের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহতই। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭২৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৪৬ জনের। রবিবারের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ১২.৬ শতাংশ। পজিটিভিটি রেট ১৩.২৯ %। অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৬১৯।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Covid Awareness Memari: করোনা সচেতনতায় পথে মেমারি শহর তৃণমূল

ফের করোনা সংক্রমণে তটস্থ সাধারণ মানুষ। বাইরে বেড়িয়েও অনেকেই এখনও মাস্ক পড়ছেন না। করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না কেউ কেউ। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চলছে। মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন ঘোষাল সাধারণ মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে পথে নেমেছেন।আরও পড়ুনঃ পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভশুক্রবার মেমারির ১৬টি ওয়ার্ডে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েকজন দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন স্বপন ঘোষাল। তাঁরা মানুষকে মাস্ক পড়া নিয়ে সচেতন করেছেন। করোনা বিধি মেনে চলতে শহরের মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে বামুনপাড়া মোড়েও মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে শহর তৃণমূল কংগ্রেস।স্বপন ঘোষাল বলেন, করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়া থেকে আমরা মানুষের পাশে আছি। মেমারির বাসিন্দারা যে কোনও প্রয়োজনে আমাদের ডাকলেই কাছে পাবেন। আগেও তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে ছিল। এখনও মানুষের পাশে থাকবে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Ladakh on a Bicycle: কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি

দেশজুড়ে ফের বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের প্রভাব। নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন বহু মানুষ। মন্ত্রী থেকে শুরু করে আমলা ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা কেউই সংক্রমিত হওয়ার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। এমনকি পাল্লা দিয়ে মৃতের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। এত কিছুর পরেও চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে মাস্ক পরা ও বিধি নিষেধ মেনে চলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না দেশের একটা বড় সংখ্যক মানুষ। তাই আর ঘরে বসে না থেকে করোনা নিয়ে দেশবাসীকে সচেতন করতে মঙ্গলবার সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো পূর্ব বর্ধমানের কালনার কালনার কাঠিগঙ্গা ও মহাপ্রভুপাড়ার দুই যুবক প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস। এই যুবকদের একজন চালান অটো। আপরজন ইলেকট্রিকের কাজ করার পাশাপাশি ছোট মুদিখানা দোকান চালান। যুবকরা সামান্য ১০০-২০০ কিলোমিটার পথ ঘুরে সচেতনতা প্রচার চালাবে এমনটা নয়। করোনা নিয়ে সচেতনতা জাগাতে কালনার এই দুই যুবক জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখ পর্যন্ত যাবে সাইকেলে চড়ে। দুই যুবকের এই মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন কালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ ও সহ কালনার বিশিষ্ঠজন।মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ বলেন, করোনা মহামারীর কারণে ইতিমধ্যেই দেশে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তও হয়েছে বহু মানুষ। এখন ফের আবার উর্ধ্বমুখী হচ্ছে করোনা আক্রান্তের গ্রাফ। সংক্রমণ বৃদ্ধি রোখার জন্য রাজ্য প্রশাসনের তরফে নানা বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পলিশ কর্মীরা পথে বিধি মানানোর জন্য নজরদারি চালাচ্ছেন, সচেতনতার প্রচারও চালাচ্ছেন। তবুও অনেক মানুষজন বেপরোয়া মনোভাবদেখিয়ে বিধি মানছেন না।মাস্ক পড়ছেন না। এইসবের কারণে সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে দেশের মানুষজনকে করোনার সংক্রমণ নিয়ে সচেতন করতে কালনার দুই যুবক সাইকেলে চেপে লাদাখের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। যুবকদের এমন মহতি কর্মকাণ্ড নিশ্চিৎ ভাবেই প্রশংসার দাবি রাখে।কালনা শহরের ঐতিহ্যশালী স্থান সেখানকার ১০৮ শিবমন্দির। সেই শিবমন্দিরের সামনে গিয়ে সর্বশক্তিমান দেবতাকে প্রণাম জানিয়ে এদিন প্রণব ও সৌরভ সাইকেলে চেপে রওনা হয়। প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস জানিয়েছেন, তাঁরা করোনার ভয়বহতা সম্পর্কে মানুষজনকে সচেতন করার সংকল্প নিয়ে সাইকেল কালনা থেকে রওনা দিচ্ছে।বিহার, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি,পঞ্জাব হয়ে তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখে পৌঁছাবে। পথে সরকারি জায়গা অথবা অন্য কোনও স্থানে রাত্রিবাস করবেন। সেই কারণে সাইকেলে তাঁবুর পাশাপাশি সচেতনতা প্রচারের ব্যানারও সঙ্গে নিয়েছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে ও শরীর ঠিকঠাক থাকলে ২০-২৪ দিনের মাথায় তাঁরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবেন বলে আশা করছেন। আসা ও যাওয়া মিলে প্রায় পাঁচ হাজার পথ সাইকেল চালাতে হবে। প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস এও বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তা সত্বেও এখনও অনেক সচেতন নন। তাই সবাইকে করোনা অতিমারির ভয়াবহতা নিয়ে সচেতন করতেই তাঁরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে যুবকরা জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ, একদিনে গ্রেপ্তার ১৬৭ জন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করছে কলকাতাকে। করোনা রুখতে চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে শুরু হয়েছে পুলিশের প্রচার। মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ধরপাকড়ের উপর আরও গুরুত্ব দিল পুলিশ। বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাস্ক না পরার অভিযোগে ১৫০ জনের উপর পথচারীকে ধরা হয়। এর মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে হাতেনাতে ধরা পড়ে ১৫ জন। অন্যান্য বাজারেও মাস্ক না পরলেই তাকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, করোনা আক্রান্তর সংখ্যা কলকাতায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বহু পথচারী ও গাড়ি, বাস আরোহীর মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক নেই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরও। এবার সেদিকেও বিশেষ নজর পুলিশের। পুলিশের উপর ভোটের ডিউটির চাপ রয়েছেই। সেই সঙ্গে এবার করোনা রোখারও ব্যবস্থা নিল পুলিশ।গত বছর করোনার ঢেউ কলকাতায় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার সচেতনতার প্রচার শুরু করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু আক্রান্তর সংখ্যা কমতে থাকায় সেই প্রচারে ভাটা পড়ে। যদিও সংখ্যায় কম হলেও মাস্ক না পরার অভিযোগে চলছিল ধরপাকড়। গত মাস থেকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবার গত বছরের আদলেই প্রচার করতে শুরু করেছে পুলিশ।এদিকে, বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে করোনা বিরোধী সচেতনতার প্রচার শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি থানা। পুলিশের অভিযোগ, এই বছর এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই করোনা নিয়ে সচেতন নন। তাই বাজারগুলিতে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা, এমনকী, বিক্রেতাদের মুখেও নেই মাস্ক। পারস্পরিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না। এদিন নিউ মার্কেট অঞ্চলে মাস্ক না পরে নামতে দেখলেই ওই যাত্রীকে ধরেছে পুলিশ। একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, যাদবপুর, হাতিবাগানের মতো বাজারগুলিতেও। এ ছাড়াও ওই বাজারগুলিতে মাস্ক না পরে কেনাকাটা করার অভিযোগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন

পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের তরফ থেকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি নেওয়া হল। মঙ্গলবার এই সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন করে হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড। হাওড়ার ওল্ড এবং নিউ কমপ্লেক্সের সামনে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের এই নিয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি হাওড়া স্টেশন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক গার্ড এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধরনের কর্মসূচি আগামীদিনেও লাগাতার চলবে। আরও পড়ুন ঃ আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড সূত্রের খবর, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর প্রচার উপলক্ষ্যে মাস্ক বিলি এবং গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এদিন হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স ও নিউ কমপ্লেক্সের সামনে যেসব কুলিরা ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তাদের ঠেলায় রিফ্লেক্টর টেপ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে আসা বেশ কিছু প্রাইভেট গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফএর বড় রিফ্লেক্টর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এই রিফ্লেক্টর স্টিকারে রাতে আলো পড়লে উজ্জ্বল দেখাবে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই প্রচার কর্মসূচি চলবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
বিবিধ

ইটভাটার শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন শান্তনু

আজ রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পোলিও টিকা খাওয়ানোর দিন। এদিন বলাগড়ের বিভিন্ন ইটভাটায় ঘুরে নিজে হাতে শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন হুগলি জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। শিশুদের মধ্যে লজেন্স, চকোলেটও বিলি করলেন। সেইসঙ্গে শিশু ও তাদের অভিভাবকদের করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে সুরক্ষিত ও সতর্ক থাকতে হবে সে ব্যাপারগুলি সহজবোধ্যভাবে বুঝিয়েও দিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরাও।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! অনুপ্রবেশ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ভূমি দখল, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের মতো অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই সরকার এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবে।বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কলেজ স্ট্রিট এবং নৈহাটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে একই ধরনের কর্মসূচি করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বন্দে মাতরম শুধু একটি গান নয়, এর মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয় চেতনার গভীর বার্তা রয়েছে। সেই মূল্যবোধ সমাজে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দে মাতরমকে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই এখন নিয়ম মেনে গান গাইছেন। সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই গান গাইবেন বলেই তাঁর আশা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গিরকে দড়ি বেঁধে ঘোরানো নিয়ে বড় প্রশ্ন! মানবাধিকার ইস্যুতে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে এবং অস্বাভাবিক পোশাকে প্রকাশ্যে ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী সারিকা বিবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত চললেও কোনও অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করা যাবে না, যা তাঁর মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই।প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। পরে ভোটের আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তিনি প্রকাশ্যে আর দেখা না গেলেও পরে বাংলা-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী।গ্রেপ্তারের পর ফলতার সহরারহাট এলাকায় জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে এবং সাধারণ পোশাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ প্রথমে তাঁকে চিনতে না পারলেও পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়।এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী। মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া চলবে ঠিকই, তবে কোনও অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে অধীর, বড় অভিযোগে চাঞ্চল্য

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার নামে রাজ্যে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষের নাম খামখেয়ালিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই ঘটনায় তিনি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন।আদালতে দাখিল করা আবেদনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, কোনওরকম শুনানির সুযোগ না দিয়েই সামান্য ভুলের অজুহাতে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।অধীরের আরও দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর আপিলের শুনানির গতি আরও কমে গিয়েছে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন অল্প সংখ্যক মামলার শুনানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা সব মামলার নিষ্পত্তি হতে আরও চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ফলে বহু দরিদ্র মানুষ সরকারি প্রকল্প এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত অতিরিক্ত আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।অধীর রঞ্জন চৌধুরী আদালতের কাছে আরও আবেদন করেছেন, মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো জেলায় ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হোক। পাশাপাশি মামলার চাপ কমাতে পর্যাপ্ত কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মামলার তালিকা এবং রায় সহজে দেখার জন্য একটি স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আবেদনও করা হয়েছে।একইসঙ্গে আদালতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নাগরিকের সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা! আদালতে নিয়ে যেতেই যা করল জনতা, তোলপাড় ক্যানিং

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন ক্যানিংয়ের এক তৃণমূল নেতা। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাঁকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটল, তা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে থানার বাইরে আনা মাত্রই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ তাঁকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকটি ডিম তাঁর মাথাতেও লাগে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায় এবং মারধরের মতো নানা অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও ওঠে। এছাড়া একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের একাংশ।স্থানীয়দের দাবি, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশও। ধৃতকে থানার বাইরে আনার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, অস্ত্র মামলার তদন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal