• ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Awareness

দেশ

রেলে লাগাতার দূর্ঘটনা, সতর্ক থাকতে নির্দেশ সব মহলকে

কোনও জায়গায় রেললাইনে রাখা সিলিন্ডার, কোথাও ৭০ কেজির সিমেন্টের চাঁই ! কোথাও পরপর মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা তো কোথাও যাত্রীবাহী ট্রেনের বরাত জোরে রক্ষা। বিগত কয়েক মাসে এই ধরনের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তার জেরেই সাধারণ মানুষ এখন কার্যত ট্রেনে উঠতেই ভয় পাচ্ছেন। রেল অবশ্য আগেই দাবি করেছিল যে, এইসব ঘটনায় কোনও নাশকতা নেই। তাও বিষয়গুলি একদমই হালকাভাবে নিচ্ছে না রেল। সেই মতো এবার পদক্ষেপও নেওয়া হল।দেশের সব রাজ্যের সরকার, পুলিশের ডিজি এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ভারতীয় রেল।কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মঙ্গলবার জানিয়েছেন, যারা ধারাবাহিকভাবে রেল ট্র্যাকে নানা বস্তু ফেলে দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে তারা কোনও ভাবেই ছাড় পাবে না। এদের ধরতে কাজ শুরু হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত ফল পাওয়া যাবে। তাঁর কথায়, পরপর কিছু ঘটনা গোটা রেল পরিবারকে চিন্তিত করে তুলেছে। কিন্তু সকলেই সতর্ক হয়ে আছেন। খুব তাড়াতাড়ি দোষীদের ধরা হবে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

'নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের উদ্যোগে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প ও খেলাধুলা'

দক্ষিণ কলকাতার গড়ফা বয়েজ ক্লাবের সহযোগিতায় আনন্দপুর খেলার মাঠে ২৮ এ ফেব্রুয়ারী বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের আয়োজনে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প র আয়োজন করা হয়। ভোট কি? ভোটার গুরুত্ব, ভোট না দিলে কি হতে পারে, মূলত এই সমস্ত বিষয় নিয়েই এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিভিন্ন স্তরের বক্তার বক্তব্য থেকে এটাই উঠে আসে যে, ভোট আমাদের একটি মৌলিক অধিকার হওয়ার পাশাপাশি আমাদের গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভোট দেওয়াটা ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যখন কোনও মানুষ ভোট দানে বিরত থাকে, তারা নিজেদের নীরব রাখে এবং তখন এই বার্তাই জানান দেয় যে, আমরা আত্মতুষ্টিতে আছি এবং তারা যেকোনো কিছুর সাথে পার পেয়ে যেতে পারে। ভোটের সময় ইদানিং এক ভয়ানক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বহু সংখক মানুষই ভোট দানে বিরত থাকছেন। এই ভোট না দিতে আসারও নানা কারণ থাকতে পারে, কেউ কেউ মনে করতে পারে ভোট কোনো ব্যাপার না, কেউ কেউ নিবন্ধিত নাও হতে পারে, কারো কাছে নির্বাচনে যাওয়ার পরিবহন নেই বা কেউ বা রাজনীতিতে আগ্রহী নন।এই সব বিষয়গুলি মাথায় রেখেই এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত মানুষদের বোঝাতে চেষ্টা করেন, কিভাবে নিবন্ধন করতে হবে ও তাদের ভোটের স্থান কোথায় অবস্থিত থাকতে পারে সে সম্পর্কে কিছু তথ্য আদানপ্রদান করেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে বিবাহিত মহিলাদের কর্মসংস্থান ও শারীরিক সুস্থতার কথা মাথায় রেখে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যেখানে প্রচুর মহিলারা যোগদান করেন। এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ছিল এবারের ভোট হোক শান্তিপূর্ণ।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

অভিনব অঙ্কনে বাল্যবিবাহ রোধে প্রচার সরকারি আধিকারিকের

বাল্যবিবাহ তৃতীয় বিশ্বের এক ভয়ানক ব্যাধি। এর কু-প্রভাব সুদুরপ্রসারী। সাধারণভাবে বাল্যবিবাহ হল অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই মানুষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে বা বিনা অনুষ্ঠানের বিবাহ। বর্তমান ভারতবর্ষে বিবাহের জন্য ছেলেদের আইনত বয়স হতে হবে ২১ বৎসর, এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮। ১৯৩০ এ বিবাহের জন্য নুন্যতম বয়স ছিল ছেলেদের ১৮ ও মেয়েদের ১৪। ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৪৯ এ মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়স বেড়ে হল ১৫। ১৯৭৮ এ এই নিয়ম আবার পরিবর্তন হয়ে বর্তমান নিয়ম লাঘু হয়।বাল্যবিবাহে ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের উপরই যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। তবে মেয়েরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিশেষত নিম্ন আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কারণে মেয়েদের বাল্য বয়সেই বিবাহ দেওয়ার প্রবণতা অনেক যায়গায় দেখা যায়। যে যে কারণে বাল্যবিবাহ হয় তাঁর মধ্যে অন্যতম, দারিদ্রতা, পণপ্রথা (যৌতুক), কিছু সামাজিক প্রথা, ধর্মীয় ও সামাজিক চাপ, অঞ্চলভিত্তিক রীতি, অবিবাহিত থাকার শঙ্কা, নিরক্ষরতা এবং মেয়েদের উপার্জনে অক্ষম ভাবা।স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, অল্প বয়সে মেয়েদের বিবাহ দিলে, তাঁরা স্বাভাবিক কারণেই অল্প বয়সেই সন্তান ধারণ করে। ওই বয়সে সন্তান প্রসব করানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেটা শিশু ও মা উভয়ের জন্যই। তাঁরা আরও জানান, স্বল্প বয়সে মা হওয়ার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বাচ্চা পুষ্টির অভাবে ভোগে। মায়েরও একই সমস্যা হতে পারে। এর ফলে খুব অল্প বয়সে বার্ধক্য নেমে আসে।২০১৯ এ এক কেন্দ্রীয় সমীক্ষায় দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে ২৪ থেকে ২৫ বছরের বয়সী মেয়েদের মধ্যে ৪১.৬০ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮-র কম বয়সে। কেন্দ্রীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য পরিষেবা মন্ত্রকের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গেছে কলকাতা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূমের মতো জেলায় উদ্বেগজনক ভাবে বাল্য বিবাহের হার বাড়ছে। এবং কন্যাশ্রীর মতো জনমুখী প্রকল্প সত্ত্বেও দেশে বাল্যবিবাহে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গই।বাল্যবিবাহের কুপ্রভাব নিয়ে সারা দেশ জুড়ে নানা ভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে। কোনও ক্ষেত্রে সরকারের তরফ থেকে, কোথাও বা সেচ্ছাসেবী সংস্থা দ্বারা, আবার ব্যক্তিগত উদ্যোগেও এর বিরুদ্ধে প্রচার চলছে। তেমনই এক অভিনব প্রচার সামাজিক মাধ্যমে সাড়া ফেলে দিয়েছে। পুর্ব-বর্ধমান জেলার বর্ধমান-১ ব্লকের অধিকর্তা অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। ছবিটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এগিয়ে যাও বড় হও বক্তব্যকে তুলে ধরে তিনি বলতে চেয়েছেন, স্বল্প বয়সে বিয়ে না করে একটি মেয়ের অনেক কিছুই করার আছে।তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই প্রয়াস সমন্ধে লিখেছেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক অপরাধ। যেকোনো মূল্যে বাল্যবিবাহ নির্মূল করতে হবে। বাল্য বিবাহের খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমার দ্বারা করা একটি খুব দ্রুত চিত্রকর্ম।অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর ছবির মাধ্যমে বলতে চেয়েছেন, মেয়েরা শুধুমাত্র সন্তান প্রসবের যন্ত্র নয়। একটা মেয়ে সে পাইলট হতে পারে, হতে পারে চিকিৎসক, একজন আইএএসও হতে পারে, হতে পারে শিক্ষক, জগৎ বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী হতে পারে, যোগদান করতে পারে পুলিস প্রশাসনে, বা পি ভি সিন্ধু, মিরাভাই চানু-র মত উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে ক্রীড়াক্ষেত্রে। তিনি এটাই হয়ত বলতে চেয়েছেন যে, বিবাহ ছাড়াও অনেক কিছুই করা যায় যা করলে সমাজ মনে রাখবে। অভিরূপ ভাট্টাচার্যের এই পোস্টারে কন্যাশ্রীর প্রকল্পের অবয়ব অঙ্কনের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকল্পকটিকে জাতিসংঘ সমাদর করে পুরস্কৃত করার পিছনে এক সুদুর প্রসারি ভাবনা আছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে দেশের মধ্যে সবচেয়ে তৎপর পশ্চিমবঙ্গ।বাল্য বিবাহের প্রবণতা থেকে দূরে রাখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুটি জনমুখী প্রকল্প বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়। হয়ে উঠেছে, প্রথমটি রুপশ্রী, এই প্রকল্পে একটি মেয়ে তাঁর বিবাহের সময় এককালীন মোটা টাকার অনুদান পায় সরকারের থেকে। এক্ষেত্রে মেয়ের বয়স অবশ্যই ১৮ উর্ধ হতে হবে। আরেকটি মেয়েদের পড়াশোনার সুবিধার্থে কন্যাশ্রী। দুটি প্রকল্পেরই মূল লক্ষ্য বাল্য বিবাহ রোধ। বিশেষজ্ঞদের ধারনা এই দুই প্রকল্পের সুবিধা পেতে মেয়েরা স্কুল ও কলেজ মুখী হয়ে উঠবে।

আগস্ট ১০, ২০২২
কলকাতা

থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় শহর জুড়ে বিভিন্ন রূপে সত্যজিতের চরিত্ররা

৮ মে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস। সারা বিশ্ব জুড়ে এই ব্যাধির বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচী নেওয়া হয়ে থাকে। পিছিয়ে থাকেনা আমাদের শহর কলকাতাও।শহরের এক অতি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনও সামিল হন এমনিতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞে। এমনিতেও সারা বছর ধরে এই সংগঠন বিভিন্ন ধরণের সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে।এবছর ৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে নানা কর্মসূচী। তবে সব থেকে চমক হল এবছরের সচেতনতার প্রচার পরিকল্পনায়। শহর জুড়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় নেমেছেন সত্যজিৎ রায়ের ছবির চরিত্রেরা। দেবীর শর্মিলা ঠাকুর, জলসাঘরের ছবি বিশ্বাস, মহানগরের মাধবী মুখোপাধ্যায়, গুপি গাইন বাঘা বাইন এর রবি-তপেশ, সোনার কেল্লার সৌমিত্র, আগন্তুকের উৎপল দত্ত আরো অনেকে। প্রচারে এই চরিত্রেরা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার নানা কথা বলছেন। ছবির থিম, কখনো ডায়ালগকে মাথায় রেখে বানানো হয়েছে নানা রকমের স্লোগান। ঠিক যেন এই চরিত্র গুলো আমাদের মতো রক্ত মাংসের মানুষ হয়ে পথে নেমেছে।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়া২ মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবার্ষিকী। সদ্য শতবার্ষিকী হয়েছে। তিনি শিশুদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। গল্প লেখা থেকে শুরু করে, ছবি বানানো, সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদনা, নানা রকম ইলাসট্রেশন করা। অথচ একটু অসচেতনতার জন্য সেই শিশুরাই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়। এ যেন সেই সব থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের পক্ষ থেকেই এই বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাকে স্মরণ। ক্যাপশন গুলো লিখেছেন তারাই।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়াসেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন এর সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য জানিয়েছেন, সত্যজিতের ছবি খুব পপুলার। চরিত্রগুলোও ভীষণ জনপ্রিয়।এই ধরনের চরিত্র গুলোকে যদি প্রচারের মাধ্যমে আনা যায় তাহলে লোকের চোখে বেশি করে পড়বে। সেক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর আমাদের যে লক্ষ সেটা সফল হবে। সত্যজিৎ বাবু তাঁর সৃষ্টিতে অমর। এখানে তাঁর সৃষ্টি সমাজে থ্যালাসেমিয়ার মতো একটা ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতার অংশ হয়ে উঠল এতে সামগ্রীক ভাবে প্রচারটা অনেক বেশি করে লোকের চোখে পড়লো। এছাড়া থাকছে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান জীবনদেবতা সম্মান, রক্তদান শিবির সহ নানা কর্মসূচী।

মে ০১, ২০২২
রাজ্য

Covid Awarness: করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তা

রাজ্যে প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। করোনার বাড়বাড়ন্তের পরও মানুষের হুঁশ ফেরেনি। এখনও যত্রতত্র মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে বহু মানুষকে। জমায়েত করতেও দেখা যাচ্ছে বাজারগুলোতে। এই পরিস্থিতিতে বর্ধমানের মেমারির ২৬৫ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক মাননীয় মধূসুদন ভট্টাচার্য করোনা সচেতনতায় এলাকার মানুষের স্বার্থে বার্তা দিলেন। নিজের বিধানসভাকেন্দ্রের মানুষকে কোভিড বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। মাস্ক পরার পাশাপাশি দূরত্ববিধি মেনে চলার আবেদন জানিয়েছেন বিধায়ক। সঙ্গে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতেই জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠএলাকার সমস্ত স্কুল-কলেজ-ক্লাবের শাখা নেতৃত্বদের কাছেও তিনি অনুরোধ করেন, এই কোভিডবিধি যাতে মেনে চলা হয় সেদিকে নজর রাখার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সাধারণের উদ্দেশ্যে যে করোনাবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছেন তা যেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয় সেকথাও বলেছেন তিনি। শুধুমাত্র সচেতনতা অবলম্বনের মাধ্যমেই করোনার বিরুদ্ধে জয়লাভ সম্ভব বলেও উল্লেখ করেছেন মাননীয় বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত বাহুবলীপ্রসঙ্গত, রাজ্যে এক লাফে কোভিড সংক্রমণ ২৪ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। নতুন সপ্তাহের প্রথম দিন দেশের কোভিড গ্রাফের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহতই। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭২৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৪৬ জনের। রবিবারের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ১২.৬ শতাংশ। পজিটিভিটি রেট ১৩.২৯ %। অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৬১৯।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Covid Awareness Memari: করোনা সচেতনতায় পথে মেমারি শহর তৃণমূল

ফের করোনা সংক্রমণে তটস্থ সাধারণ মানুষ। বাইরে বেড়িয়েও অনেকেই এখনও মাস্ক পড়ছেন না। করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না কেউ কেউ। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চলছে। মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন ঘোষাল সাধারণ মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে পথে নেমেছেন।আরও পড়ুনঃ পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভশুক্রবার মেমারির ১৬টি ওয়ার্ডে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েকজন দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন স্বপন ঘোষাল। তাঁরা মানুষকে মাস্ক পড়া নিয়ে সচেতন করেছেন। করোনা বিধি মেনে চলতে শহরের মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে বামুনপাড়া মোড়েও মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে শহর তৃণমূল কংগ্রেস।স্বপন ঘোষাল বলেন, করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়া থেকে আমরা মানুষের পাশে আছি। মেমারির বাসিন্দারা যে কোনও প্রয়োজনে আমাদের ডাকলেই কাছে পাবেন। আগেও তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে ছিল। এখনও মানুষের পাশে থাকবে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Ladakh on a Bicycle: কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি

দেশজুড়ে ফের বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের প্রভাব। নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন বহু মানুষ। মন্ত্রী থেকে শুরু করে আমলা ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা কেউই সংক্রমিত হওয়ার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। এমনকি পাল্লা দিয়ে মৃতের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। এত কিছুর পরেও চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে মাস্ক পরা ও বিধি নিষেধ মেনে চলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না দেশের একটা বড় সংখ্যক মানুষ। তাই আর ঘরে বসে না থেকে করোনা নিয়ে দেশবাসীকে সচেতন করতে মঙ্গলবার সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো পূর্ব বর্ধমানের কালনার কালনার কাঠিগঙ্গা ও মহাপ্রভুপাড়ার দুই যুবক প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস। এই যুবকদের একজন চালান অটো। আপরজন ইলেকট্রিকের কাজ করার পাশাপাশি ছোট মুদিখানা দোকান চালান। যুবকরা সামান্য ১০০-২০০ কিলোমিটার পথ ঘুরে সচেতনতা প্রচার চালাবে এমনটা নয়। করোনা নিয়ে সচেতনতা জাগাতে কালনার এই দুই যুবক জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখ পর্যন্ত যাবে সাইকেলে চড়ে। দুই যুবকের এই মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন কালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ ও সহ কালনার বিশিষ্ঠজন।মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ বলেন, করোনা মহামারীর কারণে ইতিমধ্যেই দেশে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তও হয়েছে বহু মানুষ। এখন ফের আবার উর্ধ্বমুখী হচ্ছে করোনা আক্রান্তের গ্রাফ। সংক্রমণ বৃদ্ধি রোখার জন্য রাজ্য প্রশাসনের তরফে নানা বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পলিশ কর্মীরা পথে বিধি মানানোর জন্য নজরদারি চালাচ্ছেন, সচেতনতার প্রচারও চালাচ্ছেন। তবুও অনেক মানুষজন বেপরোয়া মনোভাবদেখিয়ে বিধি মানছেন না।মাস্ক পড়ছেন না। এইসবের কারণে সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে দেশের মানুষজনকে করোনার সংক্রমণ নিয়ে সচেতন করতে কালনার দুই যুবক সাইকেলে চেপে লাদাখের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। যুবকদের এমন মহতি কর্মকাণ্ড নিশ্চিৎ ভাবেই প্রশংসার দাবি রাখে।কালনা শহরের ঐতিহ্যশালী স্থান সেখানকার ১০৮ শিবমন্দির। সেই শিবমন্দিরের সামনে গিয়ে সর্বশক্তিমান দেবতাকে প্রণাম জানিয়ে এদিন প্রণব ও সৌরভ সাইকেলে চেপে রওনা হয়। প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস জানিয়েছেন, তাঁরা করোনার ভয়বহতা সম্পর্কে মানুষজনকে সচেতন করার সংকল্প নিয়ে সাইকেল কালনা থেকে রওনা দিচ্ছে।বিহার, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি,পঞ্জাব হয়ে তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখে পৌঁছাবে। পথে সরকারি জায়গা অথবা অন্য কোনও স্থানে রাত্রিবাস করবেন। সেই কারণে সাইকেলে তাঁবুর পাশাপাশি সচেতনতা প্রচারের ব্যানারও সঙ্গে নিয়েছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে ও শরীর ঠিকঠাক থাকলে ২০-২৪ দিনের মাথায় তাঁরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবেন বলে আশা করছেন। আসা ও যাওয়া মিলে প্রায় পাঁচ হাজার পথ সাইকেল চালাতে হবে। প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস এও বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তা সত্বেও এখনও অনেক সচেতন নন। তাই সবাইকে করোনা অতিমারির ভয়াবহতা নিয়ে সচেতন করতেই তাঁরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে যুবকরা জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ, একদিনে গ্রেপ্তার ১৬৭ জন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করছে কলকাতাকে। করোনা রুখতে চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে শুরু হয়েছে পুলিশের প্রচার। মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ধরপাকড়ের উপর আরও গুরুত্ব দিল পুলিশ। বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাস্ক না পরার অভিযোগে ১৫০ জনের উপর পথচারীকে ধরা হয়। এর মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে হাতেনাতে ধরা পড়ে ১৫ জন। অন্যান্য বাজারেও মাস্ক না পরলেই তাকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, করোনা আক্রান্তর সংখ্যা কলকাতায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বহু পথচারী ও গাড়ি, বাস আরোহীর মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক নেই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরও। এবার সেদিকেও বিশেষ নজর পুলিশের। পুলিশের উপর ভোটের ডিউটির চাপ রয়েছেই। সেই সঙ্গে এবার করোনা রোখারও ব্যবস্থা নিল পুলিশ।গত বছর করোনার ঢেউ কলকাতায় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার সচেতনতার প্রচার শুরু করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু আক্রান্তর সংখ্যা কমতে থাকায় সেই প্রচারে ভাটা পড়ে। যদিও সংখ্যায় কম হলেও মাস্ক না পরার অভিযোগে চলছিল ধরপাকড়। গত মাস থেকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবার গত বছরের আদলেই প্রচার করতে শুরু করেছে পুলিশ।এদিকে, বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে করোনা বিরোধী সচেতনতার প্রচার শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি থানা। পুলিশের অভিযোগ, এই বছর এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই করোনা নিয়ে সচেতন নন। তাই বাজারগুলিতে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা, এমনকী, বিক্রেতাদের মুখেও নেই মাস্ক। পারস্পরিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না। এদিন নিউ মার্কেট অঞ্চলে মাস্ক না পরে নামতে দেখলেই ওই যাত্রীকে ধরেছে পুলিশ। একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, যাদবপুর, হাতিবাগানের মতো বাজারগুলিতেও। এ ছাড়াও ওই বাজারগুলিতে মাস্ক না পরে কেনাকাটা করার অভিযোগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন

পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের তরফ থেকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি নেওয়া হল। মঙ্গলবার এই সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন করে হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড। হাওড়ার ওল্ড এবং নিউ কমপ্লেক্সের সামনে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের এই নিয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি হাওড়া স্টেশন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক গার্ড এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধরনের কর্মসূচি আগামীদিনেও লাগাতার চলবে। আরও পড়ুন ঃ আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড সূত্রের খবর, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর প্রচার উপলক্ষ্যে মাস্ক বিলি এবং গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এদিন হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স ও নিউ কমপ্লেক্সের সামনে যেসব কুলিরা ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তাদের ঠেলায় রিফ্লেক্টর টেপ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে আসা বেশ কিছু প্রাইভেট গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফএর বড় রিফ্লেক্টর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এই রিফ্লেক্টর স্টিকারে রাতে আলো পড়লে উজ্জ্বল দেখাবে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই প্রচার কর্মসূচি চলবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
বিবিধ

ইটভাটার শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন শান্তনু

আজ রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পোলিও টিকা খাওয়ানোর দিন। এদিন বলাগড়ের বিভিন্ন ইটভাটায় ঘুরে নিজে হাতে শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন হুগলি জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। শিশুদের মধ্যে লজেন্স, চকোলেটও বিলি করলেন। সেইসঙ্গে শিশু ও তাদের অভিভাবকদের করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে সুরক্ষিত ও সতর্ক থাকতে হবে সে ব্যাপারগুলি সহজবোধ্যভাবে বুঝিয়েও দিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরাও।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশের ঘেরাটোপে হাফপ্যান্ট পরে ফলতার রাস্তায় জাহাঙ্গির, বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ

ফলতার রাজনীতিতে একসময় যাঁর দাপট ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, সেই জাহাঙ্গির খান এখন পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যে। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে হাফপ্যান্ট পরিয়ে ফলতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও অতীতে অন্যান্য অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে যেমন কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছিল, এ ক্ষেত্রে সেই ছবি দেখা যায়নি। তবুও পুলিশের সদস্যরা তাঁকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে জনতার কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।তদন্তকারীরা প্রথমে জাহাঙ্গিরকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নথি ও অন্যান্য সম্ভাব্য প্রমাণের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার সূত্র খুঁজে বের করতেই এই পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তাঁর উপস্থিতিতে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারি নিজেই ছিল নাটকীয়। গত ৮ জুন নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর এসটিএফ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে এবং পরে কলকাতায় নিয়ে আসে।ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের সময় থেকেই জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। ২১ মে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনি হঠাৎ নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেছিলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের ব্যালট বা ইভিএমে তাঁর নাম ও দলীয় প্রতীক বহাল ছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৭,৭৮৩টি ভোটও পান।নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তল্লাশি অভিযান, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এবং ঝুকেগা নেহি মন্তব্যসব মিলিয়ে জাহাঙ্গিরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বেড়েছিল। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর সেই বিতর্ক আরও নতুন মাত্রা পেয়েছে।এদিকে অভিযুক্তদের এলাকায় ঘোরানো নিয়ে রাজ্য জুড়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবও এই ঘটনায় পড়েছে। এর আগে একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে জনসমক্ষে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, আইন অনুযায়ী পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর সামাজিক সম্মানহানি করার অধিকার তাদের নেই।সেই প্রেক্ষাপটে জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে পুলিশের এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাপুনর্নির্মাণ নাকি জনসমক্ষে বার্তা দেওয়ার চেষ্টাতা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে ভবানীভবনে অভিষেক! সিআইডির সামনে কী বললেন তৃণমূল নেতা?

কলকাতা হাই কোর্টের কাছ থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও সিআইডির হাজিরা এড়াতে পারলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ভবানীভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। নির্ধারিত সময়ের আগেই সিআইডি দফতরে পৌঁছে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।বিকেল সাড়ে চারটার কিছু আগে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে তিনি কালীঘাটে নিজের বাড়িতে যান। সেখানে অল্প সময় অবস্থান করার পর সোজা ভবানীভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিট নাগাদ সিআইডি দফতরে পৌঁছন তিনি।সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীরা যে প্রশ্ন করবেন, তার উত্তর তাঁকে নিজের হাতেই লিখে দিতে হতে পারে। পরে সেই বয়ানে স্বাক্ষরও করতে হতে পারে। তদন্তের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের মতে, ভবিষ্যতে বয়ান নিয়ে কোনও বিতর্ক বা অভিযোগ এড়াতেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে এই মামলার তদন্তে সিআইডি একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরাকে ঘিরে দিনভর ভবানীভবনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মূল প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে দফতরের চারপাশে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। নিরাপত্তার স্বার্থে একাধিক স্তরে নজরদারি চালানো হয়।মূল গেটের পাশাপাশি অন্যান্য প্রবেশপথেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন ছিল বিশেষ বাহিনী এবং অতিরিক্ত পুলিশ। ভবানীভবনের আশপাশে কোনও ধরনের জমায়েত যাতে না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হয়।এখন নজর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে। সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান থেকে নতুন কোনও তথ্য বা সূত্র সামনে আসে কি না, তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

একের পর এক মামলা, বাড়ছে চাপ! অভিষেককে ঘিরে সিআইডির বড় পদক্ষেপ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বস্তি আরও বাড়ল। ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার এবার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতদিন এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ। তবে সম্প্রতি তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার সমস্ত নথি, তথ্যপ্রমাণ, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সংশ্লিষ্ট লিঙ্ক ইতিমধ্যেই সিআইডির তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে তদন্তে নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই বক্তব্যকে ঘিরেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল এবং এখন সেই তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি।অন্যদিকে, বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপের মুখে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ভবানীভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন অভিষেক। এর মধ্যেই একদিকে আদালতের নির্দেশ মেনে হাজিরার প্রস্তুতি, অন্যদিকে নতুন মামলায় সিআইডির সক্রিয়তা সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি এবং কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগে তিনবার সিআইডির তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে কোনওভাবেই অসহযোগিতা করা যাবে না। ফলে আগামী কয়েক দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হকার উচ্ছেদে বড় ব্রেক! হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত বন্ধ অভিযান

রেলের জমিতে বেআইনি দখলদার ও হকার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন হকাররা। যাদবপুরে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে ওই সময় পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছে।গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি দখলদার এবং হকার উচ্ছেদের অভিযান চালাচ্ছিল রেল কর্তৃপক্ষ। শিয়ালদহ, হাওড়া, দমদম-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও রেল পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।রবিবার গভীর রাতে যাদবপুরে রেলের জমিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ নির্মাণ এবং হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত হকারদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হন।বুধবার হকারদের পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আনার আবেদন জানান। সেই আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য মামলা দায়েরের অনুমতি দেন এবং ১৭ জুন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযানের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন।আদালত আরও জানিয়েছে, হাওড়া, কোন্নগর, ডানকুনি-সহ বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত যে মামলাগুলি দায়ের হয়েছে, সেগুলির শুনানি একসঙ্গে করা হবে। এর ফলে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলা একাধিক মামলার নিষ্পত্তি একই প্রক্রিয়ায় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আগামী ১৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই দিন আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর হকার, রেল কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১১, ২০২৬
দেশ

নিখোঁজ নয়, মৃত্যু! ওমানের উপকূলে হামলায় প্রাণ গেল তিন ভারতীয় নাবিকের

ওমানের উপকূলে তেলের জাহাজে হামলার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয় নাবিকের (Indian Sailors)। প্রথমে তাঁদের নিখোঁজ বলে মনে করা হলেও পরে তাঁদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহত নাবিকদের পরিবারে।জানা গিয়েছে, পালাউয়ের পতাকাবাহী একটি তেলের ট্যাঙ্কার ওমানের উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার মুখে পড়ে। জাহাজটিতে মোট আটাশ জন নাবিক ছিলেন (Indian Sailors)। তাঁদের মধ্যে চব্বিশ জন ছিলেন ভারতীয়। এছাড়াও পাকিস্তান, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার নাগরিকও ছিলেন জাহাজে।হামলার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তিন ভারতীয় নাবিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী জানান, নিখোঁজ তিন নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের দেহ ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে (Indian Sailors)।নিহত নাবিকদের মধ্যে রয়েছেন ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবনন্দ চৌরাশিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পি সুরেশ। তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং সব ধরনের সহায়তা করা হবে (Indian Sailors)।সর্বানন্দ সোনওয়াল আরও জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দেহগুলি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে পরিবারের সদস্যরা শেষকৃত্যের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।এই হামলার ঘটনায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র উদ্বেগ এবং নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটল এবং এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও আলোচনা শুরু হয়েছে।সমুদ্রপথে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনার পর। নিহত তিন নাবিকের মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ তাঁদের পরিবার, সহকর্মী এবং গোটা দেশ।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

জল্পনা সত্যি! রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, নতুন চর্চা রাজনৈতিক মহলে

দিন কয়েক ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি করে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। বৃহস্পতিবার তাঁর ইস্তফার খবর সামনে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।এর আগে একাধিক সাংসদ নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই তালিকায় এবার যোগ হল কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) নাম। তাঁর পদত্যাগের ফলে রাজ্যসভায় দলের সাংসদ সংখ্যা আরও কমে গেল বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি।রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলের অন্দরে নানা পরিবর্তন এবং মতভেদের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। লোকসভা, বিধানসভা এবং রাজ্যসভা সব ক্ষেত্রেই এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে (Koel Mallick)।রাজ্যসভার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এখানে সরাসরি বড় ধরনের ভাঙনের বদলে একের পর এক সাংসদের পদত্যাগের ঘটনা সামনে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন সদস্য ইস্তফা দেওয়ার পর কোয়েল মল্লিকের সিদ্ধান্ত সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরের শুরুতে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল মল্লিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে তিনি সাংসদ হিসেবে শপথও নেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, মানুষের সেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে বড় দায়িত্ব।তবে কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যদিও ইস্তফার কারণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।কোয়েল মল্লিকের এই সিদ্ধান্তের পর আগামী দিনে রাজ্যসভার সমীকরণ কোন দিকে যায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘ওর জন্য দলের সর্বনাশ’! নাম না করে অভিষেককে তীব্র আক্রমণ কল্যাণের

তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেতা এবং প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বহু বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালতে সওয়াল করেছেন তিনি। কিন্তু এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তাঁর একাধিক মন্তব্যে দলের অন্দরের অস্বস্তি প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) জানিয়েছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, তিনি চেম্বারে বসে থাকার সময় অন্য এক আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে একটি নতুন আবেদন দায়ের করা হয়েছে। অথচ বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। এই ঘটনায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এরপর আর মামলাটি লড়বেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন।তিনি আরও দাবি করেন, পরে তাঁকে জানানো হয় যে মামলায় অন্য একজন আইনজীবী সওয়াল করবেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং দলের হয়ে লড়াই করার পরও তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া কঠিন।রাজ্যের নানা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারিতে দেখা গিয়েছে। বিরোধী আমল থেকে শুরু করে ক্ষমতায় থাকার সময়েও তৃণমূলের হয়ে একাধিক আলোচিত মামলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই কারণেই তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কল্যাণ বলেন, দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের ভিতরে কিছু সিদ্ধান্ত এবং আচরণই বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করেছে।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর সমর্থন আগের মতোই রয়েছে। তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর মন্তব্যের পর তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রবীণ এই নেতার বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, দলের ভিতরের বৃহত্তর অসন্তোষেরও ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর এখন নজর তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার দিকে। কারণ তাঁর বক্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! আজই সিআইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ অভিষেককে

সই জাল মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ নির্দেশ দেন, অভিষেককে এদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সিআইডির সদর দফতর ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।উল্লেখ্য, এর আগে সিআইডির তিনটি তলব এড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, তদন্ত প্রক্রিয়াকে আর বিলম্বিত করা যাবে না। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নিতে পারবে।তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) জন্য সাময়িক স্বস্তির খবরও রয়েছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৪ দিনের জন্য রক্ষাকবচ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে সেই সুরক্ষার শর্ত হিসেবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুনানির সময় সিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই মামলায় অভিযোগ সাধারণ কোনও সূত্র থেকে আসেনি। সংশ্লিষ্ট বিধায়করাই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তে ইতিমধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলেও আদালতে জানানো হয়। তাই এই পর্যায়ে কোনও বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয় বলে সওয়াল করেন তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী (Abhishek Banerjee)।অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল হাজিরা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে কলকাতার বাইরে থাকায় কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, প্রয়োজন হলে পরদিনও হাজিরা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে হলে আজই হাজিরা দিতে হবে।বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যেহেতু অভিষেক নিজেই তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাই তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। সেই কারণেই একদিকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তদন্তে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।এদিকে এই মামলার আইনি লড়াই নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে মামলায় অভিষেকের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পরে তিনি সরে দাঁড়ান। এরপর বৃহস্পতিবার আদালতে অভিষেকের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর এখন নজর ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা এবং তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে।

জুন ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal