• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Awareness

দেশ

রেলে লাগাতার দূর্ঘটনা, সতর্ক থাকতে নির্দেশ সব মহলকে

কোনও জায়গায় রেললাইনে রাখা সিলিন্ডার, কোথাও ৭০ কেজির সিমেন্টের চাঁই ! কোথাও পরপর মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা তো কোথাও যাত্রীবাহী ট্রেনের বরাত জোরে রক্ষা। বিগত কয়েক মাসে এই ধরনের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তার জেরেই সাধারণ মানুষ এখন কার্যত ট্রেনে উঠতেই ভয় পাচ্ছেন। রেল অবশ্য আগেই দাবি করেছিল যে, এইসব ঘটনায় কোনও নাশকতা নেই। তাও বিষয়গুলি একদমই হালকাভাবে নিচ্ছে না রেল। সেই মতো এবার পদক্ষেপও নেওয়া হল।দেশের সব রাজ্যের সরকার, পুলিশের ডিজি এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র সঙ্গে কাজ শুরু করেছে ভারতীয় রেল।কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মঙ্গলবার জানিয়েছেন, যারা ধারাবাহিকভাবে রেল ট্র্যাকে নানা বস্তু ফেলে দিয়ে দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে তারা কোনও ভাবেই ছাড় পাবে না। এদের ধরতে কাজ শুরু হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত ফল পাওয়া যাবে। তাঁর কথায়, পরপর কিছু ঘটনা গোটা রেল পরিবারকে চিন্তিত করে তুলেছে। কিন্তু সকলেই সতর্ক হয়ে আছেন। খুব তাড়াতাড়ি দোষীদের ধরা হবে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

'নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের উদ্যোগে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প ও খেলাধুলা'

দক্ষিণ কলকাতার গড়ফা বয়েজ ক্লাবের সহযোগিতায় আনন্দপুর খেলার মাঠে ২৮ এ ফেব্রুয়ারী বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের আয়োজনে ভোটার আওয়ার্নেস ক্যাম্প র আয়োজন করা হয়। ভোট কি? ভোটার গুরুত্ব, ভোট না দিলে কি হতে পারে, মূলত এই সমস্ত বিষয় নিয়েই এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিভিন্ন স্তরের বক্তার বক্তব্য থেকে এটাই উঠে আসে যে, ভোট আমাদের একটি মৌলিক অধিকার হওয়ার পাশাপাশি আমাদের গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভোট দেওয়াটা ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যখন কোনও মানুষ ভোট দানে বিরত থাকে, তারা নিজেদের নীরব রাখে এবং তখন এই বার্তাই জানান দেয় যে, আমরা আত্মতুষ্টিতে আছি এবং তারা যেকোনো কিছুর সাথে পার পেয়ে যেতে পারে। ভোটের সময় ইদানিং এক ভয়ানক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বহু সংখক মানুষই ভোট দানে বিরত থাকছেন। এই ভোট না দিতে আসারও নানা কারণ থাকতে পারে, কেউ কেউ মনে করতে পারে ভোট কোনো ব্যাপার না, কেউ কেউ নিবন্ধিত নাও হতে পারে, কারো কাছে নির্বাচনে যাওয়ার পরিবহন নেই বা কেউ বা রাজনীতিতে আগ্রহী নন।এই সব বিষয়গুলি মাথায় রেখেই এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। নেহেরু যুব কেন্দ্র সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা উপস্থিত মানুষদের বোঝাতে চেষ্টা করেন, কিভাবে নিবন্ধন করতে হবে ও তাদের ভোটের স্থান কোথায় অবস্থিত থাকতে পারে সে সম্পর্কে কিছু তথ্য আদানপ্রদান করেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে বিবাহিত মহিলাদের কর্মসংস্থান ও শারীরিক সুস্থতার কথা মাথায় রেখে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় যেখানে প্রচুর মহিলারা যোগদান করেন। এই অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ছিল এবারের ভোট হোক শান্তিপূর্ণ।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

অভিনব অঙ্কনে বাল্যবিবাহ রোধে প্রচার সরকারি আধিকারিকের

বাল্যবিবাহ তৃতীয় বিশ্বের এক ভয়ানক ব্যাধি। এর কু-প্রভাব সুদুরপ্রসারী। সাধারণভাবে বাল্যবিবাহ হল অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই মানুষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে বা বিনা অনুষ্ঠানের বিবাহ। বর্তমান ভারতবর্ষে বিবাহের জন্য ছেলেদের আইনত বয়স হতে হবে ২১ বৎসর, এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮। ১৯৩০ এ বিবাহের জন্য নুন্যতম বয়স ছিল ছেলেদের ১৮ ও মেয়েদের ১৪। ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৪৯ এ মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়স বেড়ে হল ১৫। ১৯৭৮ এ এই নিয়ম আবার পরিবর্তন হয়ে বর্তমান নিয়ম লাঘু হয়।বাল্যবিবাহে ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের উপরই যথেষ্ট প্রভাব পড়ে। তবে মেয়েরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিশেষত নিম্ন আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কারণে মেয়েদের বাল্য বয়সেই বিবাহ দেওয়ার প্রবণতা অনেক যায়গায় দেখা যায়। যে যে কারণে বাল্যবিবাহ হয় তাঁর মধ্যে অন্যতম, দারিদ্রতা, পণপ্রথা (যৌতুক), কিছু সামাজিক প্রথা, ধর্মীয় ও সামাজিক চাপ, অঞ্চলভিত্তিক রীতি, অবিবাহিত থাকার শঙ্কা, নিরক্ষরতা এবং মেয়েদের উপার্জনে অক্ষম ভাবা।স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, অল্প বয়সে মেয়েদের বিবাহ দিলে, তাঁরা স্বাভাবিক কারণেই অল্প বয়সেই সন্তান ধারণ করে। ওই বয়সে সন্তান প্রসব করানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেটা শিশু ও মা উভয়ের জন্যই। তাঁরা আরও জানান, স্বল্প বয়সে মা হওয়ার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বাচ্চা পুষ্টির অভাবে ভোগে। মায়েরও একই সমস্যা হতে পারে। এর ফলে খুব অল্প বয়সে বার্ধক্য নেমে আসে।২০১৯ এ এক কেন্দ্রীয় সমীক্ষায় দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে ২৪ থেকে ২৫ বছরের বয়সী মেয়েদের মধ্যে ৪১.৬০ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮-র কম বয়সে। কেন্দ্রীয় পরিবার ও স্বাস্থ্য পরিষেবা মন্ত্রকের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গেছে কলকাতা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূমের মতো জেলায় উদ্বেগজনক ভাবে বাল্য বিবাহের হার বাড়ছে। এবং কন্যাশ্রীর মতো জনমুখী প্রকল্প সত্ত্বেও দেশে বাল্যবিবাহে এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গই।বাল্যবিবাহের কুপ্রভাব নিয়ে সারা দেশ জুড়ে নানা ভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে। কোনও ক্ষেত্রে সরকারের তরফ থেকে, কোথাও বা সেচ্ছাসেবী সংস্থা দ্বারা, আবার ব্যক্তিগত উদ্যোগেও এর বিরুদ্ধে প্রচার চলছে। তেমনই এক অভিনব প্রচার সামাজিক মাধ্যমে সাড়া ফেলে দিয়েছে। পুর্ব-বর্ধমান জেলার বর্ধমান-১ ব্লকের অধিকর্তা অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। ছবিটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এগিয়ে যাও বড় হও বক্তব্যকে তুলে ধরে তিনি বলতে চেয়েছেন, স্বল্প বয়সে বিয়ে না করে একটি মেয়ের অনেক কিছুই করার আছে।তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই প্রয়াস সমন্ধে লিখেছেন, বাল্যবিবাহ একটি সামাজিক অপরাধ। যেকোনো মূল্যে বাল্যবিবাহ নির্মূল করতে হবে। বাল্য বিবাহের খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমার দ্বারা করা একটি খুব দ্রুত চিত্রকর্ম।অভিরূপ ভট্টাচার্য তাঁর ছবির মাধ্যমে বলতে চেয়েছেন, মেয়েরা শুধুমাত্র সন্তান প্রসবের যন্ত্র নয়। একটা মেয়ে সে পাইলট হতে পারে, হতে পারে চিকিৎসক, একজন আইএএসও হতে পারে, হতে পারে শিক্ষক, জগৎ বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী হতে পারে, যোগদান করতে পারে পুলিস প্রশাসনে, বা পি ভি সিন্ধু, মিরাভাই চানু-র মত উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে ক্রীড়াক্ষেত্রে। তিনি এটাই হয়ত বলতে চেয়েছেন যে, বিবাহ ছাড়াও অনেক কিছুই করা যায় যা করলে সমাজ মনে রাখবে। অভিরূপ ভাট্টাচার্যের এই পোস্টারে কন্যাশ্রীর প্রকল্পের অবয়ব অঙ্কনের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, প্রকল্পকটিকে জাতিসংঘ সমাদর করে পুরস্কৃত করার পিছনে এক সুদুর প্রসারি ভাবনা আছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে দেশের মধ্যে সবচেয়ে তৎপর পশ্চিমবঙ্গ।বাল্য বিবাহের প্রবণতা থেকে দূরে রাখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুটি জনমুখী প্রকল্প বর্তমানে খুবই জনপ্রিয়। হয়ে উঠেছে, প্রথমটি রুপশ্রী, এই প্রকল্পে একটি মেয়ে তাঁর বিবাহের সময় এককালীন মোটা টাকার অনুদান পায় সরকারের থেকে। এক্ষেত্রে মেয়ের বয়স অবশ্যই ১৮ উর্ধ হতে হবে। আরেকটি মেয়েদের পড়াশোনার সুবিধার্থে কন্যাশ্রী। দুটি প্রকল্পেরই মূল লক্ষ্য বাল্য বিবাহ রোধ। বিশেষজ্ঞদের ধারনা এই দুই প্রকল্পের সুবিধা পেতে মেয়েরা স্কুল ও কলেজ মুখী হয়ে উঠবে।

আগস্ট ১০, ২০২২
কলকাতা

থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় শহর জুড়ে বিভিন্ন রূপে সত্যজিতের চরিত্ররা

৮ মে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস। সারা বিশ্ব জুড়ে এই ব্যাধির বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচী নেওয়া হয়ে থাকে। পিছিয়ে থাকেনা আমাদের শহর কলকাতাও।শহরের এক অতি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনও সামিল হন এমনিতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞে। এমনিতেও সারা বছর ধরে এই সংগঠন বিভিন্ন ধরণের সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে।এবছর ৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে নানা কর্মসূচী। তবে সব থেকে চমক হল এবছরের সচেতনতার প্রচার পরিকল্পনায়। শহর জুড়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় নেমেছেন সত্যজিৎ রায়ের ছবির চরিত্রেরা। দেবীর শর্মিলা ঠাকুর, জলসাঘরের ছবি বিশ্বাস, মহানগরের মাধবী মুখোপাধ্যায়, গুপি গাইন বাঘা বাইন এর রবি-তপেশ, সোনার কেল্লার সৌমিত্র, আগন্তুকের উৎপল দত্ত আরো অনেকে। প্রচারে এই চরিত্রেরা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার নানা কথা বলছেন। ছবির থিম, কখনো ডায়ালগকে মাথায় রেখে বানানো হয়েছে নানা রকমের স্লোগান। ঠিক যেন এই চরিত্র গুলো আমাদের মতো রক্ত মাংসের মানুষ হয়ে পথে নেমেছে।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়া২ মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবার্ষিকী। সদ্য শতবার্ষিকী হয়েছে। তিনি শিশুদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। গল্প লেখা থেকে শুরু করে, ছবি বানানো, সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদনা, নানা রকম ইলাসট্রেশন করা। অথচ একটু অসচেতনতার জন্য সেই শিশুরাই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়। এ যেন সেই সব থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের পক্ষ থেকেই এই বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাকে স্মরণ। ক্যাপশন গুলো লিখেছেন তারাই।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়াসেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন এর সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য জানিয়েছেন, সত্যজিতের ছবি খুব পপুলার। চরিত্রগুলোও ভীষণ জনপ্রিয়।এই ধরনের চরিত্র গুলোকে যদি প্রচারের মাধ্যমে আনা যায় তাহলে লোকের চোখে বেশি করে পড়বে। সেক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর আমাদের যে লক্ষ সেটা সফল হবে। সত্যজিৎ বাবু তাঁর সৃষ্টিতে অমর। এখানে তাঁর সৃষ্টি সমাজে থ্যালাসেমিয়ার মতো একটা ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতার অংশ হয়ে উঠল এতে সামগ্রীক ভাবে প্রচারটা অনেক বেশি করে লোকের চোখে পড়লো। এছাড়া থাকছে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান জীবনদেবতা সম্মান, রক্তদান শিবির সহ নানা কর্মসূচী।

মে ০১, ২০২২
রাজ্য

Covid Awarness: করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তা

রাজ্যে প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। করোনার বাড়বাড়ন্তের পরও মানুষের হুঁশ ফেরেনি। এখনও যত্রতত্র মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে বহু মানুষকে। জমায়েত করতেও দেখা যাচ্ছে বাজারগুলোতে। এই পরিস্থিতিতে বর্ধমানের মেমারির ২৬৫ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক মাননীয় মধূসুদন ভট্টাচার্য করোনা সচেতনতায় এলাকার মানুষের স্বার্থে বার্তা দিলেন। নিজের বিধানসভাকেন্দ্রের মানুষকে কোভিড বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। মাস্ক পরার পাশাপাশি দূরত্ববিধি মেনে চলার আবেদন জানিয়েছেন বিধায়ক। সঙ্গে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতেই জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠএলাকার সমস্ত স্কুল-কলেজ-ক্লাবের শাখা নেতৃত্বদের কাছেও তিনি অনুরোধ করেন, এই কোভিডবিধি যাতে মেনে চলা হয় সেদিকে নজর রাখার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সাধারণের উদ্দেশ্যে যে করোনাবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছেন তা যেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয় সেকথাও বলেছেন তিনি। শুধুমাত্র সচেতনতা অবলম্বনের মাধ্যমেই করোনার বিরুদ্ধে জয়লাভ সম্ভব বলেও উল্লেখ করেছেন মাননীয় বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত বাহুবলীপ্রসঙ্গত, রাজ্যে এক লাফে কোভিড সংক্রমণ ২৪ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। নতুন সপ্তাহের প্রথম দিন দেশের কোভিড গ্রাফের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহতই। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭২৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৪৬ জনের। রবিবারের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ১২.৬ শতাংশ। পজিটিভিটি রেট ১৩.২৯ %। অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৬১৯।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Covid Awareness Memari: করোনা সচেতনতায় পথে মেমারি শহর তৃণমূল

ফের করোনা সংক্রমণে তটস্থ সাধারণ মানুষ। বাইরে বেড়িয়েও অনেকেই এখনও মাস্ক পড়ছেন না। করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না কেউ কেউ। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চলছে। মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন ঘোষাল সাধারণ মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে পথে নেমেছেন।আরও পড়ুনঃ পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভশুক্রবার মেমারির ১৬টি ওয়ার্ডে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েকজন দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন স্বপন ঘোষাল। তাঁরা মানুষকে মাস্ক পড়া নিয়ে সচেতন করেছেন। করোনা বিধি মেনে চলতে শহরের মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে বামুনপাড়া মোড়েও মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে শহর তৃণমূল কংগ্রেস।স্বপন ঘোষাল বলেন, করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়া থেকে আমরা মানুষের পাশে আছি। মেমারির বাসিন্দারা যে কোনও প্রয়োজনে আমাদের ডাকলেই কাছে পাবেন। আগেও তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে ছিল। এখনও মানুষের পাশে থাকবে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Ladakh on a Bicycle: কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি

দেশজুড়ে ফের বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণের প্রভাব। নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন বহু মানুষ। মন্ত্রী থেকে শুরু করে আমলা ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা কেউই সংক্রমিত হওয়ার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। এমনকি পাল্লা দিয়ে মৃতের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। এত কিছুর পরেও চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে মাস্ক পরা ও বিধি নিষেধ মেনে চলার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না দেশের একটা বড় সংখ্যক মানুষ। তাই আর ঘরে বসে না থেকে করোনা নিয়ে দেশবাসীকে সচেতন করতে মঙ্গলবার সাইকেলে চড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো পূর্ব বর্ধমানের কালনার কালনার কাঠিগঙ্গা ও মহাপ্রভুপাড়ার দুই যুবক প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস। এই যুবকদের একজন চালান অটো। আপরজন ইলেকট্রিকের কাজ করার পাশাপাশি ছোট মুদিখানা দোকান চালান। যুবকরা সামান্য ১০০-২০০ কিলোমিটার পথ ঘুরে সচেতনতা প্রচার চালাবে এমনটা নয়। করোনা নিয়ে সচেতনতা জাগাতে কালনার এই দুই যুবক জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখ পর্যন্ত যাবে সাইকেলে চড়ে। দুই যুবকের এই মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন কালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ ও সহ কালনার বিশিষ্ঠজন।মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ বলেন, করোনা মহামারীর কারণে ইতিমধ্যেই দেশে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তও হয়েছে বহু মানুষ। এখন ফের আবার উর্ধ্বমুখী হচ্ছে করোনা আক্রান্তের গ্রাফ। সংক্রমণ বৃদ্ধি রোখার জন্য রাজ্য প্রশাসনের তরফে নানা বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পলিশ কর্মীরা পথে বিধি মানানোর জন্য নজরদারি চালাচ্ছেন, সচেতনতার প্রচারও চালাচ্ছেন। তবুও অনেক মানুষজন বেপরোয়া মনোভাবদেখিয়ে বিধি মানছেন না।মাস্ক পড়ছেন না। এইসবের কারণে সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে দেশের মানুষজনকে করোনার সংক্রমণ নিয়ে সচেতন করতে কালনার দুই যুবক সাইকেলে চেপে লাদাখের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। যুবকদের এমন মহতি কর্মকাণ্ড নিশ্চিৎ ভাবেই প্রশংসার দাবি রাখে।কালনা শহরের ঐতিহ্যশালী স্থান সেখানকার ১০৮ শিবমন্দির। সেই শিবমন্দিরের সামনে গিয়ে সর্বশক্তিমান দেবতাকে প্রণাম জানিয়ে এদিন প্রণব ও সৌরভ সাইকেলে চেপে রওনা হয়। প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস জানিয়েছেন, তাঁরা করোনার ভয়বহতা সম্পর্কে মানুষজনকে সচেতন করার সংকল্প নিয়ে সাইকেল কালনা থেকে রওনা দিচ্ছে।বিহার, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি,পঞ্জাব হয়ে তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখে পৌঁছাবে। পথে সরকারি জায়গা অথবা অন্য কোনও স্থানে রাত্রিবাস করবেন। সেই কারণে সাইকেলে তাঁবুর পাশাপাশি সচেতনতা প্রচারের ব্যানারও সঙ্গে নিয়েছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে ও শরীর ঠিকঠাক থাকলে ২০-২৪ দিনের মাথায় তাঁরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবেন বলে আশা করছেন। আসা ও যাওয়া মিলে প্রায় পাঁচ হাজার পথ সাইকেল চালাতে হবে। প্রণব সাহা ও সৌরভ দাস এও বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তা সত্বেও এখনও অনেক সচেতন নন। তাই সবাইকে করোনা অতিমারির ভয়াবহতা নিয়ে সচেতন করতেই তাঁরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে যুবকরা জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ, একদিনে গ্রেপ্তার ১৬৭ জন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করছে কলকাতাকে। করোনা রুখতে চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে শুরু হয়েছে পুলিশের প্রচার। মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ধরপাকড়ের উপর আরও গুরুত্ব দিল পুলিশ। বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাস্ক না পরার অভিযোগে ১৫০ জনের উপর পথচারীকে ধরা হয়। এর মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে হাতেনাতে ধরা পড়ে ১৫ জন। অন্যান্য বাজারেও মাস্ক না পরলেই তাকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, করোনা আক্রান্তর সংখ্যা কলকাতায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বহু পথচারী ও গাড়ি, বাস আরোহীর মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক নেই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরও। এবার সেদিকেও বিশেষ নজর পুলিশের। পুলিশের উপর ভোটের ডিউটির চাপ রয়েছেই। সেই সঙ্গে এবার করোনা রোখারও ব্যবস্থা নিল পুলিশ।গত বছর করোনার ঢেউ কলকাতায় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার সচেতনতার প্রচার শুরু করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু আক্রান্তর সংখ্যা কমতে থাকায় সেই প্রচারে ভাটা পড়ে। যদিও সংখ্যায় কম হলেও মাস্ক না পরার অভিযোগে চলছিল ধরপাকড়। গত মাস থেকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবার গত বছরের আদলেই প্রচার করতে শুরু করেছে পুলিশ।এদিকে, বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে করোনা বিরোধী সচেতনতার প্রচার শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি থানা। পুলিশের অভিযোগ, এই বছর এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই করোনা নিয়ে সচেতন নন। তাই বাজারগুলিতে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা, এমনকী, বিক্রেতাদের মুখেও নেই মাস্ক। পারস্পরিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না। এদিন নিউ মার্কেট অঞ্চলে মাস্ক না পরে নামতে দেখলেই ওই যাত্রীকে ধরেছে পুলিশ। একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, যাদবপুর, হাতিবাগানের মতো বাজারগুলিতেও। এ ছাড়াও ওই বাজারগুলিতে মাস্ক না পরে কেনাকাটা করার অভিযোগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

পথ দুর্ঘটনা কমাতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন

পথ দুর্ঘটনা কমানোর জন্য হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের তরফ থেকে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি নেওয়া হল। মঙ্গলবার এই সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি পালন করে হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড। হাওড়ার ওল্ড এবং নিউ কমপ্লেক্সের সামনে পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ যাত্রী এবং গাড়ি চালকদের এই নিয়ে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি হাওড়া স্টেশন এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে দেওয়া হয় মাস্ক ও স্যানিটাইজার। হাওড়া সিটি পুলিশ ট্রাফিক গার্ড এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই ধরনের কর্মসূচি আগামীদিনেও লাগাতার চলবে। আরও পড়ুন ঃ আমি আমি হল সর্বনাশের মূল : শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ড সূত্রের খবর, সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর প্রচার উপলক্ষ্যে মাস্ক বিলি এবং গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ এর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এদিন হাওড়া রেল স্টেশন ট্রাফিক গার্ডের তরফ থেকে হাওড়া স্টেশনের ওল্ড কমপ্লেক্স ও নিউ কমপ্লেক্সের সামনে যেসব কুলিরা ঠেলাগাড়ি ব্যবহার করে তাদের ঠেলায় রিফ্লেক্টর টেপ লাগানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে আসা বেশ কিছু প্রাইভেট গাড়িতে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফএর বড় রিফ্লেক্টর স্টিকার লাগানো হয়েছে। এই রিফ্লেক্টর স্টিকারে রাতে আলো পড়লে উজ্জ্বল দেখাবে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে এই প্রচার কর্মসূচি চলবে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
বিবিধ

ইটভাটার শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন শান্তনু

আজ রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর পোলিও টিকা খাওয়ানোর দিন। এদিন বলাগড়ের বিভিন্ন ইটভাটায় ঘুরে নিজে হাতে শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ালেন হুগলি জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। শিশুদের মধ্যে লজেন্স, চকোলেটও বিলি করলেন। সেইসঙ্গে শিশু ও তাদের অভিভাবকদের করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে সুরক্ষিত ও সতর্ক থাকতে হবে সে ব্যাপারগুলি সহজবোধ্যভাবে বুঝিয়েও দিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরাও।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal