• ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Assembly Election,

রাজনীতি

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে সেরা বাজি মমতার, তৃণমূলনেত্রীই নন্দীগ্রামে প্রার্থী

২০২১ বিধানসভা নির্বাচন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে যে মরণ-বাঁচন লড়াই তা নন্দীগ্রামের জনসভায় তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট। এই বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থী হতে চেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে আমি প্রার্থী হলে কেমন হয়। দলকে আমি বলব এই নন্দীগ্রামে আমার নাম রাখতে। আবেগে ভেসে তিনি এই কথা বলেন বলেও জানিয়ে দেন। শেনা মাত্রই মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দেন ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, আমাকে ২৯৪ কেন্দ্রে ঘুরতে হবে। আপনারা এই কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়াও নন্দীগ্রামে একগুচ্ছ উন্নয়ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রাম আন্দোলনে শহিদ ও নিখোঁজ পরিবারের হাতে মাসে ১ হাজার টাকা পেনশন দেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় 'বড় চানক্য' ছিল, এবার রাজনীতির ময়দানে 'ছোট চানক্য'

বাংলায় রাজনীতির চানক্য হিসাবে পরিচিত তৃণমূলের একসময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এখন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। এবার আরেক জনের নাম উঠে এল। একজন বড় চানক্য, অন্যজন ছোট চানক্য। শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির জনসভায় দুই চানক্য-এর কথা বলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।এদিন নন্দীগ্রামের স্টেট ব্যাংক সংলগ্ন ময়দানে জনসভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই সভায় বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঞ্চে বসা মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখিয়ে বলেন, এখানে দুজন চাণক্য হাজির আছেন। বড় চাণক্য মুকুল রায়, ছোট চাণক্য শুভেন্দু অধিকারী। এই দুজন এখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী বানিয়েছেন। এঁরা এখন আমাদের সঙ্গে আছেন। নন্দীগ্রামে গুলি চালানো পুলিশ আধিকারিক সত্যজিৎ মুখোপাধ্যায়কে তৃণমূল দলে নিয়েছে, আর এক পুলিশ আধিকারিককে অবসর গ্রহণের পর নিজের অফিসে নিয়োগ করেছেন। এভাবেই নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে ধোকা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এদিকে এদিন তাঁর বক্তব্যে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি নন্দীগ্রামের মাটিতে একাধিকবার এসেছেন। আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন। তিনি চেনেন নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী সেভাবে বক্তব্য না রাখলেও তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি সভা ডাকা হয়েছিল। ৭ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেস সভার পর জবাব দেব বলে। আমরা জানতে পেরেছি ১৮জানুয়ারি তৃণমূল সভা করবে, তাই ১৯ জানুয়ারি ফের সভা হবে খেজুরিতে। সেখানে ১৮ জানুয়ারি সভার বক্তব্যের জবাব পাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। সভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজ্য

এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ শুভেন্দু অধিকারীর

নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছেন। ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অমিত মিত্রকও আক্রমণ শানাতে ছাড়েননি। শেষমেশ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ৭ জানুয়ারির বদলে ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু। জবাব দেবেন মমতার সভার। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এদিন প্রথম কাঁথিতে মিছিল ও সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। ভিড়ে ঠাসা ছিল মিছিল দাবি করেছে বিজেপি। এদিন শুভেন্দু একের পর এক তির ছুড়তে থাকেন। শুভেন্দু বলেন, মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী বলছেন শুভেন্দুর মুখে পরিবারতন্ত্র বলা মানায় না। আরে মাননীয় মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী আমি আপনার জামাইকে বলিনি তৃণমূলের যুব নেতা। লাল চুল, কানে দুল তার নাম যুবা তৃণমূল। আমি তাঁর কথা বলিনি। সৌগত রায়ের দাদা আমাদের বড় নেতা, প্রাক্তন রাজ্যপাল। আমি তাঁর কথাও বলিনি। আমি বলেছি কয়লা চোর, বালি চোর, পাথর চোর, গরুপাচারকারী ভাইপোর কথা। আবার চাকরি দিতে পারেনি পাউচ বিক্রি করার ব্যবস্থা করেছেন অর্থমন্ত্রী, বলেছেন শুভেন্দু। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেননি শুভেন্দু। এদিন কাঁথির সভায় তৃণমূলনেত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণও করেছেন তিনি। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী বলেন, আপনি ৭জানুয়ারী, ১৪মার্চ, ১০ নভেম্বর কোনও দিন আসেননি। কাল টিভিতে দেখলাম আপনি আসছেন। আপনি এলে রাস্তা সারাবে। আমার জেলার লাভ হবে। আমি ৭ তারিখে প্রতিবছর আমি যাই। এবার ওই দিন বড় কর্মসূচি নেব না। ৭ তারিখ আসছেন, ভাল কথা মোস্ট ওয়েলকাম। এতদিন আসেননি। আসুন। আমি যা যা বলতে আসছেন আমি জানি। ১০০০টা শুভেন্দু তৈরি হয়। কে ওটা, কী হবে। শুভেন্দুকে কাউন্টার করতে হাটবারে হাটবারে চারটা-পাঁচটা পুলিশের পাইলট কার নিয়ে জোড়া জোড়া মন্ত্রী। শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জ, ৭ তারিখে আসুন, ভাষন দিন। আমি ৮ তারিখে সভা করা আপনার সব কথার জবাব দিয়ে দেব। আমি শৃঙ্খলাপরায়ন লোক। আমি আজই কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জানিয়েছি নন্দীগ্রামে ৮ তারিখ সভা হবে। উনি সরকারি ক্ষমতায় লোক আনবেন, আমি আবেগ-ভলবাসায় লোক আনব। শুভেন্দু এদিন একাধিকবার ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, উপনির্বাচনে টিকিট পায়নি বলে তৃণমূলনেত্রীর বাড়িতে ঢিল মারতে গিয়েছে। আমফানের পর কলকাতার লোক বুঝে গিয়েছিল কী তাঁর যোগ্য়তা। গ্রামের সঙ্গে লড়াই দক্ষিণ কলকাতার চার-পাঁচটা লোকের। ৪০ টা দফতর ওই চার-পাঁচটা লোকের। শুভেন্দুর ঘোষণা, গোপীবল্লভপুরের দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু হাত মিলিয়েছে। যেতে তোমাদের হবেই। পদ্ম ফুটিয়ে ঘুমাতে যাব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

"অমিত শাহ বাউলের গান শুনেছেন, কিন্তু মনের কথা শোনেননি"

রাজ্যে দল ভাঙা-গড়ার কাজ চলছে জোরকদমে। কে কোন দলে আছেন, আর নেই তা বোঝাই দায় হয়ে পড়েছে। ঘনঘন জার্সি বদল চলছে খেলার মযদানের মতোই। বুধবার তৃণমূল ভবনে এক প্রশ্নের জবাবে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chatterjee) বিজেপির উদ্দেশে বলেন, নিজের সংগঠনের ওপর জোর নেই। আগে নিজের ঘর সামলাও পরে অন্যের দিকে নজর দেবে। জঞ্জাল দিয়ে দলটা ভর্তি করছে, তা ভবিষ্য়তই বলবে। কাটমানি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পার্থ বলেন, ওরা সব কিছুতেই কাট দেখে। বিজেপি তুমি বাংলা থেকে কাটো। সম্প্রতি দুদিনের বাংলা সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ( amit shah)। শান্তিনিকেতনে য়ে বাউলের গান শুনেছেন তিনি এখন তৃণমূল শিবিরে। পার্থ চট্টেপাধ্যায় বলেন, অমিত শাহ পুরো ড্রামা করেছেন। গান শুনেছেন বাউলের। কিন্তু বাউলের মনের কথা শোনেননি তিনি। মনের কথা না শোনা বাহুবলী নীতি বিজেপির। কাউকে জোর করে আনা আর মন থেকে আসা পুরো আলাদা। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারে বারে বাংলায় আসছে। তৃণমূল মহাসচিবের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের জন্য কিছু ভাবছে না বিজেপি। যা ভাববে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়াবে। বাংলার আইন-শৃঙ্খলা এত ভাল যে বারবার ওদের আসতে হচ্ছে। কে ভোগী আর ত্যাগী মানুষ তাঁর জবাব দেবে। মিথ্যা-অপপ্রচার করছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস কে গেল আর কে এল এসব নিয়ে ভাবে না।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

সায়ন্তনের পর অগ্নিমিত্রাকে শোকজ, কেন এই পদক্ষেপ বিজেপির?

একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বাম-কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগপর্ব চলছে। একইসঙ্গে চলছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে শোকজের পালা। মঙ্গলবার সায়ন্তনসহ তিনজনকে শোকজ করার পর বুধবার শোকজ করা হল রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে। রাজ্য বিজেপি জানিয়েছে, দলবিরোধী মন্তব্যের জন্য অগ্নিমিত্রাকে শোকজ করা হযেছে। ১৮ ডিসেম্বর তিনি সংবাদ মাধ্যমে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তবে কী মন্তব্য করার জন্য তাঁকে শোকজ করা হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া চিঠিতে লেখা নেই। চিঠিতে অগ্নিমাত্রা পালকে বলা হযেছে ৭ দিনের মধ্যে দিলীপ ঘোষের কাছে তাঁকে জবাব দিতে হবে। উত্তর সন্তোষজনক না হলে দল কঠোর শাস্তি দেবে বলেও তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুকে শোকজ করে রাজ্য নেতৃত্ব। তাঁকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু তৃণমূল ছাড়ার পরপরই জিতেন্দ্র তেওয়ারী তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বিজেপি যোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে তাঁরা বৈঠকও করেন। কিন্তু তারপরই আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, সায়ন্তন বসু, অগ্নিমিত্রা পাল জিতেন্দ্রকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে আপত্তি জানান। বাবুল তো সরাসরি তাঁর আপত্তির কথা জানিয়ে দেন। বাকিরা সেই মতকে সমর্থন করে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সম্ভবত এই কারণেই অগ্নিমিত্রা পালকে শোকজ করা হল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

"আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই"-শুভেন্দু

বিধানসভার টিকিট চান না সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর একটাই লক্ষ্য রাজ্যে পরিবর্তন আনা। পূর্বস্থলীতে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম জনসভায় কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না তৃণমূল কংগ্রেসকে। তাঁর কথায় দেড় জনে মিলে তৃণমূল চালাচ্ছে। শনিবার মেদিনীপুরে এক জনসভায় অমিত শাহর(amit shah) হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। তারপর পূর্ব বর্ধমানে এটাই ছিল তাঁর প্রথম জনসভা। এই জনসভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আরও পড়ুন--প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু বলেন, দলকে আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই। ২৪ ঘণ্টার মধ্য়ে ১৬ ঘণ্টা খাটবো। যেখানে বলবে সেখানে যাব। হারবই হারাব। আমরা জিতবই। নতুন বাংলা গড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। পরিবর্তনের পরিবর্তন চাই। দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে যা নির্দেশ দেবে তা আমরা পালন করব। মীরজাফরের সঙ্গে তুলনা টানা হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীকে। বিজেপি যোগ নিয়েই তৃণমূল নেতৃত্ব তোপ দেগে চলেছে শুভেন্দুকে। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মীরজাফরের জবাবে বলেন, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৯৮-এ পঞ্চায়েত ভোট, ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে কারা ছিল। সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী তৃণমূল কংগ্রেসকে আশ্রয় না দিতেন, লালকৃষ্ণ আদবানী আশ্রয় না দিতেন এই দলটা ২০০১ সালেই উঠে চলে যেত। এটাকে অস্বীকার করতে পারবেন না। আরও পড়ুন--এক মাসেই ২২৩টি ধর্ষণের অভিযোগ নথিভুক্ত বাংলায়, টুইটে তোপ মালব্যের বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের যোগ নিয়ে তিনি আরও বলেন, ২০০৪ সালে তমলুক লোকসভায় কেউ লড়তে রাজি হয়নি। সেদিন আমি এনডিএ-র প্রার্থী হয়ে লড়েছিলাম। একদিকে বিজেপির ঝান্ডা অন্যদিকে তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে লড়েছিলাম। ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামের গণহত্য়ার দিন অন্য় কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা আসেননি। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পাশে ছিলেন।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের দামামা

ভোট বড় বালাই। দিন দিন করোনা সংক্রমণ যেভাবে হাইজাম্প দিচ্ছে, তাতে নো পড়োয়া ভোেটর ক্ষেত্রে। করোনা আবহেই শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ‍্যনির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। দিনক্ষণের পাশাপাশি ঘোষিত হল ভোটের আচরণবিধিও। তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে ৩ ও ৭ নভেম্বর। প্রথম দফায় ৭১ কেন্দ্রে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৯৪ ও ৭৮টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণের জন‍্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও ১ ঘণ্টা বেশি সময় বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অরোরা। শেষ এক ঘণ্টায় ভোটদান করতে পারবেন কেবলমাত্র কোভিড আক্রান্তরাই। ৮০ বছরের বেশি ভোটারদের জন‍্য থাকছে পোস্টাল ব‍্যালটের ব‍্যবস্থা। ভোটপ্রচার জন‍্য রাজনৈতিক দলগুলি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবে। বাড়ি বাড়ি ভোটপ্রচারে প্রার্থী সহ পাঁচ জনের বেশি কর্মী থাকতে পারবে না। অনলাইনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। টাকাও জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বাধিক ২ জন কর্মী প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে সর্বাধিক এক হাজার ঢুকতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোট দিতে এসে কেউ যাতে সংক্রমিত না হন তার জন‍্য থাকছে ৪৬ লক্ষ মাস্ক, ৬ লক্ষ পিপিই কিট, ২৩ লক্ষ গ্লাভস ও ৭ লক্ষ স‍্যানিটাইজারের বোতল। ইভিএসে বোতাম প্রেসের আগে ভোটারদের দেওয়া হবে গ্লাভস। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ‍্যে তৎপরতা। বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে চতুর্থবার রাজ‍্যে শাসন ক্ষমতার দখলের দৌঁড়ে আছেন নীতীশ কুমার। লোকজনশক্তি পার্টি ছাড়াও, নতুন বন্ধু হিেসবে নীতীশ পেয়েছেন জিতন রাম মাজির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাকেও। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতু‍্যকে হাতিয়ার করে ইতিমধ‍্যে এনডিএ নেমে পড়েছে প্রচারেও। চ‍্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি আরজেডি ও কংগ্রেস জোটও। জেলে থেকেই লাল্লুপ্রসাদ রণকৌশল তৈরি করে দিচ্ছেন বলে খবর। আরজেডি ও কংগ্রেসের হাতে নতুন অস্ত্র নয়া কৃষি বিল। লড়াইটা শেয়ানে শেয়ানে হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শেষ হাসি কে হাস‍বে, তারজন‍্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারণ ওই দিনই তো ফল ঘোষণা বিহার বিধানসভা নির্বাচনের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

এনআইএ আদালতে বিস্ফোরক দাবি! শাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার গুলি, জামিন চাইলেন প্রাক্তন সাংসদের স্বামী

রামনবমী সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলিকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। শুনানির সময় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, এই ঘটনায় শাকির আলি অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি এবং যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান।আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, রামনবমীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের উপর হামলা চালানো হয় এবং তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় শাকির আলি উস্কানির ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তকারীদের আরও দাবি, তাঁর বাড়ি থেকে ছত্রিশ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।তবে শুনানির সময় বিচারক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, দুই হাজার তেইশ সালে শুরু হওয়া মামলায় এতদিন পর কেন গ্রেপ্তার করা হল শাকির আলিকে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, এতদিন পরে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী।এর জবাবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, আগে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় পদক্ষেপ করা যায়নি। বর্তমানে তদন্তের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আরও জানান, বিভিন্ন রাস্তা এবং বাড়ির নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ, শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি, অথচ আশপাশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সেই গাড়িতেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে তদন্তকারীদের দাবি। আরও অভিযোগ, পরে ওই গাড়ি বিক্রিও করে দেওয়া হয়।অন্যদিকে শাকির আলির আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল এই মামলায় এর আগেও দুবার তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। শাকির আলিও আদালতে বলেন, যাঁরা শোভাযাত্রা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ যাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মামলার অন্য অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।শাকির আলি আদালতে জানান, তাঁর নামে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল। পরে সেই অস্ত্র বিক্রি করে দিলেও গুলি বিক্রি করা যায় না। পাশাপাশি তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও আদালতের নজরে আনেন। তাঁর দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং ক্যানসারের আশঙ্কায় চিকিৎসাধীন। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান।এই মামলায় শাকির আলিকে দুই দিনের জন্য তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলেও জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! আগাম জামিন খারিজের পর গ্রেপ্তার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী

রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন দেবরাজ। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও পরে দলীয় টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধাননগর পুরনিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জয়ও পান। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিও পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হন।বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে বিপুল মূল্যের সম্পত্তি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।গ্রেপ্তার এড়াতে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতি মুন্সিকে আগাম জামিন দিলেও তাঁর বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।অন্যদিকে দেবরাজ চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলকে! আগাম জামিন খারিজ, এবার কি গ্রেপ্তার?

অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা। ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানির পর বিচারক আবেদন নাকচ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা নেই। ফলে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনের।তবে এখানেই আইনি লড়াই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তার আগেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। অভিযোগ, বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। অভিযোগ, একশোটি ট্রাক্টরে করে সেই ইট নিয়ে যাওয়া হয়।ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল অভিযোগ করেন, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের নামও উঠে আসে। অভিযোগে তাঁকে এই ঘটনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই সময় পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর পুরনো একাধিক মামলার তদন্তে গতি এসেছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং উচ্চ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ের দিকে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সিএবি-তে বড় বিতর্ক! প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, পাল্টা ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পঙ্কজ-পুত্রের

ভুয়ো ক্লাবের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে আবেদন; সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন ক্রিকেটারের।বাংলা ক্রিকেটে ফের নতুন বিতর্ক। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র প্রণব রায়। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, একটি অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো ক্লাবের নামে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে, যার অন্যতম সহায়ক ছিলেন প্রণব রায়।তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর কথায়, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।কী অভিযোগ উঠেছে?সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ পাতার অভিযোগপত্রে গত বছরের সিএবি ওম্বুডসম্যানের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মোহনলাল ক্লাব-র একটি কলকাতার বাগবাজারের ঠিকানার পাশাপাশি গৌরীবাড়ি এলাকার একই নামে একটি অস্তিত্বহীন সংস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই ক্লাবের নামে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই আর্থিক লেনদেনের একাধিক চেকে প্রণব রায়ের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অভিযোগপত্রে সেই চেক নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর দাবিপ্রণব রায়কে অবিলম্বে সিএবি-র সমস্ত কমিটি থেকে অপসারণ করতে হবে।তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অডিটের নির্দেশ দিতে হবে।আত্মসাৎ হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে হবে।গোটা ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হোক।অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রণব রায়অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার ব্যক্তিগত সম্মান ও পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মোহনলাল ক্লাবের কেবলমাত্র একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সময়কালে ক্লাবের কোনও প্রশাসনিক পদে তিনি ছিলেন না। ফলে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।প্রণব রায়ের বক্তব্য, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। সেই কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাবেন।নজরে সিএবিক্রীড়া মহলের ধারণা, নতুন এই অভিযোগ সামনে আসার পর ফের চাপে পড়তে পারে সিএবি প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে অ্যাপেক্স কাউন্সিল কী পদক্ষেপ করে, আদৌ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কি না, কিংবা অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী অডিট বা এফআইআর-এর পথে হাঁটে কি না এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।অন্যদিকে, প্রণব রায়ের স্পষ্ট দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও জটিল মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার জন্য নতুন ধাক্কা? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ডাকে ঋতব্রত, জোর জল্পনা রাজনীতিতে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বড় মোড়। তৃণমূলের ভাঙনের আবহে এবার দিল্লি থেকে তলব করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আলাদা ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। নতুন ব্লকের দাবি, তারাই প্রকৃত তৃণমূল এবং দলীয় প্রতীকের অধিকারও তাদের প্রাপ্য।এই দাবিকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে নতুন ব্লক। প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন।এরপর নতুন ব্লকের কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানের মতো নেতাদেরও রাখা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়।এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি আরও নয়জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হবেন। এই বৈঠকের পর প্রতীক এবং দলীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal