• ১০ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arreste

দেশ

এআই সম্মেলনে অর্ধনগ্ন বিক্ষোভ, ভোরে গ্রেপ্তার যুব কংগ্রেস নেতা উদয় ভানু চিব

দিল্লির সম্মেলন কাণ্ডে গ্রেপ্তার হলেন যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিব। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত থেকে প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার সকালে দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তিলক মার্গ থানায় ডেকে জেরা করার সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুক্রবার দিল্লির ভারতমণ্ডপম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এআই সম্মেলনে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় অর্ধনগ্ন হয়ে বিক্ষোভ দেখান যুব কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সেই ঘটনার সঙ্গে উদয়ের যোগ রয়েছে বলেই পুলিশের দাবি। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং স্যাম অল্টম্যান সহ একাধিক অতিথির উপস্থিতিতে আচমকাই বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান লেখা পোশাক খুলে প্রতিবাদ দেখালে সেখানে উপস্থিত দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানান এবং ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। তদন্তকারীদের দাবি, এই বিক্ষোভ পূর্বপরিকল্পিত এবং বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, নেপালের তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের ধাঁচে এই বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার জেরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন, এমন প্রতিবাদ দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে অস্বস্তিকর। বিরোধী শিবিরের একাংশও বিদেশি অতিথিদের সামনে এই ধরনের আচরণের সমালোচনা করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

পালানোর ছক ভেস্তে গেল শেষ মুহূর্তে, ইউরোপে যাওয়ার আগেই গ্রেপ্তার বাংলাদেশের ছাত্রনেতা

দুই হাজার চব্বিশ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশ-এর পরিস্থিতি। সেই অশান্ত সময়ে এক হিন্দু পুলিশ কর্মী সন্তোষ চৌধুরি-কে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে এক ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। অবশেষে তাঁকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি নামে ওই ছাত্রনেতা বাংলাদেশের পুলিশের খাতায় ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত ছিলেন এবং ভারতে আত্মগোপন করে ছিলেন। দিল্লি থেকে ইউরোপে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরেই তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। যদিও ঠিক কবে তিনি গ্রেপ্তার হন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।জানা যায়, হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানায় কর্মরত সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন সন্তোষ চৌধুরি। দুই হাজার চব্বিশ সালের পাঁচ অগস্ট থানার মধ্যেই তাঁকে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং পরে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে তাঁর দগ্ধ দেহ একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়, যা ঘিরে দেশ-বিদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।তদন্তে সন্তোষের খুনের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে মেহেদির নাম সামনে আসে। এমনকি একটি ভিডিও বার্তায় নিজের জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছিলেন বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারিকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় নতুন করে বিচারপ্রক্রিয়া এগোবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে ফের গ্রেপ্তার! সিসিটিভি-ভিডিও দেখে আরও ৫ জনকে তুলল পুলিশ

ঝাড়খণ্ডে এক শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় যে ব্যাপক অশান্তি ছড়িয়েছিল, সেই ঘটনায় আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পাঁচ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে এই ঘটনায় মোট গ্রেপ্তারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৬-এ।গত শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে বেলডাঙার এক সংখ্যালঘু যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায়। ক্ষুব্ধ জনতা রাস্তায় নেমে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে, ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। একাধিক জায়গায় ভাঙচুর চলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে। শুক্রবারের পর শনিবারও এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। জাতীয় সড়ক ও রেললাইন অবরোধের পাশাপাশি সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ। তিনি জানিয়েছিলেন, সিসিটিভি ও ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা হবে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন। সেই ঘোষণার পরই একে একে শুরু হয় গ্রেপ্তারি। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মিম নেতা তথা বেলডাঙা ১ ব্লকের সভাপতি মতিউর রহমান সহ একাধিক ব্যক্তি।এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কলকাতা হাই কোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এরই মধ্যে পুলিশ আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম নূর আলম, রবিউল ইসলাম, নূর আলম মোল্লা, লাদিম শেখ এবং তুফাইল শেখ। পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও সোশাল মিডিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ধৃতদের বহরমপুর আদালতে তোলা হবে।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

ছেলেকে আটক করতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন হুমায়ুন, থানায় যাওয়ার হুমকি বিধায়কের

ছেলেকে আটক করার পরেই ফের ক্ষোভে ফেটে পড়লেন রতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। শক্তিনগর থানায় যাওয়ার পথে তিনি পুলিশকে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ। হুমায়ুন কবীর বলেন, শক্তিনগর থানার পুলিশ তাঁর বাড়ি ঘিরে রেখেছে। তাঁর অভিযোগ, যদি পুলিশ কোনও অশালীন আচরণ করে, তবে আগামী বৃহস্পতিবার বহরমপুর জেলা পুলিশ অফিস ঘেরাও করা হবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুমায়ুন কবীরের দেহরক্ষী ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল জুম্মা খান। অভিযোগ, সেই দেহরক্ষীকেই মারধর করেছেন বিধায়কের ছেলে গোলাম নবী আজাদ ওরফে রবীন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই শক্তিনগর থানার পুলিশ বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছয় এবং বাড়ি ঘিরে ফেলে। পরে রবীনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।জানা গিয়েছে, গোলাম নবী আজাদ তৃণমূল পরিচালিত একটি পঞ্চায়েতের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। যদিও হুমায়ুন কবীর নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি তৈরি করলেও তাঁর ছেলে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বাবার দলে যোগ দেননি। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এই প্রসঙ্গে অরূপ চক্রবর্তী বলেন, হুমায়ুন কবীর একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে ওই দেহরক্ষী বছরের শেষে ছুটি চেয়েছিলেন। ছুটি না মঞ্জুর হওয়াতেই তাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অরূপ চক্রবর্তীর বক্তব্য, একজন সরকারি পুলিশ কর্মীর গায়ে হাত তোলা আইনত অপরাধ। কেউ বিধায়ক হলেও পুলিশকে হেনস্থা করা যায় না।এদিকে, বিধায়কের বাড়িতে পুলিশ যাওয়া নিয়ে আগেই অভিযোগ তুলেছিলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি ছিল, শক্তিনগর থানার পুলিশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাঁর বাড়ি ঘিরে রেখেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, দেহরক্ষীকে মারধরের অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

নববর্ষের আগেই দিল্লিতে 'অপারেশন আঘাত', ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার ৬৬০ জন

নববর্ষের আগেই দিল্লিতে বিরাট পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে। এক মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে গ্রেফতার করা হয়েছে ৬৬০ জনকে। উদ্ধার করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা, মাদক, অস্ত্র-শস্ত্র। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন আঘাত ৩.০।দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার এসকে জৈন জানিয়েছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল নববর্ষ উদযাপনকে অপরাধমুক্ত রাখা। অভিযান মূলত মাদক পাচারকারী, জুয়ারি এবং নিয়মিত অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের বিরুদ্ধে চালানো হয়েছে। ২৮০০-রও বেশি মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং ৮৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।অস্ত্র আইনে ৬৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৬৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২৪টি দেশি পিস্তল ও ৪৪টি ছুরি। বেআইনি মদ্যপানের অভিযোগে ৩৫০-রও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে, ২২,৫০০ কোয়ার্টার বেআইনি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। গাঁজা মিলেছে ১০ কেজি।একইসঙ্গে গাড়ি চুরির নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হয়েছে। ২৩১টি বাইক ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জুয়া বিরোধী আইনে ৩০টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৬৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২.৩ লক্ষ টাকা। এছাড়া ৩৫০টি চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, এই অভিযান দারুণ সফল হয়েছে এবং নববর্ষ উদযাপনকে নিরাপদ রাখতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো হবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
বিদেশ

কোমা থেকে উঠে গ্রেফতার! বন্ডাই বিচ হামলায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৫৯ অভিযোগ

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডাই বিচে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নতুন মোড়। কোমা থেকে জেগে উঠে ২৪ বছরের অভিযুক্ত নবীদ আক্রমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হাসপাতালেই তাঁর বিরুদ্ধে ৫৯টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৫টি খুনের মামলা।গত ১৪ ডিসেম্বর ইহুদিদের হনুক্কা উৎসব চলাকালীন বন্ডাই বিচে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় নবীদ আক্রম এবং তাঁর বাবা সাজিদ আক্রম জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের দাবি। পুলিশের পাল্টা অভিযানে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সাজিদ আক্রম। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নবীদকে। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার পর সম্প্রতি তাঁর জ্ঞান ফেরে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্ঞান ফিরতেই হাসপাতালের শয্যাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান, নবীদ মানসিক ভাবে স্থিতিশীল এবং আইনি প্রক্রিয়া বোঝার মতো অবস্থায় ছিলেন। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের কমিশনার জানান, চিকিৎসকের অনুমতির পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে আইনি অধিকার সম্পর্কে।খুনের অভিযোগ ছাড়াও নবীদের বিরুদ্ধে খুনের উদ্দেশ্যে আঘাত করা, নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী প্রতীক প্রকাশ, এবং কোনও ভবনের কাছে বিস্ফোরক রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে। বুধবার হাসপাতালেই তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।এই হামলায় প্রাণ হারান মোট ১৫ জন। ১৯৯৬ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ গণগুলি চালনার ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। নিহতদের স্মরণে বন্ডাই প্যাভিলিয়নে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত হন। ইতিমধ্যেই নিহতদের শেষকৃত্যের কাজ শুরু হয়েছে।এই ঘটনার জেরে বন্ডাই বিচে নববর্ষের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত সিডনির সবচেয়ে বড় ইলেকট্রনিক ডান্স পার্টিও বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।এই হামলার প্রথম চিহ্নিত নিহত ব্যক্তি ছিলেন রাব্বি এলি শ্ল্যাঙ্গার। তাঁর শেষকৃত্যে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। বন্ডাইয়ের চাবাদ কেন্দ্রের রাব্বি লেভি উলফ বলেন, এই মৃত্যু ইহুদি সমাজের কাছে অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি জানান, এই নৃশংস সন্ত্রাসী হামলায় শুধু ইহুদি সমাজ নয়, গোটা অস্ট্রেলিয়া এবং বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

‘গুড বয়’ শতদ্রু গ্রেফতার! মেসি কাণ্ডে নেপথ্যের গল্প জানুন

আগের বার আর্জেন্টিনার তারকা গোলকিপার ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ কলকাতায় এসেছিলেন। তখন সবকিছুই ছিল নিয়ন্ত্রণে। কোনও বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনার ছবি সামনে আসেনি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেল। লিওনেল মেসিকে দেখতে না পেয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন আয়োজক শতদ্রু দত্ত।যদিও শতদ্রুকে নিয়ে এলাকাবাসীর বক্তব্য একেবারেই ভিন্ন। প্রতিবেশীদের একাংশ বলছেন, তাঁদের কাছে শতদ্রু বরাবরই একজন ভালো ছেলে। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মেসিকে কলকাতায় আনতে তিনি কম চেষ্টা করেননি। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, বহু দিনের পরিশ্রমের ফলেই এই সফরের পরিকল্পনা হয়েছিল।এলাকার রেহান নামে এক যুবকের বক্তব্য, মেসির জনপ্রিয়তা কতটা, তা সকলেই জানেন। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ কলকাতায় এসেছিলেন তাঁকে এক নজর দেখার জন্য। তাঁর মতে, নিরাপত্তা আরও শক্ত করা যেত। এই বিষয়টি পুলিশের আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল শতদ্রুর। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করতেন তিনি। সেই সূত্রেই বিশ্বের নামী ফুটবলারদের বাংলায় আনার উদ্যোগ নেন। যাঁদের এক ঝলক দেখতে মানুষ পাগল, সেই সব তারকাকেই বাংলায় আনার লক্ষ্য ছিল তাঁর। বাড়ির ছাদে পর্যন্ত ছোট ফুটবল মাঠ তৈরি করেছিলেন তিনি। এর আগেও পেলে, কাফু, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, রোনাল্ডিনহোদের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারদের কলকাতায় এনেছিলেন শতদ্রু।এলাকাবাসীদের দাবি, মেসিকে আনতে এবার আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। জানা গিয়েছে, মেসির বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন তিনি। এরপর মেসির সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়। দিনক্ষণ ঠিক করে পরিকল্পনা করা হয় পুরো সফরের। অনেকের মতে, ওই দিন যুবভারতীতে ইতিহাস তৈরি হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হল না।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসির সঙ্গে হায়দরাবাদে যাওয়ার পথেই শতদ্রুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে আটক করা হয়। আগামীকাল তাঁকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

রাতবিরেতে ট্রেন থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ! কেন গ্রেপ্তার প্রাক্তন আইপিএস অমিতাভ ঠাকুর

লখনউ পুলিশ বুধবার ভোররাতে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার অমিতাভ ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ, ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের ডোরিয়া জেলার পুলিশ সুপার থাকা অবস্থায় তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভুয়ো নথি বানিয়ে স্ত্রীর নামে একটি শিল্প প্লট দখল করেছিলেন। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু হয় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি ট্রেনে করে লখনউ হয়ে দিল্লি যাচ্ছিলেন। রাত প্রায় ২টোয় শাহজাহানপুর জংশনে তাঁকে আটক করে লখনউ পুলিশ। এরপর কঠোর নিরাপত্তায় তাঁকে ডোরিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হয় এবং পরে মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।পুলিশ জানিয়েছে, ডোরিয়া সদর কোতোয়ালি থানায় ১০২১/২৫ নম্বর মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৩৪ ও ১২০বি ধারায় অভিযোগ রয়েছে। মামলার মূল অভিযোগভুয়ো কাগজ দেখিয়ে অবৈধভাবে শিল্প প্লট দখল করা।আদালতে ঢোকার সময় অমিতাভ ঠাকুর দাবি করেন, তিনি সরকার ও প্রশাসনের দুর্নীতি প্রকাশ করেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তাঁর আরও অভিযোগ, আমাকে খুন করার প্ল্যানও করা হতে পারে। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে কথা বললে এমনটাই হয়।তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে উত্তরপ্রদেশে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

থাইল্যান্ডে ধরা পড়ল ক্লাব-মালিক লুথরা ভাইরা, দেশে ফেরাতে ছুটছে গোয়া পুলিশ

গোয়ার বার্চ বাই রোমিও লেন ক্লাবে ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া ক্লাব-মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা অবশেষে থাইল্যান্ডের ফুকেতে ধরা পড়েছেন। শনিবার রাতে সন্দেহজনক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ইন্ডিগো ফ্লাইটে থাইল্যান্ডে উড়ে যান দুই ভাই। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার ও ইন্টারপোল ব্লু নোটিস জারি হয়।ভারত টুডের হাতে পাওয়া এক্সক্লুসিভ ছবিতে দেখা গেছে, ফুকেতে একটি আটক কেন্দ্রে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের একজন। ভারতীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই থাকবেন। গোয়া পুলিশ খুব শীঘ্রই থাইল্যান্ডে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে আসবে বলে সূত্রের খবর।পালানোর ঘটনায় আরও সন্দেহ তৈরি হয়, কারণ গোটা দেশে ইন্ডিগোর ফ্লাইট বাতিল ও দেরিতে চললেও তারা কোনওভাবে রাত ১টা ১৭ মিনিটে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটে ফেলেছিলেন তখনই দমকল ও পুলিশ আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিল। পরে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই তাঁরা পালানোর প্রস্তুতি নেন।ধরা পড়ার আগে তাঁরা দিল্লির রোহিণী আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ক্লাবের দৈনন্দিন কাজে তাঁরা যুক্ত নন এবং তদন্ত সংস্থার বদলা নেওয়ার মনোভাব-এর শিকার হচ্ছেন। থাইল্যান্ড সফরকেও তাঁরা ব্যবসায়িক ভ্রমণ বলে দাবি করেছিলেন।গোয়া পুলিশের FIR-এ বলা হয়েছে, ক্লাবটিতে কোনও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অ্যালার্ম, ফায়ার সাপ্রেশন সিস্টেম বা অডিট ছিল না। ক্লাবের মালিক, ম্যানেজার ও ইভেন্ট অর্গানাইজাররা আগুন নিয়ে স্টান্ট শো করছিলেন, অথচ তাঁরা জানতেন এতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্লাবে জরুরি নির্গমন পথও ছিল না, ফলে বহু অতিথি আগুনে আটকে পড়েন।গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ মাধব আগেই বলেছেন, লুথরা ভাইদের দ্রুত গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এর পরেই তাঁদের মালিকানাধীন আরও একটি বেআইনি ক্লাব শ্যাক ভেঙে ফেলে প্রশাসন।মঙ্গলবার ক্লাবের অপর সহ-মালিক অজয় গুপ্তাকেও দিল্লিতে আটক করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

অগ্নিদগ্ধ নাইটক্লাবের রহস্য ফাঁস! অজয় গুপ্ত আটক, পুলিশের খুঁজে পাওয়া আরও তথ্য

গোয়ার আরপোরা এলাকার বিখ্যাত নাইটক্লাবটিতে আগুন লাগার ঘটনার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে নাইটক্লাবের অন্যতম মালিক অজয় গুপ্তকে। জানা যাচ্ছে, শীঘ্রই তাঁকে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে নাইটক্লাবের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজীব মোদক, জেনারেল ম্যানেজার বিবেক সিং, বার ম্যানেজার রাজীব সিংহানিয়া, গেট ম্যানেজার রিয়াংশু ঠাকুর এবং কর্মী ভারত কোহলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গোয়া পুলিশের লুকআউট নোটিসে নাম ছিল অজয় গুপ্ত ও সুরিন্দর কুমারের। আর দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা দেশ ছাড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা থাইল্যান্ডে আছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধেও জারি হয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস।উত্তর গোয়ার বাগা সুমদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত এই নাইটক্লাবটিতে শনিবার পার্টি চলাকালীন আগুন লাগে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। তদন্তে জানা গেছে, নাইটক্লাবে বেআইনি নির্মাণ, সংকীর্ণ প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা বিধি অমান্যসহ একাধিক অনিয়ম ছিল। এই ঘটনায় বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে।এছাড়া মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রমোদ সওয়ান্তের নির্দেশে লুথরা গ্রুপের আরও একটি নৈশক্লাব রোমিও ল্যানে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সরকারি জমিতেই ক্লাবটি গড়ে উঠেছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে বড় ক্লাব তৈরি হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

ঘনিষ্টতার মূল্য ২০ হাজার টাকা! দিতে রাজি না হওয়ায় খুন হতে হল আদর্শকে

কলকাতার কসবার হোটেলে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসালকারের খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে আরও ভয়ংকর তথ্য। ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতার শর্তে দুই হাজার টাকার দাবি ছিল ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল অন্তত কুড়ি হাজার টাকা হাতানো। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই কোমল সাহা ও তার লিভ-ইন সঙ্গী ধ্রুব মিত্র নৃশংসভাবে খুন করে আদর্শকে এমনটাই দাবি পুলিশের।গত শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে একই ঘরে ছিলেন তিনজন। পুলিশের মতে, সেই সময়েই ঘটে ধস্তাধস্তি। আদর্শ বাধা দিতেই বেডশিটে জড়িয়ে তাঁর শ্বাসরোধ করা হয়। ধ্রুবর হাতে আদর্শের নখের আঁচড়ের চিহ্ন মিলেছে, যা সন্দেহকে আরও জোরালো করছে। রাত ১২টার কিছু পরই মারা যান আদর্শ।এরআগে, শনিবার কসবার হোটেল থেকে উদ্ধার হয় আদর্শের বিবস্ত্র দেহ। গ্রেপ্তারের পর থেকে কোমল ও ধ্রুব বারবার বয়ান বদলাচ্ছে। কখনও আলাদাভাবে, কখনও মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করছে পুলিশ। ঘটনার পুনর্গঠন করতে দুজনকেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে হোটেল কক্ষে।পুলিশ সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার ডেটিং অ্যাপে পরিচয় হওয়ার পর কোমল প্রথমে দুহাজার টাকা দাবি করেন ঘনিষ্ঠতার বিনিময়ে। তবে আদর্শ সেই টাকা দেননি বলে দাবি অভিযুক্ত যুগলের। কিন্তু আদর্শই অনলাইনে কসবার হোটেলের দুটি ঘর বুক করেছিলেন। প্রথমে কোমল ও ধ্রুব একসঙ্গে একটি ঘরে ঢোকে।তারপর প্রায় দশ মিনিটের জন্য কোমল আদর্শের ঘরে যায়। এর মধ্যেই হোটেল কর্মী কয়েকটি বিয়ারের বোতল নিয়ে আসে আদর্শই অনলাইনে অর্ডার করেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আদর্শ নিজেই বাইরে গিয়ে চিপস কিনে ঘরে ফেরেন। এরপর করিডরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায় কোমল ও ধ্রুবকে। পুলিশের দাবি, ওই সময়ই দুজন কুড়ি হাজার টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করে। এরপর কোমল আদর্শের ঘরে চলে যান এবং তার কিছু পরেই ঘটে খুন।তদন্তে আরও জানা গেছে, এই যুগল ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ভিনরাজ্যের একাধিক ব্যক্তির কাছে টাকা হাতানোর অভিযোগেও জড়িত। ফলে আদর্শের মৃত্যু শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বড়সড় প্রতারণা চক্রের ইঙ্গিত বলেই মনে করছে পুলিশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

পাঠানখালি পঞ্চায়েতে আবারও জালিয়াতি! ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট বানিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ

ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেটের জালিয়াতির পরে এবার সামনে এল ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট কাণ্ড। গোসাবার পাঠানখালি পঞ্চায়েতের নাম জড়াল আবারও। ভাড়া নেওয়া দোকানের দখল পেতেই নাকি এক ব্যক্তি জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাঁকে মৃত দেখিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল ভুয়ো মৃত্যুর শংসাপত্র। অবশেষে প্রতারণার দায়ে গ্রেফতার হলেন এক দম্পতিজর্জ ক্লিন্টন ডিকসন এবং তাঁর স্ত্রী ক্যারল এরিকসন ডিকসন। শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, বহু বছর আগে এজেসি বোস রোডে একটি দোকান ভাড়া নেন সরল রায় ও নিত্যরঞ্জন ঘোষ। পরে সেই দোকানই সাব-টেনেন্ট হিসেবে ভাড়া নেন ডিকসন দম্পতি। অভিযোগ, দোকানের দখল নিজের দাম্পত্যের হাতে নিতে নিত্যরঞ্জন ঘোষকে ২০১৪ সালেই মারা গেছেন বলে দেখানো হয়। অথচ বাস্তবে তিনি জীবিত ছিলেন। কিন্তু দোকান দখল নিশ্চিত করতে এই দম্পতি ২০২৪ সালের অগস্টে পাঠানখালি পঞ্চায়েত থেকে নিত্যরঞ্জনের নামে নতুন করে এক ভুয়ো মৃত্যু-সার্টিফিকেট বানিয়ে নেন।এই কাজে তাঁদের সাহায্য করেন পাঠানখালি পঞ্চায়েতের চুক্তিভিত্তিক কর্মী গৌতম সর্দার। তদন্তকারীদের দাবি, গৌতমই পুরো নথি জালিয়াতির মূল কারিগর। তাঁর বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ উঠেছিল যে তিনি হাজার হাজার ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেট এবং শত শত ভুয়ো মৃত্যুসার্টিফিকেট তৈরি করেছিলেন। প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভুয়ো জন্মসার্টিফিকেট এবং ৫১০টি ভুয়ো মৃত্যুসার্টিফিকেট তৈরির ঘটনায় তিনি আগেই গ্রেফতার হয়ে জেল হেফাজতে রয়েছেন। সেই মৃত্যুসার্টিফিকেটগুলির মধ্যেই ছিল নিত্যরঞ্জন ঘোষের নামে প্রস্তুত ভুয়ো শংসাপত্র। সেই নথিই ব্যবহার করে দোকান দখলের চেষ্টা করছিলেন ডিকসন দম্পতিএমনটাই মনে করছে পুলিশ।এই জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে তদন্তকারী সংস্থা। কীভাবে পঞ্চায়েতের ভিতর থেকেই এভাবে ভুয়ো নথি তৈরি হচ্ছিল, কে কে যুক্ত, কোথায় কোথায় এই সার্টিফিকেট ব্যবহার হয়েছেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একের পর এক নথি জালিয়াতির ঘটনায় পাঠানখালি পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
কলকাতা

হাসপাতালে রোগীর পরিবারকে প্রতারিত করার ফাঁদ—ধরা পড়তেই বিস্ফোরক তথ্য, মাথা ঘুরে গেল পুলিশের

সরকারি হাসপাতালে দালালচক্র নির্মূলের দাবি বহুদিনের। অথচ কলকাতার দুই প্রধান স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল পুরনো সেই দাপটই। মেডিক্যাল কলেজ ও SSKMদুটি হাসপাতালেই রোগীর আতঙ্ক বাড়িয়ে আবার সক্রিয় হয়েছে দালাল চক্র। গত শুক্রবার সন্ধেয় সাদা পোশাকে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের আকস্মিক হানাতেই ধরা পড়ল এই নেটওয়ার্কের দুই সক্রিয় সদস্য।মেডিক্যাল কলেজ থেকে ধরা হয় সচিন রাউথ নামে এক ব্যক্তিকে। অভিযোগ, তিনি রোগীর পরিবারের কাছে ঘোরাফেরা করে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা তুলছিলেন। চিকিৎসাপরামর্শ দেওয়ার নামে তাঁকে আগে থেকেই নজরে রেখেছিল পুলিশ। সেই সূত্র ধরেই শেষ পর্যন্ত হাতেনাতে ধরা পড়ে তিনি।অন্যদিকে SSKM হাসপাতাল থেকে পাকড়াও করা হয়েছে গোলাম রসুল নামে আরও এক দালালকে। রোগীদের ভিড়ের মাঝে ছদ্ম পরিচয়ে ঘুরে বেড়িয়ে তিনি নানাভাবে টাকা আদায় করতেন বলে অভিযোগ। হাসপাতাল সূত্রে দাবি, তিনি বহিরাগতই ছিলেন। গত কয়েক দিন ধরেই তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক লাগছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশের গোপন নজরদারিতে তার জাল শেষমেশ ভেঙে পড়ে।সবচেয়ে বড় প্রশ্নমুখ্যমন্ত্রী সরাসরি হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরও কীভাবে সরকারি হাসপাতালের ভিতর এমন দালালচক্রের দাপট এতটা প্রকাশ্যে চলল? গত মাসেই SSKM হাসপাতালের বহিরাগত প্রবেশ ও CCTV নজরদারি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। সেই সময়ই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, হাসপাতালের ভেতরে কারা ঢুকছেবেরোচ্ছে তার বিশেষ খতিয়ান রাখতে। তবু কীভাবে এসব চক্র ফের সক্রিয় হল, তা এখন তদন্তের মুখ্য দিক।দুই অভিযুক্তকেই আজ আদালতে পেশ করা হবে। তাঁদের কাছ থেকে আরও তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ মনে করছে, তাঁদের পিছনে আরও বড় চক্র লুকিয়ে থাকতে পারে। হাসপাতাল চত্বরে তাদের ম্যাপিং শুরু করেছে তদন্তকারী দল।কলকাতার দুই সর্বাধিক ব্যস্ত সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের এই নতুন সক্রিয়তা রোগীদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছেএবার কি সত্যিই কঠোর পদক্ষেপ করবে প্রশাসন?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে! কর্নাটকে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সামনে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য

ভারতের নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কর্নাটকের উদুপিতে গ্রেপ্তার হলেন দুই যুবক। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। ধৃতদের পরিচয় রোহিত (২৯) এবং সানত্রী (৩৭), দুজনেই উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। দেশবিরোধী এই কর্মকাণ্ড ঘিরে এখন উত্তপ্ত গোটা দক্ষিণ ভারত।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহিত একসময় কেরলের কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কাজ করতেনযে শিপইয়ার্ড ভারতীয় নৌসেনার রণতরী, সাবমেরিন থেকে শুরু করে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রকল্প তৈরি করে। অভিযোগ, সেখানেই কাজ করার সময় তিনি বিভিন্ন নৌগোপন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতেন। পরে তিনি কর্নাটকের একটি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় যোগ দিলেও পাচার বন্ধ হয়নি। বরং আরও নিয়মিতভাবে একই কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।শিপইয়ার্ডের সিইওর নজরে আসে তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি। তথ্য যত বেরোতে থাকে, ততই স্পষ্ট হয় যে রোহিতের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এমন কিছু নথি ও চিত্র, যা কোনও ভাবেই সাধারণ কর্মীর কাছে থাকার কথা নয়। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।রোহিতকে জেরা করতেই উঠে আসে সানত্রীর নাম। জানা যায়, বারবার সানত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রোহিত। তাঁর কাছেও কিছু গোপন তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তবে সানত্রীর ভূমিকাটি কতটা গভীর, তিনিও পাচার নেটওয়ার্কের অংশ কি নাসবটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রের দাবি, গোটা চক্রটির পেছনে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কোনো যোগ রয়েছে কি না, তাও প্রধানত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কীভাবে এত বড় নিরাপত্তা সংস্থার ভিতর থেকে তথ্য চুরি হল, কীভাবে তা বিদেশে পৌঁছলসবকিছুর দিকেই নজর তদন্তকারীদের।দেশের নৌসেনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে বহু অজানা তথ্য, আর ততই স্পষ্ট হচ্ছে চক্রটি আরও বড় হতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

বাক্সবন্দি বন্দুক পরিষ্কার করতে গিয়ে রক্তপাত—এই দম্পতির বয়ান কি বিশ্বাসযোগ্য?

শিবপুরের বিলাসবহুল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে মর্মান্তিক ঘটনা। বুধবার সকালে নিজের ঘরে বসে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করছিলেন গোপাল যাদব। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, ঠিক সেই সময়েই তাঁর পাশে চেয়ারে বসে ছিলেন স্ত্রী পুনম। আচমকা হাত ফসকে বন্দুক থেকে গুলি ছুটে গিয়ে সোজা গিয়ে লাগে পুনমের ঘাড়ে। গুলির শব্দে আবাসনের লোকজন ছুটে আসলেও গোপাল প্রথমেই দাবি করেন, এটি সম্পূর্ণ দুর্ঘটনা।গুলিবিদ্ধ পুনমকে তড়িঘড়ি করে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বৃহস্পতিবার তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলে পুলিশ হাসপাতালেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুনমও বলেন, স্বামী আগ্নেয়াস্ত্র পরিষ্কার করার সময়ই গুলি বেরিয়ে যায়। যদিও এই দম্পতির বয়ান পুলিশের সন্দেহ পুরোপুরি কাটাতে পারেনি। তদন্তকারী অফিসারেরা মনে করছেন, এটা নিছক দুর্ঘটনা, নাকি গোপাল কোনও কারণে স্ত্রীকে খুন করতে চেয়েছিলেনসেই দিকটাই এখন গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে গোপালের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করেছে শিবপুর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাওড়া আদালতে পেশ করা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ঘটনাটি ঘটার পর গোপাল বন্দুকটি সরিয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর আগেই পুলিশ ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করে। জানা গিয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রটি বিহার থেকে এনেছিলেন গোপাল এবং নিজের সঙ্গে অস্ত্র রাখার নেশা ছিল তাঁর দীর্ঘদিনের।এমন প্রশ্ন উঠছেঅভিজাত আবাসনে বসবাস করেও কীভাবে এতদিন ধরে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দিব্যি ছিলেন গোপাল? হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাই অত্যন্ত ঢিলেঢালা। গেটে মেটাল ডিটেক্টর নেই, নেই কোনও কঠোর তল্লাশি। তাঁর কথায়, মেটাল ডিটেক্টর থাকলে গোপালের অস্ত্র নিয়ে ঢোকাই সম্ভব হত না।এই ঘটনার পর হাওড়া সিটি পুলিশ জানিয়েছে, জেলার সমস্ত আবাসনেই এবার বাধ্যতামূলক করা হবে মেটাল ডিটেক্টর। যাতে কোনও বাসিন্দা, অতিথি কিংবা বাইরের কেউ বেআইনি অস্ত্র নিয়ে ভেতরে ঢুকতে না পারে। শিবপুরের যে আবাসনে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে বহু হাইপ্রোফাইল ব্যক্তি থাকেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই দ্রুত নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
কলকাতা

সুদে টাকা ফেরত নয়, উল্টে কারচুপি—ইডির জালে আরেক সাহারা আধিকারিক

সাহারা ইন্ডিয়া গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিশাল অঙ্কের আর্থিক প্রতারণার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিল ইডি। ১.৭৯ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হলেন সংস্থার প্রাক্তন কর্তা ওমপ্রকাশ শ্রীবাস্তব। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিতে যান। টানা জেরা চলতে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ইডি অভিযোগ করেছে, তিনি তদন্তে বারবার অসহযোগিতা করেছেন। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এই মামলার সূত্র বহু পুরনো। সাহারা ইন্ডিয়া আমানতকারীদের মোটা টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকা বাস্তবে কেউ পাননি। এরপর সংস্থার বিরুদ্ধে ১.৭৯ লক্ষ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। সুব্রত সাহা, তাঁর ছেলে-সহ একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। মামলাটি পরে পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। ইডির দাবি, আমানতকারীদের থেকে সংগ্রহ করা বিপুল অর্থের মধ্যে ৭৫০ কোটি টাকা সংস্থার তিন কর্তার কাছে গিয়েছিল। ওমপ্রকাশের ব্যক্তিগত হিসাবে গিয়েছে ১৫০ কোটি।ইডির আরও অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্ট আমানতকারীদের টাকা ফেরাতে সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিলেও সেই প্রক্রিয়াতেও কারচুপি করা হয়েছে। ওমপ্রকাশ নাকি সাহারায় কর্মরত থাকার সময় বিভিন্ন সংস্থায় টাকা সাইফুন করেছেন, এমনকি ব্যক্তিগত মুনাফাও তুলেছেন প্রায় ১৫০ কোটি।জেরার পর ওমপ্রকাশ শ্রীবাস্তবকে বৃহস্পতিবারই আদালতে তোলা হয়। ইডি আদালতে জানিয়েছে যে, তিনি সাহারা সংস্থা থেকে অবসর নেওয়ার পর অন্য সংস্থায় যুক্ত হলেও পুরনো নথি ও লেনদেনে তাঁর ভূমিকা গোপন করার চেষ্টা করেছেন। তদন্তকারীরা তাঁকে ১৪ দিনের হেফাজতে চাইছে, যাতে টাকা সাইফুনের পুরো রুট ও কার কার ভূমিকা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা যায়।সাহারা মামলায় এই গ্রেপ্তার নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে আর্থিক মহলে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন স্ত্রীকে কোটি টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের! স্বস্তিতে শিখর ধাওয়ান

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান-এর সঙ্গে সম্পত্তি বিতর্কে বড় রায় দিল দিল্লির পাটিয়ালা হাউস আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রাক্তন স্ত্রী আয়েশা মুখার্জি-কে অস্ট্রেলিয়ার সম্পত্তি মীমাংসা চুক্তির মাধ্যমে পাওয়া প্রায় পাঁচ কোটি সত্তর লক্ষ টাকা সুদ-সহ ফেরত দিতে হবে। বিচারক দেবেন্দ্র কুমার গর্গ জানান, হুমকি, প্রতারণা এবং জোরজবরদস্তির মাধ্যমে ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে। ফলে সমস্ত মীমাংসা নথিকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, মামলা দায়েরের দিন থেকে উক্ত টাকার উপর বার্ষিক নয় শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। পাশাপাশি বিচারক স্পষ্ট করেন, দাম্পত্য সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার আদালতের এখতিয়ার নেই। সেই কারণে বিদেশি আদালতের নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার আদালত দুই হাজার চব্বিশ সালের ফেব্রুয়ারিতে দম্পতির বিশ্বজুড়ে থাকা সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল এবং সেই রায়ে ধাওয়ানের ভারতে থাকা সম্পত্তিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।অস্ট্রেলিয়ার আদালতের নির্দেশে আয়েশা মুখার্জি মোট সম্পদের পনেরো শতাংশ পাওয়ার অধিকারী হন। তাঁর কাছে প্রায় সাত কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পত্তি থেকে যায় এবং অতিরিক্ত অর্থ ও একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। দুই হাজার একুশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ পর্যন্ত একাধিক নির্দেশে সম্পত্তি বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ধাওয়ান আদালতে দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় বৈবাহিক আইনের পরিপন্থী এবং তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পত্তি কিনলেও চাপের মুখে সেগুলি যৌথ বা স্ত্রীর নামে নথিভুক্ত করতে বাধ্য হন। একটি ক্ষেত্রে তিনি কেনা সম্পত্তিতে আয়েশাকে নিরানব্বই শতাংশ মালিক দেখানো হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আদালত ধাওয়ানের বক্তব্যকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে এবং বিদেশি আদালতের নির্দেশ মানতে তিনি বাধ্য নন বলে জানিয়ে দেয়।এর আগেই দুই হাজার তেইশ সালে দিল্লির আদালত এই দম্পতিকে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয়। আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, ছেলে জোরাবরের থেকে দীর্ঘদিন দূরে থাকার কারণে ধাওয়ান মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। যদিও স্থায়ী অভিভাবকত্ব তিনি পাননি, তবে সাক্ষাৎ এবং ভিডিও মাধ্যমে যোগাযোগের অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ধাওয়ানের অভিযোগ, পরবর্তীতে সেই যোগাযোগের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

নেতানিয়াহুর ডাকে চমক, ইজরায়েলে পৌঁছেই মোদিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক জল্পনা

দুদিনের ইজরায়েল সফরে বুধবার রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারত ও ইজরায়েল-এর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে খবর। তবে এই সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কূটনৈতিক জটিলতার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলে পৌঁছনোর আগেই সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি নতুন ষড়ভূজ জোট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ায় চরমপন্থী সংগঠনগুলির মোকাবিলাই এই জোটের মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের সম্ভাব্য ইসলামিক সামরিক জোটের পালটা হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নেতানিয়াহু এই জোটে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখতে চাইছেন। পাশাপাশি গ্রিস ও সাইপ্রাসকেও যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে যোগ দিলে পশ্চিম এশিয়ার একাংশের অসন্তোষ বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে এই সফর ভারত ও ইরান-এর সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ। ইজরায়েল ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র বৈরিতার মধ্যে রয়েছে। একই সময়ে ইরান ও আমেরিকা-র মধ্যে চলমান উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ইজরায়েল ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এই সফর তেহরানের সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতির সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সফরে ভারতের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
দেশ

এসআইআর মামলায় বড় স্বস্তি, আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডেই মিলবে সমাধান

এসআইআর মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আধারের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য হবে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, চৌদ্দ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা পড়া সমস্ত নথিই গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই সময়সীমার মধ্যে জমা পড়া নথি পরের দিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে তুলে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মাধ্যমিকের পাশের শংসাপত্রের পাশাপাশি মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে। বয়স এবং অভিভাবকের পরিচয় প্রমাণের ক্ষেত্রে অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। আদালত আরও জানায়, নির্ধারিত সময়সীমার পরে জমা পড়া নথি বিবেচনা করা হবে না।এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আপত্তি জানিয়ে বলেন, আধারের মতো একক নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। এর জবাবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রে জন্মতারিখ বা অভিভাবকের নাম সব সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে না, তাই অ্যাডমিট কার্ডকে সহায়ক নথি হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। বাংলার বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা অ্যাডমিট কার্ডে থাকা তথ্য সম্পর্কে অবগত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আইনজীবীদের মধ্যে তর্কের সময়ে বলা হয়, অনেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসে পাশ না করলেও তাঁদের কাছে অ্যাডমিট কার্ড থাকে। এর উত্তরে আদালত জানায়, নির্ধারিত সময়সীমা এবং অন্যান্য নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা যাবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা পড়া নথিই বিবেচিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফের আদালতে বোমাতঙ্ক, ইমেলে বিস্ফোরণের হুমকিতে তোলপাড় আসানসোল

বুধবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়াল আসানসোল আদালত চত্বরে। নতুন করে বোমা রাখার হুমকি ইমেল আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ। নিরাপত্তার স্বার্থে আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎ এই হুমকি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতই কি টার্গেট, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এর আগেও মঙ্গলবার একই ধরনের হুমকি ইমেল আসে জেলা জজের কাছে। সেই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল আদালত ভবনের ভিতরে আরডিএক্স রাখা রয়েছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে। এমনকি কয়েকজন মাওবাদী সদস্য আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছে পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটাবে বলেও উল্লেখ ছিল। এই খবর ছড়াতেই আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং আদালত খালি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। স্নিফার ডগ ও বিশেষ দল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক আদালতেও একই ধরনের ভুয়ো হুমকি ছড়িয়েছিল। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ইমেলগুলির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে এবং সাইবার দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার নির্দিষ্ট সময়েই আদালতের কাজ শুরু হলেও বেলার দিকে ফের নতুন ইমেল আসায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বার্তায় আবার বিস্ফোরণের হুমকি থাকায় দ্রুত তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই বারবার এই হুমকি পাঠানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা জজ আগেই জানিয়েছেন, আগের হুমকি ভুয়ো ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ না থামালে বাঁচতেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

আবার অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করার পর এবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত যদি তিনি থামাতে উদ্যোগী না হতেন, তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকতেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তান অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল।ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটলে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর কথায়, তিনি মধ্যস্থতা না করলে ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটতে পারত। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প সংখ্যার উল্লেখে বিভ্রান্তি তৈরি করেছেন। আসলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারত।অপারেশন সিঁদুর নিয়ে এর আগেও একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। এক সময় ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর মন্তব্যে পাকিস্তানপন্থী সুর শোনা গিয়েছিল বলে সমালোচনা হয়। তবে ভারত নিজের অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়ে দেয়, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে তৃতীয় কোনও দেশের ভূমিকা ছিল না এবং পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষ থেমেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটার পর ট্রাম্পের বক্তব্যে আবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নথি যাচাইয়ে ব্যস্ত বিচারকরা, কার্যত থমকে গেল বারাসত আদালতের স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া

নথি যাচাইয়ের বিশেষ কাজে ব্যস্ত থাকায় বারাসত আদালতের অধিকাংশ বিচারক আগামী নয় মার্চ পর্যন্ত আদালতে উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গিয়েছে। ফলে স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া কার্যত ধাক্কা খেয়েছে। বারাসত আদালতে মোট পনেরো জন বিচারকের এজলাস বসে। একজন জেলা বিচারক-সহ মোট আট জন অতিরিক্ত জেলা বিচারক নথি যাচাইয়ের কাজে নিযুক্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বাকি বিচারকদের উপরেই সমস্ত আদালতের দায়িত্ব এসে পড়েছে। অর্থাৎ ছয় জন বিচারককে পনেরোটি আদালতের কাজ সামলাতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এতে বিচার ব্যবস্থায় তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে।আইনজীবীরা জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে মামলাকারীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। বহু মামলার নিষ্পত্তির সময় ঘনিয়ে এলেও শুনানি পিছিয়ে যাচ্ছে। কোথাও সাক্ষ্য গ্রহণের দিন থাকলেও বিচারক না থাকায় সাক্ষীরা আদালতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক কষ্টে সাক্ষী হাজির করেও শুনানি না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে। মামলাগুলি আবার কবে স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন আইনজীবীরা।পাবলিক প্রসিকিউটর বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী বলেন, আপাতত নয় তারিখ পর্যন্ত এই সমস্যা চলবে এবং পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। কিছু মামলায় উচ্চ আদালতের নির্দেশ থাকলেও বিচারক অনুপস্থিত থাকায় সেগুলিও এগোচ্ছে না। বিচারকরা যতদিন নথি যাচাইয়ের কাজে ব্যস্ত থাকবেন, ততদিন আদালতে এই অচলাবস্থা চলবে বলেই মত তাঁর।অতিরিক্ত জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর শ্যামলকান্তি দত্ত জানান, নিম্ন আদালতের বহু বিচারক নথি যাচাইয়ের কাজে চলে যাওয়ায় দ্রুত বিচার আদালতগুলিকে একসঙ্গে একাধিক মামলার দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। সেখানে নিজেদের মামলার পাশাপাশি অন্য মামলাও সামলাতে হচ্ছে। ফলে জামিন সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য শুনানি প্রায় বন্ধ। বহু মামলার নিষ্পত্তির সময় পার হয়ে গেলেও শুনানি এগোচ্ছে না এবং সাক্ষীরা এসে ঘুরে চলে যাচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে বারাসত আদালত এলাকায় আইনজীবী ও মামলাকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক না হলে মামলার জট আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভাঙড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই হেরে নিভে গেল শিশুর জীবন

ভাঙড়ের রাস্তা সংস্কারের কাজ চলাকালীন কেমিক্যাল ভর্তি ড্রাম বিস্ফোরণে গুরুতর দগ্ধ হওয়া বালক শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানল। মৃতের নাম সাদিকুল আহমেদ। বুধবার ভোরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তার শরীরের প্রায় পঁচানব্বই শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুঃসংবাদ বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। গোটা এলাকাজুড়েও নেমে এসেছে শোকের আবহ। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে খবর, ক্যানিং বিধানসভার অন্তর্গত ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল কয়েক দিন আগে। মঙ্গলবার বিকেলে রাস্তার ধারে প্রায় দুইশো লিটার লাইট ডিজেল অয়েল ভর্তি একটি ড্রাম পড়ে ছিল। সেই ড্রামের পাশেই আট থেকে দশ বছর বয়সী চার শিশু খেলছিল। আচমকাই বিকট শব্দে ড্রামটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় সাদিকুল মারাত্মকভাবে ঝলসে যায় এবং বাকি তিনজনও দগ্ধ ও আহত হয়। অসহ্য যন্ত্রণায় একজন পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয় বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত শিশুদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রথমে নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনজনকে কলকাতার এম আর বাঙুর হাসপাতাল এ স্থানান্তর করা হয়। আহতদের মধ্যে সাদিকুলের অবস্থা সবচেয়ে আশঙ্কাজনক ছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত ভোরে তার মৃত্যু হয়।অন্য দুই আহত বালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাদের শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর ভাঙড় এলাকায় পৌঁছন ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তদন্তে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে বোমা স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।রাস্তা মেরামতির কাজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না এবং দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal