• ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ০৪ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Abhi

রাজনীতি

তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড শান্তনু সেন ও আরাবুল ইসলাম, কেন এই সিদ্ধান্ত?

তৃণমূল কংগ্রেস সাসপেন্ড করল ভাঙরের আরাবুল ইসলাম ও ডা. শান্তনু সেনকে। এই সাসপেনশন নিয়ে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু সেনের অবস্থানকে কেন্দ্র করে মূলত বিতর্কের সূত্রপাত হয়। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়ে দেন, তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরাবুল ইসলাম ও শান্তনু সেনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। দলবিরোধী কাজের জন্য এই দুই নেতাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। শান্তনু দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট বলেই খবর। সাসপেন্ড হওয়ার পর শান্তনু সেন বলেছেন, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সেনাপতি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি যখন যা দায়িত্ব দিয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। আজও বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছি। তার ৩ ঘন্টার মধ্যে সাসপেন্ড হয়েছি। আমি নাকি আন্দোলনটাকে উসকে দিয়েছি। এখানে থামেননি প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ। তিনি বলেছেন, আমি বুঝেই উঠতে পারছি না, দলের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করলাম! সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দলের কথা ভেবেছি। পেশার কাজের বাইরে কেবল তৃণমূলের কাজ করেছি। তার পরেও কেন এই পদক্ষেপ, বুঝতে পারছি না।এদিকে জামিন পাওয়ার পরও ভাঙড়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েন আরাবুল ইসলাম। গত ১ জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে তৃণমূলের দলীয় পতাকা উত্তোলনের সময় গোষ্ঠীসংঘর্ষে জড়ান আরাবুল। প্রাক্তন বিধায়ককে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর কর্মীরা। বিধায়ক শওকত মোল্লার ভাঙড় দখল করে দাদাগিরি করতে চাইছে বলে দাবি করেন আরাবুল ইসলাম। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডা. সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন শান্তনু সেন। আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু সেনের অবস্থানের পর তাঁকে তৃণমূলসের মুখপাত্র পদ থেকে সরানো হয়, তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডক্টর সামিটের মূল হোতা ছিলেন শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকেই সাসপেন্ড করল তৃণমূল কংগ্রেস। শান্তনুর বক্তব্য, বারবার দল পাল্টাইনি। আমি কখন দলবিরোধী কাজ করলাম? আমার নেতৃত্ব সেটা বলে দিলে ভালো লাগতো। আমার বিরুদ্ধে ভুল বোঝানো হয়েছে। এদিন কংগ্রেস থেকে ভায়া বিজেপি হয়ে দলে যোগ দেওয়া জয়প্রকাশ মজুমদার এই সাসপেন্ড ঘোষণা করায় কটাক্ষ করেছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।

জানুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

প্রকাশ্যে বাগযুদ্ধ জড়ালেন বাবুল সুপ্রিয় ও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, যানজটে জেরবার দ্বিতীয় হুগলি সেতু

সাধারণের সামনে প্রকাশ্যে রাস্তায় রীতিমতো তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের মন্ত্রী বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় এবং বিজেপির তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর অভিযোগ, পিছনের দিক থেকে যাচ্ছিল বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের গাড়ি। গাড়িটি একনাগাড়ে হর্ন দিচ্ছিল ও দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। বাবুল গাড়ি থেকে মুখ বের করে আপত্তি জানান। এরপরেই গাড়ি থামিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাকে কটু কথা বলতে শুরু করে দেন বলে দাবি বাবুল সুপ্রিয়র। শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে বচসার এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে এই ঘটনা ঘটে। হাওড়ার দিকে যাচ্ছিলেন অভিজিৎ। ওই একই সময়ে বাবুলও দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে যাচ্ছিলেন। রাজ্যের মন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদের মধ্যে ঝামেলায় যানজট তৈরি হয় দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে। বাবুলের দাবি, নিয়ম ভেঙে বেপরোয়া গতিতে ছুটছিল অভিজিতের গাড়ি। প্রতিবাদ জানানোয় গাড়ি থেকেই অভিজিৎ অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে দেন বলে অভিযোগ করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন বাবুল সুপ্রিয়। অভিজিতের নিরাপত্তারক্ষীরা বাবুলকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।মন্ত্রী ও সাংসদের বচসার সময় ভিড় জমে যায় দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে। তবে বিজেপি সাংসদকে বার বার গাড়ি থেকে নামতে বলেন বাবুল, তবু তিনি গাড়িতে বসেছিলেন। বাবুলও বলে চলেন, ক্ষমা না চাইলে অভিজিতের গাড়ি যেতে দেবেন না। বাবুল জানান, কানের কাছে লাগাতার সাইরেন বাজাচ্ছিল অভিজিতবাবুর গাড়ি। গোটা রাস্তা স্কুটার, বাইক দেখে তীব্র হর্ন বাজাতে বাজাতে যাচ্ছিল অভিজিতের গাড়ি। এক মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনা হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজনীতি

অভিষেকের নাম করে তোলাবাজি, নিউটাউনের তৃণমূল নেতা ধৃত!

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাইটিং প্যাড ব্যবহার করে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার নিউটাউনের তৃণমূল নেতা কৌশিক সরকার। তাকে গ্রেফতার করেছে শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, চার কোটি টাকার তোলাবাজি অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এছাড়া স্থানীয় স্তরে জমি সংক্রান্ত অন্য অভিযোগ আছে। তাঁর গ্রেফতারের পর হাত ধুয়ে ফেলেছে তৃণমূল। যদিও বিরোধীরা এই গ্রেফতার নিয়ে রেরে করে উঠেছে। কৌশিক সরকার নিউ টাউন এলাকার তৃণমূল নেতা হিসাবে পরিচিত। তাঁর ফেসবুকেও রাজনৈতিক পোস্ট আছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই কৌশিক সরকারের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক তোলাবাজির অভিযোগ ছিল। একাধিক নেতাদের নাম করে সে তোলাবাজি করত। কখনও কখনও সে নিজেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করত। গতকাল রাতে শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশ চিনার পার্ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া নিউ টাউনের জমি সংক্রান্ত বিসয়েও তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ।তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, কৌশিক সরকার দলের কেউ নয়। অনেকেই দলের নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে ঘনিষ্ঠতা দেখানোর চেষ্টা করে। তারপর অপকর্ম করে। যদিও বিজেপি ও সিপিএমের বক্তব্য, এই সব তোলাবাজে ভর্তি তৃণমূল।

আগস্ট ৩০, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির লোকসভার প্রার্থীই দল বিরোধী কাজে অভিযুক্ত! সাময়িক বরখাস্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস তথা ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দলের অভ্য়ন্তরেই। দল বিরোধী অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রাজ্য় বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতির নির্দেশ এই পত্র দিয়েছেন। আগামী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দল অভিজিৎ দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে।মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় অত্য়াচারিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিয় দল। মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর যাওয়ার পথে আমতলা দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি দল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কথা বলতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানাতে থাকে, তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপির ঘরছাড়ারা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা শুনতে হবে। যদিও তাঁরা সেখানে যাননি। বারুইপুর দলীয় কার্যালয়ে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি একাধিক অভিযোগ এনেছে। মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকা, ভোট পরবর্তী হামলায় আক্রান্তদের সেই বৈঠকে যেতে না দেওয়া, কর্মীদের দ্বারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঘেরাও, অনৈতিক মন্তব্য়, বিজেপির ডায়মন্ড হারবার জেলা কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা- এই সব ঘটনার পিছনে অভিজিতের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে। চিঠিতেবলা হয়েছে, আপনি দলের কার্যকর্তা সেই কথা মাথায় রেখে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও দলের করাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে ৭ দিনের মধ্যে দলবিরেোধী কার্যকলাপের কারণ দর্শাতে হবে। আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করেছে দল। চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজনীতি

সকালে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে, বিকেলে বাড়ি ফিরলেন অভিষেক

রবিবার সকালে বাইপাশের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তাঁর শরীরে ছোট্ট একটি অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। দিনভর হাসপাতালে থাকার পর এদিন বিকেলেই তাঁকে ছুটি দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিন তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট হয়নি। সেক্ষেত্রে শারীরিক কিছু পরীক্ষাও হতে পারে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের।লোকসভা নির্বাচন পর্ব মেটার পরপরই এবার হাসপাতালে ভর্তি হলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। দিন কয়েক আগেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি জানিয়েছিলেন, চিকিৎসাজনিত কারণে তিনি সংগঠন থেকে ছোট্ট বিরতি নিচ্ছেন।এর আগে বার কয়েক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখের অস্ত্রোপচার হয়েছিল। দেশে তো বটেই এমনকী বিদেশে গিয়েও চোখের চিকিৎসা করিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২২ সালে আমেরিকায় চোখের অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তবে এবার আর চোখের চিকিৎসা নয়, সূত্রের খবর সম্ভবত পেটের ছোট্ট অস্ত্রোপচারের জন্য কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে বিকেলেই হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়। আপাতত দিন কয়েক বাড়িতেই বিশ্রামে থাকবেন তিনি।

জুন ১৬, ২০২৪
রাজনীতি

এসএসসির চাকরি বাতিলে সুপ্রিম রায়, কি বললেন মমতা- অভিষেক

২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি জানান, এখনই চাকরি বাতিল হচ্ছে না। তবে এখানেই এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি। এসএসসি আদালতকে জানিয়েছে এরমধ্যে ১৯,০০০ চাকরি বৈধ। সুপ্রিম নির্দেশের পরই এবার আসরে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে লিখলেন সত্যের জয় হল।তিনি এদিন লিখেছেন, বাংলার ভাবমূর্তি নষ্টে বিজেপির বিস্ফোরণ সুপ্রিম কোর্টে নিষ্ক্রিয়। সব প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। মানুষের পাশে থেকে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চলবে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চলবে।🙏I am really very happy and mentally relaxed on receipt of justice at the highest Court of the land. Congratulations to the entire teaching fraternity and my humble regards to the Honble Supreme Court of India.🙏সুপ্রিম কোর্টে ন্যায় প্রাপ্তির পর আমি বাস্তবিকই খুব খুশী এবং Mamata Banerjee (@MamataOfficial) May 7, 2024এদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে বেজায় খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জন্য শিক্ষক সমাজকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা। আর শীর্ষ আদালতকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়প্রাপ্তির পর আমি বাস্তবিকই খুব খুশি এবং মানসিক ভাবে তৃপ্ত। সামগ্রিক ভাবে শিক্ষক সমাজকে জানাই আমার অভিনন্দন এবং মাননীয় সুপ্রিম কোর্টকে জানাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা।মঙ্গলবার ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন জানান, এখনই কারও চাকরি বাতিল হচ্ছে না। যদি যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব হয়, তাহলে গোটা প্যানেল বাতিল করা ন্যায্য হবে না। তবে এখানেই এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি। তবে এই রায়কে নিজেদের জয় হিসাবে দেখছে রাজ্যের শাসকদল। পাল্টা বিজেপির দাবি, সিবিআই তদন্ত চলবে। আর চূড়ান্ত শুনানি হবে ১৬ জুলাই। সুতরাং এখনই নিষ্পত্তি নয় এই মামলার।The Honorable Supreme Court has DEFUSED the BJPs EXPLOSIVE hurled last week to malign Bengals image and destabilize WB government.TRUTH HAS TRIUMPHED!We will continue to defy all odds and stand shoulder to shoulder with the people until our last breath.জয় বাংলা 💪🏻 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) May 7, 2024

মে ০৭, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির নারদ আদলে তৃণমূল ভবনে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও প্রদর্শন, ভয়ঙ্কর আক্রমণ অভিষেকের

নারদ-কাণ্ডে বিজেপি দফতরে ভিডিও ফুটেজ তুলে ধরে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন গেরুয়া নেতারা। তখনও এরাজ্যে নির্বাচনী আবহ ছিল। এবার সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও তোলপাড় ফেলতেই একই কায়দায় এবার বিজেপিকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পদ্ম বাহিনীকে কার্যত তুলোধনা করলেন তিনি। অভিষেকের সাফ কথা, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিও বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল স্বীকার করছেন, মহিলাদের ধর্ষণের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। সে জন্য তাঁদের টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।এরপরই এক্স বার্তায় সরব হয়েছিলেন অভিষেক। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। অভিষেক বলেন, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। ভিডিয়োতে উনি বলেছেন, তাবড় তাবড় মালকে গ্রেফতার করানোর কথা। গঙ্গাধর বলেছেন, শুভেন্দু তাঁদের বলেছেন, তাবড় তাবড় মাল গ্রেফতার না করালে তোমাদের কিছু হবে না। খবর যাচাই না করেই বাংলার নামে খবর প্রকাশ করেছে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এঁদের প্রত্যেকের উচিত বাংলায় এসে ক্ষমা চেয়ে যাওয়া।পরিকল্পনা করে সন্দেশখালিতে রোবটও নামিয়ে দিল ওরা। যেন মনে হচ্ছিল চাঁদে চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান নামছে। এই সব কিছুই দেখানোর জন্য। সব পরিকল্পিত।গঙ্গাধর বলেছে ২০০০টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বাংলায়। রেখা পাত্র যিনি ওই এলাকার লোকসভা ভোটের প্রার্থী তিনিও ওই ২০০০ টাকার বিনিময়েই অভিযোগ করেছিলেন। পিঠে পাটিসাপটা বানানো নিয়ে কত কথা বলেছিল সংবাদ মাধ্যম। কী ভাবে খবর প্রকাশ হয়েছিল! আর এখন এরা বলছে ধর্ষণই হয়নি। উল্টে ধর্ষণ নিয়ে যাতে কোনও পরীক্ষা দিতে না হয়, সে জন্য ৭ মাস আগের অভিযোগ দায়ের করেছে।বাংলাকে কলুষিত করার জন্য বিজেপির পাশাপাশি বিচারমাধ্যমের একাংশও দায়ী বলে মনে করি আমি। এ কথা বলার জন্য যদি আমি আদালত অবমাননার দায়ে পড়ি, তবে পড়ব, কিন্তু সত্যি কথা বলা থেকে আমাকে আটকানো যাবে না। বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মহিলাদের সম্ভ্রম ২০০০ টাকায় বিক্রি করেন, সেই দলকে ভোট দেওয়ার আগে দশবার ভাববেন।আমি চ্যালেঞ্জ করছি গঙ্গাধর কয়ালকে বিজেপি সাসপেন্ড করুক। এ ব্যাপারে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যও মিলছে না। বিজেপির নেতারা আলাদা আলাদা কথা বলছেন। ওদের আসল চেহারা, ওদের নগ্নরূপ বেরিয়ে গেছে।বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিয়ো বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।বাংলায় ওরা থাকছে, খাচ্ছে আর বাংলার নাম কলুষিত করছে। আসলে বাংলাকে কলুষিত করে দখল করার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। যেভাবে, রাজস্থান, কর্ণাটক দখল করেছে সে ভাবেই বাংলাও দখল করবে। কিন্তু বাংলার দখল নেওয়া অত সহজ নয়। খালি কয়েকটা ভোটের জন্য যা নয় তাই করা হচ্ছে। সমস্যা আদৌ হয়েছে কি না যাচাই না করেই সিবিআই হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান মেনে পুলিশকে সুযোগও দেওযা হচ্ছে না। তদন্ত করার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।ওর (শুভেন্দু অধিকারী) সিবিআইকে বলুন, যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে। ওর সিবিআই দেখিয়ে রাজনীতি অন্য জায়গায় করতে বলবেন। সিবিআইয়ের তল্পিবাহকতা করার জন্য বাংলার মানুষ বেঁচে আছে। ওর যদি ক্ষমতা থাকে, তা হলে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ওই বেইমানটাকে বলবেন, আমি ওকে বেইমান বলছি, গদ্দার বলছি, ঘুষখোর বলছি। কী করবে করে নিক।

মে ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

সন্দেশখালি নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা বললেন.....

বিরোধী দলনেতার মদতেই হয়েছে। সন্দেশখালি সম্পর্কিত ভাইরাল ভিডিওতে সেই দাবিই শোনা গিয়েছে (সেই ভিডিও জনতার কথা যাচাই করেনি) বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের মুখ থেকে। এরপরই সরব হয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করেছেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের যুবরাজের সাংবাদিক বৈঠকের পরই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রাজ্যে বিরোধী দলনেতা। তিনি দাবি করলেন, সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে ই-মেল করে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল তাঁর বক্তব্যের বিকৃত ভিডিও অভিযোগ আকারে পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই সন্দেশখালি থেকে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন গঙ্গাধর।ভাইরাল ভিডিওতে বিজেপি নেতার মুখে একাধিকবার শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর নাম। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, এই সব কিছু কয়লা ভাইপোর তৈরি। অর্থাৎ শুভেন্দুর নিশানায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে এক্স বার্তায় এই ইস্যুতে দাবি করেছিলেন যে, ভোটে হারবেন বুঝেই এ সব করিয়েছেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শনিবার সকালে স্টিং অপরেশনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োতে বিজেপির সন্দেশখালির ২ নং মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। এ নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল। শুভেন্দু সেই আক্রমণ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, ভিডিয়োটি বিকৃত।গঙ্গাধরের দাবি ওই ভিডিও বিকৃত। ভিডিওয় তাঁর ছবি এবং কথার মধ্যে কোনও মিল নেই। ভিডিয়োয় বক্তার মুখও স্পষ্ট নয়। এমন ভাবে ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে, যাতে তা বোঝা না যায়। ভিডিও থেকে বক্তার ঠোঁটের নড়াচড়াও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না বলেই দাবি গঙ্গাধরের। ভিডিয়োর শব্দ স্পষ্ট নয়। ইচ্ছাকৃত অসাধু উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ গঙ্গাধরের।

মে ০৪, ২০২৪
রাজ্য

লক্ষ্মীর ভান্ডারেই ভরসা অভিষেকের, সন্দেশখালি নিয়ে টু শব্দটিও নয় বর্ধমানে

বীরভূমের পর বর্ধমানের জামালপুরে জনসভা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তুলে ধরলেন রাজ্য সরকারের উন্নয়নের ক্ষতিয়ান। লক্ষ্মীর ভান্ডারের কথাও বললেন। এই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে বিরোধী দলের এক নেত্রীর অডিও ভাষণ শোনালেন অভিষেক। তবে এদিন তাঁর মুখে শোনা গেল না সন্দেশখালিে অস্ত্র উদ্ধারের কথা। এদিন বিজেপির সমর্থনে দলের তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী প্রচার সারেন বর্ধমান জেলায়৷ রাজ্যের সর্বত্র সন্দেশখালির মতো তল্লাশি অভিযান চালানো দরকার বলে মনে করেন মুম্বাইয়ের সুপার স্টার। অন্য দিকে পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সভায় সন্দেশখালি নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী। বিজেপি নেতার বাড়িতে বোমা ফাটা নিয়ে নিশানা করেন তিনি। যদিও সেই পথে হাটেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা আসানসোলে বলেন, এখানে চকোলেট বোমা ফাটলেও সিবিআই, এনআইএ, এনএসজি নেমে পড়ে। যেন কোনও যুদ্ধ হচ্ছে। সব একতরফা, রাজ্য পুলিশকে জানায়নি কিছু। কোথা থেকে পাওয়া গিয়েছে, কী পাওয়া গিয়েছে, হতে পারে নিজেরাই গাড়িতে ভরে এনে দেখিয়েছেন। কোনো প্রমাণ নেই যে ওখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, সন্দেশখালিতে সিবিআই তল্লাশির সময় ন্যাজাট থানার ওসি ছিলেন।তবে সন্দেশখালির অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে টু শব্দও করেনি অভিষেক। তিনি বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডারের ফলে মহিলারা উপকৃত হচ্ছেন। কেন্দ্রে ইণ্ডিয়া জোটের সরকার গঠন হবে। তাতে বাংলার বড় ভূমিকা থাকবে। তখন সারা দেশের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করা হবে। তাই আপনারাই ঠিক করুন ,মোদির গ্যারান্টিকে বেছে নেবেন, না কি দিদির গ্যারান্টির সঙ্গে থাকবেন।

এপ্রিল ২৮, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেককে খুন করার চেষ্টা, অভিযোগ মমতার, এসএসসি নিয়োগ বাতিল নিয়েও চরমে সুর

নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুন করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। এই অভিযোগে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। তবে এপ্রসঙ্গে নাম না করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেই নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিজেপির এক গদ্দার বললেন বোমা ফাটাব। আরে বোমা ফাটিয়ে মমতা ব্যানার্জির ওপর রাগ হয় তো মেরে দে। অভিষেককেও তো খুন করতে গিয়েছিলি, ধরে ফেলেছিলাম আমরা। তার বাড়ি পর্যন্ত রেইকি করেছে। ফেসটাইমে ফোন করেছে। আপকা সাথ বাত করনা চাহতা হু। সময় দিলেই গুলি করে দিয়ে পালিয়ে যেত। এরা চায়, যাঁরা ওঁদের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাঁদের মেরে দাও, জেলে ভরে দাও। তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দাও। মানুষের ভোটে জিতবেন যদি মনে করেন তাহলে এত ভয় দেখানোর কী দরকার ছিল।দিন কয়েক আগেই চলতি সপ্তাহে রাজ্যে বড় কিছু ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা ছড়িয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে তাই অভিষেকের বাড়ির রেইকি করায় অভিযুক্তের গ্রেফতারিতে শুভেন্দুকেই নিশানা করেছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এরপর তিনি অভিষেকের বাড়ি ও অফিসের সামনের এলাকার রেইকি করেছিলেন বলেও খবর মেলে। এই ঘটনার খবর মিলতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। মুম্বই থেকে তাকে গ্রেফতার করে আনে লালবাজার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিসের কেন রেইকি করেছিলেন রাজারাম? তা এখনও স্পষ্ট না হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু এর পিছনে গভীর রহস্যের গন্ধ পেয়েছেন।মঙ্গলবার ভাতারে লোকসভা ভোটের প্রচারে এসএসসির চাকরি বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশ নিয়ে ফের মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে এ দিন একতরফা বলে সোচ্চার হন মমতা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২ কোটি লোককে চাকরি দেবেন বলেছিলেন। একটা লোককে চাকরি দেননি। আর আমরা বাংলায় যখন চাকরি চাকরি দি, তখন আপনারা কোর্টেকে দিয়ে সেগুলো খেয়ে নেন। ওরা তো আমাদের আন্ডারে নয়, আপনাদের আন্ডারে।এরপরই মমতা বলেন, আমি রায় নিয়ে বলছি, বিচারকের নাম নিয়ে বলছি না, আমার প্রয়োজন পড়ে না। যদি বলতেন এখানে অসুবিধা আছে, ভুল হয়েছে, সংশোধন করে নাও। করে নিতাম আমরা। ভুল হতেই পারে। যে কেউ করতে পারেন। সবটাতো আর আমি চালাই না। শিক্ষা দফতর স্বতন্ত্র। আজকে বলুন তো যাঁরা একতরফা রায় দিয়ে ২৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি খেয়ে নিলেন, আর বললেন এক মাসের মধ্যে আট বছরের মাইনে সুদ সহ টাকা ফেরৎ দিতে হবে, পারবেন?

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেক-র বাড়ি ও অফিস রেইকি করার অভিযোগে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার অভিযুক্ত

বাণিজ্যনগরী মুম্বই থেকে রাজারাম রেগি নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। কলকাতায় এসে এই রাজারাম রেগি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিসের সামনে রেইকি করেছেন বলে খবর পুলিশ সূত্রে। জানা গিয়েছে, এই রাজারাম রেগি কলকাতায় এসে কয়েকদিন ছিলেন। তিনি শেক্সপিয়র সরণি থানা এলাকার একটি হোটেলে রুম বুক করেছিলেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। এরপর তিনি অভিষেকের বাড়ি ও অফিসের সামনের এলাকার রেইকি করেছিলেন বলেও খবর মিলেছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
রাজ্য

এসএসসি নিয়ে নজিরবিহীন রায় আদালতের, বাতিল ২০১৬-র পুরো প্যানেল

এসএসসি নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালে নিয়োগ হওয়া প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল আদালত। পুরো প্যানেল রাতিল করেছে আদালত। পাশাপাশি সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই রায়ের পর তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করেছেন। আন্দোলনকারীরা এই রায়ের পর আশার আলো দেখছেন। প্রায় সাড়ে ৩ মাসের শুনানি শেষে সোমবার এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা হল। ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোনও চাকরি বৈধ হওয়া উচিত নয়। এসএসসি মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্টের। ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই বাতিল করেছে দিল উচ্চ আদালত। SSC-র সমস্ত নিয়োগ বাতিল করল হাইকোর্ট। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি প্রাপকদের আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ সুদ সমেত বেতন ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে।এরই পাশাপাশি ফের নতুন করে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে এসএসসিকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। SSC গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি, নবম-দ্বাদশ পর্যন্ত ২০১৬ সালে হওয়া সব নিয়োগ অবৈধ বলে স্পষ্ট জানাল হাইকোর্ট। ২০১৬ সালের সেই গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াই এদিন বাতিল করেছে উচ্চ আদালত।নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ নিয়োগের পাশাপাশি এসএসসি গ্রুপ সি ও গ্রুপ-ডি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। সেই সব মামলার শুনানি শেষের পর আজই রায় ঘোষণা আদালতের। এরই পাশাপাশি CBI এই গোটা নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। প্রয়োজনে এই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যে কাউকে হেফাজতে নিয়েই তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন বলেও জানিয়েছেন বিচারপতিরা। এসএসসি-কে সমস্ত OMR শিটের কপি তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করতে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। ওই ওএমআর শিট পর্যবেক্ষণ করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
রাজনীতি

প্রাক্তন বিচারপতিকে ক্রমাগত নিশানা করে চলেছেন মমতা

আরও একবার প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় প্রাক্তন বিচারপতি তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ফের একবার অভিজিৎবাবুর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, জনগণের আদালতে বিচার হবে প্রাক্তন বিচারপতির।এর আগে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রাজনীতিতে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ সম্পর্কে তৃণমূল নেত্রী মমতা বলেছিলেন, মুখ থেকে মুখোশ খুলে গিয়েছে। যেখানে দাঁড়াবেন সেখানেই হারবেন।শুক্রবার আলিপুরদুয়ারে প্রচার সারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই তিনি আক্রমণ করেন তমলুকের বিজেপি প্রার্থীকে। বলেন, দেখলেন একজন বিচারপতি কী করলেন। আপনি অনেকের চাকরি খেয়েছেন। এ বার জনগণের আদালতে আপনার বিচার হবে। আমরা ওখানে (তমলুক) ছাত্রনেতা দেবাংশুকে পাঠিয়েছি। গোহারা হারবেন।তমলুক অধিকারীদের গড় বলেই পরিচিত। এখান থেকেই জোড়-ফুল প্রতীকে জিতে দিল্লি গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে নন্দীগ্রাম থেকে তাঁকে জিতিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দুর পর তমলুকের সাংসদ ছিলেন তাঁর ছোট ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূল ছেডে় তিনিও এখন বিজেপিতে। তবে, তমলুক থেকে প্রাক্তন বিচারপতিকে এবার প্রার্থী করেছে পদ্ম শিবির। যাঁর প্রতিপক্ষ তৃণমূলের ছাত্রনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।অভিজিৎবাবুর বিরুদ্ধে কেন এত রাগ মমতার? হাইকোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশেই শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্ত শুরু হয়। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে শ্রীঘরে পাঠানোর নেপথ্যেও রয়েছে তাঁর নির্দেশ। শুনানি চলাকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁচাছোলা পর্যবেক্ষণ করেছেন অভিজিৎবাবু। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় শুরু থেকেই রাজনীতিক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মমতা দাবি কেরছিলেন যে, কথায় কথায় পিল গিলে বিজেপি যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তেমনই উনি (অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়) রায় দিয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২৪
রাজ্য

মালদায় দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে বৈঠক অভিষেকের, বিশেষ নির্দেশ নেতা-কর্মীদের

গত বিধানসভা নির্বাচনে মালদা ও মুর্শিদাবাদের জনগণ দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছিলেন। স্বাভাবিক কারণেই খুব ভালো ফল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবারও আমরা আশাবাদী বিরোধীদের পরাস্ত করে মালদায় ভালো ফল করবে তৃণমূল। শুক্রবার বিকালে দলের ১২১ জন কর্মকর্তাদের নিয়ে গোপন বৈঠক করার পরে জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন পুরাতন মালদা ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি বেসরকারি হোটেলে তৃণমূলের মালদা দুটি লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন কমিটির ৪২ জন সদস্য, দলীয় বিধায়ক, অঞ্চল কমিটির সভাপতি থেকে শুরু করে মোট ১২১ জন কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই গোপন বৈঠক করেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এদিন দুপুর দুটো থেকে প্রায় বিকেল চারটা পর্যন্ত দুঘণ্টা ধরে রুদ্রদ্বার এই বৈঠক চলে। এই বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচনের রণকৌশল ঠিক করা হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী তথা মালদার দুই বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন ও তাজমুল হোসেন, তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী, দলের চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক সমর মুখার্জী , মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ, তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস।এদিন দলীয় বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত বিধানসভা নির্বাচনে মালদায় খুব ভালো ফল হয়েছে। মালদার দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্র সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে দুটি বিধানসভা কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের মধ্যে পড়ে। সেটি হলো সামশেরগঞ্জ এবং ফারাক্কা। সেখানেও গত বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল হয়েছিল তৃণমূলের। এদিনের এই পর্যালোচনা বৈঠকে দলীয় নেতৃত্বের নানান কথা শোনা হয়েছে। আগামীতে নির্বাচনী রণকৌশল তৈরি করতে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে, সেনিয়ে এদিন এই বৈঠকের মাধ্যমে মতামত বিনিময় করা হয়েছে। সাংবাদিকদের সামনে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, গত বিধানসভা নির্বাচনে মালদা এবং মুর্শিদাবাদে আমরা ভালো ফল করেছিলাম। জনগণ দুইহাত তুলে আশীর্বাদ করেছিল। এবারও আমরা আশাবাদী মালদা এবং মুর্শিদাবাদে ভালো ফল করবে তৃণমূল। গত লোকসভা নির্বাচনে মালদার দুটি কেন্দ্রের মধ্যে উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি জিতেছিল এবং দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল। কিন্তু এবার সর্বত্র মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের জোয়ার বইছে গোটা রাজ্য জুড়ে। ফলে এবারে আর বিরোধীদের কোন জায়গা থাকবে না।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচনী রণকৌশল ঠিক করতে এদিন পর্যালোচনার মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলের বুথ স্তরের কর্মীরা প্রচার চালাবেন। যারা গত লোকসভা নির্বাচনে বিমুখ হয়েছিল, তাদের কাছে বুথ স্তরের কর্মীরা যাবেন এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়নের প্রচার তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি কেন গত লোকসভা নির্বাচনে এই ধরনের ফলাফল হয়েছিল? সেটিও প্রান্তিক স্তরে গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে হবে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৪
রাজ্য

দলীয় কর্মী ও নেতাদের কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের, 'ফল ভালো না হলে সরতে হবে'

নিজের দুর্গ অটুট রাখতে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূলের যুবরাজ। ডায়মন্ড হারবারে এবারও তৃণমূলের প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী কোনও শিবির-ই এই কেন্দ্রে এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। এই অ্যাডভানটেজ-কেই কাজে লাগিয়ে ভোটপর্বের শুরুতেই কয়েক কদম এগিয়ে যেতে মরিয়া তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বুধবার দলীয় নেতা, স্থানীয় বিভিন্নস্তরের তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার ভোট প্রস্তুতি বৈঠক সারেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে শুরুতেই সকলকে সেনাপতি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, ডায়মন্ড হারবারে এবার তাঁর জয়ের ব্যবধান অন্তত চার লাখ হওয়া চাই। অর্থাৎ টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন তিনি। এর আগে বসিরহাটের জনসভায় তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন এবার ৪ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতবেন।দলীয় বৈঠকে অভিষেক মনে করিয়ে দিয়েছেন, জনগণই তৃণমূলের শক্তি। তাই বার বার মানুষের কাছে যেতে হবে। মানুষের চাহিদা কী, তা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পরিষ্কারভাবে জানতে হবে। আগামী দুমাস আরও নিবিড়ভাবে মানুষের কাছে যেতে হবে। রাজ্য সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিষয়ও মানুষকে জানাতে হবে বেশি করে।৪,৬,৯ ও ১৬- ডায়মন্ড হারবার পুরসভার এই চার ওয়ার্ডে গত নির্বাচনে তৃণমূলের ফল ভাল হয়নি। কেন খারাপ হয়েছিল? সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে জানতে চান বিদায়ী সাংসদ। তাঁর নির্দেশ, এই সব ওয়ার্ডগুলিতে নেতা-কর্মীদের আরও বেশি করে মানুষের কাছে যেতে হবে, কথা শুনতে হবে। এসব বুথ ও ওয়ার্ডে কেন তৃণমূলের থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়েছিলেন তা জানতে হবে। সূত্রের খবর অভিষেক বলেছেন, মানুষ যদি না চায় আমাদের, তবে সরে যেতেই হবে।বৈঠকে এরপরই কড়া ভাষায় অভিষেকের হুঁশিয়ারি, কোনও ওয়ার্ডে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল লিড না পেলে তার দায়িত্ব নিতে হবে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং প্রেসিডেন্টদের। তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী, তাঁদেরকে সংশ্লিষ্ট পদ থেকে সরেও যেতে হবে।ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা সওকত মোল্লা বলেন, উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তাই মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার করতে হবে। তাঁদের কোনও অভাব, অভিযোগ থাকলে শুনতে হবে জনপ্রতিনিধি ও তৃণমূল নেতাদের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বার্তাই বাতলেছেন ভোট প্রস্তুতি বৈঠকে।ডায়মন্ড হারবার মডেল নিয়ে বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড় হয়েছিল। জয়ের লক্ষ্যমাত্রার টার্গেট বেঁধে ও পার্টি নেতা, জনপ্রতিনিধিদের বেনজির হুঁশিয়ারি দিয়ে যেন সেই মডেলকেই আরেকবার চর্চায় ফেরালেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-ই।

মার্চ ২৭, ২০২৪
রাজ্য

বাংলার ১৯ কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা কোন কেন্দ্রে?

শেষমেশ বাংলায় ১৯ লোকসভা আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে এখনও ৪ আসনের ঘোষণা বাকি রইল। রবিবারে রাতে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে ঘোষণা করা হয় এই তালিকা। প্রত্যাশা মতোই প্রার্থী করা হয়েছে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা তাপস রায় এবং অর্জুন সিংকে। প্রার্থী করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে।বড় চমক হিসাবে কৃষ্ণনগরে প্রার্থী করা হয়েছে রাজপরিবারের রাজমাতা অমৃতা রায়কে। দমদমে প্রার্থী করা হয়েছে বারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শীলভদ্র দত্তকে। দক্ষিণ কলকাতা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে রায়গঞ্জের সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীকে। মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপকে পাঠানো হয়েছে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রে।একনজরে ১৯ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী তালিকা উত্তর কলকাতা তাপস রায়দক্ষিণ কলকাতা- দেবশ্রী চৌধুরীদমদম শীলভদ্র দত্তব্যারাকপুর অর্জুন সিংবর্ধমান-দুর্গাপুর দিলীপ ঘোষবর্ধমান পূর্ব অসীম সরকারমেদিনীপুর অগ্নিমিত্রা পালরায়গঞ্জ কার্তিক পালশ্রীরামপুর কবীর শঙ্কর বোসআরামবাগ অরূপকান্তি দিগারতমলুক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়বসিরহাট রেখা পাত্রবারাসত স্বপন মজুমদারকৃষ্ণনগর অমৃতা রায়জলপাইগুড়ি জয়ন্ত রায়দার্জিলিং রাজু বিস্তাজঙ্গিপুর ধনঞ্জয় ঘোষমথুরাপুর অশোক পুরকাইতউলুবেড়িয়া অরুণ উদয় পাল চৌধুরী

মার্চ ২৪, ২০২৪
রাজনীতি

অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ভোটের লড়াই থেকে সরে আসার আহ্বান তৃণমূল নেতার, কেন এই অনুরোধ?

এবার সরাসরি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ী হিসেবে কুণাল ঘোষ। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। এক্স হ্যান্ডলে প্রাক্তন বিচারপতিকে এই অনুরোধ জানিয়ে রবিবার সকালে এই পোস্টটি করেছেন তৃণমূল নেতা ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।কুণালের বার্তা, শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ। আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত। ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে। বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত। অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না। তমলুকে তৃণমূল জিতবে। দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে। যে আপনাকে তমলুক নিয়ে যাচ্ছে, সেও আপনাকে হারাবে। তার দলে অন্য বড় নাম সে সহ্য করতে পারে না, বাড়তে দেবে না। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন। শুভানুধ্যায়ী হিসেবে ভাবতে বললাম।শ্রী অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়,পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ।আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত।ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে।বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত।অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না।তমলুকে @AITCofficial জিতবে।দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে।যে আপনাকে তমলুক Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) March 17, 2024উল্লেখ্য, প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁর তমুলক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, তমলুক থেকেই তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তরুণ তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য। সিপিএম ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিকে, ইতিমধ্যেই তমলুকে গিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে এক দফায় আলোচনা সেরে এসেছেন অভিজিৎ গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে আগাগোড়া ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।বিজেপি এরাজ্যে প্রথম পর্বে ২০ টি কেন্দ্রে তাঁদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। বাকি কেন্দ্রগুলিতে সম্ভবত শীঘ্রই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেবে গেরুয়া দল। তবে তার আগে বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির প্রতি এমন বার্তা দিয়ে কুণাল ঘোষের এমন পোস্ট রাজ্য রাজনীতিতে নয়া মাত্রা যোগ করেছে।

মার্চ ১৭, ২০২৪
রাজ্য

"আজ ট্রেলার দেখালাম, সিনেমাটা নির্বাচনে বাংলার মানুষ দেখিয় দেবে”, হুঙ্কার অভিষেকের

রবিবাসরীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জনগর্জন ব্রিগেড। এদিন যে জনজোয়ার ঘটেছে তা পুরোপুরি বলা যাবে না। লোকসভা নির্বাচনের আগে মাত্র ১২ দিনের ঘোষণায় কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সমাবেশ করল রাজ্যের শাসকদলের। ব্রিগেডে আসন্ন লোকসভা ভোটের আগে কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে আগাগোড়া আক্রমনাত্মক ভাষণ দেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ব্রিগেডের জনপ্লাবন দেখে তৃণমূল সাংসদের মন্তব্য, আজ ট্রেলার দেখালাম, সিনেমাটা নির্বাচনে বাংলার মানুষ দেখিয় দেবে। শুধু একথাই নয়, নাম না করে এদিন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন তৃণমূলের শীর্ষ সেনাপতি।আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের মুখে ব্রিগেডে জনগর্জন সভার ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ১২ দিনের ঘোষণায় ব্রিগেডে এই সভা তৃণমূলের। এই সভামঞ্চ থেকেই এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও বিজেপিকে নিশানা করে তুমুল হুঙ্কার ছাড়েন অভিষেক।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোট ED, CBI দেবে না। ভোট দেবেন মানুষ। দিল্লি থেকে বহিরাগত এসে বলছে মোদী গ্যারান্টি। চোর চুরি করে এখন BJP-তে যায়। এটাই মেদাীর গ্যারান্টি। ২০১৪-এর আগে বলেছিলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হলে প্রত্যেক ভারতীয়র অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ১৫ লাখ করে। কেউ পেয়েছেন? তাহলে বলুন মোদীর গ্যারান্টি জিরো গ্যারান্টি।এখানেই থামেননি তৃণমূলের শীর্ষ সেনাপতি। আসন্ন নির্বাচনে তাঁদের লড়াই কার কার সঙ্গে সেব্যাপারেও কর্মীদের সতর্ক করে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, তৃণমূলের লড়াই শুধু BJP-এর বিরুদ্ধে নয়। BJP, CPIM, বাংলার অধীর চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) নেতৃত্বাধীন থাকা Congress, ED, CBI, NIA, আয়কর, মোদী, অমিত শাহ, বিচার ব্যবরস্থার একাংশের বিরুদ্ধে। আমাদের বিশ্বাস, এই লড়াইয়ে আমরাই জিতব। বিজেপির সঙ্গে টাকা আছে, আমাদের সঙ্গে মানুষ আছেন।এছাড়াও নাম না করে এদিন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন অভিষেক। এপ্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, এখন চুরি করেই বিজেপিতে যাচ্ছে। এখন বিচারপতিকে উত্তরীয় পরাচ্ছে চোরেরা।এদিন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও এদিন নাম না করে প্রাক্তন বিচারপতিকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। চাকরি খেয়েছে বলে তোপ দাগেন মমতা। বিচারপতির বিচার জনগণ করবে বলে তিনি জানিয়ে দিলেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন তৃণমূল নেত্রী।

মার্চ ১০, ২০২৪
রাজনীতি

৪২ লোকসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূল কংগ্রেসের, চমকের পর চমক

বিজেপি ইতিমধ্যে রাজ্যের ২০টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। এবার তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ৪২টি আসনেই তাঁদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল। শাসকদলের প্রার্থী তালিকায় চমকের পর চমক।এক নজরে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকাকোচবিহার-জগদীশ চন্দ্র বাসুনিয়াআলিপুরদুয়ার- প্রকাশচিক বরাইক।জলপাইগুড়ি- নির্মলচন্দ্র রায়। (ধূপগুড়ির বর্তমান বিধায়ক)দার্জিলিং-গোপাল লামা।রায়গঞ্জ- কৃষ্ণ কল্যাণী।বালুরঘাট-বিপ্লব মিত্র। (রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রী)মালদহ উত্তর- প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন ব্যানার্জি। (সদ্য স্বেচ্ছাবসর নেওয়া রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তা)মালদহ দক্ষিণ- শাহনওয়াজ আলি রেহান।জঙ্গিপুর-খলিলুর রহমান।বহরমপুর- ইউসুফ পাঠান। (ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার)মুর্শিদাবাদ- আবু তাহের খান।কৃষ্ণনগর-মহুয়া মৈত্র।রানাঘাট-মুকুটমণি অধিকারী।বনগাঁ-বিশ্বজিৎ দাস।ব্যারাকপুর-পার্থ ভৌমিক।দমদম- সৌগত রায়।বারাসত- কাকলি ঘোষদস্তিদার।বসিরহাট- হাজি নুরুল ইসলাম।জয়নগর- প্রতিমা মণ্ডল।মথুরাপুর- বাপি হালদার।ডায়মন্ড হারবার- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।যাদবপুর- সায়নী ঘোষ।কলকাতা দক্ষিণ- মালা রায়।কলকাতা উত্তর- সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।হাওড়া- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।উলুবেড়িয়া-সাজদা আহমেদ।শ্রীরামপুর- কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।হুগলি- রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। (অভিনেত্রী)আরামবাগ- মিতালী বাগ।তমলুক- দেবাংশু ভট্টাচার্য।কাঁথি- উত্তম বারিক।ঘাটাল- দীপক অধিকারী।ঝাড়গ্রাম- কালীপদ সোরেন।মেদিনীপুর- জুন মালিয়া।পুরুলিয়া- শান্তিরাম মাহাত।বাঁকুড়া-অরূপ চক্রবর্তী।বর্ধমান পূর্ব- শর্মিলা সরকার।বর্ধমান-দুর্গাপুর- কীর্তি আজাদ।আসানসোল- শত্রুঘ্ন সিনহা।বোলপুর- অসিত মাল।বীরভূম- শতাব্দী রায়।বিষ্ণুপুর- সুজাতা মণ্ডল।এবারে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় রাজ্যর দুই মন্ত্রী, একজন রাজ্যসভার সাংসদ ও ১১ জন বিধায়ক রয়েছেন।

মার্চ ১০, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টি! কোন জেলায় অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা?

বর্ষার মরশুমে প্রথম বড় আবহাওয়াগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে, যা আগামী কয়েকদিন একই এলাকায় অবস্থান করে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)। এর প্রভাবেই শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। একাধিক জেলায় জারি হয়েছে হলুদ (Yellow Alert) এবং কমলা (Orange Alert) সতর্কতা।নিম্নচাপের জেরে বাড়বে বৃষ্টির দাপটআবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে শক্তি বৃদ্ধি করবে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।শুক্রবার কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শনিবার দুই জেলায় কমলা সতর্কতাশনিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।অন্যদিকে ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং হাওড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিচু এলাকায় জল জমা, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।রবিবার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে এই জেলাগুলিতেরবিবার নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।অতিভারী বৃষ্টির (৭০২০০ মিমি) সম্ভাবনা রয়েছেপশ্চিম মেদিনীপুরঝাড়গ্রামবাঁকুড়াপুরুলিয়াএই চার জেলার জন্য জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা।এছাড়াও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।সোমবারও মিলবে না স্বস্তিসোমবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নলিখিত জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারেপূর্ব মেদিনীপুরপশ্চিম মেদিনীপুরদক্ষিণ ২৪ পরগনাপশ্চিম বর্ধমানবাঁকুড়াপুরুলিয়াবীরভূমকবে থেকে কমবে বৃষ্টি?আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। তবে বুধবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটতে সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।মৎস্যজীবীদের জন্য জরুরি সতর্কতাবঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকার আশঙ্কায় সোমবার পর্যন্ত উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সমুদ্রে প্রবল বাতাস এবং উঁচু ঢেউয়ের কারণে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ স্থানে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের পরামর্শপ্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে জলাবদ্ধ এলাকায় যাতায়াত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটের দিকে নজর রাখারও আবেদন করা হয়েছে।বর্ষার শুরুতেই তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকে নজর রয়েছে আবহাওয়াবিদদের। আগামী চার দিন রাজ্যের আবহাওয়া যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন এবং যান চলাচলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এবার আর রক্ষা নেই! নিম্নচাপের দাপটে বাংলায় প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা সবচেয়ে ঝুঁকিতে?

জুন মাসে বৃষ্টির ঘাটতি থাকলেও জুলাইয়ের শুরুতেই বদলে গেল আবহাওয়ার ছবি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুতেরও আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও একদিনে প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার কলকাতার জন্যও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।এই বৃষ্টি একদিকে কৃষকদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে। নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়ো হাওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনও ব্যাহত হতে পারে।নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রও উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। সেই কারণে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সুন্দরবন উপকূল এলাকায় পুলিশ ইতিমধ্যেই মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিতে শুরু করেছে। যাঁরা আগে থেকেই মাছ ধরতে গিয়েছিলেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টির জেরে নদীভাঙনের আশঙ্কাও বাড়ছে। বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় ডাঙ্গি এলাকার নদীতীরে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বনাঞ্চলের একের পর এক গাছ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে বাড়িঘর, চাষের জমি এবং বনাঞ্চলের বড় অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে। তবে একই সময়ে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
বিদেশ

পাঁচ দিন ধ্বংসস্তূপের নিচে! শেষমেশ যা করল ছোট্ট কুকুরটি, চোখে জল নেটদুনিয়ার

ভয়াবহ ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলা। হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর মাঝেই সামনে এল এক আশ্চর্য ঘটনা। ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা প্রায় পাঁচ দিন আটকে থাকার পর জীবিত উদ্ধার হল জিসেল নামে একটি পোষ্য কুকুর। সেই উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই আবেগে ভাসছে সমাজমাধ্যম।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ভেনেজুয়েলার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা রাজ্যের কারাবাল্লেদা এলাকা থেকে জিসেলকে উদ্ধার করেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। গত বুধবার অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই বিপর্যয়ে বহু বাড়ি ভেঙে পড়ে এবং প্রাণ হারান এক হাজার নয়শোরও বেশি মানুষ।উদ্ধারের পর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনতেই উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যের মুখ চেটে দেয় জিসেল। আনন্দে লেজ নাড়াতে থাকে সে। এরপর তাকে জল খাওয়ানো হয় এবং তার শরীরে কোনও গুরুতর আঘাত রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করেন চিকিৎসকেরা।উদ্ধারের এই ভিডিও ভাগ করে নিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দেন এল সালভাদরের রাষ্ট্রপতি নায়িব বুকেলে। তিনি জানান, দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর জিসেলকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আবেদন করেন, যদি কেউ কুকুরটির মালিক হন, তবে প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেখিয়ে উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর মুহূর্তের মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। অসংখ্য মানুষ জিসেলের বেঁচে ফেরাকে অলৌকিক বলে উল্লেখ করেছেন। অনেকেই লিখেছেন, উদ্ধারকারীদের প্রতি ছোট্ট প্রাণীটির কৃতজ্ঞতার প্রকাশ সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।একজন লিখেছেন, একটি অবলা প্রাণীর ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতার মতো নির্মল অনুভূতি খুব কমই দেখা যায়। আবার আরেকজনের মন্তব্য, মানুষের উচিত প্রাণীদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার শিক্ষা নেওয়া। আরও একজন লেখেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কত নিরীহ প্রাণী আটকে রয়েছে, সেই কথা ভাবলেই মন ভারী হয়ে যাচ্ছে। জিসেলের এই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন তাই শুধু একটি উদ্ধার নয়, ভয়াবহ বিপর্যয়ের মধ্যেও নতুন আশার আলো হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০২, ২০২৬
রাজ্য

ভোর হতেই বড় অভিযান! শওকত মোল্লার ছেলের ক্যাফেতে বুলডোজার, মুহূর্তে গুঁড়িয়ে গেল সব

মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনিভাবে ক্যাফে তৈরির অভিযোগে শওকত মোল্লার ছেলে ইমরানের ক্যাফে ভাঙার কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন। আগেই সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও সেই নির্দেশ মানা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসন নিজেই বুলডোজার নামিয়ে অভিযান চালায়।ভোর থেকেই ক্যাফের সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদেরও রাখা হয় ঘটনাস্থলে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে শুরু হয় ভাঙার কাজ। প্রথমে বুলডোজার দিয়ে ক্যাফের প্রধান প্রবেশদ্বার ভেঙে ফেলা হয়। এরপর একে একে ভেঙে দেওয়া হয় ক্যাফের ভিতরের বিভিন্ন নির্মাণ এবং সাজানো বাগানের অংশ।এর কয়েক দিন আগেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নোটিস দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্যাফে ভেঙে ফেলতে হবে। অন্যথায় প্রশাসন নিজেই ব্যবস্থা নেবে। নোটিসের পর ক্যাফে থেকে আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণ ভাঙা হয়নি। এরপরই প্রশাসন আইন অনুযায়ী অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।এই ভাঙার কাজ ক্যানিং পূর্বের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি জমির উপর বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুনানি করা হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিজ উদ্যোগে নির্মাণ সরিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়ও দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সরকারি নিয়ম মেনেই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এই ক্যাফে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। মাতলা নদীর চর দখল করে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশাসন তদন্ত শুরু করে। সেই তদন্তের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত ভাঙার নির্দেশ কার্যকর করা হল।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

মহুয়াকে ঘিরে হামলার অভিযোগ, এবার পাশে সিপিএমের বিকাশ! এক মন্তব্যেই শুরু নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক

কালীগঞ্জে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে হেনস্থার অভিযোগের ঘটনায় এবার তাঁর পাশে দাঁড়ালেন সিপিএম নেতা ও প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও একজন নির্বাচিত সাংসদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।বুধবার কালীগঞ্জে একটি বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, সেই সময় বৈঠক চলাকালীন বাইরে জড়ো হওয়া একদল বিক্ষোভকারী ঘরের জানালা লক্ষ্য করে ডিম, কাদা এবং গোবর ছুড়তে শুরু করেন। পাশাপাশি চোর বলে স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় মহুয়া সমাজমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, জানালা দিয়ে একের পর এক ডিম ছোড়া হচ্ছে এবং তা ঘরের ভিতরেও এসে পড়ছে। এই ঘটনার জন্য দলের একাংশের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য লেখেন, মহুয়া মৈত্র তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হতে পারেন, কিন্তু তিনি একজন সাংসদ। তাঁর বিরুদ্ধে জুলুমবাজির কোনও অভিযোগ তাঁর জানা নেই। তাই যেভাবে তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে, তা একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জাজনক। এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সকল সচেতন মানুষের প্রতিবাদ করা উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় নিজের অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর পক্ষে আদালতে সওয়াল করায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে প্রয়োজনে আদালতে দাঁড়াতেও আপত্তি নেই বলে তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।এদিকে কালীগঞ্জের ঘটনায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি এই ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছেন। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে।ঘটনার প্রকৃত দায় কার, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর অব্যাহত থাকলেও কালীগঞ্জের এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

তিলোত্তমা মামলায় বিস্ফোরণ! ভিসেরা নমুনা নষ্টের অভিযোগে সামনে চাঞ্চল্যকর চিঠি, আদালতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের সামনে এল নতুন বিতর্ক। এবার রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য রাখা নমুনা নষ্ট ও বদলে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। এই অভিযোগের ভিত্তি একটি চিঠি, যা সম্প্রতি তিলোত্তমার বাবার কাছে পাঠিয়েছেন এক প্রাক্তন ফরেনসিক আধিকারিক।পরিবারের দাবি, ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছেন। আরও অভিযোগ, তিলোত্তমার লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা পরে বদলে ফেলা হয়। এই নমুনাগুলির মাধ্যমে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া হয়েছিল কি না বা তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কি না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই গুরুত্বপূর্ণ নমুনা আর আগের অবস্থায় ছিল না।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগার থেকে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর সময়ও ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজ হয়েছে বলেও ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।তিলোত্তমার পরিবারের সিদ্ধান্ত, এই চিঠি শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হবে, যাতে অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে খুন হওয়া বিজেপি ও সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও একই তিন আধিকারিক ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুলাই ০২, ২০২৬
দেশ

প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী, কেউই রেহাই পাবেন না! এক নতুন বিলে বদলে যেতে পারে দেশের রাজনীতি

দেশের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী গুরুতর অপরাধের মামলায় টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলে তাঁকে পদ ছাড়তে হতে পারে। এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব থাকা সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়ে আবারও জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনেই এই বিল নিয়ে আলোচনা এবং পাসের উদ্যোগ নিতে পারে কেন্দ্র।জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ জুলাই যৌথ সংসদীয় কমিটি এই বিল নিয়ে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে পারে। সেই রিপোর্টে বিতর্কিত ধারাটি বহাল থাকতে পারে বলেই খবর। প্রস্তাব অনুযায়ী, যে সব অপরাধে পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে, সেই ধরনের মামলায় অভিযুক্ত কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী যদি টানা ৩০ দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকেন, তবে তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হতে পারে।তবে আইন যাতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়েও কিছু সুরক্ষামূলক সুপারিশ রিপোর্টে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনেই বিলটি সংসদে তোলা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে।দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তামিলনাড়ুর তৎকালীন মন্ত্রী ভি সেন্থিল বালাজি গ্রেফতার হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই ঘটনার পরই গত বছর এই সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।বিরোধীদের প্রবল আপত্তির জেরে বিলটি সরাসরি পাস না করে যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয়। বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারঙ্গীর নেতৃত্বে একত্রিশ সদস্যের একটি কমিটি বিলটি খতিয়ে দেখছে। তবে তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস এবং ডিএমকে এই কমিটিতে যোগ দেয়নি।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বর্তমান সংসদীয় সমীকরণে সরকার এই বিল পাস করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন আদায় করতে পারে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ সংবিধান সংশোধনের জন্য লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। তাই আসন্ন বাদল অধিবেশনে এই বিল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে।উল্লেখ্য, এই বিল এখনও আইন হয়ে যায়নি। সংসদের উভয় কক্ষে পাস হওয়া এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই এটি কার্যকর হতে পারে।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

এক সপ্তাহও টিকল না রক্ষাকবচ! পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত থেকে গ্রেফতার দেবরাজ, সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

রক্ষাকবচ খারিজ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার হলেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। পুরুলিয়া-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ অভিযান বাহিনী। তোলাবাজি ও হিংসার মামলায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দেবরাজ চক্রবর্তী একসময় উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার যুব নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ মুখ ছিলেন। পাশাপাশি রাজারহাট, নিউটাউন ও বাগুইআটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তাঁর প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ। বহুদিন ধরেই তাঁর বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয়দের একাংশও এই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি পূর্ণেন্দু বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরে সুজিত বসুর সঙ্গে কাজ করতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে নিজের সাংগঠনিক প্রভাব বাড়ান। পরবর্তী সময়ে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিতি পান।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এলাকার প্রোমোটারদের হুমকি দেওয়া, তোলাবাজি এবং অর্থ আদায়ের মতো একাধিক অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে দেবরাজের বিরুদ্ধে জমা পড়েছিল। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় সরকারি কর্মীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে উঠেছিল বলে দাবি করা হয়েছে।দেবরাজের স্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির নামও এখন আলোচনায়। অভিযোগ, বিধায়ক থাকাকালীন এলাকায় সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণের বড় অংশই সামলাতেন দেবরাজ। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে অদিতি মুন্সির কোনও ভূমিকা বা তথ্য ছিল কি না। প্রয়োজনে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রের দাবি।এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী অর্জুন সিং আগেই অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদতেই দেবরাজ উত্তর চব্বিশ পরগনায় দুর্নীতির বিস্তৃত জাল গড়ে তুলেছিলেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কোনও আদালত-স্বীকৃত প্রমাণ সামনে আসেনি।অন্যদিকে, নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্রে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা ও আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। দেবরাজের গ্রেফতারের পর এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, দেবরাজের সম্পত্তির একটি অংশ অদিতি মুন্সির নামেও ছিল। পাশাপাশি তিনি আরও একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন এবং তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখার দাবি জানান।উল্লেখ্য, আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি। চার মাসের সন্তানের বিষয়টি বিবেচনা করে আদালত অদিতি মুন্সিকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও দেবরাজের আবেদন খারিজ করে দেয়। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রেফতার করা হল তাঁকে। এখন তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুলাই ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal