• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

AC

রাজ্য

ভোট প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত অশোক দিন্দা

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটপ্রচারের শেষলগ্নে আক্রান্ত হলেন বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার অশোক দিন্দা। মঙ্গলবার সভা সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। যদিও ওই ঘটনাকে বিজেপি-র আদি এবং নব্য-র দ্বন্দ্বের ফলাফল বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে তৃণমূল।অশোকের দাবি, মঙ্গলবার তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এলাকায় ৪টি সভা করেন। কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে ময়না বাজার এলাকায় তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ইট দিয়ে তাঁর কাঁধেও আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অশোক। আচমকা হামলায় প্রাথমিক ভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পরে আরও লোকজন সঙ্গে করে এনে বিজেপি কর্মীরা পাল্টা চড়াও হলে হামলাকারীরা চম্পট দেয় বলে গেরুয়াশিবিরের দাবি। অশোকের দাবি, বিজেপি-কে আটকাতেই মঙ্গলবার পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুর হয়ে মিঠুনের রোড শোয়ে উপচে পড়া ভিড়

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেন এদিন মিঠুন চক্রবর্তী। অভিযোগ করেন, ছোটবড় প্রতেক্যটি কাজে কাটমানি খাওয়া হয়। প্রভিফেন্ড ফান্ডের টাকাও কমিশনও ছাড়া হয় না বলে অভিযোগ মহাগুরুর।রাজ্যের দ্বিতীয় দফার ভোট প্রচারের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার। তৃণমূল-বিজেপি দুই দলেরই প্রচার ছিল নজরকাড়া। একদিকে হেভিওয়েট প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে রোড শো করেছেন অমিত শাহ এবং মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। অন্যদিকে মঞ্চে হুইলচেয়ারে বসেই বিরোধীদের তীক্ষ্ণে বাক্যবাণে বিঁধেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।প্রথমে খড়গপুরে বিজেপির তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন মিঠুন। শেষবেলায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে পৌঁছন। শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে প্রচার শুরু করেন। টেঙ্গুয়া থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত রোড শো করেন মহাগুরু। কয়েক হাজার মানুষের ভিড় জমে যায় বাংলার সুপারস্টারকে দেখার জন্য। গাড়ির লক্ষ্য করে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়। হাত নেড়ে অভিবাদন জানান সাধারণ মানুষ ও অনুরাগীরা। কখনও হাত জোড় করে, কখনও আবার হাত নেড়ে সকলের ভালবাসা গ্রহণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। প্রচারের ফাঁকেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, গেরুয়া শিবিরের জয় নিয়ে তিনি ১০১ শতাংশ বিশ্বাসী। বাংলার মানুষের সঙ্গে তাঁর শুধুমাত্র সুপারস্টার-অনুরাগীর সম্পর্ক নয়। মানুষ তাঁকে হৃদয় দিয়ে ভালবাসেন বলেই দাবি করেন মহাগুরু।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

তমলুক থানার সামনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাসপাতালে দেখতে গেলেন দিলীপ ঘোষ

সোমবার রাতে পুলিশের সামনে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী ড. হরেকৃষ্ণ বেরাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তমলুক জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বেলায় তমলুকের হাসপাতাল মোড় অবরোধ করার হুমকি দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সোমবার রাতে তাঁদের এক কর্মীকে মারধর করেছিল বিজেপি কর্মীরা। সেই ঘটনার অভিযোগ জানাতে তমলুক থানায় গিয়েছিল দলীয় কর্মীরা। সেই সময় বিজেপি প্রার্থী তাঁদের সামনে পড়ে যান। তখনই জনরোষের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা আতেআর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজই তাকে তমলুকের জেলা আদালতে তোলা হবে। এদিন সকালবেলা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ জানান, গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে দিদির সরকার। আসুন গর্জে উঠি। ইভিএমে জবাব দিই। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থী থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। থানার সামনেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জেলা হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে পথ অবরোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম দফার নির্বাচনের পর তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁরা হারছে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ৩০, ২০২১
কলকাতা

কুটিল চিত্রনাট্য ছিল নন্দীগ্রামে, সরব তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী

বর্তমানের পরে এ বার প্রাক্তন। প্রায় দেড় দশক আগে নন্দীগ্রামে এবং সিঙ্গুরের জমি রক্ষা আন্দোলনের পিছনে কুটিল চিত্রনাট্যের অভিযোগ তুললেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সিঙ্গুর এবং নন্দীগ্রামে জমি রক্ষা আন্দোলনের পিছনে চক্রান্ত, তার জেরে রাজ্যের যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ হাতছাড়া হওয়া নিয়ে সোমবার এ বিষয়ে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন বুদ্ধ। তৃণমূল এবং বিজেপি-কে দুষে লিখেছেন, নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুরে এখন শশ্মানের নীরবতা। সে সময়ের কুটিল চিত্রনাট্যের চক্রান্তকারীরা আজ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ি করছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ হারিয়েছে বাংলার যুব সমাজ।পাশাপাশি, দেড় দশক আগে বামফ্রন্টের স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে বুদ্ধ লিখেছেন, বামফ্রন্ট সরকারের সময় থেকেই যে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক ভাবনা আমরা রাজ্যের মানুষকে বলার চেষ্টা করেছি, তা হল কৃষি আমাদের ভিত্তি-শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ। আমরা সেই পথ ধরেই এগিয়েছি। ঘটনাচক্রে, নন্দীগ্রামের জমি রক্ষা আন্দোলনে পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে রবিবার রেয়াপাড়ায় তৃণমূলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুষেছিলেন শিশির এবং শুভেন্দু অধিকারীকে। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ বাপ-ব্যাটার অনুমতি নিয়েই পুলিশ নন্দীগ্রামে অভিযান চালিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এমনকী, হাওয়াই চটি-পরা পুলিশ ঢোকানোর দায়ও মমতা চাপিয়ে দেন তাঁদের ঘাড়ে। তবে স্থানের উল্লেখ করেও সরাসরি কাল এবং পাত্রের নাম না করেননি সে সময়ের পুলিশমন্ত্রী বুদ্ধ। ২০০৭ সালে ১৪ মার্চের পুলিশের গুলিতে ১৪ জনের মৃত্যু কিংবা নভেম্বরের সূর্যোদয় (নন্দীগ্রামে সিপিএমের পুনর্দখল) প্রসঙ্গ নিয়েও কিছু বলেননি। রবিবার মমতার মন্তব্যের পরেই নন্দীগ্রামে গুলিচালনার ঘটনা নিয়ে নেটমাধ্যমে প্রচারে নামে সিপিএম। তাদের বক্তব্য, তৎকালীন বিরোধী নেত্রী স্বীকার করে নিলেন যে, ওই ঘটনা তৃণমূলের চক্রান্ত ছিল! কারণ, শিশির-শুভেন্দু এবং মমতা তিনজনেই তখন বিরোধী তৃণমূলে ছিলেন। বুদ্ধ অবশ্য এর আগেও নন্দীগ্রামের ঘটনার (পুলিশি গুলিচালনা) পিছনে চক্রান্ত আছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। পরবর্তী কালে নন্দীগ্রামে পুলিশি অভিযানে গ্রামবাসীদের মৃত্যু নিয়ে দুঃখপ্রকাশও করেছিলেন তৎকালীন পুলিশমন্ত্রী।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

‘তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা ঘটেনি’, নাম না করে শুভেন্দুকে নিশানা মমতার

আর মাত্র দুদিন। তার পরই নন্দীগ্রামে নির্বাচন। সেই ভোটের প্রচারে এসে পায়ে চোট পেয়েছিলেন এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সেদিন তাঁর উপর হামলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার সেই হামলার জন্য নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেই দায়ী করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, তাঁর নির্দেশ ছাড়া এই ঘটনা ঘটতে পারে না।সোমবার নন্দীগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত বয়াল-২ এলাকায় প্রচার সভা ছিল মমতার। সেই সভার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী। একসময়ে নিজের অনুগত সৈনিক শুভেন্দুর নাম না করেই তুলোধোনা করলেন তিনি। বললেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগতদের এনে এই কাণ্ড ঘটিয়েছিল। আমাকে মেরেছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। দলীয় কর্মীদের উপর হামলা প্রসঙ্গে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পুলিশের বিরুদ্ধেও তোপ দাগলেন মমতা। বললেন, অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করছেন না? কীসের জন্য পক্ষপাতিত্ব করছেন? এদিন বহিরাগত ইস্যুতেও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে তোপ দাগেন মমতা। বললেন, আমি এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আমি বহিরাগত? তুমি তো কাঁথির ছেলে। কবে নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র হলে? এটা কবে তোমার জমি হল? আক্রমণের সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, একসময় সিপিএমের দালালি করেছে। এখন বিজেপির দালালি করছে। এ প্রসঙ্গ ফের নন্দীগ্রামে পুলিশ প্রবেশ ইস্যু টেনে আনলেন মমতা। বললেন, সেদিন তোমাদের অনুমতি ছাড়া পুলিশ নন্দীগ্রামে ঢুকতে পারত না। সেদিনের সিপিএমের নবকুমার সামন্ত মানুষ খুন করেছে। আজ সে বিজেপিতে। আর আরেকজন ওর নেতা হয়েছে। সভার শেষে নন্দীগ্রামের মানুষকে গুন্ডামির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষ কি ভয় পাচ্ছে? তাঁরা তো কোনওদিন গুন্ডামিকে ভয় পায় না। ওঁরা গুন্ডামি করলে আপনারা রুখে দাঁড়ান। পাল্টা তাড়া করুন।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

চোখে রং লাগায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন লকেট

প্রথম দফা ভোটের দিনই আক্রান্ত লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। শনিবার সন্ধেয় চুঁচুড়া রবীন্দ্রনগরের কালীতলা মাঠে কচিকাঁচা ও মহিলাদের সঙ্গে বসন্ত উৎসবে শামিল হয়েছিলেন চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। অভিযোগ, উৎসব চলাকালীনই লকেটের উদ্দেশে দুষ্কৃতীরা বিষাক্ত রং ছুঁড়ে মারে। রং সরাসরি লকেটের ডান চোখে এসে লাগে। চোখে প্রচণ্ড জ্বালা ধরে। কর্মীরাই তাঁকে গাড়িতে তুলে দেন। চুঁচুড়ার লিচুবাগানের বাড়িতে গিয়েও চোখই খুলতে পারছেন না তিনি।TMC goons led by GP Pradhan Bidyut Biswas, Kodalia No. 2, attacked Locket Chatterjee, a BJP candidate from Chinsurah Assembly.The khela of hatred, violence harassment will be put to an end soon. This cowardly khela of harassing women is triggered by the fear of defeat! pic.twitter.com/yyLBbOMli2 BJP Bengal (@BJP4Bengal) March 27, 2021লকেট জানান, এদিন সন্ধেয় কোদালিয়ায় টোটো করে প্রচারে যাওয়ার সময় মাঠে বসন্ত উৎসব হচ্ছিল। সেখানে অনেক মহিলারা তাঁর সঙ্গে হাত মেলাতে এগিয়ে আসেন। মহিলাদের অনুরোধেই তিনি টোটো থেকে নেমে বসন্ত উৎসবে মাতেন। মহিলারা রং মাখাবেন বলে আবদার করলে করোনা পরিস্থিতিতে তাঁদের রং মাখাতে বারণ করেন লকেট। শেষ পর্যন্ত রঙের পরিবর্তে কপালে একটা টিপ পরেন। মহিলারা যখন তাঁকে টিপ পরাচ্ছিলেন, ঠিক তখন দুজন পুরুষ হঠাৎই সামনে এসে বলে, আজ আপনাকে রং মাখাব, কিছুতেই ছাড়ব না। ওই দুই দুষ্কৃতী মহিলাদের পিছনে চলে যায়। তারপরই হঠাৎ গুড়ো গুড়ো কিছু পদার্থ চোখে এসে পড়ে লকেটের। চশমার জন্য তাঁর চোখ অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও কিছুটা হলেও চশমার ফাঁক দিয়ে রং চোখে ঢুকে যায়। প্রথমে চোখে প্রচণ্ড জ্বালা করছিল। তারপর একটু চোখ মেলে তাকিয়ে দেখেন পিছনেই তৃণমূলের ব্যাজ পরা তিন থেকে চারজন যুবক দাঁড়িয়ে সেখানে। তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করছিল। লকেটের অভিযোগ, মহিলাদের ভিড়ের আড়াল থেকে তৃণমূলই তাঁর দিকে এই বিষাক্ত রং ছুঁড়েছে। লকেট কাঁদতে কাঁদতে বলেন, একজন মহিলাকে যে এরকমভাবে আক্রমণ করা যায়, আমি ভাবতেই পারি না।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তেজনা ছড়িয়েছে চুঁচুড়ায়। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অসিত মজুমদার বলেন, বিরোধী দলনেতা-নেত্রীদের অসম্মান করা তৃণমূলের সংস্কৃতি নয়। আসল কথা লকেট জেনে গিয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে হারবেন। তাই প্রচারে থাকার জন্য নাটক করছেন।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

নিজের গড়েই আক্রান্ত সৌমেন্দু অধিকারী, ভাঙা হল গাড়ি, আহত চালক

নিজেদের গড়ে আক্রান্ত অধিকারী পরিবারের ছোট ছেলে সৌমেন্দু। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত প্রায় ৩০ জন দুষ্কৃতী ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় সৌমেন্দু অধিকারীর গাড়ির চালককেও। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সৌমেন্দু। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই রাজ্যের একাধিক বুথ থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসে। হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শালবনিতে আক্রান্ত হন বামপ্রার্থী। এসবের মাঝে পূর্ব মেদিনীপুরের সাবাজপুট এলাকায় আক্রান্ত হন সৌমেন্দু অধিকারী। প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট হওয়ায় এদিন সকালে একাধিক বুথে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, একটি বুথে ঢোকার সময় সাবাজপুট এলাকায় তাঁর পথ আটকায় একদল দুষ্কৃতী। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়িতে। মারধর করা হয় তাঁর গাড়ির চালক গোপাল সিংকে। চোখের পাশে চোট লাগে তাঁর।সৌমেন্দু জানিয়েছেন, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রামগোবিন্দ দাসের নেতৃত্বে বুথ জ্যাম করার খবর পেয়ে সাবাজপুট গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনামাফিক হামলা চালিয়েছে তাঁর গাড়িতে। কাঁথি থানার আইসিকে দালাল বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কাঁথি থানার আইসি সকাল থেকে বুথে বুথে গিয়ে ভোট করানোর চেষ্টা করছেন। আসলে তৃণমূল বুঝে গিয়েছে ওদের হার নিশ্চিত। তাই এসব করছে। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা না পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে যাবেন না।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

শালবনিতে আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ

শালবনিতে আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ। অভিযোগ, ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় তাঁর গাড়িতে। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ভোটের সকাল থেকেই শালবনির বিভিন্ন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে যান সুশান্ত ঘোষ। একাধিক বুথে ঢুকে সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বারবার অভিযোগ করেছেন তাঁদের পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়ান শালবনির সিপিএম প্রার্থী। অভিযোগ, এরপরই পূর্বপাড়া এলাকায় আক্রান্ত হন সুশান্ত ঘোষ। তাঁর গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। বৃষ্টির মতো তাঁর দিকে উড়ে আসে ইট। ছোঁড়া হয় জুতোও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা করলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে শালবনিতে।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজনীতি

প্রথমবার প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূলকে হালকা 'ছোবল' মিঠুনের

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবারই প্রথম ভোটের ময়দানে নামলেন মিঠুন চক্রবর্তী। আর প্রথম দফার ভোট প্রচারের শেষ দিনে মাঠে নেমেই বাজিমাত। ৪টি রোড শোতে মানুষের মন জয় করে নিতে সময় লাগেনি। শালতোড়া, মানবাজার, কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামে রোড শো করেন মিঠুন। তাঁকে দেখতে সব জায়গাতেই মানুষের ঢল নামে। যার জেরে কোথাও কোথাও কিছুটা বিশৃঙ্খলাও তৈরি হয়। তার মাঝে এবারের ভোটের সব থেকে ব্যবহৃত শব্দ বহিরাগত প্রসঙ্গেও তিনি মুখ খোলেন। কারও নাম না করেও তৃণমূলকে নিজের স্বভাবসিদ্ধ বাচনভঙ্গিতে কটাক্ষ করে নিজেকেও বহিরাগত বলেন মহাগুরু।বাঁকুড়ার শালতোড়াতে প্রচারের সময় মিঠুনকে বহিরাগত ইস্যুতে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে কটাক্ষের সুরে মিঠুন বলেন, স্বীকার করছি আমিও বহিরাগত। আর এইভাবে বহিরাগত বললে তো সিস্টার নিবেদিতাও বহিরাগত ছিলেন। বহিরাগত ছিলেন মাদার টেরেসাও। কারও নাম না করলেও রাজ্যের উন্নয়ন প্রসঙ্গে ঘুরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করে মিঠুন বলেন, আসলে বহিরাগত তাঁরাই, যাঁরা ক্ষমতায় থেকেও মানুষের পাশে থাকেননি। একই সঙ্গে নিজের ভোটে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে মিঠুন বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতিতে আসিনি। মানুষের পাশে থাকতে এসেছি।চার জায়গাতেই মিঠুনকে দেখতে জনতার বিশাল ঢল নামে। বাঁকুড়ার শালতোড়ায় বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউরির সমর্থনে রোড শো করেন। সকাল ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে পৌঁছনোর পর প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তায় রোড শো করেন। জনতার আবদার মিটিয়ে অটোগ্রাফ, সিনেমার সংলাপও বলেন তিনি। শালতোড়া থেকে পুরুলিয়ার মানবাজারের উদ্দেশে উড়ে যান মিঠুন। মানবাজারের বিজেপি প্রার্থী গৌরি সিংয়ের সমর্থনে তাঁর প্রায় ২ কিলোমিটার রোড শো করার কথা ছিল। কিন্তু মিঠুনকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে তিনি ১৫ মিনিট হেলিকপ্টার থেকে নামতেই পারেননি। পরে নিরাপত্তা কর্মীরা, হামলে পড়া জনতার ভিড় কোনওরকমে সরিয়ে তাঁকে একটি হুড খোলা জিপে তোলেন। কিন্তু তাঁকে দেখতে এতটাই ভিড় হয়েছিল যে ২ কিলোমিটার রোড শোয়ের পুরোটা শেষই করতে পারেননি। মাঝপথ থেকে তাঁকে হেলিপ্যাডে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাই মিঠুনকে দেখতে আসা প্রচুর মানুষ তাঁর দেখাই পাননি শেষ পর্যন্ত। মহাগুরুকে দেখতে না পেয়ে তাঁরা হতাশ বলেও দুঃখ প্রকাশ করেন। মানবাজারের পর পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি এবং ঝাড়গ্রামেও রোড শো করেন মিঠুন। সব জায়গাতেই মিঠুনকে এক ঝলক দেখতে উপচে পড়ে ভিড়। ভিড় থেকে মানুষ মহাগুরু মহাগুরু করে চিৎকার করতে থাকেন। সিনেমার সংলাপ বলারও অনুরোধ আসতে থাকে তাঁর কাছে। এমনকী, অনেকে তাঁর অটোগ্রাফ পাওয়ার জন্য হামলে পড়েন। যতটা সম্ভব তিনি জনতার আব্দার মেটানোর চেষ্টাও করেন। মিঠুনের রোড শোতে ভিড় দেখে স্বভাবতই উচ্ছসিত গেরুয়া শিবির। প্রার্থী না হলেও প্রথম দিনের প্রচারেই মিঠুন যে ভিড় টানলেন, তা ভোট বাক্সে প্রভাব ফেলবে বলেই আশা বিজেপির।

মার্চ ২৫, ২০২১
রাজ্য

'এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়’, মমতাকে আক্রমণ মোদির

এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়। কাঁথির সভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোর গলায় জবাব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, যে মাটিতে রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মেছেন, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। উল্লেখযোগ্যভাবে প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যের সুর ছিল রুক্ষ। তাঁর কথার মধ্যেও ছিল বিরক্তির ভাব।উল্লেখ্য, রাজ্যের ভোটের প্রচারাভিযানের একেবারে শুরু থেকে বহিরাগত ইস্যুকে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল। বাংলার ভোটের লড়াইকে বাঙালি বনাম গুজরাতি, বাংলা বনাম দিল্লির লড়াই হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে তৃণমূল। মমতাকে বাংলার মেয়ে এবং বিজেপি শীর্ষনেতাদের বহিরাগত হিসেবে তুলে ধরার এই কৌশলেরই বহিঃপ্রকাশ শাসক দলের বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় স্লোগান।কাঁথির সভা থেকে তৃণমূলের সেই অস্ত্র ভোঁতা করতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন মোদি। বলে দিলেন, কবিগুরুর এই বাংলা কাউকে বহিরাগত মনে করে না।সভামঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদির দৃপ্ত ঘোষণা, যে মাটিতে দাঁড়িয়ে বন্দেমাতরম লিখে গোটা দেশকে একসুরে বেঁধেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। এরা সবাই এই বঙ্গভুমির সন্তান, ভারতভূমির সন্তান। এই ভূমিতে কেউ বহিরাগত নই। এখানে কোনও ভারতবাসী বহিরাগত নন। মোদি বলছেন, যে বাংলায় দাঁড়িয়ে কবিগুরু জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ, বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গাকে একত্রিত করার কথা বলেছেন। সেখানে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। গুরুদেবের এই মাটি কাউকে বহিরাগত মনে করে না। প্রধানমন্ত্রী বোঝানোর চেষ্টা করলেন, নিজের ১০ বছরের কাজের খতিয়ান দিতে না পেরে এখন অজুহাত দিচ্ছেন মমতা। আর এই বহিরাগত ইস্যুও আসলে অজুহাত। মোদির প্রশ্ন, গত দশ বছরে কী কাজ করেছেন? তার হিসেব দিচ্ছেন না। কেউ হিসেব চাইলে তাঁকে গালি দিচ্ছেন কেন? এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও একবার ঘোষণা করেছেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন কোনও ভূমিপুত্রই।

মার্চ ২৪, ২০২১
দেশ

‘এনআইএ বলেছিল বিজেপিতে যোগ দিলেই মিলবে জামিন’

বিজেপি অথবা আরএসএসে যোগ দিলে জামিন মিলবে। নাহলে পচে মরতে হবে জেলে। কার্যত এমনই প্রস্তাব নাকি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। অসমের বিধানসভা নির্বাচনে এক্স ফ্যাক্টর হয়ে ওঠা অখিল গগৈ এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন এনআইএর বিরুদ্ধে। জেলে তাঁর উপরে হওয়া অকথ্য মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ এনেছেন তিনি। তাঁর গড়া নতুন রাজনৈতিক দল রাইজোর দল একটি চিঠি প্রকাশ করেছে। সেই চিঠিতেই এমন অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে অখিলকে।২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করা হয় কৃষক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের নেতা অখিলকে। তখন অসম উত্তাল সিএএ বিরোধী আন্দোলনে। আইনশৃঙ্খলার নাগাড়ে অবনতি হওয়ায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জোরহাট থেকে অখিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অসমের নাগরিক সমাজ দীর্ঘ সময় ধরে গগৈয়ের মুক্তির দাবি জানিয়ে এসেছে। কিন্তু বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও জেলবন্দি রয়েছেন তিনি। তবে জেলে থাকলেও অখিলের দল কিন্তু সক্রিয়। অসম বিধানসভা নির্বাচনেও অংশ নিচ্ছে রাইজোর দল। আরেক আঞ্চলিক দল এজেপি-র সঙ্গে জোট বেঁধেছে তারা।এই পরিস্থিতিতে অখিল একটি চিঠি লিখেছেন জেল থেকে। সেখানেই এনআইএর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন তিনি। অখিলের দাবি, ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর আদালতের অনুমতি ছাড়াই তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এনআইএর সদর দপ্তরে প্রবল অত্যাচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাঁকে। একথা জানিয়ে অখিল লিখেছেন, এনআইএর সদর দপ্তরে আমাকে এক নম্বর লকআপে আটকে রাখা হয়েছিল। একটা মাত্র নোংরা কম্বল দেওয়া হয়েছিল। ৩-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মেঝেতে ঘুমতে হয়েছিল। আমি এই অপমানজনক আচরণের প্রতিবাদ করার পরে ওরা অন্য একটা প্রস্তাব দিল। আমাকে জানানো হয়েছিল বিজেপিতে যোগ দিলে আমি বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে পারব। মন্ত্রীও হতে পারব।বিজেপি অখিলের সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে অসমে তিন দফার ভোট শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। অনেকেই মনে করছেন, বিজেপির পক্ষে ক্ষমতায় ফেরা খুব সহজ হবে না। ভোট আবহে সরগরম পরিস্থিতিতে এবার সামনে এল অখিলের এই চিঠি।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজ্য

কাল নির্বাচনী প্রচারে একাধিক রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী

আচমকাই রাজনীতির জগতে ফিরে এসেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। যোগ দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। এর পর থেকেই বাংলার অলি-গলিতে একটাই প্রশ্ন, ভোটে দাঁড়াচ্ছেন অভিনেতা? বিজেপির অন্দরের খবর বলছে, একুশের নির্বাচনে খাস কলকাতার আসনে প্রার্থী হচ্ছেন বাংলার মানুষের এক সময়ের হার্টথ্রব মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি ভোটে লড়তে পারেন কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসন থেকে। যদিও এই সিদ্ধান্তে এখনও চূড়ান্ত সিলমোহর পড়েনি। এরইমধ্যে বঙ্গে রোড শো করতে আগামিকাল আসছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ছাতনা, সালতোড়া, ঝাড়গ্রাম, রায়পুরে রোড শো করবেন তিনি। সকাল ৯টা ৫ মিনিট নাগাদ ছাতরা বাংলার মঠ হেলিপ্যাডে নামবেন মিঠুন। এরপর বান আসুরিয়া, সালতোড়া, মেজিয়া, দুর্লভপুরে রোড শো করবেন। দুপুর ২ টো ১৫ মিনিটে সারদা বিদ্যাপীঠ রামকৃষ্ণ বিদ্যালয় থেকে জামদা পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত রোড শো করবেন। বিকেল ৪ টে ১০ মিনিট নাগাদ সারেঙ্গা দোবিন্দপুর পাম্প মোড় থেকে সারেঙ্গা চৌরাস্তা , এলাহাবাদ ব্যাংক মোড় পর্যন্ত পথসভা করবেন। সূত্রের খবর, ২৮ মার্চও ইন্দাস ও কেশপুরে বেশ কয়েকটি রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী।

মার্চ ২৪, ২০২১
দেশ

এবার ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে সবাই পাবে করোনার টিকা

গত বছরের এই সময় দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ রুখতে জারি হয়েছিল লকডাউন। তা সত্ত্বেও মারণ এই ভাইরাসে প্রাণ হারান প্রচুর মানুষ। তবে চলতি বছরের শুরুতেই দেশে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে করোনার দুটি প্রতিষেধক কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিন। ইতিমধ্যে প্রথম সারির করোনাযোদ্ধাদের টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি-সহ আরও অনেকে। এরপর ঘোষণা করা হয়, ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে যাঁদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে তাঁদের করোনার টিকা দেওয়া হবে। কিন্তু এবার এই বয়সের ঊর্ধ্বে দেশের সমস্ত মানুষকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র।একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণার পাশাপাশি, সবাইকে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নাম নথিভুক্ত করার কথাও বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জাভরেকর। তাঁর কথায়, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রয়েছে। যাঁরা উপযুক্ত তাঁদের প্রত্যেকের উচিত টিকাকরণের জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করা। কারণ ভ্যাকসিনই করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করবে। তাই ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে আমি ভ্যাকসিন নেওয়ার অনুরোধ জানাব। এদিকে, সম্প্রতি পঞ্জাবে পাওয়া গিয়েছে করোনার নয়া স্ট্রেনের হদিশ। যা কিনা ব্রিটেনে দেখা দিয়েছিল। সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে জাভরেকর বলেন, ভাইরাসের একাধিক স্ট্রেন সামনে এসেছে। আরও কেস সামনে আসবে। বিভিন্ন রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে কেন্দ্র প্রত্যেক রাজ্যের সঙ্গেই এই বিষয়ে আলোচনা করেছে। তাই এ ব্যাপারে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন।

মার্চ ২৩, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ এসএসসি চাকরি প্রার্থীদের

ভোটের আঁচে পুড়ছে রাজ্য। এর মাঝেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখালেন এসএসসি চাকরি প্রার্থীরা । মেধা তালিকায় নাম ওঠার পরও কেন চাকরি পেলেন না? এই প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির সামনের রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখালেন এসএসসি প্রার্থীরা।দীর্ঘদিন ধরে এসএসসির এই চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগ আটকে রয়েছে। মেধা তালিকায় নাম ওঠার পরও তাঁদের নিয়োগ করা হয়নি। ২ বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সেই কথা রাখা হয়নি বলেই অভিযোগ তুলেছেন ওই চাকরি প্রার্থীরা। গত দুমাস ধরে তাঁরা সল্টলেকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের দাবি নিয়ে কেউ কথা বলতেও আসেননি বলে অভিযোগ। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য রাস্তায় শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। তাঁদের বিক্ষোভ জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকা রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে যায়। যানজটে নাকাল হন নিত্যযাত্রী। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিক্ষোভকারীদের আটক করে তাঁরা। এদিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ কলেজ সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান আরেকদল চাকরিপ্রার্থী।

মার্চ ২৩, ২০২১
রাজনীতি

বাঁকুড়ায় নির্বাচনী প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী কী কী বললেন, দেখে নিন একনজরে

বঙ্গে ফের প্রধানমন্ত্রী। রবিবার বাঁকুড়ায় নির্বাচনী প্রচারে এসে মোদি বলেন, আমি মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণাম করি। আমার মনে আছে, লোকসভা নির্বাচনে যখন আপনাদের আশীর্বাদ নিতে এসেছিলাম দিদি কি কি করেছিলেন। লোকেদের ভয় পাওয়ানোর জন্য দিদি কি না করেছেন। কিন্তু আমি বাঁকুড়ার মানুষের প্রশংসা করব কি, মানুষ এত কিছুর পরও চুপচাপ পদ্মে ভোট দিয়েছেন। আজও এত মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ দিতে এসেছেন। এত জনগহ থেকে এটা নিশ্চিত ২ মে দিদি যাচ্ছে, আসল পরিবর্তন আসছে। আসল পরিবর্তন বাংলার বিকাশ, এমন সরকার আনার জন্য যা গরিবের সেবা করবে।তিনি আরও বলেন, যারা তোলাবাজির সিন্ডিকেটে কড়া পদক্ষেপ নেবে। এই পরিবর্তন বিজেপি করবে। দিদি ও দিদি, ভ্রষ্টাচারের খেলা চলবে না, চলবে না। সিন্ডিকেটের খেলা, কাটমানির খেলা চলবে না, চলবে না। বিজেপি সরকার এলে মায়ের পূজা হবে, মাথায় তিলক হবে, মানুষের সম্মান হবে। রামপাড়ায় আওয়াজ দিলে সব ঘর থেকে রাম বেরোবে, শুধু রামপাড়া নয় সব আদিবাসী সমাজের চিত্র এটা। বনবাসী সমাজের সঙ্গে প্রভু রাম সবসময় থেকেছেন। আর ভাবুন যারা রাম নাম নেয়, তাদের সাথে দিদি কি করেন। তুষ্টিকরণের জন্য দিদি। দিদি আপনার আসল চেহারা আপনি আগে দেখিয়ে দিলে কখনও আপনার সরকার আসত না। দিদি এখন তাঁর রাগ আমার উপর বের করেছেন। দিদির লোক আজকাল দেওয়াল চিত্র বানাচ্ছে। আমার মাথা নিয়ে ফুটবল খেলছে। কেন আপনি বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন এভাবে?আমি আজ দিদিকে বার্তা দিতে চাই, আমি আমার মাথা ১৩০ কোটি মানুষের কাছে মাথা ঝুকিয়েই রেখেছি। এটাই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সংস্কার। তাই দিদি আপনি চাইলে আমার মাথায় পাও রাখতে পারেন আর লাথিও মারতে পারেন। কিন্তু আপনাকে আমি আর বাংলার বিকাশের উপর লাথি মারতে দেব না। এখানে মানুষ একটু জলের জন্য কষ্ট পাচ্ছে। জল কই দিদি? এখানে কৃষকদের এই হাল কেন? সেচ নেই কেন? চাকরি নেই কেন? আপনি শুধু কথা বলেছেন। আপনি দশ বছর বাংলার সঙ্গে খেলার পরেও আপনার মন ভরেনি? এখন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ঠিক করে নিয়েছে খেলা শেষ হবে, বিকাশ আরম্ভ হবে। অজিত মুর্মুর মত আদিবাসী শহিদ হয়েছেন। মানুষ গরিব হয়েছেন, তৃণমূলের নেতারা বড়লোক হয়েছেন। গরিবের টাকা লুটে এসব হয়েছে। তাই দিদি যাচ্ছে। বালি মাফিয়াদের রোজগার বেড়েছে। মানুষের অসুবিধায় দিদির হেলদোল নেই। এখন তো দিদি আমার মুখটাও দেখতে পছন্দ করেন না। কিন্তু আমাদের চন্দনা দিদির মত কার্যকর্তার চেহারা দিদি অনেক দিন মনে রাখবেন। এটা সেই গরিবদের প্রতীক যাঁদের হকের চাল, টাকা মেরেছে তৃণমূল। এখন এরাই গরিবদের নিজেদের অধিকার বুঝে নেবে। এটাই আসল পরিবর্তন। এঁদের সমর্থন দিয়ে বিধানসভায় পাঠাবেন যাতে দিনরাত তাঁরা আপনাদের সেবা করতে পারেন। ডাবল ইঞ্জিন সরকার বানাতে পারেন। আমি যুব ভোটার দের বলব সোনার বাংলার জন্য ভোট দিন। আপনাদের আগের প্রজন্মে সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূল শেষ করেছে। লাখ মানুষ বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এখন থেকে ২৫ বছর খুব গুরুত্বপূর্ণ। সোনার সময়। ভ্রষ্টাচার মুক্ত সরকার তৈরির জন্য বাংলায় বিজেপি সরকার জরুরি। সরকার এসেই জাতীয় শিক্ষা নীতি লাগু হবে। যাতে নিজেদের ভাষায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবে। জল জীবন মিশন লাগু হবে। আয়ুষ্মান ভারত লাগু হবে। হেলথ সেন্টার তৈরি হবে।বিজেপি স্কিম এর উপর চলে আর তৃণমূল স্ক্যামের উপর চলে। স্কিম যাদেরই স্কিম হোক না কেন স্ক্যামের ব্যবস্থা করে নেয় তৃণমূল। যেখানে স্কিম, সেখানে স্ক্যাম। আয়ুষ্মান ভারত, পিএম কিষান থেকে স্ক্যাম করা সম্ভব নয় তাই দিদি স্কিম আসতে দেননি। বাংলার কৃষক সরকার বঞ্চিত হয়েছেন পিএম কিষান যোজনা থেকে। বিজেপি সরকারে এসেই টাকা দেবে। আগেও দেবে। দশ বছর যে ইভিএমে জিতলেন এখন সেই ইভিএম চাননা। বোঝাই যাচ্ছে। এইবার জোরসে ছাপ, পদ্মে ছাপ। বন্ধুগণ, আসুন আমরা সংকল্প করি আসল পরিবর্তন, এবার নিশ্চই আসছে বিজেপি। সবাইকে ধন্যবাদ। ভারত মাতার জয়। বন্দে মাতরম।

মার্চ ২১, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলে 'তৃনীল'

নির্বাচনের আগে তৃণমূলে ফের তারকা যোগদান। শনিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন টলিউডের তারকা জুটি নীল ভট্টাচার্য ও তৃণা সাহা। কলকাতায় তৃণমূল কার্যালয়ে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে দলীয় পতাকা নেন তৃনীল। খড়কুটোর গুনগুন ও কৃষ্ণকলির নিখিল তৃণমূলে যোগ দিলেও তাঁরা ভোটে লড়ছেন না। কারণ, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত। শোনা যাচ্ছে, তাঁরা প্রচার করবেন।মাসখানেক আগে নীল ও তৃণার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন মমতা। বিয়েবাড়িতে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। দিদির পছন্দের মেগা খড়কুটো-র গুনগুনের মুখে ফুটে সে দিন ছিল আনন্দের ঝলক। তারপরেই প্রশ্ন উঠেছিল, এ বার কি তাহলে জোড়াফুলে যোগ দেবেন টলিউডের পরিচিত মুখ তৃনীল? সেটাই সত্যি হল। দলে যোগ দিয়ে দুজনেই এক সঙ্গে বললেন, দিদির পাশে থাকতেই তৃণমূলে এসেছি। ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ নীল ও তৃণা। দুজনেই অনেক দিন ধরে অভিনয় করছেন। সেই সঙ্গে নেটমাধ্যমেও তাঁরা সক্রিয়। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় ভোটে দাঁড়ানোর প্রশ্ন নেই, কিন্তু নিজেদের অনুগামীদের কাছে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করতে পারবেন তাঁরা। সেটাকেই হয়তো কাজে লাগাতে চাইছে শাসক দল।

মার্চ ২০, ২০২১
রাজনীতি

খড়গপুরের সভায় মোদির নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী, স্তুতি দিলীপ ঘোষের

শুভেন্দু অধিকারী নন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নন। মিঠুন চক্রবর্তী, স্বপন দাশগুপ্ত বা বাবুল সুপ্রিয়ো তো নন-ই। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যদি জয়লাভ করতে পারে, তার পুরো কৃতিত্বটাই আগে থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একমাত্র দিলীপ ঘোষের কারণেই বাংলায় এ বার পদ্মফুল ফুটবে, আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে এই কথাও বলতে শোনা গিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কোথাও গিয়ে কি এ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে প্রচ্ছন্ন একটা বার্তা দিতে চাইলেন নমো।দিলীপ ঘোষের বর্তমান লোকসভা কেন্দ্র মেদিনীপুর ও আগের বিধানসভা কেন্দ্র খড়গপুরের মাটিতে এ দিন সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। দিলীপ ঘোষের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। বলেন, আমি গর্বিত আমার দলে দিলীপ ঘোষের মতো সভাপতি আছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে দিলীপের গালভরা প্রশংসার পিছনে যে একটা বড় রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে, তা স্বীকার করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। কেননা, কেবল গর্বিত বলে থামেননি নমো। তিনি আরও বলেছেন, দলকে জেতাতে শেষ কয়েক বছর ধরে তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেননি। তাঁর সংযোজন, ওনার উপর অনেক হামলা হয়েছে। মৃত্যুর কোলে শুইয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু, দিলীপ থেমে থাকেননি। দিনরাত এক করে কাজ করছেন। এই জন্যই আমি বলছি, এ বার বিজেপি সরকার। মোদির কথায় স্পষ্ট, দিলীপের কাঁধে ভর করেই বাংলায় পদ্ম ফোটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন তিনি। নীলবাড়ির লড়াইকে অবাধ করার ডাক দেওয়ার পাশাপাশি বাংলার পুলিশ-প্রশাসনকে গণতন্ত্র বাঁচানোর প্রতিজ্ঞা নেওয়ার আহ্বান এদিন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে বললেন, অরজাকতার বিরুদ্ধে সকলকে রুখে দাঁড়াতে হবে। বলেন, বাংলায় ভোট দেওয়ার অধিকারও কেড়ে নিয়েছেন দিদি। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে ভাবে আপনাদের ভোটাধিকারকে পিষে দিয়েছিলেন, তা গোটা দুনিয়া দেখেছে। আমি কথা দিচ্ছি, দিদিকে আর গণতন্ত্রকে পদদলিত করতে দেব না। পুলিদলের নির্বাচনী ইস্তাহারে ১০ অঙ্গীকার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ নরেন্দ্র মোদীর। বৃহস্পতিবার নিজেহাতে তৃণমূলের ইস্তার প্রকাশ করেন মমতা। তাতে প্রত্যেক পরিবারের ন্যূনতম রোজগারের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি যেমন দিয়েছেন, তেমনই ঘরে ঘরে সস্তায় বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। শনিবার খড়গপুরের জনসভা থেকে সেই নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলায় উন্নয়নের পথে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দিদি। আপনারা বিশ্বাস করেছিলেন দিদিকে। কিন্তু উনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আপনাদের স্বপ্ন চুরচুর করে দিয়েছেন ১০ বছরে বাংলাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। অনেক ১০ অঙ্গীকারের কথা বলছেন দিদি। বাংলার মানুষ আপনাকে ১০ বছর সময় দিয়েছিলেন। কিন্তু আপনি লুঠতরাজের সরকার চালিয়ে গিয়েছেন। ১০ বছরে শুরু দুর্নীতি দিয়েছেন। কুশাসন দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বাংলার যুবসমাজের কাছ থেকে জীবনের ১০টি মূল্যবান বছর কেড়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন মোদি। তিনি বলেন, আপনাদের অস্থিরতা বুঝি। কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূলকে বছরের পর বছর ধরে সহ্য করে আসছেন। দিদি তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে এসেছেন বরাবর। বাংলার যুবসমাজের কাছ থেকে ১০ বছর কেড়ে দিয়েছেন দিদি। দিদির দল নির্মমতার পাঠশালা। সিলেবাস হচ্ছে তোলাবাজি। দিদির পাঠশালায় সিলেবাস কাটমানি। দিদির পাঠশালায় সিলেবাস সিন্ডিকেট। দিদির পাঠশালায় উৎপীড়ন এবং অরাজকতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

মার্চ ২০, ২০২১
রাজনীতি

প্রচারে 'গো ব্যাক' স্লোগান, ক্ষুব্ধ বাবুল

প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন টালিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। দীর্ঘক্ষণ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ। ঘটনার ভিডিও টুইট করে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাবুল।বৃহস্পতিবার রাতে নিজের এলাকা অর্থাৎ টালিগঞ্জে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়। নিজের বিধানসভা এলাকার বহু মানুষের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রচারের মাঝে ভবানীপুর এলাকার একটি ধাবায় চা খাওয়ার জন্য গাড়ি দাঁড় করান বাবুল। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা তাঁর গাড়ি ঘিরে ফেলেন। গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।পাশাপাশি চলে তৃণমূলের স্লোগানও। একসময়ে বাধ্য হয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন বাবুল সুপ্রিয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে এলাকা ছাড়েন বিজেপি প্রার্থী।শুক্রবার সকালে এই ঘটনার ভিডিও টুইট করেন বাবুল। সেখানেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে গণতন্ত্র কোথায়? পাশাপাশি লেখেন, ২ মে সবকিছু শেষ হবে। খেলা নয়, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এবার উন্নয়ন হবে।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজ্য

খেলা হবে না, বিকাশ হবে...পুরুলিয়ার সভায় পাল্টা স্লোগান মোদির

বঙ্গে ভোটের বাজার মাতিয়ে রেখেছে শাসকদলের খেলা হবে স্লোগান। তৃণমূলের ছোট-বড় নেতারা তো বটেই, খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও শোনা গিয়েছে এই স্লোগান। যা গত কয়েক মাসে প্রচারে সামান্য অ্যাডভান্টেজই দিচ্ছিল শাসক শিবির। এবার তৃণমূলের সেই খেলা হবে স্লোগানের পালটা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুরুলিয়ার সভা থেকে মোদি জানিয়ে দিলেন, কোনও রকম খেলা নয়, বিজেপি শুধু উন্নয়নের কথা বলবে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, ভয় দেখানো দিদির অস্ত্র। যে কারণে খেলা হবে স্লোগান দেখিয়ে ভীতির সৃষ্টি করা হচ্ছে।পুরুলিয়ার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর হুংকার, অত্যাচার অনেক করেছ দিদি। ভয় দেখানোই তোমার অস্ত্র। রুখে দাঁড়াবে বাংলার মানুষ। মা দুর্গার আশীর্বাদে বাংলার মানুষ করবে তোমাকে পরাস্ত। তৃণমূলের জনপ্রিয় স্লোগানকে কটাক্ষ করে মোদি বললেন, বাংলায় তৃণমূলের হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি আছে। সেটা বুঝতে পেরেই দিদি বলছেন, খেলা হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে চাকরি হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে শিক্ষা হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে মহিলাদের উত্থান হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে যুব শক্তির প্রকৃত উত্থান হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে সোনার বাংলা তৈরি হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে প্রত্যেক ঘরে জল হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে হাসপাতাল হবে। দিদি বলেন খেলা হবে, বিজেপি বলে, স্কুল হবে দিদি, স্কুল হবে।নতুন এই স্লোগান তোলার পরই মোদির কটাক্ষ, ও দিদি বাংলায় খেলা এবার শেষ হবে। বিকাশ আরম্ভ হবে। দিদির বাংলার মানুষের থেকে বেশি খেলার চিন্তা। দিদি ভুলে গিয়েছেন, এবার গোটা বাংলা আপনার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে। চুরির খেলা আর হবে না দিদি। নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহত হওয়া নিয়ে এতদিন মুখ না খুললেও এদিন মমতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, দিদি আমাদের চোখে আপনিও বাংলার মেয়ে। আপনাকে আমরা সম্মান করি। ভগবানের কাছে প্রার্থনা তুমি দ্রুত সুস্থ হয়ে যাও। কিন্তু সুস্থতা কামনা করেও মুখ্যমন্ত্রীর আহত হওয়ার ঘটনাকে পরোক্ষে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদি। বলেছেন, কলকাতার ব্রিগেড র্যা লির পর কী কী হচ্ছে, সেটা আপনারাও দেখছেন, গোটা দেশ দেখছে। ১০ বছর তোষণের পর, মানুষের উপর অত্যাচারের পর হারার ভয়ে দিদি কেমন বদলে গিয়েছেন।

মার্চ ১৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় কী কী খাবেন না, দেখুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সকালে উঠে মাটিতে পা ফেলতেই ব্যথা শুরু। দু-একদিন পর হাত-পায়ের জয়েন্টেও একই অবস্থা। কিছুক্ষণ হাঁটাচলার পর ব্যথা কমছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি সারছে না। জয়েন্ট ফুললে সমস্যা আরও বাড়ছে। মাটিতে পা ফেলাটাই তখন বিভীষিকা। একজন সুস্থ, সবল মানুষ রাতারাতি শয্যাশায়ী। এতটাই মারাত্মক হতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। কেন হয়-৪০ বছরের পর এমন সমস্যা হয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, প্রোটিনের আধিক্য, মদ্যপানের জন্য এখন অল্পবয়সিদের মধ্যেও এর প্রবণতা বাড়ছে। অনেকেই তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে প্রোটিন বেশি খান। সেখান থেকেই সমস্যা সূত্রপাত।মেটাবলিক ডিসঅর্ডারের জন্য শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ইউরিক অ্যাসিডের ক্যালসিফিকেশনহয়, ফলে ইনফ্লেমেশন হয়ে ফুলে যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা বেশি। মহিলাদের শরীরের ইস্ট্রোজেন হরমোন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।কী খাবেন আর কী খাবেন না? ইউরিক অ্যাসিডের ডায়েট নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই টমেটো খাওয়া ছেড়ে দেন। রান্নায় টমেটো, পিঁয়াজ খেতে পারেন তবে কাঁচা পিঁয়াজ বা টমেটো খাবেন না। ভাত, রুটি, চিঁড়ে, মুড়ি, ভুট্টা খেতে পারেন। পালং, ফুলকপি, বাঁধাকপি অল্প খাবেন। বীজ আছে এরকম সবজিও খেতে পারেন, পরিমাণ কম। তৈলাক্ত নয় এমন মাছ খান। ইলিশে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। বর্ষাকালে এক-দুদিন ইলিশ খেলে সমস্যা নেই। সব ফল খেতে পারেন। তবে মিক্সড ফ্রুটের বদলে সারাদিনে যে কোনও একটা ফল খান। ড্রাই ফ্রুটস চলবে। ২০০-২৫০ এম.এল.-এর বেশি দুধ খাবেন না। দই, ছানা খেতে পারেন। খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিনের পরিমাণ কমান। ৬০ কেজি ওজনের কেউ সারাদিনে ৬০ গ্রামের বেশি প্রোটিন খাবেন না। ডাল বা ডাল থেকে তৈরি জিনিস, রাজমা, সয়াবীন খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে রাখুন।ডিমের সাদা অংশই খেতে পারেন। চিকেন চলবে। মাটন, মাটনের মেটে, চিংড়ি খাবেন না। অক্সালেট জাতীয় স্টোনের সমস্যা থাকলে দুধ বা দুগ্ধজাতীয় কিছু খাবেন না। ফলের রস খাবেন না। কারণ ফ্রুকটোজ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

মার্চ ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • 68
  • 69
  • 70
  • ...
  • 78
  • 79
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal