• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Police Custody

রাজ্য

এবার পুলিশের জালে কুলতলির সাদ্দাম সরদার, নজরে আরো ১২-১৩ জন

সন্দেশখালির শাহজাহান, চোপড়ার তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবি, আড়িয়াদহের জয়ন্ত সিং ওরফে জায়ান্ট, এবার পুলিশের জালে কুলতলির সাদ্দাম সরদার। শেষমেশ পুলিশ কুলতলির চুপড়িঝাড়া পঞ্চায়েত এলাকার বাণীরধল এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে কুলতলি কান্ডের মূল পান্ডা সাদ্দাম সরদার। গভীর রাতে রীতিমতো চারিদিক থেকে ঘিরে ধরেছিল পুলিশ। এবার আর পুলিশের কবল থেকে পালানোর পথ পায়নি সাদ্দাম। সাদ্দামকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এলাকার সিপিএম নেতা মান্নান খানকেও।নকল সোনা বিক্রি-সহ নানা ধরনের প্রতারণার একগুচ্ছ অভিযোগ রয়েছে কুলতলির সাদ্দাম সরদারের বিরুদ্ধে। এর আগে তাকে গ্রেফতার করতে গিয়ে নজিরবিহীন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল পুলিশ বাহিনীকে। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও ছেড়ে সাদ্দাম অনুগামীরা। এই ঘটনার পর থেকে পরপর কয়েকদিন কুলতলিতে সাদ্দামের ডেরায় তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। কয়েকজনকে গ্রেফতার করা গেলেও মূল অভিযুক্ত সাদ্দাম সরদার ও তার ভাই সায়রুলকে ধরতে পারছিল না পুলিশ। যদিও এখনও হদিশ মেলেনি তাঁর সায়রুলের।অবশেষে বুধবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কুলতলির চুপড়িঝাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশ। এলাকার একটি মাছের ভেড়ির চালাঘরে লুকিয়ে ছিল সাদ্দাম। সেখানে চিটেবেড়ার ঘর। আশেপাশে কোথাও কোনও মানুষজন থাকে না। ওই ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। একেবারে নির্জন ওই জায়গাই বেছে নিয়েছিল সাদ্দাম। পাছে কারও যেন সন্দেহ না হয়। সূত্র মারফত এই খবর আগেই পেয়ে যায় পুলিশ। সেইমতো আগেভাগে গোটা চালা ঘর ঘিরে ফেলেন পুলিশকর্মীরা।পুলিশ এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে টের পেয়েই ফের পালানোর চেষ্টা করে সাদ্দাম। তবে এবার আর শেষ রক্ষা হয়নি। গভীর রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে সাদ্দামকে। সাদ্দামকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে এলাকার সিপিএম নেতা বলে পরিচিত মান্নান খানকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে।যদিও এখনও অধরা সাদ্দামের ভাই সায়রুল। তবে সাদ্দাম গ্রেফতার হওয়ায় এবার তার ভাইয়ের গ্রেফতার হওয়াও সময়ের অপেক্ষা মাত্র, এমনই বলছেন তদন্তকারীরা। সাদ্দামকে জেরায় বিস্ফোরক একাধিক তথ্য সামনে আসতে পারে বলে আশাবাদী তদন্তকারী অফিসাররা।

জুলাই ১৮, ২০২৪
রাজ্য

জিতেন্দ্র তেওয়ারির ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত, ব্যাপক বিক্ষোভ আসানসোল আদালত চত্বরে

রবিবার আসানসোল আদালতে তোলা হয় আসানসোলের বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে। গত বছর ১৪ই ডিসেম্বর আসানসোলে কম্বল বিতরণকাণ্ড পদপৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার গ্রেফতার করা হয় জিতেন্দ্রকেl এদিন জিতেন্দ্র তেওয়ারি নিজে একজন আইনজীবী হিসেবে নিজেই নিজের মামলা মুভ করেন বলে জানা গিয়েছে। জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে আদালত থেকে বার করার আগে বিজেপি কর্মীরা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থেকে আদালত চত্বরে। তাঁদের দাবি, যে গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই গাড়ি পরিবর্তন করতে হবে। তারা অভিযোগ জানাতে থাকে অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রে পুলিশ অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসি গাড়ি ব্যবহার করে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন জনপ্রতিনিধি জিতেন্দ্রকে নিয়ে যাওয়ার সময়ও এসি গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। এই অভিযোগে তারা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকে গাড়ির সামনে বসে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। যদিও পুলিশি তৎপরতায় আদালত চত্বর থেকে বিজেপি কর্মীদের সরিয়ে জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে বার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিন সরকারি আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ জানিয়েছেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করা হয়েছিল আদালতে আদালত ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছে। আগামী ২৭ তারিখ পুনরায় জিতেন্দ্র তেওয়ারি পেশ করা হবে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

ভাদু খুনে গ্রেপ্তার আরও তিন, মিহিলালকে ফের জেরা সিবিআই-এর

বগটুই-কাণ্ডে আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রামপুরহাটের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনে বুধবার এ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাদু খুনের পর অভিযুক্তেরা এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছিল। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেপাজত দিয়েছেন রামপুরহাট আদালতের বিচারক। ধৃত তিন জনের মধ্যে সঞ্জু এবং শেরার নাম রয়েছে এফআইআরে। রাজা নামে এক জনকে সন্দেহের বশে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য দিকে, নিহত ভাদুর বাড়িতে বুধবার সিবিআইয়ের একটি দল পৌঁছয়। ভাদুর প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি নলহাটি থানার এক পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।বুধবার সিবিআই আধিকারিকরা আবারও এক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেন বগটুইয়ের বাসিন্দা মিহিলাল শেখকে। পাশাপাশি রামপুরহাট থানার এএসআই সত্যেন্দ্রনাথ সাহাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। বুধবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর থেকে বগটুইয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রাম কুমারড্ডায় রওনা দিয়েছেন মিহিলাল। তাঁর কথায়, বগটুই গ্রামে আপাতত কোনও আতঙ্ক নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে জানি না। আপাতত বগটুইয়ের পাশের গ্রাম কুমারড্ডায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকব। মেয়ে মারা গিয়েছে। ছেলে ইব্রাহিমকে মানুষ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাড়ি ঘরদোর ঠিক হলে তার পর বগটুইতে ফিরব।

মার্চ ৩০, ২০২২
কলকাতা

বইমেলায় কেপমারিতে অভিযুক্ত অভিনেত্রীর জেল হেপাজত

বইমেলা থেকে কেপমারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেত্রী রূপা দত্ত। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বইমেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। একদিনের জেল হেপাজত হয়েছে রূপা দত্তের। তাঁর আইনজীবী এদিন এজলাসে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক। গ্রেপ্তারের পরই রূপার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা, একাধিক পার্স উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। টেলি দুনিয়ায় বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রূপা দত্ত। মুম্বইয়েও যোগাযোগ ছিল বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যাঁর এত পরিচিতি, এভাবে চুরির অভিযোগে তাঁর নাম কেন জড়াল? অন্যদিকে এদিন এজলাসেও বিচারক মামলাটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিজার লিস্টে দুজন সাক্ষীর নাম ছিল। একজন এর মধ্যে মহিলা কনস্টেবল। প্রশ্ন উঠেছে, দ্বিতীয় জনের জবানবন্দি কেন নেওয়া হল না? অন্যদিকে রূপা দত্ত কেন ডাস্টবিনের পার্সের দিকে হাত বাড়াতে গেলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত

হাওড়ার শিবপুরে বহুতল আবাসনে বৃদ্ধ দম্পতি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ছেলে শুভজিৎ বসুকে। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হলে তাঁর ২ দিনের পুলিশ হেফাজতের আদেশ দেন বিচারক। পুলিশ ধৃত শুভজিৎ এর বিরুদ্ধে খুন সহ ভারতীয় দন্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করেছে। বুধবার দুপুরে শিবপুর থানা এলাকার কৈপুকুর লেনের এক আবাসনে ওই ঘটনা ঘটে। আবাসনের চারতলার ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রদ্যোৎ বসু (৭৫) এবং তাঁর স্ত্রী গোপা বসুর(৭০) মৃতদেহ। পুলিশ দরজা ভেঙে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ঃ মালদা বিস্ফোরণের ঘটনায় সরকারের কড়া সমালোচনা রাজ্যপাল - দিলীপের , পালটা প্রতিক্রিয়া রাজ্যের পুলিশের দাবি, ধৃত শুভজিৎ তাঁর বাবা-মাকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুনের কথা স্বীকার করে। বাবা-মাকে খুন করে নিজেও ব্লেড চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। কালীপুজোর রাতে তিনি ওই ঘটনা ঘটিয়েছিলেন বলে শুভজিৎবাবুর দাবি। শুভজিৎবাবু পুলিশের কাছে জানিয়েছেন, তাঁকে বাড়ি থেকে বেড়োতে দেওয়া হত না। চাকরি করতে দিতে আপত্তি থাকায় চাকরিও তিনি করতেন না। পুলিশের ধারণা, আর্থিক সঙ্কট অন্যদিকে মানসিক অবসাদ এই দুই কারণেই বাবা-মাকে হত্যা করেন তিনি। মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন শুভজিৎ।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির

লকআপে ধৃতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বীরভূমের মল্লারপুর। মৃতের নাম শুভ মেহেনা। মল্লারপুরের বারুইপাড়ার বাসিন্দা। শুভকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করেছে বিজেপি। এই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার ১২ ঘন্টার মল্লারপুর বনধ ডেকেছে বিজেপি।জানা গিয়েছে , মোবাইল চুরির অভিযোগে সপ্তমীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । পরিবারের অভিযোগ, গত সপ্তমীর দিন চুরির মিথ্যা অভিযোগে মল্লারপুর থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে লকআপে রাখে। শুভকে আদালতে তোলেনি পুলিশ । লকআপে তাকে পুলিশ পিটিয়ে মেরেছে। শুক্রবার সকালে শুভর বাড়িতে মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়। মল্লারপুর বাহিনা মোড়ের ১৪নং জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অরবোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেছেন তারা। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি মল্লারপুর থানার পুলিশের। আরও পড়ুন ঃ ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়া হবে : দিলীপ এবিষয়ে বীরভূমের পুলিশ সুপার শ্যাং সিং বলেন, লকআপে শুভ মেহেনা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। যেহেতু থানায় মৃত্য হয়েছে, তাই পর্যাপ্ত তদন্ত হবে। আসল সত্য প্রকাশ্যে আসবে। জানা গিয়েছে, পুলিশ লক-আপে মৃত্যু ও ওসি-র শাস্তির দাবিতে শুক্রবার রাত ৯টায় রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁয়ের নেতৃত্বে মল্লারপুর থানা ঘেরাও করা হবে।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাজ্য

বলবিন্দর সিং সহ তিন ধৃতের ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত

নবান্ন অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত বলবিন্দর সিং সহ তিন ধৃতকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল হাওড়া আদালত। তদন্তের স্বার্থে একদিন আগেই রবিবার দুপুরে এই তিন ধৃতকে হাওড়া আদালতে তোলা হয়। বলবিন্দর সিং ছাড়াও প্রিয়াংশু পান্ডে ও আনন্দ সোনকরকে হাওড়া আদালতে তোলা হয়। এই প্রসঙ্গে হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে আরও কিছুদিন নিজেদের হেফাজতে রাখতে একদিন আগেই এঁদের আদালতে পেশ করা হয়েছে। তদন্তের জন্য বলবিন্দরকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাই তাঁকে ফের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হল। এদিন দিল্লির শিখ গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটির একটি প্রতিনিধিদল হাওড়ায় আসে। বলবিন্দরকে যখন আদালতে তোলা হচ্ছিল তখন এঁরা কোর্ট লক আপের সামনে হাজির হন। আরও পড়ুনঃ পুরসভার প্রশাসকের উপর হামলার ঘটনায় বিজেপির কোনও হাত নেইঃ সায়ন্তন এই সংগঠনের সভাপতি মনজিন্দার সিং সির্সা বলেন, মামলা একতরফাভাবে কেন করা হচ্ছে ? যে সমস্ত পুলিশকর্মীরা বলবিন্দর সিংকে মারধর করে পাগড়ি খুলে নিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি বলবিন্দরকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন তাঁরা। বলবিন্দর সিং জম্মু কাশ্মীরে আধাসেনা হিসেবে দেশের জন্য লড়াই করেছেন। অথচ তাঁকেই এভাবে ফাঁসানো হয়েছে। নবান্ন অভিযানের দিন বলবিন্দর শুধুমাত্র নিরাপত্তারক্ষীর ডিউটি করতে এসেছিলেন বলেও প্রতিনিধিদলের তরফে দাবি করা হয়। বলবিন্দরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রজু করেছে পুলিশ। হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বেই জানানো হয়েছে, ওই আগ্নেয়াস্ত্রের কোনও লাইসেন্স নেই। লাইসেন্স থাকলেও তা শুধুমাত্র জন্মু কাশ্মীরের রাজৌরি জেলা এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। হাওড়ার জন্য নয়। প্রসঙ্গত, নবান্ন অভিযানের ঘটনায় বিজেপি নেতা প্রিয়াংশু পান্ডে, তাঁর দেহরক্ষী বলবিন্দর সিং সহ মোট ৮ জনকে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এছাড়াও বিজেপির আরও ৭ জন নেতৃত্বের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

১০ দিনের পুলিশি হেফাজত সঞ্জিত সিংয়ের

সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো সঞ্জিত সিং ওরফে পাপ্পু সিংকে শুক্রবার গভীর রাতেই গ্রেফতার করেছিল ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ। শনিবার তাকে বারাসাত জেলা আদালতে পেশ করা হলে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। অভিযোগ, ভাটপাড়া - নৈহাটি সমবায় ব্যাঙ্কের আর্থিক প্রতারণার ঘটনায় ধৃত সঞ্জিত সিং ওরফে পাপ্পু সাড়ে ১২ কোটি টাকা তছরুপের ঘটনায় জড়িত। ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ১২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ওই নেতার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে দাবি গোয়েন্দাদের। ইতিমধ্যেই এই জালিয়াতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন ব্যাংকের তত্কালীন এক শীর্ষকর্তা ও পাপ্পু সিংয়ের আপ্তসহায়ক। বর্তমানে তাঁরা জেলে রয়েছেন। তদন্তকারীরা জানান, ধৃতদের জেরা করে ব্যাংক জালিয়াতি সংক্রান্ত অনেক তথ্যই মিলেছে। যার উপর নির্ভর করে এই ঘটনায় আরও কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হতে পারে। আরও পড়ুন ঃ যদি গোল টুপি মাথায় থাকত তবে মারতে পারত? মন্তব্য দিলীপের এদিকে পাপ্পুর গ্রেফতারি প্রসঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, ব্যারাকপুর গোয়েন্দা বিভাগ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে নোটিশ জারি করে ডেকে পাঠিয়েছিল। যেই ও দেখা করতে যায়, তখনই পুলিশ ওকে গ্রেপ্তার করে । তাঁর কথায়, পুলিশ এখন চাইছে আমার যত কাছের লোক আছে, হয় তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে নাহলে খুন করে ফেলবে । এদিন অর্জুন সিং দাবি করেন, মণীশ খুনের ঘটনায় সিআইডি তৃণমূল নেতাদের কথায় আমাকে ফাঁসাতে চাইছে। সেইজন্য আমি বারবার সিবিআই তদন্তের দাবি করছি ।

অক্টোবর ১০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার মাশুল! দুই বাংলাদেশি মহিলার বিরুদ্ধে আদালতের বড় রায়

অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া দেশে বসবাসের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি মহিলাকে দুবছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মহারাষ্ট্রের একটি আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে দশ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।দোষী সাব্যস্ত হওয়া দুই মহিলার নাম শাহানাজ বিলাল সদ্দার এবং হাসিনা জব্বর খান। আদালতের নথি অনুযায়ী, গত তিন ডিসেম্বর দুই হাজার চব্বিশ সালে মহারাষ্ট্রের থানে জেলার মিরা রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে পুলিশের মানব পাচার বিরোধী শাখা। এরপর থেকেই তাঁরা হেফাজতে ছিলেন।তদন্তে উঠে আসে, দুই মহিলা বৈধ নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং মহারাষ্ট্রে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।আদালতে দুই মহিলার আইনজীবী জানান, তাঁরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। দুজনই বিবাহিত এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে কোনও অপরাধের অভিযোগও ছিল না। পাশাপাশি আদালতের কাছে দাখিল করা আবেদনে দুই মহিলা নিজেদের দোষ স্বীকার করার ইচ্ছার কথাও জানান।সমস্ত দিক বিবেচনা করে আদালত বিদেশি আইন এবং পাসপোর্ট আইনের অধীনে দুই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে গ্রেপ্তারের পর থেকে তাঁরা যে সময় হেফাজতে কাটিয়েছেন, সেই সময় মূল কারাদণ্ডের মেয়াদের সঙ্গে সমন্বয় করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক।এই রায়ের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং বৈধ নথি ছাড়া ভারতে বসবাসের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে বড় আতঙ্ক! দুর্গে পরিণত আটলান্টা, কেন এত কড়া নিরাপত্তা?

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ঘিরে এখন শুধু ফুটবল নয়, নিরাপত্তাও বড় আলোচনার বিষয়। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে ইতিহাস, আবেগ এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন করে সামনে এসেছে। সেই কারণেই আটলান্টার স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মার্কিন প্রশাসনের মতে, চলতি বিশ্বকাপে এটাই সবচেয়ে স্পর্শকাতর ম্যাচগুলির একটি। সেই কারণে স্থানীয় পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একাধিক বৈঠক করে নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সমর্থকদের নিরাপদে প্রবেশ নিশ্চিত করতে দুই দলের দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু ব্যানার বা রাজনৈতিক বার্তা বহনকারী সামগ্রী স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহু পুরনো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের একাধিক ম্যাচ বিতর্ক, উত্তেজনা এবং নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী। সেই কারণেই এই লড়াইকে ঘিরে সমর্থকদের আবেগও সব সময় তুঙ্গে থাকে।শুধু অতীতের ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক ঘটনাও প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের জয়য়ের পর দুই দলের কিছু সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন।সব মিলিয়ে মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই এই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা চরমে। একদিকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ড। তবে খেলার পাশাপাশি এবার নজর থাকবে মাঠের বাইরের পরিস্থিতির দিকেও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি থেকেই স্পষ্ট, কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় আয়োজকরা।

জুলাই ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগেই মেসিদের ঘিরে বিস্ফোরক দাবি! বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের ডাক কেন?

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই হাজার দুই সালের পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই ফুটবল শক্তির লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ম্যাচ শুরুর আগেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে লিওনেল মেসির দল।সাম্প্রতিক কয়েকটি ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সেই আবহেই সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন আবেদন ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ওই আবেদনের সমর্থকেরা অভিযোগ করেছেন, রেফারির সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ ওই অনলাইন আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন। আবেদনকারীদের বক্তব্য, বিশ্বকাপে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত। তবে এই দাবির বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।এই বিতর্কের মাঝেই মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই দুই দলের লড়াই বহু স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী। দিয়েগো মারাদোনার বিতর্কিত গোল থেকে শুরু করে একাধিক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এখনও ফুটবলপ্রেমীদের মনে রয়েছে। তাই এবারও এই ম্যাচ ঘিরে প্রত্যাশা অনেক বেশি।ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনও ম্যাচের আগে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, আর্জেন্টিনা খুব অভিজ্ঞ দল। তারা জানে কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে হয়। তাই এই ম্যাচ সহজ হবে না বলেই মনে করছেন তিনি।অন্যদিকে গোলদাতাদের তালিকাতেও নজর রয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। লিওনেল মেসি আটটি গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিলিয়ান এমবাপেও আট গোল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেনের ঝুলিতে রয়েছে ছয় গোল। ফলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে মেসি যেমন দলকে জেতানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবেন, তেমনই গোলদাতাদের তালিকায় নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও থাকবে তাঁর সামনে।সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের এই মহারণ শুধু দুই দলের লড়াই নয়, মাঠের বাইরের বিতর্কও এই ম্যাচকে আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দিয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

‘বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী’! বিস্ফোরক বার্তায় নতুন লড়াইয়ের ডাক মমতার

তৃণমূলের অন্দরে একের পর এক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের ভিতরে অস্বস্তি বাড়লেও লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও পিছিয়ে যেতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে আবারও শূন্য থেকে দল গড়ে তুলতে প্রস্তুত তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ দলের প্রতীক দেখে ভোট দিয়েছেন। তাই যাঁরা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁদের বেইমান বলেও কড়া আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, দুই হাজার সাতানব্বই সালে একা লড়াই শুরু করেছিলেন। তখনও সফল হয়েছিলেন। তাই দুই হাজার ছাব্বিশ সালেও নতুন করে লড়াই শুরু করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে মদন মিত্র-সহ একাধিক নেতা বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, অভিষেককে অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, অভিষেক নিজের দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামী বহু বছর রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন।মদন মিত্রের দলত্যাগ প্রসঙ্গেও পরোক্ষে প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চাপ দেখিয়ে অনেককে দল ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নোটিস পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের অনেকের পরিস্থিতি আগেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন।এরপর তৃণমূলের শুরুর দিনের কথা মনে করিয়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গড়ে নির্বাচন লড়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে কঠিন সময় এলেও লড়াই থামেনি। তাই বর্তমান পরিস্থিতিকেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছেন।একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা হবে। প্রতি বছরের মতো সমাবেশের আগের দিন তিনি নিজে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।মমতা আরও বলেন, কোনও বাধা এলেও সভা বন্ধ হবে না। প্রয়োজন হলে মাইক্রোফোন ছাড়াই কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নির্ধারিত সময়েই হবে এবং দল লড়াই চালিয়ে যাবে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় স্বস্তি! আদালতের রায়ে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থল পেল কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই চলছিল জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। শেষ পর্যন্ত সেই বিতর্কে ইতি টানল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ কালীঘাট তৃণমূলকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। তবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে।আদালতে প্রথমে কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাজরায় সভা করার প্রস্তাব মানা হয়নি। পরে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেও সভা করার আবেদন জানানো হলেও আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। এরপর আদালত রাজ্যের কাছে বিকল্প জায়গার বিষয়ে মত জানতে চায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ওয়েলিংটনের সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের সভা করা সম্ভব বলেও জানানো হয়।কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, তাঁদের আবেদন অনেক আগে করা হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। অথচ পরে আবেদন করা অন্য সংগঠনকে সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর পাওয়া যায়নি।আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহিদ মিনারে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি রয়েছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভা করার প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, এই জায়গাটি দুই কর্মসূচির মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখবে। তবে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সমর্থকের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।প্রথমে তিন হাজার মানুষের অনুমতির কথা উঠলেও রাজ্য আপত্তি জানায়। পরে আদালত আড়াই হাজার সমর্থক নিয়ে সভা করার অনুমতি দেয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, সভা বিকেল সাড়ে তিনটার মধ্যে শেষ করতে হবে।শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, এই দিনের সঙ্গে তাঁদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। আগের দিনের বিক্ষোভে কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও আদালতের সামনে তোলা হয়।সব দিক বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে শর্তসাপেক্ষে একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটলেও, রাজনৈতিক উত্তাপ যে এখানেই থামছে না, তা স্পষ্ট।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

মদনের পদত্যাগেই জোর জল্পনা! এবার কি বড় ঝড়ের মুখে তৃণমূল?

তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক সমীকরণ কি দ্রুত বদলে যাচ্ছে? সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে ঘিরে সেই প্রশ্নই এখন জোরালো হচ্ছে। একের পর এক নেতার অবস্থান বদল এবং নতুন শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সব মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।ভাই স্বরূপ বিশ্বাস জেলে রয়েছেন। অরূপ বিশ্বাসকে নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা জল্পনা চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভেবেছিলেন দলের ভিতরে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসকে দেখা যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। এরপরই শুরু হয় নতুন রাজনৈতিক চর্চা।এর মধ্যেই আরও বড় চমক দেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। তৃণমূলের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত মদন দলীয় সব পদ ছেড়ে ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি দলের অন্দরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, এটি কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়। তাঁর কথায়, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে সম্মিলিত নেতৃত্বের পক্ষে যারা বিশ্বাস করেন, তাঁদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির নেপথ্যে আরও বড় রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে।এদিকে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মদন মিত্রের স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। আগামী বাইশ ও তেইশ জুলাই তাঁদের হাজির হতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই মদনের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আরও জোরালো হয়েছে জল্পনা।অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলও নতুন আইনি সমস্যায় পড়েছেন। দুই হাজার একুশ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, হামলা চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ইট লুট করা হয়েছিল এবং ভয় দেখানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস রায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের অন্দরে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দলের ভিতরে এখন অস্থিরতা স্পষ্ট।সব মিলিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক ঘটনা ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনে এই ঘটনাগুলি রাজ্যের রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টের চাপে শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিলেন অভিষেক! এবার কি বড় বিপদ?

হাইকোর্টের নির্দেশের পর শেষ পর্যন্ত কণ্ঠের নমুনা দিতে হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিধাননগর আদালতে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে তাঁর কণ্ঠস্বর রেকর্ড করা হয়েছে। এবার সেই নমুনা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য। এই রিপোর্টকে ঘিরেই রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি পাতার লেখা দুবার পড়তে বলা হয়। একবার স্বাভাবিক গলায় এবং আর একবার ধীরে। সেই রেকর্ডিং একটি মেমোরি কার্ডে সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত অডিয়োর কণ্ঠস্বরের সঙ্গে এই নমুনার মিল রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা।জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে কোনও নির্দিষ্ট বক্তৃতা হুবহু পড়ানো হয়নি। অভিযোগে উল্লিখিত কিছু শব্দ ব্যবহার করে একটি নতুন লেখা তৈরি করা হয়েছিল। সেই লেখাই পড়ে শোনান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়েছে। আদালতে পৌঁছনো থেকে শুরু করে কণ্ঠের নমুনা দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ক্যামেরাবন্দি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে যাতে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেই কারণেই সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের পর প্রয়োজনীয় নথিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ডিং এবং ভিডিওর বিশেষ ডিজিটাল পরিচিতিও তৈরি করা হয়েছে, যাতে ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় তথ্যের অখণ্ডতা বজায় থাকে।এই মামলার অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, তদন্তের কাজ সঠিক দিকেই এগোচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, মামলার সঙ্গে যুক্ত একটি তালিকা এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় জেলা, ব্লক এবং ওয়ার্ডভিত্তিক একটি তালিকার কথা বলেছিলেন। সেই তালিকাতেই বহু মানুষের নাম ছিল বলে অভিযোগকারীর দাবি। তদন্তে সেই তালিকারও খোঁজ চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।এখন সকলের নজর ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে। কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার ফল এই মামলার তদন্তে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১৫, ২০২৬
কলকাতা

একুশের পোস্টার থেকে হঠাৎ উধাও অভিষেক! তৃণমূলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত?

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের নতুন পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। পোস্টারে রয়েছেন শুধু তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নেই। এই নিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা।কলকাতা হাইকোর্ট একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের জন্য বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি দেওয়ার পর নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ। পরে সেই একই পোস্টার নিজের সামাজিক মাধ্যমেও ভাগ করে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু পোস্টারে তাঁর ছবি না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে।এর আগে প্রকাশিত প্রথম পোস্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। তখন সমাবেশের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক না হওয়ায় শুধু কলকাতায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু নতুন পোস্টারে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রাখা হয়েছে।এই ঘটনা এমন সময়ে সামনে এল, যখন দলের অন্দরে একের পর এক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক জন নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সর্বশেষ সেই তালিকায় যোগ হয়েছে মদন মিত্রের নাম। ফলে পোস্টারে অভিষেকের ছবি না থাকাকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়েছে।তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এই ঘটনাকে নতুন করে দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ গত বছরও একুশে জুলাইয়ের প্রচারের পোস্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল না। সেই সময় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই সমাবেশের পোস্টারে শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রাখা হবে। একই ধরনের ঘটনা দুই হাজার তেইশ সালেও দেখা গিয়েছিল।ফলে নতুন পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা যতই বাড়ুক, এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নাকি তার পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, সেই উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একুশে জুলাইয়ের আগে এই পোস্টার যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জুলাই ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal