• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Forecast

রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তি দিতে আসছে ঝাপিয়ে বৃষ্টি

দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি না হলেও আজ বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি বাড়বে তাপমাত্রা ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া। উত্তরবঙ্গে রয়েছে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, মহানগরের আকাশ আংশিক মেঘলাই থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়। আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৭ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯২ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৬ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ করোনা নিয়ে সুখবর শোনালেন হু-র প্রধান বিজ্ঞানীআবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে গোরক্ষপুর ও পুর্ণিয়া হয়ে অসম পর্যন্ত বিস্তৃত। তার প্রভাবেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদা, দুই দিনাজপুরে৷ এছাড়াও, উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘালয়ে হতে পারে প্রবল বৃষ্টিপাত। এছাড়াও সিকিম, বিহারেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শক্তিশালী দক্ষিণা বায়ু কিংবা দক্ষিণ পশ্চিমা বায়ু বঙ্গোপসাগর থেকে যাচ্ছে একেবারে উত্তর-পূর্বে। এই সক্রিয়তা বজায় থাকবে আগামী ২৫ অগস্ট পর্যন্ত।আরও পড়ুনঃ লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ভিখারি বললেন দিলীপ ঘোষঅন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে গরম বাড়ছে, বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। ভারী বৃষ্টি হবে পশ্চিমের বেশকিছু জেলাতে। বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Rain: কেন সকাল থেকে ভিজছে শহর? জানাল হাওয়া অফিস

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্ব ঘোষণা মতোই কলকাতায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কলকাতায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়। বুধবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আপেক্ষিক আর্দ্রতা জন্য অস্বস্তি শুরু হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সেই অবস্থা থাকার পর বৃষ্টি হয়। যদিও তাতে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি।মৌসুমী অক্ষরেখার প্রভাব রয়েছে উত্তরবঙ্গে। গোরক্ষপুর থেকে পাটনা হয়ে অরুণাচলপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা। বিহারের রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে এই বৃষ্টি চলবে।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূরবৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অংশে। কোচবিহারে সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি। মালদায় গঙ্গা বইছে বিপদসীমার উপর দিয়ে। বৃষ্টি শুরু হওয়ায় প্রশাসনের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে সতর্কতা। মানিকচক এলাকায় গঙ্গার জল হুহু করে ঢুকছে গ্রামে। দক্ষিণবঙ্গের পর উত্তরেও বৃষ্টির দাপট বাড়তে থাকায় তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসারআবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুসারে, আগামী ২৪ ঘণ্টা কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় থাকবে মেঘলা আকাশ। এই সময়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বেশ কয়েক দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এই সময়ে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Weather: ১৫ জেলায় সারাদিন চলবে বৃষ্টি

রবিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কলকাতা-সহ বেশ কিছু জেলায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে।ভারী বৃষ্টি না হলেও বজগর্ভ মেঘ সঞ্চার করে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে দিনভর। গাঙ্গেয় পশ্চিম বঙ্গের উপর প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প রয়েছে সেই কারণেই এই বৃষ্টি।আরও পড়ুনঃ বিজেপির সিলেবাস থেকে বাদ পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী! কেন?কলকাতা ছাড়াও বৃষ্টি হবে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের দুএক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বৃষ্টি হলেও গরম খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর। মৌসুমী অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের কারণে গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায়। আলিপুর জানিয়েছে, সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অনেক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সারাদিন মেঘাচ্ছন্ন থাকবে আকাশ। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা এই আবহাওয়া বজায় থাকবে। কলকাতা ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও অবশ্য গরম খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। অন্য দিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৪ শতাংশ ও সর্বনিম্ন পরিমাণ ৬৫ শতাংশ। আলিপুর জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার কারণে চলতি সপ্তাহে বুধবার থেকে চলছে বৃষ্টি। ইতিমধ্যেই হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর, আমতা, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, হুগলির খানাকুলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক বাসিন্দাকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। তবে ওই এলাকায় আর নতুন করে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর।আরও পড়ুনঃ রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপেরবঙ্গোপসাগরের উপরে যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল তা কেটে গেলেও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এখনও জলীয় বাষ্প রয়েছে। সে কারণেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাত চলবে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। টানা বৃষ্টির সম্ভাবনাও ক্ষীণ। দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। বর্তমানে সেখান থেকে ৩৩১০০ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে মিলিত ভাবে ২৯০০০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে ডিভিসি।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকালেই বঙ্গের আকাশে নামল সন্ধ্যের আঁধার

শুক্রবারও সকাল থেকেই আকাশের মুখভার। চারিদিকে ঘনীয়ে আসে ঘন কালো মেঘ। তবে হাওয়া অফিস বলছে ,সকালের দিকে আকাশ কালো করে বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়তেই পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হতে চলেছে। দুপুরের দিকে কোনও কোনও জায়গায় বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার সকালের মধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে তিন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে থাকবে এদিন। তবে সপ্তাহের শেষে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা উত্তরেও।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারবৃহস্পতিবার বিকেলে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়, ৭ অগস্ট শনিবার সকালের মধ্যে কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে সব কটি জেলারই কোথাও না কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ৭ অগস্ট আলিপুরদুয়ারের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আর রবিবার নাগাদ আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং-এ ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। আগামী ৪-৫ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ৬ অগস্ট শুক্রবার সকালের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ৭ অগাস্ট সকালের মধ্যে সবকটি জেলারই কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না।গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপরে ঘূর্ণাবর্ত এখনও অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমী অক্ষরেখা গঙ্গানগর, নারনউল, মধ্যপ্রদেশের ওপরে থাকা নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে বারানসী, গয়া, বাঁকুড়া হয়ে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে এই মৌসুমী অক্ষরেখা ১০ অগস্ট নাগাদ হিমালয়ের পাদদেশের দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় স্বাভাবিকভাবেই হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন জেলা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলেই মনে করছে হওয়া অফিস।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Weather: ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া ফলায় বিদ্ধ রাজ্য

বুধবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। হাল্কা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতও শুরু হয়ে গিয়েছে। হাওয়া অফিসের তরফে পূর্বাভাস ছিলই বুধবার থেকে টানা বৃষ্টির। একদিকে ভ্যাপসা গরম, এই গরমের মধ্যেই বৃষ্টিপাতই স্বস্তি আনবে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সেই মতো শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। একদিকে ঘূর্ণাবর্ত, সঙ্গে রাজ্যের উপর দিয়ে বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা। জোড়া ফলায় শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব উপকূল এলাকায় পড়েছে। পাশাপাশি বীরভূমের শ্রীনিকেতন, ডায়মন্ড হারবারের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানাল হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ ৫ দফা দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি এসএফআই-এরবুধবার উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, পুরুলিয়া, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে বুধবার ভারী বৃষ্টি চলবে। বৃহস্পতিবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি চলবে। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। তার উপর ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হলে জলমগ্ন এলাকায় জল আরও বাড়বে। নিচু এলাকায় জল তো জমে রয়েইছে, সঙ্গে কলকাতায় জল জমে থাকার কারণে যান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Depression: বঙ্গের উপর ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপ

বুধবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত। বৃহস্পতিবারও সারাদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ প্রায় গোটা দক্ষিণবঙ্গেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই পূর্বাভাস আগামী ২৪ ঘণ্টা জারি থাকবে। এ ছা়ড়া আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টা কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ৫আলিপুর জানিয়েছে, বাংলাদেশের খুলনার কাছে অবস্থান করছে গভীর নিম্নচাপ। বৃহস্পতিবার সেটি বাংলার উপর দিয়ে বিহারের দিকে যাবে। তার ফলে বৃহস্পতিবার সারাদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে বলেই পূর্বাভাস। হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়। শুক্রবারও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মতো বৃহস্পতিবারও সারাদিন বৃষ্টি হলে কলকাতার পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৮০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৬৬.৫ মিলিমিটার।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি

সোমবার বিকেল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে শহরে। তবে এবার এই বৃষ্টি আরও বাড়বে, এমনই পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হচ্ছে একটি নিম্নচাপ। যার জেরে দক্ষিণবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার সারাদিন মেঘলা আকাশ ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হলেও বুধবার সকাল থেকেই উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং নদিয়ায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আরও পড়ুনঃ মমতার ক্ষমতায় বিশ্বাসী কমলনাথ৩০ জুলাই পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বুধবার কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায়। অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমে। বৃহস্পতিবার কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমানে। অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানে।শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ক্রমশ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের দিকে। যার জেরে রাজ্যে এর প্রবল প্রভাব পড়বে এবং মুষলধারে বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ। আজ সারাদিনই কালো মেঘে ঢাকা থাকবে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের বৃষ্টিতে ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

রাত থেকেই কোথাও কোথাও বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল। শনিবার সকাল হওয়ার আগেই শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টিপাত। বর্ষার বৃষ্টি নয়, শনিবার নিম্নচাপের জেরেই ভিজবে বাংলা।এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সকাল থেকেই মুখভার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশের। বৃষ্টি হয়ে চলেছে অবিরাম। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে, ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। যার জেরে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই জানান হয়েছে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। নিম্নচাপ ছাড়াও মৌসুমী অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, ওডিশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ৪১ বছর পর নজির, একসঙ্গে ৫ জনের অভিষেক ভারতীয় দলেরাজ্যের সর্বত্র নিম্নচাপের প্রভাব না পড়লেও উপকূল এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ এবং মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া দাপটে আজ সারাদিনই বৃষ্টিতে ভিজবে শহর ও শহরতলি। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থাকায় রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের জেরে ২৬ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে। ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিপাত হবে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে, যা স্বাভাবিকে থেকে ২ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮%, ন্যূনতম ৮৫%।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

ভরা বর্ষার সময় আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গে রয়েছে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি।শুক্রবার আকাশ মেঘলা থাকতেও বর্ষার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ছাড়া প্রবল বর্ষণ হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিল ধীরে ধীরে কমবে বৃষ্টি। যদিও আজ ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস৷ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আর্দ্রতার দাপট বাড়বে। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রির সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৪%, ন্যূনতম ৬২ %।আরও পড়ুনঃ শাপমোচন করতে পারবেন? ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসিবেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনও হতে পারে বলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বেলার দিকে ঝেঁপে বৃষ্টি আসার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃষ্টিপাতের পুর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। যদিও আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তিকর গরমও বাড়বে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-ওডিশা উপকূল লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত ছিল। যার জেরেই সপ্তাহের শুরু থেকে প্রবল বৃষ্টিতে ভিজেছিল রাজ্য। রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। রবিবার দক্ষিণ ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্মচাপের প্রভাব রাজ্যে কতটা পড়বে তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ মধ্য ভারত হয়ে পশ্চিম ভারতের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে মৌসুমী অক্ষরেখাটিও ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে নেমে যাবে, এমনটাই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
কলকাতা

দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতে বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতে রাজ্যে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তার মধ্যেই অবশ্য বর্ষা চলে যাবে বলে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। ভবনের হিসেব বলছে, রাজ্য থেকে বর্ষা ১৪ অক্টোবরের মধ্যে চলে যায়। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি থেকে সাধারণত বর্ষা বিদায় নেয় ১২ অক্টোবর। আরও পড়ুনঃ অনুদান কি শুধু দুর্গাপুজোতেই দেয় সরকার? প্রশ্ন হাইাকোর্টের তবে এ বছর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বর্ষা বিদায় নিতে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ হয়ে যেতে পারে। তারই প্রভাব দুর্গাপুজোয় পড়তে পারে বলে মত আবহাওয়া দফতরের। তবে পুজোর আগে অর্থাত্ বৃহস্পতিবার থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘলা আকাশ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় হতে পারে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি।

অক্টোবর ১৬, ২০২০
কলকাতা

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সম্ভাবনা, রাজ্যে ফের দুর্যোগের আশঙ্কা

কলকাতাঃ পুজোর আগে দক্ষিণবঙ্গের আকাশে ফের দুর্যোগের ঘনঘটা। কারণ, সপ্তাহান্তে নিম্নচাপের সম্ভাবনা রয়েছে বলেই আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের। তার ফলে শনি এবং রবিবার ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ঘূর্ণাবর্ত সরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও ওড়িশা উপকূলে আসবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তা নিম্নচাপে পরিণত হবে। তার প্রভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে উত্তরবঙ্গ-অসমের উপরেও। তার প্রভাবে অরুণাচল, অসম, মেঘালয়, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা-সহ উত্তর পূর্ব ভারতের সব রাজ্যে আগামী চার-পাঁচদিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে আলিপুর আব হাওয়া দফতরের তরফ থেকে।

অক্টোবর ০১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal