• ১ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Attack

কলকাতা

বাংলায় ৮ দফা ভোট নিয়ে প্রশ্ন মমতার

পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে কেন একদিনে নির্বাচন? বাংলার ২৯৪ আসনের ভোট কেন ৮ দফায়? পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানালেও এই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচনকে সামনে রেখে গোটা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য তৃণমূলের তরফে ১২ জনের একটি দল তৈরি হয়েছে বলে জানান দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটের অন্তিম ঘণ্টা বাজিয়ে শুক্রবারই বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে এক দফায় ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে। তবে ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ৮ দফায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে একদফায় ভোট হলে, কেন বঙ্গে এত বেশি দফায় ভোট?নির্বাচন কমিশনের দিকে সরাসরি এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরও প্রশ্ন, কাকে সুবিধা করে দিতে এত দফা? নাম না করে কমিশনের এই সিদ্ধান্তেও বিজেপির যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিযোগ, বাংলার নির্বাচনে কমিশনের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যে তালিকা তিনি বিজেপি পার্টি অফিসে দেখেছিলেন, সেটাই আজ প্রকাশ্যে এল। মমতার আরও অভিযোগ, বিজেপি সব ভাগাভাগি করছে, ভোটের দফাতেও হিন্দু-মুসলিম ভাগ করছে। তবে বিজেপির এসব চক্রান্ত জনতাই ব্যর্থ করে দেবেন বলেও আত্মপ্রত্যয়ী সুরে জানিয়েছন তৃণমূল সুপ্রিমো।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

স্কুটি নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী, কী বললেন শুভেন্দু-রাজীব!

পেট্রল-ডিজেল-রান্নার গ্যাসের গাড়িতে মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে স্কুটার চেপে নবান্ন গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির দুই নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।ব্যারাকপুরের সভা থেকে তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, আজ একটা নাটক দেখেছেন সকাল বেলায়। মাননীয়া স্কুটি চেপে গিয়েছেন নবান্নে। ৬০টা মোটর সাইকেল ছিল। তার মধ্যে দুটি ছিল ব্যাটারি চালিত। ৫৮টা পেট্রল চালিত। পেট্রল দেওয়া গাড়ি নিয়ে গিয়েছেন নাটক করতে। পেট্রলের ৩৬ টাকা আপনি নিচ্ছেন, একটাকা ছাড় দিলেন কেন পুরো ৩৬ টাকা ছাড় দেন। তাহলে তো বলব মাননীয়া মানবিক। কম পয়সায় পেট্রল ও ডিজেল দিতে চাইছেন। আসল কথা হল ভোটের আগে গিমিক।ব্যাটারি চালিত স্কুটি প্রসঙ্গে সমালোচনা করতে গিয়ে কলকাতার বিদ্যুৎ পরিচালন সংস্থার বিল নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, স্কুটি চালিয়েছেন ব্যাটারিতে। ব্যাটারি চার্জ হয় ইলেকট্রিকে। আপনার আমলেই সব থেকে বেশি ইলেকট্রিকের বিল দিতে হয়।এদিন বিকেলে হাওড়ার গোলাবাড়িতে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রীর স্কুটিযাত্রাকে কটাক্ষ করেন বিজেপি নেতা রাজীব বন্দোপাধ্যায়। রাজীব বন্দোপাধ্যায় বলেন, দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে হলে রাজ্যের ট্যাক্স কমিয়ে দিলে মানুষের উপকার হবে। এইভাবে কয়েক ঘণ্টা রাস্তা আটকে বহু বাইক ও গাড়ি নিয়ে মিছিল করে কিছুই হবে না।পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে রাজীব বলেন, তৃণমূলের গোড়া কেটে দেব। মাথা কাটার দরকার নেই, গোড়া কেটে দিলেই কাজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি, বিজেপির গোড়া শক্ত করতে দল যা করতে বলবে সব কিছুই করবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

এসএসকেএম-এ জাকির, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা মমতার

বোমাবাজিতে আহত খোদ রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেন।তাঁকে দেখতে এসএসকেএমে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। খোঁজ নিলেন মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার। ঘটনার জন্য কেন্দ্রকে তোপও দাগেন মমতা। বলেন, জাকিরের ভাগ্নে বলেছে রিমোটে বোমা ফাটানো হয়েছে। পুরোটাই পরিকল্পনামাফিক। জাকির কমিটেড ছেলে। ওকে কদিন ধরেই দল ছাড়তে বলছিল কেউ কেউ। একসঙ্গে ৩০-৪০ জন থাকে সবসময়। তাই গুলি করে লাভ হবে না বুঝেই বোমা ছুঁড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গুরুতর জখমদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। সামান্য আহতরা পাবেন ১ লক্ষ টাকা।বিস্ফোরণের ঘটনায় মন্ত্রীর হাতের একটি আঙুল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি পায়ের একাধিক জায়গায় স্প্লিন্টারের আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।উল্লেখ্য, বুধবার রাতে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী জাকির হোসেনকে লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ঘটনার তদন্তের দাবিতে সবর হয়েছিল সবমহল। বৃহস্পতিবার ঘটনার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। বিস্ফোরণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে নিমতিতা স্টেশনে গিয়েছে বম্ব স্কোয়াডের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। ঘটনাস্থলে যাবে সিআইডি। সেই কারণে ফরাক্কা-জঙ্গিপুর আজিমগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে নিমতিতা স্টেশন চত্বর। মন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে দশটা থেকে জঙ্গিপুরের ওমরপুর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। এই ঘটনার রেলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। প্রশ্ন করা হচ্ছে, মন্ত্রীর যাত্রার কথা থাকা সত্ত্বেও কেন যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হল না। সব মিলিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জারি চাপানউতোর।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
কলকাতা

শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা

তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষের জেরে উত্তেজনা ছড়াল ফুলবাগান থানা এলাকার কাঁকুড়গাছিতে। শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা ও উত্তর কলকাতার জেলা বিজেপি সভাপতি শিবাজি সিংহরায়। ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে স্থানীয় বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ সাউয়ের উপর হামলা হয়। বুধবার রাতে তার প্রতিবাদে জনসভা করেন শুভেন্দু। এরপর ডেপুটি কমিশনারের অফিসে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। অভিযোগ, সেই মিছিল ফুলবাগান মোড় থেকে ৪০০ মিটার পেরোতেই ইট, লোহার রড নিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। ইটবৃষ্টির মাঝেই শুভেন্দু অধিকারী গাড়ি ঘুরিয়ে ডিসি (ইএসডি)-র অফিসের দিকে চলে যান। সেখানেও বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। জখম হন শঙ্কুদেব পণ্ডা ও উত্তর কলকাতার জেলা বিজেপি সভাপতি শিবাজি সিংহরায়-সহ অনেক বিজেপি কর্মী। তৃণমূলের পালটা অভিযোগ, বিজেপি হামলা চালিয়েছে। ঘটনার জেরে পরেশ পালের নেতৃত্বে ডিসি অফিসের সামনে বিক্ষোভ চলে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

বোমার আক্রমণে জখম খোদ রাজ্যের মন্ত্রী হাসপাতালে, উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

বোমাবাজিতে জখম হলেন খোদ রাজ্যের মন্ত্রী। শ্রম দফতরের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, তাঁর হাতের আঙুল উড়ে গিয়েছে। তাঁকে প্রথমে জঙ্গীপুর সুপার স্পেশালিটি হাসাপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। তারপর তাঁকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তাঁর সঙ্গী বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। মন্ত্রীর ওপর বোমাবাজির ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জেলা পুলিশ সুপারের কাছে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আবেদন করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি আবু তাহের।জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জাকির হোসেন নিমতিতা রেল স্টেশনে যান কলকাতা যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেন ধরতে। নিজের গাড়ি থেকে নেমে তিনি সমর্থকদের সঙ্গে হাঁটছিলেন। জাকিরবাবু জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁর অনুগামীরা। তখন হঠাতই বোমার আওয়াজে নিমতাতা স্টেশনের দুনম্বর প্লাটফর্ম কেঁপে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে চিতকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। বোমার আঘাতে জখম রাজ্যের মন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় জঙ্গীপুর হাসপাতালে। সেখান প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে মন্ত্রীকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়।মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের সভাপতি আবু তাহের বলেন, কে কারা এই বোমাবাজির ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। আমার সঙ্গে তিনি বিকেল পর্যন্ত ছিলেন। তিনি ব্যবসায়ী, সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। পুলিশ সুপারকে বলা হয়েছে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করতে।এদিকে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এই ঘটনার জন্য তৃণমূলকেই দায়ী করেছে। সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে তৃণমূলের মন্ত্রীরাও বাদ যাচ্ছেন না। দুদিন আগেই আমাদের উত্তর ২৪ পরগনার নেতা বাবু মাস্টারের ওপর বোমাবাজি হয়েছে। এদিন খোদ মন্ত্রীর ওপর হামলা হল। কীভাবে এরাজ্যে শান্তিতে নির্বাচন সম্পন্ন হবে সেটাই চিন্তার বিষয়।এদিকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, জাকির হোসেনের মত ভাল মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসে কখনও থাকতে পারেন না। এই দলে মন্ত্রীর ওপর হামলা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজ্য

মালদায় তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে দুষ্কৃতী হামলা

ইংরেজবাজারের তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সশস্ত্র দুষ্কৃতীর হামলা। ভাঙচুর করা হলো বিধায়কের বাড়ির আসবাবপত্র এবং অফিস ঘরের যাবতীয় সামগ্রী । আর এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলার যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের। এই দুইজনের বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র দুষ্কৃতী নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক নিহার ঘোষ । সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে মালদা শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বেলতলা এলাকায় । সেখানে রয়েছে তৃণমূল বিধায়ক নিহার ঘোষের বাড়ি এবং দলীয় কার্যালয় । গভীর রাতে সশস্ত্র দুষ্কৃতী দল অতর্কিতে বিধায়কের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বিধায়ক নিহার ঘোষ এবং তার স্ত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার গায়ত্রী ঘোষের অভিযোগ, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের নেতৃত্বে এদিন তাদের বাড়িতেই বাঁশ,লাঠি, হাঁসুয়া নিয়ে সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে সমস্ত আসবাবপত্র । এমনকী, বাড়িতে ঢুকে তাদেরকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ।এদিকে রাতে এই গোলমালের ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয় মালদা শহরে বিনয় সরকার রোড সংলগ্ন বেলতলা এলাকায় । খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার আইসি মদন মোহন রায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয় । ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুরো ঘটনার ব্যাপারে বিধায়ক নিহার ঘোষ এবং তার স্ত্রী গায়ত্রী ঘোষ সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর কথা রাতেই জানিয়েছেন।বিধায়ক নিহার ঘোষের অভিযোগ, কিছুদিন আগে তাঁর পিতৃবিয়োগ হয়েছে।এনিয়ে তিনি শোকার্ত। কিন্তু এদিন হঠাৎ করে প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের নেতৃত্বে তাঁর বাড়িতে একশোরও বেশি দুষ্কৃতী নিয়ে হামলা চালানো হয় । ওরা বাড়িতে ঢুকে চেয়ার, টেবিল সমস্ত জিনিস ভাঙচুর করে । ইংরেজবাজার থানার আইসি মদনমোহন রায় জানিয়েছেন, বিধায়কের বাড়িতে হামলার খবর শোনার পরই তদন্ত করা হয়েছে। আমাদের খুব খারাপ লাগছে কিছুদিন আগেই বিধায়কের বাবা প্রয়াত হয়েছেন। উনি এমনি মর্মাহত রয়েছেন। তারপরেই এই হামলা ঘটনা কারা চালিয়েছে, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। একটি সিসিটিভির ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে। সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১
রাজ্য

"তোদের খেলা তো হয়ে গিয়েছে, আমরা খেলব তোরা দেখবি", হুঁশিয়ারি দিলীপের

রবিবার পরিবর্তনের রথ চন্দ্রকোনার গাছশীতলা মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে কেশপুর ব্লকের বিভিন্ন জায়গা ঘোরে পাছখুরি হয়ে কেশপুর বাজারে এসে পৌঁছয়। পরিবর্তন যাত্রার রথ দেখতে সেখানে প্রচুর মানুষ ভিড় করেন।কেশপুরের খেতুয়া থেকে বাইক রেলির মধ্য দিয়ে বিজেপি কর্মীরা পাছখুরি বাজার এলাকায় রথকে স্বাগত জানান। এদিন কেশপুর উত্তর মণ্ডলের পক্ষ থেকে পাছখুরি বাজার এলাকায় একটি পথ সভারও আয়োজন করা হয় । কেশপুরের পরিবর্তন যাত্রায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, রাম নামে সমস্ত দলের কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন দিদির দূত বেরিয়েছে। তৃণমূলের সেইসব দূত যখন আপনাদের পাড়ায় যাবে, তখন আপনারা ঝাঁটা নিয়ে বিতাড়িত করে পশ্চিমবাংলা থেকে তৃণমূল নামক লিমিটেড কোম্পানিকে উৎখাত করেবেন। এখন বাংলার রাজনীতি খেলা হবে নিয়ে সরগরম। তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম কেউ খেলার কথা বলতে ছাড়ছে না। এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, স্লোগান দিচ্ছে খেলা হবে, খেলা হবে। আমরাও বলছি খেলা হবে। পরিবর্তন হবে। বিজেপির সরকার হবে। এখন থেকে চিৎকার করে আওয়াজ দেওয়া হচ্ছে খেলা হবে। তোরা কী খেলবি। তোদের খেলা তো হয়ে গিয়েছে। আমরা খেলব তোরা দেখবি। দেখার জন্য প্রস্তুত হও। হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেন, এবারের খেলায় দিদির ভাইদের শুনিয়ে রাখছি। এখনও দু-তিন মাস সময় আছে যেন ভদ্রলোক হয়ে যায়। নাহলে ভোটের আগে হাসপাতাল পাঠাব। আমি এখানে ঘোষণা করছি ক্যামেরার সামনে।এদিন রাস্তাঘাট উন্নয়ন সহ কৃষকদের উন্নয়ন করার লক্ষ্যে কার্যত বিজেপিকে রাজ্যে নিয়ে আসার আহ্বান জানান দিলীপ ঘোষ। কেশপুর বাজারে কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসকে হু্ঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভোটের দিন যে সমস্ত দিদির চামচারা ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করতে আসবে, তারা যেন বাড়িতে বলে আসে তাদের আর ফেরা নাও হতে পারে l রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ২০১১ তে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময় যা দেনার পরিমাণ করেছিল, তার থেকে ১৫০ গুণ বেশি এই সরকার ১০ বছরে দেনা করেছে। তিনি বলেন, যে বাংলার স্বপ্ন স্বামী বিবেকানন্দ, সুভাষচন্দ্র বসুরা দেখেছেন, সেই স্বপ্ন সত্যি করতে একবার বিজেপিকে পাঁচ বছরের জন্য সুযোগ দিন। যদি দেখেন আমরা কাজ করতে পারলাম না, তখন আপনারা আবার পাল্টে দেবেন l

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
কলকাতা

বাবু মাস্টারের উপরে হামলায় উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনা

বিজেপি নেতা ফিরোজ কামাল গাজি ওরফে বাবু মাস্টারের উপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার রাজনীতি। কিছুদিন আগেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া আরেক নেতা মণীশ শুক্লাকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা। এবার আরেক দলবদলু নেতার উপর হামলা। বিজেপির অভিযোগ, বাবু মাস্টারকেও একইভাবে সরানোর চেষ্টা করছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি।বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি, বাবু মাস্টার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁর উপর হামলার ছক কষা হচ্ছিল। পুলিশকে দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছিল। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন। হতে পারে গতকালের এই হামলা জ্যোতিপ্রিয়ই করিয়েছেন। অর্জুন সিংয়ের এই অভিযোগ স্পষ্টতই খারিজ করে দিয়েছেন তৃণমূলের উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, এটা নব্য বিজেপির সঙ্গে পুরনো বিজেপির লড়াইয়ের জের। দীর্ঘদিন ধরেই বাবু মাস্টারের অনেক শত্রু রয়েছে। একটা সময় সিপিএমের গৌতম দেবের ডান হাত ছিলেন বাবু। তখন থেকেই তাঁর অনেক শত্রু। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বিজেপিতে যোগদান করেন ফিরোজ কালাম গাজি ওরফ বাবু মাস্টার নামের ওই ব্যক্তি। শনিবার বসিরহাটে সাংগঠনিক বৈঠক সেরে কলকাতা যাচ্ছিলেন তিনি। মিনাখাঁ থানার কাছে লাউহাটি মোড় এলাকায় পৌঁছতেই তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম হন কালাম গাজি। ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাঁর গাড়ি। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। সেখান থেকে তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বাবু মাস্টারের দেহ থেকে একাধিক বোমের স্প্লিন্টার বের করা হয়েছে। তবে, আপাতত তিনি বিপদমুক্ত। রাতে তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি নেতারা।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
দেশ

জইশের নিশানায় অজিত ডোভাল, জারি কড়া সতর্কতা

পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের নিশানায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হওয়া জইশ-ই-মহম্মদের এক জঙ্গিকে জেরা করার পরই সামনে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।গত ৬ ফেব্রুয়ারি হিদায়তউল্লা মল্লিক নামের ওই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয় জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান থেকে। তার কাছ থেকে অজিত ডোভালের অফিসের রেকি করার ভিডিওটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিয়েছে সে। জেরার মুখে নিজের কীর্তির কথা সবিস্তারে জানিয়েছে ধৃত জঙ্গি। ২০১৯ সালের ২৪ মে শ্রীনগর থেকে বিমানে নয়াদিল্লিতে আসে হিদায়ত। কেবল ভিডিও তোলাই নয়, পাশাপাশি সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখে সে। পরে তার তোলা ভিডিওটি সে হোয়াটসঅ্যাপে পাকিস্তানে পাঠিয়েও দেয়। নিজের পাক প্রভুকে ডক্টর বলে উল্লেখ করেছে ধৃত। পাকিস্তান থেকে কারা নির্দেশ দিত, সে সম্পর্কেও বহু তথ্য ফাঁস করেছে সে। দশটি ফোন নম্বর ছাড়াও তাদের নাম, সাংকেতিক নামও জানিয়েছে হিদায়ত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২১
রাজ্য

রাসমেলা ময়দান থেকে মমতাকে খোঁচা অমিত শাহর

কোচবি্হারের মাটিতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রীতিমতো কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। খোঁচা দিয়ে বললেন, দিদি লোকসভা নির্বাচনের আগে আমাদের শূন্য দিচ্ছিলেন, এখন নিজেই নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে লড়বেন না ওখানে লড়বেন, নাকি দুটি আসনে লড়বেন। বুঝে উঠতে পারছেন না। কোচবিহারের রাসমেলার ময়দান থেকে তিনি গগনভেদী জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। বলেন, এত জোরে ধ্বনি তুলুন সবাই। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তাঁর খোঁচা, রামনাম উচ্চারণ করে গর্ববোধ করেন। কিন্তু মমতাজির তাতে আপত্তি। কারণ, উনি তোষণের রাজনীতি করেন। তবে ভোট শেষ হতে হতে আপনিও জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলবেন।রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, শুভেন্দুর বিজেপিতে যোগদানের পর দুই মেদিনীপুর তথা জঙ্গলমহল এলাকায় দলের যাতে ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই নন্দীগ্রামে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন মমতা। কিন্তু অমিত শাহ তার ব্যাখ্যা দিলেন নিজের মতো করে। বলে দিলেন, নিজের জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত নন বলেই নিজের জন্য নিরাপদ আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোচবিহারের সভা থেকে তাঁর খোঁচা,লোকসভা ভোটের আগে আমরা বলেছিলাম রাজ্যে আমরা কুড়িটির বেশি আসন জিতব। দিদি আমাদের বলেছিলেন আমরা নাকি শূন্য পাব। আজ উত্তরবঙ্গ থেকে রাজু সিং বিস্তা, নিশীথ প্রামাণিকরা সাংসদ হয়ে গিয়েছেন। আর আপনি নিজের জন্য আসন খুঁজে বেড়াচ্ছেন। এখানে দাঁড়াবেন না ওখানে দাঁড়াবেন, এক জায়গায় লড়বেন না দুই জায়গায় লড়বেন, বুঝতেই পারছেন না।#WATCH | Mamata didi keeps on quarrelling with Modi ji, she even quarrelled during Subhash babus program. It was Subhash babus event, you could have refrained from politics there: Union Home Minister Amit Shah in Coochbehar pic.twitter.com/iCFWzW65ou ANI (@ANI) February 11, 2021

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজ্য

'বাংলাকে কলঙ্কিত করছেন ভাইপো'

পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করতে এসে বীরভূমের চিল্লার ময়দানে জনসভা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সেখান থেকে তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করছে। কুকথা নিয়ে তৃণমূলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। দিন কয়েক আগে কাঁথির জনসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে কুকথা বলেছিলেন অভিষেক। রীতিমতো তুই-তোকারি করেছিলেন তিনি। এবার সেই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করলেন নাড্ডা। তাঁর কথায়, ভাইপো সভায় দাঁড়িয়ে এমন ভাষা প্রয়োগ করছেন, তা তো মুখে আনা যায় না। সকলের নামের সঙ্গে কোনও না কোনও বিশেষণ জুড়ে দিচ্ছেন। এটা কি বাংলার সংস্কৃতি? এরপরই তাঁর কটাক্ষ, সস্তায় ক্ষমতা পেয়েছেন তো, তাই মস্তি করছেন।নাড্ডার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলার সংস্কৃতি সংকটে পড়েছে। তৃণমূল সকলকে বহিরাগত বলছে। ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই বাঁধানো হচ্ছে। তাই রাজ্যে সরকার বদলের ডাক দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলায় বদল হচ্ছে। তাই তিনি বারবার এ রাজ্যে আসবেন।বাংলা ওঁর মনে রয়েছে। কখনও তিনি খালি হাতে এখানে আসেন না। তুলে ধরেন এবার সাধারণ বাজেটে বাংলার প্রাপ্তির কথা। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন নাড্ডা। জানতে চান, এত ভয় কীসের দিদি? কেন্দ্রের প্রকল্প রাজ্যের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তৃণমূলের স্লোগান নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর কথায়, মায়ের কোনও চিহ্ন নেই এ দলে। মাটির প্রতি মমতা নেই। মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতাও নে্ই এই সরকারের।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
দেশ

মোদির টুইট খোঁচা

রবিবারই রাজ্যে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রথমবার হলদিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন রাজনৈতিক সভায়। সেই মঞ্চ থেকে একের পর এক ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় তোপ দেগেছেন তিনি। তবে সেখানেই শেষ নয়। হলদিয়া থেকে ঘুরে যাওয়ার পর ফের টুইটে বাংলার সরকারকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি নরেন্দ্র মোদি।সোমবার রাতের দিকে ওই টুইটটি করেন নরেন্দ্র মোদি। তাতে তিনি লেখেন, বাংলার মানুষ দুর্নীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এছাড়া ওই টুইটে হলদিয়ায় রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে রাখা বক্তব্যের একটি অংশও তুলে ধরেন মোদি। ভিডিওর শুরুতেই বাংলা ভাষায় বক্তৃতার অংশটি শোনা যায়। বাংলার সংস্কৃতির কথাও তাঁর টুইট করা ভিডিওতে শোনা গিয়েছে। হলদিয়া ঠিক কোন কোন ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ সেকথাও তুলে ধরেন তিনি। তবে তারপর থেকেই শুরু হয় আক্রমণ। কেন বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বাম-কংগ্রেসের মতোই তৃণমূলের শাসনকালে রাজ্যে উন্নয়ন হয়নি বলেই দাবি তাঁর। সরাসরি নাম করে ওই ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিতেও শোনা যায়। মমতার বদলে বাংলার মানুষ নির্মমতার শিকার হয়েছেন বলেই দাবি করেন মোদি। এছাড়াও একাধিক ইস্যুতে বাংলার সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।The emerging message from West Bengal is- they have faith in politics of development, not politics of corruption and criminalisation. pic.twitter.com/odyxYj8vFJ Narendra Modi (@narendramodi) February 8, 2021

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
কলকাতা

হলদিয়ায় চেনা অস্ত্রে রাজ্যসরকারকে আক্রমণ মোদির

হলদিয়ার জনসভা থেকে ফের চেনা অস্ত্রে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র তৃণমূল সরকারের রাজনৈতিক দূরভিসন্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি, আয়ুষ্মান ভারতের মতো জনকল্যাণ মূলক প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসী পাননি। মোদির ঘোষণা, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই চালু করা হবে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্প। শুধু তাই নয়, তৃণমূল সরকারের বাধার জন্য রাজ্যের লক্ষ লক্ষ কৃষক যে দুবছরের কিষাণ সম্মান নিধির টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সেটাও দেওয়া হবে রাজ্যবাসীকে।হলদিয়ার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, বাংলার গরিবরা কি শুধু ভোট নেওয়ার জন্য? এটা সেই সরকার, যারা বিপদের সময়ও দুর্নীতির রাস্তা খোঁজে। আম্ফানের সময় মানুষের সাহায্যের জন্য কেন্দ্র যে টাকা পাঠিয়েছে, সেটা নিয়ে এঁরা কি করেছে তা সকলেই জানে। কেন্দ্রের দেওয়া বিনামূল্যে রেশনও এখানকার গরিবদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেনি রাজ্য। আমাদের ভাগ্য ভাল যে বাংলার ৪ কোটি মানুষের জনধন অ্যাকাউন্ট ছিল। সেজন্যই সরাসরি কেন্দ্র টাকা দিতে পেরেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার খুব কষ্ট হয়, করোনার এই কঠিন সময়েও বাংলার লক্ষ লক্ষ কৃষক কোটি কোটি টাকা পাননি। করোনার সময় দেশের লক্ষ লক্ষ কৃষক কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার আওতায় হাজার হাজার কোটি টাকা পেয়েছেন। এর মধ্যে বাংলারও লক্ষ লক্ষ কৃষক থাকতে পারতেন। কিন্তু এখানকার একজন কৃষকও এই সুবিধা পাননি। কারণ, এখানকার সরকার এই যোজনায় যুক্তও হয়নি। বাংলার মানুষ ওদের সরিয়ে দেবে এটা বুঝতে পেরেই কদিন আগে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কেন্দ্রকে সম্মতি দিয়ে চিঠি লিখেছে। কিন্তু এঁরা চায় না সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা যাক। ইতিমধ্যেই বাংলার ২৫ লক্ষ কৃষক রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছেন। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার কৃষকের নাম এঁরা জমা দদিয়েছে। সেই ৬ হাজার কৃষকেরও ব্যাংক ডিটেল কেন্দ্রকে এখনও দেয়নি রাজ্য সরকার। মা-মাটি-মানুষের কথা বলে অথচ তাঁর সংবেদনহীনতা গোটা রাজ্য দেখেছে। কারা কৃষকদের নাম নিয়ে রাজনীতি করছে, আর কারা কৃষকদের সমস্যার সমাধান করছে, গোটা দেশের লোক দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

মোদি সরকারকে তোপ অমিত মিত্রর

সেস বৃদ্ধি নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। একইসঙ্গে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য বাজেটে যা যা প্রকল্প প্রস্তাব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তার জন্য কেন্দ্রের অনুদানও নিজের দক্ষতায় জোগাড় করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার ফল পাবে রাজ্যবাসী।কোনও জিনিসের বিক্রয়মূল্যের উপর কর নেয় রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকার। কিন্তু সেই একই জিনিসের বিক্রয়মূল্যের উপর সেস বসানো থাকলে সেই অংশটুকু সম্পূর্ণরূপে যায় কেন্দ্রের ঘরে। এই ইস্যু তুলেই আক্ষেপের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র সরকার বারবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেস ও সারচার্জ বাড়াচ্ছে। মোদি সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছিল তখন রাজ্য থেকে কেন্দ্রের মোট রাজস্বের ৮ শতাংশ সেস হিসাবে যেত। এখন সেটা বেড়ে ১৬ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যগুলোকে এই বঞ্চনা আমাদের মেনে নিতে হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্র কেন সেস বৃদ্ধি করবে। এতে তো রাজ্যের করে ঘাটতি।কেন্দ্র রাজ্য থেকে করের যে টাকা কেটে নিয়ে যায়, তার ৪১ শতাংশ ফেরত দেয় রাজ্যকে। অর্থমন্ত্রীর অভিযোগ, সেই টাকাও তারা দিচ্ছে না। তাঁর কথায়, গত বছর রাজ্যের যা পাওনা ছিল তার মধ্যে ১৭ হাজার কোটি টাকা কম দিয়েছে। এ বছরও ১০ হাজার কোটি টাকা কম দেবে বলে আশঙ্কা করছি। তাঁর কথায়, সব বিরোধী দল প্রশ্ন করছে টাকা আসবে কোথা থেকে? বাজেট দেখলে বুঝতে পারবেন অর্থ দপ্তরের হাতে ১২ হাজার কোটি টাকা আছে খরচ করার জন্য। এ ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী নিজে পরিকল্পনা খাতে ব্যয়ের জন্য পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের কাছে প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলেন। তা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হয়েছিল। ফলে রাজ্যের দাবিদাওয়া কেন্দ্রের বাজেটে অনুমোদন করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

কারচুপি করেছে রাজীব, বিস্ফোরক মমতা

দলীয় কর্মিসভা থেকে সদ্য দলত্যাগীদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। বন সহায়ক পদে চাকরি নিয়ে কারচুপির অভিযোগে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে মমতাকে পাল্টা বিঁধেছে বিজেপি। দলে থাকাকালীন কেন একথা মনে পড়ল না, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের।মাসকয়েক আগে অষ্টম শ্রেণি পাশে বন সহায়ক পদে প্রচুর কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। অষ্টম শ্রেণি পাশের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষিতরাও আবেদনপত্র জমা দেন। শুধুমাত্র ইন্টারভিউর মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় লাইনও পড়ে বিস্তর। এই শূন্যপদ নিয়ে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডের সভা থেকে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না-করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। কারণ, সেই সময় তৃণমূলে ছিলেন রাজীব। ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রীও। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। এর আগে একাধিকবার দলবদলকারী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অতিরিক্ত লোভ এবং টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কায় দলবদলের সিদ্ধান্ত বলেও দাবি করেছেন। তবে এই প্রথমবার এহেন বিস্ফোরক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
কলকাতা

মমতাকে আক্রমণ স্মৃতির

ডুমুরজলার মঞ্চ থেকে নাম করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বাংলার দুর্ব্যবস্থার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করেন তিনি। সভামঞ্চে বিজেপি সাংসদের নিশানায় ছিলেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, কেন বাংলার গরিব মানুষের এই অবস্থা জবাব দিন দিদি। আপনাকে জবাব দিতেই হবে? তিনি বক্তব্য রাখতে উঠে বাংলায় বেশ কিছু বক্তব্যও রাখেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
দেশ

এটা শুধুই ট্রেলার, উদ্বেগে তদন্তকারীরা

দিল্লিতে ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে ঘটা বিস্ফোরণ ট্রেলার মাত্র। এই ঘটনা অনেক বড় মাপের কোনও ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত। এমনটাই মনে করছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলো। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনস্থলে ফরেনসিক তদন্তের পর উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিস্ফোরণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইইডি-তে আরডিএক্স থাকলে বিস্ফোরণে আরও বেশি ক্ষতি হতে পারত। স্প্লিন্টার হিসেবে বোমাটিতে ছিল বল বিয়ারিং। এছাড়া, বিস্ফোরণস্থলের কয়েকহাত দূরেই একটি ক্যামেরা, আধপোড়া লাল রঙের স্কার্ফ ও একটি চিঠি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। চিঠিটি ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে লেখা হয়েছিলও বলে খবর।জিন্দাল হাউসের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ট্যাক্সিতে আসা দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাদের খোঁজে ট্যাক্সিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই বিস্ফোরণ আসলে বড় কোন নাশকতার ট্রেলার মাত্র বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।বিস্ফোরণের পর ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রন মালকা জানিয়েছেন দূতাবাসের সমস্ত কর্মীরা সুরক্ষিত আছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
দেশ

লালকেল্লার তাণ্ডবে ষড়যন্ত্র দেখছেন কৃষকরা

সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় কৃষকদের তাণ্ডবের নেপথ্যে এবার এক বিজেপিপন্থী অভিনেতার হাত রয়েছে বলে দাবি বিক্ষোভকারী কৃষকদের। তাঁদের দাবি, পঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দীপ সিধুর উস্কানিতেই দিল্লিতে যাবতীয় অশান্তি ঘটেছে। এর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কাজ করছে বলেও দাবি করছেন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন নামের এক কৃষক সংঠনের নেতা।বিকেইউ নেতা রাকেশ টিকাইত দাবি করেছেন, আমরা লালকেল্লায় যেতে চাইনি। অশান্তি যারা ছড়িয়েছে তাঁরা রাজনৈতিক দলের সদস্য। আমরা তাঁদের শনাক্ত করতে পেরেছি। কৃষকদের আন্দোলনকে কলুষিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরই ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের হরিয়ানা ইউনিটের প্রধান গুরনাম সিং চাড়ুনি দাবি করেছেন,পঞ্জাবি গায়ক দীপ সিধুর নেতৃত্বেই কৃষকদের একটি দল লালকেল্লায় গিয়েছিল। ওই হিংসায় উস্কানি দিয়েছে। কৃষকদের দাবি, দীপ সিধুর বিক্ষোভে যোগ দেওয়া নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি ছিল তাঁদের। দীপ আসলে বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেতা সানি দেওলের ঘনিষ্ঠ। গত লোকসভা ভোটে বিজেপির হয়ে প্রচারও করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ আছে বলে দাবি কৃষকদের।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

'ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বদলা নেব', হুঁশিয়ারি অভিষেকের

বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী আক্রমণের ঝাঁঝ ক্রমশই বাড়ছে। বিজেপির তরফে বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করা হচ্ছে। রবিবার কুলতলির সভা থেকে পাল্টা বিরোধীদের আক্রমণের জবাব দিলেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ। এদিন সভার শুরু থেকেই বিরোধী গেরুয়া শিবিরকে তোপ দাগেন অভিষেক। প্রথমেই যতই নাড়ো কলকাঠি, নবান্নে আবার হাওয়াই চটি, স্লোগান দিয়ে সভা শুরু করেন তিনি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণে সরব হন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, জিএসটির টাকা আটকে ভাতে মারতে চাইছে কেন্দ্র। বারবার বিরোধী বিজেপি স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে খোঁচা দিয়েছে। আরও একবার পাল্টা তার খোঁচা দেন অভিষেক। তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষরা বলছেন স্বাস্থ্যসাথী আসলে ভাঁওতা। আবার ওনার পরিবারের লোকেই গিয়ে কার্ড নিচ্ছে। উন্নয়ন ও পরিসংখ্যানের নিরিখে লড়াই হোক। ১০-০ গোলে হারাতে না পারলে রাজনীতিতে পা রাখব না। এরা উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে পারে না। যত আক্রমণ করা হচ্ছে আমাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগে আমার সঙ্গে লড়ুন। ভাইপো না বলে আমার নাম উচ্চারণ করে দেখান। কড়ায় গণ্ডায় সব বুঝিয়ে দেব। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বদলা নেবো। তৈরি থাকো।দলবদলের পর থেকে বারবার একাধিক সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না-করে তোলাবাজ ভাইপো বলে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই ইস্যুতেও এদিন শুভেন্দুকে একহাত নেন অভিষেক। তিনি বলেন, তোমাকে টিভিতে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে। আর তুমি আমাকে তোলাবাজ বলছো? সুদীপ্ত সেন বলেছিলেন তিনি শুভেন্দুকে টাকা দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারীকে ৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। ১০ বছর খেয়ে মধু মীরজাফর এখন সাজছে সাধু। সুদীপ্ত সেন আদালতকে চিঠিতে লিখেছিলেন। এমন প্রমাণ আমার বিরুদ্ধে নেই। সুদীপ্ত সেনকে ব্ল্যাকমেল করতেন শুভেন্দু অধিকারী। আমি প্রমাণ দিয়েছি, আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে পারবে? প্রমাণ দিতে পারলে ফাঁসির মঞ্চে মৃত্যুবরণ করব। টিভির পর্দায় টাকা নিয়েছ আর ভাইপো তোলাবাজ? পরিবারতন্ত্র ইস্যুতে গেরুয়া শিবিরের অভিযোগের পাল্টা জবাব দেন অভিষেক।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজ্য

জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গতকালই রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে নিজের রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। সুত্রের খবর সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নাড্ডা-সহ অন্য বিজেপি নেতাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্যের পুলিশ। রাজ্যপালের এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে হাজিরা দেওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সুত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ চলতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, রাজ্যের নিরাপত্তার দায় মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য কোনও ভিআইপির নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরেন্দ্রর কাছে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হবে। রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হলে তাঁদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হতে পারে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও সুত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal